http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - রোহিঙ্গাদের এনআইডি সরবরাহ একটি পারিবারিক ব্যবসা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82601 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568974513_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568974513_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাইয়ে দেয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন অফিসে কর্মরত দুই পরিবারের সদস্যরা জড়িত বলে নিশ্চিত হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ দুই পরিবারের সদস্যরা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে কর্মরত। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে মামলার তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। মোস্তফা ফারুক (৩৫) নামে ওই কর্মচারী চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের অধীন হালনাগাদ কার্যক্রমে টেকনিক্যাল সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে কর্মরত। এর আগে সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে তিনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, আনোয়ারা, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও বোয়ালখালী উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেন।<br><br>কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া জানান, জিজ্ঞাসাবাদের মোস্তফা ফারুকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য খুব স্পর্শকাতর। তাই তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তিনি জালিয়াতির ঘটনায় সরাসরি জড়িত। বৃহস্পতিবার রাতেই তার হামজার বাগের বাসায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।<br><br>রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ফারুকের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের দুটি রেজিস্টার্ড ল্যাপটপ, একটি মডেম, তিনটি সিগনেচার প্যাড ও জাতীয় পরিচয়পত্র লেমেনিটিং মেশিন জব্দ করা হয়েছে।<br><br>সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ফারুকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডেল মডেলের ল্যাপটপটি নির্বাচন কমিশনের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট শনাক্ত করেছেন, যা নির্বাচন কমিশনের ল্যাপটপ। তবে ল্যাপটপের তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। আমরা পেনড্রাইভে রোহিঙ্গাদের অনেক তথ্য পেয়েছি। সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।<br><br>গ্রেফতার মোস্তফা ফারুক চট্টগ্রাম নগরের হামজার বাগ এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা মো. ইলিয়াসের ছেলে। তাদের স্থায়ী বাড়ি ফেনীর দমদমা লস্কর হাটে।<br><br>দুদক সূত্র জানা গেছে, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের হাতে গ্রেফতার মোস্তফা ফারুক নির্বাচন কমিশনের এক কারিগরি বিশেষজ্ঞের নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের এনআইডি পাইয়ে দেয়ার কাজ করছিলেন। ফারুক ওই ব্যক্তির চাচাতো ভাই। একই ব্যক্তির আপন ভাই নগরের ডবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসে কর্মরত আছেন। এছাড়া তার এক ভাগ্নী বাঁশখালি উপজেলা নির্বাচন অফিসে কম্পিউটার অপারেটর পদে কর্মরত।<br><br>দুদকের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এনআইডি জালিয়াতি এ চক্রের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তির বোন চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তার এক খালাতো ভাই অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন কক্সবাজার সদর নির্বাচন অফিসে। চাচাত ভাই চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করেন।<br><br>মূলত ১৬ সেপ্টেম্বর ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীনসহ তিনজনকে আটকের পর জিজ্ঞসাবাদে রোহিঙ্গাদের এনআইডি পাইয়ে দেয়ার এ নতুন চক্রের বিষয়ে জানা গেছে।<br><br>এদিকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সালে কোতোয়ালী থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন মোস্তফা ফারুক। সে সময় হাবিব উল্লাহ সওদাগর নামে এক ব্যক্তি নগরীর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড থেকে ভোটার হওয়ার আবেদন করেছিলেন। ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দেয়ায় তৎকালীন কোতোয়ালী থানা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ তার আবেদন বাতিল করেন। কিন্তু মোস্তফা ফারুক নিবন্ধন ফরম নম্বর পরিবর্তন করে ওই ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন এবং ওই ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্রও সংগ্রহ করেন। পরে ওই বছরের ২৯ জুন এ প্রকল্পের উপ পরিচালক মো. ইলিয়াস ভূঁইয়া তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।<br><br>দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপ সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন and nbsp; বলেন, এর আগে গ্রেফতার জয়নাল বা জিজ্ঞাসাবাদে থাকা ফারুক নির্বাচন কমিশনে কর্মরত স্বজনদের যোগসাজোসে এমন বড় বড় কাণ্ড ঘটিয়েছে। দুটি চক্রেই তাদের পরিবারের সদস্যরা জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।<br><br>গত ১১ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গাদের এনআইডি পাইয়ে দেয়া চক্রের অনুসন্ধানে কক্সবাজার থেকে কাজ শুরু করে দুদক। টানা পাঁচদিনের অনুসন্ধানে কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা দালালসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় জয়নাল আবেদীন, বিজয় দাস ও তার বোন সীমা দাসকে আটক করা হয়।<br><br>জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুনির হোসাইন খান জানান, জয়নাল আবেদীনের হেফাজতে থাকা নির্বাচন কমিশনের লাইসেন্স করা ল্যাপটপটি ব্যবহার করে ওয়েবক্যাম দিয়ে ছবি তোলাসহ জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সব কাজই করা যায়। জাতীয় তথ্য ভাণ্ডারে এন্ট্রিও দেয়া যায়। এই ল্যাপটপটি ব্যবহার করেই তারা এনআইডি জালিয়াতি করেছে। এ সময় জয়নাল আবেদীনের হেফাজতে থাকা নির্বাচন কমিশনের লাইসেন্স করা একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।<br><br>এ তিনজনকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে জাল এনআইডি বানানোর পারিবারিক ব্যবসার চমকপ্রদ কাহিনী। যেখানে পুরো ঘটনার মধ্যমণি হয়ে কাজ করেছেন ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীন।<br><br>জানা যায়, ২০০৪ সালে জয়নালের মামা তৎকালীন নির্বাচন কমিশন সচিব স ম জাকারিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন অফিসে অফিস সহায়ক (চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী) হিসেবে যোগদান করে। দীর্ঘদিন রাঙামাটি নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কাজ করার পর ২০১৭ সালে বদলি হয়ে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আসেন। এরপরই জাল জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির কাজ শুরু করেন।<br><br>চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, রোহিঙ্গাদের এনআইডি দেয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা পালন করে জয়নাল। তার এক মামার মাধ্যমে ২০০৪ সালে নির্বাচন কমিশনে অফিস সহায়ক হিসেবে নিয়োগ পায়। সেই বছরই দেড় কোটি ভুয়া ভোটার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার কারণে জয়নালের মামাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়। কিন্তু নিজের মামা নির্বাচন কমিশনের বড় কর্তা হওয়ায় জয়নালের আচরণ ছিল বেপরোয়া। সর্বশেষ তাকে বান্দরবানের থানচি নির্বাচন অফিসে বদলি করা হলেও তিনি পুনরায় নগরের ডবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসে বদলি হয়ে চলে আসেন।<br><br>দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের এনআইডি পাইয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা পালন করা জয়নালের অন্তত ১০ স্বজন ঢাকা-চট্টগ্রামসহ নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন দফতরে চাকরি করছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন তার বোনের জামাই নূর মোহাম্মদ। নির্বাচন কমিশনের ঢাকা অফিসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন জয়নালের স্বজন ওসমান গণী চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত রয়েছেন জয়নালেন খালাতো ভাই মোজাফ্ফর। রাঙ্গামাটি জেলা নির্বাচন অফিসে উচ্চমান সহকারী হিসেবে কাজ করছেন জয়নালের আরেক স্বজন মোহাম্মদ আলী। এরমধ্যে কক্সবাজার নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক মোজাফফর রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রামে জয়নালের কাছে পাঠাতেন। চট্টগ্রামে নিয়ে আসতেন জয়নালের আরেক স্বজন জাফর ও আরেক সহযোগী নজিবুল আমিন।<br><br>চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীনবলেন, রোহিঙ্গাদের এনআইডির জন্য চট্টগ্রাম থেকে ছবি, আঙুলের ছাপসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক মো. জয়নাল আবেদীন সরবরাহ করতেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ছুটির দিনে অফিস থেকে নিয়ে আসা ওয়েবক্যাম, ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়ার যন্ত্র, স্ক্যানার, সিগনেচার প্যাড বাসায় ব্যবহার করতেন। জয়নালের চাকরি অফিস সহায়ক হলেও থাকতেন ফ্ল্যাট বাসায়। নগরের সাব-এরিয়া এলাকায় জয়নালের বাসা ছিল ‘মিনি সার্ভার স্টেশন।‘<br><br>তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের ভোটার করার কাজে তাকে তার স্ত্রী ছাড়াও সৈকত বড়ুয়া, শাহজামাল, পাভেল বড়ুয়া, বয়ান উদ্দিন নামের চার ব্যক্তি সহযোগিতা করতেন। তবে ডাটা ইনপুটের কাজ করতেন নির্বাচন কমিশনের সাবেক দুই কর্মচারী সাগর ও সত্যসুন্দর দে। রোহিঙ্গাদের জন্য প্রতিটি জাতীয় এনআইডি বানাতে জয়নাল ৫০-৬০ হাজার টাকা নিতেন।<br><br>জিজ্ঞাসাবাদে জয়নাল জানায়, এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় নিবন্ধনের কাজ করছেন। অফিস সহকারী হলেও নির্বাচন কমিশনের লাইসেন্সধারী ল্যাপটপের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় নিবন্ধনের কাজ শুরু করেন ২০১৮ সাল থেকে। নির্বাচন অফিসের আরও অনেকে এ কাজে জড়িত। ৫০-৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিটি রোহিঙ্গাকে ভোটার করা হতো। দালাল আর নির্বাচন অফিসের বিভিন্ন জনকে দেয়ার পর একজন রোহিঙ্গাকে ভোটার করার বিনিময়ে জয়নাল পেতেন সাত হাজার টাকা।<br><br>জয়নাল জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের উচ্চমান সহকারী আবুল খায়ের তাকে এ পথে আনেন। নজিবুল্লা নামে একজন দালাল আবুল খায়েরের মাধ্যমে তার কাছে রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসতেন। রোহিঙ্গাদের ভোটার করতে দালাল নজিবুল্লার কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিতেন আবুল খায়ের। তার সঙ্গে যুক্ত আছে কক্সবাজারের আরও অনেকে।<br><br>আবুল খায়ের ছাড়াও আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের মোজাম্মেল, মিরসরাই নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন অফিসের হোসাইন পাটোয়ারি টেকনিক্যাল ও বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের টেকনিক্যাল সাপোর্ট স্টাফ মোস্তফা ফারুক এসব কাজে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বলে জানায় জয়নাল। </body></HTML> 2019-09-20 16:14:36 1970-01-01 00:00:00 সদ্য প্রয়াত বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালকের বাসায় এত্ত টাকা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82600 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568957155_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568957155_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাত্র আট দিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ঝিনাইদহ বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক বিলাস। তিনি বৃদ্ধ মাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। পরিবারের অন্য সদস্যরা তার সঙ্গে থাকতেন না। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল। যে কারণে তারা যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নামে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দেন প্রশাসনকে। পরে প্রশাসন গতকাল বুধবার ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ শহরের কলাবাগান পাড়ার ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ করেন।<br><br>জানা গেছে, বিলাস সরকারের মৃত্যুর পর ওই বাড়ি প্রশাসন সিলগালা করে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে তার পরিবারের দেওয়া তথ্যমতে এই অভিযান চালানো হয়। কারণ বিলাস সরকার কলাবাগান পাড়ার ভাড়া বাড়িতে তার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে থাকতেন। দাম্পত্য কলহের কারণে স্ত্রী সন্তানরা এখানে থাকতেন না।<br><br>জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযানের কথা স্বীকার করে জানান, উদ্ধারকৃত ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।<br><br>অভিযোগ উঠেছে উদ্ধারকৃত এই টাকা যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নামে ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। </body></HTML> 2019-09-20 11:25:25 1970-01-01 00:00:00 সিএনজি-লেগুনার সংঘর্ষে মা-ছেলের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82599 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955985_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955985_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে সিএনজি ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত নারীর স্বামীও। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের মারিশবনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।<br>নিহতরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকার জাকির আহমদের স্ত্রী সমজিদা (৩৫) ও তার এক বছরের ছেলে শোহাইব। আহত জাকির আহমেদকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গেল বুধবার সকালে অসুস্থ শিশু শোয়াইবকে নিয়ে কক্সবাজারে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন জাকির আহমদ ও তার স্ত্রী সমজিদা। চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে টেকনাফে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অটোরিকশাটি মারিশবনিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লেগুনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক বছরের ছেলে গুরুতর আহত হন। আহতদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে জাকির আহমদের স্ত্রী সমজিদা ও তার ছেলে শোহাইবকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শংকর দেবনাথ মা ও ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করেছে বলে জানা গেছে। </body></HTML> 2019-09-20 11:05:45 1970-01-01 00:00:00 মোজাম্বিকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82598 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955883_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955883_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মোজাম্বিকের মুকুবা শহরের পাশে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আরাফাত (২৩) ও আল আমিন নামে ২ বাংলাদেশিসহ মোট ৪ জন ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। আরও ৩ বাংলাদেশি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে মোজাম্বিকের মুকুবা শহর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় আসার পথে নামুতু নামক জায়গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে মেহেদী হাসান ও হুমায়ুন কবির নামে ২ বাংলাদেশি আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত। তবে আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।<br>মোজাম্বিকের মুকুবা বাংলাদেশ কমিউনিটি নিহত দুই ভাই আরাফাত ও আল আমিন কে তাদের পরিবারের সম্মতিতে সেখানে দাফন করা হয়েছে। তারা নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার মির ওয়ারিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাদের বাবার নাম সালেহ আহমেদ। </body></HTML> 2019-09-20 11:04:04 1970-01-01 00:00:00 চড় মারার প্রতিশোধ নিতেই স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82597 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955769_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955769_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চড় মারার প্রতিশোধ নিতেই নারায়ণগঞ্জে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলাকেটে হত্যা করেছে পাষন্ড স্বামী আব্বাস। সে পুলিশকে জানিয়েছে, প্রায় সময়ই তার স্ত্রী ও বাকপ্রতিবন্ধী কন্যাকে মারধর করত। এ ঘটনায় স্ত্রী ইয়াসমিন তার ছোট বোন নাজনীন বেগম ও তার স্বামী সুমনকে নালিশ করে। এক দিন এসব ঘটনা নিয়ে ছোট ভায়রা সুমনের সঙ্গে আব্বাসের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সুমন আব্বাসকে একটা চড় মারে। এতে ক্ষুব্ধ হয় আব্বাস। পরে শ্যালিকা নাজনীন ও ভায়রা সুমনকে শাসিয়ে যান আব্বাস। পরিকল্পনা করেন প্রতিশোধের। পুলিশ জানায়, ওই ক্ষোভ থেকেই বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শ্যালিকা নাজনীন ও তার দুই শিশু কন্যা নুসরাত (৮) এবং দুই বছরের খাদিজাকে কুপিয়ে ও জবাই করে নৃশংসভাবে হত্যা করে আব্বাস। এ সময় সে তার প্রতিবন্ধী কিশোরী কন্যা সুমাইয়াকেও কুপিয়েছে। সে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি আছে।<br><br>বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের পাওয়ার হাউজ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারের টেবিলের নিচ থেকে আটক করা হয় আব্বাসকে। সে তার শ্যালিকা ও তার দুই শিশুকন্যাকে সকালে হত্যার পর এখানে এসে লুকিয়ে ছিল। আব্বাসকে গ্রেপ্তারের পর এদিন সন্ধ্যা ৭টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ আসামিকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স মাঠে। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের ওইসব তথ্য জানান। আটক আব্বাস পটুয়াখালী জেলার সদরের পইক্কা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। সে সিদ্ধিরগঞ্জের বাতেন পাড়া এলাকায় স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভাড়ায় বসবাস করত। এবং নিহত নাজনীন তার স্বামী সুমন ও দুই শিশুকন্যাকে নিয়ে সিআই খোলা এলাকার ৭ম তলা ভবনের ৬ তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। সুমন সানারপাড় এলাকার জোনাকি পেট্রল পাম্পের কর্মচারী।আব্বাস পেশায় ওয়েটার। তবে গাড়ির গ্যারেজেও কাজ করে সে। কিন্তু মাদকাসক্ত ছিল বলে জানা গেছে। and nbsp; </body></HTML> 2019-09-20 11:02:21 1970-01-01 00:00:00 কঠোর প্রধানমন্ত্রী বললেন, একে একে সব ধরব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82596 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955640_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955640_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে সংশোধন করা হচ্ছে। এসময় তিনি নিজেদের ভাবমূর্তি বাড়াতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্ট্রাচার্যসহ ২৩ নেতাকর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। অনিয়মকারীদের কাউকে ছাড়া হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগের পর এখন যুবলীগকে ধরেছি। সামাজিক যেসব অসঙ্গতি এগুলো দূর করতে হবে। মারামারি খুনি, এই যে ক্যাসিনো নিয়ে মারামারি খুনোখুনি হবে এগুলো টলারেট করবো না।<br><br>তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নিয়ে আর কোনো নালিশ শুনতে চাই না। ছাত্রলীগকে তার গৌরব নিয়ে চলতে হবে তিনি আরও বলেন, আমি কষ্ট করে সব কিছু করছি দেশের জন্য, দেশের উন্নয়ন করছি, এর ওপর কালিমা আসুক সেটা আমি কোনোভাবে হতে দেবো না। আমি কাউকেই ছাড়বো না। যদি কেউ বাধা দেয় কাউকে ছাড়া হবে না। শেখ হাসিনা বলেন, সমাজের অসঙ্গতি এখন দূর করব। একে একে এসব ধরতে হবে। আমি করব। জানি এগুলো কঠিন কাজ। কিন্তু করব। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক বাধা আসবে। তারপরও আমি করবই। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে গোলাম রাব্বানীর পদত্যাগের পর আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর গণভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা সাক্ষাৎ করতে যান।<br><br>তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও বি এম মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন। গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন সাংগঠনিক নির্দেশনা নেন ছাত্রলীগ নেতারা। সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আল-নাহিয়ান খান জয়; সহ-সভাপতি তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন, সোহান খান, আরিফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান ও কাসফিয়া ইরা; সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত ) লেখক ভট্টাচার্য; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই- নোমান, মো. শাকিল ভূইয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহম্মেদ ও বেনজীর হোসেন নিশি; সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিনা ইতি, মামুন বিন সাত্তার ও সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া ছাত্রলীগ ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন; ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন ও মো. সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। </body></HTML> 2019-09-20 10:59:20 1970-01-01 00:00:00 যে নেপালিদের হাত ধরে ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের বিস্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82595 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955400_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568955400_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঝকঝকে আলোকচ্ছটায় রমরমা জুয়ার আড্ডায় প্রতিদিন উড়ত কোটি কোটি টাকা। ক্যাসিনোতে টাকা দ্বিগুণ করার প্রলোভনে পড়ে প্রতি রাতেই জুয়ার বোর্ডে সর্বস্ব হারিয়ে মানুষের চোখ ভিজলেও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে নেপালি জুয়াড়িচক্র।রিক্রিয়েশন সেন্টারের নামে সিঙ্গাপুর ও সিন সিটি লাসভেগাসের আদলে খোদ রাজধানীতে গড়ে তোলা হয় ক্যাসিনো (জুয়ার আস্তানা)। ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দুর্নীতিবাজ কিছু সদস্যের মদদে মূলত এ নেপালিরাই নিয়ন্ত্রণ করত ক্যাসিনো সাম্রাজ্য। বিদেশ থেকে প্রশিক্ষিত জুয়াড়ি এনে এই নেপালিরাই রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসার আড়ালে সাজিয়েছে পশ্চিমা ধাঁচের ক্যাসিনো ব্যবসা। ক্যাসিনো থেকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের মাসোহারা পেতেন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার থানার ওসি, এডিসি এবং ডিসি। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) নামে চাঁদা তোলা হতো। এমনকি ঢাকা মহানগর পুলিশের উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিয়মিত ক্যাসিনো থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিতেন।<br><br>সূত্র জানায়, ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের গডফাদারদের বিপুল অংকের অর্থসম্পদের খোঁজ শুরু হয়েছে। গোয়েন্দা অনুসন্ধানে ইতিমধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জুয়া ছাড়াও ইয়াবা-মদসহ বিভিন্ন মাদক সেবনের আখড়ায় পরিণত হয় এসব ক্যাসিনো। জানা গেছে, ১১ নেপালির হাত ধরে বাংলাদেশে ক্যাসিনোর বিস্তার লাভ করে। তারা হলেন- দিনেশ শর্মা, রাজকুমার, বিনোদ, দিনেশ কুমার, ছোট রাজকুমার, বল্লভ, বিজয়, সুরেশ বাটেল, কৃষ্ণা, জিতেন্দ্র ও নেপালি বাবা। রাজধানীতে যে কটি আধুনিক বৈদ্যুতিন ক্যাসিনো জুয়ার বোর্ড পরিচালিত হতো সেগুলোর বেশিরভাগই অপারেটিং সিস্টেম দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন তারাই। চীন ও নেপাল থেকে মোটা বেতনে অভিজ্ঞ নারী-পুরুষ এনে এরাই সচল রাখেন ক্যাসিনোর চাকা। এ ১১ নেপালির কেউ কেউ ইতোমধ্যে ক্যাসিনোর মালিকও হয়েছেন। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা ক্যাসিনোর মধ্যে অন্যতম মতিঝিলের দিলকুশা ক্লাব ও মোহামেডান ক্লাব, গুলিস্তানের ওয়ান্ডারার্স ক্লাব ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাব, ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব, নিউমার্কেট এলাকার অ্যাজাক্স ক্লাব, ধানমন্ডির ধানমন্ডি ক্লাব, কলাবাগান ক্লাব, গুলশান লিংক রোডের ফু-ওয়াং ক্লাব, মালিবাগের সৈনিক ক্লাব ও বনানীর গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ।<br><br>গত বুধবার ইয়ংমেনস ক্লাব, ওয়ান্ডার্স ক্লাব, বনানীর গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ ও গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ১৮২ জন জুয়াড়ি ও ক্যাসিনোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দ করা হয় ক্যাসিনোর উপকরণ ও মাদক। ক্লাবের আড়ালে আরও যেসব জায়গায় ক্যাসিনো আছে গা বাঁচাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্যাসিনো বোর্ড আপাতত বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।<br>জানা গেছে, মতিঝিলের দিলকুশা ক্লাব ও এলিফ্যান্ট রোডের এজাক্স ক্লাবের নিয়ন্ত্রক হলেন নেপালের বাসিন্দা রাজকুমার। মোহামেডান ক্লাব ও বনানীর আহম্মেদ টাওয়ারে অবস্থিত গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ নামে ক্যাসিনোর নিয়ন্ত্রক আবুল কাশেম এবং এমরান। গুলশানের ফুওয়াং ক্লাবের মালিক নুরুল ইসলাম ও টমাস বাবু; প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার তুষার। মালিবাগের সৈনিক ক্লাবের নিয়ন্ত্রক সুরেশ বাটেল, জিতেন্দ্র জসিম ও এবিএম গোলাম কিবরিয়া।<br><br>গ্যাম্বলিংয়ের (জুয়া খেলা) জগতে ডন হিসেবেই পরিচিত দিনেশ নেপালের বাসিন্দা দিনেশ শর্মা ও রাজকুমার। এদের পার্টনার দেলোয়ার নামে এক বাংলাদেশি। এ ছাড়া শক্তিশালী এ চক্রের অন্যতম সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাবা, বল্লভ, বিজয় নামে ৩ শীর্ষ জুয়াড়ি। এ চক্রটিই মূলত নিয়ন্ত্রণ করছে ঢাকার ক্যাসিনো বাণিজ্য। তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসা প্রশিক্ষিত চারশরও বেশি নেপালি জুয়াড়ি অনুমতি ছাড়াই দেশের বিভিন্ন নামিদামি রেস্টুরেন্ট ও ক্লাবভিত্তিক ক্যাসিনোয় কাজ করছেন। আরও জানা গেছে, এ চক্রের সদস্যরা জনবহুল এলাকা টার্গেট করে প্রথমে রেস্টুরেন্ট বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো একটি ভবনের এক বা একাধিক ফ্লোর বা কক্ষ ভাড়া নেয়। ধীরে ধীরে সেই ব্যবসার অন্তরালে গড়ে তোলে ক্যাসিনোর র‌্যাকেট। জমজমাট হতেই তারা মোটা টাকার বিনিময়ে অন্য কারও কাছে সেটি হস্তান্তর করে নতুন ভবন টার্গেট করে। একই পদ্ধতিতে সেখানে গড়ে তোলে লাস ভেগাসের আদলে বিশাল জুয়ার আখড়া। এভাবে তারা রাজধানীতেই অর্ধশতাধিক ক্যাসিনো গড়ে তোলে। এই পুরো চক্রটিকে পৃষ্ঠপোষকতা করেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের একজন প্রভাবশালী নেতা। তিনিই ক্যাসিনো বাণিজ্যের মূল চাবিকাঠি। ২০১৭ সালে প্রভাবশালী এ নেতার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছিল একটি গোয়েন্দা সংস্থা।<br><br>ঢাকার ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রকদের আরেক অন্যতম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। তিনি গত বুধবার রাতে অবৈধ অস্ত্র-মাদকসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন। এর পর একে একে গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ, ওয়ান্ডার্স ক্লাব ও গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনোগুলো সিলগালা করে দেন আদালত। অবৈধ জুয়া ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে র‍্যাবের হাতে আটক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্র ও মাদকের দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদা আক্তারের আদালতে হাজির করে খালেদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলায় সাতদিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ।<br><br>শুনানি শেষে আদালত খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো মালিক যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান থানায় ৩টি ও বিকালে মতিঝিল থানায় মাদক আইনে আরও একটি মামলা করা হয়।<br>এর মধ্যে র‌্যাব-৩ এর ওয়ারেন্ট অফিসার গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তিনটি মামলা দায়ের করেন। আর মতিঝিলি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন র‌্যাবের ওয়ারেন্ট অফিসার চাইলা প্রু মার্মা।<br>এর আগে বুধবার রাতে গুলশান-২ এর ৫৯ নম্বর রোডের ৫ নম্বর বাসায় অভিযান চালিয়ে আলোচিত এই যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছে অস্ত্র, গুলি ও মাদক পাওয়া যায়। এরপর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত র‌্যাব-৩ এর হেফাজতে ছিলেন খালেদ। মামলা দায়েরের পর খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।<br><br>র‌্যাব সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া অনেকের নামই বলেছেন। তবে তার সব কথা সঠিক নাও হতে পারে। খালেদের দেয়া তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ক্রীড়া সংগঠনের নামে এতদিন এসব ক্লাবে ক্যাসিনো এবং মাদকের আখড়া গড়ে উঠেছিল। ক্যাসিনোতে যে চীন ও নেপালি নাগরিক পাওয়া গেছে তারা চাকরি করেন বলে জানিয়েছেন। আদৌ তাদের ওয়ার্ক পারমিট আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্যাসিনোর সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।<br>বৃহস্পতিবার এ প্রসঙ্গে মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যেসব এলাকায় ক্যাসিনো চলত সেসব এলাকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে। র‌্যাব যেভাবে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে পুলিশকেও সেরকম কঠোর হতে হবে। </body></HTML> 2019-09-20 10:53:31 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি, ক্যামেরনকে বলেছিলেন সু চি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82594 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954861_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954861_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp; আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥<br>২০১৩ সালে এক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করেছিলেন মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি। নিজের স্মৃতিকথা ‘ফর দ্য রেকর্ড'-এ এর উল্লেখ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। ২০১২ সালে প্রথম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন ক্যামেরন। কিন্তু এরপর দেশটির অবস্থা, বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিষয়ে সু চির অবস্থান নিয়ে স্মৃতিকথায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। ক্যামেরন লিখেছেন, ‘‘আমি গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করি। তিনি শিগগিরই প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করবেন। ১৫ বছরের গৃহবন্দিত্ব থেকে সত্যিকার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা, তার এই দারুণ গল্প নিয়েই আমরা কথা বলেছি। কিন্তু ২০১৩ সালের অক্টোবরে সু চি যখন লন্ডন সফরে আসেন, সবার চোখ তখন রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর। বুদ্ধ রাখাইনরা তাদের নিজ বাসস্থান থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছিল। ধর্ষণ, হত্যা, জাতিগত নিধনসহ অনেক কিছুই আমরা শুনেত পাচ্ছিলাম। আমি তাকে বললাম, বিশ্ব সব দেখছে। তিনি উত্তর দিলেন, তারা আসলে বার্মিজ নয়। তারা বাংলাদেশি। এরপর ২০১৫ সালে তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নেতা হলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চলতেই থাকলো''<br><br>বাংলাদেশে এখন যে এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে, তার বড় অংশই বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করেছিল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। এরপর জাতিসংঘসহ নানা সংস্থার নানা উদ্যোগের পর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সরকারের আলোচনায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। বরং প্রত্যাবাসনের শর্ত হিসেবে উল্টো নিজেদের কিছু দাবির কথা তুলে ধরছেন রোহিঙ্গারা। এর মধ্যে আছে - নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, বাড়িঘর জমি ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো। </body></HTML> 2019-09-20 10:47:07 1970-01-01 00:00:00 মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কপিতে ভয়াবহ বর্ণনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82593 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954768_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954768_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রিফাত হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন পর গ্রেফতার হন তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। গ্রেফতারের পরই মিন্নি প্রধান সাক্ষী থেকে হন আসামি। পাঁচ দিনের রিমান্ডের দু’দিন শেষ হতেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। আদালতে দেয়া মিন্নির সেই জবানবন্দির একটি কপি পেয়েছি । রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া মিন্নির সেই স্বীকারোক্তি হুবহু পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো। আমি বরগুনা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করি। ২০১৮ সালে বরগুনা আইডিয়াল কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পাস করি। আইডিয়াল কলেজে পড়াশোনা করাকালীন ২০১৭ সালে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। ওই সময় রিফাত শরীফ বামনা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র ছিল। রিফাত শরীফ আমাকে তার কয়েকজন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে পরিচয় করে দেয় তার মধ্যে নয়ন বন্ড একজন। কলেজে যাওয়া আসার পথে নয়ন বন্ড আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে জ্বালাতন করতো। আমি তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় সে আমার বাবা ও ছোট ভাইকে ক্ষতি করার ভয় দেখাতো। বিষয়টি আমি রিফাত শরীফকে জানাইনি।<br><br>আমি রিফাত শরীফকে ভালোবাসতাম। কিন্তু রিফাত শরীফ অন্য মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক করার কিছু বিষয় আমি লক্ষ্য করি এবং এ কারণে রিফাতের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটে এবং আমি ধীরে ধীরে নয়ন বন্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ি এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।<br>আমি নয়নের মোবাইল নম্বরে আমার মায়ের মোবাইল নম্বর এবং নয়নের দেয়া নম্বর শেষে ৬১১৩ ও একটি নম্বর শেষে ৪৫ দিয়ে নয়নকে কল, ম্যাসেজ এবং ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কল দিতাম। বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াকালীন ধীরে ধীরে রিফাত ফরাজী, রিফাত হাওলাদার ও রাব্বি আকনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। রিফাত ফরাজী ও নয়ন বন্ডের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের কারণে নয়ন বন্ডের বাসায় আমার যাতায়াত ছিল। নয়নের বাসায় দুজনের শারীরিক সম্পর্কের কিছু ছবি ও ভিডিও নয়ন গোপনে ধারণ করে। যা আমি প্রথমে জানতাম না।<br><br>নয়নের বাসায় আমি প্রায়ই যেতাম এবং আমাদের শারীরিক সম্পর্ক চলতে থাকে। এরপর গত ১৫/১০/১৮ আমি রোজী অ্যান্টির বাসায় যাওয়ার পথে বিকেল বেলা ব্যাংক কলোনি থেকে নয়ন বন্ড রিকশাযোগে আমাকে তার বাসায় নিয়ে যায়। নয়নের বাসায় গিয়ে আমি শাওন, রাজু, রিফাত ফরাজী এবং আরও ৭/৮ জনকে দেখি। শাওন বাইরে গিয়ে কাজী ডেকে আনে এবং নয়নের বাসায় আমার ও নয়নের বিয়ে হয়। তারপর আমি বাসায় চলে যাই। বাসায় গিয়ে নয়নকে ফোন করে বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখতে বলি। তখন নয়ন বলে- ওইটা বালামে ওঠে নাই। বালামে না ওঠলে বিয়ে হয় না। এরপরও আমি নয়নের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখি। নয়নের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি আমার পরিবারের কেউ জানে না। ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কলেজ থেকে পিকনিকে কুয়াকাটা যাওয়ার বাস আমি মিস করি। তখন নয়নের মোটরসাইকেলে আমি কুয়াকাটা যাই এবং নয়নের সঙ্গে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করি।<br><br>আমি নয়নের বাসায় আসা যাওয়া কালে জানতে পারি নয়ন মাদকসেবী, ছিনতাই করে এবং তার নামে থানায় অনেক মামলা আছে। এ কারণে নয়নের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবনতি হয় এবং রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার পূর্বের ভালোবাসার সম্পর্ক আবার শুরু হয়। গত ২৬ এপ্রিল পারিবারিকভাবে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে আমার দেখা-সাক্ষাৎ শারীরিক সম্পর্ক, মোবাইলে কথা-বার্তা, ম্যাসেজ এবং ফেসবুকের মেসেঞ্জারে যোগাযোগ-সবই চলতো। বিয়ের পর জানতে পারি রিফাত শরীফও মাদকসেবী। সে মাদকসহ পুলিশের কাছে ধরা খায়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। আমি রিফাতসহ আমার বাবার বাসায় থাকতাম। মাঝে মাঝে তাদের বাসায় যেতাম। নয়ন বন্ডের বিষয় নিয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে আমার মাঝে মাঝে কথা কাটাকাটি হতো এবং রিফাত শরীফ আমার গায়ে হাত তুলতো।<br><br>গত ২৪ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তোর স্বামী, হেলালের ফোন ছিনাইয়া নিয়েছে। পরে রিফাত ফরাজীও আমাকে ফোন দিয়ে বলে, হেলালের মোবাইলটি রিফাতের কাছ থেকে নিয়ে হেলালকে ফেরত দিতে। আমি রিফাত শরীফকে হেলালের ফোন ফেরত দিতে বললে রিফাত শরীফ আমাকে চড় থাপ্পড় মারে এবং তলপেটে লাথি মারে। রাতে মোবাইল ফোনে নয়নকে জানাই এবং কান্না করি।<br>পরদিন ২৫ এপ্রিল আমি কলেজে গিয়ে নয়নের বাসায় যাই। রিফাত শরীফকে একটা শিক্ষা দিতে হবে এ কথা নয়নকে বললে নয়ন বলে, হেলালের ফোন নিয়ে যে ঘটনা তাতে রিফাত ফরাজী তাকে মারবে। তারপর আমি বাসায় চলে আসি এবং এ বিষয়ে কয়েক বার আমার নয়ন বন্ডের সঙ্গে মোবাইলে কথা হয় এবং নয়ন বন্ডের সঙ্গে আমার স্বামী রিফাত শরীফকে মাইর দিয়া শিক্ষা দিতে হবে, এ পরিকল্পনা করি।<br><br>২৬ এপ্রিল আমি কলেজে যাই এবং সায়েন্স বিল্ডিং এর পাশের বেঞ্চের উপর রিফাত ফরাজী রাব্বি আকনকে বসা পাই। রিফাত হাওলাদার পাশে দাঁড়ানো ছিল। তখন আমি রিফাত ফরাজীর পাশে বসি এবং রিফাত ফরাজীকে বলি, ওকি ভাইটু খালী হাতে আসছ কেন, এ কথার জবাবে রিফাত হাওলাদার বলে, ওকে মারার জন্য খালি হাত যথেষ্ট। এরপর রিফাত ফরাজীকে জিজ্ঞাসা করি, নয়ন বন্ড ও রিফাত শরীফ কলেজে এসেছে কীনা? তখন নয়ন বন্ড আমাকে ফোন দেয়। সে কোথায় জানতে চাইলে নতুন ভবনের দিকে যেতে বলে এবং ওই সময় নয়ন নতুন ভবনের পাশের দেয়াল টপকায়ে ভেতরে আসে। আমি হেঁটে নতুন ভবনের দিকে যাই এবং নয়নের সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারপিটের বিষয়ে কথা বলি। এরপর রিফাত শরীফ কলেজের ভেতরে আসে এবং আমাকে নিয়ে চলে যাওয়ার জন্য কলেজ থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলের কাছে নিয়ে আসে।<br><br>কিন্তু আমি মোটরসাইকেলে না উঠে সময় ক্ষেপণ করার জন্য পুনরায় কলেজ গেটে ফিরে আসি। রিফাত শরীফ আমার পেছন পেছন ফিরে আসে। তখন রিশান ফরাজী কিছু পোলাপানসহ আসে এবং রিশান ফরাজী জিজ্ঞাসা করে, তুমি আমার বাবা-মাকে গালি দিয়েছো কেন? রিফাত শরীফ বলে, আমি গালি দেই নায়। ওই সময় রিফাত ফরাজী জামার কলার ধরে এবং রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে। রিফাত ফরাজী, টিকটক হৃদয়, রিশান ফরাজীসহ রিফাত হাওলাদার এবং আরও অনেকে রিফাত শরীফকে পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মারধর করতে করতে এবং টেনে হেঁচড়ে ক্যালিক্সের দিকে নিয়ে যায়। ক্যালিক্সের সামনে তারা রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। আমি তখন সবার পেছনে ধীরে ধীরে হেঁটে যাচ্ছিলাম। ওই সময় নয়ন বন্ড ক্যালিক্সের সামনে এসে রিফাত শরীফকে কিল ঘুষি মারতে থাকে। মারপিটের মধ্যেই রিফাত ফরাজী টিকটক হৃদয় ও রিফাত হাওলাদার দৌড়ে যায় এবং রিফাত ফরাজী দুটি দা ও টিকটক হৃদয় এবং রিফাত হাওলাদার লাঠি নিয়ে আসে।<br><br>একটি দা দিয়ে নয়ন বন্ড ও ১টি দা দিয়ে রিফাত ফরাজী রিফাত শরীফকে কোপাচ্ছিল। রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রাখে যাতে রিফাত শরীফ পালাতে না পারে। রিফাত শরীফকে কোপাইতে দেখে আমি নয়ন বন্ডকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করি। দায়ের কোপের আঘাতে রিফাত শরীফ রক্তাক্ত হয়। সে রক্তাক্ত অবস্থায় পূর্ব দিকে হেঁটে যায় এবং আমি রাস্তায় পড়ে থাকা জুতা পরি এবং উপস্থিত একজন আমার হাতে ব্যাগ তুলে দিলে আমি রিকশা করে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। এরপর আমার বাবাকে ফোন করি। আমার বাবা ও চাচা হাসপাতলে আসে। এরপর রিফাত শরীফকে বরিশাল পাঠানো হয়। আমার কাপড়-চোপড়ের রক্ত লেগে থাকায় আমি বাসায় চলে যাই। পরে আমি জানতে পারি রিফাতের অবস্থা খারাপ। এরপর নয়নকে ফোনে বলি তোমরা ওকে যেভাবে কোপাইছো তাতে তো ও মারা যাবে এবং তুমি আসামি হবা। তারপর ওর অবস্থান জানতে চাই এবং পালাতে বলি। দুপুরের পর খবর পাই রিফাত শরীফ মারা গেছে। </body></HTML> 2019-09-20 10:45:01 1970-01-01 00:00:00 রিকশায় ওড়না পেঁচিয়ে মায়ের মৃত্যু, পাশেই কাঁদছিল শিশু লামিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82592 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954580_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568954580_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তিন বছরের ছোট্ট লামিয়ার সঙ্গে গল্প করতে করতে অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন মা আরিফা আক্তার (২২)। কিন্তু কে জানত বাড়ি ফেরার আগেই মা-হারা হবে শিশু লামিয়া। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমনই এক ঘটনা ঘটেছে মানিকগঞ্জ শহরের ল’কলেজ এলাকায়। অটোরিকশার চাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মা আরিফা আক্তারের মৃত্যু হয়। এ সময় রিকশাচালক পালিয়ে গেলে মৃত মায়ের পাশে বসেই কাঁদছিল শিশু লামিয়া।<br>নিহত আরিফা আক্তার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বড় সুরুন্ডি গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে। তার স্বামীর নাম খোকন মিয়া। পেশায় তিনি একজন বাসচালক। আরিফার চাচাত ভাই আব্দুর রাজ্জাক জানান, সদর উপজেলার তরা এলাকায় খালার বাড়ি থেকে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে একমাত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আরিফা। শহরের ল’কলেজ এলাকায় হঠাৎ রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান তিনি। আকস্মিক এ ঘটনার পর রিকশা রেখেই চালক পালিয়ে যান। এ সময় মায়ের মৃতদেহের পাশে বসেই কাঁদছিল শিশু লামিয়া। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শিশুটির কাছে ঠিকানা জেনে পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়।<br><br>মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মো. শহিদুর আজম বলেন, আরিফাকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়। রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান তিনি। তার গলায় কাটা দাগ রয়েছে। আরিফার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে এসেছে। হাসপাতালে তার মরদেহ দেখে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। </body></HTML> 2019-09-20 10:40:41 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গারা বড় সমস্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82591 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906778_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906778_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের বোঝা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়া উচিত।<br>আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। কারণ, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরাও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সে সময়ে ১ কোটি বাংলাদেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।’ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এদের কারণে স্থানীয় মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ মানবিক কারণে ভোগান্তি মেনে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল। ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর। ছবি: পিআইডিপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল। ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর। ছবি: পিআইডিসফররত ইউকে কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ (সিএফওবি) ও ইউকে এপিপিজি অন পপুলেশন, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেলথের প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) সভাপতি অ্যানি মেইন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।<br>ইউকে এপিপিজি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাঁদের সফরের ওপর লেখা একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।<br>জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি তাঁদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আবারও প্রতিশ্রুতি দেন। দুই বছর আগে বাংলাদেশে তাঁদের সফরের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, সেই সময়ের তুলনায় এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিবেশ অনেক ভালো হয়েছে।<br>বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে।<br><br> </body></HTML> 2019-09-19 21:26:00 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গারা বড় সমস্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82590 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906735_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906735_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধরনের বোঝা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়া উচিত।<br>আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। কারণ, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরাও একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলাম। সে সময়ে ১ কোটি বাংলাদেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল।’ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন রোহিঙ্গারা আমাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এদের কারণে স্থানীয় মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ মানবিক কারণে ভোগান্তি মেনে নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল। ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর। ছবি: পিআইডিপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাৎ করেন ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল। ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর। ছবি: পিআইডিসফররত ইউকে কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ (সিএফওবি) ও ইউকে এপিপিজি অন পপুলেশন, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেলথের প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ইউকে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) সভাপতি অ্যানি মেইন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।<br>ইউকে এপিপিজি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তাঁদের সফরের ওপর লেখা একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।<br>জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি তাঁদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে আবারও প্রতিশ্রুতি দেন। দুই বছর আগে বাংলাদেশে তাঁদের সফরের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, সেই সময়ের তুলনায় এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিবেশ অনেক ভালো হয়েছে।<br>বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও গভীর থেকে গভীরতর হবে।<br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:25:00 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতা খালেদের বিরুদ্ধে দুই মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82589 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906707_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906707_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>অবৈধ ক্যাসিনো চালানো ও মাদক সংশ্লিষ্টায় র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূইয়ার বিরুদ্ধে দুইটি মামলা হয়েছে।<br>বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব বাদী হয়ে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে অভিযোগ এনে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলাটি করে। অন্যদিকে মতিঝিল থানায় মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ বেলা আড়াইটার দিকে খালেদ মাহমুদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। আটকের প্রায় ২০ ঘণ্টা পর র‌্যাবের সিলভার রঙের একটি হায়েস মাইক্রো গাড়িতে করে থানায় নিয়ে আনা হয়। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) পাশের রুমে তাকে রাখা হয়। এ সময় তার গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট ছিল। গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘খালেদের বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও মানি লন্ডারিং আইনে র‌্যাব-৩ এর পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়।’<br>বুধবার রাজধানীর মতিঝিলের ফকিরাপুল এলাকায় ইয়ংম্যানস ক্লাবে অভিযান চালায় র?্যাব। ওই ক্যাসিনোর মালিক হচ্ছেন আটক যুবলীগ নেতা খালেদা মাহমুদ ভূইয়া। অভিযানে ১৪২ জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ক্যাসিনো থেকে উদ্ধার করা হয় জুয়া খেলার দশটি এনালগ বোর্ড ও ছয়টি ডিজিটাল বোর্ড। এছাড়া নগদ ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে ৫০ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করে র‌্যাব। পরে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।<br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:25:00 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার বিধবা গৃহবধূ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82588 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906680_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906680_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥ সোনাগাজীতে প্রতিপক্ষের হালার শিকার বিধবা গৃহবধূ থানায় মামলা করতে গিয়ে রহিমা সুন্দরী (৪০) নামে এক নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী প্রতারক রহিমা সুন্দরী ও সঞ্জু শিকদারকে (৩৫) গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রহিমা সুন্দরী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামের নূরুজ্জামানের কন্যা ও সঞ্জু শিকদার দাগনভূঞা উপজেলার খোকন শিকদারের ছেলে। সোনাগাজী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের চরগণেশ গ্রামের কলেজ রোডের মাঝি বাড়ির খোকন মিয়ার মালিকীয় রহিমা সুন্দরীর ভাড়া বাসায় ১৫ সেপ্টেম্বর রোববার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় দুর্বৃত্তরা তার সাথে থাকা এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও একটি মোবাইল ফোন লুটে নেয়। এঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে সঞ্জু শিকদার, রহিমা সুন্দরী ও আফলাছ হোসেনের সহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ, এলাকাবাসী ও নির্যাতিত গৃহবধূ জানান, আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর সোনাপুর গ্রামের সাহাব উদ্দিন ওই নারী কে দত্তক নিয়ে লালন পালন করেন। উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের মান্দারী গ্রামের জনৈক রিপন নামে এক যুবলীগ কর্মীর কাছে ১৪ বছর পূর্বে বিয়ে দেন। গত ৩ বছর পূর্বে আধিপত্যের জের ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা রিপনকে গুলি করে হত্যা করে। সে ১৩ বছর ও ৭ বছর বয়সী দুই সন্তান নিয়ে পালক বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। নি:সন্তান পালক বাবা তার নামে বসত বাড়িতে জমি দান করার প্রস্তাব করেন। এ খবর জানাজানি হলে সাহাব উদ্দিনের ভাই ও ভাতিজারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। and nbsp; গত ১০ সেপ্টেম্বর নি: সন্তান দম্পতি সাহাব উদ্দিন, তার স্ত্রী রোশনা খাতুন ও পালক কন্যাকে ভাই কালা মিয়া ও তার ছেলে মাসুদ সহ কয়েকজন মিলে পিটিয়ে আহত করে। ওই ঘটনায় ওইদিন পালক কন্যা বাদি হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় চাচা, চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। and nbsp; কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা যাতায়াত খরচ চাইলে দিতে পারেননি অসহায় ওই নারী। অভিযোগ দিয়ে নিরাশ হয়ে বের হওয়ার সময় থানার মাঠে দেখা মিলে রহিমা সুন্দরী নামের প্রতারক ওই নারীর। সে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই নারীকে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে রেখে পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি বলে তাকে বোন ডেকে তার বাসায় রেখে দেন। এদিকে বাড়ির চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের ভয়ে ওই নারী পালক পিতার বাড়িতে যেতে পারছেনা। থানা পুলিশও কোন ব্যবস্থা নেননি। প্রথম ঘটনার পঞ্চম দিনে ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে শম্ভু শিকদার, আফলাছ সহ ৫ জন যুবককে পুলিশের লোক বলে তার উপর লেলিয়ে দেয়। ওই অসহায় নারী কে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষকদের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ওই নারী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার সাথে থাকা ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের রিং, ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। সকালে জ্ঞান ফিরলে রহিমা সুন্দরী নামের ওই প্রতারক নারীর কাছে গৃহবধূ তার উপর এই নির্যাতনের কারণে জানতে চাইলে সে সঞ্জু শিকদার ও আফলাছ নামের দুই যুবককে এনে দ্বিতীয়বার ধর্ষণ করায়। তারা ফের বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেয়। ঘটনাটি জানাতে ওই নারী থানায় গেলে কর্তব্যরত একজন এএসআই সুন্দরী নামের ওই প্রতারক নারীকে মুঠো ফোনে জানিয়ে দেন তোমার বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। খবর পেয়ে সুন্দরী তাৎক্ষণিক থানায় এসে ওই নারীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। তখন সেই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধমক দিয়ে ঘটনাটি সামাজিক ভাবে সমাধান করতে বলে তাড়িয়ে দেন। ওই নারী ওই সমাজের লোকদের জানালে কেউ দাযড়ত্ব না নেয়ায় এক পর্যায়ে সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সম্পাদকের দ্বারস্থ হন। তারা ঘটনার দুইদিন পর বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সোনাগাজী মডেল থানার ওসির কাছে নিয়ে যান। বিষয়টি অবগত হয়ে ওসি বাদিনীর ভাষ্য মতে তাৎক্ষণিক মামলাটি রুজু করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে সঞ্জু শিকদার ও রহিম সুন্দরী কে আটক করে। সঞ্জু শিকদার দাগনভূঞা উপজেলার খোকন শিকদারের ছেলে। সে সোনাগাজী পৌরসভার চরগণেশ গ্রামের জনৈক শেখ রেহানার বাড়িতে বসবাস করতো। একসময় সে সোনাগাজী বাজারে মুচির কাজ করতো। পরবর্তীতে খোনারী ব্যবসার সাথে জড়িয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও ছিনতাই সহ একাধিক মামলা রয়েছে। রহিমা সুন্দরী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামের নূরুজ্জামানের কন্যা ও এক কন্যা সন্তানের জননী। সেও একজন স্বামী পরিত্যক্তা নারী। সে গত তিন বছর ধরে সোনাগাজী মডেল থানায় কর্মরত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় বুয়ার কাজ করতো। সে সোনাগাজী কলেজ রোডস্থ মাঝি বাড়ির খোকা মালিকীয় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। সেখানে বখাটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রবাসী ও ব্যবসায়ী যুবকদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করতো। একাধিক পুলিশ সদস্যের সাথে তার সখ্যতা থাকায় কেউ ভয়ে মুখ খুলতোনা। and nbsp; সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাশবিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:24:00 1970-01-01 00:00:00 ক্যাসিনোসহ অবৈধ ব্যবসায় জড়িতদের ছাড় নয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82587 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906655_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906655_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ শুধু ক্যাসিনো নয় অবৈধ সব ব্যবসার বিরুদ্ধেই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বলেন, ‘যারা এ ব্যবসা করছে তারা সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নেয়নি। তারা অবৈধভাবে এ কাজটি চালাচ্ছিলো। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।’<br>রাজধানীতে বিদেশি আদলে গজিয়ে ওঠা ক্যাসিনোতে চলমান অভিযানের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের একথা বলেন।<br>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ক্যাসিনো নয়, সব অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। আমরা বিভিন্ন বারের যেমন লাইসেন্স দিয়ে থাকি তেমনি ক্যাসিনো চালাতে গেলে সরকারের অনুমোদন লাগবে। যারা এ ব্যবসা করছে তারা সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নেয়নি। তারা অবৈধভাবে এ কাজটি চালাচ্ছিলো। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। সে তথ্যের আলোকে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’<br>এর আগেও এমন অভিযান চালানো হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু এখন না, আমরা আগেও এ রকম অভিযান চালিয়েছি। আগেও কলাবাগান ও কাওরানবাজারের দু’টি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে ওই ক্লাব দু’টির অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি।’<br>তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পরিষ্কার। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে তার জিরো টলারেন্স নীতি আমরা অনুসরণ করছি। উনি যেভাবে নির্দেশনা দেন সেভাবে আমরা কাজ করছি।’<br>‘প্রশাসনের লোক জড়িত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। এসব বিষয়ে তদন্ত চলছে।’<br>অবৈধ ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার টর্চার সেলের এ বিষয়ে জানতে জানলে তিনি বলেন, ‘সেই ব্যাপারেও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’<br>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের বিষয়ে বুধবার বিকালে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী মন্তব্যের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা তার নিজস্ব বক্তব্য।’<br>এসময় মন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীসহ অন্য খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে জানান।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:24:00 1970-01-01 00:00:00 ঢাকায় ক্যাসিনো আছে, জানা ছিল না: কৃষিমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82586 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906632_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906632_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ঢাকা মহানগরে ক্যাসিনো আছে, আগে জানা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।<br>বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর খামার বাড়ির আ ক মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।<br>ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, সমাজের অস্থিরতা কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকাসহ সারাদেশে অপকর্ম ও অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদের আইনের আওতায় এনে নির্মূল করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই নিদের্শনার জন্য তাকে অভিবাদন জানাই।<br>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ফারুখ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন এপিএ পুলের সদস্য কৃষিবিদ মো. হামিদুর রহমান।<br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:23:00 1970-01-01 00:00:00 মা ও দুই মেয়েকে গলাকেটে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82585 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906607_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906607_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মা ও তার দুই শিশু কন্যাকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সিআই খোলা এলাকার একটি সাত তলা ভবনের ষষ্ঠ তলার একটি ফ্ল্যাটে এই ঘটনা ঘটে। লাশ তিনটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন- নাজনীন (২৮) তার দুই শিশু কন্যা নুসরাত (৮), খাদিজা (২) নাজনীন সিআইখোলা এলাকার বাসিন্দা সুমনের স্ত্রী সুমন সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় জোনাকি পেট্রোল পাম্পে চাকরি করেন স্থানীয়রা জানায়, রাতের ডিউটি শেষে চাকরিস্থল থেকে ফেরার পর সুমন ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখে স্ত্রী ও দুই কন্যার লাশ পড়ে আছে? পরে তিনি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে যায়।<br>রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাদের কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে? তবে কে বা কারা তাদের হত্যা করেছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।<br>সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক অঞ্চল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক ঘটনাস্থলে গেছেন?<br>নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ডিআইও-২ সাজ্জাদ রোমন জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ করেছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:23:00 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রদলের নতুন সভাপতি খোকন, সম্পাদক শ্যামল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82584 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906585_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906585_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফজলুর রহমান খোকন। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইকবাল হোসেন শ্যামল।<br>বুধবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়িতে ভোটাভুটি হয়। পরে বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পক্ষে মির্জা আব্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।<br>এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ড. আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন, and nbsp; and nbsp; ফজলুল হক মিলন, and nbsp; শহীদ উদ্দিন and nbsp; চৌধুরী and nbsp; এ্যানী, and nbsp; সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সংগঠনের ষষ্ঠ কাউন্সিলে নয়জন সভাপতি প্রার্থী এবং ১৯ জন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মধ্য থেকে দুই পদে দুজনকে বেছে নিতে ভোট দেন কাউন্সিলরা। নির্বাচনে মোট ৫৩৩ ভোটের মধ্যে ভোট পড়ে ৪৮১টি। এর মধ্যে ১৮৬ ভোট পেয়ে ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খোকন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ পেয়েছেন ১৭৮ ভোট।<br>অন্যদিকে ১৩৯ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ইকবাল হোসেন শ্যামল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকিরুল ইসলাম জাকির পেয়েছেন ৭৬ ভোট।<br>এর আগে বুধবার রাত পৌনে নয়টায় মির্জা আব্বাসের বাসায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। এরপর এক ঘণ্টার বিরতি নিয়ে ভোট গণনা শুরু হয়ে শেষ রাত দেড়টায়। এর আগে স্কাইপিতে প্রার্থী ও কাউন্সিলদের মতামত নেন তারেক রহমান। প্রার্থীরা জানান, তাদের উপস্থিতিতে যেনো ভোট গণনা হয়। পরে কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের সম্মতিক্রমে প্রার্থীদের সামনে রেখে ভোট গণনা শুরু হয়।<br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:23:00 1970-01-01 00:00:00 ধৃষ্টতা দেখালে পিঠের চামড়া থাকবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82583 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906508_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906508_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেতা শেখ হাসিনাকে নিয়ে কেউ ধৃষ্টতা দেখালে ‘তাঁর পিঠের চামড়া থাকবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান। বিএনপিকে একটি ‘ষড়যন্ত্রকারী দল’ হিসেবেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি। ১৫ আগস্ট নিয়ে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে গ্রেপ্তার ও বিএনপির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক ছাত্র সমাবেশে আল নাহিয়ান খান এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সম্প্রতি শামসুজ্জামান একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ‘উসকানিমূলক মন্তব্য’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, ‘শামসুজ্জামান টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। তাঁকে বলব, টক শোতে বড় কথা না বলে পারলে রাজপথে এসে মোকাবিলা করুন। তাঁর বিরুদ্ধে জেলায় জেলায় মামলা শুরু হয়ে গেছে। শামসুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্রলীগ মাঠে থাকবে।’বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমালোচনা করে আল নাহিয়ান বলেন, ‘ছাত্রদলে ছাত্রদের লেশমাত্র নেই। এটি একটি অযোগ্য সংগঠন। বুড়ো-বাবাদের এই সংগঠনকে ছাত্রসমাজ বয়কট করবে, এটিই স্বাভাবিক।’ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, আগামীকাল ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিট থেকে শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এই সমাবেশ থেকে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। গতকাল বুধবার রাতে কাউন্সিলের মাধ্যমে হওয়া ছাত্রদলের কমিটিকে ‘নিশি কমিটি’ হিসেবে আখ্যা দেন সমাবেশের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ‘দাঁতভাঙা জবাব’ দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।<br>বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগে ভাই ও প্রটোকলের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। গেস্টরুম করানোর নামে কেউ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রবিরোধী কিছু করলে তাঁর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’<br>বিএনপির নেতা শামসুজ্জামানের ‘উসকানিমূলক বক্তব্যের’ প্রতিবাদে আজ দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার চার শীর্ষ নেতার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। মিছিলটি রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশ শেষে শামসুজ্জামানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।<br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:21:00 1970-01-01 00:00:00 ডেঙ্গু মোকাবেলায় সফলতার দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82582 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906483_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906483_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ ডেঙ্গুজ্বর মোকাবেলায় সফলতার দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বলেন, ‘এ বছরের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েছেন তারা। তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই সফলভাবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করেছি। আমাদের ডেঙ্গু রোগী কমে আসছে।’<br>বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক হোটেলে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী একথা বলেন। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের পাশাপাশি ফার্মাসিস্ট নিয়োগের নীতি প্রণয়ন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) ও বাংলাদেশ ফার্মাসি কাউন্সিল অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে। চলতি বছর জুলাইয়ের শুরু থেকে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ক্রমশ তা ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। দেশজুড়ে মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৮ জনের।<br>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য শিক্ষা। আগামী বছর যাতে রোগটা কম হয়, আরো ভালোভাবে মোকাবেলা করতে পারি এবং সারা বছর এটা নিয়ে কাজ করি, সেই নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা খুবই সফলভাবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করেছি। আমাদের ডেঙ্গু রোগী কমে আসছে।’ সম্প্রতি আটটি ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার স্বাস্থ্যসেবা খাতেই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।’ তবে নতুন নিয়োগ পাওয়া ১০ হাজার চিকিৎসকের একজনও হাসপাতালে যোগ না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়েছেন। আড়াই বছর হয়ে গেছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি ডাক্তারও আমাদের কাছে আসে নাই। আমাদের মন্ত্রণালয়, প্ল্যানিং মন্ত্রণালয়, পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে। আড়াই বছরে একটি ডাক্তারও আমরা পাইনি।’<br>এসশয় হাসপাতালে চিকিৎসকের পাশাপাশি ক্রমান্বয়ে ফার্মাসিস্ট নিয়োগের ব্যবস্থা হবে বলেও জানান জাহিদ মালেক।<br>স্বাস্থ্যসচিব ও ফার্মাসি কাউন্সিলের সভাপতি আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:21:00 1970-01-01 00:00:00 বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ তিনজন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82581 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906458_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906458_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ তিন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি- নিহতরা অস্ত্র, মাদক, হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে নিহতরা হলেন- উখিয়ার বালুখালী ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা বস্তির ফজল আহাম্মদের ছেলে মো. জামিল (২০), একই রোহিঙ্গা বস্তির নবী হোসেনের ছেলে মো. আসমত উল্লাহ (২১) ও টেকনাফের বাহারছড়া নতুনপাড়া এলাকার মৃত মো. আলীর ছেলে মো. রফিক (২৪)। টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, বুধবার রাতে হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বহু মামলার পলাতক তিন আসামিকে আটক করা হয়। তারা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন- উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি অপহরণ, মানুষ হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে তারা সক্রিয়ভাবে জড়িত। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ভোররাতে বাহারছড়া শামলাপুর ঢালা এলাকায় জঙ্গলের ভেতর তাদের নিয়ে অস্ত্র ও ডাকাত দলের লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করতে গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা কৌশলে পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, উভয়পক্ষের গোলাগুলির পর ঘটনাস্থল থেকে রাতে আটক হওয়া তিন আসামিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদেরকে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় তৈরি তিনটি এলজি, ছয় রাউন্ড তাজা গুলি,আট রাউন্ড গুলির খালি খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:21:00 1970-01-01 00:00:00 পাসপোর্টের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল সাকিল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82580 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906424_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906424_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরে নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদকে এ পদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।<br>বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ আদেশ জারি করে সাকিল আহমেদের চাকরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে ন্যস্ত করেছে।<br>অন্যদিকে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা মেজর জেনারেল মো. সোহায়েল হোসেন খানকে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর বর্তমান চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম আল মুস্তাহিদুর রহমানকে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:20:00 1970-01-01 00:00:00 টেনে ধরা হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসের লাগাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82579 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906384_th.JPG <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906384_th.JPG" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>টেনে ধরা হচ্ছে দেশের কুরিয়ার সার্ভিসের লাগাম। কিছু কুরিয়ার সার্ভিসের বিরুদ্ধে অবৈধ মালপত্র পরিবহন করা ও অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে সরকারের বিভিন্ন মহলে। সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে দেওয়া হয় এমন তথ্য। কুরিয়ার সার্ভিসের কারণে প্রাচীন আমলের ডাক সার্ভিস হিমশিম খাচ্ছে প্রতিযোগিতায়। এখন কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যক্রমকে জবাবদিহির আওতায় আনতে চাইছে সরকার। এ জন্য একটি লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে। পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির চেয়ারম্যান থাকবে। কেউ কুরিয়ার সার্ভিস চালু করতে চাইলে অবশ্যই আবেদন করতে হবে কর্তৃপক্ষের কাছে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে তিন মাসের মধ্যে সংশ্নিষ্টকে লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এ জন্য নতুনভাবে ডাক আইন প্রণয়ন করছে সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তুত করেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হচ্ছে। শিগগির আইনটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হতে পারে বলে সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।<br>খসড়া আইনে বলা হয়েছে, লাইসেন্স ফি, চার্জ ও কমিশন নির্ধারণ করবে সরকার। এই আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা অমান্য করলে মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের দণ্ড ও শাস্তির বিধান থাকবে। সরকার একটি জাতীয় কুরিয়ার সার্ভিস নীতি তৈরি করবে। রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য হুমকিস্বরূপ কোনো দ্রব্যাদি গ্রহণ, পরিবহন, বিতরণ করলে ওই মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শুল্ক্ক কর্তৃপক্ষ, লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কুরিয়ার দ্রব্যাদি বহনকারী যানবাহনের গতিরোধ করতে পারবে। যারা এই আইন ও বিধির শর্ত মেনে আবেদন করবেন না, কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পাবেন না তারা। তবে আবেদনকারীকে ৩০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স না দেওয়ার কারণ লিখিত আকারে জানানো হবে। শর্ত ভঙ্গ করলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে। তবে ১৫ দিন সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে শুনানির যুক্তিযুক্ত সুযোগ দেওয়া হবে। আরও বলা হয়, দেশের যেসব স্থানে ডাকসেবা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেইসব স্থানে ডাকসেবা প্রদানের জন্য কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রাপকের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান বা সুবিধা গ্রহণ ছাড়া সেবা প্রদান করবেন। জল, স্থল ও আকাশপথে প্রাপকের কাছে ডাক পৌঁছানো হবে। অন্ধ, বধির, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিকসহ বিশেষায়িত চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ প্রকৃতির শিক্ষাসামগ্রী ডাক অধিদপ্তর বিনামূল্যে গ্রহণ, পরিবহন ও বিতরণ করবে। এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে সরকার।<br>ডাক গ্রহণকালে গ্রহণকারীর সামনেই মোড়কীকরণ করে প্রেরককে ঘোষণাপত্র দিতে হবে- এতে আইনে নিষিদ্ধ কোনো পণ্য নেই। মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রশাসনিক আওতাধীন একটি পৃথক সংস্থা হিসেবে গঠিত হবে। এই সংস্থার কার্যক্রম কর্মপরিধি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে। সরকার এই আইনের আওতায় মেইলিং অপারেটর বা কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের মেইলিং সেবা ব্যবসা পরিচালনার শর্তবলি আরোপ করবে।<br>আইনে আরও বলা হয়, নতুন ব্যবসায়িক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পোস্টশপ, ই-কমার্স, অ্যাড্রেস ডাটাবেজসহ অন্য কোনো ডাটাবেজ চালু, বাণিজ্যিক সুবিধার্থে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বিনিময় ও আন্তঃবিনিময় করতে পারবে। রেমিট্যান্স ট্রান্সফার সেবা, ব্যাংকিং সেবা, ডাক জীবন বীমা এককভাবে প্রদান করতে পারবে।<br>ডাক দ্রব্যাদি বলতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে ডাকযোগে পাঠানো বাণিজ্যিক ও অবাণিজ্যিক ডাক দ্রব্যাদি অর্থাৎ পোস্ট কার্ড, মুদ্রিত কোনো বার্তা, পাণ্ডুলিপি, ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক বা অন্য যে কোনো ধরনের মোড়ক, সাধারণ চিঠিপত্র, রেজিস্টার্ড চিঠিপত্র, নিউজ পেপার, অভ্যরীণ ও আন্তর্জাতিক পার্সেল, বীমা সার্ভিস, ভ্যালু পেয়েবল সার্ভিসেস, মানি অর্ডার, জিইপি, ইএমএস, লজিস্টিকস সেবা, ডকুমেন্টস সার্ভিস, পার্সেল সার্ভিস, ডেলিভারি সার্ভিস, এক্সপ্রেস সার্ভিস, বিশেষায়িত ও প্রিমিয়ার পোস্ট সার্ভিস এবং সরকার ঘোষিত ডাক বোঝানো হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:19:00 1970-01-01 00:00:00 ভিসির পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ, রাষ্ট্রপতির দিকে তাকিয়ে ফারজানা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82578 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906300_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906300_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে আজও বিক্ষোভ হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিক্ষোভে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য না বলা পর্যন্ত পদ থেকে সরে যাবেন না বলে জানিয়েছেন ফারজানা।<br>বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’- এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলে পদত্যাগের দাবি করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।<br>মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে উপাচার্যের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সদস্য রাকিবুল রনি বলেন, ‘যেসব ছাত্রলীগ নেতা টাকা পেয়েছেন তারা স্বীকার করছেন যে, উপাচার্য টাকা হলে পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু উপাচার্য এখনও অস্বীকার করে চলছেন। এটা লজ্জাজনক।’<br>তিনি বলেন, ‘শুধু পদত্যাগ করলেই আপনার রেহাই হবে না, বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নেন।’<br>বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন শিশির হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমরা আশা করি আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই আপনি ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন। না হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে আপনার পদত্যাগ নিশ্চিত করা হবে। জাহাঙ্গীরনগর কখনো কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে নাই, আর করবেও না।<br>নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মির্জা তসলিমা নাসরিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমন গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার পরে আর কোনোভাবেই এমন সম্মানীয় পদে থাকতে পারেন না।’<br>দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান বলেন, ‘উপাচার্য পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন। একবার বলছেন, ছাত্রলীগ তার কাছে চাঁদাবাজি করেছে, আরেকবার বলছেন করে নাই। তিনি কোনোভাবেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিতে পারেন না। আমরা বারবার বলেছি উপাচার্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কখনো বলিনি আপনি দুর্নীতিবাজ। তবে আপনার কার্যক্রমের মাধ্যমে আপনি সেটা প্রমাণ করছেন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’<br>এদিকে গতকাল এক আলোচনা শেষে ১ অক্টোবরের মধ্যে উপাচার্যকে পদত্যাগের জন্য সময় বেঁধে দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় সকল ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দেন তারা।<br>তবে আন্দোলনের মুখে কোনোভাবেই পদ থেকে সরবেন না বলে জানিয়েছে উপাচার্য ফারজানা। তিনি বলেন, কেবল আচার্য বললেই তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এছাড়া কোনো আন্দোলনেই তিনি পদ থেকে যাবেন না।<br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:18:00 1970-01-01 00:00:00 গণধর্ষণ মামলা তুলে নিতে বাদিকে পেটানো ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82577 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906222_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/19/1568906222_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্ত্রী গণধর্ষণ মামলার বাদিকে পিটিয়ে হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ৪ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে পটুয়াখালী শহরের নতুনবাজার এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে বরিশাল শহরের রুপাতলী এলাকায় র‌্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, গৃহবধূ মামলার বাদি স্বামী সিদ্দিক হাওলাদারকে মারধরের খবর অনলাইন গণমাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালী শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হামলাকারীদের মধ্যে ৪ জন পটুয়াখালীর মহিপুর থানার চরচাপলী গ্রামের ইমদাদ মৃধার ছেলে ও মামলার প্রধান আসামি শাকিল মৃধা, তার সহযোগী একই এলাকার রবিউল ভূঁইয়া, রবিউল হাওলাদার এবং সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ওয়ানশুটার গান, ১২ রাউন্ড গুলি ও ৩৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।<br>র‌্যাবের দাবি, গ্রেফতার চারজনই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বাদির ওপর হামলায় চালানো এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এই ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেছেন। এরআগে গত ১৫ এপ্রিল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার পশ্চিম চাপলি এলাকায় সিদ্দিক হাওলাদারকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে তার স্ত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্দিকের দায়ের করা মামলায় ধর্ষকেরা বেশ কয়েকদিন জেল খেটে সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হন। পরে তারা মামলা তুলে নিতে বাদির বাসায় হামলা চালানোর পাশাপাশি ভয়ভীতিও দেখায়। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে বাদি সিদ্দিকের ওপর হামলা চালিয়ে তার দুটি পা গুঁড়িয়ে দেয় ধর্ষকদের সন্ত্রাসী বাহিনী। মূলত এই খবর নিশ্চিত হয়েই র‌্যাবের টিমটি হামলাকারীদের ধরতে মাঠে নেমে গ্রেফতারে সফলতা পায়। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-09-20 21:17:00 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতা খালেদের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82576 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905949_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905949_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অস্ত্র ও মাদক মামলায় আটক যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদার আদালত এই রিমান্ড দেন। এর আগে তাকে আদালতে তুলে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক দুই মামলায় ৭ দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান থানায় অস্ত্র ও মাদক রাখা এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়। গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় গুলশান-২–এর নিজ বাসা থেকে খালেদ মাহমুদকে আটক করে র‌্যাব।<br>র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, আটক খালেদকে র‌্যাব-৩ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-09-19 21:11:33 1970-01-01 00:00:00 হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে প্রবাসীকে হত্যা করল স্ত্রী-সন্তানরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82575 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905592_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905592_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমি লিখে না দেয়ায় নুরু মিয়া (৫৩) নামের এক প্রবাসীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার স্ত্রী ও তিন ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বন্দবের গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া ওই গ্রামের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে।<br>এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন নিহত নুরু মিয়ার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন (৪৮), ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩০), আব্দুল্লাহ (২২) ও আতিকুর রহমান (১৮)। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী নুরু মিয়া (৫৩) দীর্ঘদিন কুয়েতে থেকে দেশে ছয়-সাত বিঘা জমি কিনেছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগ জমি তিনি স্ত্রী ও ছেলেদর নামে করে দেন। তিন বিঘা জমি তার নিজের নামে রাখেন। দীর্ঘদিন থেকে নুরু মিয়ার নামে কেনা জমি নিজেদের নামে লিখে দিতে চাপ দেন তার স্ত্রী ও তিন ছেলে। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে মাকে সঙ্গে নিয়ে নুরু মিয়ার তিন ছেলে তাকে ঘরের মেঝেতে ফেলে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দিলওয়ার হাসান ইনাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের স্ত্রী ও তিন ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। </body></HTML> 2019-09-19 21:06:03 1970-01-01 00:00:00 বায়োমিল দুধ খেয়ে যমজ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82574 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905508_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905508_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিংা গ্রামে বায়োমিল দুধ খেয়ে ঘুমানের পর ১০ মাস বয়সী যমজ দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিছানায় তাদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বায়োমিল দুধ খেয়ে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।<br>মৃতরা হচ্ছে- উপজেলার গুটুদিংা গ্রামের ফারুক গোলদারের দুই যমজ মেয়ে মারিংা ও ফারিংা।<br>শিশু দুটির বাবা ফারুক গোলদার বলেন, গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে ফিডারের দুধ খেয়ে বাচ্চা দুটি ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে বাচ্চা দুটি আর ঘুম থেকে জেগে ওঠেনি। ঘুমানোর আগে তাদেরকে বায়োমিল-২ দুধ খাওয়ানো হয়েছিল। সকালে মৃত অবস্থায় তাদের নাক ও মুখ থেকে দুধ বের হচ্ছিল। এদিকে এ ঘটনা জানতে পেরে ডুমুরিংা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহানাজ বেগম মৃত দুই শিশুকে দেখতে যান। তিনি জানান, দুধে কোনো বিষক্রিংা আছে কি-না তা পরীক্ষা করা হবে। </body></HTML> 2019-09-19 21:04:45 1970-01-01 00:00:00 রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82573 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905452_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905452_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ বাজারের নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রতিষ্ঠানের মালিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও রোগীদের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে শতভাগ গ্যারান্টিসহকারে চিকিৎসা দিচ্ছেন। সিভিল সার্জনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠান চালু রাখলেও এখন পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা। এমন কথা জানালেন উপজেলার সিএসএ চিকিৎসক ফরিদা ইয়ামিন।<br>স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার নওগাঁ বাজারের নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আব্দুল হামিদ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। তিনি হোমিও চিকিৎসার পাশাপাশি হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষাসহ নানা প্যাথলজি পরীক্ষা করেন। রোগীদের নানা রকম পরামর্শের পাশাপাশি ওষুধের দোকান খুলে ইচ্ছামতো ওষুধ বিক্রি করেন। নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোনো বড় বা ভালো চিকিৎসক। দু’একজন চিকিৎসক থাকলেও প্রতি শুক্রবার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এসে কিছুক্ষণ সময় দিয়ে চলে যান। বাকি দিনগুলোতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আব্দুল হামিদ আল্ট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষাসহ নানা প্যাথলজি পরীক্ষা করেন। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কার পাশাপাশি গ্রামের সহজ-সরল রোগীরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নেয়া নারগিস আক্তার বলেন, আমার পেটের বাচ্চা ছেলে না মেয়ে এটা জানার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করেছি। চিকিৎসক আব্দুল হামিদ শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে বলেছেন আমার পেটের বাচ্চা ছেলে। কিন্তু অবশেষে আমার মেয়ে সন্তান হয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের কাছ থেকে ছেলে সন্তানের কথা বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়ে আব্দুল হামিদ হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চিকিৎসক আব্দুল হামিদ প্রতারক। এ বিষয়ে নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক আব্দুল হামিদ বলেন, আমি একা সবকিছু করি না। আমার এখানে আরও চিকিৎসক রাখা আছে। তারাও চিকিৎসা দেন।ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দালালদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টারেই দালাল আছে। আমার এখানেও আছে। আমার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স আছে। আমার প্রতিষ্ঠানে ঢাকা থেকে বড় বড় চিকিৎসক এসে চিকিৎসা দিয়ে যান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাড়াশ উপজেলার সিএসএ ডা. ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমি এখন ঢাকা ট্রেনিংয়ে আছি। নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাগজপত্র আমি দেখেছি। তাদের রেজিস্ট্রেশন নেই। ট্রেনিং থেকে ফিরে সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলে রেজিস্ট্রেশন নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নুরজাহান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে দু’একদিনের মধ্যে অভিযান চালানো হবে। কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-09-19 21:03:54 1970-01-01 00:00:00 রং-ইউরিয়া দিয়ে চিপস তৈরি ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82572 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905403_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905403_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>ছোট থেকে বড়দের মুখরোচক খাদ্যের জন্য অন্যতম হচ্ছে চিপস। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সেই চিপস তৈরি করছেন জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ইউরিয়া, ডাইং এর রং ও ফিটকিরি দিয়ে।<br>সামান্য কিছু লাভের আসায় লোভের বশবর্তী হয়ে বিশেষ করে শিশুদের আকর্ষণীয় করতে চিপসকে ধবধবে সাদা ও মুচমুচে করতে ইউরিয়া ও ফিটকিরি মিশিয়ে থাকেন। সিরাজগঞ্জ সদরের ফকিরতলার লিমন ফ্যাক্টরিতে এমন চিত্র উঠে আসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে। উক্ত ফ্যাক্টরিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত?<br>বুধবার (১৮ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই দণ্ডাদেশ দিয়েছেন সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ সদরের ফকিরতলা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রং, ইউরিয়া ও ফিটকিরি মিশিয়ে চিপস উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ দেখতে পান আদালত। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইউরিয়া, কাপড়ের রং ও ফিটকিরি মিশিয়ে চিপস তৈরি, পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা, ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র না থাকা, কলখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সনদপত্র না থাকার অপরাধে লিমন চিপস ম্যানেজার মোঃ হোসেন এর নামে মামলা দিয়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা তাৎক্ষণিক আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় এ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। উক্ত অভিযানে সহযোগিতা করে আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যবৃন্দ। </body></HTML> 2019-09-19 21:02:55 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের অভিযোগ বক্সে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স সিন্ডিকেটের সন্ধান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82571 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905321_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905321_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>পিরোজপুরে স্থাপিত পুলিশের অভিযোগ বক্সে দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স সিন্ডিকেটের সন্ধান পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অফিসের ফিল্ড কন্ট্রাকটর মারুফ আকনকে (৩৬) আটক করা হয়েছে।<br>আটক মারুফ পিরোজপুর শহরের উত্তর নামাজপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত মফিজ উদ্দিন আকনের ছেলে।<br>পুলিশ জানায়, পিরোজপুরে স্থাপিত পুলিশের অভিযোগ বক্সে স্থানীয় সংক্ষুব্ধ জনৈক ব্যাক্তির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মারুফ আকনকে আটকের পরে পুলিশ ওই সিন্ডিকেট সম্পর্কে জানতে পারে। এই সিন্ডিকেট সদস্যরা ভুয়া লাইসেন্স করতে জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেয়। এর সঙ্গে যুক্ত সিন্ডিকেট সদস্যদের বিষয়ে পুলিশ ইতোমধ্যে ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে। পিরোজপুর ডিবি পুলিশের উপ পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন জসিম জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পিরোজপুর বিআরটিএ অফিসের মাধ্যমে গত আড়াই মাসে দেশের বিভিন্ন জেলার তিন শতাধিক ব্যক্তিকে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, সম্প্রতি পিরোজপুর বিআরটিএ অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন বসানোর পর এই প্রতিষ্ঠানের ঢাকা, বরিশাল ও পিরোজপুরে কর্মরত কতিপয় ব্যাক্তি ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে। এ সিন্ডিকেটে শুধু বিআরটিএ নয়, আরও দু-একটি সরকারি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসের তথ্যও গোয়েন্দা পুলিশের হাতে রয়েছে। </body></HTML> 2019-09-19 21:00:59 1970-01-01 00:00:00 বিএনপির কমিটি বাণিজ্যে কোটি টাকা লেনদেন,দুইপক্ষের মুখোমুখী সংঘাতের আশঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82570 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905228_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568905228_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;স্টাফ রিপোর্টার:<br>মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের ফোরিডায় বিএনপির কমিটি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা এবং নেতাকর্মীদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিবদমান দুই গ্রুপে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কাও করছেন অনেকেই। এখানে বিএনপির সক্রিয় একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন ঢাকা সিটি কলেজের সাবেক ভিপি,নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক আইন সম্পাদক ব্যারিষ্টার মনির হোসেন কাজল। দলের তৃণমূলে বেশির নেতাকর্মী আছেন তার সঙ্গে। অপর গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন ইমরানুল হক চাকলাদার। বিএনপির নেতৃত্বে থাকলেও চাকলদার গ্রুপের সঙ্গে and nbsp; ফোরিডার ¯'ানীয় এবং ঢাকায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। <br>সম্প্রতি বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন and nbsp; খোকন এখানে কমিটি গঠনের নামে কোটি টাকার বাণিজ্যে নেমেছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। তার এই কমিটি বাণিজ্য প্রসারলাভ করেছে ফোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগন ও শিকাগোতে। লন্ডনে অব¯'ানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিমান টিকিটে এবং তার নির্দেশনা নিয়ে তিনি ফোরিডা গমন করেছেন এমন প্রচারণা চালা"েছন বেশ জোরে শোরে। এ পর্যায়ে এখানে তার হোটেল ভাড়া যাতায়াত খরচসহ যাবতীয় ব্যয়ভার নির্বাহ করছেন তার পছন্দের লোকেরা। এতে আনোয়ার হোসেন খোকন তৃণমূলের মতামত ছাড়াই তারপছন্দের লোক ইমরানুল হক চাকালাদারকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। এ ক্ষেত্রে কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে বলে অনেক নেতাকর্মীর অভিমত। আনোয়ার হোসেনের লন্ডনের বাসায় এই বাণিজ্য হয়েছে বলে জানা যায়। <br>উল্লেখ, ২০১৭ সালে ইমরানুল হক চাকলাদার বহুল আলোচিত জেনারেল মইন ইউ আহমদকে মিয়ামিতে এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত করেন। ২০১৮ সালে এখানকার একটি ফুড ফেয়ার অনুষ্ঠানে তৎকালীন মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানান এবং ফুলের মাল দিয়ে বরণ করেন চাকলাদার।এমন ব্যক্তিকে বিএনপির নেতৃত্বে আনা হলে দলের তৃণমূলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং নেতাকর্মীরা নৈতিকভাবে ভেঙ্গে পড়বে বলে অনেকের অভিমত। and nbsp; </body></HTML> 2019-09-19 20:59:39 1970-01-01 00:00:00 আফগানিস্তানে ভুল হামলায় প্রাণ গেল ৩০ কৃষকের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82569 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904343_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904343_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনীর ভুল হামলায় প্রাণ গেছে অন্তত ৩০ জন কৃষকের। মার্কিন নিরাপত্তাবাহিনীর সহায়তায় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাতে গিয়ে ভুল টার্গেটে একটি কৃষি খামারে আঘাত হানে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী। এতে ৩০ কৃষক নিহত ও আরো ৪০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া জাবুল প্রদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানের পৃথক একটি আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলায় আরো ২০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ নিয়ে একদিনে দেশটিতে পৃথক দুই হামলায় প্রাণ গেল ৫০ জনের। দেশটির সরকারি তিন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, নানগারহার প্রদেশের খোগিয়ানি চেলার ওয়াজির ট্যাঙ্গির একটি কৃষি খামার ভুল টার্গেট হয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) গোপন আস্তানায় হামলা চালাতে গিয়ে ভুলেই কৃষিক্ষেত্রে হামলা হয়। এতে হতাহত হয়েছেন ৭০ জন।<br>নানগারহার প্রদেশের পূর্বাঞ্চলের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সোহরাব কাদেরি বলেন, একটি পাইন বাদাম ক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় ৩০ কৃষকের প্রাণহানি ও ৪০ জন আহত হয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করলেও হামলায় হতাহতের তথ্য জানাতে অস্বীকার করেছে। প্রাদেশিক কর্মকর্তা আয়াতুল্লাহ খোগিয়ানি বলেন, এ ঘটনায় সরকার তদন্ত শুরু করেছে। পাইন বাদাম ক্ষেত্র থেকে এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই হামলার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন নিরাপত্তাবাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র : আলজাজিরা, রয়টার্স। </body></HTML> 2019-09-19 20:45:25 1970-01-01 00:00:00 কাশ্মীরে বিপাকে সাংবাদিকরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82568 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904302_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904302_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে ভারত বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর থেকেই উপত্যকায় বিপাকে রয়েছেন সাংবাদিকরা। কারণ সেখানে সংবাদ সংগ্রহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সেখানে প্রবেশ করলে তার জন্য শাস্তি পেতে হচ্ছে।<br>গত ৭ সেপ্টেম্বর শ্রীনগরে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রায় পাঁচ মিনিট পুলিশের লাঠির বাড়ি খেয়ে এখন বিশ্রামে আছেন জম্মুর একটি স্থানীয় পত্রিকার ফটোসাংবাদিক শাহিদ খান। তার ডান কাঁধে চিড় ধরেছে। প্লাস্টার লাগানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘খবর করতে গিয়ে নিজেই খবর হয়ে যাব সেটা ভাবিনি।’<br>শাহিদের দাবি, শ্রীনগরের রায়নাওয়াড়ি এলাকায় মহরমের মিছিলের খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন তিনি এবং পাঁচ ফটোসাংবাদিক। পুলিশ এসে তাদের বেধড়ক মারতে শুরু করে। শাহিদ বললেন, পুলিশ মারতে মারতে বলছিল, ভিডিও তুলে কেন আমাদের ঝামেলা বাড়াচ্ছ? পুরো উপত্যকাজুড়েই এভাবে হাত-পা বাধা সাংবাদিকদের। সরকারি মিডিয়া সেন্টারে একটাই ইন্টারনেট কানেকশনে চলছে মাত্র ১০ টা কম্পিউটার। খবরের জন্য সরকারি কোনও কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাততো দূরের কথা, ফোনে কথা বলারও উপায় নেই। তাছাড়া রাস্তায় বেরিয়ে খবর করতে গেলেই জুটছে পুলিশের মার। কাশ্মীরের প্রবীণ সাংবাদিক নাসির এ গনাই বলেন, সাংবাদিকদের চাপ দিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাইছে প্রশাসন। রায়নাওয়াড়িতেই ৫ সেপ্টেম্বর ‘কারফিউ পাস’ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আটক করে ক্যামেরা ভাঙার হুমকি দেয় বলে জানিয়েছেন একটি আন্তর্জাতিক চ্যানেলের মহিলা সাংবাদিক শাহানা বাট। কাশ্মীরের ‘ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন’ সাংবাদিক নিপীড়নের বিষয় নিয়ে গত সপ্তাহেই একটি বিবৃতি জারি করে কাঠগড়ায় তুলেছে সেনাবাহিনী এবং জম্মু-কাশ্মীরের স্থানীয় প্রশাসনকে। শুধু সাংবাদিকদেরই নয়, তাদের পরিবারের নামেও পুলিশ অকথ্য গালিগালাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শ্রীনগরের জাহাঙ্গীর চকের কাছে গত ৮ অক্টোবর পুলিশের নিগ্রহের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপত্যকার আরও এক মহিলা সাংবাদিক রিফাত মহিদিন। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীনগরের আর এক সাংবাদিক জানান, এই দেড় মাসের মধ্যে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে তাকে অন্তত পাঁচ বার ঘুরপথে খবর সংগ্রহ করতে যেতে হয়েছে।<br>উপত্যকারই প্রবীণ সাংবাদিক শাহনওয়াজ খান বলেন, এসব এখানে নতুন কিছু নয়। পুলিশ আর সেনাবাহিনীর দয়া ভিক্ষা করেই তো কাশ্মীরে কাজ করতে হয় সাংবাদিকদের। কারফিউ, নিষেধাজ্ঞার সময় তো সাংবাদিকদেরই বেছে বেছে আক্রমণ করা হয়। </body></HTML> 2019-09-19 20:44:09 1970-01-01 00:00:00 পুরো ভারতে এনআরসি হবে: অমিত শাহ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82567 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904136_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568904136_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ বলেছেন, পুরো ভারতে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি প্রণয়ন করা হবে। একইসঙ্গে সব অবৈধ অভিবাসীকে আইনি পন্থায় ভারত থেকে বের করে দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।<br>বিজেপির সভাপতি বলেন, সবশেষ (চলতি বছর) নির্বাচনী রায়ের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ ভারতজুড়ে এনআরসি প্রণয়নের অনুমোদন দিয়েছে।<br>ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে এক অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে শুধু আসাম নয় পুরো দেশেই এনআরসি এবং দেশের মানুষের তালিকা করবো এবং অন্যদের ক্ষেত্রে (অবৈধ অভিবাসী) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।<br>এসময় এনআরসি’র ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা আসামের জাতীয় পঞ্জি নয় বরং এনআরসি হচ্ছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি। তাই এটা পুরো দেশে প্রণয়ন করতে হবে এবং আমি বিশ্বাস করি দেশের মানুষের একটা তালিকা থাকা দরকার।<br>তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এ বিষয়ে দেশের মানুষ চলতি বছরের নির্বাচনে তাদের মত জানিয়েছে। কারণ আমার প্রত্যেকটি নির্বাচনী সমাবেশে আমি এনআরসি প্রণয়নের কথা বলেছি এবং আইন অনুযায়ী তালিকার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ভারত থেকে বের করে দেয়া হবে।<br>আসামে এনআরসি থেকে বাদ পড়াদের নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে সুযোগ দেয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন অমিত শাহ। <br>এমনকি যাদের কাছে আইনজীবীকে দেয়ার মতো অর্থ নেই তাদের জন্য আসাম সরকার আইনজীবী সরবরাহ করবে বলেও জানান তিনি।<br>উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট আসামে চূড়ান্ত এনআরসি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বাদ পড়ে ১৯ লাখের বেশি মানুষ।<br><br> </body></HTML> 2019-09-19 20:39:18 1970-01-01 00:00:00 কাশ্মীরকে নতুন স্বর্গ বললেন মোদি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82566 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903929_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903929_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরকে নতুন স্বর্গে পরিণত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার মহরাষ্ট্র প্রদেশের নির্বাচনী প্রচারণার দিনে তিনি এই মন্তব্য করেন। নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমরা জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন উদ্যোগ নেয়ার জন্য জাতির কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। আজ আমি পরিতৃপ্ত যে, দেশ এখন সেদিকেই এগিয়ে চলছে।<br>তিনি বলেন, আমরা সবসময় জানতাম এবং বলেছি কাশ্মীর আমাদের। কিন্তু এখন প্রত্যেক ভারতীয়র জন্য একটি নতুন স্লোগান হবে। সেটি হচ্ছে আমরা সবাই মিলে একটি নতুন কাশ্মীর তৈরি করছি। আমরা আবারও কাশ্মীরকে আগের মতো ভূ-স্বর্গ বানাতে চাই।<br><br>মোদি বলেন, ভারতের অন্যান্য প্রদেশ যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতো; এতদিন সেগুলো থেকে বঞ্চিত ছিল জম্মু-কাশ্মীর। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল জহয়ে যাওয়ায় সেখানের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বাধা দূর হয়েছে। এখন বিভিন্ন ধরনের কেন্দ্রীয় প্রকল্প সেখানে বাস্তবায়ন করা হবে। যার ফলে দেশের অন্যান্য প্রান্তের মানুষও উপকৃত হবে। ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাশ্মীর অনেক ভালো বিষয় থেকে বঞ্চিত ছিল; যা দিল্লি থেকে আসতো...তবে সেই বাধা কেটে গেছে...এখন তারা সরাসরি দিল্লি থেকে সুবিধা পাবেন... এটা লাখ লাখ মানুষকে উপকৃত করবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ আরও ভালো হবে। এর আগে গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে এখন জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভেঙে আলাদা দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত হবে। সূত্র : এনডিটিভি। </body></HTML> 2019-09-19 20:38:17 1970-01-01 00:00:00 জঙ্গিরা চাঁদ থেকে আসে না : পাকিস্তানকে ইইউ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82565 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903788_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903788_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>জঙ্গিবাদের প্রশ্নে আবারও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে পাকিস্তানকে। অপরদিকে ভারতের প্রতিই সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপীয় নেতারা।<br>সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।<br>২০০৮ সালের পর দ্বিতীয়বার কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা হলো ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের পার্লামেন্টে। জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর ভারতের সঙ্গে সব ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে পাকিস্তান সরকার।<br>শুধু তাই নয়, বিশ্বের মঞ্চে ভারতকে একঘরে করতেও বদ্ধপরিকর ইসলামাবাদ। কিন্তু জাতিসংঘের পর এবার ইউরোপিয়ন ইউনিয়নও কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশেই দাঁড়াল।<br>ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে পোল্যান্ডের নেতা ও ইউনিয়নের নেতা রিজার্ড কারনেকি বলেন, ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ। জম্মু-কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে যে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়ে আসছে আমাদের সে বিষয়ে কথা বলা উচিত। জঙ্গিরা চাঁদ থেকে আসে না। জঙ্গিরা আসে পাশের দেশ থেকে। আমাদের সকলের উচিত ভারতকে এ বিষয়ে সমর্থন করা।<br>কারনেকির বক্তব্যে সুর মিলিয়ে ইতালির নেতা ফুলভিও মার্তুসিল্লো বলেন, পাকিস্তান পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান এমন একটি জায়গা যেখানে জঙ্গি সংগঠনগুলো ইউরোপে সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক করে। ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের বলছে, দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তির মাধ্যমেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব। </body></HTML> 2019-09-19 20:36:07 1970-01-01 00:00:00 আফগান ম্যাচে খেলা হচ্ছে না বিপ্লবের! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82564 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903707_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903707_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>শুরুর আগে সমালোচকরা বেশ কিছু কটুক্তি করেছেন। কিছু ফোরনও কেটেছেন। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব আগে ব্যাটসম্যান, পরে লেগস্পিনার। সেটাও খুব বড় মাপের কিছু না। ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা এইচপি-ইমার্জি দলের হয়ে আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আহামরি কোন পারফরমেন্সও নেই।<br>কাজেই লেগস্পিনার হিসেবে বিপ্লবের ভবিষ্যত নিয়ে রীতিমত সংশয় প্রকাশ করেছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু সব সংশয় আর সমালোচকদের বাঁকা কথাবার্তাকে ‘বুড়ো আঙ্গুল’ দেখিয়ে প্রথম পরীক্ষায় উৎরে গেছেন সাফল্যের সঙ্গেই। মূলত ব্যাটসম্যান কাম লেগস্পিনার হলেও লাল সবুজ জার্সি গায়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিশেষজ্ঞ লেগস্পিনার হিসেবেই যাত্রা শুরু হয়েছে বিপ্লবের। নিজের প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে ১৮ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট শিকার করে সবার প্রশংসাই কুড়িয়েছেন শরীয়তপুরের এ ২০ বছর বয়সী ক্রিকেটার। কিন্তু হায়! এ সম্ভাবনাময় লেগস্পিনার সম্ভবত আফগানিস্তানের বিপক্ষে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) খেলতে পারবেন না। গুজব, গুঞ্জন নয়। হাওয়া থেকে পাওয়া উড়ো খবরও না। একদম প্রধান প্রধান নির্বাচকের নিজের মুখের কথা। বুধবার রাতে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ফিল্ডিংয়ের সময় ব্যথা পেয়েছেন বিপ্লব। সেই ইনজুরির কারণে আফগানিস্তানের সঙ্গে ফিরতি পর্বে মাঠে নামার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায়। এমনকি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেরে বাংলায় ফাইনাল খেলার সম্ভাবনাও কম। উল্লেখ্য, আগের রাতে (বুধবার) নিজ বোলিংয়ের সময় জিম্বাবুয়ান অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজার জোরালো স্ট্রেইট ড্রাইভ মাটিতে ঝাপিয়ে থামাতে গিয়ে বাঁ হাতের আঙুলে ব্যাথা পেয়েছেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। সেই ব্যথা পাওয়া জায়গায় তিনটি সেলাইও দিতে হয়েছে। যদিও যে হাতে বোলিং করেন, সেই হাতের আঙুল বা তালুতে নয়। তবুও বাঁহাতের আঙ্গুল ও তালুসহ সেলাই করা, তাই ঐ ক্ষত জায়গা না শুকানো পর্যন্ত খেলা কঠিন। সে কারণেই প্রধান নির্বাচক and nbsp; জানিয়েছেন, ‘যেখানে বল লেগেছে, ঠিক সেখানে আগেও ব্যথা ছিল, ইনজুরি ছিল। তাই মাসাকাদজার শটে ব্যথা পেয়েছে দ্বিগুণ।’ প্রধান নির্বাচক আরও জানান, ‘সত্যিকার অবস্থা কী? তা এখনই বলা যাচ্ছে না। সেটা ডাক্তারের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে। এখনো চিকিৎসকদের চূড়ান্ত রিপোর্ট আসেনি। আমরা তার অপেক্ষায় আছি। তবে এরকম থাকলেও বিপ্লবের পক্ষে ২১ তারিখের ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা খুব কম। আর ইনজুরি ভালোর দিকে থাকলে হয়তো ২৪ সেপ্টেম্বর শেরে বাংলায় ফাইনাল খেলতে পারে।’ একই ইস্যুতে আলাপে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক ডাঃ দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ‘আসলে এই জায়গায় ওর আগেও ব্যথা ছিল। তাই সমস্যা হচ্ছে একটু বেশি। বুধবার রাত ১২ টায় চট্টগ্রামে এক ক্লিনিকে তার আঙুলে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। এরকম অবস্থায় আমরা এক সপ্তাহ পর সেলাই কাঁটি। সে আলোকে ২৪ সেপ্টেম্বরের পর ২৫ সেপ্টেম্বর নাগাদ হয়ত সেলাই কাটঁতে হবে।’ কিন্তু তার আগে ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের সঙ্গে রবিন লিগের ফিরতি পর্ব আর ফাইনাল ম্যাচ আছে। তার পক্ষে কি তাহলে খেলা সম্ভব হবে? এ প্রশ্নের জবাবে দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ‘এরকম ইনজুরিতে হাত, তালুতে বা আঙুলে সেলাই দিতে হলে অন্তত এক সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হয়। আমরা এক সপ্তাহের আগে সেলাইও কাটি না। তবে এক্ষেত্রে যদি তাকে তার আগে খেলানোর পরিকল্পনা থাকে, তখন আমরা ব্যবস্থা করে দেই। ক্ষতস্থানটা যতটা সম্ভব নিরাপদ রেখে ভারী ব্যান্ডেজ পেচিয়ে দেয়া হয়। যাতে বল ও অন্য কিছুর আঘাত না লাগে। এখন টিম ম্যানেজমেন্ট ও দল চাইলে আমরা চেষ্টা করবো তার আঙুলকে যতটা সম্ভব নিরাপদ রেখে মাঠে নামাতে।’<br>তাই বিপ্লব পুরো তিন জাতি আসরেই আর খেলতে পারবেন না- এমন কথা কিন্তু জোর দিয়ে বলার সুযোগ নেই। বরং ঘা শুকালে হয়তো ফাইনালে ঠিক মাঠে নামবেন। তখন নানা রকম ব্যান্ডেজ হাতে লাগানো থাকবে হাতে। </body></HTML> 2019-09-19 20:34:41 1970-01-01 00:00:00 এক ম্যাচে দুই রেকর্ড কোহলির http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82563 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903654_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903654_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিরাট কোহলির জন্মই যেন হয়েছে রেকর্ড গড়ার জন্য। ব্যাট হাতে নামলে একের পর এক রেকর্ড তার পায়ের কাছে লুটোপুটি খেলতে থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মোহালিতে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির এক ম্যাচেই এবার দুই রেকর্ড গড়লেন ভারতীয় দলপতি। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ছিল মোহালিতে গতকাল (বুধবার)। এই ম্যাচে কোহলির ৭২ রানের অনবদ্য এক ইনিংসে ভর করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। দারুণ এই ইনিংস খেলার সুবাদে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন কোহলি। যা ছিল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার ১১তম 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' অ্যাওয়ার্ড। এতে করে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ড শহীদ আফ্রিদির রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন কোহলি। সবচেয়ে বেশি ম্যাচসেরা হওয়ার রেকর্ডটি আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবীর দখলে। শুধু আফ্রিদিকে ছুঁয়ে ফেলাই নয়। ৭২ রানের ইনিংসে আরেকটি রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন কোহলি। ছাড়িয়ে গেছেন স্বদেশি রোহিত শর্মাকে। টি-টোয়েন্টিতে এখন সবচেয়ে বেশি রানের মালিক ভারতীয় দলপতিই (২৪৪১ রান)। দুইয়ে নামা রোহিতের রান ২৪৩৪। এমন অর্জনের দিন আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি দলের একজনের কাছ থেকে উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও শুনলেন কোহলি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোহলিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি।<br>টুইটারে আফ্রিদি কোহলির প্রশংসা করে লিখেন, ‘কোহলি তোমাকে অভিনন্দন। তুমি আসলেই গ্রেট খেলোয়াড়রা। কামনা করি এই সাফল্য অব্যাহত থাকে।<br> and nbsp;বিশ্বজুড়ে ভক্তদের ক্রিকেট বিনোদন দিতে থাকো।’<br><br><br> and nbsp; </body></HTML> 2019-09-19 20:33:07 1970-01-01 00:00:00 মালিকের ঝড়ে উড়ে গেলেন গেইল-রাসেলরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82562 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903564_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903564_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>চলতি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগটা (সিপিএল) একদমই ভালো যাচ্ছে না জ্যামাইকা তালাওয়াসের। দলের দুই সেরা তারকা ক্রিস গেইল ও আন্দ্রে রাসেল সে অর্থে জ্বলে উঠতে না পারায় একের পর এক ম্যাচ হারতে হচ্ছে দলটিকে। বৃহস্পতিবার সকালে ষষ্ঠ ম্যাচে পঞ্চম হারের মুখোমুখি হয়েছে গেইল-রাসেলদের জ্যামাইকা। তাদের ৮১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স। ম্যাচে গেইল পারেননি কিছুই করতে। ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তবে তাদের ছাড়িয়ে গেছেন শোয়েব মালিক।<br>ম্যাচে আগে ব্যাট করে গেইল-রাসেলদের জ্যামাইকার বিরুদ্ধে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় গায়ানা। জবাবে রাসেলের ১৯ বলে ৪০ রানের ইনিংসের পরেও মাত্র ১৭.৩ ওভারে ১৩৭ রানে অলআউট হয়েছে জ্যামাইকা।<br>গায়ানার বড় সংগ্রহ দাঁড় করানোর পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন শোয়েব মালিকই। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে উইকেটে এসে তিনি অপরাজিত ছিলেন শেষপর্যন্ত। এর মধ্যে ৩৭ বল খেলে ৬ চার ও ৩ ছক্কার মারে ৬৭ রানের এক ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া ব্র্যান্ডন কিং ৩৭ বলে ৫৯ এবং শিমরন হেটমায়ার করেন ২৫ বলে ৪৪ রান। প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েই মূলত ম্যাচ অর্ধেক নিজেদের পকেটে নিয়ে নেয় গায়ানা। তবু প্রতিপক্ষ শিবিরে গেইল-রাসেলদের মতো ব্যাটসম্যান থাকায় সংশয় ছিলো খানিক। সেটি প্রায় শেষ করে দেন ইমরান তাহির। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মাত্র ৭ রান করা গেইলকে ফেরান তাহির। এরপর চ্যাডউইক ওয়ালটনের উইকেটও নেন তাহির। পরে গ্লেন ফিলিপস ৩২ বলে ৪০ রান করে আশা জাগিয়েছিলেন ভালো কিছুর। কিন্তু রাসেলব্যতীত আর কেউই পারেননি বড় কিছু করতে। দলের আশা বাঁচিয়ে মাত্র ১৯ বল খেলে ৪০ রান করেন রাসেল। তাকে ফিরিয়ে গায়ানার জয় নিশ্চিত করে ফেলেন ওডিয়ান স্মিথ। শেষপর্যন্ত ১৫ বল বাকি থাকতেই ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় জ্যামাইকা। ছয় দলের টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচ শেষে জ্যামাইকার জয় মাত্র ১ ম্যাচে, অবস্থান টেবিলের সবার নিচে। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচের সবকয়টিতে জিতে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে গায়ানা।<br><br> </body></HTML> 2019-09-19 20:32:27 1970-01-01 00:00:00 এক বছর নিষিদ্ধ লঙ্কান স্পিনার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82561 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903524_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903524_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সময়টা তার দুর্দান্তই কাটছিল। এমন সময়ে দুঃসংবাদ শুনতে হলো আকিলা ধনঞ্জয়ার। অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে লঙ্কান এই অলরাউন্ডারকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে তার দেশেরই ক্রিকেট বোর্ড।<br>পুরো প্রক্রিয়াটাই অবশ্য আইসিসির তত্ত্বাবধানে হয়েছে। খরচ থেকে শুরু করে পরীক্ষা পর্যন্ত সবই আইসিসি দেখভাল করেছে। সেখানে ত্রুটি ধরা পড়ায় ১৮ সেপ্টেম্বর লঙ্কান বোর্ড এবং খেলোয়াড়কে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়েছে। চলতি বছরের আগস্ট মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার গল টেস্ট চলার সময় আকিলার অফস্পিন বোলিং নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আম্পায়াররা। পরে রিপোর্ট করা হয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে ২৫ বছর বয়সী এই স্পিনারকে আইসিসির অনুমোদিত চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। ডক্টর আদিত্য এবং নানাভেল ও তাদের দলের অধীনে পরীক্ষা দেন ধনঞ্জয়া। জানা গেছে, সেই পরীক্ষায় বোলিংয়ে ত্রুটি ধরা পড়েছে লঙ্কান অলরাউন্ডারের। বোলিংয়ের সময় ধনঞ্জয়ার কনুই আইসিসির অনুমোদিত ১৫ ডিগ্রির মধ্যে নিয়মিত থাকছে না।<br> and nbsp;৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠেছে। এর মধ্যে দুটি ডেলিভারি ছিল ১৫ ডিগ্রির ওপরে।<br>ফলে ধনঞ্জয়াকে আগামী ১২ মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। গত দুই বছরে দ্বিতীয়বারের মতো এমন নিষেধাজ্ঞা পেলেন তিনি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবার নিষিদ্ধ হন। এবারের নিষেধাজ্ঞা থাকবে ২০২০ সালের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত।ৎ<br><br> </body></HTML> 2019-09-19 20:31:47 1970-01-01 00:00:00 ৬৩ বছরে তার মতো পারেনি আর কেউ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82560 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903482_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568903482_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>কলপাক চুক্তি- দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের জন্য এক অভিশাপই বটে। যার ফাঁদে পড়ে অনেক নামী ক্রিকেটারকে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেসব ক্রিকেটারই আবার মাতিয়ে বেড়াচ্ছেন ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট। এদের মধ্যে অন্যতম ডানহাতি পেসার কাইল অ্যাবট।<br>যিনি এমন এক কীর্তি গড়েছেন, যা ৬৩ বছর ধরেও করতে পারেননি বিশ্বের আর কোনো বোলার। বছর দুয়েক আগে কলপাক চুক্তিতে দেশের ক্রিকেট ছেড়ে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব হ্যাম্পশায়ারে নাম লিখিয়েছেন তিনি। এ দলের হয়েই অবিশ্বাস্য বোলিং করে নিজের নাম লিখিয়েছেন রেকর্ডের খাতায়। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ডিভিশন-১ এর ম্যাচে সমারসেটের বিপক্ষে একাই নিয়েছেন ১৭ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ইতিহাসে গত ৬৩ বছরে এটিই ম্যাচে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। সেই ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের দুই ইনিংসে ১৯ উইকেট শিকার করেছিলেন ইংল্যান্ডের অফস্পিনার জিম লেকার। টেস্ট তথা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটিই ম্যাচে সেরা বোলিংয়ের বিশ্বরেকর্ড।<br>লেকারের এই কীর্তির পর আর কেউই পারেননি তার ধারেকাছেও যেতে। অবশেষে ৬৩ বছর পর সে সেই সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন কাইল অ্যাবট। তবে পারেননি লেকারের মতো ১৯ উইকেট শিকার করতে। তিনি থেমেছেন ১৭ উইকেট নিয়ে। তবে এটিই গত ৬৩ বছরে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। সাউদাম্পটনের রোজ বোলে ম্যাচের দ্বিতীয় এবং সমারসেটের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪০ রান খরচায় ৯ উইকেট শিকার করেন অ্যাবট। <br>শুধুমাত্র টম ব্র্যান্টনের উইকেট নিতে পারেননি তিনি। অ্যাবটের তোপে সমারসেট অলআউট হয় ১৪২ রানে। তবে হ্যাম্পশায়ারও আগে ব্যাট করে ১৯৬ রানের বেশি করতে পারেনি। ফলে প্রথম ইনিংসে তাদের লিড দাঁড়ায় ৫৪ রানের।<br>পরে অধিনায়ক জেমস ভিনসের ১৪২ রানের ইনিংসের পরেও দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৬ রানে অলআউট হয়ে যায় হ্যাম্পশায়ার। ম্যাচ জেতার জন্য সমারসেটের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৮১ রানের।<br>লক্ষ্য তেমন বড় না হলেও, আগুনে ফর্মে ছিলেন অ্যাবট। তাই তো প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট নেয়ার পর, দ্বিতীয় ইনিংসেও তার শিকার ৮ জন ব্যাটসম্যান। প্রথম ইনিংসে আউট করতে না পারা ব্র্যান্টনকে এবার তিনি ফেরান লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে। এ ইনিংসে অ্যাবটের বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ১৭.৪-৩-৪৬-৮ এবং প্রথম ইনিংসে ছিল ১৮.৪-৯-৪০-৯।<br>দুই ইনিংস মিলে ৩৬.১ ওভারে ১২ মেইডেনের সাহায্যে ৮৬ রান খরচায় ১৭ উইকেট শিকার করেন ডানহাতি এ পেসার। জিম লেকারের ১৯ উইকেটের পর গত ৬৩ বছরে এটিই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। </body></HTML> 2019-09-19 20:30:47 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার বিধবা গৃহবধূ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82559 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568900579_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568900579_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>সোনাগাজীতে প্রতিপক্ষের হালার শিকার বিধবা গৃহবধূ থানায় মামলা করতে গিয়ে রহিমা সুন্দরী (৪০) নামে এক নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী প্রতারক রহিমা সুন্দরী ও সঞ্জু শিকদারকে (৩৫) গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রহিমা সুন্দরী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামের নূরুজ্জামানের কন্যা ও সঞ্জু শিকদার দাগনভূঞা উপজেলার খোকন শিকদারের ছেলে। সোনাগাজী পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের চরগণেশ গ্রামের কলেজ রোডের মাঝি বাড়ির খোকন মিয়ার মালিকীয় রহিমা সুন্দরীর ভাড়া বাসায় ১৫ সেপ্টেম্বর রোববার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় দুর্বৃত্তরা তার সাথে থাকা এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও একটি মোবাইল ফোন লুটে নেয়। এঘটনায় ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে সঞ্জু শিকদার, রহিমা সুন্দরী ও আফলাছ হোসেনের সহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ, এলাকাবাসী ও নির্যাতিত গৃহবধূ জানান, আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর সোনাপুর গ্রামের সাহাব উদ্দিন ওই নারী কে দত্তক নিয়ে লালন পালন করেন। উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের মান্দারী গ্রামের জনৈক রিপন নামে এক যুবলীগ কর্মীর কাছে ১৪ বছর পূর্বে বিয়ে দেন। গত ৩ বছর পূর্বে আধিপত্যের জের ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা রিপনকে গুলি করে হত্যা করে। সে ১৩ বছর ও ৭ বছর বয়সী দুই সন্তান নিয়ে পালক বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। নি:সন্তান পালক বাবা তার নামে বসত বাড়িতে জমি দান করার প্রস্তাব করেন। এ খবর জানাজানি হলে সাহাব উদ্দিনের ভাই ও ভাতিজারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। and nbsp; গত ১০ সেপ্টেম্বর নি: সন্তান দম্পতি সাহাব উদ্দিন, তার স্ত্রী রোশনা খাতুন ও পালক কন্যাকে ভাই কালা মিয়া ও তার ছেলে মাসুদ সহ কয়েকজন মিলে পিটিয়ে আহত করে। ওই ঘটনায় ওইদিন পালক কন্যা বাদি হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় চাচা, চাচি ও চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। and nbsp; কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা যাতায়াত খরচ চাইলে দিতে পারেননি অসহায় ওই নারী। অভিযোগ দিয়ে নিরাশ হয়ে বের হওয়ার সময় থানার মাঠে দেখা মিলে রহিমা সুন্দরী নামের প্রতারক ওই নারীর। সে নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ওই নারীকে তার বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে রেখে পুলিশ পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি বলে তাকে বোন ডেকে তার বাসায় রেখে দেন। এদিকে বাড়ির চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের ভয়ে ওই নারী পালক পিতার বাড়িতে যেতে পারছেনা। থানা পুলিশও কোন ব্যবস্থা নেননি। প্রথম ঘটনার পঞ্চম দিনে ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে শম্ভু শিকদার, আফলাছ সহ ৫ জন যুবককে পুলিশের লোক বলে তার উপর লেলিয়ে দেয়। ওই অসহায় নারী কে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষকদের সাথে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ওই নারী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার সাথে থাকা ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের রিং, ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। সকালে জ্ঞান ফিরলে রহিমা সুন্দরী নামের ওই প্রতারক নারীর কাছে গৃহবধূ তার উপর এই নির্যাতনের কারণে জানতে চাইলে সে সঞ্জু শিকদার ও আফলাছ নামের দুই যুবককে এনে দ্বিতীয়বার ধর্ষণ করায়। তারা ফের বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেয়। ঘটনাটি জানাতে ওই নারী থানায় গেলে কর্তব্যরত একজন এএসআই সুন্দরী নামের ওই প্রতারক নারীকে মুঠো ফোনে জানিয়ে দেন তোমার বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। খবর পেয়ে সুন্দরী তাৎক্ষণিক থানায় এসে ওই নারীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। তখন সেই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ধমক দিয়ে ঘটনাটি সামাজিক ভাবে সমাধান করতে বলে তাড়িয়ে দেন। ওই নারী ওই সমাজের লোকদের জানালে কেউ দায়িত্ব না নেয়ায় এক পর্যায়ে সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সম্পাদকের দ্বারস্থ হন। তারা ঘটনার দুইদিন পর বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সোনাগাজী মডেল থানার ওসির কাছে নিয়ে যান। বিষয়টি অবগত হয়ে ওসি বাদিনীর ভাষ্য মতে তাৎক্ষণিক মামলাটি রুজু করেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে সঞ্জু শিকদার ও রহিম সুন্দরী কে আটক করে। সঞ্জু শিকদার দাগনভূঞা উপজেলার খোকন শিকদারের ছেলে। সে সোনাগাজী পৌরসভার চরগণেশ গ্রামের জনৈক শেখ রেহানার বাড়িতে বসবাস করতো। একসময় সে সোনাগাজী বাজারে মুচির কাজ করতো। পরবর্তীতে খোনারী ব্যবসার সাথে জড়িয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও ছিনতাই সহ একাধিক মামলা রয়েছে। রহিমা সুন্দরী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামের নূরুজ্জামানের কন্যা ও এক কন্যা সন্তানের জননী। সেও একজন স্বামী পরিত্যক্তা নারী। সে গত তিন বছর ধরে সোনাগাজী মডেল থানায় কর্মরত একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় বুয়ার কাজ করতো। সে সোনাগাজী কলেজ রোডস্থ মাঝি বাড়ির খোকা মালিকীয় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। সেখানে বখাটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রবাসী ও ব্যবসায়ী যুবকদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করতো। একাধিক পুলিশ সদস্যের সাথে তার সখ্যতা থাকায় কেউ ভয়ে মুখ খুলতোনা। and nbsp; সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাশবিক নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-09-19 19:41:58 1970-01-01 00:00:00 গণধর্ষণ মামলা তুলে নিতে বাদিকে পেটানো ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82558 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568895849_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568895849_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্ত্রী গণধর্ষণ মামলার বাদিকে পিটিয়ে হাত-পা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ৪ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে পটুয়াখালী শহরের নতুনবাজার এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে বরিশাল শহরের রুপাতলী এলাকায় র‌্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, গৃহবধূ মামলার বাদি স্বামী সিদ্দিক হাওলাদারকে মারধরের খবর অনলাইন গণমাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালী শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হামলাকারীদের মধ্যে ৪ জন পটুয়াখালীর মহিপুর থানার চরচাপলী গ্রামের ইমদাদ মৃধার ছেলে ও মামলার প্রধান আসামি শাকিল মৃধা, তার সহযোগী একই এলাকার রবিউল ভূঁইয়া, রবিউল হাওলাদার এবং সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ওয়ানশুটার গান, ১২ রাউন্ড গুলি ও ৩৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।<br><br>র‌্যাবের দাবি, গ্রেফতার চারজনই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বাদির ওপর হামলায় চালানো এবং মাদক ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এই ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেছেন। এরআগে গত ১৫ এপ্রিল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার পশ্চিম চাপলি এলাকায় সিদ্দিক হাওলাদারকে অস্ত্রের মুখে বেঁধে তার স্ত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্দিকের দায়ের করা মামলায় ধর্ষকেরা বেশ কয়েকদিন জেল খেটে সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হন। পরে তারা মামলা তুলে নিতে বাদির বাসায় হামলা চালানোর পাশাপাশি ভয়ভীতিও দেখায়। সর্বশেষ মঙ্গলবার রাতে বাদি সিদ্দিকের ওপর হামলা চালিয়ে তার দুটি পা গুঁড়িয়ে দেয় ধর্ষকদের সন্ত্রাসী বাহিনী। মূলত এই খবর নিশ্চিত হয়েই র‌্যাবের টিমটি হামলাকারীদের ধরতে মাঠে নেমে গ্রেফতারে সফলতা পায়। </body></HTML> 2019-09-19 18:23:35 1970-01-01 00:00:00 প্রভাবশালী রাজনীতিবিদরা জড়িত কি না, তা তদন্তের বিষয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82556 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890840_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890840_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় প্রভাবশালী রাজনীতিবদরা জড়িত কি না, তা তদন্তের বিষয়। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের কেউ এই কারবারে প্রশ্রয় দিয়ে থাকলেও তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। যুবলীগ নেতার অবৈধ ক্যাসিনোতে অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনুমতি ছাড়া ক্যাসিনো চালানো হয়েছে, এজন্য অভিযান চালানো হয়েছে। প্রশাসন যখন জেনেছে, তখনই অভিযান চালানো হয়েছে।<br><br>তিনি বলেন, কলাবাগানে একটি ক্যাসিনোর খবর ছিল সেটি বন্ধ করেছি। কারওয়ানবাজারে একটি শুরু হচ্ছিল সেটির বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। মাঠে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে, তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চলছে। উল্লেখ্য, বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্রসহ আটক করে র‍্যাব। আটকের পর তাকে র‍্যাব-৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।<br><br> </body></HTML> 2019-09-19 17:00:13 1970-01-01 00:00:00 মা ও দুই মেয়েকে গলাকেটে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82555 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890380_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890380_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জে দুই মেয়েসহ মাকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সুমাইয়া (১২) নামের অপর এক মেয়ে শিশু আহত হয়েছে। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সিআই খোলা এলাকার ৬তলা একটি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ওই ভবনের ভাড়াটিয়া সুমন মিয়ার স্ত্রী নাসরিন (২৮), তার ৬ বছরের মেয়ে নুসরাত এবং ২ বছরের মেয়ে খাদিজা। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আজিজুল হক ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। </body></HTML> 2019-09-19 16:52:33 1970-01-01 00:00:00 চেয়ারম্যানের সামনেই যুবকের দু’হাত কাটলো দুর্বৃত্তরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82554 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890309_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890309_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চাঁপাইনবাবগঞ্জে রুবেল আলী (২৮) নামের এক আম ব্যবসায়ীর দুই হাতের কব্জি কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রুবেল নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের খোদাবক্সের ছেলে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে রুবেলকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি এখন ওই হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।<br>রুবেলের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুস সালামের সঙ্গে নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিনের বিরোধ রয়েছে। শিবগঞ্জ সীমান্তের চরপাকা গরুর খাটাল নিয়ে তাদের এ বিরোধ। এর জের ধরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে তার হাত কেটে দেয়া হয়েছে।<br><br>রুবেল আরও জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে রুবেল এবং তার দুই বন্ধু রবিউল ও হাবু চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। চেয়ারম্যান তখন তার লোকজন দিয়ে তাদেরকে একটি ঘরে আটকে রাখেন। রুবেল ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানালে চেয়ারম্যান তাকে চুপচাপ বসে থাকতে বলেন। এরপর রাত ২টার দিকে রুবেলকে হাত বেধে স্কুলের পেছনে নিয়ে তার হাতে কেটে ফেলার নির্দেশ দেন চেয়ারম্যান।<br>তখন হোসেন আলী ও জিয়া নামের দুই ক্যাডার তার দুই হাতের কব্জি কেটে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে চিৎকার শুনে রুবেলের বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। ২০১৭ সালে তার ইউপির নয় সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন যে, চেয়ারম্যান তাদের গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন।<br>এলাকার এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের একটি মামলায় এ বছরের মার্চে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছিল। রুবেলের হাত কেটে ফেলার বিষয়ে কথা বলতে একাধিকবার ফোন করা হলেও চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিন ধরেননি। শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, সকালে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কাউকে আটক করা হয়নি। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তারা তদন্ত করে দেখছেন। মামলা হলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। </body></HTML> 2019-09-19 16:51:12 1970-01-01 00:00:00 বাবা হলেন ভিপি নুর, স্ত্রী বললেন সন্তানের কথা বলতে চাই না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82553 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890138_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890138_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সন্তানের বাবা হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। এটি খুশির খবর হলেও বিষয়টি নিয়ে লুকোচুরি খেলছেন নুর ও তার স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যরা। ভিপি নুরের প্রতিবেশী ও স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লুনার আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন ভিপি নুর। বিষয়টি গ্রামবাসী জানলেও নুর ও লুনার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি লুকিয়ে রাখতে চাইছেন।<br>তবে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু মুন্সি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন ভিপি নুর।<br><br>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাতেম আলীর মেয়ে মরিয়ম আক্তার লুনাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন নুর। নুরের স্ত্রী লুনা গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি হলে পটুয়াখালী চলে যান লুনা। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডাকসু ভিপি নির্বাচিত হওয়ার সময় নুরের স্ত্রী লুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। গত ২১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে এক কন্যাসন্তান জন্ম দেন লুনা। কয়েক দিন আগে নুর ও তার স্ত্রী-সন্তানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় ভিপি নুরের পাশে শিশু কোলে নিয়ে এক নারী দাঁড়িয়ে আছেন। ওই নারী ভিপি নুরের স্ত্রী এবং স্ত্রীর কোলে থাকা শিশুটি নুরের সন্তান বলে প্রচার পায়। এরই মধ্যে নুরের প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে স্ত্রী-সন্তানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।<br><br>গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু মুন্সি বলেন, ভিপি নুর কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। গত মার্চ মাসে বাবা হয়েছেন নুর। তবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি নুর এবং নুরের পরিবার। এ বিষয়ে চরবিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নুরের শ্বশুর হাতেম আলী বলেন, নাতি হয়েছে তা জানা কি দরকার। কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলা উচিত নয়।<br>সন্তানের কথা জানতে চাইলে ভিপি নুরের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লুনা বলেন, কেমন উল্টাপাল্টা তথ্য জানতে চাইছেন বলেন তো? কালকে দেখলাম একটি সংবাদমাধ্যমে আমাদের সন্তান নিয়ে উল্টাপাল্টা সংবাদ করে রেখেছে। আজ আবার আপনি জানতে চাইছেন সন্তানের কথা। আজব বিষয়। এর আগেও আমাদের বিয়ে নিয়ে আজেবাজে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। অথচ পারিবারিকভাবে আমাদের বিয়ে হয়েছে।<br>মরিয়ম আক্তার লুনা আরও বলেন, একজন মানুষ সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে কিছু লেখা ঠিক নয়। অনেকেই মনে যা আসে লিখে দেয়। এসব ঠিক নয়। আমাদের সন্তান হয়েছে কি হয়নি তা ব্যক্তিগত বিষয়। বিষয়টি জানাতে আমি আগ্রহী না। এ বিষয় নিয়ে আমি সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে চাই না। ভিপি নুরুল হক নুরের মোবাইল নম্বরে কল দিয়ে সন্তানের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পরে কথা বলব। আমি এখন একটু ব্যস্ত আছি ভাই। </body></HTML> 2019-09-19 16:48:20 1970-01-01 00:00:00 খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর, ৩ মামলা দায়ের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82552 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890012_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568890012_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক, মানিল্ডারিং ও অস্ত্র আইনে তিন মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডিএমপির মতিঝিল থানা ও গুলশান থানা পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।<br>এর আগে বুধবার রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়ংমেন্স ক্লাবের যে ক্যাসিনো থেকে ১৪২ জনকে আটক করা হয় সেই ক্লাবের মালিক ছিলেন যুবলীগের এই নেতা। গুলশান-২-এর নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। </body></HTML> 2019-09-19 16:46:26 1970-01-01 00:00:00 খুনি নূর চৌধুরীর তথ্য প্রকাশে কানাডার আদালতে বাংলাদেশের পক্ষে রায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=82551 http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568889936_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/09/18/1568889936_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীর অবস্থানসংক্রান্ত তথ্যের বিধিনিষেধ তুলে নিতে বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর করেছেন কানাডার আদালত।<br>স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ফেডারেল কোর্টের বিচারক ও’রেইলি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেন। খবর ৬৬০সিটিনিউজের। আদালত রায়ে জানান, নূর চৌধুরীর অবস্থান জানতে চেয়ে বাংলাদেশ যে আবেদন করেছে তা বৈধ। এ ধরনের তথ্য প্রকাশ জনস্বার্থের জন্য ক্ষতির কারণ হবে না। ঘাতক নূর চৌধুরী কানাডায় কিভাবে আছেন এবং ‘প্রি-রিমুভাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্টের’ (পিআরআরএ) আবেদন কী পর্যায়ে আছে সে বিষয়ে বাংলাদেশকে কানাডা কোনো তথ্য দিচ্ছে না অভিযোগ করে গত বছর জুন মাসে ‘জুডিশিয়াল রিভিউয়ের’ (বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা) আবেদনটি করা হয়।<br><br>দেশটির উচ্চ আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে বলছেন, কানাডা কর্তৃপক্ষ ও নূর চৌধুরীর বিষয়ে বাংলাদেশকে তথ্য না দেওয়ায় যেসব যুক্তি তুলে ধরেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। আর তাই বাংলাদেশের আবেদন আবার বিবেচনা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ে আরও বলা হয়, নূর চৌধুরী ও তার স্ত্রী ১৯৯৬ সালে কানাডায় ‘ভিজিটর’ স্ট্যাটাস পান। এর কিছুদিন পরই তারা ‘রিফিউজি প্রটেকশনের’ (শরণার্থী হিসেবে সুরক্ষা) আবেদন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার দায়ে বাংলাদেশে ফেরারি হিসেবে নূর চৌধুরীর বিচার হয় এবং সেখানে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এছাড়া, গুরুতর ‘অরাজনৈতিক’ অপরাধের কারণে নূর চৌধুরী ও তার স্ত্রী ২০০২ সালে ‘রিফিউজি প্রটেকশন’ সুরক্ষা থেকে বাদ পড়েন। তবে নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়নি। বাংলাদেশে ফিরলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হতে পারে—এমন যুক্তি দেখিয়ে নূর চৌধুরী ‘প্রি-রিমুভাল রিস্ক অ্যাসেসমেন্টের’ জন্য অনুরোধ করেছেন বলেও রায়ে উল্লেখ করেন আদালত। </body></HTML> 2019-09-19 16:45:02 1970-01-01 00:00:00