http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - বদলে যাচ্ছে শায়েস্তাগঞ্জ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100869 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606214111_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606214111_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শিল্পায়নের ছোঁয়ায় দিন দিন বদলে যাচ্ছে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা। এক সময়ের অবহেলিত এ জনপদ এখন শিল্পনগরে পরিণত হয়েছে। গ্রামীণ জনপদেও এখন বড় বড় অট্টালিকা; বছর ছয়েক আগেও যা কল্পনার বাইরে ছিল। যে জমিতে ধান চাষ করা লাগতো কলাগাছের ভেলায় চড়ে, সেই জমিতে এখন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর শিল্প-কারখানা।<br><br>দেশের অন্যতম বৃহত্তম শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার ডেনিমস লিমিটেড, স্কয়ার টেক্সটাইল, তাফরিদ কটন মিলস, সিপি বাংলাদেশ লিমিটেডের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কারখানা বা উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে। এখানে জমি কিনেছে রূপায়ন গ্রুপ, বাদশা গ্রুপসহ অনেক শিল্পগোষ্ঠী। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশেই শিল্প-কারখানাগুলো স্থাপন করায় সারাদেশের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছে প্রতিষ্ঠানগুলো। বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠায় সুফল পাচ্ছেন হবিগঞ্জ জেলার মানুষ। পুরো উপজেলায় কমেছে বেকারত্ব সমস্যা, স্বাবলম্বী হয়েছেন হাজারো মানুষ।<br><br>শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ২০১১ সালে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুরে ৭৫০ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলে হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক। উৎপাদনে যায় ২০১৩ সালে। ২০১৪ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এ শিল্প-কারখানার উদ্বোধন করেন।<br>কারখানায় বর্তমানে ফ্রুট ড্রিংকস, বেভারেজ, ক্যান্ডি, লিকুইড গ্লুকোজ, বিস্কুট, কনফেকশনারি, ক্যাবলস, ফ্যান, মেলামাইন, বাইসাইকেল, এমএস ও জিআই পাইপ, টয়লেট্রিজসহ ৪৪টি উৎপাদন লাইনে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী উৎপাদন করা হচ্ছে।<br><br>অলিপুরে গড়ে ওঠা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রায় ২২ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। এখানকার উৎপাদিত পণ্য বর্তমানে বিশ্বের ১৪২টি দেশে রফতানি হচ্ছে। হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হাসান মো. মঞ্জুুরুল হক and nbsp; বলেন, ‘অলিপুরে গড়ে ওঠা প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রায় ২২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এখানে কর্মরত লোকবলের ৮০ শতাংশই স্থানীয়। কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শায়েস্তাগঞ্জ এলাকায় উন্নত শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও কাজ করছে গ্রুপটি। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ কারখানার পাশেই প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।’<br><br>তিনি বলেন, ‘পরিবেশ দূষণরোধে আমাদের চারটি ইটিপি (বর্জ্য শোধনাগার) রয়েছে। ইটিপির মাধ্যমে পানি শোধন হয়ে নদীতে যাচ্ছে। আমরা বাংলাদেশে প্রথম একটা উদ্যোগ নিচ্ছি ইটিপির পানি শোধন করে নিজেরাই ব্যবহার করব।’ অন্যদিকে অলিপুরেই ২০১৩ সালে স্কয়ার গ্রুপ ডেনিম কাপড় উৎপাদনের জন্য কারখানা নির্মাণকাজ শুরু করে। ২৯৪ বিঘা জমির ওপর নির্মিত স্কয়ার ডেনিম কারখানা ও স্কয়ার টেক্সটাইল। এখন পর্যন্ত কারখানাটিতে স্কয়ার গ্রুপ বিনিয়োগ করেছে প্রায় চারশ কোটি টাকা।<br><br>কারখানাটিতে বর্তমানে এইচঅ্যান্ডএম, নেক্সট, সিঅ্যান্ডএ, স্পিরিটসহ বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের জন্য ডেনিম কাপড় প্রস্তুত করছে স্কয়ার ডেনিম। এ ব্যাপারে স্কয়ার ডেনিমস লিমিটেডের এজিএম (প্রশাসন) মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মূলত বিদেশি ক্রেতারা প্রথমে ডেনিম কাপড় পছন্দ করে। পরে সেই কাপড়ে বাংলাদেশি কারখানায় জিন্স প্যান্ট, জ্যাকেট তৈরি হয়। এগুলো রফতানি হয় বিভিন্ন দেশে।’<br><br>এসব শিল্পকারখানায় কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় অশিক্ষিত নারী-পুরুষরাও এখন চাকরি করে জীবনযাপন করছেন। একসময়ের প্রত্যন্ত অঞ্চল এখন ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে শিল্পনগরী। শিল্পায়নের সুবাদে এ এলাকার মানুষ চাকরি ছাড়াও নানারকম ব্যবসা-বাণিজ্য করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। মালামাল সরবরাহের ঠিকাদারি, ওয়েস্টেজ, কাঁচামাল, ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিসহ হরেক রকমের ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন স্থানীয় লোকজন।<br><br>শায়েস্তাগঞ্জের বাইরে থেকে যারা এসে এখানকার বিভিন্ন অঞ্চলে চাকরি করছেন, তারা সপরিবারে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন আশপাশে। এ সুবাদে গ্রামাঞ্চলের মানুষও বাড়ি ভাড়া দিয়ে আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকায় এলাকার তরুণদেরও বেকারত্ব ঘুচছে। ফলে তাদের বিপথগামী হওয়ার শঙ্কায় ভুগতে হচ্ছে না অভিভাবকদের। সেজন্যই এ এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক গ্রহণ অনেকটা নেই বললেই চলে।<br><br>অন্যদিকে এলাকায় শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় কমেছে কৃষির উৎপাদন। কৃষিকাজে অনীহা দেখা দিচ্ছে সাধারণ মানুষের। কৃষিকাজে বিনিয়োগ না করে এলাকাবাসী বিনিয়োগ করছেন অন্যখাতে। জায়গা-জমি বিক্রি করে বাসিন্দারা ব্যাংকে নির্দিষ্ট মেয়াদে টাকা রেখে এর লভ্যাংশ নিচ্ছেন।<br>এদিকে শিল্পায়নের ফলে এলাকার জমির দাম বেড়েছে শতকপ্রতি পাঁচ থেকে সাতগুণ। যারা জমি কিনে বিনিয়োগ করেছেন তারা অনেক লাভবান হয়েছেন। শিল্পায়নের ছোঁয়ায় এলাকায় বেড়েছে কোটিপতিরও সংখ্যা। কেউ জমি বিক্রি করে, কেউ জমি কেনাবেচায় মধ্যস্থতা করে, আবার কেউ কেউ ব্যবসা-বাণিজ্য করে লাখপতি থেকে হয়ে গেছেন কোটিপতি। এসব শিল্পকারখানা দেশের অর্থনীতিতে রাখছে বড় ভূমিকা।<br><br>এ বিষয়ে হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ-৩) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির বলেন, ‘আমি জাতীয় সংসদে অসংখ্যবার প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হবিগঞ্জে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। হবিগঞ্জে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ও বিদুৎ মজুত রয়েছে, যা শিল্পকারখানা করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘হবিগঞ্জে কৃষিজমির দাম কম। এসব বিষয় আমি সংসদে তুলে ধরার ফলে দেশের বড় বড় শিল্পপতিরা শায়েস্তাগঞ্জসহ হবিগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় তাদের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। এতে শিল্পায়নের সুফল পাচ্ছে হবিগঞ্জের মানুষ। স্থানীয়রা যেমন চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য করে স্বাবলম্বী হয়েছেন, তেমনি অন্য জেলার মানুষও এর সুফল পাচ্ছেন।’</body></HTML> 2020-11-24 16:34:01 1970-01-01 00:00:00 বাইডেনের মন্ত্রিসভার ছয় সদস্যের নাম ঘোষণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100868 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213923_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213923_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার ছয় সদস্যের নাম ঘোষণা করেছেন। এদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক পদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন। ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরকারী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব দিয়েছেন জো বাইডেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় বাইডেন বলেছিলেন, তিনি ক্ষমতা হাতে পাওয়ার প্রথম দিনই আমেরিকাকে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফিরিয়ে নেবেন। বারাক ওবামার শাসনামলের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন এবং জ্যাক সুলিভান পেয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব। ব্লিংকেন ও সুলিভান দু’জনই ২০১৫ সালে জন কেরির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে ইরানের সঙ্গে ছয় জাতিগোষ্ঠীর পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।<br><br>সোমবার তার মন্ত্রিসভার ছয় সদস্যের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে বলেন, 'আমি এমন একটি টিম নিয়ে কাজ করতে চাই যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার ভাবমর্যাদা পুনরুদ্ধার করতে আমাকে সাহায্য করবেন যাতে আমি বিশ্বের সামনে থাকা বৃহৎ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারি।'<br>জো বাইডেন মন্ত্রিসভার অপর তিন সদস্য হলেন অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী আলেজান্দার মায়োরকাস, জাতিসংঘে আমেরিকার স্থায়ী প্রতিনিধি লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক অ্যাভরিল হাইনেস।<br><br>তবে বাইডেন এমন সময় তার সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলেন যখন এখনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার নির্বাচনী দল সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি। তারা বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে কথিত নির্বাচনী জালিয়াতি ও কারচুপির অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। এসব অভিযোগের সবগুলো এরইমধ্যে খারিজ হয়ে গেলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন।</body></HTML> 2020-11-24 16:31:39 1970-01-01 00:00:00 মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100867 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213724_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213724_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এসব অস্ত্র সংরক্ষণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে ছয় মাসের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৫ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করার সিদ্ধান্তের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট করা হয় হাইকোর্টে। আইনজীবী জেড আই খান পান্না এবং মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়।<br><br>আবেদনে 'মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্র বেচতে চায় সরকার' শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় গত ৫ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়।<br>রিট আবেদনে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহার করা অস্ত্র বিক্রি/আগ্নেয়াস্ত্র স্থানান্তর কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অবিলম্বে ওই সব অস্ত্র সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং ওই সব অস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কোনো সংগঠনের কাছে হস্তান্তরের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। এছাড়া রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রি ও স্থানান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদন করা হয়।<br><br></body></HTML> 2020-11-24 16:27:26 1970-01-01 00:00:00 ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে পরিবারের চারজনকে হত্যা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100866 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213410_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213410_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভারতীয় টিভি সিরিয়াল ‘ক্রাইম পেট্রোল’ দেখে নিজের ভাই, ভাবিসহ পুরো পরিবারকে হত্যা করতে প্ররোচিত হয় রায়হানুর রহমান ওরফে রেহানুল (৩২) নামে এক যুবক। and nbsp; and nbsp; পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে কোমলপানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভিকটিমদের খাওয়ানো হয়, এরপর ঘুমন্ত অবস্থায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে প্রত্যেকের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। চলতি বছরের অক্টোবরে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি রেহানুলকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঘটনার মাত্র ১ মাস ৫ দিনের মাথায় রোববার (২২ নভেম্বর) আদালতে মামলার চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি।<br><br>মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক। and nbsp; গত ১৫ অক্টোবর সাতক্ষীরার কলারোয়ার একটি পরিবারের চার সদস্যের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- রেহানুলের ভাই শাহিনুর রহমান, শাহিনুরের স্ত্রী সাবিনা, মেয়ে তাছনিম ও ছেলে সিয়াম। পরে মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা রেহানুলকে গ্রেফতার করে সিআইডি।<br><br>অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক বলেন, গ্রেফতার রেহানুল দীর্ঘদিন ফেনসিডিলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ (ডিসাপেন-২) সেবন করতেন। এক সময় ফেনসিডিলসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এবং জেলও খাটে। এরপর স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রেহানুল বেকার অবস্থায় ভাই ও ভাবির সংসারে থাকতে শুরু করেন। ভাবি সাবিনা খাতুন মাঝেমধ্যে টাকার জন্য খারাপ আচরণ করতেন। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদ ও বেকার জীবনে ভাবির দূর্ব্যবহারের কারণে এক সময় ভাই-ভাবিসহ পুরো পরিবারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন রেহানুল।<br><br>তিনি বলেন, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থানীয় মো. আবু জাফরের দোকান থেকে দুইটি কোমলপানীয় কিনে তার মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ঘুমের ওষুধ মেশানো এ পানীয় তিনি তার ভাই, ভাবি, ভাতিজি ও ভাতিজাকে পান করতে দেয়। তারা খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে রাত ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে চাপাতি দিয়ে প্রথমে তার ভাই এবং পরবর্তীতে ভাবিসহ বাকিদের হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের পর রেহানুল আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু তার আগেই সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিসহ রক্ত মাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়। ঘটনার মাত্র এক মাস ৫ দিনের মাথায় ২২ নভেম্বর সিআইডি আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করতে সক্ষম হয়। <br></body></HTML> 2020-11-24 16:22:17 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৩২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৩০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100865 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213177_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606213177_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার সাড়ে আট মাসের মাথায় এসে ভাইরাসটিতে শনাক্তের সংখ্যা সাড়ে চার লাখ ছাড়াল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৩০ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৪ লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ জন। এছাড়া নতুন করে আরও ৩২ জনের প্রাণ গেছে করোনায়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৪৮ জনে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br><br>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সরকারি ও বেসরকারি ১১৭ ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ১৮টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ২৬ লাখ ৮০ হাজার ১৪৯টি। এসব পরীক্ষায় ৪ লাখ ৫১ হাজার ৯৯০ জন শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২৬৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৭ জন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও নারী সাতজন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে চার জন, রাজশাহী বিভাগে তিন জন ও রংপুর বিভাগে এক জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালেই ৩১ জন আর বাড়িতে এক জন মারা গেছেন।<br><br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন , ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু খবর আসে ১৮ মার্চ। আসন্ন শীতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। কঠোর হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে। ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে।</body></HTML> 2020-11-24 16:17:39 1970-01-01 00:00:00 উত্তর-পশ্চিম দিকে সরছে ঘূর্ণিঝড় নিভার, উত্তাল হচ্ছে সাগর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100864 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606212979_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606212979_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঘূর্ণিঝড় নিভারে পরিণত হওয়া দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিমে সরে ঘনীভূত হয়ে এগিয়ে আসতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ায় আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুল রশীদ বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে পরবর্তী নির্দেশনা সাবধানতার সাথে পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।<br><br>আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চলের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চট্টগ্রামে ৩০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্য স্থানে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য কোনো সতর্ক বাণী নেই এবং কোনো সংকেত দেখাতে হবে না।<br><br></body></HTML> 2020-11-24 16:15:51 1970-01-01 00:00:00 বিবিসির শীর্ষ ১০০ নারীর তালিকায় ২ বাংলাদেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100863 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606212815_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606212815_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"><span style="font-weight: bold;">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে একশ জন নারীর একটি তালিকা প্রকাশ করে বিট্রিশভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি। চলতি বছরও এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মূলত বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা দান এবং প্রভাব বিস্তারের ওপর ভিত্তি করে একশ জন নারীকে নিয়ে এ তালিকা তৈরি করা হয়।<br>২০২০ সালের বিবিসির এই নারীদের তালিকায় বাংলাদেশের দু'জন নারী স্থান পেয়েছেন। এর মধ্যে একজন হলেন যৌনকর্মী রিনা আক্তার এবং অন্যজন রিমা সুলতানা রিমু। তিনি একজন শিক্ষক এবং কক্সবাজারের ইয়াং উইমেন লিডার্স ফর পিস এর একজন সদস্য।<br><br>বিবিসি বলছে, এবার ১০০ নারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশকিছু বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। যারা পরিবর্তন আনতে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং মহামারির এই কঠিন সময়েও তাদের কাজের মাধ্যমে নিজেদের আলাদা করতে সক্ষম হয়েছেন মূলত তাদেরই এ তালিকায় রাখা হয়েছে। রিনা আক্তারকে মাত্র আট বছর বয়সে তার এক আত্মীয় একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছিল। সেখানেই তিনি বেড়ে ওঠেন এবং পরে যৌনকর্মী হিসেবে দিন কাটে রাত। কিন্তু এখন তিনি অন্য যৌনকর্মীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।<br><br>করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও রিনা ও তার টিম ঢাকায় প্রতি সপ্তাহে অন্তত চারশ যৌনকর্মীকে খাবার সরবরাহ করেন। এসব যৌনকর্মী মহামারির কারণে চরম অর্থনৈতিক দুরবস্থায় পড়েছেন। রিনা আক্তার বলেন, ‘লোকজন আমাদের পেশাকে ছোট করে দেখে। কিন্তু আমরা খাবার কেনার জন্যই এই পেশায় থাকতে বাধ্য হয়েছি। আমি চেষ্টা করছি যাতে এই পেশার কাউকে না খেয়ে না থাকতে হয় এবং তাদের বাচ্চাদের যেন এই অসম্মানজনক কাজ করতে না হয়।’<br><br>অপরদিকে শিক্ষক রিমা সুলতানাও এই মহামারির মধ্যে কাজ চালিয়ে গেছেন। এই কর্মসূচি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব উইমেন পিসবিল্ডার্সের অংশ। এর মূল উদ্দেশ্য সংঘাতপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা তরুণ নারীদের ক্ষমতায়ন করা, যাতে তারা নেতৃত্ব দেয়া ও শান্তির দূত হিসেবে পরিণত হতে পারেন।<br>রিমা তার মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিস্থিতি মোকাবিলায়। রোহিঙ্গা শরণার্থী বিশেষ করে নারী ও শিশু যাদের শিক্ষার সুযোগ নেই তাদের জন্য লিঙ্গ সংবেদনশীল ও বয়সভিত্তিক সাক্ষরতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তিনি।<br><br>রেডিও ব্রডকাস্ট ও থিয়েটার পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে জাতিসংঘের সিদ্ধান্তগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও কাজ করেছেন তিনি। এই শিক্ষক বলেন, ‘বাংলাদেশ লিঙ্গ সমতা আনতে অঙ্গীকারবদ্ধ। অধিকার আদায়ের জন্য নারীর শক্তিতে আমি বিশ্বাস করি।’</body></HTML> 2020-11-24 16:12:33 1970-01-01 00:00:00 অবশেষে ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি ট্রাম্প http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100862 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606190274_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606190274_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে বিজয়ী জো বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করতে রাজি হয়েছেন। তিনি বলেছেন, হস্তান্তর প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থার যা করার প্রয়োজন করুক। দি জেনারেল সার্ভিস এডমিনিস্ট্রেশন বা জিএসএ বলছে, তারা বাইডেনকে 'আপাত বিজয়ী' হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে। খবর বিবিসির<br><br>মূলত মিশিগানে নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্টিফায়েড হওয়ার পরপরই বাইডেনের জয় চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করে। বাইডেন টিম ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে বাইডেন টিম বলেছে, 'মহামারি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতিতে গতি আনাসহ জাতির সামনে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় আজকের এই সিদ্ধান্তটি ছিলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।'<br><br>ক্ষমতা হস্তান্তের রাজি হওয়ার বিষয়ে এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় থাকা জিএসএ বাইডেন শিবিরকে জানিয়েছেন যে তারা প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। প্রশাসক এমিলি মারফি বলেছেন, তিনি নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য ৬৩ লাখ ডলার অবমুক্ত করেছেন।<br>তবে 'ভালো লড়াই' চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, 'জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এমিলি ও তার টিমের করনীয় কাজটাই করা উচিত এবং আমার টিমকেও তাই বলেছি।'<br><br>মারফিকে ট্রাম্পই জিএসএ প্রধান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনের ফল সার্টিফিকেশন ও আইনি চ্যালেঞ্জসহ সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহকে তার সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তবে হোয়াইট হাউজের দিক থেকে কোনো চাপের বিষয়টি তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।<br>মারফি বাইডেনকে দেয়া চিঠিতে বলেন, 'আমি পরিষ্কার করতে চাই যে আমি প্রক্রিয়াটি বিলম্বিত করতে কোনো নির্দেশনা পাইনি। তবে আমি অনলাইনে, ফোনে এবং ই-মেইলে হুমকি পেয়েছি যাতে আমার নিরাপত্তা, আমার পরিবার, কর্মকর্তা এমনকি আমার পোষা প্রাণীটিকে জড়ানো হয়েছে যাতে সময়ের আগেই আমি সিদ্ধান্ত নেই। এমনকি হাজার হাজার হুমকির মুখেও আমি আইনকে সর্বাগ্রে রাখতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলাম।'<br><br>নির্বাচনের পর রুটিন কাজ হিসেবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই রাজনৈতিক শিবির থেকেই এমিলি মারফির তুমুল সমালোচনা হচ্ছিল। ডেমোক্র্যাটরা এটি শুরু করতে তাকে গত সোমবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল।</body></HTML> 2020-11-24 09:57:24 1970-01-01 00:00:00 এক লাখ ২৩ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, চারজনের কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100861 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185947_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185947_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">এক লাখ ২৩ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানীর হাজারীবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। and nbsp; সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) তাপস কুমার পাল এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিচারক কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করেছেন এবং অনাদায়ে এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।<br><br>পিপি বলেন, কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন মো. হাসান আলী, জসীমউদ্দীন, সালাউদ্দিন ও মিজানুর রহমান। এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ এক লাখ ২৩ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তারা হাজারীবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে। এরপর ওই বছরের ১৪ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। অভিযোগ গঠনের পরে ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।<br><br></body></HTML> 2020-11-24 08:45:24 1970-01-01 00:00:00 আমিরাতে ব্যবসার শতভাগ মালিক হতে পারবেন বিদেশিরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100860 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185866_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185866_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>স্থানীয় কোনো পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই এখন থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবসার শতভাগ মালিক হতে পারবেন। আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের এক ডিক্রি (ফরমান) জারির মাধ্যমে এ সুযোগ তৈরি হলো। সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এক প্রতিবেদনে জানায়, প্রেসিডেন্টের ডিক্রি অনুযায়ী যেসব কোম্পানি দেশটিতে নিজেদের শাখা খুলতে চায় তাদের ক্ষেত্রেও মালিকানার এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।<br><br>বিনিয়োগ এবং প্রকল্পের ক্ষেত্রে আরব আমিরাতকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে আরও এক ধাপ অগ্রগতির কথা চিন্তা করেই আইন সংশোধনের পর এমন ডিক্রি জারি করা হয়েছে। ২০১৫ সালে প্রণীত বিদেশি মালিকানা সংক্রান্ত আইনের ৫১টি ধারা সংশোধন করে ডিক্রি জারি করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আইন সংস্কারের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষনীয় স্থান হয়ে উঠবে আমিরাত।<br><br>প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ডিক্রি জারির ফলে এখন থেকে বিদেশিদের কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আমিরাতের কারো চেয়ারপারসন হওয়া বাধ্যতামূলক থাকছে না। এ ছাড়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর পরিচলনা পর্ষদে অন্তত একজন আমিরাতি নাগরিক থাকারও প্রয়োজন পড়বে না।<br>তবে তেল, গ্যাস ও পরিবহনের মতো কৌশলগত বাণিজ্যিক খাতগুলো অবশ্য নতুন করে প্রণীত এই আইনের আওতায় পড়বে না।<br>দেশটির কোম্পানি আইন-২০১৫ এর ধারা ২ অনুযায়ী আমিরাতে কোনো কোম্পানির সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে পারবেন বিদেশিরা। বাকি ৫১ শতাংশের মালিক হবেন আমিরাতি ব্যক্তি বা কোম্পানি।<br><br></body></HTML> 2020-11-24 08:43:59 1970-01-01 00:00:00 প্রতি কিলোমিটার রাস্তায় খরচ ৮৬ কোটিরও বেশি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100859 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185713_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185713_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">এবার এক কিলোমিটার রাস্তার উন্নয়নে ৮৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা খরচ করবে সরকার। এমনই অস্বাভাবিক ব্যয়ের প্রস্তাবনা দিয়ে চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একনেক সভায় তোলা হচ্ছে যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি। সাড়ে ৪৮ কিলোমিটারের মহাসড়কটির উন্নয়নে মোট ব্যয় হবে চার হাজার ১শ ৮৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। and nbsp; অথচ মাত্র কিছুদিন আগেই হাওড়ের মধ্যে চালু হওয়া ইটনা-মিঠামইন-অস্টগ্রামের সাড়ে ২৯ কিলোমিটারের ‘অল ওয়েদার রোড’ নির্মাণেও কিলোমিটার প্রতি ব্যয় হয়েছে ত্রিশ কোটি টাকারও কম। সে হিসেবেও যশোর ঝিনাইদহ মহাসড়ক উন্নয়নে ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় তিনগুণ বেশি।<br><br>প্রকল্প প্রস্তাবনায় দেখা যায়, ৪৮ দশমিক ৫ কিলোমিটারের মহাসড়কটি সার্ভিস লেনসহ ছয় লেনে রূপান্তরিত করে এশিয়ান হাইওয়ে, সার্ক হাইওয়ে করিডর, বিমসটেক রোড করিডর ও সাউথ এশিয়ান সাব রিজিওনাল ইকোনমিক কো অপারেশন-সাসেক রোড করিডরের সঙ্গে উপ আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ সহজ করতেই গ্রহণ করা হয়েছে প্রকল্পটি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ১৫১ দশমিক ০০৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ, ৬৩ দশমিক ৪২ লাখ ঘনমিটার মাটি ভরাট, ১টি ফ্লাইওভার, ৪টি সেতু, ৫৫টি কালভার্ট, ১২টি ফুটওভারব্রিজ ও ১টি আন্ডারপাস নির্মাণ কাজ। এছাড়া, ১হাজার ৭শ ৮৭ জন পরামর্শক ও প্রায় আড়াই হাজার মানুষ আউটসোর্সিং জনবল হিসেবে কাজ করবে প্রকল্পটিতে।<br><br>গত ১২ই মে ২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া পিইসি সভার কার্যপত্র থেকে জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় সাড়ে ৪৮ কিলোমিটারের মহাসড়কটির উন্নয়নে ৪ হাজার ৪শ ৩০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবনা পাঠায় সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ। যদিও সভায় পুনর্গঠিত ডিপিপিতে ২শ ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা কমায় পরিকল্পনা কমিশন। বলা হয়, চলতি বছরের অক্টোবরে শুরু হয়ে প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। and nbsp; এই প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ২ হাজার ৭শ ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বাকি ১হাজার ৪শ ৮২ কোটি ৪ লাখ টাকা অর্থের যোগান দেবে সরকারের নিজস্ব তহবিল। যা বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।</body></HTML> 2020-11-24 08:41:24 1970-01-01 00:00:00 ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন ফরিদুল হক খান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100858 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185299_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185299_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে রদবদল আসতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে। জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হক খান দুলালকে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্য হিসেবে শপথের জন্য ডাক পেতে পারেন। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) তিনি শপথ নিবেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। and nbsp; আওয়ামী লীগের একটি সূত্রে জানা যায়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ফরিদুল হক খানের পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বুধবার (২৫ নভেম্বর) শপথ অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মন্ত্রণালয়ে নতুন যাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে তাকে প্রতিমন্ত্রী না পূর্ণমন্ত্রী করা হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি ৷<br><br>ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র মৃত্যুতে এ মন্ত্রণালয়টি শূন্য হয়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে এখন পর্যন্ত এই মন্ত্রণালয়ের নতুন কাউকে দায়িত্ব দিয়ে শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বেশ কিছুদিন ধরে এ মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব কে পাচ্ছেন এ নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছিলো। এই আলোচনায় ময়মনসিংহ-৭ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি হাফেজ রুহুল আমিন মাদানীর নামও শোনা গিয়েছিল।<br><br>‘শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাকে ফোন দেওয়া হয়েছে কিনা বা তিনি এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন কিনা’ সোমবার রাতে মোবাইলে ফোন করে জানতে চাওয়া হলে ফরিদুল হক খান বলেন, এ ব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। আমি কোনো ফোন পাইনি। তবে শুনেছি বুধবার এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজনের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে। সেটি হলে মঙ্গলবার দুপুর দুইটা আড়াইটার দিকে হয়তো তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ জুন মারা যান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ। ওইদিন বাসায় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাতেই তাকে রাজধানীর সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর দ্বিতীয়বার তার হার্ট অ্যাটাক করে। এর পরপরই তিনি মারা যান। পরে করোনা পরীক্ষায় তার ফল পজেটিভ আসে। ৫ মাসের বেশি সময় পর মন্ত্রী পাচ্ছে এ মন্ত্রণালয়। <br> </body></HTML> 2020-11-24 08:34:32 2020-11-24 08:38:05 বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে পাঁচ দলের অধিনায়ক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100857 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185155_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606185155_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥ </span><br>দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এবছর হচ্ছে না করোনা মহামারির কারণে। তাই বিদেশি খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে দেশি ক্রিকেটারদের নিয়েই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিপিএলের আদলে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ।তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমানরা যেখানে দীর্ঘ আট মাস পর মাঠে নামার অপেক্ষায় সেখানে অন্যতম তারকা ক্রিকেটার মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নিজের সঙ্গে লড়াই করছেন চোট মুক্ত হবার।<br><br>প্রায় সাত মাসের লম্বা বিরতি কাটিয়ে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে ক্রিকেট ফিরেছিল দেশে। তার মাসখানেক পর টি-টোয়েন্টি কাপ। তবে সব ছাপিয়ে যেটা সবার অপেক্ষা সেটা সাকিব আল হাসান। ক্রিকেট সাত মাস বন্ধ থাকলেও জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় ছিলেন এই বিশ্ব সেরা অল-রাউন্ডার। তাই তার ভক্তরা অপেক্ষা করছে ঝাঁকড়া চুলের নতুন সাকিবকে দেখার।<br><br>সাকিবকে দলে নিয়েছে জেমকন খুলনা। এই দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই দলে ইমরুল কায়েস, আল আমিন হোসেন, এনামুল হক, শফিউল ইসলামদের সঙ্গে রয়েছেন একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার। বলা হচ্ছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে জেমকন খুলনা।<br>খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যেমনটা বলেছেন, ‘কাগজে-কলমে হয়তো আমাদের দলকে অনেক শক্তিশালী মনে হচ্ছে। তবে আমি সবসময়ই একটা কথা বিশ্বাস করি যে মাঠের পারফরম্যান্সটা সবসময়ই মুখ্য থাকবে। আপনি যত বড় নামই থাকেন, যত ভালো ক্রিকেটারই হন। দিনশেষে আপনাকে মাঠে এটা প্রমাণ করতে হবে। তো সেটা প্রমাণের লক্ষ্যেই আমরা নামবো ইনশা আল্লাহ।’<br><br><span style="font-weight: bold;">জেমকন খুলনা:</span> সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, ইমরুল কায়েস, হাসান মাহমুদ, আল-আমিন হোসেন সিনিয়র, এনামুল হক বিজয়, শামীম পাটোয়ারি, আরিফুল হক, শফিউল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী, শহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, জাকির হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু, সালমান হোসেন, জহুরুল ইসলাম অমি।<br>খুলনায় সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের মতো তারকা ক্রিকেটারে ঠাঁসা নয় বেক্সিমকো ঢাকা। এই দলটা বেশ তারুণ্য নির্ভর বলা চলে। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে আছেন জাতীয় দলের রুবেল হোসেন, সাব্বির রহমান, নাঈম হাসানরা তবে আধিক্যটা তরুণদের। যেমন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলী, ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম, তরুণ পেসার মেহেদী হাসান রানা, নাসুম আহমেদরা হারিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে যেকোনো দলকে।<br><br>ঢাকার অধিনায়ক মুশফিক যেমনটা বলছেন, ‘টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা এমন একটা ফরম্যাট যেখানে আসলে রেজাল্ট কখনো গ্যারান্টেড না। হ্যাঁ অবশ্যই টি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। একই সঙ্গে দুইটা বা তিনটা প্লেয়ার ভালো খেললে ওই দিন যেকোনো সময় আপনি জিতে যেতে পারবেন। অনভিজ্ঞ বা তরুণ হতে পারে কিন্তু তারা অনেক ম্যাচিউরড। আমি শেষ ১৫-১৬ বছর খেলেছি একটা বিশ্বকাপও জিততে পারিনি। আমাদের দলে তেমন তিন-চারজন প্লেয়ার আছে ওই টিমের। বিশ্বকাপ জেতার চেয়ে তো বড় চাপের কিছু হতে পারে না। আমি মনে করি ওই রকম মেন্টালিটি বা ম্যাচিউরড প্লেয়ার আছে। তারা যদি নিজেদের মেলে ধরতে পারে আর আমরা সিনিয়র যারা আছি তাদের সাপোর্ট দিতে পারি তাহলে ইনশাআল্লাহ ভালো একটা টুর্নামেন্ট কাটবে।’<br><br><span style="font-weight: bold;">বেক্সিমকো ঢাকা: and nbsp;</span> মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলি, ইয়াসির আলি রাব্বি, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান রানা, মুক্তার আলি, শফিকুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, পিনাক ঘোষ, রবিউল ইসলাম রবি।<br>গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম হতে পারে শিরোপা জয়ের অনন্য দাবিদার। এই দলটায় আছে বেশ কজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার। বর্তমান সময়ে দেশের সেরা পেসার মোস্তাফিজুর রহমান আছেন এই দলে, সঙ্গে মুমিনুল হক, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন। যেমন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে আছেন মাহমুদুল হাসান জয়, মেহেদী হাসান, রাকিবুল হাসান। দলনেতা মোহাম্মদ মিঠুনের কোনো চাওয়া না থাকলেও অপেক্ষায় আছেন নিজের সেরাটা দেয়ার, অপেক্ষা সতীর্থদের সেরাটা দেখার।<br><br>‘নির্দিষ্ট কারও কাছে আমার কোন চাওয়া নেই। ওরা সবাই ওয়ার্ল্ড ক্লাস ক্রিকেটার। ওরা যে টিমেই খেলুক, সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে চাইবে। এখন সবখানেই অনেক কম্পিটিশন। সুতরাং কেউই পিছিয়ে থাকতে চাইবে না। নির্দিষ্ট এক বা দুইজনের ওপর আমার চাওয়া থাকবে না। যার যতটুকু সম্ভব কন্ট্রিবিউট করুক, এটাই আমি চাই। যার যে দিন সুযোগ থাকবে, সে যেন ম্যাচটা জেতাতে পারে।’<br><br><span style="font-weight: bold;">গাজি গ্রুপ চট্টগ্রাম:</span> মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, শরিফুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, তাইজুল ইসলাম, শামসুর রহমান, নাহিদুল ইসলাম, সৈকত আলি, মুমিনুল হক, রাকিবুল হাসান, সঞ্জিত সাহা, মাহমুদুল হাসান জয়, মেহেদী হাসান।<br>টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল স্বীকার করেন, ড্রাফটে কিছু ভুল হয়েছে খেলোয়াড় নিতে। তবে সব চাপিয়ে মাঠে নামলে সেসব আর ছাপ ফেলবে না বলেও জানান তিনি।<br><br>এই দলে তামিম ইকবালের সঙ্গে বড় নাম আছে কেবল তাসকিন আহমেদ আর মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে সবশেষ প্রেসিডেন্টস কাপে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছিলেন ইরফান শুক্কুর। করেছিলেন আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। এছাড়াও আছেন পেসার সুমন খান। যার হাত ধরে প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনালে জিতেছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশ।<br><br>তামিম বলেন, ‘কোন সন্দেহ নাই আমরা ড্রাফটে কিছু ভুল করেছি। আমরা অবশ্যই ড্রাফটে কিছু ভুল করেছি বলেই এই কথা উঠছে। হ্যাঁ, ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা, যেকোনো কিছুই হতে পারে। এখন যারা আছে তাদের অনেককে হয়ত আপনারা-আমরা কাউন্ট করছি না। কিন্তু তারা সবাই দুর্দান্ত কিছু করে ফেলতে পারে।’<br><br><span style="font-weight: bold;">ফরচুন বরিশাল: </span>তামিম ইকবাল, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, ইরফান শুক্কুর, মেহেদী হাসান মিরাজ, আবু জায়েদ চৌধুরী রাহি, তৌহিদ হৃদয়, তানবির ইসলাম, সুমন খান, সাইফ হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ইমন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আবু সায়েম, সোহরাওয়ার্দি শুভ।<br>বাকি দলগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীতে নেই তারকার ছড়াছড়ি। এই দলটা প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্রথম ডাকেই নিয়েছিল অল-রাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই গোড়ালির ইনজুরিতে ছিটকে পড়েছেন এক সপ্তাহের জন্য।<br><br>এছাড়া দলে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানীদের মতো অভিজ্ঞরা। দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এসব নিয়ে চিন্তিত নন। দল হিসেবে খেললে ভালো কিছু করা সম্ভব বলে মনে করছেন আসরের সবচেয়ে তরুণ অধিনায়ক।<br>‘আমার মনে হয় না খুব বেশি সমস্যা হবে। যেটা বললাম তরুণ ক্রিকেটারও অনেক আছে। সবদিকে চিন্তা করলে কম্বিনেশন ভালো।’<br><span style="font-weight: bold;"><br></span><div><span style="font-weight: bold;">মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: </span>মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, শেখ মেহেদী, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, ইবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, রনি তালুকদার, আনিসুল ইমন, রেজাউর রহমান, জাকের আলি অনিক, রকিবুল হাসান (সিনিয়র), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, সানজামুল ইসলাম।</div><div><br></div><div><div class=" bn-story-element"><div class="story-element story-element-text"><div><p><span style="font-weight: bold;">বঙ্গবন্ধু টি–টোয়েন্টি কাপ ২০২০ সূচি</span></p></div></div></div><table class="story-element-table-06a21fe6-787e-4139-aa58-a0fedfc1e09f"><tbody><tr><td>তারিখ</td><td>ম্যাচ</td><td>সময়</td></tr><tr><td>২৪ নভেম্বর</td><td>বেক্সিমকো ঢাকা–মিনিস্টার রাজশাহী</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>ফরচুন বরিশাল–জেমকন খুলনা</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>২৬ নভেম্বর</td><td>জেমকন খুলনা–মিনিস্টার রাজশাহী</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম–বেক্সিমকো ঢাকা</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>২৮ নভেম্বর</td><td>জেমকন খুলনা–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>মিনিস্টার রাজশাহী–ফরচুন বরিশাল</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>৩০ নভেম্বর</td><td>ফরচুন বরিশাল–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>বেক্সিমকো ঢাকা–জেমকন খুলনা</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>২ ডিসেম্বর</td><td>ফরচুন বরিশাল–বেক্সিমকো ঢাকা</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>মিনিস্টার রাজশাহী–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>৪ ডিসেম্বর</td><td>ফরচুন বরিশাল–জেমকন খুলনা</td><td>বেলা ২টা</td></tr><tr><td><br></td><td>বেক্সিমকো ঢাকা–মিনিস্টার রাজশাহী</td><td>সন্ধ্যা ৭টা</td></tr><tr><td>৬ ডিসেম্বর</td><td>গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম–বেক্সিমকো ঢাকা</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>জেমকন খুলনা–মিনিস্টার রাজশাহী</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>৮ ডিসেম্বর</td><td>মিনিস্টার রাজশাহী–ফরচুন বরিশাল</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>জেমকন খুলনা–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>১০ ডিসেম্বর</td><td>বেক্সিমকো ঢাকা–জেমকন খুলনা</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>ফরচুন বরিশাল–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>১২ ডিসেম্বর</td><td>মিনিস্টার রাজশাহী–গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>ফরচুন বরিশাল–বেক্সিমকো ঢাকা</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>১৪ ডিসেম্বর</td><td>এলিমিনেটর (৩য়–৪র্থ)</td><td>বেলা ১–৩০ মি.</td></tr><tr><td><br></td><td>১ম কোয়ালিফায়ার (১ম–২য়)</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>১৫ ডিসেম্বর</td><td>২য় কোয়ালিফায়ার</td><td>সন্ধ্যা ৬–৩০ মি.</td></tr><tr><td>১৮ ডিসেম্বর</td><td>ফাইনাল</td><td>সন্ধ্যা ৭টা</td></tr></tbody></table></div></body></HTML> 2020-11-24 08:29:03 1970-01-01 00:00:00 আগুনে পুড়ল সাততলা বস্তির শতাধিক ঘর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100856 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606184789_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606184789_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক ঘর ও দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার মধ্যরাতে লাগা এই আগুন এক ঘণ্টার বেশি সময়ের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। তবে আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বাবুল মিয়া জানান, গুলশান নিকেতনের পশ্চিম পাশের ওই এলাকাতে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ শুরু করে। রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।<br><br>জানা গেছে, যে স্থানে আগুন লেগেছে সেখানে বসতঘর ও দোকান দু–ই ছিল। আশপাশে প্রচুর টিনের চাল পড়ে থাকতে দেখা গেছে। হঠাৎ আগুন লাগায় দোকান বা ঘরের মালামাল কেউ সরাতে পারেনি। এতে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অনেকে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন।<br>এই বস্তিতে এর আগে ২০১৬ সালে আগুন লেগে শতাধিক ঘর পুড়ে গিয়েছিল।</body></HTML> 2020-11-24 08:26:06 1970-01-01 00:00:00 কানাডায় সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100855 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143620_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143620_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সরকারের সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কাছে কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ সরকারি কর্মকর্তাদের বাড়ির তালিকা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>সোমবার দুদক কার্যালয়েয ঢাকা মহানগ যুবলীগে দক্ষিণের যুবলীগ বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহুমুদ ভূঁইয়য়ার চার্জশিট বিষয়ে জানাতে এসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সংস্থাটির সচিব দিলওয়ার বখত।<br>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দিলওয়ার বলেন, ‘কানাডার বেগমপাড়ায় প্রাথমিকভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের ২৮টি বাড়ির বিষয়ে আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি। এছাড়া অন্যদের বিষয়ে সরকারের কাছে আমরা তালিকা চেয়েছি। তালিকা পেলে কাজ শুরু করব ‘ এদিন সংবাদ সম্মেলনে দিলওয়ার বখত বলেন, ‘যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৫৪ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৮ কোটি ৭৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাচারের অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’ দুদকের এই সচিব বলেন, ‘তদন্তকালে তার নামে ৪২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও আট কোটি ৭৪ লাখ টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।’ অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে ২০১৯ সালে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর এর সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পাশাপাশি সেসময় তার মালিকানাধীন রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ ১৪২ জনকে আটক করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।<br>পরের দিন ১৯ সেপ্টেম্বর বিকালে খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। অস্ত্র, মাদক ও মুদ্রাপাচার আইনে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয় ওই থানায়। আর মতিঝিল থানায় মাদক আইনে করা হয় আরেকটি মামলা।<br>অন্যদিকে ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। ওই মামলায় মামলায় খালেদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।<br>ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। শুদ্ধি অভিযান শুরুর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এ পর্যন্ত ২২টি মামলা দায়ের করে দুদক।<br>দুর্নীতি দমন কমিশন এর পরিচালক সৈয়দ ইকবাল এই টিমের নেতৃত্ব দেন। তিনি ছাড়াও সাত সদস্যের ওই টিমের অপর সদস্যরা হলেন, উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সালাহউদ্দিন আহমেদ, গুলশান আনোয়ার প্রধান, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী, মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী, সাইফুল ইসলাম, আতাউর রহমান।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 বৈদেশিক সহায়তা: ৮৪ থেকে অনুদান নেমেছে ৩ শতাংশে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100854 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143590_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143590_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ায় বৈদেশিক সহায়তায় অনুদানের পরিমাণ ন্যূনতম পর্যায়ে নেমে এসেছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বৈদেশিক সহায়তায় অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৪ থেকে ৮৬ শতাংশ, বাকিটা ছিল ঋণ। এখন সেই অনুদানের পরিমাণ নেমেছে ৩ শতাংশে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের বৈদেশিক সহায়তা সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (২৩ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। গণভবনপ্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।<br>বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বৈদেশিক সহায়তার অবস্থা কী সে বিষয়ে ছিল এই উপস্থাপনাটি। সেখানে ১৯৭১-৭২ থেকে এই পর্যন্ত ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত যদি একটা তুলনা করি সেখানে দেখা যাবে, ১৯৭১-৭২ অর্থবছর আমাদের বৈদেশিক সহায়তার মধ্যে গ্র্যান্ট (অনুদান) ছিল সর্বোচ্চ ৮৪/৮৫/৮৬ শতাংশ, ঋণ ছিল ৬ থেকে ৮ শতাংশ। ম্যাক্সিমামটাই (বেশিরভাগ) দান হিসেবে আসত।’<br>তিনি বলেন, ‘২০০৯-১০ অর্থবছরের দিকে গিয়ে অনুদান এসেছে ৩০ শতাংশের মতো, ৭০ শতাংশের মতো আসল ঋণ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অনুদান আসছে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশের মতো, আর ৯৫ শতাংশই আসছে ঋণ হিসেবে।’<br>‘আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা কিন্তু এটা থেকে বোঝা যাচ্ছে, কীভাবে শিফট হয়ে যাচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুদান আরও কমে গেছে, ২-৩ শতাংশের মধ্যে রয়েছে, ৯৭ শতাংশেই আসছে ঋণ হিসেবে। আমরা আর দানের ওপর নির্ভর করছি না। আমরা আমাদের নিজস্ব দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল।’<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সবচেয়ে মজার বিষয় হলো আমরা রি-পেমেন্টের ক্ষেত্রে কোনো দিনই ডিফল্ডার হইনি। এটা একটা বড় সাকসেস।’<br>তিনি বলেন, ‘১৯৯৭-৯৮ সালে আমাদের (বৈদেশিক সহায়তার) ডিসবার্সমেন্ট (অর্থছাড়) ছিল ৭৪৮ মিলিয়ন ডলার, তখন আমাদের জিডিপির ৩০ দশমিক ৪৭ শতাংশ ছিল ঋণের পরিমাণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমাদের ডিসবার্সমেন্ট হচ্ছে সাত হাজার ১২১ মিলিয়ন ডলার, কিন্তু এটা আমাদের জিডিপির মাত্রা ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর মধ্যে আমাদের ডমেস্টিক ইনভেস্টমেন্ট অনেক বেড়ে গেছে। এত টাকা বাড়ার পরও জিডিপির সঙ্গে এর অনুপাতটা অনেক কমে এসেছে।’<br>‘শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের ৪৪ হাজার ২৩ মিলিয়ন ডলার। এটা জিডিপির ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ঋণের মধ্যে ৩৭ শতাংশ বিশ্বব্যাংকের, ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ এডিবির, জাপানের জাইকার ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ, চীনের ৬ দশমিক ৮১, রাশিয়ার ৬ দশমিক ১৪, ভারতের এক দশমিক ৩ এবং অন্যান্য ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। এই হচ্ছে আমাদের বৈদেশিক ঋণ।’<br>১৯৮৯-৯০ অর্থবছরে আমাদের এডিপি (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) পাঁচ হাজার ১০৩ কোটি টাকা ছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এর মধ্যে বৈদেশিক সাহায্য ছিল তিন হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। এর মানে এডিপির ৬৩ শতাংশ ছিল বৈদেশিক সহায়তা। ২০০৯-১০ অর্থবছরে এডিপির বরাদ্দ ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক সহায়তা ছিল ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এডিপিতে ফরেন এইডের কন্ট্রিবিউশন ছিল ৩৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ।’<br>তিনি বলেন, ‘২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমাদের এডিপি হছে এক লাখ ৭৬ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, বৈদেশিক সাহায্য আসছে ৫১ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। বৈদেশিক সাহায্য বেড়েছে কিন্তু পার্সেন্টেজ নেমে এসেছে ২৯ দশমিক ২৫-এ। আমাদের নিজস্ব বিনিয়োগ এত বেড়েছে যে, বাইরের ঋণ এলেও এটা শতাংশের হারে অনেক নিচে।’<br>খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ঝুঁকি নেই। বৈদেশিক ঋণ যখন জিডিপির ৪০ শতাংশ বা এর বেশি হয়ে যায় তখন ঝুঁকি থাকে। আমাদের জিডিপির তুলনায় বৈদেশিক ঋণ হলো ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আমরা অনেক সেফটিতে আছি আল্লাহর রহমতে।’<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করছি জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০ শতাংশ পর্যন্ত সেফটি রেঞ্জ। আমরা অনেক নিচে আছি।’<br><br><br><br><br></body></HTML> 2020-11-24 20:59:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100853 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143526_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143526_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ২১ ও নারী সাতজন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ছয় হাজার ৪১৬ জন।<br>সোমবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় ১১৭টি ল্যাবরেটরিতে ১৬ হাজার ২৪০টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৬ হাজার ৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৩১টি।<br>এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪১৯ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা চার লাখ ৪৯ হাজার ৭৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ১৮৩ জন। এ নিয়ে সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৬৪ হাজার ৪১১ জন।<br>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।<br>রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৯৩০ জন (৭৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৪৮৬ জন (২৩ দশমিক শূন্য ১৬ শতাংশ)।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৮ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব পাঁচজন এবং ষাটোর্ধ্ব ২১ জন র?য়ে?ছেন।<br>বিভাগ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম চারজন, রাজশাহী দুইজন ও সি?লেট বিভা?গে একজন র?য়ে?ছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:58:00 1970-01-01 00:00:00 পৌর নির্বাচন: আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু আজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100852 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143488_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143488_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত প্রথম ধাপের ২৫টি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের জন্য আবেদনপত্র বিতরণ করবে আজ মঙ্গলবার থেকে। আজ সোমবার দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী শুক্রবার পর্যন্ত চার দিন সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হবে। দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে।<br>সংশ্লিষ্ট জেলা/ উপজেলা/ পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রেজুলেশনে প্রস্তাবিত প্রার্থীরা মনোনয়ন ফ সংগ্রহ করতে পারবেন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং কোনো ধরনের লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।<br>রবিবার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রথম ধাপে ভোট নেওয়া হবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। পৌরসভাগুলো হলো- পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, রংপুরের বদরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম, রাজশাহীর পুঠিয়া ও কাটাখালী, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, পাবনার চাটমোহর, কুষ্টিয়ার খোকসা, চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা, খুলনার চালনা, বরগুনার বেতাগী, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, বরিশালের উজিরপুর ও বাকেরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ, ঢাকার ধামরাই, গাজীপুরের শ্রীপুর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, নেত্রকোনার মদন, সুনামগঞ্জের দীরাই, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড।<br>এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা ১০ ডিসেম্বর।<br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:58:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ শুরু আজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100851 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143312_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143312_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক॥ <br>বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের পর্দা উঠতে যাচ্ছে আজ। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মুশফিকুর রহিমের বেক্সিমকো ঢাকা ও নাজমুল হোসেন শান্তর মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে।<br>দুই দলেই রয়েছে তারুণ্যের আধিক্য। তবে শক্তির বিচারে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে রাজশাহী। প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্রথম ডাকেই দলে নেয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ছিটকে পড়েছেন টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই। রোববার দলীয় অনুশীলনের আগে ফুটবল খেলতে গিয়ে গোড়ালিতে চোট পান এই অল-রাউন্ডার। এতে অন্তত এক সপ্তাহ থাকতে হচ্ছে মাঠের বাইরে। সাইফউদ্দিন ছাড়াও দলে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানী, ফরহাদ রেজা, সানজামুল ইসলামদের মতো অভিজ্ঞরা। আছেন টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য এবাদত হোসেন।অভিজ্ঞরা থাকলেও তরুণদের উপর চোখ রাখতে হবে। গত বিপিএলে গতির ঝড় উঠানো মুকিদুল ইসলাম আছেন দলে।<br>সোমবার অনুশীলন শেষে রাজশাহীর অধিনায়ক শান্ত জানালেন দল নিয়ে নির্ভার তিনি। ‘এখন সবাই সবার জায়গা থেকে ভালোভাবে প্রস্তুত। আমার কাছে মনে হয় সবাই ব্যক্তিগতভাবে নিজের ফিল্ডিং অনুশীলন নিয়মিত করে। যেটা বললাম তরুণ ক্রিকেটারও অনেক আছে। সবদিক চিন্তা করলে কম্বিনেশন ভালো। মনে হয় না ফিল্ডিং সমস্যা হবে। ’ সাইফউদ্দিনের না থাকা নিয়ে শান্ত জানান, ‘সাইফউদ্দিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিল আমাদের। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হয়তো বা প্রথম ছয়-সাতদিন আমরা পাচ্ছি না। প্রেসিডেন্টস কাপে সে পুরোপুরি ফিট ছিল। শতভাগ এফোর্ট দিয়েই খেলেছে।’ রাজশাহীর প্রতিপক্ষ বেক্সিমকো ঢাকায় আছে জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন। কাগজে কলমে এগিয়ে থাকবে মুশফিকের দল। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দারুণ খেলেছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে। নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, মেহেদী হাসান রানা, সাব্বির রহমানদের মতো খেলোয়াড় আছে এই দলে। সব মিলে রোমাঞ্চিত মুশফিক অপেক্ষায় আছেন ভালো একটা টুর্নামেন্টের। আরও জানালেন, নিজের দলটা বেশ ব্যালেন্সড।<br>‘আমরা তো সবাই চাই খুব ভালো একটা টুর্নামেন্ট হবে। এই বছরই প্রথম লোকাল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে। খুবই রোমাঞ্চিত। আশা করছি বেক্সিমকো ঢাকার হয়ে যাতে খুব ভালো একটা শুরু করতে পারি এবং সেটা যেন শেষ করতে পারি। আমি মনে করি সবদিক থেকে আমাদের দলের ব্যালেন্সটাও খুব ভালো আছে। আমাদের এখন মাঠের কাজটা মাঠে করতে হবে।’ ঢাকার মতো বড় দলের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে থাকা মুশফিক প্রতিদান দিতে চান তাকে দলে নেয়ার। ‘সবারই স্বপ্ন থাকে এমন বড় বড় টিমে খেলার। বিশেষত ঢাকায়। আমি খুব ভাগ্যবান যে তারা এবার আমাকে নিয়েছে। আমি চেষ্টা করবো আমার অনুযায়ী প্রতিদান দেয়ার।’<br>বেক্সিমকো ঢাকা: and nbsp; মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলি, ইয়াসির আলি রাব্বি, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান রানা, মুক্তার আলি, শফিকুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, পিনাক ঘোষ, রবিউল ইসলাম রবি।<br>মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, শেখ মেহেদী, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, ইবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, , রনি তালুকদার, আনিসুল ইমন, রেজাউর রহমান, জাকের আলি অনিক, রকিবুল হাসান (সিনিয়র), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, সানজামুল ইসলাম।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:55:00 1970-01-01 00:00:00 হাজী সেলিমের এলাকায় আরো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100850 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143280_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143280_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। সোমবার (২৩ নভেম্বর) বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দিনের এ অভিযানে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আরো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।<br>অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব জামিল। এসময় ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমসহ সংস্থাটির অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আজকের অভিযানে মিটফোর্ড হাসপাতালের পাশের বালুঘাট থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় শতাধিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়া হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের অফিস উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিএর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হাজী সেলিমের ‘চাঁন সরদার কোল্ডস্টোরেজ’ উচ্ছেদ করা হয়নি। ভেতরে কাঁচামাল থাকায় পরে এটি নিজেরাই ভেঙে ফেলবে বলে জানিয়েছে কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ।<br>হাজী সেলিমের কোল্ডস্টোরেজ না ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী জানান, কোল্ডস্টোরেজটির ভেতরে ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল রয়েছে। উচ্ছেদ অভিযান চালালে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সেটি ভাঙা হয়নি। তবে মালামাল সরানোর পর তারা নিজেরাই এটি ভেঙে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি। ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী জানান, সকাল থেকে আমরা এ পর্যন্ত অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি।<br>প্রসঙ্গত, হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বাদামতলী এলাকায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন। রোববার ওয়াইজঘাট থেকে বাদামতলী এলাকা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো শুরু হয়। গতকালের অভিযানে ১৭০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে উদ্ধার হয় নদীতীরের অন্তত তিন একর জমি।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:54:00 1970-01-01 00:00:00 দুবারের সাবেক এমপি একমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা চান! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100849 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143234_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143234_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই। গফরগাঁও থেকে দুবার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য (জাতীয় পার্টি)। দীর্ঘদিন ধরে সর্বস্বান্ত। গফরগাঁও পৌর শহরে দুই কক্ষের ছোট্ট একটি ভাড়া বাসায় আট বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে খেয়ে-না খেয়ে পড়ে আছেন একসময়ের প্রতাপশালী এনামুল হক জজ। সাবেক এই সাংসদের করুণ মানবেতর জীবন দেখে স্তম্ভিত গফরগাঁওয়ের মানুষ।<br>তার স্ত্রী-সন্তান থেকেও নেই। সহায়-সম্পদ যা ছিল সবই প্রথম দুই স্ত্রী ও সন্তানদের লিখে দিয়ে এখন সর্বস্বান্ত তিনি। তাকে দেখার কেউ নেই। শেষ সম্বল ১২ শতক জমি দিয়েছেন মসজিদের নামে। এই অশীতিপর রাজনীতিক বোঝা হয়ে উঠেছেন পরিবারের কাছে। তার দল বর্তমান সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও কোনো দায়িত্ব পালন করছে না সাবেক সাংসদের প্রতি। দল থেকে পাচ্ছেন না কোনো সহায়তা।<br>নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা দাবি করা এনামুল হক জজ ১৯৮৩ ও ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির টিকিটে দুবার সাংসদ নির্বাচিত হন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পালিত মেয়ে, রওশন এরশাদের বোন সাবেক মন্ত্রী মমতা ওয়াহাবের মেয়ের জামাই এনামুল হক জজ জাতীয় পার্টির শাসনকালে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনের প্রতাপশালী এমপি ছিলেন।<br>প্রথম স্ত্রী নাছিমা হক এক মেয়েকে নিয়ে আমেরিকায় থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ঢাকার পুরানা পল্টন ও মিরপুর কাজী পাড়ায় দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার দুটি বাড়িতে থাকেন। সহায় সম্পদ যা ছিল সবই এই দুই স্ত্রী ও সন্তানদের নামে লিখে দিয়েছিলেন জজ। এখন তিনি তৃতীয় স্ত্রী দরিদ্র রোমার সঙ্গে পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় ৮ বছরের শিশুসন্তান নুরে এলাহীকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।<br>সাবেক এমপি ও সেনা কর্মকর্তা এনামুল হক জজের সঙ্গে তার ভাড়া বাসায় কথা হয় এই প্রতিবেদকের। এ সময় তিনি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জানান তার বর্ণাঢ্য অতীত আর জীর্ণ বর্তমান কালের কথা।<br>এনামুল হক জজ বলেন, ‘আমি ক্ষমতায় ছিলাম, কিন্তু আমার শক্তি প্রয়োগ করিনি। আজ আমি ক্লান্ত। এই শেষ জীবনে আমার একটা ঘর দরকার। দেশের একজন প্রবীণ নাগরিক হিসেবে আমি দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা চাই।’<br>এনামুল হক জজ তার স্ত্রীর কল্যাণে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়ে গফরগাঁও থেকে এমপি নির্বাচিত হন। তার পরিবারের কেউ চায়নি তিনি নির্বাচন করুন। তাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে এখন জজই কেবল বেঁচে আছেন।<br>তিনি বলেন, ‘আমি এমপি হলাম। কত অচেনা মানুষ আপন হলো, কত চেনা মানুষ পর হলো। আমার চারদিকে এত লোক ছিল যেন আমি কোনো রাজ্য জয় করেছি। চাওয়ার আগেই সব হচ্ছিল।’<br>মুক্তিযুদ্ধের আগে পশ্চিম পাকিস্তানে ক্যাডেট হিসেবে অধ্যয়নরত ছিলেন এনামুল হক জজ। পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আপ্যায়নকালে তার পরিচয় হয়। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী অনেক সময় পেরিয়ে যায়। আমি চলে আসি আমার প্রিয় মাতৃভূমি পূর্ববাংলায়। এদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালি যুদ্ধসাজে সজ্জিত। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সেদিন আমি আরও অনেক যুবকের মতো যুদ্ধমাঠে শামিল হই।’<br>সেই যাত্রার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্মৃতিতে ডুব দেন জজ, ‘মন্ত্রমুগ্ধের মতো আটজনের একটি দল নিয়ে চলে যাই ভারতের মেঘালয়ে। সেখান থেকে এক মাস পরে ফিরে আসি কিশোরগঞ্জের ফুলতলায়। নির্দেশ আসে হোসেনপুর হয়ে নদী পেরিয়ে গফরগাঁও অপারেশন। একটি বাজারের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে কখনো রাস্তায় কখনো বাড়িঘরের ভেতর দিয়ে যাই। গন্তব্য কালীবাড়ির (বর্তমান গফরগাঁও ইমামবাড়ি) কাছে একটি পাটক্ষেত। সেখানে এসএলআর বিনিময় হবে বিকেল ৪টায়। সময়মতো চলে আসি হোসেনপুর হয়ে নদী পেরিয়ে। হেঁটে চলে আসি গন্তব্যে।<br>‘হঠাৎ দেখি ১০-১২ বছরের একটি ছেলে আমাকে ইশারায় ডাকছে। কাছে গেলাম। একটি চিরকুট হাতে দিয়ে ছেলেটি উধাও। লেখা ছিল ‘তাড়াতাড়ি কেটে পড়ো। সমস্যা আছে।’ নতুন জায়গার কথা লেখা ছিল চিরকুটে। সেখানে পরদিন সন্ধ্যায় যেতে হবে। হঠাৎ পাক বাহিনীর উপস্থিতি টের পাই। পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ধরা পড়লাম।<br>যখন জ্ঞান ফিরল, দেখি আমি গফরগাঁও ডাকবাংলোর আমগাছে ঝুলে আছি। হঠাৎ কানে ভেসে এল ‘এটা মৌলানা সাহেবের লোক।’ আমাকে ছেড়ে দেওয়া হলো। যিনি আমাকে ছাড়িয়েছেন তার কাছে জীবন বাঁচানোর জন্য আমার পরিবার কৃতজ্ঞতা জানাল। তিনি পাঁচবাগ ইউনিয়নের মৌলানা। যিনি কোনো পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তার নাম আমি বলব না, মায়ের নিষেধ ছিল।’<br>সাংসদ থাকাকালে তার ভূমিকা সম্পর্কে এনামুল হক জজ বলেন, ‘একজন মন্ত্রীর যোগ্যতার চেয়ে বেশি শক্তি প্রয়োগ করেছি কিছু অমানুষের ওপর। আমার কাছে সহজে ভালো মানুষ আসতে পারেনি কিছু অমানুষের কারণে। যারা আমার কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন, তাদের সহযোগিতা করেছি দুহাত ভরে। আমি বুঝতাম আমার পাশে থাকা নেতাদের অনেকেই তখন আঙুল ফুলে কলাগাছ। অনেক বড় মন্ত্রীও আমাকে দেখলে সমীহ করত। কেন করত সেটা আমি জানি। আমি গফরগাঁও উপজেলায় দুই দিনের চেষ্টায় রাষ্ট্রপতির আসার ব্যবস্থা করেছিলাম। এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের ব্যবস্থা করেছি। ক্লাব, মসজিদ, মাদ্রাসা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আমি দিয়েছি দুহাত ভরে। আমাকে ব্যবহার করে অনেকে পারিবারিক সুবিধাসহ টাকার পাহাড় করেছে। দিনশেষে আমার হিসাবের খাতা শূন্য।’<br>এনামুল হক জজের দাদা কাজী হালিম উদ্দিন ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, বহুভাষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, মুসলিম রেনেসাঁর একজন অগ্রদূত আলেম, সরকারি চাকরিজীবী, সমাজকর্মী। বাবা আব্দুস ছালাম গফরগাঁও ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ।<br>স্যুট-টাই পছন্দ করতেন এনামুল হক জজ। ময়লা কাপড় কখনো ব্যবহার করেননি তিনি। সে কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘এখন হতশ্রী অবস্থা। গত ১ নভেম্বর পাঞ্জাবিটি পরেছি। আজ ১৬ নভেম্বর। ধোলাই করতে পারছি না সাবান কেনার অভাবে। আমি কখনো কারও টাকা মেরে খাইনি। এখনো অনেকের কাছে অর্ধকোটি টাকা পাই। আমাকে দেখে পালিয়ে যায় কিছু বড়লোক। আমি হাজারো কষ্টের মাঝেও হাসি। তারা আমাকে টাকা দেয় না, আজ তারা শক্তিশালী। বিশ্বাস করুন, আমার খুব কষ্টার্জিত পয়সা এরা নিয়েছে। আজ যখন ২৭০০ টাকা ভাড়ায় ছোট্ট একটি রুমে ঘুমাতে যাই, তখন মনে হয় আগের দিনগুলোর কথা।’<br>নিঃসঙ্গ এই সাবেক সাংসদের পাশে কেউ না থাকলেও সন্তানদের জন্য ঠিকই মন পোড়ে তার। বলেন, ‘আমাকে ছেড়ে চলে গেছে আপনজন। আমার যা ছিল সব দিয়েছি। এতে আমার দুঃখ নেই। আজ ৩৩ বছর কাটছে বড় মেয়ে জয়ার মুখ দেখি না। সাথে আছে পারিসা, রামিমা দুজন। খুব ইচ্ছে করে সন্তানের প্রিয় মুখগুলো দেখতে। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমি। ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত দেহ নিয়ে ঘুমতে যায় প্রতিদিন। সন্তানদের মুখগুলো বহুকাল দেখতে না পেয়ে প্রতি রাতে বুক ফেটে কান্না আসে।’<br>মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম না ওঠায় মনের কষ্টের কথা জানিয়ে এনামুল হক জজ অভিমানী হন। বলেন, ‘আমি দুবার এমপি ছিলাম দাবি করব না কোনো দিন। আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি দাবি করব না কোনো দিন। আমার মুক্তিযুদ্ধের দরখাস্ত যারা ছুড়ে ফেলেছেন, তাদের বলছি তোমরা আমাকে দিলে না, কিন্তু এখনো কিছু অবশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে আছেন, অন্তত তাদের মরণের আগে কিছু করে দিও।’<br>বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ আপনজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গফরগাঁও উপজেলার কৃতী সন্তান আবুল হাসেম এমপি (সাবেক), সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আলাল আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম তার মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ সাক্ষী বলে জানান সাবেক সেনা কর্মকর্তা জজ।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:53:00 1970-01-01 00:00:00 কাজী আনিসের ঢাকার বাড়ি-ফ্ল্যাটসহ বিপুল সম্পদ জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100848 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143197_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143197_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পলাতক সাবেক যুবলীগ নেতা কাজী আনিসুর রহমানের ঢাকার কলাবাগানের পাঁচতলা একটি ভবন, দুটি ফ্ল্যাট এবং পাঁচটি দোকানসহ বিপুল সম্পদ জব্দ করার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>কম্পিউটার অপারেটর থেকে যুবলীগের বিগত কমিটির দপ্তর সম্পাদকের চেয়ারে বসা কাজী আনিসের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকসেদপুরের বাড়ি-পেট্রোল পাম্পসহ অন্যান্য সম্পদও জব্দ করা হয়েছে বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।<br>গত বছর সেপ্টেম্বরে র‌্যাবের অভিযানে ঢাকার বিভিন্ন ক্রীড়া ক্লাবে ক্যাসিনো কারবারে যুবলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততার তথ্য বেরিয়ে আসে। ক্যাসিনোকাণ্ডসহ নানা অনিয়মে যুবলীগের সামনের সারির কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হন। সে সময় কাজী আনিসের কয়েক বছরের মধ্যে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার তথ্য গণমাধ্যমে এলে গা ঢাকা দেন এই যুবলীগ নেতা। পরে ১১ অক্টোবর তাকে বহিষ্কার করে যুবলীগ। and nbsp;<br>এর সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় গত বছরের ২৯ অক্টোবর কাজী আনিস ও তার স্ত্রী সুমি রহমানের বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করে দুদক। আনিসের বিরুদ্ধে মামলায় ‘ক্যাসিনোর কারবারের মাধ্যমে’ ঘোষিত আয়ের বাইরে ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়।<br>এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের আবেদনে সাড়া দিয়ে সম্প্রতি ঢাকার একটি আদালত কাজী আনিসের সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেয় বলে প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান।<br>জব্দ হওয়া সম্পদের বিষয়ে দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, কমিশনের তদন্তে রাজধানীর কলাবাগানে আনিসের পাঁচতলা একটি বাড়ি পাওয়া গেছে। এছাড়া ধানমন্ডি ও ওয়ারীতে তার দুটি ফ্ল্যাট, এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান মার্কেটে তিনটি দোকান ও ১৩ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেস, গুলশান-২ নম্বর এলাকার একটি মার্কেটে দুটি দোকান পাওয়া গেছে।<br>ক্যাসিনোকাণ্ড: যুবলীগের আনিস ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা<br>অন্যদিকে রাজধানীর বাইরে কাজী আনিসের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের মোকসেদপুরের বোয়ালিয়ায় বিলসাবহুল বাড়ি, একটি পেট্রোল পাম্প, ৩০ কোটি টাকার ১৫ বিঘা জমি ও কেরাণীগঞ্জে ৪০ কাঠা জমি পেয়েছে দুদক। এছাড়া আনিসের ৫০ কোটি টাকার ব্যাংক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দুদকের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।<br>যুবলীগের কেন্দ্রীয় অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ২০০৫ সালে কাজ শুরু করেন গোপালগঞ্জের মোকসেদপুরের ছেলে আনিস।<br>সংগঠনের তৎকালীন চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগে ২০১২ সালে উপ-দপ্তর সম্পাদকের পদ পেয়ে যান আনিস। দপ্তর সম্পাদকের পদটি খালি থাকায় ছয় মাসের মধ্যে তাকে ওই পদ দেওয়া হয়।<br>এরপর ঢাকায় একাধিক গাড়ি-বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমির মালিক হয়ে যান কাজী আনিস।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:53:00 1970-01-01 00:00:00 ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ সফর কাল প্রকল্প উঠছে একনেকে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100847 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143170_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143170_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) ছয়টি প্রকল্প অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। তার মধ্যে রয়েছে সম্প্রতি বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর’ প্রকল্পটি। উন্নত জাতের ঘাস চাষ দেখতে প্রকল্পে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের সংস্থান রাখায় এই আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়।<br>প্রকল্প সূত্র বলছে, প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। তার মধ্যে ৩২ জন কর্মকর্তার বিদেশ সফরের জন্য ৩ কোটি ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক কর্মকর্তার পেছনে খরচ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ লাখ করে।<br>এই প্রকল্পটি ছাড়াও আগামীকালের একনেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার বিভাগ/স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘ওয়েস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর অ্যান্ড রিজিওনাল এনহেন্সমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউকেয়ার) ফেজ-১: রুরাল কানেকটেভিটি, মার্কেট অ্যান্ড লজিস্টিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইম্প্রোভমেন্ট (আরসিএমএলআইআইপি)’ প্রকল্প; স্থানীয় সরকার বিভাগ/স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘ইউকেয়ার ফেজ-১: ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়ক (এন-৭) উন্নয়ন’ প্রকল্প; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ‘পায়রা বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো/সুবিধাদির উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি স্থাপন প্রথম পর্যায় (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প অনুমোদন হওয়ার কথা রয়েছে।<br>আর পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিংগাপোতা হাওরের অভ্যন্তরে খাল পুনঃখনন ও ফসল পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ প্রকল্পটি একনেক সভাকে অবহিত করা হবে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:52:00 1970-01-01 00:00:00 প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100846 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143141_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143141_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের নিজ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করবেন। সোমবার এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) এক চিঠি দেয়া হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মূল্যায়ন কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। সোমবার প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্ব স্ব ক্লাসের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে পরবর্তী ক্লাসে তুলতে বলা হয়েছে। প্রথম থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত মূল্যায়ন ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে। ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে যারা উঠবে তাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে।<br>জাকির হোসেন বলেন, সংসদ টেলিভিশন ও রেডিওতে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিপাঠ প্রচার করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষক তাদের শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসার কাজ সম্পন্ন করছেন। টেলিফোনের মাধ্যমে অনেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছেন। এসবের ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়নের মাধ্যমে ৪র্থ-৫ম শ্রেণিতে তোলা হবে।<br>কি পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করবে সে বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মূল্যায়ন কাজ শুরু হবে। একজন শিক্ষার্থীর পরবর্তী ক্লাসের জন্য যতটুকু জ্ঞান থাকার দরকার তা আছে কি না, না থাকলে তাকে যা শিখতে হবে সে বিষয়ে শিক্ষকরা পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করবেন। আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে এ কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।<br>টিভি ও রেডিওতে সম্প্রচার হওয়া ক্লাস থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের কিভাবে মূল্যায়ন করা হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সব শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা রেডিও, টিভিসহ কোন মাধ্যমে পাঠদান নিতে পারেনি বা সিলেবাস শেষ করতে পারেনি তাদেরও পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের এসব শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে।<br>তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে জানুয়ারি থেকে যদি বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদান শুরু করতে পারি তবে, গত ছয় মাসের পিছিয়ে পড়া সিলেবাস পড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য নতুন সিলেবাসের সঙ্গে এক থেকে দেড় মাস পুরাতন সিলেবাস পড়ানো হবে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:52:00 1970-01-01 00:00:00 বিভাগীয় শহরে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা, এমসিকিউ ৪০ লিখিত ৪০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100845 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143099_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143099_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় নম্বর বণ্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ক, খ, গ এবং ঘ এই চারটি ইউনিটে ৪০ নম্বরের এমসিকিউ (বহু নির্বাচনী) এবং ৪০ নম্বরের লিখিত ও এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ২০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাবি ভর্তি কমিটি। পাশাপাশি এবারের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।<br>সোমবার (২৩ নভেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেন।<br>তারা বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এমসিকিউ, লিখিত এবং এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলের ওপর মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এতে পাস নম্বর হবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ। সময় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ঠিক করবেন সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিনরা।<br>এছাড়া সভায় সিট কমানোর বিষয়ে কথা উঠলেও তা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 মৃত্যুই মোহামেডান থেকে বিচ্ছিন্ন করল বাদল রায়কে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100844 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143069_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143069_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>লাশবাহী গাড়িটি যখন ধীরে ধীরে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের প্রধান ফটক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল তখন ঘড়ির কাঁটায় দুপুর পৌনে ১২টা। ওই গাড়িতে করেই চিরদিনের জন্য মোহামেডান ছাড়লেন দেশের কিংবদন্তি ফুটবলার বাদল রায়। জীবদ্দশায় যে বাদল রায়কে কেউ মোহামেডান থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেননি শেষ পর্যন্ত সেটা পারলো মৃত্যু।<br>ক্যান্সার আক্রান্ত বাদল রায় রোববার বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে। বেলা ১১টার দিকে বাদল রায়ের মরদেহ আনা হয়েছিল তার প্রিয় ক্লাব মোহামেডানে। পৌনে এক ঘণ্টার মতো সেখানে ছিল বাদল রায়ের নিথর দেহ। ফুটবলাঙ্গনের শত শত মানুষ, শত শত মোহামেডান সমর্থক এবং ভক্তরা মোহামেডান ক্লাবে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান বাদল রায়কে।<br>‘সৃষ্টিকর্তা ভালো মানুষদের আগে নিয়ে যান। আমার বাবা ভালো মানুষ ছিলেন বলেই তাকে আগে নিয়ে গেলেন। আমার বাবা ফুটবলকে অনেক ভালোবাসতেন। তিনি চলে গেলেন। আমি চাই ফুটবল ভালো থাকুক, ফুটবল এগিয়ে যাক। বাবা নেই, এখানে যারা আছেন তারা আমাদের মাথার ওপর ছায়া হয়ে থাকবেন। ফুটবল ভালো থাকলে ফুটবলের মাঝেই বেঁচে থাকবেন আমার বাবা’- বাদল রায়ের মরহেদের পাশে দাঁড়িয়ে তার কন্যা বৃষ্টি রায়ের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ার সময় আবেগ ছড়িয়ে যায় মোহামেডান ক্লাবে উপস্থিত সবার মধ্যে।<br>তখন বাদল রায়ের মরদেহের পাশে বসে অঝোরে কাঁদছিলেন তার স্ত্রী মাধুরী রায় ও ছেলে বর্ণ রায়। প্রতিক্রিয়া জানানোর অনুরোধ করলেও কিছু বলতে পারেননি বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায়।<br>১৯৭৭ সালে মোহামেডানের হয়ে ঢাকার ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল বাদল রায়ের। ক্লাব পর্যায়ে এক যুগের মতো খেলেছেন এবং পুরো সময়ই মোহামেডানে। বাংলাদেশের অন্যতম তারকা ফুটবলার বাদল রায়, যিনি ঢাকার ফুটবলে একটি ক্লাবেই খেলেছেন। যে কারণে মোহামেডানের বাদল হিসেবেই বেশি সুখ্যাতি ছিল তার।<br>সাবেক তারকা ফুটবলার জাকারিয়া পিন্টু, প্রতাপ শঙ্কর হাজরা থেকে শুরু করে এই প্রজন্মের ফুটবলাররা মোহামেডান ক্লাবে ছুটে গিয়েছিলেন শেষবারের মতো বাদল রায়কে দেখতে। ক্লাবের বর্তমান ফুটবলারা বিদেশি কোচের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাদল রায়কে।<br>কারো চোখে পানি, কারো মুখে বাদল রায়ের সোনালি সময়ের গল্প। হাজারো স্মৃতিকথায় ফিরে এসেছিল আশির দশকের মাঠ মাতানো ফুটবলার বাদল রায়। তিনি চলে গেছেন। ফুটবলে তার অবদান সবার মাঝে বাঁচিয়ে রাখবে চিরদিন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 শেখ হাসিনার বহরে হামলা: এক আসামির মামলা বাতিলে আপিলের আদেশ আজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100843 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143021_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606143021_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা এক মামলায় আসামি রাকিবুর রহমানের ক্ষেত্রে মামলা বাতিলের আবেদনের ওপর শুনানি শেষ। এ বিষয়ে আদেশের জন্যে মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) দিন ঠিক করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করেন।<br>আদালতে আজ আসামিপক্ষের শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর। এর আগে মামলা বাতিলে আসামি রকিবের আবেদনে জারি করা রুল গত ৮ অক্টোবর খারিজ করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রাকিব।<br>ধর্ষণের শিকার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখতে ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। বোমা বিস্ফোরণ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে সেদিন।<br>২০১৫ সালে এ ঘটনায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। এর মধ্যে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক আসামি রকিব ওরফে রাকিবুর রহমানের বয়স ঘটনার সময় ১০ বছর ছিলো উল্লেখ করে হাইকোর্টে মামলা বাতিলে আবেদন করা হয়। ২০১৭ সালে ওই আবেদনের একই সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সেই রুলের ওপর শুনানি শুরু হয়। গত ৬ অক্টোবর এ রুলের ওপর শুনানি শেষে ৮ অক্টোবর রায় দেন হাইকোর্ট।<br>বর্তমানে মামলাটি সাতক্ষীরার আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। রোববার পর্যন্ত এ মামলার মোট ৩০ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন ।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:50:00 1970-01-01 00:00:00 অ্যাথলেট সোহেলকে হত্যার হুমকিদাতা মোশাররফ গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100842 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606142986_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/23/1606142986_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অ্যাথলেট মো. সোহেল রানাকে হত্যার হুমকি দেয়া প্রধান আসামি মোশাররফ হোসেনকে (৫৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ মহানগরীর সাবরেজিস্ট্রি অফিস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।<br>গ্রেফতার মোশাররফ হোসেন সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়নের চড় খরিচা গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মননসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, আসামি মোশাররফ হোসেন পুলিশ হেফাজতে আছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।<br>এর আগে গত শুক্রবার (২০ নভেম্বর) ‘স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত অ্যাথলেট সোহেলকে হত্যার হুমকি’ শিরোনামে জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসলে সোমবার মামলার প্রধান আসামি মোশাররফকে হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।<br>অ্যাথলেট মো. সোহেল রানা বলেন, প্রতিনিয়তই একটা হুমকির মধ্যে ছিলাম, কখন যেন হামলা করে। এখন একটু স্বস্তিতে আছি। মোশাররফকে গ্রেফতার করায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।<br>জানা গেছে, অ্যাথলেট সোহেল ১২ বছর বয়সে বিকেএসপিতে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে ন্যাশনাল জুনিয়র অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় দুটি স্বর্ণপদক ও একটি ব্রোঞ্জ পদক, ২০১৫ সালে তিনটি স্বর্ণপদক ও দুটি সিলভার পদক, ২০১৬ সালে দুটি স্বর্ণপদক ও একটি সিলভার, ২০১৭ সালে তিনটি স্বর্ণপদক ও একটি সিলভার পদক, ২০১৮ সালে তিনটি স্বর্ণপদক ও দুটি সিলভার পদক লাভ করেন।<br>এ ছাড়াও তিনি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাথলেটিকস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০১৯ সালের এশিয়ান জুনিয়র গেমস হংকংয়ে সফলতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। ২০১৯ ভারতে আয়োজিত এসিএবি কাপ অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে একটি স্বর্ণ ও একটি রোপ্য পদক লাভ করেন।<br>অ্যাথলেট সোহেল রানা সদর উপজেলার সিরতা ইউনিয়নের চড় খরিচা গ্রামের মো. আব্দুল জলিলের ছেলে।<br>অ্যাথলেট সোহেল বলেন, গত ২২ বছর ধরে চড় খরিচা বাজারে ২২ শতাংশ জমি আমরা ভোগ দখল করে আসছি। সম্প্রতি একই এলাকার মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে সাজু নিজেকে জমির অংশীদার দাবি করেন। এমতাবস্তায় গত ১৬ নভেম্বর জমিতে দোকান তৈরির কাজ করতে গেলে তৃতীয় পক্ষ সন্ত্রাসী মোশাররফ হোসেন তার দলবল নিয়ে দোকান তৈরির কাজে বাধা দেন।<br>বিষয়টি ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে মোশাররফ ও তার লোকজনকে বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর মোশাররফ হোসেন ২০/২২ জনের একটি দল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমিসহ আমার তিন ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।<br>হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) বাড়িতে ফিরে আসি। এ ঘটনায় (১৬ নভেম্বর) রাতে আমার ভাই শাহ আলম বাদী হয়ে মোশাররফকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন। মামলা করার পর থেকে একের একের এক আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। বিশেষ করে আমাকেই ওরা টার্গেট করেছে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-24 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 সড়ক নয় যেন মৃত্যু ফাঁদ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100841 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606141082_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606141082_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>কুমিল্লার নাঙ্গলকোট ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলাবাসীর যাতায়াতের জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের বেহাল দশায় দু‘উপজেলাবাসী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। উপজলার দক্ষিনাঞ্চলের জনসাধারণের যাতায়াতের একমাত্র বক্সগঞ্জ - গুণবতী (বিশ্বরোড সংযোগ) সড়কটির সর্বত্র খানা-খন্দকের সৃষ্টি হয়ে এবং পাশ^বর্তী ডাকাতিয়া নদীতে বিলীন হয়ে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সড়কটির চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী থেকে নাঙ্গলকোটের সাতবাড়িয়া হয়ে খাটরা পর্যন্ত সবচাইতে বেহাল দশা বিরাজ করছে। স্থানীয় ডাকাতিয়া নদীর কোল ঘেঁষে সড়টি চলে যাওয়ায় সড়কের একপাশ ভেঙ্গে অনেকটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দুই উপজেলার প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ এ সড়ক দিয়ে সহজ ভাবে চলাচল করে। বহুদিন ধরে সংস্কার কাজ না হওয়ায় ইট-সুরকি ও পিচ-পাথর উঠে সড়কের মাঝে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে আরো বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে সড়কের নিচু অংশ ডাকাতিয়া নদীর পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে ওই সময় সড়কটি দিয়ে যাতায়াত অনেকটা বন্ধ হয়ে যায়। নাঙ্গলকোট উপজেলার দক্ষিনাঞ্চলসহ পাশ্ববর্তী এলাকার জনসাধারণ ঢাকা-চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই সড়ক। এই সড়কটিতে অনেকদিন ধরে কোন সংস্কার কাজ না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে অন্তত একযুগ যাবতকাল ধরে এ জনপদের মানুষ যাতায়াতে দূর্ভোগ সহ্য করে যাচ্ছে। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে যানচলাচলের সময় যাত্রী ও ড্রাইভারদের কোন না কোন দূর্ঘটনার স্বীকার হতে হয়। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে মালবাহি ট্রাক-ট্রাকটর, যাত্রীবাহি মাইক্রোবাস, সিএনজি চালিত অটোরিক্সাসহ ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করে। এছাড়া সড়কটি দিয়ে সাধারণ যাত্রীরা সহজে কুমিল্লা-ঢাকা, ফেনী-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচল করে। সড়কটি ভাঙ্গা-চোরার কারণে মানুষের আধা ঘন্টার পথ পাড়ী দিতে সময় লাগে and nbsp; প্রায় দেড়Ñ দু‘ঘন্টা।<br>সিএনজি চালিত অটোরিক্সার যাত্রী আলিয়ারা গ্রামের আজগর হোসেন বলেন, তার স্ত্রীকে নিয়ে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছেন। সড়কে অসংখ্য গর্তের ফলে কোমর ব্যাথা হয়ে গেছে। and nbsp; সড়কদিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী সিএনজি চালক খাটরা গ্রামে আব্দুর রহমান বলেন, রাস্তায় এতো গর্ত! প্রতিদিন গাড়ির একটা না একটা পার্স ভেঙ্গে যায়। সড়কের খানা-খন্দকে সিএনজি চালাতে গিয়ে প্রতিদিন ব্যাথার ঔষধ খেতে হয়। <br>কেউ রাস্তাটির খবরও নিতে আসেনা।<br> and nbsp;পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি চালাতে হয়। এক ঘন্টার রাস্তা পাড়ি দিতে তিন ঘন্টা লাগে। আবার প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনাতো ঘটছেই। <br>চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী সুমন তালুকদার বলেন, সড়কটির দুরবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। তবে এটি উন্নয়নের জন্য বন্যা প্রকল্পের অধীনে একনেক সভায় উপস্থাপনের অপেক্ষায় আছে। একনেক সভায় পাশ হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করা হবে।<br><br></body></HTML> 2020-11-23 20:17:34 1970-01-01 00:00:00 আজ শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100840 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138801_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138801_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ক্রীড়া and nbsp; ডেস্ক ॥<br>বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের পর্দা উঠতে যাচ্ছে মঙ্গলবার। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মুশফিকুর রহিমের বেক্সিমকো ঢাকা ও নাজমুল হোসেন শান্তর মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে।<br>দুই দলেই রয়েছে তারুণ্যের আধিক্য। তবে শক্তির বিচারে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে রাজশাহী। প্লেয়ার্স ড্রাফটের প্রথম ডাকেই দলে নেয়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ছিটকে পড়েছেন টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই।<br>রোববার দলীয় অনুশীলনের আগে ফুটবল খেলতে গিয়ে গোড়ালিতে চোট পান এই অল-রাউন্ডার। এতে অন্তত এক সপ্তাহ থাকতে হচ্ছে মাঠের বাইরে। সাইফউদ্দিন ছাড়াও দলে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানী, ফরহাদ রেজা, সানজামুল ইসলামদের মতো অভিজ্ঞরা। আছেন টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য এবাদত হোসেন।অভিজ্ঞরা থাকলেও তরুণদের উপর চোখ রাখতে হবে। গত বিপিএলে গতির ঝড় উঠানো মুকিদুল ইসলাম আছেন দলে।<br><br>সোমবার অনুশীলন শেষে রাজশাহীর অধিনায়ক শান্ত জানালেন দল নিয়ে নির্ভার তিনি। ‘এখন সবাই সবার জায়গা থেকে ভালোভাবে প্রস্তুত। আমার কাছে মনে হয় সবাই ব্যক্তিগতভাবে নিজের ফিল্ডিং অনুশীলন নিয়মিত করে। যেটা বললাম তরুণ ক্রিকেটারও অনেক আছে। সবদিক চিন্তা করলে কম্বিনেশন ভালো। মনে হয় না ফিল্ডিং সমস্যা হবে। ’ সাইফউদ্দিনের না থাকা নিয়ে শান্ত জানান, ‘সাইফউদ্দিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিল আমাদের। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হয়তো বা প্রথম ছয়-সাতদিন আমরা পাচ্ছি না। প্রেসিডেন্টস কাপে সে পুরোপুরি ফিট ছিল। শতভাগ এফোর্ট দিয়েই খেলেছে।’ রাজশাহীর প্রতিপক্ষ বেক্সিমকো ঢাকায় আছে জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন। কাগজে কলমে এগিয়ে থাকবে মুশফিকের দল। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দারুণ খেলেছিলেন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে। নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, মেহেদী হাসান রানা, সাব্বির রহমানদের মতো খেলোয়াড় আছে এই দলে। সব মিলে রোমাঞ্চিত মুশফিক অপেক্ষায় আছেন ভালো একটা টুর্নামেন্টের। আরও জানালেন, নিজের দলটা বেশ ব্যালেন্সড।<br><br>‘আমরা তো সবাই চাই খুব ভালো একটা টুর্নামেন্ট হবে। এই বছরই প্রথম লোকাল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে। খুবই রোমাঞ্চিত। আশা করছি বেক্সিমকো ঢাকার হয়ে যাতে খুব ভালো একটা শুরু করতে পারি এবং সেটা যেন শেষ করতে পারি। আমি মনে করি সবদিক থেকে আমাদের দলের ব্যালেন্সটাও খুব ভালো আছে। আমাদের এখন মাঠের কাজটা মাঠে করতে হবে।’ ঢাকার মতো বড় দলের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে থাকা মুশফিক প্রতিদান দিতে চান তাকে দলে নেয়ার। ‘সবারই স্বপ্ন থাকে এমন বড় বড় টিমে খেলার। বিশেষত ঢাকায়। আমি খুব ভাগ্যবান যে তারা এবার আমাকে নিয়েছে। আমি চেষ্টা করবো আমার অনুযায়ী প্রতিদান দেয়ার।’ <br><div><span style="font-weight: bold;">বেক্সিমকো ঢাকা: and nbsp;</span> মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, নাসুম আহমেদ, নাঈম শেখ, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, আকবর আলি, ইয়াসির আলি রাব্বি, সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান রানা, মুক্তার আলি, শফিকুল ইসলাম, আবু হায়দার রনি, পিনাক ঘোষ, রবিউল ইসলাম রবি।</div><span style="font-weight: bold;"><br>মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: </span>মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, শেখ মেহেদী, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, ইবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, , রনি তালুকদার, আনিসুল ইমন, রেজাউর রহমান, জাকের আলি অনিক, রকিবুল হাসান (সিনিয়র), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, সানজামুল ইসলাম। </body></HTML> 2020-11-23 19:37:20 2020-11-24 10:04:48 ফর্মে ফিরতে চান সৌম্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100839 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138335_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138335_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>সেরা দক্ষতা দিয়ে ব্যাটিং ও বোলিং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ব্যর্থতা ভুলতে চান টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার।<br>প্রেসিডেন্ট কাপে নাজমুল একাদশের হয়ে তেমন কিছু করতে পারেননি সৌম্য। যে কারণে জাতীয় দলে তিনি কতটুকু দক্ষতা দেখাতে পারবেন সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রেসিডেন্ট একাদশের পাঁচ ম্যাচে সৌম্যর ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে ২১, ৯, ৬, ৭ ও ৫ রান।<br>বাজে ওই পারফরম্যান্স এখনো নিজেকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে জানিয়ে সৌম্যকে। তিনি চান বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে আগের ওই বাজে পারফরম্যান্সকে ভুলে যেতে। সৌম্য সরকার রবিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নতুন এই টুর্নামেন্টে আমি অবশ্যই ভালো কিছু করতে চাই। এই বছর আমরা যে দলটি পেয়েছি, আমার মনে হয় সেটি বেশ ভালো। সবদিক থেকেই আমাদের দলটি যথেষ্ট ভালো হয়েছে। আশা করছি, ভালো একটি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসিডেন্টস কাপে আমার পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। যে কারণে সেটিকে পেছনে রেখে এই টুর্নামেন্টে ভালো কিছু করতে চাই।’ ব্যাটিংয়ের বাইরে সৌম্যর বোলিংও খুব একটা খারাপ নয়। বিগত দিনে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে দলের প্রয়োজনে তিনি বল হাতেও ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন। আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের হয়ে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে বোলিংটাও চালিয়ে যেতে চান সৌম্য।<br>তিনি বলেন, ‘ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি আমি বোলিংও করতে চাই। যে কোনো টুর্নামেন্টে একটি লক্ষ্য থাকে। তাই আমার নিজেরও একটি লক্ষ্য আছে। চেষ্টা করব ওই লক্ষ্য পূরণ করার। আমি অবশ্যই চাই, ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংটাও চালিয়ে যেতে।’ আগামী ২৪ নভেম্বর শুরু হবে ৫ দলের বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ। গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে ২৬ নভেম্বর। প্রতিপক্ষ বেক্সিমকো ঢাকা।</body></HTML> 2020-11-23 19:31:57 1970-01-01 00:00:00 রমিজ রাজার চেয়ে আমার ছেলের ক্রিকেট জ্ঞান বেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100838 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138300_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138300_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>নিজ দেশের সাবেক তারকা ক্রিকেটার রমিজ রাজার ক্রিকেট জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও তারকা অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজ। তার মতে, রমিজ রাজার চেয়ে তার ১২ বছরের ছেলের ক্রিকেট জ্ঞান ও সচেতনতা বেশি।<br>পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন হাফিজ। সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে রমিজের জন্য যথাযথ সম্মান আছে বলে জানিয়েছেন হাফিজ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে করা নানান মন্তব্যের কারণে রমিজের ক্রিকেট জ্ঞান নিয়ে সংশয় জেগেছে হাফিজের।<br>কোনো রাখঢাক না রেখে তিনি সরাসরিই বলেছেন, ‘সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে তার প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে আপনি যদি আমার ১২ বছরের ছেলের সঙ্গে কথা বলেন, তাহলে বুঝতে পারেন ওর ক্রিকেট জ্ঞান, সচেতনতা রমিজ ভাইয়ের চেয়ে বেশি।’ কিছুদিন আগে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মোহাম্মদ হাফিজকে অবসর নিতে বলেছিলেন রমিজ। সেই ভিডিওতে সিনিয়র ক্রিকেটারদের পরামর্শ দিয়ে রমিজ বলেছিলেন, সম্মানের সহিত যেন অবসর নিয়ে নেন হাফিজরা এবং তরুণ ক্রিকেটারদের জায়গা ছেড়ে দেন।<br>সেই মন্তব্যের জের ধরে হাফিজ জানিয়েছেন, অবসর নেয়া কিংবা না নেয়া পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তার ভাষ্য, ‘আমি যদি ফিটনেস কিংবা পারফরম্যান্সের মানদ- পূরণ করতে না পারি অথবা দেখি যে পাকিস্তানের জন্য ভালো কেউ প্রস্তুত আছে, তাহলে আমি খুশি মনেই চলে যাব। আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ার নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’<br>এসময় রমিজের ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওগুলো টাকা দিয়ে প্রমোশনের বিষয়েও কথা বলেন হাফিজ, ‘রমিজ ভাই যদি টাকা দিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেল বুস্ট করে এসবই করতে চায়, আমি তাকে আটকাতে পারব না। তবে আমি যতদিন ফিট আছি ও পারফর্ম করতে থাকব, ততদিন পাকিস্তানের হয়ে খেলে যাব।’<br>ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের সবশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন হাফিজ। সেই সিরিজে ১৫৫ গড়ে রান করেছেন তিনি, যা তাকে পাইয়ে দেয় সিরিজসেরার পুরস্কার। এখন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।</body></HTML> 2020-11-23 19:31:26 1970-01-01 00:00:00 আইপিএল আমিরাতে করে ভারতের অবিশ্বাস্য আয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100837 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138268_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138268_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় রেখে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট আয়োজন করাটাই বিশাল এক চ্যালেঞ্জ ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) জন্য। তারা শুধু সে চ্যালেঞ্জই জেতেনি, একইসঙ্গে করেছে বিশাল অঙ্কের আয়। এছাড়া বেড়ে টিভি দর্শকের সংখ্যাও। ভারতের করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় আইপিএলের এবারের আসরটি আয়োজন করা হয়েছিল আরব আমিরাতে। যে কারণে আয়োজক এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডকে প্রায় ১১৫ কোটি টাকা দিতে হয়েছে। এটি দিতে কোনো সমস্যাই হয়নি বিসিসিআইয়ের। কেননা পুরো টুর্নামেন্ট থেকে তাদের আয়ের পরিমাণ ৪ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি)। করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে লোকসানের হিসেব নিয়ে বসছিল বিসিসিআই, সেখানে টুর্নামেন্ট শেষে উল্টো অবিশ্বাস্য এ আয়ই জমা পড়েছে তাদের কোষাগারে। এছাড়া গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলা আইপিএলের এবারের আসরে টিভিতে দর্শক বেড়েছে ২৫ শতাংশ। বিশেষ করে ১৯ সেপ্টেম্বর মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও চেন্নাই সুপার কিংসের মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচে টিভি দর্শকের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে আগের সব রেকর্ডকে।<br>বিসিসিআইয়ের কোষাধ্যক্ষ অরুন ধুমাল জানিয়েছেন এসব তথ্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তিনি বলেছেন, ‘গত আইপিএলের তুলনায় এবার ৩৫ শতাংশ খরচ কমাতে পেরেছে বোর্ড। এই মহামারীর সময়েও আমরা ৪ হাজার কোটি রুপি আয় করেছি। টিভির দর্শকের হার ২৫ শতাংশ বেড়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে আগের যেকোন আসরের চেয়ে বেশি দর্শক পাওয়া গেছে।’<br>তিনি আরও যোগ করেন, ‘আইপিএল আয়োজনের ব্যাপারে যারা আমাদের প্রতি সংশয় প্রকাশ করেছিল, তারাই এসে ধন্যবাদ জানিয়ে গেছে।<br> and nbsp;আইপিএল যদি না হতো, ক্রিকেটাররা একটা বছর হারিয়ে ফেলত। আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হতো।’<br>আইপিএলে অংশ নেয়া প্রতিটি দলেই ছিল চল্লিশের বেশি সদস্য। এর মধ্যে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে আবার ছিল ১৫০ জনের বেশি সদস্য। এত মানুষকে একসঙ্গে রাখায় ছিল করোনাভাইরাসের ঝুঁকি। তবে জরুরি পরিস্থিতির জন্য সবধরনের ব্যবস্থা রাখা ছিল বলে জানিয়েছেন বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ।<br>তিনি বলেন, ‘আইপিএলে যদি কোনো কোভিড-১৯ কেস ধরা পড়তো, তাহলে তা মোকাবিলা করার জন্য ২০০টি রুম বরাদ্ধ করা ছিল। যাতে করে আক্রান্ত রোগীরা সেখানে কোয়ারেন্টাইন করতে পারে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার যোগ দিতে পারে।’<br><br><br><br><br></body></HTML> 2020-11-23 19:30:55 1970-01-01 00:00:00 করোনা উপসর্গে নিউজিল্যান্ড সফরে নেই ফখর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100836 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138235_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138235_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ইতোমধ্যে ৩৫ জনের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেই দলে আছেন বাঁ-হাতি ওপেনার ফখর জামান। কিন্তু শরীরে করোনা উপসর্গ থাকায় নিউজিল্যান্ড সফরের দল থেকে ফখরকে বাদ দিয়েছে পাকিস্তান। সম্প্রতি পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) শেষে জাতীয় দলের সাথে যোগ দেয়ার আগে করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ ছিলেন ফখর। ফলে লাহোরে দলের অন্যদের সাথে টিম হোটেলে যোগ দেন তিনি। তবে হোটেলে উঠার পরই তার জ্বর অনুভূত হয়। তাই সতর্কতার কারণে ফখরকে নিউজিল্যান্ড সফরের দল থেকে বাদ দিলো পিসিবি।<br>পাকিস্তান দলের চিকিৎসক সোহেল সেলিম বলেছেন, ‘শনিবারের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ ছিলেন ফখর। কিন্তু হোটেলে উঠার পর তার জ্বর আসে। এরপরই সতর্কতার কারণে তাকে দল থেকে আলাদা করে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। আমরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখছি। এজন্য সফরের জন্য ঘোষিত দল থেকে বাদ দেয়া হলো ফখরকে।’ তবে ফখরের পরিবর্তে নতুন করে দলে কাউকে নেবে না পাকিস্তান। দলে থাকা হায়দার আলী ও আব্দুল্লাহ শফিকের সাথে অধিনায়ক বাবর আজমকে দিয়ে শূন্যতা পূরণের পরিকল্পনা পাকিস্তানের। এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে তিনটি টি-টোয়েন্টি ও দুটি টেস্ট খেলবে পাকিস্তান। আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে টি-টোয়েন্টি ও ২৬ ডিসেম্বর থেকে টেস্ট সিরিজ শুরু করবে দুই দল।<br><br><br></body></HTML> 2020-11-23 19:30:20 1970-01-01 00:00:00 আমিও কিছু খাই, কিন্তু বুইজ্যা শুইন্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100835 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138126_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138126_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>'সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কিংবা অন্য কোনো অফিসে কি টাকা ছাড়া কাজ হয়? আমি নিজেও তো ১০০ পারসেন্ট খাঁটি মানুষ না। আমিও কিছু খাই।<br>খাই না যে, তা কিন্তু না। কিন্তু সেইটাও বুইজ্যা শুইন্যা খাই। কিন্তু সবার আগে আমরা সেবাটাকে নিশ্চিত করতে চাই। ' and nbsp; সাংবাদিকদের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাব রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে অকপটে এসব অপ্রিয় সত্য কথা বললেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্র নেতা মনিরুজ্জামান মনির।