http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক তুলে নিল সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98436 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613063_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613063_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ নিত্যপণ্যের আমদানিতে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এটা কার্যকর থাকবে।<br>এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ আমদানির ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে এনবিআরকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, পেঁয়াজ আংশিক আমদানিনির্ভর একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। নিকট অতীতে এই পণ্যটির বাজার বেশ কয়েকবার অস্থিতিশীল হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর এই সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পণ্যটির মূল্য সম্প্রতি অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত আমদানি মূল্যবৃদ্ধি পাওয়া এর অন্যতম কারণ।<br>নিকট অতীতেও পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হয়েছে এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে এই সংকটটি কঠিন আকার ধারণ করে। পেঁয়াজের মূল্য সাম্প্রতিক সময়ে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি ভারত থেকে পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধের কারণে বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী। পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশীয় পেঁয়াজ চাষিদের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, পেঁয়াজ চাষে উৎসাহ প্রদান এবং আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসের লক্ষ্যে পেঁয়াজ আমদানিতে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়। বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পেঁয়াজের অনুৎপাদনকালীন সময় (খবধহ চবৎরড়ফ) হিসেবে পরিচিত মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত সময়ে পেঁয়াজের ওপর আরোপিত এ শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে।<br>উল্লেখ্য যে, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পেঁয়াজ আমদানির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।<br>এদিকে চলতি মাসে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে দেশে পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ট্রাকে করে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। ঢাকাসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ দেশব্যাপী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা করে বিক্রি করছে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি। ফলে বাজারে পেঁয়াজের মূল্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। পেঁয়াজ বিক্রির এ কার্যক্রম আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।<br>ট্রাকের পাশাপাশি পাশাপাশি অনলাইনেও পাওয়া যাবে টিসিবির পেঁয়াজ। বিক্রি হবে ৩৬ টাকা কেজিতে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবেন। এ কার্যক্রম আজ রোববার উদ্বোধন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।<br>এছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পেঁয়াজের অবৈধ মজুত বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা করা হলে সরকার প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।<br>এদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসার খবরে এবং সরকারের নানান উদ্যোগে দফায় দফায় পাইকারি বাজারে কমছে পেঁয়াজের দাম। তিনদিনে পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২৫ টাকা পর্যন্ত। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কমেছে ১০ টাকা। ভারত থেকে আসা পেঁয়াজ আড়তে পৌঁছালে দাম আরও কমবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।<br>পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, হুট করে ভারত রফতানি বন্ধ করায় পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। ফলে পাইকারিতে বিক্রি শূন্যের কোঠায় নামে। স্টোর বোঝায় পেঁয়াজ নিয়ে ক্রেতারা বসে থাকছেন কিন্তু ক্রেতা আসছে না।<br>তারা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার আগে রফতানির অনুমতি পাওয়া ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশকে দেয়ার অনুমতি দিয়েছে ভারত। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ বোঝায় ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকালের মধ্যে এসব পেঁয়াজ শ্যামবাজারের পৌঁছাতে পারে। আড়তে পৌঁছালে দাম আরও কমবে।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে পেঁয়াজের সব থেকে বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা, যা গতকাল ছিল ৭০-৭২ টাকা। তার আগের দিন ছিল ৭৭ টাকা। ভারত রফতানি বন্ধ করায় এ পেঁয়াজের কেজি ৯০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। অপরদিকে আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৬০-৬৫ টাকা।<br>আজ পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমলেও খুচরা বাজারে নতুন করে কমেনি। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গতকালের মতো দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা। আর আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা।<br>এর আগে গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হুট করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে ভারত। ফলে মঙ্গলবার ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের দাম খুচরা বাজারে বেড়ে ১১০ টাকা হয়ে যায়। আর পাইকারিতে ৫০ টাকা থেকে বেড়ে পেঁয়াজের কেজি হয় ৮৫ টাকা। কোনো কোনো পাইকার ৯০ টাকা কেজিতেও পেঁয়াজ বিক্রি করেন। এমন দাম বাড়ায় আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি পেঁয়াজ কেনার হিড়িক পড়ে ক্রেতাদের।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 ব্যাংকটা যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে দৃষ্টি দেবেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98435 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613032_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613032_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ব্যাংক যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিএবি নেতারা অনুদান দিতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এ অনুদান গ্রহণ করেন মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মোকাবিলায় সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। আমি কাউকে বাদ দিতে পারবো না। সে জন্য হয়তো আমরা এটা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। সামনে শীত, আরেকটু হয়তো খারাপের দিকে যেতে পারে। তবুও আমাদের এখন থেকে প্রস্তুত থাকতে হবে।<br>তিনি বলেন, বিএবি নেতারা সব সময় এগিয়ে এসেছেন। নিজেরা এগিয়ে এসেছেন তাই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যত বেশি প্রাইভেট ব্যাংক দিয়েছি, এতে ব্যাপক হারে কর্মসংস্থান হয়েছে। অনেক মানুষের চাকরি হয়েছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে বড় কথা। আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যও সম্প্রসারিত হয়েছে। সেখানে ব্যাংকগুলো যাতে ভালোভাবে চলে আমরা সেটাই চাই।<br>তিনি বলেন, আপনারা যখন যে দাবি আনেন, যেটা যুক্তিসঙ্গত সেটা আমরা সবসময়ই বিবেচনা করি। আজকেও বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব যে কথাগুলো বলেছেন, আমি সেটা দেখব। যদি সেখানে সমস্যা থাকে তবে যাতে সমস্যা আর না হয় তা আমরা অবশ্যই বিবেচনা করবো। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে ব্যাংকটা যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে আপনারা বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন।<br>শেখ হাসিনা বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক আছে অতি দুর্বল হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে অনেক সময় মার্জ করাতে হয়। সেটা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে কোনটা ঠিকমতো চলছে। কোনটা ঠিকমতো চালাতে পারছে কিনা? সেগুলো বিবেচনা করেই করা হবে। অবিবেচনা করে কিছুই করা হবে না এইটুকু ভরসা রাখবেন। আপনাদের এ অনুদান সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগেবে। সে জন্য আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে দেখা হচ্ছে না। তবুও বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আপনারা আমার অফিসে কষ্ট করে এসেছেন সেজন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। সবাই সুস্থ থাকবেন এটাই আমরা চাই। দোয়া করেন দেশটা যাতে করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পায়। সারাবিশ্বই যাতে মুক্তি পায়। মানুষের সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে করোনার কারণে। তবুও দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। তার জন্য যা যা দরকার সেটা দিয়ে যাচ্ছি। জনগণের জন্য কাজ করাটায় আমাদের লক্ষ্য।<br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 মুজিববর্ষ উপলক্ষে ফের বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98434 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613001_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600613001_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আবারও সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। এর আগে প্রস্তুতি শেষ করেও করোনার কারণে তা হয়নি। এ জন্য চলতি বছরের ৭ নভেম্বর এই অধিবেশন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় সংসদ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের সংশোধিত কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে আয়োজিত সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের সভাপতিত্বে এ-সংক্রান্ত বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, ভেস্তে যাওয়া আগের অধিবেশনের প্রস্তুতির মতো এবারও বিদেশি অতিথিদের এই বিশেষ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর।<br>এছাড়াও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১০টি কর্মসূচি নিয়েছে জাতীয় সংসদ। এর মধ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। নভেম্বরে মুজিববর্ষের ওয়েবসাইট উদ্বোধন, স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস উদযাপন, মাসব্যাপী আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য দলিল প্রদর্শনী, ‘সংসদে বঙ্গবন্ধু’ বই প্রকাশনা, শিশুমেলাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন স্থগিত করা হয়। গত ২২ ও ২৩ মার্চ এই অধিবেশন চালানোর কথা ছিল। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে অধিবেশন স্থগিত করা হয়।<br>গত ৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২(১) ধারা অনুযায়ী দুইদিনের এই বিশেষ অধিবেশনের ডাক দিয়েছিলেন। বিশেষ অধিবেশনে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারীর ভাষণ দেয়ার কথা ছিল।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 ওসি প্রদীপ দম্পতির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98433 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612953_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612953_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>দুদকের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফের বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি করনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রদীপের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিশেষ ও মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।<br>দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, ‘আসামির পক্ষে আগের দিন জামিন আবেদন করা হয়েছিল। ওই আবেদনের শুনানি শেষে আজ আদালত তা নামঞ্জুর করেন। আমরা আসামির এজাহারভুক্ত সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করেছি, আদালত তা মঞ্জুর করেছেন, প্রসেস হয়ে গেছে। এখন সেই সম্পত্তি জব্দে আর কোনো বাধা নেই।‘<br>মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পাথরঘাটা এলাকায় প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে একটি ছয়তলা ভবন গড়ে তুলেছেন। যা গোপন করার জন্য ভবনটি তার শ্বশুরের নামে নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ভবনটি প্রদীপের স্ত্রীকে দান করেন শ্বশুর। দানপত্র দলিল হলেও ভবনটি প্রদীপ দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির অর্জিত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ‘শুদ্ধি অভিযানে’ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন আর্জি নিয়ে হাইকোর্টে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98432 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612923_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612923_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>শুদ্ধি অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন আর্জি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে জামিন আবেদন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়াসহ টেন্ডারের চুক্তি বাতিলের বিরুদ্ধে আবেদন। রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীরা বলছেন, উচ্চ আদালতে আসা তাদের আইনগত অধিকার। তবে এ সমস্ত ব্যক্তিদের এসব আবেদনের বিরুদ্ধে জোরালেভাবে আইনগত জবাব দেওয়া হবে। কোনোভাবেই কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।<br>২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ফকিরাপুলে ইয়ং মেন্স ক্লাবে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এরপর একে একে ওয়ান্ডার্স ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা চিত্তবিনোদন ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র, গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ ক্লাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ক্যাসিনোর সন্ধান পাওয়া যায়। একই দিন রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (পরে বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গুলশানের বাসা থেকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।<br>র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে বেরিয়ে আসতে থাকে ক্যাসিনোর অন্ধকার জগৎ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি (বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটসহ একে একে গ্রেপ্তার হন ক্ষমতাসীন দলের বেশ কয়েকজন বড় নেতা। আলোচিত এ ‘শুদ্ধি অভিযান’ ছিল মূলত টেন্ডারবাজ, দুর্নীতিবাজ, মাদক এবং ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে।<br>র‌্যাব জানায়, রাজধানীতে আটটি ও বন্দর নগরীতে তিনটি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক ২৭০ কোটি টাকার মতো এফডিআর ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়।<br>একে একে ওয়ান্ডার্স ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা চিত্তবিনোদন ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র, গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ ক্লাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ক্যাসিনোর সন্ধান পাওয়া যায়। একই দিন রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (পরে বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গুলশানের বাসা থেকে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।<br>২০ সেপ্টেম্বর আরেক যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সময় থাইল্যান্ডগামী এক বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয় অনলাইন ক্যাসিনোর জনক সেলিম প্রধানকে।<br>নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে এসব আসামিদের মধ্যে অনেকে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অনেকে আবার জব্দ অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়াসহ অন্যান্য আবেদনও করছেন। এর মধ্যে জি কে শামীম, এনামুল হক আরমান, এনামুল হক এনু, রুপন ভূঁইয়া, তারেকুজ্জামান রাজীব, হাবিবুর রহমান অন্যতম।<br>এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, যে কেউ উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। এটা তাদের আইনি অধিকার। কিন্তু দুদক কাউকে ছাড় দেবে না। সে যেই হোক না কেন। আইনি ফাঁকে যেন কেউ সুযোগ না নিতে পারে সে বিষয়ে দুদক সজাগ রয়েছে।<br>অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় যারা গ্রেফতার হয়েছেন, তাদের বিষয়েও সরকার ছাড় দিচ্ছে না। একজন হাইকোর্টে জামিন পেয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদনের পর সেটি স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ড্রাইভার মালেকের ঢাকায় একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, ব্যাংকে অঢেল টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98431 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612886_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612886_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: <br>তৃতীয় শ্রেণির সাধারণ কর্মচারী হয়েও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আব্দুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেক (৬৩)। জাল টাকার ব্যবসা ছাড়াও তিনি এলাকায় চাঁদাবাজিতে জড়িত। শুধু তাই নয়, গ্রেফতারের পর বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।<br>রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র, জালনোটের ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে র‌্যাব-১ এর একটি দল আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করে।<br>তুরাগ থানার অধীন কামারপাড়ায় (বামনেরটেক, বাসা নম্বর-৪২, হাজী কমপ্লেক্স) গ্রেফতারকালে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জালনোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, সম্প্রতি র‌্যাবের প্রাথমিক গোয়েন্দা অনুসন্ধানে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় আব্দুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছেন এবং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তার ভয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মনে সর্বদা আতঙ্ক বিরাজ করে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা এবং জাল টাকার ব্যবসা করে আসছেন।<br>‘অনুসন্ধানে তার আয়-ব্যয়ের সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান ও সম্পদের বিস্তার অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়। একজন তৃতীয় শ্রেণির সাধারণ কর্মচারী হয়েও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তার একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণে অর্থ গচ্ছিত আছে বলে জানা যায়।’ এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১ বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আজ ভোরে তাকে গ্রেফতার করে।<br>র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, ‘তিনি পেশায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলের একজন চালক। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। ১৯৮২ সালে সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে চালক হিসেবে যোগদান করেন।’<br>তিনি বলেন, ‘পরে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলে চালক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরে কর্মরত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জালনোট ব্যবসাসহ অস্ত্রের মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।’<br>জানা গেছে, তার স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় দুটি সাততলা বিলাসবহুল ভবন, ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম, ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় সাড়ে চার কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন রয়েছে।<br>র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, মালেকের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও জাল টাকার ব্যবসায় জড়িত থাকা এবং অস্ত্র ও জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক দুটি মামলা হবে। তাকে রাজধানীর তুরাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে র‌্যাবের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 এক সপ্তাহে পরীক্ষা শনাক্ত সুস্থতা মৃত্যু সবই কমেছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98430 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612857_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612857_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>দেশে গত এক সপ্তাহে করোনার নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত, সুস্থতার হার ও মৃত্যু- সব নির্দেশক সূচকই কমেছে। এক সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ৯৪ হাজার ১৯৮টি নমুনা পরীক্ষা, নমুনা পরীক্ষায় ১১ হাজার ৩২৮ জন রোগী শনাক্ত, ১৬ হাজার ১১৫ জন সুস্থ এবং ২১১ জনের মৃত্যু হয়। করোনা সংক্রমণের ৩৮তম সপ্তাহের (১৩-১৯ সেপ্টেম্বর) তুলনায় পূর্ববর্তী ৩৭তম সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত, সুস্থতার হার ও মৃতের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯৭ হাজার ৫২৩টি, ১২ হাজার ৪৭৯ জন, ২০ হাজার ৪১৯ এবং ২৫৫ জন। তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত, সুস্থতা ও মৃতের হার হ্রাস পেয়েছে যথাক্রমে ৩.৪১ শতাংশ, ৯.২২ শতাংশ, ২১.০৮ শতাংশ এবং ১৭.২৫ শতাংশ।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br>এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ২৬ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ১৭ ও নারী ৯ জন। হাসপাতালে ২৪ ও বাড়িতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার হাজার ৯৩৯ জনে।<br>করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি পরীক্ষাগারে ১০ হাজার ৭৮৭টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯১টি। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৫৪৪ জন।<br>ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৪৮ হাজার ৯১৬ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২১ হাজার ২৭০টি।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৬ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব সাতজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৭ জন।<br>বিভাগ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৬ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রামে চারজন, রাজশাহীতে একজন, খুলনায় একজন ও রংপুরে একজন রয়েছেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 হাটহাজারী মাদ্রাসায় নতুন দায়িত্বে বাবুনগরী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98429 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612825_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612825_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক:<br>হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে হাটহাজারী মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস এবং নাজিমে তালিমাত (শিক্ষা পরিচালক) করা হয়েছে। শনিবার রাতে মাদ্রাসার মজলিসে শূরার বৈঠকে তাকে এই নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়। এছাড়া মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য তিন সদস্যের একটি প্যানেল গঠন করা হয়।<br>সদ্য মারা যাওয়া আল্লামা শফীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বাবুনগরীর সঙ্গে এক পর্যায়ে দূরত্ব সৃষ্টি হয় আল্লামা শফীর ছেলে আনাস মাদানী ও তার অনুসারীদের। গত ১৭ জুন জুনায়েদ বাবুনগরীকে মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে তাকে সাধারণ শিক্ষক হিসেবে রাখা হয়। এতদিন অনেকটা কোণঠাসা ছিলেন তিনি।<br>গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হন মাদ্রাসাটির ৩৪ বছরের মহাপরিচালক আল্লামা শফী। পরদিন আন্দোলনের মুখে তিনিও পদত্যাগ করেন। এর একদিন পরই তিনি ইন্তেকাল করেন।<br>আল্লামা শফীর ইন্তেকালে বাবুনগরীর অনুসারীরা হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনেকটা প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন। হেফজাতে ইসলামের সভাপতির দায়িত্বও বাবুনগরী পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।<br>২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার পর কিছুদিন কারাভোগ করেন তিনি। এরপর সরকারের সঙ্গে আল্লামা শফীর ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও বাবুনগরী ছিলেন বিরোধী অবস্থানে। এজন্য তাদের মধ্যে কিছুটা দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।<br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 খালেদার আরও ৪ মামলার স্থগিতাদেশ বহাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98428 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612797_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612797_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা নাশকতার তিনটি এবং মানহানির একটি মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এ নিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১১টি মামলায় স্থগিতাদেশ দিলো উচ্চ আদালত।<br>রবিবার সকালে বিচারপতি ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন।<br>আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।<br>ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ওই চার মামলার অভিযোগ আমলে নেয়ার আদেশ বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন আদালত। তবে, আপিল বিভাগ রুল নিষ্পত্তির দিন-তারিখ এখনো উল্লেখ করেননি।<br>২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে গাড়ি ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের অভিযোগে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে নাশকতার মামলাগুলো দায়ের করা হয়। রাজধানীর দারুস সালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তিনটি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। এসব মামলা স্থগিত চেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন জানানো হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একই সঙ্গে মামলার স্থগিতের বিষয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।<br>দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় পর গত মার্চে সরকারের নির্বাহী আদেশে ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়া মুক্তি পান। সম্প্রতি আরও ছয় মাস বেড়েছে মুক্তির মেয়াদ।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাবে বিএনপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98427 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612770_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612770_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: স্থানীয় সরকারের উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকারের যেসব উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের তফসীল ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোতে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ও উপজেলা ইউনিটগুলোর সুপারিশ কৃত প্রার্থীদের মনোনয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।<br>বৈঠকে তফসীল ঘোষণার পর ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ- ২ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পুনরায় ৪র্থ বারের মত বন্যা দেখা দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং জাতীয় ত্রাণ কমিটিকে বন্যা দূর্গত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা বৃদ্ধি করার জন্য আহ্বান জানানো হয় বৈঠকে।<br>এছাড়া বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।<br>এদিকে বৈঠকে পেঁয়াজসহ অন্যান্য খাদ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে হঠাৎ করেই ভারত সরকারের পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেজ্ঞার কারণে পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সরকার পেঁয়াজ আমদানি ও সরবরাহ নিশ্চিত করার কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে জনগণ যে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।<br>অবিলম্বে পেঁয়াজসহ অন্যান্য খাদ্য পণ্যের মূল্য সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয় এবং দেশে পেঁয়াজসহ অন্যান্য খাদ্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রনোদনা প্রদানের দাবি জানানো হয়।<br>বৈঠকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন যে কয়েকটি দেশে এবং কোম্পানি উদ্ভাবনের দাবি করছে সে বিষয়ে বিষেযজ্ঞদের সাথে মত বিনিময়ের পরে দলীয় অবস্থান নির্ধারণে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য কতৃক অনুমোদিত ভ্যাকসিন প্রাপ্তি সাপেক্ষে জনগণকে যথা সময়ে বিনামূল্যে সরবরাহ করার যে দাবি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেছেন তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়।<br>বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 তালিকা যাচাই করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় একাদশে ভর্তির নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98426 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612741_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612741_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মন্ত্রণালয়ের তালিকা যাচাই করে একাদশ শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ নির্দেশনা দেয়া হয়। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জানানো যাচ্ছে যে, চাকরিতে নিয়োগ, পিআরএল, ভর্তি সংক্রান্ত সব কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবাইটে থাকা তালিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে পরবর্তীতে উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ভর্তি বাতিল করা হবে। <br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 অপু উকিলের বিরুদ্ধে নাজমার যতো ক্ষোভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98425 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612711_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612711_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>নাজমা আক্তার। যুব মহিলা লীগ সভাপতি। ১৯ বছর ধরে সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সম্প্রতি তার মা মৃত্যুবরণ করেন। অথচ যুব মহিলা লীগ সহানুভূতি জানিয়ে স্বজন হারানো নাজমা আক্তারের পাশে দাঁড়ানো তো দূরে থাক, তার মায়ের মৃত্যুতে কোনো শোকবার্তাও জানায়নি! এ নিয়ে শোকাহত নাজমা আক্তার ক্ষোভ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেঘগন স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এতে তিনি আমাদের রাজনৈতিক দৈন্যতার যে চিত্র তা তুলে ধরেছেন। পূর্বপশ্চিমের পাঠকদের জন্য তা হুবহু তলে ধরা হলো:<br>এটা কি বিবেকহীনতা, অমানবিকতা, শত্রুতা, হিংস্রতা, নাকি জঘন্য অপরাধবোধ থেকে সৌজন্যবোধটাকে হারিয়ে ফেলা ? প্রায় ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনের ১৯টি বছরই কাটালাম যুব মহিলা লীগের সভাপতি হিসেবে। সম্প্রতি আমার মা মৃত্যুবরণ করেছেন। মায়ের মৃত্যুতে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক প্রেস রিলিজ দিয়ে শোক বার্তা পাঠাবে, এটিই বোধ হয় রাজনৈতিক শিষ্টাচার। কিন্তু অত্যন্ত দু:খের সাথে লক্ষ্য করলাম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল সেটি তো করলোই না, ফেসবুকে দু:খ প্রকাশ করেও কোন স্ট্যাটাস দিতে দেখলাম না। এমনকি গত ৭ দিনে তার কাছ থেকে সহানুভূতির কোনো ফোনও পেলাম না। তাহলে কি আমার মায়ের মৃত্যুর প্রেস রিলিজ আমাকেই দিতে হতো?<br>কার সাথে এতোটি বছর রাজনীতি করলাম? কোন একটি দৈনিক পত্রিকায় আমার মায়ের মৃত্যুতে শোক ও দু:খ প্রকাশ করে জনাব ওবায়দুল কাদেরের নামের সাথে অপু উকিলের নামটিও এসেছে। সেটি যুব মহিলা লীগের কোন প্রেস রিলিজ ছিল না, কোন এক সাংবাদিক ভাই তার নাম নিজের ইচ্ছাতেই জুড়ে দিয়েছেন। এইভাবেই কি মনুষ্যত্বহীন নিষ্ঠুর রাজনীতিকে সঙ্গী করে আমাদেরকে চলতে হবে?<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 কোস্ট গার্ডের অভিযানে বঙ্গোপসাগরে পাঁচ লাখ ইয়াবাসহ আটক ৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98424 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612673_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612673_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৭ মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিসিজি স্টেশন টেকনাফ থানাধীন বড়ঢিল থেকে প্রায় ২৫/৩০ নটিক্যাল মাইল উত্তর পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।<br>রোববার দুপুরে মিডিয়া কর্মকর্তা কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। অভিযান চলাকালীন সময় একটি সন্দেহজনোক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৭ জন ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়।<br>পাচারকারীরা হলো মহররম আলী, আব্দুল শুক্কুর, আমানুল্লাহ, নুরুল আলম, আব্দুল মোন্নাফ, জাহিদ হোসেন ও আব্দুল পেডান। তারা সবাই টেকনাফের বাসিন্দা।<br>পরবর্তীতে জব্দ করা ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত নৌকাটি এবং আটক মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।<br>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন রোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 বেড়েছে চালের দাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98423 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612639_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/20/1600612639_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না মোটা চাল। ফলে বেড়েছে মাঝারি ও চিকন চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মানভেদে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মৌসুম শেষে চালের সরবরাহ কমায় এই দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।<br>রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ছিল ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা। নাজিরশাইল চালের দামও কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে, ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মাঝারি মানের চালের দাম বেড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে।<br>আড়তে চিকন চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। আর মাঝারি মানের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা, যা আগে ছিল ৪০ থেকে ৪২ টাকা।<br>খুচরা বজারে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খিলগাঁও তালতলার চাল ব্যবসায়ী জানে আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে চালের দাম বাড়তি। যা খবর শুনছি সামনে চালের দাম আরও বাড়বে। ইতোমধ্যে রশিদের মিনিকেট ২৫ কেজির বস্তা আমাদের কিনতে হচ্ছে এক হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে। কিছুদিন আগে এই চাল আমরা এক হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করেছি।’<br>তিনি বলেন, ‘রশিদের চালের দাম বাড়লে, অন্য ব্যবসায়ীরাও চালের দাম বাড়িয়ে দেয়। গত কয়েকদিনে সবাই কেজিতে চালের দাম ২-৩ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। ৫০ টাকার নিচে বাজারে এখন কোনো চাল নেই। দাম বাড়ায় মিনিকেট চাল বিক্রি করতে হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ৫৬ টাকাও বিক্রি করেছি। মোটা চাল তো বাজারে নেই। আর মাঝারি মানের আটাশ ও লতা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকা, যা আগে ৪৬ টাকা ছিল। যা শুনছি, তাতে আগামী সপ্তাহ থেকে মাঝারি চাল ৫৫ টাকা এবং চিকন চাল ৬০ টাকার উপরে বিক্রি করতে হবে।’<br>প্রায় একই ধরনের কথা বললেন মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সোহাগ। তিনি বলেন, ‘দুদিন আগে রশিদের ২৫ কেজির বস্তা এক হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু গতকাল আমাদেরই কিনতে হয়েছে এক হাজার ৪০০ টাকা করে। সুতরাং এই চাল এক হাজার ৪২০ টাকার নিচে বিক্রি করার উপায় নেই। একইভাবে অন্যান্য চালের দামও বেড়েছে। আমাদের কাছে যে চাল আছে এর মধ্যে সব থেকে কম দামেরটা ৫০ টাকা কেজি।’<br>চালের দামের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁওয়ের ন্যাশনাল রাইস মিলের কর্ণধার মোহাম্মদ হাসান রাজু বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে এখন আমরা মাঝারি মানের চাল ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি করছি। চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। চালের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার মূল কারণ ছোট ছোট হাসকি মিলগুলো এখন চলে না। সারাদেশে এক হাজারের মতো হাসকি মিল বন্ধ রয়েছে। শুধু বড় বড় অটো মিলে চাল উৎপাদন হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে চালের সরবরাহ কমে গেছে। আর সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।’<br>যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী বলেন, ‘হাসকি মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে চালের দাম বাড়ছে, এটা সঠিক না। হাসকি মিল থেকে চাল খুব বেশি আসে না। চালের দাম বাড়ার কারণ মৌসুম শেষের দিকে চলে এসেছে। তাছাড়া এবার বছরজুড়েই প্রাকৃতিক দুর্যোগ রয়েছে। এখনও প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে বাজারে ধানের সরবরাহ কম, দামও বেশি। ধানের দাম বেশি হলে চালের দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।’<br><br> </body></HTML> 2020-09-21 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 ধোনির সিদ্ধান্তে অবাক স্যাম কারেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98422 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612318_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612318_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রথমবারের মতো চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাঠে নেমেছেন ইংলিশ বাঁহাতি অলরাউন্ডার স্যাম কারেন। সেটাও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ত্রয়োদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে। আর প্রথম ম্যাচেই ইংলিশ এই অলরাউন্ডারকে চমকে দিয়েছেন ‘সুপার কুল’ অধিনায়ক ধোনি। থালাইবাদের হয়ে মাঠে নামার আগে দলের সঙ্গে পর্যাপ্ত অনুশীলন কিংবা পরিচিত হতেও পারেননি। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। বল হাতে আলো ছড়ানোর পর ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে বাগিয়ে নিয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারও। ম্যাচ জিততে তখন ৩ ওভারে দরকার ২৯ রান। ড্রেসিংরুমে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফিনিশার ধোনি থেকে শুরু করে কেদার যাদবের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। এমন সময় আউট হয়ে গেলেন পাঁচে ব্যাটিংয়ে নামা রবীন্দ্র জাদেজা।<br>খুব স্বাভাবিকভাবে ধোনি কিংবা কেদারকে আশা করছিলো চেন্নাই সমর্থকরা। কিন্তু সবাইকে অবাক করে অধিনায়ক ধোনি সিদ্ধান্ত নিলেন ছয়ে ব্যাট হাতে নামবেন কারেন।<br> and nbsp;ব্যাট হাতে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেছেন এই ইংলিশ ক্রিকেটার। খেলছেন ১৮ রানের ছোট ইনিংস। কিন্তু মাত্র ৬ বলে, ৩০০ স্ট্রাইক রেটে। ফলে চেন্নাইয়ের জন্য ম্যাচটা অনেক সহজ হয়ে যায়। কারেন যখন আউট হয়ে ফেরেন তখন আর ১০ বলে ১০ রান লাগে চেন্নাই শিবিরের। এরপরে অধিনায়ক ধোনি ব্যাট হাতে নামেন। তবে ব্যাট হাতে রান করার প্রয়োজন পড়েনি ধোনির, তার আগেই চার বল হাতে রেখে জয়ের দেখা পায় চেন্নাই।<br>ম্যাচশেষে ধোনির সিদ্ধান্তে চমকে যাওয়ার কথা জানিয়ে কারেন বলেন, সত্যি কথা বলতে, জাদেজা আউট হওয়ার পর যখন এমএস ধোনির আগে আমাকে পাঠানো হলো, আমি চমকে গিয়েছিলাম। আমার কাছে তা ছিল বড় ধরনের বিস্ময়। অবশ্যই একটা পরিকল্পনা ছিল, সেটা কাজে দিয়েছে। এদিকে ধোনি জানিয়েছেন, কী কারণে তিনি বা কেদার যাদবের আগে পাঠানো হয়েছিল জাদেজা বা কারেনকে। চেন্নাই অধিনায়ক বলেন, একটা সময় আমি ভাবলাম আমাদের জাদেজা ও স্যামের মতো একজনকে উপরে পাঠানো দরকার, যাতে তারা নিজেদের মেলে ধরতে পারে।<br>এরপর আরো যোগ করেন, তাদের দু’জন স্পিনারের ওভার বাকি ছিল। আমরা বোলারদের কিছুটা ঘাবড়ে দিতে চেয়েছি, এটা একটা মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার ছিল। আমরা জানতাম আমাদের ব্যাটিং অর্ডার লম্বা। যদি দুই একটা ছক্কা মেরে দেওয়া যায় তাহলে ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। </body></HTML> 2020-09-20 20:31:40 1970-01-01 00:00:00 চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা চেন্নাইয়ের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98421 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612282_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612282_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই চেন্নাই সুপার কিংসের খেলোয়াড়দের বয়স নিয়ে আলোচনা হয়েছে অনেক। মারকাটারি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চেন্নাইয়ের ত্রিশোর্ধ্ব বয়সের ক্রিকেটাররা কতটা কার্যকর হবেন- তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।<br>মাঠের খেলা শুরু হতেই মিলল জবাব। বুড়ো হাড়ের ভেলকি দিয়েই আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিয়েছে চেন্নাই। টুর্নামেন্টের ১৩তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে চারবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির ‘বুড়ো’দের চেন্নাই। মুম্বাইয়ের করা ১৬২ রানের সংগ্রহ ৪ বল হাতে রেখেই টপকে গেছে তারা।<br>চেন্নাইয়ের জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন ৩৪ বছর বয়সী আম্বাতি রাইডু এবং ৩৬ বছর বয়সী ফাফ ডু প্লেসি। মাত্র ৬ রানে দুই উইকেট পতনের পর ফাফ ও রাইডু মিলে গড়েন ১১৫ রানের জুটি, তাও মাত্র ১৪ ওভারে। দলীয় ১২১ রানের মাথায় ৪৮ বলে ৭১ রান করে ফেরেন রাইডু।<br>তবে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ফাফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস। এর সঙ্গে স্যাম কুরান ৬ বলে ১৮ রানের কার্যকরী ক্যামিও ইনিংস খেললে সহজ হয় চেন্নাইয়ের জয়। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনাই পেয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা আর কুইন্টন ডি কক ২৮ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তুলেন ৪৬ রান। তবে দারুণ এই শুরু ভেস্তে যায় মুম্বাই টানা দুই ওভারে রোহিত (১০ বলে ১২) আর ডি কককে (২০ বলে ৩৩) হারালে।<br>তৃতীয় উইকেটে সূর্যকুমার যাদবকে (১৬ বলে ১৭) নিয়ে অবশ্য সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন সৌরভ তিওয়ারি। একটা সময় ৩ উইকেটে ১২১ রান ছিল মুম্বাইয়ের। কিন্তু ১৫তম ওভারে এসে ফের জোড়া ধাক্কা। এক ওভারেই রবীন্দ্র জাদেজার শিকার দুই ব্যাটসম্যান।<br>ভারতীয় এই স্পিনারের ঘূর্ণিতে ৩১ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৪২ রান করে সৌরভ ফেরেন ডু প্লেসিসের ক্যাচ হয়ে। তিন বল পর আউট হন বড় ২ ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ বলে ১৪ রান করা হার্দিক পান্ডিয়াও। এরপর বল হাতে চমক দেখিয়েছেন লুঙ্গি এনগিদি। ক্রুনাল পান্ডিয়ার (৩ বলে ৩) পর মুম্বাই ব্যাটিংয়ের শেষ ভরসা কাইরন পোলার্ডকে (১৪ বলে ১৮) ফিরিয়েছেন প্রোটিয়া এই পেসার। পকেটে পুরেছেন জেমস প্যাটিনসকেও (৮ বলে ১১)। ধুঁকতে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এরপর আর বেশিদূর আগাতে পারেননি। ৯ উইকেটে ১৬২ রানেই থামতে হয়েছে চারবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের। </body></HTML> 2020-09-20 20:31:03 1970-01-01 00:00:00 আইসোলেশনে ১১ ক্রিকেটার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98420 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612242_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612242_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রথমবারের মতো চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে মাঠে নেমেছেন ইংলিশ বাঁহাতি অলরাউন্ডার স্যাম কারেন। সেটাও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ত্রয়োদশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে। আর প্রথম ম্যাচেই ইংলিশ এই অলরাউন্ডারকে চমকে দিয়েছেন ‘সুপার কুল’ অধিনায়ক ধোনি। থালাইবাদের হয়ে মাঠে নামার আগে দলের সঙ্গে পর্যাপ্ত অনুশীলন কিংবা পরিচিত হতেও পারেননি। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে তার কোনো প্রভাব পড়েনি। বল হাতে আলো ছড়ানোর পর ব্যাট হাতে ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে বাগিয়ে নিয়েছেন ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারও। ম্যাচ জিততে তখন ৩ ওভারে দরকার ২৯ রান। ড্রেসিংরুমে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফিনিশার ধোনি থেকে শুরু করে কেদার যাদবের মতো বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। এমন সময় আউট হয়ে গেলেন পাঁচে ব্যাটিংয়ে নামা রবীন্দ্র জাদেজা।<br>খুব স্বাভাবিকভাবে ধোনি কিংবা কেদারকে আশা করছিলো চেন্নাই সমর্থকরা। কিন্তু সবাইকে অবাক করে অধিনায়ক ধোনি সিদ্ধান্ত নিলেন ছয়ে ব্যাট হাতে নামবেন কারেন।<br> and nbsp;ব্যাট হাতে অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করেছেন এই ইংলিশ ক্রিকেটার। খেলছেন ১৮ রানের ছোট ইনিংস। কিন্তু মাত্র ৬ বলে, ৩০০ স্ট্রাইক রেটে। ফলে চেন্নাইয়ের জন্য ম্যাচটা অনেক সহজ হয়ে যায়। কারেন যখন আউট হয়ে ফেরেন তখন আর ১০ বলে ১০ রান লাগে চেন্নাই শিবিরের। এরপরে অধিনায়ক ধোনি ব্যাট হাতে নামেন। তবে ব্যাট হাতে রান করার প্রয়োজন পড়েনি ধোনির, তার আগেই চার বল হাতে রেখে জয়ের দেখা পায় চেন্নাই।<br>ম্যাচশেষে ধোনির সিদ্ধান্তে চমকে যাওয়ার কথা জানিয়ে কারেন বলেন, সত্যি কথা বলতে, জাদেজা আউট হওয়ার পর যখন এমএস ধোনির আগে আমাকে পাঠানো হলো, আমি চমকে গিয়েছিলাম। আমার কাছে তা ছিল বড় ধরনের বিস্ময়। অবশ্যই একটা পরিকল্পনা ছিল, সেটা কাজে দিয়েছে। এদিকে ধোনি জানিয়েছেন, কী কারণে তিনি বা কেদার যাদবের আগে পাঠানো হয়েছিল জাদেজা বা কারেনকে। চেন্নাই অধিনায়ক বলেন, একটা সময় আমি ভাবলাম আমাদের জাদেজা ও স্যামের মতো একজনকে উপরে পাঠানো দরকার, যাতে তারা নিজেদের মেলে ধরতে পারে।<br>এরপর আরো যোগ করেন, তাদের দু’জন স্পিনারের ওভার বাকি ছিল। আমরা বোলারদের কিছুটা ঘাবড়ে দিতে চেয়েছি, এটা একটা মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার ছিল। আমরা জানতাম আমাদের ব্যাটিং অর্ডার লম্বা। যদি দুই একটা ছক্কা মেরে দেওয়া যায় তাহলে ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। </body></HTML> 2020-09-20 20:30:27 1970-01-01 00:00:00 গ্রিজম্যানের গোলে গাম্পের ট্রফি জিতল বার্সা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98419 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612209_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612209_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>গত মৌসুমের ব্যর্থতা ভুলে নতুন উদ্যমে চলতে শুরু করেছে স্প্যানিশ বার্সেলোনা। জুয়ান গাম্পের ট্রফি জিতেছে মেসিবাহিনী। ক্যাম্প ন্যুতে শনিবার প্রাক মৌসুম প্রস্তুতি পর্বের শেষ ম্যাচটি পাঁচ বছর পর লা লিগায় ফেরা এলচেকে হারিয়ে ১-০ গোলে জিতেছে রোনাল্ড কোম্যানের দল।<br>খেলার শুরুতেই একমাত্র গোলটি করেন অঁতোয়ান গ্রিজম্যান। এই নিয়ে তিন প্রস্তুতিমূলক ম্যাচের সবগুলোই জিতল বার্সেলোনা। খেলার দ্বিতীয় মিনিটে জর্দি আলবার বাড়ানো বলে দলকে এগিয়ে নেন ফরাসি ফরোয়ার্ড গ্রিজমান। বাকি সময়ে কর্তৃত্ব করে স্বাগতিকরা। বার্সেলোনার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক খেলোয়াড় ও সভাপতি হুয়ান গাম্পারের নামানুসারে প্রতি মৌসুমের শুরুতে ‘গাম্পার ট্রফি’র আয়োজন করে ক্লাবটি। এটি মূলত এক ম্যাচের আয়োজন। এবার এই ট্রফির ৫৫তম সংস্করণ হলো। যেখানে এলচেকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বার্সেলোনা। </body></HTML> 2020-09-20 20:29:57 1970-01-01 00:00:00 ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন পুলিশ সোর্সসহ তিনজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98418 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612168_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612168_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>অস্ত্র দিয়ে রাজশাহীর এক অবসরপ্রাপ্ত রেল কর্মকর্তাকে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের সোর্সসহ তিনজন ফেঁসে গেছেন। নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি দল শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।<br>তারা হলেন- নগরীর অলকার মোড় এলাকার রতন সরকারের ছেলে প্রতাপ সরকার (৪২), বোয়ালিয়াপাড়া এলাকার হায়দার আলীর ছেলে মো. মাসুম (৩৫) এবং সাহেববাজার মাস্টারপাড়া এলাকার শহিদুল হাসান ওরফে রনি (৩৫)।<br>এদের মধ্যে প্রতাপ সরকার পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করেন। অস্ত্র মামলায় শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। বিশেষ এ অভিযানে অংশ নেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই (নিরস্ত্র) আমিনুর রহমান।<br>তিনি বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর বোয়ালিয়াপাড়া এলাকার একটি বাসার ছাদ থেকে বিদেশি কাটাবন্দুক উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদ পেয়ে অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত হয় গৃহকর্তা অবসরপ্রাপ্ত রেল কর্মকর্তা গোলাম আজম হোসেনকে ফাঁসাতে অস্ত্রটি রেখে গেছে অজ্ঞাত কেউ।<br>এরপর ঘটনার পেছনের অপরাধীদের ধরতে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হয় পুলিশের সোর্স প্রতাপ সরকারকে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় শহিদুল হাসান ওরফে রনি এবং মাসুমকে। তারা এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।<br>নগর পুলিশের মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-09-20 20:29:07 1970-01-01 00:00:00 সন্তানের ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত: ভাতিজিকে চাচার ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98417 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612132_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612132_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>নাঙ্গলকোটে অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আপন চাচার লাম্পট্যের শিকার হয়ে সহজ-সরল কিশোরী ভাতিজী অন্তসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় কিশোরীর সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষক চাচা সোহেলের (৪৫) সম্পৃক্ততা মিলেছে। and nbsp; চাচার ধর্ষণের শিকার হয়ে ভাতিজী কিশোরীর কন্যা সন্তানের মা হওয়ার ঘটনায় সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পৌঁছেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) আখতার হোসেন কিশোরীর ভাই রাসেলকে থানায় ঢেকে নিয়ে তার বোনের সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল তার চাচার সাথে মিলে যাওয়ার বিষয়টি জানান। তিনি ইতিমধ্যে মামলার স্বাক্ষীদের স্বাক্ষরও সংগ্রহ করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এস আই) আখতার হোসেন ভাতিজী কিশোরীর সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে ধর্ষক চাচা সোহেলের সাথে মিলে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি মামলার চার্জশীট দ্রুত দেয়া হবে বলেও জানান।<br>নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের হেসিয়ারা পূর্বপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষক চাচা সোহেল (৪৫) হেসিয়ারা গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে। and nbsp; নাঙ্গলকোটে আপন চাচা কর্তৃক সহজ-সরল কিশোরী ভাতিজিকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে (১৪) ধর্ষণের পর আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উদ্যোগে গত ১৩ জুন কিশোরীর বাবা তার ভাই ধর্ষক সোহেলকে (৪৫) আসামী করে নাঙ্গলকোট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। ১৪ জুন পুলিশ আসামী ধর্ষক সোহেলকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে। কিশোরী চাচা সোহেলকে দায়ী করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিশোরীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।<br> and nbsp;গত জুন মাসের শেষ দিকে সিজার অপারেশনের মাধ্যমে ওই কিশোরী মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়। পরে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর মধ্যস্থতায় কিশোরীর মেয়ে সন্তানটিকে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে এক নিঃসন্তান দম্পত্তির নিকট দত্তক দেয়া হয়। সন্তানটিকে দত্তক দেয়ার শর্ত ছিল, ডিএনএ পরীক্ষাসহ মামলার তদন্তের স্বার্থে যে কোন সময় সন্তানটিকে হাজির করতে হবে। পরে কিশোরীর সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পুলিশ ধর্ষক চাচা সোহেলকে জেলে প্রেরণের এক মাসের মধ্যে গত ১৪ জুলাই সোহেল জামিনে মুক্ত হয়। ধর্ষণ মামলায় সোহেল মাত্র এক মাসের মধ্যে জামিন পাওয়ার পেছনে কলকাঠি নাড়ে ধর্ষক সোহেলের বাবা আবদুল মান্নান। এ কাজে বৃদ্ধকে সহায়তা করে ধর্ষকের মামা ইমাম হোসেন ও বোন রেখা আক্তার। আবদুল মন্নান তার ধর্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মামলা তুলে না নিলে বড় ছেলে ও ধর্ষিত কিশোরীর বাবাকে সম্পত্তির ভাগ থেকে বঞ্চিত করাসহ ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছিল। আরও অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির কথা না ভেবে এ কাজে প্রতিবেশীরাও ওই বৃদ্ধের সঙ্গে হাত মেলায় এবং কিশোরীর বাবাকে আপসের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিশোরীর বাবা ভিটেমাটিসহ অন্য সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার ভয়ে তার পিতা আবদুল মান্নান, বোন রেখা আক্তার, মামা ইমাম হোসেনসহ আত্মীয়স্বজনের চাপের মুখে ধর্ষক ভাই সোহেলের জামিনের জন্য কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবেদন করে।<br>ধর্ষক সোহেল কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তার বাবা আবদুল মান্নান, মামা ইমাম হোসেন, বোন রেখা আক্তারসহ কতিপয় অতিউৎসাহী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় গত ১৭জুলাই ধর্ষক সোহলেকে ফুলের মালা পরিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহকারে রাজসিকভাবে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ধর্ষক সোহেল গ্রামের বাড়িতে পৌঁছার পর আত্মীয়স্বজনের জন্য ভুরিভোজের আয়োজন করে। মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ধর্ষক সোহেলকে ফুলের মালা পরিয়ে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে বাড়ি নেওয়ার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি আদালতের নজর এলে জামিনের ১৫দিন পর আদালতের বিচারক ধর্ষক সোহেলকে আদালতে হাজির হতে বলেন। সোহেল আদালতে হাজির হলে বিচারক তার জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মে মাসের শেষের দিকে আপন চাচা কর্তৃক কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক জানাজানি হলেও জুন মাসের প্রথমদিকে বিষয়টি ‘‘টক অব দ্যা নাঙ্গলকোটে’’ পরিণত হয়। এনিয়ে সমাজপতিরা কয়েক দফা সালিশ বৈঠকে বসেও ঘটনাটির কোন সুরাহা না করে সময়ক্ষেপন করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। এঘটনায় গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে। যার ফলে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাটির সুষ্ঠ বিচার না হলে কিশোরীর ভাই রাসেল তার বোনকে নিয়ে আত্মহত্যা করার ঘোষণা দেয়। and nbsp; পরে গত ১৩ জুন গত শনিবার and nbsp; বিকেলে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী নিজ উদ্যোগে থানা পুলিশ পাঠিয়ে কিশোরীর ভাই রাসেলকে থানায় নিয়ে আসেন। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টায় কিশোরী এবং তার পিতাকেও থানায় হাজির করা হয়। পরে শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কিশোরীর পিতা তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ভাই সোহেলকে and nbsp; আসামী করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।<br>মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে কিশোরীর মা অসুস্থ থাকায় তার পিতা তার মাকে কুমিল্লার বেসরকারি হাসপাতাল মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যান। হাসপাতালের তারা ৫/৬দিন অবস্থান করেন। এ সুযোগে বাড়িতে কেউ না থাকায় কিশোরীর চাচা সোহেল কিশোরীকে ফুসলিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পর-পর চার দিন ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। ফলে সে বিষয়টি কাউকে প্রকাশ করেনি। পরবর্তীতে কিশোরী মেয়েটি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।<br>ধর্ষিতা কিশোরীর ভাই রাসেল তার বোনের সর্বনাশকারী চাচা সোহেলের বিরুদ্ধে একাই লড়ে যাচ্ছে । and nbsp; সাথে তার ধর্ষিতা কিশোরী বোনও তাকে সহযোগিতা করে আসছে। শেষ পর্যন্ত ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে তার বোনের সন্তানের সাথে ধর্ষক চাচার। </body></HTML> 2020-09-20 20:28:32 1970-01-01 00:00:00 ভেজাল কীটনাশকে কপাল পুড়ছে কৃষকের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98416 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612096_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612096_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>নওগাঁর রানীনগরে ফসলে ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। ধানের পোকা দমনে কৃষক না বুঝে দোকান থেকে কিনে ফসলে ব্যবহার করছেন। এতে উপকারের পরিবর্তে উল্টো ক্ষতি হচ্ছে। একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হচ্ছে অপরদিকে আর্থিক ক্ষতিরও মুখে পড়ছেন কৃষকরা। জানা গেছে, ইনতেফা কোম্পানি ‘বাতির’ নামক কীটনাশক কোম্পানির নির্ধারিত দোকানগুলোর মাধ্যমে বাজারে বিক্রি করে থাকে। রানীনগর উপজেলায় গত দুইমাস থেকে ‘বাতির’ নামক কীটনাশক বাজারে নেই। কোম্পানির নির্ধারিত দোকানগুলোতে এ কীটনাশক না থাকলেও বাইরের কিছু দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকরা ধানের পোকা দমনে এ কীটনাশক স্প্রে করেন। কিন্তু কিছুতেই পোকা দমন সম্ভব হচ্ছে না। উল্টো কোম্পানির বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন অভিযোগ। কোম্পানির এ ‘বাতির’ কীটনাশক যেতেহু দুইমাস থেকে সরবরাহ নেই সেহেতু বিষয়টি নিয়ে কোম্পানির জেলা প্রতিনিধিরা মাঠে নামেন। পরে দেখেন বাজারে যে ‘বাতির’ নামক কীটনাশক আছে সেটি তাদের না। হুবহু তাদের কীটনাশকের মোড়ক নকল করে বাজারে বিভিন্ন কীটনাশকের দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। আর কৃষকরা না বুঝে ওই নকল কীটনাশক কিনে প্রতারিত হচ্ছেন। নকল কীটনাশক উদ্ধারে দ্রুত প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন কৃষকরা। কোম্পানির পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার আবাদপুকুর বাজারে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। এসময় নকল ‘বাতির’ কীটনাশক বিক্রি করার দায়ে কীটনাশক ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।<br>উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের কৃষক মুনছুর আলী বলেন, প্রায় আড়াইমাস আগে বাতির কীটনাশক ১০০ গ্রাম ওজনের কিনেছিলাম। গত ১৫-২০ দিন আগে আবারও কেনার জন্য আবাদপুকুর বাজারে গিয়ে অনেক খুঁজে একটা দোকানে পেয়েছি। ১০০ গ্রাম ওজনের দাম ২৮০ টাকা। এছাড়া প্যাকেটের ভেতরে দানা ভাব ছিল। সন্দেহ হওয়ায় সেটি আর নিইনি। যারা ওই দোকান থেকে বাতির কীটনাশক কিনেছে তারা প্রতারিত হয়েছে।<br>আবাদপুকুর বাজারের কীটনাশক ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, ‘বাতির’ কীটনাশক আসল না নকল তা জানি না। তবে কোম্পানির লোক পরিচয় দিয়ে দোকানে দিয়েছিল। পরে কোম্পানির আসল লোকজন প্রশাসনের সঙ্গে এসে অভিযান চালিয়ে নকল বলে জব্দ করে। তবে যারা ওই কীটনাশক সরবরাহ করে আসছিল তারা আর আসে না।<br>ইনতেফা কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার আবু সাঈদ বলেন, গত দুই মাস থেকে কোম্পানির ওই কীটনাশক সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু তারপরও কিছু কিছু কীটনাশক ব্যবসায়ী নকল ‘বাতির’ কীটনাশক বিক্রি করে আসছিলেন। কৃষকরা ওই কীটনাশক ব্যবহার করে অভিযোগ করেন। এরপর আমরা বাজারে গিয়ে কীটনাশক ব্যবসায়ীদের কাছে ‘বাতির’ কীটনাশকটি দেখি। সেটা নকল বলে প্রতিয়মান হয়। আমাদের কোম্পানির মনোগ্রামসহ সবকিছু নকল করা হয়েছে। কোম্পানির লোক পরিচয় দিয়ে যিনি কীটনাশক সরবরাহ করতেন তাদের একজনের নামও আমরা পেয়েছি। বিষয়টি কোম্পানিকে অবগত করা হয়েছে।<br>রানীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ভেজাল কীটনাশকের সত্যতা পাওয়া যায়। তবে কীটনাশক ব্যবসায়ীরা কোথা থেকে কিভাবে সেগুলো কিনেছেন তা বলতে চান না। ভেজাল কীটনাশক বিক্রি বন্ধ এবং কৃষকদের বাঁচাতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। </body></HTML> 2020-09-20 20:27:57 1970-01-01 00:00:00 আশুলিয়ায় মোবাইল ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98415 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612056_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612056_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>সাভারের আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে মোবাইল চোর ও ছিনতাই সিন্ডিকেটের সক্রিয় চার সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৪। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে চুরি ও ছিনতাই হওয়া ৬৮টি স্মার্ট এনড্রয়েডসহ ফিচার মোবাইল ফোন।<br>শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ শাখার কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দীন। এর আগে বিকেলে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় চুরি ও ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন বিক্রির সময় তাদের আটক করা হয়। আটকেরা হলো- গোপালগঞ্জ জেলার মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে আবুল কালাম (৪৯), নাটোর জেলার মৃত আমির উদ্দিন প্রমানিকের ছেলে মহসিন আলী (৫০), ভোলা জেলার মোতাছিম বিল্লাহর ছেলে সোহেল রানা (২৪) ও বরগুনা জেলার মৃত জয়েন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে সুজন (২৬)। তারা সকলে আশুলিয়া ও জামগড়া এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়ির ভাড়াটিয়া। র‌্যাব জানায়, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ছিনতাই ও চুরিকৃত বিপুল সংখ্যক মোবাইল ফোন বিক্রির উদ্দেশ্যে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। পরে বিকেলে এসব মোবাইল বিক্রির সময় হাতেনাতে এই চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৩৩টি স্মার্ট এনড্রয়েড ফোন ও ৩৫ টি ফিচার (বাটন) ফোন উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ শাখার কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মূলত এই চক্রের আটক সদস্যরা সাধারণ মানুষের মোবাইল ও টাকা পয়সা ছিনতাই কিংবা চুরি করে তা বিক্রি করে আসছিল। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব মোবাইল সংগ্রহের পর তা একত্রে বিক্রির করার চেষ্টাকালে আজ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়। এঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। </body></HTML> 2020-09-20 20:27:18 1970-01-01 00:00:00 মীরসরাই বারইয়ারহাটে এরাবিয়ান এন্টারপ্রাইজে রহস্যজনক আগুন, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98414 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612021_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600612021_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বারইয়ারহাট বাজরের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে এরাবিয়ান এন্টার প্রাইজে গতকাল রাত ১০ টার দিকে রহস্যজনক আগুনের ঘটনা ঘটে পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে যায় বড় একটি দোকান। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে সাবেক কমিশনার বারইয়ারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিনের and nbsp; দাবি এ ঘটনায় তার অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। শনিবার রাতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। মীরসরাই ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট টানা ১ ঘন্টা চেস্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবী and nbsp; ফায়ারসার্ভিস কে আগুন লাগার বিষয়ে জানানোর পরও তারা দ্রুত সময়ে না এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারায় ফায়ার সার্ভিসের গাফিলতির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, শনিবার রাত ১০টার দিকে জমিদার মার্কেটের এরাবিয়ান এন্টার প্রাইজ নামের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো এরাবিয়ান এন্টার প্রাইজ মার্কেটের বিতরে অংশে। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে and nbsp; মীরসরাইয়ের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। সময় বাড়ার সাথে সাথে আগুনের ভয়াবহতাও বাড়তে থাকে। আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়েছে এমন আতংকে and nbsp; বারইয়ারহাট জমিদার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ছুটোছুটি করে চারদিক থেকে ছুটে এসে ঝড় হতে থাকেন নিজেদের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আগুন থেকে রক্ষা করার জন্য। ফায়ারসার্ভিস আসার আগেই কিন্তু ততক্ষণে এরাবিয়ান এন্টারপ্রাইজ দোকানের সব কিছু পুড়ে শেষ হয়ে যায়। and nbsp; জমিদার মার্কেটসহ দু’টি আলাদা ভবন মিলিয়ে বিশাল এই মার্কেটে সব মিলিয়ে ৩শ’র বেশি দোকান রয়েছে। আগুনের লেলিহান ও তীব্র and nbsp; and nbsp; ধোঁয়া, পানি আর আলোর অভাবে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের। আগুন লাগার ইসু কে পুজি করে যাতে কেউ কোনো ধরনের চুরি চিন্তাই করে বিশৃঙ্খলা সৃস্টি না করতে পারে এজন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও মোতায়েন করা হয়। আগুন নিভানোর সময় ফায়ারসার্ভিস আসার জন্য বারইয়ারহাটে ঢাকা-চট্রগ্রামের মহাসড়কের আশপাশের and nbsp; ২টি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হওয়া প্রসঙ্গে মীরসরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার তানভীর আহমেদ বলেন, মার্কেটের ভেতর প্রচুর পরিমাণ জিনিষ পত্র এবং গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ থাকায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লেগেছে।<br>এমন কি মার্কেটের আশে পাসে পানির ব্যবস্থা না থাকায় অন্যত্র থেকে সেই পানি নিয়ে আসতেও সময় লেগেছে। এ কারণেই আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য কিছুটা সময় লেগে যায়। অপর এক ফায়ার কর্মকর্তা বলেন, একসাথে দেখা গেছে মার্কেটের বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বলছে। পানি ব্যবহার করায় দেখা গেছে এক জায়গায় কিছুটা আগুন নিভলেও অন্যদিকে জ্বলে ওঠে।<br>আগুনের মাত্রা অনেক বেশি। অপরদিকে, পানি দ্রুত ফুরিয়ে যায়। নতুন করে পানি আনতে সময় লাগায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়। তবে প্রাথমিক ভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্র পাত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন and nbsp; ফায়ারসার্ভিস।<br>এদিকে শনিবার রাতে আগুনের খবর পেয়ে মার্কেটে ছুটে আসেন সেখানের ব্যবসায়ীরা।<br>ঘটনার পর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে এ আশঙ্কায় পাশের and nbsp; শপিং কমপ্লেক্সের দোকান থেকে মালামাল সরিয়ে and nbsp; নেন ব্যবসায়ী-কর্মচারীরা। কিছু কিছু মালামাল বের করার চেষ্টা করছিলেন আগুন লাগা জমিদার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা।<br>কিন্তু দোকান মালিক-কর্মচারী, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, পুলিশের যানবাহন ও উৎসুক মানুষের কারণে পাশের রাস্তায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও নিরন্তর চেষ্টা চালান। দোকানিদের মালামাল সরানো ও ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনগুলোকে চলাচলের জন্য দুইটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।<br>সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত এরাবিয়ান এন্টারপ্রাইজের মালিক সাবেক সফল কমিশনার নিজাম উদ্দিন জানান, তার দোকানে কোটি টাকারও মালামাল ছিল। দোকানের ক্যাশেও নগদ টাকা,ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, জমিজমা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও ছিলো দোকানে। তিনি দাবী করে বলেন আমার ভাই বিশিষ্ট শিল্পপর জনাব ফখরুল ইসলাম খাঁন সিআইপি সম্প্রতি সময়ে আমাদের গ্রামের বাড়ীর আশেপাশে ৫ কোটি টাকারও জমি ক্রয় করেন। এতে একটি মাদক ব্যবসায়ীর কথিত চক্র আমার ভাইয়ের ক্রয় করা জায়গাতে জায়গা পাবে এমন জোর দাবী করে তারা এফআইকে কোম্পানির লোকজনের উপর হামলা করে। and nbsp; তাদের হামলার বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানায় আমরা একটি মামলা দেওয়ার কারণে তারা ক্ষিপ্তহয়েও এমন কাজ করতে পারে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করলেই সব পরিস্কার হয়ে যাবে।<br>এ বিষয়ে এফআইকে গ্রুফে কর্মরত জিয়া উদ্দিন বাবলু বলেন, শনিবার রাত ১০ টার দিকে আগুনের and nbsp; লেলিহান দেখে ফায়ারসার্ভিস কে খবর দিলে তারা দেরিতে হলেও এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আগুন লাগার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চেয়ারম্যান জনাব ফখরুল ইসলাম খাঁন (সিআইপি)তার নিজ গ্রামে বাড়ী করার জন্য বৈধ ভাবে সকল কাগজপত্র যাচাইবাচাই করে জমি ক্রয় করেন। কিন্তুু একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র আমাদের কোম্পানির থেকে মোটা অংকের চাঁদাদাবী করে আসছিলো। আমরা তা প্রত্যাখ্যাত করে থানাকে অবগত করার পর তারা আমাদের উপর হামলা করে। এরাই হয়তো আমাদের ক্ষিপ্ত হয়ে এই কান্ড ঘটাতে পারে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:26:31 1970-01-01 00:00:00 কোস্ট গার্ডের অভিযানে বঙ্গোপসাগরে পাঁচ লাখ ইয়াবাসহ আটক ৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98413 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605593_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605593_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৭ মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বিসিজি স্টেশন টেকনাফ থানাধীন বড়ঢিল থেকে প্রায় ২৫/৩০ নটিক্যাল মাইল উত্তর পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রোববার দুপুরে মিডিয়া কর্মকর্তা কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। অভিযান চলাকালীন সময় একটি সন্দেহজনোক ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৭ জন ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়।<br>পাচারকারীরা হলো মহররম আলী, আব্দুল শুক্কুর, আমানুল্লাহ, নুরুল আলম, আব্দুল মোন্নাফ, জাহিদ হোসেন ও আব্দুল পেডান। তারা সবাই টেকনাফের বাসিন্দা।<br><br>পরবর্তীতে জব্দ করা ইয়াবা ও ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত নৌকাটি এবং আটক মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন রোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। </body></HTML> 2020-09-20 18:39:27 1970-01-01 00:00:00 আবারো পেঁয়াজ আটকে দিলো ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98412 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605533_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605533_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আবারো বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশ করেনি বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। ভারত সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন এই ব্যবসায়ীরা।<br>হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ভারত সরকার গত সোমবার হঠাৎ করে কোনো কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। পরে শুক্রবার একটি নোটিফিকেশন জারি করে যে, গত রোববার টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজগুলো তারা রফতানি করবে। সেই মোতাবেক অনুমতি দেয়ায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মাত্র ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করে। যে ১১ ট্রাক পেঁয়াজ রফতানি করেছে তার অধিকাংশ পেঁয়াজই ইতোমধ্যে পচে নষ্ট হয়ে পানি ঝরছে। এ কারণে আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ নিয়ে এসেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।<br><br>তিনি আরো বলেন, এখনও ২০০’র বেশি পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া যে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের এলসি দেয়া রয়েছে তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। এগুলোর বিষয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা কী করবে তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। তিনি বলেন, আজ (রোববার) বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ প্রবেশ করবে কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই। কারণ শুধু গত রোববারের টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির জন্য অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু নতুন করে কোনো নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ভারতীয় কাস্টম বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ রফতানি করতে দেবে না।<br><br>হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা লুৎফর রহমান ও সিদ্দিক হোসেন বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় কয়েক দিন ধরেই পেঁয়াজের বাজার বেশ চড়া। পেঁয়াজ আমদানির খবরে কিছুটা কমলেও আমদানি না হওয়ায় দাম আবারও বেড়ে যায়। শনিবার বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার কারণে বন্দরের আড়তগুলোতে পেঁয়াজের দাম গতকালের চেয়ে কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সুমন মিয়া জানান, পেঁয়াজের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছিলো গত দুইদিন ধরে। তাই দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। এখন সরবরাহ বন্ধ হলে দাম আবারো বাড়বে।<br><br>এদিকে গত সোমবার থেকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ায় হু হু করে দাম বেড়েছিলো দেশের বাজারে। দেশি পেঁয়াজের কেজি ১০০ থেকে ১১০ টাকা আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৮০ টাকার উপরে উঠে যায়। এরপর শনিবার থেকে ভারত রপ্তানি করবে এমন খবরে দাম কিছুটা কমে দেশি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় নেমে আসে। এবছর যাতে গত বছরের মত পরিস্থিতি না হয় সেজন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে বার বার আশ্বস্ত করা হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে। বাজার মনিটরিং জোরদারের পাশাপাশি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।<br><br>এর আগে গত বছরও ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিলো। তখন বাংলাদেশে এক পর্যায়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় দাম উঠেছিলো এই পণ্যটির। এরপর মিশর, পাকিস্তান, চীন, মিয়ানমার ও তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছিল সরকার। পেঁয়াজের বাজারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে বিমানেও আনা হয়েছিলো পেঁয়াজ। </body></HTML> 2020-09-20 18:38:04 1970-01-01 00:00:00 সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ২২৮ কোটি টাকা পাচার সম্রাটের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98411 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605354_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605354_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশের ক্যাসিনোকাণ্ডের মূলহোতা যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট হুন্ডির মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন ২২৮ কোটি টাকারও বেশি। তবে এই টাকার সিংহভাগ অর্থই ব্যয় করেছেন সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর মেরিনা বে-স্যান্ডস ক্যাসিনোতে। দুদকের তদন্তে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। তবে এখনো দেশ দুটিতে সম্রাটের কিছু টাকা রয়েছে। যা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পরই নিরুদ্দেশ ছিলেন প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা সম্রাট। এরপর গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কার হন। ক্যাসিনোসহ অপরাধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন। এতে ২ কোটি ৯৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য দেয়া হয়।<br><br>এরপর সম্রাটের বিদেশে থাকা সম্পদের বিষয়েও তদন্তে নামে দুদক। সম্প্রতি একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম সম্রাটের অর্থপাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য আসে দুদকের হাতে। তাতে বলা হয়, ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সম্রাট সিঙ্গাপুরে পাচার করেছেন ৩ কোটি ৬৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার। প্রতি ডলারের দাম ৬২.৩৯ টাকা হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় এ অর্থের পরিমাণ ২২৭ কোটি ৭২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। আর একই সময়ে সম্রাট মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন ২ লাখ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। প্রতি রিঙ্গিত ২০ টাকা হিসেবে এ অর্থের পরিমাণ ৪১ লাখ ২২ হাজার টাকা। সবমিলে এ দু-দেশে সম্রাটের পাচারের পরিমাণ প্রায় ২২৮ কোটি ১৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।<br><br>দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত)এ এফ এম আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্ত চলছে। আমরা আশা করছি খুব শিগগিরই তদন্ত রিপোর্ট দিতে পারবো। দুদকের তদন্ত বলছে, সম্রাট এসব অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ওই দুই দেশে পাচার করেছেন। পাচারের বেশিরভাগ অর্থই উড়িয়েছেন সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে-স্যান্ডস ক্যাসিনোতে। বাকি যেসব অর্থ রয়েছে তা দেশে আনতে শিগগিরই বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মাধ্যমে পারস্পরিক আইনগত সহায়তার অনুরোধ (মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট-এমএলএআর) পাঠানো হবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়। তবে দেশে তার খুব বেশি সম্পদের তথ্য পায়নি দুদক।<br><br>ক্যাসিনোবিরোধী বিশেষ অভিযানের ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর চৌধুরী বাড়ি থেকে সহযোগী আরমানসহ সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তার বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা আছে। সর্বশেষ গত ১৩ সেপ্টেম্বর মানি লন্ডারিং আইনে তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ এনে আরো একটি নতুন মামলা দায়ের করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। উল্লেখিত মামলাসহ সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট ৪টি মামালা দায়ের হলো।<br><br>সিআইডির কর্মকর্তারা জানান, সম্রাট ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত ৩৫ বার সিঙ্গাপুরে, ৩ বার মালয়েশিয়ায়, ২ বার দুবাইতে ও ১ বার হংকংয়ে ভ্রমণ করেছে। এছাড়া তার সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমান ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত ২৩ বার সিঙ্গাপুরে ভ্রমণ করেছেন। সম্রাট ও তার সহযোগী আরমান অবৈধ অর্থ দিয়ে যৌথভাবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। </body></HTML> 2020-09-20 18:34:55 1970-01-01 00:00:00 সীমান্তে সেনা বৃদ্ধি করে মিয়ানমার নতুন চাল দিয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98410 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605075_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600605075_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে মিয়ানমারের দুই সেনা সদস্যের স্বীকারোক্তি ইস্যুতে সবার দৃষ্টি সরিয়ে নিতে সীমান্তে সেনা জড়ো করা মিয়ানমারের নতুন চাল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান নেয়া উচিৎ। তবে যুদ্ধে না জড়িয়ে মিয়ানমারকে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। গত শুক্রবার ভোরে দুই দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তে রাখাইন প্রদেশের কা নিউন ছুয়াং, মিন গা লার গি ও গার খু ইয়া এ তিন পয়েন্টে এক হাজারের বেশি সৈন্য জড়ো করেছে মিয়ানমার। তারপর থেকেই রোহিঙ্গা ইস্যুটি আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।<br><br>কয়েকদিন আগে রাখাইনে গণহত্যার কথা স্বীকার করে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে মিয়ানমারের দুই সেনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন বিষয়টি আড়াল করতেই সীমান্তে সেনা জড়ো করার চাল চালতে পারে মিয়ানমার। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন বলেন, সবার দৃষ্টি সরিয়ে নিতে সীমান্তে সেনা জড়ো করা মিয়ানমারের নতুন চাল। মিয়ানমার চাচ্ছে সীমান্তে সংঘাত চালিয়ে রাখাইনে গণহত্যার কথা স্বীকার করে আন্তর্জাতিক আদালতের কাছে জবানবন্দির বিষয়টা আড়াল করতে। তিনি আরও বলেন, ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে রয়ে গেছে যা সে দেশের সেনাবাহিনী তাড়াতে চাচ্ছে। কারণ রোহিঙ্গাদের তাড়াতে পারলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী আনন্দিত হবে। তৌহিদ হোসেন বলেন, এবার আমাদের শক্ত অবস্থানে যাওয়া উচিৎ।<br><br>পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাব এনাম খান জানান, এই ধরণের ষড়যন্ত্র বা স্বার্থ বহির্বিশ্ব হয়তোবা স্বাভাবিক চোখে দেখবে না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী এবং সেই কারণে বাংলাদেশ হয়তো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক মাধ্যমে সমাধান করবে।<br>২০১৭ সালে রাখাইনে গণহত্যা থেকে বাঁচতে ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা পালিয়ে টেকনাফে আশ্রয় নিয়েছে যেখানে আগে থেকেই তিন লাখ রোহিঙ্গা বাস করতো। এখনও রাখাইনে ৫ লাখের মতো রোহিঙ্গা রয়ে গেছে। তাদেরকে পাঠিয়ে দিতে সেনা জড়ো করা হয়ে থাকতে পারে। সীমান্তে সেনা জড়ো ইস্যুতে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান নেয়া উচিৎ বলে মনে করেন তারা। বাংলাদেশ এরইমধ্যে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। বিজিবিও রয়েছে সতর্ক অবস্থানে। </body></HTML> 2020-09-20 18:30:47 1970-01-01 00:00:00 ওসি প্রদীপ দম্পতির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98409 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604967_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604967_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুদকের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফের বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি করনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রদীপের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিশেষ ও মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, ‘আসামির পক্ষে আগের দিন জামিন আবেদন করা হয়েছিল। ওই আবেদনের শুনানি শেষে আজ আদালত তা নামঞ্জুর করেন। আমরা আসামির এজাহারভুক্ত সম্পত্তি ক্রোকের আবেদন করেছি, আদালত তা মঞ্জুর করেছেন, প্রসেস হয়ে গেছে। এখন সেই সম্পত্তি জব্দে আর কোনো বাধা নেই।‘<br>মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পাথরঘাটা এলাকায় প্রদীপ কুমার দাশ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে একটি ছয়তলা ভবন গড়ে তুলেছেন। যা গোপন করার জন্য ভবনটি তার শ্বশুরের নামে নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে ভবনটি প্রদীপের স্ত্রীকে ‍দান করেন শ্বশুর। দানপত্র দলিল হলেও ভবনটি প্রদীপ দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির অর্জিত বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। </body></HTML> 2020-09-20 18:29:04 1970-01-01 00:00:00 ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, ওসিসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98408 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604862_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604862_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে থানায় আটকে রেখে এক ব্যক্তির নিকট টাকা আদায়ের অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেনসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। অন্য চার পুলিশ সদস্য হলেন- উপপরিদর্শক (এসআই) শওকত আলী, কনস্টেবল নূরুল ইসলাম, জমশেদ ও নাজমুল ইসলাম। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা সিলেট মহাসড়কে আরএফএল কোম্পানির বেস্টবাই শো রুমের ম্যানেজার লুৎফুর রহমান মোটরসাইকেলে করে অলিপুর আসছিলেন। তার সাথে সোহরাব নামে এক আরোহী ছিল। পথে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চায় পুলিশ।<br><br>এ সময় মোটরসাইকেল ও লুৎফুর রহমানকে পুলিশের কাছে জিম্মায় রেখে সোহরাব কাগজপত্র আনতে বাড়িতে যান । পরে তিনি আর কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। পরে পুলিশ বেস্টবাইয়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমানকে থানায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে হাজতে আটকে টাকা দাবি করেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন। অন্যথায় তাকে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়া হয়।<br><br>এক পর্যায়ে লুৎফর সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে রাতে থানা থেকে বের হন। এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুৎফুর রহমান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার কাছে অভিযোগ করেন। পুলিশ কর্মকর্তা আনোয়ার বলেন, অভিযোগের পর গঠিত একটি তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পায়। এমতাবস্থায় শনিবার ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-09-20 18:27:11 1970-01-01 00:00:00 শীতে করোনার প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা, প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98407 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604748_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604748_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শীতে করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়ে প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান নেয়ার সময় এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুদান নেন। <br>এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। সবাই, আমি কাউকে বাদ দিতে পারবো না। সেজন্য হয়তো আমরা এটা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে সামনে শীত, পরিস্থিতি আরেকটু হয়তো খারাপের দিকে যেতে পারে। তবুও আমাদের এখন থেকে প্রস্তুত থাকতে হবে।<br><br>তিনি বলেন, সবাই সুস্থ থাকেন এটাই আমরা চাই। দোয়া করেন দেশটা যাতে এই করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে মুক্তি পায়। সারাবিশ্বই যাতে মুক্তি পায়। মানুষের সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে এই করোনা ভাইরাসের কারণে। তিনি আরো বলেন, তবুও বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। তার জন্য যা যা দরকার সেটা আমরা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো এটাই আমাদের লক্ষ্য।<br><br>সামাজিক ও মানবতার কাজে এগিয়ে আসায় ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো সময় একটা কিছু হলেই কোনো দুযোগ, দুর্বিপাক যা কিছু হোক এমনকি মুজিববর্ষে সবসময় আপনারা এগিয়ে এসেছেন। নিজেরা এগিয়ে এসেছেন তাই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। প্রাইভেট ব্যাংক প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে হবে। আর আসলে প্রাইভেটে ব্যাংকটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমরাই নিয়েছিলাম, আমরা দিয়েছি সব থেকে বেশি। গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত মানুষ যাতে ব্যাংকিং ব্যবহারে অভ্যস্ত হয় তার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। এমনকি কৃষকদের ১০ টাকায় অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। অর্থাৎ মানুষকে অভ্যস্ত করা, যাতে ব্যাংকের মাধ্যমে তারা যেন তাদের আর্থিক লেনদেন করতে পারে সেই পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি।<br><br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যত বেশি প্রাইভেট ব্যাংক দিয়েছি, এতে ব্যাপক হারে কর্মসংস্থান হয়েছে। অনেক মানুষের চাকরি হয়েছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে বড় কথা। আর আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যও সম্প্রসারিত হয়েছে। সেখানে ব্যাংকগুলো যাতে ভালোভাবে চলে আমরা সেটাই চাই। সেক্ষেত্রে ব্যাংকের আইন বা যা কিছুই আমরা করি, আপনারা যখন যে দাবিটাবি আনেন, যেটা যুক্তিসঙ্গত সেটা আমরা সবসময়ই বিবেচনা করি।<br><br>ব্যাংক সেক্টর নিয়ে বিএবি চেয়ারম্যানের দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব যে কথাগুলো বলেছেন- আমি সেটা দেখবো। যদি সেখানে সমস্যা থাকে তবে সেখানে যাতে সমস্যা না হয় তা আমরা অবশ্যই বিবেচনা করবো। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে ব্যাংকটা যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে আপনারা বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক আছে অতি দুর্বল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে অনেক সময় মার্জ করাতে হয়। সেটা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। কোনটা ঠিকমতো চালাতে পারছে কিনা? সেগুলো বিবেচনা করেই করা হবে। অবিবেচনা করে কিছুই করা হবে না এইটুকু ভরসা রাখবেন।<br><br>প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস এর ৩৪টি ব্যাংক, ফরেইন অফিসার্স স্পাউজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, মিনিস্টার গ্রুপ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। </body></HTML> 2020-09-20 18:24:39 1970-01-01 00:00:00 স্বাস্থ্যের ড্রাইভার মালেকের ঢাকায় একাধিক বাড়ি, ব্যাংকে অঢেল টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98406 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604603_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600604603_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তৃতীয় শ্রেণির সাধারণ কর্মচারী হয়েও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আব্দুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেক (৬৩)। জাল টাকার ব্যবসা ছাড়াও তিনি এলাকায় চাঁদাবাজিতে জড়িত। শুধু তাই নয়, গ্রেফতারের পর বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ গচ্ছিত রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্র, জালনোটের ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরে র‌্যাব-১ এর একটি দল আব্দুল মালেককে গ্রেফতার করে।<br><br>তুরাগ থানার অধীন কামারপাড়ায় (বামনেরটেক, বাসা নম্বর-৪২, হাজী কমপ্লেক্স) গ্রেফতারকালে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জালনোট, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, সম্প্রতি র‌্যাবের প্রাথমিক গোয়েন্দা অনুসন্ধানে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় আব্দুল মালেক ওরফে ড্রাইভার মালেকের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল টাকার ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া যায়। তার বিরুদ্ধে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি তার এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে শক্তির মহড়া ও দাপট দেখিয়ে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছেন এবং জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তার ভয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মনে সর্বদা আতঙ্ক বিরাজ করে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা এবং জাল টাকার ব্যবসা করে আসছেন।<br><br>‘অনুসন্ধানে তার আয়-ব্যয়ের সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান ও সম্পদের বিস্তার অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়। একজন তৃতীয় শ্রেণির সাধারণ কর্মচারী হয়েও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তার একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণে অর্থ গচ্ছিত আছে বলে জানা যায়।’ এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১ বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আজ ভোরে তাকে গ্রেফতার করে। র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, ‘তিনি পেশায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলের একজন চালক। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। ১৯৮২ সালে সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে চালক হিসেবে যোগদান করেন।’<br><br>তিনি বলেন, ‘পরে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিবহন পুলে চালক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরে কর্মরত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জালনোট ব্যবসাসহ অস্ত্রের মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।’ জানা গেছে, তার স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় দুটি সাততলা বিলাসবহুল ভবন, ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম, ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় সাড়ে চার কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন রয়েছে।<br><br>র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফী উল্লাহ বুলবুল বলেন, মালেকের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও জাল টাকার ব্যবসায় জড়িত থাকা এবং অস্ত্র ও জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক দুটি মামলা হবে। তাকে রাজধানীর তুরাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে র‌্যাবের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। </body></HTML> 2020-09-20 18:13:20 1970-01-01 00:00:00 বিশ্বে ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ আসছে, ৩ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98405 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527787_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527787_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ আসছে পৃথিবীতে। চরম খাদ্য সংকট দেখা দেবে বিশ্বে। ক্ষুধায় মরবে কোটি মানুষ। মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে গোটা মানবজাতি। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই বারবার এই হুশিয়ারিই দিয়ে আসছিল জাতিসংঘ। এবার আরও স্পষ্ট করে সতর্ক করল পুরো মানবসমাজকে।<br>শুক্রবার জতিসংঘের খাদ্য অধিদফতর ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ডব্লিউএফও’ র প্রধানের আবগঘন বক্তব্যে সেই আহবানই জানান। সংস্থাটির আশঙ্কা, অবিলম্বে সাহায্যের হাত না-বাড়ালে অন্তত ৩ কোটি মানুষের মৃত্যু হবে স্রেফ না খেতে পেয়ে। বিশেষ করে আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রকট আকার ধারন করবে এ দুর্ভিক্ষ। এএফপি। ভয়ানক এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় এখন থেকেই বিশ্বের বড় বড় ধনকুবেরদের কাছে হাত পাতছে জাতিসংঘ।<br><br>‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম’ (ডব্লিউএফও)-র পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বের ২৭ কোটি মানুষ খাদ্য সঙ্কটের মুখে পড়তে চলছেন। এভাবে চললে এই বছরের শেষেই ১৩ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ খাদ্যাভাবের কবলে পড়বেন। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের খাদ্য বিভাগের প্রধান ডেভিড বিসলি আজ ধনকুবেরদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের অভাবে মৃত্যুমুখে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ৩ কোটি মানুষকে বাঁচাতে বছরে অন্তত ৪৯০ কোটি ডলার সাহায্য প্রয়োজন।’ জাতিসংঘের খাদ্য বিভাগের প্রধান আরও জানান, বিশ্বে অন্তত দু’হাজার বিলিওনিয়র (অন্তত একশো কোটি ডলারের মালিক) রয়েছেন। তাঁদের মোট ধনসম্পদ, বার্ষিক আয় যোগ করলে ৮ লক্ষ কোটি ডলারেরও বেশি।<br><br>বিসলি আরও বলেন, ‘এই মহামারী পরিস্থিতিতেও অনেকে কোটি কোটি ডলার কামিয়েছেন। কেউ বিপুল অর্থ উপার্জন করতেই পারেন। তাতে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু মানব সভ্যতা এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে। এমন পরিস্থিতি আমরা অনেকেই জীবদ্দশায় দেখিনি।’<br>ডব্লিউএফপির প্রধানের দাবি খুব ভুল নয়। গত জুন মাসে ‘ইন্সটিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজ়’-এর রিপোর্টে লেখা হয়েছে, মহামারী পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পরে মার্কিন কোটিপতিদের মোট ধনসম্পদ অন্তত ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (৫০ হাজার কোটি ডলার)।<br><br>আমাজ়ন-মালিক জেফ বেজোসের কথাই ধরা যাক। রিপোর্ট বলছে, ১৮ মার্চ আমেরিকায় লকডাউন শুরু হওয়ার ১১ সপ্তাহের মধ্যে বেজোসের ৩৬২০ কোটি ডলার ধনসম্পদ বৃদ্ধি পায়। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গেরও সম্পত্তি বেড়েছে ৩০১০ কোটি ডলার। টেসলার সিইও এলন মাস্কের ১৪১০ কোটি ডলারের সম্পদ-বৃদ্ধি হয়েছে। বিসলি বলেন, ‘যাঁদের কাছে অগাধ আছে, এটাই সময়, তাঁদের এগিয়ে আসার। এই মুহূর্তে আপনাদের প্রয়োজন। সঠিক কাজ করে দেখানোর এটাই সময়।’ ডব্লিউএফপির প্রতিবেদন বলাছে, কঙ্গোতে ক্ষুধার সঙ্গে যুদ্ধ করছে প্রায় দেড় কোটি মানুষ। নাইজেরিয়ায় ৪০-৬০ লাখ মানুষ খাদ্য অনিশ্চয়তায়। ইয়েমেনে ৩০ লাখ মানুষ এখনও অনাহারে। আরও ২০ লাখ মানুষ একবেলা খাবার গ্রহনের সামর্থ্যও হারিয়ে ফেলবে শিগগিরিই।<br><br> </body></HTML> 2020-09-19 21:01:51 1970-01-01 00:00:00 ২৩৪ কোটি মানুষের করোনার টিকা পাওয়া অনিশ্চিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98404 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527593_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527593_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিশ্বের ৩০ শতাংশ জনগণের কোভিড ভ্যাকসিন-ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত! এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। কারণ, কোভ্যাক্স পরিষেবার (ভ্যাকসিন গবেষণা, উৎপাদন ও সুষম বণ্টনের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় তৈরি আন্তর্জাতিক জোট) মাধ্যমে বিশ্বের ৭০ শতাংশ জনগণের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছতে পারবে। কিন্তু ৭৮১ কোটি বিশ্ববাসীর মধ্যে ২৩৪ কোটি (মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ) জনগণের কাছে তা পৌঁছবে কি না, তার নিশ্চয়তা নেই। বিশ্বের ধনী দেশগুলো ইতিমধ্যেই একাধিক ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে বসে আছে, যাতে সফল ভ্যাকসিন তৈরি হওয়া মাত্রই তারা সংশ্লিষ্ট দেশকে ভ্যাকসিন দেয়। যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ওয়াকিবহাল মহলে।<br><br>তাদের বক্তব্য, কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে যে রাজনীতি হচ্ছে, সাম্প্রতিককালে অন্য কোনো ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে কি না, মনে করা যাচ্ছে না। এ যেন নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন বা সূচনার তাড়াহুড়োর মতোই পরিস্থিতি। কিন্তু কোনো প্রকল্প আর ভ্যাকসিন, এই দুইয়ের দ্রুততার মধ্যে যে বিরাট পার্থক্য ও বিপদ রয়েছে, সেটাই অনেকে ভুলে যাচ্ছেন বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরামর্শদাতার কথায়, ‘পরিসংখ্যানের দিক থেকে যদি দেখা যায়, তা হলে এই মুহূর্তে বিশ্বের ১৭০টি দেশ কোভ্যাক্স পরিষেবার সঙ্গে জড়িত। এবং এই পরিষেবার আওতায় বিশ্বের ৭০ শতাংশ বাসিন্দা আসছেন। বাকিদের ক্ষেত্রে কী হবে, এখনো কেউ সেটা জানে না।’<br><br>তিনি আরও জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্স পরিষেবার মাধ্যমে ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত ২০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ় সুনিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে ‘হাই রিস্ক’ও ‘ভালনারেবল’ এবং ‘ফ্রন্টলাইন হেলথ ওয়ার্কার্স’-কে ভ্যাকসিন দেয়া যায়।<br><br>কিন্তু সেটা তো ২০২১ সালের শেষ পর্যন্ত! তার আগে সার্স কোভ-২ সংক্রমণের চেহারা কী হবে, কতজন আক্রান্ত হবেন, কতজনের মৃত্যু হবে, সেই চিত্র তো কারও কাছে পরিষ্কার নয়। নির্দিষ্ট সময় অন্তর গাণিতিক মডেল তৈরি করেও এর কোনো দিশা পাওয়া যায়নি।<br><br>মাইক্রোবায়োলজিস্ট বিশ্বরূপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে যে রাজনীতি চলছে, সেটা অন্য কোনো ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি!’ এক ভাইরোলজিস্টের কথায়, ‘নভেম্বরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে। ফলে তার একটা চাপ সে দেশের ক্ষমতাসীন দলের উপরে রয়েছে। সেই কারণে ভ্যাকসিন দ্রুত বাজারে এসে যাওয়ার ঘোষণা মার্কিন সরকারকে করতে হচ্ছে।’<br><br>শুধু রাজনীতি নয়, ভ্যাকসিন আগে বাজারে এনে মুনাফা লাভের জন্য বিভিন্ন নির্মাতা সংস্থার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। যার বিপদ নিয়ে আগে বার বার সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞেরা, তা যেন আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। চণ্ডীগড়ের ‘পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ’-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর যোগেশ চাওলা জানাচ্ছেন, শুধু তো রাজনীতি নয়, ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে যে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা চলছে, সেটা তো শুরুর থেকেই স্পষ্ট। তার কথায়, ‘যে আগে ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারবে, সেই সংস্থার কাছ থেকেই সবাই কিনবে। ফলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক মুনাফা হবে। এ জন্য যদি ভ্যাকসিনের সুরক্ষার দিকটার সঙ্গে আপস করা হয়, তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই!’ সূত্র: আনন্দবাজার </body></HTML> 2020-09-19 20:59:34 1970-01-01 00:00:00 চিরনিদ্রায় শায়িত আল্লামা শফী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98403 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527100_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527100_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: একসময় আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসার ছাত্র ছিলেন। সেই মাদরাসায়ই একটানা ৩৪ বছর মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ প্রিয় সেই হাটহাজারী আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসা প্রাঙ্গণে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দেশের কওমি অঙ্গনের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফী।<br>হাটহাজারী মাদরাসায় শুরা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার দুপুরের পর আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ জানাজা শেষে মাদরাসা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বায়তুল আতিক জামে মসজিদের সামনের কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর হাটহাজারীতে আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসা মাঠে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আলেম, শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যদিও অনেক আগেই এ জানাজাকে কেন্দ্র করে লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসা সংলগ্ন হাটহাজারী এলাকা। জানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের বড় ছেলে রাঙ্গুনিয়া পাখিয়ারটিলা কওমি মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ মাদানি। এর আগে সকাল ৯টায় তার মরদেহবাহী গাড়িটি মাদরাসা প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছায়। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। বার্ধক্যজনিত কারণে অনেক দিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। গত কয়েক বছরে তিনি বেশ কয়েকবার দেশ ও দেশের বাইরের হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।<br>বৃহস্পতিবার ছাত্রবিক্ষোভের মুখে অবরুদ্ধ অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। মাদরাসার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেয়ার পর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চট্টগ্রাম হাসপাতালে নেয়া হয়।<br>শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে থাকা আল্লামা শফীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে শুক্রবার সন্ধ্যার আগে ঢাকায় এনে আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। প্রায় ১০৫ বছর বয়সী আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।<br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 ইউএনও ওয়াহিদা ওএসডি, স্বামী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98402 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527072_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527072_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: <br>সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।<br>একই সঙ্গে তার স্বামী রংপুরের পীরগঞ্জের ইউএনও মো. মেজবাউল হোসেনকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।<br>এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের সরকারি বাসভবনে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী। ওয়াহিদা খানমের মাথায় হাতুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। তাকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রংপুরে একটি ক্লিনিকে আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে থেকে ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে হেলিকপ্টারে অচেতন অবস্থায় ওয়াহিদা খানমকে ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করা হয়।<br>৩ সেপ্টেম্বর রাতে তার মাথায় অস্ত্রোপচার হয়। ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ওয়াহিদা খানমের বাবাকেও ঢাকায় নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 যাচাই-বাছাই করে কমিটি ঘোষণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98401 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527039_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600527039_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>উপজেলা, জেলা, মহানগরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের যেসব কমিটির তালিকা ইতিমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে সেগুলোর নাম এখনই ঘোষণা করা হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। যাচাই বাছাই করে পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের নাম তালিকায় আছে কি না তা দেখা হবে বলে জানান তিনি। শনিবার সকালে ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট ডব্লিউবিবিআইপি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। স্বজনপ্রীতি ও নিজেদের লোক দিয়ে কমিটি দেওয়া হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। অবিতর্কিত ও ত্যাগীদের কমিটিতে অগ্রাধিকার অবশ্যই দিতে হবে এবং বিতর্কিতদের বাদ দিতে হবে। অনেকেই মনে করছেন দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান থেমে গেছে এ কথা মোটেও সত্য নয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন সরকারের দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দলের ভেতরেও কেউ অপকর্ম করলে কেউই রেহাই পাবে না বলে হঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।<br>সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে পিছিয়ে পড়া কাজগুলো অধিকতর সক্রিয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে। এজন্য আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মসম্পাদনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে এবং অপচয় রোধ করতে হব। পরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত এক কোটি গাছের চারারোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংসদ ভবন এলাকায় দুটি গাছের চারা রোপণ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:50:00 1970-01-01 00:00:00 সীমান্ত সম্মেলন : ১৪ বিষয়ে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98400 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526956_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526956_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বর্ডার গার্ড বাংলদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫০তম সীমান্ত সম্মেলন শেষ হয়েছে। এবারের সম্মেলনে ১৪ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুই বাহিনী। বরাবরের মতো এবারও সম্মেলনের আলোচনার শীর্ষে ছিল সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যা ও মারধরের ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনতে দুই পক্ষই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুনরায় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এর বাইরে পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট ও আস্থা বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে।<br>শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদফতরে সীমান্ত সম্মেলনের শেষ দিন আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মোট ১৪টি সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানানো হয়।<br>নির্ধারিত আলোচনার বাইরেও নানা বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়েছে, যার মাধ্যমে এবারের সম্মেলকে সফল বলে আখ্যায়িত করেছে দুই পক্ষ।<br>ঢাকায় অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী এবারের সীমান্ত সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্তানা ও বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে নিজ নিজ প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।<br>সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে <br>১. সীমান্তে উভয় দেশের নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা, আহত, মারধরের ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও বেগবান এবং প্রয়োজনমাফিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণসহ সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছেন।<br>২. ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তে যৌথ টহল পরিচালনাসহ সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ এবং সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা আইনের বিধি-বিধান সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সীমান্তে হামলার ঘটনা শূন্যে নামিয়ে আনতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে।<br>৩. সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা-সিবিএমপির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সিবিএমপি বাস্তবায়ন এবং উভয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে এমন তাৎক্ষণিক ও দরকারি তথ্য বিশেষ করে অধিকতর তদন্তের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র চোরাকারবারিদের ডিজিটাল ফটোগ্রাফ উভয় বাহিনীর মধ্যে শেয়ার করতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। উভয় পক্ষই সীমান্তে অপরাধ দমন এবং আন্তর্জাতিক সীমানার অলঙ্ঘনীয়তা বজায় রাখতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের আশ্বাস দিয়েছেন।<br>৪. মানবপাচার ও অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উভয়পক্ষ সম্মত হয়। উভয় বাহিনীর মহাপরিচালক যার যার দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী মানবপাচারে ক্ষতিগ্রস্তদের যত দ্রুত সম্ভব তাদের উদ্ধার ও পুনর্বাসনের সুবিধার্থে সহায়তা করতেও সম্মত হয়েছেন।<br>৫. উভয় পক্ষই আন্তর্জাতিক সীমানায় কাঁটাতারের বেড়া কেটে অপসারণ, বেড়ার ক্ষয়ক্ষতিরোধে যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত এবং নিয়মিত যৌথ টহল পরিচালনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন।<br>৬. উভয়পক্ষই অবৈধভাবে সীমানা অতিক্রম, সীমানা লঙ্ঘন থেকে সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে বিরত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং একই সঙ্গে উভয় বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে সীমান্তের অলঙ্ঘনীয়তা বজায় রাখার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন।<br>৭. সাম্প্রতিক সময়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ, জোরপূর্বক পুশইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের জাতীয়তা যাচাই এবং একে অপরের সহযোগিতায় তাদের হস্তান্তর, গ্রহণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে।<br>৮. উভয়পক্ষই পূর্ব অনুমোদন ছাড়া ১৫০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ না করার বিষয়ে পারস্পরিক সম্মতি জ্ঞাপন করেছে। উভয়পক্ষই বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।<br>৯. যৌথ নদী কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান এবং অননুমোদিতভাবে অভিন্ন সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ না করতে উভয়পক্ষই সম্মত হয়েছে।<br>১০. উভয়পক্ষই বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ী ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট ও রিট্রিট সেরিমনি উপলক্ষে দর্শক গ্যালারি নির্মাণে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে।<br>১১. বিএসএফ মহাপরিচালক সন্দেহভাজন ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিজিবি ও বাংলাদেশের অন্যান্য বাহিনীর গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা এবং বাংলাদেশে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান ধ্বংস করতে বিজিবির অব্যাহত সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।<br>১২. বিএসএফ মহাপরিচালক বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে নতুন ডিজাইনের একসারি বিশিষ্ট কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়ে পয়েন্ট উত্থাপন করেন। এ প্রেক্ষিতে বিজিবি মহাপরিচালক জানান যে, নতুন ডিজাইনের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ না করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে।<br>১৩. উভয়পক্ষ সীমান্তে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক দ্রব্য, মাদক, স্বর্ণ এবং জালমুদ্রা পাচার প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়েছেন। সীমান্তে চোরাচালানী দ্রব্যসহ আটক ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য এবং উভয় বাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের প্রতিবেদন বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছেন।<br>১৪. বিজিবি মহাপরিচালক বিএসএফ মহাপরিচালককে আসন্ন পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিজিবি এয়ার উইংয়ের দুটি হেলিকপ্টারের অধিকতর ট্রেনিং ও অপারেশনাল ফ্লাইটের বিষয়ে অবহিত করেন এবং যে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা ভুল বুঝাবুঝি এড়াতে তাকে তার বাহিনীর প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত অবহিত করার অনুরোধ জানান। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, এ ব্যাপারে বিজিবি কর্তৃক বিএসএফের মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কমান্ডারদেরকে পূর্বেই অবগত করা হবে। বিএসএফ মহাপরিচালক বিজিবি থেকে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রাপ্তির পর স্থানীয় বিএসএফ ইউনিটকে এ বিষয়ে নির্দেশ প্রদানের আশ্বাস দেন।<br>এছাড়াও উভয়পক্ষ বিদ্যমান পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট ও আস্থা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়েছেন। বিজিবি ও বিএসএফ উভয় মহাপরিচালক সম্মেলনের ফলপ্রসূ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।<br>বিজিবি সদর দফতরে (১৬-১৯ সেপ্টেম্বর) বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৫০তম সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সম্মেলনের যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ সম্মেলন।<br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩২ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98399 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526923_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526923_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ৩২ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৫ ও নারী ৭ জন। ৩২ জনেরই মৃত্যু হয় হাসপাতালে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার হাজার ৯১৩ জনে।<br>করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫টি করোনা পরীক্ষাগারে ১২ হাজার ৫৮৭টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ১৭০টি। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৫৬৭ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৪৭ হাজার ৩৭২ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯টি।<br>শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ৫১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৫৪ হাজার ৩৮৬ জনে।<br>২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৯০ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২০ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৩ দশমিক ২৩ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪১ শতাংশ।<br>এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ৮২৯ (৭৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ) এবং নারী এক হাজার ৮৪ জন (২২ দশমিক শূন্য ০৬ শতাংশ)।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩২ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব আটজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৭ জন।<br>বিভাগ ওয়ারী, ৩২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে চার, খুলনা বিভাগে দুই, চট্টগ্রাম বিভাগে এক, বরিশাল বিভাগে এক, সিলেট বিভাগে এক ও রংপুর বিভাগে একজন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 ভারতের ‘মোহ’ কাটিয়ে চীন ঘেঁষছে বাংলাদেশ : ইকোনমিস্ট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98398 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526892_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526892_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>প্রতিবেশীদের সঙ্গে খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ভারতের। চীন-পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের বিরোধ থাকলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলী তা চরম আকার ধারণ করেছে। লাখাদ সীমান্তে চীন ও ভারতীয় সেনারা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। দীর্ঘদিনের বন্ধু রাষ্ট্র নেপালের সাথেও দেখা দিয়েছে বিরোধ। সব মিলিয়ে ভারত একটা কোনঠাসার মধ্যে পড়েছে। এদিকে প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গেও সম্পর্ক খানিকটা শীতল হয়ে পড়েছে।<br>চীন-ভারত বিরোধের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বাংলাদেশ কাকে বেশি গুরুত্ব দেবে সেই প্রশ্ন। যদিও বাংলাদেশ বরাবরই সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাসী, তবে বিভিন্ন ইস্যুতে পুরোনো মিত্র ভারতের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এশীয় পরাশক্তি চীন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে এই দূরত্বের যথাসম্ভব ফায়দা নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।<br>বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দুর্বল এবং ধীরে ধীরে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠার বিষয়ে শনিবার বিশ্লেষণধর্মী একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট।<br>প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিলেট ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে। তারপরও, গত এপ্রিলে বাংলাদেশ সরকার যখন শহরটিতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নতুন বিমানবন্দর করার চুক্তি করে, সেখানে ভারতকে হারিয়ে কাজটি জিতে নেয় একটি চীনা প্রতিষ্ঠান- বেইজিং আরবান কনস্ট্রাকশন গ্রুপ। গত জুনে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধার অনুমোদন দিয়েছে চীন। আর তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে দশকব্যাপী বিরোধের পর চলতি মাসে ওই অঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনকে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।<br>১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা করায় ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ বাংলাদেশ। সেই থেকে দুই দেশের সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ। কিন্তু অনেক বাংলাদেশিই ভারতকে আধিপত্যবাদী ও সুবিধাবাদী মিত্র মনে করেন।<br>বাংলাদেশের এক সাংবাদিক বলেন, ‘তারা আসলে মনেই করে না যে আমরা স্বাধীন। তারা সবকিছুতে নাক গলায়। তারা মনে করে আমাদের আমলারা তাদের জন্য কাজ করেন।’<br>ভারত সরকারের মুসলিম-বিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডের কারণেও সন্দেহ বেড়েছে ৯০ শতাংশ মুসলিমের দেশ বাংলাদেশের।<br>বিপরীতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে সাতটি ‘মৈত্রী সেতু’ নির্মাণ করেছে চীন। ২০১৮ সালে তারা ভারতকে হটিয়ে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় উৎসে পরিণত হয়। দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদারও। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে ২৭টি প্রকল্পে ২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।<br>বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি, টেলিকম সবখানেই চীনের ব্যবসা।’<br>ইলিনয়েস ইউনিভার্সিটির আলি রিয়াজ বলেন, ‘বড় দাতা হিসেবে বেশিরভাগ পশ্চিমাদের তুলনায় চীনের সংকোচ যথেষ্ট কম।’ ২০১৩ সালে পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করলে বিশ্ব ব্যাংকের ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ঋণ প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশ। তখন এগিয়ে আসে চীন। গত কয়েক বছরে চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ হারে বেড়েছে।’<br>আলোচনায় আছে গণমাধ্যমও। বাংলাদেশে অর্থনীতি বিষয়ক পত্রিকার এক সাংবাদিক বলেন, ‘আমাদের পত্রিকার প্রায় ৭০ শতাংশ সাংবাদিক চীনে গিয়েছেন।’ তিনি নিজেও ২০১৮ সালে ফেলোশিপ নিয়ে চীনে ১০ মাস কাটিয়ে এসেছেন।<br>বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পৌঁছানোর পরপরই মহামারির বিরুদ্ধে লড়তে চিকিৎসকদের একটি দল পাঠিয়েছিল চীন। এসব সহযোগিতায় কাজও হচ্ছে বেশ। চীন সরকার ভারতের তুলনায় অনেকটা নিয়মতান্ত্রিকভাবে মুসলিমদের নির্যাতন করছে। বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে ধীরগতি ছিল তাদের। এরপরও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কম সমালোচনা হয় চীনকে নিয়ে।<br>এসব বিষয়ে অবশ্য বেশ সতর্ক বাংলাদেশ। তারা চীনের কাছে খুব বেশি ঋণী হবে না, আবার ভারতকেও ক্ষেপাবে না। গত মার্চে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল। পরে করোনাভাইরাসের কারণে সেই সফর বাতিল হয়। তবুও, পাশে এত বড় ও শক্তিশালী প্রতিবেশী থাকাটা অস্বস্তিকর।<br>আলি রিয়াজ বলেন, ‘ভারতের নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমগুলো ক্রমাগত বাংলাদেশকে এটি মনে করাতে থামে না যে, তারা অপেক্ষাকৃত ছোট এবং কম গুরুত্বপূর্ণ। চীন সেটা করে না।’<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 গার্মেন্টের আড়ালে সাপের বিষের ব্যবসা, ১০ লাখ টাকার বিষ জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98397 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526855_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526855_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গাজীপুর প্রতিনিধি:<br>পোশাক ব্যবসার আড়ালে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রির অভিযোগে গাজীপুর মহানগরে অভিযান চালিয়ে হস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এক পোশাক ব্যবসায়ীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রো (পশ্চিম) সিআইডি পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ১৬৩ গ্রাম সাপের বিষও জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে গাজীপুরের বাসন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে।<br>গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার আগতোরিলা গ্রামের (গার্মেন্টস ব্যবসায়ী) মো. বদরুল আলম (৪২), একই জেলার দেলদুয়ার থানার পাহাড়পুর গ্রামের মো. মোনায়েম (৫০) ও গাজীপুর মহানগরের কাউলতিয়ার মীরেরগাঁও এলাকার বদরুল আলম। তাদের আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।<br>ঢাকা মেট্রো (পশ্চিম) সিআইডি পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসাইন জানান, গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকার রহমত টাওয়ারে চতুর্থ তলায় অবস্থিত তাজ এপারেলস নামের পোশাক কারখানার অফিসে সাপের বিষ কেনা-বেচা হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালানো হয়।<br>এক পর্যায়ে তাজ এপারেলসের মালিক বদরুল আলমের অফিস কক্ষে অভিযান চালিয়ে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। অটকরা দেশ/বিদেশ হতে সাপের বিষ ক্রয়/বিক্রয়ের কথা স্বীকার করেছে। পরে তাদের ওই অফিস কক্ষে তল্লাশী চালিয়ে তিনটি কাঁচের পাত্রে ‘মেইড ইন ফ্রান্স’ ও কোবরা ’ ব্ল্যাক পয়জন’ লেখা ১৬৩ গ্রাম সাপের বিষ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা।<br>বাসন থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা মেট্রো (পশ্চিম) সিআইডি পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. গোলাম মাওলা বাদি হয়ে বাসন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছেন। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। <br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 তিতাসের ৪ প্রকৌশলীসহ ৮ জন গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98396 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526818_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526818_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিতাসের বরখাস্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।<br>শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির ডিআইজি মাইনুল হাসান। তিনি বলেন, গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। গ্রেফতাররা হলেন- তিতাসের ফতুল্লা অঞ্চলের বরখাস্ত ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এসএম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, সিনিয়র সুপারভাইজার মো. মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী মো. আইউব আলী, সাহায্যকারী মো. হানিফ মিয়া ও কর্মচারী মো. ইসমাইল প্রধান। এর আগে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ওই আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।<br>প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজের সময় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে ৩৭ জনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। বাকি মুসল্লিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 মিরপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ: দায়ী স্থানীয় প্রভাবশালীরা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98395 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526765_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526765_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: <br>বিশাল এলাকা জুড়ে প্রতিটি অবৈধ গ্যাস সংযোগের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরাই নিয়েছে ১২ হাজার টাকা করে। রাজধানীর মিরপুরে বাঁশপট্টির অবৈধ গ্যাস সংযোগের ক্ষেত্রে ঘটেছে এ লেনদেন। স্থানীয় নেতা মান্নান শেখ ও তিতাসের কর্মকর্তা নাসিরের নামে অভিযোগ পাওয়া গেলেও তারা তা অস্বীকার করেছেন। মিরপুরে গ্যাস সংযোগের অবস্থা দেখে মনে হবে, অভিভাবকহীন গ্যাসের এ অনিয়ম-দুর্নীতি দেখার যেন কেউ নেই। যে যেমন পেরেছে তিতাস গ্যাসের চোরাই লাইন টেনে নিয়েছে ঘরে। ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে টাকা নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ সিন্ডিকেট।<br>স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, চারশ’র বেশি পরিবারের বসবাস বাঁশপট্টিতে প্রত্যেক পরিবারের কাছ থেকে গ্যাসের লাইনের জন্য ১২ হাজার টাকা এবং পানির লাইনের জন্য ১২ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে। কিন্তু সে টাকা কোথায় গেল, কিভাবে রাখা হলো এটা কেউ জানে না।<br>তারা আরও বলেন, যারা নির্বাচনী প্রতিনিধি থাকে তাদের কিছু লোক থাকে, এভাবে তারা তাদের লোক দিয়ে টাকা নিয়ে থাকে। ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে টাকা নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন অবৈধ গ্যাস সংযোগ সিন্ডিকেট। তিতাস গ্যাসের অসাধু কর্মকর্তাদেরও যোগসাজসের অভিযোগও পাওয়া গেছে।<br>অভিযুক্ত ঢাকা উত্তর ৯৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুল মান্নান জানান, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আমার কাছে কিংবা আমার নেতাকর্মীদের কাছে যদি একটা টাকাও আসে, যে বিচার হবে সেই বিচার মেনে নিবো। তিতাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ থেকে তিনি কোনও টাকা নেননি বলেও জানান। মিরপুর তিতাস গ্যাসের হিসাব বিভাগের সহ-ব্যবস্থাপক সৈয়দ নাসির জানান, বাইরে থেকে পাইপ, রেগুলেটর কিনে সরাসরি লাইন টেনে দেয় এবং যারা প্রভাবশালী আছে তারাই এই কাজগুলো করে। আমি ওইসব প্রভাবশালীদের নাম বলতে চাই না। বললে সমস্যা। বিভিন্ন বস্তিতে অবৈধভাবে গ্যাস সাপ্লাই দিচ্ছে প্রভাবশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরাই অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেয়ার সঙ্গে জড়িত। সেই সঙ্গে কোথায় কোথায় অবৈধ সংযোগ আছে, সে তথ্যও তুলে ধরেন তিনি। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে এড়িয়ে যান তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মো. আল-আমিন। <br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 করোনা প্রতিরোধে নাকের স্প্রে ভ্যাকসিন নিয়ে নতুন সম্ভাবনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98394 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526723_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526723_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনাভাইরাস মোকাবিলা করার জন্য সারা পৃথিবীর তাবৎ বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। আমেরিকা এবং ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা শুনাচ্ছেন এক আশ্চর্যজনক আশা জাগানিয়া ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কথা। সাধারণভাবে আমরা বুঝি ভ্যাকসিন মানে সিরিঞ্জ-ইঞ্জেকশন ইত্যাদি। কিন্তু না, তাঁদের ভ্যাকসিন গ্রহণ করা যাবে নাকের স্প্রে বা ক্যান্ডির মতো চুষে খেয়ে। চলুন জেনে নিই এ বিষয়ে বিস্তারিতঃ<br>কভিড-১৯ যেহেতু শ্বাসযন্ত্রকেই প্রধানত আক্রমণ করে, তাই নাক দিয়ে যেন শ্বাসযন্ত্র বা ফুসফুসে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ইতিপূর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং চীন নাকের স্প্রে আনার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাইকেল স্কুপ ও তার টিম এবং ফ্রান্সের সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিলিপ কারোয়ান ও তার টিম গত মাসে এই সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশ করে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, অধ্যাপক ফিলিপ কারোয়ান তো ঘোষণাই দিয়ে দিয়েছেন মাত্র এক মিলিয়ন ইউরো খরচ করলে এ বছরের মধ্যেই এই ভ্যাকসিন ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে। সেজন্য তারা ফ্রান্স সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন। ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ও অধ্যাপক ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তাদের পেটেন্টকে কাজে লাগিয়ে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে এই ভ্যাকসিন বাজারে আনার জন্য ।<br>যেভাবে ওই ভ্যাকসিন কাজ করবে<br>আপনারা জানেন, করোনাভাইরাস শ্বাসযন্ত্রের কোষের মধ্যে যে পথ (খড়পশ) দিয়ে ঢুকে সেই প্রোটিনের নাম হল অঈঊ২, আর যে চাবি (কবু) দিয়ে এই খড়পশ খুলে তার নাম হল স্পাইক প্রোটিন। আমি ইতিপূর্বে অনেকবারই লিখেছি স্পাইক প্রোটিন সম্পর্কে।<br>করোনাভাইরাসের মৌলিক উপাদান (আরএনএ) যে শক্ত খোলসের ভেতরে থাকে যাকে আমরা দেখি কদম ফুলের মতো, সেটাই হল স্পাইক প্রোটিন। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ের উভয় টিমই তাঁদের ল্যাবরেটরিতে নকল (অৎঃরভরপরধষ) অঈঊ২ পেপটাইড তৈরি করেছে যেটা নাকের স্প্রেরের মাধ্যমে দেয়া হবে। যখন করোনাভাইরাস নাক দিয়ে প্রবেশ করে শ্বাসযন্ত্রের কোষে প্রবেশ করতে চাইবে স্পাইক প্রোটিন দিকভ্রান্ত হয়ে নকল অঈঊ২ পেপটাইডকে টার্গেট করবে। ফলে করোনা ভাইরাস সুস্থ কোষকে সংক্রমণ করতে ব্যর্থ হবে।<br>যে কারণে এই ভ্যাকসিন অন্যদের থেকে আলাদা<br>প্রথমত এই ভ্যাকসিন স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প খরচে তৈরি করা সম্ভব। ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ না করানোর কারণে শ্বাসযন্ত্র ব্যাতিত শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে এই ঔষধ প্রবেশের সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। ফলে আশা করা হচ্ছে ভ্যাকসিনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হবে একেবারে সামান্য। তাছাড়া ডাক্তার বা নার্সের সাহায্য ছাড়া নিজেই এই ঔষধ গ্রহণ করা যাবে। <br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়া পুলিশকে ঘুষ দেয়ার অপরাধে বাংলাদেশির জেল-জরিমানা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98393 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526693_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526693_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মালয়েশিয়ায় পুলিশের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে এক হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানাসহ তিন মাসের জেল হয়েছে এক বাংলাদেশির। ১৮ সেপ্টেম্বর দেশটির ইপোর একটি আদালতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আরিফুলকে (৪১) উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করে রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে নয়টার দিকে ইপোর সিলিম রিভারের জালান ইস্টিসন কামপুং মাংগিস এলাকায় পুলিশের অভিযানে বিক্রি নিষিদ্ধ ১৩ কার্টুন সিগারেটসহ বাংলাদেশি নাগরিক আরিফুলকে গ্রেফতার করা হয়।<br>এ সময় নিজেকে রক্ষা করতে পুলিশকে মালয় রিংগিত (৫০) এক হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ও নিষিদ্ধ সিগারেট রাখার অপরাধে কাস্টম আইনে ও ঘুষ দেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়।<br>শুক্রবার ইপোর আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে মালয় রিংগিত (১০ হাজার) দুই লাখ টাকা ও তিন মাসের জেল জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।<br>উল্লেখ্য, চলতি বছরে কয়েক জন বাংলাদেশিকে দেশটির পুলিশকে ঘুষ দেওয়ার অপরাধে জেল জরিমানা করা হয়।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 সম্মেলন ডেকে হেফাজতের আমির নির্বাচন করা হবে: বাবুনগরী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98392 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526667_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526667_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:<br>হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া পদটি দ্রুত সময়ের মধ্যে পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে হাটহাজারী মসজিদের মাইকে জানাজার পূর্বে তিনি এ ঘোষণা দেন। জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আল্লামা শফী হুজুর আমাদের মুরুব্বি। আমরা উনার জন্য দোয়া করছি। আর আপনারা জানেন, হেফাজতে ইসলামের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। আল্লামা শফী হুজুরের মৃত্যুতে হেফাজতে ইসলামের আমির পদটি শূন্য হয়ে যায়। আমরা হুজুরের (আল্লামা শফী) জানাজা-দাফন শেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের সম্মেলন ডাকবো। সম্মেলনে আমরা সর্বসম্মতিক্রমে হেফাজতে ইসলামের আমির নির্বাচন করবো।<br>এসময় শুরা কমিটির সদস্য মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী বলেন, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম (বড় মাদরাসা) মাদরাসার মহাপরিচালক আহমদ শফীর পদত্যাগ ও মৃত্যুর পর এর দায?িত্ব নিয়েছে শুরা কমিটি।<br>তিনি বলেন, আমি মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী। আল্লামা শফী হুজুর আমাদের মুরুব্বি ছিলেন। আমরা সকলে আল্লামা শফী হুজুরের জন্য দোয়া করবো। মাদরাসা নিয়ে চলমান সংকট নিরসনে শুরা কমিটি মাদরাসার দায?িত্ব পালন করবে। আমি আল্লামা শফী হুজুরের জানাজা-দাফনের পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাদরাসার পরিচালক নিয়োগ করবো। পরিচালক নিয়োগের পূর্বসময় পর্যন্ত শুরা কমিটি মাদরাসা পরিচালনা করবে।<br>প্রসঙ্গত, গত ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি দারুল উলুম হাটহাজারী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওলামা সম্মেলনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গঠন করা হয়। আহমদ শফী এর প্রতিষ্ঠাতা আমির মনোনীত হন। এরপর ২০১১ সালে তার নেতৃত্বেই ‘নারী উন্নয়ন নীতিমালার বিরুদ্ধে’ চট্টগ্রামে কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। তখন ঢাকায় শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক, মুফতি ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে ঢাকায় আন্দোলন হয়। ২০১২ সালে এই দুই নেতা মারা যাওয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকার আলেমদের মধ্যে এক ধরনের নেতৃত্বহীনতা সৃষ্টি হয়।<br>নানা চরাই-উৎরাই পাড়ি দিয়ে সংগঠনটি গুছিয়ে আনার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আল্লামা আহমদ শফী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শনিবার বাদ জোহর হাটহাজারী মাদরাসা প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হয়েছে। <br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 বড় বোনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় ছোট বোনকে খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98391 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526638_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526638_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রংপুর শহরের মধ্য গণেশপুর এলাকা থেকে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে (১৯ সেপ্টেম্বর) রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় নিহত জান্নাতুল মাওয়ার বাবা মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে এ মামলা করেন। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) উত্তম প্রসাদ পাঠক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি বলেন, শুক্রবার দুপুরে গণেশপুর এলাকা থেকে সুমাইয়া আক্তার মীমের (১৬) মরদেহ ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় এবং তার চাচাতো বোন জান্নাতুল মাওয়ার (১৪) মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার সকালে জান্নাতুল মাওয়ার বাবা অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করেছেন। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে হত্যার মূল রহস্য জানার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন আলামত জব্দসহ তাদের আত্মীয়-স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা বেশ কয়েকটি দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছি।<br>এদিকে মরদেহ উদ্ধারের পর রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। শুক্রবার সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত মীম ও মাওয়ার পরিবারের লোকজনকে থানায় নেয়া হয়। পাশাপাশি ওই রাতেই নগরীর উত্তর বাবখা থেকে মাহফুজার রহমান রিফাত ও সদর উপজেলার লাহিড়িরহাট এলাকা থেকে আরিফুল ইসলাম নামে দুই যুবককে আটক করে পুলিশ।<br>তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, আটক রিফাত ও আরিফুল নগরীর মুলাটোল মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার আলিম প্রথমবর্ষের ছাত্র। তারা দুজন বন্ধু। নিহত মীমও ওই মাদরাসা থেকে এবার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়। রিফাতের সঙ্গে নিহত মীমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।<br>স্থানীয় সূত্র জানায়, বড় বোনকে প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় ছোট বোনকে খুন করা হয়। পরে প্রেমিকার সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে তাকে হত্যার পর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় প্রেমিক।<br>এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দুপুরে নিহত দুই বোনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জান্নাতুল মাওয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 নৌকায় লুকানো ছিল এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98390 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526602_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526602_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক:<br>কক্সবাজারের রামু উপজেলার রেজুখাল মোহনার ঝাউবন এলাকায় একটি নৌকা থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার বিএন এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক এ তথ্য জানান।<br>কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার মধ্যরাতে কোস্টগার্ডের হিমছড়ি স্টেশন অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের রামু উপজেলার রেজুখাল মোহনার ঝাউবন এলাকায় একটি সন্দেহজনক ছোট নৌকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে। এ সময় পাচারকারীরা দূর থেকে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে নৌকা থেকে পানিতে লাফ দিয়ে ঝাউবনের ভেতরে পালিয়ে যায়। মাদক পাচারকারীদের আটক করা সম্ভব হয়নি।<br>তিনি জানান, জব্দৃকত ইয়াবা এবং ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত নৌকাটিকে রামু থানায় হস্তান্তর করা রয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।<br>বিএন এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আওতাভুক্ত এলাকাসমূহে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ রোধে কোস্ট গার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।<br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে হাজারও মানুষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98389 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526547_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526547_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে থাইল্যান্ডের হাজার হাজার মানুষ। শনিবার রাজধানী ব্যাংককে জড়ো হয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচার পদত্যাগ দাবি করেন। খবর রয়টার্সের। দেশটিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন প্রায়ুথ চান ওচা। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই থাইল্যান্ডের শক্তিশালী রাজতন্ত্রের পুনর্গঠনও দাবি করেছেন। গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকেই থাই সরকারের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। নতুন সংবিধান এবং নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। থাইল্যান্ডে সাধারণত রাজপরিবারের সমালোচনা করা নিষিদ্ধ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্নের সমালোচনা করে দীর্ঘদিনের এই প্রথা ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ জানিয়েছে, থামাসাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কমপক্ষে ৫ হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছে। গ্র্যান্ড প্যালেসের বিপরীত পাশে অবস্থিত সানাম লঞ্জে জড়ো হয় বিক্ষোভকারীরা। ওই এলাকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং সেখানে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। থাইল্যান্ডের মানবাধিকার আইনজীবী আর্নন নামপা এক টুইট বার্তায় বলেন, আজ লোকজন তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে নেমেছে। তিনি এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাকসিন সিনাওয়াত্রাকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তিনি জনগণের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন।<br>বিক্ষোভে অংশ নেয়া ৬৮ বছর বয়সী তাসাওয়ান সুয়েবথাই বলেন, ‘আমি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করতে এখানে এসেছি। আমি আশা করছি যে, আমি যখন থাকব না তখন তারা স্বাধীন হয়ে যাবে।’<br>সরকারের পতন চেয়ে বিক্ষোভ হলেও তা ছিল বেশ শান্তিপূর্ণ। গত মাসের একটি বিক্ষোভে ১০ হাজারের বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিল। এবার তার চেয়েও আরও বেশি মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করে বিক্ষোভের আয়োজন করে সংগঠনগুলো।<br>পানুপং নামে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেয়া এক নেতা বলেন, আমরা রাজতন্ত্রকে সঠিক স্থানে বসাতে লড়াই করে যাচ্ছি, আমরা এর বিলুপ্তি চাই না। এদিকে ওয়ান নামে ২০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী বলেন, রাজতন্ত্র পুনর্গঠনের এটাই সময়।<br>এই মহামারি পরিস্থিতিতে এভাবে বিক্ষোভ করায় করোনার বিস্তার বেড়ে যেতে পারে বলে বিক্ষোভকারীদের সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ। তিনি লোকজনকে রাজনৈতিক ইস্যুর আগে নিজেদের স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের চেয়ে সুস্থতার হার বেশি ভারতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98388 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526519_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526519_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভারতে করোনা সংক্রমণ ৫৩ লাখ পার হয়ে গেছে। তবে দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হারও বেড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুসারে, এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ লাখ ৮ হাজার ১৪। অপরদিকে কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৫ হাজার ৬১৯ জনের।<br>ইতোমধ্যেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৪২ লাখ ৮ হাজার ৪৩১ জন। দেশটিতে বর্তমানে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ১৩ হাজার ৯৬৪। দেশটিতে ক্রমবর্ধমান কোভিড সংক্রমণ বাড়লেও আশার কথা এটাই যে সেখানে করোনাজয়ীর সংখ্যা অ্যাক্টিভ রোগীর চার গুণেরও বেশি।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৯৩ হাজার ৩৩৭ জন। করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৪৭ জনের। অপরদিকে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছে ৯৫ হাজার ৮৮১ জন।<br>অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের চেয়ে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেশি। দেশটিতে গড়ে সুস্থতার হার ৭৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। অপরদিকে মৃত্যুহার ১ দশমিক ৬১ শতাংশ। দৈনিক সুস্থতার সংখ্যায় আজ রেকর্ড হয়েছে ভারতে।<br>ভারতের কোভিড সংক্রমণে এখন পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১১ লাখ পেরিয়ে গেছে। মহারাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মোট ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪০ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৩৫১ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৫৪ জন। মহারাষ্ট্রে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ২ হাজার ১৩৫।<br>দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। ওই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ১ হাজার ৪৬২। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ১৭৭ জনের। ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ৫ লাখ ৮ হাজার ৮৮ জন। অন্ধ্রপ্রদেশে অ্যাক্টিভ কেস ৮৮ হাজার ১৯৭।<br>তৃতীয় থাকা তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ২৫ হাজার ৪২০। করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৬১৮ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছে ৪ লাখ ৭০ হাজার ১৯২ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৪৬ হাজার ৬১০।<br>চতুর্থ স্থানে রয়েছে কর্নাটক। সেখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫৬ জন। এখন পর্যন্ত কর্নাটকে কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৬২৯ জনের। সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭ জন। কর্নাটকে বর্তমানে অ্যাক্টিভ কেস ১ লাখ ৩ হাজার ৬৫০।<br>এদিকে উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২৯৪। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৭৭১ জনের। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ২ লাখ ৬৩ হাজার ২৮৮ জন। উত্তরপ্রদেশে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৬৮ হাজার ২৩৫।<br>ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে রাজধানী দিল্লি। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭০১। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৮৭৭ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ১০৩ জন। দিল্লিতে অ্যাক্টিভ কেস ৩১ হাজার ৭২১।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 নিরীহ কাশ্মীরিদের বেআইনি হত্যার কথা স্বীকার করল ভারতীয় সেনাবাহিনী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98387 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526490_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/19/1600526490_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভারতশাসিত কাশ্মীরে দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় অধিবাসীদের ওপর অন্যায় নির্যাতন ও বেআইনি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বা বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে নিরীহ কাশ্মীরিদের হত্যার কথা স্বীকারের ঘটনা বেশ বিরল। তবে, গত জুলাইয়ে করোনাভাইরাসের কারণে চলা লকডাউনের মধ্যে তিন কাশ্মীরি শ্রমিককে হত্যার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে বলে স্বীকার করেছে ভারতীয় বাহিনী। খবর আল জাজিরার।<br>শুক্রবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গত ১৮ জুলাই সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তারা শোপিয়ানের আমশিপোরা গ্রামে অজ্ঞাত তিন ‘বিদ্রোহীকে’ হত্যা করেছে। এখন তদন্তে দেখা গেছে, তারা রাজৌরি জেলার বাসিন্দা ছিলেন, যাদের সাজানো বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিল তাদের পরিবার।<br>ভারতীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল রাজেশ কালিয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘সেনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুসারে আমশিপোরা অভিযানের বিষয়ে তদন্ত শেষ হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু প্রমাণ মিলেছে যাতে মনে হয়েছে, অভিযানের সময় সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ ক্ষমতা আইনের (এএফএসপিএ) অধীনে প্রয়োগ করা ক্ষমতা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।’<br>তিনি বলেন, ‘তদন্তে সংগৃহীত প্রাথমিক প্রমাণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আমশিপোরা অভিযানে নিহত তিন অপ্রমাণিত সন্ত্রাসী হলেন ইমতিয়াজ আহমেদ, আবরার আহমেদ ও মোহাম্মদ ইবরার। তারা রাজৌরি থেকে ফিরছিলেন। তাদের ডিএনএ প্রতিবেদন আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সন্ত্রাস বা এ সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে তাদের যোগসূত্রের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।’<br>এর আগে পুলিশের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছিল, ওই অভিযানে সেনা কর্মকর্তাদের ওপর গুলি চালানো হয়।<br>এ ঘটনার কিছুদিন পরে নিহত তিন ব্যক্তির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। সেখান থেকেই তাদের শনাক্ত করেন স্বজনেরা এবং বেআইনি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ করেন।<br>শুক্রবার ভারতীয় সেনাবাহিনী বেআইনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারের পর নিহত ইবরারের চাচাতো ভাই নসিব খাতানা জানান, নিহতরা সবাই একে অপরের চাচাতো ভাই ছিলেন। তারা কাজের উদ্দেশ্যে রাজৌরি থেকে শোপিয়ান গিয়েছিলেন।<br>নসিব বলেন, ‘তারা ১৭ জুলাই শোপিয়ান পৌঁছায় এবং ওই রাতেই শেষবার তাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল আমাদের। এটা লকডাউনের সময় ছিল, তাই আমরা ভেবেছিলাম তাদের হয়তো কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। আমরা অপেক্ষা করছিলাম, তবে কোনও খবর ছিল না।’<br>তিনি বলেন, ‘আমরা ছবি দেখার পর স্বজনদের চিহ্নিত করে অভিযোগ দায়ের করি। তাদের সন্ত্রাসী বলে দাবি করেছিল সেনাবাহিনী। নিরপরাধ মানুষদের সঙ্গে তারা আর কত অন্যায় করতে পারে!’<br>ভুক্তভোগী আরেক পরিবারের এক সদস্য জানান, স্বজনদের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরেও তা এখনও পাওয়া যায়নি।<br>তিনি বলেন, ‘গত ৩ আগস্ট নমুনা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখনও ফলাফল আসেনি। আজ প্রত্যেক পরিবারের একজনকে ডেকে তারা স্বীকার করেছে, তিনজনকে একটি মিথ্যা বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করা হয়েছে। আমরা চাই তাদের হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে এনে সাজা দেয়া হোক। আমরা পরিবারের সদস্যদের মরদেহ চাই।’<br>জুলাইয়ের ওই মিথ্যা বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন ইবরার। তিনি পড়াশোনার জন্য দিনমজুরের কাজ করে অর্থ জমাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।<br>মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, কাশ্মীরে ভারতীয় সেনারা আর্থিক সুবিধা ও মেডেলের জন্য বেসামরিক লোকদের হত্যা করে অনেক সময় ‘বিদ্রোহী’ বলে চালিয়ে দেন।<br>আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ২০১০ সালের মে মাসে মাচিল এলাকায় নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে ভারতীয় সেনারা সাজানো বন্দুকযুদ্ধে তিন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছেন, কাশ্মীর পুলিশের তদন্তে এ তথ্য বেরিয়ে আসার পর বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে উপত্যকায়। সেনারা পুরস্কারের লোভে ওই তিন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে ‘সশস্ত্র বিদ্রোহী’র ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-20 20:41:00 1970-01-01 00:00:00