http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - কিশোর গ্যাং অপ্রতিরোধ্য! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104576 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998932_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998932_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গত বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা। রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তি। একটি চায়ের দোকানের পাশে ১২-১৪ জন কিশোরের জটলা। পাশ দিয়ে এক তরুণী যাওয়ার সময় সেখান থেকে ভেসে এলো কটু মন্তব্য। কাছে গিয়ে এ প্রতিবেদক পরিচয় দিতেই তাচ্ছিল্যের সুরে একজন বলে, ‘আপনে এগুলো পেপারে লেইখ্যা দিবেন। ল্যাহেন, তাতে আমগো কিছু যায়-আসে না।’ আরেকজন বলে ওঠে, ‘শাকিল বেশি বাইড়া গ্যাছিল। ওরে ফালাই (হত্যা) দিছে আমগো পোলাপাইন।’ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বাসা থেকে ডেকে নিয়ে বানানী স্টার কাবাবের পাশে রাস্তায় ছুরি মেরে হত্যা করা হয় কিশোর মো. শাকিলকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তারা দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছে।<br><br>কড়াইল বস্তির ওই কিশোরদের সম্পর্কে স্থানীয় লোকজন জানায়, তারা সবাই বস্তিতে থাকে না। আশপাশের ধনী পরিবারেরও সন্তান রয়েছে তাদের মধ্যে। এমন অন্তত চারটি কিশোর গ্যাং গ্রুপ সক্রিয় সেখানে। শাকিলের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, ‘শাকিলের হত্যাকারীরা বস্তির আশপাশের ছিনতাইসহ সব ধরনের অপকর্মে জড়িত। অথচ দেখার যেন কেউ নেই।’<br><br>এর আগে গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর মুগদায় খুন হয় কিশোর মেহেদি হাসান। এ হত্যাকাণ্ডের পর ওই এলাকায় গিয়ে কয়েক কিশোরের সঙ্গে কথা হয়। তাদের একজন বলে, ‘ওরে (মেহেদি) কইছিলাম আমগো এলাকায় না আইতে। আবার বড় ভাইদের সঙ্গে দেহা হলে সালাম দিত না। আমগো ওপর মাস্তানি করায় ওরে খুন করছে আমগো দলনেতা।’ and nbsp; অনুসন্ধানে এ হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে অন্তত ১৫ কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক কিশোর জানায়, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় বন্ধুদের সঙ্গে পাড়ার গলিতে নিয়মিত তারা অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডা দেয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য মতে, রাজধানীতে প্রতি মাসে গড়ে ২০টি হত্যার ঘটনা ঘটছে।<br><br>এর বেশির ভাগ ঘটনায় কিশোর অপরাধীরা জড়িত বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। আবার ২০১৮ সাল থেকে গত জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীতে হওয়া ৩৬৩টি ছিনতাইয়ের নেপথ্যেও ছিল কিশোর অপরাধীরা। প্রায় একই চিত্র ঢাকার বাইরেও। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভাসমান ছিনতাইকারীদের বড় অংশই কিশোর। তারা ডাকাতি, মাদক, চাঁদাবাজি, ইভ টিজিং, শ্লীলতাহানিতেও জড়িত।<br><br>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শুধু ঢাকাতেই নয়, সারা দেশেই কিশোর গ্যাং কালচার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে সজীব এবং বগুড়া, নারায়ণগঞ্জে আরো দুই কিশোরসহ অন্তত ৪০টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাংয়ের বড় উদাহরণ হয়ে আছে বরগুনার নয়ন বন্ড। এ অবস্থায় পারিবারিক অনুশাসন, সংস্কৃতিচর্চা, খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এখনই এ ব্যাপারে গুরুত্ব না দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।<br><br>ঢাকার শিশু আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ১৫ বছরে রাজধানীতে কিশোর-তরুণদের সিনিয়র ও জুনিয়র দ্বন্দ্বে ৮৬টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। আর পুলিশের তথ্য মতে, গত ১৭ বছরে ঢাকায় কিশোর অপরাধীদের হাতে ১২০ জন খুন হয়েছে। রাজধানীতে ৩৩টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় বলে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এলাকাভিত্তিক খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ সংখ্যা শতাধিক। এক এলাকায় একাধিক গ্যাং রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও উত্তরায় সবচেয়ে বেশি গ্যাং সক্রিয়। গ্যাং সদস্যদের মধ্যে অনেক নামি-দামি স্কুলের শিক্ষার্থী, ধনী ও শিক্ষিত পরিবারের সন্তান রয়েছে। কলাবাগানে ইংরেজি মাধ্যম পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেদের নাম এসেছে।<br><br>ডিএমপি সদর দপ্তর বলছে, কিশোর অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নতুন বছরের শুরুতে নতুন পরিকল্পনায় থানার পুলিশকে পাড়া-মহল্লায় খোঁজ নিয়ে তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তালিকা ধরে র‌্যাব-পুলিশের অভিযান জোরালো করা হবে।<br>র‌্যাবের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে কিশোর গ্যাংয়ের নিয়ন্ত্রক বা পৃষ্ঠপোষকের ভূমিকায় কিছু বড় ভাইও রয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত র‌্যাবের হাতে ২৮২ জন কিশোর অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে। হাতিরঝিলে বেড়াতে যাওয়া সাধারণ মানুষকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় গত ২৭ জানুয়ারি থেকে হাতিরঝিল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০২ কিশোরকে আটক করা হয়।<br><br>জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা আবারও লক্ষ করা যাচ্ছে। তাদের প্রতিরোধ করতে আমরাও তৎপর রয়েছি। গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’ সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কিশোর গ্যাং বা কিশোর অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে পুলিশ সদর দপ্তর। এই ব্যাপারে নিয়মিত খোঁজ রাখছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও।<br><br>২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাজধানীর উত্তরায় ডিসকো বয়েজ ও নাইট স্টার গ্রুপের অন্তর্দ্বন্দ্বে ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসে কিশোর গ্যাং। তবে পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধ রেকর্ডে পাওয়া গেছে, ২০১২ সাল থেকে দেশে কিশোর অপরাধীদের তৎপরতা শুরু হয়। ওই বছর ৪৮৪ মামলায় আসামি ছিল ৭৫১ জন শিশু-কিশোর। আবার ২০১৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা দেশেই কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, কিশোরদের বিপথগামী হতে দেওয়া যাবে না। কিশোর গ্যাং নামে কোনো দৌরাত্ম্য চলতে পারে না। এ কিশোর গ্যাংকে মোকাবেলা করতে সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবের প্রতিটি টিম তৎপর রয়েছে বলে জানান র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।<br><br>কিশোর অপরাধ বাড়ার কারণ জানতে চাইলে অপরাধ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান বলেন, আগের যে অনুশাসনগুলো ছিল এগুলো সমাজে কাজ করছে না। যেমন—সমাজের ভেতর পরিবার, প্রতিবেশী, এলাকাভিত্তিক সংস্কৃতিচর্চা, বন্ডিং এগুলো নষ্ট হয়ে ছন্দঃপতন ঘটছে। এর মধ্যে আকাশ সংস্কৃতির মূল্যবোধ ঢুকে পর্নোগ্রাফি, ড্রাগ—সব কিছু মিলিয়ে পুঁজিবাদী সমাজের প্রাথমিক অবস্থানে আমরা আছি। এ ছাড়া কালচারাল কার্যক্রম, খেলাধুলা একদমই নেই। এসব কারণে কিশোর-তরুণরা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তাই শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ার পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে সচেতন হতে হবে।<br>"সূত্র কালের কণ্ঠ"<br><br></body></HTML> 2021-03-06 08:47:31 1970-01-01 00:00:00 আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষের সদস্য হলো বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104575 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998513_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998513_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষ-আইএসএর পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের গত ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চারবছর মেয়াদে এই পরিষদ কাজ করবে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে শুক্রবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টোনে আইএসএ সদরদপ্তর অবস্থিত। জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের আওতায় বিশ্বের সব মানুষের কল্যাণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ এলাকায় খনিজ সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম, সংগঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা এ প্রতিষ্ঠানটির পরিষদের সদস্য দেশ ৩৭টি।<br><br>বাংলাদেশে ভূমি-ভিত্তিক সম্পদের স্বল্পতা থাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ ব্যবহারের সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বিশাল সমুদ্রসীমার সবটুকু সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করতে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ।<br>তবে জাতীয় সমুদ্রসীমার বাইরে বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সমুদ্র তলদেশ কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সমুদ্র সম্পদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারে পূর্ণ প্রবেশ করার প্রয়োজনে এ পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ এখন আইএসএ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় পরিষদে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি নিজস্ব স্বার্থ সংরক্ষণেও সুযোগ পাবে আশা করা হচ্ছে।</body></HTML> 2021-03-06 08:41:08 1970-01-01 00:00:00 ক্যাম্প থেকে নিখোঁজ রোহিঙ্গা শিশুর হাতকাটা লাশ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104574 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998422_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998422_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে নিখোঁজ শাহিনুর (৮) নামে এক শিশুর হাতকাটা লাশ উদ্ধার করেছে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।<br>শুক্রবার বিকালে নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। গত ২ মার্চ থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ১৬ এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্প বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ ও ক্যাম্পে দায়িত্বরত এপিবিএন পুলিশের পৃথক দল সি-ব্লকের পার্শ্ববর্তী পশ্চিমের পাহাড় হতে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। এ সময় শিশুটির মুখমণ্ডল বিকৃত ও একটি হাত বিচ্ছিন্ন ছিল। এ ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।<br><br>নিহত শিশু নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের বি-ব্লকের (শেড নং-১০৫২/৪ এবং এমআরসি নং-০৩৩৭৩ এর) বাসিন্দা মো. জাবেরের মেয়ে। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।<br>ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা মৌলভী সানাউল্লাহ জানান, দিন দুপুরে মেয়েটি নিঁখোজ হয়ে গেল, তিনদিন পর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় লাশ পাওয়া গেল। ছোট শিশুটির সঙ্গে কেন এমন বর্বরতা তা ধারণা করতে পারছেন না কেউ। তবে হত্যার আগে মেয়েটিকে যৌন নির্যাতন করা হয়ে থাকতে পারে ধারণা করছেন অনেকে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে হয়তো তা জানা যাবে, বলেন তিনি। মেয়েটির পরিধেয় স্বর্ণের গহনাও হত্যাকারীরা নেয়নি বলে জানান তিনি। <br></body></HTML> 2021-03-06 08:39:36 1970-01-01 00:00:00 মশা নিধন কৌশলে ভুল হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104573 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998187_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614998187_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মশা নিধন কৌশলে কিছুটা ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।<br>শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকেলে নগরীর ডেমরায় ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের করিম জুট মিলস মাঠে আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২১ এর তৃতীয় পর্বের ফুটবল খেলা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আমাদেরকে বিশেষজ্ঞ মহল যে পরামর্শ দিয়েছিলেন সেটা হলো, তারা মনে করেছেন- যেহেতু ডেঙ্গুর প্রকোপটা ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে, সেহেতু ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদেরকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা তাই করেছি। সে জায়গাতেই আমার মনে হয়েছে যে কৌশলে আমাদের একটু ভুল আছে। আমাদের নভেম্বর থেকেই কিউলেক্স মশার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া আরম্ভ করা উচিত ছিল। কারণ, নভেম্বরে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে পানির গভীরতা কমতে শুরু করায় পানি কলুষিত হয়ে গেছে এবং ময়লা আবর্জনার কারণে কিউলেক্স মশার জন্য তা প্রজনন উপযোগী স্থান হয়ে গেছে।’<br><br>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে উদ্যোগগুলো নিয়েছি, যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছি তাতে এরই মাঝে মশার উপদ্রব আগের চাইতে কমতে শুরু করেছে। এ বছর এপ্রিল থেকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এবং নভেম্বর থেকে কিউলেক্স মশার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে।’</body></HTML> 2021-03-06 08:35:37 1970-01-01 00:00:00 মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলা: ৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104572 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614997980_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614997980_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা নাইমুল হাসানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. জাফর হোসেন বিষয়টি জানান।<br><br>অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন- ছাত্রলীগ নেতা নাইমুল হাসান, ফিরোজ মাহমুদ, মীর আমজাদ হোসেন, শহিদুল আলম খান, তানহা ওরফে মুজাহিদ, সাজু ইসলাম, রাজীবুল ইসলাম, মো. সিয়াম ও অলি আহমেদ। অভিযোগপত্রের তথ্য বলছে, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র হওয়ার সন্দেহের জেরে ওইদিন স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা নাইমুল হাসানের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের গাড়ি ধাওয়া করলে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের বাসায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, বাড়ির জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। বদিউল আলম মজুমদার, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।</body></HTML> 2021-03-06 08:32:13 1970-01-01 00:00:00 মুন্সীগঞ্জে পিস্তলসহ যুবলীগ নেতা এলান গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104571 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614948130_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614948130_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মুন্সীগঞ্জে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা চালিয়ে শহর যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম এলানকে (৫২) আগ্নেআস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। শহরের মধ্য কোটগাঁও এলাকার মৃত হাজী মো. ফজলুর রহমানের ছেলে তিনি। শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুরের পর এ তথ‌্য নিশ্চিত করেন মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক।<br><br>তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শহরের কোটগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ও দুই রাউন্ড গুলিসহ এলানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তিনি আরও জানান, এলানের বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র, হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জের সদর থানায় শুক্রবার (৫মার্চ) দুপুরে আরও একটি মামলা করা হয়েছে। <br> </body></HTML> 2021-03-05 18:41:30 2021-03-05 18:46:25 মিয়ানমারে সেনাদের প্রাণরস নিঃশেষ করতে সড়কে লুঙ্গি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104570 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947694_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947694_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>মিয়ানমারে অভ্যুত্থান বিরোধী আন্দোলনকারীরা সড়কে সেনাদের টহল বা যাতায়াত ঠেকাতে নতুন পন্থা বেছে নিয়েছে। সড়কজুড়ে বাঁশ ও রশি টানিয়ে তাতে নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি ঝুলিয়ে দিয়েছেন তারা। গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। গৃহবন্দি করা হয় ক্ষমতাসীন দলের নেতা অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে। and nbsp; এর এক সপ্তাহ পরই দেশটিতে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ হয়। প্রথম দিকে সেনাবাহিনী সহিংস আচরণ না করলেও গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিপীড়ন চালানো শুরু হয়। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাস, স্টান গ্রেনেড, রাবার বুলেট এমনকি তাজা গুলি ছুড়ছে। রাজপথে সেনাদের ঠেকাতে প্রতিদিনই নতুন নতুন কৌশল বের করছে আন্দোলনকারীরা।<br><br>সম্প্রতি মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি সড়কে নারীদের অন্তর্বাস ও লুঙ্গি ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে। দেশটির প্রাচীন বিশ্বাস, নারীদের এসব পোশাকের নিচ দিয়ে গেলে পুরুষদের প্রাণরস নিঃশেষ হয়ে যায়। স্থানীয়ভাবে পুরুষদের এই ক্ষমতাকে ‘হপনি’ বলা হয়।<br><br>বার্তা সংস্থা এএফপিকে অধিকারকর্মী থিনজার শুনলি ওয়াই বলেন, ‘নারীদের লুঙ্গির নিচ দিয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে, তাদের হপনি নিঃশেষ হয়ে যাবে।’<br>তিনি জানান, কিছু সেনা নারীদের লুঙ্গি স্পর্শ করতেও নারাজ। কারণ তাদের আশঙ্কা এর ফলে হয়তো তাদের সম্মুখ সারিতে থাকার সুযোগ নষ্ট হয়ে যাবে। থিনজার বলেন, ‘এলাকাগুলোতে যখন রশির ওপর লুঙ্গি টানিয়ে রাখা হয়, তখন তারা ( পুলিশ ও সেনা সদস্য) রাস্তায় যেতে পারে না, তারা এর নিচ দিয়ে যেতে পারে না। তাই তাদেরকে এগুলো নামাতে হয়।’ ইয়াঙ্গুনের সান চাউং শহরতলির সড়কে লুঙ্গি ঝুলিয়ে রাখার কয়েকটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে সেনারা ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে লুঙ্গি সরাচ্ছে। কিছু কিছু লুঙ্গিতে জান্তা প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের চেহারা আঁকা হয়েছে। নারীদের লুঙ্গিতে পুরুষের ছবি আঁকা হলে তার প্রাণরস নিঃশেষ হয়ে যাবে বলে প্রচলিত কুসংস্কার থেকেই এই কাজটি করা হয়েছে।</body></HTML> 2021-03-05 18:34:21 1970-01-01 00:00:00 আইনমন্ত্রীর সামনেই দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104569 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947404_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947404_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হকের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় ৪টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আজ শুক্রবার (৫ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।<br><br>জানা গেছে, আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের আগমন উপলক্ষ্যে বেলা ১১টার দিকে কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম. এ. আজিজের সমর্থকরা উপজেলা পরিষদের সামনে মিছিল নিয়ে আসেন। জুয়েল ও আজিজ আসন্ন কসবা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এক পর্যায়ে জুয়েল ও আজিজ সমর্থকরা কথা কাটাকাটি, হাতাহাতি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর সংঘর্ষ থেমে যায়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইনমন্ত্রী তার পূর্ব নির্ধারিত স্মার্ট কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উপজেলা পরিষদের হলরুমে আসেন। অনুষ্ঠান চলাকালে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন জুয়েল-আজিজ সমর্থকরা। এসময় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। এসময় উপজেলা মার্কেট, পুরাতন বাজারের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পরে মন্ত্রী দ্রুত অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে তার বাড়ি কসবার পানিয়ারুপ গ্রামে চলে যান। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।<br><br>এদিকে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে ও ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।<br>কসবা থানার ওসি মো. আলমগীর ভূঁইয়া জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।</body></HTML> 2021-03-05 18:29:37 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গা নারীসহ আটক ২ জন রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104568 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947301_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947301_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভুয়া পরিচয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত রোহিঙ্গা নারী নুর তাজ (১৮) ও তার সহযোগী সুমনকে (৩২) এক দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামিদের বিরূদ্ধে ৩ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। পরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলম এর আদালত এ আদেশ দেন। সুমন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানাধীন বাসুদিপাড়ার বাসিন্দা। এর আগে, ২ মার্চ বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় একটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, একটি ভুয়া জন্ম নিবন্ধন, একটি পাসপোর্টের আবেদন ফরম ও একটি মোবাইল জব্দ করা হয়।<br><br>বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের এএসআই মো. শাহীন বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত সুমনকে দুই দিন ও নুর তাজকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, নুর তাজ টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার পালিত মা আমেনার কাছে থাকে। সুমনের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে আবেদন করে। তার কোনও বাবা-মা নেই।<br><br>নুর তাজের কাছ থেকে জব্দকৃত আলামত পর্যালোচনা করে ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, তার বাবার নাম সাদিক যিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। নুর তাজ তার মা শারমিন এবং দুই ভাই আনোয়ার হোসেন ও পরেশ সাদিকের সাথে ঢাকার মুগদা এলাকায় ৪ বছর যাবত একটি ভাড়া বাসায় থাকে। তারও আগে বেশ কয়েকবার তারা নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় বাস করতো। সে রোহিঙ্গা হয়েও বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তার মায়ের নামে জাতীয় পরিচয়পত্র, তার ভাই আনোয়ার হোসেনের নামে পাসপোর্ট তৈরি এবং গ্রেপ্তারকৃত নুর তাজ ২০২০ সালে জন্ম সনদপত্র তৈরি করে তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে পাসপোর্ট পেতে চেয়েছিল। আসামি মো. সুমন ঢাকার মতিঝিল এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরির আড়ালে পাসপোর্টের দালালি করে। <br></body></HTML> 2021-03-05 18:27:36 1970-01-01 00:00:00 ভালোবাসা-যৌনতার ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় : ২ কলেজছাত্রীসহ গ্রেফতার ১১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104567 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947102_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614947102_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রথমে প্রেম-ভালোবাসা, তারপর উদ্দাম যৌনতা। পরে আটকে রেখে ভিডিও করে ইন্টারনেটে প্রচার ও মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ছয় নারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। এরমধ্যে দুজন কলেজছাত্রী ও একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের স্ত্রীও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত নগরীর নুরপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় ১৩টি মোবাইল, তিনটি এটিএম কার্ড এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।<br><br>শুক্রবার দুপুরে রংপুর কোতোয়ালি থানায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ।<br>তিনি বলেন, ‘নগরীতে বাইরে থেকে আসা বিভিন্ন সরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনকে গ্রেফতারকৃত করপোরেট সেক্স প্রতারক সিন্ডিকেটের নারী সদস্যরা প্রথমে সোস্যাল মিডিয়া এবং ফোনের মাধ্যমে প্রেম-ভালোবাসার ফাঁদে ফেলতো। পরে তাদের নগরীর নিজস্ব এবং ভাড়া করা বাসায় নিয়ে যৌনতায় মেতে উঠতো। এভাবে কিছুদিন চলার পর ফাঁদে পড়া পুরুষদেরকে চক্রটির পুরুষ সদস্যরা মিলে জিম্মি করে ভিডিও করতো। পরে সেই ভিডিও ভাইরাল করা এবং মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হতো।’<br><br>ওসি জানান, ‘এই ভালোবাসার ফাঁদে পড়া নীলফামারীর জলঢাকার এক ব্যবসায়ীর মামলার ভিত্তিতে আমরা মূলহোতা নগরীর ধাপের গাইবান্ধা বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছনের ভাড়া বাসা থেকে বীনা রানী ওরফে মুক্তা ওরফে সুমিকে গ্রেফতার করি। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বীনা রানী চক্র আড়াই লাখ এবং তার বন্ধুর কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। বীনা নগরীর নুরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় চারটি বাসা ভাড়া নিয়ে ছাত্রীসহ বিভিন্ন পেশা ও বয়সী নারীদের দিয়ে এই করপোরেট সেক্স ও প্রতারণার বাণিজ্য করতেন। তার নামে মানব পাচারের অভিযোগে দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের একটি বড় অংশের সন্ধান মেলে।’<br><br>তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার ভোর রাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রেম-যৌনতার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়া করপোরেট সেক্স সিন্ডিকেটের হোতা সোহাগী ওরফে রাজিয়া (৩২), কলেজছাত্রী জোনাকী ওরফে তিশা (২১) ও জান্নাতুল ফেরদৌস ওরফে জান্নাতি (২০), শাহনাজ (৩৫), লীজা মনি (২২), জাহাঙ্গীর আলম কচি (৩৪), আহসান হাবিব (২৫), বিষ্ণু রায় আকাশ (১৯), সেকেন্দার রাজা (৩৫), শ্যামল ওরফে নুর ইসলামকে (৫৫) গ্রেফতার করি।’<br><br>ওসি আরো বলেন, ‘গ্রেফতারদের মধ্যে একজন পুলিশের স্ত্রীও রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার ফাঁদে ব্যবহার করা ১৩টি মোবাইল, জিম্মি করে হাতিয়ে নেয়া তিনটি ব্যাংক এটিএম কার্ড এবং নগদ ২২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।’<br>অভিযানে অংশ নেয়া কোতয়ালী থানার এসআই মজনু জানান, ‘এই সংঘবদ্ধ চক্রটি এরই মধ্যে নগরীর ঘোড়াপীর মাজার এলাকায় গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদে কর্মরত এক কর্মকর্তাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফাঁসিয়ে জোরপূর্বক এটিএম কার্ড ও পিন নিয়ে ডাচ বাংলা ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং তার পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা এবং নগদ ৫ হাজার টাকাও হাতিয়ে নেয়। এ ধরণের আরো অনেকেই প্রতারিত হয়েছেন সিন্ডিকেটটির কাছে।’<br><br>রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন জানান, ‘রংপুর মহানগরীর বিভিন্ন নিজস্ব এবং ভাড়া বাড়িতে একটি সংঘবদ্ধ নারী-পুরুষ চক্র করপোরেট সেক্সের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ নানা ধরনের অপরাধের সাথে যুক্ত। এসব নারী, পুরুষ, ছাত্রী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত। এ ধরণের কিছু নিজস্ব এবং ভাড়াবাসা চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি বাড়ানো হযেছে।’<br>এদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।<br><br></body></HTML> 2021-03-05 18:23:58 1970-01-01 00:00:00 বিয়ের পর জানলেন জামাই চোর, থানায় নববধূ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104566 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614946921_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614946921_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অচেতন করে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। গত ৩ মার্চ রাতে চাঁদপুর হাজীগঞ্জের গন্ধব্যপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত স্বামী খাজে আহম্মেদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে স্ত্রী নাজমা বেগম। জানা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নম্বর সদর ইউনিয়নের সুদিয়া গ্রামের খাজে আহম্মেদ বিয়ে করেন একই উপজেলার গন্ধব্যপুর ইউনিয়নের ফকির মোহাম্মদ বেপারির মেয়ে নাজমা বেগমকে। বিয়ের পর তারা মেয়ে জামাইয়ের চুরি পেশা সম্পর্কে জানতে পারেন।<br><br>অভিযুক্ত খাজে আহম্মেদের শ্যালক শামীম জানান, আমার মা, বোন (অভিযুক্তের স্ত্রী) এবং আমার মেয়ে শামীমা আক্তার ঘুমাচ্ছিল। গভীর রাতে খাজে আহম্মেদ আমাদের ঘরে ঢুকে নেশাজাতীয় দ্রব্য তাদের নাক-মুখে দিয়ে অচেতন করে। এই ফাঁকে ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইলসহ দামি জিনিসপত্র মালামাল লুটে নেন তিনি। স্ত্রী নাজমা জানান, খাজে আহমেদ চুরির দায়ে আগে কয়েক বার জেলে খেটেছেন। বিষয়টি আমরা বিয়ের পরে জানতে পেরেছি। তিনি এখন আমার পরিবারের ওপর হাত দিলো। হাজীগঞ্জ থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে সত্যতা পেলে নিয়মিত মামলা হবে। <br></body></HTML> 2021-03-05 18:21:18 1970-01-01 00:00:00 গোসলের ভিডিওর ভয় দেখিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104565 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944842_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944842_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">খুলনার পাইকগাছায় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে সমীরণ মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।<br>এর আগে বুধবার (৩ মার্চ) পাইকগাছা থানার লতা ইউনিয়ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ শফী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বুধবার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এরপর আসামি সমীরণ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ’<br><br>মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী ডুমুরিয়া থানার হেতালবুনিয়া এলাকায় একটি মুরগির ফার্মে কাজ করেন। তার বাড়িতে গোত্রীয় সম্পর্কের ভাই সমীরণ মণ্ডলের যাতায়াত ছিল। এ সুযোগে ভাবির সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন সমীরণ।<br>সুযোগ বুঝে গত বছরের ৪ মে গোপনে ভাবির গোসলের ভিডিও ধারণ করে সমীরণ। পরে তা দেখিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকার ধর্ষণ করে। পরে ভিডিও ডিলিট করার শর্তে আবারও ধর্ষণ করে এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তার স্বামী। এরপর বুধবার (৩ মার্চ) রাতে পাইকগাছা থানায় নারী নির্যাতন ও দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। ওই মামলায় রাতেই আসামি সমীরণকে গ্রেফতার করে পুলিশ। <br></body></HTML> 2021-03-05 17:46:11 1970-01-01 00:00:00 আশুলিয়ায় শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104564 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944705_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944705_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাভারের আশুলিয়ায় একটি কারখানায় ১০০ শ্রমিককে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ও শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। and nbsp; শুক্রবার (০৫ মার্চ) সকালে আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন মুন রেডিওয়্যার লিমিটেডের ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকরা।<br> and nbsp;বিক্ষোভরত শ্রমিকরা জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো নোটিশ না দিয়ে গত ০৪ ফেব্রুয়ারি ১০০ শ্রমিক ছাঁটাই করে এবং ০৭ ফেব্রুয়ারি শ্রমিকদের নামে চুরির অপরাধ এনে মামলা করে। বিষয়টি নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাদের কাজে নেবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে শুক্রবার আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে নামেন। এ সময় তাদের (শ্রমিক) বিরুদ্ধে হওয়া মামলা না তুলে নিলে ও কারখানায় পুনরায় কাজে ফিরতে না দিলে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। and nbsp;<br><br>কারখানটির সিনিয়র অপারেটর আমিনুল ইসলাম বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ আমাদের বিরুদ্ধে চুরির ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলার প্রধান আসামি আমি। অথচ এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এছাড়া কোনো কারণ ছাড়াই একসঙ্গে ১০০ শ্রমিককে তারা ছাঁটাই করেছে। এটা আমাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। and nbsp; শ্রমিক নেতা ইব্রাহিম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে ও কারখানা থেকে ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে হবে। তা না হলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান নিতে বাধ্য হবো। and nbsp;<br><br>কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি তুহিন চৌধুরী, বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম (বাচ্চু), বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক কর্মচারী পরিষদের মো. বাকের শেখ, ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কার্সের সভাপতি ইমন শিকদার, স্বাধীন বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপিত আল কামরানসহ কারখানাটির শ্রমিকরা। and nbsp; <br></body></HTML> 2021-03-05 17:44:19 1970-01-01 00:00:00 সাংবাদিকতার বেশে জঙ্গি তৎপরতা চালাতো সে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104563 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944266_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944266_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি) অপারেশন শাখার প্রধানসহ ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। আজ শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম। তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. মাইনুল ইসলাম ওরফে মাহিন ওরফে মিঠু ওরফে হাসান, শেখ সোহান সা’আদ ওরফে বার’আ আব্দুল্লাহ ও মুরাদ হোসেন কবির। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১টি প্রাইভেটকার, ৫টি মোবাইল ফোন, ১টি মাইক্রোফোন, ১টি চাপাতি, ২টি ছোড়া, ১০টি ডেটোনেটর, ১৭০টি বিয়ারিং লোহার বল, ১টি স্কচটেপ, ৫ লিটার এসিড, ৩টি আইডি কার্ড ও ১টি জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়।<br><br>গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামীর সক্রিয় সদস্য। তারা মাইনুল ইসলামের নেতৃত্বে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী পুনর্গঠন, পূর্ণাঙ্গ শুরা কমিটি প্রস্তুতকরণ, সংগঠনের অর্থদাতা এবং সদস্যদের কাছ থেকে অর্থের জোগান নিশ্চিতকরণ, ব্যাপক হারে সংগঠনের রিক্রুটমেন্টকরণ, অস্ত্র সংগ্রহ, বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ, কারাগারে আটক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের জামিনের ব্যবস্থাকরণ, বান্দরবান-নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় জমি লিজ নিয়ে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। দেশের ৬৪ জেলায় তাদের সংগঠনের বিস্তার ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন পরিচয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। তারা কারাগারে আটক ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডাক্তার জাফর ও ২০০০ সালের কোটালিপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেহেদী হাসান ওরফে আব্দুল ওয়াদুদ ওরফে গাজী খানের নির্দেশে সাংগঠনিক কাজ করছিলেন।<br><br>এডিসি ইফতেখায়রুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেপ্তার মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ সংগঠন হুজির প্রধান অপারেশন সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। সাংবাদিকতার বেশ ধারণ করে সংগঠনের দাওয়াতি কাজ, অর্থ সংগ্রহ, বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ করে আসছিলেন তিনি। তার পরিকল্পনা ছিল, ঢাকা শহরে বড় ধরনের নাশকতা করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা। ২০১৫ সালে হুজি’র শীর্ষ নেতা কারাবন্দি মুফতি মঈনউদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।<br><br>অপর গ্রেপ্তার সোহান সা’আদ সুনামগঞ্জের বিবিয়ানা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকায় মিরপুর বাংলা কলেজে পড়ার পাশাপাশি একটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন তিনি। ২০১৬ সালে একুশে বইমেলায় নাশকতার ঘটনায় গ্রেপ্তার হন সা’আদ। এছাড়া তিনি ২০১৭ সালে বিস্ফোরক মামলায় এবং ২০১৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার হন। জামিনে বের হয়ে মাইনুলের নেতৃত্বে হুজির সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করতেন তিনি। গ্রেপ্তার মুরাদ হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামীর সক্রিয় সদস্য। ব্যবসার আড়ালে হুজি সংগঠনের দাওয়াতি ও বায়তুল মালের দেখভালের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। তাদের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। <br></body></HTML> 2021-03-05 17:37:16 1970-01-01 00:00:00 ১ লাখ ৮০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার খসড়া তালিকা প্রকাশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104562 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944155_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944155_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সারা দেশে ১ লাখ ৮০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। খসড়া তালিকায় কারও নাম নিয়ে আপত্তি থাকলে তা যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে মন্ত্রণালয়টি। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবারের তালিকায় যেন ভুল না হয়, সেজন্য আগেভাগেই যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অনলাইনে মুক্তিযোদ্ধার খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তা বা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত ৩৩ ধরনের প্রমাণে অন্তর্ভুক্ত থাকলে তিনি এই যাচাই-বাছাইয়ের আওতার বাইরে থাকবেন। তবে নতুন করে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তারাই মূলত যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে থাকবেন।<br><br>এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এর আগে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের খসড়া তালিকা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং চূড়ান্ত তালিকা ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশ করা হবে। অনলাইনে ১ লাখ ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্তি শেষে উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। এবার শহীদ, যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত, বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাসহ আরও ১৫ হাজারের মতো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।<br>বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশের অংশ হিসেবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) অনুমোদন ছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশিত বেসামরিক গেজেট যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।</body></HTML> 2021-03-05 17:35:29 1970-01-01 00:00:00 মিয়ানমারে সহিংস বিক্ষোভ দমনে কূটনৈতিক বিদ্রোহ বেড়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104561 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944041_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614944041_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>জাতিসংঘে মিয়ানমারের নেতৃত্ব নিয়ে সামরিক জান্তা পরাজিত হয়েছে। গত এক মাসে সহিংস বিক্ষোভ দমনের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং জাতিসংঘ মিয়ানমারের সেনা সরকারের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের হয়ে মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্ব কে করবে সেটা নিয়ে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ায় জান্তা সরকার শনিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুনকে বরখাস্ত করে। তবে জাতিসংঘ বলছে কিয়াও মো তুন তার পদে বহাল রয়েছেন।<br><br>এর আগে জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও মোয়ে তুন এক বক্ততৃায় অভ্যুত্থানকারীদের থামাতে জাতিসংঘকে ‘ব্যবস্থা নিতে’ অনুরোধ জানান। এক আবেগময় বক্তৃতায় কিয়াও বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করা উচিত নয়। এদিকে, মিয়ানমারের ওয়াশিংটন দূতাবাস জান্তা সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করছে কিনা সেটা স্পষ্ট নয়। এর আগে এই দূতাবাস থেকে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেয়া হয়। ওই বিবৃতিতে সেনা কর্তৃপক্ষকে তারা সর্বোচ্চ বিরত থাকার আহ্বান জানান। ওয়াশিংটনের মিয়ানমারের দূতাবাসের অন্তত একজন কূটননৈতিক পদত্যাগ করেছে এবং তিনজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জানিয়েছেন; তারা নাগরিক আন্দোলনে অংশ নিবেন।<br><br>মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীরা বিদেশে কূটনৈতিকদের তাদের প্রতি সমর্থনকে উৎসাহ হিসেবে নিচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে ইউ জে ইয়ান নামে একজন বিক্ষোভকারী বলেন, যারা রাস্তায় বিক্ষোভ করছে বিদেশে কূটনৈতিকদের আন্দোলনে সমর্থন তাদেরকে উৎসাহ দিচ্ছে। অন্যদিকে, মিয়ানমারে জাতিসংঘের তদন্ত কর্মকর্তা থমাস অ্যান্ডু শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। এই সভায় বিশ্বব্যাপী মিয়ানামরের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এর আগে এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের এই তদন্ত কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সামরিক সরকারের অধীনে থাকা মিয়ানমারের তেল, গ্যাস এন্টারপাইজের প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান।<br><br>এদিকে, বিদেশি কূটনৈতিক নিয়ে বিশ্বস্তার লড়াইয়ের মধ্যে শুক্রবার মিয়ানমারে সাধারণ জনতা সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে।<br>রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালাইয়ে বিরাট সংখ্যক জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে। মিছিলে তারা ‘পাথরের যুগ শেষ হয়েছে, তোমাদের হুমকিতে আমরা আর ভয় পাই না’ স্লোগান দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের থামায়নি।<br>তবে মিয়ানমারের প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনে পুলিশ সাদা পোশাকে শতাধিক ডাক্তারদের বিক্ষোভ ছত্রভঙ্গ করতে রাবার বুলেট, স্টান গ্রেনেড ছোড়ে। এছাড়া ইয়াঙ্গুনের পাথেইন শহরেও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।<br><br>এর আগে বৃহস্পতিবার পুলিশ র‌্যালি বন্ধ করতে কয়েকটি শহরে টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছোড়ে। কিন্তু তার আগের দিন বুধবার বিক্ষোভকারীদের জন্য একটি রক্তক্ষয়ী দিন ছিল। জাতিসংঘের তথ্যানুসারে এদিন পুলিশের গুলিতে ৩৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন এই ঘটনাকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘জঘন্য হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে ২৯ জন সংবাদিকসহ মোট ১৭শ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য নেয়ার জন্য সেনা কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা সাড়া দেননি।</body></HTML> 2021-03-05 17:33:26 1970-01-01 00:00:00 ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন শিগগিরই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104560 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614943882_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614943882_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিছু দিনের মধ্যেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।<br>শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।<br>আইন মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধন আনার কথা ভাবছে সরকার। এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।<br>পরে মন্ত্রী স্টেশনের বাইরে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আপনাদের সাহসে পদ্মা সেতু নিজেদের টাকায় করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে গেছে। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। সবই জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। আপনারা সবাই যদি শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত পাল্টে যাবে।<br>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) মো. আবু সাঈদ, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, ইউএনও মোহাম্মদ নূর-এ আলম প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। <br></body></HTML> 2021-03-05 17:30:44 1970-01-01 00:00:00 আরজু আর নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104559 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614917528_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614917528_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>আলোচিত আওয়ামীলীগ নেতা এম আজহারুল হক আরজু আর নেই। আজ ভোর ৫ টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন।রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি ছিলেন ফেনী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, জেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক ও ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।<br><br>বিকাল ৫টায় সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বটুয়া দিঘীর পাড় ঈদ গা ময়দানে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জয়নাল হাজারী । তিনি বলেন আরজুকে যারা তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে , আল্লাহ তুমি তাদের বিচার করো,গজব দাও।<br><br> </body></HTML> 2021-03-05 10:10:25 2021-03-05 12:02:39 দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104558 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911870_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911870_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশকে বড় অর্জন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে । দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনামের উন্নয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের মিল আছে উল্লেখ করে সংবাদমাধ্যমটিতে প্রকাশিত বাংলাদেশ ইজ বিকামিং সাউথ এশিয়াস ইকোনমিক বুল কেস‘ শীর্ষক এক নিবন্ধে বলেছে, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনামে সফল যেসব উন্নয়ন মডেলের মাধ্যমে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে, সেদিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের নাম উল্লেখযোগ্য। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ক্ষেত্রে রপ্তানিমুখী উন্নয়ন বর্তমানে সবচেয়ে কার্যকর। আর বাংলাদেশে এই কাজটি হয়েছে খুব ভালোভাবে।<br><br>এর আগে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ একটি অর্থনৈতিক ল্যান্ডমার্ক অর্জন করে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য সুপারিশ করেছে। স্বাধীনতার পর প্রায় ৫০ বছর বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলোর এই উপ-বিভাগে (সাব-গ্রুপ) ছিল। রিপোর্টে বলা হয়, গত দশকে যখন ভারত পাকিস্তানের রপ্তানি প্রান্তিকভাবে হ্রাস পেয়েছে সেখানে গার্মেন্টস শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ডলারে ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।<br><br>নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের জন্য এখন পরবর্তী ধাপে ভিয়েতনামের মতো উচ্চমূল্যে রপ্তানিপণ্য উৎপাদন হবে। বাংলাদেশের রপ্তানি আয় এখন অতিমাত্রায় তৈরি পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎপাদন সক্ষমতার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩টি দেশের মধ্যে ১০৮তম। অথচ ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান এর চেয়ে ভালো ছিল।<br><br>ওই নিবন্ধে বাংলাদেশের জন্য এশিয়া অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্য জোটগুলোর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান, রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ কিংবা কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রোগ্রেসিভ ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপের সদস্য নয়। তাই বাংলাদেশকে আন্তঃএশিয়া সরবরাহ ব্যবস্থায় আরও বেশি যুক্ত হতে হবে। পূর্বাঞ্চলের প্রতিবেশীদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। আর এর জন্য বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাতে আরও বৈচিত্র্য আনার প্রয়োজন পড়বে।<br><br>নিবন্ধে বলা হয়েছে, এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ দেশটির উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই ধরে নেওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়ায় যারা উন্নয়নে ভিন্ন পথ অবলম্বন করছে, তাদের জন্য এটা সতর্কবার্তা।</body></HTML> 2021-03-05 08:37:23 1970-01-01 00:00:00 হাইকোর্টের নথি জালিয়াতি করে জামিন মামলায় ৩০ জন কারাগারে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104557 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911685_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911685_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বগুড়ায় হাইকোর্টের নথি জালিয়াতি করে ‘ভুয়া আগাম জামিন’ আদেশ তৈরির মামলায় যুবলীগের এক নেতাসহ ৩০ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বেগম আসমা মাহমুদ এ আদেশ দেন। এর আগে এই মামলার ১৬ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন।<br><br>আসামিদের মধ্যে আছেন বগুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর ও সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম। অন্যরা হলেন আমিনুলের সমর্থক আবদুল আলিম, আনোয়ার মণ্ডল, মোহাম্মদ বাদল, সেলিম, কিবরিয়া, রাশেদুল, সাদ্দাম, মাহমুদ, রতন, সেলিম রেজা, রুহুল আমিন, জাহিদুর রহমান, নুর আলম মণ্ডল, বিপুল ও সুমন প্রামাণিক। and nbsp; এর আগে গত বুধবার একই আদালতে ১৪ আসামি আত্মসমর্পণ করলে তাঁদেরও কারাগারে পাঠানো হয়। আসামিরা হলেন লিটন প্রামাণিক, মোহাম্মদ মানিক, মোহাম্মদ জাকির, মোহাম্মদ তানভির, মোহাম্মদ আবদুল গনি, রাসেল মণ্ডল, আসাদুজ্জামান মনা, খোকন, শিপন, আল আমিন, দীপ্ত, মিরাজ, হেলাল ও রাব্বী। তাঁরাও আমিনুলের সমর্থক ও পরিবহন পেশার সঙ্গে জড়িত।<br><br>আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল মান্নাফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি বগুড়া মোটরমালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মারপিট ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা এক মামলায় হাইকোর্টের নথি জালিয়াতি করে ‘ভুয়া আগাম জামিন’ আদেশ তৈরির অভিযোগ ওঠে তাঁদের বিরুদ্ধে।<br><br>পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া মোটর মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে পুলিশের একজন সদস্য ছুরিকাহত হন। এ ঘটনায় সদর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলাসহ চারটি মামলা হয়। পুলিশের একটিসহ তিন মামলায় আসামি করা হয় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মোটর মালিক গ্রুপের সাবেক আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম ওরফে মোহনকে। তিনি বর্তমানে দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছেন। <br><br>অন্যদিকে মঞ্জুরুল আলমের ছোট ভাই মশিউল আলম বাদী হয়ে করা আরেকটি মামলার আসামি পৌর কাউন্সিলর ও মোটর মালিক গ্রুপের সর্বশেষ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। তিনি বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি। আমিনুলসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে করা এই মামলায় মঞ্জুরুল আলমের মালিকানাধীন একটি পেট্রলপাম্পে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় জালিয়াতির মাধ্যমে আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামির ‘ভুয়া আগাম জামিন’–এর হাইকোর্টের একটি আদেশের নথি তৈরি করা হয়।<br><br>‘ভুয়া আগাম জামিন’–এর আদেশের বিষয়টি নজরে এলে হাইকোর্টের বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি স্বতঃপ্রণোদিত রুলসহ ৩০ আসামিকে এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন। ভুয়া আদেশ তৈরি করায় তাঁদের বিরুদ্ধে (৩০ জন) কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। ভুয়া আগাম জামিনের নথিতে কোন তারিখের মামলা, তা উল্লেখ নেই। হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩০ আসামি ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন বলে ভুয়া আদেশে উল্লেখ করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ৩০ জনের জামিন সঠিক কি না, তা যাচাইয়ের জন্য ওই আদেশটি আদালতের নজরে আনলে জালিয়াতির বিষয়টি ফাঁস হয়। <br><br>তথ্য যাচাইয়ের সময় ধরা পড়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি এ ধরনের কোনো আদেশ দেননি ওই বেঞ্চ। এই বেঞ্চে আগাম জামিন আবেদনের শুনানিও হয়নি। ভুয়া আগাম জামিন আদেশে রাষ্ট্রপক্ষে তিনজন আইন কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়। যাঁদের দুজন ২০১৯ সালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ত্যাগ করেন। আরেকজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল। যাচাইয়ের পর আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ৩০ আসামিকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেন।</body></HTML> 2021-03-05 08:34:00 1970-01-01 00:00:00 চীন ও দ.আফ্রিকা থেকে করোনার হাজার হাজার ডোজ নকল টিকা উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104556 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911124_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911124_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রায় পাঁচ হাজার ৪০০ ডোজ নকল করোনাভ্যাকসিন জব্দ করা হয়েছে। ইন্টারপোলের বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপি ও সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে করোনার নকল এসব ভ্যাকসিন জব্দ করার কথা জানিয়েছে ইন্টারপোল। গতকাল বুধবার ইন্টারপোলের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের বাইরে জারিমিস্টনের একটি গুদামঘর থেকে ৪০০ শিশি তথা প্রায় দুই হাজার ৪০০ ডোজ নকল ভ্যাকসিন জব্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে নকল মাস্কও জব্দ করা হয়েছে।<br><br>এ ঘটনায় তিন চীনা ও এক জাম্বিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখানকার সূত্র ধরে চীন থেকেও নকল ভ্যাকসিন বিক্রেতার একটি চক্রকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারপোল। চীনে নকল টিকা উৎপাদনকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৮০ সন্দেহভাজনকে আটক ও তিন হাজার ডোজ নকল টিকা জব্দ করা হয়েছে।</body></HTML> 2021-03-05 08:25:01 1970-01-01 00:00:00 নিউজিল্যান্ডে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104555 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911057_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614911057_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নিউজিল্যান্ড। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, নিউজিল্যান্ডের উত্তর আইল্যান্ডে কম্পনটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবরে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গেছে, সমুদ্র উপকূলের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে ঢেউ।<br><br>এ বছরের শুরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়া। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি থেকে জানানো হয়, গভীর রাতে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপে তীব্র ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৬ দশমিক ২। ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আহতও হয় অনেকে।<br><br></body></HTML> 2021-03-05 08:23:45 1970-01-01 00:00:00 শিশু অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা হবে ১০ বছর: হাইকোর্ট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104554 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910923_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910923_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শিশুরা অপরাধ যাই করুক না কেন ১০ বছরের বেশি সাজা দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) বিচারপতি মো. শওকত হোসেন, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মবিনের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চের স্বাক্ষরের পর রায়টি প্রকাশিত হয়।<br><span style="font-weight: bold;"><br>রায়ে যে বিষয়সমূহে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে:</span><br><br>১। শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ জুবেনাইল বিচার পদ্ধতির ধারণার পরিপন্থি।<br><br>২। নিউরোসাইন্স এবং সাইকোলজিক্যাল গবেষণা অনুযায়ী শিশুরা তাদের কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল নয়।<br><br>৩। শিশুরা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বস্তুত, ব্রেনের যে অংশ আবেগ ও যৌক্তিকতা নিয়ন্ত্রণ করে, শিশু অবস্থায় ব্রেনের সে অংশ পরিপক্ক হয় না।<br><br>৪। শিশুরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পরিণতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখে না। অনেক ক্ষেত্রে তারা অপরাধের দোষ নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়।<br><br>৫। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা পাওয়ার প্রলোভনে শিশুরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়ে যায়। হাইকোর্ট তাদের রায়ে মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্টের একটি মামলার রায় পর্যালোচনা সহ আদালত বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতের নজিরসমূহ আলোচনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। <br><br><span style="font-weight: bold;">পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি কর্তৃক লিখিত আটিকেল, বই, সাইন্টিফিক রিসার্চের ফলাফল নিয়েও আলোচনা করে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, সেগুলো হলো:</span><br><br>১। শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কোনো সাক্ষ্যগত মূল্য নেই।<br><br>২। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি কোনো শিশুকে সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। এবং<br><br>৩। অপরাধ যাই হোক না কেন, একজন শিশুকে ১০ বছরের বেশি সাজা প্রদান করা যাবে না।<br><br>প্রসঙ্গত, শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে দেশে ফৌজদারি কার্যবিধিতে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক গঠন বিবেচনায় ১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালিত হত। <br><br>২০১৩ সালে নতুন শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে শিশুর বয়স, জবানবন্দি গ্রহণ, দণ্ড ও শিশু শোধনাগারসহ বিশেষ বিশেষ বিধান রাখা হয়। এই বিষয়ে দেশের উচ্চ আদালতের পক্ষে-বিপক্ষে রায় ছিল। সেজন্য ফুল বেঞ্চ গঠনের জন্য প্রধান বিচারপতির বরাবরে একটি আবেদন প্রেরণ করা হয়েছিল। <br><br>ওই আবেদনের ধারাবাহিকতায় বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে ৩ সদস্য বিশিষ্ট ফুল বেঞ্চ গঠন করে দেন। যেহেতু আইনের জটিল ব্যাখ্যা জড়িত, সেহেতু হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এমআই ফারুকি এবং শাহদিন মালিককে এমিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।<br><br></body></HTML> 2021-03-05 08:20:10 1970-01-01 00:00:00 যৌতুকের মামলা করা সেই নারীকে যেতে হলো কারাগারে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104553 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910337_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910337_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জাল কাবিননামা ও মিথ্যা যৌতুক মামলা প্রমাণ হওয়ায় শামসুন্নাহার (৩০) নামে এক নারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭–এর বিচারক কামরুন্নাহার এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে ময়মনসিংহের আবদুল হান্নানের বিরুদ্ধে যৌতুকের দায়ে নির্যাতনের অভিযোগ এনে শামসুন্নাহার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭–এ নালিশি মামলা করেন। এতে ওই বছরই গ্রেপ্তার হয় হান্নান। এক মাস জেলেও খাটেন হান্নান।<br><br>এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি দিন ধার্য ছিল আজ বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ-২০২১)। আজকে মামলার বাদী শামসুন্নাহার আদালতে হাজির হয়ে বলেন, মামলার আসামি আবদুল হান্নানকে চেনেন না তিনি। হান্নান তার স্বামীও নন। এতে হান্নানকে অব্যাহতি দেন আদালত। একইসঙ্গে হান্নানের আবেদনে শামসুন্নাহারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলায় শামসুন্নাহারকে দুই বছরের জেল দিয়েছেন আদালত।<br>হান্নান বলেন, ওই নারীকে সে চেনেন না। অথচ মিথ্যা মামলায় এক মাস জেলও খাটলেন। অন্যদিকে শামসুন্নাহার বলেন, অন্যের প্ররোচনায় যৌতুক মামলা করেছিলেন। এজন্য মাত্র এক হাজার টাকা পেয়েছেন তিনি।</body></HTML> 2021-03-05 08:10:32 1970-01-01 00:00:00 ধর্মান্তরিত হলে হিন্দু নারী-পুরুষ সম্পত্তির অধিকার হারাবেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104552 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910076_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614910076_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে যে আইন রয়েছে এতে ধর্মান্তরিত হলে হিন্দু নারী-পুরুষ সম্পত্তির অধিকার হারাবেন। কারণ বাংলাদেশ লজ রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এ ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনটি বাংলাদেশ সরকার গ্রহণ করেনি বলে জানান বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ। বৃহস্পতিবার ‘খসড়া হিন্দু উত্তরাধিকার আইন-২০২০’ নিয়ে অনলাইন এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেই সেমিনারে এ কথা বলেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ। জাতীয় পর্যায়ে হিন্দু আইন প্রণয়নে নাগরিক উদ্যোগ কোয়ালিশন এই খসড়া তৈরি করেছে।<br><br>হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি বলেন, সম্পত্তির অধিকার হিন্দু নারীদের দিলে জোরপূর্বক ধর্মান্তর বেড়ে যাবে, ধারণাটি ঠিক নয়। বাংলাদেশ লজ রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন অ্যাক্ট, ১৯৭৩-এ ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনটি বাংলাদেশ সরকার গ্রহণ করেনি। তবে হিন্দু নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই আইন প্রণয়নে কোনো বাধা নেই। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ বলেন, বেদ যুগে নারীর সমমর্যাদায় স্থান পেয়েছিল। এখনো পাওয়া উচিত। হিন্দু নারীর সম্পত্তির অধিকারে বাধা সনাতন পন্থা। তবে এটিও মনে রাখতে হবে, সনাতনপন্থীরাই এই ধর্মের মূল চালিকাশক্তি। ধর্মান্তরিত হলে নারী সম্পত্তি পাবে কি পাবে না, এটি সমাধান হওয়া উচিত। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে অনলাইনে ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।</body></HTML> 2021-03-05 08:06:51 1970-01-01 00:00:00 সব তদন্ত প্রতিবেদনে মুশতাকের মৃত্যু স্বাভাবিক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104551 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870155_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870155_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গাজীপুরের জেলা প্রশাসন ও কারা অধিদফতরের গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুকে ‘ন্যাচারাল ডেথ (স্বাভাবিক মৃত্যু)’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।<br>ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে জানা যাবে বলেও জানান তিনি।<br>বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।<br>গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক মারা যান। এই মৃত্যু নিয়ে সারাদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি-না, যদি থাকে তবে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। এছাড়া গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও কারা অধিদফতরের পক্ষ থেকেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সবগুলো কমিটিই ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মুশতাক আহমেদ গত বছরের ৬ মে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে অন্তরীণ হন। তিনি কারাগারে ইন্তেকাল করেন, সেটা আপনারা সবই শুনেছেন। প্রশ্ন আসছে, তিনি কারাগারে কীভাবে মৃত্যুবরণ করলেন?’<br>আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে দিয়েছিলাম। গাজীপুরের ডিসি, তিনিও একটি কমিটি করেছিলেন, আইজি প্রিজন তিনিও তাৎক্ষণিকভাবে একটি কমিটি করেছিলেন। সবগুলো কমিটির অভিমত এক রকম। তারা ভিডিও ফুটেজ ও কারাগারে যারা তার সঙ্গে অন্তরীণ ছিলেন, তার রুমে যে কয়জন ছিলেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক যারা ছিলেন, হাসপাতালে যখন নিয়ে গেছেন- তাদের সবার অভিমত নিয়ে তারা যে রিপোর্টটি প্রদান করেছেন সেই রিপোর্টে বলেছেন, এটা একটা ন্যাচারাল ডেথ হয়েছে। ন্যাচারাল ডেথ মানে অস্বাভাবিক মৃত্যু নয়। সেটাই তারা তাদের তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন।’<br>তিনি বলেন, ‘আমরা সবগুলো রিপোর্টেই এখন পর্যন্ত এইটুকুই পেয়েছি। আমরা ফাইনালি পোস্টমর্টেমের রিপোর্টের পর আরও বিস্তারিত জানতে পারব। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে যা আসছে, এর মূল হলো এটা ন্যাচারাল ডেথ হয়েছে। তিনি (মুশতাক আহমেদ) বাথরুমে গিয়েছিলেন। ওয়াশরুমে যাওয়ার পর সেখানেই তিনি অজ্ঞান হয়েছিলেন। তারপর তাকে কারাগারে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এরপর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’<br>সুরতহাল রিপোর্টেও মুশতাকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘পোস্টমর্টেমের রিপোর্টটি আসলেই আমরা চূড়ান্তভাবে জানতে পারবো। প্রাথমিকভাবে ডাক্তাররা যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন সেটাই আমাদের রিপোর্টে আসছে, সেটাই আমি আপনাদের জানালাম।’<br>এ ধরনের তদন্তে প্রকৃত বিষয় উঠে আসে না। সেক্ষেত্রে অধিকতর তদন্ত, কেউ কেউ বিচার বিভাগীয় তদন্তের কথা বলছেন। আপনি কী মনে করছেন— জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি যেগুলো বললেন, এগুলোকে মাথায় রেখেই আমরা মন্ত্রণালয়ে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি টিম করে দিয়েছিলাম। সেখানে ডিসিও তাৎক্ষণিকভাবে একটি এবং কারা কর্তৃপক্ষও একটি টিম করেছিলেন। আসলে ঘটনাটা কী সেটা জানার জন্য। কাজেই এখানে যদি কারও অনিয়ম বা গাফিলতি কারও থাকত তাহলে নিশ্চয়ই জানাতো।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘এর বাইরে যদি কিছু থাকে সেটা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে এলে আপনাদের সেটা জানাব।’<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-05 21:02:00 1970-01-01 00:00:00 করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104550 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870134_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870134_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনার টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকেলে গণভবনে তিনি টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন নেন।<br>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার বিকালে টিকা নিয়েছেন। তিনি ভালো আছেন।’<br>এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি করোনার টিকা নেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা। গত ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে প্রথমবারের মতো করোনার টিকা দেয়া হয়। পরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। ইতিমধ্যেই অনেক বিশেষ ব্যক্তি ও মন্ত্রীরাও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন। দেশব্যাপী ১০০৫টি কেন্দ্রে করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি অবশ্যই টিকা নেব, তবে আমি চাই দেশের জনগণ প্রথমে এটি গ্রহণ করুক। যদি আমার একটা টিকার জন্য আরেকটা মানুষের জীবন বাঁচে সেটাই তো সবচেয়ে বড় কথা! তাই না?’<br>এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া উপলক্ষে ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।<br>তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এটির আয়োজন করা হয়।<br>শেখ হাসিনা বলেন, দেশের কত পার্সেন্ট মানুষ আগে টিকা নিতে পারল, তিনি আগে তা দেখতে চান। ‘আমাদের একটা টার্গেট করা আছে। সে পরিমাণ যখন দেয়া হবে, তখন টিকা যদি বাঁচে, তখন আমারটা আমি নেব,’ বলেন তিনি।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি অভিযান পরিচালনা করছে যাতে গ্রাম পর্যায়ের প্রত্যেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী ভ্যাকসিন নিতে পারে।<br>ভ্যাকসিন কার্যক্রম থেকে কেউ যেন বাদ না পড়ে সরকার সেই পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আরও তিন কোটি টিকা আনার ব্যবস্থা করছি। আমরা প্রথম ডোজের পরেই যাতে দ্বিতীয় ডোজ পেতে পারি সেই পদক্ষেপ নিচ্ছি।<br>শেখ হাসিনা বলেন, যদি কোনো দেশ ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে ব্যর্থ হয় তখন বাংলাদেশ সেটি করবে। আমি ইতোমধ্যে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছি, যারা এটি প্রস্তুত করতে সক্ষম, তারা যেন প্রস্তুত থাকে। আমরা ভ্যাকসিনের বীজ আনতে চাচ্ছি।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-05 21:02:00 1970-01-01 00:00:00 ভিসি কলিমউল্লাহর বক্তব্য বানোয়াট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104549 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870105_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870105_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ’র অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, উপাচার্য সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্ত ছড়ানোর অপচেষ্টা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) দুপুরে বেরোবি উপাচার্যের সংবাদ সম্মেলনের পর বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বক্তব্য জানানো হয়।<br>বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বরাবর তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। ইউজিসি তাদের নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণে তদন্ত সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করে।<br>ইউজিসি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিধায় এ প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে মন্ত্রণালয় বা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই। ফলে এ সংক্রান্ত বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সরাসরি শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন, যা নিতান্তই অনভিপ্রেত। তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে যে সভাটিতে মন্ত্রীর দেরিতে উপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন, সেই সভাটি গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সভাটির সময় পরিবর্তন করে বিকেলে নেয়া হয়। ওই একই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন ন্যূনতম নির্দেশিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সভা থাকায় এবং সেই সভাটি উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনার আগে হলে ভালো হয়; বিবেচিত হওয়ায় উপাচার্যদের সঙ্গে সভাটির সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন ন্যূনতম নির্দেশিকার সভাটি নির্ধারিত সময়ের চেয়েও অনেক প্রলম্বিত হওয়ায় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী, সচিব এবং ইউজিসির চেয়ারম্যানসহ প্রতিনিধিদের উপাচার্যদের সেই সভায় যোগ দিতে দেরি হয়।’<br>‘শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত সকলের কাছে অনিচ্ছাকৃত এই বিলম্বের জন্য বিশেষভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। মন্ত্রীর সময়ানুবর্তিতার বিষয়টি সবার কাছে সুবিদিত। তিনি সময় মতো সকল সভায় অংশ নেন। সেদিনের সবারই অনিচ্ছাকৃত বিলম্বকে নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কলিমউল্লাহ যে বক্তব্য রেখেছেন, তা শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনকই নয় নিতান্তই রুচি বিবর্জিত’ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।<br>এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকাশনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর একটি বাণী একবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাওয়া হয়েছিল। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলন চলছিল। সে পরিস্থিতিতে মন্ত্রী বাণীটি দেয়া সমীচীন মনে করেননি। এরপরে গত এক বছরে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মন্ত্রীর কাছে আর কোনো বাণী চাওয়া হয়নি।’<br>‘কলিমউল্লাহ উপরের বিষয়সমূহের বাইরেও মন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার কথা উল্লেখ করে রাজনীতিকে জড়িয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। যার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো বিষয়ের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে। একই সঙ্গে কলিমউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে যেসব বক্তব্য রেখেছেন, সে সকল বিষয়ে এ মুহূর্তে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে।’<br>‘কারণ তার বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি ইউজিসি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সে বিষয়ে শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।’<br>এমন পরিস্থিতিতে কলিমউল্লাহ কর্তৃক সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত অন্যান্য সব বক্তব্য সম্পর্কে মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন প্রাপ্তি ও বিবেচনার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় বক্তব্য উপস্থাপন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 21:01:31 1970-01-01 00:00:00 বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত এইচ টি ইমাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104548 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870081_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870081_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে একই জায়গায় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।<br>বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আত্মীয়-স্বজনদের পাশাপাশি এতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান ও সাবেক সচিব, সরকারের বিভিন্ন দফতরের পদস্থ কর্মকর্তা এবং এইচ টি ইমামের দীর্ঘ কর্মজীবনের সহকর্মী ও সহযোদ্ধারা অংশ নেন।<br>জানাজার আগে মুসল্লিদের উদ্দেশে কথা বলেন এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমাম এমপি। তিনি তার বাবার পক্ষে সবার কাছে ক্ষমা ও দোয়া চান।<br>কিডনি জটিলতায় প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ মার্চ রাত ১টা ১৫ মিনিটে মারা যান এইচ টি ইমাম। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ হেলিকপ্টারে জন্মস্থান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নেয়া হয়। সেখানে আকবর আলী সরকারি কলেজ মাঠে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা হয়। পরে হেলিকপ্টারযোগে মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।<br>দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয় এইচ টি ইমামের মরদেহ। সেখানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর সরকারি বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করে।<br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 21:01:07 1970-01-01 00:00:00 থাইল্যান্ড-মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকার মাদক ‘আইস’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104547 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870058_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870058_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ব্যয়বহুল মাদক ‘আইস’। ইয়াবার চেয়েও ভয়াবহ এটি। এই মাদক থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। জব্দ করা হয়েছে মাদকগুলো। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকেলে সেগুনবাগিচায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আহসানুল জব্বার।<br>টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন জাদিমুড়া এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই কেজি ওজনের এই চালানটি জব্দ করা হয়।<br>চালানটি থাইল্যান্ড থেকে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশে আসে। এটির গন্তব্য কোথায় ছিল তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে জানা যাবে।<br>মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বলছে, চালানটি ধরতে প্রায় ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। অবশেষে বুধবার (৪ মার্চ) আইসের চালানটি জব্দসহ মো. আব্দুল্লাহ (৩১) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।<br>তিনি জানান, এখন পর্যন্ত এটাই আইসের জব্দকৃত সবচেয়ে বড় চালান। আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করা হলেও মাদকে সংশ্লিষ্টতায় তার আরেক ভাই রহমান পলাতক।<br>এর আগে ২০১৯ সালে ঢাকার ভাটারা থানা এলাকা থেকে ৫২০ গ্রাম ওজনের একটি চালান জব্দ করা হয়েছিল।<br>এটি ধনী শ্রেণির মাদক উল্লেখ করে ডিজি বলেন, ইয়াবার চেয়েও ভয়াবহ নতুন মাদক ক্রিস্টার মেথামফিটামিন বা আইস। এটি প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। নাক দিয়ে, ধোঁয়া বা ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। এটি অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণত ধনি শ্রেণিরাই এর ক্রেতা।<br>বাংলাদেশে এখনো এই মাদকের ভোক্তার সন্ধান পাওয়া যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে দেশে কয়েকবার এর বাজার সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অভিযানে সেই চেষ্টা নস্যাৎ হয়।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 21:00:39 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর দাগনভূঞায় গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সকস বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104546 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870016_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614870016_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীর দাগনভূঞায় অসহায় ও হতদরিদ্র শত শত গ্রাহকের কোটি টাকা মেরে উধাও হয়ে গেছে ‘সকস বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিও। মোটা অঙ্কের ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় এনজিওটি। ফলে জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে গ্রাহকরা এখন দিশেহারা হয়ে বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এমন ঘটনায় বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছে।<br>ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন স্বপন হোটেল নামের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে ‘সকস বাংলাদেশ’ নামে ভুয়া একটি এনজিও। অফিস কর্তৃপক্ষ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার কথা বলে ১০, ২০, ৫০ হাজার টাকা করে সঞ্চয় নেয়। এক পর্যায়ে তারা বুধবার (৩ মার্চ) ঋণ নিতে এসে দেখেন অফিসে তালা ঝুলছে। প্রতারকরা রাতেই গ্রাহকদের টাকা ও অফিসের মালামাল নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। একপর্যায়ে হাসিনা মমতাজ নামে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।<br>পুলিশ প্রতারকদের শনাক্ত করাসহ টাকা লেনদেনের বিষয় খতিয়ে দেখছে বলে জানান উপ পরিদর্শক আরিফ হোসেন। এদিকে বুধবার and nbsp; ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা আক্তার তানিয়া বলেন, গ্রাহকদের অভিযোগ and nbsp; পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছি। এসময় ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।<br><br></body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা পাচারের নেপথ্যে কে এই জাফর? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104545 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869997_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869997_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মালয়েশিয়ায় নকশাবন্দি জিকিরের নামে পাচার হচ্ছে রোহিঙ্গা। এর পেছনে কাজ করছে মালয়েশিয়ায় থাকা ইউএন কার্ডধারী মুহাম্মাদ বিন জাফর আহমেদ। তার কাছে রয়েছে বাংলাদেশি পাসপোর্টও।<br>পাসপোর্ট অনুযায়ী জাফরের স্থায়ী ঠিকানা টেকনাফ, কক্সবাজার এবং ইউএন কার্ডে মিয়ানমারের নাগরিক মুহাম্মাদ বিন জাফর আহমেদ নামে পরিচয় পাওয়া যায়।<br>অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৬ সাল থেকে জাফর নকশাবন্দি জিকির মজলিশের আমন্ত্রণপত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশের টেকনাফ হয়ে শতশত রোহিঙ্গা পাচার করেছে মালয়েশিয়ায়। পাচারের সময় জনপ্রতি দুই থেকে আড়াই লাখ করে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে জাফরের বিরুদ্ধে।<br>কথা বলতে গেলেই তার নিয়ন্ত্রিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মারধর করে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন। মারধরের অভিযোগ এনে মালয়েশিয়ায় কয়েকটি পুলিশ রিপোর্টও করা হয়েছে।<br>২০১৫ ও ২০১৬ সালে উলুলাঙ্গাত মিফতাহুল উলুম কাযাঙ্গ, কুয়ালালামপুর মাদরাসায় অবৈধ চাকরি থাকাকালীন সে ওই মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষককে দু’ভাগে বিভক্ত করার অভিযোগ প্রমাণের পর মাদরাসা থেকে বের করে দেয়া হয়।<br>কে এই জাফর? মুহাম্মাদ বিন জাফর আহমেদ নামে পরিচয়দানকারী এই ব্যক্তি দুবাই থাকাবস্থায় পাকিস্তানি বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক এবং নিয়মিত পাকিস্তান আসা-যাওয়া করত। ওই সময় পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠীর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নেয়। দুবাই সরকার তাকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করে ২০১২ সালে দুবাই থেকে বের করে দেয়া হয়।<br>সেখানে কোটি টাকা লুট করে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে পথে বসিয়েছে এমন অভিযোগও রয়েছে। ওইসব ভুক্তভোগীরা ২০১২ সালে টেকনাফের নীলা এলাকায় আটক করলে পরে স্থানীয় এক মাওলানার সহযোগিতায় ছাড়া পেয়ে নতুন পাসপোর্ট করে ২০১৩ সালে মালয়েশিয়া পালিয়ে যায়। (সূত্র: দৈনিক দৈনন্দিন, ২ রা এপ্রিল, ২০১৬)।<br>২০১৬ সাল থেকে নকশাবন্দি জিকির মজলিশের আমন্ত্রণের নামে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা পাচারের পাশাপাশি বাংলাদেশে পাকিস্তান ভিত্তিক উগ্র রাজনৈতিক মুভমেন্ট তৈরিতে গোপন বৈঠক ও লেভেল ফিল্ড তৈরি করছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।<br>মাওলানা মুহাম্মদ বিন জাফরের রয়েছে একটি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপ (আরসা)। এছাড়া বাংলাদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের এক শক্তিশালী সন্ত্রাসী গ্রুপ তৈরি করে যাচ্ছে, (সূত্র: দৈনিক দৈনন্দিন, ২রা এপ্রিল, ২০১৬)।<br>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বহুরূপী জাফর রোহিঙ্গা লোকদের কাছে গিয়ে নিজকে রোহিঙ্গা আবার বাংলাদেশিদের কাছে গিয়ে বাংলাদেশি মাওলানা মুহাম্মদ বিন জাফর পরিচয়ে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসীদেরকে মারধর, হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।<br>যা পাঁচটি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বেরিয়ে আসছে তার অপকর্ম। জাফরের বাংলাদেশি পাসপোর্ট বাতিলসহ তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীরা।<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:59:43 1970-01-01 00:00:00 অপরাধের কারণে সীমান্তে প্রাণহানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104544 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869973_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869973_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, সীমান্তে যেকোনো মৃত্যুই দুঃখজনক। আমাদের বুঝতে হবে সমস্যাটা কেন হচ্ছে। সীমান্তে প্রাণহানির মূল কারণ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।<br>বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।<br>সীমান্ত হত্যার বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা একমত হয়েছি, যেকোনো মৃত্যুই দুঃখজনক। কিন্তু আমাদের নিজেদের জিজ্ঞেস করতে হবে, সমস্যাটি কেন হচ্ছে। এবং আমরা জানি সমস্যাটি কী। সমস্যা হচ্ছে অপরাধ। সুতরাং আমাদের মিলিত উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অপরাধহীন ও মৃত্যহীন সীমান্ত। আমি নিশ্চিত, আমরা যদি এটা করতে পারি, অপরাধহীন ও মৃত্যুহীন সীমান্ত, তাহলে একসঙ্গে এ সমস্যার সমাধান করতে পারব।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘যেটাকে আমরা সীমান্ত হত্যা বলি, মূলত অনেকগুলো মৃত্যু হয় ভারতের বহু ভেতরে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী (মোমেন) ও আমি এ ব্যাপারে আলোচনা করেছি, যেভাবে প্রতিবেশী ও বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা হওয়া দরকার।’<br>তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তির সময়সীমা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। শিগগিরই আমাদের সচিবদের বৈঠক রয়েছে। আমি নিশ্চিত, তারা এ বিষয়ে পরবর্তী আলোচনা চালিয়ে নেবেন। আমি মনে করি, আপনারা এক্ষেত্রে ভারত সরকারের অবস্থান জানেন, যা এখনো পরিবর্তন হয়নি।’<br>বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর চূড়ান্ত করতে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় পৌঁছেন জয়শঙ্কর। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:59:22 1970-01-01 00:00:00 ফেসবুকে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচারে আর বাধা নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104543 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869953_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869953_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ রেখেছিল ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি গতকাল বুধবার এক ব্লগ পোস্টে জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার থেকে সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।<br> and nbsp;বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত নভেম্বরে মার্কিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর এবং অপপ্রচার বন্ধে সব ধরনের রাজনৈতিক, নির্বাচনী এবং সামাজিক ইস্যু-নির্ভর বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করে দিয়েছিল ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন উপলক্ষে সেই বন্ধাদেশ কিছুদিনের জন্য তুলে নেওয়া হলেও ফেসবুক আবার তা জারি করেছিল।<br>ফেসবুকের মতো গুগলও তাদের প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করেছিল। সাময়িকভাবে সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের হামলার পর তা পুনর্বহাল করা হয়। গত সপ্তাহে অবশ্য সে নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে।<br>ডেমোক্রেটিক এবং রিপাবলিকান পার্টির ডিজিটাল কৌশল নির্ধারণ যাঁরা করেন, তাঁদের ভাষ্য হলো, প্ল্যাটফর্মগুলোর এমন নিষেধাজ্ঞা ভুয়া তথ্য রোধে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে না হোক, ‘অরগানিক রিচ’-এর সাহায্যেই ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে।<br> and nbsp;ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণাটির আগে গতকালই ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসনাল ক্যাম্পেইন কমিটি এবং ডেমোক্রেটিক সিনেটোরিয়াল ক্যাম্পেইন কমিটির পক্ষ থেকে ফেসবুকের সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ওপর ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞা বন্ধের নির্দিষ্ট কোনো দিন তারিখ না থাকায় সংগঠনগুলো ভোটারদের উদ্দেশে প্রচারণা চালাতে পারছে না।<br>এরপর ফেসবুকের পক্ষ থেকে ঘোষণাটি আসে। ওই ব্লগ পোস্টে ফেসবুক আরও জানায়, তাদের সিস্টেম এখন আর রাজনৈতিক, নির্বাচনী কিংবা সামাজিক ইস্যু-নির্ভর বিজ্ঞাপনের মধ্যে তারতম্য করবে না। তা ছাড়া আরও কী কী ধরনের পরিবর্তন আনা যায়, তা আসন্ন মাসগুলোতে ভেবে দেখবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। <br>ডেমোক্রেটিক এবং রিপাবলিকান পার্টির ডিজিটাল কৌশল নির্ধারণ যাঁরা করেন, তাঁদের ভাষ্য হলো, প্ল্যাটফর্মগুলোর এমন নিষেধাজ্ঞা ভুয়া তথ্য রোধে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে না হোক, ‘অরগানিক রিচ’-এর সাহায্যেই ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে।<br>ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণাটির আগে গতকালই ডেমোক্রেটিক কংগ্রেসনাল ক্যাম্পেইন কমিটি এবং ডেমোক্রেটিক সিনেটোরিয়াল ক্যাম্পেইন কমিটির পক্ষ থেকে ফেসবুকের সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ওপর ফেসবুকের নিষেধাজ্ঞা বন্ধের নির্দিষ্ট কোনো দিন তারিখ না থাকায় সংগঠনগুলো ভোটারদের উদ্দেশে প্রচারণা চালাতে পারছে না।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:58:57 1970-01-01 00:00:00 খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত রোববার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104542 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869923_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869923_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো ও মওকুফ এবং শর্ত শিথিলের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তার কাছে পৌঁছেছে বলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি বলেন, ‘আবেদনটি পেয়েছি। আশা করছি আগামী রোববার আমার মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারবো। এরপর সেটি মাননীয় and nbsp; প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।’ এর আগে দুপুরে and nbsp; খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো ও মওকুফ এবং শর্ত শিথিলের আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। এখন আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠাবে বলেও জানান তিনি।<br>জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার দণ্ড দ্বিতীয় দফায় ছয় মাসের জন্য স্থগিত রয়েছে। আগামী ২৪ মার্চ সেই স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোসহ কয়েকটি দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়।<br>আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আবেদন আমরা পেয়ে (আইন মন্ত্রণালয়েল) পাঠিয়ে দিয়েছি।’<br>এরপরের প্রক্রিয়া আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়ে ফের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘হ্যাঁ। এখান থেকে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাব।’<br>এর আগে বুধবার (৩ মার্চ) খালেদা জিয়ার দণ্ডের বিষয়ে পরিবারের আবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘সময়টা (বেগম জিয়ার দণ্ড স্থগিতে মেয়াদ) বোধহয় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য তারা আবার সময়টা এক্সটেনশন করার জন্য...। আরও কিছু শর্ত শিথিল করে এক্সটেনশন চেয়েছেন। উনি যা চেয়েছেন আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে...পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেয়ার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’<br>তারা কী চেয়েছেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেছিলেন, ‘তারা তাদের পত্রে শর্ত আরও শিথিল করে...করোনাকালে তারা চিকিৎসা নিতে পারেননি সেটা জানিয়েছেন। এছাড়া তার দণ্ডাদেশ মওকুফ করা যায় কিনা সেই বিষয়েও তারা বলেছেন।’<br><br></body></HTML> 2021-03-05 20:58:00 1970-01-01 00:00:00 রাজশাহীর চার হোটেলে ২০ নারীসহ আটক ৩৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104541 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869848_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869848_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজশাহী মহানগরীর চারটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০ জন নারীসহ ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে নগরীর সাহেববাজার এলাকায় সূর্যমুখী, পদ্মা, সুরমা ও আত্রাই নামের চারটি হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার একটি দল এ অভিযান চালায়।<br>নগর ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার রাকিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হোটেলগুলোতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেলগুলোতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চার হোটেল থেকে ২০ জন যৌন কর্মীকে আটক করা হয়।<br>এছাড়া হোটেল চারটির ম্যানেজার, কর্মচারী, খদ্দেরসহ আরও ১৭ জনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।<br>তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মানবপাচার আইনে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কাউকে হেফাজতে রেখে যৌনকাজ করালে এ আইনে মামলা করা হয়। তবে মামলায় ওই নারীদেরও আসামি করা হবে বলে জানান ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-05 20:57:00 1970-01-01 00:00:00 প্রতারণা করে কোটি টাকার মালিক এমপির ‘অ্যাম্বাসেডর’ বাবু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104540 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869819_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869819_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>প্রচলিত কোনো মিডিয়ায় সাংবাদিকতা করেন না, তবে নাম তার ‘সাংবাদিক বাবু’। পাশাপাশি পরিচয় দেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, স্থানীয় সংসদ সদস্যের ‘অ্যাম্বাসেডর’, যুবলীগের নেতা, ইট-বালু ব্যবসায়ীসহ নানা কিছু। এভাবে নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রতারণাসহ বিভিন্নভাবে কয়েক বছরে ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়েছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদতপুর (কলোনি) গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে ইফতেখার আহমেদ বাবু। দুটি পাকা বাড়িসহ হয়েছেন একাধিক গাড়ির মালিক। করোনার মধ্যেই হয়েছেন ৪টি কারের মালিক। শুধু তাই নয়, ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকেই সারাদেশে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।<br>ভয়ংকর এই বাবুর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৯টি, প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আরো ৪টি। এগুলোর বেশিরভাগই চাঁদাবাজি, অর্থ-আত্মসাৎ, প্রতারণা, হত্যার হুমকি, গাছ চুরি, গাড়ি চুরি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ভাঙার অভিযোগের মামলা। স্থানীয় সংসদ সদস্যের ‘কাছের লোক’ পরিচয় দেওয়ার সুযোগে নানা ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িত তিনি। তাই জনসাধারণের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরাও তার ওপর ক্ষিপ্ত। তবে ক্ষিপ্ত থাকলেও অনেকেই সেভাবে মুখ খুলতে চান না। স্থানীয়রা এখনও আতঙ্কিত বাবুকে নিয়ে। তাদের শঙ্কা কেউ বাবুর বিরুদ্ধে মুখ খুললে বাবু জেল থেকে বেরিয়ে এসে ক্ষতি করবেন তিনি।<br>গত ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদতপুর গ্রামে বাবুর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের কাছে অভিযোগ ছিল, তার বাড়িতে চোরাই গাড়ি রয়েছে। একইসঙ্গে বাবুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাও ছিল। অভিযানের সময় পুলিশ দরজা খুলতে বললেও বাবু নিজ বাড়ির প্রধান ফটক ও বেলকুনির দরজার তালা খোলেননি। বরং ভেতর থেকে ফেসবুক লাইভ করে নিজেকে সাংবাদিক বাবু পরিচয় দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে নানা কথা বলতে থাকেন। পরে পুলিশ তার বাড়ির অন্য গেট দিয়ে প্রবেশ করে তাকে আটক করে এবং চোরাই প্রাইভেটকার উদ্ধার করে। পরের দিন বাবুকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আগের ২টিসহ তার বিরুদ্ধে ৯টি মামলা করা হয় এবং আরও ৪টি অভিযোগ দায়ের করা হয়, যেগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।<br>বাবুকে গ্রেপ্তারের পর তার ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ। এরপর ৫টি মোবাইল ফোনে ‘ইফতেখার আহমেদ খান বাবু’, ‘গোপন আনন্দের পণ্য বিক্রেতা’, ‘মিসেস কহিনুর আক্তার’, ‘সাংবাদিক বাবু’, ‘মহিলাদের রাতের সঙ্গী আমি’ ‘ঘোড়াঘাটে অনিয়ম দুর্নীতি, ‘০১৭১৬৫৭৮৭৮০’সহ ৮টি ফেসবুক আইডি পায়। এমনকি ‘এমপি শিবলী সাদিক’ নামেও ইমেইল আইডি পাওয়া যায় তার মোবাইল ফোনে। এসব আইডি যাচাই-বাছাই করে পুলিশের সন্দেহ হলে মোবাইল ফোনগুলো পাঠানো হয় পুলিশের সাইবার ফরেনসিক বিভাগে। সেখান থেকে জানানো হয় যে, বাবু সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত। শুধু তাই নয়, মোবাইল ফোনে পর্নগ্রাফির কিছু তথ্যও পেয়েছে পুলিশ। অধিকতর যাচাই-বাছাই ও তদন্তের জন্য পুনরায় বাবুর মোবাইল ফোনগুলো সাইবার ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।<br>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১১ বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করার পর ২০০৮ সালে নিজ এলাকায় ফেরত আসেন ইফতেখার আহমেদ খান বাবু। এলাকায় ফেরত এসে দেন বাসের কাউন্টার। এরপর ইট-বালুর সরবরাহকারী হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্বাচনি প্রচারণায় নামেন।ওই সংসদ সদস্যের ‘অ্যাম্বাসেডর’ পরিচয়ে হয়ে উঠেন সক্রিয়। সংসদ সদস্যের সঙ্গে তোলা ঘনিষ্টতার ছবিতে ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে তোলেন।<br>ঘোড়াঘাট থানা সূত্রে জানা গেছে, বাড়ি থেকে চোরাই প্রাইভেটকার উদ্ধারের পর ৩০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় ঘোড়াঘাট থানার এসআই দুলু মিয়া বাদী হয়ে বাবুর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। একই দিন রাত পৌনে ১১টায় থানার এসআই খুরশীদ আলম বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।<br>এ বছরের ১ জানুয়ারি বিকাল সোয়া ৫টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার চাঁদপাড়ার শের আলী (৪৪) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন। একই দিন বিকালে উপজেলার সিংড়ার (নয়াপাড়া) মোনারুল ইসলাম (৩০) প্রতারণার মাধ্যমে প্রাইভেটকার আত্মসাতের ও হত্যার হুমকি দেওয়ায় বাবুর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেন। ওই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় একই উপজেলার কশিগাড়ীর জাহাঙ্গীর আলম (৪০) প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। রাত সোয়া ৮টায় বারোপাইকারগড় গ্রামের মৃত মনোয়ার হোসেনের ছেলে আব্দুর রউফ (৩৬) বাদী হয়ে একই অভিযোগে বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাত সাড়ে ৮টায় দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের মাসুদ রানা (৩৯) বাদী হয়ে বিশ্বাস ভঙ্গ করে টাকা আত্মসাৎ, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।<br>৪ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় চক বামুনিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৪৮) বাদী হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ চুরি, চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় বিরামপুর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান (৭৭) বাদী হয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়ায় বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগে আরও ৪টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে, যেগুলো তদন্তানাধীন রয়েছে।<br>এদিকে, তার বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ডে সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পর্কে চরম নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর থানা থেকে পত্র পাঠানো হয়েছে।<br>ঘোড়াঘাট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম আকাশ বলেন, ‘বাবু নিজেকে সাংবাদিক ও এমপির ‘অ্যাম্বাসেডর’ পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অপরাধ কার্যক্রম করেছে। তার এমন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে আমরা অতিষ্ট। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও সে কোনো সাংবাদিক নয়। প্রচলিত কোনো মিডিয়ায় কাজ করে না। তার নানা অপরাধের বিষয়ে সাধারণ মানুষ আমাদের কাছে অভিযোগ নিয়ে আসছে। বাবুর এমন দাপট ছিল যে, কেউ তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে পর্যন্ত সাহস পায়নি। সেনাবাহিনীতে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।’<br>ঘোড়াঘাট প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, ‘বাবু ফেসবুকে লেখালেখি করতো, এমপির কাজ করতো ও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।’<br>ঘোড়াঘাট পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘বাবু ৮ ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সে এমপি স্যারের কাছের লোক পরিচয়ে অনেক কাজ করেছে। সে কখনও সাংবাদিকতা করেছে, আমি দেখিনি-বলতেও পারবো না। তার লেখা কোনো নিউজ আমি দেখিনি।’<br>ঘোড়াঘাট পৌরসভার ২ নম্বর পানেল মেয়র ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফেরদৌসা বেগম বিলকিস বলেন, ‘বাবু হঠাৎ করেই বড়লোক হয়ে গেছেন, আগে কিছু না থাকলেও করোনার মধ্যেই ৩টি প্রাইভেটকারের মালিক হয়েছেন।’<br>শেয়ারে বাবুর সঙ্গে বালু সরবরাহের ব্যবসা করতেন চাঁদপাড়া এলাকার ফজলুল হক শের আলী। তিনি বলেন, ‘ব্যবসা সূত্রে বাবুর কাছে বালু বিক্রির ২ লাখ ২৬ হাজার টাকা পেতাম। দীর্ঘদিন ধরে সেই টাকা পরিশোধ করছিল না সে। একদিন রানীগঞ্জবাজার এলাকায় দেখা হলে আমি পাওনা টাকা চাই। সঙ্গে সঙ্গে বাবু আমাকে ভয় দেখায় এবং মারতে তেড়ে আসে। তার বাটপারির শিকার হয়েছেন অন্তত ৫০০ জন।’<br>দক্ষিণ দেবীপুর এলাকার মাসুদ রানা বলেন, ‘বালু ব্যবসার সুবাদে বাবুর সঙ্গে আমার পরিচয়। একদিন বাবু আমার কাছ থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকার ইট, বালু, সিমেন্ট ও টাইলস ক্রয় করে। পরে তার কাছে টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরে আমি আইনের শরণাপন্ন হই।’<br>বারো পাইকারগড় এলাকার আব্দুর রউফ বলেন, ‘বাবু আমার সঙ্গে শেয়ারে ব্যবসার প্রতিশ্রুতি দিলে আমি রাজি হয়ে তাকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেই। ভেপু নিয়ে সেগুলো ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করতাম এবং লাভও ভালো হয়েছিল। নিজের অর্থ প্রদানসহ লাভ মিলে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা পেতাম। কিন্তু বাবু টাকা দিতে অস্বীকার করে। একদিন গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাজারে তাকে দেখতে পেয়ে টাকা চাইলে আমাকে মারধর করাসহ চাকু দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় আমি মামলা করি।’<br>বাবুর বিষয়ে কথা বলতে যাওয়া হয় তার বাড়িতে। সেখানে কথা হয় তার স্ত্রী কহিনুর বেগমের সঙ্গে। বাবু কোন পত্রিকায় লেখালেখি করতেন জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট কোনও পত্রিকার নাম জানাতে পারেননি। তবে বলেছেন, ‘ও তো বেশ কয়েকটি পত্রিকায় কাজ করতো। ও সবসময় ব্যস্ত থাকতো বাইরের কাজে।’ তবে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি তিনি।<br>কথা হয় বাবুর মা তাসফির ফাতেমার সঙ্গে। বাবুর উপার্জনের উপায় কী ছিল জানতে চাইলে তিনি সঠিকভাবে জানাতে পারেননি। তবে বাবুর স্ত্রীর কাছে শুনে তিনি বলেন, ‘ও রাস্তার কন্ট্রাক্ট নিতো। এমপি কিছু টাকা-পয়সা দিছিল মনে হয়, যেহেতু এমপির পিছনে পিছনে থাকতো।’<br>ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দীন বলেন, ‘ইফতেখার আহমেদ বাবু একজন প্রতারক, চাঁদাবাজ ও অর্থ আত্মসাৎকারী ব্যক্তি। সে মানুষজনের কাছ থেকে গাড়ি, বালুসহ বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে টাকা দেয় না। টাকা না দিয়ে এক সময় ভয়ভীতি ও সংবাদ করে দেওয়ার হুমকি দিতো। এ জন্য অনেকেই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সাহস পেতো না। পরে আমরা জানতে পারি যে, তার বাড়িতে ৩টি চোরাই প্রাইভেট কার ছিল। এমন বিষয়ে অভিযানে গিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু সে দরজায় তালা দিয়ে ফেসবুকে লাইভ করে মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর তথ্য দিচ্ছিল। পরে আইন মেনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’<br>ওসি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বেশিরভাগ মামলাই চার্জশিট পর্যায়ে রয়েছে। শুধু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাটি ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে।’<br>এ ব্যাপারে দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমার কাছে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। আমার এমপি ডটকমে সে কাজ করেছে, কিন্তু সে ব্যক্তিগত জীবনে কী করেছে- না করেছে, তা জানি না। অভিযোগ না দিলে তো আমার জানার সুযোগ নেই। ভিতরে ভিতরে বাবু যে এতগুলো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল সেটি তো আমি বুঝতে পারিনি। সরকারের পক্ষের কথা বলে কেউ ছাড় পাবে না। সে গ্রেপ্তার আছে, মামলা হয়েছে, শাস্তির আওতায় এসেছে। অবশ্যই সরকারের মনিটরিং আছে। প্রশাসন সেগুলো খেয়াল করছে এবং সেভাবেই পদক্ষেপ নিয়েছে।’ু<br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:56:45 1970-01-01 00:00:00 ঈদের পর পরীক্ষা নেওয়ার দাবি মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104539 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869786_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869786_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>আগামী ঈদের পর ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মেডিকেল ভর্তিচ্ছুরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানান তারা।<br>মানববন্ধনে ভর্তিচ্ছুরা ২ এপ্রিল মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলে তাদের এবং তাদের অভিভাবকদের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে বলে আশঙ্কা করেন।<br>তারা বলেন, অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সঙ্গে সমতা না রেখে ২ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজিত হলে একাডেমিক ক্ষেত্রেও দেখা দিতে পারে বহুবিধ সমস্যা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে ভর্তি বিষয়ক জটিলতা। ২ এপ্রিল পরীক্ষা আয়োজিত হলে তিন চার দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে ফল। তার এক থেকে দুই মাসের মাথায় সম্পন্ন হবে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে ভর্তি কার্যক্রম।<br>শিক্ষার্থীরা বলেন, অনেক শিক্ষার্থীর ইচ্ছা থাকে, যদি কোনো কারণে সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করার সুযোগ না মেলে, তবে সে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদ পড়বে। আর যদি তারও সুযোগ না হয়, তবে সে ভর্তি হবে কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজে।<br>তারা বলেন, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে এমন সময় বৈষম্যের কারণে এবার সকল বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে এমন এক সময়ে যখন কি-না দেশের নানা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরুই হয়নি। তাহলে কীভাবে একজন শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নেবে যে, সে কি লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে আগেই বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে যাবে নাকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুই মাস অপেক্ষা করবে? আর যদি দুই মাস অপেক্ষা করার পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ না হয়, তখন যে তার কাছে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগও আর থাকবে না।<br>মানববন্ধনে ভর্তিচ্ছুরা পরীক্ষা আয়োজনের আগে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের টিকা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, ভর্তি বিষয়ক জটিলতা নিরসনে দেশের বাকি সকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমতা বিধান করে ঈদ-উল-ফিতরের পর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হোক।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:55:56 1970-01-01 00:00:00 আসলের হুবহু মোড়কে নকল ভোগ্যপণ্যে সয়লাব বাজার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104538 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869727_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1614869727_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভোগ্যপণ্যের মোড়কের হুবহু আদলে নকল ভোগ্যপণ্যে সয়লাব হয়ে পড়েছে বাজার। দেখতে একই রকম হওয়ায় তাৎক্ষণিক বুঝতে না পেরে ঠকার পাশাপাশি মানহীন এসব পণ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। যথাযথ পদক্ষেপে পণ্য নিয়ে ঠগবাজি বন্ধ করা না হলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।<br>ঢাকা টাইমসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিস্কুট, চানাচুর, কফি, শিশুদের চকোলেট, চিপস, আইসক্রিম, বোতলজাত তরল পানীয়, নুডলস, বোতলজাত সয়াবিন তেল, সরিষার তেল, মশার কয়েলসহ অনুমোদনহীন নানা পণ্য দেদার বিক্রি হচ্ছে বাজারে। দেশের নামি ব্র্যান্ডগুলোর মোড়কের আদলে কাছাকাছি নাম দিয়ে এসব পণ্য কিনতে গিয়ে বুঝতেও পারেন না ক্রেতা।<br>পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআই এবং পণ্যে ভোক্তা অধিকার বলছে এমন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। তবে পণ্যের গায়ে কোম্পানির সঠিক ও পূর্ণ ঠিকানা না থাকায় এদেরকে শনাক্ত করতে সমস্যা হচ্ছে সংস্থাগুলোর। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে অবৈধ পণ্য থাকার দায় নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এড়াতে পারে না। সমস্যা সমাধানে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ তাদের।<br>বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রাণের জুস, রূপচাঁদা সয়াবিন, তিব্বতের কাপড় কাঁচার সাবান, রিন, হুইল, কফিকো ক্যান্ডি, হারপিক, হাকিমপুরী জর্দার মোড়কের আদলে পণ্যের নাম ও উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের নাম ছাড়া মোড়ক দেখতে একই রকম। বাজারে গিয়ে প্রতিষ্ঠিত এসব ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে গিয়ে ক্রেতা নকল পণ্যটি তাৎক্ষণিক বুঝতেও পারছেন না।<br>বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি মানহীন এসব পণ্যে একদিকে ক্রেতা প্রতারণার শিকার হচ্ছে অন্যদিকে যেনতেনভাবে তৈরি এসব পণ্যে ঝুঁকিতে পড়ছে ক্রেতার স্বাস্থ্য। শহরের বাজারের পাশাপাশি মফস্বলের ক্রেতারা এসব পণ্যে প্রতারিত হচ্ছেন। ঢাকা টাইমসের এক সপ্তাহের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, আদাবর, গাবতলী, মিরপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এলাকায় এসব অবৈধ পণ্য উৎপাদনের কারখানা গড়ে উঠেছে।<br>রাজধানীর বেশ কিছু দোকানে দেখা গেছে, রোমা নামের একটি কোম্পানির প্যাকেটজাত টোস্ট, মটরভাজা, চানাচুরের প্যাকেটের গায়ে বিএসটিআইয়ের লোগো নেই। এ পণ্যগুলো বিক্রিতে লাভও বেশি হয় বলে দোকানিদের ভাষ্য।<br>এছাড়া অনুমোদনহীন মশার কয়েলেও ছেয়ে গেছে বাজার। ‘লামিয়া নিমপাতা’ নামের একটি কয়েলের প্যাকেট বা কার্টনের গায়ে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের কোনো নামই নেই। তবে লেখা আছে ট্রেড লাইসেন্স নম্বর, ভ্যাট নম্বর, ফায়ার লাইসেন্স ও টেড মার্ক। কিন্তু বিএসটিআই বা পিএইচপি সনদ নেই। পিএইচপির স্থানে উল্লেখ করা আছে ‘আবেদিত’। যদিও বিএসটিআই বলছে, কোনো পণ্যের অনুমোদনের জন্য আবেদন করে তা বাজারজাত করার কোনো সুযোগ নেই।<br>বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘প্রোডাক্টের গায়ে যদি কারখানার পুরো ঠিকানা না থাকে তাহলে পণ্যটি ভুয়া। এদের কারখানা খুঁজে পাওয়া যায় না। আবেদিত বলতে কোনো শব্দ আমাদের কাছে নেই। আবেদন করে কেউ পণ্য বাজারে বিক্রি করতে পারে না। ঠিকানা পেলে আমরা ব্যবস্থা নিব।’<br>বাজারে ভোজ্যতেলের প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড ‘রূপচাঁদা’। এ ব্র্যান্ডটির বোতলের মোড়কের হুবহু দিয়ে বিক্রি হচ্ছে ‘গৃহিণী’ নামের ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল। পণ্যটির গায়ে বিএসটিআইর লোগো থাকলেও তা আসল কি না তা নিয়ে সন্দেহ খোদ বিক্রিকারী দোকানির।<br>এরপরও কেন বিক্রি করছেন জানতে চাইলে কামরাঙ্গীরচরের মুদি দোকানি মনির হোসেন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এসিআই, রূপচাঁদা কোম্পানি এক লিটার তেলে পাঁচ-ছয় টাকা লাভ দেয়। গৃহিণীর হাফ লিটারেই ছয়-সাত টাকা লাভ। সব কাস্টমার তো আর ব্র্যান্ড বোঝে না। আমরা রাখি লাভের আশায়।’<br>রাজধানীর মোহাম্মদপুর, গাবতলী, মিরপুর, কামরাঙ্গীরচরসহ বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় বেকারি। এসব বেকারি আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করছে বিভিন্ন পাউরুটি, বিস্কুট, কেকসহ নানা খাদ্যপণ্য। তবে বেশিরভাগ বেকারির সরবরাহ করা পণ্যের গায়ে উৎপাদনের তারিখ নেই।<br>এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক জানান, অবৈধ এমন অনেক কোম্পানি একাধিকবার সিলগালা করা হলেও তারা পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তবে বিএসটিআই বারবার অভিযান চালাচ্ছে। এসব মানহীন পণ্য কেনার বেলায় ক্রেতাদেরও সতর্ক হতে হবে।<br>রিয়াজুল হক বলেন, ‘অভিযান চালানো আমাদের এটা চলমান প্রক্রিয়া। এমনও কোম্পানি আছে, যাদেরকে আমরা দুইবার-তিনবার সিলগালা করেছি। অপরাধীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু সাজা শেষে তারা যে আবার একই অপরাধ করবে না, এ গ্যারান্টি তো আমরা দিতে পারব না। সে আবার অপরাধ করলে আবার তাকে শাস্তি দিব।’ দেশে পুরোনো খ্যাতিসম্পন্ন কোম্পানি তিব্বতের কাপড় কাঁচার সাবানের চাহিদা রয়েছে। ৫৭০ সাবানের আদলে বিক্রি হচ্ছে ‘৬৭০’ নামের সাবান। এছাড়া টয়লেট ধোয়ার অতিপরিচিত হারপিকের আদলে হারপুন, রিন ডিটারজেন্টের আদলে রিমসহ এমন অর্ধশতাধিক অবৈধ পণ্যের ছড়াছড়ি বাজারে।<br>আসল-নকল পণ্য নিয়ে সন্দেহ হলে বিএসটিআইয়ে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক। ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ‘ভোক্তাদের প্রতি বার্তা হলো আমার নম্বরটা ওয়েবসাইটেই আছে। সন্দেহ হলেই অভিযোগ জানান। তথ্য পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো।’<br>ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলছেন, অবৈধ পণ্য বাজারে থাকার কোনো সুযোগ নেই। অনুমোদন ছাড়া পণ্য বিক্রি করা যাবে না।<br>ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ‘এমন অনেক প্রতিষ্ঠান সিলগালা করার পাশাপাশি পণ্য জব্দ করছি। দণ্ড দেয়া হচ্ছে। আমাদের নিয়মিত অভিযান চলেছে। যে সব প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র নেই এমন অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। আর যাদের কাগজপত্র আছে কিন্তু মানহীন পণ্যের জন্য তাদেরকে দণ্ড দেয়ার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।’<br>বাজারে এমন মানহীন নকল পণ্যের ছড়াছড়িতে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায় দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ। এ স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদের মতে, যারা অনুমোদন দেয়, লাইসেন্স প্রদানকারী সংস্থা, বাজারে কি বিক্রি হচ্ছে না হচ্ছে তাদের অবশ্যই নজরদারি থাকতে হবে।<br>ঢাকা টাইমসকে সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, ‘কারা লাইসেন্স নিয়ে পণ্য উৎপাদন করছে, কারা লাইসেন্স নিচ্ছে না এর তো একটা তালিকা থাকতে হবে। সে অনুযায়ী একটা প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকা দরকার। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের পণ্যে বৈধ প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা ক্রেতা বা ভোক্তারা ঠকছেন।<br>পণ্য নিয়ে ঠগবাজির স্থায়ী সমাধানে জোর দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষক বলেন, ‘যে কোনো পণ্য বিক্রি হচ্ছে দোকানে। যে সমস্ত পণ্যের লাইসেন্স নেই, সে পণ্য বিক্রি করা হলে দোকানদারকে জরিমানা করতে হবে। তাহলে দোকানদার পণ্য রাখার সময় সতর্ক থাকবে। মাসে দুই একবার দোকানগুলোতে অভিযান চালিয়ে দোকানদারকে যদি নিয়ন্ত্রণ করা যায় তাহলে এসব পণ্য বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ আছে। পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আছে। তাদের নিজস্ব টিম আছে। এগুলো দিয়ে খুঁজে বের করতে হবে কারা এ ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে।’<br>এরপরও বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার যদি ক্ষমতা না থাকে তাহলে সরকারের ভিন্নভাবে চিন্তা করতে হবে বলে মনে করছেন এ স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ। জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ এটাকে নজরদারি করার দায়িত্ব নিতে পারে বলেও পরামর্শ দিচ্ছেন সৈয়দ আবদুল হামিদ।<br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:54:50 1970-01-01 00:00:00 কলিমউল্লাহর বক্তব্য ‘অসত্য, বানোয়াট, রুচিবিবর্জিত’: শিক্ষা মন্ত্রণালয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104537 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614868460_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614868460_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে দোষারোপ করে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিকে অনভিপ্রেত, অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রুচিবিবর্জিত বলে বিবৃতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের সইয়ে গণমাধ্যমের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দিয়েছে। সেখানেই এ কথা বলা হয়েছে। এর আগে সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংবাদ সম্মেলন করে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ নিজের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এসব অভিযোগ ও ইউজিসির ‘এমন তদন্ত’ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির আশ্রয়–প্রশ্রয় ও আশকারায় হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর আশকারায় পরিস্থিতি এ অবস্থায় এসেছে বলেও অভিযোগ করেন অধ্যাপক কলিমউল্লাহ।<br><br>এ অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে অনুরোধ জানানো হয়। ইউজিসি তাদের নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তদন্ত সম্পন্ন করে মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠায়। ইউজিসি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। তাই এ প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে মন্ত্রণালয় বা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অভিযোগ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ছাড়া অধ্যাপক কলিমউল্লাহ শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে কিছু ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বক্তব্য রেখেছেন, যা নিতান্তই অনভিপ্রেত।<br><br>পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে যে সভায় শিক্ষামন্ত্রীর দেরিতে আসা নিয়ে কথা বলেছেন অধ্যাপক কলিমউল্লাহ, সেই সভাটি গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরে সময় পরিবর্তন করে তা বিকেলে নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের অভিন্ন ন্যূনতম নির্দেশিকা প্রণয়নসংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সভা থাকায় সময়টি পরিবর্তন করা হয়েছিল। অনিচ্ছাকৃত এই দেরির কারণে বিশেষভাবে দুঃখও প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেদিনের অনিচ্ছাকৃত দেরিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অধ্যাপক কলিমউল্লাহ যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা শুধু অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনকই নয়, নিতান্তই রুচিবিবর্জিত।<br><br>মন্ত্রণালয় বলছে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকাশনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর একটি বাণী একবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলন চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী সেই বাণী দেওয়া সমীচীন মনে করেননি। এরপর বিগত এক বছরে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আর কোনো বাণী চাওয়া হয়নি।<br><br>অধ্যাপক কলিমউল্লাহ এসবের বাইরেও শিক্ষামন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার কথা উল্লেখ করে রাজনীতিকে জড়িয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যার সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কোনো বিষয়ের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে। এ ছাড়া নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে যেসব বক্তব্য রেখেছেন, সেসব বিষয়েও এ মুহূর্তে মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকছে। কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পসংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি ইউজিসি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতিসংক্রান্ত আরেকটি অভিযোগের তদন্ত চলমান। এ অবস্থায় কলিমউল্লাহর সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া অন্যান্য সব বক্তব্য সম্পর্কে মন্ত্রণালয় প্রতিবেদন প্রাপ্তি ও বিবেচনার পর যথাযথ প্রক্রিয়ায় বক্তব্য উপস্থাপন করবে।</body></HTML> 2021-03-04 20:33:55 1970-01-01 00:00:00 হ্যাটট্রিকের পর হজম করলেন টানা সাত ছক্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104536 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867332_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867332_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>এক ওভারের ছয় বলে টানা ছয়টি ছক্কা মারার রেকর্ড নতুন নয়। এর আগেও হয়েছে। হার্শেল গিবস এবং যুবরাজ সিং এই রেকর্ড আগেও গড়েছেন। সে তালিকায় তৃতীয় ব্যক্তি হলেন কাইরন পোলার্ড।<br>কিন্তু শ্রীলঙ্কান স্পিনার আকিলা ধনঞ্জয়ার জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি যেমন আনন্দের, তেমন বেদনারও। হঠাৎ করেই বল ঘূরিয়ে এভিন লুইস, ক্রিস গেইল এবং নিকোলাস পুরানের মত ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে করে ফেলেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক।<br>কিন্তু পরের ওভারেই পোলার্ডের হাতে টানা ছয় বলে ছয়টি ছক্কা হজম করলেন। সেখানে থামলেও কথা ছিল। টানা সাত বলে সাত ছক্কা হজম করা প্রথম বোলার হয়ে গেলেন আকিলা ধনঞ্জয়া।<br>পোলার্ডের কাছে ছয় ছক্কা হজম করার পরের ওভারে বল করতে এসে প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেন জেসন হোল্ডারের ব্যাট থেকে। টানা ৭ বলে ৪২ রান দেয়া বোলার ইতিহাসে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। টি-টোয়েন্টিতে টানা ছয় বলে ছয়টি ছক্কার রেকর্ড প্রথম গড়েছিলেন যুবরাজ সিং। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংলিশ বোলার স্টুয়ার্ট ব্রডের এক ওভারে ছয়টি ছক্কার মার মারেন তিনি। সেবার ব্রডের ১৯তম ওভারে পরপর ছয়টি ছক্কা মেরে ১২ বলে করেছিলেন হাফ সেঞ্চুরি।<br>তবে যুবরাজের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার আগে এক ওভারে টানা ছয়টি ছক্কা মারার কৃতিত্ব গড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে (ওয়ানডে) নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এক ওভার ছয় ছক্কার রেকর্ড গড়েছিলেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে রেকর্ড গড়েন পোলার্ড।<br>ক্যারিবিয়ান পোলার্ডের ঝড়ে উড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। মাত্র ১১ বলে ৩৮ রান করে আউট হন তিনি। দলকে জয় এনে দেওয়ার জন্য এই ইনিংসই ছিল যথেষ্ট। প্রথমে ব্যাট করে ১৩১ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। রান তাড়া করতে নেমে ১৩.১ ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪ উইকেটে প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা। ধনঞ্জয়ার তৃতীয় ওভারে ৩৬ রান নেন পোলার্ড। এর আগের ওভারেই হ্যাটট্রিক করেন ধনঞ্জয়। এভিন লুইস, ক্রিস গেল এবং নিকোলাস পুরানকে পরপর তিন বলে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেছিলেন লঙ্কান স্পিনার। সেই আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি পোলার্ড, এরপর হোল্ডার। ৪ ওভারে ধনঞ্জয়া দিয়েছিলেন মোট ৬২ রান।</body></HTML> 2021-03-04 20:15:12 1970-01-01 00:00:00 খোলা মাঠে টাইগারদের প্রথম অনুশীলন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104535 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867295_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867295_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল নিউজিল্যান্ডের পৌঁছেছে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর থেকে এই প্রথমবারের মত বৃহস্পতিবার খোলা মাঠে অনুশীলন করার সুযোগ পেল টাইগররা। এদিন লিংকন গ্রিনে ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। এতে ক্রিকেটারদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। এদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনুশীলনের সময়ে তোলা একটি সেলফি আপলোড করে মুশফিকুর রহিম লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আটদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর দারুণ একটি সেশন পার করলাম।’ অনুশীলন নিয়ে একটি ভিডিওতে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন বলেছেন, ‘আজ অনুশীলনের শুরুতে আমরা ফিল্ডিং অনুশীলন করেছি। তারপর শর্ট ক্যাচ, হাই ক্যাচ প্র্যাকটিস করেছি। এখানে আবহাওয়া এবং বাতাসের একটি বিষয় আছে। এখানে কন্ডিশনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই ক্যাচিং অনুশীলন করেছি। তারপর আমরা স্বল্প সময় ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলন করেছি।' তিনি আরো বলেন, ‘শেষ দিকে আমরা কিছু সময় ফিটনেস অনুশীলন করেছি। কারণ গত সাত দিনে আমরা ফিটনেস নিয়ে তেমন কাজ করার সুযোগ পায়নি। ট্রেনারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা রানিং সেশন করেছি। সামনের দিনগুলোতে অনুশীলনের মাধ্যমেই আমরা এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার চেষ্টা করব।’ নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। এ বিষয়ে সাইফউদ্দিন বলেন, ‘ওয়ানডেতে আমরা ভালো দল। অবশ্যই জয়ের আশা নিয়েই আমরা মাঠে নামব। যদি মাঠে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারি, দিনটি যদি আমাদের থাকে তাহলে অবশ্যই ফলাফল আমাদের অনুকূলে আসবে। সিরিজে টি-টোয়েন্টি ম্যাচও আছে। এখান থেকে ভালো কিছু অর্জন করেই আমরা দেশে ফিরতে চাই।’ এই সফরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ডানেডিনে আগামী ২০ মার্চ ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সিরিজ।<br> and nbsp;ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি ক্রাইস্টচার্চে ও তৃতীয় ম্যাচটি ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ২৩ ও ২৬ মার্চ।<br>হ্যামিলটনে ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ৩০ মার্চ নেপিয়ারে হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। ১ এপ্রিল অকল্যান্ডে হবে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:14:34 1970-01-01 00:00:00 বাবর-নবির ঝড়ে শীর্ষে করাচি কিংস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104534 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867255_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867255_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>পাকিস্তান সুপার লিগে নিয়মিতই রান করে যাচ্ছেন দেশটির আইকনিক ব্যাটসম্যান বাবর আজম। জাতীয় দলের অধিনায়ক হলেও পিএসএলে তার দলের অধিনায়ক ইমাদ ওয়াসিম। যে কারণে নেতৃত্বের চাপ দুরে সরিয়ে রেখে নিশ্চিন্তেই ব্যাট করে যেতে পারছেন বাবর আজম।<br>বুধবার রাতেও অসাধারণ ব্যাটিং করলেন পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান। মূলতঃ তার ব্যাটিং তা-বেই পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে ৬ উইকেটের অসাধারণ এক জয় এনে দিয়েছে করাচি কিংসকে বিগ স্কোরিং ম্যাচ হওয়ার পরও বাবর আজমের সঙ্গে আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবির ব্যাটিংই করাচির জয়ে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ১৮৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৩ বল হাতে থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় করাচি। বাবর আজম অপরাজিত থাকেন ৭৭ রানে এবং মোহাম্মদ নবি করেন ৬৭ রান। ১৮৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই শারজিল খানের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে করাচি। এরপরই বাবর আজম আর জো ক্লার্ক জুটি বাধেন। ২২ রানের জুটি গড়ার পর ১৭ রান করে বিদায় নেন জো ক্লার্ক। কলিন ইনগ্রাম আউট হন মাত্র ৩ রান করে। এরপরই ১১৮ রানের জুটি গড়েন বাবর আজম এবং মোহাম্মদ নবি। তাদের এই জুটির ওপর ভর করেই মূলতঃ জয় পায় করাচি কিংস। ৩৫ বলে ৮ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ৬৭ রান করেন মোহাম্মদ নবি। ৪৭ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৭৭ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন বাবর আজম। ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন ড্যানিয়েল ক্রিশ্চিয়ান। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রবি বোপারার ৫৮ এবং শেরফান রাদারফোর্ডের ৪৬ রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান সংগ্রহ করে পেশোয়ার জালমি। কামরান আকমল করেন ২১ রান। মোহাম্মদ আমির এবং মোহাম্মদ ইলিয়াস নেন ২টি করে উইকেট।<br>এই জয়ে পিএসএলের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে অবস্থান করছে করাচি কিংস। ৫ ম্যাচে ৩ জয়ে তাদের পয়েন্ট ৬। সমান পয়েন্ট পেশোয়ার জালমি এবং ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের। তবে, রান রেটে পিছিয়ে রয়েছে তারা। যদিও ইসলামাবাদ খেলেছে এক ম্যাচ কম।<br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:14:03 1970-01-01 00:00:00 ম্যাক্সওয়েলের ছক্কায় ফাটল চেয়ার, উঠছে নিলামে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104533 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867227_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867227_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>করোনা পরবর্তী ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সুবিধা করতে পারেননি গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। অস্ট্রেলিয়ান তারকাকে ছেড়ে দেয় পাঞ্জাব। তবে আসন্ন আইপিএলে ডান-হাতি এই হার্ড হিটার ব্যাটসম্যানকে ১৪ কোটি ২৫ লাখ টাকায় নিজেদের করে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু (আরসিবি)।<br>এত চড়া মূল্যে দল পাওয়া ম্যাক্সি নিউজিল্যান্ডের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে প্রথম দুই ম্যাচে হতাশ করে। দলও হেরেছে ম্যাচ দুটি। এতে সমালোচনাও শুনতে হয় ব্যাঙ্গালুরুকে। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ম্যাক্সওয়েল ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অতিরা। ৬৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে অ্যারন ফিঞ্চের দল। ওয়েলিংটনে মাত্র ২৫ বলে ক্যারিয়ারে নবম টি-টোয়েন্টি অর্ধশতক তুলে নেন ম্যাক্সওয়েল। শেষ পর্যন্ত ৩১ বলে ইনিংস খেলে ৭০ রানে টিম সাউদির বলে থামেন তিনি। ৮টি চার এবং ৫ টি ছয়ে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস।<br>ইনিংসের ১৭তম ওভারে বল করেছিলেন জেমি নিশাম। ওই ওভারে ম্যাক্সি তুলে নেন ২৮ রান। ওভারের প্রথম বলে তার হাঁকান ছক্কা। বলটি আঘাত হানে গ্যালারির একটি চেয়ারে। ফেটে যায় চেয়ারটি। এবার সেই চেয়ারটিকেই নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যার থেকে আয় করা অর্থ ব্যবহার করা হবে গৃহহীনদের সাহায্যে। এমনটাই জানাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যমগুলো।<br>আগামী ৫ ও ৭ মার্চ একই মাঠে বসবে সিরিজের চতুর্থ ও পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।</body></HTML> 2021-03-04 20:13:32 1970-01-01 00:00:00 চট্টগ্রামের জেলসুপারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে পিবিআই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104532 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867034_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614867034_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আসামিকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম জেল সুপারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পিবিআইকে তদন্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। <br>বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) দুপুরে হাজতি আসামি রূপন কান্তি নাথের স্ত্রী ঝর্ণা রানীর দায়েরকৃত অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এই আদেশ দেন। মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডেভোকেট ভুলন লাল ভৌমিক মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রূপন কান্তি নাথ নামে এক হাজতি আসামিকে বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে হত্যা চেষ্টা করায় জেল সুপারসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলার ও জেলখানার কর্তব্যরত এক সহকারী সার্জনকে বিবাদী করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজত মৃত্যু নিবারণ আইন ২০১৩ এর (১ ও ২) এবং ক, খ, গ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। <br>আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে অভিযোগের শুনানী শেষে আদালত অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের আদেশ প্রদান করেছেন বলে জানান ভুলন লাল। মামলার বাদী ঝর্ণা রানী দেবনাথ মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তার স্বামী রূপম কান্তি নাথ জিআর ৩৩২/১৮ নম্বর মামলায় সুস্থ অবস্থায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে যান। কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে সম্মতি আদায়ের জন্য অভিযুক্ত বিবাদীরা পরস্পরের যোগসাজসে চট্টগ্রামের কারাগারের সাঙ্গু ১ নম্বর ভবনে গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ ও ২৫ তারিখের যেকোনও সময় বৈদ্যুতিক শক ও বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে কারাবন্দি রূপম কান্তি নাথকে নির্যাতন ও হত্যা চেষ্টা করে। গুরুতর অসুস্থ রূপন কান্তি নাথ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক?্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। <br></body></HTML> 2021-03-04 20:10:13 1970-01-01 00:00:00 ছিনতাইয়ের কবলে এবার পুলিশ অফিসার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104531 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866997_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866997_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এবার ছিনতাইয়ের কবলে পড়লেন পুলিশ অফিসার। ছিনতাইকারীরা পুলিশের এসআই and nbsp; রায়হান উদ্দিনের কাছ থেকে কেড়ে নিল নগদ টাকাসহ দেড় লাখ টাকার মালামাল। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রেলস্টেশন রোডের কবরস্থানের সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।<br>এসআই and nbsp; রায়হান উদ্দিন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জসীম উদ্দিনের ছেলে। তার বাসা ভৈরববাজার ভূষিপট্টি এলাকায়। তিনি চট্টগ্রাম সদর কোর্টে কর্মরত আছেন। এসআই and nbsp; রায়হান উদ্দিন বলেন, আমি কয়েক দিনের ছুটিতে মঙ্গলবার ভৈরবের নিজ বাসায় এসেছি। আমার মা কয়েক দিন যাবত অসুস্থ। বুধবার ভোরে উন্নত চিকিৎসা করাতে মাকে নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলাম। বাসা থেকে রিকশাযোগে ভৈরব রেলস্টেশনে যাওয়ার সময় পৌর কবরস্থানের সামনে গেলে একদল ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রসহ রিকশার গতিরোধ করে। তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমার সঙ্গে মা ও ভাগ্নে ছিল। এ সময় ছিনতাইকারীরা আমাদের ছুরির ভয় দেখিয়ে চারটি মোবাইল, একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও রূপার চেইন, একটি স্বর্ণের আংটি ও নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এসব মোবাইল ও স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪০ হাজার টাকা হবে বলে তিনি দাবি করেন। and nbsp; ঘটনায় পুলিশ অফিসার রায়হান উদ্দিন নিজে বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি মামলা করেছেন। ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। <br>মামলা করার পর পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।</body></HTML> 2021-03-04 20:08:30 1970-01-01 00:00:00 বালিকা বিদ্যালয়ের সনদ দিয়ে ভোটার হতে গিয়ে যুবক আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104530 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866842_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866842_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে জেএসসির জাল সনদ দিয়ে নতুন ভোটার হতে গেলে এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট অফিস। আটক যুবক কুড়িগ্রাম পৌরসভা এলাকার চর হরিকেশ গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। সে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস কার্যালয়ে এলে তাকে আটক করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে ভোটার হওয়ার আবেদন করে ওই যুবক রাজ্জাক। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে সে জেএসসি সনদের মূল কপি যাচাইকালে তার নাম ও জন্ম তারিখ স্ক্যান করে পরিবর্তন করার সত্যতা খুঁজে পায়। সে ২০১৪ সালে ত্রিমোহনী জুনিয়র গার্লস (বালিকা) হাইস্কুল থেকে ৮ম শ্রেণি পাসের জাল সনদ জমা দেয়। কিন্তু ছেলে হয়ে বালিকা বিদ্যালয়ের সনদ দেয় সে। সনদের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়। <br>কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। <br></body></HTML> 2021-03-04 20:04:34 1970-01-01 00:00:00 হুজুরের বিচার করতে পারবো না, বিচারের ভার আল্লাহর কাছে দিলাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104529 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866649_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614866649_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br></div><div>ইয়াসিন, বয়স মাত্র সাত। সন্তানকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে বাবা-মা তাকে শ্রীপুর দাদির কাছে পাঠিয়ে দেন। দাদি তাকে ভর্তি করে দেন মাদ্রাসায়। and nbsp; সম্প্রতি মাদ্রাসায় হুজুরের চাহিদামতো পড়া দিতে পারছিল না ইয়াসিন। এ কারণে ইয়াসিনকে নির্মমভাবে কয়েকদফা মারধর করেন হুজুর। এক পর্যায়ে হুজুরের অমানবিক আচরণ সহ্য করতে না পেরে বুধবার (৩ মার্চ) সকালে ইয়াসিন মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে দাদির বাড়ি চলে আসে। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া পূর্বখ- এলাকার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে। বাবা মফিজুল ইসলাম নিজ এলাকায় মুদি দোকানি। মা গৃহিণী। এক বছর আগে ইয়াসিনকে হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র হিসেবে ভর্তি করা হয়েছিল জানিয়ে বাবা মফিজুল হক বলেন, ‘হজুর ক্ষমা চেয়েছে। স্থানীয়রাও আমাদের বুঝিয়ে বলেছে। তাই ছেলেকে নিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছি।’</div> and nbsp;ইয়াসিনের মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘এভাবে কোনো মানুষ কোনো পশুকেও মারতে পারে না। সন্তানকে লেখাপড়া করানোর জন্য এখানে দিয়েছিলাম। কিন্তু তা আর হলো না। হুজুরের বিচার তো, আমরা করতে পারবো না, তাই এর বিচারের ভার আল্লাহর কাছেই দিলাম।’<br>অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ওই মাদ্রাসার মুহতামিম। শ্রীপুরের কেওয়া পূর্বখ- গ্রামে ভাইয়ের সঙ্গে তিনি মাদরাসাটি গড়ে তোলেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সে পড়া দিচ্ছিল না, তাই তাকে মেরেছি। কিন্তু বিষয়টা এত বড় হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি।’ <br><br><br><br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-04 20:03:30 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর দাগনভূঞায় গ্রাহকের অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘সকস বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104528 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614863287_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614863287_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br><div>ফেনীর দাগনভূঞায় অসহায় ও হতদরিদ্র শত শত গ্রাহকের কোটি টাকা মেরে উধাও হয়ে গেছে ‘সকস বাংলাদেশ’ নামের একটি এনজিও। মোটা অঙ্কের ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় এনজিওটি। ফলে জীবনের সঞ্চয় হারিয়ে গ্রাহকরা এখন দিশেহারা হয়ে বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এমন ঘটনায় বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছে।</div><div><br></div><div> ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন স্বপন হোটেল নামের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে ‘সকস বাংলাদেশ’ নামে ভুয়া একটি এনজিও। অফিস কর্তৃপক্ষ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার কথা বলে ১০, ২০, ৫০ হাজার টাকা করে সঞ্চয় নেয়। এক পর্যায়ে তারা বুধবার (৩ মার্চ) ঋণ নিতে এসে দেখেন অফিসে তালা ঝুলছে। প্রতারকরা রাতেই গ্রাহকদের টাকা ও অফিসের মালামাল নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। একপর্যায়ে হাসিনা মমতাজ নামে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।</div><div><br></div><div> পুলিশ প্রতারকদের শনাক্ত করাসহ টাকা লেনদেনের বিষয় খতিয়ে দেখছে বলে জানান উপ পরিদর্শক আরিফ হোসেন। এদিকে বুধবার and nbsp; ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা আক্তার তানিয়া বলেন, গ্রাহকদের অভিযোগ and nbsp; পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দিয়েছি। এসময় ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।</div></body></HTML> 2021-03-04 19:07:26 1970-01-01 00:00:00 ঢাকায় জমি নিয়ে বিরোধে খুনে ৮ জনের যাবজ্জীবন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104527 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614856509_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/03/1614856509_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর তুরাগে আলেক মিয়া হত্যা মামলায় আট আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বিচারক ইকবাল হোসেন আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হচ্ছেন : আবদুর রাজ্জাক, আবদুস সাত্তার, আবদুল জব্বার, আউয়াল মিয়া, আলাল উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, সমর আলী এবং তমিজ উদ্দিন ওরফে তমু। তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে তাদেরকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।<br><br>অন্যদিকে মামলার আরেকটি ধারায় সোহেল ওরফে সোহেল রানা, সোহরাব মিয়া, বাবুল মিয়া ও ফিরোজ মিয়াকে দেড় বছর কারাদণ্ড দেন আদালত।<br>আবদুল বারেক, মোস্তফা ও ওমর আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় বিচারক তাদের খালাস দেন। প্রসঙ্গত, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০০৮ সালের ২৫ জুন তুরাগ থানাধীন নলভোগ গ্রামের আলেক মিয়াকে তার বাড়িতে পিটিয়ে আহত করেন আসামিরা। পরে তার মৃত্যু হয়। <br></body></HTML> 2021-03-04 17:14:01 1970-01-01 00:00:00