বুধবার, ২১ এপ্রিল, 2০২1
প্রতারণা করে কোটি টাকার মালিক এমপির ‘অ্যাম্বাসেডর’ বাবু
Published : Thursday, 4 March, 2021 at 8:56 PM

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রচলিত কোনো মিডিয়ায় সাংবাদিকতা করেন না, তবে নাম তার ‘সাংবাদিক বাবু’। পাশাপাশি পরিচয় দেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ‘অ্যাম্বাসেডর’, যুবলীগের নেতা, ইট-বালু ব্যবসায়ীসহ নানা কিছু। এভাবে নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রতারণাসহ বিভিন্নভাবে কয়েক বছরে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়েছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদতপুর (কলোনি) গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে ইফতেখার আহমেদ বাবু। দুটি পাকা বাড়িসহ হয়েছেন একাধিক গাড়ির মালিক। করোনার মধ্যেই হয়েছেন ৪টি কারের মালিক। শুধু তাই নয়, ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকেই সারাদেশে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ভয়ংকর এই বাবুর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৯টি, প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আরো ৪টি। এগুলোর বেশিরভাগই চাঁদাবাজি, অর্থ-আত্মসাৎ, প্রতারণা, হত্যার হুমকি, গাছ চুরি, গাড়ি চুরি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ভাঙার অভিযোগের মামলা। স্থানীয় সংসদ সদস্যের ‘কাছের লোক’ পরিচয় দেওয়ার সুযোগে নানা ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত তিনি। তাই জনসাধারণের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরাও তার ওপর ক্ষিপ্ত। তবে ক্ষিপ্ত থাকলেও অনেকেই সেভাবে মুখ খুলতে চান না। স্থানীয়রা এখনও আতঙ্কিত বাবুকে নিয়ে। তাদের শঙ্কা কেউ বাবুর বিরুদ্ধে মুখ খুললে বাবু জেল থেকে বেরিয়ে এসে ক্ষতি করবেন তিনি।
গত ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদতপুর গ্রামে বাবুর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের কাছে অভিযোগ ছিল, তার বাড়িতে চোরাই গাড়ি রয়েছে। একইসঙ্গে বাবুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাও ছিল। অভিযানের সময় পুলিশ দরজা খুলতে বললেও বাবু নিজ বাড়ির প্রধান ফটক ও বেলকুনির দরজার তালা খোলেননি। বরং ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভ করে নিজেকে সাংবাদিক বাবু পরিচয় দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা কথা বলতে থাকেন। পরে পুলিশ তার বাড়ির অন্য গেট দিয়ে প্রবেশ করে তাকে আটক করে এবং চোরাই প্রাইভেটকার উদ্ধার করে। পরের দিন বাবুকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আগের ২টিসহ তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা করা হয় এবং আরও ৪টি অভিযোগ দায়ের করা হয়, যেগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।
বাবুকে গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ। এরপর ৫টি মোবাইল ফোনে ‘ইফতেখার আহমেদ খান বাবু’, ‘গোপন আনন্দের পণ্য বিক্রেতা’, ‘মিসেস কহিনুর আক্তার’, ‘সাংবাদিক বাবু’, ‘মহিলাদের রাতের সঙ্গী আমি’ ‘ঘোড়াঘাটে অনিয়ম দুর্নীতি, ‘০১৭১৬৫৭৮৭৮০’সহ ৮টি ফেসবুক আইডি পায়। এমনকি ‘এমপি শিবলী সাদিক’ নামেও ইমেইল আইডি পাওয়া যায় তার মোবাইল ফোনে। এসব আইডি যাচাই-বাছাই করে পুলিশের সন্দেহ হলে মোবাইল ফোনগুলো পাঠানো হয় পুলিশের সাইবার ফরেনসিক বিভাগে। সেখান থেকে জানানো হয় যে, বাবু সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত। শুধু তাই নয়, মোবাইল ফোনে পর্নগ্রাফির কিছু তথ্যও পেয়েছে পুলিশ। অধিকতর যাচাই-বাছাই ও তদন্তের জন্য পুনরায় বাবুর মোবাইল ফোনগুলো সাইবার ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১১ বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করার পর ২০০৮ সালে নিজ এলাকায় ফেরত আসেন ইফতেখার আহমেদ খান বাবু। এলাকায় ফেরত এসে দেন বাসের কাউন্টার। এরপর ইট-বালুর সরবরাহকারী হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনি প্রচারণায় নামেন।ওই সংসদ সদস্যের ‘অ্যাম্বাসেডর’ পরিচয়ে হয়ে উঠেন সক্রিয়। সংসদ সদস্যের সঙ্গে তোলা ঘনিষ্টতার ছবিতে ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে তোলেন।
ঘোড়াঘাট থানা সূত্রে জানা গেছে, বাড়ি থেকে চোরাই প্রাইভেটকার উদ্ধারের পর ৩০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় ঘোড়াঘাট থানার এসআই দুলু মিয়া বাদী হয়ে বাবুর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। একই দিন রাত পৌনে ১১টায় থানার এসআই খুরশীদ আলম বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।
এ বছরের ১ জানুয়ারি বিকাল সোয়া ৫টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার চাঁদপাড়ার শের আলী (৪৪) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। একই দিন বিকালে উপজেলার সিংড়ার (নয়াপাড়া) মোনারুল ইসলাম (৩০) প্রতারণার মাধ্যমে প্রাইভেটকার আত্মসাতের ও হত্যার হুমকি দেওয়ায় বাবুর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন। ওই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় একই উপজেলার কশিগাড়ীর জাহাঙ্গীর আলম (৪০) প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। রাত সোয়া ৮টায় বারোপাইকারগড় গ্রামের মৃত মনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুর রউফ (৩৬) বাদী হয়ে একই অভিযোগে বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাত সাড়ে ৮টায় দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের মাসুদ রানা (৩৯) বাদী হয়ে বিশ্বাস ভঙ্গ করে টাকা আত্মসাৎ, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় চক বামুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৪৮) বাদী হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ চুরি, চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় বিরামপুর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান (৭৭) বাদী হয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ায় বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগে আরও ৪টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যেগুলো তদন্তানাধীন রয়েছে।
এদিকে, তার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডে সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পর্কে চরম নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর থানা থেকে পত্র পাঠানো হয়েছে।
ঘোড়াঘাট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম আকাশ বলেন, ‘বাবু নিজেকে সাংবাদিক ও এমপির ‘অ্যাম্বাসেডর’ পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অপরাধ কার্যক্রম করেছে। তার এমন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে আমরা অতিষ্ট। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও সে কোনো সাংবাদিক নয়। প্রচলিত কোনো মিডিয়ায় কাজ করে না। তার নানা অপরাধের বিষয়ে সাধারণ মানুষ আমাদের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছে। বাবুর এমন দাপট ছিল যে, কেউ তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে পর্যন্ত সাহস পায়নি। সেনাবাহিনীতে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।’
ঘোড়াঘাট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, ‘বাবু ফেসবুকে লেখালেখি করতো, এমপির কাজ করতো ও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।’
ঘোড়াঘাট পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘বাবু ৮ ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে এমপি স্যারের কাছের লোক পরিচয়ে অনেক কাজ করেছে। সে কখনও সাংবাদিকতা করেছে, আমি দেখিনি-বলতেও পারবো না। তার লেখা কোনো নিউজ আমি দেখিনি।’
ঘোড়াঘাট পৌরসভার ২ নম্বর পানেল মেয়র ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফেরদৌসা বেগম বিলকিস বলেন, ‘বাবু হঠাৎ করেই বড়লোক হয়ে গেছেন, আগে কিছু না থাকলেও করোনার মধ্যেই ৩টি প্রাইভেটকারের মালিক হয়েছেন।’
