রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
এই দানবের সৃষ্টি কাদের ঔরসে?
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
Published : Monday, 2 March, 2020 at 8:08 PM

৪৬ বছর ধরে বসবাস করছি লন্ডনে। বলতে গেলে জীবনের বেশিরভাগই কাটালাম ব্রিটেনে। কিন্তু কখনও এমন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাইনি। লন্ডনে যখন আসি, তখন এখানে চলছে আইরিশ সন্ত্রাস। সন্ত্রাস গেল। এলো ম্যাডকাউ ডিজিজের ভয়াবহতা। ব্রিটেনে গোমাংস খাওয়া নিষিদ্ধ হল। বছর দুয়েক ভয়াবহ রোগের ভয়ে গোমাংস স্পর্শ করিনি। ব্রিটিশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ১৬ হাজারের মতো গরু রোগ বিস্তার বন্ধ করার জন্য হত্যা করল। ম্যাডকাউ ডিজিজের ভয় না যেতেই এলো ব্রিটিশ ডিমে বিষাক্ত রোগের সংক্রমণ। হাজার হাজার মুরগি হত্যা করা হল। লক্ষ লক্ষ ডিম নষ্ট করে ফেলা হল। থ্যাচার মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী মহিলা মন্ত্রী এডউইনা কারী ব্রিটিশ মুরগির ডিমে যে কঠিন রোগের জীবাণু রয়েছে একথা স্বীকার করতে গিয়ে ডিম ব্যবসায়ীদের কোপে পড়ে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছিলেন। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী জন মেজরের সঙ্গে তার অবৈধ প্রেমের কথা তিনি নিজেই প্রকাশ করেন। জন মেজর তার সঙ্গে প্রেম করেছেন। মন্ত্রিত্ব আর দেননি।
ডিম রোগের ভয় শেষ হতে না হতেই জেহাদিস্টদের পরে আইএসের আবির্ভাব। এর প্রকোপ ছিল ব্রিটেনসহ ফ্রান্স ও ইতালি এবং জার্মানিতেও। জেহাদিস্টদের নিয়ে শঙ্কা এখন নেই। এখন যে শঙ্কার মধ্যে ব্রিটেনের, বিশেষ করে লন্ডনের মানুষ বাস করছে তার নাম কহরভব ঃবৎৎড়ৎরংস বা ছুরি মারা সন্ত্রাস। এমন দিন নেই যেদিন লন্ডনের রাস্তায়, বাসে, টিউবে একাধিক ছুরি মারা হত্যার খবর পাওয়া যাচ্ছে না। টিনএজারদের মধ্যেই এই সন্ত্রাস বিস্তার লাভ করেছে বেশি। ব্রিটিশ সরকার এই ছুরির সন্ত্রাস দমনে গত দু’বছর ধরে হিমশিম খাচ্ছে। পুলিশ সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও কিছুই করতে পারছে না।
এই ছুরি সন্ত্রাসের মধ্যে বাস করেও ব্রিটেনের মানুষ আতঙ্কের রাজ্যে বাস করছিল না। আমিও আমার দীর্ঘকালের প্রবাস জীবনে তা করিনি। এখন বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ত্বরিত বিস্তার লাভে বিরাট আতঙ্কের মধ্যে বাস করছি। বলা হচ্ছে, চীনের একটি প্রদেশ থেকে রোগটি বিস্তার লাভ করেছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এশিয়া ও ইউরোপের উন্নত-অনুন্নত নির্বিশেষে বহু দেশে। জাপানে সব স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফ্রান্সে এই রোগকে মহামারী ঘোষণা করা হয়েছে। রোগ-উপদ্রুত ইতালিতে আরও ২০০ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। লন্ডনে রাজপরিবারের সন্তানরা লেখাপড়া করেন এমন স্কুলে এই রোগে আক্রান্ত সন্দেহে ছাত্রদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ডালউইচ প্রেপ স্কুলসহ বহু স্কুলে ছুটি দেয়া হয়েছে। জাহাজ, বিমান ও ট্রেনযোগে যেসব যাত্রী উপদ্রুত এলাকা থেকে এসেছেন, তাদের কোয়ারেনটাইনে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সবাইকে মাস্ক পরিধান এবং সব রকম ভিড় ও সমাবেশ এড়িয়ে চলার এবং বারবার হাত ধোয়া এবং হ্যান্ডশেক না করার পরামর্শ দিয়েছেন। লন্ডনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চীনা কমিউনিটি। লন্ডনের বিখ্যাত চায়না-টাউন এখন প্রায় জনশূন্য। চায়নিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে খদ্দেরের অভাব। ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসকে করোনাভাইরাসের মহামারী প্রতিরোধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, রোগটি ভয়ানক। এক হাসপাতাল থেকে ২৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর এই রোগে আবারও আক্রান্ত হয়েছে। চীন থেকে বহির্বিশ্বে প্লেন, ট্রেন ও শিপ চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মহামারী রোধের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্টের ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া, ইরান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া পর্যন্ত এই রোগের বিস্তার ঘটেছে। বাংলাদেশও এই রোগের বিস্তার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সাউথ কোরিয়াতে এই রোগের প্রকোপ বেশি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন এই রোগকে বিশ্ব-মহামারী আখ্যা দিয়ে সব দেশকে একটা ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্লান যৌথভাবে গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছেন।
বিশ্বের ৪০টি দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। বলা হচ্ছে, এর ভয়ানক প্রকোপ চলবে সারা মার্চ ও এপ্রিল মাস ধরে। মারা যেতে পারে ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক মহাযুদ্ধের সময়ে হিটলারের ভিরকেটে লন্ডন বিধ্বস্ত হওয়ার সময়ের আতঙ্কের চেয়ে বেশি। সে সময় লন্ডন থেকে অন্য দেশে পালিয়ে আত্মরক্ষা করা যেত। কিন্তু করোনাভাইরাসের হামলা থেকে কোথাও পালিয়ে গিয়ে বাঁচারও উপায় নেই। কথাটা বলেছেন, আমার প্রতিবেশী এক বৃদ্ধ ইংরেজ। করোনাভাইরাসে ক্ষেত্রবিশেষে বর্ণবিদ্বেষে উৎসাহ জোগাচ্ছে। লন্ডনে এক চীনা ভদ্রলোক একজন হোয়াইট ব্রিটিশের হামলার সম্মুখীন হন। চীনা ভদ্রলোককে হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, গো ব্যাক টু ইয়োর কান্ট্রি উইথ ইয়োর করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের উৎস এবং প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই মহামারী এখন বিশ্ব মহামারী। গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের সুবাদে যখন সব ব্যাপারেই গ্লোবালাইজেশন চলছে, তখন রোগ-মহামারীর কেন বিশ্বায়ন হবে না? ঠাট্টার কথা নয়। এই ভাইরাস যেমন চীনের শক্তিশালী অর্থনীতির ওপর প্রচণ্ড আঘাত, তেমনি এর বিশ্বায়ন রোধ করা না গেলে বিশ্বের শেয়ার মার্কেটে মহাধস নামবে। এখনই ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর যে মন্দা দেখা দিয়েছিল, এবারের মন্দা তার চেয়েও খারাপ হবে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর ধনশালী আমেরিকা যুদ্ধে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ায় তার অর্থনৈতিক শক্তি মার্শাল প্লানের মাধ্যমে ঘটিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপকে বাঁচিয়েছিল। এখন আমেরিকা সামরিক শক্তিতে অদ্বিতীয় থাকলেও তার অর্থনৈতিক শক্তি আগের মতো নেই। সুপার পাওয়ারের দাম্ভিকতা নিয়ে ক্রমাগত যুদ্ধে লিপ্ত থাকায় এবং তাতে জয়ী না হওয়ায় আমেরিকার অর্থনৈতিক শক্তি আগের মতো নেই। তা চীনের সঙ্গে ট্রেড ওয়ারেই প্রমাণিত হয়েছে। ইরাক থেকে সৈন্য প্রত্যাহার, সিরিয়ায় যুদ্ধ সম্প্রসারণ না করা, উত্তর কোরিয়া এবং ইরানকে যুদ্ধের হুমকি দিয়েও পিছিয়ে আসা থেকে আমেরিকার সামরিক শক্তি যে আগের মতো নেই তা বোঝা যায়। এবার করোনাভাইরাস যদি আমেরিকারও অর্থনৈতিক শক্তিকে আঘাত হানে, তাহলে তাকে নিজের ঘর আগে সামলাতে হবে। দ্বিতীয় মার্শাল প্লান দ্বারা আমেরিকা ত্রিশের অথবা চল্লিশের দশকের মন্দার চেয়েও খারাপ মন্দা প্রতিরোধ করতে পারবে কিনা সন্দেহ। এজন্যই ফেসবুক, টুইটার, অনলাইনসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাইরাস বিশ্বময় ছড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে যে খবর প্রচার করা হচ্ছে তাকে অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাসযোগ্য মনে করছে না। বিশ্বাসযোগ্য মনে করছে না এ কারণে যে, এই ভাইরাস আমেরিকার জনজীবন এবং অর্থনীতিকেও কাবু করে ফেলতে পারে। আমেরিকা জেনেশুনে এই মৃত্যুব্যাধি নিয়ে খেলা করতে যাবে না। রাশিয়াও এই প্রচারণার প্রতিবাদ করেছে। যারা এই প্রচারণাটি চালিয়েছেন, তাদের বক্তব্য, এটা চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকার অনৈতিক অর্থনৈতিক যুদ্ধ। বাণিজ্য যুদ্ধে চীনের সঙ্গে পেরে না ওঠায় এবং সামরিক শক্তিতেও চীন দ্বিতীয় সুপার পাওয়ার হতে যাচ্ছে এই আশঙ্কায় আমেরিকা তাদের গোপন অস্ত্র- বিষাক্ত জীবাণু কৌশলে চীনের একটি প্রদেশ থেকে সারা চীনে ছড়াতে চেয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত এই ছড়ানো বিষ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপসহ ৪০টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ অনেকে বিশ্বাস করছে এজন্য যে, বিশ্বে অমানবিক জীবাণুযুদ্ধের প্রবর্তক আমেরিকা। হিটলার ইহুদি হত্যার জন্য গ্যাস চেম্বার তৈরি করেছিলেন, কিন্তু বিষাক্ত জীবাণুযুদ্ধে জড়িত হওয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ছিল বলে জানা যায়নি। কিন্তু আমেরিকা এই ধরনের ভাইরাস যেমন তৈরি করে নিজের শত্র“র ওপর ব্যবহার করেছে, তেমনি অন্যকেও সরবরাহ করেছে অবাধে শত্রুপক্ষের ওপর ব্যবহারের জন্য।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষ সময়ে জাপান যখন আত্মসমর্পণে প্রস্তুত, তখন অপ্রয়োজনে নাগাসাকি ও হিরোশিমায় আণবিক বোমা ফেলে ১৬ লাখ মানুষ হত্যার বর্বরতার কথা না হয় বাদই দিলাম, পঞ্চাশের দশকে অনাবশ্যকভাবে ভিয়েতনামযুদ্ধে জড়িয়ে নাপাম বোমাসহ বিষাক্ত জীবাণু বোমা সে দেশটিতে ফেলে লক্ষ লক্ষ নরনারী হত্যা করেছে আমেরিকা। ইরাকের সাদ্দাম হোসেন যখন আমেরিকার মিত্র ছিলেন, তখন কুর্দিদের এবং পরবর্তীকালে ইরানের ওপর ব্যবহারের জন্য সাদ্দামকে আমেরিকা জীবাণু অস্ত্র বা কেমিক্যাল উইপন সরবরাহ করে। এই বোমায় ১৪ লাখ নরনারী-শিশু নিহত হয়। একই আমেরিকান কেমিক্যাল অস্ত্র তুরস্কের সরকার কুর্দিদের বিদ্রোহ দমনে ব্যবহার করে কয়েক লাখ কুর্দি হত্যা করে। কেবল জীবাণু অস্ত্র ব্যবহার নয়, এই অস্ত্রের ব্যবহার ছাড়াই সাদ্দামের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে বারো বছর ধরে অর্থনৈতিক অবরোধ চালু রাখায় অনাহারে বা বিনা চিকিৎসায় ১৭ লাখ নিরীহ নারী-শিশু মারা যায়। নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধেও এই ধরনের বর্বরতার অভিযোগ সম্ভবত তোলা যাবে না। বিশ্বের পরিবেশ ও আবহাওয়া দূষিত হয়ে ক্যান্সার, লিউকোমিয়া, এইচআইভি ইত্যাদি মরণব্যাধির জন্মলাভ ও দ্রুত বিস্তারের বড় কারণ, প্রশান্ত মহাসাগরে অনবরত পরীক্ষামূলক আণবিক বোমার বিস্ফোরণ। এর বিষাক্ত তেজস্ক্রিয়তা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সব কৃষিদ্রব্য, ফলমূল বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। এই আণবিক বিস্ফোরণের কাজেও নেতৃত্ব আমেরিকার। আণবিক বর্জ্য নিজের দেশে না রেখে উন্নয়নশীল বিভিন্ন এশিয়ান ও আফ্রিকান দেশে নিয়ে ফেলায় সেসব দেশেও আবহাওয়া দূষিত হয়ে নানা রোগের জন্ম হচ্ছে। বিশ্ব দিন দিন উষ্ণ থেকে উষ্ণ হচ্ছে, সমুদ্রের স্তর নামছে, হিমালয়ের বরফ গলছে। তা সারা বিশ্বে নূহের প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে। আর আবহাওয়া ও পরিবেশ ক্রমাগত দূষিত হচ্ছে, এখনই এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন, বিজ্ঞানীদের এসব সাবধানবাণী ট্রাম্প সাহেবরা শুনতেও নারাজ। বিশ্বের জনসংখ্যা বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে। সম্ভবত সেজন্যও ম্যালথাস থিয়োরি অনুযায়ী প্রকৃতি জনসংখ্যা কমাতে চাইছে। বছর বছর ঝড়ে, বন্যায়, ভূমিকম্পে রোগে লাখ লাখ মানুষ মরছে। প্রকৃতি জন্মসংখ্যা কমানোর চেষ্টা করছে। করোনাভাইরাস ম্যালথাস থিয়োরি অনুযায়ী এসেছে একথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এটা অবশ্যই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট। আমেরিকার বিরুদ্ধে বর্তমান অভিযোগটি বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করছে না। কিন্তু এমনকি হতে পারে না, জীবাণুযুদ্ধে আমেরিকাকে টেক্কা মারার জন্য চীনই তাদের উহান প্রদেশের কোনো স্থানে গোপন পরীক্ষাগারে বিষাক্ত জীবাণু নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে রূপকথার জেলের মতো বোতলে বন্দি দৈত্যকে মুক্ত করে দিয়েছে, আর বোতলে ঢোকাতে পারছে না? এসবই অনুমান। আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযোগের মতো চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগও অসত্য হতে পারে। বাস্তবতা হচ্ছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের মতো ভয়ানক মৃত্যুব্যাধির বিরুদ্ধেও সব দেশের ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করতে হবে। চীন এবং আমেরিকাকেও এই যুদ্ধে সহযোগী হতে হবে। ইজম এবং রাজনৈতিক সংকীর্ণতা যেন এই ঐক্যের পথে বাধা না হয়। বিজ্ঞানীরা এই যুদ্ধে অগ্রসেনা। তাদের সবরকম সাহায্য দিতে হবে।


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি