http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ফেনীর নিজামকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86545 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575903084_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575903084_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী কারাগারের নিরাপত্তা সেলে ঢুকে যুবলীগের দুই নেতাকে হুমকি দেওয়ার ঘটনা অনুসন্ধান করতে গিয়ে তদন্ত কমিটি ভয়ংকর তথ্য পেয়েছে। তা হলো, সাংসদ নিজাম আইন লঙ্ঘন করে নিয়মিত কারাগারে যেতেন, এখনো যান। সাংসদকে কারাগারের ভেতরে নিয়ে যেতেন জেল সুপার।<br>সেলে রাখা হয় সাজাপ্রাপ্ত বা দুর্ধর্ষ আসামিদের। কিন্তু যুবলীগের ওই দুই নেতা সাজাপ্রাপ্ত নন, সাধারণ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের সেখানে রাখা হয়েছিল। এই দুই নেতা ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এম আজহারুল হক ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া গত ৯ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রসচিবের (সেবা সুরক্ষা বিভাগ) কাছে অভিযোগ করেন, তাঁদের ফেনী কারাগারে নিরাপত্তা সেলের ৩ নম্বর কক্ষে রাখা হয়েছে এবং সাংসদের লোকজন সেখানে ঢুকে তাঁদের হুমকি দিয়েছেন।<br><br>তদন্ত কমিটিকে একজন সাক্ষী বলেছেন, সাংসদ তাঁর দেহরক্ষী সাহাবুদ্দিন ও ফুলগাজীর আনন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হারুন মজুমদারকে নিয়ে কারাগারের ভেতরে গেছেন। যুবলীগের দুই নেতা লিখিত অভিযোগে জানান, গত ১৩ এপ্রিল বেলা সাড়ে তিনটায় সেলে প্রবেশ করেন হারুন মজুমদার ও সাহাবুদ্দিন। তাঁরা তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, ‘তোদের মামলা কয়টি? তোরা কোনো মামলায় জামিন করাবি না। জামিন করালে জেলখানা থেকে বের হওয়ার পর তোদের একরাম চেয়ারম্যানের মতো পুড়িয়ে হত্যা করা হবে।’ এরপর ৫ জুন দুপুর ১২টায় এস আলম সবুজ এবং ফেনী সদর থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম সেলের ৩ নম্বর কক্ষে ঢুকে সাখাওয়াতকে হুমকি দিয়ে বলেন, কারাগার থেকে বের হয়ে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হতে হবে। এ অভিযোগের পর গত ১৩ এপ্রিল ইউপি চেয়ারম্যান বলেছিলেন, ‘মধ্যস্থতা করতে আমরা এমপির (নিজাম হাজারী) সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলাম।’<br><br>কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরাত দিয়ে তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, নিজাম নিয়মিত কারাগারের ভেতরে যান। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৩ এপ্রিল, ৫ জুন তিনি কারাগারে ঢুকেছেন। গত বছরের ২৩ আগস্টও তাঁর কারাগারে প্রবেশের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আইন অনুযায়ী তিনি এভাবে কারাগারের ভেতরে যেতে পারেন না। জানতে চাইলে নিজাম কারাগারে নিয়মিত ঢোকার বিষয়টি স্বীকার করে গতকাল রাতে and nbsp; ফোনে বলেন, স্থানীয় সাংসদ চাইলেই তাঁর নির্বাচনী এলাকার কারাগারে যেতে পারেন। এ জন্য তাঁকে অনুমতি নিতে হয় না। কারাবন্দীদের দুঃখ-দুর্দশা দেখার জন্যও সেখানে তাঁকে যেতে হয়। তবে সাংসদ চাইলে জেল সুপারকে অবহিত করতে পারেন। দুই নেতাকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে নিজাম বলেন, ‘এদের হুমকি দেওয়ার কী আছে? আমি সাংসদ, আবার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও। তাহলে কেন তাদের হুমকি দেব?’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘সাংসদ কেন, কোনো মন্ত্রীও অনুমতি ছাড়া কারাগারের ভেতরে ঢুকতে পারেন না। আমি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমিও পারব না। আমাকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কারাগারে ঢুকতে হবে।’<br>যুবলীগের দুই নেতাকে হুমকি দেওয়ার ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে।<br><span style="font-weight: bold;"><br>তদন্ত কমিটিকে সাক্ষীরা যা বলছেন</span><br>ফেনী কারাগারের জ্যেষ্ঠ সুপার রফিকুল কাদের তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন, আইনানুযায়ী সাংসদের কারাগারে ঢোকার কোনো সুযোগ নেই। তবে তিনি বেশ কয়েকবার ঢুকেছেন। ওই দিন তিনি চুল কাটতে বাইরে ছিলেন। সাংসদ ঢোকার পর তাঁকে জানানো হয়েছে। জেল সুপার বাইরে থাকলেও তদন্ত কমিটির কাছে দাবি করেন, সাংসদ কাউকে হুমকি দেননি। কাউকে নিয়েও ঢোকেননি। নিরাপত্তা সেলে ফাঁসির আসামিদের রাখার বিষয়ে জেল সুপার বলেন, নিরাপত্তার জন্য ওই দুই আসামিকে সেলে রাখা হয়েছিল। জেলার দিদারুল আলম অবশ্য বলেছেন, তাঁর ২৮ বছরের কর্মজীবনে কোনো সাংসদকে এভাবে জেলখানায় ঢুকতে দেখেননি। তবে জেল সুপারের নির্দেশেই তিনি গেট খুলে দিয়েছেন। টেলিফোনে জেল সুপারের নির্দেশেই তিনি ও ডেপুটি জেলার মনির হোসেন সাংসদকে কারা অভ্যন্তরে ঢুকিয়েছেন। তিনি আরও জানান, নিজাম বেসরকারি কারা পরিদর্শক না হয়েও প্রায়ই কারাগারে ঢোকেন। তাঁর সাত মাসের দায়িত্ব পালনকালে এই সাংসদ তিনবার কারাগারে ঢুকেছেন। ১৩ এপ্রিল নিজাম ২টা ৩৫ মিনিটে কারাগারে ঢোকেন, বের হন ৩টা ২৫ মিনিটে। জেলার বলেন, সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া ও আজহারুল ইসলাম বিচারাধীন মামলার আসামি। তাঁদের সেলে রাখা হয়েছিল। সাধারণত সেলে সাজাপ্রাপ্ত ও দুর্ধর্ষ শ্রেণির আসামিদের রাখা হয়। এই দুজন দুর্ধর্ষ ছিলেন না। সাধারণ ওয়ার্ড থেকে সেলে দেওয়ার এখতিয়ার জেল কোড অনুযায়ী জেল সুপারের। এই দুজন আসামিকে সেলে দিয়েছেন জেল সুপার। যুবলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন তদন্ত কমিটিকে বলেছেন, সেলে গিয়ে তাঁকে হুমকি দেন সাংসদের দেহরক্ষী ও ইউপি চেয়ারম্যান হারুন মজুমদার।<br>"সূত্র প্রথম আলো" </body></HTML> 2019-12-09 20:48:32 2019-12-09 20:57:30 মেয়েদের পর ছেলেদের সোনা জয়! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86544 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575889654_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575889654_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারী দলের পর সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে স্বর্ণ জিতে নিল বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দলও। আজ টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ৭ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। গতকাল নারীদের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ২ রানে হারায় সালমা খাতুন-জাহানারা আলম-নিগার সুলতানারা।<br>নেপালের কীর্তিপুরে টস জিতে আজ প্রথমে বোলিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও নিশান মাধুশকা। ৪.৪ ওভারেই ৩৬ রান তোলেন তারা। বাংলাদেশের পেসার সুমন খান শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন। ১৬ রান করা মাধুশকাকে শিকার করেন তিনি।<br><br>এরপর একই ওভারে শ্রীলঙ্কার দুই উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেন ডান-হাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ফলে ৪১ রানে ৩ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। এই চাপ থেকে আর ঘুড়ে দাঁড়াতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। ফলে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে মাত্র ১২২ রানে অল-আউট হয় লঙ্কানরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন শাম্মু আসান। এছাড়া নিশাঙ্কা ২২ করে ফিরেন। বাংলাদেশের হাসান ২০ রানে ৩ ও তানভীর ইসলাম ২৮ রানে ২ উইকেট নেন। জবাবে ভালো শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার। বলের সাথে পাল্লা দিয়েই রান তুলছিলেন তারা। অষ্টম ওভারে দলীয় ৪৪ রানে ভাঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম জুটি। ৪টি চারে ২৮ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান সৌম্য। ওপেনার সাইফের সঙ্গী হন অধিনায়ক নাজমুল। জুটি বেঁধেই মারমুখী মেজাজ দেখান দুজনে। তাতে বাংলাদেশের জয়ের পথ সহজ হয়ে যায়। দ্বিতীয় উইকেটে ২২ বলে ৩৯ রান যোগ করেন সাইফ-শান্ত। ৩০ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৩ রান করে আউট হন সাইফ। তার বিদায়ে শান্ত’র সাথে জুটি বেঁধে বাংলাদেশকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিতে থাকেন ইয়াসির আলি। কিন্তু দলের জয় থেকে ১৫ দূরে থাকতে আউট হন ইয়াসির। ১৬ বলে ১টি করে চার-ছক্কায় ১৯ রান করেন তিনি। তবে আফিফ হোসেনকে নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন শান্ত। ১১ বল বাকী রেখেই এসএ গেমসে স্বর্ণ জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ২৮ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৩৫ রান করেন শান্ত। ৭ বলে অপরাজিত ৫ রান করেন আফিফ।<br><br> </body></HTML> 2019-12-09 17:07:10 1970-01-01 00:00:00 ব্যর্থ মন্ত্রীদের সরিয়ে দেয়া হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86543 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575889153_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575889153_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মন্ত্রিসভায় যারা ভালো করবে না তাদের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হবে। এছাড়া যারা নিজ নিজ কাজে ব্যর্থ হয়েছেন তাদেরও সরিয়ে দেওয়া হবে। সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।<br>আওয়ামী লীগের ২১ তম জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল নিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের সভাপতি পদে পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। আমাদের নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বারবার বিদায় নিতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি যেতে চাইলেও তো তাকে যেতে দেয়া যায় না।<br><br>আবারও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে থাকছেন কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে দলের দায়িত্ব পালন করব। দায়িত্ব পালনে আমি কোনো চাপের মুখে নেই। এছাড়া আমি শারীরিকভাবেও বেশ সুস্থ আছি। একসঙ্গে মন্ত্রণালয় ও দল চালাচ্ছেন এতে আপনার কোনও সমস্যা হয় না? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের কাজ একটা ট্র্যাকে চলে এসেছে। দলের কাজেও একটা গতি এসেছে। টিম তৈরি করেছি, তারা কাজ করছে। শুক্র ও শনিবার ছাড়া প্রতিদিনই আমি ফাইল সই করি। আমি বিমানবন্দরেও ফাইল সই করেছি। কাজেই একসঙ্গে দায়িত্ব পালনে আমি তো কোনও সংকট অনুভব করছি না। </body></HTML> 2019-12-09 16:53:52 1970-01-01 00:00:00 শেখ হাসিনা যত সফল হচ্ছেন, চক্রান্ত ততো গভীর হচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86542 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575888762_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575888762_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র দেশ ও জাতি এগিয়ে যাচ্ছে। তারপরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শেষ হয়নি। আমরা বারবার বলেছি, শেখ হাসিনা যত সফল হচ্ছেন, তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ততো গভীর হচ্ছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।<br>নাসিম বলেন, আমরা ১৪ দল এখনো মনে করি বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার হত্যার নেপথ্যের খলনায়কদের বিচার হয় নাই। শুধু মোস্তাক নয়, বেইমান জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল কারিগরি। তার নির্দেশে জেলখানায় স্বাধীনতার ৪ মহানায়ককে হত্যা করা হয়। সে চেয়েছিল এই ৪ নেতা বেঁচে থাকলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। তাই রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করার জন্য তাদের হত্যা করা হয়েছে।<br><br>তিনি বলেন, যে তাকে ( জিয়াউর রহমান) মুক্ত করেছিলো সেই কর্ণেল তাহেরকেও হত্যা করেছিলো। হত্যা করেছিলো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, বিভিন্ন সেনানিবাসে অনেক সৈনিককে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান। আমরা ১৪ দল থেকে আইনমন্ত্রীকে বারবার বলেছি, আপনার একটা কমিশন গঠন করে এই মূল খলনায়ক জিয়াউর রহমানের মুখোশ উন্মোচন করুন। জিয়ার বিচার না হলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে না।<br>তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় মহান বিজয় দিবসের প্রাককালে আমরা জাতীর জনককে সপরিবারে হারিয়ে ছিলাম। আল্লাহর রহমতে বিদেশে থাকার কারণে জাতির জনকের ২ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবং শেখ রেহানাকে আমরা পেয়েছি।<br><br>বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে ১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য এখন কোর্ট প্রাঙ্গণ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। আমরা সবসময় বলি আইন আইনের মত চলবে। আইন যে সিদ্ধান্ত নেবে সেটি আমার সম্মান করি। আমরা ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ থেকে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি-জামায়াতের অপশক্তিকে চূড়ান্ত পরাজিত করবো, সেটা নির্বাচনের মাঠে হোক বা রাজপথে। ১৪ দলের ডিসেম্বরের কর্মসূচি জানিয়ে নাসিম বলেন, ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী দিবসে ১৪ দল শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেন করবে। ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।<br>এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি প্রমুখ। </body></HTML> 2019-12-09 16:52:15 1970-01-01 00:00:00 মিয়ানমারকে বর্জনের ডাক ১০ দেশের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86541 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575888015_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575888015_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মিয়ানমারকে বর্জনের ডাক দিয়েছে ১০ টি দেশের ৩০ টি মানবাধিকার, শিক্ষাবিদ এবং পেশাদারদের সংগঠন। এ মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যার অভিযোগে হেগে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) উপস্থিত হতে যাচ্ছেন অং সান সুচি। এমনই সময়ে ‘বয়কট মিয়ানমার ডট অর্গ’ চালু করেছে তাদের ‘বয়কট মিয়ানমার ক্যাম্পেইন’। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশন, ফরসি ডট কো, রেস্টলেস বিংস, ডেস্টিনেশন জাস্টিস, রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক অব কানাডা, রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ অব ইন্ডিয়া ও এশিয়া সেন্টার।<br>এ নিয়ে বয়কট রোহিঙ্গা ডট অর্গ লন্ডন থেকে তাদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ৯ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসে এসব সংগঠন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিয়ানমারকে বর্জনের আহ্বান সম্বলিত প্রচারণা শুরু করেছে।<br><br>এতে আরো বলা হয়, মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নৃশংসতা, গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। এর পক্ষে প্রত্যক্ষ ও ডকুমেন্টারি প্রমাণ রয়েছে। সারাবিশ্ব এর নিন্দা জানালেও হতাশার কথা, এ অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি। জার্মানভিত্তিক ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা নাই সান লুইন বলেছেন, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছে যে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জাতিকে নির্মূল করে দেয়ার একটি নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী হিসেবে আমরা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অধীনে ১৫ বছর গৃহবন্দি থাকা অং সান সুচির মুক্তির আন্দোলন করে এসেছি। কিন্তু তিনি সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর শুধু খুনি সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে চলছেন। তাই আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক সব সম্পর্ক ছিন্ন করতে সবার প্রতি আহ্বান জানাই। অং সান সুচি ২৮ বছর আগে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি সম্মানের কোনো মূল্যই দেন না এমন দাবি করে সুচির ওই পুরস্কার কেড়ে নিতে অনলাইনে আবেদন চালু করেছে এই গ্রুপটি। and nbsp; </body></HTML> 2019-12-09 16:39:45 1970-01-01 00:00:00 বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86540 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887697_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887697_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জামালপুরে বাস ও মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিদুল ইসলাম আকাশ (১৬) ও মো. জুয়েল রানা (১৬) নামে দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। তারা দুজনেই মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। সোমবার (৯ ডিসম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার বালিজুড়ি দারোগাবাড়ি মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।<br>জাহিদুল ইসলাম আকাশ জামালপুরে জোনাইল এলাকার গেদা মিয়ার ছেলে ও সানশাইন একাডেমির ছাত্র। আর জুয়েল রানা দারোগা বাড়ির রহুল আমীনের ছেলে ও বালিজুড়ি এফ.এম উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। তারা দুজনই ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পূ্র্বপশ্চিমকে জানান, ওই দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যোগে মাদারগঞ্জ যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে অপরদিক থেকে আসা ঢাকাগামী মাদারগঞ্জ স্পেশাল বাসের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2019-12-09 16:33:06 2019-12-09 16:35:18 ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86539 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887540_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887540_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ছাত্রলীগ নেতা রনি বিশ্বাসের (২৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার দোহার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রনি বিশ্বাস হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের হাসমিলান গ্রামের আব্দুল কাদেরের বড় ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুঈদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে দোহার থানার প্রাণকুণ্ডু এলাকায় নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর হরিরামপুরের একটি চরে বন্ধুদের সঙ্গে বনভোজনে যাওয়ার সময় একটি বাল্কহেড়ের ধাক্কায় তাদের ট্রলার ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারের সবাই সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নিখোঁজ হন রনি বিশ্বাস। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা অনেক অনুসন্ধান চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি।</body></HTML> 2019-12-09 16:28:33 1970-01-01 00:00:00 বারডেম হাসপাতালে দান করা হবে অজয় রায়ের মরদেহ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86538 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887201_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575887201_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জঙ্গি হামলায় নিহত অভিজিৎ রায়ের বাবা ও পদার্থ বিজ্ঞানের বরেণ্য অধ্যাপক অজয় রায়ের মরদেহ তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বারডেম হাসপাতালে দান করা হবে। অধ্যাপক অজয় রায়ের তার ছোট ছেলে অনুজিৎ রায় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বারডেম হাসপাতালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।<br>তিনি বলেন, নিজের মৃতদেহ দান করে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল বাবার (অধ্যাপক অজয় রায়)। মৃত্যুর আগে অনেকবার সে কথা আমাদের জানিয়েছেন। সেই অনুযায়ী আমরা বাবার দেহ বারডেম হাসপাতালে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অধ্যাপক অজয় রায়ের ছোট ছেলে আরও বলেন, গত ২৫ নভেম্বর শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বাবাকে বাঁচানোর জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি, তবে পারিনি। এখন আমার বাবা প্রফেসর অজয় রায় তার কাজের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন।<br><br>পদার্থ বিজ্ঞানের বরেণ্য অধ্যাপক অজয় রায় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অজয় রায়ের বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। বারডেম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল হক মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ২৫ নভেম্বর থেকে অজয় রায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচার্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২০১৫ সালে বইমেলা শেষে জঙ্গিদের হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার বিজ্ঞানমনষ্ক লেখক অভিজিৎ রায়ের বাবা অজয় রায়। গত ২৮ অক্টোবর আদালতে ছেলে হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তিনি। জঙ্গি হামলায় ছেলে নিহত হওয়ার পর বছরখানেক আগে স্ত্রীকেও হারিয়েছিলেন অধ্যাপক অজয় রায়। এবার অভিজিৎ রায় হত্যার বিচার শেষ হওয়ার আগেই চিরবিদায় নিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পদার্থ বিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায় অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধও করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি সবসময়ই বিজ্ঞানভিত্তিক মানবতাবাদী শিক্ষার পক্ষে কথা বলেছেন। </body></HTML> 2019-12-09 16:25:45 1970-01-01 00:00:00 বাংলায় যা বলে দর্শক মাতালেন সালমান-ক্যাটরিনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86537 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872418_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872418_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবারের মূল আকর্ষণ বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একবারে শেষ পর্যায়ে মঞ্চে আসেন তারা। গানের তালে তালে প্রথমে মঞ্চ মাতান ক্যাটরিনা কাইফ। এর পর মঞ্চে পারফরম করেন সালমান খান। শুধু নেচে-গেয়েই নয় বাংলা ভাষায় কথা বলেও দর্শকদের মন জয় করেন তারা। সালমান খান বলেন, সালাম বাংলাদেশ, সালাম ঢাকা। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এর পর বলিউড সুপারস্টার ক্যাটরিনা কাইফ বলেন, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।<br><br>সালমান খান আরও বলেন, বাংলাদেশে আসার আগে তার বাবা তাকে বলেছিলেন, পারফরম্যান্স করার ফাঁকে তুমি একজনের নাম অবশ্যই বলবে। তিনি হলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সালমান খানের বাবা বলেছেন, আমার প্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার অনেক কবিতা আমি পড়েছি। তাকে আমি অনেক ভালোবাসি- এ কথাটা তুমি বাংলাদেশে গিয়ে সবাইকে বলে আসবে। পারফরম্যান্স শেষে দর্শকদের উদ্দেশে বাংলায় তিনি বলেন, কেমন আছেন? আমি তোমাদের সবাইকে অনেক ভালোবাসি। পরে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কথা বলেন সালমান। সবশেষে সালমান-ক্যাটরিনা একসঙ্গে বলেন, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। এসময় মাঠে উপস্থিত দর্শকরাও তাদের সঙ্গে চিৎকার করে বলে ওঠেন, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। and nbsp; </body></HTML> 2019-12-09 12:19:11 1970-01-01 00:00:00 বিয়ের আসর থেকে পালানো সেই ইতি এখন বাংলাদেশের গর্ব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86536 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872304_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872304_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বয়স মাত্র ১১ বছর। ইচ্ছে পড়াশুনা করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু তার সেই ইচ্ছেয় বাদ সাধে পরিবার। নাবালিকা হওয়া সত্ত্বেও মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে পরিবার। কিন্তু মেয়ে বিয়ে করতে নারাজ। মেয়ে তো অপ্রতিরোধ্য। স্বপ্ন দেশের জন্য কিছু করার। তাই সিদ্ধান্ত নিল বিয়ের আসর থেকে পালানোর। সেই মেয়েটিই আজ বাংলাদেশের গর্ব। চলতি এসএ গেমসে দেশকে সোনা এনে দিয়েছে সে। এই হার না মানা মেয়েটির নাম ইতি খাতুন। বাড়ি চুয়াডাঙ্গা। জানা যায়, বাড়িতে যখন বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল, তিনি তখন বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসেন তিনি। আজ নেপালে চলমান দক্ষিণ এশীয় গেমসের আর্চারির মেয়েদের রিকার্ভ দলগত ও মিশ্র দলগত ইভেন্টে জোড়া স্বর্ণপদক জিতে নিয়েছেন তিনি। নেপালের পোখারায় রোববার মেয়েদের রিকার্ভ দলগত ইভেন্টে ভুটানের বিপক্ষে ৬-০ সেট পয়েন্টে জিতে মেয়েরা। পরে রিকার্ভ মিশ্র ইভেন্টে রোমান সানার সঙ্গে ভুটানকে ৬-২ সেট পয়েন্টে হারিয়ে সোনার পদক জিতেন ইতি।<br><br>ইতির এই সিনেমাটিক জীবনকাহিনীর পেছনে অবদান রয়েছে আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপলের। তার প্রচেষ্টাতেই ইতির আর্চার হয়ে ওঠা। ইতি জানান, এই অপরিচিত খেলাটি নিয়ে শুরুতে কোনো স্বপ্ন ছিল না তার। চেয়েছিলেন পড়াশোনা করতে। পড়াশোনা করবেন বলেই তিনি বিয়ের আসর থেকে উঠে গিয়েছিলেন। চুয়াডাঙ্গার ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় নজরে পড়েন কোচদের। তীরন্দাজ সংসদ তাকে দলে নেয়। স্বর্ণ জিতে বেশ উচ্ছ্বসিত ইতি। তবে তিনি এখানে থেমে থাকতে চান না। স্বপ্ন আরও বড় কিছু করার। and nbsp; </body></HTML> 2019-12-09 12:17:57 1970-01-01 00:00:00 খালিদী ও বিডিনিউজের ৫০ কোটি টাকা, ব্যাংক একাউন্ট জব্দের নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86535 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872206_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872206_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কয়েকটি অ্যাকাউন্টসহ সংবাদমাধ্যমটির প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অ্যাকাউন্টে থাকা ৫০ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজের আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আদালতে অ্যাকাউন্টগুলো ফ্রিজের আবেদন করে। তৌফিজ ইমরোজ খালেদীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান আদালতে এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, তৌফিক ইমরোজ (খালেদী) বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ও নিজ নামীয় হিসাবে বিপুল পরিমাণ টাকা স্থানান্তর করেছেন। তিনি বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।<br></div><br>আবেদনে আরও বলা হয়, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৮ (সংশোধিত) ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ১৪ এর বিধান মতে তার অপরাধলব্ধ অর্থের ব্যাংক হিসাব/এফডিআর ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা প্রয়োজন। শুনানি নিয়ে আদালত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নয়টি এফডিআর ও তৌফিক ইমরোজ খালিদীর নামে বিভিন্ন ব্যাংকে করা ১৩টি এফডিআর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের আদেশ দেওয়া হয়। </body></HTML> 2019-12-09 12:15:29 1970-01-01 00:00:00 দুর্নীতিবাজদের শান্তিতে থাকতে দেবে না দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86534 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872071_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575872071_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুর্নীতিবাজরা যেখানেই থাকুক না কেন, দুদক তাদের পেছনে রয়েছে জানিয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের সুখে থাকতে দেবে না দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে সোমবার (০৯ডিসেম্বর) সকালে দুদক কার্যালয়ে দুদক আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী শেষে তিনি এ কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ বলেন, জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে দখল করে যারা সুখ-শান্তিতে বাস করছেন, তাদের বলতে চাই- দুদক সে ব্যবস্থা রাখবে না। তারা (দুর্নীতিবাজরা) যেখানেই থাকুক না কেন, দুদক তাদের পেছনে রয়েছে। তাদের অবৈধ অর্জন দুদক শান্তিতে ভোগ করতে দেবে না।<br><br>দুর্নীতি একটি বৈশ্বিক সমস্যা উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এর সমাধান একক কোনো প্রতিষ্ঠান, সরকার বা গোষ্ঠীর পক্ষে করা সম্ভব নয়। সব শ্রেণী-পেশার মানুষ যদি পূর্ণ আন্তরিক হয়, তাহলে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন সম্ভব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।<br>‘আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ’ এ প্রতিপাদ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করছে। দিবসটি উপলক্ষে দুর্নীতিবিরোধী কার্টুন প্রদর্শনী ও গণস্বাক্ষরতার আয়োজন করেছে দুদক। একইসঙ্গে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার বেলা পৌনে ১১টায় দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মূল মিলনায়তনে দুদকের সততা সংঘের সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 12:14:03 1970-01-01 00:00:00 পলাতক জামায়াতের চার নেতাকর্মী গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86533 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575871947_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575871947_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চুয়াডাঙ্গায় নাশকতার মামলায় পলাতক জামায়াতের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (৮ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার ঘোলদাড়ি বাজার থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জামায়াতের চার নেতাকর্মী হচ্ছেন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ভেদামারি গ্রামের মোফাজ্জেল মুন্সীর ছেলে জামায়েতের ওয়ার্ড আমির ফাওজুল মুন্সী (৩৮), জাহাপুর গ্রামের ভাগ্যবান মল্লিকের ছেলে জামায়াত নেতা দুধ মল্লিক (৬০), জোড়গাছা গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে কাদের আলী (৪৯) ও একই গ্রামের মৃত তোফাজ্জেল মুন্সীর ছেলে রেন্টু মুন্সী (৪৭)।<br><br>আলমডাঙ্গা থানার অফিসার (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান তাদের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামায়েতের নেতাকর্মীরা ঘোলদাড়ি বাজারে গোপন বৈঠক করছেন, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নাশকতার মামলায় পলাতক জামায়াতের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা জামায়েতের সক্রিয় কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হবে। </body></HTML> 2019-12-09 12:12:02 1970-01-01 00:00:00 হাকিমপুরী জর্দা পেলেই জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86532 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575871827_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575871827_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুই ধাপে পরীক্ষা করে হাকিমপুরী জর্দায় ক্ষতিকর মাত্রায় সিসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। হাকিমপুরীর সব জর্দা বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা করবে সরকারি এ সংস্থাটি। প্রায় দুই মাস আগে বাজার থেকে ২২ ধরনের জর্দা, খয়ের ও গুলের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করে বিএফএসএ, যেখানে ক্ষতিকর মাত্রায় সিসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। যদিও এ ধরনের ভারী ধাতু এই পণ্যগুলোতে থাকার কথা নয়।<br><br>বিএফএসএ গত ৩১ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, ২২টি নমুনায় ল্যাব পরীক্ষায় প্রতি কিলোগ্রামে দশমিক ২ মিলিগ্রাম থেকে ১১ দশমিক ২ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্ষতিকর বিভিন্ন উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যায়। যেখানে বাজারের জনপ্রিয় হাকিমপুরী জর্দার প্রতি কেজিতে দশমিক ২৬ মিলিগ্রাম সিসা, দশমিক ৯৫ মিলিগ্রাম ক্যাডমিয়াম এবং ১ দশমিক ৬৫ মিলিগ্রাম ক্রোমিয়াম পাওয়া যায়। বিএফএসএর সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করার পর থেকেই একটু ভিন্ন কৌশলে প্রতিবাদ শুরু করে হাকিমপুরী জর্দার মালিক হাজি মো. কাউছ মিয়া। তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদাদিত জর্দায় কোনো প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না দাবি করে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও খাদ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে, দাবি করেন, বিএফএসএ যেসব জর্দা পরীক্ষা করেছে, সেগুলো আসলে নকল জর্দা, হাকিমপুরীর নয়।<br><br>পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হলেও বিএফএসএর কাছে কোনো ধরনের প্রতিবাদ পাঠানো বা আলোচনায় বসেনি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। তবে বিএফএসএর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ফ্যাক্টরি থেকে পুনরায় জর্দার চারটি নমুনা সংগ্রহ করে। এই নমুনাগুলোতেও প্রথমবারের মতোই সীসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি ধরা পড়ে।<br><br>এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিএফএসএ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাজারে যত হাকিমপুরী জর্দা রয়েছে, সেগুলো বাজার থেকে তুলে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হবে এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বাজারে যত জর্দা পাওয়া যাবে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।<br>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএফএসএর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হাকিমপুরী জর্দার মালিক বিএফএসএকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু এখন তারাই আইনিভাবে আটকে যাচ্ছে।’<br><br>বিএফএসএর চেয়ারম্যান সৈয়দা সারওয়ার জাহান বলেন, আমরা একটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তাদের (হাকিমপুরী) কারখানা থেকেই নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করি। তবে তার ফলাফলও আগের মতোই খারাপ এসেছে। তিনি বলেন, তাদের জর্দায় কয়েকটি ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা জর্দার মধ্যে থাকার কোনো সুযোগ নেই।<br><br>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মামলা করার এবং একই সঙ্গে সারাদেশের বাজার থেকে সমস্ত হাকিমপুরী জর্দা তুলে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে। যেখানে নির্দেশনা পালন করা হবে না, সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এগুলো জব্দ করা হবে।’<br><br>বিএফএসএ বলছে, যে ভারী ধাতুগুলো জর্দায় পাওয়া গেছে সেগুলোর মূল উৎস রঙ। বিভিন্ন শিল্প-কারখানা তাদের প্রয়োজনে এসব রঙ আমদানি করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফানির্চারের বার্নিশে এসব রঙ ব্যবহার করতে দেখা যায়।<br><br>এদিকে হাকিমপুরী জর্দার গায়ে কোনো ধরনের ব্যাচ নম্বর বা লট নম্বর প্রদান করা হয় না বলে জানা গেছে। ফলে কোন ব্যাচ থেকে কোন ব্যাচ পর্যন্ত তুলে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।<br><br>হাকিমপুরী জর্দা সারাদেশেই পরিচিত একটি পণ্য, যা কোটি কোটি মানুষ খায় বলে ধারণা করা হয়। যদিও এর কোনো সঠিক হিসাব সংশ্লিষ্টদের কাছে নেই।<br><br>তবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, মজাদার-সুগন্ধি এই জর্দা দীর্ঘদিন খাওয়ার কারণে মানুষ ক্যান্সারের মতো দাঁতের মাড়ি ও লিভারে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে।<br><br>এদিকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক হাজি মো. কাউছ মিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক সর্বমোট ১৪ বার সেরা করদাতার পুরস্কার পেয়েছেন।<br><br>উল্লেখ্য, প্রথমবার পরীক্ষা করে হাকিমপুরীসহ মোট ১৩ প্রতিষ্ঠানের জর্দা, ছয় প্রতিষ্ঠানের খয়ের ও তিন প্রতিষ্ঠানের গুলের নমুনা পরীক্ষা করে ক্ষতিকর এসব ভারী ধাতু পায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা করা পণ্যগুলোর মধ্যে ছিল গিলা খয়ের, তীর মার্কা খয়ের, মালাই খয়ের, অন্তরা খয়ের, কালো পাথর বাল্ক খয়ের, সাদা বাল্ক খয়ের, ঈগল গুল, মোস্তফা গুল, শাহজাদা গুল, রতন জর্দা, হাকিমপুরী জর্দা, গুরুদেব জর্দা, শাহজাদী জর্দা (নির্মল), মহিউদ্দিন জর্দা, ঢাকা জর্দা, মকিমপুর জর্দা, শাহি হীরা জর্দা, জাফরানী জর্দা, শাহজাদী জর্দা (আলম), বউ শাহজাদী জর্দা এবং চাঁদপুরী জর্দা। </body></HTML> 2019-12-09 12:07:09 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে আ.লীগের গুলিতে যুবলীগ কর্মী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86531 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821872_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821872_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥ ফেনীর ছাগলনাইয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সিরাজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবলীগ কর্মী গুলিতে নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বোরবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজ উপজেলার নিজকুঞ্জরা গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারের অনুসারী বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক মানিক ও ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকুল ছিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে রোববার দুপুরে চেয়ারম্যান আজিজ গ্রুপের ৫/৬জন অনুসারী সমিতি বাজারে দোকানে বসা অবস্থায় সিরাজুল ইসলামের উপরে অতর্কিতে হামলা ও গুলি করে। এ সময় তার আর্তচিৎকারে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীদের গুলিতে পারভেজ, জিহান, শহীদ নামের আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।<br>এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বাজারের সব দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে।<br>এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক মানিক মুঠোফোনে জানান, জুলফিকুল ও পারভেজের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি বা তার লোকজন এ ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি।<br>ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কীভাবে হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।<br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:17:42 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে আ.লীগের গুলিতে যুবলীগ কর্মী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86530 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821842_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821842_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥ ফেনীর ছাগলনাইয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সিরাজুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবলীগ কর্মী গুলিতে নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বোরবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজ উপজেলার নিজকুঞ্জরা গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকারের অনুসারী বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোপাল ইউনিয়নের সমিতি বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক মানিক ও ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকুল ছিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে রোববার দুপুরে চেয়ারম্যান আজিজ গ্রুপের ৫/৬জন অনুসারী সমিতি বাজারে দোকানে বসা অবস্থায় সিরাজুল ইসলামের উপরে অতর্কিতে হামলা ও গুলি করে। এ সময় তার আর্তচিৎকারে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীদের গুলিতে পারভেজ, জিহান, শহীদ নামের আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।<br>এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বাজারের সব দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে।<br>এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হক মানিক মুঠোফোনে জানান, জুলফিকুল ও পারভেজের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি বা তার লোকজন এ ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেন তিনি।<br>ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেসবাহ উদ্দিন একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কীভাবে হত্যাকাণ্ড হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।<br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:17:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86529 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821817_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821817_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষীকি উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিপিএলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই মঞ্চে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।<br>এবারের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি তারকাদের মেলা বসছে। দুই পর্বে মঞ্চ মাতাবেন দেশি ও বিদেশি তারকারা। এর আগে মঞ্চে পারফর্ম করেছেন ব্যান্ড তারকা জেমস। আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে বিপিএলের মাঠের খেলা শুরু হবে। ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রামে বিপিএলের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। </body></HTML> 2019-12-08 22:16:45 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86528 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821779_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821779_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষীকি উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিপিএলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই মঞ্চে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।<br>এবারের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি তারকাদের মেলা বসছে। দুই পর্বে মঞ্চ মাতাবেন দেশি ও বিদেশি তারকারা। এর আগে মঞ্চে পারফর্ম করেছেন ব্যান্ড তারকা জেমস। আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে বিপিএলের মাঠের খেলা শুরু হবে। ঢাকা, সিলেট এবং চট্টগ্রামে বিপিএলের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:16:00 1970-01-01 00:00:00 সচিবালয় এলাকায় হর্ন বাজালেই জেল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86527 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821756_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821756_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সচিবালয়ের আশেপাশে অর্থাৎ জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড় ও সচিবালয় লিংক রোড এলাকাকে নিরব জোন (নো হর্ন জোন) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে এ এলাকায় হর্ন বাজালে গুণতে হবে জরিমানা।<br>রোববার (৮ ডিসেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত করণীয় নির্ধারণী বৈঠকে এ কথা জানানো হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. মো. বিল্লাল হোসেন। বৈঠকে জানানো হয়, বিষয়টি কার্যকর করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। এ লক্ষ্যে সকল সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, সকল শ্রেণির জনগণ বিশেষ করে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে সচেতন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিলবোর্ড, ব্যানার স্থাপন, লিফলেট বিলি এবং মাইকিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, অপ্রয়োজনীয়ভাবে হর্ন বাজানোসহ শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।<br>উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী প্রণীত শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা,২০০৬ এর ধারা ৮(২) এ প্রদত্ত নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে নীরব এলাকায় চলাচলকালে যানবাহনে কোন প্রকার হর্ন বাজানোর অপরাধে দোষী সাব্যাস্ত হলে প্রথম অপরাধের জন্য অনধিক ১ (এক) মাস কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য অনধিক ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:16:00 1970-01-01 00:00:00 বেসিকের বাচ্চুকে নিয়ে তাপসের জিজ্ঞাসায় দুদক চেয়ারম্যানের প্রশ্ন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86526 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821730_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821730_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির মামলার তদন্ত নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফজলে নূর তাপস দুই মাস আগে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তার জবাব দিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।<br>দুদকের প্রধান কার্যালয়ে রবিবার এক অনুষ্ঠানে তাপসের বক্তব্যের বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্তাধীন এই বিষয়ে তাপস কথা বলতে পারেন না।’ ‘মিট দ্য প্রেস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র‌্যাক)।<br>বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারীতে ৫৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু কোনোটিতেই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুর নাম আসেনি। এটি দুদকের ‘ব্যর্থতা’ কিনা প্রশ্ন তুলে গত ১৪ অক্টোবর সাংসদ ফজলে নূর তাপস সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।<br>তাপসের ওইদিনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনি (তাপস) বাচ্চুর নাম কেমনে বলছেন, আপনি কে? আপনি কি ইনভেস্টিগেশন করছেন? কে কি বলছে দ্যাট ইজ নট আওয়ার কনসার্ন। এটা একটা পাবলিক ইন্সটিটিউশন।’<br>‘আপনি আমার পদত্যাগ চাইতে পারেন, অনেক কিছুই চাইতে পারেন, সেটা সমস্যা না। কিন্তু আপনি কে, যে প্রশ্ন করছেন বাচ্চুর নাম আসছে, কী বাচ্চুর নাম আসেনি? এটা তো আন্ডার ইনভেস্টিগেশন। বাচ্চুর নাম আসবে না আপনি জানেন কেমনে? হু আর ইউ? ইনভেস্টিগেশন করার ম্যান্ডেট তো আমাদের, ম্যান্ডেট তো আপনার না। আপনি রিক্রিয়েট করলে তো হবে না বাচ্চুর নাম দেন বা দিয়েন না। সে যেই হোক না কেন, কারও কথা আমরা কেয়ার করি না।’<br>তিনি জানান, তদন্ত শেষ হলে যখন চার্জশিট যাবে, তখন এ বিষয়ে কথা বলা যাবে। কিংবা নারাজি দেয়া যায়, আরও প্রসেস আছে। দুদক যদি ভুল করে সরকার, ব্যাংক তখন নারাজি দিতে পারবে। কিন্তু মনে হয় না এই ক্ষেত্রে দুদক কোনো ভুল করবে।<br>ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এটা জনগণ বিশেষভাবে জানে, তাই আমরা বিশেষভাবে কেয়ারফুল। যখন আমরা রিপোর্ট দেব, এতো সহজে এটা নিয়ে আপনাদেরকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেব না।’<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:15:00 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রলীগের কথায় পদত্যাগ করবো না: ভিপি নুর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86525 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821698_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821698_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ছাত্রলীগের কথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদত্যাগ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, গত ৯ মাস কাজ করতে পারিনি বলে তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ যে অভিযোগ এনেছে তা ঠিক আছে। প্রত্যেক কাজে বাধার সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। শুধু ছাত্রলীগ নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকেও দ্বিমুখী আচরণের শিকার হয়েছি।<br>রোববার (৮ডিসেম্বর) ডাকসু জিএস গোলাম রাব্বানীর সংবাদ সম্মেলনের পর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা জানান ভিপি নুর।<br>এর আগে ডাকসুর সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অবৈধ অর্থ উপার্জন ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ এনে ভিপি নুরুল হক নুরের পদত্যাগ দাবি করেন জিএস গোলাম রাব্বানী।<br>এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ডাকসু চত্বরে ভিপি নুরুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে অভিযোগ আনলে কিছুই হবে না। সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দেন। গত ৯ মাস কাজ করতে পারিনি বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক আছে। কারণ প্রত্যেকটি কাজে ছাত্রলীগ বাধার সৃষ্টি করেছে।<br>দুটি সমস্যার কথা উল্লেখ করে নুর বলেন, আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সমস্যা হলো– হলগুলো ছাত্রলীগের দখলে। হলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে ছাত্রদের জোর করে মিছিল-মিটিংয়ে নেয়া হচ্ছে। একপ্রকার অলিখিত দাসত্ব কায়েম করে রেখেছে ছাত্রলীগ।<br>ভিপি নুর বলেন, আমরা যখন হল থেকে অছাত্র-বহিরাগত বিতাড়ন শুরু করলাম, তখন প্রথম এসএম হলে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছি। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই হামলার বিচার পর্যন্ত করেনি। হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত থাকায় বিচার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।<br>তিনি আরও বলেন, বিজয় একাত্তর হলে গণরুমের ছাত্রদের খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেছে, গালিগালাজ করেছে। পরে সেখান থেকে চলে আসতে বাধ্য হয়েছি।<br>ভিপি নুর বলেন, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের যে ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছে, তারা কখনও সাধারণ ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেনি। কখনও হলের সিট সমস্যা নিয়ে কথা বলেনি। আমিই প্রথম সিট সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি।<br>তিনি বলেন, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার মেয়েদের হলে সাইবার সিকিউরিট অ্যাওয়ার্নেস প্রোগ্রাম করতে চেয়েছিল। সরকারি সংস্থা ৯৯৯-কে নিয়ে প্রোগ্রামটি করার কথা ছিল। কিন্তু ছাত্রলীগ সেই ৯৯৯-কে ফোন করে আসতে নিষেধ করেছে।<br>ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী প্রসঙ্গে নুর বলেন, তার বিরুদ্ধে স্পষ্ট চাঁদাবাজি, আর্থিক কেলেঙ্কারি ও মাদকাসক্তির অভিযোগে ছাত্রলীগ থেকে তাকে পদচ্যুত করা হয়েছে। তিনি (রাব্বানী) বলেছেন– ডাকসুতে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে, আমি এক টাকাও খরচ করিনি।<br>জবাবে ডাকসু ভিপি বলেন, আমাকে নামেমাত্র ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এক টাকাও হাতে পাইনি।<br>ভিপি নুর বলেন, ক্ষমতাসীনরা সবসময় ডাকসুকে ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চেয়েছে। নুর বলেন, ডাকসুর প্রোগামের ব্যানারে ভিপির নাম থাকে না গেস্ট হিসেবে। সেখানে নাম থাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতির, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতির।<br>নুর আরও বলেন, ডাকসুর প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের লোকের বাইরে এখনও পর্যন্ত নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে আনা হয়নি। তারা শুরু থেকে এই ডাকসুকে ডাকসু লীগ বানাতে চেয়েছে।<br>ডাকসুতে ছাত্রলীগের যে ২৩ নেতাকর্মী রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে নুর বলেন, এর মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধেই জালিয়াতি করে ভর্তির অভিযোগ রয়েছে।<br>নুর বলেন, ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার হয়ে ডাকসু জিএস লজ্জায় এতদিন ডাকসুতে আসেননি। রাতের অন্ধকারে দু-একদিন এসেছেন। আজ এসেছে। তারা ভেবেছে ভিপিকে ঠেকাতে ছাত্রলীগকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ছাত্রলীগের মধ্যে তো বিভেদ রাখা যাবে না। তখন তারা ঘর থেকে জিএসকেও নিয়ে এসে সংবাদ সম্মেলন করেছে। </body></HTML> 2019-12-08 22:14:44 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রলীগের কথায় পদত্যাগ করবো না: ভিপি নুর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86524 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821657_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821657_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ছাত্রলীগের কথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদত্যাগ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, গত ৯ মাস কাজ করতে পারিনি বলে তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ যে অভিযোগ এনেছে তা ঠিক আছে। প্রত্যেক কাজে বাধার সৃষ্টি করেছে ছাত্রলীগ। শুধু ছাত্রলীগ নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকেও দ্বিমুখী আচরণের শিকার হয়েছি।<br>রোববার (৮ডিসেম্বর) ডাকসু জিএস গোলাম রাব্বানীর সংবাদ সম্মেলনের পর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা জানান ভিপি নুর।<br>এর আগে ডাকসুর সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অবৈধ অর্থ উপার্জন ও টেন্ডারবাজির অভিযোগ এনে ভিপি নুরুল হক নুরের পদত্যাগ দাবি করেন জিএস গোলাম রাব্বানী।<br>এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ডাকসু চত্বরে ভিপি নুরুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে অভিযোগ আনলে কিছুই হবে না। সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দেন। গত ৯ মাস কাজ করতে পারিনি বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক আছে। কারণ প্রত্যেকটি কাজে ছাত্রলীগ বাধার সৃষ্টি করেছে।<br>দুটি সমস্যার কথা উল্লেখ করে নুর বলেন, আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সমস্যা হলো– হলগুলো ছাত্রলীগের দখলে। হলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে ছাত্রদের জোর করে মিছিল-মিটিংয়ে নেয়া হচ্ছে। একপ্রকার অলিখিত দাসত্ব কায়েম করে রেখেছে ছাত্রলীগ।<br>ভিপি নুর বলেন, আমরা যখন হল থেকে অছাত্র-বহিরাগত বিতাড়ন শুরু করলাম, তখন প্রথম এসএম হলে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়েছি। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই হামলার বিচার পর্যন্ত করেনি। হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত থাকায় বিচার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।<br>তিনি আরও বলেন, বিজয় একাত্তর হলে গণরুমের ছাত্রদের খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলাম। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেছে, গালিগালাজ করেছে। পরে সেখান থেকে চলে আসতে বাধ্য হয়েছি।<br>ভিপি নুর বলেন, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের যে ২৩ জন নির্বাচিত হয়েছে, তারা কখনও সাধারণ ছাত্রদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেনি। কখনও হলের সিট সমস্যা নিয়ে কথা বলেনি। আমিই প্রথম সিট সমস্যা নিয়ে কথা বলেছি।<br>তিনি বলেন, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার মেয়েদের হলে সাইবার সিকিউরিট অ্যাওয়ার্নেস প্রোগ্রাম করতে চেয়েছিল। সরকারি সংস্থা ৯৯৯-কে নিয়ে প্রোগ্রামটি করার কথা ছিল। কিন্তু ছাত্রলীগ সেই ৯৯৯-কে ফোন করে আসতে নিষেধ করেছে।<br>ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী প্রসঙ্গে নুর বলেন, তার বিরুদ্ধে স্পষ্ট চাঁদাবাজি, আর্থিক কেলেঙ্কারি ও মাদকাসক্তির অভিযোগে ছাত্রলীগ থেকে তাকে পদচ্যুত করা হয়েছে। তিনি (রাব্বানী) বলেছেন– ডাকসুতে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে, আমি এক টাকাও খরচ করিনি।<br>জবাবে ডাকসু ভিপি বলেন, আমাকে নামেমাত্র ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এক টাকাও হাতে পাইনি।<br>ভিপি নুর বলেন, ক্ষমতাসীনরা সবসময় ডাকসুকে ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চেয়েছে। নুর বলেন, ডাকসুর প্রোগামের ব্যানারে ভিপির নাম থাকে না গেস্ট হিসেবে। সেখানে নাম থাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতির, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতির।<br>নুর আরও বলেন, ডাকসুর প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের লোকের বাইরে এখনও পর্যন্ত নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে আনা হয়নি। তারা শুরু থেকে এই ডাকসুকে ডাকসু লীগ বানাতে চেয়েছে।<br>ডাকসুতে ছাত্রলীগের যে ২৩ নেতাকর্মী রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে নুর বলেন, এর মধ্যে সাতজনের বিরুদ্ধেই জালিয়াতি করে ভর্তির অভিযোগ রয়েছে।<br>নুর বলেন, ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার হয়ে ডাকসু জিএস লজ্জায় এতদিন ডাকসুতে আসেননি। রাতের অন্ধকারে দু-একদিন এসেছেন। আজ এসেছে। তারা ভেবেছে ভিপিকে ঠেকাতে ছাত্রলীগকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ছাত্রলীগের মধ্যে তো বিভেদ রাখা যাবে না। তখন তারা ঘর থেকে জিএসকেও নিয়ে এসে সংবাদ সম্মেলন করেছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:14:00 1970-01-01 00:00:00 রাজশাহী আ.লীগের সভাপতি মেরাজ, সম্পাদক দারা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86523 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821617_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821617_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের প্রবীণ নেতা মেরাজ উদ্দিন মোল্লা। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা। দুজনেই সাবেক সংসদ সদস্য। সদ্য সাবেক কমিটির আগের কমিটিতে সভাপতি ছিলেন মেরাজ উদ্দিন মোল্লা। আর সদ্য সাবেক কমিটিতে সদস্য ছিলেন কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা। নবম ও দশম জাতীয় সংসদে তিনি রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। আর নবম সংসদে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন মেরাজ। কয়েক বছর ধরে রাজনীতি থেকে অনেকটাই দূরে ছিলেন মেরাজ উদ্দিন মোল্লা। হঠাৎ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক করা হয় তাকে। এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে দারাও ছিলেন অনেকটা নিষ্ক্রিয়। তবে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে তারা এলেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। সম্মেলনে সভাপতি-সম্পাদক ছাড়াও দুইজন যুগ্ম সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলুকে। দুই নম্বর যুগ্ম সম্পাদক রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন। তিনি আগের কমিটিতে সদস্য ছিলেন। আর লাভলু ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক।<br>রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহীর বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকালে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে। সেখানে শুধু কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, পদপ্রত্যাশী স্থানীয় নেতা এবং ৩৬০ জন কাউন্সিলর ছিলেন। এখানে জেলা আওয়ামী লীগের তিনজন নেতা সভাপতি ও ছয়জন সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন।<br>কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাদের মধ্যে সমঝোতা করতে ১০ মিনিট সময় দেন। কিন্তু এই নয় নেতা সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি। সময় শেষে তারা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে জানান, নিজেদের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। তারা ভোটাভুটিও চান না। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই সবাই মেনে নেবেন। একসঙ্গে কাজ করবেন।<br>এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সম্মেলনের সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মঞ্চ ছেড়ে ভেতরে যান। কিছুক্ষণ পর মোহাম্মদ নাসিম নতুন জেলা কমিটির চারজনের নাম ঘোষণা করেন।<br>এ সময় তিনি বলেন, দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের জন্য তিনি এই নেতৃত্ব নির্বাচন করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটি জেলা আওয়ামী লীগকে আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী করবে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব নেতা এবং কাউন্সিলররা নতুন কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানান।<br>এর আগে ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হয়েছিল। কাউন্সিলরদের ভোটাভুটি ছাড়াই ওই সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আসাদুজ্জামান আসাদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদের কমিটির মেয়াদ পার হয় দেড় বছর আগে। বেশ কিছু দিন ধরেই এই দুই নেতার মধ্যে দেখা দিয়েছিল চরম বিরোধ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বক্তব্যও দিতেন। এ নিয়ে গত ৮ নভেম্বর তাদের ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় কমিটি। সেদিনই জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন ঠিক করে দেয়া হয়। পরে দু’দফা দিন পরিবর্তনের পর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:13:00 1970-01-01 00:00:00 এনটিভির আতিক হত্যায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন বহাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86522 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821586_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821586_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবনের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামি হলেন শাকিল সিকদার। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকান।<br>রবিবার মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি করে বিচারপতি শহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়।<br>২০১৪ সালের ২৪ জুন আতিক হত্যা মামলায় রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে শাকিল সিকদারকে ফাঁসি, আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নাহিদের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুর উপজেলার রামনগরহাটি গ্রামে। ফোরকানের বাড়ি পটুয়াখালির কেউরাবুনিয়া গ্রামে। পলাতক বরগুনার আমতলি উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মো. খোকনকে তিন বছরের দণ্ড দেওয়া হয়। এ সাজাও বহাল রাখা হয়েছে।<br>পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে আসামি। এছাড়া ডেথরেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে।<br>জানা যায়, ২০০৯ বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের মত কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন আতিক। বড় মগবাজারের ১৮০/৩ নয়াটোলায় থাকতেন তিনি। পথে ঢাকা-টঙ্গী ডাইভারশন রোডের মগবাজার রেল ক্রসিংয়ের মোড়ে কয়েকজন তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। সন্ত্রাসীরা আতিকের পেটে দুটি গুলি করে। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আতিক মারা যান।<br>পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি আতিকের বড় ভাই আবুবকর সিদ্দিক রমনা থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ পরিদর্শক (ডিবি) আবুল খায়ের ৯ আগস্ট ২০০৯ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:12:53 1970-01-01 00:00:00 এনটিভির আতিক হত্যায় একজনের ফাঁসি ও দুইজনের যাবজ্জীবন বহাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86521 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821562_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821562_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক হত্যা মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড ও দুইজনের যাবজ্জীবনের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামি হলেন শাকিল সিকদার। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকান।<br>রবিবার মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি করে বিচারপতি শহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করা হয়।<br>২০১৪ সালের ২৪ জুন আতিক হত্যা মামলায় রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে শাকিল সিকদারকে ফাঁসি, আবদুল্লাহ মো. ইবনে আলী সরকার ওরফে নাহিদ ও মো. ফোরকানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নাহিদের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুর উপজেলার রামনগরহাটি গ্রামে। ফোরকানের বাড়ি পটুয়াখালির কেউরাবুনিয়া গ্রামে। পলাতক বরগুনার আমতলি উপজেলার কলাগাছি গ্রামের মো. খোকনকে তিন বছরের দণ্ড দেওয়া হয়। এ সাজাও বহাল রাখা হয়েছে।<br>পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে আসামি। এছাড়া ডেথরেফারেন্স হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে।<br>জানা যায়, ২০০৯ বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের মত কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন আতিক। বড় মগবাজারের ১৮০/৩ নয়াটোলায় থাকতেন তিনি। পথে ঢাকা-টঙ্গী ডাইভারশন রোডের মগবাজার রেল ক্রসিংয়ের মোড়ে কয়েকজন তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। সন্ত্রাসীরা আতিকের পেটে দুটি গুলি করে। পরে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আতিক মারা যান।<br>পরদিন ১৪ ফেব্রুয়ারি আতিকের বড় ভাই আবুবকর সিদ্দিক রমনা থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ পরিদর্শক (ডিবি) আবুল খায়ের ৯ আগস্ট ২০০৯ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:12:00 1970-01-01 00:00:00 বিএনপি-জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করা হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86520 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821532_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821532_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ বিএনপি-জামায়াতকে বাংলাদেশ থেকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। বলেছেন, ‘চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজয়ী হবেন শুধু আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।’<br>রবিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।<br>নাসিম বলেন, ‘যখন কোনো দল সফল হয়, চক্রান্ত তখন গভীর হয়। এখনো গভীর চক্রান্ত হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত এখনো আছে। তারা বিষাক্ত সাপ। সুযোগ পেলেই ছোবল দেবে। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের শক্তি তৃণমূল। তারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো লড়াইয়ে বিজয় আসবে।’ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার মূল খলনায়ক জিয়াউর রহমান দাবি করে তিনি বলেন, ‘তথ্য-উপাত্তসহ আমি বলতে পারি- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মূল চক্রান্তকারী, খলনায়ক হলেন জিয়াউর রহমান। কমিশন গঠন করে তার মরণোত্তর বিচার করতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশ সন্ত্রাসমুক্ত, জঙ্গিবাদমুক্ত হবে না।’<br>বিএনপির কারাবন্দি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ‘বেগম জিয়ার মামলা হয়েছে ১/১১ এর সময়। সাজা হয়েছে, জেলে গেছেন। জামিন দেয়ার মালিক আদালত। জামিন দেয়ার মালিক আমরা নই। কোর্টে গিয়ে জামিন নেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে গুণ্ডামি করবেন না। সন্ত্রাস করবেন না।’<br>অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আজকে দিয়েছিল বিক্ষোভ দিবস। দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়া, তাকে মুক্তি দিতে হবে। কী মামাবাড়ির আবদার! কে মুক্তি দেবে, শেখ হাসিনা? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? মুক্তি দিতে পারবে একমাত্র আদালত। দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কোনোদিনই মুক্তি পাবে না, পাবে না।’<br>রাজশাহী মহানগরীর বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক এই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকালে এর উদ্বোধন করেন মোহাম্মদ নাসিম। বিকাল সাড়ে ৩টায় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে।<br>সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী-৬ আসনের এমপি শাহরিয়ার আলম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, সম্মেলনের সমন্বয়ক ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য মেরিনা জাহান, নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান খান প্রমুখ।<br>সম্মলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্যবিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদ্যবিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মেরাজ উদ্দীন মোল্লা।<br>সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি ডা. মুনসুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের এমপি ডা. সালিম উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি আদিবা আনজুম মিতা, ফেরদৌসি ইসলাম জেসি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন মণ্ডল, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার, সাবেক এমপি কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা, আখতার জাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<br>সম্মেলনে ৩৬০ জন কাউন্সিলরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষ হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:12:00 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার উদ্যোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86519 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821504_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821504_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায় সরকার। দেশটির সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কেও উন্নয়ন প্রত্যাশা রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ইসলামাবাদে বড় আকারের এবং স্থায়ী একটি কনস্যুলেট জেনারেল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ মাসেই প্রকল্পটির সংশোধনী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।<br>সাত হাজার ৭৬৮ কোটি বর্গমিটারের এই জমিটি পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশকে দিয়েছে। ভারতসহ আরও অনেক দেশে বাংলাদেশের কনস্যুলেট ভবন রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ও ইসলামাবাদে প্রকল্পটি নির্মাণের পক্ষে তাদের সুপারিশ দিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে একনেক বৈঠকে এ প্রকল্প অনুমোদন হতে পারে। এতে সভাপতিত্ব করার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।<br>পরিকল্পনা কমিশনের এক সদস্য নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ মাসে এ রকম একটি প্রকল্প অনুমোদন হলে বিতর্ক উঠতে পারে। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক অতটা ভালো না। অবশ্য তিনি এ কথাও বলেন যে, এটা রুটিন ওয়ার্ক। ডিসেম্বর মাস মাথায় রেখে এ প্রকল্প নেওয়া হয়নি। ফলে এটা নেতিবাচক হিসেবে দেখার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই।<br>প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যায় চারটি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। (ক) পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা শক্তিশালী করা; (খ) দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা; (গ) বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে মিশনে প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সৃষ্টি; (ঘ) পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারকে দূতাবাসের জন্য প্রদত্ত জমির সদ্ব্যবহার করা।<br>পাকিস্তানে কনসুলেট ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য সুপারিশে পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নির্মাণাধীন কনসুলেট ভবনটি হলে নিজস্ব ভবনে মিশনের দাপ্তরিক কাজ পরিচালানা করা সম্ভব হবে। একনেকে প্রকল্পটির সংশোধনী সদয় ও সানুগ্রহ অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হলো।<br>পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের ঠিকানা- ব্লক-৯ ও ১৫, সেক্টর জি-৫, ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ, ইসলামাবাদ, পাকিস্তান। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা। তৃতীয় দফায় সংশোধিত এ প্রকল্পটির কাজ আগামী ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) চলমান প্রকল্প হিসেবে প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত। বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ ব্যখ্যায় বলা হয়, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বদল, অডিটোরিয়াম তৈরি ও নতুন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি।<br>জানা গেছে, আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে বিদেশি ৩২টি মিশনে নিজস্ব জমির ওপর ভবন নির্মাণ অথবা জমিসহ ভবন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত আছে বাংলাদেশ সরকারের। তিনটি পর্যায়ে এসব মিশন প্রস্তুত করার কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ পর্যন্ত ৩২টি মিশনের মধ্যে ১৫টি মিশনের জন্য জমি কিংবা জমিসহ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চ্যান্সারি অফিস নির্মাণ হচ্ছে রিয়াদ, বার্লিন, আঙ্কারাসহ ৬টি শহরে। অন্যদিকে ৭৬টি দূতাবাসের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে। <br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:11:32 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করার উদ্যোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86518 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821481_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821481_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চায় সরকার। দেশটির সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কেও উন্নয়ন প্রত্যাশা রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ইসলামাবাদে বড় আকারের এবং স্থায়ী একটি কনস্যুলেট জেনারেল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ মাসেই প্রকল্পটির সংশোধনী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।<br>সাত হাজার ৭৬৮ কোটি বর্গমিটারের এই জমিটি পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশকে দিয়েছে। ভারতসহ আরও অনেক দেশে বাংলাদেশের কনস্যুলেট ভবন রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ও ইসলামাবাদে প্রকল্পটি নির্মাণের পক্ষে তাদের সুপারিশ দিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে একনেক বৈঠকে এ প্রকল্প অনুমোদন হতে পারে। এতে সভাপতিত্ব করার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।<br>পরিকল্পনা কমিশনের এক সদস্য নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ মাসে এ রকম একটি প্রকল্প অনুমোদন হলে বিতর্ক উঠতে পারে। কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক অতটা ভালো না। অবশ্য তিনি এ কথাও বলেন যে, এটা রুটিন ওয়ার্ক। ডিসেম্বর মাস মাথায় রেখে এ প্রকল্প নেওয়া হয়নি। ফলে এটা নেতিবাচক হিসেবে দেখার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই।<br>প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যায় চারটি যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। (ক) পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা শক্তিশালী করা; (খ) দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা; (গ) বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে মিশনে প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সৃষ্টি; (ঘ) পাকিস্তান সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারকে দূতাবাসের জন্য প্রদত্ত জমির সদ্ব্যবহার করা।<br>পাকিস্তানে কনসুলেট ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য সুপারিশে পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নির্মাণাধীন কনসুলেট ভবনটি হলে নিজস্ব ভবনে মিশনের দাপ্তরিক কাজ পরিচালানা করা সম্ভব হবে। একনেকে প্রকল্পটির সংশোধনী সদয় ও সানুগ্রহ অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হলো।<br>পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পের ঠিকানা- ব্লক-৯ ও ১৫, সেক্টর জি-৫, ডিপ্লোম্যাটিক এনক্লেভ, ইসলামাবাদ, পাকিস্তান। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা। তৃতীয় দফায় সংশোধিত এ প্রকল্পটির কাজ আগামী ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) চলমান প্রকল্প হিসেবে প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত। বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সংশোধনের কারণ ব্যখ্যায় বলা হয়, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বদল, অডিটোরিয়াম তৈরি ও নতুন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্তি ইত্যাদি।<br>জানা গেছে, আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে বিদেশি ৩২টি মিশনে নিজস্ব জমির ওপর ভবন নির্মাণ অথবা জমিসহ ভবন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত আছে বাংলাদেশ সরকারের। তিনটি পর্যায়ে এসব মিশন প্রস্তুত করার কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ পর্যন্ত ৩২টি মিশনের মধ্যে ১৫টি মিশনের জন্য জমি কিংবা জমিসহ ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চ্যান্সারি অফিস নির্মাণ হচ্ছে রিয়াদ, বার্লিন, আঙ্কারাসহ ৬টি শহরে। অন্যদিকে ৭৬টি দূতাবাসের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে। <br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:11:00 1970-01-01 00:00:00 নারায়ণগঞ্জে কোটি টাকার সুতা জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86517 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821444_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821444_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি॥<br>নারায়ণগঞ্জে খোলাবাজারে অবৈধভাবে সুতা বিক্রির অভিযোগে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ১০ টন বন্ডেড সুতা জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কাস্টমস বন্ড কমিশন। রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের বানিজ্যিক এলাকা টানবাজারে হাজী বিল্লাল হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিসমি ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের গুদামে এ অভিযান চালান সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিআইডি পুলিশ এ অভিযানে সহায়তা করে। কাস্টমস বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-কমিশনার রেজভি আহমেদ জানান, গাজীপুরের জেলার টঙ্গী উপজেলার ভাদাম এলাকায় অবস্থিত সুপ্রভো কম্পোজিট নীট কারখানায় সুতা বা কাপড় তৈরির জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব বন্ডেড সুতা আমদানি করা হয়েছে। এসব সুতা দিয়ে কাপড় তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করার কথা থাকলেও ওই কারখানা কর্তৃপক্ষ বন্ড চুক্তি ভঙ্গ করে অবৈধভাবে নারায়ণগঞ্জের বিসমি ইয়ার্ণ ট্রেডিংয়ের কাছে খোলা বাজারে সেগুলো বিক্রি করে দেয়। যা বন্ডের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও চোরা কারাবারের সামিল। কাস্টমস বন্ডের এই কর্মকর্তা জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল হিসেবে সুতা আমদানি করে তা খোলা বাজারে সুলভ মূল্যে বিক্রি করে দেশীয় পোশাক ও বস্ত্রশিল্প খাতকে ক্ষতিগ্রস্থ করে আসছিলো। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস ও বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নারায়ণগঞ্জের এই গুদামে অভিযান চালানো হয়।<br>অভিযান শেষে বিকেলে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ এই অবৈধ সুতা ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে তদন্ত করে আরও কি পরিমাণ সুতা খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে তা যাচাই-বাছাই করে উভয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান কাস্টম বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-কমিশনার রেজভি আহমেদ।<br>অভিযানে নের্তৃত্ব দেয়া শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কাষ্টমস বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রেজভি আহমেদ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির সহকারি কমিশনার আল আমিন, শরীফ মোহাম্মদ ফয়সাল, আক্তার হোসেনসহ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিআইডি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:10:33 1970-01-01 00:00:00 নারায়ণগঞ্জে কোটি টাকার সুতা জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86516 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821415_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821415_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি॥<br>নারায়ণগঞ্জে খোলাবাজারে অবৈধভাবে সুতা বিক্রির অভিযোগে একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ১০ টন বন্ডেড সুতা জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কাস্টমস বন্ড কমিশন। রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের বানিজ্যিক এলাকা টানবাজারে হাজী বিল্লাল হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিসমি ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের গুদামে এ অভিযান চালান সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিআইডি পুলিশ এ অভিযানে সহায়তা করে। কাস্টমস বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-কমিশনার রেজভি আহমেদ জানান, গাজীপুরের জেলার টঙ্গী উপজেলার ভাদাম এলাকায় অবস্থিত সুপ্রভো কম্পোজিট নীট কারখানায় সুতা বা কাপড় তৈরির জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব বন্ডেড সুতা আমদানি করা হয়েছে। এসব সুতা দিয়ে কাপড় তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করার কথা থাকলেও ওই কারখানা কর্তৃপক্ষ বন্ড চুক্তি ভঙ্গ করে অবৈধভাবে নারায়ণগঞ্জের বিসমি ইয়ার্ণ ট্রেডিংয়ের কাছে খোলা বাজারে সেগুলো বিক্রি করে দেয়। যা বন্ডের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও চোরা কারাবারের সামিল। কাস্টমস বন্ডের এই কর্মকর্তা জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল হিসেবে সুতা আমদানি করে তা খোলা বাজারে সুলভ মূল্যে বিক্রি করে দেশীয় পোশাক ও বস্ত্রশিল্প খাতকে ক্ষতিগ্রস্থ করে আসছিলো। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কাস্টমস ও বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নারায়ণগঞ্জের এই গুদামে অভিযান চালানো হয়।<br>অভিযান শেষে বিকেলে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ এই অবৈধ সুতা ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে তদন্ত করে আরও কি পরিমাণ সুতা খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে তা যাচাই-বাছাই করে উভয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান কাস্টম বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-কমিশনার রেজভি আহমেদ।<br>অভিযানে নের্তৃত্ব দেয়া শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের কাষ্টমস বন্ড কমিশনের ঢাকা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রেজভি আহমেদ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্থাটির সহকারি কমিশনার আল আমিন, শরীফ মোহাম্মদ ফয়সাল, আক্তার হোসেনসহ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের সিআইডি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:10:00 1970-01-01 00:00:00 সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা লীগের আলটিমেটাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86515 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821384_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821384_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>মুক্তিযোদ্ধাদের বন্ধ ভাতা চালুসহ ৭ দফা দাবি পূরণের লক্ষ্যে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ। আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।<br>রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এমন ঘোষণা দেয় আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ। সমাবেশ থেকে দেয়া ৭ দফা দাবি হল- মুক্তিযোদ্ধাদের বন্ধ ভাতা চালু করতে হবে; যেসব মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিবার্তা, গেজেট, ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা ও প্রধানমন্ত্রীর সনদ আছে তাদের কোনো যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন নেই; সব মুক্তিযোদ্ধার ২০১৯ মহান বিজয় দিবসে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা দিতে হবে; যেখানে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় ও একজন মন্ত্রী আছেন সেখানে জামুকার কোনো প্রয়োজন নেই; মুক্তিযোদ্ধাদের কর্মসংস্থানের জন্য ২০ লাখ টাকা বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ দিতে হবে এবং মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা করতে হবে; মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য স্বতন্ত্র হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে; অনলাইনে যাচাই-বাছাইকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও জাতীয় তালিকা প্রকাশ করে ভাতা মঞ্জুর করতে হবে; সেটা ১৬ ডিসেম্বরের ২০১৯ বিজয় দিবসের আগে বাস্তবায়ন করতে হবে।<br>সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি মো. মজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১১ বছর যাবৎ ক্ষমতায় আছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সমস্যার সমাধান ও ভাগ্যের পরিবর্তন এখনও হয়নি। এতদিন ক্ষমতায় থাকার পরও মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করতে পারেননি। যাচাই-বাছাইয়ে যারা না-মঞ্জুরকৃত হয়েছিল তাদের আপিল করার সুযোগ দিয়েছিল এবং আপিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ভাতা বন্ধ করা যাবে না বলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছিল। কিন্তু পরে মন্ত্রণালয় ভাতা বন্ধ করে দেয়। তাই আমাদের দাবি, অতি শিগগিরই আমাদের বন্ধ ভাতা চালু করাসহ ৭টি দাবি মেনে নেয়া হোক।<br>প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের অভিভাবক। আপনি আমাদের অনেক দাবি মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ভুল সিদ্ধান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যদি আমাদের দাবি না মেনে নেয়া হয়, তাহলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।<br>এ দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ব্যানারে আলাদা মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহের প্রয়াত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের পরিবারের জমি বেদখল ও পরিবারের সদস্যদের হুমকির বিচার দাবি করা হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:09:31 1970-01-01 00:00:00 সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা লীগের আলটিমেটাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86514 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821359_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821359_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>মুক্তিযোদ্ধাদের বন্ধ ভাতা চালুসহ ৭ দফা দাবি পূরণের লক্ষ্যে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ। আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।<br>রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এমন ঘোষণা দেয় আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ। সমাবেশ থেকে দেয়া ৭ দফা দাবি হল- মুক্তিযোদ্ধাদের বন্ধ ভাতা চালু করতে হবে; যেসব মুক্তিযোদ্ধার মুক্তিবার্তা, গেজেট, ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা ও প্রধানমন্ত্রীর সনদ আছে তাদের কোনো যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন নেই; সব মুক্তিযোদ্ধার ২০১৯ মহান বিজয় দিবসে পাঁচ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা দিতে হবে; যেখানে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় ও একজন মন্ত্রী আছেন সেখানে জামুকার কোনো প্রয়োজন নেই; মুক্তিযোদ্ধাদের কর্মসংস্থানের জন্য ২০ লাখ টাকা বিনা সুদে ব্যাংক ঋণ দিতে হবে এবং মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা করতে হবে; মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য স্বতন্ত্র হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে; অনলাইনে যাচাই-বাছাইকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ও জাতীয় তালিকা প্রকাশ করে ভাতা মঞ্জুর করতে হবে; সেটা ১৬ ডিসেম্বরের ২০১৯ বিজয় দিবসের আগে বাস্তবায়ন করতে হবে।<br>সমাবেশে সংগঠনের সভাপতি মো. মজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ১১ বছর যাবৎ ক্ষমতায় আছে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সমস্যার সমাধান ও ভাগ্যের পরিবর্তন এখনও হয়নি। এতদিন ক্ষমতায় থাকার পরও মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই করতে পারেননি। যাচাই-বাছাইয়ে যারা না-মঞ্জুরকৃত হয়েছিল তাদের আপিল করার সুযোগ দিয়েছিল এবং আপিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ভাতা বন্ধ করা যাবে না বলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছিল। কিন্তু পরে মন্ত্রণালয় ভাতা বন্ধ করে দেয়। তাই আমাদের দাবি, অতি শিগগিরই আমাদের বন্ধ ভাতা চালু করাসহ ৭টি দাবি মেনে নেয়া হোক।<br>প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের অভিভাবক। আপনি আমাদের অনেক দাবি মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ভুল সিদ্ধান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যদি আমাদের দাবি না মেনে নেয়া হয়, তাহলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।<br>এ দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ব্যানারে আলাদা মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহের প্রয়াত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের পরিবারের জমি বেদখল ও পরিবারের সদস্যদের হুমকির বিচার দাবি করা হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের পরিবারের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:09:00 1970-01-01 00:00:00 এস এ গেমসে স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86513 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821316_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821316_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্পোটর্স ডেস্ক:<br>এস এ গেমস নারী ক্রিকেটের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এ নিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলকে ২ রানে হারায় বাংলাদেশ।<br>এর আগে, শ্রীলঙ্কাকে ৯২ রানের টার্গেট দেয় টাইগ্রেসরা। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে মোটেও সুবিধে করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। দলীয় ১৬ রানে হারায় প্রথম উইকেট। এরপর ৩৬ রানেই খোয়ায় আরো চার উইকেট। এক ওভারে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বসিয়ে দিয়েছেন উমেশা থিমাশিনি। সানজিদা ১৫ আর মুর্শিদা করেন ১৪ রান। শূন্যতেই ফিরেছেন ফারজানা ও ঋতু। হতাশ করেছেন অধিনায়ক সালমা। মাত্র ৩ রান করেছেন তিনি। এক প্রান্ত আগলে রেখে স্কোর এগিয়ে নিয়ছেন নিগার সুলতানা। ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ফাহিমার ১৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান তোলে বাংলাদেশ।<br>রৌপ্য জেতা নিশ্চিত হয়েছে আগেই। রাউন্ড রবিন লিগের তিন ম্যাচেই সহজে জিতেছে সালামারা। শেষ ম্যাচে টি টোয়েন্টিতে নারী ক্রিকেটে দুই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই ফাইনালে লড়ছে টাইগ্রেসরা। এসএ গেমেসের ফাইনাল দিয়েই আসছে বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটাও সেরে ফেলতে চায় তারা।<br><br> </body></HTML> 2019-12-08 22:08:23 1970-01-01 00:00:00 এস এ গেমসে স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86512 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821288_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821288_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্পোটর্স ডেস্ক<br>এস এ গেমস নারী ক্রিকেটের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এ নিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলকে ২ রানে হারায় বাংলাদেশ।<br>এর আগে, শ্রীলঙ্কাকে ৯২ রানের টার্গেট দেয় টাইগ্রেসরা। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে মোটেও সুবিধে করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। দলীয় ১৬ রানে হারায় প্রথম উইকেট। এরপর ৩৬ রানেই খোয়ায় আরো চার উইকেট। এক ওভারে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বসিয়ে দিয়েছেন উমেশা থিমাশিনি। সানজিদা ১৫ আর মুর্শিদা করেন ১৪ রান। শূন্যতেই ফিরেছেন ফারজানা ও ঋতু। হতাশ করেছেন অধিনায়ক সালমা। মাত্র ৩ রান করেছেন তিনি। এক প্রান্ত আগলে রেখে স্কোর এগিয়ে নিয়ছেন নিগার সুলতানা। ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ফাহিমার ১৫ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান তোলে বাংলাদেশ।<br>রৌপ্য জেতা নিশ্চিত হয়েছে আগেই। রাউন্ড রবিন লিগের তিন ম্যাচেই সহজে জিতেছে সালামারা। শেষ ম্যাচে টি টোয়েন্টিতে নারী ক্রিকেটে দুই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই ফাইনালে লড়ছে টাইগ্রেসরা। এসএ গেমেসের ফাইনাল দিয়েই আসছে বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটাও সেরে ফেলতে চায় তারা।<br><br><br></body></HTML> 2019-12-09 22:08:00 1970-01-01 00:00:00 সিরাজগঞ্জে বিজয় র‌্যালিতে বিএনপির হামলা, আহত ৪০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86511 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821176_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821176_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি॥<br>সিরাজগঞ্জে বিজয় র‌্যালিতে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।<br>রোববার (৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে শহরের ইবি রোড এলাকায় এ সংর্ষের ঘটনা ঘটে।<br>সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন জানান, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের উদ্যোগে বেলা ১১টার দিকে বিজয় র‌্যালি বের হয়। এতে সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্নাসহ মুক্তিযোদ্ধারা নেতৃত্ব দেন। বিজয় র‌্যালিটি ইবি রোড এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মামুনুর রশিদ, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাসেল, যুবলীগ কর্মী সালমান, শামীম, শুকুরসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।<br>এ বিষয়ে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হারুন অর রশিদ হাসান জানান, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জেলা বিএনপি পুরাতন শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পৌর ভাসানী মিলনায়তনের মুক্তমঞ্চে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সমাবেশে হামলা করে। তাদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এতে ইটপাটকেল ও পুলিশের টিয়ারশেলের আঘাতে জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম হোসেন হিটলার, যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আব্বাস, ছাত্রদলের জুলমত, নাদিম, রানা, ছোট সবুজ, রতন, ছাবিব, যুবদলের নয়ন, খোকন, মীম, ইমরান, স্বেচ্ছাসেবকদলের সালাউদ্দিনসহ ২০/২২ জন নেতাকর্মী আহত হন।<br>অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ জানান, দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কি কারণে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:07:00 1970-01-01 00:00:00 রুম্পার ‘প্রেমিক’ সৈকত রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86510 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821958_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575821958_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার কথিত প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।<br>রোববার সৈকতকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে তার সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। অপরদিকে সৈকতের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।<br>উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদ চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার রাতে সৈকতকে আটক করে ডিবিতে নেয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তাকে রমনা থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।<br>তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র ২২ বছর বয়সী সৈকতের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।<br>উল্লেখ্য, বুধবার মধ্যরাতে পুলিশ ৬৮ সিদ্ধেশ্বরীর সামনের রাস্তা থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। এর আগে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, তরুণীর মেরুদণ্ড, বাঁ হাতের কনুই ও ডান পায়ের গোড়ালি ভাঙা। মাথা, নাক, মুখে জখম এবং রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। বুকের ডান দিকে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।<br>রুম্পা ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে পড়তেন। মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন ভাড়া বাসায়। চাকরির কারণে তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জে থাকেন।<br>রুম্পার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন ওই থানার এসআই আবুল খায়ের।<br>প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর রুম্পা বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। সঙ্গে নিজের মোবাইল ফোনটিও নেননি তিনি। উঁচু থেকে পড়ে শরীরের যে ধরনের জখম হয়, রুম্পার শরীরে সে ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।<br>পুলিশ বলছে, রুম্পাকে সিদ্ধেশ্বরীর কোনো একটি ভবন থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারণা করা হচ্ছে– রুম্পা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।<br>রুম্পার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। এ জন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন তারা। এমনটি জানিয়েছেন রমনার ওসি মনিরুল। তিনি বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বিষয়টি।<br>ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে বৃহস্পতিবার রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত হয়। মেডিকেলের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, তরুণীর শরীরের আঘাত দেখে মনে হয়েছে ওপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে।<br>পারিবারিক সূত্র জানায়, রুম্পা দুটি টিউশনি করে বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে তিনি কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরনো স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফিরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার রুম্পার মাসহ স্বজনরা রমনা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন। </body></HTML> 2019-12-08 22:03:55 2019-12-08 22:19:21 রুম্পার ‘প্রেমিক’ সৈকত রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86509 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575820981_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/08/1575820981_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার কথিত প্রেমিক আবদুর রহমান সৈকতের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।<br>রোববার সৈকতকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে তার সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস। অপরদিকে সৈকতের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।<br>উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদ চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে শনিবার রাতে সৈকতকে আটক করে ডিবিতে নেয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার তাকে রমনা থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।<br>তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র ২২ বছর বয়সী সৈকতের সঙ্গে রুম্পার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।<br>উল্লেখ্য, বুধবার মধ্যরাতে পুলিশ ৬৮ সিদ্ধেশ্বরীর সামনের রাস্তা থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। এর আগে পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, তরুণীর মেরুদণ্ড, বাঁ হাতের কনুই ও ডান পায়ের গোড়ালি ভাঙা। মাথা, নাক, মুখে জখম এবং রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল। বুকের ডান দিকে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।<br>রুম্পা ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষে পড়তেন। মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন ভাড়া বাসায়। চাকরির কারণে তার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জে থাকেন।<br>রুম্পার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন ওই থানার এসআই আবুল খায়ের।<br>প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধানে তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর রুম্পা বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। সঙ্গে নিজের মোবাইল ফোনটিও নেননি তিনি। উঁচু থেকে পড়ে শরীরের যে ধরনের জখম হয়, রুম্পার শরীরে সে ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।<br>পুলিশ বলছে, রুম্পাকে সিদ্ধেশ্বরীর কোনো একটি ভবন থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারণা করা হচ্ছে– রুম্পা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।<br>রুম্পার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় পুলিশের কাছে। এ জন্য ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন তারা। এমনটি জানিয়েছেন রমনার ওসি মনিরুল। তিনি বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা, সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বিষয়টি।<br>ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে বৃহস্পতিবার রুম্পার লাশের ময়নাতদন্ত হয়। মেডিকেলের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেন, তরুণীর শরীরের আঘাত দেখে মনে হয়েছে ওপর থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে।<br>পারিবারিক সূত্র জানায়, রুম্পা দুটি টিউশনি করে বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ফেরেন। পরে তিনি কাজ আছে বলে বাসা থেকে বের হন। বাসা থেকে নিচে নেমে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ও পরা স্যান্ডেল বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে এক জোড়া পুরনো স্যান্ডেল পায়ে দিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। কিন্তু রাতে আর বাসায় ফিরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার রুম্পার মাসহ স্বজনরা রমনা থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন।<br><br> </body></HTML> 2019-12-09 22:03:00 1970-01-01 00:00:00 তৃণমূল গোছাতে হিমশিম আ. লীগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86508 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575777498_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575777498_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাঠে বিরোধী দলের আন্দোলন-সংগ্রাম সামাল দেওয়ার চাপ নেই। ফাঁকা মাঠে নিজেদের মধ্যে কলহ, বিবাদের মধ্য দিয়েই যেন নিজেদের শক্তির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ফলে ২১তম জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে তৃণমূলে সংগঠন গোছাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। জানা গেছে, এ পর্যন্ত বেশ কিছু জেলা-উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে নিজেদের মধ্যে। কোন্দলের কারণে পেছাতে হয়েছে কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় দলীয় সম্মেলন। কমিটি করতে গিয়েও বেগ পেতে হচ্ছে। বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটিতে না রাখা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক না করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতির নির্দেশনা থাকলেও তার ব্যত্যয় ঘটছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ও বিতর্কিত নেতাকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, ত্যাগী নেতাদের সামনে আনার যে নীতি নিয়েছেন তার পুরোপুরি বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ জেগেছে তৃণমূল আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীর মধ্যেই।<br><br>কমিটি গঠন নিয়ে কোন্দল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, ‘জেলায় একটু প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে, এটা কোনো অস্বাভাবিক না। তেমন কিছু ঠিক হয়নি। কিছু তো উত্তেজিত থাকেই লোকজন। কারণ পোস্ট-পদবি সবাই চায়। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে দূরত্বটা কমিয়ে আনতে পারি। কাজটা এখন খুবই কঠিন। একেকটা পদে দেখা যায় চার-পাঁচজন প্রার্থী, সিরিয়াস প্রার্থী। বড় পদ দেওয়া যাবে মাত্র দুইটা। দেখা যায় ছয়জন সভাপতি ও পাঁচজন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। তাহলে বাকি ৯ জনকে কী করব? সে জন্য কিছু উত্তেজিত নেতাকর্মী থাকে...আমরা বোঝাই যে এখানে না পারলে অন্যখানে আপনাকে দেব। ইউনিয়নের নেতাকে থানায় আনব, থানার নেতাকে জেলায় নেব। এইভাবে সমন্বয় করার চেষ্টা করছি আমরা।’<br><br>আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, একই ব্যক্তিকে দলীয় পদ এবং সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী না করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অনেকবার নিজের মনোভাব জানিয়েছেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন, ‘আমার সংসার বড়। এখানে একজনকে সব ক্ষেত্রে মূল্যায়ন করলে বাকিরা বঞ্চিত হয়। তাই একেকজনকে একেক জায়গায় মূল্যায়ন করব।’ বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও সংসদ সদস্যদের দলীয় পদে না রাখার পক্ষে দলের অবস্থান তুলে ধরেন।<br><br>সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অন্তত ৮ সংসদ সদস্য : বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় দলীয় সম্মেলনে অন্তত আটজন সংসদ সদস্যের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ার খবর জানা গেছে। গত ৩ ডিসেম্বর ভোলার লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। যুবলীগের নানা অপকর্মে তাঁর নাম আসায় গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত যুবলীগের জাতীয় কংগ্রেসের কর্মকাণ্ড থেকে শাওনকে দূরে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন দলীয়প্রধান। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।<br><br>গত ২৬ অক্টোবর ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হন এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী। ২০ নভেম্বর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ পান সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। ২৫ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন স্থানীয় এমপি আফজাল হোসেন। ১৭ নভেম্বর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন স্থানীয় এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। ১৬ নভেম্বর যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন স্থানীয় এমপি রণজিৎ কুমার রায়।<br><br>এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের একটি এবং রংপুর বিভাগের একটি উপজেলায় সভাপতি পদ পেয়েছেন একজন করে এমপি। আরো কয়েকজন এমপির বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা আছে।<br><br>সম্মেলন স্থগিত, কমিটি বাতিল : তীব্র কোন্দলের কারণে অন্তত দুটি জেলা ও ছয় উপজেলায় দলীয় সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। একটি উপজেলায় কমিটি ঘোষণার পর তা বাতিল করা হয়েছে তীব্র সমালোচনার মুখে।<br><br>দলীয় কোন্দলের কারণে মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিত করা হয় গত মঙ্গলবার। ধানমণ্ডিতে ওই তথ্য জানান আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি। একই সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনও স্থগিত করা হয়েছে। সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় আট ইউনিয়নের ওয়ার্ড কমিটি বাতিল করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।<br><br>৩ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ হয়। পরে স্থগিত ঘোষণা করা হয় সেখানকার কাউন্সিল অধিবেশন। কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিত করা হয় ১৬ নভেম্বর।<br><br>২৪ বছর পর চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল এবার জাতীয় সম্মেলনের আগেই। স্থানীয় এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে সম্মেলন স্থগিত হয়ে গেছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ও বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনও স্থগিত করা হয়েছে।<br><br>ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মোহাম্মদ আলীকে সভাপতি ও সফিকুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। তাঁরা দুই ভাই। তাঁদের বড় ভাই হলেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে কমিটি বাতিল ঘোষণা করে জেলা কমিটি।<br><br>সংঘর্ষ জেলা-উপজেলায় : গত বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে খাবার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। গত ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ হয়। ২৯ নভেম্বর সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন ১২ জন। ২৮ নভেম্বর সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের এক সভা ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হন। ২৫ নভেম্বর কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। ৩০ নভেম্বর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে আহত হন অন্তত ১০ জন।<br><br>২৪ নভেম্বর ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় একটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। ২০ নভেম্বর নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। ১৫ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে দলের কাউন্সিল অধিবেশনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত ২৬ অক্টোবর লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিতসভায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হন। একই দিন নড়াইলের নড়াগাতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন ১৩ জন।<br>"সূত্র কালের কণ্ঠ" </body></HTML> 2019-12-08 09:57:09 1970-01-01 00:00:00 বাড়ির পাশে গাছে ঝোলানো স্বামীর লাশ, ঘরে স্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86507 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575777266_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575777266_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাতক্ষীরা শ্যামনগরে স্ত্রী সোনা বিবিকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যার পর স্বামী মান্নান গাজী (৫০) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। <br>শনিবার গভীর রাতে উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের কাকুচিপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত সোনা বিবি কালিঞ্চি গ্রামের সিরাজ গাজীর মেয়ে ও মান্নান গাজী কাকুচিপাড়া গ্রামের মৃত সোহরাব গাজীর ছেলে। স্থানীয়রা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে স্বামী রাতে ধারালে অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেন। স্থীর গায়ে ঘাড়ে গলায় পিটে পায়ে জখমের চিহৃ আছে। এরপর বাড়ির পাশে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মান্নার গাজীর মরহেদ উদ্ধার করা হয়। তাদের দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সাতক্ষীরা শ্যামনগর থানার (ওসি) তদন্ত ইয়াছিন আলম জানান, স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ নিহত স্ত্রী সোনা বিবি ও স্বামী মান্নান গাজীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।<br><br> </body></HTML> 2019-12-08 09:53:19 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে গ্যাসলাইন বিস্ফোরণে ৪ শ্রমিক দগ্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86506 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776844_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776844_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। গ্যাসের লাইন কাজ করার সময় শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।আহতদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন- জুনায়েদ (২৪), রুবেল (২৮), কবির আহমেদ (২৫) ও নিলু মোল্লা (৩৮)। তারা ওয়াসার শ্রমিক বলে জানা গেছে। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দগ্ধদের মধ্য জুনায়েদের হাত, পা ও মুখ ঝলসে গেছে। রুবেল ও কবিরের হাত-পা-পেট দগ্ধ হয়েছে। এবং নিলু মোল্লার পায়ে অল্প দগ্ধ হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বাকি তিনজনকে ভর্তি করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-12-08 09:46:59 1970-01-01 00:00:00 কাজের চুক্তি সম্পর্কে না জানলে যাত্রা বন্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86505 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776728_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776728_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হয়ে একের পর এক গৃহকর্মীর ফিরে আসার and nbsp; প্রেক্ষিতে কর্মী পাঠাতে একটি নীতিমালা করছে সরকার। সে অনুয়ায়ী এখন থেকে বাংলাদেশি কর্মীরা নিয়োগকর্তার সঙ্গে তার চুক্তির বিষয়টি আগেভাগে না জানলে কর্মীর বিদেশযাত্রা বন্ধ করা হবে। আর চুক্তির বিষয়ে রিক্রুটিং এজেন্সি হতে কর্মীকে সম্পূর্ণরূপে জানাতে হবে। বিদেশযাত্রার আগে চুক্তিপত্রটি সংশ্লিষ্ট কর্মীর হাতে দিতে হবে। অন্তত চারটি জায়গায় যাচাইয়ের পর ওই কর্মীকে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেয়া হবে। এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে নীতিমালা অনুযায়ী রবিবার একটি নির্দেশনা জারি করতে যাচ্ছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। শনিবার বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা এ তথ্য জানান। ঢাকার বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।<br><br>কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ সৌদি আরবে নারী শ্রমিক পাঠানো শুরুর পর থেকে রক্ষণশীল ওই দেশটিতে গৃহকর্তার হাতে নানা ধরনের নির্যাতনের খবর আসতে থাকে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে তাতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছিল না। এসব নারী দেশে ফিরে আসার পর তাদের মুখে সেখানে যৌন নিপীড়নসহ নানা ধরনের নির্যাতনের খবর গণমাধ্যমে আসার পর বিভিন্ন নারী সংগঠন সৌদি আরবে আর নারীকর্মী না পাঠানোর দাবি তোলে।<br>সৌদি আরবে আর নারী শ্রমিক না পাঠানোর দাবি ওঠে সংসদের বিগত অধিবেশনেও। কয়েকজন সংসদ সদস্যের এমন দাবির পর দেশটিতে নারী গৃহকর্মীদের সমস্যা নিয়ে সরকারও চিন্তিত জানিয়ে জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ সংসদে বলেছিলেন, ‘গৃহকর্মীর বিষয়ে সরকার চিন্তিত। এ ব্যাপারে অনেক পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে।’<br><br>বেসরকারি সংস্থা ব্রাকের অভিবাসন প্রকল্পের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে ১ হাজারের বেশি নারী শ্রমিক বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত এসেছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই ফিরেছেন সৌদি আরব থেকে। সচিব মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘নারী কর্মীদের জন্য আমরা নতুন নীতিমালা করছি। রবিবার একটি নির্দেশনা জারি করব। নির্দেশনায় বলা থাকবে স্বাক্ষর করা চুক্তি কর্মীকে বুঝতে হবে। চুক্তির বিষয়গুলো রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীকে বলবে। আমরা সেটা ৩ থেকে ৪ জায়গায় যাচাই করব।’<br><br>‘ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য আমরা দেখব চুক্তি সম্পর্কে কর্মী জানেন কিনা। আবার ওই কর্মী যখন এয়ারপোর্টে যাবেন, সেখানেও আবার যাচাই করা হবে। রিক্রুটিং এজেন্সি যদি কর্মীকে চুক্তি সম্পর্কে বুঝিয়ে না দেয়, কর্মীর সঙ্গে যদি চুক্তিপত্র না থাকে, তাহলে তাকে অফলোড (বিদেশযাত্রা বন্ধ) করা হবে।’ শুধা তাই নয়, সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিকেও দায়বদ্ধতার মধ্যে আনার কাজ চলছে উল্লেখ করে প্রবাসী সচিব বলেন, ‘সেজন্য আমাদের দূতাবাসে রিক্রুটিং এজেন্সি নিবন্ধিত হওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যেন কোনো অভিযোগ এলেই আমরা তাদের কালো তালিকাভুক্ত করতে পারি। মেডিকেল ও ট্রেনিং যথাযথভাবে শেষ না করে কর্মীকে বিদেশ পাঠানো হলে রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’<br><br>সৌদি আরবের সব এলাকা একই রকম নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় কর্মী নির্যাতনের ঘটনাগুলো বারবার ঘটে। এসব এলাকায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে রেসট্রিক্টেড’ (সংরক্ষিত) করে দেব।’ সচিব জানান, ইতোমধ্যে ১০০টির বেশি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আর যারা ভালো কাজ করবে তাদের পুরস্কৃত করা হবে। এ ছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করার কাজ চলছে। এই কাজ আগামী মাসেই এই কাজ শেষ করা হবে।<br><br>এ বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. সারোয়ার আলম বলেন, ‘মূলত নারীকর্মীদের সেফটি (নিরাপত্তা) বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের আলোচনা চলছে। নারীকর্মীরা যেন বিদেশ গিয়ে ভালো থাকেন সেদিকটা গুরুত্ব দিয়ে তাদের মধ্যে সচেতনা তৈরি করার জন্য নীতিমালা করছে মন্ত্রণালয়।’<br><br>‘সবচেয়ে বড় কথা হলো নারীকর্মীরা যেন জেনেবুঝেই বিদেশে যান আর সেখানে ভালো থাকের এটাই আমাদের চাওয়া।’<br><br>উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের জুন থেকে এ পর্যন্ত ৭৪টি দেশে আট লাখ ৬৮ হাজার ৩৬৩ জন নারীকর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে সৌদি আরবে গেছেন তিন লাখ ৩০ হাজার ৫৯০ জন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন এক লাখ ২৬ হাজার ১৪৩ জন। ওমানে ৮৫ হাজার ৯১৪ জন ও কাতারে ৩২ হাজার ২৮০ জন। জর্ডানে গেছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ২৯১ জন। লেবাননে এক লাখ ৬ হাজার ৪৪৪ জন। আর মরিশাসে ১৮ হাজার ৩৩১ জন নারীকর্মী পাঠানো হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2019-12-08 09:44:53 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশকে স্বীকৃতি: প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের কাছে ইন্ধিরা গান্ধীর ঐতিহাসিক চিঠি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86504 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776459_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776459_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার ঐতিহাসিক চিঠি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিজের পেইজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের পুত্র ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। ৭ (ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১টার দিকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন- একটি ঐতিহাসিক চিঠি- ৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১, এই চিঠির মাধ্যমে ইন্ডিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এই চিঠিটি পাঠান। </body></HTML> 2019-12-08 09:40:36 1970-01-01 00:00:00 ভারত বিশ্বে ধর্ষণের রাজধানী হিসাবে পরিচিত: রাহুল গান্ধী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86503 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776331_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776331_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, ভারত ধর্ষণের রাজধানী হিসাবে বিশ্বে পরিচিত। বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রশ্ন, কেন ভারত নিজের মেয়ে ও বোনেদের নিরাপত্তা দিতে পারে না। উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি বিধায়ক ধর্ষণের অভিযুক্ত এবং প্রধানমন্ত্রী এনিয়ে একটা কথাও বললেন না। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) ভারতের কেরালায় এক সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।<br><br>রাহুল বলেন, দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনাবলী বৃদ্ধি পেয়েছে। নারীদের বিরুদ্ধে অরাজকতা, নৃশংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন আমরা পড়ছি যে মেয়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে, তাদের শ্লীলতাহানি করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নাটকীয়ভাবে ভেঙে যাচ্ছে। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে, লোকেরা আইন তাদের নিজের হাতে নিয়ে নিচ্ছে। কারণ এই দেশ যারা পরিচালনা করেন তারা অন্ধভাবে শক্তি ও সহিংসতায় বিশ্বাসী। তারা মনে করে যে সমস্ত শক্তি তাদের হাতে রয়েছে। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপিরও তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল। খবর- সংবাদ প্রতিদিন </body></HTML> 2019-12-08 09:38:13 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই ডাকাত দলের গোলাগুলি, নিহত ১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86502 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776216_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776216_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রোহিঙ্গা শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে 'দুই ডাকাত দলের' মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নিবন্ধিত নয়াপাড়ার ক্যাম্পের এইচ বক্লে পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাৎক্ষণকিতার নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গোলাগুলিতে আহতরা হলেন- শামসুল আলম ও মোহাম্মদ ফয়সাল। দুইজনই একই ক্যাম্পের বাসিন্দা। টেকনাফ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মোহাম্মদ বাবুল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রাতে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম এখনও শনাক্ত করা যায়নি। নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোস্তফা কামাল বলেন, দুই ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। তার নাম পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ক্যাম্পের লোকজন আতংকের মধ্যে রয়েছেন। </body></HTML> 2019-12-08 09:36:21 1970-01-01 00:00:00 ১০ সন্তান থেকেও ভিক্ষা করেন মা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86501 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776058_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575776058_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জরিনা বেগম, বয়স সত্তর। দশটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ৭ জন ছেলে ও ৩ জন মেয়ে। ছেলেমেয়ে সবাই এখন কর্মক্ষম। পারিবারিক অবস্থা খুব সচ্ছল না হলেও ভালোই চলে তাদের। কিন্তু জরিনা বেগমকে চলতে হয় ভিক্ষা করে। নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরিয়ামালা গ্রামের মনছুর আলীর স্ত্রী জরিনা বেগম। স্বামীর মৃত্যু হয়েছে কয়েক বছর আগে। এরপর থেকে ভিক্ষা করেই জীবন চলছে তার।<br>প্রতিবেশীরা জানান, ছেলেদের সংসার কাজ-কর্ম করে ভালোই চলে। কিন্তু কেউ তার মাকে খাবার দেয় না। গত দুই বছর ধরে জরিনা বেগম ভিক্ষা করে খান। বৃদ্ধ মানুষ, শরীর খারাপ থাকলে ভিক্ষা করতে যেতে পারেন না। তখন না খেয়েই শুয়ে থাকেন। কোনো ছেলে বা ছেলের বউ তাকে খেতে দেয় না। খোঁজ-খবরও নেয় না। বড় ছেলে নূরুল ইসলাম লকুজ মিয়া, সালাম মিয়াসহ অন্যান্য ছেলেরা কেউই তাদের মাকে খেতে দেন না।<br><br>সন্তানদের ব্যাপারে জানতে চাইলে জরিনা বেগম বলেন, ‌‌‘আমার কোনো সন্তান নেই। আমার কেউ নেই।’ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে একটু গ্রাম চাল থাকলেও তিনি রান্না করেননি। কারণ সকালে খেতে হবে। এ খবর পেয়ে কেন্দুয়ার কল্যাণী ফাউন্ডেশনের সভাপতি কল্যাণী হাসান জরিনা বেগমের বাড়িতে যান। কল্যাণী হাসানকে দেখে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন ওই বৃদ্ধা। এ সময় কল্যাণী হাসান জানান, ‌আমি ওই বৃদ্ধার দায়িত্ব নিতে চাই। তিনি যদি আমার বাড়িতে যেতে চান তাহলে নিয়ে যাব, না গেলে তার কাপড়-চোপড়সহ ভরণপোষণের দায়িত্ব নেব। এ পর্যন্ত ওই বৃদ্ধা বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা কোনো কিছুই পাননি বলেও জানান তিনি। </body></HTML> 2019-12-08 09:33:38 1970-01-01 00:00:00 আজ বঙ্গবন্ধু বিপিএলের বর্ণিল উদ্বোধন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86500 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733411_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733411_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সপ্তম আসর অন্যবারের তুলনায় বেশিই জমকালো হতে চলেছে। আজ হোম অব ক্রিকেট খ্যাত মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের আসরের পর্দা উঠবে।<br>বিশেষ এই ‘বঙ্গবন্ধু বিপিএল’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দর্শকদের জন্য স্টেডিয়ামের ফটক খোলা থাকবে বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে পাঁচটা অবধি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্টেজ মাতাতে জেমস-মমতাজের সঙ্গে থাকবেন ভারতের বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পীরা। বলিউড সুপারস্টার সালমান-ক্যাটরিনার নাচে শেষ হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। <br>জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যাপারে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ সোহেল বলেন, ‘ভারতীয় তারকাদের প্রতিই দর্শকদের ঝোঁক বেশি। আমরা এ পর্যন্ত প্রত্যেক আসরেই ভারতের বিখ্যাত তারকাদের সমাগম ঘটানোর চেষ্টা করেছি।’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়ে সোহেল বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুব খেলা প্রিয় মানুষ। তিনি এমন রমরমা আয়োজনে খেলা উপভোগ করতে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন।’ জানা গেছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হিন্দি সঙ্গীতের পাশাপাশি কমপক্ষে ১টি করে বাংলা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্টগীত শিল্পী সনু নিগম ও কৈলাশ খের।<br>এ প্রসঙ্গে সোহেল বলেন, ‘সনু নিগমকে বলেছি, তিনি যেনো বাংলা সঙ্গীত দিয়ে শুরু করেন। এছাড়াও কৈলাশ খেরও বাংলায় গান পরিবেশনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বিপিএলের এবারের আসরের খেলা শুরু হবে ১১ ডিসেম্বর। গতবারের আসরে খেলা সম্প্রচার নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু এবারের আসরে এমন কোনো সমস্যা হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।<br>তিনি বলেন, ‘অবচেতনভাবে অনেক ভুলই হতে পারে। গতবারের ভুলগুলোর বিসয়ে অবশ্যই আমরা তৎপর থাকব। এবার কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করছি। এবারের আসরে বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরা সংযোজন করা হবে এবং সম্প্রচারে থাকবে নতুনত্ব।’<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 21:43:00 1970-01-01 00:00:00 চালের দাম বাড়ায় আমরা খুশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86499 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733389_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733389_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমাদের চালের উৎপাদন বেড়েছে। আমরা চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ। চালের দাম বাড়াতে আমরা খুশি। গত ৮ মাস যাবত চাচ্ছি চালের দাম বাড়ুক। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘কৃষি তত্ত্ব সমিতি’র ১৮তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চালের দাম না বাড়লে চাষিরা উৎপাদন খরচ কীভাবে তুলবে? আমাদের ট্রাক যায় প্রতিদিন। ১ ছটাক চাল বিক্রি করতে পারে না। ৩০ টাকা কেজির চাল কেউ নেয় না। ডিলারদের চাপ দেওয়া হচ্ছে মোটা চাল তোলার জন্য, কিন্তু তারা তুলছে না। মোটা চাল খারাপ কিছু না। মোটা চাল খাবে না কেন মানুষ! মোটা চালের দাম একটি টাকাও বাড়েনি। তারপরও মিডিয়া বলছে চালের দাম বেড়েছে।<br>বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ৮ মাস মিডিয়ায় লেখালেখি হচ্ছে কৃষকরা চালের দাম পাচ্ছে না। পাইকাররা চালের দাম নিয়ে যাচ্ছে। সরকার কিছু করছে না। সুশীল সমাজ প্রচণ্ডভাবে আমাদের সমালোচনা করে আসছিল। নানাভাবে বলেছি, আমরা চেষ্টা করছি কৃষককে ন্যায্যমূল্য দেওয়ার। কিন্তু পারছি না। চাষিরা চাষাবাদ করে, কঠোর পরিশ্রম করে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তারা কাজ করে। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে তারা কাজ করে। রক্ত পানি করে সোনালী ফসল ফলায় তারা। আর সেই কৃষক ধানের সঠিক মূল্য পাচ্ছে না। এজন্য আমরা চিন্তিত ছিলাম। নানারকম কর্ম-পদক্ষেপ নিয়েছি। পলিসি লেভেলে এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ৮ মাস ধরে মিডিয়া আমাদের সমালোচনা করেছে। কয়েকদিন আগে চালের দাম ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। সংবাদপত্রে বেশকিছু নিউজ হয়েছে সরকারকে বিব্রত করে। সে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছিল পেঁয়াজের মতো দাম বাড়ছে চালের।<br>কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সফলতার কথা তুলে ধরে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের জমি বাড়ছে না, ক্রমান্বয়ে কমছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এক জমিতেই বেশি ফসল উৎপাদন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক সফল হয়েছি। আমি দেখেছি গোবিন্দগঞ্জ, রংপুর, ঈশ্বরদীতে চাষিরা একই জমিতে ৩-৪টি ফসল উৎপাদন করে। প্রথমে মাসকলাই করে, এরপরে আলু করে, রসুন, পেঁয়াজ, ফুলকপি, বাঁধাকপি চাষ করে।<br>বর্তমান সরকারকে কৃষিবান্ধব অভিহিত করে মন্ত্রী বলেন, কৃষকবান্ধব এই সরকার। এদেশের শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগ মানুষ গ্রামে থাকে। গ্রামবাসীদের মূল জীবিকা কৃষি। একথা শুধুমাত্র উপলব্ধি করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কৃষকরা যখন ধান বিক্রি করতে পারছিল না। কৃষকের দুঃখ-কষ্টের কথা আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী নীরবে শুনতেন কৃষকদের দুঃখ-কষ্টের কথা। শুনে তিনি ব্যথিত হতেন, কষ্ট পেতেন। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন- সারা জীবন দেখলাম হাড্ডিসার মানুষ। খাবার পায় না। পাণ্ডুর চেহারা। ঘর নাই, চুলা নাই। সে দেশে আজ ধান উদ্বৃত্ত রয়েছে। আবার ধান বিক্রি করা যায় না। এই বিড়ম্বনা আর ভালো লাগে না।<br>শুধু কৃষি নয় আরও অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশে বিপ্লব হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব হয়েছে, এটা অসাধারণ। বাংলাদেশের অর্থনীতিসহ ও সব ক্ষেত্রে... পদ্মা সেতু, আইসিটি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প প্রতিটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। সারা পৃথিবীতে নন্দিত হচ্ছে, প্রশংসিত হচ্ছে বাংলাদেশ। সারা পৃথিবীতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী আইকন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিতি লাভ করছেন। এটাই আমাদের বিরাট অর্জন। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হওয়ার ভিত্তি সৃষ্টি করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 21:43:00 1970-01-01 00:00:00 ভোটে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আ.লীগের নেতৃত্বে সালাম-আতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86498 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733363_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733363_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখায় ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। প্রায় সাত বছর পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে সভাপতি পদে এমএ সালাম এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ আতাউর রহমান আতা নির্বাচিত হয়েছেন।<br>শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।<br>নতুন সভাপতি এমএ সালাম আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। আর সাধারণ সম্পাদক আতা ছিলেন মিরসরাই আওয়ামী লীগের সভাপতি। সকালে নগরীর লালদিঘি মাঠে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিকালে অনুষ্ঠিত হয় কাউন্সিল অধিবেশন। কাউন্সিলে ভোটাভুটির আগে প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের চেষ্টা করেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে সেই চেষ্টা সফল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটির মাধ্যমেই নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। ৩৬৬ জন কাউন্সিলর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।<br>সভাপতি পদে এমএ সালাম পেয়েছেন ২২৩ ভোট এবং এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী পেয়েছেন ১২৯ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ আতাউর রহমান পেয়েছেন ১৯৬ ভোট এবং গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ১৫৪ ভোট।<br>উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর। এতে কাউন্সিলরদের ভোটে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সভাপতি ও এমএ সালাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হলে ওই পদে কমিটির তিন নম্বর সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল আলম চৌধুরীকে মনোনীত করা হয়। গত ২৭ জানুয়ারি নুরুল আলম মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে ২ নম্বর সহ-সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।<br><br> </body></HTML> 2019-12-08 21:42:00 1970-01-01 00:00:00 বগুড়া আ.লীগের নেতৃত্বে মজনু-রিপু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86497 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733341_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733341_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বগুড়া প্রতিনিধি, <br>প্রায় দুই যুগ পর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। নতুন সভাপতি হয়েছেন মজিবুর রহমান মজনু। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাগেবুর আহসান রিপু।<br>নতুন সভাপতি মজনু আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আর সাধারণ সম্পাদক রিপু ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।<br>শনিবার বিকালে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম নতুন কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।<br>এছাড়া নতুন কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন টি জামান নিকেতা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মঞ্জুরুল আলম মোহন, সাগর কুমার রায় ও আসাদুর রহমান দুলু। আর অর্থ সম্পাদক হয়েছেন মাসুদুর রহমান মিলন।<br>জেলা আওয়াম লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, নূরুল ইসলাম ঠান্ডু, ডা. রোকেয়া সুলতানা, মেরিনা জাহান, হাবিবুর রহমান এমপি প্রমুখ।<br>এর আগে ২০১৪ সালের ১০ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়। ওই দিন কেন্দ্রীয় নেতারা মমতাজ উদ্দিনকে সভাপতি ও মজিবুর রহমান মজনুকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা দেন। মমতাজ উদ্দিন ১৯৯২ সাল থেকে তিন মেয়াদে টানা ২৪ বছর বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। বগুড়ার রাজনীতির এই বর্ষীয়ান নেতা এ বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বার্ধক্যজনিত রোগে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 21:42:00 1970-01-01 00:00:00 হারুনকে সরানোর একমাসেও এসপি পায়নি নারায়ণগঞ্জ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=86496 http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733314_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/12/07/1575733314_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>চাঁদাবাজির অবিযোগ ওঠার পর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে সরিয়ে আনার একমাসের বেশি সময় পার হলেও এখনও এসপি পায়নি নারায়ণগঞ্জ। গুরুত্বপূর্ণ এই জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম। চাঁদাবাজি এবং পারটেক্স গ্রুপের কর্ণধার এম এ হাশেমের ছেলে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজের স্ত্রী ও সন্তানকে জোর করে উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগের মুখে গত ৩ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে এসপি হারুনকে নারায়ণগঞ্জ থেকে সরিয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে পুলিশ সুপার (টিআর) হিসেবে বদলি করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে এসপি হারুনকে সরিয়ে আনার পর একমাস পার হলেও জেলাটিতে এখনও পুলিশ সুপার দেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) মীর সোহেল রানা <br>বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে এসপি হিসেবে কেউ যোগদান করেননি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ভারপ্রাপ্ত এসপির দায়িত্ব পালন করছেন।<br>গত ১ নভেম্বর রাতে পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাশেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেলের স্ত্রী ফারাহ রাসেল ও ছেলে আনাব আজিজকে বাসা থেকে তুলে আনার অভিযোগ ওঠে এসপি হারুনের বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ ওঠে শওকত আজিজ রাসেলকে ফাঁসানোর জন্য তার গাড়িতে মাদকদ্রব্য ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে নাটক সাজান পুলিশের আলোচিত এই এসপি।<br>এরপর গত ৮ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন। বিদায় অনুষ্ঠানে কেঁদে কেঁদে হারুন বলেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। এটা তদন্তে বের হবে।<br>অন্যদিকে হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে ঢাকা রেঞ্জের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আর এসপি হারুনকে পুলিশ সদর দপ্তরে টিআর করে রাখা হলেও এখনও পর্যন্ত তাকে কোনও দায়িত্ব দেয়া হয়নি।<br>উল্লেখ্য, হারুন এক সময় ঢাকা মহানগর পুলিশে ছিলেন। তখন বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত হন তিনি। গত জাতীয় নির্বাচনের আগে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পাওয়ার আগে কয়েক বছর গাজীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন। ওই জেলায় থাকার সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিল বিএনপি।<br><br><br> </body></HTML> 2019-12-08 21:41:00 1970-01-01 00:00:00