<br>রোববার (২২ নভেম্বর) নবীনগর প্রেসক্লাবের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে 'মফস্বল সাংবাদিকতা ও আমাদের প্রত্যাশা' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে নবীনগর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শিব শংকর দাস বর্তমান সাংবাদিকতার কড়া সমালোচনা করে বলেন, 'যাদের কাজ নেই, যাদের পত্রিকা নেই, সাংবাদিকতার নাম দিয়ে সেই তাদের শুধু দরকার একটি পত্রিকার কার্ড। যেই কার্ড পেলে, সাংবাদিকেরা পরীক্ষা কেন্দ্রে, ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন। আর অবৈধ হোন্ডার (মোটরসাইকেল) পেছনে 'প্রেস' লাগিয়ে ঘোরেন, যেন পুলিশ তাদের ধরতে না পারে। এটা হলো বর্তমান সাংবাদিকতা। ’ প্রেসক্লাব সভাপতি মাহাবুব আলম লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন নবীনগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু কামাল খন্দকার। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকসহ বিশিষ্টজনেরা বক্তব্য দেন।</body></HTML> 2020-11-23 19:27:34 1970-01-01 00:00:00 বিদায় বান্ধবীরা লিখে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100834 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138037_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606138037_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বান্ধবীদের উদ্দেশে চিরকুট লিখে দিনাজপুর নার্সিং কলেজের হোস্টেলে তিথি আকতার (১৮) নামে এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সোমাবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হোস্টেলের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।<br>নিহত তিথি আকতার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কুমারপাড়া গ্রামের মো. আলমগীর ইসলামের মেয়ে। তিনি দিনাজপুর নার্সিং কলেজের মিডওয়াইফারি প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।<br>আত্মহত্যার আগে বান্ধবীদের উদ্দেশে একটি চিরকুট লিখে গেছেন তিথি। চিরকুটে তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে ক্ষমা করে দিও সবাই। কারও মনে যদি কষ্ট দিয়ে থাকি। বিদায় বান্ধবীরা। ইতি তোমাদের তিথি।’ চিরকুটে তারিখ ২৩/১১/২০২০ ও সময় সকাল ৯টা ২৫ মিনিট লেখা রয়েছে।<br>দিনাজপুর নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মাগদেলেনা সরেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে তিথি ডাইনিংয়ে দেরিতে আসে। এ সময় তার বান্ধবীরা তাকে তাড়াতাড়ি নাস্তা করে পরীক্ষার রুমে আসার জন্য বলে চলে যায়। পরে তিথি নাস্তা শেষ করে রুমে চলে যায়। সকাল ৯টায় পরীক্ষা শুরু হলেও সে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।<br>পরে তার কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তিথিকে ঝুলতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অধ্যক্ষ আরও বলেন, তিথি দীর্ঘদিন ধরে মেয়েলি রোগে ভুগছিল। সে কারণেই হতাশা থেকে হয়তো সে এই পথ বেছে নিয়েছে।<br>দিনাজপুরের কোতয়ালী থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান তিথির আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</body></HTML> 2020-11-23 19:27:00 1970-01-01 00:00:00 মাছ ধরতে খালে নেমে পাওয়া গেল বাইক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100833 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606137991_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606137991_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>পটুয়াখালীর বাউফলে খাল থেকে একটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের ছত্রকান্দা গ্রামের বৈরাগী বাড়িসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিক মিয়া জানান, বিকেলে ভাটার সময় ওই খালে মাছ ধরতে গিয়ে অ্যাপাচি আরটিআর মডেলের লাল রঙের একটি বাইক দেখতে পান। বিষয়টি নিয়ে চারপাশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বগা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সালাম বলেন, আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আতশখালী গ্রামের কাঞ্চন আলী প্যাদার ছেলে হান্নান প্যাদা উদ্ধারকৃত বাইকটি নিজের বলে দাবি করেছেন। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে সেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। বাউফল থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খালের পানি থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলটি বর্তমানে বগা তদন্ত কেন্দ্রে রয়েছে। কেউ যদি মোটরসাইকেল দাবি করে তবে যাচাই করে দেখা হবে।</body></HTML> 2020-11-23 19:26:11 1970-01-01 00:00:00 বাবা নিখোঁজ মা মানসিক ভারসাম্যহীন তবুও স্বপ্ন দেখে রুবিনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100832 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606137942_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606137942_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>লোহার শিকলে বাঁধা মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের জীবন। নিখোঁজ রয়েছেন বাবা শাহজাহান। বিধবা বৃদ্ধা নানির হাত ধরে পথে পথে ঘুরে (ভিক্ষা) খেয়ে না খেয়ে চলে জীবন। শিক্ষার প্রতি অদম্য টান আর দুরন্ত শৈশব বাধাগ্রস্ত কঠিন এ বাস্তবতার বেড়াজালে। দারিদ্র্যের কষাঘাতে অনিশ্চয়তায় বিবর্ণ হয়ে ওঠে রুবিনার শৈশব। তবুও আলোকিত আগামীর আশা ছাড়েনি সে।<br>পটুয়াখালীর কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের মেয়ে রুবিনা (৯)। জন্মের এক বছর পর হারিয়ে যান বাবা শাহজাহান। সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি তিনি। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির নিরুদ্দেশের খবরে দুশ্চিন্তায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন মা আসমা আক্তার ডলি।<br>জীবিকার তাগিদে বৃদ্ধা অসুস্থ নানি আছিয়া বেগমের হাত ধরে ঘুরে বেড়ায় গ্রামের পর গ্রাম। এ বাড়ি ও বাড়ি ঘুরে যদি কিছু মেলে তাতেই জ্বলে উনুন। কোনো দিন একবেলা কিংবা দু’বেলা খাবার জুটলেও উপোস করে কাটাতে হয় অনেক সময়।<br>একখ- জমি না থাকায় আশ্রয় মিলেছে একই এলাকার শহীদ রাঢ়ীর বাড়ির উঠোনে। সেখানে তালপাতা আর ছেঁড়া পলিথিনের একটি ঝুপড়ি ঘরে রোদের উত্তাপ, শীতের তীব্রতা আর বৃষ্টির স্পর্শ নিয়ে রুবিনার বসবাস। যেদিন কেরোসিন কিনতে পারে সেদিন রুবিনার এ ঘর হয় আলোকিত। অন্যথায় পাশের বাড়ির বিদ্যুতের স্বল্প আলো-আঁধারিতে কাটে বেশিরভাগ রাত।<br><div>সম বয়সীরা খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকলেও দম ফেলার ফুরসত নেই রুবিনার। সকাল হলেই মায়ের হাত ধরে নানিকে নিয়ে ভিক্ষা করতে হয় গ্রামের পর গ্রাম। মায়ের পরিচর্যাসহ ঘরের সব কাজ তাকেই সম্পন্ন করতে হয়। এরপর অবসর সময় কাটে মায়ের পাশে বসে একাকি লেখাপড়ায়। টুঙ্গিবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবিনা স্বপ্ন দেখে লেখাপড়া শিখে একদিন বড় হবে। মায়ের চিকিৎসা করাবে। সুন্দর একটি বাড়ি হবে। পেট ভরে তিনবেলা খাবার খাবে। মা আর নানিকে নিয়ে সে ঘরে কাটাবে সুখের দিন। রুবিনা জানায়, যেদিন ভিক্ষা করতে যায় সেদিন স্কুলে যাওয়া হয় না। আবার যেদিন স্কুলে যায় সেদিন ভিক্ষা করা হয় না। মায়ের জন্য খুব দুশ্চিন্তায় স্কুলের পাঠে ঠিকমতো মন দেয়াও যায় না। জমির মালিক শহীদ রাঢ়ী আশ্রয় ছেড়ে চলে যেতে বলায় মানসিক ভারসাম্যহীন দুই বোন, মেয়ে আর শিশু রুবিনার ভবিষ্যৎ চিন্তায় পাগলপ্রায় রুবিনার নানি আছিয়া বেগম (৫৫)। তিনি জানান, এখন আর আগের মতো হাঁটতে পারি না। বিভিন্ন রোগ শরীরে বাসা বাঁধছে। প্রতিবেশী-এলাবাসী যা দেয় তাতেই পেট চলে। না পেলে উপোস থাকতে হয়। অসহায় রুবিনার পুনর্বাসন, ভরণ-পোষণসহ বাধাহীন শিক্ষা অর্জনের নিশ্চয়তার দাবি জানিয়ে প্রতিবেশী হাসান পারভেজ বলেন, রুবিনা হলো পল্লীকবি জসিম উদদীনের আসমানীর নতুন সংস্করণ। এদের মতো অসহায় পরিবার নীলগঞ্জ ইউনিয়নে নেই। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক বলেন, ইতোমধ্যে রুবিনার বাড়িতে চাল পাঠানো হয়েছে। দ্রুত তার স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সহায়তার মাধ্যমে রুবিনার নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।</div><div><span style="font-weight: bold;">"সূত্র জাগোনিউজ"</span><br></div></body></HTML> 2020-11-23 19:24:32 1970-01-01 00:00:00 অক্সফোর্ডের করোনার টিকা ৭০ শতাংশ কার্যকর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100831 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129608_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129608_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি নভেল করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা ৭০ শতাংশ রোগীর শরীরে সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। আজ সোমবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এমনটি জানানো হয়। বড়ো পরিসরে ট্রায়ালে এমন ফলাফল মিলেছে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়। পুরোনো ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত পদ্ধতিতে ১০ মাস ধরে গবেষণা চালিয়ে এমন দাবির কথা জানালেন অক্সফোর্ডের গবেষকেরা।<br><br>ফাইজার-বায়োএনটেক ও মডার্নার তৈরি টিকাগুলো যেখানে ৯৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারছে, সেখানে অক্সফোর্ডের এই সাফল্যকে বিশেষ কিছু বলার সুযোগ আছে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে বিবিসির প্রতিবেদনে। তবে অক্সফোর্ডের এই টিকার দাম কম হবে এবং এর সংরক্ষণ পদ্ধতি সহজ হবে। চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে এই দুই কারণে টিকাটির প্রতি নীতিনির্ধারকদের আগ্রহ থাকবে।<br><br>যুক্তরাজ্য ও ব্রাজিলে ১০ হাজার করে মোট ২০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে অক্সফোর্ডের এই টিকা প্রয়োগ করা হয়। তবে গবেষকেরা জানিয়েছেন, টিকাটির পুরো একটি ডোজ প্রয়োগের পর কারো শরীরে আরো অর্ধেক ডোজ প্রয়োগ করা হলে সেক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ কার্যকর হচ্ছে। এমনটি কেন হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাজ্য সরকার অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিকে এই টিকার ১০ কোটি ডোজ অর্ডার দিয়ে রেখেছে। এগুলো দিয়ে দেশটির পাঁচ কোটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।</body></HTML> 2020-11-23 17:06:20 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের এএসআই মনিরুজ্জামাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100830 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129541_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129541_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রংপুর নগরীর একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ১৯৮টি ইয়াবাসহ পুলিশের বরখাস্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মনিরুজ্জামানকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আজ সোমবার সকালে নগরীর ঠিকাদারপাড়ার ছয়তলার একটি বাসায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহাত বিন কুতুবের তত্ত্বাবধানে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযান শেষে ইয়াবাসহ মনিরুজ্জামানকে আটক করা হয়। এ সময় তিনটি ব্যাংকের চেক, আট হাজার টাকা ও তিনটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়।<br><br>রাহাত বিন কুতুব বলেন, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। ইয়াবাসহ এক বরখাস্ত এএসআইকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে। এএসআই মনিরুজ্জামান কুড়িগ্রামের উলিপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। <br></body></HTML> 2020-11-23 17:05:22 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা আনিসের ১০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100829 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129417_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129417_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত যুবলীগের বহিষ্কৃত দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসের ১০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে স্ত্রীসহ আত্মগোপনে রয়েছেন যুবলীগের বহিষ্কৃত এই নেতা। এই মামলার চার্জশীট দ্রুতই দেয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>গত বছরের ২৯ অক্টোবর, আনিস ও তার স্ত্রী সুমির বিরুদ্ধে সাড়ে ১৪ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকার অভিযোগে ২ টি মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্তে নেমে, দেশে-বিদেশে এই দম্পতির বিপুল সম্পদের সন্ধান পায় সংস্থাটি। দুদক কর্মকর্তারা জানান, তাদের বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা হতে পারে।<br>বিদেশে অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যুবলীগের আরেক বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধেও চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।</body></HTML> 2020-11-23 17:03:16 1970-01-01 00:00:00 মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে বাড়বে জরিমানার পরিমাণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100828 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129235_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606129235_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাস্ক পরার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি জানান, মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সচিব। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বৈঠকে এজেন্ডার বাইরে মাস্ক পরার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে জরিমানা করা হয়েছে। এর পরও যদি মানুষ সতর্ক না হয় তাহলে আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাড়ানো হবে জরিমানার পরিমাণ। মাস্ক নিয়ে আরো বেশি প্রচার চালানোর নির্দেশও দেওয়া হবে।<br><br></body></HTML> 2020-11-23 17:00:13 1970-01-01 00:00:00 করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৮, শনাক্ত ২৪১৯ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100827 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128908_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128908_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৪১৬ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪১৯ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৪৯ হাজার ৭৬০ জনে। সোমবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br>এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ১৮৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ৬৪ হাজার ৬১১ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১১৭টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ২৪০টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৫৯টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৩১টি।<br><br>এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক শূন্য ৭ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>বিজ্ঞপ্তিতে নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৮ জনের মধ্যে ২১ জন পুরুষ ও নারী সাত জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে চার জন, রাজশাহী বিভাগে দুই জন ও সিলেট বিভাগে এক জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালেই মারা গেছেন ২৮ জন।<br><br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুই জন রয়েছেন।<br>তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১৯৯ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৪৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৮৯ হাজার ৭৬৮ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৭৭ হাজার ২৯৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১২ হাজার ৪৬২ জন। <br></body></HTML> 2020-11-23 16:53:59 1970-01-01 00:00:00 পৌরসভা নির্বাচন : আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু মঙ্গলবার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100826 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128658_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128658_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রথম ধাপের ২৫টি পৌরসভা নির্বাচনের জন্য দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের আবেদনপত্র সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।<br>সোমবার (২৩ নভেম্বর) দলটির দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) থেকে শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) পর্যন্ত সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং আবেদনপত্র জমা প্রদান করতে হবে।<br><br>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা/পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রেজুলেশনে প্রস্তাবিত প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম ক্রয় করতে পারবেন। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং কোনো ধরনের লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা প্রদান করতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় প্রার্থীকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে। প্রথম ধাপে যেসব পৌরসভায় ভোট হচ্ছে- পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী, রংপুরের বদরগঞ্জ, কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম, রাজশাহীর পুঠিয়া ও কাটাখালী, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, পাবনার চাটমোহর, কুষ্টিয়ার খোকসা, চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গা, খুলনার চালনা, বরগুনার বেতাগী, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, বরিশালের উজিরপুর ও বাকেরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ, ঢাকার ধামরাই, গাজীপুরের শ্রীপুর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, নেত্রকোনার মদন, সুনামগঞ্জের দীরাই, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড।<br><br>এদিকে, প্রথম ধাপে দেশের ২৫ পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসব পৌরসভায় আগামী ২৮ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ৩ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১০ ডিসেম্বর।</body></HTML> 2020-11-23 16:49:00 1970-01-01 00:00:00 হাজী সেলিমের এলাকায় আজও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100825 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128395_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606128395_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। and nbsp; সোমবার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দিনের এ অভিযানে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।