http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92151 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586362119_th.jpg <HTML><head></head><body style=""><div style=""><br></div><div style=""><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586362119_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিআক্ষার আবেদন করেছেন। বুধবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন মাজেদ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">নাম গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, বিকেলে তিনি (আবদুল মাজেদ) কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। তার আবেদনটি প্রোপার চ্যানেলে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ হেলাল চৌধুরী বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তার ফাঁসির পরোয়ানা ইস্যু করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এদিন তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় বিচারক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও মামলার রায় পড়ে শোনান। এরপর বিচারক তার ফাঁসির পরোয়ানা জারি করেন। সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করারও সুযোগ নেই আবদুল মাজেদের। আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">এর আগে এই মৃত্যু পরোয়ানা জারির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বুধবারের (৮ এপ্রিল) ছুটি বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ। এরপর দুপুর ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদকে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক ছিলেন। ২০০৯ সালে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান। নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি আবদুল মাজেদ।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামি লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেফতার করা হয়। একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারী (পিএস) এ এফ এম মোহিতুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনিদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। একই বছরের ১২ মার্চ ছয় আসামির উপস্থিতিতে আদালতে বিচার শুরু হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">১৯৯৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বিচারক বিব্রত হওয়াসহ নানা কারণে আটবার বিচার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় দেন। বিচারক এম রুহুল আমিন অভিযুক্ত ১৫ আসামির মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বজায় রাখেন। কিন্তু অপর বিচারক এ বি এম খায়রুল হক অভিযুক্ত ১৫ জনকেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে বিচার কাজ বন্ধ থাকে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের মুখ্য আইনজীবী বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সুপ্রিম কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদান করেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ২৭ দিনের শুনানি শেষে পাঁচ আসামিকে নিয়মিত আপিল করার অনুমতিদানের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওইদিন (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;"><br></span></div><div style=""><span style="font-family: SolaimanLipi;">পরে ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের রিভিউ খারিজ হলে ২৮ জানুয়ারি ওই মামলার ৫ আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়।</span></div><div style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px;"><br></div> </body></HTML> 2020-04-08 22:06:26 2020-04-08 22:59:24 মাজেদ কি নেত্রীকে হত্যা করতে এসেছিল? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92150 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586359741_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586359741_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জয়নাল হাজারী ॥<br>বঙ্গবন্ধুর খুনি এবং ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামি মাজেদ দুইদিন আগে মিরপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছে। বলা হচ্ছে সে কলকাতায় ২৫ বছর কাটিয়েছে। সে বাংলাদেশে কবে এসেছে এবং কিভাবে এসেছে, কেন এসেছে এটা এখনো পরিষ্কার নয়। সব কিছুই খানিকটা রহস্যজনক। আশা করা যাচ্ছে দুই একদিনের মধ্যেই সব কিছু খোলসা হয়ে যাবে। আমি মনে করি কলকাতায় তার সঙ্গে অসংখ্য বাংলাদেশীর বিভিন্নভাবে যোগাযোগ ছিল। এদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় ব্যক্তিরাও থাকতে পারে। এই নামগুলো বের করে আনতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কোন খুনিকেই বাংলাদেশে পালিয়ে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়নি।<br>যখন যাতায়েতের সকল দুয়ার বন্ধ তখন মাজেদ কি করে বাংলাদেশে এলো সেটি বের করা জরুরি। যাদের গাফেলতিতে সে এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদেরকে ছাড় দেয়ার কোন সুযোগ নাই। এবার সব চাইতে রহস্যজনক প্রশ্নটি হচ্ছে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামি হয়েও দীর্ঘদিন পর and nbsp; সে কেন বাংলাদেশে এলো। সারা পৃথিবীর মত বাংলাদেশও করোনা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ঠিক সেই সময়ে মাজেদ কি আরো একটি হত্যাকান্ড ঘটাতে চেয়েছিল? মাজেদ জানে সকলের দৃষ্টি করোনার দিকে এবং এই সুযোগে আরেকটি হত্যাকা- ঘটাতে পারলে হয়তো তারা বেঁচে যাবে। এসব নিশ্চয়ই জিজ্ঞেসাবাদে বেরিয়ে আসবে। আমার কাছে এখন সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই মাজেদের দ- দ্রুত কার্যকর করা। কেননা করোনা কখন কোন দিকে মোড় নেয় কেউ তা সঠিক করে বলতে পারেনা।<br> and nbsp;এমনও তো হতে পারে ফাঁসি দেয়ার লোকও থাকবে না। একটি ভিডিও তে দেখছিলাম একটি ছোট্ট শহরে এখন আর কেউ নেই। সবাই মরে গেছে এবং যে যেখানে মৃত্যুবরণ করেছে সেখানেই তাদের লাশ পচে-গলে একাকার হয়েছে। এইরূপ পরিস্থিতি অবশ্যই কারো কাম্য নয়। তবুও এর কাছাকাছি কিছু হলে মানুষ পালাতে থাকবে। কোথাও কাউকে পাওয়া যাবে না। করোনার আক্রামণ ছাড়াও খাদ্যের কারণেও লক্ষ লক্ষ মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে। মোটকথা সময় ক্ষেপন করার সুযোগ নেই। এখনই কথা বের করে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। করোনার কারণে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে আবার আমাদের দেশে অনেকে আইনের উর্ধ্বে উঠে গেছে। করোনার কারনেই ফেনী নোয়াখালির ফোর লেনের কাজ আজও যারা বন্ধ করে রেখেছে তাদের কিছুই হলো না।<br> and nbsp;সমাবেশ বন্ধ করার জন্য যেখানে মসজিদে যাওয়া পর্যন্ত আটকে দেয়া হয়েছে সেখানে যারা রিলিপ দেয়ার নামে হাজার হাজার মানুষকে জড়ো করেছে তাদের কিছ্ইু হলো and nbsp; না।<br> and nbsp;যারা করোনার জন্য হাসপাতাল করার সময় হামলা করে তা বন্ধ করেছে ওদেরও কিছুই হলো না। সরকারের নির্দেশ অমান্য করে যারা গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকায় জড়ো করেছে এবং এখনো তাদের পক্ষে কথা বলছে তাদের কিছুই হলো না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের যে মালিকরা শ্রমিকদের ঢাকায় জড়ো করেছে তাদের ব্যাপারে আজ পীর হাবিবুর রহমান অত্যন্ত জ্ঞানও গর্ব একটি নিবন্ধ লিখেছে বাংলাদেশ প্রতিদিনে। আমি তাই তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। মাজেদ কি তবে এই মূহুর্তে নেত্রীকে হত্যা করতেই চুরি করে দেশে প্রবেশ করেছিল? বিষয়টিকে দয়া করে কেউ হালকাভাবে নেবেন না।<br>লেখক উপদেষ্টা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সাবেক সংসদ সদস্য। </body></HTML> 2020-04-08 21:27:31 1970-01-01 00:00:00 ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92148 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586359020_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586359020_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপনকালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ৫৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন, নারী ২১ জন। বয়স বিভাজনের ক্ষেত্রে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ মধ্যে ১৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরে মধ্যে ৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৬০ এর বেশি বয়সের বেশি রয়েছেন ১০ জন।<br>আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, ৫৪ জনের মধ্যে ৩৯ জন ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার। ঢাকার আশপাশের উপজেলায় ১ জন। এছাড়া বাকিরা সবাই ঢাকার বাইরের।<br>প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরের চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৮২ হাজার ৮০ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৬ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৬ জন চিকিৎসাধীন এবং ৪৭ হাজার ৮৯৪ জন (৫ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে ৩ লাখ ২ হাজার ১৫০ জন (৭৯ শতাংশ) সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং ৮২ হাজার ৮০ জন (২১ শতাংশ) রোগী মারা গেছেন। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। <br><br><br> </body></HTML> 2020-04-08 21:15:23 1970-01-01 00:00:00 দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক মাজেদ : তোফায়েল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92147 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358902_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358902_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ দুর্র্ধষ প্রকৃতির লোক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সমস্ত বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) মাজেদের গ্রেফতারের খবর শুনে ভীষণ উল্লসিত ও আনন্দিত। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল, একটি স্বপ্নকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, ক্যাপ্টেন মাজেদ ছিল তাদের অন্যতম ‘<br>তিনি বলেন, ‘সে একটা দুর্র্ধষ প্রকৃতির লোক। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ছাড়া যারা বিদেশে ছিলেন, বাকি সবাইকে হত্যা করে ফেলেছিল। এমনকি খুনি মাজেদ আমার এপিএস ১৯৭৩ ব্যাচের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল আলম মিন্টু, তাকে গ্রেফতার করে, নির্যাতন করে তাকে হত্যা করে তার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।’<br>সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদকে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক ছিলেন। তার ফাঁসির পরোয়ানা ইস্যু করেছেন আদালত। <br><br><br></body></HTML> 2020-04-08 21:12:51 1970-01-01 00:00:00 আজ পবিত্র শবেবরাত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92146 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358633_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358633_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>আজ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত। ১৪ শাবান দিনগত রাতে মহিমান্বিত এ রজনী আসে। ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়, সে হিসেবে ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে শবে বরাত পালনের ঘোষণা দেয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পবিত্র এ রাতে বান্দারা নফল নামাজসহ ইবাদত বন্দেগিতে রাত অতিবাহিত করেন। শব শব্দটি ফার্সি যার অর্থ রাত আর বরাত শব্দের অর্থ ভাগ্য। বিশেষ এ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা আগামী এক বছরের জন্য মানুষের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ইত্যাদি বিষয় নির্ধারণসহ তার সৃষ্ট জীবের ওপর অসীম রহমত নাজিল করে থাকেন বলে এ রাতকে শবেবরাত বা ভাগ্যরজনী বলা হয়। এ রাতে জিয়ারত করেন মা-বাবাসহ মুরব্বীদের কবর, আল্লাহর আউলিয়াদের মাজার জেয়ারতেও যান মুসল্লীরা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে ঘর থেকে বেরুনোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মানুষ পারতপক্ষে ঘর থেকে বেরুচ্ছেন না। মসজিদে নামাজ আদায়েও বাধ্যবাধকতা দেয়া হয়েছে। মসজিদ সংশ্লিষ্টরা ছাড়া অন্য কোনো মুসল্লীকে মসজিদ যেতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। শবে বরাতের নামাজসহ সব ইবাদত ঘরে থেকে করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামও, মুসল্লীদের বেশি বেশি ইস্তেগফার, দরুদ শরীফ পাঠের মধ্য দিয়ে মহিমান্বিত এ রাত পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-04-08 21:05:22 1970-01-01 00:00:00 করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর গার্মেন্ট মালিক সিন্ডিকেট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92145 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358269_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586358269_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">পীর হাবিবুর রহমান ॥<br>আজ কত তারিখ, বার কী? জানতে হয়। নিজ থেকে আর মনে থাকে না। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার মুখে নিস্তব্ধ অসহায় পৃথিবীর সন্তান আমরা এখন। গোটা মানবজাতিই করোনার তান্ডবলীলায় মর্মান্তিক মৃত্যুর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। কিয়ামতের এমন আজাব অতীতে দেখেনি পৃথিবী। এমন অসহায় কোনো বিশ্বযুদ্ধেও হয়নি। মানবজাতি আজ বিষাদগ্রস্ত হৃদয়ে, লাশের মিছিলের সামনে অচল পৃথিবীর লকডাউনে এক মোহনায় মিলিত। বাকরুদ্ধ মানুষের নিঃশব্দ আর্তনাদে এমন ভারী দমবন্ধ পরিবেশ দুনিয়ায় কখনো নামেনি। এত দিন আমরা পৃথিবীজুড়ে করোনাভাইরাসের বিভীষিকা দেখেছি। দেখেছি হাশরের ময়দানের মতো কেউ কারও নয় নিয়তির এমন বিধানে। এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু যে মা সন্তান থেকে ছিটকে পড়ে, পিতা-কন্যার কাছ থেকে, আর প্রিয়জন প্রিয়জন থেকে। একজন আক্রান্ত হলে গোটা পরিবার আইসোলেশনে, এলাকা হাসপাতাল লকডাউন হয়ে যায়! মৃতের শরীর ভাইরাস ছড়ায় না, তবু লাশের গোসল নেই, জানাজায় লোক নেই। ভয়ের ত্রাস।<br>এই মৃত্যুর থাবাকে ক্ষমতাবান কে বিত্তবান কে ইমাম কে ধর্মযাজক কে পুরোহিত কে রাষ্ট্রনায়ক কে- দেখে না। তাবৎ পৃথিবীর মানুষকে এক কাতারে এনে নামিয়েছে। শত শত বছরের চিকিৎসা, বিজ্ঞান গবেষণা জ্ঞানের গরিমা, ক্ষমতার দম্ভকে অসার করে দিয়েছে। ভেঙে চুরমার করেছে। প্রতাপশালী হোয়াইট হাউস থেকে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট হয়ে পৃথিবীর সব ক্ষমতার ঘর অসহায়। এখনো ঘর্মাক্ত শোকার্ত আতঙ্কিত বিষণ্ন দুনিয়া একটা ভ্যাকসিন বা ক্যাপসুল বের করেনি! হয়তো শেষ পর্যন্ত মানবজাতি জয়ী হবে আবিষ্কারে কিন্তু তত দিনে ধ্বংসলীলায় মানুষের লাশের পাহাড় আর আতঙ্কিত ভয়ার্ত দমবন্ধ জীবনের দীর্ঘশ্বাসে লেখা হবে এক মানবসভ্যতা মহাবিপর্যয়ের করুণ ইতিহাস। যেখানে যুদ্ধবাজ হিংস্র শক্তির উন্মত্ততা লজ্জাগ্লানিতে চাপা পড়ে যাবে। প্রতাপশালীদের নাম লেখা হবে মৃতদের আত্মার অভিশাপে।<br>আমরা এত দিন চীনের আর্তনাদ শুনেছি। ধর্মান্ধরা নির্বোধের মতো বলেছে, আল্লাহর গজব নেমেছে মুসলমানদের ওপর নাস্তিক রাষ্ট্রের নির্যাতনে। ভেবেছেন তারা সবাই নিরাপদ। যারা সজাগ সতর্ক হয়েছিল, নেপালের মতো দেশও পাশে থেকে নিরাপদ হয়েছে সেদিন বিমানবন্দর লকডাউন করে। চীনে নিয়ন্ত্রণে এলেও আক্রান্ত ইতালির মর্মান্তিক মৃত্যুযন্ত্রণা আর লাশের দীর্ঘ মিছিল দেখেছি, দেখেছি কীভাবে ঘটছে স্পেনে আর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহতা। চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়ে চিরচঞ্চল পৃথিবীর বাণিজ্যিক নগরী নিউইয়র্ক নীরব নিস্তব্ধ ভুতুড়ে নগরী হয়ে আর্তনাদে সবার বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে।<br>ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা হয়ে এশিয়া এখন আক্রান্ত। এখন আমরা আমাদের মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগের, স্বজনদের মর্মান্তিক পরিণতির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ডুবছি। আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যিনি সেদিনও ছিলেন উদাসীন সোমবার বলছেন, আগামী ৩০ দিন ভয়ঙ্কর! আমাদের এখানেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। আমরা বারবার তাগিদ দিয়েছি সচেতন করতে, কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে। আমরা তো সময়ের কান্না সময়ে শুনিনি, দেখিনি ভাবিওনি! আমরা করোনা আক্রান্ত ইতালিফেরত বিদেশিদের জন্য বিমানবন্দর উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তাদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করিনি। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করিনি। একদল মন্ত্রীর অতিকথনে অতিষ্ঠ হয়েছি। তাদের নিয়ে কৌতুক করেছে মানুষ। তাদের দায়িত্বহীন ভাঁড়ামিতে বিরক্ত হয়েছে। এখন দেখলেই গা-জ্বালা করে।<br>ইতালিফেরতদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু নিশ্চিত হলেও আমরা লকডাউনে যেতে পারিনি। চীন থেকে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের আনার পর বলা হলো, বন্ধ করে দেওয়া হবে। হলো না। কত কিছুর রপ্তানি! ডলারের লোভে আকাশপথ খোলা রাখা হলো। ক্ষমতাবানদের তদবিরে সর্বনাশ হলো, আবার পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে বড় বড় কথা শোনানো হলো।<br>সময় অনেকটা চলে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রনায়কের মতো সরকারি ছুটিসহ নানা পদক্ষেপ নিলেন। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠান, স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি সব বাতিল করলেন।<br>আস্তে সব যোগাযোগ বন্ধ করে, গরিবের ঘরে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করে কার্যত লকডাউনের পথই নিলেন। সেনাবাহিনীকেও নামানো হলো প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে। চিকিৎসকদের সরঞ্জাম নেই, প্রস্তুতি কর্মশালা, সুসংগঠিত পরিকল্পনা কিছুই নেই। তাও মেরামত হলো। সবাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামলেন। সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গরোধ ও গৃহবন্দী করতে চেষ্টা চালানো হলো। আমাদের জনগণেরও খাসলত কোয়ারেন্টাইন শুনলে ভিড় করে! করোনা আক্রান্ত শুনলে ভিড় বাড়ায়, জমায়েত হয়! এমন উৎসুক জনতা পৃথিবীর কোথাও নেই। মসজিদে জামাতে নামাজে ঢল, পুণ্যস্নানে ঢল! আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর হলে আমরা সমালোচনা করি। এতে তারা শিথিল হলে পেয়ে বসি। নগরে মানুষ বের হতে থাকে, শহরে গ্রামে হাটবাজারে সমাগম আড্ডাবাজি বেড়ে যায়, সামাজিক সঙ্গরোধ নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর হতে থাকে। অন্যদিকে দেশে ভয়ের ছায়ায় মানুষের চিকিৎসাও মেলে না। গাইবান্ধায় গর্ভবতী মা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে ঠাঁই পান না। বাইরেই সন্তানের জন্ম দেন।<br>চিকিৎসকের ভয়, রোগীর ভয়। দেশে দেশে চিকিৎসকও কম মারা যাননি। সেবা দিতে দিতে ইউরোপ, আমেরিকায় ক্লান্ত চিকিৎসক-নার্সেরা। সবখানে অচলাবস্থা। এখানেও চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন। আমাদের দেশে চিকিৎসাব্যবস্থা সুসংগঠিত নয়। চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মী সবার সরঞ্জাম দিয়ে স্বাস্থ্যসেবায় প্রণোদনা দরকার। করোনাযুদ্ধে মারা গেলে পরিবারের দায় রাষ্ট্রের নেওয়ার ব্যবস্থা অনিবার্য। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদেরও জীবনের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার সাহস দেখাতে হবে। আল্লাহর পরে রোগীর কাছে চিকিৎসক-নার্স কর্মীরা। এর চেয়ে নিবিড় মানবসেবা আর কোনো পেশায় নেই। আমেরিকায় যেখানে চিকিৎসক সংকট আমাদের সেখানে কত করুণ অবস্থা! তবু এ যুদ্ধে আজ মানুষও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের দুয়ারে খাবার দিতে নেমেছে। দেশের ব্যবসায়ীরাও প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছেন। বসুন্ধরা গ্রুপ নগদ অর্থই দেয়নি, ৫ হাজার বেডের হাসপাতাল করার ব্যবস্থাই করে দেয়নি, মাস্ক, খাদ্য মানুষ ও প্রশাসনের দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছে।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, জনগণের পাশে আছেন, মনিটর করছেন। তিনিই ঐক্যবদ্ধ জাতিকে সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে গভীর দেশপ্রেমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার পাশে তিনি ছাড়া কোনো ক্রাইসিস ম্যানেজারও নেই। কয়েক মন্ত্রী রীতিমতো বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দেন গার্মেন্ট খাতের জন্য। সে সময় সরকারি ছুটি ঘোষণা করতেই সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ঈদের ছুটির মতো সব পথেই ব্যাপক ভিড় ঠাসাঠাসি অবস্থায় সবাই ছোটেন গ্রামের বাড়িতে। ঢাকা ফাঁকা হয়ে যায়। তবু ঠিক ছিল এক জায়গায় চলে গেল। যার যার মতো কোয়ারেন্টাইনে যেতে পারবে।<br>এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা গার্মেন্ট মালিকরা ভেবেছিলেন তাদের সদকায়ে জারিয়ার মতো সরকার দিয়েছে। তাই তারা টাকা পেয়ে শ্রমিকের বেতনটা দেওয়ার চিন্তা করেন। ২০১০ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী রেখেছিলেন। সেবার গার্মেন্ট খাতকে এভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন যা তাদের আর ফেরত দিতে হয়নি। এবার ঘোষণার পর গাইডলাইন পেয়ে যখন দেখলেন তাদের ফেরত দিতে হবে এটা ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হয়েছে তখনই তারা মাথায় হাত দিয়ে অস্থির। করোনার মৃত্যুমুখে দেশ ও মানুষকে ফেলে দিলেন সামাজিক দূরত্ব ও সরকারি ছুটির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। গার্মেন্ট খুলে দিয়ে নিজেদের চেইনে শ্রমিকদের এমনভাবে মোবাইলে ডাকলেন যে, জনস্রোত নামল মহাসড়কে, ফেরিতে গিজগিজ অবস্থা। কোয়ারেন্টাইন তছনছ হয়ে গেল। বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট রুবানা হককে ফোন করতেই বললেন তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও বলেছিলেন মালিক বাসায় শ্রমিক কারখানায় এটা হয় না। এমনকি শ্রম মন্ত্রণালয়েও তিনি চিঠি দেন কারখানা বন্ধের জন্য। ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দিকে সমালোচনার ঝড়। সে রাতেই তারা বন্ধের আহ্বান জানান। জানতে পারি বিজিএমইএ বন্ধ রাখার ক্ষমতা রাখে না। এটা রাখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়।<br>জাতির দুর্ভাগ্য, এবারের মতো দুর্বল মন্ত্রিসভা যেমন আসেনি তার চেয়ে এমন ব্যর্থ বাণিজ্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী জনগণ দেখেনি। মৃত্যুর আতঙ্কে জাতিকে দাঁড় করিয়ে রীতিমতো লুকোচুরিতে মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলেছে গার্মেন্ট মালিক সিন্ডিকেট, মন্ত্রীদের কারও কারওর সমর্থনে। গার্মেন্ট মালিকরা তাদের নির্দয় দয়ামায়াহীন লোভের ফণা নয়, দৈত্যের চেহারা বের করেছেন। শ্রমিকের রক্ত শোষণের ইতিহাস তাদের নতুন নয়। কাজের পরিবেশটাও আন্তর্জাতিক সংস্থা লড়াই করে আদায় করেছে। আগে তো পুড়ে মরেছে, ভবনধসে চাপা পড়ে মরেছে। সভ্য দুনিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করে নিজেরা ধন-দৌলতের মালিক হয়ে ক্ষমতারও অংশীদার হয়েছে। বেশির ভাগই মানবিক সভ্য হতে পারেনি। বাণিজ্যমন্ত্রী নিজেই গার্মেন্ট মালিক ও তাদের একসময়ের নেতা। তার প্রশ্রয়েই শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের সমর্থনে বা অযোগ্যতায়, সুচতুর গার্মেন্ট মালিকদের সিন্ডিকেট এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা ষড়যন্ত্র খোঁজেন এত বড় ষড়যন্ত্রও তারা টের পাননি!<br>ইতালি থেকে আগতরা কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় করোনাভাইরাস ছড়ানোর যে সূচনা করেছিলেন গার্মেন্ট মালিকদের একাংশের নির্লজ্জ নির্দয় লোভ ও বেহায়াপনায় সামাজিক দূরত্বের নিষেধাজ্ঞা দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে দিয়ে সেটির বিস্ফোরণ যে ঘটিয়েছেন তার ভয়ঙ্কর পরিণতি এখন বহন করতে হবে। গার্মেন্ট মালিকরা রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আনেন সত্য। এটা সেবা দিতে গিয়ে নয়। নিজেরা বিত্ত-বৈভবের মালিক হতে গিয়ে। তাদের বেশির ভাগই মানসিক দরিদ্র ও চতুর। সুন্দর চেহারায় সুন্দর কথায় সমাজে প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে হাঁটেন। সুন্দর কথা বলেন টকশোয়। ঈদ এলে শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-বোনাসে সমস্যা! দেশে-বিদেশে অঢেল সম্পদ গড়েন, শ্রমিকের বেলায় মলিন কাপড় চেহারা। এসব গার্মেন্ট মালিকের মুখে কোনো দিন শুনি না ব্যবসা ভালো। সব সময় সব সরকারে খারাপ। এরা ব্যবসায়ী না রাজভিখারিÑ মাঝেমধ্যে বুঝি না!<br>আমাদের তারুণ্যের প্রথম প্রহরে জলজোছনার শহর সুনামগঞ্জের উকিলপাড়ায় শীতেশ ও মনিরের চায়ের দোকান ঘিরে আড্ডা জমেছিল। আরেকটা ছিল ট্রাফিক পয়েন্টে ফরিদের সিটি ফার্মেসির সামনে। সেনাশাসনবিরোধী ছাত্র রাজনীতিরও ঠিকানা। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলেই বাড়ি ফেরা, আন্দোলন, আড্ডা।<br>উকিলপাড়ায় সীতারামের দোকান ছিল। পরে ভারতে চলে যায়। কোনো কিছুর দাম কম রাখতে বললেই সে বলত লাভ নাই সাব। আমরা বলতাম, লাভ নাই তো ব্যবসা কর কেন? সীতারামের লাভ নাই শুনতেই দাম কম রাখার কথা বলতাম। আমাদের গার্মেন্ট মালিকদের অবস্থা সেই সীতারামের মতো। লাভ নেই তো বিকল্প ব্যবসা-বাণিজ্য কর! এটা কেন। সীতারাম গরিব ছিল।<br>এরা ধনাঢ্য লোভী ও মনের গরিব। ঈদ এলে বেতন-বোনাসের ঘামের মূল্য পেতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হয় কেন? করোনার মৃত্যুতে লাশের প্যাকেট বাণিজ্যের জন্য এখন মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে সব নিরাপত্তার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন কেন? পিপিই আমাদের জন্য তো এত দিন কেউ বানাওনি! এখন ইউরোপ, আমেরিকায় প্রবল চাহিদা। ব্রিটেনে চিকিৎসকরা ময়লা ফেলার পলিথিন গায়ে পরে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তারাও চাইবেন। মানবতা নয়, টাকা কামাতেই হবে। মানবতা হলে আগেই দেশের জন্য বানাতেন। তখন বাণিজ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমন্বয় করেননি কেন শ্রমমন্ত্রীকে নিয়ে? গার্মেন্ট মালিকরা নীরব ছিলেন!<br>গার্মেন্ট মালিকরা ২০১০ সালে যে ৫ হাজার কোটি টাকা পেয়েছিলেন সেটা জনগণের টাকা। জনগণের জন্য কী করেছেন? শ্রমিকদের জন্য কতটা করেছেন? বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হককে সবাই সমালোচনার তীরে ক্ষতবিক্ষত করছেন। মানলাম শক্ত ভূমিকা নিতে পারেননি। মন্ত্রীর চেয়ে কি তার হাত শক্তিশালী? সাবেক প্রেসিডেন্ট আতিকুল ইসলাম মেয়র, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন করোনা জমানার এমপি। বিএনপিপন্থি সালাম মুর্শেদী নৌকায় উঠে এমপি হলেন। আনোয়ারুল ইসলাম পারভেজও সরকারের লোক। টকশোয় সুবচন দেন। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে কত টাকা দিয়েছেন এ দুর্যোগে? সব ব্যবসায়ী দিচ্ছেন। সাধারণ গরিব মানুষ, নারী, পুরুষ, রাজনৈতিক কর্মী, জনপ্রতিনিধি, ছাত্রসমাজ সবাই পাশে মানুষের। আপনারা কই? বাণিজ্যে? সুবিধা কুড়াতে? শ্রমিকের বেতন কেন দিতে সময় লাগবে? এক দশক যারা ব্যাংক লুটেছে, শেয়ারবাজার শেষ করেছে, বিদেশে টাকা পাচার করেছে, অবৈধ অর্থবিত্ত গড়েছে সারা দেশে, তারা মানবতার বিপর্যয়ে আজ কোথায়? প্রধানমন্ত্রীর পাশেও দেখি না, সাধারণ মানুষের পাশেও না!<br>আমি বারবার লিখেছি, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি করতে সবাইকে নিয়ে। অনেকে বলেছেন টাস্কফোর্স গঠন করতে। এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, তার নেতৃত্বে কমিটি হয়েছে, কারা কমিটিতে তিনি চেনেন না। জেনেছি সব সচিবই আছেন। কি সমন্বয়হীনতা! আইইডিসিআর যেখানে বলছে ২৪ ঘণ্টায় তিনজন মৃত, আক্রান্ত ৩৫ সেখানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন মৃত ৪, আক্রান্ত ২৯! গণমাধ্যমও বিভ্রান্ত। পরে দেখা যায় মন্ত্রীর ভুল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে করোনার থাবায় বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে দেশের অর্থনীতির রক্ষাকবচ দিয়ে আশার আলো জ্বালিয়েছেন। সবাই প্রশংসা করছেন।<br>বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এ ঋণ দেবে দেশের বড় ছোট সব ব্যবসায়ীসহ কৃষক পর্যন্ত। এখান থেকে যে কেউ নিয়ম মেনে ঋণ নিতে পারবে। ২ শতাংশ সুদে পরিশোধ করতে হবে। সরকার দেবে ৩ শতাংশ সুদ গ্রাহক দেবে ২ শতাংশ। এটার জন্য একটা গাইডলাইন থাকবে। ব্যাংক লুটেরাদের শকুন দৃষ্টি পড়বে না। সরকারকে একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ঠিক রাখতে হবে। সরবরাহ চেইন সচল রাখতে হবে। কৃষিসহ সব ধরনের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে কৃষকবান্ধব পদক্ষেপ নিতে হবে। ২০১০ সালের বিশ্বমন্দায় এটা করতে পারায় ইউরোপের দেশগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হলেও আমাদের হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিজ্ঞতা আছে। মন্ত্রী ও আমলারা দক্ষতা দেখাতে পারলে সম্ভব।<br>সোমবার রাতে বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান ও বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হকের যৌথ ঘোষণায় গণমাধ্যমকে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান যাদের জরুরি রপ্তানি কার্যাদেশ রয়েছে এবং যেসব কারখানায় করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও করোনাপ্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে, এমন কারখানাগুলোকে তাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রয়োজনে খোলা রাখতে পারবে।<br>তার মানে যা ঘটানো হয়েছে তা বহাল। কিছু নিয়ম বলতে হয় তাই বলা। কারখানায় শ্রমিকরা কত দূরে বসবেন? মালিকরা গিয়ে তাদের সঙ্গে বসবেন? ট্রাকচাপায় নিহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ দেবেন? একজন শ্রমিকের শরীরে ভাইরাস থাকলে কতজন আক্রান্ত হবেন? নেদারল্যান্ডসে ইতালিফেরত একজন থেকে এখন ১৬ হাজার আক্রান্ত। ভারতে একজনে ৫৯ হাজার সংক্রমিত। পৃথিবীর কত হৃদয়স্পর্শী ছবি মনকে বিষাদময় করে। ভারতে এক লোক মারা গেল, করোনায় নয়, তবু ভয়ে শ্মশানে নিতে কেউ এলোনা। শবযাত্রা চার কন্যার কাঁধে! কলজে কেঁপে ওঠা ছবি!<br>সরকার অবশ্য এখন ঢাকাকে অবরুদ্ধ করেছে। সব দোকানপাট বন্ধসহ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হতে বলেছেন। বিনা কারণে বাইরে গেলে জরিমানা শুরু হয়েছে। কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। দেশের বিভিন্ন এলাকা লকডাউন হচ্ছে। ভয় আতঙ্ক ও বাড়ছে। মানুষকে ঘরবন্দী রাখতে ও মহামারী রুখতে গোটা দেশকে হয়তো লকডাউনেই যেতে হবে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত ১৬৪। মারা গেছেন ১৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪১ জন। শ্বাসকষ্ট নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেশ।<br>এক মাস পর কী হবে কেউ জানে না। আমাদের মসজিদে নামাজও সবার জন্য বন্ধ হয়েছে। আলেমরাও সমর্থন দিয়েছেন। যদি ইউরোপ, আমেরিকার ভয়াবহতা আসে ইতালিফেরত থেকে গার্মেন্ট কারখানা খোলায় যারা জড়িত তাদের দায় নিতেই হবে। কয়েকজনের কারণে কার্যত দেশ এক ভয়ঙ্কর হুমকির মুখে আজ।<br>মানবতার মহাবিপর্যয়েও যারা ত্রাণের চাল চুরি করে, মুনাফাখোর হয় তাদের মানুষ বলি না; কিন্তু যারা দেশের সবকিছু বন্ধ থাকলেও জনগণের জীবনকে করোনাভাইরাসের মতো মহাপ্রলয়ের ঝুঁকিতে ফেলে ডলারের লোভে গার্মেন্ট কারখানা খুলতে চেয়েছে তাদের কী বলব? করোনা রোগের চেয়ে নির্দয় গার্মেন্ট মালিকদের সিন্ডিকেটকেই আজ বড় ভয় হয়! এদের ডলারের নেশার কাছে মানুষের জীবন তুচ্ছ।<br>লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।<br>সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন and nbsp; </body></HTML> 2020-04-08 21:00:09 1970-01-01 00:00:00 পুলিশ প্রধান বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক আব্দ্ল্লুাহ আল মামুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92144 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357944_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357944_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেলেন র?্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। একই সঙ্গে সিআইডি প্রধান আব্দুল্লাহ আল মামুন র?্যাবের মহাপরিচালক হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার বেনজীরকে পুলিশের শীর্ষ এ পদে নিয়োগ দিয়ে বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। বর্তমান আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর স্থলাভিষিক্ত হবেন বেনজীর আহমেদ। আর বর্তমান র?্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের স্থলাভিষিক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন। ১৫ এপ্রিল থেকে জারিকৃত এ আদেশ কার্যকর হবে। বেনজীর আহমেদ র?্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন আইজিপি হিসেবে আগে থেকেই আলোচনায় ছিল তার নাম। মেধাবী, সৎ ও চৌকোস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বেনজীর আহমেদের পরিচিতি রয়েছে। সপ্তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ ১৯৮৮ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। বেনজীর আহমেদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। র‌্যাবের ডিজির দায়িত্ব পালনের আগে প্রায় সাড়ে চার বছর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।<br>তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিভাগে চিফ অব মিশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট সার্ভিসেস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত জাতিসংঘ সদরদফতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। কর্মদক্ষতায় তিনবার জাতিসংঘ শান্তি পদক অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি পুলিশের পেশাগত সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) অর্জন করেন তিনি।<br>আর র?্যাবের নতুন মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইলে। সিআইডি প্রধানের দায়িত্বের আগে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে অনুমোদন দেন।<br>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশের আইজির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই নতুন আইজি নিয়োগের জন্য দ্রুত সারসংক্ষেপ পাঠাতে মন্ত্রী ও সচিবকে নির্দেশনা দেন। এরপর গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব মু. মোহসিন চৌধুরী, যুগ্মসচিব (পুলিশ-১) ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, উপসচিব (পুলিশ-১) ধনঞ্জয় কুমার দাসকে নিয়ে এক বৈঠকে সারসংক্ষেপ তৈরি করেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-04-08 20:58:18 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মারা গেলে ফোন করুন দাফন ইসলামি নিয়মে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92143 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357679_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357679_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥ <br>ঢাকায় করোনায় মৃতদের দাফন ইসলামি নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হবে। এজন্য আলেমদের সেই টিম প্রস্তুত রয়েছে। এই নম্বরে ০১৯২০-৭৮১৭৯২ ফোন করলেই মৃতের কাছে পৌঁছে যাবেন তারা। পরে গোসল দাফন সব কাজই করবে এ দলটি। এ টিমের প্রধান প্রধান মাওলানা গাজী ইয়াকুব।<br>বুধবার (৮ এপ্রিল) তিনি এই প্রতিবেদককে এসব তথ্য জানিয়েছেন।<br>গাজী ইয়াকুব বলেন, করোনা আক্রান্তদের জানাজা ও দাফন সঠিক ইসলামি নিয়মে সম্পন্ন করতে এই টিম গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানী ঢাকায় এ কাজটি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী মারা গেলে তাদের জানাজা-দাফনের প্রয়োজন হলে আমাদের মোবাইল নম্বরে ফোন করলে আমরা সেখানে পৌঁছে যাব। মরদেহের জানাজা ও দাফন কার্যক্রম আমরা সম্পন্ন করব। কারও কাফনের কাপড় দরকার হলেও আমরা তার ব্যবস্থা করব।’<br>তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার তিন-চার ঘণ্টা পর তার শরীরে আর জীবাণু থাকে না। এ জন্য কেউ কল করলে তিন-চার ঘণ্টা পর তার জানাজা-দাফনের ব্যবস্থা করব আমরা।’<br>মাওলানা ইয়াকুব আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মুসলমানদের জানাজা ও দাফন নিয়ে সংকটের কথা শুনেছি। এ জন্য আমরা চাচ্ছি আমাদের দেশে যেন সে রকমটি না ঘটে। ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক যেন একজন মুসলমানের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয় সেজন্য আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি।’<br>ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, দাফনের এ টিমের তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। টিমটি আপাতত রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কাজ করবে। তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরইমধ্যে স্বাস্থ্য অধিপ্তর থেকে টিমের সদস্যদের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ হয়েছে।<br>করোনায় মৃতদের দাফনে গঠিত এ টিমের নেতৃত্বে রয়েছে মাওলানা গাজী ইয়াকুব। টিমের অন্য সদস্য হলেন এইচ এম লুৎফর রহমান, হিফজুর রহমান, সালমান বিন সাজিদ, নুরুননাবী নুর, কারী ওসামা বিন নিজাম ও মোহাম্মদ রাফী। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার আরও ৬০ থেকে ৭০ জন আলেম এ কাজে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরও দলে নেওয়া হবে।<br>জানতে চাইলে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক (ইমাম প্রশিক্ষণ বিভাগ) আনিস শিকদার বলেন, ‘ঢাকায় সীমিত আকারে মারকাজুল ইসলামের সঙ্গে আলেমরা কাজ শুরু করেছে। ঢাকার বাইরে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে গতকাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণের কাজ শেষ হয়েছে। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যদি পিপিইসহ অন্যান্য জিনিসপত্র সরবরাহ করে তাহলে কাজ শুরু করতে পারবে। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্সের দরকার আছে।’<br>তবে এ টিমে কোনো নারী নেই জানিয়ে আনিস শিকদার বলেন, সেক্ষেত্রে করোনায় আক্রান্ত কোনো নারী মারা গেলে সমস্যা হবে। দাফন টিমে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ কোনো নারী কর্মীর ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো।<br>প্রসঙ্গত, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের প্রথমে আজিমপুর কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে খিলগাঁও তালতলা কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়। আল মারকাজুল সংগঠনের কয়েকজন, মেডিকেল টিম ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি টিম এতদিন মৃতদেহের জানাজা ও দাফন করে আসছেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-04-08 20:50:36 1970-01-01 00:00:00 প্রাণভিক্ষার আবেদন খুনি মাজেদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92142 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357094_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586357094_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলার ফাসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন।<br>বুধবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন মাজেদ। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা and nbsp; বিষয়টি নিশ্চিত করেন।<br>নাম গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, বিকেলে তিনি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। তার আবেদনটি প্রোপার চ্যানেলে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-04-08 20:27:41 1970-01-01 00:00:00 লকডাউনের পর ডিভোর্সের সুনামি হবে: মত আইনজ্ঞদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92141 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586356038_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586356038_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"><br>আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ক্রমশই জটিল হচ্ছে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি। বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যু মিছিলও। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন। কবে এই লকডাউন উঠবে, কবেই বা ফিরে আসবে স্বাভাবিক পরিস্থিতি তা জানে না কেউই। তবে জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, লকডাউনে নারী নির্যাতন ও ঘরে নারীদের ওপর সহিংসতা কয়েকগুণ বেড়েছে। এমন অবস্থায় লকডাউন উঠে গেলে ডিভোর্সের সুনামি হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজ্ঞরা।<br>যেসব নারী চাকুরি করেন তারা ঘরে বসেই সব কাজ সামলাতে হচ্ছে। ঘরের এবং অফিসের কাজ নিয়ে চাপে রয়েছেন অনেক নারী। এমনকি বাড়ি থেকে কাজ করেও যাবতীয় কিছু সারতে হচ্ছে তাদের। কাজে সাহায্য করার মতো কাউকে পাচ্ছেন না। তাতেই বাড়ছে বিপত্তি। এছাড়াও টানা এতক্ষণ কেউ কারোর সঙ্গে সময় কাটাতে অভ্যস্ত নয়। সারাক্ষণ পাশাপাশি থাকায় ঝামেলা আরও বাড়ছে। আবার দিন আনি দিন খাই যেসব পরিবার, এই লকডাউনে অনেকেরই হাতে কাজ নেই। ফলে টান পড়ছে খাবারে।<br>সেখান থেকে বাড়ছে অশান্তি। বাড়ির সকলের রাগ গিয়ে পড়ছে স্ত্রীর ওপর। অনেকের জীবন থেকেই ফ্যামিলি টাইম শব্দটি হারিয়ে গিয়েছিল। একসঙ্গে বসে খাওয়া, আড্ডা, টিভি দেখা সেসব তো ভুলতে বসেছিলেন অনেকেই। কিন্তু আবার সেসব ফিরে পেয়ে অনেকেই যেমন খুশি, তেমন অনেকের কাছেই তা অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।<br>যারা বিয়ের রেজিস্ট্রেশন করান এমন আইনজীবিদের কাছে প্রত্যেকদিন ফোন আসছে ডিভোর্স ফাইল করবার জন্য এই বেশিরভাগ দম্পতির দাম্পত্যজীবনের দশ বছর পেরিয়ে গিয়েছে অনেকদিন।<br>অনেক দম্পতিই আবার লইয়ারকে বলছেন তারা মিউচুয়াল ডিভোর্স চান। অনেকেই আইনজীবিদের সঙ্গে টেলিফোন মারফৎ কথা সারছেন। যারা ডিভোর্স চাইছেন তাদের অনেকের কাছে আইনজীবিরা আরজি জানাচ্ছেন, ঠান্ডা মাথায় বসে দু'জনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। এই খবর দিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার বাংলা ভার্সন এইসময়।<br>লকডাউনে অনেক বেসরকারি সংস্থারকর্মী মন্দার কোপে পড়ে চাকরি খুইয়েছেন। কারোর আবার মাসিক বেতন থেকে টাকা কাটা হচ্ছে, কারোর বেতন কমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক কোপ এসে পড়েছে সংসারেও।<br>সংসারের খরচ কমানো, হঠাৎ করেই এই পরিবর্তনে মানিয়ে নিতে পারছেন না অনেকেই। যে কারণে অশান্তি আরও বেড়েছে। সব স্বাভাবিক হলে তবেই তারা বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নেবেন এমনটাই জানিয়েছেন। অনেকে অগ্রিম দিনক্ষণ ঠিক করে, আইনজীবির ফি বিষয়েও কথা বলে নিয়েছেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-08 20:26:02 1970-01-01 00:00:00 গাইবান্ধায় বিদেশফেরত ৪৮৫ জন নিখোঁজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92140 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351702_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351702_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গাইবান্ধায় বিদেশফেরত ৪৮৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। গত ৩০ মার্চ থেকে বুধবার (০৮ এপ্রিল) পর্যন্ত গত ১০ দিনেও তাদের খুঁজে পায়নি পুলিশ প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।<br>নিখোঁজদের মধ্যে কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে এই সংক্রমণ জেলাব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তাই বিদেশফেরত নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য জানাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউএনও এবং থানা পুলিশের ওসিকে আনুরোধ জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, গত ১ মার্চ থেকে ৯২৯ জন প্রবাসী বিভিন্ন দেশ থেকে গাইবান্ধার সাত উপজেলায় নিজ বাড়িতে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৪৪৪ জনকে খুঁজে পাওয়া গেছে। তবে ৪৮৫ জনের খোঁজ মিলছে না। তারা নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খুঁজছে জেলা প্রশাসন।<br><br>এ অবস্থায় বিদেশফেরত ওসব ব্যক্তির খোঁজ দিতে ২১ মার্চ গাইবান্ধার জাতীয় তথ্য বাতায়নে জেলা প্রশাসন একটি নোটিশ দিয়েছে। নোটিশে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের তথ্য দিতে ইউএনও, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং থানার ওসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রশাসন তাদের জনবল ও সোর্স দিয়ে এবং স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের কর্মীদের দিয়ে খুঁজছে বিদেশফেরতদের। পাশাপাশি অন্যান্য উপায়ে সন্ধান চলছে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের। বিদেশফেরত কেউ কেউ স্বেচ্ছায় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগকে জানিয়েছেন। আবার প্রতিবেশীরা বিদেশফেরতদের সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। এরপরও গাইবান্ধায় বিদেশফেরত ৪৮৫ জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এসব বিদেশফেরত ব্যক্তি কি অবস্থায় কোথায় আছেন তা জানা নেই কারও। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন পাঁচজন। তাদের মধ্যে সদর উপজেলার তিনজন ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার একজনকে হাসপাতালের আইসোলেশনে এবং আরেকজনকে সাদুল্লাপুর উপজেলায় আইসোলেশনে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১৭৩ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন একজন।<br><br>গাইবান্ধা যুব নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক জিয়াউল হক জনি বলেন, গাইবান্ধায় গত ২২ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মা-ছেলে। তারপর অজ্ঞাতবশত ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে মা ও ছেলের সংস্পর্শে আসা আরও তিনজনের শরীরে। তাই বিদেশফেরত যাদেরকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত থাকলে ভাইরাসটি অন্যদের মধ্যে ছড়ানোর আশঙ্কা আছে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ বলেন, বিদেশফেরত যাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তারা যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে লুকিয়ে আছেন; আমরা এমনটা মনে করছি না। কারণ আক্রান্ত হলে এখন নিজেরাই আমাদের খবর দিচ্ছেন। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেই সঙ্গে নিখোঁজদের খুঁজছি আমরা।<br>গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবদুল মতিন বলেন, বিদেশফেরতদের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন সোর্স লাগিয়ে কাজ করছে। মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে তাদের খোঁজা হচ্ছে। অনেকেই নিজ বাড়িতে না গিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। যার কারণে তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যাদের খুঁজে পাওয়া গেছে তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ বিদেশফেরতদের তথ্য জেলা প্রশাসন বা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানাতে এখনও অনুরোধ করছি আমরা। </body></HTML> 2020-04-08 19:12:19 1970-01-01 00:00:00 খাবারের জন্য হোটেল শ্রমিকদের অবস্থান, ইউএনওর কাছে আবেদন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92139 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351344_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351344_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া হোটেল শ্রমিকরা আর্থিক সহযোগিতা ও খাদ্য সামগ্রীর জন্য লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে কর্মহীন হয়ে পড়া শতাধিক হোটেল শ্রমিক অবস্থান নেন। পরে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শ্রী সুধা বর্মন রায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আর্থিক সাহায্যের জন্য নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারীর হাতে একটি আবেদন প্রদান করেন।<br>জানা গেছে, ২০ দিন ধরে গোটা উপজেলায় প্রায় ৩০০ জন হোটেল শ্রমিক কর্মহীন। হোটেলে দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারণে সকল হোটেল বন্ধ । ফলে পরিবারের খাদ্য যোগাতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন এবং বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। আর্থিক সাহায্য ও খাদ্য সামগ্রীর জন্য উপজেলা পরিষদ চত্বরে হোটেল শ্রমিকরা অবস্থান নেন।<br><br>হাতীবান্ধা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতি শ্রী সুধা বর্মন রায় বলেন, গোটা উপজেলায় প্রায় ৩০০ জন হোটেল শ্রমিক রয়েছেন। তারা এখন সবাই কর্মহীন। ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে বাড়িতে বসে রয়েছেন। এখন উপায় না পেয়ে আমরা সবাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আবেদন করেছি। এছাড়া এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট আসলে তিনি স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করতে বলেন। সেখানে হাতে গোনা কয়েকজনকে চাল, ডাল দেয়া হয়। আর কোনো সাহায্য আমরা পাইনি।<br>হোটেল শ্রমিক লিটন, সাদেকুল ইসলাম, দুলাল, কেরামত ও সারবানু বলেন, হোটেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কয়েক দিন জমানো কিছু টাকা দিয়ে চলেছি। পরে ধার দেনা করে কিছু খরচ করি। এখন আমাদের পরিবারে ৫-৭ জন সদস্য। তাদের খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। কোনো টাকা-পয়সা নেই। এভাবে চলতে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।<br><br>এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, আমি বাইরে কাজে আছি। শ্রমিকরা অফিসে একটি আবেদন দিয়েছে বলে এক কর্মচারী জানিয়েছেন। আমি অফিসে গিয়ে বিষয়টি দেখবো। </body></HTML> 2020-04-08 19:06:01 1970-01-01 00:00:00 বেতনের জন্য এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন পোশাককর্মী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92138 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351070_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586351070_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সাভারে কাভার্ডভ্যান চাপায় অটোরিকশার যাত্রী এক নারী পোশাককর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটি আটক করে পুলিশ।<br>নিহত মরিয়ম (৩৫) নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বাসিন্দা। সাভারের উলাইল এলাকার আল-মুসলিম গ্রুপের একেএম নিটওয়্যার পোশাক কারখানায় সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন তিনি।<br><br>নিহতের সহকর্মী প্রত্যক্ষদর্শী আকলিমা আক্তার বলেন, আজ আমাদের কারখানায় বেতন দেয়ার কথা ছিল। তাই আমরা কারখানায় যাচ্ছিলাম। মরিয়ম অটোরিকশাযোগে কারখানায় যাচ্ছিল। গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে দায়িত্বরত একজন ট্রাফিক পুলিশ তার অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেন। এ সময় তাকে বহনকারী অটোরিকশা ডানে মোড় নিয়ে সাভার উপজেলার দিকে ঢুকতে চেষ্টা। তখন সাভারগামী একটি কাভার্ডভ্যান দ্রুতগতিতে এসে অটোরিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মরিয়ম নিহত হন। এ ঘটনায় আহত অটোরিকশা চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। সাভার মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, কাভার্ডভ্যান দ্রুতগতিতে এসে অটোরিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মরিয়ম নিহত হন। কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-04-08 19:02:45 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা থেকে পালিয়ে আসা পুলিশ দম্পতি রাজবাড়ী আইসোলেশনে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92137 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586350756_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586350756_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঢাকা থেকে পালিয়ে রাজবাড়ী সদরের বক্তারপুরে বাবার বাড়ি আসা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হওয়া নারীকে (৩৪) স্বামীসহ আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর হাসাপাতালের আইসোলেশনে তাকে ভর্তি করা হয়। তার স্বামী বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত। একই সঙ্গে বক্তারপুর ও তার পাশের সমেসপুর গ্রাম লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। করোনা শনাক্ত ওই নারীর একটি সন্তান রয়েছে। রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডাঃ নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ওই নারী জেলার পাংশার স্থায়ী বাসিন্দা। কয়েকদিন আগে জ্বর ,শ্বাসকষ্ট ও গলাব্যথা থাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সদস্যের এই স্ত্রীর নমুনা আইইডিসিআরে পরীক্ষা করা হয়। গত মঙ্গলবার তার রির্পোটে করোনাভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়ায় স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীও হতাশ হয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ স্ত্রীর অনুরোধে মঙ্গলবার রাতেই অ্যাম্বুলেন্সে স্ত্রীকে তার বাবার বাড়ি রাজবাড়ী সদরের বক্তারপুর গ্রামে নিয়ে আসেন। এ খবর রাতেই ছড়িয়ে পরলে পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ রাতেই বক্তার পুরের ওই বাড়ি ঘিরে রাখে।<br><br>বুধবার দুপুরে ওই নারীকে তার স্বামীসহ হাসপাতালের আইসোলেশনে নিয়ে আসা হয় এবং ওই এলাকার দুটি গ্রামে লকডাউন করে পুলিশ পাহারা বসায় প্রশাসন।<br>রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার জানান, করোনা পজিটিভ ওই নারী ও তার স্বামী গত রাতেই বক্তারপুর ও পাশের সমেসপুর গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে মেলামেশা করায় চারটি বাড়ি শনাক্ত করে দুটি গ্রামের পুরো এলাকায় বুধবার দুপুর থেকে লকডাউন করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-04-08 18:58:27 1970-01-01 00:00:00 সাতক্ষীরায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩ গ্রাম প্লাবিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92136 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586350148_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586350148_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রবল জোয়ারের চাপে কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া গ্রামের ৭/১ পোল্ডার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১০০ ফুট বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে কুড়িকাউনিয়া, শ্রীপুর ও বৃষ্টিনন্দন গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার।<br><br>স্থানীয়রা জানায়, আগে থেকেই বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রবল জোয়ারের চপে হঠাৎ করেই মধ্যরাতে বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। ইতোমধ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রায় সহস্রাধিক মানুষ স্বেচ্ছায় বেড়িবাঁধটি সংস্কার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বেড়িবাঁধটি সংস্কার করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে। প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেই প্রতাপনগর ইউনিয়নের এই বেড়িবাঁধ প্রতিবারই ভেঙে যায়। বার বার বলার পরও পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেননি।<br>তিনি আরও জানান, তিনটি গ্রামের প্রায় এক হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধ শতাধিক পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে জানান, তিনি তাৎক্ষণিক কিছু বালুর বস্তার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দ্রুত বেডিবাঁধ সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। </body></HTML> 2020-04-08 18:42:40 2020-04-08 19:04:52 বিশ্বের শীর্ষ ধনী বেজোস, বিলিয়নিয়ার ২০৯৫ জন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92135 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586349711_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586349711_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>সারা বিশ্বের ১০০ কোটি ডলারের মালিক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত ‘ফোর্বস’ ম্যাগাজিন। ২০২০ সালে বিশ্বে মোট বিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ২০৯৫। তালিকায় রয়েছেন ১০২ জন ভারতীয়। ২১ নম্বরে রয়েছেন ভারতের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্নধার মুকেশ অম্বানী। ফোর্বসের এই বিলিয়নিয়ারের তালিকাতেও থাবা বসিয়েছে করোনা। এই তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে ১৮ মার্চ। তার মাত্র ১২ দিন আগেও ১০০ কোটি ডলারের শিল্পপতির সংখ্যা ২২৬ জন বেশি ছিল। অর্থাৎ করোনার ধাক্কায় বিশ্ব জুড়ে অর্থনীতি যে ধাক্কা খেয়েছে, সেটা প্রভাব ফেলেছে ফোর্বসের তালিকাতেও। এই নিয়ে পরপর তিন বছর তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রাখলেন অ্যামাজন প্রধান জেফ বেজোস। স্ত্রী ম্যাকেঞ্জি বেজোসের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের জেরে ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে দিতে হলেও হলেও তার প্রথম স্থানে থাকা আটকাতে পারেনি। এখন তার সম্পত্তির পরিমাণ ১১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।<br><br>৯৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক মাইক্রোসফট কর্তা বিল গেটস তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন বার্নাড আরনল্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি। তাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৭৬ বিলিয়ন ডলার। বার্কশায়ার হ্যাথওয়ের মালিক ওয়ারেন বাফেট চতুর্থ স্থানে। সম্পত্তি ৬৭.৫ বিলিয়ন ডলার। তবে ২০১৯ সালের তালিকায় তিনি ছিলেন ৩ নম্বরে।<br>শত কোটি ডলারের মালিকদের তালিকায় কম যান না মহিলারাও। ফোর্বসের তালিকায় মহিলাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন ওয়ালমার্ট ফরচুনের উত্তরাধিকার অ্যালিস ওয়াল্টন। ফর্বসের তালিকায় তার স্থান ৯ নম্বরে। তার সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪.৪ বিলিয়ন ডলার। তালিকায় মোট জায়গা পেয়েছেন সারা বিশ্বের ২৪১ মহিলা।<br><br>১০০ কোটি ডলারের মালিকের তালিকায় রয়েছেন মোট ১০২ জন ভারতীয়। রিলায়্যান্স কর্ণধার মুকেশ অম্বানী ফর্বসের তালিকায় ২১ নম্বরে। ২০১৯ সালে তিনি ছিলেন ১৩ নম্বরে। সম্প্রতি বিশ্ব বাজারে তেলের দামে পতন এবং করোনার জেরেই মুকেশ ৮ ধাপ নীচে নেমেছেন। গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেটের সিইও ল্যারি পেজ রয়েছেন বিলিয়নিয়ারের তালিকার ১৩ নম্বরে। এই সংস্থারই অন্য সিইও সের্গেই ব্রিন রয়েছেন ঠিক তার পরেই। দু’জনের সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ৫০.৯ বিলিয়ন এবং ৪৯.১ বিলিয়ন ডলার।<br>ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ কর্ণধার মার্ক জাকারবার্গও ফোর্বসের তালিকায় শীর্ষ সারিতেই রয়েছেন। সাত নম্বরে থাকা জাকারবার্গের সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪.৭ বিলিয়ন ডলার।<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে। তিনি ১০০ কোটি ডলারের মালিকদের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ১০০১ নম্বরে। তার সম্পত্তির পরিমাণ ২.১ বিলিয়ন ডলার। </body></HTML> 2020-04-08 18:40:08 1970-01-01 00:00:00 এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সাহায্য বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92134 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586349567_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586349567_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চিকিৎসা সামগ্রীসহ বিভিন্ন জিনিসের অভাব দেখা দিচ্ছে সেখানে। সম্প্রি ওষুধ রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে ভারতকে হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে একইভাবে হুমকি দিলেন তিনি। করোনাভাইরাস নিয়ে চীনের পক্ষে কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- এমন অভিযোগ তুলে এই সংস্থায় আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিলেন তিনি। মঙ্গলবার এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাস্তবেই এটি উড়িয়ে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র তাদের সবচেয়ে বেশি আর্থিক সাহায্য করে তারপরও তারা চীন কেন্দ্রিক। আমরা দ্রুতই ভালো অবস্থানে যাবো। ভাগ্যক্রমে চীনের সঙ্গে সীমান্ত খোলা রাখার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম। কেন তারা আমাদেরকে একটু ত্রুটিযুক্ত পরামর্শ দিয়েছিল?<br><br>অবশ্য এই টুইটের অনেক আগে থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের পক্ষ নিয়ে একপেশে আচরণ করছে বলে অভিযোগ করে আসছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে করোনার প্রকোপ ভয়াবহ হতেই তিনি অভিযোগের তীরকে শানিত করেছেন। এর আগে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ভারতকে হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। হুমকিতে ট্রাম্প বলেন, 'ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব ভাল। আমি এমন কোনো কারণ দেখতে পাচ্ছি না যার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবে ভারত। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিরর সঙ্গে কথা বলেছি ভারত যদি ওষুধ পাঠায় তবে আমরা এই পদক্ষেপকে সম্মান করব। আর যদি না পাঠায়, তাহলেও ঠিক আছে! কিন্তু হ্যাঁ, আমাদের থেকেও এরপর এমনই ব্যবহার পাবে ভারত'। মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির পর সীমিত আকারে কয়েকটি ওষুধ রপ্তানি করা যাবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। </body></HTML> 2020-04-08 18:38:49 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় করোনা আক্রান্ত আরও ১৫৬, মৃত্যু দু’জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92133 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348592_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348592_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>মালয়েশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১৫৬ জন, মারা গেছেন দু’জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। বুধবার মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এদিন মারা যাওয়া দু’জনের মধ্যে একজন পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন। তিনিও মালয়েশিয়ার একটি ধর্মীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যেই ওই সম্মেলনে যোগ দেয়া এক হাজারেরও বেশি মুসল্লি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।<br>দেশটিতে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৪৮৭ জন। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথমবার ধরা পড়ে নভেল করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্তত ১৮৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। বিশ্বব্যাপী এতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৪১ হাজার ১২৮ জন। মারা গেছেন প্রায় ৮৩ হাজার। আর চিকিৎসার মাধ্যমে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৮১৯ জন।<br><br>সূত্র: আল জাজিরা </body></HTML> 2020-04-08 18:21:49 1970-01-01 00:00:00 চীনের মূল ভূখণ্ডে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত দ্বিগুণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92132 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348427_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348427_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>চীনের মূল ভূখণ্ডে নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে।<br>চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬২ জন। এর আগের দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩২। অর্থাৎ মঙ্গলবার এক লাফে দুইগুণ বেড়ে গেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৫ মার্চ থেকে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ। তবে নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই বিদেশি নাগরিক। নতুন করে আক্রান্ত হওয়া ৬২ জনের মধ্যে ৫৯ জনই বিদেশি নাগরিক। বাকিরা চীনের মূল ভূখণ্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। মঙ্গলবার ১ হাজার ৯৫ জনকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫৮ জন বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে।<br><br>ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ৮০২ এবং মারা গেছে ৩ হাজার ৩৩৩।<br>তবে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৭৭ হাজার ২৭৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। অপরদিকে, ১৮৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর থেকেই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে করোনার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ে। গত কয়েকমাসের প্রচেষ্টায় চীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আবারও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।<br>এরই মধ্যে করোনার উৎপত্তিস্থল উহানে বুধবার মধ্যরাত থেকে সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। লকডাউন তুলে নেওয়ায় লোকজন এখন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। </body></HTML> 2020-04-08 18:19:10 1970-01-01 00:00:00 নিজের সম্পত্তির ২৮ শতাংশ দান করলেন টুইটার প্রতিষ্ঠাতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92131 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348112_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586348112_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> and nbsp; <br>জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটার এবং মোবাইল আর্থিক সেবা অ্যাপ স্কয়ারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি মহামারি করোনা মোকাবিলায় ১০০ কোটি ডলার দান করছেন। এক টুইট বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন। জ্যাক ডরসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থ তার মোট সম্পত্তির ২৮ শতাংশের সমান।<br>বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুইটারে এই ঘোষণা দিয়ে ডরসি লিখেছেন, ‘প্রয়োজনীয়তা ক্রমবর্ধমান হারে আরও জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোথায় এই বিপুল পরিমাণ এই অর্থ সহায়তা করা হবে এ নিয়ে কিছু জানাননি টুইটার প্রতিষ্ঠাতা। করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে বিপর্যস্ত। দেশটিতে ইতোমধ্যে ভেন্টিলেটর, পিপিইসহ চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া দেশটির মানুষ ও ব্যবসায় খাত অর্থনৈতিকভাবে বেশ সংকটের মুখে পড়েছে। তাই এই সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।<br><br>টুইটার এবং স্কয়ার উভয়ের ৪৩ বছর বয়সী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জ্যাক ডরসি এই অর্থ স্কয়ারে থাকা তার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে যোগার করবেন। তারপর স্টার্ট স্মল ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই অর্থ মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় খরচ করা হবে। জ্যাক ডরসির আগে করোনার চিকিৎসা আবিষ্কারে ৩০ মিলিয়ন অনুদান দেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। এছাড়া করোনাকালে যারা খাবারের জন্য লড়াই করছেন তাদের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের ঘোষণা দেন অ্যামাজনের জেফ বেজোস। তালিকায় আছেন অ্যাপলের সিইও টিম কুকও। <br></body></HTML> 2020-04-08 17:41:26 1970-01-01 00:00:00 নিলামে বাটলারের জার্সির দাম উঠেছে ৬৮ লাখ টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92130 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345660_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345660_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগময় সময়ে নিজের অমূল্য এক সম্পদ বিসর্জন দিচ্ছেন জস বাটলার। নিলামে তুলে দিয়েছেন সেই জার্সিটি, যে জার্সিটি পড়ে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন, শিরোপাতেও আছে যে জার্সির স্পর্শ। একজন খেলোয়াড়ের সারাজীবনের সম্পদ তো এই স্মৃতিগুলোই। তারা অনেক সময় স্মরণীয় ম্যাচের স্ট্যাম্প, কখনও বেল, কখনও বল, ব্যাট কিংবা জার্সিটি আলাদা করে রেখে দেন। যুগের পর যুগ সেগুলো স্মৃতি আঁকড়ে রাখে। <br>কিন্তু করোনার এই দুঃসময়ে স্মৃতি আঁকড়ে রাখার চেয়ে মানবতায় বিলিয়ে দেওয়াকেই বড় দায়িত্ব মনে করলেন ইংলিশ দলের বিশ্বকাপজয়ী উইকেটরক্ষক। তাই জার্সিটি নিলামে তোলার ব্যবস্থা করেন। বাটলারের এই মানবিক কাজে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। নিলামে ৮২টি বিড হয়েছে। জার্সিটির সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ৬৫ হাজার ১০০ পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৬৮ লাখ টাকা। and nbsp;<br><br>লন্ডনে দুটি হাসপাতালকে আর্থিক সহায়তার জন্য গত ৩১ মার্চ বাটলার তার জার্সিটি অনলাইন নিলামে তোলেন। নিলাম শেষ হয়েছে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। <br>নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে এই জার্সি পরেই গুরুত্বপূর্ণ হাফসেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন বাটলার। সুপার ওভারের শেষ বলে তিনিই বল ধরে রানআউট করেছিলেন মার্টিন গাপটিলকে। স্মরণীয় এই জার্সিতে সতীর্থদের সবার অটোগ্রাফ নিয়ে রেখেছিলেন বাটলার। মানবিক কাজে জার্সিটির এত দাম পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত বাটলার বলেছেন, ‘আমার জন্য এটা খুবই স্পেশাল জার্সি। তবে ভীষণ প্রয়োজনীয় একটি কাজে লাগায় এটি আরও অর্থবহ হয়ে উঠেছে।’ </body></HTML> 2020-04-08 17:33:03 1970-01-01 00:00:00 উইজডেন বর্ষসেরা নির্বাচিত হলেন যারা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92129 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345522_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345522_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ক্রিকেটের বাইবেলখ্যাত 'উইজডেন অ্যালমানাক'র গত তিন সংস্করণেই শীর্ষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কিন্তু ২০২০ সালের সংস্করণে তিনি জায়গা পাননি সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের তালিকাতেও। উইজডেনের এবারের সংস্করণে শীর্ষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের পেস বোলিং অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। যার ফলে ঘুচল প্রায় ১৫ বছরের অপেক্ষা। ইংল্যান্ডের পক্ষে সবশেষে ২০০৫ সালে উইজডেনের শীর্ষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক পেস বোলিং অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ। স্টোকস ছাড়া উইজডেনের এবারের সংস্করণে সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ইংল্যান্ডের জোফরা আর্চার, দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমন হারমার এবং অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিনস, মার্নাস লাবুশেন ও নারী দলের অলরাউন্ডার এলিস পেরি। অর্থাৎ ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ারই জয়জয়কার।<br><br>পুরুষদের ক্রিকেটে যেমন শীর্ষ ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন স্টোকস, তেমনি নারী ক্রিকেটে এই সম্মান পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়া এলিস পেরি। এর আগে ২০১৬ সালেও শীর্ষ নারী ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া এবারের শীর্ষ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন আন্দ্রে রাসেল।<br>প্রায় ১৩০ বছর আগে ১৮৮৯ সাল থেকে প্রচলিত উইজডেনের এবারের সংস্করণের প্রচ্ছদে রাখা হয়েছে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রতিকী ছবিটিকে। যেখানে সুপার ওভারের শেষ বলে মার্টিন গাপটিলকে রানআউট করার পথে স্টাম্প ভাঙছিলেন ইংলিশ উইকেটরক্ষক জস বাটলার। </body></HTML> 2020-04-08 17:30:47 1970-01-01 00:00:00 শোয়েবকে খেলা তো খুবই সহজ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92128 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345262_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345262_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>যেকোনও ব্যাটসম্যানই তাঁর গতি সামলাতে ভয় পেতেন। বিশ্বের দ্রুততম ডেলিভারিটা বেরিয়েছিল তাঁর হাত থেকেই। এহেন শোয়েব আখতারের বোলিং দেখে সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফের ছেলে বলে ওঠেন, ‘শোয়েব আখতারকে বাউন্ডারি মারা তো খুবই সহজ।’ কারণ যে গতিতে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ বল করেন, সেই গতিকে কাজে লাগিয়ে নাকি অনায়াসে বল বাউন্ডারিতে পাঠানো যায়! করোনাভাইরাসের কারণে আপাতত বিশ্বে সব ধরনের খেলাধুলা বন্ধ। এই সময়ে একটি স্পোর্টস চ্যানেলে অতীতের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ পুনঃসম্প্রচার করা হচ্ছে। ২০০৩ বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটা একসঙ্গে বসে দেখছিলেন কাইফ ও তাঁর ছেলে।<br><br>সেবারের বিশ্বকাপে বারুদে ঠাসা ছিল দুই প্রতিবেশী দেশের ক্রিকেট-যুদ্ধ। শোয়েব আখতারকে আপার কাটে গ্যালারিতে ফেলেছিলেন শচীন। পরে শোয়েবের মারাত্মক গতির বল ধেয়ে এসে শচীনের উইকেট ছিনিয়ে নেয়। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’কেই মিডউইকেট দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছিলেন কাইফ।<br><br>বাবার বাউন্ডারি হাঁকানো দেখে ছেলে কবীর বলে ওঠে, শোয়েবকে খেলা কঠিন কোনও ব্যাপার নয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে দেখতে ছেলের এই প্রতিক্রিয়ার কথা টুইটে লিখেছেন কাইফ, ‘অবশেষে কবীর ঐতিহাসিক ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখল। কিন্তু জুনিয়র তো পাপার খেলা দেখে মোটেই আহ্লাদিত হয়নি। বলেছে, শোয়েবকে খেলা কোনও ব্যাপারই নয়। কারণ শোয়েবের বলে পেস আছে। সেই গতিকে কাজে লাগানো সহজ।’<br><br>২০০৩ বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে কাইফ ৩৫ রান করেছিলেন। কাইফের টুইট দেখে তাঁকে উদ্দেশ করে শোয়েব পাল্টা টুইটে লেখেন, ‘তাহলে কবীর আর মাইকেল আলি আখতারের ম্যাচ হয়ে যাক? পেস নিয়ে ওর প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবে। আমার ভালবাসা দিও।’