Hazarika Pratidin http://www.hazarikapratidin.com/ Most popular daily newspaper in Bangladesh en-us Tue, 16 Jan 2018 17:39:16 +0000 ফেসবুকের লোকসান ৩৩০ কোটি ডলার: জাকারবার্গ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46301 Hazarika46301Pratidin Tue, 16 Jan 2018 17:19:02 +0000 -Hazarika বছরের শুরুতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। ব্র্যান্ড, ব্যবসা ও মিডিয়ার পেজগুলোর পোস্ট কমিয়ে বন্ধুদের দেওয়া স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ভিডিও http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516101615.jpg
ফেসবুকের লোকসান ৩৩০ কোটি ডলার: জাকারবার্গ
ফেসবুকের লোকসান ৩৩০ কোটি ডলার: জাকারবার্গ

বছরের শুরুতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ করে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। ব্র্যান্ড, ব্যবসা ও মিডিয়ার পেজগুলোর পোস্ট কমিয়ে বন্ধুদের দেওয়া স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ভিডিও বেশি দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফেসবুক। এতে মানুষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ বাড়বে, এমনটা মনে করেন ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। এ ব্যাপারে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ থেকে গত বৃহস্পতিবার একটি স্ট্যাটাসও দেন তিনি।
আর ওই স্ট্যাটাস কাল হয়ে দাঁড়াল। জাকারবার্গ ওই ঘোষণা দেওয়ার পর এক দিনেই পুঁজিবাজারে ফেসবুকের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ কমে যায়। আর তাতে ফেসবুকের লোকসান হলো প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার।
তবে এমন কিছু যে হতে চলেছে তা আগেই জানতেন জাকারবার্গ। তিনি তাঁর স্ট্যাটাসে এ বিষয়ে বলেছিলেন, ‘নিউজফিডে পরিবর্তন এলে আপনারা ব্যবসা, ব্র্যান্ড ও মিডিয়ার পোস্ট কম দেখতে পাবেন। কিন্তু আমি জানি এতে মানুষ ফেসবুকে কম সময় ব্যয় করবে, যা বেশ কিছু বিষয়ে প্রভাব ফেলবে। তবে মানুষ যতটুকু সময়ই ফেসবুক ব্যবহার করবে, সে সময়টা যেন ভালো কাটে, সেটা আমরা নিশ্চিত করব।’
ফেসবুকের হঠাৎ এমন লোকসানের খবরে আঁতকে উঠেছেন এর অংশীদারেরা। তবে ফেসবুক এখনো প্রায় ৫২০ কোটি ডলারের বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে মার্ক জাকারবার্গ এখনো পৃথিবীর শীর্ষ দশ ধনীর একজন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে স্টোকসের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46292 Hazarika46292Pratidin Tue, 16 Jan 2018 11:39:45 +0000 -Hazarika ব্রিস্টলে নাইট ক্লাবে মারামারির ঘটনায় বেন স্টোকসের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত চলছিল। সেই তদন্ত অবশেষে শেষ হয়েছে। তদন্ত শেষে ইংলিশ এই অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516081269.jpg
তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে স্টোকসের
তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে স্টোকসের

ব্রিস্টলে নাইট ক্লাবে মারামারির ঘটনায় বেন স্টোকসের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত চলছিল। সেই তদন্ত অবশেষে শেষ হয়েছে। তদন্ত শেষে ইংলিশ এই অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস (সিপিএস)।

ঘটনায় স্টোকসের সঙ্গে অভিযুক্ত হয়েছেন আরো দুজন। ব্রিস্টলে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলবে তাদের বিচার কাজ। তাদের আদালতে হাজির হওয়ার তারিখ পরে জানানো হবে। আর বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে স্টোকসের।

তদন্ত শেষে সোমবার অ্যাভন ও সমারসেট পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ব্রিস্টলের কুইন্স রোডের ঘটনায় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারা হলেন বেন স্টোকস (২৬), রায়ান আলী (২৮) ও রায়ান হেল (২৬)। সকল প্রমাণ পর্যালোচনা করে এই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মারামারির অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে সিপিএস।’

স্টোকস এক বিবৃতিতে তার পাশে থাকার জন্য পরিবার, বন্ধু, সমর্থক ও সতীর্থদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আদালতেই তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান, ‘আমি আমার নাম পরিষ্কার করার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। তবে সঠিক সময়ে এটা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আমাকে, আর সেটা হবে শুনানিতে। সিপিএস আমাকে অভিযুক্ত করেছে, রায়ান আলী ও রায়ান হেলকেও। এর মানে হলো ওই রাতের ঘটনা কোর্টের মাধ্যমে জনসম্মুখে আসবে। তার আগ পর্যন্ত আমার পুরো মনোযোগ থাকবে ক্রিকেটে।’

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্রিস্টলে সেই মারামারির ঘটনার সময় স্টোকসের সঙ্গে ছিলেন সতীর্থ অ্যালেক্স হেলস। ঘটনার দুই দিন পর দুজনকেই পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড দল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। পরে হেলসকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু স্টোকস ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ ও ওয়ানডে দলে থাকলেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেননি।

জাতীয় দলে খেলতে না পারায় ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে ছয়টি ম্যাচ খেলেন স্টোকস। ক্যান্টারবুরির হয়ে খেলেন তিনটি একদিনের ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। এ মাসের শেষ দিকে হতে যাওয়া আইপিএলের নিলামেও আছে তার নাম।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
মেয়র আনিসুল হককে শ্রদ্ধা জানাবেন শিল্পীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46291 Hazarika46291Pratidin Tue, 16 Jan 2018 11:18:29 +0000 -Hazarika দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পীদের জন্য তৈরি সংগঠন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। ফাউন্ডেশনটি এবার তাকে স্মরণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516080035.jpg
মেয়র আনিসুল হককে শ্রদ্ধা জানাবেন শিল্পীরা
মেয়র আনিসুল হককে শ্রদ্ধা জানাবেন শিল্পীরা

দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পীদের জন্য তৈরি সংগঠন ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। ফাউন্ডেশনটি এবার তাকে স্মরণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজনকরেছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমিতে হবে এ অনুষ্ঠান। এখানে দেশের ব্যবসা, অর্থনীতি, নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আনিসুল হকের রেখে যাওয়া অনন্য অবদান নিয়ে কথা বলা ও তাকে বিশেষভাবে স্মরণ করা হবে।
সম্মিলনে উপস্থিত হবেন শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবদুল হাদী, সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, শিল্পী ফেরদৌসী রহমান, মুস্তাফা মনোয়ার, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল খায়ের লিটু, ফরিদুর রেজা সাগর, নাসিরুদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, আলী যাকের, ফয়সাল সিদ্দিকী বগি, অঞ্জন চৌধুরী পিন্টুসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে আনিসুল হকের কীর্তিময় জীবনের ওপর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিওচিত্রও প্রদর্শিত হবে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
আইপিএলে মোস্তাফিজকে চায় মুম্বাই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46290 Hazarika46290Pratidin Tue, 16 Jan 2018 11:04:14 +0000 -Hazarika আইপিএলের আগামী আসরে প্রতিটি দলকেই প্রায় নতুন করে দল সাজাতে হচ্ছে। সর্বোচ্চ পাঁচজন করে খেলোয়াড় ধরে রাখার নিয়ম থাকলেও বেশিরভাগ দলই তিনজন করে রেখে বাকিদের http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516079446.jpg
আইপিএলে মোস্তাফিজকে চায় মুম্বাই
আইপিএলে মোস্তাফিজকে চায় মুম্বাই

আইপিএলের আগামী আসরে প্রতিটি দলকেই প্রায় নতুন করে দল সাজাতে হচ্ছে। সর্বোচ্চ পাঁচজন করে খেলোয়াড় ধরে রাখার নিয়ম থাকলেও বেশিরভাগ দলই তিনজন করে রেখে বাকিদের ছেড়ে দিয়েছে। টাইগার তারকা মোস্তাফিজকেও ছেড়ে দিয়েছে তার দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবার এ পেসারকে দলে পেতে মরিয়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।চলতি মাসের ২৭ আর ২৮ জানুয়ারি আইপিএলের নিলাম হবে ব্যাঙ্গালুরুতে। এর আগেই প্রতিদল কম্বিনেশন অনুযায়ী নিজেদের মতো করে খেলোয়াড় নির্ধারণ করে রাখছে। সেই হিসেবে মুম্বাইয়ের নজরে আছে টাইগারদের বিস্ময় এই বোলার।শেষ দুই আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে মাঠ মাতান মোস্তাফিজ। আইপিএলে নিজের প্রথম আসরে দলের শিরোপা জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। নির্বাচিত হন সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়। কিন্তু গত আসরে বল হাতে বিবর্ণ ছিল এ বাঁহাতি পেসারের পারফরম্যান্স। নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারায় মাত্র এক ম্যাচে মাঠে নামেন এই তারকা।এবারের আসরে তাকে দলে রাখেনি সানরাইজার্স। তার দিকে নজর পড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মুম্বাইয়ের। নিলামের মোস্তাফিজের ভিত্তি মূল্য ধরা হয়েছে ১ কোটি থেকে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
প্রথম রাউন্ডেই বিদায় ভেনাসের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46289 Hazarika46289Pratidin Tue, 16 Jan 2018 10:51:40 +0000 -Hazarika বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতা অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অঘটনের শিকার হয়েছেন ভেনাস উইলিয়ামস। গত বছরের রানার-আপ ভেনাস প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন।মেলবোর্নে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের এই টেনিস http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516078369.jpg
প্রথম রাউন্ডেই বিদায় ভেনাসের
প্রথম রাউন্ডেই বিদায় ভেনাসের

বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতা অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অঘটনের শিকার হয়েছেন ভেনাস উইলিয়ামস। গত বছরের রানার-আপ ভেনাস প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন।

মেলবোর্নে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের এই টেনিস তারকাকে ৬-৩, ৭-৫ গেমে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন সুইজারল্যান্ডের বেলিন্দা বেনচিচ।

ভেনাসের ব্যর্থতার দিনে বাদ পড়েছেন গত বছরের ইউএস ওপেনজয়ী স্লোয়ানে স্টিফেনসও। চীনের ঝেং সুই স্টিফেনসকে হারিয়েছেন ২-৬, ৭-৬, ৬-২ গেমে।

ছেলেদের এককে সহজ জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন ফেবারিট রাফায়েল নাদাল। প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাদাল মাত্র ৯৪ মিনিটে এসত্রেয়া বুরগোসকে হারিয়েছেন ৬-১, ৬-১, ৬-১ গেমে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
চিকিৎসার নামে যৌন হেনস্তা, এবার মুখ খুললেন অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46284 Hazarika46284Pratidin Tue, 16 Jan 2018 10:43:21 +0000 -Hazarika চিকিৎসার নামে যৌন হেনস্তার জন্য অভিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলেছেন চারবারের অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী এক খেলোয়াড়। ওই চিকিৎসকের নাম ল্যারি নাসের। তার http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516077866.jpg
চিকিৎসার নামে যৌন হেনস্তা, এবার মুখ খুললেন অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী
চিকিৎসার নামে যৌন হেনস্তা, এবার মুখ খুললেন অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী

চিকিৎসার নামে যৌন হেনস্তার জন্য অভিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলেছেন চারবারের অলিম্পিক স্বর্ণজয়ী এক খেলোয়াড়। ওই চিকিৎসকের নাম ল্যারি নাসের। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন রিও অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে চারটি স্বর্ণ আর একটি বোঞ্জপদক জয়ী সিমোন বেলিস।টুইটারে যৌন হেনস্তাবিরোধী জনপ্রিয় ‘#মি ঠু’ ট্যাগের প্রচারে সম্পৃক্ত হয়ে নিজের দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সিমোন।এতে তিনি উল্লেখ করেন, যৌন হেনস্তার ঘটনায় খেলাধুলার জন্য তার ভালোবাসা আর আনন্দ কেড়ে নিতে পারেনি।ঘটনা প্রসঙ্গে সিমোন বলেন, ‘এই ভোগান্তির কথা বর্ণনা করা কঠিন। এটি আমার জন্য আরও কষ্টকর হয়, যখন ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিকের প্রস্তুতির জন্য আমার সেই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আসতে হয়, যেখানে আমি যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই খেলাকে খুব ভালোবাসি এবং আমি কখনই এটি ত্যাগ করে যাব না। আমি কোন ব্যক্তিকে বা যারা তাকে প্রশ্রয় দিয়ে দিয়েছে তাদের এই সুযোগ দেব না, যাতে তারা আমার ভালোবাসা আর আনন্দকে চুরি করতে পারে।’শিশু যৌনতার ছবি সংরক্ষণ আর জিমন্যাস্টিকদের হয়রানি করার অভিযোগে এর মধ্যেই অবশ্য ল্যারি নাসেরের ৬০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে।তার বিরুদ্ধে চিকিৎসার নামে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন আরও তিন মার্কিন অলিম্পিয়ান, যাদের মধ্যে রয়েছেন স্বর্ণজয়ী গ্যাবি ডগলাসও।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
সাকিবের দৃষ্টিতে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46279 Hazarika46279Pratidin Tue, 16 Jan 2018 22:27:00 +0000 -Hazarika ক্রীড়া প্রতিবেদক॥ প্রথমে জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৭০ রানে আটকে ফেলা। এরপর ব্যাটিংও অন্যরকম হলো। ২৮.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516033642.jpg
সাকিবের দৃষ্টিতে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট
সাকিবের দৃষ্টিতে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট

ক্রীড়া প্রতিবেদক॥ প্রথমে জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৭০ রানে আটকে ফেলা। এরপর ব্যাটিংও অন্যরকম হলো। ২৮.৩ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নিল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাম্প্রতিক বছরগুলো শুধু জিতেই আসছে বাংলাদেশ। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে যেভাবে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল, তাতে বাহাবা পেতেই পারে টাইগাররা। সাকিব জানালেন, গেমপ্ল্যানগুলো পুরোপুরি সফল হওয়ার কারণেই এত বড় জয়। টস জেতাটাও যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেটাও বুঝিয়ে দিলেন ম্যাচে তিন উইকেট পাওয়া সাকিব। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন,‘ প্রথমে ব্যাট করা একটু কঠিন ছিল। আস্তে আস্তে উইকেট সহজ হয়ে যায়। আমাদের টার্গেট ছিল নতুন বলে শুরুতে উইকেট তুলে নেওয়া। আমরা অতীতে ওদের বাঁহাতি স্পিন দিয়ে ঘায়েল করেছি। সেটা মাথায় রেখেই আমি বোলিং শুরু করি। ভাগ্য ভালো ছিল যে, শুরুতেই আমরা দুই উইকেট তুলে নিতে পেরেছি। এটা ম্যাচের অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল।’
গোটা দলের বোলিং পারফরম্যান্সে খুশি সাকিব বলেন,‘ আমরা গত কিছু দিন ধরে বোলিং নিয়ে কাজ করেছি। এ ম্যাচে তার প্রতিফলনও হযেছে। মাশরাফি খুব ভালো বল করেছে। রুবেল তো বেশ কিছু দিন ধরে ভালো করছে। অসাধারণ বোলিং করেছে মুস্তাফিজ। আসলে সে কখনও খারাপ করেনি। একজনের পক্ষে সব ম্যাচে ভালো করাও কঠিন। কিছুদিন ধরে সে বোলিংয়ের কিছু দিক নিয়ে কাজ করেছে। এ ম্যাচে তার উন্নতিও চোখে পড়ার মতো। আমি তার বোলিংয়ে সন্তুষ্ট।’
প্রথম ম্যাচে বড় জয়। সামনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় ম্যাচ। সাকিব মনে করেন, এই জয়টা শ্রীলঙ্কা ম্যাচে কাজে আসবে।তিনি বলেন,‘ জয় দিয়ে বছর শুরু করতে পেরেছি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় প্রাপ্য ছিল। তবে যেভাবে আমরা জিতেছি সেটা গুরুত্বপ্র্ণূ। আমি মনে করি সামনে শ্রীলঙ্কা ম্যাচে এটা কাজে আসবে।’

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
মাত্র একদিনেই মিলবে ব্রণ থেকে মুক্তি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46278 Hazarika46278Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:52:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কমুখে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হলে তা যেমন বিরক্তিকর, তেমনই মুখের সৌন্দর্যকে বহুলাংশে কমিয়ে দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে ব্রণ সেরে গিয়ে বারবার হয়। অনেকের ক্ষেত্রে একবার http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031534.jpg
মাত্র একদিনেই মিলবে ব্রণ থেকে মুক্তি!
মাত্র একদিনেই মিলবে ব্রণ থেকে মুক্তি!

স্বাস্থ্য ডেস্কমুখে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হলে তা যেমন বিরক্তিকর, তেমনই মুখের সৌন্দর্যকে বহুলাংশে কমিয়ে দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে ব্রণ সেরে গিয়ে বারবার হয়। অনেকের ক্ষেত্রে একবার ব্রণ হলে তা আর সারতে চায় না।
আসুন জেনে নিন একদিনে মুখের ব্রণ বা ফুসকুড়ি থেকে মুক্তি পাবেন কিভাবে।
১। সরিষা
মুখে ব্রণ বা অন্য কোনও সমস্যা হলে সরিষা দারুণ কাজ করে। এতে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড রয়েছে যা সংক্রমণকে ধ্বংস করে দেয়। তাই টেবিল চামচের এক-চতুর্থাংশ সরিষা গুড়া নিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে নিন। মুখে এই মিশ্রণটি ভালো করে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে মুছে ফেলুন।
২। সবুজ চা
বেশি করে সবুজ চা ফুটিয়ে সেই পানি ঠান্ডা করে তা মুখে ব্রণের উপরে মাখুন।
৩। টমেটো
ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ কমাতে টমেটো বিশেষ সাহায্য করে। টমেটো কেটে তার টুকরা বা রস বানিয়ে মুখে মাখুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪। রসুন
রসুনের রস ব্রণের উপরে লাগান। চাইলে অনেকক্ষণ লাগিয়ে রাখতে পারেন। পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৫। ডিমের সাদা অংশ
ডিমের সাদা অংশ ব্রণের উপরে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
৬। ভিনেগার
ভিনেগারও ব্রণের সমস্যায় দারুণ কাজ করে। তুলোয় ভিনেগার লাগিয়ে ব্রণে লাগান। ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পুরো মুখে ভিনেগার লাগাবেন না।
৭। লেবুর রস
রাতে শোওয়ার আগে তুলার বল লেবুর রসে ভিজিয়ে সারারাত মুখের ব্রণে লাগিয়ে রাখতে পারেন। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণ সমস্যা অনেক কমেছে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
কোমর ব্যথায় স্থায়ী মুক্তি পেতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46277 Hazarika46277Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:51:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কআমরা অনেকেই হয়তো শরীরের জয়েন্ট (গাঁট), কোমর, হাঁটু, ঘাড় এগুলোর ব্যথায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগি। এসব ব্যথা দূর করতে কার্যকর খাবার হচ্ছে জেলাটিন (জীবজন্তুর হাড় http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031501.jpg
কোমর ব্যথায় স্থায়ী মুক্তি পেতে
কোমর ব্যথায় স্থায়ী মুক্তি পেতে

স্বাস্থ্য ডেস্কআমরা অনেকেই হয়তো শরীরের জয়েন্ট (গাঁট), কোমর, হাঁটু, ঘাড় এগুলোর ব্যথায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগি। এসব ব্যথা দূর করতে কার্যকর খাবার হচ্ছে জেলাটিন (জীবজন্তুর হাড় ও বর্জ্য অংশ পানিতে সিদ্ধ করে তৈরি করা জেলির মতো স্বচ্ছ স্বাদহীন পদার্থ)। তাই দেহের ব্যথা দূর করতে চাইলে নিচে দেওয়া খাদ্যপ্রণালিটি অনুসরণ করতে পারেন। খাদ্যপ্রণালি দিয়েছে হেলদি ফুড টিম ডটকম।
ক্স যেকোনো দোকান থেকে ১৫০ গ্রাম জেলাটিন কিনুন (এক মাসের জন্য ১৫০ গ্রামই যথেষ্ট)।
ক্স বিকেলে ওই জেলাটিন থেকে পাঁচ গ্রাম নিয়ে (দুই চা চামচ) সিকি কাপ ঠাণ্ডা পানির (ফ্রিজ থেকে নামানো) সঙ্গে মেশান। সারা রাত এভাবে রাখুন (ফ্রিজে রাখবেন না)। সারা রাত ভিজিয়ে রাখার পর জেলাটিন জেলির আকার ধারণ করবে।
ক্স সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এটা পান করুন। জুস, পানি, দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে এই জেলাটিন খেতে পারেন।
এই খাদ্যপ্রণালি এক সপ্তাহ গ্রহণে ব্যথা অনেকটাই কমে আসবে। এক মাস এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে এই পদ্ধতি পুনরায় করতে পারবেন। এই পদ্ধতি অনুসরণে গাঁটের মাঝে তৈলাক্ত পদার্থ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্রমকেও ভালো রাখা যায়। যারা দীর্ঘদিন ধরে ব্যথানাশক ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের জন্য এই খাদ্যপ্রণালি অন্যতম সমাধান হতে পারে।
জেলাটিনের উপকারিতা
জেলাটিন এমন এক ধরনের জিনিস যা প্রাণীদেহের সংযোগ টিস্যুকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি হাঁড়, কোলাজেন ও কার্টিলেজের শুদ্ধিকরণে কাজ করে। দেহের অভ্যন্তরীণ ফাইবার ও ছোট কোষের অবস্থার উন্নতি করে। জেলাটিন দেহে দুই ধরনের এমাইনো এসিড উৎপন্ন করে; প্রোলাইন ও হাইড্রোসিপ্রোলাইন। এগুলো সংযোগ টিস্যুর পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। সংযোগ টিস্যুর বৃদ্ধিতে কাজ করে। এটি গাঁটের রোগে বেশ কার্যকর।
এ ছাড়া জেলাটিন আরো যেসব কাজ করে :
* হৃদযন্ত্র ও গাঁটের পেশিশক্তি বাড়ায়।
* দেহের পরিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি করে।
* ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।
*দেহের রগ এবং লিগামেন্টের স্থিতিস্থাপকতা ও শক্তি বৃদ্ধি করে।
* অস্টিয়ো পোরোসিস এবং অস্টিয়ো আরথ্রাইটিসের প্রতিরোধে কাজ করে।
* চুল ও নখের কাঠামোগত বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
কীভাবে বুঝবেন আপনার আলসার হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46276 Hazarika46276Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:51:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কনয়টা-পাঁচটা অফিস করা মানুষ প্রায়ই না খেয়ে থেকে অভ্যস্ত। এই না খেয়ে থাকাটাকে অনেকেই কিছু মনে করেন না। কিন্তু এটাকে আলসারের প্রাথমিক কারণ হিসেবে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031466.jpg
কীভাবে বুঝবেন আপনার আলসার হয়েছে
কীভাবে বুঝবেন আপনার আলসার হয়েছে

স্বাস্থ্য ডেস্কনয়টা-পাঁচটা অফিস করা মানুষ প্রায়ই না খেয়ে থেকে অভ্যস্ত। এই না খেয়ে থাকাটাকে অনেকেই কিছু মনে করেন না। কিন্তু এটাকে আলসারের প্রাথমিক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন চিকিৎসকেরা। আবার আলসার হলে অনেকেই খুব একটা আমলে নেন না। এটাও ঠিক নয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না করা হলে আলসার মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জেনে নিন আলসারের লক্ষণগুলো।
আলসারের প্রথম ও প্রাথমিক লক্ষণ হলো বুক জ্বালাপোড়া করা। মশলাযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবার খেলে বুকের একটু নিচে জ্বালাপোড়া করবে। এর সাথে টক ঢেঁকুরও আসতে পারে। অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়ার সাথে নাভির ডান বা বাম পাশে অল্প চিনচিনে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। মাঝে মাঝে এই ব্যথা পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়।
আলসার মারাত্মক আকার ধারণ করলে রোগীর বমি হতে পারে। এ সময় বমির সাথে রক্ত বের হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। এই পর্যায়ে অতিসত্বর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
খাবারে অরুচি থাকাও আলসারের আরেকটি লক্ষণ। মনে হবে যেনো পেট একেবারে ভরা। খাবার না খাওয়ার কারণে রক্ত স্বল্পতা, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, অল্প কাজে ক্লান্ত বোধ করা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর সাথে পেট ফাঁপা অনুভূত হবে। ঘন ঘন বায়ু ত্যাগের সমস্যাও থাকতে পারে।
এছাড়া আলসারের কারণে পেটের ভিতর রক্তক্ষরণ হতে পারে। তবে সেটা একেবারে মারাত্মক পর্যায়ে হয়। এই সময় পেটের ভিতর রক্তক্ষরণের কারণে পায়খানা আঠালো এবং কালচে রঙের হতে পারে। এই সমস্ত লক্ষণগুলোতে অতি দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন ডায়াবেটিস-ক্যানসার ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46275 Hazarika46275Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:50:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কআপনি কি জানেন, টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, এমনকি মারাত্মক ক্যানসারে?কি, অবাক হচ্ছেন? সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031421.jpg
টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন ডায়াবেটিস-ক্যানসার !
টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন ডায়াবেটিস-ক্যানসার !

স্বাস্থ্য ডেস্কআপনি কি জানেন, টানা দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আক্রান্ত হতে পারেন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, এমনকি মারাত্মক ক্যানসারে?
কি, অবাক হচ্ছেন? সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্যই। গবেষকরা বলছেন, যারা দিনে আটঘণ্টা বা তার বেশি সময় বিরতিহীনভাবে বা খুব কম বিরতিতে একভাবে বসে কাজ করেন বা টিভি দেখেন, তাদের শতকরা ৯০ শতাংশেরই রয়েছে টাইপ টু ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি।
গবেষণার তথ্যে আরও জানা যায়, যারা দীর্ঘ সময় বসে থাকেন তাদের ৫০ শতাংশ বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিসহ রয়েছে ৫৪ শতাংশ ফুসফুস ক্যানসার, ৬৬ শতাংশ জরায়ু ক্যান্সার ও ৩০ শতাংশ কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা।
মায়ো ক্লিনিক, এরিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক ডক্টর জেমস লেভিন জানান, দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে ব্যক্তির মধ্যে বিপাকীয় উপসর্গসহ প্রায় একগুচ্ছ শারীরিক সমস্যার উন্মেষ হয়। উচ্চরক্তচাপ থেকে শুরু করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া, কোমরসহ অন্যান্য পেশিতে চর্বি জমা হওয়া প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়।
একটানা বসে কাজ করলে শরীরে যে নয়টি ক্ষতি ডেকে আনতে পারে:
মাথা
দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী নালীতে সুষ্ঠুভাবে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে স্ট্রোক হতে পারে।
ফুসফুস
একটানা আট থেকে ১২ ঘণ্টা বসে থাকলে দিনে দু’বার রক্ত জমাট বা পালমোনারি এমবোলিজম হওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর এই জমাট রক্ত যদি মস্তিষ্কে প্রবাহিত হয় তাহলে ব্যক্তির হতে পারে স্ট্রোক।
বাহু
হাঁটাচলা বা শারীরিক কার্যকলাপ কম হলে উচ্চরক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকখানিই।
পাকস্থলী
একভাবে বসে থাকলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়াও বেশিক্ষণ একভাবে বসে থাকলে পেশির রক্তনালীতে থাকা এনজাইম চর্বি পোড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তাই স্বাভাবিক বিপাকক্রিয়া ব্যাহত হয়।
পায়ের পাতা
স্নায়ুর ওপর দীর্ঘক্ষণ চাপ পড়লে পা অবস হয়ে স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে।
ঘাড়
সারাদিন পা অপরিবর্তিত অবস্থায় থাকার ফলে পায়ে পানি জমে। হঠাৎ উঠে দাঁড়ানোতে সব জলীয় পদার্থ ঘাড়ে এসে জমা হয়। এ থেকে ঘাড়ে ব্যথা ও নিদ্রাহীনতা হতে পারে।
হৃৎপিণ্ড
যারা বেশিরভাগ সময় বসে থাকেন, তাদের অন্যদের তুলনায় দু’গুণ বেশি হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
পিঠ
টানা বসে থাকায় মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে মেরুদণ্ড সংকুচিত হয়ে যেতে পারে।
পা : বসে থাকার ফলে পানি পায়ে এসে জমা হয়, অনেক সময় পা ফুলে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর পর হাঁটাহাটি করলে সেগুলো সারা শরীরে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
যক্ষ্মা প্রতিরোধ করবে হলুদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46274 Hazarika46274Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:49:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কখাবার স্বাদ, গন্ধ এবং রঙের জন্য মশলা হিসেবে হলুদ খুব জনপ্রিয়। শুধু মশলা হিসেবে নয়, হলুদের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ব্যাপক তা এর আগে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031379.jpg
যক্ষ্মা প্রতিরোধ করবে হলুদ
যক্ষ্মা প্রতিরোধ করবে হলুদ

স্বাস্থ্য ডেস্কখাবার স্বাদ, গন্ধ এবং রঙের জন্য মশলা হিসেবে হলুদ খুব জনপ্রিয়। শুধু মশলা হিসেবে নয়, হলুদের যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও ব্যাপক তা এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। তাছাড়া, আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় বহুকাল আগে থেকে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, যক্ষ্মা প্রতিরোধেও হলুদ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
গবেষকেরা বলেন, বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা প্রতিরোধে কাজ করে হলুদ। হলুদে প্রদাহ প্রতিরোধী, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এমনকি এর ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান আছে বলেও গবেষণায় খুঁজে পাওয়া গেছে। গবেষকরা আরও বলেন, মানবদেহের ইমোনো কোষগুলোকে উদ্দীপ্ত করে ম্যাক্রোফেজেস। হলুদে থাকা ‘কারকামিন’ উপাদান রয়েছে যা মাইকোব্যাকটেরিয়াম যক্ষ্মা দূর করে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো স্কুল অব মেডিসিনের অধ্যাপক এবং গবেষণার প্রধান লেখক জিউয়ান বাই বলেন, আমাদের গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে, হলুদে থাকা কারকামিন মানবকোষে মাইকোব্যাকটেরিয়াম যক্ষ্মার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। যক্ষ্মা প্রতিরোধে কারকামিনের প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। এর যদি সত্যতা প্রমাণিত হয় তাহলে যক্ষ্মা নির্মূলে কারকামিন আদর্শ চিকিৎসা হতে পারে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
শরীরে পানির ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46273 Hazarika46273Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:49:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কপানির অপর নাম জীবন। প্রয়োজনীয় পানির অভাবে শরীরে নানা রোগ-বালাই বাসা বাঁধতে পারে। আমরা কাজের চাপে বেমালুম ভুলে যাই পানি পানের কথা। এতে আস্তে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031351.jpg
শরীরে পানির ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে
শরীরে পানির ঘাটতি বুঝবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য ডেস্কপানির অপর নাম জীবন। প্রয়োজনীয় পানির অভাবে শরীরে নানা রোগ-বালাই বাসা বাঁধতে পারে। আমরা কাজের চাপে বেমালুম ভুলে যাই পানি পানের কথা। এতে আস্তে আস্তে শরীরের দেখা দিতে পারে পানির অভাব। তবে কিছু লক্ষণ আছে যা দেখে সহজেই বুঝতে পারবেন পানির ঘাটতির কথা। আসুন জেনে নিই সেই লক্ষণগুলো-
১. মূত্রের রং ও পরিমাণ: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৭ বার মূত্রত্যাগ হওয়া উচিত। মূত্রত্যাগের পরিমাণ যদি এর কম হয়, তাহলে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে । সেইসঙ্গে মূত্রের রংও বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির ঘাটতি। মূত্রের রং যদি হলদেটে বা গাঢ? হলুদ হয়, তাহলে অবিলম্বে পানি খাওয়া উচিত।
২. শুষ্ক ত্বক: শুকনো খসখসে চামড়া বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির প্রয়োজন।
৩. মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা: শরীরে পানির অভাবে মাথাব্যথা হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, মাথা নিচু করে কিছু তোলার ক্ষেত্রে মাথা ঘোরে।
৪. জিভ শুকিয়ে যাওয়া: শরীরে পানির অভাবে জিভ শুকিয়ে যেতে পারে। কারণ জিভে তখন প্রয়োজনীয় লালা ক্ষরণ হয় না। ফলে জড়িয়ে যেতে পারে কথাও।
৫. খিদে খিদে ভাব: খাওয়ার পরও খিদে পাচ্ছে। এর কারণ হতে পারে দেহে পানির অভাব।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর সহজ ৮টি উপায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46272 Hazarika46272Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:48:00 +0000 -Hazarika স্বাস্থ্য ডেস্কগলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে কি যে যন্ত্রণা হয় তা কেবল ভুক্তভোগিরাই বলতে পারেন। জীবনে চলার পথে এর শিকার হননি এরকম মানুষও হয়তো খুজেঁ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031308.jpg
গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর সহজ ৮টি উপায়
গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর সহজ ৮টি উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্কগলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে কি যে যন্ত্রণা হয় তা কেবল ভুক্তভোগিরাই বলতে পারেন। জীবনে চলার পথে এর শিকার হননি এরকম মানুষও হয়তো খুজেঁ পাওয়া মুশকিল। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে সবার মনে অসম্ভব অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। যা খুবই পীড়াদায়ক। তাই গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর উপায় সম্পর্কে আমাদের জ্ঞাত থাকা দরকার। নিচে গলা থেকে মাছের কাঁটা নামানোর সহজ ৮টি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো :
পানি পান করুন : গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে পানি পান করুন। পারলে হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করুন। এতে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নরম হয়ে নেমে যায়।
সাদা ভাত গিলুন: গলায় আটকা মাছের কাঁটা সাদা ভাত খেয়ে খুব সহজে নামানো যায়। এজন্য আপনাকে ভাতকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। এতে সহজে গলায় আটকা মাছের কাঁটা নেমে যাবে। মনে রাখবেন, শুধু ভাত খেলে কিন্তু কাঁটা নামবে না।
কলা খান: গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে পারলে চটজলদি একটি কলা খান। কলা খেতে খেতে কখন যে কাঁটা নেমে যাবে তা আপনি টেরও পাবেন না।
লেবু খান: গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে এক টুকরা লেবু নিন। তাতে একটু লবণ মাখিয়ে চুষে চুষে এর রস খান। দেখবেন কাঁটা নরম হয়ে নিমিষেই নেমে গেছে।
ভিনেগার খান: পানির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে পান করলে গলায় আটকা মাছের কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। এটি ঠিক লেবুর মতো কাজ করে।
অলিভ ওয়েল খান: গলায় কাঁটা বিঁধেছে? তাহলে মোটেই দেরি না করে একটু অলিভ অয়েল খান। এতে কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে।
কোকাকোলা পান করুন: গলায় আটকা কাঁটা নামানোর আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে কোকাকোলা। গলায় কাঁটা আটকার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস কোক পান করলে তা নরম হয়ে নেমে যায়।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: গলায় আটকা মাছের কাঁটা নামানোর সর্বাধিক কার্যকরী চিকিৎসা হচ্ছে হোমিওপ্যাথি। এজন্য আপনাকে নিকটস্থ ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এছাড়া শুকনো মুড়ি খেলেও সমাধান পাওয়া যায়।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
ছাগলনাইয়ায় পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46271 Hazarika46271Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:44:00 +0000 -Hazarika ফেনী প্রতিনিধি॥ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও পেনশনসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের দাবীতে ছাগলনাইয়ায় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণ দিবসকর্মবিরতি পালন করছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031084.jpg
ছাগলনাইয়ায় পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি
ছাগলনাইয়ায় পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি

ফেনী প্রতিনিধি॥ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও পেনশনসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের দাবীতে ছাগলনাইয়ায় পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ণ দিবস
কর্মবিরতি পালন করছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১ম দিন ছাগলনাইয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশনের উদ্যোগে সোমবার (১৫ জানুয়ারী) সকালে পৌর মিলনায়তনের সামনে কর্মবিরতি পালনে অংশ নেয় এসোসিয়েশনের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন বুলি, পৌর সচিব আবদুল হাই, কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান, এনায়েত উল্যাহ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
আ.লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46270 Hazarika46270Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:44:00 +0000 -Hazarika জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুই সদস্যকে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031046.jpg
আ.লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল
আ.লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুই সদস্যকে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগের একাংশ। পরে এক সমাবেশে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
শনিবার জেলা আওয়ামী লীগের এক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্বপুরুষদের স্বাধীনতাবিরোধিতার অভিযোগ তুলে তিনজনকে বহিষ্কার করা হয়। এ অভিযোগে জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান, সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস এবং শওকত হাবিব লজিককে বহিষ্কার করে জেলা কমিটি। এরই প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট শহরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম সোলায়মান আলীর বিরুদ্ধে ঝাড়– মিছিল বের করে জেলা আওয়ামী লীগের একাংশ। পরে জয়পুরহাট শহরের জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগ নেতা ও বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান বেদারুল ইসলাম বেদিন, আওয়ামী মহিলালীগ সভানেত্রী রেবেকা সুলতানা, যুবলীগ সভাপতি সুমন কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক রাছেল মিলন দেওয়ান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি এ ই এম মাসুদ রেজা, জেলা শ্রমিকলীগ সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন সাবু প্রমুখ। বহিষ্কৃত নেতা মিনফুজুর রহমান জানান, সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, এতে দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল ও শান্তি কমিটি কিংবা রাজাকারের কোন বংশধর আওয়ামী লীগে থাকতে পারবেন না বা নৌকা প্রতীক পাবেন না। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনুমোদনের জন্য অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে যা করার কেন্দ্রীয় কমিটিই করবে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ৩ শিক্ষকসহ আহত ১১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46269 Hazarika46269Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:43:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন শিক্ষক ও আট শিক্ষার্থীসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। রবিবার http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516031016.jpg
খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ৩ শিক্ষকসহ আহত ১১
খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ৩ শিক্ষকসহ আহত ১১

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় তিন শিক্ষক ও আট শিক্ষার্থীসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে খেলা শেষে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সহযোগী ও সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্যাহ আল মারুফ, প্রভাষক জিহাদ আহমেদ, শিক্ষার্থী আলমগীর, শান্ত, কিবরিয়া, তারেক, আশিকুর রহমান এবং ফিন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের মেহেদি হাসান, মারুফ ও রিফাত। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ এবং ফিন্যান্স বিভাগের মধ্যে আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার সেমি ফাইনাল খেলা চলছিল। খেলায় ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ জিতে যাওয়ায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা উল্লাসে মেতে ওঠে। এ সময় দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরকে কটাক্ষ করে কথা বলাবলি করছিল। পরে শিক্ষকরা মাঠ থেকে বের হয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ফিন্যান্স বিভাগের রিফাতসহ কয়েকজন ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল্যাহ আল মারুফ ও প্রভাষক জিহাদ আহমেদ আহত হন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46268 Hazarika46268Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:43:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দৈখাওয়া সীমান্তে গুলিতে শফিকুল ইসলাম (২৬) নামে এক বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516030970.jpg
সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ
সীমান্তে গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বিএসএফের দুঃখ প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার॥ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দৈখাওয়া সীমান্তে গুলিতে শফিকুল ইসলাম (২৬) নামে এক বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল গোলাম মোর্শেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিহত শফিকুল ইসলামের মরদেহ রবিবার রাতেই হাতীবান্ধা থানা পুলিশের নিকট কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থানা পুলিশ হস্তান্তর করেছে। সীমান্তে হত্যার ঘটনায় বিএসএফ দুঃখপ্রকাশ করেছে। ভারতীয় বিএসএফের টহল দলের এক সদস্যের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনায় আত্মরক্ষার্থে এই ঘটনা ঘটেছে বলে পতাকা বৈঠকে বিএসএফ দাবি করেছে। তবে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে কোনও বাংলাদেশি যাতে সীমান্তে না যায় কিংবা সীমান্তে অনুপ্রবেশ না করে এজন্য বিজিবির পক্ষ থেকে সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে।’ শনিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দৈখাওয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে শফিকুল ইসলাম (২৬) নামে নিহত বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে এ ঘটনার ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসএফ। তবে ভবিষ্যতে রাতে কেউ যেন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করে কিংবা তারকাটার বেড়া না কাটে সেজন্য বিজিবির নিকট অনুরোধ জানিয়েছে বিএসএফ। পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল গোলাম মোর্শেদ, উপ-পরিচালক মেজর জিয়া মো. মাসুম বিন কুদ্দুস উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার-১০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল অবিনাশ রঞ্জন, উপ-পরিচালক মেজর হিমাংশু গৌড়।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
সিংড়াকে নিরাপদ শহর গড়তে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46267 Hazarika46267Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:42:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সিংড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন থেকে মাদক, জুয়াসহ সকল প্রকার অপরাধমুক্ত করে নিরাপদ শহর গড়তে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516030939.jpg
সিংড়াকে নিরাপদ শহর গড়তে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে
সিংড়াকে নিরাপদ শহর গড়তে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার॥ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সিংড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন থেকে মাদক, জুয়াসহ সকল প্রকার অপরাধমুক্ত করে নিরাপদ শহর গড়তে হবে। আর এজন্য সকল প্রকার অপরাধ দমনে প্রশাসনকে প্রয়োজনে আরো কঠোর হতে হবে। কারণ তরুণদের প্রধান শত্রু মাদক ও জুয়া। রবিবার নাটোরের সিংড়ায় উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা কৃষি অফিস হলরুমে ইউএনও সন্দ্বীপ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শামীম হোসেন, সিংড়া থানার তদন্ত পুলিশ পরিদর্শক নেয়ামুল আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমজাদ হোসেনসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
দেড় লাখ টাকা হলেই সুস্থ হয়ে যাবেন লেদু মিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46266 Hazarika46266Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:41:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ শিশু বয়সে গাছ থেকে পড়ে আঘাত পাবার পরও কাজ করতে হয়েছে প্রতিদিন। বিধবা মাকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে টিকতে ব্যথা তাড়াতে খাওয়া হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516030903.jpg
দেড় লাখ টাকা হলেই সুস্থ হয়ে যাবেন লেদু মিয়া
দেড় লাখ টাকা হলেই সুস্থ হয়ে যাবেন লেদু মিয়া

স্টাফ রিপোর্টার॥ শিশু বয়সে গাছ থেকে পড়ে আঘাত পাবার পরও কাজ করতে হয়েছে প্রতিদিন। বিধবা মাকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে টিকতে ব্যথা তাড়াতে খাওয়া হয়েছে একের পর এক এন্টিবায়োটিক। অতিরিক্ত ব্যথার ওষুধ খেতে গিয়ে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে গেছে কোমরের দুটি হিপ জয়েন্ট। তাই টগবগে যুবক বয়সেও লোহার এঙ্গেলে ভর করেই তার পথচলা। চিকিৎসকদের দেখানো কৃত্রিম হিপ জয়েন্ট স্বাভাবিকভাবে চলার স্বপ্ন দেখাচ্ছে তাকে। ইতোমধ্যে পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে লাগানো হয়েছে বাম পায়ের কৃত্রিম হিপ জয়েন্ট। দেশ বিদেশের হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতায় বিগত মাস ছয়েক আগে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয়ে এটি সম্ভব হয়। কিন্তু অপর হিপ জয়েন্টটি লাগাতে গিয়ে টাকার অভাবে বিগত ২৫ দিন ধরে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (পঙ্গু হাসপাতালে) অসহায় দিন কাটাচ্ছে তরুণটি।
দ্বিতীয় অপারেশনে তার প্রয়োজন আড়াই লাখ টাকা। নানা সহায়তায় এক লাখ টাকা হাতে এলেও বাকি দেড় লাখ টাকা যোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। তাই সমাজের বিত্তবানদের কাছে তার স্বাভাবিক পথ চলায় সহায়তা করতে অনুরোধ করেছেন তিনি।
বলছিলাম কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব পোকখালীর পিতৃহীন মো. লেদু মিয়ার (৩০) কথা। চাল-চুলোহীন লেদু মিয়া মৃত জাফর আলম ও বিধবা আনচারু বেগমের একমাত্র ছেলে। তিনি বর্তমানে ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের ৩য় তলায় ইএফপি ৬০ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছেন।
তিন সন্তানের জনক লেদু মিয়া জানান, জন্মের দু’বছরের মাথায় বাবাকে হারিয়ে প্রাইমারির গন্ডিটাই পার হওয়া সম্ভব হয়নি। বিধবা মাকে নিয়ে শিশু বয়সেই বাড়ি-ভিটাহীন জীবন যুদ্ধে নামতে হয়। এলাকায় অন্যের বাড়িতে নারকেল পারতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে আঘাত পায় ৭-৮ বছর বয়সে। তৎক্ষণাত তেমন ব্যথা অনুভূত না হলেও ধীরে ধীরে এটি বাড়তে থাকে। ভারি কাজ করা কষ্ট কর হওয়ায় চাকরি নেয়া হয় একটি দোকানে। মাকে সেবা করতে বউ আনার পর পুরোনো ব্যথাটি তীব্র হয়। দোকানে হিসাবের কাজ করতে গিয়ে বসে থাকা ও ব্যথানাশক এন্টিবায়োটিক খেতে গিয়ে শুকিয়ে বিকল হয়ে যায় হিপ জয়েন্ট দুটি। সমস্যা দেখা দেয় লিভার এবং কিডনিতেও। এটি বিগত ১০ বছর আগের ঘটনা। স্বাভাবিক চলাফেরা কষ্টকর হওয়ায় ছেড়ে দিতে হয় চাকরিটি। তিনি জানান, তখন থেকেই ক্র্যাচে ভর করে চলে হাটা-চলা। নানা প্রচারণার মাইকিং, অন্যের অনুগ্রহের উপর চলছে স্ত্রী, তিন সন্তান ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে চলমান সংসারটি। একসময় নিজ আয়ের উপর নির্ভর করে চলা জীবনে অন্যের অনুগ্রহ নেয়া খুবই বেদনাদায়ক। তাই নিজের উপর নির্ভরশীল হতে সবার সহযোগিতায় কৃত্রিম হিপ জয়েন্টগুলো লাগাতে চাচ্ছি। গত রমজানে সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন বলেই বাম পায়ে হিপ জয়েন্ট সফলভাবে বসানো সম্ভব হয়েছে।
একযুগ আগেও কর্মঠ তরুণ হিসেবে চাকরি করা লেদু মিয়া বলেন, এখন ডান পায়ের অপারেশনে প্রায় ২ লাখ টাকার দরকার। কিন্তু হতদরিদ্র বাড়ি-ভিটেহীন হিসেবে একার পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে এক লাখ টাকা যোগাড় হলেও বাকি আছে আর মাত্র দেড় লাখ টাকা। তাই সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি ও প্রবাসি ভাইয়েরা ইচ্ছে করলে আমার পঙ্গুত্বের অবসান হতে পারে। তাই শেষবারের মতো অন্যের অনুগ্রহ কামনা করেন লেদু মিয়া।
পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ বলেন, লেদু মিয়া এতিম ও ভূমিহীন। কিন্তু ছেলে হিসেবে সৎ। গত জুনমাসে সবার সহযোগিতায় বাম পায়ে কৃত্রিম হিপ জয়েন্ট লাগানো হয়েছে। স্বাভাবিকতা ফেরাতে ডান পায়ের অপারেশন করাতে আবারও ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। আমরা আমাদের সাধ্যমতো সহযোগিতা দিয়েছি। সবাই সবার স্থান থেকে এগিয়ে এলে তার জীবনটা দ্রুত একটা গতি পাবে বলে আমার বিশ্বাস। লেদু মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে এই ০১৮১২৯৫১৪৫০ নম্বরে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
আখাউড়ায় ফেনসিডিল কারখানার সন্ধান, আটক ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46265 Hazarika46265Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:41:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে একটি বাড়ি থেকে ফেনসিডিল তৈরির সরঞ্জামসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। রোববার সকালে পুলিশ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516030863.jpg
আখাউড়ায় ফেনসিডিল কারখানার সন্ধান, আটক ৩
আখাউড়ায় ফেনসিডিল কারখানার সন্ধান, আটক ৩

স্টাফ রিপোর্টার॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে একটি বাড়ি থেকে ফেনসিডিল তৈরির সরঞ্জামসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। রোববার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল ভর্তি বোতল ও ফেনসিডিলের খালি বোতলসহ ড্রাম ভর্তি লিকুয়িট ফেনসিডিল উদ্ধার করে।আখাউড়া থানার এএসআই সেলিম জানান, রবিবার সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামে মাদক মামলার অভিযুক্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এসময় গোপন সংবাদে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী লিয়াকত, টিটু এবং আবু বকরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ড্রামে ভর্তি চার লিটার লিকুয়িট ফেনসিডিলসহ ২৬ বোতল ফেনসিডিল, ৬০টি খালি ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের বরাত দিয়ে এএসআই সেলিম জানান, ওই গ্রামের একটি বদ্ধ ঘরের ভেতর থেকে ফেনসিডিল তৈরির সরঞ্জাম, ফেনসিডিলের খালি বোতল, কাঁচামাল (ড্রামে রক্ষিত ফেনসিডিল) ও বোতলে ভরা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, এগুলো নকল ফেনসিডিল তৈরিতে ব্যবহার করা হতো।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
৭০ অনুচ্ছেদ: হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46263 Hazarika46263Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:24:00 +0000 -Hazarika সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল বিষয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনে বিভক্ত আদেশ দিয়েছে হাইকোর্টের একটি http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029841.jpg
৭০ অনুচ্ছেদ: হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ
৭০ অনুচ্ছেদ: হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ

সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল বিষয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনে বিভক্ত আদেশ দিয়েছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। একজন বিচারক আবেদনটি খারিজ করে দিলেও অন্যে একজন বিচারক এ বিষয়ে স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও আইন সচিবের প্রতি রুল জারি করেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন এই বিধানটি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।
সোমবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে আবেদনটি নিয়ে শুনানি হয়। দুই বিচারকের মধ্যে জ্যেষ্ঠ মইনুল ইসলাম চৌধুরী রুল দিয়ে জানতে চান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না। তবে কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনা দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয় আসার পর তিনি যদি দল থেকে পদত্যাগ করেন, বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে তার আসন শূন্য হবে। তবে তিনি এ কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হওয়ার অযোগ্য হবেন না। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সময়ই এই বিধানটি সংযুক্ত করা হয়। ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল এই ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। আজ আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী নিজেই। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। ইউনুছ আলী বলেন, নিয়মানুযায়ী রিট আবেদনটি এখন প্রধান বিচারপতি নিকট যাবে। তিনি এটি নিষ্পত্তির জন্য তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে দেবেন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: বৈঠকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46262 Hazarika46262Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:23:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বৈঠকে বসেছে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ। সোমবার সকাল নয়টায় মিয়ানমারের নেপিডোতে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029805.jpg
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: বৈঠকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: বৈঠকে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ

স্টাফ রিপোর্টার॥ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বৈঠকে বসেছে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ। সোমবার সকাল নয়টায় মিয়ানমারের নেপিডোতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে রবিবার ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল নেপিডোতে পৌঁছায়। পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে এই কমিটিতে রয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক, শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম, সশস্ত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মনিরুল ইসলাম আখন্দ, সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তৌহিদ-উল-ইসলাম, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কমডোর মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. খলিলুর রহমানসহ আরও ছয়জন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, শুরুতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার। অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার প্রক্রিয়ায় তাড়াহুড়া করতে চায় না বাংলাদেশ।
রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী মুসলিম রোহিঙ্গাদেরকে নিজের নাগরিক বলে স্বীকার করে না মিয়ানমার। এক সময় তাদের নাগরিক অধিকার থাকলেও তা বাতিল করা হয় ১৯৮২ সালে। মিয়ানমারের দাবি, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি এবং তাদেরকে বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।
ওই বছর থেকেই নানা সময় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী এবং নানা সময় বাংলাদেশে প্রাণ বাঁচাতে এসেছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। এদেরকে ফিরিয়ে নিতে বারবার আলোচনা হলেও মিয়ানমার সেই উদ্যোগ নেয়নি।
গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি পুলিশি চেকপোস্টে হামলার জেরে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশের দিকে ছুটে আসে রোহিঙ্গারা। আর মানবিক কারণে সীমান্ত খুলে দেয় বাংলাদেশ। এরপর দুই মাসে ছয় থেকে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সব মিলিয়ে এখন বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে বলে সরকারের তথ্য বলছে।
রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে অস্থায়ী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশ এই বিষয়টি এবার জাতিসংঘে তুলে ধরেছে বেশ জোরালভাবে। সাধারণ অধিবেশনের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার নির্যাতনের কথা তুলে ধরে তাদেরকে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চান।
এরপর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ ও তাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হয়েছে জাতিসংঘে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চেষ্টার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যায় ঢাকা।
নানা আলোচনা-সমালোচনার পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসানের বিষয়ে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর দুই দেশের মধ্যে গঠন করা হয়েছে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ। তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন ও এর টার্মস অব রেফারেন্সের সম্মতিপত্রে সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সম্মতিপত্রে সই করেছিলেন পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক এবং মিয়ানমারের পক্ষে দেশটির পার্মানেন্ট সেক্রেটারি মিন্ট থো। দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সইয়ে বলেছেন, শিগগির এই কমিটি কাজ শুরু করবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কমিটিতে দুই দেশের ১৫ জন করে মোট ৩০ জন কর্মকর্তা থাকবেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সদস্য এবং কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকও থাকবেন।
বৈঠকের আলোচনা অনুযায়ী, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কোন প্রক্রিয়ায় শুরু হবে, সেটি নির্ধারণ করবে এই ওয়ার্কিং গ্রুপ। ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই কাঠামো তৈরি হয়ে যাবে বলে আশা করছে দুই পক্ষ। এরপরই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হবে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
ফুটপাত দখলে শক্তিশালী সিন্ডিকেট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46261 Hazarika46261Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:22:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের চলাচল রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা ফার্মগেটে। গুলিস্তানের পরই সবচেয়ে বেশি মানুষের পদচারণা থাকে সেখানে। দিন রাতের সবসময়ই গিজগিজ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029763.jpg
ফুটপাত দখলে শক্তিশালী সিন্ডিকেট
ফুটপাত দখলে শক্তিশালী সিন্ডিকেট