<br>এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব জামিল। এসময় ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমসহ সংস্থাটির অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><br>আজকের অভিযানে মিটফোর্ড হাসপাতালের পাশের বালুঘাট থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় শতাধিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়া হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের অফিস উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে বিআইডব্লিউটিএর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হাজী সেলিমের ‘চাঁন সরদার কোল্ডস্টোরেজ’ উচ্ছেদ করা হয়নি। ভেতরে কাঁচামাল থাকায় পরে এটি নিজেরাই ভেঙে ফেলবে বলে জানিয়েছে কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ। <br><br>ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী জানান, সকাল থেকে আমরা এ পর্যন্ত অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। উল্লেখ্য, হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বাদামতলী এলাকায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন। গতকাল রোববার ওয়াইজঘাট থেকে বাদামতলী এলাকা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো শুরু হয়। গতকালের অভিযানে ১৭০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে উদ্ধার হয় নদীতীরের অন্তত তিন একর জমি।</body></HTML> 2020-11-23 16:45:52 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে যমজ দুই বোনকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100824 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606105913_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606105913_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীতে যমজ দুই বোনকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছে তাদেরই এক নিকটাত্মীয়। গত বুধবার দুপুরে মুগদার একটি ভবনের তিনতলায় ১১ বছর বয়সী দুই শিশু ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার পর অভিযুক্ত মো. ফরহাদ (২৩) পলাতক রয়েছেন। মুগদা থানা পুলিশ রোববার বিকেলে ধর্ষণের শিকার দুই শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠিয়েছে। মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমার সাহা জানান, বুধবারের ঘটনায় রোববার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ফরহাদকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। শিশুদুটিকে ঢাকা মেডিকেলের ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষককে ধরতে অভিযান চলছে। <br><br>তিনি আরও বলেন, ভিকটিম শিশুদের বাসা ও ধর্ষকের বাসা রাস্তার এপার-ওপার। ঘটনার দিন ফরহাদ ওই দুই শিশুকে মিথ্যা বলে কৌশলে তাদের বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। তখন ফরহাদের বাসায় অন্য কেউ ছিল না। এই সুযোগে এক বোনকে গামছা দিয়ে বেঁধে অন্যজনকে ধর্ষণ করে। পরে তাকে বেঁধে ফরহাদ দ্বিতীয় বোনকে ধর্ষণ করে। দুই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল করিম জানান, ঘটনার দিন দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হলে শিশুদের খালা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ফরহাদ মুগদা এলাকায় একটি মাছের আড়তে কাজ করে বলে জানা গেছে।</body></HTML> 2020-11-23 10:31:23 1970-01-01 00:00:00 সড়ক যোগাযোগে পদ্মা সেতু যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100823 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606104831_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606104831_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পদ্মা সেতুর অবকাঠামো দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। শুধু দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় নয়, আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও বাংলাদেশকে এগিয়ে দেবে একধাপ, এমনটাই মনে করছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে বাকি আর ৪৫০ মিটার। অর্থাৎ আর মাত্র ৩টি স্প্যান যোগ করা হলেই নদীর বুকে দৃশ্যমান হবে পুরো পদ্মা সেতু।<br><br>সেতুতে যান চলাচল শুরু করতে আরও ১ বছরের বেশি সময় প্রয়োজন হলেও এর মধ্যেই সুফল পেতে শুরু করেছে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে খুলে দেয়া হয়েছে সেতুর দুই পাশের মহাসড়ক, যেটি দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। ৫৫ কিলোমিটারের এ এক্সপ্রেসওয়ে দেশের সড়ক অবকাঠামোতে যোগ করেছে উন্নয়নের এক নতুন মাত্রা। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, 'পরিবহনের এই যে অর্জনটা এর পাশাপাশি একটা সক্ষমতার ব্যাপারও কিন্তু সবাইকে জানান দেয়া হলো যে বাংলাদেশ এখন সক্ষমেই এ ধরণের মেগা প্রজেক্ট করার জন্য। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যে অংশগুলো ঢাকার এত কাছাকাছি থাকার পরও উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল, বিনিয়োগ বঞ্চিত ছিল তারা এখন উন্নয়নের ছোঁয়া পেতে শুরু করেছে।<br><br>সেতুর আগে যাত্রাবাড়ি থেকে মাওয়া প্রান্ত পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার আর সেতু পেরিয়ে পাচ্চর থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়েটির ফলে আঞ্চলিক যোগাযোগ অবকাঠামোর সঙ্গে যোগ দিতে বাংলাদেশ এখন প্রস্তুত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল হক বলেন, 'আশেপাশের যে দেশগুলোর সাথে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই, আমাদের ভৌগলিকগত কারণে যে ডিভিডেন্ডটা আমরা নিতে চাই তার বিরাট অন্তরায় ছিল কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের সরাসরি অবকাঠামো, একটা সংযোগ। রিজিওনাল কানেক্টিভটিতে আমরা কিন্তু নিজেদের উন্নয়নের সাথে সাথে অর্থনৈতিকভাবে এখান থেকে ডিভিডেন্ড আমরা নিতে পারব' আগামীদিনে যান চলাচলের জন্য সেতু প্রস্তুত হয়ে উঠলেই দেশের জিডিপির বড় যোগানদাতার উপলক্ষ হয়ে উঠবে পদ্মা সেতু।</body></HTML> 2020-11-23 10:13:23 1970-01-01 00:00:00 দুবারের সাবেক এমপি একমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা চান! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100822 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606103902_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606103902_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বয়স ৮০ ছুঁই ছুঁই। গফরগাঁও থেকে দুবার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য (জাতীয় পার্টি)। দীর্ঘদিন ধরে সর্বস্বান্ত। গফরগাঁও পৌর শহরে দুই কক্ষের ছোট্ট একটি ভাড়া বাসায় আট বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে খেয়ে-না খেয়ে পড়ে আছেন একসময়ের প্রতাপশালী এনামুল হক জজ। সাবেক এই সাংসদের করুণ মানবেতর জীবন দেখে স্তম্ভিত গফরগাঁওয়ের মানুষ। তার স্ত্রী-সন্তান থেকেও নেই। সহায়-সম্পদ যা ছিল সবই প্রথম দুই স্ত্রী ও সন্তানদের লিখে দিয়ে এখন সর্বস্বান্ত তিনি। তাকে দেখার কেউ নেই। শেষ সম্বল ১২ শতক জমি দিয়েছেন মসজিদের নামে।<br><br>এই অশীতিপর রাজনীতিক বোঝা হয়ে উঠেছেন পরিবারের কাছে। তার দল বর্তমান সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও কোনো দায়িত্ব পালন করছে না সাবেক সাংসদের প্রতি। দল থেকে পাচ্ছেন না কোনো সহায়তা। নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধা দাবি করা এনামুল হক জজ ১৯৮৩ ও ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির টিকিটে দুবার সাংসদ নির্বাচিত হন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পালিত মেয়ে, রওশন এরশাদের বোন সাবেক মন্ত্রী মমতা ওয়াহাবের মেয়ের জামাই এনামুল হক জজ জাতীয় পার্টির শাসনকালে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনের প্রতাপশালী এমপি ছিলেন।<br><br>প্রথম স্ত্রী নাছিমা হক এক মেয়েকে নিয়ে আমেরিকায় থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ঢাকার পুরানা পল্টন ও মিরপুর কাজী পাড়ায় দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার দুটি বাড়িতে থাকেন। সহায় সম্পদ যা ছিল সবই এই দুই স্ত্রী ও সন্তানদের নামে লিখে দিয়েছিলেন জজ। এখন তিনি তৃতীয় স্ত্রী দরিদ্র রোমার সঙ্গে পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় ৮ বছরের শিশুসন্তান নুরে এলাহীকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।<br><br>সাবেক এমপি ও সেনা কর্মকর্তা এনামুল হক জজের সঙ্গে তার ভাড়া বাসায় কথা হয় এই প্রতিবেদকের। এ সময় তিনি দীর্ঘশ^াস ছেড়ে জানান তার বর্ণাঢ্য অতীত আর জীর্ণ বর্তমান কালের কথা। এনামুল হক জজ বলেন, ‘আমি ক্ষমতায় ছিলাম, কিন্তু আমার শক্তি প্রয়োগ করিনি। আজ আমি ক্লান্ত। এই শেষ জীবনে আমার একটা ঘর দরকার। দেশের একজন প্রবীণ নাগরিক হিসেবে আমি দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা চাই।’<br><br>এনামুল হক জজ তার স্ত্রীর কল্যাণে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়ে গফরগাঁও থেকে এমপি নির্বাচিত হন। তার পরিবারের কেউ চায়নি তিনি নির্বাচন করুন। তাদের তিন ভাইয়ের মধ্যে এখন জজই কেবল বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমি এমপি হলাম। কত অচেনা মানুষ আপন হলো, কত চেনা মানুষ পর হলো। আমার চারদিকে এত লোক ছিল যেন আমি কোনো রাজ্য জয় করেছি। চাওয়ার আগেই সব হচ্ছিল।’<br><br>মুক্তিযুদ্ধের আগে পশ্চিম পাকিস্তানে ক্যাডেট হিসেবে অধ্যয়নরত ছিলেন এনামুল হক জজ। পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আপ্যায়নকালে তার পরিচয় হয়। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী অনেক সময় পেরিয়ে যায়। আমি চলে আসি আমার প্রিয় মাতৃভূমি পূর্ববাংলায়। এদিকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালি যুদ্ধসাজে সজ্জিত। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সেদিন আমি আরও অনেক যুবকের মতো যুদ্ধমাঠে শামিল হই।’<br><br>সেই যাত্রার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্মৃতিতে ডুব দেন জজ, ‘মন্ত্রমুগ্ধের মতো আটজনের একটি দল নিয়ে চলে যাই ভারতের মেঘালয়ে। সেখান থেকে এক মাস পরে ফিরে আসি কিশোরগঞ্জের ফুলতলায়। নির্দেশ আসে হোসেনপুর হয়ে নদী পেরিয়ে গফরগাঁও অপারেশন। একটি বাজারের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে কখনো রাস্তায় কখনো বাড়িঘরের ভেতর দিয়ে যাই। গন্তব্য কালীবাড়ির (বর্তমান গফরগাঁও ইমামবাড়ি) কাছে একটি পাটক্ষেত। সেখানে এসএলআর বিনিময় হবে বিকেল ৪টায়। সময়মতো চলে আসি হোসেনপুর হয়ে নদী পেরিয়ে। হেঁটে চলে আসি গন্তব্যে।<br><br>‘হঠাৎ দেখি ১০-১২ বছরের একটি ছেলে আমাকে ইশারায় ডাকছে। কাছে গেলাম। একটি চিরকুট হাতে দিয়ে ছেলেটি উধাও। লেখা ছিল ‘তাড়াতাড়ি কেটে পড়ো। সমস্যা আছে।’ নতুন জায়গার কথা লেখা ছিল চিরকুটে। সেখানে পরদিন সন্ধ্যায় যেতে হবে। হঠাৎ পাক বাহিনীর উপস্থিতি টের পাই। পালাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ধরা পড়লাম। যখন জ্ঞান ফিরল, দেখি আমি গফরগাঁও ডাকবাংলোর আমগাছে ঝুলে আছি। হঠাৎ কানে ভেসে এল ‘এটা মৌলানা সাহেবের লোক।’ আমাকে ছেড়ে দেওয়া হলো। যিনি আমাকে ছাড়িয়েছেন তার কাছে জীবন বাঁচানোর জন্য আমার পরিবার কৃতজ্ঞতা জানাল। তিনি পাঁচবাগ ইউনিয়নের মৌলানা। যিনি কোনো পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তার নাম আমি বলব না, মায়ের নিষেধ ছিল।’<br><br>সাংসদ থাকাকালে তার ভূমিকা সম্পর্কে এনামুল হক জজ বলেন, ‘একজন মন্ত্রীর যোগ্যতার চেয়ে বেশি শক্তি প্রয়োগ করেছি কিছু অমানুষের ওপর। আমার কাছে সহজে ভালো মানুষ আসতে পারেনি কিছু অমানুষের কারণে। যারা আমার কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন, তাদের সহযোগিতা করেছি দুহাত ভরে। আমি বুঝতাম আমার পাশে থাকা নেতাদের অনেকেই তখন আঙুল ফুলে কলাগাছ। অনেক বড় মন্ত্রীও আমাকে দেখলে সমীহ করত। কেন করত সেটা আমি জানি। আমি গফরগাঁও উপজেলায় দুই দিনের চেষ্টায় রাষ্ট্রপতির আসার ব্যবস্থা করেছিলাম। এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের ব্যবস্থা করেছি। ক্লাব, মসজিদ, মাদ্রাসা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আমি দিয়েছি দুহাত ভরে। আমাকে ব্যবহার করে অনেকে পারিবারিক সুবিধাসহ টাকার পাহাড় করেছে। দিনশেষে আমার হিসাবের খাতা শূন্য।’<br><br>এনামুল হক জজের দাদা কাজী হালিম উদ্দিন ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, বহুভাষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, মুসলিম রেনেসাঁর একজন অগ্রদূত আলেম, সরকারি চাকরিজীবী, সমাজকর্মী। বাবা আব্দুস ছালাম গফরগাঁও ইসলামিয়া সরকারি হাই স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিদাতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ।<br><br>স্যুট-টাই পছন্দ করতেন এনামুল হক জজ। ময়লা কাপড় কখনো ব্যবহার করেননি তিনি। সে কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘এখন হতশ্রী অবস্থা। গত ১ নভেম্বর পাঞ্জাবিটি পরেছি। আজ ১৬ নভেম্বর। ধোলাই করতে পারছি না সাবান কেনার অভাবে। আমি কখনো কারও টাকা মেরে খাইনি। এখনো অনেকের কাছে অর্ধকোটি টাকা পাই। আমাকে দেখে পালিয়ে যায় কিছু বড়লোক। আমি হাজারো কষ্টের মাঝেও হাসি। তারা আমাকে টাকা দেয় না, আজ তারা শক্তিশালী। বিশ্বাস করুন, আমার খুব কষ্টার্জিত পয়সা এরা নিয়েছে। আজ যখন ২৭০০ টাকা ভাড়ায় ছোট্ট একটি রুমে ঘুমাতে যাই, তখন মনে হয় আগের দিনগুলোর কথা।’<br><br>নিঃসঙ্গ এই সাবেক সাংসদের পাশে কেউ না থাকলেও সন্তানদের জন্য ঠিকই মন পোড়ে তার। বলেন, ‘আমাকে ছেড়ে চলে গেছে আপনজন। আমার যা ছিল সব দিয়েছি। এতে আমার দুঃখ নেই। আজ ৩৩ বছর কাটছে বড় মেয়ে জয়ার মুখ দেখি না। সাথে আছে পারিসা, রামিমা দুজন। খুব ইচ্ছে করে সন্তানের প্রিয় মুখগুলো দেখতে। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমি। ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত দেহ নিয়ে ঘুমতে যায় প্রতিদিন। সন্তানদের মুখগুলো বহুকাল দেখতে না পেয়ে প্রতি রাতে বুক ফেটে কান্না আসে।’<br><br>মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম না ওঠায় মনের কষ্টের কথা জানিয়ে এনামুল হক জজ অভিমানী হন। বলেন, ‘আমি দুবার এমপি ছিলাম দাবি করব না কোনো দিন। আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি দাবি করব না কোনো দিন। আমার মুক্তিযুদ্ধের দরখাস্ত যারা ছুড়ে ফেলেছেন, তাদের বলছি তোমরা আমাকে দিলে না, কিন্তু এখনো কিছু অবশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে আছেন, অন্তত তাদের মরণের আগে কিছু করে দিও।’ বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ আপনজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গফরগাঁও উপজেলার কৃতী সন্তান আবুল হাসেম এমপি (সাবেক), সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা আলাল আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম তার মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ সাক্ষী বলে জানান সাবেক সেনা কর্মকর্তা জজ।</body></HTML> 2020-11-23 09:57:42 1970-01-01 00:00:00 মাদকের চেয়েও ভয়ঙ্কর নেশার নাম টিকটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100821 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606099255_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606099255_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>রাতারাতি জনপ্রিয় হতেই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করছে কিছু মানুষ। করোনা মহামারির অলস সময়ে অনেকেই ঝুঁকেছেন এই কালচারে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা একে মাদকের চেয়েও ভয়ঙ্কর নেশা বলছেন, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। <br>চলচ্চিত্রে অভিনয়ে সুযোগ না হওয়ায় এখন টিকটক লাইকিতে নিজেরাই ভিডিও বানিয়ে আপলোড করছেন এমন ঘটনা অনেক। এসব ভিডিও ক্লিপে কেউ বনে যাচ্ছেন নায়ক-নায়িকা কেউবা পার্শ্ব চরিত্রে। and nbsp;<br><br>টিকটক নির্মাতারা বলেন, চলচ্চিত্রে কাজ করার ইচ্ছে ছিল, সেখানে সুযোগ না পাওয়ায় সান্ত্বনা পাচ্ছি টিকটক থেকে। এখানে অনেক ভালো সময় কাটে এবং মানসিক শান্তি পাই। আরেকজন বলেন, যার যে মেধা আছে সে তা করছে। and nbsp; টিকটক লাইকির বেশিরভাগ ভিডিও আপত্তিকর। তারপরও দিনের একটা বড় সময় এসবের পেছেনেই ব্যয় করে আসক্তরা। ফলোয়ার শেয়ার লাইক কমেন্টস এর কাটতি বাড়াতে উঠতি বয়সীদের মতো অনেকেই এর মোহে পড়েছেন। সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে অশ্লীল ভিডিও তৈরিতেও পিছ পা হচ্ছেন না অনেকে। তারপরও কিছু অভিভাবক সন্তানদের এমন কর্মকাণ্ডে চুপ থাকেন। and nbsp;<br><br>অভিভাবকরা বলেন, ভাইয়ের ছেলে মেয়েরা এসব করে এতটুকু জানি। তরুণদের জন্য তো এসব ভালোই। আরেক অভিভাবক বলেন, কিছু গান আছে কে কীভাবে পছন্দ করছে বা কীভাবে প্রচার করছে এটি ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে। বাস্তবতা বিবর্জিত এমন কর্মকাণ্ডে আসক্তরা পরিবার সমাজ বা রাষ্ট্র থেকে দিন দিন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে বলে জানান এই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এস এম আতিকুর রহমান। and nbsp; তিনি বলেন, ছোট যে কাজগুলোতে পরিশ্রমের দরকার হয় না সেই কাজগুলো আমরা খুব সহজে মাদকের মাধ্যমে পেয়ে যাচ্ছি। তখন দেখা যায় আমরা সেই কাজটি বার বার করছি। একসময় মিথ্যা করেও হলেও ভাবতে শুরু করে আমিও অভিনেতা। and nbsp; সস্তা জনপ্রিয়তার নামে এমন আসক্তি থেকে মুক্ত হতে আসক্তদের কাউন্সিলিং করার পরামর্শ মনোবিজ্ঞানীদের।<br>জিএম/এমকে <br></body></HTML> 2020-11-23 08:40:24 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে গ্যাস লাইন লিকেজে দগ্ধ চার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100820 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606099167_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/22/1606099167_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর পান্থপথ গ্রিন রোড এলাকায় গ্যাসের লাইন মেরামত করতে গিয়ে তিতাস গ্যাসের তিনজন কর্মীসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার (২২ নভেম্বর) গ্রিন রোডে গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাস গ্যাসের তিনকর্মী ও পথচারী একজন রয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- আব্দুল্লাহ (৫৫), আজিম (৪০), রুহুল আমিন (৪০) এবং পথচারী জাফর (৩০)। গ্যাসের লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হওয়া চার জনের মধ্যে একজনের ২৭ শতাংশ এবং আরেক জনের ৩০ শতাংশ পুড়েছে। এই দুজন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। <br><br>তিতাস গ্যাসের ধানমন্ডি জোনের টেকনিশিয়ান মির্জা রবিউল আলম বলেন, গ্যাসের লাইন লিকেজ মেরামত করতে ঘটনাস্থলে কর্মীরা যাওয়া মাত্র বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মাটির নিচে গ্যাসের লাইন কিভাবে যে লিকেজ হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। দগ্ধ হওয়া প্রত্যেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</body></HTML> 2020-11-23 08:39:04 1970-01-01 00:00:00