<br><br>শোয়েবর ছেলে মাইকেল আলি আখতার। মাঠের ভিতরে শোয়েব ও কাইফ কঠিনতম প্রতিপক্ষ হলেও, মাঠের বাইরে তাঁরা একে অপরের বন্ধু। সেই বন্ধুত্ব রয়ে গিয়েছে খেলা ছেড়ে দেওয়ার পরেও। </body></HTML> 2020-04-08 17:26:39 1970-01-01 00:00:00 বিলাসবহুল হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রোনালদিনহো http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92127 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345141_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586345141_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ভুয়া পাসপোর্ট দিয়ে প্যারাগুয়ে প্রবেশের অপরাধে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কারাবাসের পর ছাড়া পেলেন অবসরে যাওয়া ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা রোনালদিনহো। তবে, কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও তদন্ত চলাকালীন মঙ্গলবার একটি বিলাসবহুল হোটেলে তাকে গৃহবন্দী থাকার আদেশ দেয়া হয়েছে।<br>প্যারাগুয়ের একটি আদালত এ রায় দেয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পরে হোটেলটিতে যান ব্রাজিলিয়ান এ তারকা ফুটবলার। পুলিশ ভ্যানে করে তাকে হোটেলটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রয়োজনীয় স্যানিটারি সতর্কতা নিশ্চিত করার পর তাকে ঢুকতে দেয়া হয়েছে।<br><br>সেই সাথে, ফিফার বর্ষসেরা ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় রোনালদিনহো এবং তার ভাই রবার্তো ডি এসিসকে ৮ লাখ ডলার করে জামানত দিতে বলা হয়েছে।<br>২০০২ বিশ্বকাপ জেতাতে নেতৃত্বদানকারী রোনালদিনহোকে দক্ষিণ আমেরিকার ছোট্ট এ দেশটিতে ভুয়া প্যারাগুয়ান পাসপোর্ট নিয়ে প্রবেশের দায়ে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ছয়মাসের জেল দিয়েছিল স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রোনালদিনহো তার নিজের আত্মজীবনী প্রচারের জন্য প্যারাগুয়ে গিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-04-08 17:25:06 1970-01-01 00:00:00 মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92126 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586342492_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586342492_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।<br>বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ হেলাল চৌধুরী এ পরোয়ানা জারি করেন। মঙ্গলবার ভোরে গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সামনে থেকে মাজেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। and nbsp; এরপর বেলা ১২টার দিকে আব্দুল মাজেদকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানো পর্যন্ত জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন করেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. জহুরুল হক।<br>আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) এ এম জুলফিকার হায়াত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। </body></HTML> 2020-04-08 16:41:08 1970-01-01 00:00:00 ভারতে আক্রান্ত ছাড়াল ৫ হাজার, একদিনে ৩৫ মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92125 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341833_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341833_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৬০। এছাড়া দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ১১৯ জনে দাঁড়িয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী দেশটিতে এক দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যায় সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন ঘটেছে গত ২৪ ঘণ্টায়। তবে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের ৭০ শতাংশের রোগ লক্ষণ মাঝারি থেকে মৃদু চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হওয়া দরকার হবে না বলেও দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। করোনাভাইরাসে ঝুঁকি বেড়ে চলায় গতকাল মঙ্গলবার কয়েকজন মন্ত্রী নিজেরা আলোচনা করার পর ভারতজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও চার সপ্তাহ বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি ধর্মীয় জমায়েত ও সব ধরনের সভার ওপরও নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।<br><br>এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। অন্যতম রাজ্যটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০১৮ জন। এরপর যথাক্রমে তামিলনাডুতে ৬৯০, দিল্লিতে ৫৭৬, তেলেঙ্গানায় ৩৬৪ এবং কেরালায় ৩৩৬ জন। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমন্বয়কের ভূমিকা পালনকারী সংস্থা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের (আইসিএমআর) সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি সামজিক দূরত্ব বজায় রীতি মেনে চললেও তাকে যদি কোয়ারেন্টাইন করা না হলে ৩০ দিনে তার মাধ্যমে আরও ৪০৬ জন আক্রান্ত হতে পারেন। </body></HTML> 2020-04-08 16:29:53 1970-01-01 00:00:00 দেশে করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92124 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341640_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341640_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপনকালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ৫৪ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন, নারী ২১ জন। বয়স বিভাজনের ক্ষেত্রে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ২১ থেকে ৩০ মধ্যে ১৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরে মধ্যে ৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৬০ এর বেশি বয়সের বেশি রয়েছেন ১০ জন।<br><br>আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, ৫৪ জনের মধ্যে ৩৯ জন ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার। ঢাকার আশপাশের উপজেলায় ১ জন। এছাড়া বাকিরা সবাই ঢাকার বাইরের।<br>প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরের চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৮২ হাজার ৮০ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৬ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৬ জন চিকিৎসাধীন এবং ৪৭ হাজার ৮৯৪ জন (৫ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে ৩ লাখ ২ হাজার ১৫০ জন (৭৯ শতাংশ) সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং ৮২ হাজার ৮০ জন (২১ শতাংশ) রোগী মারা গেছেন। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। </body></HTML> 2020-04-08 16:26:43 1970-01-01 00:00:00 নীলফামারীতে চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত, হাসপাতাল লকডাউন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92123 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341543_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341543_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসকের শরীরে করোনা জীবাণু শনাক্ত হওয়ায় তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ওই হাসপাতাল লকডাউন করা হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসকের এক সহকর্মীকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্ম্মন। তিনি বলেন, ওই চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাকেসহ অপর এক চিকিৎসককে রাখা হয়েছে আইসোলেশনে। জানা গেছে, ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে লকডাউন করা হয়েছে। স্বাস্থ কমপ্লেক্সের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স, আয়া, রোগীসহ ১৫০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। করোনায় আক্রান্ত ওই চিকিৎসক ছুটি শেষে গত ৩ এপ্রিল ঢাকা থেকে কর্মস্থল কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ায় ৫ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গতকাল ৭ এপ্রিল পাওয়া রিপোর্টে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।<br><br>এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২০ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৫৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২১৮ জন। নতুন করে কেউ সুস্থ হননি। বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-08 16:25:13 1970-01-01 00:00:00 দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক মাজেদ : তোফায়েল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92122 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341423_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341423_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মাজেদ দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ। বুধবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।<br>তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘সমস্ত বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) মাজেদের গ্রেফতারের খবর শুনে ভীষণ উল্লসিত ও আনন্দিত। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল, একটি স্বপ্নকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, ক্যাপ্টেন মাজেদ ছিল তাদের অন্যতম ‘<br>তিনি বলেন, ‘সে একটা দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ছাড়া যারা বিদেশে ছিলেন, বাকি সবাইকে হত্যা করে ফেলেছিল। এমনকি খুনি মাজেদ আমার এপিএস ১৯৭৩ ব্যাচের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শফিকুল আলম মিন্টু, তাকে গ্রেফতার করে, নির্যাতন করে তাকে হত্যা করে তার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে।’<br>সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনি মাজেদকে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক ছিলেন। তার ফাঁসির পরোয়ানা ইস্যু করেছেন আদালত। </body></HTML> 2020-04-08 16:23:18 1970-01-01 00:00:00 পুলিশ প্রধান বেনজীর, র‌্যাব মহাপরিচালক আব্দু্ল্লাহ আল মামুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92121 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341346_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586341346_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেলেন র‍্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। একই সঙ্গে সিআইডি প্রধান আব্দুল্লাহ আল মামুন র‍্যাবের মহাপরিচালক হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার বেনজীরকে পুলিশের শীর্ষ এ পদে নিয়োগ দিয়ে বুধবার (৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। বর্তমান আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর স্থলাভিষিক্ত হবেন বেনজীর আহমেদ। আর বর্তমান র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের স্থলাভিষিক্ত আবদুল্লাহ আল মামুন। ১৫ এপ্রিল থেকে জারিকৃত এ আদেশ কার্যকর হবে।<br><br>বেনজীর আহমেদ র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন আইজিপি হিসেবে আগে থেকেই আলোচনায় ছিল তার নাম। মেধাবী, সৎ ও চৌকোস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বেনজীর আহমেদের পরিচিতি রয়েছে। সপ্তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ ১৯৮৮ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। বেনজীর আহমেদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। র‌্যাবের ডিজির দায়িত্ব পালনের আগে প্রায় সাড়ে চার বছর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।<br><br>তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিভাগে চিফ অব মিশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট সার্ভিসেস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত জাতিসংঘ সদরদফতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। কর্মদক্ষতায় তিনবার জাতিসংঘ শান্তি পদক অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি পুলিশের পেশাগত সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) অর্জন করেন তিনি।<br>আর র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইলে। সিআইডি প্রধানের দায়িত্বের আগে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে অনুমোদন দেন।<br>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশের আইজির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই নতুন আইজি নিয়োগের জন্য দ্রুত সারসংক্ষেপ পাঠাতে মন্ত্রী ও সচিবকে নির্দেশনা দেন। এরপর গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব মু. মোহসিন চৌধুরী, যুগ্মসচিব (পুলিশ-১) ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, উপসচিব (পুলিশ-১) ধনঞ্জয় কুমার দাসকে নিয়ে এক বৈঠকে সারসংক্ষেপ তৈরি করেন।<br><br> </body></HTML> 2020-04-08 16:21:44 1970-01-01 00:00:00 মাজেদ কি নেত্রীকে হত্যা করতে এসেছিল? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92120 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586325819_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586325819_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জয়নাল হাজারী ॥</span><br>বঙ্গবন্ধুর খুনি এবং ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাজেদ দুইদিন আগে মিরপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছে। বলা হচ্ছে সে কলকাতায় ২৫ বছর কাটিয়েছে। সে বাংলাদেশে কবে এসেছে এবং কিভাবে এসেছে, কেন এসেছে এটা এখনো পরিষ্কার নয়। সব কিছুই খানিকটা রহস্যজনক। আশা করা যাচ্ছে দুই একদিনের মধ্যেই সব কিছু খোলসা হয়ে যাবে। আমি মনে করি কলকাতায় তার সঙ্গে অসংখ্য বাংলাদেশীর বিভিন্নভাবে যোগাযোগ ছিল। এদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় ব্যক্তিরাও থাকতে পারে। এই নামগুলো বের করে আনতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কোন খুনিকেই বাংলাদেশে পালিয়ে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়নি। <br><br>যখন যাতায়েতের সকল দুয়ার বন্ধ তখন মাজেদ কি করে বাংলাদেশে এলো সেটি বের করা জরুরি। যাদের গাফেলতিতে সে এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদেরকে ছাড় দেয়ার কোন সুযোগ নাই। এবার সব চাইতে রহস্যজনক প্রশ্নটি হচ্ছে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও দীর্ঘদিন পর and nbsp; সে কেন বাংলাদেশে এলো। সারা পৃথিবীর মত বাংলাদেশও করোনা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে ঠিক সেই সময়ে মাজেদ কি আরো একটি হত্যাকান্ড ঘটাতে চেয়েছিল? মাজেদ জানে সকলের দৃষ্টি করোনার দিকে এবং এই সুযোগে আরেকটি হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারলে হয়তো তারা বেঁচে যাবে। এসব নিশ্চয়ই জিজ্ঞেসাবাদে বেরিয়ে আসবে। আমার কাছে এখন সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই মাজেদের দণ্ড দ্রুত কার্যকর করা। কেননা করোনা কখন কোন দিকে মোড় নেয় কেউ তা সঠিক করে বলতে পারেনা।<br><br> and nbsp;এমনও তো হতে পারে ফাঁসি দেয়ার লোকও থাকবে না। একটি ভিডিও তে দেখছিলাম একটি ছোট্ট শহরে এখন আর কেউ নেই। সবাই মরে গেছে এবং যে যেখানে মৃত্যুবরণ করেছে সেখানেই তাদের লাশ পচে-গলে একাকার হয়েছে। এইরূপ পরিস্থিতি অবশ্যই কারো কাম্য নয়। তবুও এর কাছাকাছি কিছু হলে মানুষ পালাতে থাকবে। কোথাও কাউকে পাওয়া যাবে না। করোনার আক্রামণ ছাড়াও খাদ্যের কারণেও লক্ষ লক্ষ মানুষ পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে। মোটকথা সময় ক্ষেপন করার সুযোগ নেই। এখনই কথা বের করে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে। করোনার কারণে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে আবার আমাদের দেশে অনেকে আইনের উর্ধ্বে উঠে গেছে। করোনার কারনেই ফেনী নোয়াখালির ফোর লেনের কাজ আজও যারা বন্ধ করে রেখেছে তাদের কিছুই হলো না।<br><br> and nbsp;সমাবেশ বন্ধ করার জন্য যেখানে মসজিদে যাওয়া পর্যন্ত আটকে দেয়া হয়েছে সেখানে যারা রিলিপ দেয়ার নামে হাজার হাজার মানুষকে জড়ো করেছে তাদের কিছ্ইু হলো and nbsp; না। যারা করোনার জন্য হাসপাতাল করার সময় হামলা করে তা বন্ধ করেছে ওদেরও কিছুই হলো না। সরকারের নির্দেশ অমান্য করে যারা গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঢাকায় জড়ো করেছে এবং এখনো তাদের পক্ষে কথা বলছে তাদের কিছুই হলো না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের যে মালিকরা শ্রমিকদের ঢাকায় জড়ো করেছে তাদের ব্যাপারে আজ পীর হাবিবুর রহমান অত্যন্ত জ্ঞানও গর্ব একটি নিবন্ধ লিখেছে বাংলাদেশ প্রতিদিনে। আমি তাই তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। মাজেদ কি তবে এই মূহুর্তে নেত্রীকে হত্যা করতেই চুরি করে দেশে প্রবেশ করেছিল? বিষয়টিকে দয়া করে কেউ হালকাভাবে নেবেন না।<br><br><span style="max-width:100%; max-width:100%; max-width:100%; font-weight: bold; font-style: italic;">লেখক উপদেষ্টা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সাবেক সংসদ সদস্য।</span><br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2020-04-08 12:00:45 1970-01-01 00:00:00 ত্রাণ চাওয়ায় ইউপি মেম্বারের লোকজন পেটালো বৃদ্ধাকে! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92119 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586319262_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586319262_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"> and nbsp;ক্ষুধার তাড়না সইতে না পেরে ত্রাণ চাইতে যাওয়ায় এক ইউপি মেম্বারের লোকজন পিটিয়েছে বৃদ্ধা ভিক্ষুককে! ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার চাঁদপুর কাঁকরামারী ঘোষপাড়া এলাকায়। and nbsp; মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে এই মারপিটের ঘটনা ঘটে। পরে তা সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আহত অবস্থায় রেজিয়া বেগম (৬৫) নামের ওই অসহায় বৃদ্ধা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর রেজিয়া বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্ত নাজমুলসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।<br>ঘটনা জানার পর তড়িৎ ব্যবস্থা নেন রাজশাহীর বাঘা-চারঘাট আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার ফেসবুকে লেখেন, ‘এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার আসামি নাজমুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তার স্ত্রী মালেকাকে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে। বৃদ্ধার সার্বিক দেখভাল আমরা করছি।’ <br><br>এদিকে, ঘটনার পর আহত বৃদ্ধার বোনের মেয়ে রিমা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকালে রেজিয়া বেগম ইউপি সদস্য নৈয়ব আলীর কাছের লোক হিসেবে পরিচিত নাজমুল হকের কাছে যান ত্রাণের স্লিপ চাইতে। এ সময় নাজমুল হক স্লিপ দেননি। উল্টো নাজমুল হকের নেতৃত্বে তার শ্যালক বজলু ও তার পরিবারের সদস্যরা লাঠিসোটা দিয়ে বৃদ্ধা রেজিয়া বেগমকে এলোপাতাড়িভাবে পেটাতে শুরু করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেয়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় রেজিয়া বেগমকে উদ্ধার করে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় সম্পর্কে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ( ইউপি) সদস্য নৈয়ব আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন। তবে তার অজান্তেই এসব ঘটেছে দাবি করেন এবং and nbsp; ঘটনাটি দুঃখজনক বলেও উল্লেখ করেন। এছাড়া দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও কথা জানান।<br><br>রাজশাহীর চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার কুণ্ডু বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত নাজমুলকে আটক করতে পেরেছে। এ ঘটনায় নাজমুলের স্ত্রী-সহ বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান চারঘাট থানার এই পুলিশ কর্মকর্তা। </body></HTML> 2020-04-08 10:13:00 1970-01-01 00:00:00 করোনা ঝুঁকিতে থাকা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও প্রণোদনা দিতে লিগ্যাল নোটিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92118 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586319046_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586319046_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগে গণমাধ্যমে নিয়োজিত কর্মী ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও বিশেষ প্রণোদনা দিতে সরকারের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।<br>মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান লিংকন ইমেইল যোগে তথ্য সচিব, অর্থ সচিব, করোনা প্রতিরোধ সেল ও স্বাস্থ্য সচিব বরাবর এ নোটিশ পাঠান। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে। যার ব্যাপকতা দেশকে আক্রান্ত করেছে। করোনাভাইরাসের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। সামাজিক সচেতনতাই এই ভাইরাস নিবারণের একমাত্র স্বীকৃত পন্থা হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। এই সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সাংবাদিকরা সব থেকে বেশি অবদান রাখছেন।<br><br>এই ক্রান্তিকালে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে মানুষকে অবহিত করছেন। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের জন্য একান্ত আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা সরঞ্জমাদি প্রদান ও তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।<br>আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে এতে। অন্যথায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে বলে জানান এ আইনজীবী। </body></HTML> 2020-04-08 10:10:19 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92117 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318892_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318892_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের নাতি। মুজিব উল্যাহ ওরফে পলাশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এরপর এ কমিটি স্থগিত করা হলে প্রভাবশালীদের চাপে তা পুনরায় বহাল রাখা হয়। একই পরিবারের এক নারীও সরকারি চাকরিজীবী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) মাজেদ গ্রেফতার হয়েছেন গতকাল রাতে। কিন্তু তার আগে থেকেই ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খুনি মাজেদের নাতি মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়া।<br><br>এলাকায় খবর নিয়ে জানা যায়, যে কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ মিয়া, সেই কমিটি একবার স্থগিত করা করা হয়েছিল। পরে একটি প্রভাবশালী মহলের চাপে সেই কমিটি আবার বহাল করা হয়। খুনি মাজেদ গ্রেফতারের খবরে বোরহানউদ্দিনের চায়ের কাপে ফের ঝড়, এবার সেই প্রভাবশালী মহলের স্বরূপ উন্মোচন করা হোক, যারা দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের পরিবারকে ভয়ঙ্কর রকমের পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছেন। এলাকায় এখন এটাও বলাবলি হচ্ছে, খুনি মাজেদের পরিবারের এক নারী সদস্যকে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের চাকরিও পাইয়ে দেয়া হয়েছিল। পরে এলাকার মানুষের আপত্তির মুখে ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিকে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।<br><br>উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিব উল্যাহ পলাশ বিশ্বাস খুনি মাজেদের নাতি কিনা জানতে চাইলে ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ মাহমুদ প্রথমে জানেন না বলে দাবি করেন। তারপর বলেন, ‘এ কমিটি আমরা দেইনি। আমরা কিছু করতে পারি না’। দ্বিতীয়বার তাকে কল দিলে তিনি বলেন, ‘মুজিব উল্যাহ পলাশ খুনি মাজেদের নাতি না। কোটা লাগাইন্না নাতি হতে পারে’। এরপর তিনি প্রতিবেদককে ধমক দিয়ে বলেন, ‘আমরা কমিটি দিছি আমরা জানি না। আপনি কী জানেন?’<br>এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘আমরা দুপুরে এ তথ্য পেয়েছি। এটি খুবই দুঃখজনক। আমাদের সময় কমিটির আগে সে নেতা হওয়ায় আমরা বিস্তারিত জানি না। এখন খবর নেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে কে কে জড়িত তা আমরা খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তির আওতায় আনব’। </body></HTML> 2020-04-08 10:07:40 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত ৮৪ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92116 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318784_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318784_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">রাজধানী ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। এরপর রয়েছে পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ। ঢাকাতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ জন। এই ৮৪ জন ৪২টি এলাকার বাসিন্দা। ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে ১৬৪ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।<br>মোট আক্রান্তের ২৪ জন অর্থাৎ প্রায় এক-চতুর্থাংশই পুরান ঢাকার বাসিন্দা। পুরান ঢাকার মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ওয়ারীতে মোট ৮ জন। আর বাকিরা দেশের ১৮ জেলায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।<br><span style="font-weight: bold; font-style: italic;"><br>রাজধানীর করোনা শনাক্ত স্থানগুলো হলো:</span><br><br>হাজারীবাগ-১, উর্দু রোডে-১, বুয়েট এলাকা-১, লালবাগ-৪, ইসলামপুর-২, লক্ষীবাজার-১, নারিন্দা-১, সোয়ারীঘাট-৩, ওয়ারী-৮, কোতোয়ালি-১, বংশাল-১, যাত্রাবাড়ী-৪, আদাবর- ১, মোহাম্মদপুর- ৫, বসিলা-১, ধানমন্ডি-৩, জিগাতলা-১, সেন্ট্রাল রোড-১, গ্রিনরোড-১, শাহবাগ-১, পুরানা পল্টন-২, ইস্কাটন-১, বেইলি রোড-১, মগবাজার-১, বাসাবো-৯, রামপুরা-১, বাড্ডা-১, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা-২, নিকুঞ্জ-১, আশকোনা-১।<br><br>এ ছাড়া উত্তরা-৩, গুলশান- ১, মহাখালী-১, কাজীপাড়া-১, মিরপুর ১০ নম্বর- ২, মিরপুর ১১ নম্বর- ২, মিরপুর ১৩ নম্বর-১, মিরপুর ১ নম্বর- ১, শাহ আলীবাগ-২, টোলারবাগ-১, উত্তর টোলারবাগ-৬, পিরেরবাগ-১ জায়গাগুলিতে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হবে।<br><br>এর আগে ঢাকায় মোট ৬৪ জন করোনা রোগী ছিল। ঢাকার পরেই রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা। সেখানে ছিল ২৩ জন। সবমিলিয়ে ঢাকায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৪ জনে।<br><br>গত ২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচজন মারা গেছেন তাদের মধ্যে দুজন ঢাকার বাকি তিনজন ঢাকার বাইরের। আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়েও ঢাকা এগিয়ে। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বাইরে কুমিল্লার একজন, কেরানীগঞ্জ একজন এবং চট্টগ্রামে একজন।<br><br>বর্তমানে দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। </body></HTML> 2020-04-08 10:04:29 1970-01-01 00:00:00 ঘরে রাখার কঠোর ব্যবস্থা এখনই শিথিল নয়: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92115 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318514_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318514_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে লকডাউন, কারফিউ ও জরুরি অবস্থা জারির মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় করোনা সংক্রমণের গতি কিছুটা থেমেছে। তবে এখনও প্রকোপ ছড়ানোর আশঙ্কা কমেনি। তাই এখনই মানুষকে ঘরে রাখার কঠোর ব্যবস্থা শিথিল করা যাবে না। বুধবার (৮ এপ্রিল) করোনা প্রতিরোধে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার মুখপাত্র ক্রিস্টিনা লুদ্যমেয়ার এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো, এখনই কঠোর পদক্ষেপ থেকে সরে আসা যাবে না। এটা অনেকটা সুস্থ হওয়ার আগেই বিছানা ছেড়ে উঠে যাওয়ার মতো। আপনি যদি এ কাজ করেন, তবে আবার অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। সে ক্ষেত্রে জটিলতা আরও বাড়তে পারে।<br><br>এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, লকডাউন ও কোয়ারেন্টিনের মতো পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে মূলত ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সময় নেওয়া হচ্ছে। এই সময়ে নতুন করোনাভাইরাসকে আক্রমণ করতে হবে এবং একে পুরোপুরি বিলুপ্ত করার চেষ্টা করতে হবে। অন্যথায় করোনাভাইরাসকে ঠেকানোর দ্বিতীয় সুযোগও হাতছাড়া হতে পারে। মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিশ্বের ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৪ লাখ ১১ জাচার ৩৪৮। এদের মধ্যে চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৭৪৯জন । মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮১ হাজার ৪৯ জন। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-08 10:01:23 1970-01-01 00:00:00 করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর গার্মেন্ট মালিক সিন্ডিকেট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92114 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318413_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586318413_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আজ কত তারিখ, বার কী? জানতে হয়। নিজ থেকে আর মনে থাকে না। করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার মুখে নিস্তব্ধ অসহায় পৃথিবীর সন্তান আমরা এখন। গোটা মানবজাতিই করোনার তান্ডবলীলায় মর্মান্তিক মৃত্যুর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। কিয়ামতের এমন আজাব অতীতে দেখেনি পৃথিবী। এমন অসহায় কোনো বিশ্বযুদ্ধেও হয়নি। মানবজাতি আজ বিষাদগ্রস্ত হৃদয়ে, লাশের মিছিলের সামনে অচল পৃথিবীর লকডাউনে এক মোহনায় মিলিত। বাকরুদ্ধ মানুষের নিঃশব্দ আর্তনাদে এমন ভারী দমবন্ধ পরিবেশ দুনিয়ায় কখনো নামেনি। এত দিন আমরা পৃথিবীজুড়ে করোনাভাইরাসের বিভীষিকা দেখেছি। দেখেছি হাশরের ময়দানের মতো কেউ কারও নয় নিয়তির এমন বিধানে। এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যু যে মা সন্তান থেকে ছিটকে পড়ে, পিতা-কন্যার কাছ থেকে, আর প্রিয়জন প্রিয়জন থেকে। একজন আক্রান্ত হলে গোটা পরিবার আইসোলেশনে, এলাকা হাসপাতাল লকডাউন হয়ে যায়! মৃতের শরীর ভাইরাস ছড়ায় না, তবু লাশের গোসল নেই, জানাজায় লোক নেই। ভয়ের ত্রাস।<br><br>এই মৃত্যুর থাবাকে ক্ষমতাবান কে বিত্তবান কে ইমাম কে ধর্মযাজক কে পুরোহিত কে রাষ্ট্রনায়ক কে- দেখে না। তাবৎ পৃথিবীর মানুষকে এক কাতারে এনে নামিয়েছে। শত শত বছরের চিকিৎসা, বিজ্ঞান গবেষণা জ্ঞানের গরিমা, ক্ষমতার দম্ভকে অসার করে দিয়েছে। ভেঙে চুরমার করেছে। প্রতাপশালী হোয়াইট হাউস থেকে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট হয়ে পৃথিবীর সব ক্ষমতার ঘর অসহায়। এখনো ঘর্মাক্ত শোকার্ত আতঙ্কিত বিষণ্ন দুনিয়া একটা ভ্যাকসিন বা ক্যাপসুল বের করেনি! হয়তো শেষ পর্যন্ত মানবজাতি জয়ী হবে আবিষ্কারে কিন্তু তত দিনে ধ্বংসলীলায় মানুষের লাশের পাহাড় আর আতঙ্কিত ভয়ার্ত দমবন্ধ জীবনের দীর্ঘশ্বাসে লেখা হবে এক মানবসভ্যতা মহাবিপর্যয়ের করুণ ইতিহাস। যেখানে যুদ্ধবাজ হিংস্র শক্তির উন্মত্ততা লজ্জাগ্লানিতে চাপা পড়ে যাবে। প্রতাপশালীদের নাম লেখা হবে মৃতদের আত্মার অভিশাপে।<br><br><br>আমরা এত দিন চীনের আর্তনাদ শুনেছি। ধর্মান্ধরা নির্বোধের মতো বলেছে, আল্লাহর গজব নেমেছে মুসলমানদের ওপর নাস্তিক রাষ্ট্রের নির্যাতনে। ভেবেছেন তারা সবাই নিরাপদ। যারা সজাগ সতর্ক হয়েছিল, নেপালের মতো দেশও পাশে থেকে নিরাপদ হয়েছে সেদিন বিমানবন্দর লকডাউন করে। চীনে নিয়ন্ত্রণে এলেও আক্রান্ত ইতালির মর্মান্তিক মৃত্যুযন্ত্রণা আর লাশের দীর্ঘ মিছিল দেখেছি, দেখেছি কীভাবে ঘটছে স্পেনে আর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহতা। চিকিৎসাব্যবস্থা ভেঙে পড়ে চিরচঞ্চল পৃথিবীর বাণিজ্যিক নগরী নিউইয়র্ক নীরব নিস্তব্ধ ভুতুড়ে নগরী হয়ে আর্তনাদে সবার বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে।<br><br>ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা হয়ে এশিয়া এখন আক্রান্ত। এখন আমরা আমাদের মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগের, স্বজনদের মর্মান্তিক পরিণতির আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ডুবছি। আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যিনি সেদিনও ছিলেন উদাসীন সোমবার বলছেন, আগামী ৩০ দিন ভয়ঙ্কর! আমাদের এখানেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। আমরা বারবার তাগিদ দিয়েছি সচেতন করতে, কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে। আমরা তো সময়ের কান্না সময়ে শুনিনি, দেখিনি ভাবিওনি! আমরা করোনা আক্রান্ত ইতালিফেরত বিদেশিদের জন্য বিমানবন্দর উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তাদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করিনি। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করিনি। একদল মন্ত্রীর অতিকথনে অতিষ্ঠ হয়েছি। তাদের নিয়ে কৌতুক করেছে মানুষ। তাদের দায়িত্বহীন ভাঁড়ামিতে বিরক্ত হয়েছে। এখন দেখলেই গা-জ্বালা করে।<br><br>ইতালিফেরতদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যু নিশ্চিত হলেও আমরা লকডাউনে যেতে পারিনি। চীন থেকে আমাদের ছাত্রছাত্রীদের আনার পর বলা হলো, বন্ধ করে দেওয়া হবে। হলো না। কত কিছুর রপ্তানি! ডলারের লোভে আকাশপথ খোলা রাখা হলো। ক্ষমতাবানদের তদবিরে সর্বনাশ হলো, আবার পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে বড় বড় কথা শোনানো হলো।<br><br>সময় অনেকটা চলে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রনায়কের মতো সরকারি ছুটিসহ নানা পদক্ষেপ নিলেন। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠান, স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি সব বাতিল করলেন।<br><br>আস্তে সব যোগাযোগ বন্ধ করে, গরিবের ঘরে খাবার পাঠানোর ব্যবস্থা করে কার্যত লকডাউনের পথই নিলেন। সেনাবাহিনীকেও নামানো হলো প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে। চিকিৎসকদের সরঞ্জাম নেই, প্রস্তুতি কর্মশালা, সুসংগঠিত পরিকল্পনা কিছুই নেই। তাও মেরামত হলো। সবাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামলেন। সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গরোধ ও গৃহবন্দী করতে চেষ্টা চালানো হলো। আমাদের জনগণেরও খাসলত কোয়ারেন্টাইন শুনলে ভিড় করে! করোনা আক্রান্ত শুনলে ভিড় বাড়ায়, জমায়েত হয়! এমন উৎসুক জনতা পৃথিবীর কোথাও নেই। মসজিদে জামাতে নামাজে ঢল, পুণ্যস্নানে ঢল! আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর হলে আমরা সমালোচনা করি। এতে তারা শিথিল হলে পেয়ে বসি। নগরে মানুষ বের হতে থাকে, শহরে গ্রামে হাটবাজারে সমাগম আড্ডাবাজি বেড়ে যায়, সামাজিক সঙ্গরোধ নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর হতে থাকে। অন্যদিকে দেশে ভয়ের ছায়ায় মানুষের চিকিৎসাও মেলে না। গাইবান্ধায় গর্ভবতী মা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে ঠাঁই পান না। বাইরেই সন্তানের জন্ম দেন।<br><br>চিকিৎসকের ভয়, রোগীর ভয়। দেশে দেশে চিকিৎসকও কম মারা যাননি। সেবা দিতে দিতে ইউরোপ, আমেরিকায় ক্লান্ত চিকিৎসক-নার্সেরা। সবখানে অচলাবস্থা। এখানেও চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন। আমাদের দেশে চিকিৎসাব্যবস্থা সুসংগঠিত নয়। চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মী সবার সরঞ্জাম দিয়ে স্বাস্থ্যসেবায় প্রণোদনা দরকার। করোনাযুদ্ধে মারা গেলে পরিবারের দায় রাষ্ট্রের নেওয়ার ব্যবস্থা অনিবার্য। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদেরও জীবনের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার সাহস দেখাতে হবে। আল্লাহর পরে রোগীর কাছে চিকিৎসক-নার্স কর্মীরা। এর চেয়ে নিবিড় মানবসেবা আর কোনো পেশায় নেই। আমেরিকায় যেখানে চিকিৎসক সংকট আমাদের সেখানে কত করুণ অবস্থা! তবু এ যুদ্ধে আজ মানুষও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের দুয়ারে খাবার দিতে নেমেছে। দেশের ব্যবসায়ীরাও প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছেন। বসুন্ধরা গ্রুপ নগদ অর্থই দেয়নি, ৫ হাজার বেডের হাসপাতাল করার ব্যবস্থাই করে দেয়নি, মাস্ক, খাদ্য মানুষ ও প্রশাসনের দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছে।<br><br>প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, জনগণের পাশে আছেন, মনিটর করছেন। তিনিই ঐক্যবদ্ধ জাতিকে সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে গভীর দেশপ্রেমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার পাশে তিনি ছাড়া কোনো ক্রাইসিস ম্যানেজারও নেই। কয়েক মন্ত্রী রীতিমতো বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দেন গার্মেন্ট খাতের জন্য। সে সময় সরকারি ছুটি ঘোষণা করতেই সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ঈদের ছুটির মতো সব পথেই ব্যাপক ভিড় ঠাসাঠাসি অবস্থায় সবাই ছোটেন গ্রামের বাড়িতে। ঢাকা ফাঁকা হয়ে যায়। তবু ঠিক ছিল এক জায়গায় চলে গেল। যার যার মতো কোয়ারেন্টাইনে যেতে পারবে।<br><br>এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা গার্মেন্ট মালিকরা ভেবেছিলেন তাদের সদকায়ে জারিয়ার মতো সরকার দিয়েছে। তাই তারা টাকা পেয়ে শ্রমিকের বেতনটা দেওয়ার চিন্তা করেন। ২০১০ সালের বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী রেখেছিলেন। সেবার গার্মেন্ট খাতকে এভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন যা তাদের আর ফেরত দিতে হয়নি। এবার ঘোষণার পর গাইডলাইন পেয়ে যখন দেখলেন তাদের ফেরত দিতে হবে এটা ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হয়েছে তখনই তারা মাথায় হাত দিয়ে অস্থির। করোনার মৃত্যুমুখে দেশ ও মানুষকে ফেলে দিলেন সামাজিক দূরত্ব ও সরকারি ছুটির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। গার্মেন্ট খুলে দিয়ে নিজেদের চেইনে শ্রমিকদের এমনভাবে মোবাইলে ডাকলেন যে, জনস্রোত নামল মহাসড়কে, ফেরিতে গিজগিজ অবস্থা। কোয়ারেন্টাইন তছনছ হয়ে গেল। বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট রুবানা হককে ফোন করতেই বললেন তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও বলেছিলেন মালিক বাসায় শ্রমিক কারখানায় এটা হয় না। এমনকি শ্রম মন্ত্রণালয়েও তিনি চিঠি দেন কারখানা বন্ধের জন্য। ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দিকে সমালোচনার ঝড়। সে রাতেই তারা বন্ধের আহ্বান জানান। জানতে পারি বিজিএমইএ বন্ধ রাখার ক্ষমতা রাখে না। এটা রাখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়।<br><br>জাতির দুর্ভাগ্য, এবারের মতো দুর্বল মন্ত্রিসভা যেমন আসেনি তার চেয়ে এমন ব্যর্থ বাণিজ্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী জনগণ দেখেনি। মৃত্যুর আতঙ্কে জাতিকে দাঁড় করিয়ে রীতিমতো লুকোচুরিতে মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলেছে গার্মেন্ট মালিক সিন্ডিকেট, মন্ত্রীদের কারও কারওর সমর্থনে। গার্মেন্ট মালিকরা তাদের নির্দয় দয়ামায়াহীন লোভের ফণা নয়, দৈত্যের চেহারা বের করেছেন। শ্রমিকের রক্ত শোষণের ইতিহাস তাদের নতুন নয়। কাজের পরিবেশটাও আন্তর্জাতিক সংস্থা লড়াই করে আদায় করেছে। আগে তো পুড়ে মরেছে, ভবনধসে চাপা পড়ে মরেছে। সভ্য দুনিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করে নিজেরা ধন-দৌলতের মালিক হয়ে ক্ষমতারও অংশীদার হয়েছে। বেশির ভাগই মানবিক সভ্য হতে পারেনি। বাণিজ্যমন্ত্রী নিজেই গার্মেন্ট মালিক ও তাদের একসময়ের নেতা। তার প্রশ্রয়েই শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের সমর্থনে বা অযোগ্যতায়, সুচতুর গার্মেন্ট মালিকদের সিন্ডিকেট এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা ষড়যন্ত্র খোঁজেন এত বড় ষড়যন্ত্রও তারা টের পাননি!<br><br>ইতালি থেকে আগতরা কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় করোনাভাইরাস ছড়ানোর যে সূচনা করেছিলেন গার্মেন্ট মালিকদের একাংশের নির্লজ্জ নির্দয় লোভ ও বেহায়াপনায় সামাজিক দূরত্বের নিষেধাজ্ঞা দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে দিয়ে সেটির বিস্ফোরণ যে ঘটিয়েছেন তার ভয়ঙ্কর পরিণতি এখন বহন করতে হবে। গার্মেন্ট মালিকরা রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আনেন সত্য। এটা সেবা দিতে গিয়ে নয়। নিজেরা বিত্ত-বৈভবের মালিক হতে গিয়ে। তাদের বেশির ভাগই মানসিক দরিদ্র ও চতুর। সুন্দর চেহারায় সুন্দর কথায় সমাজে প্রভাব-প্রতিপত্তি নিয়ে হাঁটেন। সুন্দর কথা বলেন টকশোয়। ঈদ এলে শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-বোনাসে সমস্যা! দেশে-বিদেশে অঢেল সম্পদ গড়েন, শ্রমিকের বেলায় মলিন কাপড় চেহারা। এসব গার্মেন্ট মালিকের মুখে কোনো দিন শুনি না ব্যবসা ভালো। সব সময় সব সরকারে খারাপ। এরা ব্যবসায়ী না রাজভিখারিÑ মাঝেমধ্যে বুঝি না!<br><br>আমাদের তারুণ্যের প্রথম প্রহরে জলজোছনার শহর সুনামগঞ্জের উকিলপাড়ায় শীতেশ ও মনিরের চায়ের দোকান ঘিরে আড্ডা জমেছিল। আরেকটা ছিল ট্রাফিক পয়েন্টে ফরিদের সিটি ফার্মেসির সামনে। সেনাশাসনবিরোধী ছাত্র রাজনীতিরও ঠিকানা। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলেই বাড়ি ফেরা, আন্দোলন, আড্ডা।<br><br>উকিলপাড়ায় সীতারামের দোকান ছিল। পরে ভারতে চলে যায়। কোনো কিছুর দাম কম রাখতে বললেই সে বলত লাভ নাই সাব। আমরা বলতাম, লাভ নাই তো ব্যবসা কর কেন? সীতারামের লাভ নাই শুনতেই দাম কম রাখার কথা বলতাম। আমাদের গার্মেন্ট মালিকদের অবস্থা সেই সীতারামের মতো। লাভ নেই তো বিকল্প ব্যবসা-বাণিজ্য কর! এটা কেন। সীতারাম গরিব ছিল।<br><br>এরা ধনাঢ্য লোভী ও মনের গরিব। ঈদ এলে বেতন-বোনাসের ঘামের মূল্য পেতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে হয় কেন? করোনার মৃত্যুতে লাশের প্যাকেট বাণিজ্যের জন্য এখন মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে সব নিরাপত্তার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন কেন? পিপিই আমাদের জন্য তো এত দিন কেউ বানাওনি! এখন ইউরোপ, আমেরিকায় প্রবল চাহিদা। ব্রিটেনে চিকিৎসকরা ময়লা ফেলার পলিথিন গায়ে পরে চিকিৎসা দিচ্ছেন। তারাও চাইবেন। মানবতা নয়, টাকা কামাতেই হবে। মানবতা হলে আগেই দেশের জন্য বানাতেন। তখন বাণিজ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমন্বয় করেননি কেন শ্রমমন্ত্রীকে নিয়ে? গার্মেন্ট মালিকরা নীরব ছিলেন!<br><br>গার্মেন্ট মালিকরা ২০১০ সালে যে ৫ হাজার কোটি টাকা পেয়েছিলেন সেটা জনগণের টাকা। জনগণের জন্য কী করেছেন? শ্রমিকদের জন্য কতটা করেছেন? বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হককে সবাই সমালোচনার তীরে ক্ষতবিক্ষত করছেন। মানলাম শক্ত ভূমিকা নিতে পারেননি। মন্ত্রীর চেয়ে কি তার হাত শক্তিশালী? সাবেক প্রেসিডেন্ট আতিকুল ইসলাম মেয়র, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন করোনা জমানার এমপি। বিএনপিপন্থি সালাম মুর্শেদী নৌকায় উঠে এমপি হলেন। আনোয়ারুল ইসলাম পারভেজও সরকারের লোক। টকশোয় সুবচন দেন। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে কত টাকা দিয়েছেন এ দুর্যোগে? সব ব্যবসায়ী দিচ্ছেন। সাধারণ গরিব মানুষ, নারী, পুরুষ, রাজনৈতিক কর্মী, জনপ্রতিনিধি, ছাত্রসমাজ সবাই পাশে মানুষের। আপনারা কই? বাণিজ্যে? সুবিধা কুড়াতে? শ্রমিকের বেতন কেন দিতে সময় লাগবে? এক দশক যারা ব্যাংক লুটেছে, শেয়ারবাজার শেষ করেছে, বিদেশে টাকা পাচার করেছে, অবৈধ অর্থবিত্ত গড়েছে সারা দেশে, তারা মানবতার বিপর্যয়ে আজ কোথায়? প্রধানমন্ত্রীর পাশেও দেখি না, সাধারণ মানুষের পাশেও না!<br><br>আমি বারবার লিখেছি, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি করতে সবাইকে নিয়ে। অনেকে বলেছেন টাস্কফোর্স গঠন করতে। এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, তার নেতৃত্বে কমিটি হয়েছে, কারা কমিটিতে তিনি চেনেন না। জেনেছি সব সচিবই আছেন। কি সমন্বয়হীনতা! আইইডিসিআর যেখানে বলছে ২৪ ঘণ্টায় তিনজন মৃত, আক্রান্ত ৩৫ সেখানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন মৃত ৪, আক্রান্ত ২৯! গণমাধ্যমও বিভ্রান্ত। পরে দেখা যায় মন্ত্রীর ভুল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে করোনার থাবায় বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে দেশের অর্থনীতির রক্ষাকবচ দিয়ে আশার আলো জ্বালিয়েছেন। সবাই প্রশংসা করছেন।<br><br>বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এ ঋণ দেবে দেশের বড় ছোট সব ব্যবসায়ীসহ কৃষক পর্যন্ত। এখান থেকে যে কেউ নিয়ম মেনে ঋণ নিতে পারবে। ২ শতাংশ সুদে পরিশোধ করতে হবে। সরকার দেবে ৩ শতাংশ সুদ গ্রাহক দেবে ২ শতাংশ। এটার জন্য একটা গাইডলাইন থাকবে। ব্যাংক লুটেরাদের শকুন দৃষ্টি পড়বে না। সরকারকে একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ চাহিদা ঠিক রাখতে হবে। সরবরাহ চেইন সচল রাখতে হবে। কৃষিসহ সব ধরনের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে কৃষকবান্ধব পদক্ষেপ নিতে হবে। ২০১০ সালের বিশ্বমন্দায় এটা করতে পারায় ইউরোপের দেশগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হলেও আমাদের হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিজ্ঞতা আছে। মন্ত্রী ও আমলারা দক্ষতা দেখাতে পারলে সম্ভব।<br><br>সোমবার রাতে বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান ও বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হকের যৌথ ঘোষণায় গণমাধ্যমকে বলা হয়েছে, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান যাদের জরুরি রপ্তানি কার্যাদেশ রয়েছে এবং যেসব কারখানায় করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও করোনাপ্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে, এমন কারখানাগুলোকে তাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রয়োজনে খোলা রাখতে পারবে।<br><br>তার মানে যা ঘটানো হয়েছে তা বহাল। কিছু নিয়ম বলতে হয় তাই বলা। কারখানায় শ্রমিকরা কত দূরে বসবেন? মালিকরা গিয়ে তাদের সঙ্গে বসবেন? ট্রাকচাপায় নিহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ দেবেন? একজন শ্রমিকের শরীরে ভাইরাস থাকলে কতজন আক্রান্ত হবেন? নেদারল্যান্ডসে ইতালিফেরত একজন থেকে এখন ১৬ হাজার আক্রান্ত। ভারতে একজনে ৫৯ হাজার সংক্রমিত। পৃথিবীর কত হৃদয়স্পর্শী ছবি মনকে বিষাদময় করে। ভারতে এক লোক মারা গেল, করোনায় নয়, তবু ভয়ে শ্মশানে নিতে কেউ এলোনা। শবযাত্রা চার কন্যার কাঁধে! কলজে কেঁপে ওঠা ছবি!<br><br>সরকার অবশ্য এখন ঢাকাকে অবরুদ্ধ করেছে। সব দোকানপাট বন্ধসহ কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর হতে বলেছেন। বিনা কারণে বাইরে গেলে জরিমানা শুরু হয়েছে। কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। দেশের বিভিন্ন এলাকা লকডাউন হচ্ছে। ভয় আতঙ্ক ও বাড়ছে। মানুষকে ঘরবন্দী রাখতে ও মহামারী রুখতে গোটা দেশকে হয়তো লকডাউনেই যেতে হবে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত ১৬৪। মারা গেছেন ১৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪১ জন। শ্বাসকষ্ট নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেশ।<br><br>এক মাস পর কী হবে কেউ জানে না। আমাদের মসজিদে নামাজও সবার জন্য বন্ধ হয়েছে। আলেমরাও সমর্থন দিয়েছেন। যদি ইউরোপ, আমেরিকার ভয়াবহতা আসে ইতালিফেরত থেকে গার্মেন্ট কারখানা খোলায় যারা জড়িত তাদের দায় নিতেই হবে। কয়েকজনের কারণে কার্যত দেশ এক ভয়ঙ্কর হুমকির মুখে আজ।<br><br>মানবতার মহাবিপর্যয়েও যারা ত্রাণের চাল চুরি করে, মুনাফাখোর হয় তাদের মানুষ বলি না; কিন্তু যারা দেশের সবকিছু বন্ধ থাকলেও জনগণের জীবনকে করোনাভাইরাসের মতো মহাপ্রলয়ের ঝুঁকিতে ফেলে ডলারের লোভে গার্মেন্ট কারখানা খুলতে চেয়েছে তাদের কী বলব? করোনা রোগের চেয়ে নির্দয় গার্মেন্ট মালিকদের সিন্ডিকেটকেই আজ বড় ভয় হয়! এদের ডলারের নেশার কাছে মানুষের জীবন তুচ্ছ।<br><br>লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন।<br><br>সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন </body></HTML> 2020-04-08 09:59:39 1970-01-01 00:00:00 http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92113 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271451_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271451_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"> </body></HTML> 2020-04-07 20:57:16 1970-01-01 00:00:00 ডাক্তার সাহেবরা সাবধান, ভুল হচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92112 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271269_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271269_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জয়নাল হাজারী ॥</span><br>বলা হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ডাক্তাররাই মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু এই মুক্তিযোদ্ধারা বিভ্রান্ত হয়েছে, পরাস্ত হয়েছে। এই দুরসময়ে ডাক্তারদের ভূমিকা মানুষকে ুব্ধ করেছে। আমাদের দেশের ডাক্তারদের ভূমিকার জন্য করোনা যুদ্ধের আগে থেকেই মানুষ দিশেহারা। কোন রোগী ডাক্তারের কাছে গেলেই অসংখ্য টেস্ট দিয়ে থাকে যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। এমনকি কোন কোন রোগীকে অন্য রোগের ওষধ লিখে দেয় দিনের পর দিন এই অবস্থা চলেছে। অকারণে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দিয়ে মানুষকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে নিজে লাভবান হবার পথটি সুগম করে। এটা আজ আর কারো অজানা নয়। সে কারণেই কয়দিন আগে একজন ফেসবুকে লিখেছে, এখন কেন ডাক্তারদের সুরক্ষা সামগ্রি সরকার দেবে। এতো দিন যেই ওষধ কোম্পানি বা ডায়গনেস্টিক সেন্টারের and nbsp; মালিকরা ডাক্তারদেরকে বাজার করে দিয়েছে কাড়ি কাড়ি নোট গুনে দিয়েছে তারা কোথায়? এখন কেন তারা দেবে না। তাদেরকেই সুরক্ষা সামগ্রি সরবারাহ করতে হবে।<br>এটা অস্বীকার করা যাবে না যে ইতিমধ্যে সারাবিশ্বেই বেশ কিছু ডাক্তার করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। সেই কারণে সব ডাক্তারকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করা যাবে না। তবে অগনিত ডাক্তার কষাইয়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এটাই দুঃখজনক। এই করোনার চরম দুর্ভোগের দিনে অনেক বেসরকারি হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক ডাক্তার এখন আর তার নিজের চেম্বারেও যায় না। যে হাসপাতালে চাকরিরত ছিল সেখানেও অনুপস্থিত। এটি সাধারণ মানুষের জন্য এক অমানুবিক হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডাক্তারা এখন অন্যরোগের চিকিৎসা দিতে চায় না। কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নিখিল তলপেটে ব্যথা নিয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। তার পিত্তথলিতে পাথর হয়েছিল। এটা বছরখানিক আগে থেকেই জানা ছিল। হাসপাতালে ভর্তির পর অপারেশন করে পাথর অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয় হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তাকে জানানো হলো এখন নয় আরো এক মাস পরে অপারেশন করা হবে। জানা গেছে অপনারেশনের জন্য যে চেতনা নাশক ওষধ দেয়া হয় সেই ডাক্তার এখন নেই। এমনকি যিনি অপারেশন করেন তিনিও নিয়োমিত হাসপাতালে আসেন না। তাহলে বুঝাই গেল স্বাস্থ্যখাত ডাক্তারদের কারণে ভেঙ্গে পড়েছে। নিখিলের মত একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ বা নেতার এই অবস্থা হয় তখন সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়। এই একটি মাস আল্লাহ যেন নিখিলকে হেপাজত করে। এক মাস পর স্বাভাবিক অবস্থা আসবে এই গ্যারান্টি দেয়া কঠিন। সুতরাং অবস্থা আরো খারাপ হলে এবং নিখিলের চিকিৎসা বিলম্ভিত হলে এবং নিখিলের যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে তার জন্য কি ডাক্তারা দায়ী হবে না। and nbsp; পার্বত্য চট্টগ্রামের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অন্যরোগে আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারদের দুয়ারে দুয়াওে গিয়ে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। করোনার বাইরেও তো হাজার হাজার মানুষ শত শত রোগে আক্রান্ত হয়, এখন তারা ঐ সকল রোগের চিকিৎসা পাবে না কেন? আজ ভিডিও কনফারেন্সে নেত্রী যথার্থই বলেছেন যারা বর্তমান সময়ে রোগীদের অবহেলা করবে তাদের আর ডাক্তারি করার প্রয়োজন নাই। দরকার হলে আমরা বিদেশ থেকে ডাক্তার আনবো। ডাক্তাররা যে অন্যরোগেরও চিকিৎসা দিচ্ছে না এবং মানুষ নিদারুন সমস্যায় পড়েছে এটা নেত্রী উপলব্ধি করতে পেরেছেন সেজন্য তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে হবে।<br> and nbsp;ডাক্তারদের দূর্নীতির খবর সরকারের কাছে থাকলেও ইতিপূর্বে সরকার তাদের গাটাতে চায়নি। তবে আজ যখন নেত্রীর মুখেই জনগন তাদের কিছু ভূমিকার কথা সরাসরি উল্লেখ করেছেন তখন জনগন ুব্ধ হয়ে কিছু অঘটন ঘটিয়ে বসে তার জন্য ডাক্তাররাই দায়ী থাকবে। করোনার ওষধ যখন নাই এর চিকিৎসাও নাই কিন্তু অন্য সব রোগের তো চিকিৎসা আছে। করোনার কারণে ঐসকল রোগ চলে যায়নি। সুতরাং ডাক্তার সাহেবরা দয়া করে মানবতার খাতিরে আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করুন এবং আগের মতই অন্যরোগের চিকিৎসা দিন। রোগী দেখলে পালিয়ে যাবেন না। সবাই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে যোগ দিন। আপনার যেহেতু বর্তমান যুদ্ধের সৈনিক আপনাদেরকে এই যুদ্ধে জিততেই হবে। জনগন আপনাদের পাশে আছে জননেত্রী আপনাদের পাশে থাকবে।<br>লেখক উপদেষ্টা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সাবেক সংসদ সদস্য। </body></HTML> 2020-04-07 20:54:08 1970-01-01 00:00:00 ওবায়দুল কাদেরকে বাসা থেকে বের হতে নিষেধ প্রধানমন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92111 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271222_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586271222_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করেছেন বলে জানিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে গণভবন থেকে নোয়াখালী জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সঙ্গে যদিও মন্ত্রী থাকতে পারতো। তাকে (ওবায়দুল কাদের) আমি বাসা থেকে বের হতে মানা করেছি কোথাও না যেতে। করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এই ভাইরাসটা কিভাবে প্রসারিত হয়। এটা অনেকটা অংকের মতো। অন্যান্য দেশ থেকে আমরা যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করি তাতে মনে হচ্ছে আমাদের দেশেও এই ধাক্কাটা এপ্রিল মাসে আরও ব্যাপকভাবে আসবে। এ রকমই একটা আলামত পাওয়া যাচ্ছে। এ রকম কিছু প্রতিবেদন আমরা দেখতে পাচ্ছি। কিছু প্রেডিকশন দেখতে পাচ্ছি।<br>শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি এপ্রিল মাসটা আমাদের জন্য খুবই একটা দুঃসময়ের মাস। সব জায়গা থেকে সে খবর পাচ্ছি। আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে হবে। আমাদের এমনভাবে চলতে হবে যে এর প্রভাবে আমাদের দেশের মানুষের যেন ক্ষতি কম হয়।<br>কারো করোনার লক্ষণ দেখা দিলে না লুকিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারো মধ্যে যদি এতটুকু করোনাভাইরাসের অসুস্থতা দেখা দেয় তিনি সঙ্গে সঙ্গে খবর দেবেন। চিকিৎসার ব্যবস্থা যথাযথ আছে। আমরা চিকিৎসার <br><br> </body></HTML> 2020-04-07 20:53:20 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92110 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270865_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270865_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের ফাঁসির দ- কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান। গতকাল সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে এই আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (ক্যাপ্টেন মাজেদ) বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্র ও হত্যাকা-ের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। ক্যাপ্টেন আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ার পর বিচারিক আদালত এবং আপিল আলাদত তাকে ফাঁসির দ-ে দ-ায়িত করেন।’ ‘এখন ক্যাপ্টেন আবুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এই রায় কার্যকর করা হবে।’ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় মাজেদ অন্য আসামিদের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান সরকারের আশীর্বাদে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি করেন এই খুনি। এরপর ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই তখন তিনি আত্মগোপন করেন। </body></HTML> 2020-04-07 20:47:15 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92109 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270821_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270821_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥ <br>জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের ফাঁসির দ- কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান। গতকাল সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে এই আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (ক্যাপ্টেন মাজেদ) বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্র ও হত্যাকা-ের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। ক্যাপ্টেন আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ার পর বিচারিক আদালত এবং আপিল আলাদত তাকে ফাঁসির দ-ে দ-ায়িত করেন।’ ‘এখন ক্যাপ্টেন আবুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এই রায় কার্যকর করা হবে।’ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় মাজেদ অন্য আসামিদের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান সরকারের আশীর্বাদে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি করেন এই খুনি। এরপর ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই তখন তিনি আত্মগোপন করেন। </body></HTML> 2020-04-07 20:46:47 1970-01-01 00:00:00 ঢাকায় সাবেক মন্ত্রীর বাসায় করোনা আক্রান্ত ৮, একজনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92108 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270781_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270781_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>সাবেক এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক জিয়ার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রাজিয়া সুলতানা রোডের বাসায় একজন মৃত ও ৮ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ও আইইডিসিআরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং পুরো এলাকা লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় মোহাম্মদপুর এলাকার আরও তিন সড়ক লকডাউন করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকালে এ তিনটি সড়কের প্রবেশপথ লকডাউন করা হয়েছে। ফলে এসব সড়কে কাউকে প্রবেশ এবং বাহির হতে দেয়া হচ্ছে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত লকডাউনের আওতায় থাকবেন এসব এলাকার বাসিন্দারা। সড়কগুলো হলো-মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের ২০ সিরিয়াল রোড, বাবর রোডের কিছু অংশ ও বসিলার পশ্চিম অংশ। মোহাম্মদপুর ফাড়ির ইনচার্জ মো. প্লাবন আহমেদ রাজিব বলেন, আমরা জানতে পেরেছি মোহাম্মদপুরের চারটি রোডে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। জানার সঙ্গে সঙ্গে ওসি স্যার ও এসি স্যারে নেতৃত্বে আমরা এই রোডগুলো লকডাউন করি। সবাই বাসায় থাকবেন। আমরা সতর্ক হওয়ার জন্য মাইকিং করছি। বিশেষ প্রয়োজন হলে ৩৩৩ তে কল দিয়ে আপনার কাঙিক্ষত সেবা পেতে পারেন।<br>মোহাম্মদপুর থানার ওসি বলেন, আমরা মোহাম্মদপুরের চারটি রোডে ছয়জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় রোডগুলো লকডাউন করে দিয়েছি। এ রোডে কারও প্রবেশ ও বাহির হওয়া নিষেধ করা হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-07 20:46:08 1970-01-01 00:00:00 নতুন শনাক্ত ৪১ জন, মৃত্যু ৫ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92107 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270687_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270687_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>চীনের উহান শহর থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৪১ জন। সব মিলেয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৪ জন। আর মারা গেছেন মোট ১৭ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া পর এটিই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। আক্রান্তের সংখ্যাতেও একদিন সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান আইইডিসিআরের মহাপরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এছাড়া নতুন করে আরও ৪১জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন আর নারী ১৩ জন।<br>২৪ ঘণ্টায় ৭৯২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪১জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায় বলে আইইডিসিআরের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। শনাক্তদের মধ্যে ২০ জন ঢাকার এবং ১৫ জন নারায়ণগঞ্জের। একই সময়ে নতুন করে ৬০৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিন চীনের উহান শহরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি। দুই শতাধিক দেশ ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হলেও আজ সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে। এছাড়া অচেনা ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। <br><br> </body></HTML> 2020-04-07 20:44:24 1970-01-01 00:00:00 আগামী সপ্তাহ দেশের জন্য মারাত্মক সময় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92106 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270508_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270508_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>গোটা বিশ্বের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম শনাক্তের এক থেকে দেড়মাস পরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে করোনা। সেই বিবেচনায় এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ দেশের জন্য মারাত্মক সময় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক নয় দরকার দেশজুড়ে লকডাউন। করোনা বাংলাদেশে বলতে গেলে অনেকটা সহনীয় পর্যায়েই ছিলো। তবে শনাক্তের মাসখানেক পর এদেশেও স্বরূপে দেখা দিচ্ছে কোভিড-১৯। গেল তিনমাসে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা বেড়েছে গাণিতিক হারে। তখনই সীমিত আকারে দেখা দেয় কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। এর পরের ধাপে আক্রান্তের সংখ্যা ছড়াতে থাকে জ্যামিতিক হারে। এই পর্যায়ে শুরু হয় গণসংক্রমণ। এক থেকে দেড় মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে একপর্যায়ে ছোঁয় চূড়ান্ত সীমা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সংখ্যা। তবে সেই সর্বোচ্চচূঁড়া কোথায় হবে তা নির্ভর করে সেই দেশের সার্বিক প্রস্তুতির ওপর।<br>সেই হিসেবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ এ দেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রয়োজনে চলমান ছুটি আরও বাড়ানোর পরামর্শ তাদের। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগে সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে নজির আহমেদ বলেন, এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষেও হতে পারে। এখন যেভাবে বাড়তেছে সেটা জ্যামিতি হারে বাড়তেছে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আগে টেস্ট কম হচ্ছিলো বলে কম পড়েছিলো। কিন্তু এখন টেস্ট বেশি হচ্ছে ধরাও বেশি পড়তেছে। অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আমাদের ক্লাস্টার করে হবে না। পুরো দেশ লকডাউন করতে হবে। <br><br> </body></HTML> 2020-04-07 20:41:24 1970-01-01 00:00:00 আইজিপি হচ্ছেন বেনজীর আহমেদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92105 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270427_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270427_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) হচ্ছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাবের) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার বেনজীরকে বাহিনীর প্রধান হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি হতে পারে বলে জানা গেছে। আদেশ জারি হলে বেনজীর হবেন দেশের ৩০তম আইজিপি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, বেনজীর আহমেদকে আইজিপি নিয়োগ দিতে এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর শিগগির নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।<br>বর্তমান আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর মেয়াদ ১৩ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। জাবেদ পাটোয়ারীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন বেনজীর আহমেদ।<br>র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব নেয়ার আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।<br>বেনজীর আহমেদ ১৯৬৩ সালের ১ অক্টোবর গোপালগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। ১৯৮৮ সালে সপ্তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।<br>পরবর্তী সময়ে তিনি কিশোরগঞ্জ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন ঢাকা উত্তর, পুলিশ একাডেমি, পুলিশ সদর দফতরসহ বিভিন্ন পর্যায়ে শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেন। </body></HTML> 2020-04-07 20:40:06 1970-01-01 00:00:00 আইজিপি হচ্ছেন বেনজীর আহমেদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92104 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270383_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270383_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) হচ্ছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাবের) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার বেনজীরকে বাহিনীর প্রধান হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আদেশ জারি হতে পারে বলে জানা গেছে। আদেশ জারি হলে বেনজীর হবেন দেশের ৩০তম আইজিপি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, বেনজীর আহমেদকে আইজিপি নিয়োগ দিতে এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর শিগগির নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।<br>বর্তমান আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর মেয়াদ ১৩ এপ্রিল শেষ হচ্ছে। জাবেদ পাটোয়ারীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন বেনজীর আহমেদ।<br>র‌্যাবের মহাপরিচালকের দায়িত্ব নেয়ার আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।<br>বেনজীর আহমেদ ১৯৬৩ সালের ১ অক্টোবর গোপালগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। ১৯৮৮ সালে সপ্তম বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।<br>পরবর্তী সময়ে তিনি কিশোরগঞ্জ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন ঢাকা উত্তর, পুলিশ একাডেমি, পুলিশ সদর দফতরসহ বিভিন্ন পর্যায়ে শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেন। </body></HTML> 2020-04-07 20:39:21 1970-01-01 00:00:00 খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তার মুজিববর্ষে শ্রেষ্ঠ উপহার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92103 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270282_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270282_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদ-প্রাপ্ত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের গ্রেপ্তার দেশবাসীর জন্য মুজিববর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যেসব দ-প্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুর খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ-াদেশ কার্যকর করার অপেক্ষায় ছিলাম তাদেরই একজন ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত থেকে তাকে হাজতবাসের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় তাকে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, তার স্ত্রী সানা বেগম, বাড়ি নম্বর ১০/এ, রোড নম্বর-০১, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকা। তিনি সেখানেই বসবাস করতেন। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে তার সব তথ্য ছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকা-ের সময় এই দ-প্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ এবং নূর এবং রিসালদার মুসলেহউদ্দিন- এই তিনজন সেখানে ছিলেন। আরও কয়েকজন ছিলেন। এই খুনি শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি জেলহত্যায়ও অংশগ্রহণ করেছিলেন বলে আমাদের জানা রয়েছে। খুনের পরে তিনি জিয়াউর রহমানের নির্দেশ মোতাবেক বঙ্গভবনে এবং অন্যান্য জায়গায় কাজ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আশা করি, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা তার দ-াদেশ কার্যকর করতে পারব। যারা যারা এই কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ দিয়ে আমি মনে করি, মুজিববর্ষের একটা শ্রেষ্ঠ উপহার আমরা দেশবাসীকে দিতে পেরেছি। আসাদুজ্জামান খান বলেন, তৎকালীন জিয়াউর রহমান সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের বদলে তাদের নানাভাবে পুরস্কৃত করেছে এবং ইনডেমনিটি বিলের মাধ্যমে তাদের যাতে বিচার না হয় সেই ব্যবস্থাটি পাকাপোক্ত করেছে। তিনি বলেন, এই খুনিকে আমরা দেখেছি সেই সরকারের আশীর্বাদে দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরিরত অবস্থায় ছিলেন। এরপর যখন ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে তখন তিনি আত্মগোপন করেন। <br><br> </body></HTML> 2020-04-07 20:37:48 1970-01-01 00:00:00 করোনার উপসর্গে গিটারিস্টের মৃত্যু, সারারাত লাশ রাস্তায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92102 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270230_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586270230_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের ‘উপসর্গ’ নিয়ে খায়রুল আলম হিরু (৩৮) নামে এক গিটারিস্টের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান। হিরো নারায়ণগঞ্জে সংগীতাঙ্গনের একজন পরিচিত মুখ এবং জনপ্রিয় বেজ গিটারিস্ট। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের দেওভোগ এলাকার বাসিন্দা। রাতে মারা যাওয়ার পর হিরোর মরদেহ বাড়ির বাইরে এনে রেখে দিলেও করোনা আতঙ্কে লাশের পাশে এলাকার কোনও মানুষই আসেনি। সারারাত হিরোর মরদেহ বাড়ির বাইরে পড়েছিল। সকালে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানল মেয়র-১ আফসানা আফরোজ বিভা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় লাশ দাফনের উদ্যোগ নেন। হিরোর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হিরো গত দুই বছর ধরেই স্ক্রিনজনিত রোগে ভুগছিলেন। এর মধ্যে গত ২৬ মার্চ থেকে তার জ্বর-সর্দি ও শ্বাস কষ্ট শুরু হয়। পরে শহরের একজন প্রাইভেট ডাক্তারকে দেখালে বেশ কিছু পরীক্ষা করানো হয়। এতে তার ফুঁসফুসে পানি জমা ছিল বলে চিকিৎসকেরা জানায়। পরে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে ওষুধ খেতে বলেন এতেই সাকি সেরে যাবে।<br><br>কিন্তু জ্বর সর্দি আর শ্বাস কষ্ট না কমায় তার পরিবার এরমধ্যে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখানে চিকৎসক ভর্তি না নিয়ে পুনরায় ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। সোমবার রাতে হিরোর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফের ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করেন কিন্তু জ্বর-সর্দি শ্বাস কষ্টে ভোগা রোগী শুনে চালক করোনা আতঙ্কে তাকে না নিয়েই পালিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে হিরো মারা যান। পরে তার মরদেহ বাড়ির বাইরে এনে রেখে দেয়া হয় হলে করোনা আতঙ্কে এলাকার কেউ আসেনি। সারারাত লাশটি সেখানেই পরেছিল। সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ও সিটি কর্পোরশেন কর্তৃপক্ষ লাশটি দাফনের উদ্যোগ নেয়।<br><br>পরিবারের অভিযোগ, হিরুর মৃত্যর পর সিভিল সার্জন অফিসে খবর দেওয়া হলেও দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে তারা লাশের নমুনা সংগ্রহ করতে আসে। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর লাশের শরীরে ভাইরাস পাওয়া যাবে কি-না এই নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোস্তফা আলী জানানা, নগরীর পশ্চিম দেওভোগ এলাকায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক যুবক মারা গেছে খবর পেয়ে সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল টিম লাশ উদ্ধার করে দাফনের ব্যবস্থা করে। আমাদের সব কিছু গোছাতে একটু দেরি হয়েছে। তবে দুপুর ২টার পর সিভিল সার্জনের একটি টিম শহরের পাইকপাড় কবরস্থানে ওই যুবকের নমুনা সংগ্রহ করতে যায়।<br>নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দুপুরে আমাদের টিম গেছে নমুনা সংগ্রহ করতে। দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় লাশের নমুনা সংগ্রহ কতটুকু কার্যকর হবে এমন প্রশ্নে সিভিস সার্জন জানান এমন উপস্বর্গে মৃত ব্যাক্তির নমুনা সিভিল সার্জন সংগ্রহ করার ব্যবস্থা নেই, তারপরও আমরা পাঠিয়েছি। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-07 20:36:35 1970-01-01 00:00:00 অনির্দিষ্টকালের জন্য টাঙ্গাইল লকডাউন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=92101 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586265232_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1586265232_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টাঙ্গাইল জেলা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে টাঙ্গাইল জেলা লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, টাঙ্গাইল জেলা চারদিক থেকে লকডাউন করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অন্যান্য জেলার সঙ্গে টাঙ্গাইলের যেসব সংযোগ সড়ক রয়েছে। এসব সড়ক বন্ধ করে তল্লাশিচৌকি বসানো হবে। একমাত্র রোগী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়া কোনো যানবাহন বা লোকজন যাওয়া-আসা করতে পারবেন না। ডিসি বলেন, টাঙ্গাইলের দক্ষিণে গাজীপুর ও উত্তরে জামালপুর জেলা ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মাঝখানে রয়েছে টাঙ্গাইল। এই জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউনে থাকবে টাঙ্গাইল।<br><br>সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান, স্থানীয় এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন, সেনাবাহিনীর লে. কর্নেল মোহাম্মদ সোহেল রানা, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সিভিল সার্জন মো. ওয়াহীদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মোশারফ হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদ উল্লাহ ও পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান। টাঙ্গাইল লকডাউন ঘোষণার পরপরই জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা শহরের ব্যস্ততম পার্ক বাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটার জন্য পাশের ঈদগাহে কাঁচাবাজার স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে যারা আইন অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়। </body></HTML> 2020-04-07 19:13:19 1970-01-01 00:00:00