স্টাফ রিপোর্টার॥ নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের চলাচল রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা ফার্মগেটে। গুলিস্তানের পরই সবচেয়ে বেশি মানুষের পদচারণা থাকে সেখানে। দিন রাতের সবসময়ই গিজগিজ করে মানুষ। যে ফার্মগেটে এত পথচারী অথচ সেখানে ফুটপাত ধরে হেঁটে চলাচল করার কোনো সুব্যবস্থা নেই। দখলদারিত্ব থেকে মুক্তি পাচ্ছে না ফার্মগেটের ফুটপাতগুলো। পুরো ফুটপাতজুড়েই গিজগিজ করছে দোকান। পথচারীদের হাঁটার জায়গা দখল করে নানা রকমের বাজার সাজিয়ে রেখেছে অবৈধ দখলদার। ফুটপাত দিয়ে হাঁটার মতো পরিস্থিতি নেই সেখানে। তাই বাধ্য হয়ে পথচারীরা নেমে এসেছেন মূল সড়কে। যে কারণে যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। সেই সঙ্গে তো থাকছে পথচারীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকাজুড়ে ফুটপাতে দোকানের আধিক্য অসহনীয়। ফুটপাতগুলো হকাররা দখল করে ব্যবসা করলেও এর নেপথ্যে আছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। রাজধানীর হকাররাও এসব সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। প্রতিদিনই চলছে মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজি। কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারণে তাদের এ আধিপত্য। যে কারণে বারবার উচ্ছেদ করার পরও দখলমুক্ত করা যাচ্ছে না ফুটপাতগুলো। ফুটপাত দখল করা হকারদের কোনোভাবেই ঠেকাতে পারছে না ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার তেজগাঁও কলেজের সামনের মূল সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাফিয়া খাতুন। পেছনেই সিএনজি অটোরিকশাচালক হর্ন বাজিয়ে বলছিলেন' আপা একটু সাইড দিয়ে হেঁটে যান'। চালকের কথা শুনে রাফিয়া খাতুন বলছেন 'কোথায় যাব? ফুটপাতে দোকান, রাস্তায় গাড়ি, বিপাকে আমাদের মতো পথচারী'। কথা হয় রাফিয়া খাতুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, পুরো ফার্মগেটেই ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার কোনো পরিস্থিতি নেই। সবগুলো ফুটপাতে অতিরিক্ত দোকান, তার মধ্যে মানুষের হেঁটে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এত ভিড় থাকে যেখানে পুরুষ মানুষই হাঁটতে পারে না আর আমরা মেয়ে মানুষ কীভাবে হাঁটব?
পথচারীদের চলাচলের জন্য থাকা ফুটপাতে কেন আপনাদের দোকান এমন প্রশ্নের জবাবে ফার্মগেটের ফুটপাতের দোকানি মোস্তাক আহমেদ বলেন, টাকা দিয়ে দোকান বসাইছি, আবার প্রতিদিন চাঁদাও দিতে হয়। মানুষও হাঁটুক আমাদেরও ব্যবসা হোক। ফুটপাতে দোকান না বসালে কই যামু, বাজারে দোকানঘর নেয়ার মতো তো পুঁজি নাই। তাই প্রতিদিন লাইনম্যানকে টাকা দিয়ে দোকান চালাই।
ফার্মগেটে ফুটপাতে শীতের কাপড়ের দোকান দিয়েছেন রবিউল ইসলাম। সাত বছর ধরে এখানে দোকান চালান তিনি। আলাপকালে রবিউল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান করি। মৌসুম বুঝে বিভিন্ন ব্যবসা করি। ব্যবসার খাতিরে দোকান চালাতে গিয়ে অনেকবার উচ্ছেদ হয়েছি কিন্তু আবার ফিরে এসেছি। নগদ টাকা লাইনম্যানকে দিয়ে ব্যবসা করে টিকে আছি। তিনি বলেন, ফুটপাত আসলে মানুষের হাঁটার জন্য কিন্তু আমরা এখানে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে খাচ্ছি। আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। কারণ এখানে অনেক শক্তিশালী সিন্ডিকেট আছে যারা প্রতিদিন চাঁদা নেয়। যে কারণে বারবার উচ্ছেদ অভিযানের পরও আমরা ফিরে এসে আবার দোকান নিয়ে বসতে পারি। যারা দখল করে রেখেছে তাদের কাছে আপনারা কিছুই না।
হকার সূত্রে জানা গেছে, শার্ট, প্যান্টের ছোট দোকানের জন্য প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আর জুতা ও আরেকটু বড় দোকানের জন্য ২০০ থেকে ২৫০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয় তাদের। কিন্তু এসব টাকা মূলত কাদের হাতে যাচ্ছে এর উত্তর দিতে নারাজ তারা। তাদের ভাষায় তারা শুধু লাইনম্যানকেই চেনে যারা এসে প্রতিদিন টাকা নিয়ে যায়।
ফার্মগেটে ফুটপাতে পথচারীদের চলাচলের কোনো পরিস্থিতি নেই, পুরো এলাকা হকারদের দখলে এসব বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল ৫ এর নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অজিয়র রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনিবলেন, পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আমরা খুবই তৎপর। যে কারণে মাঝে মধ্যেই এ এলাকায় আমরা অভিযান পরিচালনা করি। যেহেতু এগুলো স্থায়ী দোকান না সে কারণে আমাদের অভিযানের সময় তারা সবকিছু গুটিয়ে নিয়ে পালায়, আবার এসে বসে। তাই সবসময় আমরা মনিটরিং করতে পারি না। তবে এ বিষয়ে আমরা কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছি, আশা করি আগামীতে পথচারীদের চলাচলের ফুটপাত আর দখলে থাকবে না। খুব শিগগিরই আমরা এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেব।
পরিবেশবীদের মতে, হাঁটার নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশ না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের মধ্যে পথচারীদের সংখ্যাই বেশি। অপর্যাপ্ত ও হাঁটার অনুপযোগী ফুটপাত এবং রাস্তা পারাপারের তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পথচারীদের আগ্রহ থাকার পরও তারা হাঁটতে পারছেন না। পথচারীদের হাঁটার পরিবেশ না থাকায় বাধ্য হয়ে তাদের মূল রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু ৩০ অক্টোবর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46260 Hazarika46260Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:22:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ চলতি বছরের শেষে বা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029723.jpg
একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু ৩০ অক্টোবর
একাদশ সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু ৩০ অক্টোবর

স্টাফ রিপোর্টার॥ চলতি বছরের শেষে বা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রাখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। তাই ডিসেম্বরের শেষের দিকে অথবা ২০১৯ সালের প্রথম দিকে যে কোনো দিন একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলই অংশগ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইসি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে হবে না। ছিটমহল, নদীভাঙন ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৬০/৭০টি আসনে সীমানা পুনর্র্নিধারণ হতে পারে।
নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, আর বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সহায়ক সরকার গঠনের আসলে কি পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা রাজনৈতিক বিষয়। নির্বাচন কমিশনের এ বিষয়ে মন্তব্য করার সুযোগ নেই। সব দলের সঙ্গে সংলাপ হয়ে গেছে। সব দলই নির্বাচনে অংশ নেবে বলে তিনি আশাবাদী।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল টাইগাররা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46259 Hazarika46259Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:21:00 +0000 -Hazarika ক্রীড়া প্রতিবেদক॥ গ্রায়েম ক্রেমারের বলটা শর্ট লেগে পাঠিয়ে এক রান নিলেন মুশফিকুর রহিম, জয় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। তবে জয়ের উচ্ছ্বাসটা তেমন ছুঁতে দেখা গেল http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029685.jpg
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল টাইগাররা
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল টাইগাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক॥ গ্রায়েম ক্রেমারের বলটা শর্ট লেগে পাঠিয়ে এক রান নিলেন মুশফিকুর রহিম, জয় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। তবে জয়ের উচ্ছ্বাসটা তেমন ছুঁতে দেখা গেল না টাইগারদের। ফেবারিট হিসেবে শুরু করা ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় তো প্রত্যাশিতই ছিল! তারপরও শঙ্কা যে একেবারে ছিল না, তা নয়। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে অধ্যায় শেষে খালেদ মাহমুদ সুজনের অধীনে যাত্রাটা কেমন হবে? কোচ হারানোর বেদনায় মুষড়ে পড়বে না তো টাইগাররা? জিম্বাবুয়েও কি ঘরের মাঠের মাশরাফিদের বিপক্ষে একটু সুযোগ নিতে চাইবে? শেষতক এসব শঙ্কা-উৎকন্ঠাকে একেবারে পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে আদতে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজনের শুরুটা হলো দুর্দান্ত, হাথুরু-বিষাদে না পুড়ে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় এখন প্রত্যাশিত। তবে বাংলাদেশ যেমন দাপটে খেলেছে, সেটা দুই দলের পার্থক্য বুঝিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট ছিল। শিশিরভেজা আবহাওয়ায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে রীতিমত ছেলে-খেলা করেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচটি তারা জিতেছে ১২৯ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে।
বাংলাদেশের এই বড় জয়ের কারিগর বলা যায় দু'জনকে-দুই বন্ধু তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসান। সাকিব তো বল হাতে ঘূর্ণি বিষ ছড়ানোর পর পছন্দের পজিশন তিন নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৭ রানের একটি ইনিংসও খেলে দিয়েছেন। স্বভাবতই ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না, ১৭১ রানের। তবে হিমশীতল আবহাওয়ায় এই লক্ষ্যটাও কঠিন হয়ে যেতে পারে, এমন শঙ্কা ছিল। তবে সেই শঙ্কাকে চড়ে বসতে দিলেন না তামিম। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৯তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেন, দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই মাঠ ছাড়লেন।
মাঠ ছাড়ার সময় তামিম অপরাজিত ছিলেন ৮৪ রানে। বাঁহাতি এই ওপেনারের ইনিংসটি ছিল ৯৪ বলের, যাতে ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কা। সাকিব আউট হওয়ার পর শেষ সময়টায় তামিমকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। টাইগার উইকেটরক্ষক অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।
উদ্বোধনী জুটিতে তামিম আর দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এনামুল হক বিজয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। ৪ ওভারে ৩০ রান তুলেন এই যুগল। এরপরই আঘাত সিকান্দার রাজার। চড়াও হয়ে খেলতে গিয়ে লেগ সাইডে উঠিয়ে মেরেছিলেন বিজয়। বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি তালুবন্দী করতে ভুল করেননি শন আরভিন। ১৪ বলে গড়া তার ১৯ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি বাউন্ডারি।
এরপর তামিম ইকবালকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ রানের দারুণ এক জুটিতেই দলকে জয়ের রাস্তা চিনিয়ে দিয়েছেন সাকিব। হাফসেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় সিকান্দার রাজার একটি ডেলিভারি আঘাত হানে তার প্যাডে।
শুরুতে আম্পায়ার শামসুদ্দীন অবশ্য আউট দেননি। জিম্বাবুয়ে রিভিউ নিতে ভুল করেনি। তাতেই কপাল পুড়েছে সাকিবের। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আঘাত করেছে তার লেগ স্ট্যাম্পে। ৩৭ রানের ইনিংসটিতে সাকিব বল মোকাবেলা করেছেন ৪৬টি, বাউন্ডারি ৫টি।
এর আগে ৪৯ ওভার ব্যাটিং করলেও বাংলাদেশি বোলারদের তোপে ১৭০ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন সিকান্দার রাজা। পিটার মুর ৩৩ আর ব্রেন্ডন টেলর করেন ২৪ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪৩ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২টি করে উইকেট মোস্তাফিজুর রহমান আর রুবেল হোসেনের। মাশরাফি আর সানজামুল ইসলামও পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
২৯তম সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্রলীগে উত্তাপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46258 Hazarika46258Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:20:00 +0000 আবু রায়হান -Hazarika সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনকে নিয়ে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কমিটি চলছে দুই বছর পাঁচ মাস। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এর মেয়াদ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029618.jpg
২৯তম সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্রলীগে উত্তাপ
২৯তম সম্মেলনকে ঘিরে ছাত্রলীগে উত্তাপ

সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনকে নিয়ে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কমিটি চলছে দুই বছর পাঁচ মাস। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পাঁচ মাস পরে নতুন করে ২৯তম জাতীয় সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তাছাড়া আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই সম্মেলন করার ইচ্ছা পোষণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের এমন ঘোষণার পরই শুরু হয়েছে পদ প্রত্যাশী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ। আওয়ামী লীগের এ ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে কারা আসবেন তা নিয়েও চলছে নানা আলোচনা। ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মী বলেন, বর্তমানের এ কমিটিকে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের মুখোমুখি হতে হয়নি। তাই আগামী নির্বাচনের কঠিন সময়কে সামনে রেখে যোগ্য, পরীক্ষিত, ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। নেত্রীর কাছে এমনটিই প্রত্যাশা তাঁদের। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যেতে আগ্রহী নেতাকর্মীর সংখ্যা অনেক। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংগঠনটির শীর্ষ দুই পদ পেতে বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মেহেদি হাসান রনি, আল আমিন, রুহুল আমিন, সোহান খান, চৈতালী হালদার চৈতি, জাহাঙ্গির আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, সায়েম খান ও শাহিদুল ইসলাম শাহেদ, সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে সৈকতুজ্জামান সৈকত, আশিকুল পাঠান সেতু, দারুস সালাম শাকিল, মশিউর রহমান শরিফ, বি এম এহতেশাম ও শেখ জসিম উদ্দিন প্রমুখ প্রার্থী হতে পারেন।
এ ছাড়া বর্তমান কমিটির শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, আইন সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়, প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক ইয়াজ আল রিয়াজ, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন, পরিবেশ সম্পাদক এ বি এম হাবিবুল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক চিন্ময় রায়, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শামিম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক বরকত হোসেন হালদার, উপআইনবিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ আগামী কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকতে চান।
বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনের একটা সম্ভাব্য দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে। কিন্তু এখনো নির্দিষ্ট সময় ঠিক হয়নি। সম্ভাব্য এ অল্প সময়ের মধ্যে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্মেলন করা সম্ভব। সম্মেলন সফল করার লক্ষে সংগঠন থেকে আমাদের যে দিক-নির্দেশনা দিবে তা আমরা দায়িত্বের সঙ্গে পালন করব।
বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মেহেদি হাসান রনি বলেন, ‘কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর ছাত্রলীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ ছাত্র সংগঠনের নতুন কমিটি দেওয়াটা এখন সময়ের দাবি। তা না হলে তৃণমূলে ক্ষোভ হতাশা আরো বাড়বে। নতুন কমিটি না হওয়ায় বিশৃঙ্খলা ও কোন্দল তৈরি হচ্ছে। তবে নতুন কমিটিতে সংস্কারপন্থী, অযোগ্য কেউ যেন স্থান না পায় সে ব্যাপারে তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
নতুন কমিটিতে পদ প্রত্যাশী একাধিক নেতাকর্মী জানান, বর্তমান কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় আমরা নানাভাবে নতুন কমিটির দাবি জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) নতুন কমিটির দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও হয়েছে। সংগঠনের স্থবিরতা কাটাতে এবং আগামী নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার জন্য কর্মীদের সক্রিয় করতে নতুন কমিটির কোনো বিকল্প নেই।
সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ১১ ধারার 'ক' উপধারা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ২৫১ সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে বলে উল্লেখ্য আছে। তবে ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল ২৭০ জনকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নেতা মনোনীত করা হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালের কমিটিতে ৩০১ জনকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এর বাইরেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও কলেজ কমিটি অনুমোদনের সময় শতাধিক কর্মীকে কেন্দ্রীয় নেতা করা হয়েছে। ফলে ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটিতে কেন্দ্রীয় নেতার সংখ্যা কত, তা সঠিকভাবে কেউ জানাতে পারেননি।
২০১৫ সালের ২৬ জুলাই ২৮তম সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পেয়েছিল ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের মেয়াদ দুই বছর। অথচ কমিটির প্রায় ২৯ মাস পার হলেও নতুন করে সম্মেলনের কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে ছাত্রলীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যথাসময়ে সম্মেলন দেওয়ার কথা বলেছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠতাবার্ষিকী উপলক্ষে গত ৬ জানুয়ারি শোভাযাত্রার আগের সমাবেশে আগামী মার্চ মাসের মধ্যে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতির কথা জানিয়ে ছাত্রলীগকেই এর তারিখ ঠিক করার কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘আগামী ৩১ মার্চ কেন্দ্রীয় সম্মেলন হবে। আগামীর নতুন কমিটিতে দক্ষ ও যোগ্য নেতারাই কমিটিতে আসবে বলে আশা করি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
মনোনয়ন পেলে দেশে ফিরবেন পলাতক কাইয়ুম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46257 Hazarika46257Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:18:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রতীক পেলে দেশে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029489.jpg
মনোনয়ন পেলে দেশে ফিরবেন পলাতক কাইয়ুম
মনোনয়ন পেলে দেশে ফিরবেন পলাতক কাইয়ুম

স্টাফ রিপোর্টার॥ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুম ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রতীক পেলে দেশে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন তার একজন অনুসারী।
রবিবার বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রির দিন কাইয়ুমের পক্ষে ফরম কেনেন ঢাকা উত্তর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু। আর তিনিই জানিয়েছেন, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে ধানের শীষ প্রতীক পেলে দেশে ফিরবেন কাইয়ুম। আঞ্জু বলেন, ‘তার (কাইয়ুম) প্রোফাইল দেখে বিবেচনা করবেন এমনটা আমাদের প্রত্যাশা। আর যদি দল মনোনয়ন দেয় তাহলে নিশ্চয়ই উনি দেশে আসবেন।’ তবে যদি কাইয়ুম মনোনয়ন না পান? আঞ্জু বলেন, ‘তিনি দলের প্রার্থীর জন্য দূরে বসে থেকেও কাজ করবেন।’ ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গুলশানে ইতালীয় নাগরিক তাভেল্লা সিজার হত্যা মামলায় নাম আসার আগে থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন এম এ কাইয়ুম। তিনি মালয়েশিয়ায় পালিয়ে গেছেন-এমন গুঞ্জন ছিল তখন থেকেই। কিন্তু নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। আর ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল ঢাকা মহানগরের উত্তর শাখার সভাপতি করা হয় কাইয়ুমকে। আর এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে কাইয়ুমকে সংবর্ধনা দেয় মালয়েশিয়া বিএনপি।
আত্মগোপন থেকে বের হয়ে এসে কাইয়ুম সেদিন বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে দূরে বসে দায়িত্ব পালন কোনো ঘটনাই না। আমার সঙ্গে প্রতিনিয়ত নেতাকর্মীদের যোগাযোগ হচ্ছে।’
তবে এতদিন ঢাকার রাজনীতিতে কাইয়ুমের কোনো প্রভাবের কথা শোনা যায়নি। আবার তিনি ঢাকার উত্তর অংশে ভোটে প্রার্থী হতে পারেন বলে এতদিন শোনাও যায়নি।
কীভাবে সাক্ষাৎকার দেবেন কাইয়ুম?
কাইয়ুমের সঙ্গে রবিবার ফরম কিনেছেন বিএনপির আরও চার নেতা। আর মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ সোমবার রাতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেবেন তিনি।
কিন্তু মালয়েশিয়ায় থাকা কাইয়ুমের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেবেন খালেদা জিয়া?
জানতে চাইলে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘সাক্ষাতকারে অবশ্যই প্রার্থীকে উপস্থিত থাকতে হবে। কিন্তু যদি সমস্যা হয় তাহলে তার প্রতিনিধি থাকতে পারবে সমস্যা নেই।’
দেশের বাইরে অবস্থান করায় কাইয়ুমের পক্ষে মনোনয়ন কেনা বজলুল বাসিত আঞ্জু বলেন, ‘কাইয়ুম ভাই নিজে উপস্থিত হতে পারবেন না। তবে দল তার প্রোফাইল তো জানে।’
আগামী ২৬ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন। বিএনপি থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন তাবিথ আউয়াল, আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান এবং শাকিল ওয়াহেদ। সোমবার রাতে এদের সাক্ষাতকার নিয়ে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
বাংলাদেশ বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46256 Hazarika46256Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:17:00 +0000 -Hazarika প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। সফররত http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029446.jpg
বাংলাদেশ বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থান
বাংলাদেশ বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের চমকপ্রদ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। সফররত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। খবর বাসসের। বৈঠকের শুরুতেই দুই নেতা নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় করেন বলে জানান প্রেস সচিব। প্রণব মুখার্জি তার অবসর সময় কাটানোর বৃত্তান্ত তুলে ধরে বলেন, বই পড়েই এখন তার সময় কাটছে। তিনি বলেন, ‘আমি জীবনের দীর্ঘ সময় রাজনীতি করেছি। ভারতের সংসদে এবং রাষ্ট্রপতির পদের মত সাংবিধানিক পদে ছিলাম। অবসর গ্রহণের পরে আমার অফুরন্ত সময় পড়ার জন্য।’ তিনি ২০১৩ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশে তার প্রথম বিদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে বলেন, তার সরকারের বিভিন্ন বাস্তবধর্মী পদক্ষেপের ফলে দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। গত বছরের বন্যার ফলে দেশের অর্থনীতি খানিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যু সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে প্রায় ১০ লাখ বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিককে আশ্রয় প্রদান করেছে। প্রণব মুখার্জির মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখার্জি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনের প্রধান প্রবেশ মুখে ফুলের তোড়া হাতে প্রণব মুখার্জিকে স্বাগত জানান। প্রণব মুখার্জি চার দিনের ব্যক্তিগত সফরে গতকাল রবিবার ঢাকা এসে পৌঁছান।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
অ্যাপে চলবে অ্যাম্বুলেন্স, অটোরিকশাও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46255 Hazarika46255Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:17:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজধানীতে অ্যাপভিত্তিক গাড়ি ভাড়ার সেবা প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল থেকে বাড়িয়ে মাইক্রোবাস, অটোরিকশা ও অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত নিয়ে যেতে চায় সরকার। সেই সঙ্গে গাড়ির সর্বোচ্চ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029408.jpg
অ্যাপে চলবে অ্যাম্বুলেন্স, অটোরিকশাও
অ্যাপে চলবে অ্যাম্বুলেন্স, অটোরিকশাও

স্টাফ রিপোর্টার॥ রাজধানীতে অ্যাপভিত্তিক গাড়ি ভাড়ার সেবা প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল থেকে বাড়িয়ে মাইক্রোবাস, অটোরিকশা ও অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত নিয়ে যেতে চায় সরকার। সেই সঙ্গে গাড়ির সর্বোচ্চ ভাড়াও নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে রাজধানীতে ট্যাক্সিক্যাবের যে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়ে বেশি ভাড়া নিতে পারবে না কেউ। তবে কম ভাড়া নেয়া যাবে। অবশ্য অ্যাপভিত্তিক সেবা দেয় যেসব প্রতিষ্ঠান, সেগুলোতে ভাড়া ট্যাক্সিক্যাবের চেয়ে অনেক কম ভাড়ায় সেবা দেয়। যেমন রাজধানীতে চলা উবারের ভাড়া প্রতি কিলোমিটার ১৮ থেকে ২১ টাকা। কিন্তু ক্যাবে এই ভাড়া ৩৫ টাকা। অ্যাপভিত্তিক গাড়িভাড়া সেবাকে বৈধতা দিতে রাইডিং শেয়ার নীতিমালা নামে একটি খসড়া অনুমোদন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম। তিনি জানান, অ্যাপভিত্তিক সেবাকে কিছু শর্ত মেনে গাড়ি চালাতে হবে। এক মালিকের একাধিক গাড়ি থাকবে না
এমনিতে ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়ায় চালানোর নিয়ম নেই। তবে অ্যাপভিত্তিক সেবার ক্ষেত্রে এই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রেও শর্ত আরোপ করা হয়েছে। কেউ একটির বেশি গাড়ি নামাতে পারবে না বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে।
আবার যাত্রী পরিবহন করা যানবাহনকেও ফি দিতে হবে। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটোরিকশার জন্য বছরে এক হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেলে ৫০০ টাকা দিতে হবে।
আবার রাজস্ব আদায় হবে কোম্পানির থেকেও। যারা এই সেবা দিতে চায়, তাদেরকে বিআরটিএ থেকে এক লাখ টাকা দিয়ে লাইসেন্স নিতে হবে, প্রতি বছরে নবায়ন করতে হবে ১০ হাজার টাকায়।
এর বাইরে কোম্পানির টিআইএন বা ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর ও ভ্যাট আইডেনটিফিকেশন নম্বর থাকতে হবে, নির্ধারিত অফিস থাকতে হবে, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ফিটনেস হালনাগাদ থাকতে হবে।
সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অধীনে ঢাকায় কমপক্ষে ১০০টি, চট্টগ্রামে ৫০টি ও অন্য এলাকায় ২০টি গাড়ি রাখার বাধ্যবাধকতাও আরোপ করা হচ্ছে।
এর বাইরে যেখোনে সেখানে যাত্রী উঠানামা করা যাবে না বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এসব শর্ত অমান্য হলে লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি মোটরযান আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, চালকের ছবি, নাম, মোটরযানের রেজিস্ট্রেশনের নম্বরসহ মোটরযানের অবস্থান যাত্রী সুস্পষ্টভাবে তার মোবাইল ফোনে দেখতে পাবেন। বর্তমানে যাত্রীরা শুধু চালকের ফোন নম্বর, নাম ও গাড়ির নম্বর দেখতে পারেন। চালকের ছবি দেখার সুযোগ নেই।
অ্যাপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, যাত্রীর ভ্রমণের শুরু থেকে সমাপ্তি, ভ্রমণের মোট সময় ও দূরত্ব, মোট ভাড়ার পরিমাণ কমপক্ষে তিন মাস সংরক্ষণ করতে হবে। যাত্রীর অভিযোগ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিআরটিএকে জানানোর ব্যবস্থা থাকছে নীতিমালায়।
শুরু থেকেই জনপ্রিয় অ্যাপভিত্তিক সেবা
রাজধানীতে সিএনজি অটোরিকশার নৈরাজ্যের মধ্যে প্রাইভেট কার বা মোটর সাইকেল ভাড়ায় কিছু অ্যাপভিত্তিক সেবা চালু হয়েছে। এতে অটোরিকশার নৈরাজ্য অনেকটাই কমে এসেছে। তবে পরিবহন আইনে অ্যাপের বিষয়টি উল্লেখ নেই। আবার ব্যক্তিগত যানবাহন ভাড়ায় চালানোর কোনো নিয়ম নেই। ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে গণপরিবহন সংকট নিরসনে মোবাইল ফোনে অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবাকে বৈধতা দেয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অ্যাপের মাধ্যমে মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহনের সুবিধা চালু করে 'স্যাম'। ২০১৬ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকায় একই প্রক্রিয়ায় গাড়ি ভাড়া দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান 'উবার'।
এই উদ্যোগ শুরুতেই জনপ্রিয়তা পেলেও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া বৈধ নয়। এসব সেবা বন্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পরে নগরবাসীর তীব্র সমালোচনার মুখে পিছু হটে বিআরটিএ। আর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের 'উবারের' মতো সেবাগুলোকে বৈধতা দেয়ার ঘোষণা দেন।
গত বছরের জুনে এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত অক্টোবরে এর প্রথম খসড়া তৈরি হয়। সরকারের ১৭টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মতামত সমন্বয় করে তা গত ১৪ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়।
অটোরিকশায় শৃঙ্খলা ফেরার আশা
বিশেষ করে উবার আর পাঠাওয়ের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকরা বেকায়দায় পড়েছেন। যাত্রীর ইচ্ছামফিক গন্তব্যে যাওয়ার পাশাফাশি ভাড়া নিয়ে বাদানুবাদ না হওয়ায় অ্যাপভিত্তিক সেবাকেই বেছে নিচ্ছে নগরবাসীর একটি বড় অংশ। আর এ কারণে অটোরিকশার চাহিদা কমেছে অনেকাংশেই। আর এর ফলে অটো চালকরা ভাড়া নিয়ে আগের মতো বাদানুবাদে জড়াতে পারছেন না।
অটোরিকশাও ভাড়া চলবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে মালিক পক্ষ থেকে। আর এই নীতিমালার জন্য অপেক্ষা করার কথা জানিয়েছিলেন তারা। নীতিমালা অনুযায়ী অটোরিকশাকে এই সেবায় আনতে হলে সেবাদাতাদেরকে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। আর সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি তারা আদায় করতে পারবে না, পাশাপাশি ইচ্ছামত গন্তব্যে যেতেও তারা বাধ্য থাকবে।
ঢাকায় অটোরিকশায় প্রতি কিলোমিটারে ১২ টাকা নির্ধারিত থাকলেও অটো চালকরা চুক্তিতে যেতেই আগ্রহী।
অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া সহজ হবে
বর্তমানে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় গ্রাহককে। ভাড়া সুনির্দিষ্ট না থাকায় ইচ্ছামতো টাকা আদায় করা হয় রোগী বা তার স্বজনদের কাছ থেকে।
এই যানবাহনগুলো অ্যাপে চললে রোগীরা যেসব সহজে অ্যাম্বুলেন্স পাবে, তেমনি তারা কম টাকায় চলাচল করতে পারবে বলেও আশা করছে সরকার।
একইভাবে পরিবার পরিজনদেরকে নিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে সামর্থবানদের মাইক্রোবাস ভাড়ার চল আছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রেও ভাড়া নির্দিষ্ট ছিল না এতদিন। এ ক্ষেত্রেও শৃঙ্খলা আসবে বলে আশা করছে সরকার।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
ঢাকা উত্তরে জোটগতভাবে লড়বে আ.লীগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46254 Hazarika46254Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:16:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয জোট একক প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029366.jpg
ঢাকা উত্তরে জোটগতভাবে লড়বে আ.লীগ
ঢাকা উত্তরে জোটগতভাবে লড়বে আ.লীগ

স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয জোট একক প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। সোমবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের বৈঠক শেষে এ কথা জানান নাসিম।
১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, ‘ডিএনসিসি নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রার্থী ঘোষণা করবে ১৪ দল ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন করবে এবং বিজয়কে নিশ্চিত করব।’ ঢাকা উত্তর সিটিতে মেয়র পদে উপ-নির্বাচন আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ। একই সঙ্গে ঢাকার দুই সিটিতে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত ৩৬ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদেও ভোট হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন নাসিম। আগামী নির্বাচনকে ১৪ দল গণভোট মনেকরে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের শক্তির চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য এ নির্বাচন হবে।’ বর্তমান সরকারের অর্জনকে আকাশচুম্বী দাবি করে নাসিম বলেন, ‘সরকারের ভুল থাকতে পারে কিন্তু শেখ হাসিনার সরকারের সফলতা হলো হিমালয় তুল্য। সরকার অর্থনৈতিক, সামাজিক, জঙ্গিদমনেসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছি।’ ‘একাত্তরের পরাজিত শক্তি দেশের উন্নয়ন মেনে নিতে পারে নাই। তাঁরা বারবার চক্রান্ত করেছে, এখনও করছে। তাদের নেত্রী হলো খালেদা জিয়া।’
বিএনপির ভোট ঠেকানোর আন্দোলনকে পাত্তা দিচ্ছেন না জানিয়ে নাসিম বলেন, ‘২০১৪ সালে আমরা ব্যর্থ হলে দেশে অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসত, দেশের উন্নয়ন হতো না। আমরা তাদের আগামীতেও পরাজিত করব।’
বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দীপু মণি, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবদুস সোবহান গোলাপ, অসীম কুমার উকিল, আফজাল হোসেন, আব্দুস সবুর, রিয়াজুল কবীর কাওছার প্রমুখ।
জোট নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, তরিকত ফেড়ারেশনের মহাসচিব এমএ আউয়াল, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন প্রমুখ।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
মানি লন্ডারিং মামলা বাড়ছে, তদন্তে ধীরগতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46253 Hazarika46253Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:15:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ অর্থনৈতিক জালিয়াতি ও অর্থ লেনদেন-সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন- ২০১৫ ধারায় মামলা সংখ্যা বাড়ছে। তবে মামলার তদন্তে দেখা দিয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029331.jpg
মানি লন্ডারিং মামলা বাড়ছে, তদন্তে ধীরগতি
মানি লন্ডারিং মামলা বাড়ছে, তদন্তে ধীরগতি

স্টাফ রিপোর্টার॥ অর্থনৈতিক জালিয়াতি ও অর্থ লেনদেন-সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন- ২০১৫ ধারায় মামলা সংখ্যা বাড়ছে। তবে মামলার তদন্তে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। জনবল ও প্রয়োজনীয় ইন্সট্রুমেন্টের অভাবে যথাসময়ে ও কাঙ্ক্ষিত মানের তদন্ত হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলা আগে তদন্ত করত শুধু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শুধু তদন্ত নয়, মামলা দেখাশোনাও করত দুদক। তবে ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধন করে গেজেট প্রকাশের পর থেকে দুদুকসহ পাঁচটি সংস্থা মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্ত শুরুই করেনি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর দুদক ছাড়া অপর চারটি সংস্থা হলো- পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। এ পাঁচ তদন্ত সংস্থা এখন তিন শতাধিক মানি লন্ডারিং মামলা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
অবিযোগ উঠেছে, এর মধ্যে দুদকসহ চারটি প্রতিষ্ঠান তদন্ত শুরু করলেও মানি লন্ডারিংয়ের মামলার তদন্ত শুরুই করেনি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।
আইন অনুযায়ী মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত কিছু মামলা তদন্ত করার এখতিয়ার থাকলেও তদন্ত শুরুই করেনি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। এজন্য দক্ষ জনবল ও প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট না থাকাকে দায়ী করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন) সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদবলেন, ঢাল-তলোয়ার ছাড়া যোদ্ধা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। সে যুদ্ধে আসলে কিছু হয় না। আমাদের জনবল ঘাটতি রয়েছে, এটা সবারই জানা। এর মধ্যে দক্ষ জনবলের সংখ্যা আরো কম। জনবলকে নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করার প্রক্রিয়াও বলা যায় নেই। যে কারণে আমরা সদিচ্ছা সত্ত্বেও মানিলন্ডারিং মামলার তদন্ত শুরু করতে পারিনি। তবে পাঁচ থেকে ছয়টি মামলায় সহযোগিতা করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, সংশোধিত আইনে দুদকসহ পাঁচটি সংস্থাকে মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এ পাঁচ সংস্থা নিজ নিজ আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। তবে দুদুকও মামলা তদন্ত করছে। তদন্তাধীন মামলার সংখ্যা অর্ধশতের বেশি।
সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন পাস হয়। ওই আইনে মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে মামলা ও তদন্তের জন্য দুদককে একক ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আইনটি বাস্তবায়ন ও মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ তদন্ত নিয়ে পুলিশসহ কয়েকটি সংস্থার পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানানো হয়। যাছাই-বাছাই শেষে ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।
প্রকাশিত গেজেটে ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১২ ধারায় সংশোধনী আনা হয়। এ ধারার উপধারা-১-এ বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন (সরকার কর্তৃক বিধি দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের), অনুমোদন ব্যতীরেকে কোনো আদালত এ আইনের অধীন কোনো অপরাধ বিচারার্থ আমলে গ্রহণ করবেন না।
সংশোধিত আইনে বলা হয়, ব্যক্তিপর্যায়ে প্রতারণা, আত্মসাৎ ও জালিয়াতির মামলা তদন্ত করবে পুলিশ। আর সরকারি সম্পত্তি-সংক্রান্ত প্রতারণা, সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যাংক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকালে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা তদন্ত করবে দুদক। দুদকের আইন হওয়ার আগে যেভাবে মামলা গ্রহণ ও তদন্ত করার এখতিয়ার ছিল, সেভাবেই এখন পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া বিচারাধীন মামলাও স্থানান্তর হবে বিশেষ আদালত থেকে বিচারিক হাকিমের আদালতে (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট)।
সিআইডির অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্ত ইউনিট সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থনৈতিক অপরাধের ২৬টি মামলা সিআইডির অর্থনৈতিক অপরাধ তদন্ত বিভাগের কাছে আসে। এর মধ্যে দুদকের হাত ঘুরে আসে ১৬টি মামলা, যদিও মামলাগুলো ২০১২ ও ২০১৩ সালে দায়ের হওয়া। আর অর্থনৈতিক অপরাধ-সংক্রান্ত বাকি ১০টি মামলা আসে দেশের বিভিন্ন থানা হয়ে। সম্প্রতি এ মামলার সংখ্যা বেড়েছে। শুধু সিআইডি প্রায় দেড়শ’ মামলার তদন্ত করছে। বেশকটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।
সিআইডি জানায়, অর্থ বা সম্পত্তি পাচার, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে দেশের বাইরে অর্থ বা সম্পত্তি প্রেরণ বা রক্ষণ, দেশের বাইরের অর্থ বা সম্পত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ রয়েছে তা না নিয়ে আসা, বিদেশে প্রকৃত পাওনা দেশে আনয়ন না করা, সন্দেহজনক লেনদেন কোনো অপরাধ হতে অর্জিত সম্পদ, কোনো সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন, দুর্নীতি ও ঘুষ, মুদ্রা জালকরণ, দলিল দস্তাবেজ জালকরণ, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা, চোরাই ও অন্যান্য দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা, অপহরণ, অবৈধভাবে আটকিয়ে পণবন্দি করা, খুন, নারী ও শিশু পাচার, চোরাকারবার, দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার, চুরি বা ডাকাতি বা দস্যুতা, মানব পাচার, যৌতুক, ভেজাল বা স্বত্ব লঙ্ঘন করে পণ্য উৎপাদন, যৌন নিপীড়ন, সংঘবদ্ধ অপরাধ, ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায়সহ ২৪ ক্যাটাগরির অপরাধের মামলা তদন্ত করছে সিআইডি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) মোল্যা নজরুল ইসলামবলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন ২০১৫ ধারার ২৭টির মধ্যে ২৪টি ধারায় পড়ে এমন অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলা তদন্ত করছে সিআইডি। মামলার সংখ্যা বেড়েছে গেল কয়েক বছরে। ১৩৮টি মামলার তদন্ত চলছে।
বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৫ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সংশোধিত আইনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার আগে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সে কর্তৃপক্ষ কারা হবে, সেটি সুস্পষ্ট করে আইনে উল্লেখ করা হয়নি। যে কারণে তদন্ত গতি হারাচ্ছে।
এ ব্যাপারে এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
এমনিতেও না খেয়েই মরতে হচ্ছে, অনশনেই মরি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46252 Hazarika46252Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:15:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥‘১২ বছর ধরে শিক্ষকতা করি, কিন্তু কোনো বেতন পাই না। কৃষিকাজ, দিনমজুরের কাজসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। দুইটা মেয়ে নিয়ে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029296.jpg
এমনিতেও না খেয়েই মরতে হচ্ছে, অনশনেই মরি
এমনিতেও না খেয়েই মরতে হচ্ছে, অনশনেই মরি

স্টাফ রিপোর্টার॥
‘১২ বছর ধরে শিক্ষকতা করি, কিন্তু কোনো বেতন পাই না। কৃষিকাজ, দিনমজুরের কাজসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। দুইটা মেয়ে নিয়ে খুব কষ্ট করে মানবেতন জীবন যাপন করছি।’-এভাবে কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন বরগুনার পদ্মা গ্রামের হাই মেমোরিয়াল ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক হারুনুর রশিদ। তিনি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে চলমান আমরণ অনশনে যোগ দিয়েছেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে সপ্তম দিনের মতো আমরণ অনশন করছেন শিক্ষকরা। তারা বলছেন, ‘আমাদের এমনিতেও না খেয়ে মরতে হচ্ছে। তাই আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন চালিয়ে যাব।’
গত ১ জানুয়ারি থেকে একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে আসছেন ইবতদায়ি শিক্ষকরা। সেই আন্দোলনে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা গত ৯ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশন পালন করে আসছে। গত কয়েক দিনের শৈতপ্রবাহে শীতের মধ্যেই শিক্ষকরা সেখানে অবস্থান নিয়ে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। অনশনের বেশ কয়েকজন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
গতকাল রবিবার শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী তিন দফায় বৈঠক করেন। তবে আশানুরূপ ফল না পেয়ে শিক্ষকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘গতকাল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের তিন দফায় বৈঠক হলেও কোনো ফলাফল আসেনি। তিনি আমাদের অনশন ভাঙতে বলেন, কিন্তু আমাদের জাতীয়করণের কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। আমরা অনশন চালিয়ে যাব, যতক্ষণ না প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দেবেন ততক্ষণ আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব।’
নলছিটি ঝালকাঠির পাওতা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২০০২ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি, কিন্তু বেতন নেই। একটি মসজিদের ইমামতি করে কোনো রকমে দিন যাপন করছি। সন্তানরা ভালো কোনো কিছু চাইলে দিতে পারি না, তখন খুব কষ্ট লাগে।’
জাহিদুল বলেন, ‘আমাদের এই সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার, আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ করে সমাজের কাছে শিক্ষক জাতির হেয় হওয়ার হাত থেকে বাঁচাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমাদের সরকার নির্ধারিত সব কিছুই করতে হচ্ছে, কিন্তু তার বিনিময়ে কোনো বেতন পাচ্ছি না।’
বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কাজী মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘১৯৯৪ সালে রেজিস্ট্রার বেসরকারি প্রাইমারি ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করা হয় ৫০০ টাকা। অথচ তারা বেতন পান ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু আমাদের বেতন তাই থাকে। তাও মাত্র ১৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা ২৫০০ টাকা করে বেতন পান। আর বাকি সাড়ে আট হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষরা বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।’
কাজী মোখলেছ বলেন, ‘আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী আমাদের জাতীয়করণের ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করে যাবো।’

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ৪ ফেব্রুয়ারি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46251 Hazarika46251Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:14:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।সোমবার খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029257.jpg
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ৪ ফেব্রুয়ারি
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ৪ ফেব্রুয়ারি

স্টাফ রিপোর্টার॥ নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার খালেদা জিয়া আদালতে হাজির হতে না পারায় তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করলে তা মঞ্জুর করে আদালত নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মাহমুদুল হাসান এ মামলার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান, এ মামলার আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালত সূত্র জানায়, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তি করে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে উপপরিচালক) মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।
দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে উপপরিচালক) এসএম সাহিদুর রহমান তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। এতে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
ওএমএসের চাল মেরে দিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46250 Hazarika46250Pratidin Tue, 16 Jan 2018 21:13:00 +0000 -Hazarika স্টাফ রিপোর্টার॥ বন্যায় ফসলহানির পর সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার ও হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার যে চাল দিচ্ছে তার একটি অংশ মেরে দিয়ে খোলাবাজারে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516029223.jpg
ওএমএসের চাল মেরে দিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি
ওএমএসের চাল মেরে দিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার॥ বন্যায় ফসলহানির পর সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার ও হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার যে চাল দিচ্ছে তার একটি অংশ মেরে দিয়ে খোলাবাজারে বেচে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পরিবেশকদের বিরুদ্ধে। কয়েকটি ঘটনায় ধরা পড়ার পর পরিবেশক বাতিল করা হলেও অভিযুক্তদের আর কোনো সাজা হয়নি।
২০১৭ সালে হাওরে বন্যায় ফসলহানির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছে সারা দেশেই। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলাকায় দিয়ে পরবর্তী ধান না উঠা পর্যন্ত সহায়তা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। জেলায় গত বছরের এপ্রিল থেকে এক হাজার ১১০টি কেন্দ্রে পরিবেশকের মাধ্যমে প্রথমে ১৫ টাকা কেজি দরে ও এখন ৩০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি হচ্ছে। জন প্রতি পাঁচ কেজি করে চাল কিনতে পারার কথা।
কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত বহু মানুষ অভিযোগ করছেন, ওএমএসের চাল নামমাত্র বিতরণ করে খোলা বাজারে বেশি দামে বেচে দিচ্ছে পরিবেশকরা। মাঝেমধ্যে ধরা পড়লেও বেশিরভাগ রয়ে গেছে অধরা। আর এ কারণে ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েও সরকারের বদনাম হচ্ছে।
এবার বন্যায় সারাদেশে ফসলহানির কারণে চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ফলে চাল পাচার করে খোলাবাজারে বেচে দিলে বেশি মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি জেলার শাল্লা উপজেলার (১২ জানুয়ারি) সহদেবপাশা গ্রামের পাশে চাল বোঝাই একটি নৌকা ভেড়ে। এ সময় কৌতুহলী কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ট্রলারের ভেতরে চালের বস্তায় ‘সরকারি চাল’ লেখা দেখতে পান। আর তা দেখে অন্যদেরকে ডাতকে শুরু করার পর পর নৌকার মাঝি ও শ্রমিকরা ৬৯ বস্তা চাল নদীর পারে নামিয়ে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ চালগুলো জব্দ করে।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন গত ১২ জানুয়ারি চাল আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার সহদেবপাশা গ্রামের পাশে ৬৯ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। তবে চাল বহনকারী কাউকেই পাওয়া যায়নি। এই চাল পাচারে কারা জড়িত তা গুরুত্ব সহকারে বের করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরেরও জামালগঞ্জ উপজেলায় চাল পাচারের সময় ২০ বস্তা ওএমএসের চাল আটক করা হয়। ওই চালের পরিবেশক সুব্রত পুরকায়স্থ। জুনে দিরাই উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে পরিবেশক যুবলীগ নেতা রনি দাসের ১৭ বস্তা চাল পাচারের সময় আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার ডিলারশিপ বাতিল হয়।
এই মাসেই ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নে পাচারের সময় আটক করা হয় পরিবেশক জাহাঙ্গীর আলমের ২০ বস্তা চাল। তারও ডিলারশিপ বাতিল হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলার ওএমএসের চাল পাচারের কারণে বাতিল হয়েছে যুবলীগ সদস্য আব্দুল বারীর ডিলারশিপও।
জানতে চাইলে সুনামগঞ্জ খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাকারিয়া মোস্তফা বলেন, ‘আমি ঘটনা জানতে পেরেছি। জব্দকৃত চালের নমুনা সংগ্রহ করেছি। কার চাল কীভাবে ওখানে গেল তা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এসব অনিয়মের কারণে কয়েক জনের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে। দুই জনের নামে মামলা হয়েছে।’

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
মোদিতে হতাশ নেতানিয়াহু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46246 Hazarika46246Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:50:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার বলেছেন, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়ার ভারতীয় সিদ্ধান্তে হতাশ তিনি। তবে এশিয়ান জায়ান্ট এ দেশে তার http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024203.jpg
মোদিতে হতাশ নেতানিয়াহু
মোদিতে হতাশ নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার বলেছেন, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়ার ভারতীয় সিদ্ধান্তে হতাশ তিনি। তবে এশিয়ান জায়ান্ট এ দেশে তার ঐতিহাসিক সফর বিফলে যাবে না। ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলা ইহুদি এক দম্পতিও নিহত হয়েছে। ছেলেসহ ছয়দিনের সফরে ভারতে এসে তিনি মুম্বাই হামলাকারীদের ইসরায়েল ধরবে বলেও মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। এর আগে রোববার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। বিশাল ব্যবসায়ী প্রতিনিধি নিয়ে ভারত সফরে রয়েছেন তিনি। সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ট্যুডে’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার ‘বিশেষ সম্পর্ক’ রয়েছে। কিন্তু জেরুজালেমকে ইসরায়েলি রাজধানী হিসেবে ওয়াশিংটনের দেয়া ঘোষণার বিরুদ্ধে গত মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে শতাধিক দেশের সঙ্গে ট্রাম্পের নিন্দা জানিয়ে ভারত ভোট দেয়ায় ইসরায়েল-ভারত সম্পর্কে কালো মেঘ দেখা দিয়েছে। নেতানিয়াহু বলেন, স্বাভাবিকভাবেই আমি হতাশ। তবে আমি মনে করি, এ সফর হলো দুই পক্ষের জন্য একটি পরীক্ষা; যা মূলত আমাদের সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নেবে। এদিকে, নেতানিয়াহুর সফরের আগে ইসরায়েলের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রবিরোধী ট্যাঙ্ক কেনার ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি বাতিল করে ভারত।
প্রত্যেক বছর ভারতে প্রায় একশ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম রফতানি করে ইসরায়েল। তবে বিশ্বের শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানিকারক দেশ হিসেবে ভারতকে দেখতে চান না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু ভারতের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি, সফরে এ সমস্যার সমাধান হবে। কারণ আমি মনে করি, ন্যায়সঙ্গত সমাধানে পৌঁছানোর জন্য ভালো একটি সুযোগ আছে।’ সফর শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো কিছুই তিনি জানাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সঙ্গে অনেক কিছুই জড়িত।’ ‘আমার মতে এখানে প্রধান বিষয় হচ্ছে প্রতিরক্ষা। আমরা নিজেদের রক্ষা করতে চাই। আমরা উগ্র জাতি নই, তবে কেউ যাতে আমাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাতে না পারে তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ গত ১৫ বছরের মধ্যে ইসরায়েলের প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারত সফর করছেন নেতানিয়াহু। এর আগে গত জুলাইয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইসরায়েল সফরে যান মোদি। রোববার নয়াদিল্লির বিমানবন্দরে সস্ত্রীক নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। নেতানিয়াহুর এ সফর দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরালো করবে বলে মন্তব্য করেছেন নরেন্দ্র মোদি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
কেনিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩০ জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46245 Hazarika46245Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:49:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥কেনিয়ার মধ্যাঞ্চলের একটি সড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার ভোরের দিকের এ সংঘর্ষের ঘটনায় আরো কমপক্ষে ১৬ জন http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024160.jpg
কেনিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩০ জনের
কেনিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩০ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥
কেনিয়ার মধ্যাঞ্চলের একটি সড়কে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। রোববার ভোরের দিকের এ সংঘর্ষের ঘটনায় আরো কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। রিফট উপত্যকা পুলিশের প্রধান জিরো অ্যারোমি হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ৩০ জন মারা গেছে। নাকুরু শহরের কাছে ভোর তিনটার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধ্বংসাবশেষের ভেতর থেকে সব মরদেহ উদ্ধার ও আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। নাকুরু-এলদোরেত মহাসড়কে কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের বুসিয়া থেকে নাকুরুগামী একটি বাসের সঙ্গে নাকুরু থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পুলিশ বলছে, চলতি মাসে এ মহাসড়কে নিহতের সংখ্যা একশ’তে পৌঁছেছে।
জিরো অ্যারোমি বলেন, সংঘর্ষে দুই গাড়ির চালকও মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে তিন বছরের এক শিশুও রয়েছে। আহতদের উদ্ধারের পর নাকুরু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী হাসপাতালের বিছানা থেকে বলেন, দুর্ঘটনার সময় বাসের পেছনের আসনে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি।
কেনিয়ার সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশটিতে প্রত্যেক বছর দুর্ঘটনায় প্রায় ৩ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
সূত্র : এএফপি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ঘুষ আমিরাতে নারীর কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46244 Hazarika46244Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:48:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥সংযুক্ত আরব আমিরাতের সারজাহ পুলিশের ট্রাফিক এবং লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে এক নারী কর্মীকে চকলেট এবং ৫শ দিরহাম দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024118.jpg
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ঘুষ আমিরাতে নারীর কারাদণ্ড
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে ঘুষ আমিরাতে নারীর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সারজাহ পুলিশের ট্রাফিক এবং লাইসেন্স ডিপার্টমেন্ট থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে এক নারী কর্মীকে চকলেট এবং ৫শ দিরহাম দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এক আরব নারী। অবৈধভাবে লাইসেন্স নেয়ার চেষ্টা করায় ওই নারীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার দিরহাম জরিমানা করা হয়েছে।
একবার দু'বার নয় ওই নারী ছয়বার ড্রাইভিং টেস্টে অনুত্তীর্ণ হন। সে কারণে তিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার জন্য এক নারী কর্মীর কাছে সহায়তা চান। ওই নারীর বিরুদ্ধে ঘুষ প্রদানের অভিযোগ এনেছে আদালত।
নারী ট্রাফিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি পুলিশকে এ বিষয়ে জানিয়েছেন। তার চাকরি ক্ষেত্রে আইন লঙ্ঘন করে এমন কোনো কিছুই তিনি করতে পারেন না বলে উল্লেখ করেছেন ওই ট্রাফিক কর্মকর্তা।
তবে আদালতে শুনানির সময় অভিযুক্ত ওই নারী বলেন, তিনি টাকা এবং চকলেট উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। এগুলোকে ঘুষ হিসেবে প্রদান করেননি তিনি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
উ. কোরিয়ায় তেল পাঠানোয় আরেক জাহাজ জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46243 Hazarika46243Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:48:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়াকে জ্বালানি তেল দেওয়ায় পানামার পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজ জব্দ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।দক্ষিণ কোরিয়ার এক কাস্টমস কর্মকর্তা রোববার http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024081.jpg
উ. কোরিয়ায় তেল পাঠানোয় আরেক জাহাজ জব্দ
উ. কোরিয়ায় তেল পাঠানোয় আরেক জাহাজ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়াকে জ্বালানি তেল দেওয়ায় পানামার পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজ জব্দ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার এক কাস্টমস কর্মকর্তা রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, পায়োংতায়েক-দাংজিন বন্দরে জব্দ করা হয় জাহাজটি। তবে ইস্যুটি খুবই স্পর্শকাতর হওয়ায় এ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। ইনচেনের দক্ষিণে দক্ষিণ কোরিয়ার পশ্চিম উপকূলে বন্দরটি অবস্থান। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহ্যাপ জানিয়েছে, জাহাজটি ৫ হাজার ১০০ টন তেল বহন করতে পারে এবং এর ক্রুদের অধিকাংশই চীন ও মিয়ানমারের নাগরিক। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা ও কাস্টমস বিভাগ যৌথভাবে এ নিয়ে তদন্ত করছে।
পানামার জাহাজ জব্দের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের বিষয়ে কিছু বলা না হলেও মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে একই ইস্যুতে জাহাজ জব্দের দ্বিতীয় ঘটনা এটি।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
কাশ্মিরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলা, নিহত ৪ জওয়ান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46242 Hazarika46242Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:47:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক,ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরে আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ ক্যাম্পে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় চার জওয়ান নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ওই জওয়ানদের হাসপাতালে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024045.jpg
কাশ্মিরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলা, নিহত ৪ জওয়ান
কাশ্মিরে সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলা, নিহত ৪ জওয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরে আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ ক্যাম্পে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় চার জওয়ান নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ওই জওয়ানদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে দুই পক্ষের বন্দুকযুদ্ধে দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার ভোরে পুলওয়ামা জেলার লেঠপোরায় সিআরপিএফ প্রশিক্ষণ শিবিরে কমপক্ষে দুই বা তিনজন সশস্ত্র গেরিলা ওই আত্মঘাতী হামলা চালায়।
একটি সূত্রে প্রকাশ, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ২ টা নাগাদ সিআরপিএফ ক্যাম্পে হামলা হলে উভয়পক্ষের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ শুরু হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৫০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ানরা পৌঁছেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশ, গেরিলারা প্রথমে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং পরে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করে। জইশ-ই মুহাম্মদ গেরিলা গোষ্ঠী ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। জইশ-ই মুহাম্মদ গেরিলা গোষ্ঠীর কমান্ডার নূর মুহাম্মদ নিহত হওয়ার বদলা নিতেই ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৬ ডিসেম্বর পুলওয়ামাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি নিহত হন। কাশ্মিরে সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বেশ কয়েকজন গেরিলা নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আগে থেকেই সেখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আত্মঘাতী গেরিলারা আধাসামরিক ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। ওই ঘটনার পরে দক্ষিণ কাশ্মিরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
যৌন নির্যাতনের শিকার ৫১ মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46241 Hazarika46241Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:47:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ মাঝেমধ্যেই কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যেত মাদ্রাসার পাশের রাস্তাটায়। কেউ তেমন গা করেননি। হয়তো ভেবেছিলেন, আবাসিক মাদ্রাসার বাচ্চা মেয়েগুলোর কাজ। সত্যিই তাই। http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516024012.jpg
যৌন নির্যাতনের শিকার ৫১ মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার
যৌন নির্যাতনের শিকার ৫১ মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ মাঝেমধ্যেই কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যেত মাদ্রাসার পাশের রাস্তাটায়। কেউ তেমন গা করেননি। হয়তো ভেবেছিলেন, আবাসিক মাদ্রাসার বাচ্চা মেয়েগুলোর কাজ। সত্যিই তাই। মাদ্রাসার জানালা দিয়ে উড়ে আসা একটা কাগজের গোলা এক দিন সোজা গিয়ে লাগল এক পথচারীর গায়ে। কাগজের মোড়কটা খুলে স্তম্ভিত হয়ে যান লোকটি। ভিতরে লেখা ছিল ‘আমাদের বাঁচান’।
দেরি না করে তিনি খবর দিয়েছিলেন মাদ্রাসার মালিককে। তারপর তিনি যোগাযোগ করেন পুলিশের সঙ্গে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে প্রশাসন ও পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী হানা দেয় ওই মাদ্রাসায়। উদ্ধার করা হয়েছে ৫১ জন নাবালিকাকে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ের পুরোনো শহরের সাদতগঞ্জের ইয়াসিনগঞ্জ এলাকার জামিয়া খাদিজাতুল লিলানওয়াত মাদ্রাসার হোস্টেল সুপার কাজী মোহাম্মদ তৈয়ব জিয়াকে। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অত্যাচার, যৌন হেনস্থা, ধর্ষণের চেষ্টার মতো অভিযোগ জানিয়েছে ছাত্রীরা। উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, তাছাড়া অন্যান্য রাজ্য থেকেও ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হতে আসত ছাত্রীরা। মোট ছাত্রীসংখ্যা ছিল ১২৬। তার মধ্যে শুক্রবার ওই সময়ে মাদ্রাসায় ৫১ জন ছাত্রী ছিল।
এসএসপি দীপক কুমারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বড় দল মাদ্রাসায় হানা দিলে হইচই পড়ে যায়। পালাতে পারেনি কাজী। তাকে ধরে ফেলে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, মাদ্রাসার ভিতরে যে এই কাজ চলছে, তার কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন মাদ্রাসা মালিক। তিনি ওই মাদ্রাসা থেকে বেশ কিছুটা দূরে অন্যত্র থাকতেন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
তুরস্কে আইএস সন্দেহে ২০ জন গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46240 Hazarika46240Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:46:00 +0000 -Hazarika আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ তুরস্কে আইএস সদস্য সন্দেহে কমপক্ষে আরও ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৫ জন বিদেশি নাগরিক আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516023970.jpg
তুরস্কে আইএস সন্দেহে ২০ জন গ্রেফতার
তুরস্কে আইএস সন্দেহে ২০ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥ তুরস্কে আইএস সদস্য সন্দেহে কমপক্ষে আরও ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৫ জন বিদেশি নাগরিক আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ খবর জানিয়েছে। রবিবার সিরিয়া ও ইরাকের আইএস নেতা সন্দেহে একযোগে চারটি ঠিকানায় অভিযান চালায় পুলিশ। আটকৃতরা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার সকালে আঙ্কারা ও ইস্তানবুল থেকে ইরাকি আইএস ও জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য সন্দেহে কমপক্ষে ৭৫ জনকে আটক করা হয়।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
সংসদ নির্বাচন নিয়ে পানি ঘোলা করার কোনো কারণ নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46239 Hazarika46239Pratidin Tue, 16 Jan 2018 19:43:00 +0000 আবদুল মান্নান-Hazarika ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চার বছর পার করে পঞ্চম বছরে পা দিল। এদিন দেশের প্রায় সব মেইন স্ট্রিম সংবাদমাধ্যম খবরটি বেশ গুরুত্ব সহকারে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516023772.jpg
সংসদ নির্বাচন নিয়ে পানি ঘোলা করার কোনো কারণ নেই
সংসদ নির্বাচন নিয়ে পানি ঘোলা করার কোনো কারণ নেই

১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার চার বছর পার করে পঞ্চম বছরে পা দিল। এদিন দেশের প্রায় সব মেইন স্ট্রিম সংবাদমাধ্যম খবরটি বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রথম পৃষ্ঠায় ছেপেছে। ব্যতিক্রম ছিল দুটি প্রিন্ট মিডিয়া। এ দুটির অনেকটা প্রকাশ্য এজেন্ডা হচ্ছে আগামী নির্বাচনে যেকোনো উপায়ে হোক শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাইরে রাখা। যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াত ক্ষমতায় গেলেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। এদের একটি আবার সপ্তাহ দুয়েক ধরে বর্তমান সরকারের যত নেতিবাচক সংবাদ বা কাজ আছে, তা সিরিজ আকারে প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশ করেছে। এসব খবরের বস্তুনিষ্ঠতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন না করেও এটা তো প্রত্যাশা করা যায়, সরকারের কিছু ভালো কাজ নিয়েও কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করা। ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটানা ৯ বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেন। এটি বাংলাদেশের যেকোনো সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য একটি রেকর্ড। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, যিনি কিনা দেশ স্বাধীন করার জন্য আজীবন লড়াই করেছেন, জেল খেটেছেন, একাধিকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে তিন বছর বেঁচে ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একটি ভয়াবহ দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি ঘাতকদের হাতে নিহত হন। দেশের বাইরে থাকার সুবাদে তাঁর দুই কন্যা—বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রাণে বেঁচে যান। তবে এটি স্বীকার করতে হবে, যে বুলেটটি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে খুঁজে পায়নি সেই বুলেটটি এখনো তাঁকে খুঁজছে। আল্লাহর রহমত ও মানুষের দোয়ায় তিনি এখনো বেঁচে আছেন।
চার বছর পূর্তিতে ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার এই মেয়াদে গত চার বছরের সাফল্যের কথা টিভি ও বেতার ভাষণের মাধ্যমে দেশের মানুষ শুনেছে। যেসব সাফল্যের কথা তিনি বলেছেন, সে সম্পর্কে কারো কোনো দ্বিমত থাকার কথা নয়। অবশ্য এর দুই দিন আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশের দেশ কাঁপানো মেগা প্রজেক্ট পদ্মা সেতু নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা মেধার বিচারে তাঁদের দুজনকেই দলের দপ্তর সম্পাদক রিজভী আহমেদ ও শামসুজ্জামান দুদুর কাতারে নামিয়ে এনেছে। রিজভী আহমেদ এখন বিএনপির রাজনীতিতে একটি রিলিফ চরিত্র হয়ে উঠেছেন। দুদু ক্ষমতায় গেলে ঢাকার নাম বদলে জিয়ানগর করার ঘোষণা দিয়েছেন। আরেক দিন হয়তো বলবেন, বাংলাদেশের নামটিই খালেদা জিয়া অথবা তারেক রহমানের নামে রাখা হবে। এমন কথা বিএনপির কেউ বললে অবাক হওয়ার তেমন একটা কিছু থাকবে না। এই শীতে বেশ কয়েকজন তামাদি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন এমন সব রাজনৈতিক মন্তব্য করছেন, তা প্রমাণ করছে যে শীতকালে পাগলের সংখ্যা বাড়ে প্রবাদটি মিথ্যা নয়। শেখ হাসিনা তাঁর বক্তৃতায় তাঁর সরকারের সাফল্য ছাড়াও আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করে বলেছেন, এই নির্বাচন সংবিধানের বেঁধে দেওয়া পদ্ধতি অনুসারেই হবে; কারণ সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ে এটি পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় এক মুহূর্তের জন্যও রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর হাতে যাওয়া উচিত নয়। সেই ধারার বলেই সংসদে নির্বাচনকালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রহিত করে আগের ব্যবস্থা, অর্থাৎ দলীয় সরকারের অধীনেই সংসদ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেমনটি অন্যান্য দেশ—ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যে আছে।
শেখ হাসিনার রেডিও-টিভির ভাষণের পরপরই যথারীতি বিএনপির মির্জা ফখরুল আর তথাকথিত নিরপেক্ষ ঘরানার কিছু সুধীজন টিভি ক্যামেরার সামনে হাজির। মির্জা ফখরুল জানালেন, শুধু তিনি নন, দেশের মানুষ হতাশ। কারণ শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছু বলেননি। তাঁর মতে, শেখ হাসিনার বক্তব্য দেশকে সংকটের দিকে নিয়ে যাবে। তিনি কোন জনগণের কথা বুঝিয়েছেন, তা বোঝা গেল না। ২০১৩ সালে অসাংবিধানিক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি দেশের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষণা করে প্রায় ৩০০ নিরীহ মানুষ পুড়িয়ে মেরেছিল, যদি সেই জনগণের কথা বলে থাকেন, তাহলে তিনি মারাত্মক ভুল করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করে আরো বলেছেন, তাঁর দল নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চায়। নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কেমন হবে, তা স্পষ্ট করেই সংবিধানে বলা আছে, যেমনটি প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা অনেক অপমান মাথায় নিয়ে বেগম জিয়ার সঙ্গে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলেন। এমনও বলেছিলেন, সেই সরকার হবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দ্বারা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিএনপি যেকোনো মন্ত্রণালয় চাইতে পারে। বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর এমন উদার আহ্বান পায়ে ঠেলে দিয়েছিল এবং ঘোষণা করেছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে কোনো সরকার গঠন করা হলে তা তারা এক দেশ কাঁপানো গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে টেনে নামিয়ে দেবেন। বিএনপি বুঝতে অক্ষম যে আন্দোলনের নামে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা এক জিনিস আর সত্যিকার গণ-আন্দোলন অন্য জিনিস। বিএনপি ভুলে গিয়েছিল, এরশাদবিরোধী আন্দোলন তারা আগে শুরু করলেও তা ততক্ষণ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছেনি যতক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ তাতে শামিল হয়নি। এ দেশে গণ-আন্দোলন করার অভিজ্ঞতা শুধু আওয়ামী লীগেরই আছে, তা স্বীকার করে নেওয়া ভালো। বিএনপি বা তাদের মিত্র জামায়াত আন্দোলনের নামে লাগামহীন সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে পারে, জনগণের দুর্ভোগের কারণ হতে পারে, জনগণ আর রাষ্ট্রের সম্পদের ক্ষতি করতে পারে; কিন্তু কোনো আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষমতা তাদের নেই।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসেছে। যেহেতু এরশাদ পতনের আন্দোলনে সব দলই অংশগ্রহণ করেছিল, তারা ঠিক করেছিল এরশাদের পতনের পর যে নির্বাচনটি হবে তা হবে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে, যার প্রধান হবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি। সেই সময় আন্দোলনরত তিন জোট এ ব্যাপারে একমত হয়েছিল যে পর পর তিনটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। ১৯৯০ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের অধীনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় এবং সেই সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট বিজয় লাভ করে। এরপর কিন্তু এমন একটি সরকারের কথা মানুষ ভুলে যায়। আরো উল্লেখ্য যে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনো সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেও গঠিত হয়নি। সংবিধান বলবৎ রেখে এমন একটা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করাটাও অনুচিত ছিল, যা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায়েও উল্লেখ করা হয়েছে। বেগম জিয়ার প্রথম শাসনামলে মাগুরা ও ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে যে তামাশা হয়েছিল, তা যদি না হতো, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পুরো বিষয়টাই বিস্মৃত হয়ে যেত। এই দুটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনের নামে তামাশা হওয়ার পর আওয়ামী লীগসহ অন্য দলগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার দাবিটি আবার পুনরুজ্জীবিত করে। বেগম জিয়া কোনো অবস্থাতেই এই ব্যবস্থায় ফিরে যেতে অস্বীকার করেন এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আরেকটি প্রহসনের সংসদ নির্বাচন করেন। যাঁরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নির্বাচনকালীন অসাংবিধানিক একটি সরকারব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য দাবি তোলেন তাঁরা একবারও বলেন না ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সেই সংসদে ১৬টি আসনে কোনো প্রার্থীই ছিল না। ১৬৮টি আসনে বিএনপি ছাড়া কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। সেই সংসদে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্নেল (বরখাস্ত) আবদুর রশীদকেও খালেদা জিয়া সংসদ সদস্য হিসেবে বসার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। যেসব মিডিয়া আর সুধীজন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছে বলে গলা ফাটান, তাঁরা এসব তথ্য সম্পর্কে কখনো উচ্চবাচ্য করেন না। কথায় কথায় তাঁরা বর্তমান সরকারকে অনির্বাচিত সরকার বলেন। কখনো বলেন না ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের নামে যে তামাশা হয়েছিল, সেই নির্বাচনে কত শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছিল! এমন একটি অসমাপ্ত ‘সংসদ’ই তো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে সংসদ ভেঙে দিয়ে সব সংসদ সদস্য রাতের অন্ধকারে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এ রকম একটি তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাই তো উচ্চ আদালত বাতিল করে দিয়েছেন। সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে বিএনপি আর তার মিত্রদের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসতে হবে। সেই সরকার আকারে ছোট হবে, সদস্যরা নির্বাচিত হবেন এবং তাঁরা রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। তেমন একটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ করা সমীচীন। নির্বাচনে আসতে না চাইলে কোনো দলকে জোর করে অথবা ফুসলিয়ে নির্বাচনে আনা শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নয়। নির্বাচন ছাড়া রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার হওয়ার একমাত্র বিকল্প হচ্ছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা, যার রেকর্ড বিএনপির আছে।
সব শেষে একটি কথা বলতেই হয়। শুধু উন্নয়নের কথা বলে নির্বাচনে জয়লাভ করা সহজ নয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করতে হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বুঝতে হবে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ এখনো অপ্রতিরোধ্য। গত কয়েক মাস দেশের প্রায় সব সিটি করপোরেশনের সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, সেসব সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা প্রতিপক্ষের কাছে হারেননি, হেরেছেন নিজেদের দলের নেতাদের ষড়যন্ত্রের কাছে। আমার বিশ্বাস, আগামী নির্বাচন একটি ভালো নির্বাচন হবে এবং সেখানে সব দল অংশগ্রহণ করবে। কোনো দলকে সেধে নির্বাচনে আনতে হবে না। সংসদ নির্বাচন নিয়ে পানি ঘোলা করার কোনো কারণ নেই।
লেখক : বিশ্লেষক ও গবেষক

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
রুবেলের উইকেট সেঞ্চুরি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46238 Hazarika46238Pratidin Mon, 15 Jan 2018 18:37:58 +0000 -Hazarika ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে রয়েছেন। কিন্তু একাদশে রুবেল হোসেন থাকবেন কী থাকবেন না তা নিয়ে ছিল ঘোর সংশয়। টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তায় ছিল আবুল হোসেন রাজু কিংবা http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/15/1516019956.jpg
রুবেলের উইকেট সেঞ্চুরি
রুবেলের উইকেট সেঞ্চুরি

ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে রয়েছেন। কিন্তু একাদশে রুবেল হোসেন থাকবেন কী থাকবেন না তা নিয়ে ছিল ঘোর সংশয়। টিম ম্যানেজমেন্টের চিন্তায় ছিল আবুল হোসেন রাজু কিংবা সাইফউদ্দিন। তবে, ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগেরদিন টিম মিটিংয়েই বদলে গেলো সিদ্ধান্ত। প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে বলে তিন পেসার এবং দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় টিম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আবুল হোসেন রাজু কিংবা সাইফউদ্দিন নয়, অভিজ্ঞ রুবেল হোসেনকেই দলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার দারুণ প্রতিদান দিলেন রুবেল হোসেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই নিলেন ২ উইকেট। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এতদিন তার নামের সঙ্গে ছিল ৯৮ উইকেট। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান তেন্দাই চাতারাকে বোল্ড করার সঙ্গে সঙ্গে নামের পাশে উইকেটের অংকটা দুই ঘর থেকে উঠে গেল তিন ঘরে। অর্থ্যাৎ ওয়ানডে ক্যারিয়ারে উইকেট শিকারে সেঞ্চুরি করে ফেললেন রুবেল হোসেন।বাংলাদেশের পঞ্চম বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে উইকেটের সেঞ্চুরি পূরণ করলেন রুবেল হোসেন। তার আগে তিন অংকের ঘরে নাম লিখিয়েছেন মাশরাফি, সাকিব, রাজ্জাক এবং মোহাম্মদ রফিক।বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবার আগে উইকেট শিকারে তিন অংকের ঘরে পৌঁছান স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। যদিও ১১৯ উইকেট নেয়ার পর আর তার ক্যারিয়ার এগোয়নি। তার দেখানো পথে হেঁটেছেন আব্দুর রাজ্জাক, সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা। রাজ্জাক ২০৭ উইকেট নিয়ে থেমে যান। তাকে ছুঁয়ে আরও সামনে এগিয়ে চলছেন মাশরাছি এবং সাকিব। ২৩২ উইকেট নিয়ে মাশরাফিই রয়েছেন সবার আগে। সাকিবের উইকেট ২২৯টি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ রুবেল যে দুটি উইকেট নেন, দুটিই বোল্ড করে। প্রথমে ৩৩ রান করা পিটার মুরকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান। এরপর বোল্ড করেন তেন্দাই চাতারাকে। ৮১ ম্যাচ খেলে ৩৪.৭১ গড়ে উইকেট শিকার করেন তিনি। সেরা শিকার ২৬ রানে ৬ উইকেট। ইকনোমি রেট ৫.৬৯ করে। ৫ উইকেট নিয়েছেন একবার এবং ৪ উইকেট নিয়েছেন ৬ বার।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
৩৬ রানে অলআউট, সব রানই দিয়েছেন একজন বোলার! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46237 Hazarika46237Pratidin Mon, 15 Jan 2018 18:27:25 +0000 -Hazarika ক্রিকেটে কত অদ্ভুত ঘটনাই না ঘটে। তবে এবারের ঘটনা যেন আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল! শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেটে ‘বি’ টায়ারের একটা টুর্নামেন্টে এক দল অলআউট হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516019533.jpg
৩৬ রানে অলআউট, সব রানই দিয়েছেন একজন বোলার!
৩৬ রানে অলআউট, সব রানই দিয়েছেন একজন বোলার!

ক্রিকেটে কত অদ্ভুত ঘটনাই না ঘটে। তবে এবারের ঘটনা যেন আগের সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল! শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেটে ‘বি’ টায়ারের একটা টুর্নামেন্টে এক দল অলআউট হয়েছে ৩৬ রানে। সব রান দিয়েছেন প্রতিপক্ষের একজন বোলার!

পানাদুরায় শ্রীলঙ্কা এয়ার ফোর্স স্পোর্টস ক্লাব ও পানাদুরা স্পোর্টস ক্লাবের মধ্যকার তিন দিনের এই ম্যাচে গত শনিবারের ঘটনা এটি। এয়ার ফোর্স টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল। এয়ার ফোর্সের বোলাররা অধিনায়ককে হতাশ করেনি, তারা প্রতিপক্ষের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দেয় ১৭৬ রানে। সোহান রঙ্গিকা নেন ৫ উইকেট। জবাবে অধিনায়কের ৯৬ রানের সুবাদে এয়ার ফোর্স তোলে ৩০৯ রান। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড ১৩৩ রানের।

পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে পানাদুরা স্পোর্টস ক্লাবের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ৩৬ রানে। তারা ম্যাচ হারে ইনিংস ও ৯৭ রানে। ৩৬ রানে অলআউট হওয়াই একটা বিরল ঘটনা। তবে এর চেয়েও বিরল ঘটনা, সেই রান যদি দেন একজন বোলার!

এয়ার ফোর্স তিনজন বোলার ব্যবহার করেছিল। পানাদুরা স্পোর্টস ক্লাবের ১০ উইকেট তুলে নিতে তাদের লেগেছে মাত্র ১৩.৩ ওভার। মিলান রাথনায়েকে ৭ ওভারে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ৪ ওভার বল করে একটি উইকেট নিয়েছেন বুদ্দিকা সান্দারুয়ান। এই ৪ ওভারে তিনি কোনো রান দেননি। রঙ্গিকা মাত্র ২.৩ ওভারে নেন ৪ উইকেট। তিনিও কোনো রান খরচ করেননি। পানাদুরা স্পোর্টস ক্লাবের ৩৬ রানই এসেছে রাথনায়েকের ৭ ওভার থেকে!

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
১০ হাজার ছুঁয়ে তুষারের অনন্য কীর্তি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46236 Hazarika46236Pratidin Mon, 15 Jan 2018 18:24:04 +0000 -Hazarika ক্ষণ গণনা চলছিল বিসিএলের আগের রাউন্ড থেকেই। সেই ম্যাচে থমকে গিয়েছিলেন খুব কাছে গিয়েও। এবার ফুরাল অপেক্ষা। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516019173.jpg
১০ হাজার ছুঁয়ে তুষারের অনন্য কীর্তি
১০ হাজার ছুঁয়ে তুষারের অনন্য কীর্তি

ক্ষণ গণনা চলছিল বিসিএলের আগের রাউন্ড থেকেই। সেই ম্যাচে থমকে গিয়েছিলেন খুব কাছে গিয়েও। এবার ফুরাল অপেক্ষা। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তুষার ইমরান।বিসিএলের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে বিকেএসপিতে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে সোমবার অনন্য এই উচ্চতায় পৌঁছেছেন তুষার।এবারের বিসিএল তুষার শুরু করেছিলেন ১০ হাজার থেকে ১৪০ রান দূরে থেকে। আগের রাউন্ডে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে একমাত্র ইনিংসে আউট হন ১০৫ রানে।সোমবার বিকেএসপিতে ম্যাচ শুরু হতে দেরি হয় অনেক। কুয়াশার কারণে খেলা শুরুই হয় দুপুর পৌনে তিনটায়। দক্ষিণাঞ্চল ২২ রানেই ২ উইকেট হারালে উইকেটে নামেন তুষার।তার শুরুটা ছিল একটু ধীরে। পরে বাড়ান গতি। আসতে থাকে বাউন্ডারি। ২৬ থেকে টানা তিন বাউন্ডারিতে ছাড়িয়ে যান ১০ হাজার। মাইলফলক ছোঁয়া বাউন্ডারি এসেছে তানবীর হায়দারের বলে।বাংলাদেশের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৯ হাজার রানও নেই আর কারও। অনেকটা পিছিয়ে থেকে তালিকার দুইয়ে অলক কাপালি।প্রথম শ্রেণিতে তুষারের একটি ১৫৪তম ম্যাচ, সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড। তার ২৫ সেঞ্চুরিও বাংলাদেশের রেকর্ড।ক্রিকেটারম্যাচরানতুষার ইমরান১৫৪*১০০০০অলক কাপালি১৫১*৮৪৪০রাজিন সালেহ১৪২৮১৩৫ফরহাদ১২৩*৭৩৯৭আশরাফুল১৪৪*৭৩২৩

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
খেলায় আনন্দ পায়নি দর্শক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46234 Hazarika46234Pratidin Mon, 15 Jan 2018 18:18:28 +0000 -Hazarika ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেসেখেলেই জয় পেল বাংলাদেশে। ১৭১ রানের টার্গেটে আট উইকেট ও ১২৯ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516018895.jpg
খেলায় আনন্দ পায়নি দর্শক
খেলায় আনন্দ পায়নি দর্শক

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হেসেখেলেই জয় পেল বাংলাদেশে। ১৭১ রানের টার্গেটে আট উইকেট ও ১২৯ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সাকিব-তামিমরা। সাকিবের অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের পাশপাশি তামিমের দৃঢ় প্রত্যয়ী ব্যাটিং দলের জয় সহজ করে দেয়।মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ইতিহাসে ৯৯তম ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি।প্রথমে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে ৪৯ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১৭০ রান করতে পারে। লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। সিকান্দার রাজার বলে শন আরভিনকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এনামুল হক বিজয়। ১৪ বলে চারটি চারে ১৯ রান করে বিদায় নেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামা বিজয় অবশ্য মারমুখি খেলে বিদায় নেন।রাজার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে এলবির ফাঁদে পড়েন তিনি। তবে জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে এই দুটি সাফল্যই এসেছে। বাকিটা সময় দাপটে সঙ্গে খেলেন তামিম ও মুশফিক। বিশেষ করে বেশ সাবলীল ব্যাটিং করে যান ড্যাশিং ওপেনার তামিম। ৯৩ বলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত থাকেন দেশ সেরা এ ব্যাটসম্যান। ১৪ রানে অপরাজিত থেকে তার সঙ্গী হন মুশফিক।এর আগে জিম্বাবুয়ের ইনিংসে চলে স্বাগতিক বোলারদের দাপট। কোনঠাসা সফরকারীরা নিজেদের ইনিংস লম্বা করতে পারেনি। প্রথম ওভারেই সোলোমন মায়ার (০) ও ক্রেইগ আরভিনকে (০) সাজঘরে পাঠান সাকিব আল হাসান। ইনিংসের প্রথম বলে মায়ারকে স্ট্যাম্পিং করে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুশফিক। সাব্বির রহমানের তালুবন্দি হন আরভিন।অভিজ্ঞ ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে (১৫) মুশফিকের ক্যাচ বানিয়ে উইকেটের খাতায় নাম লেখান মাশরাফি বিন মর্তুজা। ৩০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মুখেই পড়ে সফরকারীরা। দলীয় ৫১ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে। মোস্তাফিজুর রহমানের বলে মুশফিকের রহিমের গ্লাভসবন্দি হন ব্র্যান্ডনটেইলর (২৪)। আর স্পিনার সানজামুল ইসলামের বলে সাব্বির রহমানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ম্যালকম ওয়ালার (১৩)।রান আউটের মাধ্যমে বিদায় নেন সফরকারীদের হাল ধরা সিকান্দার রাজার। ৯৯ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৫২ রান করে বিদায় নেন তিনি। রুবেল হোসেনকে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১২ রানে বিদায় নেন দলটির অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমার। এ সময় সপ্তম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তাকে ফিরিয়ে ব্যক্তিগত তৃতীয় উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান।৪৮তম ওভারে পর পর দুই বলে পিটার মুর (৩৩) ও তেন্দাই চাতারাকে (০) বোল্ড করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান রুবেল হোসেন। কিন্তু ব্লেসিং মুজারাবানিকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের শেষ উইকেটের পতন ঘটান মোস্তাফিজুর রহমান। স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন সাকিব। রুবেল ও মোস্তাফিজ দুটি করে উইকেট দখল করেন। একটি করে উইকেট পান মাশরাফি ও সানজামুল।হোম কন্ডিশন, প্রতিপক্ষের শক্তি, নিজেদের পারফরম্যান্স, অভিজ্ঞতা সবকিছু মিলিয়ে অধরা ট্রফি জয়ের এটাই সেরা সুযোগ। কখনোই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা না জেতার আক্ষেপ ঘোঁচাতে চোখ রাখছে মাশরাফির দল। আগামী ১৯ জানুয়ারি হাইভোল্টেজ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে টাইগাররা।শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে শেষ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২০০৯ সালের শিরোপা নির্ধারণীতে লঙ্কানদের কাছে ২ উইকেটে হারের হতাশায় ডুবেছিল লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। এবার প্রথমবারের মতো শিরোপা দেশে রেখে দিতে আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা। এরই লক্ষ্যে শুভ সূচনাও হয়ে গেল।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
বিচ্ছেদ চান না অপু, আসেননি শাকিব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46230 Hazarika46230Pratidin Mon, 15 Jan 2018 18:14:17 +0000 -Hazarika অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও অভিনেতা শাকিব খানঅভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে পাঠানো শাকিব খানের তালাকনামা (ডিভোর্স লেটার) পাঠানোর প্রেক্ষিতে সালিশি বৈঠক ডাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516018581.jpg
বিচ্ছেদ চান না অপু, আসেননি শাকিব
বিচ্ছেদ চান না অপু, আসেননি শাকিব

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও অভিনেতা শাকিব খানঅভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে পাঠানো শাকিব খানের তালাকনামা (ডিভোর্স লেটার) পাঠানোর প্রেক্ষিতে সালিশি বৈঠক ডাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩ । সোমবারের (১৫ জানুয়ারি) ওই বৈঠকে অপু বিশ্বাসই উপস্থিত হলেও যাননি শাকিব খান। এমনকি শাকিবের কোনো প্রতিনিধিও সেখানে উপস্থিত হননি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএনসিসি অঞ্চল ৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, অপু বিশ্বাস একাই এসেছিলেন। তিনি আমাদের একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন। সেখানে অপু বিশ্বাস জানান, তাকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করা হয়েছে। তার একটি সন্তান রয়েছে এবং তিনি সংসার করতে চান। তিনি তালাক চান না। ‘যেহেতু শাকিব খান উপস্থিত হননি তাই নিয়মানুযায়ী আমরা নতুন একটি তারিখে তাদের উপস্থিত হবার জন্য চিঠি ইস্যু করেছি, আর সেটা হচ্ছে আগামী ১২ ফেরব্রুয়ারি। ওইদিন দুইজনকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়েচে।’গত বছর ২২ নভেম্বর আইনজীবীর মাধ্যমে অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠান শাকিব খান। যার একটি অনুলিপি ডিএনসিসি অঞ্চল-৩ এ পাঠানো হয়। যদিও ওই অনুলিপির সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেননি শাকিব। এর প্রেক্ষিতে নিয়ম অনুযায়ী, ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ শাকিব-অপুর বিচ্ছেদ ইস্যু মীমাংসা করার জন্য আরও দু’বার বৈঠক ডাকবে। এতেও যদি তারা নিজেদের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে পুনরায় সংসার করতে চান তা পারবেন। নয়তো বিচ্ছেদ কার্যকর হয়ে যাবে।২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের গোপনে বিয়ের করেন। আব্রাম খান জয় তাদের একমাত্র ছেলে। ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪ এ উপস্থিত হয়ে তা প্রকাশ করেন অপু। এ সময় তার সঙ্গে ছিল ছয় মাস বয়সী আব্রামও। সেদিনই প্রথম শাকিবের স্ত্রীর দাবি নিয়ে সামনে আসেন অপু। আর এ নিয়ে তখন থেকেই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
তৌহিদ-আফিফের নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় যুবাদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46223 Hazarika46223Pratidin Mon, 15 Jan 2018 14:15:14 +0000 -Hazarika অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শুরুতে নামিবিয়াকে হারিয়ে শুভসূচনা করেছিল বাংলাদেশি যুবারা। আজ দ্বিতীয় জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে এক পা দিয় রাখল দলটি। টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেওয়ার পথে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516004176.jpg
তৌহিদ-আফিফের নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় যুবাদের
তৌহিদ-আফিফের নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় যুবাদের

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শুরুতে নামিবিয়াকে হারিয়ে শুভসূচনা করেছিল বাংলাদেশি যুবারা। আজ দ্বিতীয় জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে এক পা দিয় রাখল দলটি। টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেওয়ার পথে কানাডা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৬৬ রানে হারিয়েছে সাইফ হাসানের দল।

ওভালের লিঙ্কন গ্রাউন্ডে টস হেরে প্রতিপক্ষের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে তৌহিদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৬৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯৮ রানে অলআউট হয়েছে কানাডা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ৫ উইকেট নিয়ে কানাডা যুবাদের ইনিংস ধসিয়ে দেন আফিফ হোসেন।

জয়ের জন্য ২৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ধীরভাবেই এগোচ্ছিল কানাডা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটসম্যানরা। তবে দলীয় ৩৩ রানেই তাদের ব্যাটিং লাইনে আক্রমণ করে বসেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন। তার অফস্পিনে পথ হারিয়ে মাহিদুল ইসলাম অনিকের হাতে স্টাম্পিং হয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার রানধির সানদু। দলীয় ৭৮ রানে আফিফের দ্বিতীয় শিকার হোন প্রনভ শর্মা। তবে ওয়ানডাউনে নেমে কানাডা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন আরসালান খান। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংসটি খেলেন দলীয় এ অধিনায়ক। ১০৮ বলে ৪ টি চারে এ ইনিংস খেলে আফিফের বলে মাহিদুল ইসলামের হাতে তালুবন্দি হোন তিনি।এছাড়া দলটির হয়ে আকাশ গিল ২২ ও কেভিন সিং ২৪ রান করেন। ২৬ রানে অপরাজি ছিলেন কাভিয়ান নারেস।

বল হাতে ৫ উইকেট নিয়ে কানাডার টপ অর্ডারে বিপর্যয়ে ডেকে আনেন আফিফ হোসেন। দুটি উইকেট পান হাসান মাহমুদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন কাজী অনিক, রবিউল হক ও সাইফ হাসান।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১ রানেই ওপেনার পিনাক ঘোষকে হারিয়ে বিপদে পড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দলীয় ২৯ রানে অধিনায়ক সাইফ হাসানের আউটে সেই বিপদ বাড়তে থাকে। তবে তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে বাংলাদেশের বিপর্যয় সামাল দেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। ৩ রানের জন্য ফিফটি হাতছড়া করেন নাঈম। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে রোমেল শাহজাদের শিকার হয়েছেন তিনি। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে বাংলাদেশকে অনেকদূর এগিয়ে দেন তৌহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন। তাদের ১১১ রানের জুটিতে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। শেষ দিকে ১৯ রান করেন আমিনুল ইসলাম।

কানাডা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ৫টি উইকেট নেন ফয়সাল জামখান্দি। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন রোমেল, গিল ও জোশি।

ব্যাট হাতে ফিফটির পর বল হাতে ৫ উইকেটের জন্য ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন।

সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
]]>
থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত ফুয়াদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=46222 Hazarika46222Pratidin Mon, 15 Jan 2018 13:56:24 +0000 -Hazarika হঠাৎ একটি ভিডিও বার্তায় ভক্তদের হতভম্ব করে দিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফুয়াদ আল মুক্তাদির। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) দিনগত রাত ৩টা ৮ মিনিটে ফুয়াদ তার ফেসবুক পেজ থেকে http://www.hazarikapratidin.com/2018/01/14/1516003503.jpg
থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত ফুয়াদ
থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত ফুয়াদ

হঠাৎ একটি ভিডিও বার্তায় ভক্তদের হতভম্ব করে দিলেন সঙ্গীতশিল্পী ফুয়াদ আল মুক্তাদির। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) দিনগত রাত ৩টা ৮ মিনিটে ফুয়াদ তার ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানান তিনি থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত! প্রায় দেড় মিনিটের ভিডিও বার্তায় ফুয়াদ বলেন, আমি আপনাদের সঙ্গে একটি মেসেজ শেয়ার করতে চাই। আমি চাই না আমার বন্ধুরা কেউ তৃতীয় ব্যক্তির কাছ থেকে তথ্যটি জানুক। গত সপ্তাহে আমার শরীরে প্যাপিলারি কার্সিনোমা ধরা পড়েছে। এটি মূলত থাইরয়েড ক্যান্সার। তবে এটি কোন পর্যায়ে আছে এ ব্যাপারে আমি এখনও কিছু জানি না।সবাইকে আশ্বস্ত করে ফুয়াদ আরও বলেন, থাইরয়েড ক্যান্সার অন্য সব ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ। এই রোগ নিয়ে বেঁচে থাকার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ইনশাল্লাহ আমি সুস্থ হয়ে উঠবো। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।১৯৮৮ সালে আট বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা হন ফুয়াদ। সেখানেই পড়াশোনার পাশাপাশি গান নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তিনি। ১৯৯৩ সালে তিনি ‘যেফির’ নামের একটি ব্যান্ড দল গঠন করেন। পরে অবশ্য দলটি ভেঙে যায়।বাংলাদেশের সঙ্গীতে ফুয়াদ নতুন মাত্রা যোগ করেন। তরুণ প্রজন্মের অনেক শিল্পী তার সুর আর সঙ্গীত পরিচালনায় গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পরিবার নিয়ে অবস্থান করছেন ফুয়াদ।এদিকে গত শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ইউটিউবে প্রকাশ পায় ফুয়াদের সঙ্গীত পরিচালনায় হাবিব ওয়াহিদের ‘চলো না’র মিউজিক ভিডিও। গানটিও বেশ প্রশংসিত হয়েছে। আর এমন সময়েই ফুয়াদ অসুস্থতার খবর দিয়ে সবার মন খারাপ করে দিলেন।

]]>