http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ১৫ টন পচা পেঁয়াজ ময়লার ভাগাড়ে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85494 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921314_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921314_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ পেঁয়াজের দাম যখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তখন চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে প্রায় ১৫ টন পচা পেঁয়াজ ফেলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের মসলা মার্কেট হিসেবে খ্যাত হামিদুল্লাহ মার্কেট, চাঁন মিয়া বাজার এবং মধ্যম চাক্তাই এলাকায় এসব পচা পেঁয়াজ ফেলে যায় আড়তদাররা। আড়তদাররা বলছেন, এসব মিয়ানমার থেকে আনা পেঁয়াজ, পরিবহনের সময় এগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ময়লা ফেলার গাড়িতে করে এসব পেঁয়াজ নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানার আরেফিন নগর এলাকার আর্বজনা ফেলার স্থানে নিয়ে ফেলে। ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক আহমদ ছফা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে হামিদুল্লাহ মার্কেটের ভিতরে ও বাইরে এবং চাঁন মিয়া বাজার ও মধ্যম চাক্তাই এলাকায় পচা পেঁয়াজ ফেলে যায়। “ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে খবর পেয়ে চারটা গাড়িতে করে সেগুলো আরেফিন নগর নিয়ে ফেলে আসি। পচা পেঁয়াজ প্রায় ১৫-১৬টন হবে।”<br>পেঁয়াজ ফেলে দেওয়ার বিষয়ে হামিদুল্লাহ মার্কেট কাঁচামাল আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিচ বলেন, “এসব খারাপ পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে আসছে। সেখান থেকে আনার সময় যেগুলো বোটের (নৌকা) নিচে পড়ে যেগুলো, সেগুলো পচে যায়। “এরকম দুই থেকে তিন ট্রাক হবে। যেগুলো বিক্রি হয়নি, সেগুলো ফেলে দেওয়া হয় রাতে। এরপর আর ফেলা হয়নি।” গত সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার মিয়ানমার থেকে আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। <br>তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের মান নিয়ে তখনও প্রশ্ন তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা। পেঁয়াজের দাম সেপ্টেম্বরে ৩০-৪০ টাকা থেকে দুই মাসে আড়াইশ টাকা ছাড়িয়েছে। সঙ্কট কাটাতে সরকার মিসর, তুরস্ক, চীন থেকে আমদানির উদ্যোগ নিলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। <br>এদিকে বৃহস্পতিবারের পর থেকে খাতুনগঞ্জের আড়তে মিসর ও চীন থেকে আমদানি করা কোনো পেঁয়াজ নেই বলে জানান আড়তদারদের নেতা ইদ্রিচ। তিনি বলেন, “এখন মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আসছে সেটাই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল (শুক্রবার) ১৬৮ টন এসেছিল। আজ দুপুর পর্যন্ত এসেছে ৭০টন।” খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে শনিবার কেজি প্রতি পেঁয়াজ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।<br>“পাইকাররাও এত দামে পেঁয়াজ কিনতে চাইছে না, যে দাম উঠেছে সেটা অবিশ্বাস্য!” বলেন ইদ্রিচ।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:21:00 1970-01-01 00:00:00 দেশ ছেড়েছেন হুইপ সামশুল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85493 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921282_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921282_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই দেশ ছেড়েছেন সংসদে সরকারদলীয় হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচিত চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের এই সাংসদ গতকাল শুক্রবার বিদেশে গেছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। তবে তিনি কোন দেশে গেছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গত সেপ্টেম্বরে আলোচিত ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর চট্টগ্রাম আবাহনীসহ বিভিন্ন ক্লাবে র‌্যাব অভিযান চালায়। এ নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য করেন হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। অভিযানের সমালোচনা করে হুইপ বলেন, ‘চট্টগ্রামে আবাহনীসহ অন্যান্য ক্লাবের কার্ডধারী মেম্বাররা চাঁদা দিয়ে নিজেরাই তাস খেলে। সেই টাকায় ক্লাবের পরিচালন খরচ বহন করা হয়। এভাবে অভিযান চালানো হলে ক্লাবগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। ছেলেপেলেরা ছিনতাই-চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হবে। খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যাবে। এটা তো কাম্য নয়। তাছাড়া সরকার ক্লাবগুলোকে কোনো টাকা দেয় না।’<br>তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করেন খোদ সরকারি দলের নেতারাও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার ঘোষণা দিচ্ছেন, ক্যাসিনোসহ দুর্নীতি-অপকর্মে জড়িত যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা তিনি দলের লোক হলেও।<br>এদিকে হুইপের বক্তব্যের পর সাইফ আমিন নামে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত (যিনি একসময় চট্টগ্রামে কাজ করেছেন) এক পুলিশ পরিদর্শক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন. আবাহনী ক্লাবের জুয়া থেকে পাঁচ বছরে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ১৮০ কোটি আয় করেছেন। তিনি কোন ধরনের জুয়া থেকে কী পরিমাণ আয় হয় তার বিস্তারিত বিবরণও দেন। একইভাবে থানার ওসিরা জুয়ার আসর থেকে কী পরিমাণ টাকা আয় করেন তারও হিসাব তুলে ধরেন ওই পুলিসশ কর্মকর্তা। এটি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয় সর্বত্র।<br>এই সময়ে আরও অনেকের দুর্নীতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর ফলাও হয়। গত ২৩ অক্টোবর হুইপ সামশুল হক, কয়েকজন সংসদ সদস্য ও কাউন্সিলর, প্রকৌশলীসহ ২২ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তাদের দেশত্যাগের বিষয়ে নজর রাখতে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন) বরাবর চিঠি দেয় দুদক। ক্যাসিনোকা-, মানি লন্ডারিং ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে দুদক এই ব্যবস্থা নেয়।<br>চিঠিতে দুদক জানায়, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দেশে মানি লন্ডারিংসহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ আছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তারা দেশ ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে পাওয়া গেছে। তারা যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।<br>এরপর গত ২৮ অক্টোবর হুইপ সামশুল হক চৌধুরীসহ ৫০ জনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেয় দুদক। দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্তদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, টাকার পরিমাণ, কবে কখন কার কার সঙ্গে লেনদেন হয়েছে- এসব তথ্য জানতে চাওয়া হয়।<br>এর ১৮ দিনের মাথায় গতকাল হুইপ দেশ ছাড়েন। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তার দেশত্যাগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে।<br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:21:00 1970-01-01 00:00:00 ইনিংস ব্যবধানে হেরে টেস্ট বিশ্বকাপ শুরু টাইগারদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85492 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921233_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573921233_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া প্রতিবেদক, <br>ইনিংস ও ১৩০ রানে হেরে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করল বাংলাদেশ। ইন্দোরে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে এমন লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করেছে মুমিনুল হকের দল। বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচটি শেষ হয়েছে মাত্র তিনদিনে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। কলকাতার ইডেন গার্ডেনে সিরিজের দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট ম্যাচটি শুরু হবে ২২ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার ম্যাচের প্রথম দিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫০ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। ওইদিনই বিকালে ভারত ব্যাটিংয়ে নেমে ১ উইকেটে ৮৬ রান সংগ্রহ করে দিনের খেলা শেষ করেছিল। পরে শুক্রবার পুরো দিন ব্যাট করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় দিন শেষে বিরাট কোহলিদের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৪৯৩ রান।<br>শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিন ভারত আর ব্যাট করেনি। তারা ইনিংস ঘোষণা করে দেয়ায় বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাট করতে নামে। প্রথম ইনিংস শেষে ৩৪৩ রানের লিডে ছিল ভারত। এই রান সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাট করতে নেমে ২১৩ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছে। টাইগাররা খেলতে পেরেছে ৬৯.২ ওভার।<br>প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে ভারতের পেসারদের তোপের মুখে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। দলীয় ১৬ রানের মধ্যেই ফিরে যান দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও সাদমান ইসলাম। প্রথমে উমেশের বলে বোল্ড হন উমরুল। এরপর ইশান্তর বলে বোল্ড হন সাদমান ইসলাম।<br>ওয়ানডাউনে নেমে অধিনায়ক মুমিনুল হক মাত্র ৭ রান করে ফিরে যান। দলীয় ৩৭ রানে শামির বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। দলীয় ৪৪ রানে শামির বলে আগারওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মিথুন। শামির বাউন্সারে মারতে গিয়ে মিড-উইকেটে ক্যাচ হন তিনি।<br>লাঞ্চ বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৬০ রান। বিরতি থেকে ফিরে দলীয় ৭২ রানে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ। এরপর লিটন দাস ও মুশফিক প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ৬৩ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হন তারা। দলীয় ১৩৫ রানে বোলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন লিটন। তার ব্যক্তিগত সংগ্রহ ৩৫ রান।<br>চা বিরতির সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১৯১। তৃতীয় সেশনের শুরুতে উমেশের বলে বোল্ড হন মিরাজ। মুশফিক ও মিরাজ ৫৯ রানের জুটি গড়েন। মিরাজের সংগ্রহ ৩৮ রান। এরপর ব্যক্তিগত ৬ রান বিদায় নেন তাইজুল। and nbsp;<br>এমন ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও এক প্রান্তে টিকে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। দলীয় ২০৮ রানে পূজারার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান মুশফিকও। দুই ইনিংস মিলিয়ে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। তার সংগ্রহ ৬৪ রান। দলীয় ২১৩ রানে শেষ উইকেটের পতন হয়। অশ্বিনের বলে মারতে গিয়ে ইবাদত হোসেন বল তুলে দিয়েছিলেন আকাশে। সহজ ক্যাচটি ধরে ফেলেন উমেশ যাদব।<br>ভারতীয় বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ শামি ৪টি, উমেশ যাদব ২টি, ইশান্ত শর্মা ১টি ও রবীচন্দ্রন অশ্বিন ৩টি করে উইকেট নেন। ভারতীয় ওপেনার মায়াঙ্গ আগারওয়াল শুক্রবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। ২৪৩ রান করায় ম্যাচসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।<br>সংক্ষিপ্ত স্কোর<br>ফল: ইনিংস ও ১৩০ রানে জয়ী ভারত।<br>বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১৫০ (৫৮.৩ ওভার)<br>(সাদমান ৬, ইমরুল ৬, মুমিনুল ৩৭, মিথুন ১৩, মুশফিক ৪৩, মাহমুদউল্লাহ ১০, লিটন ২১, মিরাজ ০, তাইজুল ১, রাহি ৭*, ইবাদত ২; ইশান্ত ২/২০, উমেশ ২/৪৭, শামি ৩/২৭, অশ্বিন ২/৪৩, জাদেজা ০/১০)।<br>ভারত প্রথম ইনিংস: ৪৯৩/৬ডিক্লেয়ার (১১৪ ওভার)<br>(আগারওয়াল ২৪৩, রোহিত ৬, পূজারা ৫৪, কোহলি ০, রাহানে ৮৬, জাদেজা ৬০*, ঋদ্ধিমান ১২, উমেশ ২৫*; ইবাদত ১/১১৫, রাহি ৪/১০৮, তাইজুল ০/১২০, মিরাজ ১/১২৫, মাহমুদউল্লাহ ০/২৪)।<br>বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস: ২১৩ (৬৯.২ ওভার)<br>(সাদমান ৬, ইমরুল ৬, মুমিনুল ৭, মিথুন ১৮, মুশফিক ৬৪, মাহমুদউল্লাহ ১৫, লিটন ৩৫, মিরাজ ৩৮, তাইজুল ৬, রাহি ৪*, ইবাদত ১; ইশান্ত ১/৩১, উমেশ ২/৫১, শামি ৪/৩১, রবীন্দ্র জাদেজা ০/৪৭, অশ্বিন ৩/৪২)।<br>ম্যাচ সেরা: মায়াঙ্ক আগারওয়াল (ভারত)।<br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:20:00 1970-01-01 00:00:00 স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল, সম্পাদক বাবু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85491 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920348_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920348_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে। সভাপতি হয়েছেন নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আফজালুর রহমান বাবু।<br>শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সংগঠনটির জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।<br>এর আগে সভাপতি পদে ছয়জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১২ জনের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করা হয়। পরে প্রার্থীরা যেন নিজেদের মাঝে সমঝোতা করতে পারেন সেজন্য ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। সমঝোতা না হওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শক্রমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।<br>গত ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সম্মেলনে সভাপতি পদে ১৪ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ২৮ জনের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করা হয়।<br>নির্মল রঞ্জন গুহ ও আফজালুর রহমান বাবু স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।<br>স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পরপর সম্মেলন করার কথা থাকলেও গত ২৫ বছরে হয়েছে মাত্র দুটি। সবশেষ ২০১২ সালে হয় দ্বিতীয় কমিটি। ওই সম্মেলনে সভাপতি করা হয় মোল্লা মো. আবু কাওছার এবং সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথকে। সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হলো সংগঠনটির তৃতীয় সম্মেলন।<br>ঢাকার দুই মহানগরেও নতুন নেতৃত্ব<br>এদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন কামরুল হাসান রিপন। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন তারেক সাঈদ।<br>গত ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সম্মেলনে সভাপতি পদে ১১ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৮ জনের নাম প্রস্তাব ও সমর্থন করা হয়।<br>ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে ইসহাক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আনিসুর রহমান নাঈম দায়িত্ব পেয়েছেন।<br>কমিটি ঘোষণার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য রিয়াজুল কবির কাওছার প্রমুখ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:05:00 1970-01-01 00:00:00 নড়বড়ে অলির এলডিপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85490 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920319_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920319_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>বড় দল বিএনপি ছেড়ে এসে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কর্নেল অলি আহমদ। তার সঙ্গে ছিলেন একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তবে অল্পদিনেই দল ছেড়ে বেরিয়ে যান বি চৌধুরী। এরপর এলডিপি পরিচিতি পায় কর্নেল অলির দল হিসেবে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে থেকে শুরু হয় একে একে নেতাদের চলে যাওয়া। সবশেষ দল ছেড়েছেন শীর্ষ পর্যায়ের তিনজন প্রেসিডিয়াম সদস্য। আর দল পুনর্গঠন ইস্যুতে বিবাদের জেরে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।<br>এলডিপির দায়িত্বশীল দুজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করা এলডিপি এমন নড়বড়ে পরিস্থিতিতে আর পড়েনি। আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। দলের আরও অনেকেই অলি আহমদকে ছেড়ে যেতে পারেন বলে আভাস দিয়েছেন তারা।<br>গত জুনে এলডিপি ছেড়েছেন আব্দুল করিম আব্বাসী, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ ও সাবেক আব্দুল গণি। সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম না থাকা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না দেওয়া ও রাজনৈতিকভাবে মূল্যায়ন না করার অভিযোগে তার পদত্যাগ করেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এলডিপি ছেড়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক হুইপ আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান।<br>দলের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতে অনীহা অলি আহমদের। যদিও দলের মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদের দাবি এমন সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। <br> and nbsp;এলডিপি মহাসচিব বলেন, ‘দলে যারা নিষ্ক্রিয় তাদের পদ পদবি দেয়ার ক্ষেত্রে এবার একধরনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে অনুযায়ী দল পুনর্গঠনে কেউ কেউ বাদ পড়েছেন। তবে এতে দলে ভাঙনের কিছু নেই।’<br>২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারার সঙ্গে বিএনপির তৎকালিক স্থায়ী কমিটির সদস্য কর্নেল অলি আহমদ ও বিএনপির একাধিক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যকে নিয়ে এলডিপি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ২০০৭ সালে আদর্শগত কারণে বিকল্প ধারা এলডিপি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে অলি আহমদের নেতৃত্বে চলছে দলটি।<br>বিএনপি জোটের অন্যতম শরিক এই দলটি নির্বাচনের সময় বিএনপির সঙ্গে দরকষাকষি করে এবং বিএনপির কড়া সমালোচনা করে আলোচনায় থেকেছে। অবশ্য বিএনপি নেতারাও মাঝে মাঝে অলি আহমদের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। সব শেষ জাতীয় নির্বাচনেও আসন ভাগাভাগি নিয়ে শরিকদলগুলোর মধ্যে জামায়াতের পর এলডিপির সঙ্গে বেশি ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়েছে বিএনপিকে।<br>এর মধ্যে জাতীয় মঞ্চ করে আলোচনায় আসেন অলি আহমদ। যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা জামায়াত নেতাদের সামনের সারিতে অবস্থান করার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। বিষয়টি বিএনপির পাশাপাশি এলডিপির অনেকে ভালোভাবে নেননি।<br>দলটির নেতাদের অভিযোগ, নিজে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হয়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পাশে বসিয়ে যেভাবে জামায়াতের পক্ষে কথা বলছেন তা এলডিপির আদর্শের পরিপন্থি। আর খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিএনপি ও জোটের কর্ম পরিকল্পনার বাইরে গিয়ে নতুন মঞ্চ করা শোভনীয় হয়নি। তবে এ নিয়ে কেউ দলটির শীর্ষ নেতাদের প্রশ্ন করার সাহস করেননি।<br>জানা গেছে, এরই মধ্যে হঠাৎ করে দল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন অলি আহমদ। সেখানে শাহাদাত হোসেন সেলিমসহ বেশ কয়েকজনের বিষয়ে আপত্তি তোলেন অলি। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা দলে নিষ্ক্রিয়। নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত।<br>গত শনিবার এলডিপি থেকে পাঠানো বিজ্ঞপিতে দল পুনর্গঠনের কথা জানানো হয়। এতে এলডিপির মহাসচিব হন রেদোয়ান আহমেদ। আর ১৭ জন সভাপতিমণ্ডলী, ২১ জন সহসভাপতি, ২১ জন উপদেষ্টামণ্ডলী, সাতজন যুগ্ম মহাসচিব, কোষাধ্যক্ষ, সম্পাদকীয়, সহ-সম্পাদকীয়সহ ১২৬ সদস্যের নির্বাহী সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়। যাতে সেলিমসহ আরও বেশ কয়েকজনকে রাখা হয়নি।<br>যদিও সেলিমের দাবি, ‘দলের নীতি বহির্ভূত একক সিদ্ধান্ত নেয়া, আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা বেশি হওয়ায় অলি আহমদের সঙ্গে রাজনীতি করা সম্ভব নয়। তাই কিছুদিন আগেই নিজে থেকে এলডিপি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আর সেখানে ফেরার সম্ভাবনা নেই।’<br>যদিও এ নিয়ে পাল্টা বক্তব্য আছে এলডিপি মহাসচিবের। তিনি বলেন, ‘যাদের রাখা হয়নি তাদের তো দল থেকে বহিষ্কার করা হয়নি, বাদও দেয়া হয়নি। পদে রাখা হয়নি ঠিক, কিন্তু তারা এলপিডির সঙ্গে আছেন।’<br>দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এলডিপি বলতে অলি, রেদওয়ান ও সেলিম এই তিনজনকেই সবাই চিনেন। সেখানে সেলিমকে পদে না রাখা নিয়ে দলের নেতাদের মধ্যেও নানা কানাঘুষা শুরু হওয়ায় তাকে আরও বড় পদে দেয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়া হচ্ছে।<br>সেলিম বলেন, ‘এলডিপিতে আর ফেরার সুযোগ নেই। বলতে পারেন ১৩ বছরের সম্পর্ক শেষ। দলটির নামকরণ থেকে শুরু করে সব প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। নেতাকর্মীরা অনেকেই যোগাযোগ করছেন। আলাপ-আলোচনা করে সামনে কি করণীয় হবে সেটা সবাইকে জানাব।’<br>তবে এলডিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি বিএনপিতে ফিরতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। অলি আহমদকে ছেড়ে গেছেন এমন নেতারাও এই প্রক্রিয়ায় থাকতে পারেন।<br>সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে অলি আহমদের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দল নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। <br> and nbsp;তিনি বলেন, ‘টেলিফোনে আপনিও আমাকে দেখেন না, আমিও আপনাকে দেখি না। কিভাবে কথা বলব? আপনি বাসায় আসেন কথা বলব।’<br>দল পুনর্গঠন নিয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা কোনো জরুরি বিষয় না। আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।’<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:05:00 1970-01-01 00:00:00 প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85489 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920286_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920286_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ দেশজুড়ে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। পরীক্ষা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এবার মোট পরীক্ষার্থী ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮। এর মধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ এবং ইবতেদায়ি সমাপনীতে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে। পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সাত হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে সাত হাজার ৪৫৮টি এবং আট দেশে ১২টি (সৌদি আরবে চার, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুই, বাহরাইনে এক, ওমানে এক, কুয়েতে এক, লিবিয়ায় এক, গ্রিসে এক, কাতারে এক) কেন্দ্র থাকবে। <br>দেশের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১৫, এর মধ্যে ছাত্র ২৮৯ ও ছাত্রী ৩২৬ জন। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:04:00 1970-01-01 00:00:00 মঙ্গলবার বিমানে আসছে পেঁয়াজের প্রথম চালান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85488 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920217_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920217_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>পেঁয়াজ নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি সামলাতে আগামী মঙ্গলবার কার্গো বিমানে করে আমদানি করা পেঁয়াজের প্রথম চালান দেশে আসছে বলে জানিয়েছে সরকার।<br>শনিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য খালাসের পরপরই তা বাজারে ছাড়া হবে। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পর থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণে নানামুখী উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানে করে এই খাদ্যপণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।<br>বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কার্গো বিমানে পেঁয়াজের প্রথম চালান আসবে মিসর থেকে। পেঁয়াজের এই চালান নিয়ে আসছে এস আলম গ্রুপ। পর্যায়ক্রমে অন্য আমদানিকারকদের পেঁয়াজও কার্গো বিমানে আসবে।<br>শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বিমানে করে পেঁয়াজ আনা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে।<br>ঢাকার বাজারগুলোতে বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারগুলোতে ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২২০ টাকা থেকে ২৩০ টাকায়, মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা থেকে ১৯০ টাকায়, আর মিসর-তুরস্কের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা থেকে ১৭০ টাকায়।<br>এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, অর্থ ছাড়ে বিলম্বের কারণে যেন পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো সমস্যা তৈরি না হয়, সেজন্য পেঁয়াজ আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যখন যে পরিমাণ টাকা চাইবে, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সেই অর্থ ছাড় করা হবে।<br>সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। আর সেই অবস্থার সেসময় থেকে ক্রমেই লাগামহীন হয়ে চলেছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:03:00 1970-01-01 00:00:00 আনসার আল ইসলামের ৬ জঙ্গি আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85487 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920189_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920189_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ ‘লোন উলফ অ্যাটাক’ বা আকস্মিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকায় একত্রিত হয়েছিল চার জঙ্গি। কারণ তারা দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে না। এজন্য তারা কথিত ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। শুক্রবার রাতে রাজধানীর উত্তরা, গাজীপুর ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪)। উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন উগ্রবাদী বই-লিফলেট, উগ্রবাদী ডিজিটাল কনটেন্ট, মোবাইল ও ল্যাপটপ।<br>গ্রেপ্তার চারজন হলেন- শফিকুল ইসলাম সাগর ওরফে সালমান মুক্তাদির, ইলিয়াস হাওলাদার খাত্তাব, ইকরামুল ইসলাম আমীর হামজা, আমীর হোসাইন তাওহীদি জনতার আর্তনাদ, শিপন মীর আব্দুর রব ও ওয়ালিউল্লাহ ওরফে আব্দুর রহমান।<br>শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে গ্রেপ্তার জঙ্গিদের নিয়ে কথা বলেন র‌্যাব-৪-এর অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিরা দেশে কথিত ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বাতিল চায়। তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে আক্রমণের মাধ্যমে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এসব আক্রমণে আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে তারা চাপাতি ব্যবহার করে। সংগঠনের ভাষায় আকস্মিক আক্রমণকে ‘লোন উলফ অ্যাটাক’ বলে থাকে। জঙ্গি সংগঠনটি কোনো নাশকতার পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, গোপনীয় তথ্য সরবরাহ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সরাসরি দেখা সাক্ষাৎ করে থাকে। সম্প্রতি and nbsp; ‘লোন উলফ অ্যাটাক’ পরিকল্পনার জন্য জঙ্গিরা উত্তরায় মিলিত হওয়ার চেষ্টা করছিল।’<br>যেভাবে জঙ্গিবাদে<br>র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, শফিকুল ইসলাম সাগর ওরফে সালমান মুক্তাদির ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পঞ্চম বর্ষের ছাত্র। ইলিয়াস হাওলাদার নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অ্যাপসের মাধ্যমে আনসার আল ইসলাম দল সম্পর্কে প্রথমে জানতে পারে। পরে তাদের কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে দলে যোগ দেয়। প্রায় দুই বছর যাবত এ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।<br>গ্রেপ্তার ইলিয়াস হাওলাদারের সাংগঠনিক নাম খাত্তাব। তিনি পরিবহনের চালক। অনলাইনে খাত্তাব ছদ্মনাম ব্যবহার করে জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ছাত্রজীবনে হরকাতুল জিহাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হরকাতুল জিহাদ নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে তিনি তার সক্রিয়তা কমিয়ে দেন, কিন্তু সবসময় সশস্ত্র উগ্রবাদে অংশগ্রহণে আগ্রহী ছিলেন।<br>ইকরামুল ইসলামের সাংগঠনিক নাম মুত্তাকিন ওরফে আমীর হামজা ওরফে সালাউদ্দিন আইয়ুবী। তার বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবন সংলগ্ন চকবারা এলাকায়। and nbsp; প্রায় তিন বছর ধরে এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। একটি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ারে জেনারেটর পরিচালনা কাজে চাকরি করেন। আমীর হোসাইনের নামে এক জঙ্গি তাকে সংগঠনে ভেড়ায়। অনলাইনে তার সঙ্গে বিভিন্ন জঙ্গির পরিচয় হয়। আমীর হামজা জঙ্গি সংগঠনের বিভিন্নভাবে আর্থিক সহায়তা করে আসছিলেন।<br>আরেক জঙ্গি আমীর হোসাইনের সাংগঠনিক নাম সুলতান মাহমুদ ওরফে রাজা। তার বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর। স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে হাফেজি শেষ করে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে। পরে অনলাইনে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করে। আনসার আল-ইসলামের বিভিন্ন ভিডিও, বইপত্র, মোবাইল অ্যাপস সংগ্রহ করত এবং সংগঠন পরিচালনা ও ব্যয় বহনের জন্য প্রতিমাসে চাঁদা দিয়ে আসছিল। তিনি ছয়টি উগ্রবাদী ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন।<br>গ্রেপ্তার জঙ্গি শিপন মীরের সাংগঠনিক নাম আব্দুর রউফ। তিনি চালক হিসেবে কর্মরত। অ্যাপসের মাধ্যমে আনসার আল ইসলাম দল সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে এবং তাদের কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে দলে যোগ দেন।<br>ওয়ালি উল্লাহর সাংগঠনিক নাম আব্দুর রহমান। সুত্রাপুরের একটি মাদ্রাসা থেকে দাওরা হাদিস পাস করে শিক্ষকতা শুরু করেন। ২০১৬ সালে সুত্রাপুরে মাদ্রাসায় থাকাকালে আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে আনসার আল ইসলাম দল সম্পর্কে জানতে পারেন এবং তাদের হয়ে কাজ শুরু করেন। চার বছর তিনি সংগঠনের ঢাকা দক্ষিণ বিভাগের অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে আছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:03:00 1970-01-01 00:00:00 জাপানের বড় বিনিয়োগ আসছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85486 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920157_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920157_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ট্যাক্স জটিলতা ও বাংলাদেশে ব্যবসার পরিবেশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতোর নেতৃত্বে দেশটির একটি প্রতিনিধি দল। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বেলা ১১টা থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে এ বৈঠক চলে।<br>দুপুর আড়াইটার দিকে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত জাপানি কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আসার ইঙ্গিত দেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জাপানিদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। সেটার কার্যক্রম নির্ধারিত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে সেটা সম্পর্কে নির্দেশনা আমরা মাঝে মাঝেই পাই। এটা অগ্রাধিকার প্রকল্প। আমরা আশা করছি, আড়াইহাজারের অর্থনৈতিক অঞ্চলে জাপানিদের কাছ থেকে বড় বিনিয়োগ আসছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেক বড় আকারের বিনিয়োগ জাপানের কাছ থেকে প্রত্যাশা করি। জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, আমাদের সব অবকাঠামো ঠিক আছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও প্রো-অ্যাক্টিভলি কাজ করছেন। জাপানের বিনিয়োগ এ দেশে বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার জাপান সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমি আশা করি, প্রত্যাশিতভাবে আগামীতে এ দেশে জাপানের বিনিয়োগ বাড়বে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশে আসবেন কিংবা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন জাপানে যাবেন, কী পরিমাণ বিনিয়োগ হবে তখন তা নির্ধারিত হবে।’<br>জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে যে ট্যাক্স-সংক্রান্ত সমস্যায় পড়েছে, তা সমাধানে এ সময় আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী।<br>রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যে সুবিধা দিতে যাচ্ছে, তাতে এ দেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কি-না, জানতে চাইলে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন হলে জাপানি কোম্পানিগুলো ভালো ব্যবসায়িক পরিবেশ পাবে। সব বিদেশি কোম্পানিই এ সুবিধা পাবে। এতে জাপানি কোম্পানিসহ সব বিদেশি কোম্পানি তাদের ব্যবসা বাংলাদেশে সম্প্রসারিত করবে, বাংলাদেশের রফতানি আয় ও রাজস্ব আদায়ও বাড়বে। একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে।’<br>তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের উদ্দেশ্য এক যে, কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা যায়, কীভাবে ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা যায়।’ আজকের এ আলোচনা থেকে ইতিবাচক ফল পাব- আশা প্রকাশ করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।<br>অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় ভ্যাট ও রয়ালিটি নিয়ে তাদের অভিযোগ আছে। এগুলো সময় মতো তারা অনেক জায়গায় ক্লেইম (অভিযোগ) করেননি। সময়মতো ক্লেইম না করায় এগুলো ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। এনবিআরের চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেছেন, তাদের নিয়ে আরেক দিন বসলেই বিষয়গুলো সুরাহা হয়ে যাবে।’<br>‘এছাড়া গুরুতর যেসব সমস্যা আছে, সেগুলোও প্রসিডিউরাল (প্রক্রিয়াগত)। এতে আইনি কোনো জটিলতা নাই’ বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। বলেন, ‘যেহেতু আইনি জটিলতা নাই, আমাদের জায়গা থেকে সেগুলো সমাধান করতে পারব। এখান থেকে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী দিনগুলোতে যেন একই রকম সমস্যা না হয়, সেগুলো আমরা যতটা সম্ভব চিহ্নিত করতে পেরেছি।’<br>এছাড়া জাপানিদের অন্য প্রকল্পগুলোতেও যেসব ছোটখাটো সমস্যা আছে, সেখানে তাদের করণীয় ও আমাদের করণীয় কী এবং সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়, সেজন্য আজ বসেছিলাম- যোগ করেন তিনি। বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে যে প্রকল্পগুলো আছে, সবগুলোই সুন্দরভাবে চলছে। কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, যে সময় নির্দিষ্ট আছে, সেই সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। মাতারবাড়ি, মেট্রোরেলসহ সব প্রকল্পেই তারা সন্তুষ্ট।’<br>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল ও মনিরুজ্জামান।<br>এছাড়া বৈঠকে জাপান কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা, সুমিতোমো করপোরেশন, মেরুবেনি ও অন্যান্য কোম্পানি, নিপ্পন সিগন্যাল, টেকেন, মাতারবাড়ি প্রকল্প, ওমেরা গ্যাস ওয়ান, জেট্রো, মারুহিসা, ক্যাট গার্মেন্টের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:02:00 1970-01-01 00:00:00 মন্ত্রীকে ডিঙ্গিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি, স্থগিত করলো কেন্দ্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85485 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920122_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920122_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার ৩ দিনের মাথায় সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। নবগঠিত জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক প্রমাণিত হয়েছে জানিয়ে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টার্চায এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সেই সাথে অভিযোগ তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রে জমা করতে বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এদিকে জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের সংবাদ শুনে জুড়ী শহরে আনন্দ মিছিল করে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা। জানা যায়, বুধবার ( ১৩ নভেম্বর) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমীরুল হোসেন চৌধুরী আমীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এক বছরের জন্য ফয়ছল আহমদ সভাপতি ও সাহাব উদ্দিন সাবেলকে সাধারণ সম্পাদক করে জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।<br>কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আহমদের বিপত্তি বাদে। নানা অভিযোগ উঠে জুড়ী ছাত্রলীগের কমিটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি কেন্দ্র অবধি গড়ায়। একটি সূত্র নিশ্চিত করে জানায়, জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির জন্য মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সাংসদ এবং পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আহমদ, জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ একটি তালিকা জেলা ছাত্রলীগের কমিটির কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু মন্ত্রী এবং উপজেলা আ.লীগের পাঠানো তালিকা ডিঙ্গিয়ে কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। মন্ত্রীর পাঠানো তালিকায় ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলকে সাধারণ সম্পাদক চাওয়া হয়। কিন্তু জেলা ছাত্রলীগ ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের নাম বাদ দিয়ে সাহাব উদ্দিন সাবেলকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে। আর এ কারণে আপত্তি জানান মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।<br>জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাহাব উদ্দিন সাবেল মুঠোফোনে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কে বা কারা কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়েছে। আমরা আজ শোডাউন দিয়ে এলাকায় এসেছি। পরে ফেসবুকে দেখি কমিটি স্থগিত। এক প্রসঙ্গে এ ছাত্রলীগ নেতা বলেন, নাম নিয়ে একটি দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। তবে জেলা ছাত্রলীগ আমাদের যোগ্য বলেই কমিটিতে স্থান দিয়েছে। জুড়ী উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ বলেন, হয়ত মন্ত্রী মহোদয় কমিটি স্থগিত করাতে পারেন। কেননা ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম রয়েছে। আমাদের পাঠানো তালিকায় তাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু জেলা ছাত্রলীগ ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের নাম বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণা করে।<br>কমিটি স্থগিত প্রসঙ্গে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, কোন কারণে কমিটি স্থগিত করা হয়েছে আমরা জানি না তবে স্থগিতের বিষয়টি আমরা জেনেছি। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মন্ত্রীর দেওয়া তালিকায় ‘জামায়াত ও চাঁদাবাজির’ সম্পৃক্ততা রয়েছে। সেজন্য তাকে বাদ দিয়েছি। তবে মন্ত্রী মহোদয়ের পাঠানো তালিকার ভেতর থেকেই কমিটি দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৩ এপ্রিল জুড়ী উপজেলা ও কলেজ শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তৎকালীন জেলা সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান রনি উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির নাম ঘোষণা ছাড়াই সম্মেলনের সমাপ্তি হয়। এরপর থেকে দীর্ঘ ১৯ মাস পর গত ১৩ নভেম্বর কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার ৩ দিনের মাথায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়।<br>এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) লেখক ভট্টাচার্য বলেন, কমিটি অনুমোদনের আগে আমাদের অবগত করা হয়নি। এমন কি কমিটিতে যাদের দেওয়া হয়েছে তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত অনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণসহ আমাদের কাছে এসেছে। সেই আলোকেই স্থগিত করা হয়েছে এবং কালই তদন্ত শুরু হবে। <br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:02:00 1970-01-01 00:00:00 চুয়াডাঙ্গায় পেঁয়াজের আড়তে অবরুদ্ধ ম্যাজিস্ট্রেট, ২ সাংবাদিক আহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85484 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920083_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920083_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি <br>অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রির অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার পাইকারি আড়তে অভিযানে গিয়ে ব্যবসায়ীদের হাতে অবরুদ্ধ হয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক ম্যাজিস্ট্রেট।<br>এসময় ছবি তুলতে গিয়ে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় দুই সাংবাদিক।<br>আহতরা হলেন- এসএম শাফায়েত ও তৌহিদুর রহমান তপু। শনিবার দুপুরে শহরের নিচের বাজারের পাইকারি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার খুচরা ও পাইকারি বাজারে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রির সংবাদ পেয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এডিসি সিব্বির আহমেদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন শনিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।<br>এসময় বড় বাজারের (নিচের বাজার) আড়ত পট্টির নাফিসা বাণিজ্যালয়কে ২০ হাজার টাকা এবং জাহাঙ্গীর বাণিজ্যালয়কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।<br>এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করেন। অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন। লাঞ্ছিত করেন দুই পুলিশ সদস্যকে।<br>এসময় ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা করেন তারা। এতে স্থানীয় দুজন সাংবাদিক আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।<br>পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ ও সাংবাদিকদের উদ্ধার করে।<br>মারধরের শিকার শাফায়েত জানান, অভিযানের খবর পেয়ে তিনিসহ দুজন সংবাদ সংগ্রহে যান। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে ঘেরাও করে রাখার ছবি তুলতে গেলে তাকে এবং তৌহিদুর রহমান তপু নামের আরেক সাংবাদিকে মারধর করে ব্যবসায়ীরা। ভেঙে ফেলে তার ব্যবহৃত একটি স্মার্টফোন।<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এডিসি) সিব্বির আহমেদ জানান, অভিযান চলাকালে অতিরিক্ত মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রির যথাযথ প্রমাণ ও মূল্য তালিকা না টানিয়ে ইচ্ছামতো পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।<br>এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার জানান, বাজার মনিটরিং করার সময় ব্যবসায়ীরা যে ঘটনা ঘটিয়েছে তা ন্যক্কারজনক। অবশ্যই এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে আমি এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:01:00 1970-01-01 00:00:00 ২১ নভেম্বর ঢাকা সেনানিবাসে যান চলাচল সীমিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85483 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920058_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920058_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামী ২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ঢাকা সেনানিবাসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। এদিন ঢাকা সেনানিবাসের রাস্তাসমূহ (শহীদ জাহাঙ্গীর গেট থেকে স্টাফ রোড পর্যন্ত প্রধান সড়ক) যানজট মুক্ত রাখার লক্ষ্যে সেনানিবাসে অবস্থানকারী ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের বহনকারী যানবাহন ব্যতীত সবধরনের যানবাহন চালকদের সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এবং দুপুর ১২ থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেনানিবাস এলাকা দিয়ে চলাচল পরিহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।<br>শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে সেনানিবাসের মধ্য দিয়ে যানবাহন চলাচলে সাময়িক অসুবিধার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ হতে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়।<br>সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের বৈকালীন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত কর্মকর্তাগণকে বিকাল ৩টার মধ্যে এবং অন্যান্য অতিথিগণকে বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-11-17 22:01:00 1970-01-01 00:00:00 পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিন, সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85482 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920032_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920032_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, পেঁয়াজের লাগামহীন দাম বাড়ার সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সরকার জড়িত। এর ফলে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিষয়ে কিছু করা যাচ্ছে না। তবে জনগণ ইচ্ছে করলে লাগাম টানতে পারেন। পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে, তাহলেই সিন্ডিকেট ভেঙে যাবে।<br>শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।<br>বিএনপি রাজপথে যাওয়ার সাহস হারিয়ে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন গয়েশ্বর। তিনি বলেন, 'রাজপথ বিএনপির অচেনা হয়ে গেছে, রাজপথে যাওয়ার সাহস হারিয়ে ফেলেছে, জনগণকে সন্তুষ্ট করতে ঘরোয়া কর্মসূচি পালন করছে। সচেতনভাবে রাজনীতি মোকাবিলা করলে খালেদা জিয়াকে জেলে যেতে হতো না।' এ সময় ন এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ার সঙ্গে সরকারের লোকেরা জড়িত, এজন্য এর লাগাম টানা যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের লোকেরা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।<br>তবে সরকারের জন্য খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা অনিবার্য ছিল। কেননা তাকে জেলে না রাখলে আওয়ামী লীগ ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ তারিখ রাতে দেয়ার সাহস পেতো না। এক্ষেত্রে তারা নানা চক্রান্তের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে জেলে রেখেছে।<br>দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, কোনো পরিবর্তনই প্রস্তুতি নিয়ে হয় না। মুক্তিযুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে হয় নাই, ৭ নভেম্বর প্রস্তুতি নিয়ে হয় নাই। তাই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে রাজপথে নামতে হবে। এজন্য আগে থেকে কোনো প্রস্তুতির দরকার হবে না।<br>জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, জাতীয় ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সদস্য আবদুর রহিম।<br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় জাতীয় পার্টির সভায় সংঘর্ষ, সাবেক এমপিসহ আহত ১০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85481 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920001_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/16/1573920001_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কুমিল্লা প্রতিনিধি॥<br>কুমিল্লায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য দেয়াকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হোসেনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।<br>শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।<br>জানা গেছে, আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি কুমিল্লা দক্ষিন জেলা, কুমিল্লা উত্তর জেলা ও মহানগর এর সাংগঠনিক সভা চলছিলো। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস. এম ফয়সাল চিশতী, বিরোধীদলীয় হুইপ অধ্যাপক রওশন আরা মান্নান এমপিসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন নেতা।<br>সভা চলাকালীন সময়ে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি সালামত উল্লাহ এর সাথে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কবিরের বাক-বিতন্ডা হলে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মঞ্চে বক্তব্য দিতে গেলে মাখন সরকার মাইক কেরে নেয়। এতে করে মঞ্চে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠান শেষের পর মাঠের মধ্যে আমির হোসেন ও মাখন সরকারের কর্মীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এ সময় পুলিশ টাউন হল মাঠ থেকে দুই কর্মীকে আটক করে।<br>সভা শেষ করে কেন্দ্রীয় নেতারা কুমিল্লা সার্কিট হাউজে আসেন। সার্কিট হাউজে পুনরায় আমির হোসেন ও মাখন সরকারের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় আমির হোসেন ও মাখন সরকার আহত হয়। পুলিশ এ সময় মাখন সরকারকে আটক করে। সবকটি ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।<br>এ বিষয়ে উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মিমাংসা করে দিয়েছে।<br>কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হক জানান, টাউন হল ও সার্কিট হাউজের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছিলো। এ বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ না থাকায় পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুরোধে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।<br><br><br><br> and nbsp; </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 স্বেচ্ছাসেবক লীগে নতুন নেতৃত্ব: ঢাকা উত্তরে ইসহাক-নাঈম, দক্ষিণে রিপন-তারেক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85480 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915787_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915787_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইসহাক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান নাইম এবং দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন ও সাধারণ সম্পাদক তারেক সাঈদ নির্বাচিত হয়েছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে নির্মল রঞ্জন গুহ ও আফজালুর রহমান বাবু। শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে কাউন্সিল অধিবেশনে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। কমিটির ‍অন্য পদগুলো পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।<br><br>স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার নতুন সভাপতি কামরুল হাসান এর আগে ছাত্রলীগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন।আর দক্ষিণের নতুন সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ বিদায়ী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ঢাকা মহানগর উত্তরে নতুন সভাপতি ইসহাক মিয়া ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উত্তরের নতুন সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বর্তমানে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এর আগে সকালে দীর্ঘ ৭ বছর পর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আা ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় সদস্য মারুফা আক্তার পপিসহ আরও অনেকে। </body></HTML> 2019-11-16 20:49:22 1970-01-01 00:00:00 এমপি হাজী সেলিমের হাতে লাঞ্ছিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মানিক! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85479 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915708_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915708_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পুরান ঢাকার লালবাগে একটি খেলার মাঠের নামফলকে ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চের এলইডি স্ক্রিনে হাজী সেলিমের নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিকের অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিক অভিযোগ করেছেন, সংসদ সদস্য হাজী সেলিম তার গায়ে হাত তুলেছেন।<br>শনিবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পাশে আব্দুল আলিম খেলার মাঠের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই মাঠের সংস্কার করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। বিকেল ৩টায় ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকনের এটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঠ উদ্বোধনের জন্য তৈরি করা মঞ্চের পেছনে এলইডি স্ক্রিনে অনুষ্ঠানের অতিথিদের নাম-ছবিসহ আয়োজনের তথ্য তুলে ধরা হয়। সেখানে মেয়র সাঈদ খোকন এবং কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিকের ছবি এবং নাম দেখা গেলেও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের নাম-ছবি ছিল না। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজী সেলিম মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোন ও ইলেকট্রিক সরঞ্জাম ফেলে দেন। তাকে থামাতে কাউন্সিলর মানিক এগিয়ে গেলে উত্তেজিত হাজী সেলিম তাকে ধাক্কা দেন এবং চড়-থাপ্পর মারেন।<br><br>ঘটনার পর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক অনুষ্ঠানস্থলেই কান্নাকাটি করেন।<br><br>হাজী সেলিমের কাছে লাঞ্ছিত হওয়া প্রসঙ্গে কাউন্সিলর মানিক বলেন, আমি কোনো অনুষ্ঠানে এমপিদের নাম দেই না। আমার অভিভাবক হিসেবে মেয়রের নাম থাকে, বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম থাকে। আমার যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে উনি আমাকে ডেকে বলতে পারতেন। কিন্তু, তা না করে অনেক মানুষের সামনে আমার গায়ে হাত তুলেছেন। আমি তো এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ।<br><br>এদিকে হাজী সেলিমের অনুসারীদের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্যকে অনুষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি। তাই তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। </body></HTML> 2019-11-16 20:48:07 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় জাতীয় পার্টির সভায় সংঘর্ষ, সাবেক এমপিসহ আহত ১০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85478 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915630_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915630_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লায় জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সভায় বক্তব্য দেয়াকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হোসেনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।<br>জানা গেছে, আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি কুমিল্লা দক্ষিন জেলা, কুমিল্লা উত্তর জেলা ও মহানগর এর সাংগঠনিক সভা চলছিলো। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস. এম ফয়সাল চিশতী, বিরোধীদলীয় হুইপ অধ্যাপক রওশন আরা মান্নান এমপিসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন নেতা। সভা চলাকালীন সময়ে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি সালামত উল্লাহ এর সাথে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল কবিরের বাক-বিতন্ডা হলে ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মঞ্চে বক্তব্য দিতে গেলে মাখন সরকার মাইক কেরে নেয়। এতে করে মঞ্চে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠান শেষের পর মাঠের মধ্যে আমির হোসেন ও মাখন সরকারের কর্মীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এ সময় পুলিশ টাউন হল মাঠ থেকে দুই কর্মীকে আটক করে।<br><br>সভা শেষ করে কেন্দ্রীয় নেতারা কুমিল্লা সার্কিট হাউজে আসেন। সার্কিট হাউজে পুনরায় আমির হোসেন ও মাখন সরকারের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় আমির হোসেন ও মাখন সরকার আহত হয়। পুলিশ এ সময় মাখন সরকারকে আটক করে। সবকটি ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।<br>এ বিষয়ে উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি লুৎফুর রেজা খোকন জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মিমাংসা করে দিয়েছে। কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল হক জানান, টাউন হল ও সার্কিট হাউজের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছিলো। এ বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ না থাকায় পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুরোধে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। </body></HTML> 2019-11-16 20:46:43 1970-01-01 00:00:00 দিল্লিতে অক্সিজেন বার, ১৫ মিনিটের বিশুদ্ধ অক্সিজেনের মূল্য ২৯৯ রুপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85477 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915494_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915494_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতের দিল্লিতে খোলা হয়েছে অক্সিজেন বার। এখানে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে। বারটির নাম অক্সি পিওর। খবর ভারতের গণমাধ্যম আনন্দবাজারের। এই বছরের মে মাসে অক্সি পিওর উদ্বোধন করা হয়। দিল্লির বাসিন্দাদের কাছে এই বারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে দাবি বারটির কর্মকর্তাদের। দিল্লির সাকেত এলাকার সিটি ওয়াক মলে অবস্থিত এই বারে একবারে ১৫ মিনিটের জন্য বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। সাতটি সুগন্ধের সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে এই অক্সিজেন। অক্সি পিওরের এক কর্মকর্তা জানান, ক্রেতা যে সুগন্ধটি পছন্দ করবেন, সেটির সঙ্গেই তাকে বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। এই কর্মকর্তার দাবি, বিশুদ্ধ অক্সিজেন নিলে শরীরে বাড়তি শক্তি পাওয়া যায়, ভালো ঘুম হয়, ত্বক সুন্দর দেখায়, মানসিক অবসাদ কমে এবং হজম শক্তি বাড়ে। সব মিলিয়ে শরীর ও মন ভালো থাকে।<br><br>অক্সি পিওরে ১৫ মিনিট বিশুদ্ধ অক্সিজেন নিতে ২৯৯ রুপি দিতে হবে। দিল্লি বিমানবন্দরেও একটি বার খোলা হবে বলেও জানানো হয়েছে অক্সি পিওরের পক্ষ থেকে। </body></HTML> 2019-11-16 20:44:26 1970-01-01 00:00:00 জয়কে আমেরিকায় হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল বিএনপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85476 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915326_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573915326_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, ‘বিএনপির হত্যা, সন্ত্রাস, খুন শুধু এখানেই নয়, আমেরিকায়ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে কিডন্যাপ (অপহরণ) করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল।’ শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আমাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এরপর আবার কেয়ারটেকার সরকার এসে শুরু করে তদন্ত। আমেরিকায় জয়কে কিডন্যাপ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে বিএনপি। বিএনপি দুর্নীতি করে এত টাকা কামিয়ে ছিল যে আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থার একজন অফিসারকে তারা টাকা দিয়ে হায়ার (ভাড়া) করে ফেলে। তাকে টাকা দিয়ে কিনে ফেলে। সেখানে আমি ও আমার পরিবার, আমার ছেলে, আমার বোন, আমাদের পরিবারের কী কী আছে সেগুলো খোঁজা শুরু করে। সেই তদন্ত করতে গিয়ে বের হয়ে আসলো খালেদা জিয়া ও তার দুই পুত্রের দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ। প্রকাশ হয়ে গেল তাদের রিপোর্ট।’<br><br>‘বিএনপির দুই নেতাও যে জড়িত ছিল, আমেরিকার কোর্টে (আদালত) শুনানির সময় তা বেরিয়ে আসে। তারা জয়কে হত্যা করার জন্য কিডন্যাপ করতে চেয়েছিল। কাজেই আপনারা বুঝতে পারেন যে, এরা এখানেই নয়…। তারা শুধু ৭৫-এর ১৫ আগস্টে হত্যা করে থেমে থাকেনি, তাদের চক্রান্ত অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা আমেরিকায় খুঁজতে গেল আমাদের দুর্নীতি, আর ধরা পড়ল নিজেরাই। যখন তারা জয়কে কিডন্যাপ করার পরিকল্পনা নিল তখন তাদের ওই দুই নেতার নাম চলে এলো শুনানিতে। এগুলো যারা করে তারা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে পারে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট করতে পারে। রাজাকার-আলবদরদের পুরস্কৃত করতে পারে, করতে পারে যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী। যারা যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানায় আর জাতির পিতার খুনিদের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে, অবৈধ ভোট করে তাদের পার্লামেন্টে নিয়ে যায়, আজ তারা অনেক কথা বলে। তাদের সময় তো সন্ত্রাস-দুর্নীতি, বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা- অনেক কিছুই ঘটেছে। তাদের মুখে বড় বড় কথা মানায় না। বিএনপির এ স্বভাব কোনোদিন যাবে না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড মানুষের চোখে পড়ছে। এ ১০ বছর দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় আছে, এ কারণে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।<br><br>স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি নির্মল গুহের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। সম্মেলনে সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হক সাচ্ছু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি মতিউর রহমান মতি, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দফতর সম্পাদক সালেহ মো. টুটুল। সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত হলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা নির্মল রঞ্জন গুহ ও গাজী মেজবাউল হক সাচ্ছু। এরপর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে। পরিবেশন করা হয় দলীয় সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা এতে অংশ নেন। প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে সংগীত পরিবেশন করেন। </body></HTML> 2019-11-16 20:41:28 1970-01-01 00:00:00 ছাগলনাইয়ায় গাছ হেলে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85475 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914285_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914285_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥ and nbsp;<br>ফেনীর ছাগলনাইয়ার দারোগারহাট-করৈয়া সড়কের উত্তর মন্দিয়ায় সড়কের ওপর হেলে থাকা বিশালকৃতির কড়ই গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কার মধ্য দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।<br>স্থানীয়রা জানায়, কয়েক বছর আগে ঝড়ে ওই সড়কের পাশে লাগানো কড়ই গাছটি হেলে রাস্তার দিকে ঝুকে যায়। স্থানীয়রা কয়েক দফা চেষ্টা করেও বন বিভাগের অনুমতি না আসায় গাছটি না কাটায় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন ভারী ও হালকা অসংখ্য যানবাহন চলাচল করছে।<br>যেকোনও মুহূর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করে স্থানীয় শুভপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবুল কালাম মাস্টার জানিয়েছেন, তারা গাছটি সরানোর ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবেদন করবো। ছাগলনাইয়া উপজেলা বন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন গাছটি এলজিইডির বলে জানিয়ে এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধানে তিনিও চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন।<br>ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া তাহের জানান, এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাগবে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। </body></HTML> 2019-11-16 20:24:30 1970-01-01 00:00:00 এক অপহরণকারীর কাছ থেকে শিশুসহ ১০ শ্রমিক উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85474 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914254_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914254_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় এক অপহরণকারীর কাছ থেকে শিশুসহ ১০ শ্রমিককে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় মো. নুরুল হক ওরফে লেদু মিয়া (৩৬) নামে এক অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার লেদু মিয়া চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে। উদ্ধারকৃত শিশুদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা সদর দফতর) গোয়েন্দা কর্মকর্তা লে. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধারকৃতরা হলো- কিশোরগঞ্জের বাজিদপুর থানার মৃত নুর উদ্দিন মিয়ার ছেলে রেণু মিয়া, মৃত আক্কাস আলীর ছেলে মো. মানিক হোসেন, হোসেনপুর থানার মো. আব্দুল মোতালেবের ছেলে মো. আক্তার, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে মো. হৃদয়, ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার মৃত কিতাব আলীর ছেলে মো. টুটুল মিয়া, তারাকান্দা থানার মো. মোখলেসুর রহমানের ছেলে মো. রিমন, হবিগঞ্জের মংলাবাজার থানার মো. জসিমের ছেলে মো. মনির হোসেন, নোয়াখালীর সেনবাগ থানার জালু মিয়ার ছেলে মো. আল আমিন, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার মো. আব্দুল খালেকের ছেলে মো. আমির হোসেন, আব্দুল মালেকের ছেলে মো. আরিফ ও কুষ্টিয়ার শেখপাড়া থানার কচির উদ্দিনের ছেলে মো. পারভেজ। কোস্টগার্ডের গোয়েন্দা কর্মকর্তা লে. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, কাজ দেয়ার কথা বলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের নৌকাযোগে দুবলারচরের শুঁটকি পল্লীতে নিয়ে আসেন অপহরণকারী লেদু মিয়া। গ্রেফতারের পর বিষয়টি কোস্টগার্ডের কাছে স্বীকার করেন তিনি। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় এক শিশু এ ঘটনা কোস্টগার্ডকে জানালে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার অপহরণকারী ও উদ্ধারকৃতদের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-11-16 20:24:00 1970-01-01 00:00:00 নারীর দেহ তল্লাশিতে পুরুষ পুলিশ, বাধা দেয়ায় স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85473 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914208_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914208_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নাটোরের নলডাঙ্গায় এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের সময় পুলিশকে বাধা দেয়ার অভিযোগে স্কুলশিক্ষক দুলালুর রহমান দুলালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেফতার ব্যক্তির স্ত্রীর দেহ তল্লাশিকালে ওই স্কুলশিক্ষক মহিলা পুলিশ দিয়ে দেহ তল্লাশির জন্য বলেন। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে পুলিশ ওই স্কুলশিক্ষককে টেনেহিঁচড?ে থানায় নিয়ে যায় এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে মামলা করে।<br>পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নলডাঙ্গার মাছবাজারে মিলন নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের সময় বাধা দিলে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গাঙ্গলপাড়া গ্রামের আমানুর রহমানের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মিলনকেও (২৫) গ্রেফতার করে পুলিশ। দুলালুর রহমান দুলাল মাবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং নলডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। নলডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম পিয়াস জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার নলডাঙ্গা মাছবাজারে গাঙ্গলপাড়া গ্রামের আমানুর রহমানের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মিলন (২৫) ও তার স্ত্রী বাজারে যাচ্ছিল। তখন নলডাঙ্গা থানার দুই পুলিশ তাদের কাছে মাদক আছে সন্দেহে মাদক ব্যবসায়ীসহ তার স্ত্রীর দেহ তল্লাশি করে। এ দৃশ্য দেখে শিক্ষক দুলালুর রহমান দুলাল নারী পুলিশ দিয়ে মিলনের স্ত্রীর দেহ তল্লাশির অনুরোধ করেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে মাদক ব্যবসায়ী মিলন ও শিক্ষক দুলালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পিয়াস অভিযোগ করে বলেন, একজন স্কুল শিক্ষককে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে নির্যাতন মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অবিলম্বে শিক্ষক দুলালুর রহমান দুলালের মুক্তি দাবি করেন। নাটোরের অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আকরামুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিলনের স্ত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়নি। তিনি নিজেই ব্যাগ খুলে পুলিশকে দেখিয়েছেন। কিন্তু মিলন নামের ওই মাদক ব্যবসায়ীকে আটকের সময় শিক্ষক দুলালুর রহমান দুলাল বাধা দেন। এ অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে। তবে মাদক ব্যবসায়ী মিলন ও তার স্ত্রীর কাছে থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। মিলন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং সে মদ্যপ অবস্থায় ছিল। শুক্রবার সকালে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপরদিকে মিলনকে মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2019-11-16 20:23:11 1970-01-01 00:00:00 গৃহবধূর সংসার তছনছ করে দিলেন আ.লীগ নেতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85472 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914173_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914173_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>গৃহবধূকে ধর্ষণ করে স্বামীর কাছে অশ্লীল ছবি পাঠানোর অভিযোগে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।<br>গ্রেফতার কামাল সানা (৩৪) সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দোহার গ্রামের ফাজেল সানার ছেলে।<br>একই গ্রামের বাসিন্দা ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর (২৫) ভাষ্য, কর্মক্ষেত্র যশোর হওয়ায় সেখানে থাকে স্বামী। আওয়ামী লীগ নেতা কামাল সানা আমার স্বামীর পূর্বপরিচিত। সেই সুবাদে আমাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল কামালের। এরই মধ্যে আমাকে কুপ্রস্তাব দেয় কামাল। গত ৫ অক্টোবর আমাকে ডেকে নিয়ে জড়িয়ে ধরে মোবাইলে আপত্তিকর ছবি তোলে সে।<br>ঘটনাটি কাউকে জানালে আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। সেই সঙ্গে ওই ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে গত ১৫ অক্টোবর আমাকে ধর্ষণ করে কামাল। ধর্ষণের কথা কাউকে না জানানোর ভয় দেখানো হয়। গত বুধবার (১৩ নভেম্বর) আপত্তিকর ছবি আমার স্বামীর কাছে পাঠায় সে। এতে আমার সুখের সংসার তছনছ হয়ে যায়।<br>এ বিষয়ে জালালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম মুক্তি বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে দল থেকে কামাল সানাকে বহিষ্কার করা হবে। তালা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান রাসেল বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছেন গৃহবধূ। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কামাল সানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-11-16 20:22:37 1970-01-01 00:00:00 শ্রীফলিয়া আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী দোয়া অনুষ্ঠান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85471 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914114_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914114_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের শ্রীফলিয়া আইডিয়াল স্কুলের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ অংশগ্রহণকারী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে বার্ষিক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে স্কুল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ মিয়াজী,<br>বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক কেফায়েত উল্লাহ মিয়াজী, শ্রীফলিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ ভূঁইয়া, সাবেক মেম্বার নুরুল ইসলাম গাজী, মাস্টার শহিদুল ইসলাম মিয়াজী।<br>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাজার কমিটির সভাপতি খান মোবারক, ব্যবসায়ী মুসলিমুর রহমান, কামরুজ্জামান মজুমদার সোহাগ, প্রবাসী আবুল হাশেম, মোজ্জামেল হোসেন,<br>অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান।<br>অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন শ্রীফলিয়া বাজার মসজিদের খতিব ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ ভূঁইয়া। </body></HTML> 2019-11-16 20:21:39 1970-01-01 00:00:00 শ্রীলঙ্কায় মুসলিম ভোটারদের বহনকারী বাসে বন্দুক হামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85470 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914013_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573914013_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>শ্রীলঙ্কার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটারদের বহনকারী বাসে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলাকালে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এ ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তারা। তবে একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, শতাধিক গাড়ি বহরের পথরোধ করতে হামলাকারীরা রাস্তায় টায়ার পোড়ায়। রাজধানী কলম্বোর ২৪০ কিলোমিটার উত্তরে তান্তিরিমালের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বন্দুকধারীরা গুলি ছোড়ে এবং পাথরও ছোড়ে। দুটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু আমরা এখনও হতাহতের কোনও খবর পাইনি।<br>পুলিশ বলছে, উপকূলীয় শহর পুত্তালাম থেকে পার্শ্ববর্তী মানার জেলায় যাচ্ছিলেন ওই মুসলিম ভোটাররা। তারা মানার জেলার ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত। পরে পুলিশের টিম গিয়ে রাস্তার প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দেয় এবং বাসের যাত্রীদের ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত পাহারা দিয়ে নিয়ে যায়। তামিল অধ্যুষিত জাফনায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটলো। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ নির্বাচনকে সামনের রেখে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে সেনাবাহিনী।<br>স্বাধীন নির্বাচন কমিশনকে পুলিশ জানিয়েছে, সেনাবাহিনী অবৈধভাবে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এর ফলে বাসিন্দারা ভোটকেন্দ্রে অবাধে যাতায়াত করার ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়বেন।<br>পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি জাতীয় নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এমন খবরে, পুলিশ তা সরিয়ে দিয়েছে। এছাড়া কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে স্থানীয় সেনা কমান্ডারদেরও সতর্ক করে দিয়েছে পুলিশ।