http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - করোনায় মারা গেলেন ফেনীর সিভিল সার্জন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95577 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594130887_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594130887_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥ </span><br>করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে করোনায় প্রথম কোনো সিভিল সার্জনের মৃত্যু হলো। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফেনী স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সমন্বয়ক ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ। ডা. শরফুদ্দিন মাহমুদ বলেন, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন।<br><br>গত ১২ জুন নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। ১৪ জুন শ্বাসকষ্ট অনুভব হলে তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের ৪০ শয্যার হাই-ফ্লো অক্সিজেন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ১৯ জুন পরিবারের ইচ্ছায় ও আরও উচ্চ প্রবাহের অক্সিজেন সেবা চালু না হওয়ায় সিভিল সার্জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান তিনি। ডা. সাজ্জাদ হোসেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ২৫তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। ডা. সাজ্জাদ হোসেনকে নিয়ে করোনায় এ পর্যন্ত ৬২ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। </body></HTML> 2020-07-07 20:02:55 1970-01-01 00:00:00 প্লাবিত হতে পারে ঢাকাও, আসছে বড় বন্যা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95576 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126917_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126917_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যে উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। এর প্রভাবে চলতি সপ্তাহ শেষে আরো বড় বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যা এক মাসের বেশি সময় অবস্থান করতে পারে। যার প্রভাব ঢাকা মহানগরীতেও পড়তে পারে। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া। চলমান বন্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যে ভারতের আসাম ও মেঘালয়সহ উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হবে। যার পানি আবারো চাপ বাড়াবে দেশের প্রধান নদীগুলোতে। এর প্রভাবে আগামী শুক্রবার থেকে দীর্ঘমেয়াদী ও বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যা এক মাসের বেশি সময় অবস্থান করতে পারে।<br><br>আরিফুজ্জামান আরো জানান, ঢাকা মহানগরীর পূর্বদিকে শহররক্ষা বাঁধ না থাকায় পানির চাপ বেশি হলে ডেমরা, বনশ্রীসহ কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ড্রেনের তুলনায় নদীর পানির উচ্চতা বাড়লে নগরীতে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ঢাকার আশপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষা নদীর পানি ইতোমধ্যে বেড়েছে। ঢাকার দোহার ও মুন্সিগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যে বন্যার প্রভাব পড়েছে। আসন্ন বন্যা ঢাকার নিম্নাঞ্চল ও নারায়ণগঞ্জ প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা অনেক বেশি।<br><br> </body></HTML> 2020-07-07 19:00:24 1970-01-01 00:00:00 করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুতেও সাংবাদিক পরিবার পাবে ৩ লাখ টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95575 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126573_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126573_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনা কিংবা করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলে প্রত্যেক সাংবাদিক পরিবারকে সরকার তিন লাখ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ, ভয়াবহতা ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে মানুষ যেন ঠিকভাবে জানতে পারে এবং একইসঙ্গে এসময় যারা কর্মে নিয়োজিত তারা যাতে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেয়, সেজন্য এ পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয় তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।<br><br>হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ ছিল তারা যেন গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে ও গণমাধ্যম যাতে চালু থাকে। আমরা দেখছি অনেক প্রতিকূলতার পরও গণমাধ্যম চালু রয়েছে। অনেক সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন ইতোমধ্যে মারাও গেছেন। ‘আমরা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে করোনা কিংবা করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া প্রত্যেক সাংবাদিক পরিবারকে তিন লাখ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যেই ছয়টি পরিবারকে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনাকালে অসুবিধায় নিপতিত সাংবাদিকদের এককালীন ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিক ইউনিয়ন, প্রেসক্লাব ও ডিসি অফিস এ কাজে সহায়তা করছে।’<br><br>প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম উত্থাপিত ‘প্রেসক্লাবের মূল আয় ভাড়া। এটা বন্ধ থাকার কারণে প্রেসক্লাব কিছুটা আর্থিক সংকটে পড়েছে’-এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে আরো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ এখন কোন পর্যায়ে, সেটি বিশেষজ্ঞরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে কয়েকটি পত্রিকায় দেখেছি প্রকোপটা কমতির দিকে। জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সমস্ত কিছু যখন আস্তে আস্তে খুলে যাচ্ছে, প্রেসক্লাবও সেক্ষেত্রে সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। এসময় সংবাদপত্রগুলোর বিক্রি ও ছাপা সংখ্যা দু’টিই কমেছে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ অবস্থা লক্ষ্য করেই আমি নিজে অনুরোধ করে মন্ত্রিপরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম, যাতে তারা সংবাদপত্রের বকেয়াগুলো পরিশোধ করে। এতে অনেকটা ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং প্রয়োজনে আবার তাগিদ দেওয়া হবে। বকেয়া বিলগুলো পেলে সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া সহজ হয়, সেজন্যই এ পদক্ষেপ।<br><br>জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি সাইফুল আলমের নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ শ্যামল দত্ত, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল আলম, নির্বাহী সদস্য কুদ্দুস আফ্রাদ, আবদাল আহমেদ ও জাহিদুজ্জামান ফারুক সভায় করোনাকালে গণমাধ্যম ও জাতীয় প্রেসক্লাব বিষয়ে খোলামেলা আলোচনায় অংশ নেন। করোনা সংকট মোকাবিলায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও মানুষকে আশাবাদী করে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করলে সবাই একমত পোষণ করেন। </body></HTML> 2020-07-07 18:55:17 1970-01-01 00:00:00 জেএসএস লারমার বান্দরবানের সভাপতিসহ ৬ জনকে গুলি করে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95574 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126048_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594126048_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বান্দরবানে পার্বত্য এলাকার আঞ্চলিক গ্রুপের সশস্ত্র হামলায় জনসংহতি সমিতির সংস্কারপন্থি এমএন লারমা গ্রুপের সভাপতিসহ ছয় জন নিহত হয়েছেন। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরও তিন জন। মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল ৭টার দিকে বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা বাজার পাড়ায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। and nbsp; নিহতরা হলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বিমল কান্তি চাকমা (৬৮), উপদেষ্টা কমিটির সদস্য চিংথোয়াইয়াং মারমা ওরফে ডেভিড (৫৬), বান্দরবান জেলা সভাপতি রতন তঞ্চঙ্গা (৫০), পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির সদস্য রবীন্দ্র চাকমা (৫০), রিপন ত্রিপুরা ওরফে জয় (৩৫) ও জ্ঞান ত্রিপুরা ওরফে দিপন (৩২)। রতন তঞ্চঙ্গা ছাড়া বাকি সবার বাড়ি খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হলেন- নিরু চাকমা (৫০), বিদুৎ ত্রিপুরা (৩৮) ও শিক্ষার্থী মেমানু মারমা (২৬)। আহতদের প্রথমে বান্দরবান সদর হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।<br><br>স্থানীয় ইউপি সদস্য সামপ্রুই মারমা জানান, সকালে হঠাৎই বাঘমারা বাজার পাড়ার পশ্চিম দিক থেকে একটি সশস্ত্র গ্রুপ এলাকায় প্রবেশ করে সংস্কারপন্থি গ্রুপের সভাপতির বাসায় হামলা চালায়। হত্যার শিকার সবাই ওই ঘরেই অবস্থান করছিলেন। হামলার সময় কিছু সদস্য পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরও গুলি করে হত্যা করা হয়। তবে নিহতদের মধ্যে সভাপতি রতন তঞ্চঙ্গ্যা ও সদস্য প্রজিত চাকমা ছাড়া অন্য সদস্যদের কেউ চেনেন না বলে জানান। সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসে রতন তঞ্চঙ্গ্যাকে সভাপতি করে বান্দরবানে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জনসংহতি সমিতির সংস্কারপন্থি গ্রুপের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পর থেকেই জনসংহতি সমিতির সন্তু লারমা গ্রুপের সঙ্গে তাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলেই আসছিল।<br><br>এদিকে ঘটনার পর বাঘমারা বাজারের দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে। আতঙ্কে স্থানীয়রা অনেকেই নিরাপদ জায়গায় চলে গেছেন, থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বাঘমারা ও আশপাশের এলাকায়। এদিকে প্রশাসন বলছে হত্যাকাণ্ডের পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আখতার বলেন, হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তারা তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। <br>তিনি আরো বলেন, গুলিবিদ্ধ আহত তিন জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং নিহত ছয় জনের মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। </body></HTML> 2020-07-07 18:33:18 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৫৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০২৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95573 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594125137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594125137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রাণসংহারী করোনাভাইরাসে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক; ৫৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ২ হাজার ১৫১ জনের। এ সময়ের মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন। মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।<br><br>নাসিমা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৩ হাজার ৪৯১টি। পরীক্ষা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৭৩টি। এতে ৩ হাজার ২৭ জন শনাক্ত হন। গত ২ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। গত ১ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৪২৬টি নমুনা পরীক্ষার কথা জানানো হয়েছিল। এতে ৩ হাজার ৬৮২ জন শনাক্ত হন। আর গত ১৭ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৯২২জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৭ হাজার ৫২৭টির পরীক্ষায় ৪ হাজার ৪ জন শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের পরই এখন বাংলাদেশ। উৎসস্থল চীনকে ছাড়িয়েছে এ তিনটি দেশই। দেশে ইতোমধ্যে শনাক্তের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০ জনের করোনা পরীক্ষা করে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে। বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কানাডাকে পেছনে ফেলে ১৭তম। আর এশিয়ার ৪৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। এর আগে রয়েছে ভারত, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব।<br><br>নাসিমা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আবারও ৫৫ জন মারা গেছেন। এর আগে গত ৫ জুলাইও ৫৫ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এটি একদিনে মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা। গত ৩০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ২ হাজার ১৫১ জনের। নতুন মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ জন ও নারী ৯ জন। এ পর্যন্ত ৪৩৮ জন নারী ও ১৭০৩ পুরুষ করোনায় মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ০-১০ বছর বয়সী ১৩ জন, ১১-২০ বছর ২৫ জন, ২১-৩০ বছর ৭১ জন, ৩১-৪০ বছর ১৫৫ জন, ৪১-৫০ বছর ৩২৩ জন, ৫১-৬০ বছর ৬২৪ জন ও ষাটোর্ধ ৯৪০ জন মারা গেছেন।<br><br>দেশে করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতিদিনই সুস্থ হয়ে উঠছেন বিপুল মানুষ।<br>নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে নতুন সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন। এ নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ১০২ জন সুস্থ হয়েছেন।<br>ব্রিফিংয়ের করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন অধ্যাপক নাসিমা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনা মোকাবিলায় তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করতে হবে। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাওয়া ও ফুসফুসের ব্যায়াম করা। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। কারণ, এটি ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের করোনা আক্রান্ত মায়ের দুধপানে শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার কোনো তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পায়নি। অর্থাৎ, শিশুকে দুধপান করানো যাবে। তবে, এই সময়ে গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়।<br>চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।<br><br>ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলে ৩০ মে পর্যন্ত। ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি নেই। এখন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ভিত্তিক লকডাউন চলছে। তাই অফিস আদালতে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় সরঞ্জামাদি রাখা ও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:31:52 2020-07-07 18:32:28 বরুড়ায় মন্দিরের সম্পত্তি দখল করে বাণিজ্যিক ভবন তুলছেন সভাপতি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95572 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124504_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold; font-style: italic; color: rgb(255, 69, 0);"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124504_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">* তীব্র ক্ষোভ সনাতনীদের<br>* সভাপতির একক সিদ্ধান্তেই নির্মিত হচ্ছে ৫ তলা ভবন<br>* মন্দির কমিটির অন্য সদস্যরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ<br>জামাল উদ্দিন স্বপন<br>* দোকান ভাড়া অগ্রিমের নামে নেওয়া হচ্ছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা করে</span><br><br>কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা সদরের বরুড়া বাজারে অবস্থিত কালি মন্দিরের সম্পত্তি দখল করে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিনয় ভূষণ সাহার একক সিদ্ধান্তেই চলছে ৫ তলা বিশিষ্ট ওই বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণ কাজ। এছাড়া ভবন নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দোকান দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম হিসেবে ৫ থেকে ১৫ লাখ পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে মন্দির পরিচালনা কমিটির অন্য সদস্যরাও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আর তীব্র and nbsp; ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যেও।<br>স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন, ব্যবসায়ী ও মন্দির পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করে বলেন, কালি মন্দিরে জায়গাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে পূজা-পার্বণের জন্য তৎকালীন জমিদাররা দান করে গেছেন। এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল সেখানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করছেন। এছাড়া আগে কালি মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ছোট ছোট ১১টি দোকানঘর ছিল। যা দিয়ে মন্দিরের পূজা, পুরোহিতদের বেতন ও অন্যান্য খরচ মিটানো হতো। তবে বর্তমানে বিনয় ভূষণ সাহার নেতৃত্বে কমিটি এসে প্রথমে ওই ১১টি দোকানঘর উচ্ছেদের পরিকল্পনা করে। এরপর তাদেরকে নতুন করে দোকানঘর তুলে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে দোকানঘরগুলো উচ্ছেদ করে ফেলে। কিন্তু বর্তমানে তাদেরকে কোনো জিজ্ঞাসা না করেই মোটা অংকের টাকা নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে বিনয় ভূষণ সাহার একক সিদ্ধান্তেই। এতে উচ্ছেদ করা ওই দোকানগুলোর ব্যবসায়ীরা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।<br>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিনয় ভূষণ সাহার আগে একাধিক কমিটিও বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করে শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদের মুখে এগুতে পারেনি। তবে বর্তমান কমিটির সভাপতি বিনয় ভূষণ সাহা ১১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির কাউকে না জানিয়ে নিজের সিদ্ধান্তেই বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছেন। ৫ তলা বিশিষ্ট ওই ভবনে প্রতি তলায় ১০টি করে অন্তত ৫০টি দোকান করছেন তিনি। এতে হিন্দুদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। and nbsp;<br>হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, কমিটি গঠনের সময় বিনয় ভূষণ সাহারা বলেছিলেন- তারা মন্দিরকে ঢেলে সাজিয়ে সুন্দর করে, সুষ্ঠুভাবে মন্দির পরিচালিত হতে পারে সেই ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু বর্তমানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের ফলে মন্দির সংকুচিত হয়ে পড়েছে। যার কারনে পূজা-পার্বণের ক্ষেত্রে আমাদের সমস্যায় পড়তে হবে।<br>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বর্তমান কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, পূর্বের দোকানীদের নতুন করে দোকান তুলে দেওয়া হবে এই আশ্বাসে দোকানগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান কমিটির সভাপতি আমাদের কাউকে না জানিয়ে মন্দিরকে ছোট করে তৈরি করে তৈরি করছেন। আর বড় করে বহুতল বাণিজ্যিক তৈরির মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম নিচ্ছেন। আর দেবোত্তর সম্পত্তির ওপর এভাবে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করাও যায় না। সভাপতি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ভবনটি নির্মাণ করছেন। আর বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় হবে। এক সময় এই অর্থই সর্বনাশ ঢেকে আনতে পারে। পান্তরে তিগ্রস্ত হবে মন্দিরের পূজা-পার্বন।<br>এদিকে, এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বরুড়া বাজার কালি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিনয় ভূষণ সাহা বলেন, আমাদের মন্দির কমিটির প্রধান উপদেষ্টা সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মনীন্দ্র কিশোর মজুমদারসহ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেই ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে। আর কোনভাবেই মন্দিরকে সংকুচিত করা হয়নি, বরং আগের চেয়ে অনেক বড় করা হয়েছে। আর মন্দিরে ২শ’ জনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রেখেই অবশিষ্ট পরিত্যাক্ত জায়গার মধ্যে বাণিজ্যিক ভবন হচ্ছে। ব্যবয়ীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে দোকানের অগ্রিম হিসেবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আসা এসব অভিযোগ মোটেও সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। and nbsp;<br>তবে মন্দির পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার বলেন, তারা নতুন করে মন্দির নির্মাণ করছে। এজন্য অর্থের যোগান দিতে নতুন ভবন নির্মাণ করবে শুনেছি। তবে আমার সঙ্গে এসবের বিস্তারিত কোন আলোচনা হয়নি কমিটির। এসব বিষয়ে তারাই ভালো বলতে পারবেন। আপনি তাদের সঙ্গেই কথা বলুন।<br>এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আনিসুল ইসলাম and nbsp; বলেন, আমি এই ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। কেউ অভিযোগ নিয়ে এলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। </body></HTML> 2020-07-07 18:20:58 1970-01-01 00:00:00 ৪৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে ক্রেস্ট সিকিউরিটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95571 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124357_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124357_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শেয়ারবাজারের গ্রাহকের ও ঋণের ৪৮ কোটি টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেড চেয়ারম্যান মো. শহীদুল্লাহ ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিপা সুলতানা নুপুরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তিনি ও তার স্ত্রী মিলে গ্রাহকদের শত কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) নোয়াখালীর মাইজদি এলাকা থেকে শহীদুল্লাহ ও তার স্ত্রী নুপুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে তারা তাদের এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।<br><br>মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর (ডিএমপির) গোয়েন্দা অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আবদুল বাতেন। তিনি বলেন, ‘ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জের একটি ব্রোকার হাউজ। তাদের ২২ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সেখানে গ্রাহকদের প্রায় শত কোটি টাকার লেনদেন রয়েছে। গত ২২ জুন এর মধ্য থেকে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের জন্য গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেন শহীদুল্লাহ। বিনিয়োগকারীরা দেখলেন ওই টাকা নেওয়ার পর কোনো ম্যাসেজ গ্রাহকদের ফোনে যায়নি।’<br><br>তিনি বলেন, ‘এছাড়া বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন তারা। এ টাকার জন্য তারা গ্রাহকদের লভ্যাংশ দিতেন। সেই টাকাও তারা আত্মসাৎ করেছেন। ২২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন শহীদুল্লাহ।’<br>গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেডের ২২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যেখানে শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। ওই টাকার মধ্যে তারা ১৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। এছাড়াও ৪৪ থেকে ৪৫ জনের কাছ থেকে মুনাফা দেওয়ার কথা বলে ৩০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করার জন্য তারা আত্মগোপন করেছিলেন। ব্রোকার হাউজ থেকে ৬০০ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে স্ট্যাম্পে চুক্তি করে ৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তাদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে।’ and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:17:50 2020-07-07 18:28:54 মাদক সিন্ডিকেটে জড়িত ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির সুপারিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95570 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124228_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124228_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর অন্তত ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তারা তেজগাঁও ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সদস্য। সোমবার (৬ জুলাই) এ সংক্রান্ত চিঠি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ থেকে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তাদের মধ্যে একজন কনস্টেবল। বাকিরা পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই)। এ ছাড়া মাদক কারবারে জড়িত থাকায় আদাবর থানার চার পুলিশ সদস্যকে সোমবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এইসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।<br><br>এ বিষয়ে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন-অর রশিদ বলেন, মাদকের সঙ্গে সংশ্নিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন ডিএমপি কমিশনার। আমরা আমাদের করণীয় শেষ করেছি। মাদকের সঙ্গে যুক্ত এমন কোনো পুলিশ সদস্য তেজগাঁও বিভাগে থাকতে পারবে না। আদাবর থানায় চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযান চলবে। দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, মাদক সিন্ডিকেটে যুক্ত যেসব পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন এসআই মোশাররফ চৌধুরী, নবীন জাহান রানা, শাহরিয়ার, সুমন মিয়া কামাল হোসেন, এএসআই রানা ও কনস্টেবল তোফাজ্জল। এ ছাড়া মাদক কারবারে জড়িত আদাবর যে চারজনকে গতকাল সাসপেন্ড করা হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন এসআই আশরাফুল ও এসআই রফিক।<br><br>পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদক সিন্ডিকেটে যুক্ত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে প্রায় নিয়মিত চিহ্নিত মাদক কারবারিদের যোগাযোগের তথ্য মিলেছে। মাদক কারবার সংক্রান্ত কলরেকর্ড জব্দ করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে মাদক কারবারিদের সহযোগিতা করে আসছিলেন অসাধু এসব সদস্যরা। মাদক সিন্ডিকেটে সংশ্নিষ্ট পুলিশের এসব সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রত্যাহারের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে। জানা গেছে, সোমবার তেজগাঁও থানা এলাকার আওতাভুক্ত রেললাইন বস্তি ও আশপাশ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানকার মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরেই রেললাইন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা চলছিল।<br><br>গত ২৮ জুন থেকে টানা কয়েক দিন তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড, রেললাইন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে তেজগাঁওকেন্দ্রিক মাদক কারবারিদের সেকেন্ড ইন কমান্ড শারমিন ওরফে স্বপ্নাসহ অন্তত ২০ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই মাদক কারবারে পুলিশের সংশ্নিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। জানা যায়, বহুদিন ধরেই কারওয়ান বাজার রেললাইন ধরে মাদকের কারবার চলছিল। তেজগাঁও আর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ১৫-২০ অসাধু পুলিশ সদস্য তেজগাঁওকেন্দ্রিক এই মাদক কারবার জিইয়ে রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে আসছিল। নিয়মিত তারা মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে আসছিল। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:16:48 2020-07-07 18:28:44 পাপলু : অভিযোগ পেলে রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধেও তদন্ত করবে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95569 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124090_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124090_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতে সিআইডির হাতে গ্রেফতার হলেও তার বিষয়ে বরাবর সাফাই গেয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালাম। এমনকি এই সাংসদ কুয়েতে আটক হওয়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও দেশটির সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর আদায় করতে পারেননি রাষ্ট্রদূত। পাপলুর অপরাধের সঙ্গে তার জড়িত থাকার কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। কুয়েত সরকারের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে এই রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ঢাকা। এমন তথ্যই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।<br><br>মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে একথা বলতে শোনা যায়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভিডিও ক্লিপ দুটি একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারের অংশ। ভিডিওতে সাংসদ পাপুল সম্পর্কে এখনও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো তথ্য পায়নি বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালামের নিয়োগের চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ দিকে। এ মাসেই তার মেয়াদ শেষে তিনি চলে আসবেন। নতুন রাষ্ট্রদূত কে হবেন তা-ও আমরা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।’ রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, ‘কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হলে তা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে।’<br><br>এদিকে মানবপাচারের ঘটনায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ড. মোমেন বলেন, ‘আমরা মানবপাচার ও অর্থপাচার বন্ধ করতে কত চেষ্টা চালাচ্ছি। এ সময় একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কুয়েতে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টা অত্যন্ত দুঃখজনক।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কুয়েতের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের (পাপুল) বিরুদ্ধে মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। তবে সে দেশের সরকার আমাদের অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি।’<br><br>‘ওই দেশের সরকার যদি আমাদের এ সাংসদের বিষয়ে জানায় তবে আমরা আমাদের দেশের নিয়ম অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব ব্যাপারে অর্থাৎ মানবপাচার ও অর্থপাচারের বিষয়ে জিরো টলারেন্সে নীতি মেনে চলেন। সে যে দলেরই হোক না কেন, নিজের দলের হলেও তাকে শাস্তি পেতে হবে,’ যোগ করেন ড. মোমেন। পাপুলের কুয়েতে অবস্থানের বিষয়ে বলতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এ সাংসদ কোনো সরকারি পাসপোর্ট নিয়ে সে দেশে যাননি। তিনি কুয়েতে ২৯ বছর ধরে ব্যবসা করেন। ওখানকার কোম্পানির সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে দেশের নাগরিকত্ব পাওয়া বাংলাদেশের এ সাংসদকে তারা সে দেশের একজন ব্যবসায়ী হিসেবে গ্রেফতার করেছে।’ and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:14:25 1970-01-01 00:00:00 ৭৮০০ বাংলাদেশিসহ ১১ লাখ ছাত্রকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95568 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124029_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594124029_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটিগুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ৭ হাজার ৮০০ ছাত্র-ছাত্রীসহ বিশ্বের ১১ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে নিজ নিজ দেশে চলে যাওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এ নির্দেশ জারি করেছে। আইসিই জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরতরা এ নির্দেশ অমান্য করলে তাদের গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হবে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী গ্রেফতারের পর সবাইকে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।<br><br>এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, করোনার কারণে প্রতিটি ইউনিভার্সিটির ক্লাস অনলাইনে করা হবে। তাই সশরীলে ক্লাসে থাকার কোনই প্রয়োজন নেই। আইসিইর এ পদক্ষেপের ভিকটিম হবেন নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীসহ যারা স্বল্পমেয়াদি ট্রেনিং কোর্স (নন-একাডেমিক অথবা ভোকেশনাল) নিতে এসেছেন তারাও। আসছে সেপ্টেম্বরে শুরু নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস অনলাইনে করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্রের সব ইউনিভার্সিটি। চলতি সপ্তাহে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ নিয়ে ভার্চ্যুয়াল মিটিংয়ে মিলিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপ অব্যাহত থাকলে ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধির পরিপূরক হবে না বলেও মিটিংয়ে অভিমত পোষণ করেছেন অনেকে।<br><br>এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) নির্দেশ অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হলে প্রতিটি কক্ষে সর্বোচ্চ আটজনকে বসার ব্যবস্থা করা যাবে। অবশিষ্ট ২২ থেকে ২৩ জন কীভাবে ক্লাস করবেন-এমন প্রসঙ্গও উঠেছে ওইসব নীতি-নির্ধারকদের বৈঠকে। গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার তাণ্ডব শুরুর পর থেকেই সবকিছু লকডাউনে গেছে। জুন পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্লাস নেওয়া হয় অনলাইনে। এমনকি যারা ক্যাম্পাসে অর্থাৎ ডর্মে (আবাসিক হোটেল) ছিলেন, তারাও ক্লাস করেন অনলাইনে। সেপ্টেম্বরে শুরুতে নতুন শিক্ষাবর্ষেও ক্লাসে উপস্থিত হবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে কেউই মনে করছেন না। কারণ, গত কয়েক সপ্তাহে ৫০ স্টেটের মধ্যে অন্তত: ৩৬টিতেই উদ্বেগজনক হারে সংক্রমণ বেড়েছে। যেসব সিটি অথবা কাউন্টিতে লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল, সেসবে পুনরায় সবকিছু বন্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ এক ধরনের অস্থিরতা পুনরায় জনজীবনকে গ্রাস করতে চলেছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:13:30 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95567 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123974_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123974_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা ১২ বছর বয়সের নাতিও মারা যায়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চাঁপুরের মতলব সড়কের কাজিরকোনা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তার ঢাকা থেকে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ যাচ্ছিলেন। নিহতরা হলেন, চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ এলাকার সিরাজুল ইসলাম (৮০), স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) ও ১২ বছরের নাতি আবু বকর সিদ্দিক। দাউদকান্দি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে একই পরিবারের ৩ জন নিহত হন। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িসহ নিহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 18:12:38 2020-07-07 18:29:22 ফেনীতে করোনায় নতুন করে ৩০ জন আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95566 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123522_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123522_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥ </span><br>ফেনীতে নতুন করে ৯১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩০ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৯৩৩। এর মধ্যে ১৮ জন মারা গেছেন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৫৪ জন। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ফেনীর সিভিল সার্জন মো. সাজ্জাদ হোসেনসহ ১৮ জনকে ঢাকাসহ অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ২৬ জন রোগী ফেনী জেনারেল হাসপাতাল ও দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফেনীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন এস এম মাসুদ রানা আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।<br><br>নতুন আক্রান্ত ৩০ জনের মধ্যে ফেনী সদর উপজেলার ১২ জন, সোনাগাজী উপজেলায় ৭ জন, দাগনভূঞা উপজেলায় ৪ জন, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ১ জন, পরশুরাম উপজেলায় ৩ জন ও ফুলগাজী উপজেলায় ৩ জন রয়েছেন। জেলায় মোট ৯৩৩ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ৩৬৭ জন, দাগনভূঞা উপজেলায় ১৯৫ জন, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ১১৪ জন, সোনাগাজীতে ১৫৮ জন, পরশুরামে ৩৯ জন ও ফুলগাজীতে ৪৮ জন রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ১৬ এপ্রিল জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পশ্চিম মধুগ্রামে প্রথম এক যুবক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় একটি মুঠোফোনের সেন্টারে চাকরি করতেন।<br><br>গত আড়াই মাসে জেলায় ৫ হাজার ৩৭৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ৫ হাজার ১৫১ জনের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। </body></HTML> 2020-07-07 18:04:29 1970-01-01 00:00:00 মহিষের শিংয়ের আঘাতে একজন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95565 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123293_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123293_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পাগলা মহিষের শিংয়ের আঘাতে গুরুতর আহত খোয়াজ মিয়া (৩৮) নামে একজন মারা গেছেন। গ্রামবাসী মহিষটি আটক করে জবাই করার প্রস্তুতি নিলে মালিক ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তা ছাড়িয়ে নেন। সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে তরফপুর ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম নিশ্চিত করেছেন। নিহত খোঁয়াজ মিয়া উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর পূর্বপাড়া গ্রামের নওশের আলীর ছেলে। তরফপুর ইউনিয়নের ছিটমামুদপুর গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম গত ২৫ জুন নাটোর থেকে ১০টি মহিষ কিনে ২৭ জুন বিক্রির জন্য উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের কাইতল্যা হাটে তুলেন। বিক্রি না হওয়া চারটি মহিষ নিয়ে সন্ধ্যায় হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে একটি মহিষ ছুটে জঙ্গলে ঢুকে যায়। গত ২৮ জুন রাতে মহিষটির খোঁজ পেলেও কেউ কাছে ভিড়তে পারেনি।<br><br>২৯ জুন সকালে তরফপুর গ্রামের নওশের আলীর ছেলে খোয়াজ মিয়া মহিষটি আটকাতে গেলে মহিষটি শিং দিয়ে তার পেটে ও মুখে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। তাকে প্রথমে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকালে তার মৃত্যু হয়। এদিকে গ্রামবাসী মহিষটিকে আটক করে জবাই করে খাওয়ার প্রস্তুতি নিলে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে মহিষের মালিক নজরুল ইসলাম তা ফিরিয়ে নেন। </body></HTML> 2020-07-07 18:01:06 1970-01-01 00:00:00 ইজিবাইক চোর চক্রের আরও আট সদস্য গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95564 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123133_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594123133_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বগুড়ায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক এবং মোটরসাইকেল চোর চক্রের আরও আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। এর আগে গত ৪ জুলাই এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাদের দেওয়া তথ্যে বগুড়াসহ বেশ কয়টি জেলায় অভিযান চালিয়ে এ আটজনকেরগ্রেপ্তার করা হয়। এসময় চুরি করা তিনটি ইজিবাইক এবং দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মাটিডালি মোড়ে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার গোকুলের আব্দুল হামিদ, আটাপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলাম ও গাবতলী উপজেলার চাকলা গ্রামের শাহাদত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের থেকে একটি ইজিবাইক ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইজিবাইক ও মোটরসাইকেল চুরি করে দিনাজপুর এবং রংপুর জেলায় বিক্রির কথা স্বীকার করে।<br><br>পরে তাদের দেওয়া তথ্যে অভিযান চালিয়ে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার দামাদারপাড়া থেকে সাখাওয়াত, কবির এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার হরিপুর থেকে বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর রংপুরের মিঠাপুকুরের হেলেঞ্চা গ্রাম থেকে আনারুল ও পীরগঞ্জের ধল্লাকান্দিকে গ্রাম থেকে তছলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের থেকে আরও দুটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।<br>সদর থানার ভার্প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, এটি অনেক বড় একটি চক্র। উদ্ধার ইজিবাইক-মোটরসাইকেল ছাড়াও আরও অন্তত ২২টি ইজিবাইক তারা কাগজপত্র পরিবর্তন করে দিনাজপুর এবং রংপুরে বিক্রি করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তবে গ্রেপ্তারদের কেউ বলছে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সদস্যের সংখ্যা ১৬ জন আবার কেউ বলছে ২১ জন। সংঘবদ্ধ এই চক্রের মূলহোতা গত তিনদিন আগে দিনাজপুরে একটি মামলায় গ্রেপ্তারর হয়ে ওইখানকার কারাগারে আছেন। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্র সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।<br><br>প্রসঙ্গত, গত ৪ জুলাই প্রথম এই চোর চক্রের নারীসহ তিনজনকে বগুড়া শহরতলীর বড়িয়া বটতলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চালককে বাজারে মিষ্টি কিনতে দিয়ে ইজিবাইক নিয়ে পালানোর সময় পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হয় তারা।</body></HTML> 2020-07-07 17:55:24 1970-01-01 00:00:00 একঘরে করা পরিবারের সঙ্গে কথা বললেই জরিমানা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95563 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122819_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122819_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নাটোরের সিংড়া উপজেলার ইটালী ইউনিয়নের বুড়িকদমা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে ৪টি পরিবারকে একঘরে করে রাখা হয়েছে । তাদের সঙ্গে গ্রামের লোকজনের কথা বলা নিষেধ। কথা বললেই দিতে হবে ৫শ টাকা জরিমানা। এমনকি মসজিদে প্রবেশে নিষেধ থাকায় তারা গ্রামে নামাজ পড়তে পারেন না। জুমআর নামাজ পড়তে যান অন্য গ্রামের মসজিদে।<br>ইতোমধ্যে গ্রাম্য মাতব্বরদের অত্যাচারে ঘর ছেড়েছে একটি পরিবার। স্ত্রী, সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী খোলাবাড়িয়া গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। জানা যায়, প্রায় ৮ মাস আগে ওই গ্রামে পীরস্থানের জমি দখল করে বাড়ি করেন জিল্লুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। এ সময় মান্নান পক্ষ মাদরাসা নির্মাণের প্রস্তাব দিলে শুরু হয় বিরোধ। জিল্লুর রহমানের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে তাকে বসবাসের সুযোগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে গ্রাম্য মাতব্বরদের বিরুদ্ধে। মান্নান ও তার ভাইদের কোণঠাসা করতে রাতারাতি গ্রামের কিছু মাতব্বর একজোট হন। পরবর্তীতে মান্নানের বাড়ির পাশে তাদের ভোগদখলকৃত ২০ শতক জমিতে ঈদগাহ মাঠ নির্মাণের প্রস্তাব দেন মাতব্বররা। তারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাতের আঁধারে মান্নানের দখলকৃত জমির সকল গাছপালা, সবজি বাগান নষ্ট করা হয়।<br><br>সেসময় বিষয়টি সিংড়া সার্কেলের এএসপি জামিল আকতার ও সিংড়া থানার ওসি নুর-এ-আলম সিদ্দিকীকে অবহিত করেন মান্নান ও তার ভাইয়েরা। এরপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলামসহ দু’পক্ষকে নিয়ে সালিশ করে ঈদগাহ মাঠ ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। বিনিময়ে মান্নান ও তার ভাইদেরকে মাটিভরাট ও গাছের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর থেকেই মান্নান ও তার পরিবারকে এলাকা থেকে বিতাড়িত করতে একঘরে করে রাখে মাতব্বররা। সম্প্রতি ওই জায়গায় মান্নানের ভাই মোস্তফা গাছ থেকে তাল পাড়তে বারণ করায় অপর ভাই মোতালেবকে রনির নেতৃত্বে মারপিট ও তার কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। সিংড়া থানায় মোতালেবের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ রনিসহ তিনজনকে আটক করে।<br><br>সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামে রয়েছে ঈদগাহ, কবরস্থান ও ১টি মসজিদ। কবরস্থানের পাশেই ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়া হয়। ঈদগাহ মাঠ থাকা সত্ত্বেও এলাকার মাতব্বর রেজাউল, আব্দুর রশিদ, আনিসুর, হাবিল, হামিদুল, রশিদ, আনসার ও রনির নেতৃত্বে দল গঠন করে কোণঠাসা করার জন্য মান্নানের বাড়ির সঙ্গে ঈদগাহ মাঠ করা হয়েছে। কোণঠাসা করা হয়েছে মান্নান, তার ভাই মোস্তফা, মোতালেব ও মহব্বতকে। তাদের সঙ্গে গ্রামের কাউকে কথা বলতে দেয়া হয় না। কথা বললে ৫শ টাকা জরিমানার নির্দেশ রয়েছে। মান্নান ও তার পরিবারের সন্তানেদের সঙ্গে কারও খেলতেও বারণ করা রয়েছে।<br><br>খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, কিছুদিন আগে মান্নান ও তার ভাইকে গ্রামছাড়া করার পরিকল্পনা মোতাবেক তাদের ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে মানববন্ধন করে প্রতিপক্ষ গ্রুপ। অথচ গ্রামের ২১ বিঘা খাসজমি প্রতিপক্ষ ওই গ্রুপের কিছু লোকজন ভোগদখল করে আসছে।<br>আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা ৪ ভাই। এখানে আমরা আদি বাসিন্দা। আমার বাবা একজন সাধারণ কৃষক ছিলেন। বাড়ির পাশে মসজিদে আমরা দু’শতক জমি দান করে মসজিদ নির্মাণ করেছি। সম্প্রতি পীরস্থানের জমিতে মাদরাসা করার পরিকল্পনা ছিলো আমাদের। কিন্তু গ্রামের কয়েকজন মিলিত হয়ে সেখানে একজনকে বসতবাড়ি করতে সহযোগিতা করেছে। আমরা প্রতিবাদ করায় গ্রামের কিছু মানুষ একজোট হয়। বর্তমানে আমাদের একঘরে করে রাখা হয়েছে। গ্রামের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। মূলত আমাদের গ্রামছাড়া করতে মরিয়া ওই পক্ষ।<br><br>প্রতিবেশি জাহিদুল ইসলাম জানান, আব্দুল মান্নান ও তার ভাইয়েরা খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের ওপর অন্যায় ও জুলুম করা হচ্ছে। আমি সত্য কথা বলায় আমার বাড়ির সামনে বেড়া দেয়া হয়েছে। আমার যাতায়াতে বাঁধা সৃষ্টি করা হয়েছে। আমাকে অকট্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।<br>গ্রাম থেকে বিতাড়িত ফটিক বলেন, আমি নিরুপায় হয়ে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। মান্নানের পক্ষ নেয়ায় আমাকে মারার হুমকি দেয়া হয়েছে। রাস্তাঘাটে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। খুন জখমের হুমকি দেয়া হয়। রাতে দরজা, জানালায় এসে হুমকি দেয়া হয়। আমার তিন মেয়ে। একটি মেয়ে ইংরেজিতে অনার্স পড়ছে। তার ভবিষ্যৎ ভেবে গ্রাম ছেড়ে চলে এসেছি। আমার ভাইয়ের বাসা খোলাবাড়িয়ায় আশ্রয় নিয়েছি।<br><br>তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে গ্রাম্য মাতব্বর রেজাউল ও আব্দুর রশিদ জানান, মান্নান ও তার ভাইয়েরা সমাজে নানারকম বিশৃঙ্খলা তৈরি করার কারণে গ্রামবাসী তাদের এড়িয়ে চলে। একঘরে করে লাখা হয়েছে অভিযাগটি সঠিক নয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মান্নান ও তাদের পরিবারকে একঘরে করে রেখেছে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি। ফটিক গ্রাম ছেড়েছে, সে একজন নিরীহ মানুষ।<br><br>এ বিষয়ে স্থানীয় ইটালী ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম আরিফ জানান, তাদের একঘরে করে রাখার বিষয়টি আমি এখনো শুনিনি। তবে এর সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করব। সিংড়া থানার ওসি নুর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, একঘরে করার বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। এর আগে এ বিষয়ে মামলা হয়েছিল, পুলিশ আসামিদের আটক করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। একঘরে করার সত্যতা পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2020-07-07 17:52:59 1970-01-01 00:00:00 আশুলিয়ায় করোনা আক্রান্ত ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95562 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122503_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122503_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাভারের আশুলিয়ায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর অবসাদগ্রস্থ হয়ে সুলতান আহমেদ নামে এক ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন। এঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ ডেন্ডাবর এলাকার নিজ মালিকানাধীন বাড়ির কক্ষ থেকে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত সুলতান মাহমুদ (৫৮) আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার ইলেকট্রিক পার্সের ব্যবসা করতেন।<br><br>মৃতের স্বজনরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন ব্যবসায়ী সুলতান মাহমুদ। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করারও কথা ছিল তার। সবশেষ শারীরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে নমুনা পরীক্ষার পর তার করোনা পজেটিভ আসে। এরপর আজ মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। খবর পেয়ে সকালেই পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।<br>আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি করোনা পজেটিভ হওয়ায় অবসাদগ্রস্থ হয়ে ওই ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এঘটনায় মৃতের স্বজনদের কোন অভিযোগ না থাকায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়েরর পর মরদেহটি তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। </body></HTML> 2020-07-07 17:48:03 1970-01-01 00:00:00 পরকীয়া : একই রশিতে ঝুলে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95561 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122392_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594122392_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরিশালের উজিরপুরের আম গাছে এক রশিতে প্রিন্স ও তৃষ্ণা নামের প্রেমিক যুগলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাইা) সকালে উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের ইন্দুরকানি গ্রামের খোকন রায়ের বাড়ির আম গাছে তাদের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।<br><br>জানা গেছে, ইন্দুরকানি গ্রামের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এক সন্তানের জনক প্রিন্সের (২৫) সঙ্গে একই গ্রামের তৃষ্ণার (১৭) গত দুই মাস ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। প্রিন্স ৮ বছর পূর্বে প্রেম করে পার্শ্ববর্তী আগৈলঝাড়া উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মিনুকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে চার বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সোমবার রাতের কোনো একসময় প্রিন্স ও তৃষ্ণার মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে আম গাছে একই রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তারা সহমরণের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছে না-কি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে একই রশিতে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে- এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।<br><br>উজিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রিন্সের মোবাইলফোনে তার লেখা একটি ম্যাসেজ থেকে ধারণা করা হচ্ছে তারা আত্মহত্যা করেতে পারে। ওই ম্যাসেজে লেখা রয়েছে, আমরা স্বেচ্ছায় আত্মহত্যা করেছি। আমাদের মৃত্যুর পরে আমার এই মোবাইলফোনটি যে পাবেন তার কাছে অনুরোধ আমাদের দুজনকে যেন এক সঙ্গে এক কবরে সমাধিস্থ করা হয়। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান বলেন, প্রিন্স ও তৃষ্ণার মৃত্যু রহস্য উদ্‌ঘাটনে তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 17:45:53 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ নিম্নমুখী: জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95560 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594121240_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594121240_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হচ্ছে বিভিন্ন দেশকে। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাসে ট্র্যাকারে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত পাঁচদিনের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের নিম্নমুখী ধারা দেখা গেছে। তারা বলছে, বাংলাদেশে করোনার প্রথম সংক্রমণ গত ৮ মার্চ ধরা পড়ে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আর মারা গেছে ২ হাজার ১৫১ জন।<br><br>এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৫৫ জনের। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫১ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ২৭ জন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা পরীক্ষায় আরও একটি ল্যাব সংযুক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৭৪টি ল্যাবরেটরিতে ১৩ হাজার ১৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৩ হাজার ৪৯১টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০টি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৫৩ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৮ হাজার ১০২ জনে। </body></HTML> 2020-07-07 17:26:27 1970-01-01 00:00:00 ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ে তুরস্ক-গ্রিস বিরোধ, এরদোয়ানের হুঁশিয়ারি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95559 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594121116_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594121116_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>তুরস্কের ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়া মসজিদ নিয়ে তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে ফের তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইস্তাম্বুলে অবস্থিত ঐতিহাসিক ওই মসজিদের ব্যবহার পদ্ধতি নিয়ে এ দু’দেশের মধ্যকার বিতর্ক অবশ্য এবারই প্রথম নয়। বহু দিন ধরে এ নিয়ে বিতর্ক চলে আসলেও নতুন করে তা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। মনে করা হচ্ছে এ ইস্যুকে কেন্দ্র করে গ্রিস এবার তুরস্কের সঙ্গে চূড়ান্ত বোঝাপড়া কিংবা এক হাত দেখে নেয়ার চেষ্টা করবে।<br><br>বলা যায়, ঐশী ধর্মগুলো বিশেষ করে খ্রিষ্টধর্মের অনুসারীদের মধ্যে একমাত্র গ্রিসই তুরস্কের সঙ্গে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনায় সম্মুখ ফ্রন্টে অবস্থান করছে। বহু বিষয়ে গ্রিসের সঙ্গে তুরস্কের দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। কিন্তু এবার ধারণা করা হচ্ছে গ্রিস সরকার ঐতিহাসিক আয়া সোাফিয়া মসজিদ বিতর্ককে টেনে এনে এবং এ ইস্যুতে অভিযোগ উত্থাপন করে তুরস্কের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ ও বিদ্বেষ চরিতার্থ করার চেষ্টা করছে।<br>আয়া সোফিয়া মসজিদ নিয়ে বিতর্কের মূল কারণ হচ্ছে, এটিকে মসজিদ বলা হবে নাকি জাদুঘর বলা হবে তা নিয়ে। কারণ এক সময় এই স্থাপনাটি গীর্জা তথা খ্রিস্টানদের উপাসনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হত।<br><br>চতুর্থ ক্রুসেডের সময় ইউরোপের ক্যাথলিক খ্রিস্টানরা এক অভিযান চালিয়ে কনস্টান্টিনোপল দখল করে তারা আয়া সোফিয়াকে অর্থডক্স গীর্জা থেকে ক্যাথলিক ক্যাথিড্রালে পরিণত করেছিল। এ নিয়ে খ্রিস্টানদের মধ্যে সংঘর্ষ ও দখল পাল্টা দখলের ঘটনার পর ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় শাসনামলে এটিকে মসজিদে পরিণত করা হয়। এরপর মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক এই মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধ করেন এবং আয়া সোফিয়াকে একটি জাদুঘরে পরিণত করেন। ধারণা করা হচ্ছে বর্তমানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ওই স্থাপনাকে ফের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়া মসজিদের ব্যাপারে গ্রিসের কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও দাবির প্রতিক্রিয়ায় তুর্কি প্রেসিডেন্ট সাফ বলে দিয়েছেন, 'তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই'। তিনি ইস্তাম্বুলের লুনাত এলাকায় একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, 'আয়া সোফিয়া মসজিদের ব্যাপারে তুরস্কের বিরুদ্ধে গ্রিসের কর্মকর্তাদের অভিযোগ তুরস্কের জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত'।<br><br>কোনো কোনো বিশ্লেষক মনে করছেন, বিভিন্ন ইস্যুতে পাশ্চাত্যের সঙ্গে সংকট চলার মুহূর্তে তুরস্ক সরকার আয়া সোফিয়া মসজিদের ব্যাপারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে মূলত অভ্যন্তরীণ কিছু সংকট সমাধান ও জনমত ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। কারণ অতীতেও দেখা গেছে বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়কে কেন্দ্র করে তুরস্ক সরকার ইউরোপের কাছ থেকে ছাড় আদায় বা দর কষাকষির চেষ্টা করে থাকে। অন্যদিকে গ্রিসও তুরস্কের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উত্থাপন করে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সমগ্র ইউরোপকে টেনে আনার চেষ্টা করেছে।<br><br>এথেন্স এই স্থাপনাটিকে গীর্জা হিসেবে দাবি না করলেও তারা বলেছে, এটি একটি প্রাচীন জাদুঘর এবং এখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষা বিষয়ক ইউনিসেফের নীতিমালার লঙ্ঘন। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে পাল্টা অভিযোগ করেছে, এথেন্সে অনেক মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে </body></HTML> 2020-07-07 17:24:47 1970-01-01 00:00:00 গালওয়ানে আবারও ফিরে আসতে পারে চীনা সৈন্যরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95558 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120982_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120982_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় আবারও চীনা সৈন্যদের ফিরে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গালওয়ান উপত্যকার ১৪ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্ট থেকে মাত্র এক কিলোমিটার সরে গেছে চীনা বাহিনী। প্যাংগং রেঞ্জের ফিঙ্গার পয়েন্টে তাদের অস্থায়ী ছাউনিগুলো সরানো হয়েছে। তবে চীনা বাহিনীর এই অতি সামান্য পদক্ষেপে এখনও আশার আলো দেখছে না ভারতীয় সেনাবাহিনী। বরং ভারতীয় সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকা ঢুকে পড়েছিল চীনা বাহিনী। সেখানে মাত্র এক থেকে দুই কিলোমিটার পিছু হটেছে তারা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ফিরে যায়নি চীনের সৈন্যরা। তাই চীনা বাহিনীর আবারও ফিরে আসার সম্ভাবনাকে একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।<br><br>ভারতীয় সেনাবাহিনী বলছে, দু'দেশের সেনাবাহিনী যেখানে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল সেখানে পিপি ১৪ থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার সরে গেছে চীনা বাহিনী। পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৫ ও পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৭ থেকে কিছু তাঁবু গুটিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে চীনা সেনাদের হাবভাবে খুব একটা স্বস্তি পাচ্ছে না ভারত। সীমান্তে পরিস্থিতির দিকে সতর্ক নজর রাখছে তারা। গত ৩০ জুন চীন-ভারত সেনা কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকের পর সীমান্ত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। এরপরেই পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, এই আলোচনায় দু'দেশই সীমান্ত থেকে সেনা সরানোর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে।<br><br>প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় দু'দেশের সীমান্তে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে আনতে দুই দেশই তাদের বাহিনী সরিয়ে নিতে শুরু করে। মধ্যবর্তী স্থানে অন্তত তিন কিলোমিটার জুড়ে একটি নিরপেক্ষ এলাকা বা বাফার জোন তৈরি হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশই যেন নিয়ন্ত্রণ রেখায় বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলে তা নিশ্চিত করা হবে। গোগরা হট স্প্রিং ও প্যাংগং লেক বরাবর কিছু সাঁজোয়া গাড়ি সরিয়েছে চীন। তবে তাদের বাহিনী এখনও পুরোপুরি ফিরে যায়নি। তাছাড়া প্যাংগং রেঞ্জে ফিঙ্গার পয়েন্ট ৪ এর কাছাকাছি নিজেদের কংক্রিটের বাঙ্কার বানিয়েছিল চীন। সেখানে তৈরি হয়েছিল শতাধিক অস্থায়ী ছাউনি। সামরিক পরিকাঠামোও গড়ে তোলা হয়েছিল। তৈরি হয়েছিল অস্থায়ী বিমানঘাঁটি। সেসব এখনও পুরোপুরি সরানো হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত নয় ভারতীয় বাহিনী। </body></HTML> 2020-07-07 17:17:24 1970-01-01 00:00:00 ভারতে মৃত্যু ২০ হাজারের বেশি, আক্রান্ত ৭ লাখ পার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95557 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120534_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120534_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp; আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>ভারতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছেই। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত একদিনে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২২ হাজার ২৫২। ফলে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ১৯ হাজার ৬৬৫। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার সকাল ৮টার বুলেটিনে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৪৬৭ জনের। এখন পর্যন্ত ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারের হিসাব অনুযায়ী, মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনা অ্যাকটিভ কেস ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫৭টি। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুতে এখন পর্যন্ত শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। ওই রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১১ হাজার ৯৮৭ এবং মারা গেছে ১০ হাজার ৫২৭ জন।<br><br>মহারাষ্ট্রে কোভিড-১৯ সংক্রমণের বেশিরভাগই মুম্বাইতে। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে। এদিকে রাজধানী দিল্লিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ পেরিয়ে গেছে। তবে করোনা থেকে সুস্থও হয়ে উঠেছেন প্রায় ৭২ হাজার রোগী।<br>দিল্লিতে বর্তমানে করোনা অ্যাকটিভ কেস ২৫ হাজারের বেশি। গুজরাট ও তামিলনাড়ুতেও করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। গুজরাটে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৭৭২। তামিলনাড়ুতে ইতোমধ্যেই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে কেরালায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৬২২। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থতার হারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ হাজার ৫১৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৪৭। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ মার্চ লকডাউন শুরু সময় থেকে আনলক পর্যায়ে সুস্থতার হার ক্রমান্বয়ে বেড়েছে। গত ১৫ এপ্রিল দেশে সুস্থতার হার ছিল ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬০ শতাংশের বেশি। </body></HTML> 2020-07-07 17:14:28 1970-01-01 00:00:00 টিকটকসহ চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রেও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95556 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120270_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594120270_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে ক্ষুদে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকসহ ৫৮টি চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। এবার একই পথে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনই আভাস দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। মাইক পম্পেও বলেছেন, টিকটকসহ চীনা অ্যাপগুলো নিষিদ্ধের বিষয়টি অবশ্যই দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি প্রেসিডেন্টের (ডোনাল্ড ট্রাম্প) সামনে পড়ে যেতে চাই না, তাই বিষয়টা নিয়ে আমরা ভাবছি এবং এটা খুবই গুরুত্ব সহকারে এটা দেখা হচ্ছে। ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সোমবার এসব কথা বলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।<br><br>অ্যাপটি চীনের তৈরি এবং ব্যবহারকারীর তথ্য তাদের কাছেই সংরক্ষিত থাকছে। তাই মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আশঙ্কা, চীনা কমিউনিস্ট শাসকগোষ্ঠী কোম্পানিটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে বা আইনবলে চীন কোম্পানিকে তথ্য দিতে বাধ্য করতে পারে। যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে টিকটক বরাবরই বলে আসছে যে, এর ডাটা সেন্টার চীনা ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত এবং এসব ডাটার কোনোটিই চীনের আইনের আওতায় পড়ে না। টিকটক বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক ব্যবহারকারীর যাবতীয় তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের ডাটা সেন্টারে জমা আছে। তাই এই ডাটা চীনে পাচার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কোম্পানিটির মতে, যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি তুলেছে তা ভিত্তিহীন।<br><br>করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণ, প্রায় দুই বছর ধরে চলা বাণিজ্য যুদ্ধ এবং হংকং ইস্যুতে চীনে পাস হওয়া নতুন আইন নিয়ে বর্তমানে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের। তাই টিকটকসহ অন্যান্য চীনা অ্যাপে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তা হবে মূলত এই বৈরী সম্পর্কের কারণেই। এদিকে হংকং থেকে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ক্ষুদে ভিডিও শেয়ারের এই চীনা অ্যাপ। বার্তা সংস্থা রয়টার্স সোমবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, খুব শিগগিরই হংকং থেকে বিদায় নিচ্ছে টিকটক। মূলত আধা-স্বায়ত্তশাসিত হংকং ইস্যুতে চীনা নতুন আইনের অনুমোদন দেয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই অ্যাপ কোম্পানিটি।<br><br>সূত্র : সিএনএন </body></HTML> 2020-07-07 17:07:56 1970-01-01 00:00:00 ৭৮০০ বাংলাদেশিসহ ১১ লাখ ছাত্রকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95555 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594119506_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594119506_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটিগুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ৭ হাজার ৮০০ ছাত্র-ছাত্রীসহ বিশ্বের ১১ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে অবিলম্বে নিজ নিজ দেশে চলে যাওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এ নির্দেশ জারি করেছে। আইসিই জানিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরতরা এ নির্দেশ অমান্য করলে তাদের গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে হবে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী গ্রেফতারের পর সবাইকে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।<br><br>এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, করোনার কারণে প্রতিটি ইউনিভার্সিটির ক্লাস অনলাইনে করা হবে। তাই সশরীলে ক্লাসে থাকার কোনই প্রয়োজন নেই। আইসিইর এ পদক্ষেপের ভিকটিম হবেন নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীসহ যারা স্বল্পমেয়াদি ট্রেনিং কোর্স (নন-একাডেমিক অথবা ভোকেশনাল) নিতে এসেছেন তারাও। আসছে সেপ্টেম্বরে শুরু নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস অনলাইনে করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্রের সব ইউনিভার্সিটি। চলতি সপ্তাহে অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ নিয়ে ভার্চ্যুয়াল মিটিংয়ে মিলিত হয়েছেন। করোনার প্রকোপ অব্যাহত থাকলে ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধির পরিপূরক হবে না বলেও মিটিংয়ে অভিমত পোষণ করেছেন অনেকে।<br><br>এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) নির্দেশ অনুযায়ী শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হলে প্রতিটি কক্ষে সর্বোচ্চ আটজনকে বসার ব্যবস্থা করা যাবে। অবশিষ্ট ২২ থেকে ২৩ জন কীভাবে ক্লাস করবেন-এমন প্রসঙ্গও উঠেছে ওইসব নীতি-নির্ধারকদের বৈঠকে। গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার তাণ্ডব শুরুর পর থেকেই সবকিছু লকডাউনে গেছে। জুন পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ক্লাস নেওয়া হয় অনলাইনে। এমনকি যারা ক্যাম্পাসে অর্থাৎ ডর্মে (আবাসিক হোটেল) ছিলেন, তারাও ক্লাস করেন অনলাইনে। সেপ্টেম্বরে শুরুতে নতুন শিক্ষাবর্ষেও ক্লাসে উপস্থিত হবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে কেউই মনে করছেন না। কারণ, গত কয়েক সপ্তাহে ৫০ স্টেটের মধ্যে অন্তত: ৩৬টিতেই উদ্বেগজনক হারে সংক্রমণ বেড়েছে। যেসব সিটি অথবা কাউন্টিতে লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল, সেসবে পুনরায় সবকিছু বন্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ এক ধরনের অস্থিরতা পুনরায় জনজীবনকে গ্রাস করতে চলেছে। </body></HTML> 2020-07-07 16:57:58 1970-01-01 00:00:00 রিজেন্টের প্রধান কার্যালয়সহ দুই হাসপাতাল সিলগালা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95554 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594119180_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594119180_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর উত্তরায় রিজেন্টের প্রধান কার্যালয়সহ উত্তরা ও মিরপুরের হাসপাতাল সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুরে র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সিলগালা করার আগে ওই দুই হাসপাতাল থেকে রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়।<br>করোনা পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পরীক্ষা ছাড়ায়ই রিপোর্ট দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে গতকাল সোমবার উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‍্যাব। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে রিজেন্টের ৮ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়।<br><br>নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, ‘করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা এবং বাড়িতে থাকা রোগীদের করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ভুয়া রিপোর্ট দিত রিজেন্ট হাসপাতাল। সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে কোভিড-১৯ টেস্ট করার অনুমতি নিয়ে রিপোর্টপ্রতি সাড়ে তিন থেকে চার হাজার টাকা আদায় করত তারা। এভাবে ৬ হাজারের বেশি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মোট তিন কোটি টাকার হাতিয়েছে রিজেন্ট।<br>এসব অপরাধ ও টাকার নিয়ন্ত্রণ রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহেদ নিজে অফিসে বসে করতেন বলে জানান র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।<br>রিজেন্টের প্রধান কার‌্যালয় থেকে এসব অপকর্ম হতো বলে এটি সিলগালা করা হয়েছে জানিয়ে সারোয়ার আলম বলেন, পাশাপাশি রোগীদের স্থানান্তর করে হাসপাতাল দুটিও সিলগালা করা হয়েছে। সোমবার রাতেই রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে অননুমোদিত র‌্যাপিড টেস্টিং কিট, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিল-প্যাড ও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। গাড়িতে ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্টিকার লাগানো ছিল।<br>রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে রিজেন্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এসব সরঞ্জাম অবৈধভাবে ব্যবহার করত বলে জানান র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। </body></HTML> 2020-07-07 16:52:32 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৫৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০২৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95553 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118925_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118925_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রাণসংহারী করোনাভাইরাসে দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক; ৫৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ২ হাজার ১৫১ জনের। এ সময়ের মধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন। মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।<br><br>নাসিমা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৩ হাজার ৪৯১টি। পরীক্ষা হয়েছে ১৩ হাজার ৪৭৩টি। এতে ৩ হাজার ২৭ জন শনাক্ত হন। গত ২ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯ জন শনাক্ত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। গত ১ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৪২৬টি নমুনা পরীক্ষার কথা জানানো হয়েছিল। এতে ৩ হাজার ৬৮২ জন শনাক্ত হন। আর গত ১৭ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৯২২জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৭ হাজার ৫২৭টির পরীক্ষায় ৪ হাজার ৪ জন শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের পরই এখন বাংলাদেশ। উৎসস্থল চীনকে ছাড়িয়েছে এ তিনটি দেশই। দেশে ইতোমধ্যে শনাক্তের সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮০ জনের করোনা পরীক্ষা করে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জনে। বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কানাডাকে পেছনে ফেলে ১৭তম। আর এশিয়ার ৪৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। এর আগে রয়েছে ভারত, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব।<br><br>নাসিমা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে আবারও ৫৫ জন মারা গেছেন। এর আগে গত ৫ জুলাইও ৫৫ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এটি একদিনে মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যা। গত ৩০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট মৃত্যু ২ হাজার ১৫১ জনের। নতুন মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৪৬ জন ও নারী ৯ জন। এ পর্যন্ত ৪৩৮ জন নারী ও ১৭০৩ পুরুষ করোনায় মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ০-১০ বছর বয়সী ১৩ জন, ১১-২০ বছর ২৫ জন, ২১-৩০ বছর ৭১ জন, ৩১-৪০ বছর ১৫৫ জন, ৪১-৫০ বছর ৩২৩ জন, ৫১-৬০ বছর ৬২৪ জন ও ষাটোর্ধ ৯৪০ জন মারা গেছেন।<br><br>দেশে করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতিদিনই সুস্থ হয়ে উঠছেন বিপুল মানুষ।<br>নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় বাসা ও হাসপাতাল মিলিয়ে নতুন সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন। এ নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ১০২ জন সুস্থ হয়েছেন।<br>ব্রিফিংয়ের করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন অধ্যাপক নাসিমা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনা মোকাবিলায় তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করতে হবে। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাওয়া ও ফুসফুসের ব্যায়াম করা। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। কারণ, এটি ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের করোনা আক্রান্ত মায়ের দুধপানে শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার কোনো তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পায়নি। অর্থাৎ, শিশুকে দুধপান করানো যাবে। তবে, এই সময়ে গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়।<br>চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।<br><br>ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলে ৩০ মে পর্যন্ত। ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি নেই। এখন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ভিত্তিক লকডাউন চলছে। তাই অফিস আদালতে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় সরঞ্জামাদি রাখা ও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। </body></HTML> 2020-07-07 16:46:07 1970-01-01 00:00:00 মাদক সিন্ডিকেটে জড়িত ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির সুপারিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95552 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118477_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118477_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার পর অন্তত ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তারা তেজগাঁও ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সদস্য। সোমবার (৬ জুলাই) এ সংক্রান্ত চিঠি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ থেকে ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তাদের মধ্যে একজন কনস্টেবল। বাকিরা পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) ও সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই)। এ ছাড়া মাদক কারবারে জড়িত থাকায় আদাবর থানার চার পুলিশ সদস্যকে সোমবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এইসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।<br><br>এ বিষয়ে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন-অর রশিদ বলেন, মাদকের সঙ্গে সংশ্নিষ্ট কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন ডিএমপি কমিশনার। আমরা আমাদের করণীয় শেষ করেছি। মাদকের সঙ্গে যুক্ত এমন কোনো পুলিশ সদস্য তেজগাঁও বিভাগে থাকতে পারবে না। আদাবর থানায় চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নিয়মিত অভিযান চলবে। দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, মাদক সিন্ডিকেটে যুক্ত যেসব পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন এসআই মোশাররফ চৌধুরী, নবীন জাহান রানা, শাহরিয়ার, সুমন মিয়া কামাল হোসেন, এএসআই রানা ও কনস্টেবল তোফাজ্জল। এ ছাড়া মাদক কারবারে জড়িত আদাবর যে চারজনকে গতকাল সাসপেন্ড করা হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন এসআই আশরাফুল ও এসআই রফিক।<br><br>পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদক সিন্ডিকেটে যুক্ত কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে প্রায় নিয়মিত চিহ্নিত মাদক কারবারিদের যোগাযোগের তথ্য মিলেছে। মাদক কারবার সংক্রান্ত কলরেকর্ড জব্দ করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে মাদক কারবারিদের সহযোগিতা করে আসছিলেন অসাধু এসব সদস্যরা। মাদক সিন্ডিকেটে সংশ্নিষ্ট পুলিশের এসব সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রত্যাহারের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে। জানা গেছে, সোমবার তেজগাঁও থানা এলাকার আওতাভুক্ত রেললাইন বস্তি ও আশপাশ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানকার মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরেই রেললাইন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা চলছিল।<br><br>গত ২৮ জুন থেকে টানা কয়েক দিন তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড, রেললাইন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে তেজগাঁওকেন্দ্রিক মাদক কারবারিদের সেকেন্ড ইন কমান্ড শারমিন ওরফে স্বপ্নাসহ অন্তত ২০ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই মাদক কারবারে পুলিশের সংশ্নিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। জানা যায়, বহুদিন ধরেই কারওয়ান বাজার রেললাইন ধরে মাদকের কারবার চলছিল। তেজগাঁও আর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ১৫-২০ অসাধু পুলিশ সদস্য তেজগাঁওকেন্দ্রিক এই মাদক কারবার জিইয়ে রাখতে মূল ভূমিকা পালন করে আসছিল। নিয়মিত তারা মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে আসছিল। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 16:40:45 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95551 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118374_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118374_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা দাউদকান্দিতে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে স্বামী-স্ত্রীসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা ১২ বছর বয়সের নাতিও মারা যায়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চাঁপুরের মতলব সড়কের কাজিরকোনা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তার ঢাকা থেকে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ যাচ্ছিলেন। নিহতরা হলেন, চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ এলাকার সিরাজুল ইসলাম (৮০), স্ত্রী জাহানারা বেগম (৭০) ও ১২ বছরের নাতি আবু বকর সিদ্দিক। দাউদকান্দি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে একই পরিবারের ৩ জন নিহত হন। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িসহ নিহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 16:39:08 1970-01-01 00:00:00 ৪৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেছে ক্রেস্ট সিকিউরিটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95550 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118283_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118283_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শেয়ারবাজারের গ্রাহকের ও ঋণের ৪৮ কোটি টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেড চেয়ারম্যান মো. শহীদুল্লাহ ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিপা সুলতানা নুপুরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। তিনি ও তার স্ত্রী মিলে গ্রাহকদের শত কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) নোয়াখালীর মাইজদি এলাকা থেকে শহীদুল্লাহ ও তার স্ত্রী নুপুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে তারা তাদের এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।<br><br>মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর (ডিএমপির) গোয়েন্দা অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আবদুল বাতেন। তিনি বলেন, ‘ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জের একটি ব্রোকার হাউজ। তাদের ২২ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সেখানে গ্রাহকদের প্রায় শত কোটি টাকার লেনদেন রয়েছে। গত ২২ জুন এর মধ্য থেকে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের জন্য গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেন শহীদুল্লাহ। বিনিয়োগকারীরা দেখলেন ওই টাকা নেওয়ার পর কোনো ম্যাসেজ গ্রাহকদের ফোনে যায়নি।’<br><br>তিনি বলেন, ‘এছাড়া বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন তারা। এ টাকার জন্য তারা গ্রাহকদের লভ্যাংশ দিতেন। সেই টাকাও তারা আত্মসাৎ করেছেন। ২২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন শহীদুল্লাহ।’<br>গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ক্রেস্ট সিকিউরিটি লিমিটেডের ২২ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যেখানে শত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। ওই টাকার মধ্যে তারা ১৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন। এছাড়াও ৪৪ থেকে ৪৫ জনের কাছ থেকে মুনাফা দেওয়ার কথা বলে ৩০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করার জন্য তারা আত্মগোপন করেছিলেন। ব্রোকার হাউজ থেকে ৬০০ বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে স্ট্যাম্পে চুক্তি করে ৩০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। তাদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে।’ </body></HTML> 2020-07-07 16:37:34 1970-01-01 00:00:00 পাপলু : অভিযোগ পেলে রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধেও তদন্ত করবে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95549 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118010_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594118010_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতে সিআইডির হাতে গ্রেফতার হলেও তার বিষয়ে বরাবর সাফাই গেয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালাম। এমনকি এই সাংসদ কুয়েতে আটক হওয়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও দেশটির সরকারের কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর আদায় করতে পারেননি রাষ্ট্রদূত। পাপলুর অপরাধের সঙ্গে তার জড়িত থাকার কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। কুয়েত সরকারের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে এই রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে ঢাকা। এমন তথ্যই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।<br><br>মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে একথা বলতে শোনা যায়। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ভিডিও ক্লিপ দুটি একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারের অংশ। ভিডিওতে সাংসদ পাপুল সম্পর্কে এখনও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো তথ্য পায়নি বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এসএম আবুল কালামের নিয়োগের চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ দিকে। এ মাসেই তার মেয়াদ শেষে তিনি চলে আসবেন। নতুন রাষ্ট্রদূত কে হবেন তা-ও আমরা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।’ রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করা হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, ‘কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হলে তা অবশ্যই তদন্ত করে দেখা হবে।’<br><br>এদিকে মানবপাচারের ঘটনায় কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ড. মোমেন বলেন, ‘আমরা মানবপাচার ও অর্থপাচার বন্ধ করতে কত চেষ্টা চালাচ্ছি। এ সময় একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কুয়েতে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টা অত্যন্ত দুঃখজনক।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কুয়েতের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের (পাপুল) বিরুদ্ধে মানবপাচার ও অর্থপাচারের অভিযোগ করা হয়েছে। তবে সে দেশের সরকার আমাদের অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি।’<br><br>‘ওই দেশের সরকার যদি আমাদের এ সাংসদের বিষয়ে জানায় তবে আমরা আমাদের দেশের নিয়ম অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব ব্যাপারে অর্থাৎ মানবপাচার ও অর্থপাচারের বিষয়ে জিরো টলারেন্সে নীতি মেনে চলেন। সে যে দলেরই হোক না কেন, নিজের দলের হলেও তাকে শাস্তি পেতে হবে,’ যোগ করেন ড. মোমেন। পাপুলের কুয়েতে অবস্থানের বিষয়ে বলতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এ সাংসদ কোনো সরকারি পাসপোর্ট নিয়ে সে দেশে যাননি। তিনি কুয়েতে ২৯ বছর ধরে ব্যবসা করেন। ওখানকার কোম্পানির সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে দেশের নাগরিকত্ব পাওয়া বাংলাদেশের এ সাংসদকে তারা সে দেশের একজন ব্যবসায়ী হিসেবে গ্রেফতার করেছে।’ </body></HTML> 2020-07-07 16:31:18 1970-01-01 00:00:00 ঘুষ নিয়ে এইআই ক্লোজড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95548 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092815_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092815_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার (৩ জুলাই) অবৈধভাবে আটক করা সিএনজি অটোরিকশা (নোয়াখালী-থ-১১-৯৩০৮) এবং ঘুষ নেয়া ৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন অভিযুক্ত পুলিশের এসআই রূপন নাথ। এর আগে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ সূত্রে এসআই রূপন নাথের ক্লোজড হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।<br><br>গত রোববার (৫ জুলাই) ভুক্তভোগী মিলন (৩৪) নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কাছে এসআই রূপন নাথের অবৈধভাবে ঘুষ নেয়া ও অটোরিকশা আটকের বিষয়টি লিখিত আকারে অভিযোগ করেন। একই দিন রাত ১০টায় এসআই রূপন নাথের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্তে নামে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী আবদুর রহিম। তদন্তের সময় অভিযোগকারী সিএনজি চালক মিলন তার গাড়ির মালিক পিন্টু ভৌমিক এবং মিলনের বাবা গ্রাম পুলিশ ছায়েদল হকের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী ওই পুলিশ কর্মকর্তা রাতেই কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে জেলা হেড কোয়ার্টারে চলে যান।<br><br>সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে অভিযুক্ত এসআই রূপন নাথ সিএনজি চালক মিলন ও গাড়ির মালিক পিন্টু ভৌমিকের কাছে আটক সিএনজি ও ঘুষ নেয়া ৫ হাজার টাকা ফেরত দেন। আটকৃত গাড়ি ও টাকা লেনদেনের সময় বিষয়টি ভিডিও করে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা। যা তাৎক্ষণিকভাবে ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানান, সোমবার বিকেলে সিএনজি অটোরিকশাটি মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত এসআই রূপন নাথের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত চলছে। </body></HTML> 2020-07-07 09:33:07 1970-01-01 00:00:00 দেশে করোনা পরিস্থিতি দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95547 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092680_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092680_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে সংক্রমণ প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও তারা মনে করছেন। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনা ভাইরাসজনিত (কোভিড-১৯) মহামারি বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর সরকার সাধারণ ছুটি, লকডাউন পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়। করোনা নিয়ন্ত্রণে এখনও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ চলছে। কিন্তু সংক্রমণ কমছে না। মৃত্যুও বাড়ছে। <br><br>সোমবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জন। মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৯৬ জনের। পরীক্ষা সাপেক্ষে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ তিন থেকে চার হাজারের মধ্যে ওঠানামা করছে। দীর্ঘ চার মাসেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিক হতে আর কত দিন সময় লাগবে সেটাও এখন অনিশ্চিত। বরং এটা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।<br>জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছিলো, সেগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়নি। যার ফলে সংক্রমণ ছড়িয়েছে এবং সংক্রমণ দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখন সংক্রমণের হার যে পর্যায়ে রয়েছে, পরীক্ষা বাড়লে তা আরও বাড়বে। কারণ করোনা এখন ঢাকার বাইরে ব্যাপকহারে ছড়িয়েছে, গ্রাম পর্যায়ে চলে গেছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে যে পরিমাণ পরীক্ষা হচ্ছে অন্য জেলায় তা সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে সংক্রণ কোন পর্যায়ে আছে তাও নির্দিষ্ট করা যাচ্ছে না।<br><br>কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। and nbsp; কোরবানির পশুর হাট এবং ঈদে ঢাকার বাইরে যাওয়া-আসাহ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যতায়াত বেড়ে যাবে। দুই এক দিনের মধ্যেই শুরু হবে পশুর হাট। এর পর রয়েছে ঈদের ছুটিতে একই সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত। এতে স্বাভাবিকভাবেই সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে ওই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।<br>তাদের মতে, বাংলাদেশ এখনও ঝুঁকির মধ্যেই আছে। প্রতিকার ব্যবস্থা জোরালো না হলে এবং বর্তমান অবস্থায় চলতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এ জন্য প্রতিরোধের যে ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হয়েছে তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে। <br><br>এদিকে এই সময়ে করোনা সংক্রমণের ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকেও একটা আঞ্চলিকতার প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তানেও সমানতালে সংক্রমণ বাড়ছে। ভারত সংক্রমণের দিক থেকে ইতোমধ্যে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ দেশের অবস্থানে চলে এসেছে। রাশিয়াকে টপকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিরের পরই ভারতের অবস্থান। সেখানে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৩ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯ হাজার ৬৯৩ জন হয়েছে। পাকিস্তানেও সংক্রমণ বাড়ছে। সেখানে এ পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছে দুই লাখ ২৮ হাজার ৪৭৪ জন। মারা গেছে ৪ হাজার ৭১২ জন। এই তিনটি দেশেরই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং মানুষের আচরণ প্রায় একই। তাই একটি দেশে বাড়তি থাকলে অন্য দেশগুলোতে একইরকম প্রভাব পড়তে পারে বলেও তারা মনে করেন।<br><br>এ বিষয়ে বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে এখনও সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। আমরা ঝুঁকির মধ্যেই আছি। এই হার এবং ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে। এটা কোন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাবে বা কবে নাগাদ স্বাভাবিক পর্যায়ে আসবে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, সংক্রমণ প্রতিদিন ৩ হাজার থেকে ৪ হাজারের মধ্যে রয়েছে। ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশেই এখনও বাড়ছে। ইতালিতে নতুন করে সংক্রমণ হচ্ছে, আমেরিকায় আবার সংক্রমণ হচ্ছে, লকডাউন দিচ্ছে। এই ভাইরাসের চরিত্র এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তাই ঝুঁকি এড়ানোর জন্য স্বাস্থ্যবিধি কার্যকরভাবে মেনে চলার বিকল্প নেই।<br><br>জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এমএইচ চৌধুরী লেলিন (লেলিন চৌধুরী) বলেন, প্রতিরোধের জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো তা আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারিনি। যার ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং বাড়ছে। আবার আমাদের পরীক্ষার সামর্থ্যও কমেছে। পূর্ণ উদ্যোমে পরীক্ষা করতে পারলে বোঝা যেতো পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে রয়েছে। এই ভাইরাসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আমরা জানি না। একেক জায়গায় একেক ধরণের। প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরালো করতে না পারলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। <br><br>তিনি বলেন, কোরবানির সময় সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিরোধের ব্যবস্থাগুলো ঠিক মতো কার্যকর হলে অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও তিন মাসে কমে যেতো। কিন্তু সেটা না হওয়ায় এখন সংক্রমণ দীর্ঘ মেয়াদী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রক্তান্ত প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বর্তমান উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, দিন দিন সংক্রমণ বাড়ছে। যত বেশি পরীক্ষা করা যাবে তত প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে। কারণ ঢাকার বাইরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। ভারত, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার দেশগুলোতেও বাড়ছে। এসব জায়গায় একই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছি। তাই প্রতিরোধের উদ্যোগ ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে। <br><br>লাল, হলুদ, সবুজ জোন চিহ্নিত করে দ্রুত শক্ত বেষ্ঠনী গড়ে তোলার পরামর্শ তিনি বলেন, আমাদের দেশে এখন গণসংক্রমণ হচ্ছে। এটা খুবই উদ্বেগের। এটা কমা বা নিয়ন্ত্রণে আসা পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে। বন্যার পানি এমনিতেই কমে যায়। কিন্তু জোরালো পদক্ষেপ না নিলে এই ভাইরাস যাবে না। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 09:30:39 1970-01-01 00:00:00 লাশ সমাধির স্থান সংকটে বলিভিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95546 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092510_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092510_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বলিভিয়া করোনায় মৃতদের সমাধির স্থান সংকটে রয়েছে। দেশটির শহর কোচাবাম্বাতে এর প্রতিবাদ জানাতে করোনায় মৃত এক আত্মীয়ের লাশ রাস্তায় ফেলে রাখেন এক বাসিন্দা। শনিবার শহরটির প্রধান শহরে দেখা যায় এমন দৃশ্য। মৃত ওই ব্যক্তির বয়স ৬২ বছর। লাশ নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর পর স্থানীয় যারা লাশ কবরের কাজে নিয়োজিত তারা এসে লাশটি উদ্ধার করেন। এরপর সেখানকার একটি গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ প্রধান আইভান রোজাস সংবাদ সম্মেলনে জানান, একদিনে তারা ১৭টি লাশ উদ্ধার করেছেন। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার জন। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন এক হাজার ৩২০ জন। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-07 09:28:07 1970-01-01 00:00:00 মানুষের মগজ খেকো অ্যামিবার ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের হুঁশিয়ারি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95545 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092319_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092319_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা ফ্লোরিডাতে এমন এক বিরল জাতের ধরনের অ্যামিবা খুঁজে পেয়েছেন যেগুলো মানুষের মাথায় ঢুকে মগজ খেয়ে ফেলে। ফ্লোরিডা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, ইতোমধ্যে এক ব্যক্তি 'নিগলেরিয়া ফাওলেরি' নামের এই এককোষী প্রাণীর সংস্পর্শে এসেছেন।<br>এই আণুবীক্ষণিক এক-কোষী অ্যামিবা মগজে সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে এবং এটা সাধারণত প্রাণঘাতী হয়। গরম মিষ্টি পানিতে বাস এই অ্যামিবা নাকের ভেতর দিয়ে মানুষের দেহে ঢোকে। তবে এটা একজন থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায় না বলে কর্মকর্তারা বলছেন। খবর বিবিসির।<br><br>যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলে সংক্রমণের ঘটনা ঘটলেও ফ্লোরিডাতে এটা বেশ বিরল। ১৯৬২ সালের পর থেকে এপর্যন্ত মোট ৩৭ জন নিগলেরিয়া ফাওলেরি অ্যামিবায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই বিপজ্জনক অ্যামিবার ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ ফ্লোরিডার হিলসবরা কাউন্টির বাসিন্দাদের সতর্ক করে দিয়েছে। তারা জনগণকে বলছে, পানির কল বা অন্য কোন উৎস থেকে পানি যেন কোন মতেই নাকে প্রবেশ না করে। এই অ্যামিবায় যারা আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে জ্বর, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা এবং বমির উপসর্গ দেখা যায়। পাশাপাশি তাদের ঘাড় শক্ত হয়ে যায় এবং এক সপ্তাহ সময়ের মধ্যেই রোগী মারা যায়। </body></HTML> 2020-07-07 09:24:54 1970-01-01 00:00:00 বান্দরবানে সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত ৫ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95544 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092245_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092245_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বান্দরবানের সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনজন। গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাগমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হাতহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।<br>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবান সদর থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান,ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হাতহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। তিনি জানান, সদর উপজেলার অন্তর্গত হলেও বাগমারা জায়গাটি বান্দরবান শহর থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যাতায়াত ব্যবস্থাও দুর্গম। </body></HTML> 2020-07-07 09:23:39 1970-01-01 00:00:00 সম্রাটের মৃত্যুর গুজবে তোলপাড়! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95543 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092156_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594092156_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা কারাবন্দি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের শারীরীক অবস্থা উন্নতির দিকে, তার মৃত্যুর খবরটি পুরোপুরি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ।<br>সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সম্রাটের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। রাতে যুবলীগের অনেক নেতাকর্মীরা হাসপাতালের সামনে ভিড় জমান। সাংবাদিকরাও কেউ কেউ সত্যতা যাচাই করতে সেখানে ছুটে যান। তবে এ খবরের কোন সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুর ইসলাম।<br><br>তিনি বলেন, এ ধরনের খবরের কোন ভিত্তি নেই। কেউ গুজব ছড়াতে পারে। সব ঠিক ঠাক আছে আগের মতোই। সেখানে অতিরিক্ত কোন কারারক্ষী পাঠানো হয়নি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নেতাকর্মীরা জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই তারা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ এমন তথ্য পেয়ে আসছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে জেনেছেন সম্রাট বেঁচে আছেন এবং স্বাভাবিক আছেন। হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে তার শারীরীক অবস্থা উন্নতির দিকে। যুবলীগ নেতারা অভিযোগ করে আরও বলেন, এটা কুচক্রী মহল সম্রাটের মৃত্যু গুজব ছড়িয়েছে। যারা এ গুজব ছড়িয়েছে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান হাসপাতালে ছুটে যাওয়া নেতাকর্মীরা। </body></HTML> 2020-07-07 09:21:16 1970-01-01 00:00:00 এবার করোনায় আক্রান্ত মাশরাফির স্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95542 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594091975_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594091975_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>এবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্তুজার স্ত্রী সুমনা হক সুমি। তবে সুমির শারীরিক অবস্থা ভালো। সোমবার (৬ জুলাই) রাতে মাশরাফির পারিবারিক সূত্র জানায়, বর্তমানে ঢাকার বাসায় থেকে মাশরাফির স্ত্রী সুমনা হক সুমি চিকিৎসা নিচ্ছেন। সুমির শারীরিক অবস্থা ভালো।<br><br>গত ২০ জুন চিকিৎসকরা জানান করোনা ভাইরাস বাসা বেঁধেছে তার শরীরে। ঘরে বসে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ঢাকার নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন সবার প্রিয় ম্যাশ। এরই মধ্যে মাশরাফির স্ত্রী সুমিও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মাশরাফি করোনা আক্রান্ত হওয়ার দুই দিনপর তার একমাত্র ছোট ভাই মুরসালিন বিন মর্তুজা (সিজার) করোনা আক্রান্ত হন। চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকার বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন মাশরাফি, মাশরাফির ছোট ভাই সিজার এবং স্ত্রী সুমনা হক সুমি। </body></HTML> 2020-07-07 09:18:56 1970-01-01 00:00:00 খালি বাক্স দিয়ে ৯০০ কোটি টাকা লুটেছে মিঠু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95541 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594049105_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594049105_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে মেশিন সরবরাহ না করেই ৯০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালের চেয়ারম্যান ও লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইজ ও টেকনোক্র্যাট লিমিটেডের মালিক মো. মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। ২০০৯/১০ অর্থ বছর থেকে শুরু করে ২০১৯/২০ অর্থবছর পর্যন্ত সময় এই টাকা তুলে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। সাম্প্রতিককালে দেশে বালিশ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। বালিশের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে বালিশটা দেওয়া হয়েছে। পর্দা কেলেঙ্কারিতেও পর্দার দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পর্দাটাও দেওয়া হয়েছিল। তবে মিঠুর অভিনব দুর্নীতি যেখানে এমআরএই, এক্সরে, ক্যানসার রেডিয়েশনের মতো দামি মেশিন দেওয়ার নামে কোন মেশিনই দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র খালি বাক্স মোড়কজাত করে দেওয়া হয়েছে।<br><br>২০১১ সালে সাতক্ষীরার সদর হাসপাতালে কাগজে কলমে একটা এমআরআই মেশিন সাপ্লাই দেওয়া হয়। কিন্তু সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায় যে, সেখানে কোনদিনই এমআরআই মেশিন যায়নি। এমআরআই মেশিন নাম করে সেখানে একটি বাক্স গিয়েছিল। সেই বাক্সের মধ্যটা ছিলো ককশিটে ভরা। হাসপাতালের সিভিল সার্জন সেটা রিসিভ করছেন, বিলও পাস হয়েছে। ২০১২ অর্থবছরে বকেয়া বিল হিসেবে এই বিলের টাকা তোলা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকাশ হলো এমন কোন মেশিন সেখানে যায়নি কখনো। এন ৯৫ এর মাস্কের ক্ষেত্রে একই কাণ্ড করেছিল জেএমআই। এখানে মোড়কের ভিতর কিছু ককশিট ঢুকিয়ে এটাকে ভারি করা হয়েছে।<br><br>এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি বকেয়া বিল সংস্কৃতি চালু করার অভিযোগ রয়েছে মিঠুর বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে একটা যোগসাজশ করে এই সংস্কৃতি চালু করেন তিনি। মিঠুর কোম্পানিটি ২০১১-১২ অর্থবছরে বকেয়া বিল নিয়েছে ১৭০ কোটি টাকা। ২০১২-১৩ সালে বকেয়া বিল তুলেছে ২৬৩ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ সালে ১১৯ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ সালে তোলা হয়েছে ২০৯ কোটি টাকা- এভাবে বকেয়া বিল তুলেছে মিঠুর কোম্পানি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেউ বলতে পারে না এই বিল কিভাবে এবং কোথায় থেকে দেওয়া হয়েছে।<br><br>অনুসন্ধানে দেখা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি গ্রুপের সঙ্গে যোগসাজশ করে কোথাও মেশিন সাপ্লাই না দিয়েই চালান সংগ্রহ করেছে। শুধু চালানের কাগজপত্রেই ছিলো মেশিন। বাস্তবিক কোন মেশিন সেখানে সাপ্লাই দেওয়া হয়নি। মিঠু এমন অনেক হাসপাতালে মেশিন সাপ্লাই দেওয়ার বিল তুলেছেন, যেখানে ওই মেশিনগুলোর কোন দরকারও নেই। কুমিল্লার একটি হাসপাতালে এক্সরে মেশিন সরবারহ করার বিল তোলা হয়েছে। বাস্তবে দেখা গেছে সেখানে কোন এক্সরে মেশিন নেই। ঢাকার একটি হাসপাতালে ক্যান্সারের মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে, বাস্তবে দেখা গেছে সেখানে পুরনো একটা মেশিন দেওয়া হয়েছে নামকাওয়াস্তে। যেটা কোনদিন কোন কাজে আসবে না। মেশিনটি পুরনো পরিত্যাক্ত। আর এভাবেই মিঠু মেশিন না দিয়েই শত শত কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন।<br><br>এছাড়াও কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মিঠুর কোম্পানি থেকে যে মেশিনগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেসব মেশিনও কাজ করছে না। একটা সময় পর্যন্ত মিঠুর সঙ্গে আবজাল ছিলো বিজনেস পার্টনার। দুজন মিলে এমন দুর্নীতি করে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি গড়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি সূত্র বলছে, মেশিন না দিয়েই টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য প্রমাণ তাদের হাতে এসেছে। মিঠুকে আগামী ৯ জুলাই দুদকে হাজির হয়ে রেকর্ডপত্রসহ বক্তব্য দেওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে। </body></HTML> 2020-07-06 21:24:35 1970-01-01 00:00:00 করোনার নমুনা টেস্ট না করেই রিপোর্ট দিতো রিজেন্ট হাসপাতাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95540 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594048799_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594048799_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রোগীদের কাছ থেকে করোনার নমুনা নিয়ে সেগুলো টেস্ট না করেই মনগড়া রিপোর্ট দিত রিজেন্ট হাসপাতাল। হাসপাতালটির ল্যাবে গিয়ে এই চিত্র দেখতে পেয়েছে র‌্যাব। সোমবার বিকেলে রিজেন্টের উত্তরার শাখায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। অভিযানে গিয়ে র‌্যাব দেখতে পায়, করোনা টেস্ট না করেই ভুয়া রিপোর্ট দিত রিজেন্টের উত্তরা শাখা। অভিযানে অসংখ্য ভুয়া করোনা রিপোর্টসহ নানা নথি জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিলসহ নানা অভিযোগ জমা পড়েছে যার সত্যতাও মিলেছে। and nbsp; জা<br><br><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594048842_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অভিযানের বিষয়ে সারোয়ার আলম বলেন, কয়েক দিন ধরে আমরা অনেক অভিযোগ পাচ্ছিলাম তাদের বিরুদ্ধে। আমরা এখানে এসে দেখেছি তারা রোগীদের করোনার নমুনা সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত অসংখ্য নমুনার মধ্যে তারা মাত্র ৪২টার মতো নমুনা পরীক্ষা করেছে। এর চেয়ে দ্বিগুণ নমুনা পরীক্ষা না করেই করোনা ‘নেগেটিভ-পজিটিভ’ রিপোর্ট দিয়েছে। আমরা এখানে ২৬ জনের নমুনা পেয়েছি, যেগুলো পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে রিজেন্ট। তিনি বলেন, হাসপাতাল ভবনের পাশের ভবনের রিজেন্টের আইটি শাখা। সেখানেই নমুনা সংগ্রহের ভুয়া আইডি তৈরি করে ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করানো হয়। এভাবে তারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।<br><span style="font-weight: bold;"><br>রিজেন্টে গিয়ে ধরা পড়লো যেসব অনিয়ম</span><br><br>মনগড়া রিপোর্ট তৈরি ছাড়াও অভিযানে গিয়ে রোগীদের সঙ্গে কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে র‌্যাব। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদফতর তাদের কোভিড বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে। হাসপাতালটিকে ইন-হাউজ রোগীদের কোভিড টেস্ট ও চিকিৎসা দেয়ার অনুমতি দেয়া হলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছিল। উদ্ধার করা ভুয়া রিপোর্টের অধিকাংশ নমুনাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করা হয়েছিল।<br>এছাড়া হাসপাতালটি ২০১৪ সালের পর তাদের লাইসেন্স আর নবায়ন করেনি। করোনার পরীক্ষা বিনামূল্যে করার কথা থাকলেও রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা আদায় করতো বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।<br><span style="font-weight: bold;"><br>র‌্যাব হেফাজতে ৮ জন</span><br><br>এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে গ্রেফতার না দেখানো হলেও হাসপাতালের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হেফাজতে নিয়েছে (আটক) র‌্যাব। প্রাথমিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তারা দাবি করেছেন, ভুয়া রিপোর্টের বিষয়ে কিছুই জানতেন না তারা। অভিযান চলাকালে র‌্যাব হাসপাতালের চেয়ারম্যানকে উপস্থিত হতে বললেও তিনি উপস্থিত হননি। রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান চলছিল। এদিকে বিকেলে একদিকে যখন রিজেন্টের উত্তরায় অভিযান চলছিল, অন্যদিকে রিজেন্টের মিরপুরের শাখা ঘিরে রাখে র‌্যাব। সেখানেও শুরু হয় অভিযান। </body></HTML> 2020-07-06 21:16:41 1970-01-01 00:00:00 এন্ড্রু কিশোর আর নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95539 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594042858_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594042858_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী মহানগরীর মহিষবাথান এলাকায় তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে ভুগছিলেন আটবারের চলচ্চিত্র পুরষ্কারপ্রাপ্ত এই বরেন্য শিল্পী।<br>সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা শেষে গত ১১ জুন রাতে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। এরপর থেকে রাজশাহীতে বোনোর বাসায় থাকছিলেন। তার দেখভাল করছিলেন বোনজামাই চিকিৎসক ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস।<br><br>তবে গত কয়েকদিন ধরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে তার। অক্সিজেন সাপোর্ট দেয়া হয়। সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস এ তথ্য দেন। এর আগে এন্ড্রু কিশোর মারা গেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়লে তার সে রাতেই তার স্ত্রী লিপিকা স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থার উল্লেখ করে লিখেছিলেন, ‘এখন কিশোর কোনো কথা বলে না। চুপচাপ চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকে। আমি বলি কি ভাব, বলে কিছু না, পুরানো কথা মনে পড়ে আর ঈশ্বরকে বলি আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে যাও, বেশি কষ্ট দিও না। ক্যান্সারের শেষ ধাপে খুব যন্ত্রণাদায়ক। এন্ড্রু কিশোরের জন্য সবাই প্রাণ খুলে দোয়া করবেন, যেন কম কষ্ট পায় এবং একটু শান্তিতে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে যেতে পারে।’<br><br>ব্লাড ক্যান্সার নিয়ে গত বছরের অক্টোবর থেকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ১১ জুন রাতে বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন তিনি। এরপর তিনি ঢাকা থেকে রাজশাহী চলে আসেন।<br>১৯৭৭ সালে এন্ড্রু কিশোর আলম খানের সুরে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক যাত্রা শুরু করেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।<br><br>তার জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যেখানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’, ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘পদ্মপাতার পানি’, ‘ওগো বিদেশিনী’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘আমি চিরকাল প্রেমের কাঙ্গাল’ প্রভৃতি।<br><br> </body></HTML> 2020-07-06 19:40:03 1970-01-01 00:00:00 আর নিম্নমানের কাজ করতে দেয়া হবে না: এলজিআরডি মন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95538 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594041937_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594041937_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশের উন্নয়নে যে কোনো প্রকল্প নেওয়া হোক না কেন তা অবশ্যই গুণগত এবং টেকসই হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী (এলজিআরডি মন্ত্রী) তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের সতর্ক করে বলেন, দেশে আর কোনো নিম্নমানের কাজ করতে দেয়া হবে না। সোমবার মন্ত্রণালয়ে এক অনলাইন সভায় এ ঘোষণা দেন এলজিআরডি মন্ত্রী। নিজ কক্ষ থেকে দেশের ১২ জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের খোঁজ খবর নিতে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীদের সঙ্গে এ সভা করেন মন্ত্রী।<br><br>স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের রাস্তাঘাট, সুপেয় পানি, স্যানিটেশনসহ ছোট বা বড় যে কোন প্রকল্প নেয়া হোক তা মান সম্মত এবং টেকসই হতে হবে। মানুষকে উন্নয়নের সুফল দিতে হলে যে কোনো কাজ টেকসই এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন করতে হব। গুণগত মানসম্পন্ন কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করতে গিয়ে কেউ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলে তার মন্ত্রণালয় তা শক্ত হাতে মোকাবেলা করবে বলেও জানান তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে আর কোনো নিম্নমানের কাজ করতে দেয়া হবে না। কেউ যদি নিম্নমানের কাজের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br><br>রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যে কোনো ধরনের ঝুঁকি এবং সমস্যার সম্মুখীন হলে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর পরিশ্রমকে বাস্তবে রূপ দিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল প্রতিষ্ঠানকে দেশের উন্নয়নে একযোগে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মন্ত্রী।<br><br>স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সমগ্র দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবিড়ভাবে জড়িত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন অনেকাংশেই স্থানীয় সরকার বিভাগের ওপর নির্ভর করে। তাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরই বর্ষাকালে অতিবর্ষণ এবং উজান থেকে পানি এসে অনেক চরাঞ্চলে তলিয়ে যায়। এতে করে বাড়িঘর, ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। এসব মোকাবেলা করেই এগিয়ে যেতে হবে।<br><br>সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান যোগ দেন। বন্যা মোকাবিলা সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সমন্বয় করার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয় এবং বন্যাকবলিত সকল জেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এছাড়া, বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং পানি ভর্তি জেরিক্যান বিতরণের মাধ্যমে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করছে। পাশাপাশি বগুড়া, কুড়িগ্রাম, ও সিরাজগঞ্জ জেলার বন্যা কবলিত এলাকায় অস্থায়ী নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের জন্য ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রস্তুত রেখেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। চাহিদা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল মজুদ আছে।<br>বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডুবে যাওয়া নলকূপ জীবাণুমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্লিচিং পাউডার জেলা ও উপজেলা আছে বলেও সভায় জানায় জনস্বাস্থ প্রকৌশল অধিদপ্তর। </body></HTML> 2020-07-06 19:24:58 1970-01-01 00:00:00 বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট দিতে শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95537 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594040366_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594040366_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট সরবরাহ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। and nbsp; and nbsp; তিনি বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে and nbsp; অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেট ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট দিতে অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।<br>আজ সোমবার (৬ জুলাই) আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়' শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।<br><br>শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। আশা করি মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সংকটই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হবে। করোনা আমাদেরকে এক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম, অফিস-আদালতে মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। and nbsp; <br></body></HTML> 2020-07-06 18:55:30 1970-01-01 00:00:00 সাংসদ পাপুলের বিরুদ্ধে সিআইডির অনুসন্ধান শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95536 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594040060_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594040060_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার হওয়া লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। তার কোথায় কী সম্পদ রয়েছে সেই সব সম্পদের কতটা বৈধ কতটা অবৈধ তার অনুসন্ধান করছে তারা। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির প্রধান মাহবুবুর রহমান। মাহবুবুর রহমান আশা করে বলেন, খুব শিগগিরই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবে পুলিশ। কুয়েতে মানব পাচারের দায়ে গ্রেপ্তার সাংসদ মো. শহিদ ইসলামের বিষয়ে কুয়েতে তদন্ত চলছে।<br><br>সিআইডি কিছু করছে কি না? যে অভিযোগ কুয়েত সরকার তুলেছে, তা ভিত্তিহীন কি না- জানতে চাইলে সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন বিভাগের উপমহাপরিদর্শক ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, তারা প্রমাণসহ কথা বলবেন। আর এ জন্য অপেক্ষা করতে বলেন। তিনি বলেন, ‘উইথ এভিডেন্স আমরা বলব, হ্যাভ পেশেন্স।’ লিবিয়া ২৬ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনজন মূল হোতাকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। তাদের ধনসম্পদেরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। শিগগির তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি। তবে সিআইডি তাদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চায়নি তদন্তের স্বার্থে।<br><br>তিনি আরও বলেন, মানবপাচারের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে সিআইডি। এছাড়াও লিবিয়ার মানবপাচার ইস্যুতে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান চলছে, ইতোমধ্যে তিনজন মূল হোতাকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। সিআইডির প্রধান বলেন, বিভাগটি ২২ ধরনের মামলা করে থাকে। ৮২ ভাগ ক্ষেত্রে তারা অভিযোগপত্র দিয়েছে, তবে সাজা হয়েছে ২৪ ভাগ ক্ষেত্রে। এদিকে, সিআইডিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলায় তৈরি হবে কার্যালয়, যা তদন্তে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে। দ্রুত তদন্তে তৈরি করা হবে সাইবার স্টেশনও।<br><br>মাহবুবুর রহমান জানান, সিআইডি সাইবার থানা স্থাপন করবে। ঢাকায় থানাটি স্থাপন করা হলেও সারা দেশ থেকে অনলাইনে এই থানায় অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাবেন ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অতিরিক্ত ভিসা নবায়ন ফি আদায়, কুয়েতের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করছে কুয়েত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট- সিআইডি। তার বিরুদ্ধে ১১ জন বাংলাদেশি সাক্ষীও দিয়েছেন। এছাড়া পাপুলের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের চেকবই জব্দ করেছে সিআইডি।<br><br>একই সঙ্গে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মানবপাচার ও অর্থপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৭ জুন কুয়েতের সিআইডি এমপি পাপুলকে আটক করে। তাকে দেশটির সিআইডি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কুয়েত সিআইডি এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে। এছাড়া পাপুলের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে কুয়েতের তিনজন সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানা গেছে। সিআইডির বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান। এ সময় সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, মাইনুল হাসান, ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:54:02 1970-01-01 00:00:00 বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট দিতে শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95535 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594039650_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594039650_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট সরবরাহ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। and nbsp; and nbsp; তিনি বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে and nbsp; অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষেই ইন্টারনেট ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট দিতে অথবা স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট প্যাকেজ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। <br>আজ সোমবার (৬ জুলাই) আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে ‘বর্তমান বৈশ্বিক সংকটকালে শিক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয়' শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।<br><br>শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। আশা করি মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সংকটই আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দেয়। আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে হলে তথ্য ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। তাই আমাদের হয়তো কিছুদিনের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমে যেতে হবে। করোনা আমাদেরকে এক্ষেত্রে এগিয়ে দিয়েছে। আমরা এখন অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম, অফিস-আদালতে মিটিং এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন এই বাস্তবতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবো। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:47:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95534 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594039037_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594039037_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৪ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৬ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩ হাজার ২০১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।<br><br>৬৮টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ হাজার ২০১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ২৪৫টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো আট লাখ ৬০ হাজার ৩০৭টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২০১ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬৫ হাজার ৬১৮ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৪৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে দুই হাজার ৯৬ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও তিন হাজার ৫২৪ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৬ হাজার ১৪৯ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ১৭ জন ঢাকা বিভাগের, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, তিনজন রাজশাহী বিভাগের, দুইজন খুলনা বিভাগের, চারজন বরিশাল বিভাগের, তিনজন সিলেট বিভাগের, দুইজন রংপুর বিভাগের এবং দুইজন ময়মনসিংহ বিভাগের। ৩৫ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বাসায়।<br><br>এদিকে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা সোমবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে বিশ্বের এক কোটি ১৫ লাখ ৭২ হাজার ১১৯ জন। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ২০ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫৮ হাজার ৫৫১ জন (২ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছে।<br>গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:36:51 1970-01-01 00:00:00 বীরগঞ্জে বিআরটিসি বাসচাপায় ৫ জন নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95533 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038976_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038976_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বীরগঞ্জ উপজেলায় বিআরটিসি বাস চাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের পাঁচ আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুই জন। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ২টায় দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কের বীরগঞ্জ উপজেলার ২৫ মাইল বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন প্রধান জানান, দুপুরে যাত্রীবাহী বিআরটিসির একটি বাস পঞ্চগড় যাচ্ছিল। পথে দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কের বীরগঞ্জের ২৫ মাইল বাজারে বাসটি একটি ভ্যানকে পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে চার জন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক জনের মৃত্যু হয়।<br>এছাড়াও চার্জার ভ্যানের আহত অপর দুই আরোহীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি ভ্যানকে চাপা দিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছে গিয়ে ধাক্কা খায়। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:36:00 1970-01-01 00:00:00 রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95532 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038758_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038758_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ রয়েছে। তিন মাসের আমদানি খরচ হাতে রেখে এই রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্টদের বিষয়টির সম্ভাবনা যাচাই-বাছাই করে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন প্রস্তাব দেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা যুগান্তকারী প্রস্তাব এসেছে প্রধামন্ত্রীর কাছ থেকে। আমরা এটাকে সমর্থন করি।’ মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমরা ভাবছি, সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। জনগণের অর্থ জনগণের সঞ্চয় তাদের কল্যাণে ব্যয় হবে। এরজন্য যে নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা প্রয়োজন সেগুলো আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বাংলাদেশ ব্যাংক) এবং অর্থমন্ত্রণালয় আছে তারা দেখবে। আমরা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে অবশ্যই সহায়তা করবো।’<br><br>পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক জনগণের পক্ষে অর্থ সংরক্ষণ করে। ওখান থেকে ঋণ নিতে পারি। বাংলাদশ ব্যাংক চিন্তা করবে কীভাবে এটা করা যায়। সাধারণত তিন মাসের আমদানি ব্যয় হাতে রাখা সেইভ। সেটা যেকোনো অর্থনীতিতে। তিন মাসের আমদানি সমপরিমাণ টাকা থাকলে স্বস্তিদায়ক হবে। এখন যে রিজার্ভ আমাদের আছে সেটা তিন মাস নয়, এক বছরের আমদানির সমপরিমাণ। সুতরাং আমদানি ব্যায়ের যুক্তিসঙ্গত সংরক্ষণ রেখে বাকি টাকাতে আমাদের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন মিটাতে পারি। নিজেদের অর্থ নিজেরা ব্যবহার করবো।’ পরিকল্পনামন্ত্রীকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, রিজার্ভ আমাদের একমাত্র ব্যাকআপ। রিজার্ভ থেকে প্রকল্পের জন্য ঋণ নেয়াটাকে আপনি যৌক্তিক মনে করেন? জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমি এটা মনে করি। আমি সমর্থন করি দুটো কারণে। একটি হলো আমাদের নিজস্ব টাকা ডান হাত থেকে বাম হাতে আনলাম। আবার ডান হাতে ফেরত দেব। এটা আগে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ফেরত যায়। এটা হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দ্বিতীয়ত, বিদেশ থেকে ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে অনেক শর্ত থাকে, এটা-সেটা থাকে, সেগুলো মানতে হয়। মানতে গিয়ে ব্যয় বেড়ে যায়। ঋণচুক্তি সই করার পরে প্রক্রিয়া করতে অনেক সময় দেখা যায়, এক থেকে দেড় বছর পার হয়ে যায়। তখন আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই। ডলারের মান বেড়ে যায়, টাকার মান কমে যায়। আমাদের নিজেদের টাকা হলে নিজেরাই খরচ করবো। ভয়ের কারণটা হলো যে ডলারটা দেব, তা ফেরত আসতে হবে। এখানে যদি ওই ধরনের কোনো ভীতি থাকে, যেটা ব্যাংকে আমাদের নন পারফর্মিং (ঋণখেলাপি) ঋণের ক্ষেত্রে দেখেন। তাহলে আমি হাত দেব না। ওইটা নিশ্চিত হয়ে আমি করতে রাজি আছি। আমি মনে করি, এটা সম্ভব।’<br><br>রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। </body></HTML> 2020-07-06 18:31:59 2020-07-06 18:53:01 এবারের হজে কাবাঘর ছোঁয়া যাবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95531 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038478_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038478_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এবার সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে হজ। এই হজব্রত পালনের সময় পবিত্র কাবাঘর স্পর্শ করা যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এবার প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের বাইরে থেকে কেউ হজে অংশ নিতে পারবেন না। দেশটিতে বসবাসরত হাজার খানেক মুসল্লি হজব্রত পালন করবেন। করোনাকালের এই হজের বিষয়ে এক স্বাস্থ্য নির্দেশনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, সীমিত পরিসরের এবারের হজে আল্লাহর ইবাদতের জন্য মুসলিমদের কেবলা পবিত্র কাবাঘর স্পর্শ করা যাবে না। নামাজের সময় এমনকি কাবা শরিফ তাওয়াফের সময় দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজিদের।<br><br>সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাত দিয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্ট্রেইটস টাইমস আরও জানায়, সোমবার সৌদির রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) এক বিবৃতিতে বলেছে, কাবা শরিফ স্পর্শ না করা, নামাজসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সীমিত সংখ্যক হাজি মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। আগামী ১৯ জুলাই এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। চলবে ২ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ে হাজি ও আয়োজকদের সর্বদা মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত মার্চ থেকে বন্ধ ছিল কাবা শরিফ। এবার হজ পালন হবে কি না সংশয় ছিল। গত মাসে অভ্যন্তরীণ এক হাজার সৌদি নাগরিককে হজের অনুমতি দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:27:41 1970-01-01 00:00:00 থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে সাহারা খাতুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95530 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038427_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038427_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন। সেখানকার বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪টার কিছু সময় পর ওই হাসপাতালে পৌঁছেছেন তিনি। and nbsp; সাহারা খাতুনের ব্যক্তিগত সহকারী মজিবুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার বেলা পৌনে ১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাহারা খাতুনকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ছেড়ে যায়। বিকেল ৪টার কিছু পর তিনি থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পৌঁছান। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গেলো ২ জুন সাহারা খাতুন ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে গত ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-06 18:26:51 1970-01-01 00:00:00 সাংসদ পাপুলের বিরুদ্ধে সিআইডির অনুসন্ধান শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95529 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038351_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594038351_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার হওয়া লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। তার কোথায় কী সম্পদ রয়েছে সেই সব সম্পদের কতটা বৈধ কতটা অবৈধ তার অনুসন্ধান করছে তারা। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান সিআইডির প্রধান মাহবুবুর রহমান। মাহবুবুর রহমান আশা করে বলেন, খুব শিগগিরই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবে পুলিশ। কুয়েতে মানব পাচারের দায়ে গ্রেপ্তার সাংসদ মো. শহিদ ইসলামের বিষয়ে কুয়েতে তদন্ত চলছে।<br><br>সিআইডি কিছু করছে কি না? যে অভিযোগ কুয়েত সরকার তুলেছে, তা ভিত্তিহীন কি না- জানতে চাইলে সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন বিভাগের উপমহাপরিদর্শক ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, তারা প্রমাণসহ কথা বলবেন। আর এ জন্য অপেক্ষা করতে বলেন। তিনি বলেন, ‘উইথ এভিডেন্স আমরা বলব, হ্যাভ পেশেন্স।’ লিবিয়া ২৬ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনজন মূল হোতাকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। তাদের ধনসম্পদেরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। শিগগির তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি। তবে সিআইডি তাদের নাম এখনই প্রকাশ করতে চায়নি তদন্তের স্বার্থে।<br><br>তিনি আরও বলেন, মানবপাচারের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে সিআইডি। এছাড়াও লিবিয়ার মানবপাচার ইস্যুতে জড়িত গডফাদারদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান চলছে, ইতোমধ্যে তিনজন মূল হোতাকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। সিআইডির প্রধান বলেন, বিভাগটি ২২ ধরনের মামলা করে থাকে। ৮২ ভাগ ক্ষেত্রে তারা অভিযোগপত্র দিয়েছে, তবে সাজা হয়েছে ২৪ ভাগ ক্ষেত্রে। এদিকে, সিআইডিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলায় তৈরি হবে কার্যালয়, যা তদন্তে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করবে। দ্রুত তদন্তে তৈরি করা হবে সাইবার স্টেশনও।<br><br>মাহবুবুর রহমান জানান, সিআইডি সাইবার থানা স্থাপন করবে। ঢাকায় থানাটি স্থাপন করা হলেও সারা দেশ থেকে অনলাইনে এই থানায় অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাবেন ভুক্তভোগীরা। জানা গেছে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অতিরিক্ত ভিসা নবায়ন ফি আদায়, কুয়েতের সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করছে কুয়েত ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট- সিআইডি। তার বিরুদ্ধে ১১ জন বাংলাদেশি সাক্ষীও দিয়েছেন। এছাড়া পাপুলের বেশ কয়েকটি ব্যাংকের চেকবই জব্দ করেছে সিআইডি।<br><br>একই সঙ্গে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মানবপাচার ও অর্থপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৭ জুন কুয়েতের সিআইডি এমপি পাপুলকে আটক করে। তাকে দেশটির সিআইডি রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কুয়েত সিআইডি এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে। এছাড়া পাপুলের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে কুয়েতের তিনজন সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানা গেছে। সিআইডির বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান। এ সময় সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ, মাইনুল হাসান, ডিআইজি শেখ নাজমুল আলম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। </body></HTML> 2020-07-06 18:25:17 1970-01-01 00:00:00 ঝিনাইদহে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে হাজার হাজার গ্রাহক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95528 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594037689_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594037689_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঝিনাইদহে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। লকডাউনে মিটার ও রিডিং না দেখে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রাহকদের। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা। এ সমস্যা সমাধান করে সঠিক বিল করার দাবি ভুক্তভোগীদের। তবে বিদ্যুৎ অফিসের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ধারিত দিনের পর বিল পরিশোধ করায় অনেক গ্রাহকের বকেয়া বিল পরবর্তী বিলের সঙ্গে যোগ হয়ে গেছে। এমন সমস্যা যাদের হয়েছে তারা অফিসে এসে বিল ঠিক করে নিতে পারবেন।<br><br>বিল নিয়ে সব চেয়ে বেশি অভিযোগ পল্লী বিদুৎ সমিতির গ্রাহকদের। শত শত গ্রাহক তাদের আগের মাসের বিল ও বর্তমান মাসের বিলের টাকার পার্থক্য জানিয়েছেন। দুই মাস আগেও যাদের ২০০ থেকে ৫০০ টাকা বিল এসেছে চলতি মাসে তাদের ৪০০ থেকে দুই হাজার টাকা বিল এসেছে।<br>এ অবস্থায় বিলে ত্রুটি থাকলে পরবর্তী মাসে সংশোধন করে দেয়া হবে বলে গ্রাহকদের মুঠোফোনে বার্তা পাঠিয়েছে ঝিনাইদহের ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লিমিটেড। তবে বিল সংশোধন করে দেয়া হবে গ্রাহকদের মৌখিকভাবে জানিয়েছেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা।<br><br>খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলায় ওজোপাডিকোর এক লাখ ২৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এসব উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার। এরই মধ্যে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সব চেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কর্মহীন ঘরবন্দি স্বল্পআয়ের মানুষ।<br>গ্রাহকদের অভিযোগ, মিটার ও রিডার না দেখে বিদ্যুৎ অফিসে বসে বিল তৈরি করেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যে কারণে দুই থেকে তিন গুণ বেশি বিল দিতে হচ্ছে। করোনায় আয়-রোজগার না থাকায় বাড়তি বিল দিতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষ। প্রতিদিন বিদ্যুৎ অফিসের অভিযোগ কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন দিচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। সেখানেও হয়রানির শিকার হন তারা।<br><br>এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে কথা বলতে রাজি হননি ঝিনাইদহের ওয়েস্ট পাওয়ার জোন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) নির্বাহী প্রকৌশলী পরিতোষ চন্দ্র সরকার। তবে ওজোপাডিকোর কালীগঞ্জ উপজেলার আবাসিক প্রেকৌশলী মতিয়ার রহমান বলেন, আমাদের কাছে এরকম একটি অভিযোগ এসেছিল। আমি মিটার ও রিডিং দেখতে লোক পাঠিয়েছি। সমস্যা থাকলে সমাধান করে দেয়া হবে। বিলে সমস্যা থাকলে অফিসে এসে সমাধান করে নিয়ে যাবেন গ্রাহকরা। এটি পরবর্তী মাসের বিলে সমন্বয় করা হবে।<br><br>ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আব্দুর রব বলেন, করোনাকালে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। বিলে সমস্যা থাকলে গ্রাহকরা অফিসে এসে ঠিক করে নিতে পারবেন। গ্রাহক ঠিক না করলেও মিটার ও রিডিংয়ের বেশি বিল গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনোভাবে নেয়া হবে না। </body></HTML> 2020-07-06 18:13:26 1970-01-01 00:00:00