বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিল শাবনূর: অনিক
Published : Sunday, 8 March, 2020 at 8:51 PM

বিনোদন ডেস্ক ॥
সন্তানের কথা ভেবে, পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে আমি এতদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু এখন যে পরিস্থিতি বলতে বাধ্য হচ্ছি। গণমাধ্যমের সুবাদে জানতে পারলাম শাবনূর আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। যদিও তা এখনও হাতে পাইনি। আমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি, শুধুমাত্র শাবনূরের মিথ্যা অভিযোগের কারণে। বাবার যদি কিছু হয় সেই দায় শাবনূরকেই নিতে হবে। শনিবার বিকেলে এভাবেই বলছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূরের স্বামী অনিক মাহমুদ। শাবনূরের অভিযোগ আপনি মাদকাসক্ত, সন্তানের দায়িত্ব পালন করেন না, তাকেও নির্যাতন করেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে অনিক বলেন, শাবনূরের একটি অভিযোগও সত্য নয়। অভিযোগ তো আমার করার কথা। কিন্তু শাবনূর একজন বড় মাপের অভিনেত্রী। তাকে আমি ছোট করতে চাইনি। চ্যালেঞ্জ করে বলছি আমি যদি ড্রাগ নিয়ে থাকি তাহলে তো পরীক্ষা করলেই বেড়িয়ে আসবে কে সত্য আর কে মিথ্যা বলছে। আর সন্তানের যে কথা তুলেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আইজান আমার সন্তান। ওর জন্মের পর থেকে বাবা হিসেবে আমি সব দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আপনিই বলুন কোনও বাবা যখন তার সন্তানকে কিছু দেয় তার কি কোনও প্রমাণ রাখে। সন্তানের সব দায়িত্ব পালন করেছি, ভবিষ্যতেও করে যাব। সন্তানের জন্য আইনি লড়াইয়ে যেতেও আমি প্রস্তুত।     দ্বন্দ্বের সূত্রপাত কবে? এ ব্যাপারে অনিক বলেন, বিয়ের পর জানতে পারি শাবনূর এক চীনা নাগরিককে বিয়ে করেছিল। বিষয়টি জানার পর আমি বিস্মিত হই। আমার মানসিক অবস্থা কেমন ছিল আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। বিষয়টি আমার কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমাকে কিছু না বলেই শাবনূর শরীফ নামে একব্যক্তির সঙ্গে মালয়েশিয়া যায়। এত কিছুর পরেও সন্তানের জন্য চুপ থেকেছি। ডিভোর্সের খবরের পর আপনিও বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। আমি ভেবেছি থাক। গণমাধ্যমে এসব কিছুই বলবো না। কদিন পরে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শাবনূরের কারণে আমার বাবা আজ অসুস্থ। সমাজে আমাদের একটা অবস্থান রয়েছে। এটা শাবনূরের ভাবা উচিত ছিল। সমস্যার সূতপাত তো অনেক আগে থেকেই তখন কেন এসব লুকিয়েছিলেন? অনিক বলেন, হ্যাঁ আমার মনে আছে। আপনিও তখন ফোন দিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। চাইনি পরিবারের গোপন কথা বাইরে প্রকাশ হোক। শাবনূর সম্পর্কে মানুষের কোনও খারাপ ধারণা হোক। খেয়াল করলে দেখবেন সব সময়ই চেয়েছি মিডিয়া থেকে নিজেকে আড়াল রাখতে।     তাহলে কি ডিভোর্সই সমস্যার সমাধান? জবাবে অনিক বলেন, আর তো কোনও পথ খোলা নেই। আমি আবারও বলছি শাবনূর যা চেয়েছে তাইই হবে। কিন্তু আমার ওপরে আনা মিথ্যা অভিযোগের জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করেন শাবনূর। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর এ দম্পতির আইজান নামে এক ছেলে হয়।
 ছেলেকে নিয়ে এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন শাবনূর। আর অনিক দেশেই রয়েছেন। এদিকে গেল ২৬ জানুয়ারি  অনিককে তালাক দেন শাবনূর। 


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি