http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ঝুঁকিতে পড়েছে ২৯ ভাগ বোরো ধান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94115 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590725287_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590725287_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">হাওরের ধান এবার কোনো বালা-মুসিবত ছাড়া কৃষকের ঘরে উঠলেও সারাদেশের বোরো ধানের একটি বড় অংশ ঝুঁকিতে পড়েছে। সুপার সাইক্লোন আম্ফান আসার আগে সারাদেশে ৭১ ভাগ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয় বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে। বাকি থাকা ২৯ ভাগ বোরো ধানের ওপর দিয়ে সুপার সাইক্লোন আম্ফান, কালবৈশাখী এবং শীলা বৃষ্টিসহ নানা দুর্যোগ বয়ে যাচ্ছে। যারা ধান কেটে বাড়িতে এনেছেন তারা টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ১৬ আনা ধান ঘরে তুলতে পারবেন না।<br><br>কৃষকরা জানান, বাড়িতে আনলেও বৃষ্টির কারণে কিছু ধান নষ্ট হবে। ২৯ ভাগ বোরো ধান ঝুঁকির মধ্যে পড়ায় এর মধ্যে থাকা কোনো কৃষকই ১৬ আনা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। গত ২০ মে সারাদেশে ৭১ ভাগ বোরো ধান কাটা সম্পন্ন হয়। ওইদিন রাতেই সুপার সাইক্লোন আম্ফান আঘাত হানে। ফলে দেশের ৪৬টি জেলার বোরো ধান, ভুট্টা, তিল, বাদাম, পাট, শাক, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ ছাড়া বৈশাখের শুরু থেকে এবং আম্ফানের পরে বিভিন্ন সময়ে কুষ্টিয়া, নাটোর, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও পাবনাসহ বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখী ও শীলা বৃষ্টিতে কৃষকের ধান মাঠে ঝরে পড়েছে। আম ও লিচুর ক্ষতি হয়েছে। ডগা ভেঙ্গে অনেক পাট ক্ষেতে নষ্ট হয়ে গেছে। ২৭ মে পর্যন্ত সারাদেশে ৮৩ ভাগ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এখনো মাঠে ১৭ ভাগ ধান রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে এই ১৭ ভাগ ধান অধিক ঝুঁকির মধ্যে আছে এবং এখানেও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।<br><br>আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ধান চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুপার সাইক্লোন আম্ফান আসার আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে নোটিশ করে বলা হয়, যেসব জমির ধান ৮০ ভাগ পেকেছে সেগুলো কেটে ফেলার জন্য। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর অনেকে ৭০ ভাগ পেকেছে এমন জমির ধান কেটে ফেলে। আম্ফানের কারণে আগে যারা ধান কেটেছে সেখানেও ২০-৩০ ভাগ ফলন কম হয়েছে। যারা কাটতে পারেননি তাদের শতভাগই পানিতে ডুবে গেছে। এ ক্ষতি এবং এখন কালবৈশাখীতে ধানের যে ক্ষতি হচ্ছে তাতে জাতীয় ফলনেও প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে চলতি বোরো মৌসুমে দুই কোটি চার লাখ মেট্রিকটন চালের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা পূরণ হবে কিনা সেটা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করছেন।<br><br>কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ৪৭ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান, তিন হাজার ২৮৪ হেক্টর জমির ভুট্টা, ৩৪ হাজার ১৩৯ হেক্টর জমির পাট, দুই হাজার ৩৩৩ হেক্টর জমির পান, ৪১ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমির সবজি, এক হাজার ৫৭৫ হেক্টর জমির চীনা বাদাম, ১১ হাজার ৫০২ হেক্টর জমির তিল, সাত হাজার ৩৮৪ হেক্টর জমির আম, ৪৭৩ হেক্টর জমির লিচু, ছয় হাজার ৬০৪ হেক্টর জমির কলা, এক হাজার ২৯৭ হেক্টর জমির পেঁপে, তিন হাজার ৩০৬ হেক্টর জমির মরিচ, ৬৪০ হেক্টর জমির সয়াবিন, সাত হাজার ৯৭৩ হেক্টর জমির মুগ ডাল এবং ছয় হাজার ৫২৮ হেক্টর জমির আউশ ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।<br><br>ভোলা সদর উপজেলার চন্দ্র প্রসাদ ৭নং ওয়ার্ডের কৃষক মো. খলিল বলেন, ছয় একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলাম। এর মধ্যে দুই একর জমির ধান কাটতে পেরেছি। বাকি চার একর জমির ধান আম্ফানের কারণে পানিতে ডুবে গেছে। এই চার একর জমির ধান পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। এখান থেকে এক কেজি ধানও পাইনি।<br>তিনি বলেন, শুধু আমার নয়। আমার স্কীমে ২৫ একর জমিতে ধান চাষ হয়েছিল। সেখান থেকে অর্ধেক ধান কৃষক কাটতে পেরেছে আর অর্ধেক পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া ভোলার অনেক কৃষকই ধান কাটতে পারেননি এবং ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে অনেকে ৭০ ভাগ ধান পেকেছে এমন ধানও কেটেছেন বলে জানান কৃষক খলিল।<br>কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ২১ মে আম্ফানের পরের দিনই অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে মোট এক লাখ ৭৬ হাজার সাত হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এসব জমিতে থাকা বিভিন্ন ফসলের ৫-৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে।<br><br>তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের ১৭ জেলার শতকরা ৯৬ ভাগসহ সারাদেশে ইতিমধ্যে ৭২ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলে প্রায় ৯৬-৯৭ ভাগ ধান কাটা হয়। সাতক্ষীরায়ও ৯০ ভাগের বেশি ধান কাটা হয়েছে। পটুয়াখালীরও প্রায় সব ধান কাটা হয়। তবে ভোলাতে ধানের ক্ষতি হয়েছে।<br><br>সুপার সাইক্লোন আম্ফানে কৃষকের ধানের ক্ষতির বিষয়ে কথা হয় ইমেরিটাস প্রফেসর ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য (সচিব) ড. এম এ সাত্তার মণ্ডলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে অনেক কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে সময় ও শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে পারেননি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, তবে লেট ভ্যারাইটি ধানগুলো এখনো কাটা বাকি আছে। আবহাওয়া অধিদফতর যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে যেসব কৃষকের ধান কাটতে বাকি তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ প্রতিদিনই দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে কালবৈশাখী হচ্ছে। তবে আম্ফান এবং কালবৈশাখীর কারণে কৃষকের ধান নষ্ট হলেও খাদ্য ঘাটতির কোনো আশংকা নেই। এতে মোট ফলনে প্রভাব পড়বে ও কৃষক ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যেটা আমাদের সারপ্লাস হওয়ার কথা ছিল সেটা হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে তাদের প্রণোদনা দেয়া যেতে পারে। </body></HTML> 2020-05-29 10:07:31 1970-01-01 00:00:00 লিবিয়ায় বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি যে লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94114 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724989_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724989_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের এলোপাতাড়ি গুলিতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত ও ১১ জন গুরুতর আহত হলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন একজন। তিনিই দূতাবাসকে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন। তার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে নিরাপত্তার স্বার্থে। তবে তিনি সম্পূর্ণ অক্ষত ও বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ত্রিপলীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। তার বয়ান মতে, লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিজ্দাহতে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলের অবস্থান ত্রিপলী শহর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে। প্রায় ১৫ দিন আগে বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কাজের সন্ধানে তারা যাচ্ছিলেন। এমন সময় মানবপাচারকারীরা তাদের জিম্মি করে।<br><br>তারা মোট ৩৮ জনের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য একত্র জড়ো করে। তাদের রাজধানী ত্রিপলীতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মিজ্দাহ শহরে নেওয়ার পর তাদের ওপর শুরু করে বর্বর নির্যাতন। উদ্দেশ্য দ্রুত মুক্তিপণ আদায়। অত্যাচার-নির্যাতনের চরম পর্যায়ে সূযোগ বুঝে প্রতিরোধ গড়ে তোলো ভিকটিমরা। তারা মূল হোতা লিবিয়ান ব্যক্তির ওপর চড়াও হলে তার মৃত্যু ঘটে। কিন্তু ঘটনাটি তখনই তাদের আয়ত্তের বাইরে চলে যায় এবং বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে যায় ওই নিহত পাচারকারীর স্বজনদের কাছে। তারাসহ অন্য দুষ্কৃতিকারীরা আকষ্মিকভাবে জিম্মিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করলে অন্তত ২৬ জন বাংলাদেশি ঘটনাস্থলেই নিহত হন।<br><br>ওই বাংলাদেশিসহ স্থানীয় সূত্রের বরাতে ত্রিপলীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে ঢাকায় একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। তাতেও প্রায় অভিন্ন বর্ণনা রয়েছে। <br>ই-মেইলযোগে পাঠানো বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপলী, লিবিয়ার রিপোর্ট মতে, দূতাবাস বৃহস্পতিবার লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিজ্দাহতে কমপক্ষে ২৬ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়ান মিলিশিয়া গুলি করে হত্যা করার তথ্য পায়। তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাস অনুসন্ধানে নামে। নিশ্চিত হন যে লিবিয়ার মিলিশিয়া বাহিনী বাংলাদেশিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালালে প্রায় সবাই হতাহত হন। তবে একজন প্রাণে বেঁচে যান। তার সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাসের টেলিফোন যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়। তিনি বর্তমানে একজন হৃদয়বান লিবিয়ানের আশ্রয়ে আত্মগোপন করে আছেন। দূতাবাস ঢাকাকে জানায়, নিহত ২৬ বাংলাদেশির মরদেহ মিজদাহ হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। অবশিষ্ট ১১ বাংলাদেশিরা হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।<br><br>বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে মিজদাহ হাসপাতালের পরিচালক টেলিফোনে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানান যে, ওই মরদেহসমূহ বর্তমানে মিজদাহ হাসপাতাল মর্গে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং ওই মরদেহসমূহের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। দূতাবাস ঢাকাকে এটা নিশ্চিত করেছে যে, আহত ১১ বাংলাদেশিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ত্রিপলী মেডিক্যাল সেন্টারে (টিএমসি) পাঠানোর ব্যবস্থা এরইমধ্যে নেওয়া হয়েছে হয়েছে। ত্রিপলী মেডিক্যাল সেন্টারে পৌঁছার পর দূতাবাস থেকে আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘটনার বিশদ বিবরণ নেওয়াসহ নিহতদের পরিচয় উদঘাটনের ব্যবস্থা নেওয়ো হবে। তাছাড়া আহতদের চিকিৎসার ব্যাপারে দূতাবাস থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। </body></HTML> 2020-05-29 10:02:37 1970-01-01 00:00:00 করোনা মোকাবিলায় নিয়োগ পাচ্ছে আরো ৫ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94113 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724645_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724645_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px"> and nbsp;করোনা ভাইরাসের সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আরো দুই হাজার চিকিৎসকসহ শিগগিরই ৫ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার।<br>দুই হাজার চিকিৎসক ছাড়াও তিন হাজার মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফার মিলিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যোগ হচ্ছে আরো ৫ হাজার জনবল। এরমধ্য দিয়ে মাত্র এক মাসের মধ্যে দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১২ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশে আগে একসঙ্গে এত বেশি সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী কখনো নিয়োগ হয়নি। শুধুমাত্র করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। করোনা ভাইরাস সংকট মোকাবিলায় মে মাসেই রেকর্ড সময়ে দুই হাজার চিকিৎসক এবং ৫ হাজার ৫৪ জন নার্স নিয়োগ দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। আর এখন আরো দুই হাজার ডাক্তার, এক হাজার ২০০ মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, এক হাজার ৬৫০ মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান ও ১৫০ জন রেডিওগ্রাফার নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।<br><br>দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে সীমিত পরিসরে অফিস ও গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত দিয়েছে। and nbsp; একদিকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির চাকা সচল রাখা, অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতেই স্বাস্থ্যসেবায় ডাক্তারসহ স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ানোর মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ৩৯তম বিসিএস থেকে ক্যাডার পদ না পাওয়াদের মধ্য থেকে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে তাদের পদায়ন করা হয়েছিল। তবে নতুন করে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে তা নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত হবে। এসব নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সরকারি কর্ম কমিশন এবং অর্থ বিভাগ সমন্বয় করে কাজ করবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-29 09:56:41 1970-01-01 00:00:00 নারায়ণগঞ্জ সদরের ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94112 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724478_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724478_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বহুল আলোচিত নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর থেকে তিনি নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এর সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ২৫ মে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনিরের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এরপর থেকে তিনি ফতুল্লার আলীগঞ্জের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এবিষয়ে আমরা খোঁজ খবর রাখছি।<br>উল্লেখ্য, ফাতেমা মনির সাবেক এমপি সারাহ বেগম কবরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজাদ বিশ্বাস, ফতুল্লার শ্রমিকলীগ নেতা কাউছার আহমেদ পলাশ ও স্থানীয় থানা পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন সময় বিরোধে জড়িয়ে আলোচিত-সমালোচিত হয়ে উঠেন। এ বিষয়ে জানতে ফাতেমা মনিরের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায়নি।<br><br> </body></HTML> 2020-05-29 09:54:04 1970-01-01 00:00:00 নিজের গড়া দল থেকে বহিষ্কার হলেন মাহাথির http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94111 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724289_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724289_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>ক্ষমতাকেন্দ্রীক রাজনীতির জটিল ঘূর্ণাবর্তের সময়ে নিজে যে দল গঠন করে ফের ক্ষমতায় গিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন সেই দলই বহিষ্কার করেছে আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার খ্যাত বর্ষীয়ান রাজনীতিক মাহাথির মোহাম্মদকে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তাকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে ইউনাইটেড ইনডিজেনাস পার্টি অব মালয়েশিয়ার (বারসাতু)। এই রাজনৈতিক দলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পূর্ব এশিয়ার অন্যতম রাজনীতিক মাহাথির মোহাম্মদ। এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ১৮ মে দলের প্রেসিডেন্ট মুহিদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দেননি মাহাথির। বরং পার্লামেন্ট অধিবেশনে বিরোধী দলের সারিতে বসেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনায় তার দলের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরির পরিরেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তাকে বহিষ্কারের কথা জানায় বারসাতু।<br><br>দলটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাহাথির মোহাম্মদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলো। মাহাথিরের সঙ্গে তার ছেলে মুখরিজকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকার পতনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে গত ফ্রেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান ৯৫ বছর বয়সী মাহাথির। এরপর আবারও প্রধানমন্ত্রী পদে লড়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরে তাকে তোয়াক্কা না করে দলের প্রেসিডেন্ট মুহিদ্দিন বিরোধী দলের সঙ্গে মিলে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন আদায় করে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। </body></HTML> 2020-05-29 09:51:01 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মারা গেলেন এসআই রাসেল বিশ্বাস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94110 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724131_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724131_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর একটি হাসপাতালে বাংলাদেশ পুলিশের আরও এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ জন সদস্য মারা গেছেন। পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়ে, মো. রাসেল বিশ্বাস (৩৫) নামে মারা যাওয়া ব্যক্তি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৪ মে রাসেলের করোনাভাইরাস ধরা পড়ে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমপালস হাসপাতালে তিনি মারা যান। এদিকে, রাসেলের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ এবং লাশ দাফনে রাসেলের মরদেহ তার নিজ শহর বাগেরহাটে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতি মেনে তাকে দাফন করা হবে। রাসেল স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।<br><br>পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, রাসেলের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৫ জন পুলিশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ২৮মে পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ৪ হাজর ২৫৮ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫১৪ জন ডিএমপির। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ২ হাজার ২৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া এ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৫ জনের। </body></HTML> 2020-05-29 09:48:14 1970-01-01 00:00:00 রাস্তায় পড়ে ছিল ইমামের লাশ, এলাকায় করোনা আতঙ্ক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94109 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724015_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724015_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সিলেটের বিশ্বনাথে রাস্তায় পড়ে থাকা মিজান আহমদ (৫৭) নামের এক ইমামের মরদেহ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক দেখা দেয়। পরে চিকিৎসকরা জানান, করোনাভাইরাসে নয়, উচ্চ রক্তচাপে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয় তার। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে উপজেলার কান্দিগ্রাম রেলওয়ে সড়কের পাশে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান। প্রশাসনের অনুমতিক্রমে এদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে পাঠানো হয়েছে।<br>স্থানীয় সাংবাদিক এমদাদুর রহমান মিলাদ জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে খাজাঞ্চি ইউনিয়নের বিলপার গোবিন্দনগর জামে মসজিদে ইমামতি করে আসছিলেন মিজান আহমদ। পাশাপাশি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতাও করতেন তিনি। খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াস উদ্দিন জানান, ইমাম মিজানের উচ্চ রক্তচাপ ছিল। এদিন তিনি মসজিদের মোতোওয়াল্লিকে জোহরের নামাজ পড়াতে বলে পাশের গ্রামে দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। বেলা ২টার দিকে স্থানীয় লোকজন কান্দিগ্রাম-রেলওয়ে সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখে আমাকে খবর দেন।<br><br>দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে তিনি স্ট্রোক করেছেন বলে ধারণা করছেন চেয়ারম্যান। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ইমামকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিশ্বনাথের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান বলেন, সড়কে ওপর লাশ দেখে এলাকায় মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল। পরে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাস্থলে উচ্চ রক্তচাপের কারণে স্ট্রোক করেছেন মিজান আহমদ। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।<br>চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম মুসা জানান, মিজান আহমদ উচ্চ রক্তচাপের কারণে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তাঁর বাড়ি চাঁদপুরে। বিশ্বনাথে জানাজা শেষে বৃহস্পতিবার লাশ চাঁদপুরে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। </body></HTML> 2020-05-29 09:45:40 1970-01-01 00:00:00 লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94108 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724363_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590724363_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসী শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করেছে মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যের পরিবারের লোকজন। নিহত বাকি চারজন আফ্রিকান। জা<br>বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লিবিয়ার সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানিয়ে বলা হয়েছে, সাহারা মরুভূমি অঞ্চলের মিজদা শহরের এ ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন।<br>ঘটনার পর লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিজদা কমপক্ষে ২৬ বাংলাদেশিকে লিবিয়ীয় মিলিশিয়া কর্তৃক গুলি করে হত্যা করার তথ্য পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাস থেকে অনুসন্ধানে জানা যায়, লিবিয়ার মিলিশিয়া বাহিনী বাংলাদেশিদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন। এদের মধ্যে একজন বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশির সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। তিনি বর্তমানে এক লিবিয়ীয় নাগরিকের আশ্রয়ে আত্মগোপনে আছেন।<br><br>সেখান থেকে তিনি দূতাবাসকে জানান, ১৫ দিন আগে বেনগাজি থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কাজের সন্ধানে ত্রিপলি শহরে আসার পথে তিনিসহ মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি মিজদা শহরে মুক্তিপণের জন্য দুষ্কৃতিকারীদের হাতে জিম্মি হন। জিম্মি অবস্থায় তাদের অত্যাচার, নির্যাতন করার একপর্যায়ে অপহৃত ব্যক্তিরা মূল অপহরণকারী লিবিয়ীয় নাগরিককে হত্যা করে এবং এর জেরে অন্য দুষ্কৃতিকারীরা আকস্মিকভাবে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন। তাদের মরদেহ মিজদা হাসপাতালে রাখা আছে। অপর বাংলাদেশিরা হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিজদা হাসপাতালের পরিচালক টেলিফোনে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানান, মরদেহগুলো বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে। অন্যদিকে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।<br><br>আহত ১১ জন বাংলাদেশিকে জিনতান হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ত্রিপলি মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। ত্রিপলি মেডিকেল সেন্টারে পৌঁছার পর দূতাবাস থেকে আহতদের সাথে সাক্ষাৎ করে ঘটনার বিশদ বিবরণ গ্রহণ করাসহ নিহতদের পরিচয় উদঘাটনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়াও আহতদের চিকিৎসার ব্যাপারে দূতাবাস হতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে। এদিকে এ ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, দুঃখজনকভাবে ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত। পাচারকারীরা ত্রিপলি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে তাদের হত্যা করেছে। ধারণা করা হচ্ছে অন্য কোনো দেশে তাদের পাচার করা হচ্ছিল। পথিমধ্যে তাদের সাথে কোনো ঝামেলা হওয়ায় পাচারকারীরা তাদের মেরে ফেলেছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। </body></HTML> 2020-05-29 09:42:16 2020-05-29 09:52:47 বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে গোসলে নেমে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94107 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590723548_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590723548_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কুষ্টিয়ায় বন্ধুদের সঙ্গে গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ব্যাংক কর্মকর্তা রাফসানের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। নিখোঁজের ১৩ ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৯ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঘোড়ার ঘাট ড্রেজিং পয়েন্টে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। নিহত রাফসান শহরের থানাপাড়া এলাকার মৃত রেজাউল হকের ছেলে। তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ঈশ্বরদী শাখায় ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের ঘোড়ার ঘাট সংলগ্ন গড়াই নদীতে পাঁচ বন্ধুর সঙ্গে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন রাফসান। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, রাফসান তার কুষ্টিয়ার পাঁচ বন্ধু রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হাসিবুর রশিদ তামিম, ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ, কুষ্টিয়া স্যামসাং শো-রুমের ম্যানেজার ফয়সাল ও আব্দুর রশিদকে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের ঘোড়ার ঘাট সংলগ্ন গড়াই নদীতে গোসলের উদ্দেশ্যে আসেন। বন্ধুরা একসঙ্গে সবাই নদীতে গোসলের জন্য নামেন। এদের মধ্যে তামিম ও রাফসান একটু গভীরে গেলে হঠাৎ করেই তারা দুজনই নদীতে তলিয়ে যান। এ সময় অন্যান্য বন্ধুদের চিৎকারে স্থানীয় মাঝিরা তামিমকে টেনে তুললেও রাফসানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।<br><br>পরবর্তীতে খুলনা থেকে ডুবুরি দল কুষ্টিয়ায় এসে রাত ৮টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাকে খুঁজে পায়নি। শুক্রবার সকালে রাফসানের মরদেহ নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে কিছু দুরেই ডেজিং পয়েন্টে ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাফসানের মরদেহটি পানি থেকে ওপরে তোলা হয়। এ সময় তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের আহাজারিতে সেখানকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। রাফসানের বন্ধু হাসিবুর রশিদ তামিম বলেন, রাফসান আর আমি একসাথেই ছিলাম। বাকিরা একটু কম পানিতে ছিল। হঠাৎ করে আমাদের পায়ের তলের বালু সরে যায়। সাঁতার না জানায় আমি ও রাফসান তলিয়ে যাই। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করতে পারলেও রাফসানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।<br>পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে রাফসান তার কর্মস্থল ঈশ্বরদী থেকে কুষ্টিয়া এসেছিলেন। চলতি মাসের ২ তারিখে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।<br>কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ সকালে নদীতে ভেসে উঠেছিল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। </body></HTML> 2020-05-29 09:38:26 1970-01-01 00:00:00 ছাগলনাইয়ায় স্ত্রীকে উক্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় স্বামীর মাথা ফাটালো বখাটে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94106 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590676619_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590676619_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আলমঙ্গীর ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা ৫নং মহামায়া ইউনিয়নের অন্তর্গত পশ্চিম দেবপুর গ্রামে স্ত্রীকে উক্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় খুরশিদ আলম মজুমদার নামের এক অধ্যক্ষকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে বখাটে সন্ত্রাসীরা। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি বক্তারহাট দারুল ইরফান আইডিয়াল একাডেমীর অধ্যক্ষ। ঘটনাটি ঘটছে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার পশ্চিম দেবপুর গ্রামের হাজী বাড়ীতে। and nbsp; জানা যায়, স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। <br>এব্যাপারে খুরশিদ আলম মজুমদার বাদী হয়ে বখাটে মোঃ সানিলকে (১৯)-কে প্রধান আসামি করে নাছিমা বেগম (৪৮), ছালেহ আহাম্মদ মিয়া(৫৫), পান্না আক্তার (২৪), পেন্সি আক্তার(২২) ও জেসি আক্তারের (২০) নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামী করে ছাগলনাইয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।<br><br>ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আহত অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম বলেন, আমার স্ত্রী মোহছেনা আক্তার কে দীর্ঘদিন যাবত আমার বাড়ীর ছালেহ আহাম্মদ মিয়ার বখাটে পুত্র মোঃ সানিল উক্ত্যক্ত করে। বিষয়টি জানার পর আমি এর প্রতিবাদ করি। আজকে দুপুরে আমার স্ত্রী বসতঘরের পাশে পুকুরে গেলে সানিল তাকে উদ্দ্যেশ করে অশালীন কথা বলে উত্ত্যক্ত করে। আমি এর প্রতিবাদ করায়, ওই বখাটে আমাদের পথরোধ করে আমাকে ও আমার স্ত্রী মোহছেনাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ও আমার মাথা পেটে যায়। বখাটের সঙ্গে আরও তিন-চারজন ছিল।<br><br>ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, খুরশিদের মাথায় ২টি সেলাই দেয়া হয়েছে। অস্ত্রের আঘাতে ডান হাতের বৃদ্ধাঙুল ভেঙে গেছে অস্ত্রোপচার করতে হবে। ছাগলনাইয়া থানার এসআই হান্নান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার সাথে জড়িত মামলার অভিযুক্ত একজন আসামীকে আমরা আটক করতে পেরেছি।বাকিদেরকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। </body></HTML> 2020-05-28 20:36:28 1970-01-01 00:00:00 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাসায় ৪ জনের করোনা শনাক্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94105 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590674795_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590674795_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাসায় কর্মরত চারজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তার পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।<br>বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ‘২০০০ সালে ডেঙ্গু হয়েছিল আমার, রোজার মাসে। তখন ডেঙ্গু মানে অবধারিত মৃত্যু। সেই সাথে হলো পক্স। এমন অবস্থা মনে হলো হাতে আর দুই একদিন সময় আছে! টানা একমাস অসুস্থতার পর সুস্থ হয়ে ওঠার একদিন আগে একজন ডাক্তার বাসায় এসে বললেন ডেঙ্গু হয়নি। কে যানে কি হয়েছিলো! আরেকবার ডেঙ্গু হয়েছিল কয়েক বছর আগে, সম্ভবত ২০১৪ সালে। হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো, রক্ত দিলো। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সুস্থ হলাম। এর মাঝে ছোট, বড়, মাঝারি আরও অসুখ-বিসুখ হয়েছে। প্রতিবার আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ হয়েছি।’<br><br>তিনি আরও লেখেন, ‘করোনাকালে যতটা সম্ভব সাবধানে থাকার চেষ্টা করেছি। যদিও ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার প্রথম দিকে মাদ্রিদ আর জেনেভা যেতে হয়েছিলো। বিশ্ব তখনও এর ভয়াবহতা বুঝে ওঠেনি। অনেকদিন থেকেই শুনছি পরিচিত মানুষের পরীক্ষা করাচ্ছেন। কেউ কেউ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, কেউ হাসপাতালে ভর্তি। মৃত্যুবরণ করেছেন একাধিক পরিচিত ব্যক্তি। তাই আমার বাসার সহকারী মিঠু যখন বললো বাবুর্চি মুসা আর চারজন নিরাপত্তাকর্মীর মধ্যে একজনের জ্বর তখন দেরি না করে পরীক্ষা করালাম, নিজেরসহ মোট ৯ জনের। ফলাফল এসেছে মুসা ও সেই নিরাপত্তাকর্মীসহ মোট ৪ জন পজেটিভ। মানে বাকি দুইজন পজেটিভ হয়েও কোনো লক্ষণ নেই। আমরা বাকিরা নেগেটিভ।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘গতকাল রাত থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। বাড়িতে রোগী রেখেই চিকিৎসা করাতে হবে এবং নিজেদের সুস্থ রাখতে হবে। কাজটা মোটেই সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সকলকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আমাদের সবার জন্য দোয়া করার জন্য। অসুস্থরা যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন এবং নতুন কেউ যেন সংক্রমিত না হন।’<br><br>তিনি লেখেন, ‘গত দুইমাস যেভাবে কাজ করেছি অবশ্যই চেষ্টা করবো সেভাবে বাসায় থেকে কাজ করতে। অজস্র মানুষের বিভিন্ন অনুরোধ আসে আমার কাছে প্রতিদিন, এই সময় মলত সেটা প্রবাসীদের কাছ থেকে আর অন্যদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশেদের নাগরিকদের কাছ থেকে। এলাকার দেখভালতো আছেই। এখন আর কথা না বাড়াই। সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। ভালো থাকুন সবাই।’ (একটা ছোট্ট অনুরোধ, আমার বাসার কাউকে দয়াকরে শুধু খোঁজ নেবার জন্য ফোন দিবেন না। তারা সবাই মানসিকভাবে কিছুটা হলেও কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এবং নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেবার জন্য ব্যস্ত আছেন। আপনার কোনো বার্তা থাকলে তা নিচে লিখে দিতে পারেন অথবা যেকোনো মাধ্যমে সরাসরি আমার কাছে।) আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলের প্রতি সদয় হউন। </body></HTML> 2020-05-28 20:05:50 1970-01-01 00:00:00 করোনা আক্রান্ত ভাইকে দেখতে গিয়ে করোনায় বোনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94104 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590670789_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590670789_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ভাইকে দেখতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন বোন। করোনায় মারা যাওয়া নাজমুন নাহার কুমিল্লার হোমনা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বর্তমানে তার স্বামী ও দুই সন্তান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। করোনায় যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপ্তি চাকমা।<br>এদিকে, কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৮১ জনে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।<br><br>সিভিল সার্জন বলেন, জেলায় নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন- কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইজন এবং জেলার আদর্শ সদরে ছয়জন, হোমনায় দুইজন, বুড়িচংয়ে ২০ জন, লাকসামে ছয়জন, চান্দিনায় ১৭ জন, লালমাইয়ে দুইজন এবং মুরাদনগরে ১৫ জন। এ পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন মোট ১০০ জন।<br>ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে এ পর্যন্ত আট হাজার ১৫৪ জনের নমুনা পাঠানোর পর রিপোর্ট এসেছে সাত হাজার ৪৩৫ জনের। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৮১ জনের এবং মারা গেছেন মোট ২৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছেন দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম ও তার স্বামী।<br>হোমনার ইউএনও তাপ্তি চাকমা বলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মারা গেছেন। ছুটিতে থাক অবস্থায় ঢাকায় তার করোনা আক্রান্ত ভাইকে দেখতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। প্রতিদিনই তিনি হোমনায় অফিস করে আবার ঢাকায় যেতেন। নাজমুন নাহার বেশ কিছুদিন ছুটিতে ছিলেন। তার স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই করোনায় আক্রান্ত। নাজমুন নাহার ২০১০ সালে হোমনায় চাকরিতে যোগ দিয়ে প্রতিদিনই ঢাকা-হোমনায় আসা-যাওয়া করতেন।<br><br>ওই কর্মকর্তার মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেহানা মজিদ, ভাইস চেয়ারম্যান মহসীন সরকার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আক্তার রীনাসতহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। </body></HTML> 2020-05-28 18:59:08 1970-01-01 00:00:00 দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ২০২৯ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১৫ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94103 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590669621_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590669621_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নতুন শনাক্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৯ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ হাজার ৩২১ জনে। এছাড়া এ সময়ের মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫৯ জনে। আর সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।<br><br>তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৯ হাজার ২৬৭ জনের। আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ৩১০ জনের। এতে একদিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগে গত ২৫ মে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭৫ জনের দেহে করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়। গত ২৩ মে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৭৩ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়। গত ২১ মে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। তার আগে ২০ মে শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৬১৭ জনের। এ পর্যন্ত ২ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ জনের করোনা পরীক্ষা করে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ হাজার ৩২১ জনে।<br>এছাড়া এই সময়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৫ জন। এর আগে গত ২২ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এর আগে গত ১৮, ১৯ ও ২৫ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২১ জন ও ২২ মে ২২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ৫৫৯ জনের। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন। এ নিয়ে মোট ৮ হাজার ৪২৫ জন সুস্থ হয়েছেন। ব্রিফিংয়ের করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক নাসিমা বলেন, তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করবেন। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাবেন ও ফুসফুসের ব্যায়াম করবেন। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এটি ফুসফুসের কার্যকারীতা নষ্ট করে দেয়।<br><br>চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।<br>ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার তথ্যানুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮২ জন। অপরদিকে ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-28 18:40:00 2020-05-28 18:40:34 নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলবে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94102 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590669553_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590669553_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গণপরিবহনগুলো কীভাবে চলবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নির্দেশনা জারি করবে বলে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ওই সময়ে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারে। তবে সব অবস্থায় মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলায় ঢোকা এবং বাহিরের পথে চেকপোস্ট থাকবে। জেলাপ্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সর্তকভাবে বাস্তবায়ন করবে বলে আদেশ বলা হয়। এতে আরও বলা হয়, এসব নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে। আগের মতো রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে যেতে পারবে না। তবে প্রয়োজনীয় বেচাকেনা, কর্মস্থলে যাতায়া, ওষুধ কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি কাজ করা যাবে। সব সময়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরতে হবে। মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। and nbsp;<br><br>এছাড়া হাট-বাজার দোকানপাট ও বেচাকেনার সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। শপিংমলে প্রবেশ মুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা সহজ স্যানিটাইজার ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে যাওয়া যানবাহনগুলো জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাট-বাজার, দোকানপাট এবং শপিংমল বিকাল ৪ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। আদেশে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলো (স্থল বন্দর,নদীবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অনান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবা সঙ্গে অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।<br><br>এছাড়া সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল) চলাচল করতে পারবে। কৃষি পণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসব কাজে নিয়োজিত কর্মীরা এই নিষেধের বাইরে থাকবেন।<br>আদেশে আরও বলা হয়, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীদের বেলাতেও এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এছাড়া ওষুধশিল্প, কৃষি ও উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা, রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা খেলা রাখা যাবে। তবে তাদের জন্য নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স বা ডিস্টেন্স লার্নিং চালু রাখা যাবে।<br><br>ব্যাংক চলবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুযায়ী। সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী ও সন্তান সম্ভবা নারীদের কর্মস্থলে আসতে বারণ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্য সম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সব সময়ই মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নিদের্শনা কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে।<br>তবে আগের মতোই কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, গণ জমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে জামাত আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করা যাবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-28 18:38:44 1970-01-01 00:00:00 আরও ৫ ইউপি চেয়ারম্যান-সদস্য বহিষ্কার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94101 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668522_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668522_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল আত্মসাতের অভিযোগে দুই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ও তিন সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।<br>স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন বরখাস্ত হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউপির কবির আহমেদ এবং বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউপির মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।<br><br>আর ইউপি সদস্যরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউপির ২নং ওয়ার্ডের তাহের মিয়া, গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের মো. বোরহান উদ্দিন এবং একই উপজেলার চাঁদপুর ইউপির ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য বিলকিস বেগম। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছেন। পৃথক আদেশে বলা হয়, তাদের এই অপরাধমূলক কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন নয় মর্মে সরকার মনে করে। কাজেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাদের স্বীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।<br><br>একইসময় সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পৃথক পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশে কেন তাদের চূড়ান্তভাবে পদ থেকে অপসারণ করা হবে না, তার জবাবপত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হবার পর এ নিয়ে মোট ৭১ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এদের মধ্যে ২৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান, ৪৫ জন ইউপি সদস্য, একজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং দুইজন পৌর কাউন্সিলর। </body></HTML> 2020-05-28 18:20:57 1970-01-01 00:00:00 করোনা পরিস্থিতি বজায় থাকলে প্রাথমিকে ঘরে বসেই পরীক্ষা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94100 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668404_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668404_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ঘোষিত সাধারণ ছুটি ৩০ মে’র পর আর বাড়ছে না। তবে করোনার কারণে ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এদিকে করোনা পরিস্থিতি বজায় থাকলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষা যেন বাসায় বসে দিতে পারে সেই চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। সেসব খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে খাতা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেবে। এ জন্য বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রথম শ্রেণি থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।<br><br>প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, শ্রেণি ক্লাসের টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নে প্রণয়ন করবে। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেবে। </body></HTML> 2020-05-28 18:19:30 1970-01-01 00:00:00 পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94099 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668070_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590668070_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পুলিশ সেজে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে হাফিজুল ইসলাম নামে এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এমনকি এ সময় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ধান বীজও ছিনতাই করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে হাফিজুল ইসলামকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে গত রোববার (২৪ মে) হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন।<br><br>গ্রেপ্তারকৃত হাফিজুল ইসলাম উপজেলার পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র। অপর একজন অভিযুক্ত হলেন, উপজেলার একই এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের পুত্র দেলোয়ার হোসেন। ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জ্বল হোসেনের পুত্র। এছাড়া জেলা সদরের কৃষি ঘর নামে একটি কৃষি পণ্য বিপনীর মালিক তিনি।<br><br>জানা গেছে, ব্যবসায়ী শাহাদাত গত শনিবার (২৩ মে) সৈয়দপুর থেকে প্রায় দেড় লক্ষ্য টাকা মূল্যের ধান বীজ ক্রয় করে লালমনিরহাট ফিরছিলেন। পথিমধ্যে হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান এলাকায় হাফিজুলসহ আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা সেজে গতিরোধ করে। এ সময় শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার ৫ শত এবং বিকাশের মাধ্যমে ১৮ হাজার টাকা জোরপূর্বক আদায় করে নেয়। এমনকি তার সাথে থাকা ধান বীজ গুলোও নামিয়ে নেয় তারা।<br>ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেন জানান, এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ছিনতাই মামলায় হাফিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তাকে জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। </body></HTML> 2020-05-28 18:13:58 1970-01-01 00:00:00 চিঠি লিখে আত্মহত্যা করলেন সাবেক কাউন্সিলর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94098 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590667957_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590667957_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনির হোসেন আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে নিজবাড়ি থেকে গাছা থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। সাবেক কাউন্সিলর মনির হোসেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩৬নং ওয়ার্ডের কামারজুরী এলাকার মৃত আতাউর রহমানের ছেলে। গাছা থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার দিকে আত্মহত্যার খবর পেয়ে মনির হোসেনের বাড়িতে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মনির হোসেন বেশ কিছুদিন যাবৎ অসুস্থ ছিলেন। করোনা উপসর্গ থাকায় তার টেস্ট করানো হয় কিন্তু টেস্টের রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তিনি একটি চিঠি লিখে গেছেন। যেখানে উল্লেখ করেছেন ‘তিনি ২০ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত আছেন। তার মৃতদেহ যেন কোনোপ্রকার কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই দাফন করা হয়।’<br><br>নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্থানীয় একটি মসজিদে দুপুরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে তিনি মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্ত ছিলেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। উল্লেখ্য, নিহত মনিরের চাচা সানাউর রহমান গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শারীরিক অসুস্থতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সানাউর রহমান মৃত্যুবরণ করায় ওয়ার্ডটি শূন্য হয়। পরে উপনির্বাচনে মনির হোসেন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। </body></HTML> 2020-05-28 18:11:43 1970-01-01 00:00:00 আখাউড়া চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরলেন ১০৬ ভারতীয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94097 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666895_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666895_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া ১০৬ জন ভারতীয় নাগরিক দেশে ফিরে গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে নিজ দেশে ফিরে যান তারা। দুই দেশের চেকপোস্টে যেন ভারতীয়রা কোনো ধরনের অসুবিধায় না পড়েন সেজন্য ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস চেকপোস্টে এসে যাত্রীদের বিদায় দেন। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোরশেদুল হক বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ভারতীয় নাগরিকরা আটকা পড়েছিলেন। আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ১২৯ জন ভারতীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরবেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ১০৬ জন ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে ভারতে প্রবেশ করেছেন। বাকিরা চেকপোস্টে আসেননি।<br><br>ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, লকডাউনের কারণে অনেকেই বাংলাদেশে আটকা পড়েছিলেন। ইতোমধ্যে ৯টি ফ্লাইটে প্রায় দেড় হাজার জনকে দেশে পাঠানো হয়েছে। আজকে আরেকটি ফ্লাইট যাবে। করোনার কারণে অনেক সতকর্তা অবলম্বন করতে হচ্ছে। যারা যাচ্ছেন তাদের ভারতে গিয়ে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হবে। সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। চেকপোস্টে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়ম, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার রেইনা ও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার জ্যেষ্ঠ সহাকারী পুলিশ সুপার আলাউদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। </body></HTML> 2020-05-28 17:54:26 1970-01-01 00:00:00 র‌্যাবের এক ক্যাম্পের ১৯ সদস্য করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94096 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666787_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666787_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নীলফামারীতে র‌্যাবের ১০ সদস্যের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগে র‌্যাবের আরও নয় সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১০৮ জনে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে র‌্যাবের ১০ সদস্যের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নীলফামারীর সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মন। and nbsp; জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন করে করোনা শনাক্ত ১০ জনই জেলা শহরের সবুজপাড়ার র‌্যাব-১৩ সিপিসি-২ ক্যাম্পের সদস্য। এর আগে একই ক্যাম্পের নয়জনের করোনা পজিটিভ আসে। তারা জেলা সদর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। এ নিয়ে নীলফামারীতে র‌্যাবের ১৯ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, নীলফামারী থেকে ৬৩ র‌্যাব সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে বুধবার ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে ১০ জনের করোনা পজিটিভ আসে। এ নিয়ে জেলায় ১০৮ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে নীলফামারী সদরের ৪৭, ডোমার উপজেলার ১১, ডিমলা উপজেলার ১৫, জলঢাকা উপজেলার নয়, কিশোরীগঞ্জ উপজেলার আট ও সৈয়দপুর উপজেলার ১৮ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ জন। এক নারীসহ দুইজন মারা গেছেন করোনায়। </body></HTML> 2020-05-28 17:51:15 1970-01-01 00:00:00 জুয়া খেলা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94095 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666621_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666621_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মাদারীপুরে জুয়া খেলা নিয়ে সংঘর্ষে রাসেল ঘরামী (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় কামাল (২৬) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত রাসেল সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের দেলোয়ার ঘরামীর ছেলে। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মাদারীপুর সদর সার্কেল) মো. বদরুল আলম মোল্লা জানান, মঙ্গলবার রাতে (২৬ মে) চাপাতলী গ্রামের রাসেল ও জাহিদসহ বেশ কয়েকজন জুয়া খেলা শুরু করে। পরে তাদের মধ্যে খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এতে রাসেল গুরুতর আহত হলে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে বুধবার মধ্যরাতে রাসেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে এ ঘটনায় একই এলাকার মন্নান ঘরামী ছেলে কামাল ঘরামীকে আটক করে পুলিশ। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-28 17:49:53 1970-01-01 00:00:00 ২০ ফুট যেতে পারে করোনা, ৬ ফুট দূরত্ব যথেষ্ট নয়: গবেষণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94094 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666397_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666397_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতিতে হাঁচি-কাশি এবং শ্বাস প্রশ্বাসের থেকে ভাইরাস কতটা ছড়াতে পারে তা নিয়ে গবেষণা করেছেন। তারা দেখেছেন যে করোনাভাইরাস ঠান্ডা এবং আর্দ্র আবহাওয়ায় স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি ছড়িয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া এবং সান্তা বারবারা ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের মাধ্যমে ভাইরাস ২০ ফুট পর্যন্ত যেতে পারে। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ছয় ফুটের কথা বলা হচ্ছে কিন্তু বাস্তবে এটি যথেষ্ট নয়। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও দ্য হিন্দুর। পূর্ববর্তী গবেষণার উপর ভিত্তি করে তারা জানিয়েছেন, হাঁচি-কাশি বা সাধারণ কথা বলার দ্বারা প্রায় ৪০ হাজার ড্রপলেট তৈরি হতে পারে। যা সেকেন্ডে কয়েক মিটার থেকে শত মিটার ছড়িয়ে যেতে পারে।<br><br>বিজ্ঞানীরা এই গবেষণায় লিখেছেন, মহাকর্ষের কারণে সাধারণত বৃহত ড্রপলেটগুলো সীমিত দূরত্বে একটি পৃষ্ঠের ওপর স্থিত হয়, ছোট ছোট ড্রপলেটগুলো এয়ারোসোল কণা তৈরি করতে দ্রুত বাষ্পীভূত হয়, যা ভাইরাস বহন করতে এবং ঘন্টাব্যাপী জন্য বাতাসে ভাসতে সক্ষম। গবেষণায় তারা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসি সামাজিক দূরত্ব ছয় ফুট নির্ধারণ করেছে এটি যথেষ্ট নয়। কারণ ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এটি ১৯.৭ ফুট পর্যন্ত যেতে পারে। </body></HTML> 2020-05-28 17:46:02 1970-01-01 00:00:00 সৌদি জোটের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94093 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666108_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666108_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br> and nbsp;সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি। এই হামলায় দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফের আত্মীয়-সহ অন্তত সাত সেনাসদস্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারের সামরিক ঘাঁটিতে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির চিফ অফ স্টাফের স্বজনসহ বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে।<br>করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত ২৪ এপ্রিল দেশটিতে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের এক মাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বুধবার রাতে হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি হুথিরা।<br><br>দেশটির সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর ৮ সদস্য নিহত ও আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, হুথি বিদ্রোহীরা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে একটি মারিব প্রদেশে সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয়ে এবং অন্যটি সামরিক বাহিনীর এক ঘাঁটিতে আঘাত করেছে। অন্যদিকে, দেশটির সেনাবাহিনীর অপর তিনটি সূত্র ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত সাতজন মারা গেছেন। তারা বলেছেন, হামলায় চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল সগীর বিন আজিজ বেঁচে গেছেন। তবে তার এক ছেলে এবং ভাতিজা-সহ হামলায় সাতজনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই তথ্য টুইটারে নিশ্চিত করেছেন জেনারেল সগীরের অপর এক ছেলে। ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে হুথি বিদ্রোহীরা। হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল-হাদি। ২০১৫ সালের মার্চের দিকে ইয়েমেনি এই প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতায় ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। তখন থেকে ইয়েমেনে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে দুই পক্ষের যুদ্ধে; যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। দীর্ঘ এই যুদ্ধে কবলে পড়ে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে ইয়েমেন। জাতিসংঘ ইয়েমেন পরিস্থিতিকে বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছে। <br></body></HTML> 2020-05-28 17:41:22 1970-01-01 00:00:00 পঙ্গপালের হানায় দিশেহারা ভারত, ছড়িয়েছে ৭ রাজ্যে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94092 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666008_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590666008_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনা মহামারির মাঝে ভারতে ঢুকে পড়া পঙ্গপালের ঝাঁক রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট ও হরিয়ানার পর এবার আরও তিনটি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। কোটি কোটি পঙ্গপালের এসব ঝাঁক এবার মহরাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং পাঞ্জাবে শত শত একর জমির আবাদি ফসল সাবাড় করছে। গত তিন দশকের মধ্যে পঙ্গপালের সবচেয়ে ভয়াবহ এই হানা মোকাবিলায় ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে রাজ্য সরকারগুলো। দেশটির কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, বুধবার পর্যন্ত রাজস্থানের ২০টি জেলা, মধ্যপ্রেদেশের ৯টি, গুজরাটের দুটি এবং পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশের একটি করে জেলায় ৪৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে পঙ্গপাল। পঙ্গপাল নিধনে এসব রাজ্যের অন্তত ৩০৩টি স্থানে কীটনাশক ছিটানোর অভিযান শুরু হয়েছে।<br><br>পঙ্গপাল নিধন অভিযান সমন্বয়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ১১টি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। সেখান থেকে বিশেষ স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে কীটনাশক ছিটানোর কাজ চলছে। দেশটির কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার এই পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন। রাজ্যগুলোর কৃষিমন্ত্রী এবং কীটনাশক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন তিনি। ড্রোন থেকে কিটনাশক ছিটিয়ে পঙ্গপালের ধ্বংসের জন্য রাজ্য সরকারগুলো টেন্ডার আহ্বান করেছে। শাকসবজি এবং অন্যান্য শস্য ক্ষেতের জন্য হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া পঙ্গপাল রবিশস্যের ওপর এখনও তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ফসল বাঁচানোর জন্য সরকার পঙ্গপাল ধ্বংসের তৎপরতা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছে। মধ্যপ্রদেশে প্রথমবারের মতো পঙ্গপালের হানা শুরু হলেও পরবর্তীতে তা উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি জেলায় পৌঁছেছে বুধবার। রাজ্যের সরকারি এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই অঞ্চলের অন্যান্য জেলাগুলোতে পঙ্গপাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।