http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - জনপ্রিয় বিরোধী নেতার অভাবেই জয়ী মোদি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84133 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571581204_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571581204_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতাদের ক্রমাগত আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে তাতে নিজের মনের কথা প্রকাশ করতে দ্বিধাবোধ করছেন না অভিজিৎ। এবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে মুখ খুললেন এই নোবেলজয়ী। মোদির দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসা নিয়ে অর্থনীতিতে সদ্য নোবেলজয়ী অভিজিৎ বলেন, আমার মনে হয়, যে কোনো সরকার ১০০ টা জিনিস করে, আর মানুষকে তার প্রেক্ষিতেই ভোট দিতে হয়। মানুষ নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিয়েছেন, কারণ আর কোনো জনপ্রিয় নেতা ভোটারদের কাছে ছিলেন না। মানুষের কাছে আর কোনো নেতা ভোটের যোগ্য ছিলেন না। দেশটির একটি বেসরকারি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দেন, সরকারী নীতির ফলে নির্বাচনী জয় হয়, এমন তত্ত্ব মানতে নারাজ তিনি। তবে নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার কৃতিত্ব যে তাকে দিতেই হবে, তাও নিঃসঙ্কোচে বলেছেন নোবেলজয়ী। সেইসঙ্গে জানিয়েছেন, মোদির জয় মানেই এটা ঠিক নয় যে, তার নেয়া সব সিদ্ধান্তই সঠিক। গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রস্তাবিত ‘ন্যায়’ প্রকল্পের অন্যতম রূপকার ছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ন্যায় মূলত একটি ভাবধারা। ন্যায়তে শুধুমাত্র স্কিম ডিজাইন আমি করেছি। দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সমালোচনা করতেও পিছপা হননি অভিজিৎ। তিনি বলেন, দেশে বিরোধী দল হিসাবে কংগ্রেস অনেকটাই ক্ষীণ। তবে মূল আশঙ্কার বিষয়টা এখানেই তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন নোবেলজয়ী। অভিজিৎ বলেন, জোরাল বিরোধী শক্তি এই মুহূর্তে দেশে প্রয়োজন। নাহলে গণতন্ত্রের জন্য তা ভালো হবে না। অমর্ত্য সেনের পর নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতেছে বিজেপি। অভিজিত্ বাঙালি না মারাঠি, সেই বিষয়ে অকারণ প্রশ্ন তুলেছেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। অন্যদিকে অভিজিত্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুদ্ধি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় রেল ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুশ গয়াল। তথাগত রায় টুইট করে অভিজিতের জন্ম কলকাতায় না মহারাষ্ট্রে সেই প্রশ্ন করেন। পাশাপাশি অভিজিত্ কেন নামের মাঝে বিনায়ক ব্যবহার করেন, সেই প্রশ্নও করেন তিনি। নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদকে নিয়ে প্রশ্ন তোলায় অনেক ব্যাঙ্গের মুখে পড়তে হয় তাকে।<br>দেশটির কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও রেলমন্ত্রী পীযুশ গয়াল আরও একধাপ এগিয়ে সোজা অভিজিতের বুদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, অভিজিত্ কংগ্রেসের ন্যায় প্রকল্পের অনেক গুণগান করেছিলেন। কিন্তু দেশবাসী সেই ন্যায় প্রকল্পকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এর থেকে বোঝা যায় অভিজিতের বোধবুদ্ধি কোন স্তরের। </body></HTML> 2019-10-20 20:19:44 1970-01-01 00:00:00 ভারতীয় গ্রাম লক্ষ্য করে পাকিস্তানের হামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84132 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580914_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580914_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সীমান্তে ভারতীয় বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী। শনিবার রাতে ও রোববার সকালে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার মানিয়ারি গ্রামে পাক রেঞ্জার্স যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে ভারত।<br>ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের হিরানগরের সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট সুরেশ কুমার বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাঠুয়া জেলার হিরানগর সেক্টরের মানিয়ারি গ্রামে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে পাক রেঞ্জার্স। বেসামরিক এলাকা লক্ষ্য করে ভারী অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে এবং মর্টার শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে।<br>পাকিস্তানের হামলায় মানিয়ারি গ্রামে একজন দগ্ধ হয়েছে। তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের লোকজন একটি বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছে। ওই গ্রামের লোকজনকে প্রায়ই এমন গোলাগুলির সম্মুখীন হতে হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ যে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, আমরা ভাগ্যবান হামলার সময় শিশুরা ভেতরে ছিল না। পাকিস্তানকে এর যোগ্য জবাব দিতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি। পাকিস্তানের হামলায় ইতোমধ্যেই আমাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই বাসিন্দা বলেন, এখানে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাগুলি শুরু হয় আর পরদিন সকাল পর্যন্ত তা চলতে থাকে। আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কিছু করা উচিত। এদিকে, পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের ভেতরে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় হামলা শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সীমান্ত লঙ্ঘন করে পাক সেনাবাহিনীর ছোড়া গুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্যের প্রাণহানির প্রতিশোধে রোববার সকালের দিকে এই হামলা চালায় ভারত। এতে পাকিস্তানে ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই বলছে, আজাদ কাশ্মীর থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশের সক্রিয় চেষ্টা করেছে। পরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তাঙধর সেক্টরে আর্টিলারি গোলাবারুদ নিক্ষেপ করেছে। </body></HTML> 2019-10-20 20:14:50 1970-01-01 00:00:00 মেয়ে হওয়ায় হিলারিকে ফিরিয়ে দিয়েছিল নাসা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84131 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580865_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580865_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সম্প্রতি কোনো পুরুষ নভোচারীর সহযোগীতা ছাড়া মহাকাশে গিয়ে স্পেসওয়াক করেছেন দুই সদস্যের নারী নভোচারী দল। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এই দুই নারী মহাকাশচারী ক্রিস্টিনা কোখ ও জেসিকা মেয়ার শুধুমাত্র তাদের নয় গোটা নারীজাতীর সাহস ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। তাদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টন। এক টুইটে হিলারি জানিয়েছেন, তিনি মহাকাশচারী হতে চেয়ে নাসায় আবেদন করলে তারা কোনো মেয়েকে নেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিল। শুধুমাত্র মেয়ে হওয়ার কারণে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তার। সেই ঘটনার উল্লেখ করে হিলারি জানিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের ছোট ছোট মেয়েরা এই ঐতিহাসিক স্পেসওয়াক দেখল। and nbsp; তাদের আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নগুলো যেন কোনো গণ্ডিতে আটকে না পড়ে।<br>বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এতদিন নভোচারিদের পোশাক তৈরি করাই হতো পুরুষদের কথা মাথায় রেখে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের দেহের তাপমাত্রা বেশি। তাদের কথা মাথায় রেখে মহাকাশচারীর পোশাকে বিশেষ ‘ভেন্টিলেশন’ ও ‘কুলিং সিস্টেম’ থাকে। মেয়েদের শরীরের জন্য ওই পোশাক উপযোগী নয়। এ নিয়ে একটি প্রথম সারির মার্কিন পত্রিকার মহিলা সম্পাদক রসিকতা করে বলেন, ‘আমাদের অফিসও তো এ রকমই পুরুষ কর্মীদের কথা ভেবে তৈরী। কিউবিকলে বসে আমি ঠান্ডায় কাঁপি’। বতর্মানে নাসার কিছু পদক্ষেপে মনে করা হচ্ছে, এই ‘বৈষম্যের’ প্রতিকার হয়ত তারাও চায়। ২০২৪ সালে চাঁদে ফের মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে নাসার। এবার পৃথিবীর উপগ্রহে প্রথম মহিলা পাঠিয়ে তারা ফের নজির গড়তে and nbsp; চায়।<br>সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সেই পোশাকের আনুষ্ঠানিক প্রকাশও হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাসার অন্যতম কর্তা জিম ব্রাইডেনস্টাইন। শুধু নারী-পুরুষ নয়, সব ধরনের বিভেদ দুর করে যে কোনও উচ্চতার, যেকোনো মাপের, যেকোনো লিঙ্গের মানুষ যাতে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন, সে বিষয়টি মাথায় রেখে পোশাক তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ‘নাসা’। </body></HTML> 2019-10-20 20:14:09 1970-01-01 00:00:00 সিরিয়ায় অভিযান চালানোর অধিকার আছে ইসরায়েলের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84130 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580823_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580823_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, সিরিয়ার ভেতরে তৎপরতা চালানো এবং সেখানে যেকোনো ধরনের অভিযান চালানোর স্বাধীনতা ইসরায়েলের মৌলিক অধিকার। ইরানি সংবাদমাদ্যম পার্স ট্যুডের এক প্রতিবেদনে এমন খবর জানানো হয়েছে।<br>তিনি আরও বলেছেন, সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও ইরাক ও সিরিয়ার সীমান্তে গভীরভাবে দৃষ্টি রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয় দৈনিক জেরুজালেম পোস্টকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মাইক পম্পেও এসব কথা বলেন।<br>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইসরায়েলের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিরিয়ার অভ্যন্তরে তৎপরতা চালানোর অধিকার রয়েছে তেল আবিবের। এটি শুধু কোনো জাতিরাষ্ট্রের অধিকারই নয় বরং এটি করতে যেকোনো রাষ্ট্র বাধ্য।’<br>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক শেষে দৈনিক জেরুজালেম পোস্টকে ওই সাক্ষাৎকার দেন পম্পেও। নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে তিনি সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং তাদের ভাষায় দেশটিতে ইরানের বিরুপ আচরণ মোকাবিলাম বিষযয়ে আলোচনা করেন তারা। সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার পর ইসরায়েল এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে, এতে করে সিরিয়ায় ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হবে। সাক্ষাৎকারে মাইক পম্পেও বলেন, ‘ইরানের জনগণের খেয়াল করা উচিত গত মার্কিন প্রশাসন ও বর্তমান প্রশাসন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন এনেছে।<br>তিনি আরও বলেন, তাদের (ইরানিদের) ভাবা দরকার, ইরানের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যার কারণে আগামী দুই বছরে ইরানের অর্থনীতি শতকরা ১২ ভাগ কমে যাবে। এটা অনেক বড় পদক্ষেপ।<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 20:13:13 1970-01-01 00:00:00 মোদি সরকার কমেডি সার্কাস দেখাচ্ছে: প্রিয়াংকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84129 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580770_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580770_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বেহাল দশায় রয়েছে ভারত। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন দেশটির অর্থনীতিবিদরা। এমন অবস্থায় মোদি সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী পিয়াংকা গান্ধী। সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, সরকারের কাজ হল দেশের অর্থনীতির উন্নতি ঘটানো, কমেডি সার্কাস দেখানো সরকারের কাজ নয়। কংগ্রেস নেত্রী টুইটারে লেখেন, বিজেপি নেতারা নিজেদের কাজ না করে, শুধু অন্যের সমালোচনায় ব্যস্ত। এমনকি অন্যের সাফল্যকেও অস্বীকার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নোবেলজয়ী তার কাজে প্রতি নিষ্ঠা ও সৎ ছিলেন বলেই নোবেল জিতেছেন। সেই সত্য মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে বিজেপি সরকারের। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল শুক্রবার বলেছিলেন যে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী ভারতীয়-আমেরিকান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন বামপন্থী। কংগ্রেসের প্রস্তাবিত ন্যূনতম আয়ের প্রকল্প ‘ন্যায়’ তারই মস্তিষ্কপ্রসূত। এই ন্যায়কে ভারতীয় ভোটাররা প্রত্যাখ্যান করেছে। তা গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করেনি দেশের মানুষ। এই মন্তব্যের জন্য গোয়েলের নিন্দা করে প্রিয়াঙ্কা টুইট করেন, দেশের অর্থনীতি ভেঙে যাচ্ছে। আপনাদের কাজ অর্থনীতির উন্নতি করা। কমেডি সার্কাস চালানো নয়। </body></HTML> 2019-10-20 20:12:35 1970-01-01 00:00:00 চিলিতে দাঙ্গা-সহিংসতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84128 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580738_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580738_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>লাতিন আমেরিকার দেশ চিলিতে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া লোকজনের সঙ্গে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ ঘটেছে।<br>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে। লাতিন আমেরিকার স্থিতিশীল দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম চিলি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রোববার কারফিউ জারি করেছে সানতিয়াগো কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভকারীরা বাস, মেট্রো স্টেশনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং দাঙ্গা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সানতিয়াগো শহরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ বাস করে। আর্মি জেনারেল জেভিয়ার ইতুরিয়েজ বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এবং আজকের সহিংস কর্মকাণ্ডের ঘটনায় আমি স্বাধীনতা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কারফিউ জারি করা হচ্ছে। জরুরি অবস্থার মধ্যে তিনি নিরাপত্তা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করছেন। এএফপির একটি ভিডিওতে দেখা গেছে উন্মত্ত জনতাকে হটাতে জল কামান নিক্ষেপ করছে দাঙ্গা পুলিশ। সানতিয়াগো এবং অন্যান্য শহরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। মেট্রোর ভাড়া বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করেই এই বিক্ষোভের সূচনা। মেট্রোর ভাড়া ৮শ পেসো থেকে ৮৩০ পেসো করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভের কারণে পুরো মেট্রো সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শনিবার প্রেসিডেন্ট সেবাসতিয়ান পিসেরা ঘোষণা দেন যে, অতিরিক্ত ভাড়া বাতিল করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-10-20 20:11:43 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রে মাছ নিয়ে তুলকালাম দেখামাত্রই হত্যার নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84127 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580670_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580670_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>একটি মাছের প্রাজাতি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। স্নেকহেড নামের মাছের ওই প্রজাতিকে ভয়ঙ্কর হিসেবে বর্ণনা করেছে দেশটির জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগ। এই মাছের দেখা পেলে সাথে সাথে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন তারা।<br>উত্তরাঞ্চলীয় ‘স্নেকহেড’ মাছ দেখতে লম্বাটে ও চিকন। এর মাথা দেখতে অদ্ভূত রকম চ্যাপ্টা। এটি উচুঁ মানের শিকারী প্রাণী এবং এর ক্ষুধা অফুরন্ত। এই মাছ অন্যান্য জাতের মাছ থেকে শুরু করে ব্যাঙ, কাঁকড়া সবই সাবাড় করে ফেলে। এটি দেখতে ৮০ সেন্টিমিটারের মতন লম্বা হতে পারে। এমনকি পানি ছাড়াও এই মাছ নিশ্বাস নিতে পারে এবং চলাফেরা করতে পারে। আর এ কারণেই এই প্রাণী এক জলাশয় থেকে আরেক জলাশয়ে চলে যেতে পারে। এই মাছ যদি একবার অন্য আরেক জায়গায় পৌঁছাতে পারে তাহলে এর বিস্তার ঠেকানো মুশকিল। স্নেকহেড মাছের নারী সদস্যরা বছরে দশ হাজার পর্যন্ত ডিম দেয়। স্নেকহেড মূলত চীন, রাশিয়া ও কোরিয়া অঞ্চলের মাছ। কিন্তু প্রায় এক দশক আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত চার জাতের স্নেকহেডকে অ্যামেরিকায় সনাক্ত করা গেছে।তবে, শুরুতে মূলত পালনের উদ্দেশ্যেই এই মাছকে যুক্তরাষ্ট্রের জলাশয়ে ছাড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। জর্জিয়া ছাড়াও ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্ক, ভার্জিনিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, ম্যাসাচুসেট্স ও মেরিল্যান্ডে এই মাছ পাওয়া গেছে। মেরিল্যান্ডেই ২০০২ সালে প্রথমে এই মাছকে সনাক্ত করা হয়। জর্জিয়াতে স্নেকহেড মাছকে সনাক্ত করার পর অক্টোবরের ৮ তারিখেই সেখানে জনসচেতনতা মূলক একটি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।<br>পানি ছাড়াও যে এই মাছ বেঁচে থাকতে পারে সেই কথা উল্লেখ করে ডিপার্টমেন্ট অফ ন্যাচারাল রিসোর্স (ডিএনপি) জনগণের উদ্দেশে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। মৃত স্নেকহেড দেখলেও সেটির ছবি তুলতে এবং সেটিকে ঠিক কোথায় পাওয়া গিয়েছে সেই বিষয়ে নোট নিতে তাগিদ দেয়া হয়েছে সেই নির্দেশনায়।<br>জর্জিয়া ডিএনপির ফিশিং অপারেশন্স ম্যানেজার স্কট রবিনসন বলেছেন, ‘এটি একটি দুরূহ কাজ হলেও এদের সবগুলোকেই খুঁজে বের করা হবে। এখানে এরা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে না।’<br>ডাঙ্গাতেও কী করে এই মাছ বেঁচে থাকতে পারে সেই বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের এভলিউশনারি ইকোলজি এন্ড একোয়াটিক বাইয়োলোজি বিভাগের অধ্যাপক মার্টিন জেনার। তিনি বলেন, ‘এশিয়াতে, তাদের নিজস্ব প্রাকৃতিক পরিমণ্ডলে এই মাছটি সাধারণত কম অক্সিজেনপূর্ণ পরিবেশে যেমন ধানক্ষেতে বা পানিতে অর্ধেক ডুবে থাকা বনাঞ্চলে থাকে’। এরকম পরিবেশে থাকার কারণে এই মাছগুলোকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন কৌশল আয়ত্বে আনতে হয়। মূলত এসব পরিবেশে এই মাছগুলো তাদের অক্সিজেন গ্রহণের পরিমাণকে সর্বোচ্চ বাড়িয়ে নেয়। জেনার বলেন, এই জাতের মাছের গিল বা ফুলকার পেছনে বাতাসের একটি চেম্বার থাকে। এটিকে বলা হয় সুপ্রাব্রাঞ্চিয়াল চেম্বার। সাধারণত, মাছেরা তাদের ফুলকার সাহায্যে দম নেয় এবং এর মাধ্যমেই অক্সিজেন আসা-যাওয়া করে। <br>মাছ পানির উপরিতলে উঠে আসতে এবং যে কোনো দিকে যেতে সক্ষম। তারপর তারা পানির গভীরে চলে যায় এবং অক্সিজেন ব্যবহার করে।<br>কিন্তু এই স্নেকহেড মাছগুলো পানির উপরিভাগে উঠে এসে কিছু বায়ু বুকে ভরে নেয় এবং তারা একেবারে জলের গভীর তলানিতে নেমে যেতে পারে। সেখানে প্রয়োজন হলে তারা তাদের চেম্বারের অক্সিজেন ব্যবহার করে।<br>স্নেকহেড মাছগুলো ডাঙ্গাতেও দম নিতে পারে। যার কারণে তারা আসলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তর করতে সক্ষম। ট্রপিক্যাল বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে জলাভূমিগুলো প্রায়শই শুকিয়ে যায়। তাই, মাছগুলোকে তখন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে হয়।<br>স্নেকহেড ডাঙায় চলাফেরা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এই কাজটি স্নেকহেড খুব কৌশলে করে। মাছগুলো পাখনা ব্যাবহার করে বুকে ভর দিয়ে এগিয়ে চলে। কিন্তু পানির বাইরেও একটা সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তারা বেঁচে থাকতে পারে কারণ তারা ঢোক গেলার মাধ্যমে বায়ু গ্রহণ করে সেটিকে শ্বাসের কাজে লাগাতে পারে।<br>মিজেনার বলেন, স্নেকহেডই ডাঙ্গাতে বেঁচে থাকা একমাত্র মাছ নয়। ক্যাটফিশের মতন অন্য এমন আরো কিছু প্রজাতির মাছ রয়েছে যারা স্থলেও অক্সিজেন ব্যবহারে সক্ষম। এছাড়া লাংফিশ-ও ডাঙাতে দম নিতে পারে। লাংফিশেরও মানুষের মতন ফুসফুস রয়েছে।<br>তবে, লাংফিশের ফুসফুস মানুষের মতন দম নেয়া ও দম ছাড়ার কাজ করে না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফুসফুসের ভেতর হাওয়া ভরে নেয় লাংফিশ এবং পরবর্তীতে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে তা ব্যাবহার করে।<br>গৌরামিস নামে আরেক জাতের মাছেরও ফুসফুসের মতন একটি অঙ্গ রয়েছে। সেটি ফুসফুসের মতই কাজ করে এবং দম নিতে সাহায্য করে। এই মাছগুলোও ডাঙায় স্বল্প দূরত্বে চলাফেরা করতে পারে।<br>প্রতিকূলতা সহ্য করে টিকে থাকতে পারে স্নেকহেড। তাই, একে মোকাবেলায় তীব্র সতর্ক অবস্থানে জর্জিয়ার কর্তৃপক্ষ। যে সব ব্যক্তি জলাশয়ে ছিল এবং স্নেকহেডের সংস্পর্শে এসেছে তাদের সকল পোশাক-আশাক, যন্ত্রপাতি, নৌকা ও পোষা কুকুরকেও ভালো করে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নেবার তাগিদ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।<br>খাদক প্রকৃতির মাছ স্নেকহেড থাকলে অন্য প্রজাতির খাদ্য-শৃঙ্খলে ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতি সামান্য অক্সিজেন হলেই স্নেকহেড জলাশয়ে টিকে থাকতে পারে বিধায় অন্যান্য প্রজাতির মাছ যেমন ট্রাউট ও ব্যাসের চেয়ে স্নেকহেড রয়েছে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে।<br>এই মাছের ভয়ংকর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। এটিকে নিয়ে ইতোমধ্যেই একটি প্রামাণ্যচিত্র বানিয়েছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক। সেই তথ্যচিত্রের নাম দেয়া হয়েচে ‘ফিশজিলা’। </body></HTML> 2019-10-20 20:08:43 1970-01-01 00:00:00 লক্ষণ-স্মিথের স্বপ্নের দলে তামিম-সাকিব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84126 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580252_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580252_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ঘরের মাঠে দূর্বার, দুর্দমনীয়, অপ্রতিরোধ্য ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের মাঠে ভারতের সাফল্যের হার ঈর্ষণীয়। নিজেদের দেশে সবশেষ ৩২ টেস্টের মধ্যে মাত্র একটিতে হেরেছে বিরাট কোহলির দল। একটানা জিতেছে ১১টি টেস্ট সিরিজে। ভারতকে হারানোর মতো কোনো দলই যেন নেই। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা বা নিউজিল্যান্ড- কোনো দলই ভারতের মাটি থেকে টেস্ট সিরিজ জিতে ফিরতে পারেনি। বারবার ফিরতে হয়েছে ব্যর্থ হয়ে।<br>তাই খানিক মজার ছলেই ভারতের মাটিতে ভারতকে টেস্টে হারানোর জন্য সারা বিশ্বের সব দেশ থেকে মিলিয়ে একটি ‘ড্রিম টিম’ বানিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। যে দলে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল।<br>এই ড্রিম টিমের ইনিংস সূচনার দায়িত্বই থাকবে তামিমের কাঁধে, যেখানে তার সঙ্গী থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডিন এলগার। সাকিব সামাল দেবেন অলরাউন্ডারের জায়গাটি। এছাড়া কেন উইলিয়ামসন, স্টিভেন স্মিথের মতো তারকারা স্বাভাবিকভাবেই রয়েছেন এ দলে। তবে এই একাদশের অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেননি স্মিথ ও লক্ষ্মণ।<br>স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সঙ্গ দিতে রাখা হয়েছে বর্তমান সময়ের আরেক সেরা পেস বোলিং অলরাউন্ডার বেন স্টোকসকেও। এ দলের উইকেটরক্ষকের দায়িত্বে থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা উইকেটরক্ষক কুইন্টন ডি কক।<br>বোলিং ডিপার্টমেন্টে দুই অলরাউন্ডার সাকিব ও স্টোকস ছাড়াও রাখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দুই বোলার- ডানহাতি পেসার প্যাট কামিনস ও অফস্পিনার নাথান লিয়নকে। এছাড়া ইংল্যান্ডের ডানহাতি পেসার জোফরা আর্চার থাকবেন পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে।<br>লক্ষণ-স্মিথের স্বপ্নের দল:<br>ডিন এলগার (দক্ষিণ আফ্রিকা), তামিম ইকবাল (বাংলাদেশ), কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড), স্টিভেন স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া), বাবর আজম (পাকিস্তান), সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ), বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড), কুইন্টন ডি কক (দক্ষিণ আফ্রিকা), প্যাট কামিনস (অস্ট্রেলিয়া), জোফরা আর্চার (ইংল্যান্ড) এবং নাথান লিয়ন (অস্ট্রেলিয়া)। </body></HTML> 2019-10-20 20:03:56 1970-01-01 00:00:00 টি-টেনের মঞ্চ মাতাবেন শাকিব খান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84125 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580218_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580218_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাটে টি-টেন লিগ শুরু হচ্ছে নভেম্বরে। আর নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া তারকারদের নাম জানা গেছে। এ আসরে উপমহাদেশের সব তারকাদের সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। এরইমধ্যে টুর্নামেন্টের প্লেয়ার ড্রাফট হয়ে গেছে। নিজেদের মতো করে দল গুছিয়ে নিয়েছে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। এখন অপেক্ষা নতুন আসরের। টি-টেন ক্রিকেট লিগের প্রতি বছরেই জমকালো অনুষ্ঠান। যেখানে অংশ নেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি তারকারা?<br>নভেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টর উদ্বোধনীতে থাকছেন বলিউড শিল্পী নোরা ফাতেহি। এছাড়া আরও থাকবেন শাকিব খান, পাকিস্তানের সংগীত শিল্পী আতিফ আসলাম, প্রভাতী নায়ার ও হুসাইন খাজারওয়ালা ।<br>টি-১০ লিগের এই মৌসুমে বাংলাদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাংলা টাইগার্স নামে দল নিয়েছে। তাই বাংলাদেশি দর্শকদের এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে থাকবে বাড়তি উন্মাদনা। আর দর্শকদের এই চাহিদা মেটাতে কিং খান খ্যাত বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খান। </body></HTML> 2019-10-20 20:03:19 1970-01-01 00:00:00 ছক্কা মেরে ডাবল সেঞ্চুরি রোহিতের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84124 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580177_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580177_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ক্যারিয়ারের বসন্তই যেন পার করছেন ভারতীয় তারকা ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। ব্যাট হাতে নামতেই যেন হচ্ছে একের পর এক রেকর্ড। রাঁচি টেস্টের প্রথমদিনই সেঞ্চুরি করে গড়েছিলেন একাধিক রেকর্ড। এবার সেই সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়ে আরও ভারী করেছেন রেকর্ডের খাতা। ব্যক্তিগত ১৯৯ থেকে ডাবল সেঞ্চুরি করতে প্রায় ৫০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে রোহিতকে। এটি অবশ্য হয়েছে লাঞ্চ ব্রেকের কারণে। রোহিত যখন অপরাজিত ১৯৯ রানে তখনই ৪০ মিনিটের লাঞ্চ ব্রেকের ঘোষণা দেন আম্পায়ার। পরে দ্বিতীয় সেশনে নেমে প্রথম ওভার পুরোটাই মেইডেন খেলেন রোহিত। ফলে অপেক্ষা যায় বেড়ে। তবে অপেক্ষাটা বেশি দীর্ঘায়িত করেননি এ মারকুটে ওপেনার। নিজের মুখোমুখি পরের ওভারের প্রথম বলেই লুঙ্গি এনগিডির করা শর্ট পিচ ডেলিভারিটিকে নিজেদের ড্রেসিংরুমের সামনে আছড়ে ফেলেন রোহিত। ফলে সেঞ্চুরির মতোই ডাবল সেঞ্চুরিটিও ছক্কা মেরেই পূরণ হয় তার। ভারতের টেস্ট ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ছক্কা মেরে ডাবল সেঞ্চুরি করেন রোহিত। টেস্ট ক্যারিয়ারের এরই মধ্যে ৫টি সেঞ্চুরি থাকলেও, ডাবল সেঞ্চুরি আজকেরটিই প্রথম। এরই মাধ্যমে বিশ্বের মাত্র চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডে ও টেস্ট- উভয় ফরম্যাটে ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হলেন তিনি। চারজনের এ তালিকাটি হলো শচিন টেন্ডুলকার, ভিরেন্দর শেবাগ, ক্রিস গেইল ও রোহিত শর্মা।<br>এদিকে রোহিতের এ ডাবল সেঞ্চুরির মাধ্যমে চলতি সিরিজে ভারতের ব্যাটসম্যানদের ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যা দাঁড়ালো তিনে। এবারই প্রথম এক সিরিজে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেলো ভারত। প্রথম ম্যাচে মায়াঙ্ক আগারওয়াল (২১৫), দ্বিতীয় ম্যাচে বিরাট কোহলি (২৫৪*) এবং তৃতীয় ম্যাচে এসে দুইশ রান করলেন রোহিত।<br>ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করা ছক্কাটি আবার রোহিতের টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০তম ছক্কা। সেই ছক্কার এক বল পরই আরেকটি ছক্কা হাঁকান রোহিত। ফলে চলতি সিরিজে তার ছক্কার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯-এ। যা এরই মধ্যে এক সিরিজে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড। তবে দ্বিশতকে পৌঁছে বেশি দূর যেতে পারেননি রোহিত। আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ২১২ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করা এ ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ২৮ চার ও ৬ ছক্কার মারে। আউট হওয়ার পর চলতি সিরিজে রোহিতের মোট রান দাঁড়িয়েছে ৫২৯। ভারতের পঞ্চম ওপেনার হিসেবে এক সিরিজে পাঁচ শতাধিক রানের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। রোহিতের আগে সুনিল গাভাস্কার (৫ সিরিজে), ভিরেন্দর শেবাগ, ভিনু মানকড় এবং বুধি কুন্দেরান দেখিয়েছিলেন এ কীর্তি। </body></HTML> 2019-10-20 20:02:36 1970-01-01 00:00:00 ১৪ বছর প্রেমের পর বিয়ে করলেন নাদাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84123 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>প্রায় ১৪ বছর প্রেম করার পর প্রেমিকা ম্যারি জিসকা পেরেলোর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন সাবেক নাম্বার ওয়ান টেনিস তারকা রাফায়েল নাদাল। শনিবার মায়োর্কার লা ফোরতাজেলাতে একটি জাকজমকপূর্ণ তবে অভ্যন্তরীণ আয়োজনের মাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠান সারেন নাদাল। অনুষ্ঠানটি এতোটাই গোপনীয়তার সঙ্গে করা হয়েছে যে আমন্ত্রিত ৩৫০ জন অতিথি ব্যতীত আর কেউই ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। যার ফলে বিয়ের কোনো ছবিই এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি স্পেনের গণ মাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্পেনের প্রাক্তন রাজা হুয়ান কার্লোসও।<br>নাদালের বিয়ের কথা জানা গিয়েছিল চলতি বছরের শুরুতেই। অক্টোবরে বিয়ে করার ব্যাপারে মোটামুটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই দিয়েছিলেন ১৯ বার গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী এ তারকা। তবে তার সঙ্গীর ইচ্ছাতেই খুব বেশি আয়োজন না করেই বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই এক স্প্যানিশ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাতকারে নাদাল জানিয়েছিলেন, গত বছর প্রেমিকা জিসকা পেরোলোর সঙ্গে রোমে ছুটি কাটাতে গিয়েই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন নাদাল। এ প্রস্তাবে নিঃসঙ্কোচে রাজি হয়ে যান জিসকা। ফলে আর অপেক্ষা করতে চাননি স্প্যানিশ টেনিস তারকা। তখনই সিদ্ধান্ত নেন ২০১৯ সালেই তারা বিয়ে করবেন। এর আগে অবশ্য গোপনে আংটি দেওয়া-নেওয়া সেরে ফেলেন দুজনে।<br>এদিকে কবজির ইনজুরির কারণে টেনিস কোর্ট থেকে আপাতত দূরে রয়েছেন নাদাল। লেভার কাপে পাওয়া এ চোটের কারণে শেষ করতে পারেননি সেই টুর্নামেন্ট। তবে আগামী বছরের শাংহাই মাস্টার্স ওপেনের মধ্য দিয়ে কোর্টে ফেরার আশা করছেন ৩৩ বছর বয়সী এ তারকা।<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 20:01:54 1970-01-01 00:00:00 এবার সেঞ্চুরি মাহমুদউল্লাহর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84122 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580071_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571580071_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগটা দুর্দান্ত কাটছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ তারকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। প্রথম রাউন্ডে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের কল্যাণে জিতেছিলেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচেও।<br>প্রথম রাউন্ডে একমাত্র ইনিংসে ব্যাট করে খেলেছিলেন ৬৩ রানের ইনিংস। বল হাতে দুই ইনিংসে ৩টি করে মোট শিকার ছিল ছয়টি। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচের প্রথম ইনিংসেও ঠিক ৬৩ রানে আউট হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। এই জোড়া ফিফটির পর এবার দ্বিতীয় ইনিংসে ঠিকই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ডানহাতি এ অলরাউন্ডার। বগুড়ার শহীদ চান্দু ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে সিলেট বিভাগের মুখোমুখি হয়েছে মাহমুদউল্লাহর ঢাকা মেট্রোপলিস। যেখানে আজ (রোববার) ম্যাচের শেষ দিন প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে নিজের দ্বাদশ সেঞ্চুরিটি করেছেন মাহমুদউল্লাহ।<br>আগেরদিন শেষ বিকেলেই সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তিনি। অপরাজিত ছিলেন ৯৫ রান নিয়ে। রোববার খেলতে নেমে তিন অঙ্কে পৌঁছতে আরও ৭.১ ওভার সময় নেন মাহমুদউল্লাহ। সিলেটের পেসার আবু জায়েদ রাহীকে বাউন্ডারি মেরেই সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন তিনি।<br>সেঞ্চুরি করার পথে মাহমুদউল্লাহকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন পেস বোলার শহীদুল ইসলাম। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ৮৩ এবং দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে ৫৪ রানের ইনিংস খেলা শহীদুল, এগিয়ে যাচ্ছেন টানা তৃতীয় ফিফটির দিকে।<br>শহীদুল-মাহমুদউল্লাহর অবিচ্ছিন্ন সপ্তম উইকেট জুটিতে এরই মধ্যে যোগ হয়েছে ৮৫ রান। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০৬ ওভারে ঢাকা মেট্রোর সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৪৯ রান, লিড দাঁড়িয়েছে ১৭৬ রানের। মাহমুদউল্লাহ ১০৪ ও শহীদুল ৪২ রানে ব্যাট করছেন।<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 19:58:55 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে বাসযাত্রীর ট্রাভেল ব্যাগে ১৯ হাজার ইয়াবা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84121 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571577881_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571577881_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপোলে বাসযাত্রীর ট্রাভেল ব্যাগ থেকে ১৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মোশাররফ হোসেন নামে ওই বাসযাত্রীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শনিবার রাত ১টার দিকে ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার ট্রাভেল ব্যাগে থেকে দুটি মোবাইল, তিনটি সিম কার্ড ও নগদ ১৮ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়।ফেনী র‌্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক মো. নুরুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে মহাসড়কের লালপোল এলাকার মুহুরী ফিলিং স্টেশনসংলগ্ন ঢাকামুখী লেনে বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশিকালে এক যাত্রী হঠাৎ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তাকে ধাওয়া দিয়ে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার ট্রাভেল ব্যাগ তল্লাশি করে ১৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা, দুটি মোবাইল, তিনটি সিম কার্ড ও নগদ ১৮ হাজার ৪০০ টাকা পাওয়া যায়।<br>মোশাররফ হোসেন ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দক্ষিণ বাতমারা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন বলে র্যাবকে জানিয়েছেন মোশাররফ। </body></HTML> 2019-10-20 19:24:10 1970-01-01 00:00:00 পরশুরামে বিজিবির কাছে চোরাকারবারীর আত্মসমর্পন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84120 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571576369_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571576369_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>পরশুরামে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে আবদুর রাজ্জাক সুমন নামের এক শীর্ষ চোরাকারবারী। শনিবার এক মতবিনিমিয় সভায় স্বেচ্ছায় সমর্পণ করে সাধারণ জীবন যাপনের অঙ্গীকারবদ্ধ হন সুমন। and nbsp; আবদুর রাজ্জাক সুমন ওই এলাকার বাসপদুয়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে ফেনীস্থ ৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: নাহিদুজ্জামান জানান, গতকাল শনিবার ৪ বিজিবির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সীমান্তে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওইসভায় স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন শীর্ষ চোরাকারবারী আবদুর রাজ্জাক সুমন। সভায় পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল ছাড়াও স্থানীয় কাউন্সিলর এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। and nbsp; </body></HTML> 2019-10-20 18:57:04 1970-01-01 00:00:00 দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ফেনীর যুবক নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84119 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571576172_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571576172_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নুর হোসেন সুমন নামে ফেনীর এক যুবক নিহত হয়েছে।সুমন গত ১২ বছর ধরে আফ্রিকায় ব্যাবসা করে আসছে। সেখানে তার ৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।রবিবার রাতে জোহানসবার্গ এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয় সুমন।সে ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের হাজী জাবেদ আলী বাড়ীর আবুল কাশেমের ছেলে। নিহতের ভাই নুর ন্নবী জানান, সম্প্রতি প্রবাসী সুমনের দুটি দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।পরে ঘটনায় and nbsp; ডাকাতদের বিরুদ্ধে সেদেশের থানায় মামলা করলে ২ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে আফ্রিকান পুলিশ।একপর্যায় ডাকাতদের বাকী সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে রবিবার দিবাগত রাত বাংলাদেশ সময় সোয়া ১টার দিকে সুমনের দোকানের সামনেই তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সুমন ৪ ভাই ২ বোনের মধ্যে সে ৫তম ভাই।তার ২বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবার ও বাড়ীতে শোকের মাতম চলছে। সুমনের মরদেহ দ্রুত দেশে আনতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দুতাবাস ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে পরিবার। </body></HTML> 2019-10-20 18:55:42 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রলীগের উদ্যোগে নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84118 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571570707_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571570707_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রায়হান ॥<br>একজন কর্মী থেকে দক্ষ নেতৃত্ব সৃষ্টি করার লক্ষ্যে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার এ আয়োজনে ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে কলমে নেতৃত্তের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। সাবেক ছাত্রনেতা অদক্ষ প্রশিক্ষকদের সমন্বয় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালিত হয়। এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ছাত্রলীগের ইতিহাস, বক্তব্য প্রশিক্ষণ ,উপস্থাপনা প্রশিক্ষণ, স্লোগান প্রশিক্ষণ, অনলাইন রাজনৈতিক প্রচারণা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ,মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।<br>কর্মশালার প্রথম দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান । তিনি প্রশিক্ষনার্থীদের কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস রাজনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তিনি তার বক্তব্যে ছাত্রলীগকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে কাজ করে দেশের উন্নয়নে অংশীদার হতে বলেন। এছাড়া বক্তব্য উপস্থাপন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাতীয় বিতর্ক পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মোঃ নাহিদ মন্ডল। মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সুন্দর জীবন মাদকাসক্ত নিরাময় পরামর্শ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক খায়রুল হাসান খান বাবু ও গোলাম মাকসুদ। তারা ছাত্রজীবনে কিভাবে মাদক থেকে দূরে থাকা যায় ও কিভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া যায় এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। একজন রাজনৈতিক কর্মী কিভাবে অনলাইনে তার রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে ,কিভাবে তার সংগঠন কে পজেটিভ ভাবে সবার মাঝে তুলে ধরবে ,কিভাবে ছাত্ররা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়াবে ,তারা কিভাবে দায়িত্ব পালন করবে ,একজন আহত ব্যক্তি কে কিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করবে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন আই ইউ বি এ টি ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ও প্রফেসর আন্ডার অফিসার ,আই ইউ বিএটি বিএনসিসি প্লাটুন এম এম রাকিবুল হাসান। স্লোগান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ রাজীব হায়দার সাদিম। প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে কথা বললে তারা জানান এটি একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ এর আগে আমরা কোথাও রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাই নাই ।দুই দিনের এই কর্মশালায় আমরা অনেক কিছু নতুন শিখতে পেরেছি ।আমরা চাই প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে আয়োজন করা হোক। আয়োজকবৃন্দ এর সাথে কথা বললে তারা বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ভাই আমাদের এই কর্মশালা কে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলমান রাখার তাগিদ দিয়েছেন ।এ ব্যাপারে সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের মাঠকর্ম শারীরিক কসরত এর মাধ্যমে এবং প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যক্তিগত ও দলগত পারফর্মেন্সের উপর নির্ভর করে একটি দল ও একজন প্রশিক্ষনার্থীকে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। </body></HTML> 2019-10-20 17:24:34 1970-01-01 00:00:00 মাদিনাতুল মানোয়ারা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পাশে স্বপ্ন ছোঁয়া ফাউন্ডেশন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84117 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571570544_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571570544_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রায়হান ॥<br>জয়দেবপুরের and nbsp; হারিনালের নোঁয়াগাও and nbsp; গ্রামের আল মাদিনাতুল and nbsp; মানোয়ারা মাদ্রাসার and nbsp; দরিদ্র ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাশে শিক্ষা সামগ্রী ও মাসিক খাদ্য ও ন্ নগদ অর্থ প্রদান করেন স্বপ্ন ছোঁয়া ফাউন্ডেশনের সভাপতি মারজুকা মীম।<br>এসময় তিনি সকলকে এই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এসময় স্বপ্ন ছোঁয়া ফাউন্ডেশন বেশ কয়েকজন সিনিয়র সদস্য উপস্থিত ছিলেন । সহযোগীতা পেয়ে প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোঃ ফাহাদ স্বপ্ন ছোঁয়া ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান। </body></HTML> 2019-10-20 17:20:33 1970-01-01 00:00:00 বাউবি থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হলেন এমপি বুবলী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84115 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566958_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566958_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিজে অংশ না নিয়ে বিএ পরীক্ষা অন্যকে দিয়ে দেয়ানোর অভিযোগে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও প্রয়াত পৌর মেয়র লোকমান হোসেনের স্ত্রী তামান্না নুসরাত বুবলীর সব পরীক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল এবং তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে বাউবি প্রশাসন। রোববার (২০ অক্টোবর) সকালে বাউবি ভিসি অধ্যাপক ড. এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান বলেন, বুবলী নিজে পরীক্ষায় অংশ নেননি। পর পর আটটি পরীক্ষায় তার পক্ষে অংশ নেন প্রক্সি পরীক্ষার্থীরা। তবে শেষ দিনের পরীক্ষা দিতে গিয়ে হলে হাতেনাতে ধরা পড়েন একজন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রাথমিক তদন্ত শেষে পরীক্ষা থেকে তাকে বহিষ্কার করে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জালিয়াতির বিষয়টি আরও তদন্তে কলেজের পক্ষ থেকে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br><br>গণমাধ্যম ও নরসিংদী জেলা প্রশাসনের এক পত্রের ভিত্তিতে অবগত হওয়ার পর রোববার বুবলীর বিষয়ে বাউবির জরুরি সভা ডাকা হয়। সভায় বুবলীর সব পরীক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল, তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং ঘটনা তদন্তে বাউবির পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br><br>সভায় জানানো হয়, এ ব্যাপারে বুবলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটিতে এবং বোর্ড অব গভর্নেসে উত্থাপন করা হবে। পরে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br><br>বুবলী বাউবির কোনো প্রোগ্রামে আর ভর্তি হতে পারবেন না। যারা প্রক্সি পরীক্ষা দিয়েছে তাদের পরিচয় প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে। এ ধরনের কর্ম একটি ঘৃণিত ও গর্হিত কাজ। বুবলীর এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করেছে।<br><br>ভিসি বলেন, নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ওই পরীক্ষার সমন্বয়ক। পরীক্ষা চলাকালে তিনি কখনও কেন্দ্রে যাননি। অথচ পরীক্ষা চলাকালে তার প্রতিদিনই কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার কথা। কলেজের পক্ষ থেকে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে যথাযথ দায়িত্ব পালন করা হয়নি। কারো প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক কেন্দ্রে জানালে তাকে ডুপ্লিকেট প্রবেশপত্র সরবরাহ করা হয়। কিন্তু জিডি কপি দিয়ে এভাবে পরীক্ষা নেয়া ঠিক হয়নি। তার নিয়মও নেই।<br><br>উল্লেখ্য, নরসিংদী ও গাজীপুর আসনের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি তামান্না নুসরাত বুবলী। তিনি নরসিংদী পৌরসভার প্রয়াত মেয়র ও সাবেক শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেনের স্ত্রী। তার দেবর কামরুজ্জামান কামরুল নরসিংদী পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি। অপর দেবর শামীম নেওয়াজ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। পুরো পরিবারই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।<br><br>নির্বাচনের সময় হলফনামায় দেয়া তথ্য অনুযায়ী বুবলী এইচএসসি পাস। উচ্চ শিক্ষার সার্টিফিকেট লাভের আশায় তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) প্রোগ্রামে ভর্তি হন। এ পর্যন্ত চারটি সেমিস্টারের ১৩টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- ১৩টি পরীক্ষার একটিতেও স্ব-শরীরে তিনি অংশ নেননি। তার পক্ষে একেক সময় একেক জন অংশ নিয়েছে। আর এমপির প্রক্সি পরীক্ষার্থীকে সুবিধা দিতে পরীক্ষার কেন্দ্রসহ হল পাহারায় থাকতেন এমপির লোকজন। তাই ভয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেউই মুখ খুলতে পারেননি। সর্বশেষ গতকাল শুক্রবার পরীক্ষা দিতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন এক পরীক্ষার্থী।<br><br>প্রক্সি পরীক্ষার্থী এশা নিজেকে তামান্না নুসরাত বুবলী বলে দাবি করেন। তবে তার ছবি সংবলিত প্রবেশপত্র দেখাতে পারেননি। এমপি বুবলীর পরীক্ষা কীভাবে দিচ্ছেন তা জানতে চাইলে তার কোনো সঠিক জবাব দিতে পারেননি এশা।<br><br>প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নেয়া একজন পরীক্ষার্থীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার বিধান থাকলেও এর কিছুই করেননি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। অনেকটা বীর দর্পেই হল থেকে বেরিয়ে যান ওই পরীক্ষার্থী। </body></HTML> 2019-10-20 16:22:14 1970-01-01 00:00:00 ভোলায় বিজিবি-কোস্টগার্ড মোতায়েন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84114 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566705_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566705_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। এরই মধ্যে এক প্লাটুন বিজিবি হেলিকপ্টারযোগে রওনা দিয়েছে। বাকি তিন প্লাটুন সড়ক পথে রওনা দিয়েছে। এদিকে তাদের এক প্লাটুন সদস্য সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে। রবিবার বেলা ১১টার দিকে বোরহানউদ্দিন হাই স্কুল মাঠে পূর্বঘোষিত একটি সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন শতাধিক। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিজিবির মুখপাত্র শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চার প্লাটুন বিজিবি ভোলায় পাঠানো হচ্ছে। এরমধ্যে এক প্লাটুন বিজিবি হেলিকপ্টারযোগে রওনা দিয়েছে।’ কোস্টগার্ডের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য কাজী ফয়সল হোসেন এক প্লাটুন কোস্টগার্ড সদস্য পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br><br>গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক হিন্দু যুবকের নামে অ্যাকাউন্ট থেকে কিছু কুরুচিপূর্ণ বার্তা যায় বিভিন্নজনের ম্যাসেঞ্জারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। রবিবার বেলা ১১টার দিকে বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মাঠে সর্বস্তরের তৌহীদি জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলে আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি না করার জন্য বোরহানউদ্দিন ঈদগাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা জালাল উদ্দিন, বাজার মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানকে পুলিশ অনুরোধ জানায়। সাধারণ মানুষ আসার আগে বিক্ষোভটি বন্ধ ঘোষণা করতে বলেন। তাদের অনুরোধে দুই ইমাম সকাল ১০টার দিকেই যেসব লোক আসছে তাদেরকে নিয়ে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিলটি সমাপ্ত করেন। কিন্তু এতক্ষণে বোরহানউদ্দিনের বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার হাজার লোক এসে ঈদগাহে জড়ো হয়। এক পর্যায়ে তারা ওই দুই ইমামের ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং সেখানে থাকা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ওই মসজিদের ইমামের রুমে আশ্রয় নেয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা নিজেদের বাঁচানোর জন্য উত্তেজিত মুসল্লিদের ওপর ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এতে সেখানে থাকা মুসল্লিরা আরও উত্তেজিত হয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ চালায়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। </body></HTML> 2019-10-20 16:17:54 1970-01-01 00:00:00 কুরিয়ার সার্ভিসে কোটি টাকা ঘুষ নেয়া সেই ডিআইজি প্রিজন গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84113 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566582_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566582_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কারা অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঘুষের কোটি কোটি টাকা লেনদেন ও অবৈধ সম্পদের রহস্য উন্মোচনে বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারকে রোববার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেনের তথ্যের সত্যতা পায় সংস্থাটি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে বজলুর রশীদকে গ্রেফতার করা হয়। বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সম্মিলিত জেলা কার্যালয়-১ এ একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।<br><br>সম্প্রতি বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির পরিচালক মুহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বে একটি টিম এ কাজের দায়িত্ব রয়েছেন। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন ও সালাউদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ রয়েছে বিপুল পরিমাণ ঘুষের টাকা স্থানান্তর করতে ডিআইজি প্রিজন (হেডকোয়ার্টার্স) বজলুর রশীদ অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছেন। এক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিসকে কাজে লাগান তিনি। অভিযোগের বিষয়ে সূত্র জানায়, তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহারের নামে ২০১৭ সাল থেকেই মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে গত ২০ জানুয়ারি ৯৫৮৮২৫ রসিদে ৫০ হাজার টাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ৯৫৮১০৮ রসিদে ১ লাখ ২ হাজার টাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ৯৫৮১৪৩ রসিদে ২ লাখ টাকা, ২০ মে ৯৫৯০৬০ রসিদে ১ লাখ টাকা, ২৩ মে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, ২৭ মে ৯৫৯১৪১ রসিদে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৫০ টাকা, ৬ জুলাই ৯৫৯৪৬৯ রসিদে ৩ লাখ টাকা, ১৪ জুলাই ৯৫৮৯৭২ রসিদে ১ লাখ টাকা, ২২ জুলাই ৯৫৯৫১২ রসিদে ১০ লাখ ১০ হাজার, ১৬ জুলাই ৯৫৯৪৭০ রসিদে ৩ লাখ টাকা, ৪ মার্চ ৯৫৮২১৮ রসিদে ২ লাখ টাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর ৯৫৯৫৪১ রসিদে ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪ অক্টোবর ৯৫৯৭৪৯ রসিদে ৬ লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়।<br><br>২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর ৯৫৮৪৮১ রসিদে ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, ১৯ মার্চ ৯৫৮৩৪৫ রসিদে ৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, ১১ এপ্রিল ৮৪২১২৮ রসিদে ৩ লাখ টাকা, ২০ নভেম্বর ৮৪২২৩৯ রসিদে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, ৯৫৭৬৪০ রসিদে (তারিখ অস্পষ্ট) ২ লাখ টাকা, ২০১৭ সালের ৪ মার্চ ৯৫৮১৬৯ রসিদে ৬ লাখ ৮ হাজার টাকা, (১৬ অক্টোবর সাল অস্পষ্ট) ৮১৭২৩৮ রসিদে ১ লাখ টাকা, (৮ অক্টোবর সাল অস্পষ্ট) ৮১৭১৫৭ রসিদে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৯৫৯৭১৩ রসিদে (তারিখ অস্পষ্ট) ৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা, ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর ৮১৭২১৭ রসিদে ৩ লাখ টাকা, ১২ অক্টোবর ৮১৭২০৭ রসিদে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা লেনদেন করা হয়। </body></HTML> 2019-10-20 16:14:10 1970-01-01 00:00:00 ভোলায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৪, গুলিবিদ্ধ ৮ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84112 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566368_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566368_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আল্লাহ ও রাসুলকে (স.) নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ভোলার বোরহানুদ্দিনে সাধারণ মুসুল্লিদের ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গনি নামের এক কিশোরসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন লোক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার (২০ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া সমাবেশে হঠাৎ পুলিশের সঙ্গে সাধারণ জনতার সংঘর্ষ শুরু হয়।<br><br>আহত পুলিশকে হাসপাতালে নিলেও সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ঘরে আটকা পড়েছেন। এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জেও। গুরুতর গুলিবিদ্ধ ৮ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিপ্লব চন্দ্রের ফেসবুক আইডি থেকে তার বন্ধু তালিকার বেশ কয়েকজনের কাছে আল্লাহ এবং রাসুল (স.) কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালির ম্যাসেজ আসে। বিপ্লব চন্দ্র শুভ বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চন্দ্র মোহন বৈদ্দের ছেলে। তার আইডি থেকে এই ধরনের মেসেজ আসাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মুসুল্লিদের ব্যানারে রোববার সকাল ১০টায় বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। সকাল থেকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার গ্রামগঞ্জ থেকে মুসুল্লিরা শহর অভিমুখে আসতে থাকে। এতে ভোলার প্রলিশ সুপার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ মোতায়েন করেন। পুলিশ সভা সংক্ষিপ্ত করার জন্য নির্দেশ দেয়ার পর পরেই সংঘর্ষের শুরু হয়। প্রথমে এক পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুঁড়লে পুলিশের গুলিতে পথচারিসহ বিক্ষোভকারী আহত হন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোলা শহর পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গ্রামগঞ্জে বিক্ষোভ চলমান। বোরহাসউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. শাহীন হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ স্বজনরা নিয়ে গেছে। </body></HTML> 2019-10-20 16:11:41 1970-01-01 00:00:00 হাইকোর্টে ৯ বিচারপতি নিয়োগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84111 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566233_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566233_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনের জন‌্য নয়জনকে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২০ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- জেলা ও দায়রা জজ (পি.আর.এল ভোগরত) মুহাম্মদ মাহবুবুল ইসলাম, জেলা ও দায়রা জজ (পি. আর. এল ভোগরত) শাহেদ নূর উদ্দীন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন, জেলা ও দায়রা জজ ড. মো. আক্তারুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার মিন্টু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইবাদত হোসেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম জহিরুল হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক। সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, সোমবার (২১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপিত নব নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারপতিদের শপথ বাক‌্য পাঠ করাবেন। </body></HTML> 2019-10-20 16:10:07 1970-01-01 00:00:00 জি কে শামীমের সম্পদের হিসাব করতে হিমশিম খাচ্ছে সিআইডি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84110 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566159_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571566159_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে। এসব মামলার তদন্তে নেমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রেপ্তারকৃতদের সম্পদের তথ্য চেয়েছে সিআইডি। জি কে শামীমের সম্পদের ব্যাপ্তি এতটাই যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দুই হাজার ডকুমেন্ট পাঠাতে হয়েছে সিআইডিতে। সিআইডি রাত-দিন কাজ করে চলেছে এই টেন্ডার মাফিয়ার সম্পদের হিসাব জানতে। তবে শনিবার (১৯ অক্টোবর) পর্যন্ত রাত দিন পাঁচ দিনেও সব ডকুমেন্ট পড়ে তাঁর সম্পদের তালিকা করা সম্ভব হয়নি। জানতে চাইলে সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘মানি লন্ডারিং মামলাগুলোর তদন্তে অনেক গভীরে যেতে হয়। এ জন্য সময় লাগে। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য ও সিআইডির পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। গরমিল কোথায় কোথায় সেগুলো খুঁজে বের করা হবে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘জি কে শামীমের সম্পদের তথ্য আমরা পেয়েছি। সেগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’<br><br>এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে জি কে শামীমের ছয় দেহরক্ষী নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আলোচনায় আসেন যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম। পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাজধানীর নিকেতনে ৫ নম্বর সড়কের ১৪৪ নম্বর ভবনে জি কে শামীমের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। তার অফিস থেকে বিপুল অর্থ ও মদসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ টাকা রাখার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে র‍্যাব। গত ২১ সেপ্টেম্বরে অস্ত্র ও মাদক মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। দুই মামলায় পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয় তার। এছাড়া শামীমের সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়। এর পর গত ২ অক্টোবর বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে আবারো রিমান্ড চাওয়া হয়। দ্বিতীয় দফায় মোট ৯ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মে‌ট্রোপ‌লিটন ম্যা‌জি‌স্ট্রেট মোহাম্মদ জ‌সিম। and nbsp; </body></HTML> 2019-10-20 16:08:30 1970-01-01 00:00:00 মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84109 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571565969_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571565969_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর হামলা করেছে ছাত্রলীগ। হামলায় ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।<br>রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের নামে একটি আইডির বায়োতে '৭৫-র হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’- এমন লেখা দেখতে পাওয়া যায়। সেটির স্ক্রিন শর্ট নিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল করা হয়। যদিও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, ওই নামে তার কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নেই।<br><br>ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিয়ে রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রদলের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে তারা ফেসবুকে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের নামে ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। ফেসবুকে তার কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলে তারা দাবি করেন। সাংবাদিক সমিতিতে সাংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, আমার কোনো ফেসবুক আইডি নেই। অথচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ১৬টি আইডি চালু রয়েছে। এজন্য তিনি তেজগাঁও থানায় জিডি করেছেন উল্লেখ করে তার নামের অ্যাকাউন্টের কোনো লেখার দায়ভার তিনি নেবেন না বলেও জানান।<br><br>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংবাদ সম্মেলন শেষে ছাত্রদলের নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে যান। সেখানে তাদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় বলে ছাত্রদলের অভিযোগ। হামলায় অংশ নেন ছাত্রলীগের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক উপ-সম্পাদক আল মামুন, মাস্টার দা সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলাম। হামলার নেতৃত্বদানকারী আমিনুল ইসলাম বুলবুল মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি বলে জানা গেছে।<br><br>হামলার বিষয়টি স্বীকার করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেন, যারা ৭৫-এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার, এ স্লোগান দেয় মধুর ক্যান্টিনে, তাদের তো এখানে অবস্থানের কোনো সুযোগ নেই। আপনারা জানেন, ৭৫-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে বিএনপির জন্ম হয়। আমরা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের যারা আছি, ৭৫-এর হাতিয়ার নিয়ে যারা কাজ করবে, আমরা ঘোষণা দিয়েছি তাদের প্রতিহত করব।<br><br>ছাত্রলীগের হামলায় আহত দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের একজন হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তারেক হাসান মামুন, অপরজন ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের শাহজাহান শাওন। উভয়ই মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক। </body></HTML> 2019-10-20 16:05:36 1970-01-01 00:00:00 পাল্টাপাল্টি হামলায় ভারতের ৯, পাকিস্তানে ৭ জন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84108 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571565846_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571565846_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের গোলাবর্ষণে পাকিস্তানের কমপক্ষে ছয় বেসামরিক এবং এক সেনা নিহত হয়েছেন। পাক সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে ভারত নির্বিচার ও নির্মম হামলা চালিয়েছে।<br>রোববার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের হামলায় আরও নয় বেসামরিক আহত হয়েছেন। চলতি বছর নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের গোলাবর্ষণে একদিনে এটাই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে এক সেনা শহীদ হয়েছেন এবং আরও দুই সেনা আহত হয়েছেন।<br><br>আইএসপিআর-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সীমান্তের জুরা, শাহকোট এবং নওসেরি সেক্টরে বিনা উসকানিতে ভারতের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব দিয়েছে পাক সেনাবাহিনী। এতে ভারতের ৯ সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারতের দুটি বাঙ্কার ধ্বংস হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার সকালের দিকে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের কুপওয়ারা সীমান্তে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে পাক সেনাবাহিনী গুলি চালালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য ও এক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।<br><br>এরপরেই পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের ভেতরে সন্ত্রাসীদের অন্তত চারটি আস্তানা ও ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। রোববার সকালের দিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তাঙধর সেক্টরের বিপরীত পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই হামলায় ব্যাপক হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই বলছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিলাম ঘাট উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি ও চৌকিতে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এতে পাক সেনাবাহিনীর চার থেকে পাঁচ সদস্য ও জঙ্গিগোষ্ঠী জয়েশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈয়বার অনেক সদস্য হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। গত ৫ আগস্ট ভারত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়। তারপর থেকেই সীমান্তে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে দু'দেশের সেনাবাহিনী। একে অপরের বিরুদ্ধে বার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। দু'পক্ষের সংঘর্ষে দু'দেশের সেনাবাহিনী ছাড়াও বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। </body></HTML> 2019-10-20 16:03:33 1970-01-01 00:00:00 সাত খুঁটির নাম-পরিচয় ফাঁস করলেন সম্রাট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84107 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571543379_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571543379_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি (বহিষ্কৃত) ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে অজানা সব তথ্য। কাদেরকে তিনি সুবিধা দিতেন এবং বিনিময়ে নির্বিঘ্নে ক্যাসিনো সাম্রাজ্য ও চাঁদাবাজি টিকিয়ে রেখেছিলেন তা জানিয়েছেন সম্রাট। ক্লাবগুলোতে অবৈধ ক্যাসিনো কারবার এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে যেতে প্রভাবশালী সংসদ সদস্য, যুবলীগ নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়মিত টাকা দিয়েছেন। এই সুবিধার বিনিময়ে তিনি কোনো সমস্যায় পড়লে তাঁরা সহযোগিতা করতেন। তিনিও তাঁদের নাম ভাঙিয়ে চলতেন। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এসব কথা বলেছেন সম্রাট। সুবিধাপ্রাপ্তদের মধ্যে সাতজনকে ‘খুঁটির জোর’ বলে দাবি করেছেন তিনি।<br><br>একাধিক র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে, সম্রাট তাঁর খুঁটি হিসেবে যাদের নাম-পরিচয় দিয়েছেন তারা হলেন- গোপালগঞ্জের একজন সংসদ সদস্য (এমপি), যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, and nbsp; প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলার এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার, বর্তমানের এক এমপি যিনি আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা ছিলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) পূর্ব বিভাগের একজন অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এবং মতিঝিল অপরাধ বিভাগের আরেকজন এডিসিকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা দিয়েছেন সম্রাট। তাঁর দাবি, এ সাতজনই ছিলেন ক্যাসিনোসহ তাঁর সব কারবারে খুঁটির জোর। সম্রাটের অপকর্মের সঙ্গে এই সাত ব্যক্তির সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে সম্রাটের বিপুল পরিমাণ টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।<br><br>সূত্র আরো জানায়, গ্রেপ্তারের পরই সম্রাট তাঁর সাত খুঁটির জোরের কথা বলেছেন। এরপর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও একই ধরনের দাবি করেছেন। তিনি বলছেন, ‘টাকা তো অনেকে খেয়েছে! আমি একা ফাঁসব কেন?’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা (সাবেক) মাগুরার এক নেতাকে প্রতি মাসে টাকা দিতেন সম্রাট। ওই ‘ভাইয়ের’ সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণে অনেকে তাঁকে সমীহ করত। সম্রাটের দাবি করা সেই ‘বড় ভাই’ এখন এমপি। ক্যাসিনো কারবারে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের টাকার বড় ভাগটি নিতেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা কাওছার। তাঁকে সেখান থেকে আয়ের ৩৫ শতাংশ টাকা পকেটে নেওয়ার ব্যবস্থা সম্রাটই করে দেন।<br><br>একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সম্রাট অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাঁর অবৈধ আয় থেকে ডোনেশন দিয়েছেন। অনেক ব্যক্তি তাঁর কাছে গিয়ে টাকা নিয়ে এসেছেন। তবে অবৈধভাবে ক্যাসিনো চালাতে এবং চাঁদাবাজি অব্যাহত রাখতে তিনি কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়মিত ১০ লাখ থেকে অর্ধকোটি টাকা পর্যন্ত মাসে ‘নজরানা’ দিয়েছেন। এই তালিকায় সবার ওপরে গোপালগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি, যাঁর সঙ্গে সম্পর্ক আছে প্রকাশ করে প্রভাব দেখাতেন সম্রাট। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে টাকা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর বিভিন্ন প্রয়োজনও মেটাতেন সম্রাট। কর্মী ও ক্যাডার সরবরাহ করার দায়িত্বও ছিল সম্রাটের। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে কখনো ‘বস’, কখনো ‘লিডার’ কখনো ‘গুরু’ বলে ডাকতেন সম্রাট। কাকরাইলে তাঁর দখল করা ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারের পাঁচতলায় শাওনের জন্য আলিশান অফিস করে দেন সম্রাট। এ ছাড়া চাঁদাবাজিসহ অনেক কাজে শাওনের সহায়তা নেন তিনি। শাওনও বিভিন্ন কাজে সম্রাটকে ব্যবহার করতেন। ভিক্টোরিয়া ক্লাবে কাউন্সিলর সাঈদের মাধ্যমে সংগৃহীত টাকার একটা অংশ যেত শাওনের হাতে।<br><br><div>গত মঙ্গলবার ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত দুই মামলায় সম্রাটের পাঁচ দিন করে ১০ দিন এবং আরমানের এক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন বিকেলেই দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। বুধবার মামলার তদন্তভার র‌্যাবে হস্তান্তর করা হলে বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব-১ কার্যালয়ে নেওয়া হয়। গতকাল ছিল সম্রাট ও আরমানের রিমান্ডের চতুর্থ দিন।</div><div><span style="font-weight: bold;">"সূত্র কালের কণ্ঠ"</span><br></div><br> </body></HTML> 2019-10-20 09:44:09 1970-01-01 00:00:00 রাজবাড়ীতে ৪ মণ ইলিশ জব্দ, ৫১ জেলের কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84106 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542766_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542766_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পদ্মায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের দায়ে শনিবার রাজবাড়ী সদর, গোয়ালন্দ ও দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৫১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রত্যেককে ১২ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার মণ ইলিশ ও দুই লাখ মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।আর ইলিশ মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত তাদের আটক করা হয়। পরে সকালে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়।<br>রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকারের দায়ে ৫১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে দণ্ডবিধির ১৮৭ ধারা মতে প্রত্যেককে ১২ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জব্দকৃত মাছ এতিমখানায় বিতরণ এবং জাল পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে। </body></HTML> 2019-10-20 09:38:56 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে স্কুলছাত্র খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84105 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542637_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542637_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা প্রতিনিধি ॥ <br>কুমিল্লায় প্রাইভেট পড়ে ফেরার পথে মেহেদী হাসান রিপাত নামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্র খুন হয়েছে। পরিত্যক্ত ডোবার কচুরিপানার ভেতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। শনিবার রাতে কুমিল্লার সদর উপজেলার ৩নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর (সাতওরা) গ্রামের মধ্যপাড়ায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ।<br><br>শিশু মেহেদী হাসান রিপাত (১০) চম্পকনগর (সাতওরা) গ্রামের প্রবাসী আলমগীর হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় নর্থ-সাউথ চাইল্ড কিন্ডার গার্ডেনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল। রিপাতের মা জেসমিন আক্তার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় পাশের বাড়ির বিউটি আক্তার নামে এক নারীর বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায় রিপাত। পড়া শেষে বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে তার মা টিউটরকে কল দিলে জানতে পারেন রিপাত সন্ধ্যা ৭টায় দিকে চলে এসেছে। পরে তার খোঁজ না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনে পরিত্যক্ত ডোবার কচুরিপানার ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থা তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। রিপাতের মা আরও জানান, কিছুদিন আগে তার জিনিসপত্র চুরি হয়। ওই এলাকার বাসিন্দা হৃদয় নামে এক যুবকসহ কয়েকজনকে সন্দেহ করে এ ব্যাপারে চাপ দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে রিপাতের পরিবারের বিরোধ রয়েছে। সেই শত্রুতার জেরে রিপাতকে খুন করা হতে পারে বলে ধারণা তার মায়ের।<br><br>কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনোয়ারুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে শ্বাসরোধ বা গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় প্রচণ্ড আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শিশুটির মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। সন্দেহজনক একজনকে আটক করা হয়েছে। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে বলে জানান ওসি। </body></HTML> 2019-10-20 09:36:49 1970-01-01 00:00:00 বড় হচ্ছে গণভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার তালিকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84104 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542377_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542377_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর গুছিয়ে নিয়ে নিতে কিছুটা সময় নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপরই ভোটের আগে দেওয়া দূর্নীতি-অনিয়ম প্রতিরোধে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন দিয়েছেন।ঘরের জঞ্জাল-আবর্জনা পরিস্কারের মাধ্যমেই দূর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। ক্ষমতার শাখা প্রশাখায় বিচরণ করে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে সম্পদশালী হওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং দলের নিজস্ব অনুসন্ধান সেলের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ নেতাদের একটি তালিকা এখন প্রধানমন্ত্রীর হাতে। এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। দলের বিতর্কিত এইসব নেতা বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর নির্দেশের পাশাপাশি তাদের গণভবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন আওয়ামী লীগ নেত্রী। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন অপকর্মের কারণে যাদের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে, তাদেরকে আপাতত গণভবনে প্রবেশ করতে না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শেখ হাসিনা।<br><br>অনিয়ম ও নৈতিকতা বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অব্যাহতি আগেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শোভন-রাব্বানীর গণভবনে প্রবেশাধিকার আরোপ করা হয়েছিল। এবার একই কারণে যুবলীগের বেশ কজন শীর্ষনেতার প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও সুর্নির্দিষ্ট দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ দু্’জন সংসদ সদস্যসহ এমপিসহ স্থানীয় সরকারের অন্তত ১৫ জন জনপ্রতিনিধির প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন যে ৪৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে, তাদেরও গণভবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে গণভবনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।<br><br>এছাড়াও গণভবনে প্রবেশে নিষিদ্ধের তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে যে, প্রধানমন্ত্রী শুদ্ধি অভিযানের ব্যাপারে যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, তার প্রমাণ হলো বিতর্কিতদের গণভবনে প্রবেশ করতে না দেওয়া।<br><br>সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, গণভবনে যদি এসব বিতর্কিতরা প্রবেশ করে তাহলে একটি ভুল বার্তা যেতে পারে এবং গণভবনে প্রবেশকে কেন্দ্র করে তারা বিভিন্ন মহলে তাদের অভিযোগের ব্যাপারে দেন দরবার করতে পারেন বলেই এরকম কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।<br><br>সূত্র আরও বলছে যে, যারা অভিযুক্ত হয়েছে শুধু তারাই নয়, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে যারা অপকর্ম করেছে তাদের সুনির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে। এই তালিকার মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো আমলে নেওয়ার যোগ্য এবং যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তথ্যপ্রমাণও রয়েছে, সেগুলো যাচাই বাছাইয়ের পর তাঁদেরকেও গণভবনে নিষিদ্ধ করা হবে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রী এসমস্ত বিতর্কিতদের গণভবনে প্রবেশ করতে দিতে রাজী নন। সেজন্যই তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।<br><br>আওয়ামী লীগের একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেছেন যে, গণভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিতে চান। বার্তাটি হলো যারা বিতর্কিত, যারা অভিযুক্ত, যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের দায় আওয়ামী লীগ নেবে না। তাঁদেরকে কোনোরকম আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন যে, অতীতেও বিভিন্ন সময় ক্ষমতাসীনদলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে কিন্তু সেই অভিযোগগুলোকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অভিযোগ আড়াল করতে চান না। যার বিরুদ্ধেই অভিযোগ আছে, তিনি যে দলেরই হোক না কেন- তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।<br><br>আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দুর্নীতিকে কোনোরকম আশ্রয় প্রশ্রয় দেন না সে ব্যাপারে তিনি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তাঁদেরকে শুধু আইনের মাধ্যমেই নয়, দলে এবং সামাজিকভাবে বয়কট করার নীতি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। এই নীতি থেকে সরে আসার কোনো কারণ নেই।<br><br>উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৪ সেপ্টেম্বর দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রথম শুদ্ধি অভিযানের কথা বলেন এবং ওইদিনই তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি দেন। এরপর পরই তিনি যুবলীগের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন এবং যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের আগেই তাঁদেরকে গণভবনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।<br><br>একটি সূত্র বলছে যে, গণভবনে নিষিদ্ধের তালিকায় এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী রয়েছেন এবং এই তালিকা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। </body></HTML> 2019-10-20 09:32:22 1970-01-01 00:00:00 ১০ বছরে এমপি শাওনের আয় ১০ লাখ থেকে বেড়ে ১০ কোটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84103 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542268_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542268_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। ভোলা-৩ আসনের এই সংসদ সদস্যের আয় গত ১০ বছরে বেড়েছে ১০০ গুণ, ১০ লাখ থেকে এখন তার মাসিক ১০ কোটি টাকা। সংসদ সদস্য হওয়ার পর এমপি শাওন খুঁজে পান আলাদিনের চেরাগ, দ্রুত পাল্টে যেতে থাকে তার ভাগ্য।চেরাগের দৈত্যের বদৌলতে হয়ে উঠেন বিপুল বিত্ত-বৈভবের মালিক। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদের ভোলা-৩ আসনের উপনির্বাচনে জিতে প্রথম সংসদ সদস্য হন । ওই সময় নির্বাচন কমিশনে দাখিলকৃত হলফনামা অনুসারে শাওনের আয় ছিল ১০ লাখ ২৩ হাজার ৭৬০ টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আয়কর হিসাব বিবরণী (চলতি আয়কর বর্ষে দাখিল করা) অনুসারে শাওন আয় করেছেন ১০ কোটি ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ টাকা ৬৭ পয়সা।<br><br>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনায় এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও তার স্ত্রী ফারজানা চৌধুরী ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তার জ্ঞাত ও অজ্ঞাত সম্পদ অনুসন্ধানে নেমেছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো অভিযান শুরুর পর ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সংসদ সদস্য নুরুন্নবী শাওন জড়িত আছেন বলে অভিযোগ ওঠে। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান শাওন এখন ঢাকার একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের মালিক, রাজধানী নানা জায়গায় কিনেছেন একাধিক অন্তত ১০ খণ্ড জমি। নিজের নির্বাচনী এলাকায় কিনেছেন পুকুর, বাগান, ভিটাসহ অন্তত ৭২৯ শতাংশ জমি। মালিক হয়েছেন তিনটি গাড়ি ও একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রের। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, নিজ ও স্ত্রীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ৪৪টি হিসাবে জমা আছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা।<br><br>সিন্ডিকেট গড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ঠিকাদারি কাজ ভাগবাটোয়ারার মধ্য দিয়ে বেশির ভাগ অর্থ আয় করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সূত্রগুলো বলছে, আয়কর বিবরণীতে প্রদর্শিত এসব সম্পদের বাইরেও শাওনের আরো কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ আছে। যেগুলো তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে রয়েছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন পরিচিত। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধি অভিযান শুরুর পরে দুজনই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে আজ রবিবার গণভবনের বৈঠকেও তাঁদের দুজনকে উপস্থিত থাকতে অনুমতি দেননি শেখ হাসিনা।<br><br>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যাংকে এখন পর্যন্ত শাওনের ১২টি হিসাবের । তাঁর স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর নামে ১০টি, শাওনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নওয়াল কনস্ট্রাকশনের নামে ১৮টি ও ডিজিটাল টেকের নামে দুটি, স্ত্রীর মালিকানাধীন ফারজানাস ক্লোসেট লিমিটেডের নামে দুটি হিসাব রয়েছে। শাওনের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলোতে প্রায় এক কোটি টাকা রয়েছে। নওয়াল কনস্ট্রাকশনের ব্যাংক হিসাবে সাড়ে ১১ কোটি ও ডিজিটাল টেকের নামে ৭০ লাখ টাকা রয়েছে। ফারজানার ব্যাংক হিসাবে রয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। শাওনের আয়কর বিবরণীর তথ্যানুসারে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৭১ হাজার ৯৪১ টাকা। এর আগের বছর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার ৮১৬ টাকা। অর্থাত্ ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শাওনের তিন কোটি ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ১২৫ টাকার সম্পদ বৃদ্ধি পায়। কিন্তু পরের বছর অর্থাত্ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শাওনের আয় তিন গুণের বেশি বেড়েছে। এ বছর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ ৩৭ কোটি দুই লাখ ৯৪ হাজার ৭৭০ টাকা ৬৭ পয়সা। এই আয়কর বিবরণী অনুসারে একটি ৩২ বোরের পিস্তল ও একটি ২২ বোরের শটগান কিনেছেন শাওন।<br><br>আয়কর রিটার্নে দেওয়া তথ্যানুসারে শাওনের রাজধানীতে দুটি ফ্ল্যাট ও বেশ কয়েকটি জমি কেনার তথ্য পাওয়া যায়। তিনি বাড্ডায় আড়াই কাঠা জমি কেনা, স্ট্যাম্প ও দলিল খরচ দেখিয়েছেন সাত লাখ ৫৩ হাজার ৬১০ টাকা। গাজীপুরের জামনগরে ৪ শতাংশ জমি কেনা, স্ট্যাম্প, দলিলসহ খরচ হয়েছে মাত্র চার লাখ ৪২ হাজার টাকা। মধুবাগের ৩৫৮/১ নয়াটোলায় এক হাজার ২০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও জায়গা কেনায় মোট খরচ দেখিয়েছেন এক কোটি ৮৭ লাখ টাকা। পূর্বাচলে সাড়ে সাত কাঠার প্লটের দাম সাড়ে সাত লাখ টাকা। রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দশমিক ০১৮৯ অযুতাংশ জায়গা কিনতে মোট খরচ করেছেন ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একই এলাকায় দশমিক ০৪২৫ অযুতাংশ জায়গার মালিক হতে মোট খরচ করেছেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। বড় মগবাজারের ৫৩ নয়াটোলায় এক হাজার পাঁচ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও ১২০ বর্গফুটের কার পার্কিং কিনতে মোট খরচ দেখিয়েছেন ৫২ লাখ ২১ হাজার ৬০০ টাকা। বনানী এলাকায় দশমিক ০৮৯৬ অযুতাংশ জায়গা কিনতে মোট খরচ দেখিয়েছেন চার কোটি ৬১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। জোয়ারসাহারার খিলক্ষেতে ৭.৩৯ কাঠা জায়গা কিনতে মোট খরচ দেখিয়েছেন চার কোটি ৯৯ লাখ ৩৩ হাজার ১২৫ টাকা।<br><br>নিজের নির্বাচনী এলাকা ভোলার লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংসদ সদস্য শাওন ১৯টি দলিলে জমি, ভিটা, বাগান, পুকুরসহ অন্তত ৭২৯ শতাংশ জমি কিনেছেন। উপজেলার মেহেরগঞ্জ মৌজায় ৬ শতাংশ জমি ও পুকুর কিনেছেন তিনি, দলিল করাসহ তাঁর খরচ হয়েছে ২৮ হাজার ৭৩০ টাকা। মুন্সি হাওলায় ১০ শতাংশ জমি ও ভিটাবাড়ি কিনতে ১১ লাখ পাঁচ হাজার, মেহেরগঞ্জে ৪২ শতাংশ ভিটাবাড়িসহ জমি কিনতে ২২ লাখ ১০ হাজার, ফরাজগঞ্জে ৪৮ শতাংশ কিনতে তিন লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা, একই মৌজায় ৩৭ শতাংশের একটি জমি, পুকুর ও বাগান কিনতে দুই লাখ ৪৮ হাজার ৬২৫ টাকা, ৪৫ শতাংশের আরেকটি জমি কিনতে দুই লাখ ২১ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছেন শাওন।<br><br>এ ছাড়া সংসদ সদস্য শাওন লালমোহনের ফরাসগঞ্জ মৌজায় দশমিক ০৭ একর জমি কিনতে মোট খরচ দেখিয়েছেন ১৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা। মেহেরগঞ্জে ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকায় ৪২ শতাংশ, তিন লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ টাকায় ৫ শতাংশ, মুন্সি হাওলায় ১৫ লাখ ১৮ হাজার টাকায় ২৯ শতাংশ, বালুর চরে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকায় ৪১ শতাংশ ও দুই লাখ ৬৮ হাজার ৮০০ টাকায় ৪৩ শতাংশ জমি কিনেছেন তিনি।<br><br>শাওন মুন্সি হাওলায় ৬ শতাংশ জমির মালিক হতে মোট খরচ করেছেন তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা। মেহেরগঞ্জে ১৬ শতাংশ জমির মালিক হয়েছেন তিনি ১১ লাখ টাকায়। পাশকার হাওলা মৌজায় ৫৬ শতাংশ জমি কিনতে তাঁর মোট খরচ হয়েছে ১০ লাখ আট হাজার টাকা।<br>লালমোহন ছাড়াও তাঁর নির্বাচনী এলাকা তজিমুদ্দিন উপজেলায়ও জমি কিনেছেন শাওন। এর মধ্যে শশীগঞ্জ মৌজায় ৮ শতাংশ জমি কিনতে তিনি মোট খরচ করেছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৪০০ টাকা। একই মৌজায় তিনি আরো ২০ শতাংশ জমি কিনেছেন এক লাখ ১২ হাজার টাকায়।<br><br>শাওনের বাড়ি লালমোহন উপজেলায়। ওই উপজেলার ভূমি কার্যালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জমি ক্রয়, স্ট্যাম্প ও নিবন্ধনের যে খরচ দেখিয়েছেন তা প্রকৃত বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম। জমিগুলোর প্রকৃত মূল্য কয়েক গুণ বেশি। ২০০২ সালে প্রথম আয়কর দেন শাওন। ঢাকা উপকর কমিশনারের কার্যালয়ের সার্কেল-৬, কর অঞ্চল-১-এ মো. নুর নবী নামে তিনি আয়কর দেন। সে সময় তাঁর টিআইএন নম্বর ছিল ০১৩১০৩৭৯৬২/সা-৬ এবং ঠিকানা—১বি, মিরবাগ, ঢাকা। সে বছর তাঁর হাতে গচ্ছিত অর্থ, স্বর্ণ, ফার্নিচারসহ যাবতীয় সম্পদের মূল্য দেখানো হয় পাঁচ লাখ ২১ হাজার ১৭০ টাকা।<br><br>ফারজানা চৌধুরী তাঁর স্বামী শাওন সংসদ সদস্য হওয়ার পরে কোটিপতি হয়েছেন। তিনি প্রথম আয়কর দেন ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে। সে বছর তাঁর নিট সম্পদ ছিল আট লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১ টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই কোটি ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৪০৩ টাকা। এর আগের বছর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ ছিল এক কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার ৯০৩ টাকা। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের তার ভাগ্যের এই পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে বৈধভাবে ব্যবসা করে এই সহায় সম্পত্তির মালিক হয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি ১৭ বছর ধরে ব্যবসা করছি। বৈধভাবে ব্যবসা করে, সরকারকে ট্যাক্স দিয়েই এই সম্পদের মালিক হয়েছি। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ সম্পদের বিষয়ে যাঁরা তদন্ত করছেন তাঁরা যদি অন্যায় কিছু পান তখন ব্যবস্থা নিক। আমি কোনো দিনও ক্যাসিনো পরিচালনা বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। এমপি হওয়ার পর থেকে যুবলীগের কর্মসূচিতেও যেতাম না। আমি লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এমপির দায়িত্ব পালনকেই বেশি গুরুত্ব দিতাম। ফলে ঢাকার যুবলীগের নেতাদের আমাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কিছু ছিল না।’ অভিযোগ আছে, ঢাকার আন্ডার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে শাওনের যোগাযোগ আছে। ২০১০ সালে জাতীয় সংসদ এলাকায় শাওনের গাড়িতে তাঁর লাইসেন্স করা অস্ত্রের গুলিতে নিহত হন যুবলীগকর্মী ইব্রাহিম। ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও ইব্রাহিমের পরিবার শাওনকে অভিযুক্ত করে আদালতে হত্যা মামলা করেছিলেন। </body></HTML> 2019-10-20 09:30:05 1970-01-01 00:00:00 ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল নবদম্পতির http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84102 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542064_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571542064_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও চারজন। শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ঘুন্টিঘরের বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মোস্তাফা হোসেন (২৫) ও তার স্ত্রী রাহেলা বেগম (২০)। উপজেলা সিন্দুর্না ইউনিয়নের পাঠানবাড়ি এলাকার আব্দুল ছোবাহানের ছেলে মোস্তাফা। দেড় মাস আগে মোস্তাফা ও রাহেলার বিয়ে হয়।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাহেলা ও তার স্বামী মোস্তাফা ভোটমারী থেকে অটোরিকশাযোগে হাতীবান্ধার পাঠান বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় লালমনিরহাট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক পেছন থেকে অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে ছিটকে পড়ে যায়। ট্রাকের ধাক্কায় নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। অটোরিকশায় থাকা আরও চার যাত্রীকে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকটিকে শনাক্ত করে আটকের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। </body></HTML> 2019-10-20 09:27:25 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর রাজীব গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84101 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571541902_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571541902_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তারেকুজ্জামান রাজীব। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর তিনি। তার আরেক পরিচয় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। যুবলীগের উচ্চপদের এই নেতাকে এক সময় যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে যুবলীগে যোগ দেন। যুবলীগের দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, উত্তরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হওয়ার সময় রাজীব মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। নির্বাচনে জয়লাভের কিছুদিন পর রাজীবের লোকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা পাইন আহমেদকে মারধর করে। ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কানে যায়। পরে তাকে মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।<br><br>সূত্র আরও জানায়, বহিষ্কারের কিছুদিন পর বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এমনকি তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন। কেন্দ্রীয় যুবলীগের (সদ্য বহিষ্কৃত) দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের মাধ্যমে এক কোটি টাকা দিয়ে পদটি নেন তিনি।<br>শনিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রাজীবকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। গ্রেফতারের পর তাকে দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কার করে যুবলীগ। সম্প্রতি রাজধানীতে চলা ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন রাজীব।<br><br><span style="font-weight: bold;">রাজীবের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ</span><br><br>আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয়রা জানায়, রাজীব বর্তমানে প্রায় শতকোটি টাকার মালিক। অথচ ২০১৩ সালে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির একটি বাড়ির নিচতলার গ্যারেজের পাশেই ছোট্ট এক বেডরুমের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন তারেকুজ্জামান রাজীব। ছোট ফ্ল্যাটটির দাম ছিল ৬০০০ টাকা। বর্তমানে মোহাম্মদপুর, বেড়িবাঁধ, বসিলা এলাকার পরিবহনে চাঁদাবাজি তার নিয়ন্ত্রণে। অটোরিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও বাস থেকে প্রতিদিন প্রায় ২-৩ লাখ টাকা চাঁদা যায় তার পকেটে। পাঁচ বছর ধরে এলাকার কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিচ্ছেন তিনি।<br><br>সূত্র জানায়, রাজীবের সব অপকর্মের সঙ্গী যুবলীগ নেতা শাহ আলম জীবন, সিএনজি কামাল, আশিকুজ্জামান রনি, ফারুক ও রাজীবের স্ত্রীর বড় ভাই ইমতিহান হোসেন ইমতি। সে যেখানেই যায়, তার গাড়িবহরের সামনে-পেছনে থাকে শতাধিক সহযোগীর একটি দল। মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজীব যুবরাজ হিসেবেই পরিচিত।<br><br>গত চার বছরে রাজীব ৮-১০টি নামিদামি ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনেছেন। মার্সিডিস, বিএমডাব্লিউ, ক্রাউন প্রাডো, ল্যান্ডক্রুজার ভি-৮, বিএমডাব্লিউ স্পোর্টস কারসহ নামিদামি সব ব্র‌্যান্ডের গাড়িই এসেছে রাজীবের হাতে।<br><br>মোহাম্মদপুরে রাজীবের একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে। তবে সূত্র জানায়, সেই জমির মালিক ছিলেন বারী চৌধুরী। এই জমির কিছু অংশে পানির পাম্প বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু জমিটি কৌশলে নিজেই নিয়ে নেন এই কাউন্সিলর।<br><br><br>অভিযোগ আছে, রহিম ব্যাপারী ঘাট মসজিদের সামনে আব্দুল হক নামের এক ব্যক্তির ৩৫ কাঠার একটি প্লট যুবলীগের কার্যালয়ের নামে দখলে করেন রাজীব। এর আগে ওই জমির পাশেই জাকির হোসেনের সাত-আট কাঠার একটি প্লট দখল করেছিলেন তিনি। পরে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে জমি উদ্ধার করেন জাকির।<br><br>মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশের ময়ূর ভিলার মালিক রফিক মিয়ার কয়েক কোটি টাকা দামের জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে রাজীব ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। পাবলিক টয়লেট নির্মাণের মাধ্যমে জমিটি দখল করা হয়। সেখানে পাঁচটি দোকান তুলে ভাড়া দিয়ে টাকা নিচ্ছে তারা।<br><br>মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের সামনে আল্লাহ করিম মসজিদ ও মার্কেটের নিয়ন্ত্রণও রাজীবের হাতে। কাউন্সিলর হওয়ার পর মসজিদ ও মার্কেট পরিচালনা কমিটির সভাপতি করেন তার স্ত্রীর বড় ভাই ইকরাম হোসেনকে। অভিযোগ রয়েছে, সভাপতি হয়েই ইকরাম মসজিদ মার্কেটের আয় নানাভাবে হাতিয়ে নেন। মার্কেটের ৩৯টি দোকান বিক্রি করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টাও করেন তিনি।<br><br>রাজীবের বিষয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. ক. সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্বের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অভিযানে তার বসুন্ধরার বাসা থেকে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, তিন রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। অস্ত্রের কোনো কাগজপত্র আমাদের দেখাতে পারেনি বিধায় এটি অবৈধ অস্ত্র। </body></HTML> 2019-10-20 09:24:01 1970-01-01 00:00:00 সড়কে প্রাণ গেল সেনাবাহিনীর কর্পোরালের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84100 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571541676_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571541676_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বগুড়ায় অজ্ঞাত যানবাহনের ধাক্কায় রবিউল ইসলাম (৪০) নামের সেনাবাহিনীর একজন কর্পোরাল নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে শেরপুর উপজেলার চান্দাইকোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, গ্রামের বাড়িতে ছুটি কাটিয়ে মোটরসাইকেলে করে বগুড়ায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন রবিউল ইসলাম। চান্দাইকোনা বগুড়া বাজার এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত একটি যানবাহন তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউল ইসলাম মারা যান। পরে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।<br><br>শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, অজ্ঞাত যানবাহনটি বাস না ট্রাক তা জানা যায়নি। শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জানা গেছে, নিহত রবিউল ইসলাম রাজবাড়ি জেলা সদরের ভাটকি গ্রামের আব্দুল হামিদ খানের ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীর আর্টিলারি ইউনিটের সদস্য এবং বগুড়ার মাঝিড়া সেনানিবাস শাখা ডিজিএফআইএ কর্মরত ছিলেন। ২০০৪ সালে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন তিনি। and nbsp; </body></HTML> 2019-10-20 09:20:44 1970-01-01 00:00:00 অভিযান চলছে চলবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84099 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571501003_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571501003_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত ক্যাসিনো, টেন্ডারবাজিসহ সব ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না। দুর্নীতিবাজ, দখলবাজরা দুর্নীতি ও দখলের চিন্তা যত দিন করবে; তত দিন এই অভিযান চলবে। শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আয়োজিত 'সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার এগিয়ে চলছে' শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নীতি ঘোষণা করেছে। সেই নীতিতে অটল থেকে অভিযানও অব্যাহত থাকবে। নতুন প্রজম্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে। তারা আমাদের ভবিষ্যত। তারা যেন বিপথগামী না হয় সে ব্যাপারে সকলকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'সবার সহযোগিতা পেলে সুশাসন শিগগিরই প্রতিষ্ঠিত করা যাবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরতরা রুটিন মাফিক কাজ করে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন হবে।' সুশাসনের কারণে অসাল্ফপ্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ আমরা যখন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারের ক্ষমতায় আসি তখন দেশে পূজামণ্ডপ ছিল ৯ হাজার বা ১০ হাজারের মতো। বর্তমানে সে সংখ্যা ৩২ হাজারের কাছাকাছি। শুধু পূজামণ্ডপ নয়, দেশে এমন কোনো জেলা নেই, যেখানে বৌদ্ধ ধর্মের কোনো প্যাগোডা নেই। তিনি বলেন, সব ধর্মের প্রতিনিধিরা নির্বিঘ্নে বাংলাদেশে থাকছেন। কে মুসলিম, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান, কে পাহাড়ি, কে নৃ- গোষ্ঠী আমরা তা দেখছি না। আমরা সকলে বাঙ্গালি। সবাই মিলেমিশে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজির পর কোন খাতে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'কোনো সেক্টরকে আমরা লক্ষ্য করছি না। যেখানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও আইন অমান্য হচ্ছে-সেখানেই বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। আমরা কোনো এলাকাকে টার্গেট করছি না।' বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে বলেন, 'ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এমন ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত তারাও মেধাবী ছিল। মেধাবী ছাত্রগুলোর মেধা এভাবে বিকৃত হবে সেটি কারোর ধারণা ছিল না। এমন ঘটনায় ব্যথিত ও দুঃখিত। আবরার হত্যায় নির্ভুল চার্জশিট (অভিযোগপত্র) তৈরির ব্যবস্থা হচ্ছে।'<br>মন্ত্রী বলেন, 'আমরা শুধু দুঃখ প্রকাশ করিনি। সঙ্গে সঙ্গে সেই অপরাধীদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেওয়া হবে। নির্ভুল একটা চার্জশিট যাতে যায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা ন্যায্যবিচার পাবো।'<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:03:00 2019-10-19 22:04:42 যুবলীগের দায়িত্ব নিতে চেয়ে সমালোচনায় ভিসি মীজান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84098 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500982_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500982_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ উপাচার্যের পদ ছেড়ে যুবলীগ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে চেয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য মীজানুর রহমান। ভিসি পদের চেয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান পদকে প্রাধান্য দেয়ায় তাকে নিয়ে তোলপাড় চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকে ‘ভিসির পদ বড় না যুবলীগের সভাপতি পদ?- এমন প্রশ্নও তুলছেন। আবার অনেকে ফেসবুকে তার পক্ষেও অবস্থান নিয়েছেন। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ এখন অনেকটা বেকায়দায়। সংগঠনটির অনেক নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রচারিত হলেও সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয় ক্যাসিনোকা- নিয়ে। যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই সংগঠনটিকে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলেরও তারিখ ঘোষণা হয়েছে। দলের জন্য ত্যাগীদের দিয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার দাবি নেতাকর্মীদের। কেউ আবার বয়সসীমাও বেঁধে দেয়ার কথা বলছেন।<br>এমন অবস্থার মধ্যে টালমাটাল যুবলীগের ভাবমূর্তি ফেরাতে হাল ধরতে রাজি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ড. মীজানুর রহমান। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে এই দায়িত্ব দিলে তিনি ভিসি পদ ছাড়তেও প্রস্তুত বলে জানান।<br>আগামী ২৩ নভেম্বর যুবলীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন জগন্নাথ ভিসি। তবে আসন্ন কাউন্সিলে নিজে থেকে কোনো পদের প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।<br>জগন্নাথের ভিসি বলেন, ‘যুবলীগ নিয়ে সারাদেশে সমালোচনা শুরু হওয়ার পর অনেক নেতাকর্মী আমাকে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। সেই কারণে আমি বলছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে যেই দায়িত্ব দিয়েছেন তা আমি সঠিকভাবে পালন করেছি। যুবলীগের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে নেত্রী আমাকে যুবলীগের দায়িত্ব দিলে আমি উপাচার্য পদ ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব নেব।’<br>টক শোতে কথা প্রসঙ্গে মীজানুর রহমান বলেন, ‘আমি উপাচার্য হওয়ার পর তাদের (যুবলীগের) কোনো মিটিংয়ে যাইনি। আমাকে যদি বলা হয়, যুবলীগের দায়িত্ব নিতে পারবেন কি না, আমি সঙ্গে সঙ্গে চাকরি ছেড়ে দিয়ে সংগঠনের দায়িত্ব নেবো। এটা এত ভালোবাসার একটা সংগঠন আমি উপাচার্যশিপ ছেড়ে দিতে রাজি আছি।’<br>জবি ভিসির এমন ইচ্ছার কথা জানার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে অনেকে আলোচনা-সমালোচনা।<br>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে সমালোচনা করছেন তার এই অভিপ্রায়ের। তবে কেউ আবার এতে দোষের কিছু দেখছেন না। কারণ তিনি এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় পদেই আছেন।<br>মনিরুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, ‘এদেরকে আর কোনো কাজ দেয়া না? পাগল ছাগল সব এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বানাতে হবে?’<br>প্রবাসী সাংবাদিক শকগাত আলী সাগর লিখেছেন, ‘মিজান সাহেবের আগ্রহের জায়গা হচ্ছে যুবলীগ। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর বানানো হয়েছিল। তিনি বলেছেন যুবলীগ তার প্রাণের সংগঠন। যুবলীগের জন্য তিনি অনেক কষ্ট করেছেন। তিনি কি কখনো বলেছেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রাণের প্রতিষ্ঠান? মনে হয় না।’<br>তিনি বলেন, ‘আমি বরং মিজান সাহেবকে ধন্যবাদ দেব। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাইস চ্যান্সেলরদের আকাঙক্ষার, যোগ্যতার জায়গাটা তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জগন্নাথের ভিসিকে দ্রুত রাজনৈতিক দলে ডেপুটেশনে পাঠানো হোক।’<br>এস এম মুনসুর নামের একজন লিখেছেন, ‘স্যার যুবলীগের ১ নাম্বর and nbsp; প্রেসিডিয়াম মেম্বার। তাই এখন চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখতেই পারেন। ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চেয়ারম্যান হবেন ভালো কথা, কিন্তু ভাবমূর্তি সংকটের দায় কী নেবেন না? নিশ্চয় ভিসি পদের চেয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যানের পদ অধিক লাভজনক।’<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:03:00 1970-01-01 00:00:00 পশ্চিমবাংলার সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতির শিক্ষামূলক বাংলাদেশ ভ্রমন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84097 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500958_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500958_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জসীম উদ্দিন॥<br>সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতি ভারতবর্ষ তথা পশ্চিমবঙ্গের স্বক্ষরতা ও বয়স্ক শিক্ষার প্রসারে একটা উল্লেখযোগ্য নাম। সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতির সভাপতি জনাব শক্তি মন্ডলের নেতৃত্বে পুরুষ ও নারী মিলে ৩৫ জনের এক প্রতিনিধি দল গত ১০ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষামূলক ভ্রমন সম্পন্ন করেছেন। এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কুষ্টিয়ার রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ লালনশাহর মাজার দর্শন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কুমিল্লাতে একটি সাংস্কৃতি অনুষ্টানে অংশগ্রহণ করেন। চট্টগ্রামে বীর শহীদ প্রীতিলতা ওয়াদেদ্দারের মুর্তিতে মাল্ল দান করেন। এছাড়া মাস্টার দা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক and nbsp; চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের জায়গা শ্রদ্ধার সাথে দর্শন করেন। এছাড়া ঢাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধীতে মাল্যদানও কবির রচিত সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় কবিকে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি শ্রদ্ধার সাথে দর্শন করেন এবং বনানীতে ওনার পবিরবারের সদস্যদের সমাধী দর্শন করেন ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়াও ঢাকার একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন পথিকৃত এর গত ১৮ তারিখের সন্ধ্যার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।<br>সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতি এই ভ্রমনের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে দৃঢ় করার প্রয়াস চালিয়ে গেছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:02:00 1970-01-01 00:00:00 বিএসএফ বাহাদুরি করেছে, বাধ্য হয়েই গুলি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84096 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500932_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500932_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>গত বৃহস্পতিবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের রাজশাহী সীমান্তে প্রবেশ করে ‘বাহাদুরি’ দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। এতে বিজিবি বাধ্য হয়েই গুলি করেছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।<br>শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জার্মানিসহ চারটি ইউরোপিয়ান দেশ সফরে রয়েছেন। ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মহিউদ্দীনের নেয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি ভারত সফর, ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি, রোহিঙ্গা ইস্যু, সীমান্ত হত্যাসহ বিভিন্ন প্রসঙ্গ উঠে আসে। গত বৃহস্পতিবার রাজশাহীর চারঘাট সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে গোলাগুলি এবং এক বিএসএফ সদস্যের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যেসব তথ্য দিচ্ছে তা সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন মোমেন। এই ঘটনার জন্য তিনি বিএসএফকেই দায়ী করেছেন।<br>এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তারাই (বিএসএফ) আমাদের এখানে এসেছে এবং এসে তারা বাহাদুরিও করেছে। আমাদের ছেলেদের (বিজিবি) তাদের লাস্ট জব হিসেবে বাধ্য হয়ে গুলি করতে হয়েছে।’ বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান জানিয়ে মোমেন বলেন, ‘এটা ওয়ান ইনসিডেন্ট (একটা ঘটনা)। and nbsp; ভুল বোঝাবুঝির কারণে এমন ঘটেছে।’<br>গত দশ বছরে ৩০০ এর বেশি বাংলাদেশি মারা গেছে বিএসএফের গুলিতে এমন তথ্যের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী বলেন, ‘আগে বিএসএফ বছরে অনেকজনকে মেরে ফেলত আমরা তখন কেবল দুঃখ করেছি। কিন্তু গত বছর মাত্র তিনজনকে মেরেছে। and nbsp; যদিও একজনের মৃত্যুও অনাকাঙ্ক্ষিত।<br>মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগে কখনও মামলা করিনি। ভারত এখন নতুন করে করেছে। কোনো পণ্ডিতও আমাদেরকে আগে মামলা করার কথা বলেননি।’ আগামীতে বাংলাদেশও এই পথে হাঁটতে পারে বলে জানান তিনি।<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:02:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে শিশু ধর্ষণচেষ্টাকালে যুবক আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84095 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500893_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500893_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥<br>ফেনী শহরে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টাকালে কামরুল ইসলাম (২৯) নামের বখাটে যুবককে ধরে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার দুপুরে শহরের আরামবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক কামরুল লক্ষ্মীপুর জেলার চর রুহিতিয়া গ্রামের তোফায়েল আহমেদের ছেলে। and nbsp; স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের সময় এলাকা যখন নিস্তব্দ হয়ে যায় তখন বখাটে যুবক ওই শিশুটিকে স্থানীয় সেলিমের কলোনির একটি বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের কয়েকজন এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে। পরে এলাকাবাসী কামরুলকে পিটিয়ে ফেনী মডেল থানা পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ এসে তাকে থানা হাজতে নিয়ে যায়। ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, and nbsp; অভিযুক্ত যুবক পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তবে এ ব্যাপারে বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। <br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:01:00 1970-01-01 00:00:00 সাক্ষ্য দিচ্ছি, গত নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84094 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500756_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500756_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর অভিযোগের শেষ নেই। তবে এবার একই সুরে কথা বললেন খোদ সরকারদলীয় জোট ১৪ দলের শীর্ষ নেতা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তিনি সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন, ‘গত নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় নির্বাচনেও জনগণ ভোট দিতে পারেনি।’ শনিবার দুপুরে বরিশাল নগরীর টাউন হলে ওয়ার্কার্স পার্টির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।<br>ঢাকা-৮ আসনের এই সাংসদ বলেন, ‘গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিও নির্বাচিত হয়েছি। তারপরও আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, ওই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এমনকি পরবর্তীতে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি দেশের মানুষ।’ সরকারের বিরুদ্ধে অন্যায়, অপকর্ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মেনন বলেন, ‘উন্নয়ন মানে গণতন্ত্র হরণ নয়। উন্নয়ন মানে ভিন্ন মতের সংকোচন নয়। উন্নয়ন মানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ নয়। উন্নয়ন মানে গণতন্ত্রের স্পেস কমিয়ে দেওয়া নয়।’ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনি-আমি মিলে যে ভোটের জন্য লড়াই করেছি, আজিজ কমিশনকে ঘেরাও করেছি, আমরা এক কোটি ১০ লাখ ভুয়া ভোটার তালিকা ছিঁড়ে ফেলে নির্বাচন বর্জন করেছি মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরও। আজকে কেন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জাতীয় নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারছে না?’<br>আলোচিত ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনো মালিকদের ধরা হচ্ছে, দুর্নীতিবাজদের ধরা হচ্ছে, কিন্তু দুর্নীতির আসল জায়গা নির্বিঘ্ন আছে। সেই দুর্নীতিবাজদের বিচার কবে হবে, তাদের সাজা কবে হবে, তাদের সম্পদ কবে বাজেয়াপ্ত হবে?’ জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি নজরুল হক নিলুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন কমরেড আনিছুর রহমান মল্লিক। আরও বক্তব্য দেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাবেক এমপি টিপু সুলতান, মহানগর কমিটির আহ্বায়ক শান্তি দাস, জেলার সম্পদকমণ্ডলীর সদস্য বিশ্বজিৎ বাড়ৈ, ফাইজুল হক বালী ফারাইন, জেলা গণফোরাম সভাপতি হিরন কুমার দাস মিটু, সিপিবির প্রবীণ নেতা আব্দুল মন্নান প্রমুখ।<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 22:01:00 1970-01-01 00:00:00 ধর্মগুরুর ডেরায় মিলল কোটি কোটি ডলার, সোনা-হিরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84093 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500733_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500733_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥<br>একসময় সামান্য বেতনে কেরানির চাকরি করতেন। কিন্তু আস্তে আস্তে নিজেকে কৃষ্ণের দশম অবতার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন। বনে যান ভারতের অন্যতম ধর্মগুরুদের একজন। নাম দেন ‘কল্কি ভগবান’। এই কল্কি ভগবানের ডেরা থেকে স্বর্ণ-হিরা ও নগদ টাকাসহ ৫০০ কোটিরও বেশি বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধার করেছেন আয়কর অধিদপ্তরের কমকর্তারা। ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নগদ ৯৩ কোটি রুপি ও স্বর্ণ-হিরে মিলিয়ে ৪০৯ কোটি রুপির সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি নিজেকে কলি যুগের কৃষ্ণ বলে থাকেন। তার আসল নাম বিজয় কুমার। আশির দশকের মাঝামাঝি তিনি চাকরি ছেড়ে চিত্তুরে একটি স্কুল খোলেন। নাম দেন ‘জিবাশ্রম’। তার শিষ্যদের আধ্যাত্মিক পাঠ দিতেন তিনি। ক্রমে তার শিষ্যের সংখ্যা বাড়তে থাকে। চিত্তুরে তিনি ‘ওয়াননেস’ নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও খুলে ফেলেন। প্রচুর সেলিব্রিটি এবং বড় ব্যবসায়ীও তার শিষ্য হয়ে যান। নব্বইয়ে দশকে তিনি নিজেকে কৃষ্ণের দশম অবতার ‘কল্কি’ হিসাবে ঘোষণা করেন। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্নাটকে তার অনেক আশ্রম রয়েছে। এছাড়া বিদেশেও তার যাতায়াত রয়েছে। বিদেশে অনেক জায়গায় গিয়ে তিনি নিজের মতবাদ প্রচার করে এসেছেন। দেশ-বিদেশে তার যাবতীয় আশ্রমের অ্যাকাউন্ট দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন স্ত্রী পদ্মাবতী এবং ছেলে এনকেভি কৃষ্ণ।<br>আয়কর দপ্তরের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তার প্রতিটা আশ্রমেরই হিসাব বহির্ভূত আয় রয়েছে। সেই আয় সরকারের থেকে গোপন রাখা হত। এই তথ্য হাতে পাওয়ার পরই ১৬ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন আশ্রমে তল্লাশি শুরু করেন আয়কর কর্মকর্তারা।<br>তার আশ্রমে ১৮ কোটি টাকার মূল্যের নগদ মার্কিন ডলার উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮৮ কেজি সোনা, যার মূল্য ২৬ কোটি টাকা এবং ১ হাজার ২৭১ ক্যারাটের হিরে। সব মিলিয়ে মোট ৫০০ কোটি টাকারও বেশি হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছেন আয়কর কর্মকর্তারা।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:58:00 1970-01-01 00:00:00 মদিনায় নিহতদের ১১ জন বাংলাদেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84092 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500708_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500708_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ সৌদি আরবের মদিনার কাছে ওমরাহযাত্রী বহনকারী বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬ জনের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেদ্দার শ্রম কল্যাণ উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।<br>শনিবার জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট থেকে শ্রম কল্যাণ উইংয়ের প্রথম সচিব কে এম সালাউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িতে ১৩ জন বাংলাদেশি ছিলেন। যাদের দুজন মদিনায় অবতরণ করেছেন, বাকি ১১ জন মক্কার যাত্রী হিসেবে বাসটিতে ছিলেন। যেহেতু আহত চারজনের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই ধারণা করা হচ্ছে ১১ জনই নিহত হয়েছেন। এদিকে প্রাথমিকভাবে শুধু ১০ জনের নাম সংগ্রহ করা গেলেও বাস কর্তৃপক্ষ ইকামা নম্বর বা অন্যান্য কোনো তথ্য দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাস। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে ডিএনএ টেস্ট ছাড়া কোনোভাবেই মৃত ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া সম্ভব না। অন্যদিকে মদিনাস্থ আল মিকাত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের দেহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের পরিবারের কোনো আত্মীয়-স্বজন যোগাযোগ করলে পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে, তবে মৃতদেহ নিজ দেশে বহন উপযোগী নয় বলেও জানিয়েছেন তারা। গত বুধবার সন্ধ্যায় মদিনা থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে মারকাজ আল-আখাল এলাকায় হিজরা রোডে ওই দুর্ঘটনায় ৩৫ জনের মৃত্যু আর চারজনের আহতের খবর দিয়েছে সৌদি সংবাদমাধ্যমগুলো। জানা যায়, রিয়াদের বাথা এলাকার দার আল মিকাত ওমরাহ এজেন্সির ওই বাস মোট ৫০ জন যাত্রী নিয়ে মদিনা গিয়েছিল। একদিন পর ৩৯ জন আরোহী নিয়ে মদিনা থেকে মক্কার উদ্দেশে রওনা হয়ে বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে।<br>আল-আখাল গ্রামের কাছে সড়কের সংস্কার কাজে থাকা একটি লোডারের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে বাসটিতে আগুন ধরে যায়।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:58:00 2019-10-19 22:04:48 ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মারমুখী অবস্থান, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ৩০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84091 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500684_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500684_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>বরগুনার পাথরঘাটায় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ এড়াতে নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। শনিবার পাথরঘাটা উপজেলা শহরের আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে দু’পক্ষ মারমুখী অবস্থান নিলে পুলিশ অ্যাকশনে যায়।<br>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হোসাইনকে স্বপদে বহালের দাবিতে শনিবার বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে এনামুলের নেতাকর্মীদের কর্মসূচিকে প্রতিহত করতে পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা।<br>এতে সকাল থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাৎক্ষণিক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের নাম জানা যায়নি। অন্যদিকে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে পাথরঘাটার বিভিন্ন স্থানে। শুক্রবার থেকেই পাথরঘাটায় এ সব পুলিশ মোতায়েন করা হয়।<br>প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হোসাইনকে অনুপ্রবেশকারী উল্লেখ করে সাংগঠনিক নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তাকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর থেকে এনামুলের সমর্থক ও প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এ অবস্থায় দু’পক্ষ মুখোমুখী অবস্থান নিলে উত্তেজনা দেখা দেয়।<br>এদিকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে দুপুর ১টার দিকে পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এনামুল হোসাইন জানান, তিনি অনুপ্রবেশকারী এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেননি এবং তিনি আওয়ামী পরিবারের সদস্য।<br>তিনি বলেন, আমি একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার। কিন্তু প্রতিপক্ষের ছাত্রলীগ নেতারা সেই মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন পণ্ড করার জন্য আমার নেতাকর্মীদের শহরে প্রবেশ করতে দেয়নি এবং পথে পথে তাদের ওপর হামলাও করেছে। আমার সমর্থক নেতাকর্মীদের মারধর করে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছে। মারধরে আমার অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।<br>অপরদিকে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান নাইম বলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিদ মক্কি ও পৌর সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মধুসহ পুলিশের লাঠিচার্জে ছাত্রলীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৫ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।<br>তবে পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান সোহাগ বলেন, এনামুল ও তার নেতাকর্মীরা যেটা করছেন, তা সম্পূর্ণ সংগঠনবিরোধী। তিনি তার পদ ফেরত পাওয়ার জন্য কেন্দ্রে আপিল করতে পারেন। কিন্তু তিনি তা না করে মিছিল-মিটিং করে পাথরঘাটায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।<br>পাথরঘাটা থানা ওসি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সাদা পোশাকধারীর পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ ও ডিবি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:58:00 1970-01-01 00:00:00 সিটিংয়ের নামে ‘চিটিং’ সার্ভিস বন্ধের দাবি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84090 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500660_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500660_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ সিটিং সার্ভিস নাম দেয়া হলেও রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গণপরিবহনে মানা হয় না কোনো নিয়ম-কানুন। যত্রতত্র and nbsp; লোক ওঠানো, গাদাগাদি করে যাত্রী নিয়ে চলা, বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ এদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। নানা সময় সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন।<br>শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে এমন একটি কর্মসূচি পালন করেছে মানবাধিকার জোট ও প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল নামের দুটি সংগঠন। সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ করে এসব বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিটিং সার্ভিসের নামে ‘চিটিং সার্ভিস’ দিচ্ছে বাস মালিকরা। এর মাধ্যমে যাত্রীদের হয়রানি করে তারা লাখ লাখ টাকা আদায় করছে। সিটিং বাসের নামে তারা ভাড়া নৈরাজ্যে নেমেছে। প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া নির্ধারনের বিপরীতে তারা নির্দিষ্ট বাসস্টপেজ চেকিংয়ের নামে জোরপূর্বক ভাড়া আদায় করছে। বক্তারা আরও বলেন, বাস মালিকরা অযোগ্য, অদক্ষ চালক এবং শ্রমিক দিয়ে গাড়ি পরিচালনা করছেন। সড়কে বেপরোয়াভাবে চলছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি। এসব গাড়ির বাইরে সিটিং লেখা থাকলেও, ভেতরে বসার ভালো কোনো পরিবেশ নেই।<br>মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মানবাধিকার জোটের মহাসচিব মিলন মল্লিক, প্যাসেঞ্জার ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোস্তফা, মানবাধিকার জোটের যুগ্ম মহাসচিব গোলাম ফারুক প্রমুখ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:57:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে সেই মাদরাসায় ফের ছাত্র বলাৎকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84089 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500630_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500630_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥<br>ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মাদরাসাতু ওসমান (রা.) মাদরাসায় ফের ছাত্র বলাৎকারের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে হোস্টেলে হিফজ বিভাগের ছাত্রকে বলাৎকার করেন মাদরাসার খাদেম নুর ইসলাম দরবেশ (৫৫)। এ ঘটনায় নির্যাতিত ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এর আগে গত বছরের ১৫ আগস্ট একই মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল ফাত্তাহ বিন আমিনের বিরুদ্ধে তিন ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে সোনাগাজী থানায় মামলা হলে সে পালিয়ে যায়, অধ্যাবধি সে পলাতক রয়েছে।<br>নির্যাতিত ছাত্র ও তার পরিবার জানায়, শুক্রবার দুপুরে ছাত্রটি সাইকেল চালিয়ে মাদরাসার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত খাদেম নুর ইসলাম দরবেশ তাকে ডেকে হোস্টেলে নিয়ে যায়। এসময় খাদেম ছাত্রটিকে বলাৎকার করেন। ছাত্রটি চিৎকার করলে খাদেম তাকে একশত টাকা হাতে দিয়ে কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেন। একপর্যায়ে ছাত্রটি কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে গিয়ে তার দাদাকে ঘটনাটি অবহিত করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রের পরিবার ও এলাকাবাসী মাদরাসায় যাওয়ার আগেই অভিযুক্ত নুর ইসলাম পালিয়ে যায়।<br>ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শনিবার দুপুরে সরেজমিনে মাদরাসায় গেলে অভিযুক্ত নুর ইসলেোমক পাওয়া যায়নি। মাদরাসায় অবস্থানরত অন্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন মন্তব্য না করে সটকে পড়েন।<br>নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোস্টেলে অবস্থানরত একাধিক ছাত্র ঘটনাটি সত্য জানিয়ে বলেন, মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষক এর আগেও ছাত্রদের বলাৎকার করেন। দুই একটি ঘটনা প্রকাশ পেলেও লোকলজ্জার ভয়ে অনেকে বলাৎকারের ঘটনা প্রকাশ করেননি।<br>এদিকে অভিযুক্ত নুর ইসলাম দরবেশের গোয়ালিয়া গ্রামের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে প্রতিবেদক মুঠোফোনে তার কাছে ফোন করলে সে চট্টগ্রাম অবস্থান করছে বলে জানায়। ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সে নাতি হিসেবে মাদরাসাছাত্রের সাথে মশকারী করেছে দাবি করে ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।<br>মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা রুহুল আমিন জানায়, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন কিন্তু পালিয়ে যাওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঈন উদ্দিন আহমদ জানায়, ঘটনার বিষয়ে তার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। <br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:57:00 1970-01-01 00:00:00 উত্তাল লেবাননে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84088 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500607_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500607_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>কয়েকটি অ্যাপসের ভয়েস কলে রাজস্ব যোগ করার পরিকল্পনার জেরে লেবানন এখন আন্দোলনে উত্তাল। সরকার এই পরিকল্পনা থেকে ফিরে আসার ঘোষণা দিলেও আন্দোলন অব্যাহত আছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে লেবাননে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের সতর্কভাবে চলাফেরার পরামর্শ দিয়েছেন সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত। এই অবস্থায় লেবাননে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাস কর্মকর্তারা।<br>শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় এই সংকট নিরসনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরি জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহাত্তর ঘণ্টা সময় চান। কিন্তু আন্দোলনকারীরা সেটা প্রত্যাখ্যান করে গভীর রাত পর্যন্ত রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আর সেই আন্দোলন শনিবারও অব্যাহত থাকে।<br>বৃহস্পতিবার লেবানন সরকারের পক্ষ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, অ্যাপলের ফেইস টাইমের মতো অ্যাপগুলোর ভয়েস কলে রাজস্ব ধার্যের পরিকল্পনার ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু ঘোষণাটির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো সাধারণ জনতা। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে লেবাননের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরবর্তী সময়ে পরিকল্পনাটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানায় সরকার। কিন্তু তাতে বিক্ষোভ থামেনি।<br>এসব অ্যাপের ভয়েস কলে রাজস্ব যোগ হলে প্রতিদিন ২০ সেন্ট করে গুণতে হতো লেবাননের নাগরিকদের।<br>এই ঘটনায় লেবাননের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা বাহিনীর (আইএসএফ) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, বিক্ষোভে তাদের ৪০ সদস্য আহত হয়েছে।<br>দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বলছে, তারা মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরও বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করবে। এই ঘোষণাগুলো দিনের বেলা লেবাননের সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর সাধারণ মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাতারাতি তা বড় ধরনের বিক্ষোভে রূপ নেয়।<br>বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক বছর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের মুখোমুখি হয় লেবানন। অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও হাজার হাজার লেবানিজ রাস্তায় নামে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে। এজন্য তারা সরকারের কড়া সমালোচনা এবং দোষারোপ করে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:56:00 1970-01-01 00:00:00 বিছানায় মেয়ের, মেঝেতে বাবার গলাকাটা লাশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84087 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500583_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500583_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>চট্টগ্রামের বন্দরের নিমতলা এলাকায় ঘরের ভেতর থেকে বাবা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে খাটের ওপর মেয়ের ও মেঝেতে বাবার লাশ পড়ে ছিল।<br>শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিমতলার বুচুইক্যা কলোনির একটি বাসা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।<br>নিহতরা হলেন- মো. আরিফ এবং তার চার বছর বয়সী মেয়ে ফাতেমা। আরিফ পেশায় দিনমজুর। বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী জানান, বেলা ১১টার দিকে তিনতলা বিশিষ্ট বাসাটির নিচতলার একটি ইউনিট থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে বাসার খাটে মেয়ের এবং মেঝেতে বাবার লাশ পড়ে ছিল। দুজনের গলাতেই ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।<br>এখনও হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে পারেনি পুলিশ। ঘটনা তদন্তে সিআইডির ফরেনসিক টিম এসেছে। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে আলামত সংগ্রহ করবে বলে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:56:00 1970-01-01 00:00:00 ভিপি নুরকে পেটানো সেই উপজেলা চেয়ারম্যানকে জুতা ও ডিম মারল জনতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84086 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500558_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/19/1571500558_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরকে পেটানো পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন শাহকে লক্ষ্য করে করে জুতা, ডিম ও ঢিল নিক্ষেপ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শনিবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি নুরের এলাকা গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তার বিরুদ্ধে এ কর্মসূচি পালন করেন।<br>এ সময় শাহিন ও তার কর্মীরা পালিয়ে একটি দোকানে আশ্রয় নেয়। পরে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সহায়তায় রক্ষা পায় তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এক নারী আইনজীবীর দায়ের করা শ্লীলতাহানির মামলায় অতি সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় আসেন। শনিবার চরবিশ্বাস এলাকায় মৎস্যজীবী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় আমন্ত্রিত হন গলাচিপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন শাহ্ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।<br>শনিবার দুপুরে দিকে শাহিন মোটরসাইকেল শো ডাউন নিয়ে বুধবাড়িয়া বাজারের কাছে পৌঁছালে স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল প্রদর্শন করে তাকে স্থান ত্যাগ করতে বলেন। পুরুষের পাশাপাশি নারীও তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় ওই স্থানে দুই পক্ষ অবস্থান নেয়।<br>শাহিনের সঙ্গে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিটু, সহ-সভাপতি মানিক মিয়া ও মজিবুর রহমান প্যাদা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাবলু ভুঞাসহ অনেক নেতাকর্মীরা নিরাপদে আশ্রয় চলে যায়। তবে এ প্রসঙ্গে কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয়।<br>গত ১৪ আগস্ট ভিপি নুরের হামলার জেরে গ্রামবাসীরা শাহিনের বিরুদ্ধে ঝাড়ু ও জুতা কর্মসূচি পালন করেছেন। শাহিনের সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা ঝাড়ু মিছিলের কথা স্বীকার করলেও জুতা ও ডিম নিক্ষেপের বিষয় এড়িয়ে যায়। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জুতা নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একটি ভিডিও চিত্রেও এ ঘটনা নিশ্চিত হওয়া গেছে।<br>ঘটনার সময় স্থানীয়রা স্লোগান দিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের ভিপি নুরকে হামলাকারী ও মাদকের মদদদাতা শাহিনের এ মাটিতে জায়গা নেই। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা টিটু বলেন, ঝামেলা হওয়ার আগেই আমি ওই সভায় পৌঁছে গিয়েছিলাম। তাই আমি কিছু দেখিনি। লোকমুখে শুনেছি।<br>এ প্রসঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত গলাচিপা থানার এসআই মেহেদী হাসান জানান, ঝাড়ু মিছিল হয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভিডিও চিত্রে ঝাড়ু ও জুতার বিষয়টি স্পষ্ট রয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, লোকজন জড়ো হয়ে ঝামেলা করতে চাইছিল। কিন্তু পুলিশ থাকায় সম্ভব হয়নি। <br><br> </body></HTML> 2019-10-20 21:56:00 1970-01-01 00:00:00 জেন্টস পার্লারের নামে পতিতালয় ধরা পড়লেন যুবলীগ নেতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84085 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496733_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496733_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>সাতক্ষীরা পৌর যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত জেলা যুবলীগের সদস্য তুহিনুর রহমান তুহিনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।<br>শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়ক থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাতক্ষীরা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>মহিদুল ইসলাম বলেন, যুবলীগ নেতা তুহিন সাতক্ষীরা শহরের সংগ্রাম আবাসিক হোটেল ভাড়া নিয়ে ‘জেন্টস পার্লারের’ নামে মিনি পতিতালয় গড়ে তুলেছেন। গত ৭ অক্টোবর সাতক্ষীরা শহরের সংগ্রাম টাওয়ারের আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারীসহ আটজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযানে হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কনডম ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।<br>ওসি মহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ওই ঘটনায় তুহিনের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করে পুলিশ। এরপরই পৌর যুবলীগের সভাপতি পদ থেকে তুহিনকে বহিষ্কার করা হয়। মামলার পর থেকে পলাতক ছিলেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে তুহিনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। </body></HTML> 2019-10-19 20:51:58 1970-01-01 00:00:00 জেলেদের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা ঘুষ আদায়, এএসআই ক্লোজড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84084 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496696_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496696_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ জেলের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমনকে থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশ সুপারের দফতর থেকে এ আদেশ দেয়া হয়।<br>পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৎস্য কর্মকর্তাকে সঙ্গে না নিয়ে ও ওসিকে না জানিয়ে এএসআই মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমন অভিযান চালিয়ে কয়েকজন জেলেকে আটক করেন। এরপর তাদের ছেড়ে দেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ ছাড়া তারা এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করতে পারেন না। এ কারণে এএসআই মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎকোচ নিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল কি-না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মেহেন্দিগঞ্জ থানার এএসআই দেলোয়ারের নেতৃত্বে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন পুলিশ সদস্য চরএককরিয়া এলাকায় যান। এ সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালখারাবাদ নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে জাল ও মাছসহ চার জেলেসহ ১০ জনকে তারা আটক করেন। এরপর প্রত্যেক জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন এএসআই দেলোয়ার। একই সঙ্গে আটক জেলেদের পরিবারের সদস্যদের টাকা নিয়ে আসতে খবর দেন দেলোয়ার। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসার পর ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ১০ জেলেকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে জাল এবং মাছ নিয়ে যান এএসআই দেলোয়ার। পরে এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্ত এএসআই দেলোয়ারের বিচারের দাবিতে মেহেন্দিগঞ্জের পোলতাতলী বাজারে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর প্রেক্ষিতে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। তবে এএসআই দেলোয়ার জানান, চরএককরিয়া এলাকার কোনো জেলেকে তিনি আটক করেননি, কারও কাছ থেকে টাকাও নেননি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে নির্দোষ প্রমাণিত হবেন বলে তিনি জানান। </body></HTML> 2019-10-19 20:51:22 1970-01-01 00:00:00 সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ৪ যুবক ধরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=84083 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496652_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/17/1571496652_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ জেলের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমনকে থানা থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশ সুপারের দফতর থেকে এ আদেশ দেয়া হয়।<br>পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৎস্য কর্মকর্তাকে সঙ্গে না নিয়ে ও ওসিকে না জানিয়ে এএসআই মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমন অভিযান চালিয়ে কয়েকজন জেলেকে আটক করেন। এরপর তাদের ছেড়ে দেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ ছাড়া তারা এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করতে পারেন না। এ কারণে এএসআই মো. দেলোয়ার ও কনস্টেবল মো. সুমনকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎকোচ নিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল কি-না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরএককরিয়া এলাকার বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মেহেন্দিগঞ্জ থানার এএসআই দেলোয়ারের নেতৃত্বে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন পুলিশ সদস্য চরএককরিয়া এলাকায় যান। এ সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালখারাবাদ নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে জাল ও মাছসহ চার জেলেসহ ১০ জনকে তারা আটক করেন। এরপর প্রত্যেক জেলেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন এএসআই দেলোয়ার। একই সঙ্গে আটক জেলেদের পরিবারের সদস্যদের টাকা নিয়ে আসতে খবর দেন দেলোয়ার। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসার পর ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ১০ জেলেকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে জাল এবং মাছ নিয়ে যান এএসআই দেলোয়ার। পরে এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযুক্ত এএসআই দেলোয়ারের বিচারের দাবিতে মেহেন্দিগঞ্জের পোলতাতলী বাজারে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর প্রেক্ষিতে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। তবে এএসআই দেলোয়ার জানান, চরএককরিয়া এলাকার কোনো জেলেকে তিনি আটক করেননি, কারও কাছ থেকে টাকাও নেননি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে নির্দোষ প্রমাণিত হবেন বলে তিনি জানান। </body></HTML> 2019-10-19 20:50:24 1970-01-01 00:00:00