<br>উল্লেখ্য, আজ শনিবার সকাল থেকে শ্রীলঙ্কার অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ৩৫ প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) সাজিথ প্রেমাদাসা এবং বিরোধী দল শ্রীলঙ্কা পিপলস ফ্রন্টের (এসএলপিপি) গোটাবায়া রাজাপক্ষের মধ্যে। </body></HTML> 2019-11-16 20:20:00 1970-01-01 00:00:00 মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ছে সেনা-এনসিপি-কংগ্রেস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85469 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913977_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913977_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>শেষপর্যন্ত নির্বাচিত সরকার পেতে চলেছে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্য। অনেক আলোচনা আর টানাপোড়েনের পর একসঙ্গে সরকার গড়তে সম্মত হয়েছে শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস। কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ না দিতে পারায় বর্তমানে রাজ্যেটিতে রাষ্ট্রপতির শাসন জারি রয়েছে। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) প্রধান শারদ পাওয়ার বলেছেন, এবার শিবসেনার সঙ্গে এনসিপি-কংগ্রেস জোট হাতে হাত ধরে সরকার গঠন করবে মহারাষ্ট্রে। যদিও প্রথমে কিছুতেই শিবসেনার সঙ্গে সরকার গড়তে কংগ্রেস রাজি না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে সরকার গঠনে সব দলই ব্যর্থ হয়। তবে শেষপর্যন্ত আদর্শগতভাবে শিবসেনার সঙ্গে মতভেদ থাকলেও একজোট হয়ে ওই তিন দল পূর্ণ মেয়াদের সরকার চালাবে বলেও আত্মবিশ্বাসী এনসিপি প্রধান। এনডিটিভি জানাচ্ছে, আগামীকাল শনিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের অনুমতি চাইবে তিন দলে জোট। মহরাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নেতা শারদ পাওয়ার বলেছেন, ‘অবশ্যই মহারাষ্ট্রে তিন দলীয় জোট সরকার গঠিত হবে। শুধু তাই নয় পাঁচ বছরের পূর্ণ মেয়াদ পূরণ করবে এই সরকার। আমরা সবাই এই সরকারের পাঁচ বছর থাকা অবশ্যই নিশ্চিত করবো।’<br>গত সপ্তাহেই শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেস মিলে সরকার গড়লে সেই সরকার ছয় মাসের বেশি টিকবে না বলে পূর্বাভাস দেন কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতা ও মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। প্রসঙ্গত, বিজেপিই এবার মহরাষ্ট্রের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছিল। বিজেপি নেতারে এমন মন্তব্যকে কটাক্ষ করে এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার বলেন, ‘আমি বেশ কয়েক বছর ধরে দেবেন্দ্রজিকে চিনি। তবে আমি জানতাম না যে তিনি জ্যোতিষ বিদ্যারও ছাত্র ছিলেন।’ শিবসেনা চাইছে তাদের দল থেকেই পূর্ণ মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী হোক। এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ারকে সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে তিনি জবাব দেন, ‘যদি কেউ (শিবসেনা) মুখ্যমন্ত্রী পদ দাবী করে তাহলে নিশ্চয়ই বিষয়টি বিবেচেনা করে দেখবো কী করা যায়।’<br>এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিবসেনাকে সমর্থন দেয়ার প্রশ্নে শরদ পাওয়ারের দল এনসিপি থেকে শর্ত দেয়া হয়। সেখানে নিজেদের দল থেকেও একজনকে মুখ্যমন্ত্রী দেয়ার দাবি করে দলটি। আর সেটা হবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ভাগাভাগি করে। অর্ধেক মেয়াদের একদলের বাকি মেয়াদে আরেকদলের।<br>সাবেক জোটসঙ্গী বিজেপিকেও এমন প্রস্তাব দিয়েছিল শিবসেনা। তারা বিজেপি অর্ধেক মেয়াদে মুখমন্ত্রিত্ব দেয়ার শর্ত দেয়। কিন্তু বিজেপি তা মানতে রাজি না হলে জোট থেকে বেরিয়ে আসে শিবসেনা। কেন্দ্র থেকে নিজেদের মন্ত্রীকেও পদত্যাগ করিয়ে নেয়। তাই বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও সরকার গঠন করতে পারেনি। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এনসিপিও শিবসেনাকে একই সমীকরণে ক্ষমতা ভাগাভাগির প্রস্তাব দিয়ে সরকার গড়তে চায়। আর এটা সত্য হলে মহারাষ্ট্রে আড়াই বছরের মেয়াদে দুই দল থেকে দুজন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। তবে এনসিপির আরেক নেতা নবাব মল্লিক ইঙ্গিত দিয়েছেন, পুরো পাঁচ বছরের জন্য শিবসেনারই কেউ মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকবেন। আর উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদে উলোট পালট করে কংগ্রেস ও এনসিপি পাবে। যদিও তিনি বিষয়টি সম্বন্ধে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি। শনিবার বেলা তিনটায় শিবসেনা-এনসিপি এবং কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল মিলে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকার গঠনের দাবি জানাবে। কালকে জানা যাবে মহারাষ্ট্রে কি রাষ্ট্রপতির শাসনই জারি থাকবে নাকি সরকার গঠন করবে বিজেপি বিরোধী এই জোট। </body></HTML> 2019-11-16 20:19:16 1970-01-01 00:00:00 অরুণাচল ভারতের প্রদেশ নয় : চীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85468 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913905_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913905_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশে সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক সফরের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, চীন কখনই অরুণাচল প্রদেশকে ভারতীয় ভূখণ্ড বলে মানতে রাজি নয়। কারণ তারা এই অঞ্চলকে দক্ষিণ তিব্বত নামে ডাকে। বৃহস্পতিবার সাধারণ নাগরিক ও সেনার বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থানকে আরও উৎসাহ দিতে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সফর করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে সামরিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তিনি। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং শুক্রবার রাজনাথের এই সফরের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, অরুণাচল প্রদেশকে কোনও দিনই ভারতের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রাজি নয় চীন। এই অঞ্চলে ভারতীয় নেতাদের কার্যকলাপের চূড়ান্ত বিরোধিতা করে যাবে বেইজিং। আঞ্চলিক শান্তি রক্ষার লক্ষ্যে ভারতের কোনও উসকানিমূলক পদেক্ষেপ নেয়া উচিত নয় বলেও ওই মুখপাত্র মন্তব্য করেন। অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে এখন পর্যন্ত চীন ও ভারত ২১ দফা বৈঠক করেছে। এই অঞ্চলে ভারত ও চীনের মধ্যে তিনি হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।<br>এর আগেও বারবার ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের অরুণাচল সফর নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে চীন। সর্বশেষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অরুণাচল সফর নিয়েও বেইজিং আপত্তি জানিয়েছিল। পার্সট্যুডে। </body></HTML> 2019-11-16 20:18:12 1970-01-01 00:00:00 সিরিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সফল হবে না : প্রেসিডেন্ট আসাদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85467 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913878_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913878_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বলেছেন, তার সরকার কখনোই সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্নে আপোষ করবে না। তিনি আরো বলেছেন, সিরিয়াকে খণ্ড-বিখণ্ড করার যে ষড়যন্ত্র চলছে তা দামেস্ক কখনো বাস্তবায়িত হতে দেবে না। রাশিয়ার একটি নিউজ চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। বাশার আল আসাদ আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) সৃষ্টি করেছে এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়েই এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সিরিয়ায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ছে। ওয়াশিংটনের সার্বিক সহযোগিতায় জঙ্গিরা সিরিয়ার সেনাবহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ বলেন, বিন লাদেন ও আবু বকর বাগদাদির মতো জঙ্গি নেতাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তাদেরকে হত্যা করে। এসব সন্ত্রাসী নেতা বেঁচে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যেত বলে তিনি উল্লেখ করেন। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুরস্কের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর ওই অঞ্চলে তৎপর কুর্দি গেরিলাদের সঙ্গে দামেস্কের সম্পর্ক ভালো হয়েছে বলে জানান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। <br>তবে কুর্দি নেতাদের সঙ্গে সিরিয়া সরকারের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। প্রেসিডেন্ট আসাদ বলেন, কুর্দিদেরকে আবারো সরকারের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিতে চায় ওয়াশিংটন। কিন্তু সিরিয়ার মানুষ আট বছরের যুদ্ধের পর এখন একথা উপলব্ধি করেছেন যে, সরকারের সঙ্গে আপোষ ও সহযোগিতা করার কোনো বিকল্প নেই। </body></HTML> 2019-11-16 20:17:43 1970-01-01 00:00:00 শুনানি চলাকালেই সাক্ষীকে আক্রমণ করে ট্রাম্পের টুইট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85466 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913825_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913825_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন বিষয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রকাশ্য শুনানি চলছিল। ওই শুনানিতে সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন ইউক্রেনে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যারি ইয়াভানোভিচ। আর ওই সাক্ষ্য চলাকালেই তাকে আক্রমণ করে টুইট করেন ট্রাম্প।<br>শুক্রবার দ্বিতীয় দফার এই শুনানিতে ইয়াভানোভিচকে জেরা করা হয়। জেরার এক পর্যায়ে ইয়াভানোভিচের সমালোচনা করে টুইট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি লিখেন, অতীতে যেসব দেশেই ম্যারি ইয়াভানোভিচকে পাঠানো হয়েছে সেসব দেশেই সমস্যা দেখা দিয়েছে।<br>ট্রাম্প বলেন, তিনি শুরু করেছিলেন সোমালিয়া দিয়ে, কী হয়েছিল সেখানে? এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ট্রাম্প তার মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তাকে ‘ভয় দেখানোর চেষ্টা’ করছেন।<br>যদিও ট্রাম্প পরে দাবি করেন যে, তার টুইটগুলো মোটেও ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ছিল না। সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি অভিসংশন শুনানির কিছু অংশ দেখেছেন এবং তার কাছে এটিকে ‘অপমানজনক’ মনে হয়েছে।<br>উল্লেখ্য, ইউক্রেনে রাষ্ট্রদূত থাকা অবস্থায় ডেমোক্র্যাট নেতা জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের কথিত দুর্নীতি তদন্তে কিয়েভের প্রসিকিউটর জেনারেলকে অনুরোধ করেননি ইয়াভানোভিচ। আর এই ‘অপরাধে’ গত মে মাসে তাকে অপসারণ করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। </body></HTML> 2019-11-16 20:16:54 1970-01-01 00:00:00 তুমি কি কুমারী? প্রমাণ দাও নারী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85465 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913780_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913780_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br> and nbsp;না, কোনও কবিতার পঙ্ক্তি নয়। বরং নব্বই দশকের নারী আন্দোলন যে কয়েকটা প্রতিবাদী বিষয়ের ওপর দাঁডড়য়ে তার ভিত তৈরি করে নিচ্ছিল, এই অন্যায্য দাবি তারই একটি। ২০১৯ সালে এসে সেই কুমারীত্বের প্রমাণই এবার প্যাকেটবন্দি। নাম তার ‘আই ভার্জিন পিল।’ এক ক্লিকেই মিলছে অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে। সঙ্গে রয়েছে অনেক ‘আশ্বাসবাণী।’ কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রয়োজন পড়ে না কোনও কাটাছেঁড়ার। অজ্ঞান করারও প্রয়োজন নেই। গ্রেফ এক পিলেই শরীরে জমে যাবে পরিমাণ মতো থকথকে ‘নকল’ রক্ত। প্রথম সঙ্গমের পরই যা সতীচ্ছেদ ভেদ করে বেরিয়ে আসবে ‘মিথ্যা’ কুমারীত্বের ‘প্রয়োজনীয়’ প্রমাণস্বরূপ! আবার তাতে চলছে অফারও!<br>অ্যামাজনের এই পণ্য বিক্রির খবর জানতে পেরেই প্রতিবাদে সরব হয়েছেন নানা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট মানুষজন। বিরোধিতায় পিছিয়ে নেই আমজনতাও। প্রথম শারীরিক মিলনের রাতে মেয়েটিকে রক্তাক্ত হতেই হবে; এ সংস্কার শুধুই তৃতীয় বিশ্বের নয়, বরং অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশই এই ‘ট্যাবু’ বহন করে এসেছে যুগের পর যুগ। কখনও সরাসরি, কখনও ঘুরপথে।<br>বিভিন্ন সময়ে নানা ধর্মীয় ভাবাবেগ ও কুসংস্কারকে শিখণ্ডী করে এমন প্রথাকে ‘নিয়ম’ বলে দেগে দিয়েছে সমাজের একাংশ। প্রত্যন্ত অঞ্চলে তো বটেই, এমনকি শহুরে জনজাতিরও কারও কারও মনের অন্দরে ঘাপটি মেরেছিল এমন বর্বর প্রমাণ দেয়ার খেলা। সেই খেলা যে অতীতে হারিয়ে যায়নি, তা-ই কি প্রমাণ করছে অ্যামাজনের এমন পণ্যের কেনাবেচা?<br>পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক তিলোত্তমা মজুমদার বলছেন, ‘মেয়েদের ছোট করতে সমাজের চাপিয়ে দেয়া, লালন করা নানা খেলার প্রসঙ্গ তো বাদই দিলাম, এ তো রীতিমতো মিথ্যাচার! প্রতারণা!’ তার মতে, ‘অবিশ্বাস ও মিথ্যাচার দিয়ে সম্পর্ক শুরুর হদিশই তো দিচ্ছে এই পিল! কুমারীত্বের প্রয়োজন আছে কি-না তা নিয়ে বলার পাশাপাশি এই প্রতারণার দিকটিই বা উডড়য়ে দিই কী করে! মেয়েটি বিশ্বাস করছে, কুমারী না হলে ভালবাসা কমবে! ছেলেটি ভাবছে, কুমারী হয়ে ধরা দেয়াই ভালবাসার প্রাথমিক শর্ত!’<br>তিলোত্তমার কথায়, ‘এই দুই ধারণার ওপর নির্ভর করেই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি যদি তাদের পিল বাজারে আনে, আর তার ব্যবহারও হু হু করে বাড়ে, তাহলে এই সমাজকে যে তার আন্দোলনকে ফের কেঁচে গণ্ডুষ করতে হবে তা বেশ বোঝা যায়। দু’জন ব্যক্তিমানুষের একজন অন্যের আস্থা অর্জন করছে এক অন্যায়, আদিম ও অপ্রয়োজনীয় প্রথা দিয়ে, আর অন্যজন সেই বর্বর প্রথা দিয়েই নিক্তিতে মেপে মেয়েটির ‘খুঁতহীন’ শরীরকে গ্রহণ করছে; এই পিল তো সেই আচরণকেই মান্যতা দিচ্ছে!’ তিলোত্তমা বলেন, আর কুমারীত্ব? এই হাইমেন এমন একটা জিনিস যা একটা বয়সের পর যেকোনো কারণে ফেটে যেতে পারে। যৌন সংসর্গে কুমারীত্বের মতো অপ্রয়োজনীয় ও ভিত্তিহীন বিষয়ের সঙ্গে প্রেম, ভালবাসা গুলিয়ে ফেলার মতো ভুল আজও এই সমাজ করে ভাবলে কষ্ট হয়। অসহায়ও লাগে। অবশ্য এমন ভাবনায় সমাজের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের প্রতিনিধিরা থাকলেও আমি অবাক হব না!’<br>এমন পণ্যের বাজারীকরণের প্রয়োজনীয়তা ও তা কেনাবেচার নেপথ্যে কোন মানসিকতা কাজ করছে, তা নিয়ে কথা বলতে গেলে কোনোভাবেই সমাজে নারীর অধিকার ও তার অবস্থানকে বাদ দিয়ে তা করা যায় না। আর তার হাত ধরেই চলে আসে দীর্ঘ নারী আন্দোলনের দিকটিও। কুমারীত্ব প্রমাণ দাখিল করার দায় পুরাকাল থেকেই বর্তাচ্ছিল মেয়েদের ওপর। তবে হয়তো সেদিন অতীত হয়েছে বলে ভাবতেন নারী আন্দোলনকারী ও সমাজচিন্তক রতœাবলী রায়। বিষয়টি সামনে আসতে সেই ভাবনার পথে কিছুটা থমকেছেন। এই পণ্যের খবরে তিনি যত না রাগত, তার চেয়েও বেশি বিপন্ন।<br>রতœাবলীর কথায়: ‘নারী মানে কি শুধু ভ্যাজাইনা? শুধুই দুই ঊরুর মাঝে জমানো ইজ্জত? একজন মেয়ে যে সমাজের নানা ক্ষেত্রে নানা পারদর্শিতার ছাপ রেখে যান, নানা ঝড় মাথায় রেখে, সংসারে ছাতা হয়ে দাঁড়ান সেটা কিছুই না! এমন সব পণ্য ও সে সব বাজারজাত করার আইডিয়া অবাক করে। আর সতীত্ব? হাইমেন? সকলেই জানেন, বৈজ্ঞানিকভাবেই এই হাইমেন কেবল শারীরিক সম্পর্কে ছিন্ন হয় এমন নয়। নানা কায়িক শ্রমে তা ছিঁড়ে যেতে পারে। কাজেই হাইমেন জোড়া লাগানো বা কৃত্রিম রক্ত উৎপাদন যে চূড়ান্ত নির্বোধের ধারণা থেকে জন্ম নেয়া ভাবনা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।’ আনন্দবাজার।<br><br> </body></HTML> 2019-11-16 20:16:07 1970-01-01 00:00:00 নিলামের আগে আইপিএলের ৮ দলের অবস্থা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85464 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913710_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913710_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>আগামী ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত আইপিএলের আসন্ন মৌসুমের নিলাম। সেখানে অংশ নিয়ে দল চূড়ান্ত করবে অংশগ্রহণকারী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তার আগেই ট্রেড ও রিলিজের মাধ্যমে নিজেদের দল গুছিয়ে আনার কাজ শেষ করেছে ৮ দল।<br>শুক্রবার পর্যন্ত ৮ দল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে ৭১ জন খেলোয়াড়কে। যার ফলে নিলামের জন্য জন্য ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে ৭৩টি। এই ৭৩ জন খেলোয়াড় কেনার জন্য ৮ দলের কাছে মোট রয়েছে প্রায় ২০৮ কোটি রুপি।<br>আগামী মাসের নিলামের আগে চলুন দেখে নেয়া যাক ৮ দলের অবস্থা<br>চেন্নাই সুপার কিংস:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: চৈতন্য বিষ্ণু, ডেভিড উইলি, ধ্রুব শোরে, মোহিত শর্মা, স্যাম বিলিংস এবং স্কট কুগলেইন<br>বর্তমান স্কোয়াড: আম্বাতি রাইডু, কেএম আসিফ, দ্বীপক চাহার, ডোয়াইন ব্রাভো, ফাফ দু প্লেসিস, হরভজন সিং, ইমরান তাহির, জগদেশ নারায়ণ, কার্ন শর্মা, কেদার যাদব, লুঙ্গি এনগিডি, মিচেল স্যান্টনার, মনু সিং, মহেন্দ্র সিং ধোনি, মুরালি বিজয়, রবিন্দ্র জাদেজা, রিতুরাজ গাইকোয়ার, শেন ওয়াটসন, শার্দুল ঠাকুর ও সুরেশ রায়না।<br>খালি জায়গা: ৫টি (৩ জন দেশি ও ২ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ১৪.৬০ কোটি রুপি<br>দিল্লি ক্যাপিট্যালস:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: অঙ্কুশ বাইনস, বি আয়াপ্পা, ক্রিস মরিস, কলিন ইনগ্রাম, কলিন মুনরো, হানুমা বিহারি, জালাজ সাক্সেনা, মানজোত কারলা এবং নাথু সিং।<br>বর্তমান স্কোয়াড: আজিঙ্কা রাহানে, অমিত মিশ্র, আভেশ খান, আক্সার প্যাটেল, হার্শাল প্যাটেল, ইশান্ত শর্মা, কাগিসো রাবাদা, কেমো পল, পৃথ্বি শ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রিশাভ পান্ত, সন্দ্বীপ লামিচানে, শিখর ধাওয়ান এবং শ্রেয়াস আইয়ার।<br>খালি জায়গা: ১১টি (৬ জন দেশি ও ৫ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ২৭.৮৫ কোটি রুপি<br>কিংস এলেভেন পাঞ্জাব:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: অগ্নিবেশ আয়াচি, অ্যান্ড্রু টাই, ডেভিড মিলার, ময়সেস হেনরিকস, প্রভুসিমরান সিং, স্যাম কুরান ও ভরুন চক্রবর্তী।<br>বর্তমান স্কোয়াড: আর্শদ্বীপ সিং, ক্রিস গেইল, দর্শন নালকান্দে, কৃষ্ণাপ্পা গোথাম, হার্ডাস ভিজোয়েন, হারপ্রিত ব্রার, জাগদেশ সুচিথ, করুন নায়ার, লোকেশ রাহুল, মানদ্বীপ সিং ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল।<br>খালি জায়গা: ৯টি (৫ জন দেশি ও ৪ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ৪২.৭০ কোটি রুপি<br>কলকাতা নাইট রাইডার্স:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: এনরিচ নর্ৎজে, কার্লোস ব্রাথওয়েট, ক্রিস লিন, জো ডেনলি, কেসি কারিয়াপ্পা, ম্যাট ক্যালি, নিখিল নাইক, পিয়ুশ চাওয়া, পৃথ্বি রাজ ইয়ারা, রবিন উথাপ্পা ও শ্রিকান্ত মুন্ধে।<br>বর্তমান স্কোয়াড: আন্দ্রে রাসেল, দীনেশ কার্তিক, হ্যারি গার্নি, কামলেশ নাগরকোটি, কুলদ্বীপ যাদব, লকি ফার্গুসন, নিতিশ রানা, প্রাসিদ কৃষ্ণা, রিঙ্কু সিং, সন্দ্বীপ ওয়ারিয়ার, শিভাম মাবি, শুভমান গিল, সিদ্ধেশ লাড ও সুনিল নারিন।<br>খালি জায়গা: ১১টি (৭ জন দেশি ও ৪ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ৩৫.৬৫ কোটি রুপি<br>মুম্বাই ইন্ডিয়ানস:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: অ্যাডাম মিলনে, আলঝারি জোসেফ, বারিন্দার স্রান, বেন কাটিং, বিউরান হেন্ডরিকস, এভিন লুইস, জেসন বেহরেনডর্ফ, পঙ্কজ জাসওয়াল, রাকিশ দার ও যুবরাজ সিং।<br>বর্তমান স্কোয়াড: আদিত্য তারে, আনমোলপ্রিত সিং, অনুকূল রয়, ধাওয়াল কুলকার্নি, হার্দিক পান্ডিয়া, ইশান কিশান, জাসপ্রিত বুমরাহ, জয়ন্ত যাদব, কাইরন পোলার্ড, ক্রুনাল পান্ডিয়া, লাসিথ মালিঙ্গা, মিচেল ম্যাকলেনাঘান, কুইন্টন ডি কক, রাহুল চাহার, রোহিত শর্মা, শেরফান রাদারফোর্ড, সুর্যকুমার যাদব ও ট্রেন্ট বোল্ট।<br>খালি জায়গা: ৭টি (৫ দেশি ও ২ বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ১৩.০৫ কোটি রুপি<br>রাজস্থান রয়্যালস:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: আরমান বিরলা, অ্যাশটন টার্নার, ইশ সোধি, জয়দেব উনাদকাত, লিয়াম লিভিংস্টোন, ওশান থমাস, প্রশান্ত চোপড়া, রাহুল ত্রিপাথি, শুভাম রঞ্জন, স্টুয়ার্ট বিনি ও সুধেশান মিধুন।<br>বর্তমান স্কোয়াড: অঙ্কিত রাজপুত, বেন স্টোকস, জোফরা আর্চার, জস বাটলার, মহিপাল লমরোর, মনন ভোহরা, মায়াঙ্ক মারকান্দে, রাহুল তেওয়াতিয়া, রিয়ান পরাগ, সানজু স্যামসন, শশাঙ্ক সিং, শ্রেয়াস আইয়ার, স্টিভেন স্মিথ ও ভরুন অরুণ।<br>খালি জায়গা: ১১টি (৭ জন দেশি, ৪ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ২৮.৯০ কোটি রুপি<br>রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: আকশদ্বীপ নাথ, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, ডেল স্টেইন, হেনরিখ ক্লাসেন, হিম্মত শিং, কুলওয়ান্ত খেজরোলিয়া, মার্কাস স্টয়নিস, মিলিন্দ কুমার, নাথান কুল্টার নিল, প্রয়াস রয় বর্মন, শিমরন হেটমায়ার ও টিম সাউদি।<br>বর্তমান স্কোয়াড: এবি ডি ভিলিয়ার্স, দেবদূত পড়িকাল, গুরকিরাত সিং, মঈন আলি, মোহাম্মদ সিরাজ, নভদ্বীপ সাইনি, পার্থিব প্যাটেল, পবন নেগি, শিভাম দুবে, উমেশ যাদব, বিরাট কোহলি, ওয়াশিংটন সুন্দর ও ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল।<br>খালি জায়গা: ১২টি (৬ জন দেশি ও ৬ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ২৭.৯০ কোটি রুপি<br>সানরাইজার্স হায়দরাবাদ:<br>ছেড়ে দেয়া খেলোয়াড়: দ্বীপক হুদা, মার্টিন গাপটিল, রিকি ভুই, সাকিব আল হাসান ও ইউসুফ পাঠান।<br>বর্তমান স্কোয়াড: অভিষেক শর্মা, বাসিল থাম্পি, ভুবনেশ্বর কুমার, বিলি স্ট্যানলেক, ডেভিড ওয়ার্নার, জনি বেয়ারস্টো, কেন উইলিয়ামসন, মনিশ পান্ডে, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, সন্দ্বীপ শর্মা, শাহবাজ নাদিম, শ্রিভাস্তাব গোস্বামী, সিদ্ধার্থ কাউল, খলিল আহমেদ, নটরঞ্জন, বিজয় শঙ্কর ও ঋদ্ধিমান সাহা।<br>খালি জায়গা: ৭টি (৫ জন দেশি, ২ জন বিদেশি)<br>ফান্ড বাকি: ১৭ কোটি রুপি </body></HTML> 2019-11-16 20:14:54 1970-01-01 00:00:00 সৌম্য-শান্তর ব্যাটে ভারতকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85463 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913675_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913675_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥ <br>একদিকে ভারতের মাটিতে জাতীয় দল ইনিংস পরাজয়ের লজ্জায়, আরেকদিনে ঘরের মাঠে ভারতকে নাকানি চুবানি খাওয়ালেন সৌম্য সরকার-নাজমুল হোসেন শান্তরা। কী বৈপরীত্য! ইন্দোরে and nbsp; (শনিবার) ভারতের কাছে সিরিজের প্রথম টেস্টে এক ইনিংস আর ১৩০ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। আর এদিকে সাভারে ইমার্জিং এশিয়া কাপে ভারতকে ৬ উইকেট আর ৬৭ বল হাতে রেখে হারিয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। সাভার বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারলেও ২৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতীয় দলের ইনিংস। আরমান জাফর ১০৫ রান না করলে আরও বড় বিপদেই পড়তো ভারত। বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন তরুণ পেসার সুমন খান। ৬৪ রান খরচায় তিনি নেন ৪টি উইকেট। ২টি করে উইকেট পান তানভীর ইসলাম আর সৌম্য সরকার। লক্ষ্য ২৪৬ রানের। শুরুতেই মারকুটে নাইম শেখকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ৯ বলে ১৪ রান করে নাইম যখন ফেরেন, দলের রান তখন মাত্র ১৫। তবে দ্বিতীয় উইকেটে সেই চাপ দারুণভাবে সামলে ওঠেন সৌম্য সরকার আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।এই উইকেটে তারা গড়েন ১৪৪ রানের ম্যাচ জেতানো এক জুটি। ৬৮ বলে ৭ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় সৌম্য ৭৩ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। মারকুটে ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন শান্ত।<br> and nbsp;কিন্তু মাত্র ৬ রানের জন্য তার সে আশা পূরণ হয়নি। ৮৮ বলে ১৪ চার আর ২ ছক্কায় ৯৪ রানে থাকার সময় রাথোরের শিকার হন বাংলাদেশ অধিনায়ক।<br>তবে ততক্ষণে জয়ের বেশ কাছে চলে গেছে টাইগাররা। রান পার হয়ে গেছে দুইশর ঘর। লক্ষ্য থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকার সময় ইয়াসির আলী (৩৯ বলে ২১) না ফিরলে জয়টা আরও বড় হতে পারতো। আফিফ হোসেন ৩৪ আর জাকির হোসেন ২ রান নিয়ে বিজয়ীর বেশেই মাঠ ছাড়েন। </body></HTML> 2019-11-16 20:14:18 1970-01-01 00:00:00 রেকর্ড গড়ে রুয়েল মিয়ার ৮ উইকেট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85462 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913609_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913609_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডের প্রথম দিনে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন সিলেট বিভাগের পেসার রুয়েল মিয়া। তার পেসে কুপোকাত হয়ে মাত্র ১০৬ রানে অলআউট হয়ে গেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ২৬ রান খরচায় ৮ উইকেট নিয়েছেন রুয়েল। যা কি না প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগার। বাঁহাতি পেসার রুয়েল ভেঙেছেন সাত বছর আগে গড়া তালহা জুবায়েরের রেকর্ড। ২০১২ সালে রংপুরের বিপক্ষে ঢাকা মেট্রোর পেসার তালহা ৩৫ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট। ৫০-এর চেয়ে কম রান খরচ করে ৮ উইকেট নিতে পারেননি আর কোনো পেসার। বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেয় রুয়েলের সিলেট। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাদিকুর রহমানের উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। তাকে আউট করেন ইমরান আলি। আর মাঝে ইরফান শুক্কুরের উইকেটটি নেন রেজাউর রহমান রাজা। বাকি ৮ উইকেটই যায় রুয়েলের পকেটে। সরাসরি বোল্ড করেন ইরফান হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, রনি চৌধুরী ও আলভি হককে। এছাড়া পিনাক ঘোষ ও তাসামুল হক ফেরেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন সাজ্জাদুল হক। রেজাউরের হাতে ক্যাচ তুলে দেন মাসুম খান। জাতীয় লিগে বাংলাদেশের পেসারদের সেরা বোলিং:<br>১. রুহেল মিয়া - ৮/২৬ (২০১৯)<br>২. তালহা জুবায়ের - ৮/৩৫ (২০১২)<br>৩. সৈয়দ রাসেল - ৮/৬৭ (২০০৪)<br>৪. ওয়াসকুরনি আহমেদ - ৮/৬৯ (২০০৫)<br>৫. শফিউদ্দিন আহমেদ - ৮/৮৬ (২০০২) </body></HTML> 2019-11-16 20:13:16 1970-01-01 00:00:00 সুপার মেসিতে আর্জেন্টিনার সুপার ক্লাসিকো জয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85461 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913579_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913579_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>এমন ফেরাটাই হয়তো চেয়েছিলেন ফুটবল জাদুকর! তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে নেমেই আর্জেন্টিনাকে উপহার দিলেন দারুণ এক জয়। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাতে সৌদি আরবের কিং সৌদ ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির একমাত্র গোলেই ব্রাজিলকে হারিয়ে সুপার ক্লাসিকো জিতল আকাশি-সাদারা। তবে মেসির দিনে ছিলেন না নেইমার। চোটের কারণে তাকে দর্শক সারিতেই বসতে হয়।<br>প্রীতি ম্যাচে, তাতে কী। প্রতিপক্ষ ব্রাজিল বলে কথা। হিসেব-নিকেশ না থাকতে পারে, লাভ-ক্ষতির কোনো অংক মেলানোর প্রয়োজেন নাও পড়তে পারে। তারপরও ঐতিহ্যের লড়াই। ফুটবলের দর্শকনন্দিত দুই দলের রোমাঞ্চ। না দেখে কী আর থাকা যায়। যে লড়াই দেখার জন্য রাত জাগে লাখো-কোটি সমর্থক। যে ম্যাচ উপভোগের আশায় ক্ষণ গোনে বহু ফুটবলপ্রেমী। যদিও ৯০ মিনিট শেষে গোটা এই অংশটা হয়ে যায় দ্বিখন্ডিত। কেউ হাসে, কেউ আবার রাজ্যের হতাশা নিয়ে ফিরে ঘরে। এটাই তো ফুুটবল, এটাই তো ফুটবলের আসল রুপ, আসল সৌন্দর্য। শুক্রবার রাতে মরুর বুকে হয়ে যাওয়া ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ তেমনি একটা আবহের জন্ম দেয়। বহুদিন পর নতুন করে সবাই যেন ফুটবল-সাগরে ডুব দেন। শেষমেশ একটা পক্ষই জিতল। আর অন্য পক্ষ হারলেও যুদ্ধটা কম করেনি। পুরো মাচে এ দিন বল দখল, পাস কিংবা ট্যাকেলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। কিন্তু আক্রমণভাগের মধ্যে হলো আসল ব্যবধানটা। যেখানে আর্জেন্টিনা সবমিলিয়ে মোট ২২ বার ব্রাজিলের বিপদসীমায় ভয় ধরিয়েছে। <br>ব্রাজিল সেখানে মোটে ৭ বার। তাও নেই কোনো সফলতা। বিপরীতে আর্জেন্টিনা একবার সফলতার মুখ দেখে। ১৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর মেসিকে অহেতুক বাধা দেওয়ার ভুলে পেনাল্টির ফুল ফোটে দুই বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।<br>অথচ এই ব্রাজিলই শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ১০মিনিটের মাথায় পেনাল্টি আদায় করে নেয় ব্রাজিল। স্পটকিকের দায়িত্ব পড়ে জেসুসের কাঁধে। হতাশ করেন তিনি। তার ডান পায়ে শট আর্জেন্টিনার পুরোপুরি লক্ষ্যভ্রষ্ট্রের খাতায় নাম তোলে।<br>ম্যাচের বাকি সময় দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া ছিল। বিশেষ করে ব্রাজিল সুযোগের সন্ধানে উঠেপড়ে লাগে। কিন্তু এক গোলে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনার জমাট রক্ষণ সেই সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি ব্রাজিলকে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর গোলের দেখাও পায়নি তিতের শিষ্যরা।<br>এ জয়ে নিজেদের পাল্লাটা আরেকটু ভারি করল আর্জেন্টিনা। অতীতের ১১০ ম্যাচের মধ্যে ব্রাজিল জিতেছিল ৪৬টি আর আর্জেন্টিনা ৩৯টি। বাকি ২৫ ম্যাচ হয়েছিল ড্র। আজকের পর আর্জেন্টিনার জয়ের ঘরে আরও এক যোগ হবে। </body></HTML> 2019-11-16 20:12:27 1970-01-01 00:00:00 ৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়ালো জোকার সিনেমার আয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85460 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913519_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573913519_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>সর্বশেষ অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের শেষ কিস্তিতে দর্শকের এমন ঢল দেখা গিয়েছিলো হলে। বিশ্বজুড়ে তুমুল সাড়া পায় সুপারহিরোদের নিয়ে তৈরি সেই সিনেমা। হলিউডের বক্স অফিসের ইতিহাসে সাফল্যের সব পুরনো রেকর্ড নিজের দখলে নিয়েছে সেই ছবি।<br>চলতি বছরেই হৈ চৈ ফেলে দেয়ার মতো সাফল্য পাওয়া আরেক সিনেমা হিসেবে দেখা দিলো জোকার। আয়ের হিসেবে নতুন এক মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলেছে সাড়া জাগানো হলিউড ছবিটি।<br>গেল শুক্রবার আন্তর্জাতিক টিকিট বিক্রির প্রেক্ষিতে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের গন্ডি পার হলো জোকার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই প্রথম কোনো হলিউড 'আর' রেটেড ছবি দুনিয়া জুড়ে এমন সাড়া জাগানো ব্যবসা করল। এই খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক পত্রিকা ফোর্বস।<br>এদিকে হলিউড রিপোর্টার- এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী অ্যাকুয়াম্যান, দ্য ডার্ক নাইট রাইজ এবং দ্য ডার্ক নাইট ছবির পর জোকার চতুর্থ ডিসি কমিকসের ছবি যা বক্স অফিসে এতটা সফল হলো।<br>নিঃসঙ্গ, মানসিকভাবে অসুস্থ জোকারের নাম ভূমিকায় অনন্য অভিনয় করে সারা দুনিয়ার দর্শকের মন জিতে নিয়েছেন জোয়াকিন ফিনিক্স।<br>মজার ব্যাপার হলো এই ছবিটি এখনও পর্যন্ত চিনে দেখানো হয়নি। যেখানে প্রায় ৩-৪ হাজার হলে মুক্তি দেয়া কোনো সিনেমা। চিনে বাজার না পেয়েও এমন ব্যবসা এর আগে কোনো ছবি করেনি বলেই, এই সাফল্য নিয়ে এত হইচই পড়ে গিয়েছে। </body></HTML> 2019-11-16 20:11:38 1970-01-01 00:00:00 সোনারগাঁয়ে ১৯ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85459 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903790_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903790_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নয়াবাড়ীস্থ এলাকা থেকে শুক্রবার দিবাগত রাতে ১৯ কেজি গাঁজা ও ১৯৬ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন র‌্যাব-১১ এর সদস্যরা। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে র‌্যাব-১১ চেকপোস্ট চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রাইভেটকার ফেলে পালানোর সময় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ১৯৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো.বাবুল আলম ওরফে জাহাঙ্গীর (৫৬) এবং রঙ্গুলাল দেব ওরফে রিংকু (৩১)। র‌্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার আলেপ উদ্দিন জানান, মাদকসহ প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়েছে।<br><br>প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মো. বাবুল আলম ওরফে জাহাঙ্গীর কুমিল্লা জেলার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা এবং রঙ্গুলাল দেব ওরফে রিংকু মৌলভীবাজার সদর থানার ধনাশ্রী এলাকার বাসিন্দা। আটককৃতরা নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় অভিনবপন্থায় দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও গাঁজা সরবরাহ করে আসছিল। তাদের একমাত্র পেশা মাদক ব্যবসা। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দিয়ে সোনারগাঁ থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। </body></HTML> 2019-11-16 17:29:21 1970-01-01 00:00:00 এক ‘অসৎ’ সৎ মায়ের কাণ্ড! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85458 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903563_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903563_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রথম স্ত্রী এক সন্তান রেখে চলে যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন ইব্রাহিম মোল্লা। বিয়ের পর থেকে দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগম তার প্রথম স্ত্রীর ছেলে তানিমকে (৮) অবহেলা ও নির্যাতন করে আসছিলেন। অবশেষে সেই ছেলেকে সংসারে বোঝা মনে করে শরবতের সঙ্গে বিষ খাইয়ে হত্যা করলেন সৎ মা স্বপ্না।<br>শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তানিম। এদিকে এ ঘটনার পর ইব্রাহীম মোল্লা ওরফে রেজাউল দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগমের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ স্বপ্নাকে গ্রেফতার করে। তানিম সদরপুর উপজেলার আকোটেরচর ইউনিয়নের রমজান মোল্লারডাঙ্গী গ্রামের ইব্রাহীম মোল্লা ওরফে রেজাউলের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার সকালে শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তানিমকে খাওয়ান তার সৎ মা স্বপ্না বেগম। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে তানিমকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নিহত তানিমের বাবা ইব্রাহিম বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই প্রথম পক্ষের ছেলে তানিমকে সহ্য করতে পারতো না স্বপ্না। এছাড়া প্রায়ই তাকে শারীরিক নির্যাতন করতো। ঘটনার দিন গত মঙ্গলবার দুপুরে তানিমকে হত্যার উদ্দেশে শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ায় স্বপ্না।<br>সদরপুর থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আবুল খায়ের জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বপ্না বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-11-16 17:25:32 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশকে ইনিংস ও ১৩০ রানে হারাল ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85457 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903464_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903464_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এক ইনিংস ও রানের জয় পেল ভারত। ম্যাচের তৃতীয় দিনে শনিবার (১৬ নভেম্বর) চা বিরতির পর রানে গুঁটিয়ে যায় টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস। ইনিংসে একমাত্র অর্ধশতকটি আসে ‍মুশফিকুর রহীমের ব্যাট থেকে। ১৫০ বল মোকাবিলায় ৬৪ রান করেন মিস্টার ডিপেন্ডবল। এ জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৫০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ৬ উইকেটে ৪৯৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে দেয় ভারত। ভারতের ছুড়ে দেয়া ৩৪৩ রানের লিডের নিচে চাপা পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। প্রথম পাঁচ ওভার দেখেশুনে ভালোভাবেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও ইমরুল কায়েস। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে বোলিং করতে এসে প্রথম বলেই দারুণ এক ইনসুইংগারে ইমরুলের লেগ স্টাম্প উপড়ে দেন উমেশ। প্রথম ইনিংসের মতোই ৬ রানে ফিরে যান ইমরুল।<br><br>একই ওভারের পঞ্চম বলে অল্পের জন্য টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হকের উইকেটটি পাননি উমেশ। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে কোনো শট না খেলে ছেড়ে দিয়েছিলেন মুমিনুল, বল ছুঁয়ে যায় পেছনের প্যাড। ভারতীয় ফিল্ডারদের করা জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। নিজেদের মধ্যে কথা বলে রিভিউ নেন বিরাট কোহলি। রিপ্লেতে দেখা যায় অল্পের জন্য অফস্টাম্প মিস করতো বলটি। ফলে বেঁচে যান মুমিনুল। রিভিউ নষ্ট হয় ভারতের। অধিনায়ক বেঁচে গেলেও পরের ওভারে নিজের উইকেট সামলে রাখতে পারেননি তরুণ ওপেনার সাদমান। ইমরুলের দেখাদেখি তিনিও ঘটান প্রথম ইনিংসের পুনরাবৃত্তি। দিনের সপ্তম ওভারের শেষ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ৬ রানে আউট হয়েছিলেন সাদমান। আজও দিনের সপ্তম ওভারের শেষ বলে আউট হয়েছেন তিনি। তবে এবার আর ক্যাচ নয়। ইশান্ত শর্মার শার্প ইনসুইং ডেলিভারিতে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন সাদমান। এবারও করেছেন ঠিক ৬ রান।<br><br>নিজের রানের খাতা খোলার আগে মুমিনুল রিভিউয়ের হাত থেকে বেঁচে গেলেও কয়েক ওভার পর আর বাঁচাতে পারেননি নিজের উইকেট। মোহাম্মদ শামির করার প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে স্টাম্প গার্ড দিয়ে ডিফেন্স করেছিলেন টাইগার অধিনায়ক। কিন্তু বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে পেছনের প্যাডে। প্রথমে আউট দেননি আম্পায়ার। আবার রিভিউ নেন কোহলি। এবার রিপ্লেতে দেখা যায় বল সোজা আঘাত হানতো লেগস্টাম্পে। ফলে ৭ রান করে আউট হয়ে যান মুমিনুল। শুরুর তিন ব্যাটসম্যানের আঁটসাঁট ব্যাটিং দেখেই হয়তো পাল্টা আক্রমণের পথ ধরেছিলেন চার নম্বরে নামা মোহাম্মদ মিঠুন। চারটি চারের মারে দ্রুতই করে ফেলেছিলেন ১৮ রান। কিন্তু অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী হয়ে বড় শট খেলার প্রয়াসে তিনি ধরা পড়েন শর্ট মিড উইকেটে দাঁড়ানো মায়াঙ্ক আগারওয়ালের হাতে। মাত্র ৪৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। এরপর থেকে অতি সাবধানী হয়ে খেলতে থাকেন দুই ভায়রাভাই মুশফিকুর রহীম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজন মিলে কাটিয়ে দেন প্রথম সেশনের বাকি ৭.৫ ওভার, যোগ করেছেন ১৬ রান।<br><br>কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে ফিরেই আলসে শটে স্লিপে দাঁড়ানো রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ তুলে দেন ১৫ রান করা মাহমুদউল্লাহ। তার বিদায়েই উইকেটে আসেন লিটন। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ইতিবাচকভাবে খেলছিলেন লিটন কুমার দাস। দলের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে গড়ে ফেলেছিলেন ৬৩ রানের জুটি। নিজেও পেরিয়েছিলেন ৩০ রানের কোটা। কিন্তু এরপর হুট করেই বাজেভাবে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে মারতে গিয়ে পুরো শট করেননি লিটন। ব্যাট চালিয়েও যেনো থেমে যান তিনি।<br><br>যে কারণে বলটি চলে যায় সোজা অশ্বিনের হাতে। সহজ ক্যাচটি তালুবন্দী করতে কোনো সমস্যাই হয়নি ভারতীয় স্পিনারের। আউট হওয়ার আগে দারুণ কিছু শটে ৬ চারের মারে ৩৯ বলে ৩৫ রান করেন লিটন। লিটন সাজঘরে ফিরে যাওয়ার অনেকেই হয়তো ধরে নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় সেশনেই শেষ হয়ে যাবে ম্যাচ। মুশফিককে সঙ্গ দেয়ার থাকবে না কেউ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০ রানে শেষের পাঁচ উইকেট হারানোয় এমন ভাবনা আসা মোটেও অমূলক নয়। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভিন্ন চিন্তাই করেছেন মুশফিকুর রহীম ও মেহেদি হাসান মিরাজ। খেলার ধারার বিপরীতে দুজন মিলে অবিচ্ছন্ন সপ্তম উইকেটে জুটিতে যোগ করেন মূল্যবান ৫৯ রান। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন মুশফিক। এই জুটিটি ভাঙে মেহেদী মিরাজের আউটে। দেখেশুনে খেলতে থাকা এই অলরাউন্ডারকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন উমেশ যাদব। ৫৫ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় গড়া মিরাজের ৩৮ রানের ইনিংসটি থামে তাতে। এরপর লোয়ার অর্ডারের তাইজুল ইসলামকে নিয়ে আবারও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন মুশফিক। ১১.৪ ওভার কাটিয়ে দিয়েছিলেন তারা। যদিও মাত্র ১৪ রান ওঠে এই জুটিতে, তবে ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরছিল।<br><br>শেষ পর্যন্ত এই প্রতিরোধ ভেঙেছেন মোহাম্মদ শামি। শর্ট বলে তাইজুল ইসলামকে (৬) বোকা বানিয়ে উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহার ক্যাচ বানিয়েছেন ভারতীয় এই পেসার। এরপর আর সঙ্গী নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস করেননি মুশফিক। নিজেই তাই ঝুঁকি নিয়ে চেয়েছিলেন রানটা বাড়িয়ে নিতে। তাইজুল আউট হওয়ার পরের ওভারেই অশ্বিনকে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅফে চেতেশ্বর পূজারার ক্যাচ হন টাইগার দলের শেষ ভরসা।<br>১৫০ বল মোকাবেলায় ৭ বাউন্ডারিতে গড়া মুশফিকের ৬৪ রানের ইনিংসটি থেমে যাওয়ার পর আর অলআউট হতে সময় লাগেনি বাংলাদেশের। ৬৯.২ ওভারে ২১৩ রানেই গুটিয়ে গেছে সফরকারিদের দ্বিতীয় ইনিংস। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ শামি। ৩১ রানে তিনি নিয়েছেন ৪টি উইকেট। </body></HTML> 2019-11-16 17:23:24 1970-01-01 00:00:00 ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করল পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85456 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903319_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903319_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রির অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার কাঁচাবাজারে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শনিবার দুপুরে শহরের নিচের বাজারের কাঁচামালের খুচরা ও পাইকারী বাজারে এ অভিযান চালানো হয়।<br>এদিকে জরিমানার অর্থ আদায় করা হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া ম্যাজিস্ট্রেটসহ তার সঙ্গে থাকা পুলিশ ও সংবাদকর্মীদের অবরুদ্ধ করে মারমুখী আচরণে উদ্যত হয়। এ সময় স্থানীয় দুই সংবাদকর্মী ও পুলিশ সদস্যদের লাঞ্ছিত করা হয় করা হয় বলে অভিয়োগ পাওয়া গেছে।<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও এনডিসি সিব্বির আহমেদ জানান, উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া নির্ধারিত মূল্য তালিকা না টানিয়ে ইচ্ছামতো পণ্য বিক্রির প্রমাণও পাওয়া যায়। জরিমানার অর্থ আদায় করা হলে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। অভিযানে থাকা দুই সংবাদকর্মী ও পুলিশ সদস্যদেরকে লাঞ্ছিত করে তারা।<br><br>লাঞ্ছিত সংবাদকর্মী এস এম শাফায়েত জানান, অভিযানের খবর পেয়ে তারা সংবাদ সংগ্রহে যান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশকে ঘেরাও করে রাখার ছবি তুলতে গেলে তাকে এবং তৌহিদুর রহমান তপু নামের অপর এক সংবাদকর্মীকে মারধর করে ব্যবসায়ীরা। তার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও ভেঙে ফেলে ব্যবসায়ীরা। চুয়াডাঙ্গা জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইবরুল হাসান জোয়ার্দ্দার ইবু জানান, ভুল বোঝাবোঝির জন্য এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যা পুরোটাই অনাকাঙ্ক্ষিত। </body></HTML> 2019-11-16 17:19:11 1970-01-01 00:00:00 স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল সম্পাদক বাবু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85455 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903067_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573903067_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আফজাল বাবু। শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের তৎকালীন সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনকে আহ্বায়ক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রথম কমিটি গঠিত হয়। ২০০২ সালে প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাধারণ সম্পাদক হন পঙ্কজ দেবনাথ। সর্বশেষ ২০১২ সালে মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি প্রায় ১৭ বছর ধরে সংগঠনটির নেতৃত্বে ছিল। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও কমিটি হয়নি সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ এ দুই ইউনিটের। কেন্দ্রীয় সম্মেলনের দিনই এ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির অভিভাবক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সে হিসেবে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন।<br><br>রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেবার মানসিকতা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে এই সেবার মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে হবে। শুধু তাই নয়, নিজেরাও একটা সুশৃঙ্খল জীবন-যাপন করতে হবে, যাতে শিশু-কিশোরদের মাঝে সেবার মানসিকতা গড়ে ওঠে এবং তারা উদ্বুদ্ধ হয়। </body></HTML> 2019-11-16 17:17:19 1970-01-01 00:00:00 লন্ডভন্ড শিডিউল আর বন্ধ এসএমএস সার্ভিসে ভোগান্তিতে ট্রেনযাত্রীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85454 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573902973_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573902973_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা বেনাপোল এক্সপ্রেসের। কিন্তু সেই ট্রেন কমলাপুর থেকে ছাড়ল সকাল সাড়ে ৬টায়। সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছাড়ার কথা সকাল ৬টা ২০ মিনিটে। কিন্তু সাড়ে ৬টা পেরিয়ে ঘড়ির কাঁটা ৯টায় ঠেকলেও ট্রেনের কোনো খবর নেই।<br>এমন লন্ডভন্ড শিডিউল চলছে রেলে। গন্তব্য জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের চালু করা এসএমএস সার্ভিস অকেজো হয়ে রয়েছে। ফলে যাত্রীরা মোবাইলে এসএমএস দিয়েও জানতে পারছেন না ট্রেনের গন্তব্য। লন্ডভন্ড শিডিউল আর অকেজো এসএমএস সার্ভিসের কারণে শনিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রেনযাত্রীরা। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা যায়, কয়েকশ মানুষ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। তাদের একজন শামীম।<br><br>তিনি বলেন, যশোর যাওয়ার জন্য দুইদিন আগে বেনাপোল এক্সপ্রেসের টিকিট কিনি। সময় অনুযায়ী রাত সাড়ে ১২টার আগেই স্টেশনে পৌঁছায়। পরে শুনি ট্রেন আসতে দেরি হবে। এসএমএস দিয়ে ট্রেনের গন্তব্য জানার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। এসএমএস দিলে বারবার ফিরতি এসএমএস আসছে ‘ডাটা নট এভেলেবেল’। তিনি বলেন, সিডিউল ঠিক না থাকার পাশাপাশি এসএমএস সার্ভিস বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত স্টেশনে বসে রয়েছি। রাত সাড়ে ১২টার ট্রেন সকাল ৬টাতেও পাইনি। শুনছি সাড়ে ৬টায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ছাড়বে। বাস্তবে কি হয় দেখি।<br><br>সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী সেজান বলেন, অধিভুক্ত সাত কলেজের পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসেছিলাম। গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর যাওয়ার জন্য সুন্দরবন এক্সপ্রেসের টিকিট কিনি। সুন্দরী ট্রেন ছাড়ার কথা সকাল ৬টা ২০ মিনিটে। রাত থেকে কয়েকবার ট্রেনের গন্তব্য জানতে মোবাইলে এসএমএস দিয়েছি। কিন্তু কোনোবারই ট্রেনের গন্তব্য জানতে পারিনি। এসএমএস দিলে ফিরতি এসএমএস আসছে ‘ডাটা নট এভেলেবেল’।<br>তিনি বলেন, এসএমএসের মাধ্যমে ট্রেনের গন্তব্য জানতে না পারার কারণে সকাল ৬টার দিকে স্টেশনে আসি। স্টেশনে এসে শুনি ট্রেন যমুনা সেতুর কাছে। কমলাপুর পৌঁছাতে ৯টা বাজতে পারে। উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই স্টেশনেই বসে রয়েছি। </body></HTML> 2019-11-16 17:15:10 1970-01-01 00:00:00 ডাবল সেঞ্চুরিয়ান পেঁয়াজ পড়ে আছে ‘ভাগাড়ে’! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85453 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573899096_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573899096_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পেঁয়াজের ঝাঁজে নাজেহাল দেশের রসুইঘর থেকে জাতীয় সংসদ। উচ্চমূল্যের সেই পেঁয়াজই নাকি পরে আছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘ভাগাড়ে’!<br>শুধুই কি ভাগাড়, গতকাল শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর কে বা কারা নগরের ফিরিঙ্গীবাজার ব্রিজঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীতেও ফেলে গেছে ৭-৮ বস্তা পচা পেঁয়াজ। এসব ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নগরবাসীর মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তারা বলছেন, দাম বাড়াতে অতি মুনাফার লোভে গুদামজাত করা পেঁয়াজ এখন পচে নষ্ট হচ্ছে। মুনাফার লোভে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি না করে, সেই পচা পেঁয়াজ এখন ফেলা হচ্ছে ভাগাড়ে-নদীতে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ পচা হওয়ায় তারা সেগুলো ফেলে দিচ্ছেন। এ কারণে তাদের ব্যাপক লোকসান হচ্ছে। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক সৈয়দ আহমদ সফা মাতব্বর জানান, গত তিন-চারদিন ধরে খাতুনগঞ্জসহ নগরের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার থেকে বেশি পরিমাণ পচা পেঁয়াজ সরাতে হয়েছে। পচে নষ্ট হওয়া এসব পেঁয়াজ ফেলা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের ভাগাড়ে। তবে খাতুনগঞ্জের আজমীর ট্রেডিংয়ের মালিক ও পেঁয়াজ আরৎদার মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘মজুত পেঁয়াজ নয়, সদ্য মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটা অংশ পচা। বুলবুলের কারণে টেকনাফ স্থলবন্দরে আটকে পড়া পেঁয়াজের চালান এখন ঢুকছে। পানিতে সেসব পেঁয়াজের অনেকাংশই পচে গেছে। ব্যবসায়ীরা সেসব পেঁয়াজ ভাগাড়ে আর নদীতে ফেলছে।’ </body></HTML> 2019-11-16 16:10:01 1970-01-01 00:00:00 শীতের আগেই ঢাকার বাতাসে ‘বিপদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85452 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573875279_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573875279_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ‘অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে উঠেছে রাজধানীর বাতাস। এরই মধ্যে ঢাকার বাতাসে ভাসমান বস্তুকণার উপস্থিতি সহনীয় মাত্রার চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। মেট্রোরেলসহ চলমান কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে রাজধানীর কয়েকটি এলাকা ধুলার রাজ্যে পরিণত হয়েছে, সঙ্গে যোগ হয়েছে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ইটভাটার দূষণ। বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রিনপিস ও এয়ার ভিজুয়ালের গবেষণায় বিশ্বের বিভিন্ন রাজধানী শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকার তথ্য এলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালত ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে ধুলাপ্রবণ এলাকাগুলোতে দিনে দু’বার পানি ছিটানোসহ বেশ কিছু ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিলেও পরিস্থিতির খুব একটা হেরফের হয়নি। শীত এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করেছে। কিন্তু তা সামাল দিতে সরকারি দফতরগুলোর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।<br><br>পরিবেশ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বায়ুদূষণ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কথা বলেছেন। পরিবেশ অধিদফতর বলছে, চলতি মাসের শুরুতেই ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ মাত্রায় পৌঁছে যায়। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বৃষ্টির কারণে বাতাসে ভাসমান বস্তুকণার পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। তারপর আবার তা বাড়তে শুরু করে এবং ১৩ নভেম্বর তা ২৩০ পিপিএমে, অর্থাৎ ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ মাত্রায় পৌঁছে যায়।<br>অধিদফতরের বায়ুমান ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক জিয়াউল হক বলেন, ঢাকা শহরে অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, গাড়ির ধোঁয়া ও আশপাশের ইটের ভাটাগুলোর কারণে প্রতিবছর এ সময় বায়ুদূষণ বেড়ে যায়। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা ও পুরান ঢাকার কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব সড়কেই উড়ছে ধুলা। মিরপুর ১৪ নম্বর থেকে ভাসানটেক যাওয়ার সড়কটির নির্মাণকাজ চলছে প্রায় এক বছর ধরে। দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সড়কটি সম্প্রসারণ হচ্ছে, পাশাপাশি চলছে নিষ্কাশন নালা বসানোর কাজ।<br><br>এ সড়কে প্রতিদিন সকালে একবার পানি ছিটিয়ে যায় সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি। কিন্তু রোদে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর আবার ধুলায় ডুবে যায়। একই অবস্থা মিরপুরের কালশী রোড, ইসিবি চত্বর, মিরপুর-১২ নম্বর এলাকায়। উত্তরার বিভিন্ন সড়কেও ধুলার উপদ্রব দেখা গেছে। পুরান ঢাকার লালবাগ, আজিমপুর, চকবাজার, বেগমবাজার, ইমামগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে ধুলা উড়তে দেখা গেছে। বাণিজ্যিক এলাকা ইমামগঞ্জ, বেগম বাজার, চকবাজারে মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে আসে ধুলা। শীতে বাতাসের মান খারাপ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্রের রোগ বেশি হতে পারে।<br><br>এ ছাড়া চর্মরোগ, বয়স্ক মানুষের শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা হয়। বিশেষ করে বাচ্চারা এবং বয়স্করা বায়ুদূষণের কারণে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। এদিকে ধুলা রোধে দুই সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমে সন্তুষ্ট নন নাগরিকরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) পানির নিজস্ব কোনো উৎস নেই। ওয়াসার পাম্প থেকে পানি নিয়ে বিভিন্ন সড়কে ছিটায় ডিএসসিসির ১১টি গাড়ি। কিন্তু এ বছর ওয়াসা পানি না দেয়ায় সড়কে পানি ছিটানো যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপদেষ্টা খন্দকার মিল্লাতুল ইসলাম। পানি ছিটানোয় দক্ষিণের চেয়ে কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। এখানকার ১২টি ওয়াটার বাউজার ৪০০-৫০০ কিলোমিটার এলাকায় দিনে দু’বার পানি ছিটানো হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির যান্ত্রিক বিভাগের শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল হাসনাত। </body></HTML> 2019-11-16 09:33:57 1970-01-01 00:00:00 সাকিবকে ছেড়ে দিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85451 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573875101_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573875101_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) পরবর্তী আসরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সিতে দেখা যাবে না সাকিব আল হাসান। কারণ এই বাংলাদেশি অলরাউন্ডারসহ পাঁচ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়েছে দলটি। জানা গেছে, জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন করায় সাকিবকে এক বছর নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পেশাদার ক্রিকেট থেকে এক বছর নিষিদ্ধ থাকার কারণে আইপিএলে হায়দরাবাদের রিটেইনের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন সাকিব। এর আগে ২০১৮ সালে সাকিবকে ছেড়ে দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপর নিলামে তাকে কিনে নেয় সানরাইজার্স। তবে এই দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি বাংলাদেশের সদ্য সাবেক টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। সাকিব ছাড়াও ইউসুফ পাঠান, মার্টিন গাপটিল, দীপক হুডা ও রিকি ভুইকেও ছেড়ে দিয়েছে হায়দরাবাদের দলটি।<br><br> </body></HTML> 2019-11-16 09:30:27 1970-01-01 00:00:00 দুর্ঘটনায় মারা গেছেন মহাত্মা গান্ধী! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85450 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874987_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874987_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>দুর্ঘটনার কারণে ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু হয়েছে। এই তথ্য দিচ্ছে দেশটির উড়িষ্যা রাজ্য সরকার। উড়িষ্যার and nbsp; সরকারি স্কুলগুলোতে পাঠানো বুকলেটে এমনই তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই and nbsp; ভারতজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। and nbsp; ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, ওই ঘটনার জন্য উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েককে ক্ষমা চাইতে হবে বলে and nbsp; অবিলম্বে মারাত্মক ওই ভুলটি ঠিক করে নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। and nbsp; এদিকে, and nbsp; উড়িষ্যার স্কুল ও জনশিক্ষা মন্ত্রী সমীররঞ্জন দাস জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে and nbsp; বির্তক শুরু হতেই তদন্ত করা হচ্ছে বলে । এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। <br><br>সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে and nbsp; দু পাতার একটি বুকলেট প্রকাশ করে উড়িষ্যা and nbsp; শিক্ষা দপ্তর। 'আমাদের বাপুজী : এক ঝলক' নামে ওই বুকলেটে সংক্ষিপ্ত আকারে মহাত্মা গান্ধীর জীবনী, কর্মকাণ্ড এবং and nbsp; উড়িষ্যার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে। আর সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি দিল্লির বিড়লা হাউসে দুর্ঘটনাজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। এই বুকলেটের কথা প্রকাশ্যে আসার পরে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন উড়িষ্যার প্রাক্তন মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা নরসিংহ মিশ্র। <br><br>তিনি বলেন,মারাত্মক ও ক্ষমার অযোগ্য ভুল হয়েছে। সরকারের মাথা হিসেবে বুকলেটে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য অবিলম্বে পট্টনায়েকের ক্ষমা চাওয়া উচিত। ওই বুকলেটও বাতিল করে দেওয়া হোক।’ তিনি বিজু জনতা দলের সরকার গান্ধী বিদ্বেষীদের পক্ষ নিয়ে মহাত্মা সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন। and nbsp; তিনি দাবি করেন, প্রত্যেকটি শিশুর অধিকার আছে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী কীভাবে মারা গেলেন সেই ঘটনা জানার। কিন্তু, তাঁর বিরোধীদের খুশি করতে গিয়ে মিথ্যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। সিপিএম-সহ অন্য বিরোধীরাও বলছে, গান্ধী বিরোধীদের সন্তুষ্ট করতেই ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে। <br>সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন <br><br> </body></HTML> 2019-11-16 09:28:17 1970-01-01 00:00:00 চারদিনের সফরে সন্ধ্যায় আমিরাতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85449 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874776_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874776_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুবাই এয়ার শোসহ আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চারদিনের সরকারি সফরে আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসক মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে উপসাগরীয় এ দেশটি সফরে যাচ্ছেন।<br>আমিরাত এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে দুবাইয়ের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে। ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।<br><br>বিমানবন্দরে অভ্যর্থনার পর আনুষ্ঠানিক মটর শোভাযাত্রা সহকারে তাকে দুবাইয়ের হোটেল শাংরি-লায় নিয়ে যাওয়া হবে। দুবাই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী এই হোটেলেই অবস্থান করবেন। ১৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও সফল এয়ার শো এবং মধ্যপ্রাচ্য এশিয়া ও আফ্রিকার বৃহত্তম এয়ারোস্পেস ইভেন্ট দুবাই এয়ার শো-২০১৯-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সারা বিশ্বের ৮৭ হাজার অংশগ্রহণকারী ও ১ হাজার ৩শ’ এক্সিবিটর দুবাইয়ের ভবিষ্যৎ বিমান বন্দর দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এ উপলক্ষে সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।<br>আগামী ১৭ থেকে ২১ নভেম্বর দুবাইয়ের আকাশে দ্বিবার্ষিক এই এয়ার শোটি অনুষ্ঠিত হবে। আশা করা হচ্ছে এটি ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত এয়ার শো সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৭ সালের শুরু থেকে ১১৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যে অর্ডার পাওয়া গিয়েছিল। এতে ৬৩টি দেশের ৭৯ হাজার ৩৮০ জন যোগদানকারী ও ১২শ’ এক্সিবিটরকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। চারদিনের আমিরাত সফর শেষে ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।<br><br>প্রধানমন্ত্রীর দুবাই সফরের সময় তিনটি স্মারক সই হবে। এগুলোর দু’টি হচ্ছে- দুই দেশের বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি ও দুই দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সহযোগিতা চুক্তি এবং আরব আমিরাতের দুবাইতে বাংলাদেশ দূতাবাসের স্থায়ী ভবন নির্মাণে জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত প্রটোকল। গত বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৮ নভেম্বর আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভোটারলিস্ট প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে নির্বাচন কমিশনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন। মোমেন বলেন, শেখ হাসিনা দুবাইয়ের শাসক ছাড়াও আবুধাবির যুবরাজ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্রবাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মুহাম্মদ বিন জায়ের আল নাহিয়ান ও ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সুপ্রিম চেয়ারওমেন শেখ ফাতিমা বিনতে মোবারকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর আরব আমিরাতের বড় বিনিয়োগকারী গ্রুপ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সফরটি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে আরব-আমিরাতের বিনিয়োগের ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখবে এবং দু’দেশের বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। </body></HTML> 2019-11-16 09:25:39 1970-01-01 00:00:00 ককটেল ফাটিয়ে-গুলি করে দুই স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85448 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874589_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874589_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় ককটেল ফাটিয়ে ও গুলি করে লক্ষ্মী জুয়েলার্স ও নিউ দিপা জুয়েলার্স নামে দুই স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিউ দিপা জুয়েলার্সের মালিক দেবেন্দ্র কর্মকার দেবু গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। লক্ষ্মী জুয়েলার্সের মালিক মানিক চন্দ্র পাল জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৬-৭ জন লোক বস্তা হাতে তার দোকানে প্রবেশ করে। পরে বস্তা থেকে দা, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র বের করে ভয় দেখিয়ে দোকানে প্রদর্শন ও সিন্দুকে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। এ সময় তার পাশে অবস্থিত নিউ দিপা জুয়েলার্সেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে গেছে।<br><br>চলে যাওয়ার সময় তারা এলোপাতাড়িভাবে ৭ থেকে ৮ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় দোকান মালিক দেবেন্দ্র কর্মকার দেবু পেটে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় আল হেরা হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মানিক চন্দ্র পাল আরও জানান, তার দোকান থেকে ৬০-৭০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে গেছে ডাকাতরা। দিপা জুয়েলার্সের মালিক গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার দোকানের লুটের পরিমাণ জানা যায়নি।<br>শ্রীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। আশা করি খুব দ্রুতই ডাকাতির মালামাল ও জড়িতদের ধরতে পারবো। </body></HTML> 2019-11-16 09:22:06 1970-01-01 00:00:00 তূর্ণা নিশীথার চালক ও সহকারি ঘুমিয়ে ছিলেন: তদন্ত প্রতিবেদন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85447 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874409_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874409_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দূর্ঘটনায় ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত তদন্ত কমিটি শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। এতে তূর্ণা নিশীথার চালক ও গার্ডকে দায়ী করা হয়েছে বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সদস্য জানিয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান ও পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা রেলের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে কসবা উপজেলার মন্দবাগ স্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য তূর্ণার লোকোমাস্টার (চালক) মো. তাছের উদ্দিন, সহকারী লোকোমাস্টার অপু দে এবং ট্রেনটির গার্ড আবদুর রহমানকে দায়ী করা হয়েছে বলে তদন্ত কমিটির একাধিক সদস্য জানান। মন্দবাগ স্টেশনের বিপজ্জনক দুটি সংকেত অমান্য করে ট্রেন পার করার কারণে সোমবার রাতে মন্দবাগে দুর্ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়।<br><br>বিভাগীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিটির প্রধান ও পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মো. নাসির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের লোকোমাস্টার (চালক), গার্ড ও স্টেশন মাস্টারসহ ১৭ জনের সাক্ষ্য নিয়েছে। কিছু বিষয়ে কমিটির সদস্যরা একমত হতে পারেননি। এ জন্য প্রতিবেদন দাখিল একদিন পিছিয়ে যায়। বিভাগীয় পর্যায়ের তদন্ত কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ মো. হামিদুর রহমান, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী ফয়েজ আহামেদ ও বিভাগীয় টেলিসংকেত প্রকৌশলী (ডিএসটিই) মো. জাহেদ আরেফিন পাটোয়ারী তন্ময়।<br><br>গত সোমবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে কসবার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের আউটারে (বহিঃঅংশে) চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তনগর তূর্ণা নিশীথা এবং সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের সংঘর্ষ হয়। উদয়নের মাঝামাঝি তিনটি বগিতে সজোরে ঢুকে যায় তূর্ণা নিশীথা। এতে ১৬ জন যাত্রী নিহত এবং শতাধিক যাত্রী আহত হন। এ ঘটনায় রেল মন্ত্রণালয়, রেল ভবন ও বিভাগীয় রেলওয়ে কার্যালয় চারটি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের একটিসহ মোট পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।<br><br>রেলওয়ে সূত্র জানায়, পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তার (সিওপিএস) নেতৃত্বাধীন মূল কমিটি তদন্তকাজ শেষ করতে পারেনি। নিখুঁতভাবে প্রতিবেদন তৈরি এবং দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এই কমিটি আরও দুই থেকে তিনদিন সময় চেয়েছে। আগামী রোববার বা সোমবার মূল কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চলের সিওপিএস মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।<br><br>তদন্ত কমিটি সূত্র জানায়, পূর্বাঞ্চলের সিওপিএসের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের কমিটি লোকোমাস্টার, স্টেশন মাস্টার, গার্ড এবং প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪১ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন। পূর্বাঞ্চলের প্রধান দপ্তর সিআরবিতে বুধবার দিনভর তাঁদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এই কমিটির অন্য তিনজন সদস্য হলেন, পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী ও প্রধান সংকেত প্রকৌশলী। </body></HTML> 2019-11-16 09:19:44 1970-01-01 00:00:00 তৃতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় বাবাকে ছুরি মেরে হত্যা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85446 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874274_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874274_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তৃতীয় বিয়ে করার অনুমতি না পেয়ে নরসিংদীর পলাশে জমির উদ্দিন (৬২) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে ছেলে আরিফ মিয়া। এ ঘটনার পর থেকে আরিফ পলাতক রয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের চরআলী নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।<br>পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আজ শুক্রবার দুপুরে নিহতের ছেলে আরিফ মিয়ার পারিবারিক কলহ নিয়ে সালিশ-বৈঠক বসে। এতে শিবপুর উপজেলার সাধারচর ও পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের ইউপির বেশকিছু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সালিশে আরিফ তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তৃতীয় বিয়ের অনুমতি চায়। এ সময় উপস্থিত তার বাবা জমির উদ্দিন আপত্তি তোলেন।<br><br>এদিকে বিকেলে বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে আরিফ তার বাবাকে আটকিয়ে এলোপাথারি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জমির উদ্দিন। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। </body></HTML> 2019-11-16 09:17:27 1970-01-01 00:00:00 মন্ত্রীকে ডিঙ্গিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি, স্থগিত করলো কেন্দ্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=85445 http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874211_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/11/14/1573874211_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার ৩ দিনের মাথায় সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। নবগঠিত জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক প্রমাণিত হয়েছে জানিয়ে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টার্চায এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সেই সাথে অভিযোগ তদন্ত করতে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন কেন্দ্রে জমা করতে বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এদিকে জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের সংবাদ শুনে জুড়ী শহরে আনন্দ মিছিল করে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা। জানা যায়, বুধবার ( ১৩ নভেম্বর) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমীরুল হোসেন চৌধুরী আমীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এক বছরের জন্য ফয়ছল আহমদ সভাপতি ও সাহাব উদ্দিন সাবেলকে সাধারণ সম্পাদক করে জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।<br>কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আহমদের বিপত্তি বাদে। নানা অভিযোগ উঠে জুড়ী ছাত্রলীগের কমিটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি কেন্দ্র অবধি গড়ায়। একটি সূত্র নিশ্চিত করে জানায়, জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির জন্য মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের সাংসদ এবং পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আহমদ, জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ একটি তালিকা জেলা ছাত্রলীগের কমিটির কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু মন্ত্রী এবং উপজেলা আ.লীগের পাঠানো তালিকা ডিঙ্গিয়ে কমিটি ঘোষণা করে জেলা ছাত্রলীগ। মন্ত্রীর পাঠানো তালিকায় ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলকে সাধারণ সম্পাদক চাওয়া হয়। কিন্তু জেলা ছাত্রলীগ ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের নাম বাদ দিয়ে সাহাব উদ্দিন সাবেলকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করে। আর এ কারণে আপত্তি জানান মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।<br><br>জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাহাব উদ্দিন সাবেল মুঠোফোনে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কে বা কারা কেন্দ্রে অভিযোগ দিয়েছে। আমরা আজ শোডাউন দিয়ে এলাকায় এসেছি। পরে ফেসবুকে দেখি কমিটি স্থগিত। এক প্রসঙ্গে এ ছাত্রলীগ নেতা বলেন, নাম নিয়ে একটি দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। তবে জেলা ছাত্রলীগ আমাদের যোগ্য বলেই কমিটিতে স্থান দিয়েছে। জুড়ী উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদ বলেন, হয়ত মন্ত্রী মহোদয় কমিটি স্থগিত করাতে পারেন। কেননা ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম রয়েছে। আমাদের পাঠানো তালিকায় তাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু জেলা ছাত্রলীগ ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্বলের নাম বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণা করে।<br><br>কমিটি স্থগিত প্রসঙ্গে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বলেন, কোন কারণে কমিটি স্থগিত করা হয়েছে আমরা জানি না তবে স্থগিতের বিষয়টি আমরা জেনেছি। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মন্ত্রীর দেওয়া তালিকায় ‘জামায়াত ও চাঁদাবাজির’ সম্পৃক্ততা রয়েছে। সেজন্য তাকে বাদ দিয়েছি। তবে মন্ত্রী মহোদয়ের পাঠানো তালিকার ভেতর থেকেই কমিটি দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৩ এপ্রিল জুড়ী উপজেলা ও কলেজ শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তৎকালীন জেলা সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান রনি উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির নাম ঘোষণা ছাড়াই সম্মেলনের সমাপ্তি হয়। এরপর থেকে দীর্ঘ ১৯ মাস পর গত ১৩ নভেম্বর কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণার ৩ দিনের মাথায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ জুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়।<br>এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) লেখক ভট্টাচার্য বলেন, কমিটি অনুমোদনের আগে আমাদের অবগত করা হয়নি। এমন কি কমিটিতে যাদের দেওয়া হয়েছে তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক, পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত অনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রমাণসহ আমাদের কাছে এসেছে। সেই আলোকেই স্থগিত করা হয়েছে এবং কালই তদন্ত শুরু হবে। </body></HTML> 2019-11-16 09:16:27 1970-01-01 00:00:00