<br><br>এক রাজ্য থেকে মুহূর্তের মধ্যে এসব পঙ্গপাল অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির সরকার চিন্তায় পড়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, দিনে গড়ে ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পাড়ি দিচ্ছে পঙ্গপালের ঝাঁক। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তা রাজধানী দিল্লিতেও পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। ভারতে পঙ্গপালের ঝাঁক প্রবেশ করেছে প্রতিবেশি পাকিস্তান থেকে; যেখানে এখনও পঙ্গপালের ফসল সাবারের তাণ্ডব চলছে। জাতিসংঘের কৃষিবিষয়ক সংস্থা এফএও বলেছে, একটি পঙ্গপাল দিনে দুই গ্রাম ফসল খেতে পারে। এক বর্গকিলোমিটার দীর্ঘ একটি ঝাঁকে ৪ থেকে ৮ কোটি পঙ্গপাল থাকে। দিনে ১৩০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার এলাকায় অন্তত ৩৫ হাজার মানুষের খাবার ধ্বংস করতে পারে পঙ্গপাল। <br></body></HTML> 2020-05-28 17:39:37 1970-01-01 00:00:00 ভারতের দাবি, কড়া অবস্থান নিতেই সুর নরম করেছে চীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94091 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590665901_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590665901_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> <br>লাদাখ সীমান্তে ভারত সেনা সমাবেশ বাড়ানোর পরপরই সুর নরম করে চীন শান্তির পতাকা ওড়াতে চাচ্ছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।<br>বৃহস্পতিবার কলকাতাভিত্তিক দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত ও চীনের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ দু’টি দেশ পরস্পরের জন্য বিপজ্জনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত সান ওয়েইডং। তিনি বলেছেন, বিক্ষিপ্তভাবে যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে তা যেন দুই দেশের মধ্যে সার্বিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব না ফেলে, সেটা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে।<br><br>এছাড়া, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিচিয়ান বলেছেন, সীমান্তে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।<br>সংবাদমাধ্যমটির দাবি, চীন সুর নরম করলেও ভারত এখনও শক্ত অবস্থানেই রয়েছে। দেশটির সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) বরাবর চীন হাজার পাঁচেক সেনা মোতায়েন করেছে এবং তিব্বতের বিমানঘাঁটির শক্তিও বাড়ানো হচ্ছে, সেকথা মাথায় রেখেই কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এলএসি বরাবর পাল্টা সামরিক তৎপরতা থামিয়ে দেয়া হবে না বলেই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশেই তারা কড়া অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। <br></body></HTML> 2020-05-28 17:37:46 1970-01-01 00:00:00 উইঘুর নির্যাতন: চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞার অনুমোদন মার্কিন কংগ্রেসে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94090 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590665759_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590665759_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>উইঘুর মুসলিমদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগে চীনের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা বিলের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস)। বুধবার ‘উইঘুর হিউম্যান রাইটস অ্যাক্ট’ ৪১৩-১ ভোটে পাস হয়েছে পরিষদে। এটি এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের জন্য হোয়াইট হাউসে পাঠানো হচ্ছে।<br>এই বিলে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মুসলিমদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতনে দায়ীদের ওপর নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে।<br>যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ওই এলাকায় অন্তত ১০ লাখ মুসলিমদের ক্যাম্পে বন্দী করে রাখা হয়েছে। ওই অঞ্চলের কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি ও চীনের পলিটিক্যাল ব্যুরোর ক্ষমতাশালী সদস্য চেন কুয়ানগুয়োকে ‘ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন’-এর জন্য দায়ী করা হয়েছে।<br>বিলের পক্ষে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছেন, ‘উইঘুর জনগণের ওপর বেইজিংয়ের বর্বর আচরণ বিশ্ব-বিবেকের চূড়ান্ত অবমাননা।’<br>প্রতিনিধি পরিষদে প্রায় সর্বম্মতিতে পাস হওয়ার পর সিনেটেও সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে উইঘুর বিল। ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞায় অনুমোদনের বিষয়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে করোনাভাইরাস ইস্যুতে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় তিনি সহজেই এ বিলের অনুমোদন দেবেন বলে বিশ্বাস তাদের। <br></body></HTML> 2020-05-28 17:35:24 1970-01-01 00:00:00 ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94089 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590664051_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590664051_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">প্রায় দু’মাসেরও বেশি সময় পর দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু হতে যাচ্ছে। আগামী ১ জুন থেকে ফ্লাইট চালু হবে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ সিদ্ধান্ত নেয়। বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে শুধু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট চলবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরেও ফ্লাইট চলাচল চালুর চিন্তা-ভাবনা চলছে।’ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৪ মার্চ থেকে চীন ছাড়া সব দেশে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে বেবিচক। </body></HTML> 2020-05-28 17:06:58 1970-01-01 00:00:00 যমুনায় নৌকাডুবি: ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94088 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663938_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663938_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। and nbsp; বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) শাহীনুর কবির। তিনি জানান, দুপুরের দিকে চৌহালী উপজেলার খাস কাউলিয়া ইউনিয়নের জোতপাড়া এলাকা থেকে এক ব্যক্তির (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সকালে চৌহালী থানাধীন খাস কাউলিয়ার চর ও পয়লার চর এলাকা থেকে তিনজনের এবং এনায়েতপুর থানাধীন স্থলচর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে স্থলচর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার গোবিন্দহ গ্রামের নূর মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে আলম মিয়ার পরিচয় জানা গেছে। অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখনো ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। and nbsp; and nbsp;<br><br>গত ২৬ মে দুপুরে এনায়েতপুর থেকে ৭৩ জন যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা চৌহালী যাওয়ার পথে স্থলচর এলাকায় পৌঁছলে ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে ডুবে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা ৫৭ জন যাত্রীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। সেসময় ঘটনাস্থল থেকে বেলকুচি উপজেলার গয়নাকান্দি গ্রামের পাশান ফকির (৬৫), কলাগাছি গ্রামের শামীম হোসেনের ছেলে নাইমুল ইসলাম (৪), টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার সুবর্ণতলী গ্রামের শেখ কামাল মোল্লার (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। <br>বুধবার (২৭ মে) সকালে জোতপাড়া এলাকা থেকে আজিজল নামে এক যুবক (৩০) ও স্থলচর এলাকা থেকে কৈুজরী গ্রামের আফজাল (৩৮) and nbsp; নামে আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। and nbsp; বুধবার দিনভর ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালায়। বিকেল ৫টার দিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে খাস কাউলিয়া, পয়লা ও স্থলচর এলাকা থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার হয়। দুপুরে জোতপাড়া এলাকা থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে এ নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ জনে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-28 17:04:15 1970-01-01 00:00:00 ছয় কোটি মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94087 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663589_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663589_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সরকার এ পর্যন্ত সারাদেশে সোয়া এক কোটির বেশি পরিবারের ছয় কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের মতো দুর্যোগে সারাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার এ ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। ৬৪ জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৭ মে পর্যন্ত সারাদেশে জিআর চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এক লাখ ৮২ হাজার ৬৭ মেট্রিক টন এবং বিতরণ করা হয়েছে এক লাখ ৬২ হাজার ১৯৩ মেট্রিক টন। এতে উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা এক কোটি ৩৪ লাখ ২৩ হাজার ৫০৪ টি এবং উপকারভোগী লোকসংখ্যা ছয় কোটি তিন লাখ ৭৪ হাজার ৬৮২ জন। নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ১০৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে জি আর নগদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮১ কোটি ৭৩ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং বিতরণ করা হয়েছে ৭১ কোটি ৮১ লাখ ৫৭ হাজার ২৭১ টাকা। এতে উপকারভোগীর পরিবারের সংখ্যা ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩০৪টি এবং উপকারভোগী লোক সংখ্যা তিন কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ৮৫৮ জন। <br>শিশু খাদ্য সহায়ক হিসেবে বরাদ্দ ২২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং এ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ১৮ কোটি আট লাখ ৬৫ হাজার ২২০ টাকা। এতে উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৫৯ হাজার ৭৭৯টি এবং লোকসংখ্যা ১২ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৯ জন। </body></HTML> 2020-05-28 16:58:19 1970-01-01 00:00:00 নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলবে বাস, ট্রেন ও লঞ্চ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94086 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663433_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663433_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত গণপরিবহনগুলো কীভাবে চলবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নির্দেশনা জারি করবে বলে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ওই সময়ে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারে। তবে সব অবস্থায় মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।<br><br>নিষেধাজ্ঞা চলাকালে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলায় ঢোকা এবং বাহিরের পথে চেকপোস্ট থাকবে। জেলাপ্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সর্তকভাবে বাস্তবায়ন করবে বলে আদেশ বলা হয়। এতে আরও বলা হয়, এসব নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে। আগের মতো রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে যেতে পারবে না। তবে প্রয়োজনীয় বেচাকেনা, কর্মস্থলে যাতায়া, ওষুধ কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি কাজ করা যাবে। সব সময়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরতে হবে। মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। and nbsp; and nbsp; <br><br>এছাড়া হাট-বাজার দোকানপাট ও বেচাকেনার সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। শপিংমলে প্রবেশ মুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা সহজ স্যানিটাইজার ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে যাওয়া যানবাহনগুলো জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাট-বাজার, দোকানপাট এবং শপিংমল বিকাল ৪ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। আদেশে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলো (স্থল বন্দর,নদীবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অনান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবা সঙ্গে অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।<br><br>এছাড়া সড়ক ও নৌপথে সব ধরনের পণ্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল) চলাচল করতে পারবে। কৃষি পণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসব কাজে নিয়োজিত কর্মীরা এই নিষেধের বাইরে থাকবেন।<br>আদেশে আরও বলা হয়, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীদের বেলাতেও এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। এছাড়া ওষুধশিল্প, কৃষি ও উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা, রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা খেলা রাখা যাবে। তবে তাদের জন্য নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স বা ডিস্টেন্স লার্নিং চালু রাখা যাবে।<br><br>ব্যাংক চলবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুযায়ী। সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী ও সন্তান সম্ভবা নারীদের কর্মস্থলে আসতে বারণ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না। সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্য সম্মত বিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সব সময়ই মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নিদের্শনা কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে।<br>তবে আগের মতোই কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, গণ জমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে জামাত আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করা যাবে। </body></HTML> 2020-05-28 16:52:57 1970-01-01 00:00:00 দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ২০২৯ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১৫ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94085 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663119_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663119_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে রেকর্ড পরিমাণ মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নতুন শনাক্তের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৯ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ হাজার ৩২১ জনে। এছাড়া এ সময়ের মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫৯ জনে। আর সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।<br><br>তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৯ হাজার ২৬৭ জনের। আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ৩১০ জনের। এতে একদিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর আগে গত ২৫ মে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭৫ জনের দেহে করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়। গত ২৩ মে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৭৩ জনের করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়। গত ২১ মে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। তার আগে ২০ মে শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৬১৭ জনের। এ পর্যন্ত ২ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ জনের করোনা পরীক্ষা করে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪০ হাজার ৩২১ জনে।<br>এছাড়া এই সময়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৫ জন। এর আগে গত ২২ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এর আগে গত ১৮, ১৯ ও ২৫ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২১ জন ও ২২ মে ২২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ৫৫৯ জনের। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন। এ নিয়ে মোট ৮ হাজার ৪২৫ জন সুস্থ হয়েছেন। ব্রিফিংয়ের করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে অধ্যাপক নাসিমা বলেন, তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করবেন। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাবেন ও ফুসফুসের ব্যায়াম করবেন। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এটি ফুসফুসের কার্যকারীতা নষ্ট করে দেয়।<br><br>চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।<br>ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার তথ্যানুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮২ জন। অপরদিকে ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। </body></HTML> 2020-05-28 16:51:24 1970-01-01 00:00:00 ১১টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের আটটির মেয়াদ ছিল না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94084 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663028_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590663028_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের সম্প্রসারিত অংশের ১১টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের মধ্যে আটটির মেয়াদ ছিল না। এছাড়া হাইড্রেন্ট কে চালাবে, কে কাজ করবে, এসব দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট ছিল না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুন লাগা স্থান ঘুরে দেখা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় মূল হাসপাতাল লাগোয়া করোনা চিকিৎসার আসোলেশন ইউনিটে আগুন লাগে। এতে পাঁচজন রোগী নিহত হন। তারা ওই ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন করোনা আক্রান্ত ছিলেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বাকি দুজনের করোনা উপসর্গ ছিল। তবে করোনা হয়েছিল কিনা, তা নিশ্চিত নয়। মেয়র বলেন, ‘ইউনাইটেড হাসপাতালের সম্প্রসারিত অংশে ফায়ার ফাইটার, ফায়ার ড্রিল এবং ফায়ার-টিম ছিল না। ১১টি অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের মধ্যে মাত্র তিনটির মেয়াদ ছিল। অন্য আটটি অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ। হাইড্রেন্ট কে চালাবে, কে কাজ করবে, কার দায়িত্ব, এগুলো সুনির্দিষ্ট করা ছিল না।’ and nbsp; <br><br>আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে মানুষ ভর্তি হয় আরোগ্য লাভ করার জন্য, এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে তারা এখানে অগ্নিদুর্ঘটনায় মারা গেলেন। তিনি সকল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ফায়ার সেফটির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।’ পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারাসহ ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল উপস্থিত ছিলেন। </body></HTML> 2020-05-28 16:48:16 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আরও ৮ জনের করোনা শনাক্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94083 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590651294_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590651294_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী and nbsp; প্রতিনিধি॥</span><br>ফেনীতে নতুন করে দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন সহ আরও ৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোটা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ জন।এছাড়া মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নতুন করে আক্রান্ত হওয়া উপজেলা চেয়ারম্যানসহ দাগনভূঞায় আজ মোট ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া ফেনী সদর উপজেলায় ২ জন ও সোনাগাজী উপজেলায় ১ জন আক্রান্ত।এ নিয়ে জেলায় মোট ৮৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সরকারী-বেসরকারি চাকুরীজীবী সহ পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন।এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৩৭ জন। জেলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪শ ১৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে প্রেরণ করা হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজ থেকে আজ পর্যন্ত ১২ শ ৩১ জনের প্রতিবেদন আসে।এখনো ৮৪ জনের ফলাফল পরিক্ষাগারে প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। </body></HTML> 2020-05-28 13:34:30 1970-01-01 00:00:00 মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পিআরও করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94082 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590649724_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590649724_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মো. ইফতেখার হোসেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাসাতেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) তিনি বলেন, গত কয়েক দিন ধরে জ্বর ছিল। ২৪ মে টেস্ট করিয়ে পরদিন ঈদের দিনই পজিটিভ রেজাল্ট পাই। সাধারণ ছুটিতে যে মন্ত্রণালয়গুলো খোলা রাখা হয়েছে তার মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ও একটি। সাবধানতা অবলম্বন করেই কাজ করছিলেন ইফতেখার।<br> and nbsp;ইফতেখার জানান, তার বাসার বাকি সদস্যদের টেস্ট করানো হয়েছে বুধবার। তবে এখনো রেজাল্ট পাননি। দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন ইফতেখার।<br>এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু একই সঙ্গে করোনা ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তার অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-28 13:08:07 1970-01-01 00:00:00 ৩ মাস ধরে হাসপাতালে মৃত মনিবের অপেক্ষায় কুকুর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94081 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590639255_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590639255_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>কুকুরের প্রভুভক্তির কথা আমরা সবাই জানি। মনিবের জন্য কুকুরের ভালোবাসার অনেক ঘটনাই হরহামেশা চোখে পড়ে। তবে চীনের উহানের এই ঘটনা অনেকটাই আলাদা। মনিবকে কতটা ভালোবাসতো কুকুরটি তা মনিবের মৃত্যুর ৩ মাস পরেও বুঝিয়ে দিল সে। সাত বছর বয়সী কুকুরটির নাম শিয়াও বাও। চীনের একটি হাসপাতালে প্রথমবার তাকে দেখা যায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে। তারপর থেকে তাকে সেখানে প্রায় টানা তিন মাস বসে থাকতে দেখছেন হাসপাতালের কর্মীরা। অনেক চেষ্টা করা হয় তাকে সেখান থেকে সরানোর। কিন্তু সে আবারও এসে বসে থাকে হাসপাতালে ভেতর। কারণ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিলেন তার মনিব। তারপর থেকেই মনিবের ঘরে ফেরার অপেক্ষায় বসে আছে কুকুরটি। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান তাইকাং হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ওই কুকুরটির মনিব। তারপরেই হাসপাতালে উপস্থিত হয় কুকুরটি। অপেক্ষা করতে থাকে কবে ফিরবে তার মনিব। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিন পরেই মারা যান ওই ব্যক্তি। তবে মনিবের মৃত্যুর পরেও তার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে শিয়াও বাও। কিছুদিন পর হাসপাতালের কর্মীরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে দূরে রেখে আসেন। কিন্তু কোনভাবেই তাকে সেখান থেকে দূরে রাখা যায়নি। হাসপাতাল কর্মীরাও তার মনের কষ্ট বুঝতে পেরেছেন। সে কারণে যতটা সম্ভব তার খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রায় তিন মাস ধরে এভাবেই সময় কেটে যাচ্ছে।<br><br>চীনের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। হাসপাতালের কাছের সুপারমার্কেটও খুলে গেছে। এখন সুপারমার্কেট থেকেই তার খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একটি সুপারমার্কেটের মালিক শিয়াও বাওয়ের কাহিনী শুনে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন। তাকে নিজের দোকানে নিয়ে আসেন। পরে শিয়াও বাওকে উহানের একটি ছোট পশু সংরক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশ হতেই তা ভাইরাল হয়ে গেছে। মনিবভক্ত এই কুকুরের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন সবাই। </body></HTML> 2020-05-28 10:13:22 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী মিরপুরে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94080 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590639090_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590639090_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশে করোনা সংক্রমণের হার দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ২৯২ জন। মারা গেছেন ৫৪৪ জন। তবে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকায়-১৪ হাজার ৩৪৮ জন। এর মধ্যে সর্বাধিক রোগী রয়েছে মিরপুর ও সংলগ্ন এলাকায়। তবে রাজধানীর প্রায় সকল এলাকায়ই কিছু না কিছু রোগী রয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার (২৭ মে) সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।<br>রাজধানীর মিরপুর, বংশাল, ধানমন্ডি, চকবাজার, গেন্ডারিয়া, গুলশান, হাজারীবাগ, শাহবাগ, যাত্রাবাড়ী, লালবাগ, মিটফোর্ড, মোহাম্মদপুর, রাজারবাগ, শাখারি বাজার, তেজগাঁও, উত্তরা, ওয়ারি করোনার অন্যতম হটস্পট। এখন পর্যন্ত রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে মিরপুরে (মিরপুর ১, ২, ৬, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, পল্লবী ও পীরেরবাগ)-মোট ৬১৪ জন। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে মহাখালীতে-৩৫৬ জন। মুগদায় ২৯৫ জন, যাত্রাবাড়ী ৩১৫ জন, রাজারবাগে ২১৩ জন, মোহাম্মদপুরে ২৮৮ জন এবং কাকরাইলে শনাক্ত হয়েছেন ২৯৮ জন।<br><br>আদাবরে ৪৬ জন, আঁগারগাওয়ে ৮৫ জন, আজিমপুরে ৬২ জন, বাবু বাজারে ১৬১ জন, বাড্ডায় ১২৯ জন, বনানীতে ৭৪ জন, বংশালে ৯৯ জন, বাসাবোতে ৮৯ জন, বসুন্ধরায় ৫২ জন, ক্যান্টনম্যান্ট এলাকায় ১৭ জন, চাংখারপুলে ৪৫ জন, চকবাজারে ৭৯ জন, ধানমন্ডিতে ১৭২ জন, ইস্কাটনে ৫২ জন, ফার্মগেটে ৪৮ জন, গেন্ডারিয়ায় ১০৯ জন, গ্রীনরোডে ৫০ জন, গুলশানে ৯৪ জন, হাজারীবাগে ৮০ জন, জুরাইনে ৫৩ জন, কল্যাণপুরে ৩৮ জন, চক বাজারে ৭৯ জন, কামরাঙ্গীর চরে ৫৩ জন, খিলগাঁওয়ে ১৫১ জন এবং কোতোয়ালিতে ২৯ জন শনাক্ত হয়েছেন। রাজধানীর লালমাটিয়ায় ৪০ জন, লালবাগে ১৬৪ জন, মালিবাগে ১৩১ জন, মান্ডায় ৩৯ জন, মানিকনগরে ৪৫ জন, মিটফোর্ডে ৪৬ জন, মগবাজারে ২০৫ জন, নারিন্দায় ৪০ জন, নিউমার্কেট এলাকায় ১৪ জন, নাখালপাড়ায় ৩৭ জন, পান্থপথে ৩০ জন, পল্টনে ৫০ জন, পুরানা পল্টনে ২৭ জন, রামপুরায় ৯৫ জন, রমনায় ৬৫ জন, রাজাবাজারে ৩১ জন, শাহজাহানপুরে ৩৯ জন, শাহবাগে ৮৪ জন, শাখারি বাজারে ৩২ জন, শান্তিনগরে ৫৪ জন, শ্যামলীতে ৮৪ জন, স্বামীবাগে ৫৭ জন, সুত্রাপুরে ৪৮ জন, তেজগাঁওয়ে ১৮৪ জন, উত্তরায় ২৩৭ এবং ওয়ারিতে ৯৬ জন করোনা আক্রান্ত রয়েছেন। এছাড়া রাজধানীর বাইরে ঢাকা জেলায় ৬২৬ জন করোনা রোগী রয়েছেন। </body></HTML> 2020-05-28 10:09:08 1970-01-01 00:00:00 কবে আগের মতন কাজ করতে পারমু? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94079 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638825_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638825_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">হারান চন্দ্র শীল। পেশায় নরসুন্দর। মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার উৎরাইল নয়াবাজারে তার দোকান। শিবচরে লকডাউন শুরু হলে অন্যান্যদের মতো বন্ধ রাখতে হয় তার সেলুনও। কিন্তু দৈনন্দিন কাজের ওপর চলা সংসারে সংকট শুরু হয় কয়েকদিন দোকান বন্ধ থাকার পরই। কাজ করতে না পারলে ভাতের ব্যবস্থা হয় না। বাধ্য হয়ে মাঝে মধ্যে চুপেচাপে দোকান খুললেও কাস্টমারের দেখা কালে-ভদ্রে দুই/একজন ছাড়া মেলে না। আটকে যায় দোকান ভাড়া। ঠিকমতো বাজার-সদাই করাও বন্ধ হয়ে যায়।অপেক্ষায় থাকেন কবে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা শুরু হবে মানুষের! মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘শিবচর লকডাউনের পর বাজারের দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে মধ্যে গোপনে দোকান খুলতাম, কিন্তু কাজ ছিল না। করোনা ভাইরাসের কারণে এলাকার বেশির ভাগ মানুষই 'নাপিত' এর দোকানে আসা বন্ধ করে দেয়। প্রথম দিকে কিছুদিন দোকান বন্ধ রেখেছিলাম। কিন্তু ইনকাম না থাকলে তো প্রতিদিনের খাবার জোটানো কষ্ট হয়ে যায়। পরে গোপনে দোকান খুলতাম। ভেবেছিলাম দোকান খুললে কাস্টমার আসবে। কিন্তু ঘটনা উল্টো।'<br><br>তিনি আরো বলেন,'স্থানীয় বাজারে দোকান করি। এলাকার মানুষই আমাদের কাস্টমার। করোনা ভাইরাসের কারণে সাধারন মানুষ সেলুনে আসা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।যুবকদের একটা অংশ মাথা ন্যাড়া করে ফেলেছে। অনেকে ইচ্ছা করেই চুল কাটছে না। আর বর্তমানে বাড়িতে বসেই বেশির ভাগ মানুষ দাড়ি-গোফ কামাচ্ছে। আগে এমনটা ছিল না। সব মিলিয়ে আয়-রোজগার একেবারে কমে গেছে এখন। সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পরেছে।' সাধারন মানুষের সাথে আলাপচারিতায় তারা জানান, করোনা ভাইরাস পরস্পরের মাধ্যমে ছড়ায়। যেটা খুবই চিন্তার বিষয়। নাপিতের দোকানে নানান ধরনের মানুষ আসে। চেনা-অচেনা, বিভিন্ন জায়গার। আর একই কাঁচি, খুর, চিরুনি ব্যবহার করা হয় সবার জন্য। যেটা আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই কারণেই এলাকার সচেতন লোকজন নাপিতের দোকানে আসা প্রায় বন্ধই করে দিয়েছে। বেশির ভাগ মানুষ বাড়িতেই 'সেভ' করছে ইদানিং।'<br><br>এদিকে দোকানপাট বন্ধ রাখার কারনে অনেক 'নাপিত' নিজের বাড়িতে বসেই কাজ করছেন। এলাকার লোকজনদের অনেকে বাড়িতে গিয়ে চুল-দাড়ি কামিয়ে আসছেন। তবে এদের সংখ্যা খুবই কম। কাজ না থাকায় সারাদিনে যতটুকু কাজই আসে আগের চেয়ে কিছুটা বেশি টাকা নিচ্ছেন স্থানীয় নরসুন্দরেরা। জানতে চাইলে হারান চন্দ্র শীল আরো বলেন,'সারাদিনে তো কাস্টমার পাই না। দুই/একজন আসলে আগেই বলে নিই টাকা একটু বেশি দেয়া লাগবে। দেয়ও তারা। ঈদ তো গেল। আবার কি আগের মতোন স্বাভাবিক হবে সব কিছু? ভাই, কবে থেকে আগের মতোন কাজ কাজ করতে পারমু?'<br><br>স্ত্রী-সন্তান নিয়ে পাঁচ জনের সংসার এই নরসুন্দর হারান চন্দ্র শীলের। এর মতো অন্যদের অবস্থাও প্রায় একই রকম। সাহায্য-সহযোগিতাও তেমন একটা পায়নি তারা। স্থানীয় বাজারে সেলুন ব্যবসায় বেশ ভালো ছিলেন । দৈনিক ৫শত থেকে ১ হাজার টাকার মতো আয়-রোজগার ছিল আগে। বেশ ভালোই চলতো সংসার। করোনা ভাইরাস অন্যান্যদের মতো 'নরসুন্দর পেশায়'ও ছন্দপতন ঘটিয়েছে। মানুষের সচেতনতাবোধের কারণে এখন সেলুনমুখী হচ্ছে না বেশির ভাগ সচেতন মানুষ। তাই স্বাভাবিক দিন ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন এই নরসুন্দরেরা। </body></HTML> 2020-05-28 10:05:40 1970-01-01 00:00:00 ধরলা নদীতে বিয়েবাড়ির নৌকাডুবি, বউয়ের বাবাসহ নিখোঁজ ৪ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94078 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638629_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638629_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় ধরলা নদীতে বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে বউয়ের বাবাসহ চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ধরলা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজরা হলেন- কনের বাবা নুরু ইসলাম (৬০) উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই এলাকার বাসিন্দা। একই এলাকার আমেনা খাতুন (৬১), জব্বার আলী (৪৫) ও কমর জামান (৪২)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫০ জন একটি নৌকায় করে বুধবার বিকালে বরের বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে ফেরার পথে ধরলা নদীতে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়েন। এ সময় বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে নৌকায় লোকজন পলিথিন নিয়ে টানাটানি করলে নৌকাটি উল্টে যায়।<br><br>এ সময় অন্যান্য লোকজন সাঁতরে তীরে উঠলেও কনের বাবাসহ চারজনের নিখোঁজ রয়েছেন। এ বিষয়ে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তালেব সরকার জানান, রাতে খবর পেয়ে উলিপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। তবে এর আগেই স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালান। তবে তাদের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।<br><br> </body></HTML> 2020-05-28 10:03:16 1970-01-01 00:00:00 করোনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94077 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638512_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638512_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। মারা যাওয়া কর্মকর্তা রনাম আশরাফ আলী।তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যুগ্ম ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। হাসপাতালের কন্ট্রোল রুম ইনচার্জ ও পিআরও তারিক শিবলী বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।<br>তিনি জানান, আশরাফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন।<br>কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা মারা গেলেন।<br>এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তফসিলি ব্যাংকের ৭ কর্মকর্তা মারা যান। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-28 10:01:22 1970-01-01 00:00:00 কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া রুটে ঢল নেমেছে ঢাকামুখী যাত্রীদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94076 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638274_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638274_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঈদের ছুটি শেষে আবার রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার ঝুঁকি নিয়েই কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুট হয়ে রাজধানীতে ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে করেই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন তারা। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই গত দুই দিনের মতো আজও নৌরুটে ভিড় করেছেন মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌরুটটি লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। ফেরিতে মানা হচ্ছে না কোনো সামাজিক দূরত্ব। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকের মুখে নেই মাস্ক। ফেরিতে নেই করোনা সংক্রমণের নিয়ম মানার বালাই। যে যার মতে করে স্বাভাবিক দিনের মতো করে চলছেন।<br><br>ঘাটের একাধিক সূত্রে জানা যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুট হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। বরিশাল, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকার কারণে বিভিন্ন ছোট যানবাহনে করে যাত্রী কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আসছেন। তবে ঘাট পর্যন্ত আসতে যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে ৫/৭ গুণ বেশি ভাড়া। এই নৌ-রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিগুলো যানবাহন পারাপারের পাশাপাশি যাত্রী পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে। ঘাটের মানুষের যাতায়াত দেখলে মনে হয় না যে, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের চলাচলে আছে কোন বাধা নিষেধ। কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে।<br><br>কাঁঠালবাড়ি ঘাটে বরিশাল থেকে আসা যাত্রী শারমিন জানান, কখনো মোটরসাইকেলে, কখনো পায়ে হেটে, আবার কখনো বা অটোভ্যানে চড়ে এ পর্যন্ত এসেছি। এসকল যানবাহনের চালকরা যার কাছ থেকে যত টাকা চেয়ে নিতে পারছে। তাদের কাছে নিয়মনীতির কোনো বালাই ছিল না। ভাড়া ৬/৭ গুণ পর্যন্ত নেয়া হয়েছে। উপায় না পেলে আসতে হয়েছে। নড়াইল থেকে আসা আবদুল্লাহ মিয়া জানান, রাস্তায় গণপরিবহন বন্ধ। কিভাবে যে আসছি তা বলতেই কষ্ট লাগছে। করোনার ভয়ে আর ঘরে বসে থাকলে কি হবে? গত দুই মাস ঢাকায় তো বসেই ছিলাম। কেউ তো খাবার দেয় নাই। কাজ না করলে কেউ খেতে দিবে না। কাজ না করলে পেটে ভাত জুটবে না। কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ভজন কুমার সাহা জানান, হঠাৎ করে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এজন্য কয়েকটি পন্টুনে পানি উঠে গেছে। এছাড়া নদীতে প্রবল বাতাস থাকায় বন্ধ রয়েছে ডাম্ব ফেরি চলাচল। ফলে ১৭টি ফেরির মধ্যে চলাচল করছে ১২ থেকে ১৪টি ফেরি। </body></HTML> 2020-05-28 09:57:19 1970-01-01 00:00:00 ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুনে পাঁচ করোনা রোগী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94075 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638189_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638189_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আগুনের ঘটনায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। নিহত পাঁচজনই করোনা রোগী বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের ডিউটি অফিসার কামরুল আহসান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিচতলায় চারটি আইসোলেশন কক্ষ ছিল। সামনের কক্ষের রোগীরা বের হতে পারলেও ভেতরে একটি কক্ষে পাঁচজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বুধবার রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে এসি বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে মাত্র দশ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর মধ্যেই করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন পাঁচজন অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।<br><br>নিহত পাঁচজনই করোনা ইউনিটের আইসোলেশন সেন্টারে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তাদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং একজন নারী বলে জানা গেছে। নিহতরা হচ্ছেন মো. মাহবুব (৫০), মো. মনির হোসেন (৭৫), ভারনন এ্যান্থনী পল (৭৪), খোদেজা বেগম (৭০) এবং রিয়াজ উল আলম (৪৫)। এদিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগুনের ঘটনাটি ঘটেছে হাসপাতালের মূল ভবন সংলগ্ন। সেখানে অগ্নিনির্বাপণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। </body></HTML> 2020-05-28 09:56:00 1970-01-01 00:00:00 বিশেষজ্ঞরা এই সময়ে কারফিউ চান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94074 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638093_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590638093_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশে প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও।করোনার এই মহামারীর মধ্যে ঘরে থাকার মেয়াদ আর না বাড়িয়ে আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চলবে। বয়স্ক, অসুস্থ ও সন্তান সম্ভবাদের এ সময় অফিসে আসা যাবে না।করোনা সংক্রমন লাগামহীন ভাবে বাড়তে থাকায় বাংলাদেশ একটি ঘোরতর সংকটের মধ্যে রয়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, সব কিছু খুলে দিলে সর্বনাশের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছবে বাংলাদেশ। আর এ কারনেই তারা মনে করছেন যে এখন এই ছুটি শেষ নয়, আর নতুন করে ছুটিও নয় বরং আগামি সাত থেকে দশদিন কারফ্যু প্রয়োজন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপ কালে অন্তত তিন জন বিশেষজ্ঞ এই মন্তব্য করেন।<br><br><span style="font-weight: bold;">তাদের মন্তব্য গুলো এখানে দেয়া হল:</span><br><br>ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক: সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রি এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক বলেছেন- ছুটি শব্দটির সাথেই আমি একমত নই। আমি মনে করি যে এটাকে লকআপ বলা দরকার বা কারফ্যু বলা দরকার। কারণ আমরা নিয়ম মানিনা এবং ছুটি শুনলে আমরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাই। এর আগে ছুটির জন্য যে সর্ত গুলো দেয়া হয়েছিল সেই একটি সর্ত ও কেউ মানে নাই।<br><br>ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক মনে করেন যে, আমরা নিয়ম মানবো না, এই নিয়ম না মানার কারনেই আমাদেরকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে না হলে আমাদের জন্য ভয়াবহ প্রস্থিতি অপেক্ষা করছে<br><br>তিনি বলেন যে, এই ঈদ এর ছুটিতে যারা বাড়িতে গিয়েছেন হয় তারা সংক্রমিত হয়েছেন না হয় করেছেন কেউ কেউ সংক্রমন নিয়ে ফিরে এসেছেন। তারা আস্তে আস্তে আরও ভয়ংকর প্রস্থিতি তৈরি করবেন। এই কারনেই যে যেখানে আছেন সেখানেই আরও কয়দিন রাখা দরকার। তিনি বলেন যে আমাদের ঢাকার বাহিরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় করোনা চিকিৎসার ন্যুনতম সুযোগ নেই। কারণ তিনি মনে করেন যে, আমরা সবাই জানি যে আমাদের স্থানীয় পর্যায়ের হাসপাতাল গুলোর কি অবস্থা। এখানে অক্সিজেন নেই, আই সি ইউ নেই। ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক মনে করেন যে, যাদের মৃদু সংক্রমন তারা বাসাই হাসপাতালের চেয়ে ভালো চিকিৎসা নিতে পারবে। কিন্তু যখন রোগীর সংখ্যা বাড়বে তখন সংক্রমিত মানুষ এবং জটিল রোগীর সংখ্যাও বাড়বে তখন আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে।<br><br>তিনি বলেন আমাদের কে এখন কঠোর হাতে মানুষের চলাফেরা নিয়ন্ত্রন করতে হবে। না হলে যে পরিস্থিতি হবে, সেই পরিস্থিতি আমরা চিন্তাও করতে পারছিনা।<br><br>সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী: প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মোদাচ্ছের আলী বলেছেন, এখন সব কিছু খুলে দিলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই ভেঙ্গে পড়বে এবং আমরা হার্ড ইম্যুনিটির দিকে যাব। তিনি বলেন যদি এই পরিস্থিতিই চলতে থাকে তাহলে হয়তো পাঁচ কোটি লোক আক্রান্ত হবে এবং কত মানুষ মারা যাবে তা আমরা চিন্তাও করতে পারিনা। এই পরিস্থিতি আমাদের কারো কাম্য নয়। এজন্য অন্তত সাত থেকে দশদিন কারফ্যু দেয়ার প্রস্তাব করেন সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। তিনি বলেন,আমাদের এই অবস্থা চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই আমাদের হেলথ সিস্টেম ফেইল করবে। এবং এর ফলে যে পরিস্থিতি হবে সেটা সবার এ নাগাল এর বাহিরে চলে যাবে এবং আমরা চিন্তাও করতে পারিনা যে কি ভয়ংকর পরিনতি হবে।<br><br>শাহ্ মুনির: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহা পরিচালক শাহ্‌ মুনির মনে করেন যে আরও পনেরো (১৫) দিন অন্তত কঠিন লকডাউন বা কারফ্যু দেয়া উচিত। তিনি বলেন, যেভাবে রাস্তা-ঘাটে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে, ঈদ এর ছুটিতে যেভাবে সবাই ঘর মুখি হয়েছে এই গুলোর খুব নেতিবাচক প্রভাব পড়বে করোনা সংক্রমন আরও নেতিবাচক হবে। এর ফলে আমাদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হয়ে পড়বে। শাহ্‌ মুনির মনে করেন যে, ছুটি শব্দটি দিয়ে কাজ হয়নি এবং আমাদের যে দুই মাস ছুটি সেই ছুটি-টি আসলে অর্থবহ হয়নি। তার চাইতে বরং আমাদেরকে কারফ্যু বা লকডাউন বলতে হবে।<br><br>অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সলান: স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিসধের সভাপতি এবং করোনা সংক্রান্ত কারিগরি পরামর্শ কমিটির অন্যতম সদস্য অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সলান মনে করেন যে ‘ছুটি শব্দটির সাথেই আমি একমত নই। এখন ছুটি শব্দটির অপব্যবহার হয়েছে এবং ছুটিতে সবাই হলিডে মুডে চলে যায় এর ফলেই সব সর্বনাশ হয়েছে’।<br><br>তিনি মনে করেন আগামি কয়েকদিন টাইট লকডাউন করতে হবে এবং সাথে সাথেই অর্থনৈতিক দিকেও সচল করতে হবে। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশকে প্রয়োগ করার উপরে আরও গুরুত্ব আরোপ করেন, and amp;<br><br>ডাঃ ইকবাল আর্সলান বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়া আমরা কোথাও ডিজিটাল কার্যক্রম দেখিনা। অফিস আদালতে যাওয়ার বদলে ডিজিটাল অফিস চালু করতে হবে এবং অন্যান্য দেশগুলো এভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতেই অফিস চালু রেখেছে। অর্থনীতিকে সচল রাখতে হলে কল কারখানা চালু করতে হবে এই কলকারখানা চালু করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিতিমালা ও ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে হবে।<br><br>তিনি বলেন , যেই এলাকা গুলোতে করোনা সংক্রমণ কম সেই এলাকা গুলোতে পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক করে অর্থনীতিকে সচল রাখতে হবে। তিনি মনে করেন যে, সারাদেশে যেভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে এটি এখন নিয়ন্ত্রন করা খুব কঠিন হয়ে যাবে কারণ ঢাকার বাহিরে চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবি দুর্বল।<br><br>প্রসঙ্গদত,দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৫৪৪ জন মৃত্যু হলো করোনাভাইরাসে। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৫৪১ জন। ফলে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ হাজার ২৯২ জনে।<br><br>বুধবার (২৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন পড়েন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।বুলেটিনে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজার ৮৪৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে আট হাজার ১৫টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৫৬টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও এক হাজার ৫৪১ জনের দেহে। </body></HTML> 2020-05-28 09:54:23 1970-01-01 00:00:00 পূর্বপশ্চিমের বার্তা সম্পাদক করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94073 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590637978_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590637978_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">পূর্বপশ্চিমের বার্তা সম্পাদক বিপুল হাসান ( ৪৭) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (২৭ মে) করোনা পরীক্ষায় তার কোভিড-১৯ পজেটিভ এসেছে। সিনিয়র এই সাংবাদিক মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাসায় অবস্থান করে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি বাসায় আইসোলেশনে আছেন। সাংবাদিক বিপুল হাসান জানান, গত কয়েক দিন থেকেই আমার জ্বর। মঙ্গলবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেই। তিনি বলেন, আইইডিসিআর বুধবার এক ই-মেইলে আমাকে জানিয়েছে যে আমার কোভিড-১৯ পজিটিভ। আমি এখন চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছি । জ্বর ও শ্বাস রযেছে।<br><br>সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সাংবাদিক বিপুল হাসান। কর্মীদের করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে পূর্বপশ্চিমের অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘরে থেকে কাজ করছেন কর্মীরা।<br>ধারণা করা হচ্ছে, নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার জন্য নিজ বাসার কাছাকাছি মুদির দোকান কিংবা কাঁচাবাজারে গেলে সেখান থেকে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। পূর্বপশ্চিম এই সাংবাদিক ও তার পরিবারের সব প্রয়োজনে পাশে আছে। </body></HTML> 2020-05-28 09:51:57 1970-01-01 00:00:00 খালেদার উপদেষ্টা আব্দুর রেজ্জাক খান করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94072 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590589052_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590589052_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও তার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান (৮০) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। তিনি বলেন, গত ২০ মে থেকে করোনায় আক্রান্ত অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান। গতকাল মঙ্গলবার তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।<br>উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে ঢাকা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন আব্দুর রেজ্জাক খান। ১৯৬৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়ার এই আইনজীবী সাবেক এডিশনাল অ্যাটর্নি জেনারেল ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। </body></HTML> 2020-05-27 20:16:13 1970-01-01 00:00:00 উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ২ দিনের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94071 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590587292_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590587292_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। তবে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলো পানি দ্রুত বাড়ছে, এতে আগামী দুইদিনের মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে স্বল্প মেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে। বুধবার (২৭ মে) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ‘দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিবেদনে’ এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী সারিগোয়াইনের পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ সেন্টিমিটার বেড়ে সিলেটের সারিঘাটে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।<br><br>বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের গাণিতিক মডেল ভিত্তিক তথ্য মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আগত দক্ষিণমুখী ঝড়ো হাওয়া এবং দেশের উপর দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও কাছাকাছি ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে, যা আগামী ৩০ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বলা হয়, আসাম অঞ্চলের বিভিন্ন অংশে (গোয়াহাটি-তেজপুরে) ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে উত্তরাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা আগামী ২৮ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে, এ সময়ের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর কোথাও বিপৎসীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা নেই। একই সময়ে আসামের বরাক ও মেঘালয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। মেঘালয় অঞ্চলে ২ দিনের ক্রমপুঞ্জিভূত সম্ভাব্য বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১০০-১৫০ মিলিমিটার। এর ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় সারিঘাট, যদুকাটা ও কংস নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।<br><br>বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেন, পরবর্তী সময়ে (আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টা) আসামের বরাক ও ত্রিপুরা অংশে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অংশে তিন দিনের ক্রমপুঞ্জিভূত সম্ভাব্য বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০-২৫০ মিলিমিটার। যার ফলে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার কুশিয়ারা, মনু ও খোয়াই নদীর পানি সমতল উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার কোথাও কোথাও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। </body></HTML> 2020-05-27 19:47:20 1970-01-01 00:00:00 বাড়ছে না ছুটি, বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94070 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590585218_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590585218_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে চলমান সাধারণ ছুটি ৩০ মে'র পর আর বাড়ছে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা হবে অফিস-আদালত। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গণপরিবহন আপাতত বন্ধ থাকবে। বুধবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।<br>জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন কিছুক্ষণ আগে পেয়েছি। আগামীকাল প্রজ্ঞাপন জারি হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে থেকে সরকারি আধা-সরকারি সব অফিস খুলবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করবে। তবে ১৫ জুন পর্যন্ত চলবে না গণপরিবহন, রেল ও যাত্রীবাহী নৌযান। বেসরকারি বিমানগুলো নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচল শুরু করতে পারবে। বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তবে অনলাইনে ক্লাস নেয়া যাবে। ফরহাদ হোসেন জানান, গণজমায়েত ও সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ধর্মীয় উপাসনালয় খোলা থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত পড়ার পর ক্রমে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-27 19:13:05 1970-01-01 00:00:00 করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ২২ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৪১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94069 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590585129_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590585129_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও দু’জন নারী। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যু হলো ৫৪৪ জনের। শনাক্তের বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪২ শতাংশ। and nbsp; নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৪১ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ হাজার ২৯২ জনে। শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২২ শতাংশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।<br>তিনি জানান, ৪৮টি ল্যাবের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৭ হাজার ৮৪৩টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ১৫টি। এ পর্যন্ত মোট পরীক্ষা করা হয়েছে দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৫৬টি। ঢাকায় ২৫টি ও ঢাকার বাইরে ২৩টি ল্যাবে এসব নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।<br><br>তিনি আরও জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৪৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৯২৫ জন। শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২৮১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪ হাজার ৯৯৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৭ জন। এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৩৮০ জন। তিনি আরও বলেন, সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৩ হাজার ২৬৪টি। প্রস্তুত করা হচ্ছে আরও ৭০০ শয্যা। ঢাকার ভেতরে রয়েছে সাত হাজার ২৫০টি। ঢাকা সিটির বাইরে ছয় হাজার ১৪টি শয্যা আছে। আইসিইউ সংখ্যা আছে ৩৯৯টি, ডায়ালাসিস ইউনিট আছে ১০৬টি।<br>২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিইনে এসেছেন ২৭৮৯ জন, ছাড় পেয়েছেন ২০৮২ জন। মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৪০৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিইনে আছেন ৫৬ হাজার ৬৯৬ জন। কোয়ারেন্টিইনে ছিলেন ২ লাখ ৭১ হাজার ১০৪ জন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-27 19:11:39 1970-01-01 00:00:00 নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারী ও শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94068 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584999_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584999_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের পূর্ব রসুলবাগ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারাী ও শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বুধবার (২৭ মে) সকালে প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের খুঁটির তার ছিঁড়ে বসতঘর বিদ্যুতায়িত হয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে- সাড়ে তিন বছরের শিশু হাসান, দশ বছরের শিশু সুমাইয়া ও গৃহবধূ রুবিনা। পুলিশ ও স্থানীয়রা জনান, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে এলাকার বিদ্যুতের সঞ্চালন সংযোগের তার ছিঁড়ে দুইটি টিনের বসতঘর বিদ্যুতায়িত হয়। এসময় বাড়ির বাসিন্দারা ঘর থেকে বেত হতে গিয়ে কেউ দরজায়, কেউ বাড়ির টিনে স্পর্শ করে বিদ্যুতায়িত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরো পাঁচজন। পরে নিকটস্থ ডিপিডিসির ডেমরা বিভাগের বিদ্যুৎ অফিসে খবর দিলে তারা এসে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত করেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, নিহতদের মধ্যে দুই শিশুর লাশ বয়স বিবেচনা করে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের অনুরোধে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে গৃহবধূ রুবিনার লাশ ময়না তদন্তের জন্য সদরের জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-27 19:09:36 1970-01-01 00:00:00 ৪৮ ঘণ্টায় বিষাক্ত মদপানে ১৩ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94067 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584869_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584869_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">রংপুরের পীরগঞ্জ ও দিনাজপুরে বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিষাক্ত মদ ও স্পিরিটপানে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত বিগত ৪৮ ঘণ্টায় ১৩ জন মারা গেছেন। খবর বার্তা সংস্থা বাসসের। পুলিশ ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জানান, সোমবার, মঙ্গলবার এবং আজ বুধবার রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট বাজার এবং দিনাজপুরে বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিষাক্ত মদ এবং রেকটিফাইড স্পিরিট পান করার ফলে তাদের মৃত্যু হয়। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় মুত্যুবরণ করা সাত ব্যক্তি একই উপজেলার শানেররহাট ইউনিয়নের শানেরহাট বাজার এলাকায় প্রায়ই মদপান করে আসছিলেন।<br><br>শানেরহাট বাজারে বিষাক্ত মদ গ্রহণকারী নিহতদের আরও দশজন সহচর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গোপনে নিজেদের বাসা বা অন্যান্য জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। নিহত এই সাতজন হলেন- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), জাহিদুল হক (৩৫), সেলিম মিয়া (৫০), দুলা মিয়া (৫৫), সিরাজুল ইসলাম (৩৫) এবং নওশাদ মিয়া (৫৫) এবং মিঠাপুকুর উপজেলার চন্দন কুমার (৩০)। এছাড়া মঙ্গলবার ও আজ বুধবার বিষাক্ত মদ এবং রেকটিফাইড স্পিরিট পান করার ফলে রংপুরের রংপুর সদর উপজেলার সদর কোতয়ালী থানাধীন চন্দনপাট ইউনিয়নের শ্যামপুর ও পার্শবর্তী এলাকার নুর ইসলাম (৩০), সরোয়ার হোসেন (৩১) ও মোস্তফা কামাল (৩০) মারা গেছেন।<br><br>অপরদিকে, দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার মামুদপুর গ্রামের আব্দুল মতিন (২৭), আজিজুল ইসলাম (৩৩,) এবং আবদুস সাত্তার (৩৭) মঙ্গলবার রাতে বিষাক্ত মদ বা রেকটিফাইড স্পিরিট পান করে মারা যান। পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সারেশ চন্দ্র ও রংপুর সদর কোতোয়ালি থানার ওসি এ বি এম সাজেদুল ইসলাম এবং দিনাজপুরের বিরামপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।<br><br>পীরগঞ্জ উপজেলার শানেররহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মন্টু এবং রংপুরের সদর উপজেলার চন্দনপাট ইউনিয়নের আমেনুর রহমানও নিজ নিজ ইউনিয়নে যথাক্রমে সাত ও তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, এসব এলাকায় সমাজের কিছু পদচ্যুত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও শানেরহাট বাজার ও শ্যামপুর এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে প্রায়ই মদ ও অন্যান্য মাদক সেবন করে থাকেন। রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার জানান, বেআইনিভাবে বিষাক্ত মদ ও রেকটিফাইড স্পিরিট ব্যবসায়ের সাথে জড়িত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসবের উৎ্সস্থল খুঁজে পেতে ঘটনার জোরদার তদন্ত চলছে। </body></HTML> 2020-05-27 19:06:58 1970-01-01 00:00:00 নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে, নিহত ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=94066 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584748_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590584748_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আটজন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে গজারিয়ার দাউদকান্দি সেতুর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- গাইবান্ধা জেলার আব্দুল জব্বারের ছেলে মো. কাফি, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আলম বাদশা ও ইদু মিয়ার ছেলে ইমরান।<br>দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাসির উদ্দিন মজুমদার জানান, আহতদের মধ্যে চারজন গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর বাকি চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাইক্রোবাসের চালক পলাতক। মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।<br>নিহতদের মরদেহ পুলিশের হেফাজতে আছে। নিহত মো. কাফি ও আলম বাদশার বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটায় এবং ইমরানের বাড়ি গাইবান্ধা সদরে। </body></HTML> 2020-05-27 19:05:23 1970-01-01 00:00:00