শেয়ারে বাবুর সঙ্গে বালু সরবরাহের ব্যবসা করতেন চাঁদপাড়া এলাকার ফজলুল হক শের আলী। তিনি বলেন, ‘ব্যবসা সূত্রে বাবুর কাছে বালু বিক্রির ২ লাখ ২৬ হাজার টাকা পেতাম। দীর্ঘদিন ধরে সেই টাকা পরিশোধ করছিল না সে। একদিন রানীগঞ্জবাজার এলাকায় দেখা হলে আমি পাওনা টাকা চাই। সঙ্গে সঙ্গে বাবু আমাকে ভয় দেখায় এবং মারতে তেড়ে আসে। তার বাটপারির শিকার হয়েছেন অন্তত ৫০০ জন।’
দক্ষিণ দেবীপুর এলাকার মাসুদ রানা বলেন, ‘বালু ব্যবসার সুবাদে বাবুর সঙ্গে আমার পরিচয়। একদিন বাবু আমার কাছ থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার ইট, বালু, সিমেন্ট ও টাইলস ক্রয় করে। পরে তার কাছে টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে আমি আইনের শরণাপন্ন হই।’
বারো পাইকারগড় এলাকার আব্দুর রউফ বলেন, ‘বাবু আমার সঙ্গে শেয়ারে ব্যবসার প্রতিশ্রুতি দিলে আমি রাজি হয়ে তাকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেই। ভেপু নিয়ে সেগুলো ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতাম এবং লাভও ভালো হয়েছিল। নিজের অর্থ প্রদানসহ লাভ মিলে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা পেতাম। কিন্তু বাবু টাকা দিতে অস্বীকার করে। একদিন গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাজারে তাকে দেখতে পেয়ে টাকা চাইলে আমাকে মারধর করাসহ চাকু দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় আমি মামলা করি।’
বাবুর বিষয়ে কথা বলতে যাওয়া হয় তার বাড়িতে। সেখানে কথা হয় তার স্ত্রী কহিনুর বেগমের সঙ্গে। বাবু কোন পত্রিকায় লেখালেখি করতেন জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট কোনও পত্রিকার নাম জানাতে পারেননি। তবে বলেছেন, ‘ও তো বেশ কয়েকটি পত্রিকায় কাজ করতো। ও সবসময় ব্যস্ত থাকতো বাইরের কাজে।’ তবে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
কথা হয় বাবুর মা তাসফির ফাতেমার সঙ্গে। বাবুর উপার্জনের উপায় কী ছিল জানতে চাইলে তিনি সঠিকভাবে জানাতে পারেননি। তবে বাবুর স্ত্রীর কাছে শুনে তিনি বলেন, ‘ও রাস্তার কন্ট্রাক্ট নিতো। এমপি কিছু টাকা-পয়সা দিছিল মনে হয়, যেহেতু এমপির পিছনে পিছনে থাকতো।’
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দীন বলেন, ‘ইফতেখার আহমেদ বাবু একজন প্রতারক, চাঁদাবাজ ও অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি। সে মানুষজনের কাছ থেকে গাড়ি, বালুসহ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে টাকা দেয় না। টাকা না দিয়ে এক সময় ভয়ভীতি ও সংবাদ করে দেওয়ার হুমকি দিতো। এ জন্য অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সাহস পেতো না। পরে আমরা জানতে পারি যে, তার বাড়িতে ৩টি চোরাই প্রাইভেট কার ছিল। এমন বিষয়ে অভিযানে গিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু সে দরজায় তালা দিয়ে ফেসবুকে লাইভ করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর তথ্য দিচ্ছিল। পরে আইন মেনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ওসি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বেশিরভাগ মামলাই চার্জশিট পর্যায়ে রয়েছে। শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাটি ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে।’
এ ব্যাপারে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমার কাছে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। আমার এমপি ডটকমে সে কাজ করেছে, কিন্তু সে ব্যক্তিগত জীবনে কী করেছে- না করেছে, তা জানি না। অভিযোগ না দিলে তো আমার জানার সুযোগ নেই। ভিতরে ভিতরে বাবু যে এতগুলো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল সেটি তো আমি বুঝতে পারিনি। সরকারের পক্ষের কথা বলে কেউ ছাড় পাবে না। সে গ্রেপ্তার আছে, মামলা হয়েছে, শাস্তির আওতায় এসেছে। অবশ্যই সরকারের মনিটরিং আছে। প্রশাসন সেগুলো খেয়াল করছে এবং সেভাবেই পদক্ষেপ নিয়েছে।’ু




সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি