শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮
খাওয়ার মাঝে মাঝে পানি পান করা সুন্নত একটি মনগড়া কথা!
Published : Saturday, 13 January, 2018 at 7:02 PM

খাওয়ার মাঝে মাঝে পানি পান করা সুন্নত  একটি মনগড়া কথা!স্বাস্থ্য ডেস্ক
অনেককেই বলতে শোনা যায়, খাওয়ার মাঝে মাঝে পানি পান করা সুন্নত। এটি মনগড়া কথা, যার সাথে নবীজীর সুন্নতের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখতে হবে, কোনো কাজকে -তা যত ভাল কাজই হোক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা ছাড়া রাসূলুল্লাহ [সা]-এর সাথে সম্পৃক্ত করা বা সুন্নত বলা জায?েয নেই।
সুতরাং নিশ্চিতভাবে জানা ছাড়া কোনো কাজ বা পদ্ধতিকে সুন্নত বলা যাবে না। তাহলে এটা রাসুল [সা] যা বলেননি তা রাসূলের সাথে সম্পৃক্ত করা হবে। যা বড় ধরনের গুনাহের কাজ। আমরা এটা থেকে বিরত থাকব।
খানার মাঝে মাঝে পানি পান করা সুন্নত হওয়ার জন্য রাসুল [সা] অথবা সাহাবায?ে কেরামের ‘বক্তব্য বা কাজ দ্বারা তা প্রমাণিত হতে হবে। কিন্তু তেমন কোনো প্রমাণ হাদিস কিংবা নির্ভরযোগ্য কোনো গ্রন্থাবলিতে পওয়া যায় না।
জবা ফুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা
উদ্ভিদের নাম : জবা।
স্থানীয় নাম : জবা।
ভেযজ নাম /বৈজ্ঞানিক নাম : ঐরনরংপঁং ৎড়ংধ-ঝরহবহংরং খরহহ(হিবিসকাস রোজা-সিনেনসিস লিন)।
ব্যবহার্য অংশঃ
ফুল, পাপড়ি ও গাছের ছাল।
উদ্ভিদের ধরণঃ
এটি একটি ঝোপ জাতীয় গাছ। সাধারণত সাত আট ফুট উচ্চতায় হয়ে থাকে। এর ফুল নানা রঙ্গের হয়ে থাকে । জবা ফুল ঠোঙ্গা আকৃতি, পঞ্চমুখি ও থোকা আকারের হয়ে থাকে।
ঔষধি গুণাগুণঃ
জবা ফুলে নানা ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। বমনের প্রয়োজনে, অনিয়মিত মাসিকের স্রাব, মাসিক ঋতুর অতিস্রাবে, চোখ উঠা, মাথায় টাক পোকা, হাতের তালুতে চামড়া উঠা ইত্যাদি রোগে ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে।
ব্যবহারঃ
১. বমি করতে চাইলেঃ
হঠাৎ কোন কুখাদ্য খাওয়া হয়ে গেলে, যেটা খেতে অভ্যস্থ নয়, যাকে বলা হয় অসাত্ম্য দ্রব্য, যেমন অজান্তে মাছি, চুল অথবা এই ধরনের কোন জিনিস পেটে গিয়েছে, এর পরিণতিতে বমির উদ্রেগ হয়, অথচ বমি হচ্ছে না; এক্ষেত্রে ৪/৫ টি জবা ফুল নিয়ে বোঁটার সঙ্গে যে সবুজ ক্যালিকাস অংশ থাকে, এই অংশ টাকে বাদ দিয়ে ফুল অংশটাকে পানি ও চিনি পরিমাণমত দিয়ে চটকে সরবত করে দিনে ২/১ বার খেলে বমি হয়ে পেট থেকে ওগুলি সব বেরিয়ে যাবে।
২. ঘন ঘন প্রস্রাবঃ
যারা প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে আবার ঘন ঘন প্রস্রাব করে অথচ ডায়াবেটিস রোগী নয়, এই ক্ষেত্রে জবা গাছের ছালের রস এক কাপ পানির সাথে পরিমাণমত চিনিসহ মিশিয়ে ৭/৮ দিন খেলে উপকার পাওয়া যায়।
৩. অনিয়মিত মাসিকের স্রাবঃ
দুই এক দিন একটু একটু হয়, আবার সময় হয়ে গিয়েছে আদৌ হয়না আবার হয়তো এক মাস বন্ধ হয়ে থাকলো, এ ক্ষেত্রে দু তিনটি পঞ্চমুখী জবা ফুলের কুঁড়ি ও ৩/৪ ইঞ্চি দারুচিনি আধা অথবা এক গ্রাম এক সঙ্গে বেটে সরবত করে কয়েকদিন খেতে হয়। রসের সাথে এক গ্লাস পরিমাণ পানি মিশিয়ে সকালে কিছু খাওয়ার পর ঋতুকালীন সময়ে দিনে একবার করে ৩/৪ দিন মাসিক স্বাভাবিক হওয়া অবধি খেতে হবে।
৪. টাক পোকা রোগঃ
চুল স্বাভাবিক আছে অথচ ফাঙ্গাসে কিছু জায়গা চুল উঠে টাক হয়ে গেছে এ অবস্থায় জবাফুল বেটে ওখানে লাগালে কিছু দিনের মধ্যে চুল উঠে যাবে। এক /দুইটা ফুল বেটে ৭/৮ দিন যে কোনো সময় লাগাতে হবে এবং দুই/এক ঘণ্টা রাখতে হবে অথবা যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হবে।
৫. চোখ উঠাঃ
চোখের কোণে ক্ষত হয়ে পুঁজ পড়ছে। সে ক্ষেত্রে জবা ফুল বেটে চোখের ভিতরটা বাদ দিয়ে চোখের উপর ও নিচের পাতায় গোল করে লাগিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যায়। দিনের যে কোনো সময় এক /দুইটা ফুল বেটে ৭/৮ দিন লাগাতে হবে এবং এক ঘন্টা রাখতে হবে। ৬. হাতের তালুতে চামড়া উঠাঃ শীত কালে হাতের তালুতে চামড়া উঠে খসখসে হয়ে গেলে জবা ফুল তালুতে মাখলে খুব উপকার পাওয়া যায়। দিনে দুই তিন বার এক /দুইটা ফুল হাতের মধ্যেই ডলে ডলে লাগাতে হবে । লাগিয়ে স্বাভাবিক কাজ কর্ম করা যাবে। যতক্ষণ সম্ভব রাখতে হব ।


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট এম. সাইফুল আলম। আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি