শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯
আগে সাধারণ মানুষ যাবে, তারপর ভিআইপিরা : মমতা
Published : Friday, 9 August, 2019 at 5:37 PM

  আগে সাধারণ মানুষ যাবে, তারপর ভিআইপিরা : মমতাআন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
চলার পথে পুলিশি নিরাপত্তায় ‘বাড়াবাড়ি’ দেখে একাধিকবার গাড়ি থেকে নেমে পড়লেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শহরে আসার পথে পুলিশকে সতর্ক করে তার নির্দেশ, ‘প্রয়োজনে আমি দাঁড়াব। আমার জন্য সাধারণ মানুষের যাতায়াতে অসুবিধা হলে আমি মানব না।’ বৃহস্পতিবার চেন্নাই থেকে কলকাতায় ফেরেন মমতা। বিমানবন্দর থেকে শহরে ঢোকার পরে প্রথমে তেঘরিয়া মোড়ের কাছে তার নজর পড়ে, সেই সময় সার্ভিস রোডে অনেক গাড়ি সারিবদ্ধ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

তখনই গাড়ি থেকে নেমে ট্রাফিক কর্মীদের কাছে এই মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, তিনি যাচ্ছেন বলেই কি রাস্তা বন্ধ করে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে? পরে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, আগে সাধারণ মানুষ, পরে ভিআইপি। প্রায় ১০ মিনিট মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি যাতায়াতের ব্যবস্থা করেন। এ সময় তাকে রাস্তায় দেখে সাধারণ মানুষের ভিড় বেড়ে যায়। তাদের সঙ্গে কথা বলে ফের যাত্রা শুরু করেন মমতা। পরে তাপুরিয়াঘাটাতেও ট্রাফিক আটকানো হয়েছে দেখে রাস্তায় নেমে পুলিশ কর্মকর্তাদের একই ধরনের নির্দেশ দেন তিনি।

পাইলট নিয়ে, হুটার বাজিয়ে একাধিক গাড়ির কনভয় নিয়ে যাতায়াত মমতার পছন্দ নয়। কিন্তু সাধারণের মতো চলতে গিয়ে তার কনভয়ের কাছে অনেক সময়েই গাড়ি চলে আসে। ফলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা। মুখ্যমন্ত্রীর অবশ্য স্পষ্ট নির্দেশ, প্রয়োজনে তিনি কিংবা অন্য ভিআইপিরা অপেক্ষা করবেন। ট্রাফিক স্বাভাবিক রাখতেই হবে। সাধারণ মানুষের যেন অসুবিধা না হয়। কিছুদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার সময়ও জেলা পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর চলাচল অনাড়ম্বর হলেও তারই দলের কতিপয় নেতা এমনকি, নবীনদের কেউ কেউ রাস্তা জুড়ে নিরাপত্তা বলয় নিয়ে চলাচল করেন এবং তার জেরে অন্য সব গাড়ি আটকে থাকে বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুর ব্রিজ ধরে যাওয়ার সময়ে ব্রিজের নিচে অপরিচ্ছন্ন জায়গাও মুখ্যমন্ত্রীর নজরে পড়ে। সেখানে আগে সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল। সে বিষয়ে পুলিশকে তিনি সতর্ক করে ব্যবস্থা নিতে বলেন। আনন্দবাজার।


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি