http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - চালের বাজার অস্থির করার চেষ্টা হচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88708 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708299_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708299_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ কিছুদিন স্বাভাবিক থাকার পর ফের অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। পাইকারি খুচরা সব পর্যায়ে বেড়েছে চালের দাম। চালের ধরণ ভেদে বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৫শ টাকা পর্যন্ত। বরাবরের মতো পাইকাররা দুষছেন মিল মালিকদের। আর মিলাররা বলছেন, বাজারে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং সরকারি আমণ সংগ্রহ অভিযান শুরু হওয়ায় বেড়েছে চালের দাম। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার বেশ কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজার এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শেরপুর, নঁওগা, বগুড়ার বাজার থেকে এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরায় বস্তাপ্রতি চালের দর বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৫শ টাকা পর্যন্ত।<br>মাত্র তিনদিন আগে খুচরা বাজারে প্রতিবস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ২২শ টাকা, আটাশ চাল ১৭শ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা ২১শ টাকা থেকে ২৮শ টাকায়। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতিবস্তা মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪শ ৫০ টাকা, মিনিকেট (পুরনো) ২৫শ থেকে ২৫শ ৫০ টাকা, আটাশ চাল ১৮শ ৫০ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে ২২শ ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়। আমাদের দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা। আর বস্তাপ্রতি বেড়েছে ১৫০ থেকে ২শ’ টাকা।<br>নওগাঁর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যে মিনিকেট বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৪২ টাকা দরে, চলতি সপ্তাহের তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৬ টাকায়।<br>বাজারে চাল বিক্রেতারা বলছেন, মিল মালিকরা হঠাৎ চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ দাম বাড়িয়ে দেয়াকে মিল মালিকদের চাল নিয়ে চালবাজি বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।<br>হঠাৎ করে চালের দাম বাড়া নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। চালের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রাজধানীর মালিবাগ বাজারে চাল কিনতে আসা আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাত্র চারদিন আগে যে চাল ৪৪ টাকা কেজি দরে কিনেছি আজ সেটার দাম হয়ে গেলো ৫০ টাকা। এ যেন মগের মুল্লুক!<br>একই অভিব্যক্তি জানালেন হাতিরপুল বাজারের আয়েশা খাতুন। তিনি বলেন, এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দু’বার চালের দাম বাড়ল।<br>চালের দাম বাড়ার জন্য বরাবরের মতো ব্যবসায়ীরা দুষছেন মিলকল মালিকদের।<br>তাদের মতে, বাজারে চালের বিক্রি নেই। এর ওপর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মিল মালিকরা। কিনতে দাম বেশি হওয়ায় তাদের বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে।<br>বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই/তিন দিন ধরে বাড়তি দাম রাখছেন মিল মালিকরা। এ কারণে দাম কিছুটা বাড়তি। আর ক্রেতারা বলছেন, এক মাসের মধ্যে দুই ধাপে চালের দাম বাড়লেও এ নিয়ে কোনো তদারকি নেই।<br>চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন প্রধান জানান, খাজানগরের চালের মোকামে বাসমতি, মিনিকেট, কাজললতা ও স্বর্ণা ধানের দাম প্রতি মণে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা বেড়েছে। সেই কারণে তাদেরকে চালের দাম কেজি প্রতি দেড় থেকে দুই টাকা বাড়াতে হয়েছে।<br>প্রসঙ্গত, এক মাস আগে আমন মৌসুম চলাকালেও এক দফা চালের দাম বেড়ে যায়। পরে খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিল মালিকদের দফায় দফায় বৈঠকের পর দাম কমে আসে। কিছুদিন বাজার স্বাভাবিক থাকার পর ফের বেড়েছে চালের দাম। <br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:51:00 1970-01-01 00:00:00 বিশৃঙ্খলা করলে কাউকেই ছাড়বো না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88707 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708278_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708278_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ঢাকার দুই সিটি ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে কাউকেই ছাড়বো না। সবার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থ নেওয়া হবে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানদের উদ্দেশে বলেন, আমি চাইনা কোনো অভিযোগ, অনিয়ম, বিচ্যুতি যেন আমাদের পর্যন্ত না আসে। ছোট-খাটো কোনো সমস্যা হলে স্ব স্ব বাহিনীর প্রধানদের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবেন। কোনো বিচ্যুতি হলে কাউকে ছাড়বো না। কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবো।<br>তিনি বলেন, কোনো গাফিলতি হলে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আপনারা নিজেরাই তা সমাধান করবেন। কোনো বিচ্যুতি হলে সমাধান করবেন, যেন ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, সে অবস্থা সৃষ্টি করতে হবে। সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের নিষ্ঠা ও একাগ্রতা রয়েছে। আশাকরি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আপনাদের সহায়তা পাবো। অতীতেও যেমন সহায়তা পেয়েছি, আশাকরি এবারও পাবো।<br>কে এম নূরুল হুদা বলেন, আমাদের কাছে প্রায়ই অভিযোগ আসে, কেন্দ্রে এজেন্ট নেই। আপনারা নিশ্চয় এজেন্টদের বাড়ি থেকে কেন্দ্রে আনবেন না। কিন্তু কেন্দ্র থেকে কোনো প্রার্থীর কোনো এজেন্টকে যেন কেউ বের করে দিতে না পারে।<br>তিনি বলেন, নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে নানা কথা হচ্ছে। আমাদের ইভিএম অনেক উন্নতমানের। এর মাধ্যমে ভুয়া ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।<br>ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় করণীয় নির্ধারণের এ বৈঠকে তিন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। <br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:51:00 1970-01-01 00:00:00 প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88706 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708252_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708252_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি॥<br>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে আগামী শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া আসছেন। এদিন সকালে নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পন করবেন। পরে তারা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন।<br>প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-০১ এস এম খুরশিদ-উল-আলম স্বাক্ষরিত জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছাবেন তিনি। সকাল ১১টায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর সশস্ত্র বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। পরে মোনাজাতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ২টা ২০মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন।<br>বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর টুঙ্গিপাড়ায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল বশার খায়ের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে টুঙ্গিপাড়ায় বরণ করে নিতে আমরা প্রস্তুত। এ ব্যাপারে আমারা দলীয় কার্যালয়ে মিটিং করেছি। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি আমরা প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের উষ্ণ অভিনন্দন জানাবো।<br>প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের টুঙ্গিপাড়ায় আগমন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এলাকা ধোয়া-মোছাসহ সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করা হয়েছে। গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে টুঙ্গিপাড়া সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে বেশকিছু তোরণ। বিভিন্ন স্থানে টানানো হয়েছে ব্যানার-ফেস্টুন। বর্নিল পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে রাস্তাঘাট। আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত কমিটিকে বরণ করে নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।<br>গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত নেতাদের টুঙ্গিপাড়া আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জেলার সর্বত্র তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:50:00 1970-01-01 00:00:00 সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88705 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708225_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708225_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>জালিয়াতি করে ফারমার্স (বর্তমানে পদ্মা) ব্যাংক থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাত ও পাচারের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দিয়ে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ রেখেছেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট জিআর শাখার কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, মামলাটির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল হয়ে আসায় বিচারক পরবর্তী আদেশ দেন। এ আগে মামলার ১১ আসামির বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত।<br>গত বছরের ১০ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। গত ৯ ডিসেম্বর সিনহাসহ মোট ১১ জনকে আসামি করে এই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছেন দুদক কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ।<br>এস কে সিনহা ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায় ওরফে সিমি।<br>মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে তা স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং গোপনে পাচার করেছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:50:00 1970-01-01 00:00:00 ভোটের দিন ঢাকায় প্রাইভেট কার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88704 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708200_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708200_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে প্রাইভেট কার ব্যবহারের পক্ষে থাকলেও সেখান থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে এখন অন্যান্য যানবাহনের মতো ভোটের আগে ও পরে ১৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলও।<br>আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর এ কথা জানিয়েছেন।<br>আগামী ৩১ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।<br>নির্বাচনের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে and nbsp; জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদের সবগুলো প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন। তবে ভোটারদের ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলের বিষয়ে যে প্রস্তাব ছিলো সে বিষয়ে তারা বলেছেন, ঢাকায় ২ থেকে ৩ লাখ ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে।<br>‘ট্রাফিক পুলিশ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে বিধায় তারা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। ফলে যারা নির্বাচনের যারা দায়িত্ব পালন করবেন তাদের সমস্যা হবে এবং যারা বিভিন্ন স্থান থেকে চলাচল করবেন তাদেরও সমস্যা মুখোমুখি হতে হবে। এতে তারা দ্বিমত পোষণ করেছেন। কমিশন সেটা মেনে নিয়েছে।’<br>মো. আলমগীর বলেন, ‘গোয়েন্দাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে ঢাকার দুই সিটিতে শুধুমাত্র ১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া তাদের কাছে এ ধরনের রিপোর্ট নাই যে, এখানে খারাপ কিছু হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কিছু হতে পারে তার রিপোর্টও তাদের কাছে নেই। সব সময়ই তারা সতর্ক আছেন, কোনো সমস্যা থাকলে তারা ব্যবস্থা নেবেন।’<br>তিনি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৪০ হাজার সদস্য ভোটে মাঠে থাকবে। কেন্দ্রভিত্তিক সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে র্যাব ও বিজিবি সদস্য থাকবেন। কেন্দ্রে সংখ্যা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হবে।’<br>‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলালয়ের অধীনস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীগুলোর প্রধান এবং প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে কীভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে সেটি কমিশনের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়েছে। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীগুলোর দায়িত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তারা বলেছে- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় যা যা করণীয় সে ব্যাপারে তারা সচেতন আছেন। এ ব্যাপারে তারাও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’<br>‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে। এক্ষেত্রে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯৫ নম্বর নিয়ে ভোটের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা হয়তো শতভাগ করতে পারিনি, ঢাকা উত্তরের যে অভিযোগটি এসেছে সেটার ক্ষেত্রেও সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন কমিশন রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে এবং তিনি তাৎক্ষণিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ওসিকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর একটিও না ঘটে, সে বিষয়েও বলা হয়েছে,’ বলেন ইসি সচিব।<br>বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। এতে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম এবং অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/র‌্যাব/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।<br>উল্লেখ্য, আসন্ন ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:50:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে কৃষি জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি, হুমকির মুখে ফসলি জমি ও সড়ক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88703 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708147_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708147_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥<br>প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন অপকর্ম ও অবৈধ কাজে জড়িত থাকেন, তখন তাঁদের প্রতিহত করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফেনীর সোনাগাজীতে কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় বিক্রির ফলে ফসলি জমি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। কৃষি জমির মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রির অভিযোগে স্থানীয় গ্রামবাসী মঙ্গলবার দুপুরে ৩টি ট্রাক্টর আটক করেছে। এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাদল, আমিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহির ও আমিরাবাদ ইউনিয়নের নিজাম উদ্দিন মুন্না ও মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গত কয়েক দিন যাবৎ আমিরাবাদ ও মতিগঞ্জ ইউনিয়নের চরকৃষ্ণজয় গ্রাম ও স্বরাজপুর গ্রামের চড়ইয়া হাতর থেকে ফসলী জমির মাটি উত্তোলন করে ইটভাটায় বিক্রি করে আসছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পাকা পুল, কালভার্ট ও সড়ক ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এতে বিক্ষব্ধ এলাকাবাসী মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবুর সহযেগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাজপুর গ্রাম থেকে মাটি সহ ৩টি ট্যাফে ট্রাক্টর আটক করে। মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও একাধিক সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন যাবৎ মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ফসলী জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রি করে আসছে। যার ফলে সড়ক, পুল ও কালভার্টগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ৩টি ট্রাক্টর আটক করে আমাকে খবর দিলে আমি ঘটনাস্থলে হাজীর হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করি। স্বরাজপুর গ্রামের কৃষক নাছির উদ্দিন জানান, একজন লোক থেকে ফসলি জমির মাটি ক্রয় করে মাটি দস্যু চক্রটি সে সহ বেশ কয়েকজন কৃষকের ফসলি জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক মাটি বহন করে নিচ্ছে। ফলে নিরিহ কৃষকদের ফসলি জমির চরম ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে তারা। মাটি দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেননা। একই গ্রামের কৃষক নাছির উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিরুপায় হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হলে তিনি গ্রামবাসীকে ট্রাক্টরগুলো আটকের নির্দেশ দেন। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ট্রাক্টরগুলো আটক করলে তিনি ঘটনাস্থলে যান। আমিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জহির জানান,আসলে এটার সাথে আমি মোটেও জড়িত নাই। বিষয়টি আমি এলাকাবাসী সূত্রে জানার পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করি এবং আইনি ব্যাবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করি। আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরকৃষ্ণজয় গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম কিবরিয়া শামীম জানান, ব্যপারী বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গত কয়েক দিন যাবৎ চরকৃষ্ণজয় গ্রামের ফসলি জমির মাটি বিক্রি করে রাস্তা-ঘাটের চরম ক্ষতি করেছে। দুই-তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তারও চরম ক্ষতি করেছে। ইতোমধ্যে নবনির্মিত একটি সড়ক যানচলালের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ফসলি জমির পাশাপাশি ওই এলাকার রাস্তাঘাট বিলিন হয়ে যাবে। এ ব্যপারে সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী and nbsp; কর্মকর্তা অজিত দেব জানান, ফসলি জমির মাটি বিক্রির ব্যপারে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যপারে মাটি বিক্রি সিন্ডিকেটের হোতা নিজাম উদ্দিন মুন্না জানান, আমি এক মহিলার কাছ থেকে মাটি ক্রয় করে এ ব্যবসা করে যাচ্ছি।<br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:49:00 1970-01-01 00:00:00 বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88702 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708117_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708117_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">লালমনিরহাট প্রতিনিধি,<br>ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।<br>বুধবার ভোরে লালমনিহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের দইখাওয়া আমঝোল সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে।<br>নিহতরা হলেন আমঝোল গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে সুরুজ মিয়া ও বন চৌকি গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে সুরুজ মিয়াষ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে চার-পাঁচজনের একটি গরু ব্যবসায়ীর দল ভারতীয় সীমান্তে গরু আনতে গেলে বিএসএফ তাদের লক্ষ করে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আরেকজন আহত অবস্থায় বাড়িতে এসে নিহত হন।<br>লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবি পত্র দিয়েছে। এছাড়া সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।<br>সম্প্রতি সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যায়। গত ১২ জানুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সীমান্ত হত্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।<br>পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের নীতি হচ্ছে- সীমান্তে যাতে একজনও মারা না যায়। এ ব্যাপারে ভারত সরকারও অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু হত্যাকাণ্ড ঘটছে। তাই আমরা উদ্বিগ্ন।’<br>মন্ত্রী বলেন, ‘অঙ্গীকারের পরও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটা দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি আমরা ভারতকে জানাব। সীমান্ত হত্যা বন্ধ নিয়ে আমাদের কাছে ভারত যে অঙ্গীকার করেছিল, সেটা পূরণ করতে বলব।’<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:48:00 1970-01-01 00:00:00 ই-পাসপোর্ট যুগে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88701 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708060_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708060_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ চালু হলো বহুল প্রতীক্ষিত ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু হলো। এক্ষেত্রে বিশ্বে ১১৯তম দেশ বাংলাদেশ। এর ফলে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।<br>বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে and nbsp; অধিকতর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>মুজিববর্ষে ই-পাসপোর্ট দিতে পেরে তিনি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা করার সবই করবেন বলে অনুষ্ঠানে জানান প্রধানমন্ত্রী।<br>সর্বপ্রথম ই-পাসপোর্ট পাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবাই এই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী থেকে দেয়া হবে ই-পাসপোর্ট। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই সেবা মিলবে।<br>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের আওতাধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএমবিএইচ কর্তৃক ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ থেকে ১০ বছর।<br>৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা।<br>নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে অতীব জরুরিতে তিন দিনে, জরুরিতে সাত দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে ২১ দিনের পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে পুরনো অথবা মেয়দোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতীব জরুরি পাসপোর্ট দুই দিনে, জরুরি পাসপোর্ট তিন দিনে ও সাধারণ পাসপোর্ট সাত দিনের মধ্যে দেওয়া হবে।<br>আলাদা আলাদা ই-পাসপোর্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদী সাধারণ ফি ১০০ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৫০ মার্কিন ডলার। ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ফি ১২৫ মার্কিন ডলার ও জরুরি ফি ১৭৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।<br>ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী পূরণ করতে হবে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:47:00 1970-01-01 00:00:00 স্টেশন পরিষ্কার করতেই ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88700 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708035_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708035_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>পশ্চিমাঞ্চল রেলে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্টেশন পরিষ্কার করতেই ৯৫ লাখ টাকার ভিম পাউডার লেগেছে। এছাড়া ছোট্ট একটি টয়লেট সংস্কারসহ বারান্দার টিন বদলে খরচ হয়েছে ৭৩ লাখ টাকা।<br>রেলের এমন শত শত কাজ টেন্ডার ছাড়াই ক্ষমতাসীন দলের তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারদের দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে এসব দুর্নীতির নথিপত্র ফাঁস হওয়ায় পশ্চিম রেলের বর্তমান কর্মকর্তাদের মাঝে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতির এ সিরিজ প্যাকেজের মোটমূল্য ৭০০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।<br>পশ্চিম রেলের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. রমজান আলী ও তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তার সিন্ডিকেট দুর্নীতির এ মহাযজ্ঞের নেতৃত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।<br>অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবে একটা ছোট অফিসের কয়েকটা টয়লেট মেরামতে একজন ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ২৮ লাখ টাকা। বারান্দার টিন বদল আর অফিসের টয়লেট মেরামতে আরেকজন ঠিকাদারকে দেয়া হয়েছে ৭৩ লাখ টাকার বিল। নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পশ্চিম রেলের এমন দুই থেকে আড়াই শতাধিক গায়েবি খাতে ৭০০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।<br>বিভিন্ন স্টেশন রং করা, লাইন সংস্কার, রেলসেতু রং করা, টয়লেট মেরামত, ছাউনি-প্ল্যাটফর্মের টিন বদল, স্টেশন প্রাঙ্গণ সংস্কার, ওভারব্রিজ সংস্কার, মাটি ভরাট, জেটি সংস্কার, হাঁটাপথ সংস্কার, দরজা মেরামত, শীত আর গরমের পোশাক কেনা, স্যানিটারি উপকরণ ও ভিম পাউডার কেনা, বন্যার সময় ইট-খোলা কেনা, সেতু মেরামত, বাউন্ডারি ওয়াল মেরামতের মতো ছোট ছোট কাজগুলোতে বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।<br>রাজশাহীতে পশ্চিমাঞ্চল রেল ভবনে এসএসএই দফতরের বারান্দার টিন পরিবর্তন ও একটি টয়লেট সংস্কারে ৭২ লাখ ৩১ হাজার ৫০২ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, রাজশাহীতে রেলের এ দফতরটি একটি ছোট্ট টিনশেড অফিস।<br>২০১৭ সালের ৭ জুলাই এ কাজটির কার্যাদেশ দেয়া হয় মোমিন ট্রেডার্স নামের একটি তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। বিধিবদ্ধ দরপত্র আহ্বান ছাড়াই লোকাল টেন্ডার মেথড (এলটিএম) বা স্থানীয় টেন্ডার পদ্ধতিতে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই মোমিন ট্রেডার্স কাজটি পায়। কাজ সম্পাদন দেখিয়ে ওই বছরের ১ অক্টোবর ঠিকাদারকে পুরো বিল পরিশোধ করা হয়।<br>নথিপত্র বিশ্লেষণ করে আরও দেখা যায়, পশ্চিম রেলের প্রধান টেলিযোগাযোগ ও সংকেত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দফতরের টয়লেট মেরামতে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। এ কাজটি করেছে তৃতীয় শ্রেণির ঠিকাদার তোফা কন্সট্রাকশন।<br>রাজশাহীতে রেল অফিসার্স মেসের একটি কক্ষের (ইসি-৪) মেরামত ও মেসের ভেতরের হাঁটাপথ সংস্কারে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৮০ টাকা। সরকার অ্যান্ড ব্রাদার্স কাজটি করে।<br>রাজশাহীতে ভদ্রা ব্যারাকের পুকুরপাড় উন্নয়ন ও ওয়াশপিট (ট্রেন ধোয়া-মোছার শেড) সম্প্রসারণে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৪ লাখ ৯ হাজার টাকা। আশরাফুল কবির নামের একজন ঠিকাদার কাজ করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে সরেজমিনে পুকুরপাড় উন্নয়নের কোনো চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।<br>এদিকে উল্লাপাড়া স্টেশনের ইয়ার্ডে বালু ভরাট দেখিয়ে মোল্লাহ কন্সট্রাকশনকে ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। রাজশাহী রেল স্টেশনটি কয়েক বছর আগে রি-মডেলিংয়ের মাধ্যমে নতুন করে নির্মাণ করা হলেও জরুরি কাজ উল্লেখ করে এই স্টেশনের বুকিং কাউন্টার, প্রতীক্ষালয় ও কার পার্কিং এরিয়া মেরামত দেখিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বাবু নামের একজন ঠিকাদারকে ৫৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪৬৪ টাকা বিল দেয়া হয়েছে।<br>সিরাজগঞ্জের রায়পুর নামক স্টেশনে মালামাল ওঠা-নামার সুবিধা সম্প্রসারণের নামে ঠিকাদার আরটিসিকে ৯৭ লাখ ১৮ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে। তবে নথিপত্রে ওই কাজের ধরন উল্লেখ নেই।<br>রেলের সাবেক ডিজি আমজাদ হোসেনের শ্যালক পরিচয়দানকারী বদরুল আলমকে নাটোর, মাধনগর, আত্রাই ও সান্তাহার স্টেশনে রেললাইনের প্লাস্টিকের ওয়াসার সরবরাহে মোট ৯ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার ৫টি প্যাকেজের কাজ একসঙ্গে দেয়া হয় কোনো টেন্ডার ছাড়াই।<br>বদরুল গত আড়াই বছরে এভাবে বিনা টেন্ডারে প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাজ করেছেন বলে রেল সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে বদরুল আত্মগোপনে রয়েছেন।<br>কাজগুলো শুরুর আগেই বদরুলকে সমস্ত বিল পরিশোধ করা হয় নিয়ম ভেঙে। যদিও রেলের সাবেক ডিজি আমজাদ হোসেন বলেছেন, বদরুল তার শ্যালক নয়; এলাকায় বাড়ি। তার প্রভাব খাটিয়ে কাজ নেয়ার অভিযোগ ঠিক নয়।<br>একই সময়ে কোনো টেন্ডার ছাড়াই ঢাকার আরটিসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন রেললাইন সংস্কারের নামে মোট ১৯টি কাজ দেয়া হয়। এসব কাজের জন্য তাকে প্রায় ২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কোথায় কীভাবে কাজগুলো হয়েছে, বিল-ভাউচারে তার কোনো বিবরণ নেই।<br>২০১৮ সালের ১৮ মার্চ ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মের ২০০ ফিট সিআই সিট পরিবর্তনসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ৩৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়। ফরমাল টেন্ডার ছাড়াই উল্লাপাড়া স্টেশনের ৩০০ ফিট সিআই সিট পরিবর্তনের জন্য ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:47:00 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা সিটি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88699 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708006_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579708006_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন। রিটে আইন মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং অফিসারকে বিবাদী করা হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, আবেদনটির ওপর বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে।<br>রিটের গ্রাউন্ডগুলোতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে তিনশ’ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঠিক করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়।<br>২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে এখনও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন।<br>বিধি মোতাবেক, সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে ১ম সভা থেকে ৫ বছর। বর্তমান মেয়রদের ১ম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ৬ মাস পূর্বে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে।<br>আরও বলা হয়, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরে যেমন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যায় না, তেমনি নির্বাচনের তারিখও পেছানো যায় না। বিধিমতে নুতন করে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ১০(১) বিধি অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করেছে, আবার একই বিধি ১০(১) অনুযায়ী তফসিল সংশোধিত করেছে, যা বৈধ নয়। নির্বাচনের তারিখ সংশোধনের কোনও বিধান আইনে নেই। এই অবস্থায় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বরের তফসিল এবং গত ১৮ জানুয়ারির সংশোধিত তফসিল অবৈধ হবে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:46:00 1970-01-01 00:00:00 মেয়র হলে যত্রতত্র পোস্টার লাগাতে দেব না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88698 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579707971_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579707971_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>নির্বাচনে বিজয়ী হলে নগরীর যত্রতত্র পোস্টার লাগাতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।<br>বুধবার দুপুরে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংযোগ ও প্রার্থী পরিচিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। পরিচ্ছন্ন সুন্দর নগরী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই সুন্দর নগরী। যেভাবে যত্রতত্র পোস্টার লাগানো হয়, তাতে নগরী আর নগরী থাকে না। তাই নির্বাচন কমিশনকে দৃষ্টি আকর্ষণ করি বলছি আপনারা বলে দিন এভাবে ক্যাম্পেইন করা যাবে না, আপনারা যদি বলেন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন করতে অবশ্যই আমরা ডিজিটাল ক্যাম্পেইন করব।<br>সাবেক মেয়র বলেন, আর আমি যদি বিজয়ী হই তাহলে যত্রতত্র পোস্টার লাগাতে দেব না। আমি একজন প্রার্থী হিসেবে বলতে চাই, ইসি আমাদেরকে বলে দিলে ভবিষতে আপনারা এ ধরনের পোস্টার ব্যবহার থেকে বিরত থাকব। আসুন আমরা সবাই ডিজিটাল ক্যাম্পেইন করি, এভাবে কাগজের পোস্টার যেন না লাগাই।<br>আওয়ামী লীগের মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, আপনাদের ভোটে যদি নির্বাচিত হই তাহলে নগরের আর যত্রতত্র পোস্টার লাগানো থাকবে না। আমি নির্দিষ্ট কিছু দেয়াল করে দেব সেখানেই শুধু পোস্টার লাগানো যাবে। এর বাইরে শহরে কোথাও পোস্টার লাগানো যাবে না।<br>আতিক বলেন, নির্বাচিত হলে এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণে সর্বাধিক গুরুত্ব থাকবে। আমরা প্রথম দিন থেকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এডিস নির্মূলে কাজ করব। আমাদের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এডিস মশা, যানজট, জলজট। নির্বাচিত হলে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারব।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:46:00 1970-01-01 00:00:00 নামের মিলে নিরপরাধকে ধরে নিল পুলিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88697 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706915_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706915_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ দুজনের একই নাম, মিজানুর রহমান। তাঁদের একজন এলাকায় ‘পাগলা মিজান’ নামে পরিচিত। অপরজন তাঁর এলাকায় পরিচিত ‘তোতলা মিজান’ নামে। তাঁদের বাবার নামেও কিছুটা মিল আছে। একজনের বাবার নাম নূরুল ইসলাম। তিনি মুক্তিযোদ্ধা। অপরজনের বাবার নাম নূরুল হক হাওলাদার। দুজন যশোর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁদের গ্রামের নামও একই, সুজলপুর। তবে পাড়া ভিন্ন। মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজানের বাড়ি উপজেলার সুজলপুর গ্রামের হঠাপাড়ায় আর মিজানুর রহমান ওরফে তোতলা মিজানের বাড়ি একই গ্রামের সরদারপাড়ায়। পাগলা মিজান কোতোয়ালি থানার বিস্ফোরণ মামলার আসামি। তোতলা মিজানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। গতকাল মঙ্গলবার পুলিশ আসামি পাগলা মিজানের পরিবর্তে নির্দোষ তোতলা মিজানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। গতকালই তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।<br>এ ঘটনায় পুলিশ আজ বুধবার সকালে আদালতে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকৃত আসামি মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজান পলাতক। গ্রেপ্তার করা মিজানুর রহমান ওরফে তোতলা মিজান ‘নির্দোষ’।<br>মামলা সূত্র জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি সুজলপুর জামতলা এলাকায় পাগলা মিজানসহ ১০ থেকে ১২ জন নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে লেখা কিছু পোস্টার টানাতে যান। এ সময় সুজলপুর গ্রামের আবদুস সালাম ওরফে মিঠু তাঁদের পোস্টার লাগাতে নিষেধ করেন। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে সালামকে লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনায় সালাম বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা দুজনের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি তদন্ত করেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সোলায়মান আক্কাস। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করে আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার এসআই হায়াৎ মাহমুদ খান। মামলার পর থেকে পাগলা মিজান পলাতক।<br>মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজানের মা ফকরুন্নেছা বলেন, ‘মিজান গাঁজা খেত। তিন-চার বছর ধরে সে স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঢাকায় থাকে। আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। আমাদের কোনো খোঁজখবরও সে রাখে না।’<br>কোতোয়ালি থানার এএসআই আল মিরাজ খান গতকাল মিজানুর রহমান ওরফে তোতলা মিজানকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁর মেজ ভাই আবদুর রহিম বলেন, মিজান পেশায় পাইপমিস্ত্রি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। গত সোমবার মিজান প্রথমবারের মতো সন্তানের বাবা হন। ভাইকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁরা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে চাইলেও পুলিশ তাঁদের কথা শোনেনি বলে তাঁর অভিযোগ।<br>কোতোয়ালি থানার এএসআই আল মিরাজ খান বলেন, ‘দুজনের নামের মিল থাকায় ভুল করে এক মিজানের পরিবর্তে আরেক মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার আসামি মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজান। তিনি মাদক ব্যবসায়ী। তিনি পলাতক। মিজানুর রহমান ওরফে তোতলা মিজান নির্দোষ। তাঁকে ভুল করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি অনুতপ্ত।’<br>যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খতিয়ে দেখা হয়। এরপর আজই মিজানুর রহমান মামলার প্রকৃত আসামি নন—এই মর্মে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। আদালত তাঁকে মুক্তি দিয়েছেন। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হবে। সেখানে পুলিশের ভুলের বিষয়টি তাঁকে জানানো হবে। এ ছাড়া ভুলের ব্যাপারে এএসআই আল মিরাজ খানকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।’<br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:28:00 1970-01-01 00:00:00 শিবির সন্দেহে ঢাবিতে চার শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88696 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706884_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706884_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঢাবি প্রতিনিধি, <br>শিবির সন্দেহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চার শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে আসন্ন হল কমিটিতে শীর্ষ পদপ্রত্যাশী ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটায় শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের অতিথিকক্ষে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের পর আহত শিক্ষার্থীদের হল প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় দেওয়া হয়। রাতেই আহত দুই শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। মারধরের শিকার চার শিক্ষার্থী হলেন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুকিমুল হক চৌধুরী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানোয়ারুল ইসলাম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজ উদ্দিন, আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আফসার উদ্দিন।<br>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে জহুরুল হক হলের গেস্টরুমে ছাত্রলীগের নিয়মিত গেস্টরুম চলছিল। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুকিম চৌধুরীকে শিবির সন্দেহে গেস্টরুমে ডাকা হয়। সেখানে হল শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা তাদের অনুসারীদের দিয়ে মুকিমকে প্রথমে মানসিক চাপ দেন। এতে স্বীকার না করায় তাকে লাঠি, স্টাম্প ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করতে থাকেন। পরে তার ফোনের চ্যাটলিস্ট দেখে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে সানওয়ারুল ইসলাম, মিনহাজ উদ্দীন ও আফসার উদ্দীনকে গেস্টরুমে আনা হয়। সেখানে তাদের বেধড়ক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতারা। রাত দুইটা পর্যন্ত তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চলে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।<br>জানা যায়, নির্যাতনকারী আনোয়ার হোসেন ও আমির হামজা দুজনেই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী এক শিক্ষার্থী বলেন, রাত ১১টা থেকে মুকিমকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আমরা বন্ধুরা রাত একটায় তাকে খুঁজতে বের হলে গেস্ট রুম থেকে বড় ভাইয়েরা মুকিমকে সাথে নিয়ে বের হতে দেখি। এসময় মুকিম আহত অবস্থায় ছিল বলেও নিশ্চিত করেছেন এ শিক্ষার্থী।<br>অভিযুক্ত ছাত্রলীগের নেতারা দাবি করছেন, তাদের কাছ থেকে শিবির সংশ্লিষ্ট বই উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে এর কোনো ছবি অথবা প্রমাণ দিতে পারেননি তারা।<br>শিবির সন্দেহে গেস্টরুমে ডাকা হলেও তাদের কাছে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।<br>শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনায় হল সংসদের ভিপি সাইফুল্লাহ আব্বাসী অনন্ত জড়িত থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের ভিপি শিক্ষার্থীদের নির্যাতন থেকে রক্ষা করার কথা। উল্টো তিনি স্বয়ং শিক্ষার্থী নির্যাতনে অংশ নিচ্ছেন। এটা আমাকে খুব হতাশ করেছে। আমরা কি তাকে এজন্যই ভোট দিয়েছিলাম।’<br>নির্যাতনের বিষয়ে হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা <br>বলেন, ‘আমরা তাদের মারধর করিনি। শুধু জিজ্ঞাসা করেছি। তাদের কাছ থেকে শিবিরের দুটি বই উদ্ধার করেছি।’ তবে বইয়ের ছবি ও নামের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আমির হামজা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।<br>প্রসঙ্গত, ঢাকা মেডিকেলে চাঁদা চেয়ে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে মারধরের কারণে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ থেকে আমির হামযাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। এর কিছুদিন পর ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাকে হল থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। পরে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের ছত্রছায়ায় আবার হলে ওঠেন।<br>এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, ‘গতকাল রাত আনুমানিক তিনটার দিকে জহুরুল হক হলের চার শিক্ষার্থীকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।’<br>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা হল প্রশাসনের মাধ্যমে এ বিষয়ে অবহিত হয়েছি। ইতিমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ও শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর যদি কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া না যায় তাহলে তাদেরকে কোনো ধরনের হয়রানি করা যাবে না, এটা আমরা বলে দিয়েছি।’<br>হল ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চলমান থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের নেতারা কীভাবে শিক্ষার্থীদের মারধর করে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটাও তো শৃঙ্খলা ভঙ্গ। যে বা যারাই শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:28:00 1970-01-01 00:00:00 কাউন্সিলর প্রার্থী মাসুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে তাবিথের চিঠি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88695 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706856_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/22/1579706856_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রচারণায় হামলায় ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বিএনপি।<br>উত্তরের ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মুজিব সারোয়ার মাসুমের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়েছে দলটি। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নেতৃত্বে লিখিত অভিযোগ দেন দলটির নেতারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক শফিকুল হক মিলন। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, আমি (তাবিথ আউয়াল) সিটি করপোরেশন নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০১৬’ এর বিধান পালন করে নির্বাচনী প্রচারণার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৯নং ওয়ার্ড এলাকা তথা কোটবাড়ী, বাজারপাড়া, হরিরামপুর, গোলারটেক, জহুরাবাদ এলাকায় গণসংযোগে যাই। প্রচারণাকালে আমার সাথে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থক ছিলেন। এই পথ সভায় পূর্ব নির্ধারণ ছিল যা আইন আইনানুগভাবে সংশ্লিষ্ট দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মহোদয়কে লিখিতভাবে অবহিত করেছি।<br>আমার পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ অনুষ্ঠানে আমার নির্বাচনী প্রতিপক্ষ ‘আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আতিকুল ইসলামের পক্ষের নেতা-কর্মী সমর্থক ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মজিবুর রহমান মাসুম উপস্থিত থেকে স্বয়ং অতর্কিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এবং বিএনপি'র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর আক্রমণ করে।<br>এই ঘটনায় আমি ভাগ্যক্রমে আমরা বেঁচে গেলেও এতে শারীরে ও মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আমার নেতৃবৃন্দ ও কর্মী সমর্থক আহত হয়।<br>আক্রমণের সময় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিষ্ক্রিয় থাকে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা যদি আইন অনুযায়ী আরও সক্রিয় থাকতো তাহলে এই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী-সমর্থকদের শারীরিক নির্যাতন নিপীড়ন ও জঘন্য আক্রমণসহ এই ধরনের কার্যক্রম সিটি করপোরেশন নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০১৬এর ৭ বিধির (গ) উপবিধির বিধান চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই এ সংক্রান্ত ফটোস ক্লিপিং সঙ্গে সংযুক্ত করা হলো।<br>ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৯ নং ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মুজিব সারোয়ার মাসুম ন্যাক্কারজনক আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এবং আমার কর্মী-সমর্থককে আক্রমণ করে আহত করেছেন, তার উপযুক্ত শাস্তি এবং সিটি করপোরেশন বিধিমালা ২০১৬ এর ৩২ বিধি অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।<br><br> </body></HTML> 2020-01-23 21:27:00 1970-01-01 00:00:00 ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88694 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703644_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703644_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়াতে বসতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। টানা চতুর্থ-বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশও। তার আগে দারুণ সময় কাটছে বাংলাদেশ নারী দলের। এশিয়ান গেমসে চ্যাম্পিয়ন হবার পর আজ ভারত ‘বি’ দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সালমা খাতুনরা। বাংলাদেশ ছাড়াও এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় থাইল্যান্ড, ভারত ‘এ’ ও ‘বি’ দল।<br><br>ভারতের পাটনায় চার দলীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয় ভারত ‘বি’ দলের। ফাইনালে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন সালমা খাতুন। ব্যাট করতে নেমে ১৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮৫ রান তুলে বাংলাদেশ। কিন্তু ১৪তম ওভারে সানজিদা ইসলাম ও মুরশিদা খাতুনের বিদায়ের পর রানের চাকা থমকে যায়। সানজিদা ও মুরশিদা দুজনই করেছেন সমান ৩৪ রান।<br><br>বাংলাদেশের ইনিংসে সানজিদা ও মুরশিদা ছাড়া তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করেন চারে ব্যাট করতে নামা নামা নিগার সুলতানা (১৮)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৭ রান তুলে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় ‘বি’ দলের ব্যাটাররা তোপে পড়েন সালমা-জাহানারাদের। এতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট দিয়ে আসে তারা। ভারত ‘বি’ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন ৪৮ রানের ইনিংস। এছাড়া বাকিদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানে থেমে যায় ভারতের ইনিংস। বাংলাদেশের পক্ষে সালমা ও জাহানারা নেন সমান ২টি করে উইকেট। </body></HTML> 2020-01-22 20:33:30 1970-01-01 00:00:00 ফের অস্থির চালের বাজার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88693 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703544_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703544_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কিছুদিন স্বাভাবিক থাকার পর ফের অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। পাইকারি খুচরা সব পর্যায়ে বেড়েছে চালের দাম। চালের ধরণ ভেদে বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৫শ টাকা পর্যন্ত। বরাবরের মতো পাইকাররা দুষছেন মিল মালিকদের। আর মিলাররা বলছেন, বাজারে ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং সরকারি আমণ সংগ্রহ অভিযান শুরু হওয়ায় বেড়েছে চালের দাম। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার বেশ কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজার এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শেরপুর, নঁওগা, বগুড়ার বাজার থেকে এ তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরায় বস্তাপ্রতি চালের দর বেড়েছে ২শ থেকে সাড়ে ৫শ টাকা পর্যন্ত। মাত্র তিনদিন আগে খুচরা বাজারে প্রতিবস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ২২শ টাকা, আটাশ চাল ১৭শ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা ২১শ টাকা থেকে ২৮শ টাকায়।<br><br>বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতিবস্তা মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ২৪শ ৫০ টাকা, মিনিকেট (পুরনো) ২৫শ থেকে ২৫শ ৫০ টাকা, আটাশ চাল ১৮শ ৫০ টাকা, বিভিন্ন প্রকার নাজির চাল প্রতিবস্তা বিক্রি হচ্ছে ২২শ ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়। আমাদের দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা। আর বস্তাপ্রতি বেড়েছে ১৫০ থেকে ২শ’ টাকা। নওগাঁর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যে মিনিকেট বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৪২ টাকা দরে, চলতি সপ্তাহের তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৬ টাকায়।<br><br>বাজারে চাল বিক্রেতারা বলছেন, মিল মালিকরা হঠাৎ চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ দাম বাড়িয়ে দেয়াকে মিল মালিকদের চাল নিয়ে চালবাজি বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। হঠাৎ করে চালের দাম বাড়া নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। চালের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রাজধানীর মালিবাগ বাজারে চাল কিনতে আসা আশরাফুল ইসলাম বলেন, মাত্র চারদিন আগে যে চাল ৪৪ টাকা কেজি দরে কিনেছি আজ সেটার দাম হয়ে গেলো ৫০ টাকা। এ যেন মগের মুল্লুক! একই অভিব্যক্তি জানালেন হাতিরপুল বাজারের আয়েশা খাতুন। তিনি বলেন, এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দু’বার চালের দাম বাড়ল।<br><br>চালের দাম বাড়ার জন্য বরাবরের মতো ব্যবসায়ীরা দুষছেন মিলকল মালিকদের। তাদের মতে, বাজারে চালের বিক্রি নেই। এর ‍ওপর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মিল মালিকরা। কিনতে দাম বেশি হওয়ায় তাদের বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই/তিন দিন ধরে বাড়তি দাম রাখছেন মিল মালিকরা। এ কারণে দাম কিছুটা বাড়তি। আর ক্রেতারা বলছেন, এক মাসের মধ্যে দুই ধাপে চালের দাম বাড়লেও এ নিয়ে কোনো তদারকি নেই। চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন প্রধান জানান, খাজানগরের চালের মোকামে বাসমতি, মিনিকেট, কাজললতা ও স্বর্ণা ধানের দাম প্রতি মণে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা বেড়েছে। সেই কারণে তাদেরকে চালের দাম কেজি প্রতি দেড় থেকে দুই টাকা বাড়াতে হয়েছে। প্রসঙ্গত, এক মাস আগে আমন মৌসুম চলাকালেও এক দফা চালের দাম বেড়ে যায়। পরে খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিল মালিকদের দফায় দফায় বৈঠকের পর দাম কমে আসে। কিছুদিন বাজার স্বাভাবিক থাকার পর ফের বেড়েছে চালের দাম। and nbsp; </body></HTML> 2020-01-22 20:31:31 1970-01-01 00:00:00 কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88692 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703303_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703303_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>খাগড়াছড়িতে যৌতুকের দাবিতে কেরোসিন ঢেলে স্ত্রী কোহিনুর বেগমকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী মো. শাহ আলমকে (৫৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।<br>বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে খাগড়াছড়ির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রেজা মো. আলমগীর হাসান এ আদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় ঘাতক স্বামী মো. শাহ আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে না পাওয়ায় দীঘিনালার রশিক নগর গ্রামের বসতবাড়িতে স্ত্রী কোহিনুর বেগমের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় স্বামী মো. শাহ আলম। টানা ২৩ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর ওই বছরের ১ অক্টোবর গৃহবধূ কোহিনুর বেগমের মৃত্যু হয়।<br>এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ছোট ভাই মো. আলম মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আদালতে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. শাহ আলমকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।<br>আদালতের এ রায়ে নিহত গৃহবধূর স্বজনসহ রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী অ্যাডভোকেট বিধান কানুনগো সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। </body></HTML> 2020-01-22 20:28:00 1970-01-01 00:00:00 বিয়ের ২০ দিনের মাথায় নববধূকে মাটিচাপা দিলেন স্বামী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88691 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703261_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703261_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় বিয়ের ২১ দিন পর স্বামী বাবুল হাওলাদারের বাড়ির পেছনের বিলে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় নববধূ চম্পা বেগমের (৩২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।<br>বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের গামরবুনিয়া বিল এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতে হত্যার পর নববধূকে মাটিচাপা দিয়ে পালিয়ে যান স্বামী বাবুল।<br>কলাপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ১ জানুয়ারি বরগুনার তালতলী উপজেলার কলারাম গ্রামের চান মিয়ার মেয়ে চম্পাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন উপজেলার পূর্ব চাকামইয়া গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে কৃষক বাবুল হাওলাদার। বুধবার বেলা ১১টার দিকে গামরবুনিয়া বিল থেকে মাটিচাপা অবস্থায় চম্পার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে বাবুল ও প্রথম স্ত্রী পলাতক থাকায় ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের জেরে চম্পাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসবে। </body></HTML> 2020-01-22 20:27:25 1970-01-01 00:00:00 মোবাইল ফোন ছিনতাই চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার: ১৩২ স্মার্টফোন উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88690 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703215_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703215_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মোবাইল ফোন ছিনতাই চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ব্রান্ডের মোট ১৩২টি চোরাই স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।<br>মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজিজুল হক ও পরিদর্শক (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. কামরুল হাসান রিপন (২০)। তিনি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার কাশিমপুর এলাকার মো. মজিবর রহমান পাটোয়ারীর ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।<br>সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি ও ছিনতাই হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো বিক্রি করে আসছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলের আমিরুন্নেছা সুপার মার্কেটের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ব্রান্ডের ১৩২টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।<br>তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার কামরুল হাসান চোরাই মোবাইল ফোন ক্রয়-বিক্রয়ের সদস্য এবং তার সঙ্গে এই চক্রের আরও ৮ থেকে ১০ জন সদস্য জড়িত আছে। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩৬) দায়ের করা হয়েছে।<br>পলাতক অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা হবে জানিয়েছেন ওসি। </body></HTML> 2020-01-22 20:26:38 1970-01-01 00:00:00 স্ত্রীর চোখ নষ্ট করার পর এবার শরীর ঝলসে দিল স্বামী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88689 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703168_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703168_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>পাবনার সাঁথিয়ায় স্বামীর ছুড়ে দেয়া গরম তরকারিতে ঝলসে গেছে স্ত্রী মাছুরা খাতুনের (২৫) শরীর। তিনি এখন সাঁথিয়া হাসপাতালে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সকালে সাঁথিয়া উপজেলার কাশীনাথপুর ইউনিয়নের কলাগাছী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।<br>আহত গৃহবধূ সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামবাড়ি কল্যাণপুর গ্রামের দিনমজুর সোনাই মোল্লার মেয়ে। এ ঘটনার কিছুদিন আগেও পাষণ্ড স্বামী রতন আলী ওই গৃহবধূকে নির্যাতন করে একটি চোখও নষ্ট করে দেন।<br>সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাছুরা খাতুন মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, ৫ বছর আগে সাঁথিয়া উপজেলার কাশীনাথপুর ইউনিয়নের কলাগাছী গ্রামের রতন আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের লোকজন তাকে নির্যাতন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে মাছুরা তরকারি রান্না করে ঘরে নিয়ে আসছিলেন। এ সময় রান্না করা তরকারি নিয়ে শাশুড়ি দুলি বেগমের সঙ্গে তার ঝগড়া লাগে। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বামী রতন আলী মাছুরার হাতে থাকা তরকারির কড়াইয়ে লাথি দেন। এতে গরম তরকারিতে মাছুরার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। মাছুরার স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দগ্ধ মাছুরা জানান, তার স্বামী কিছুদিন আগে তাকে বেধরক মারপিট করে। এতে তার একটি চোখ নষ্ট হয়ে যায়।<br>সাঁথিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ হাসপাতালে যায়। তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2020-01-22 20:25:53 1970-01-01 00:00:00 মিয়ানমারসহ ৭ দেশের নাগরিক নিষিদ্ধ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88688 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703006_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579703006_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>চারটি মুসলিম দেশসহ ৭টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আনতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এই তালিকায় আছে অং সান সুচির মিয়ানমারও। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকা যুক্ত হতে যাওয়া দেশগুলো হচ্ছে, বেলারুশ, ইরিত্রিয়া, কিরগিজস্তান, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, সুদান এবং তাঞ্জেনিয়া। তবে তালিকাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও কিছু দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান। যদিও নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম তিনি উল্লেখ করেননি। জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন- কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।নিষেধাজ্ঞার কারণ প্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশগুলো বায়োমেট্রিকস, তথ্য আদান-প্রদান, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে পারেনি। তবে এই বিষয়ে মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ধরনের মন্তব্য করেনি।<br>প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ৭টি দেশের নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ৫টি মুসলিম দেশ- ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেন। অন্য দুটি দেশ হলো- ভেনেজুয়েলা ও উত্তর কোরিয়া। </body></HTML> 2020-01-22 20:23:08 1970-01-01 00:00:00 দ্রুত জমি হারাচ্ছে বিজেপি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88687 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702965_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702965_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>ক্ষমতা হস্তান্তরের দু'বছরের মধ্যেই ত্রিপুরার বিপ্লব দেব নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার জনপ্রিয়তা হারতে শুরু করেছে। আদিবাসী ও বাঙালি উভয়ের মধ্যে থেকেই সমর্থন হারাচ্ছেন বিপ্লব দেবের সরকার। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গেও লোকসভা নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই বিজেপি আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এই প্রবণতা বুমেরাং হতে পারে বিজেপির পক্ষে। জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে দ্রুত লোকসভা নির্বাচনে এবার পশ্চিমবঙ্গে আসনপ্রাপ্তির বিচারে দুই থেকে বেড?ে ১৮ হয়েছে বিজেপি। কিন্তু তারপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হতে গিয়ে সব গোলমাল হতে শুরু করে। দুই রাজ্যেই বিজেপির পক্ষে কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছে না। কোনও রাজনৈতিক ইতিহাস ছাড়াই বিজেপি স্বল্পদিনে প্রাধান্য পেয়েছে দুই রাজ্যে। আবার জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে তার থেকেও দ্রুত। বিজেপি দুই রাজ্যে ক্রমশ ব্যাকফুটে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ প্রণয়নের পর থেকে বিজেপি দুই রাজ্যে ক্রমশ ব্যাকফুটে হাঁটতে শুরু করেছে। মানুষ বুঝতে পেরেছে সিএএ বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের জন্য মূলত প্রযোজ্য। স্বাভাবিকভাবেই, উভয় রাজ্যেই এই আইনের পক্ষে বিপক্ষে নানা মত তৈরি হয়েছে। যার মধ্যে বিরোধী মতই প্রবলরূপে উঠে আসছে। যার ফলে বিজেপি বিপাকে পড?ে যাচ্ছে। বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা উভয় রাজ্যেই বিজেপিকে অনুবিক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হত। হঠাৎই আসা ঝড?ের মতো বিজেপির উত্থান হয়। কিন্তু বিজেপি দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। বিজেপির সঙ্গে স্থানীয় সংস্কৃতির যোগ না থাকা, কোনও আন্দোলনের ইতিহাস না থাকা বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দেখা দিচ্ছে বাংলা ও ত্রিপুরায়। ত্রিপুরার সংস্কৃতির ছোঁয়া নেই বিপ্লবের মধ্যে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, পোশাক, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট- সবকিছুতেই দেখুন হিন্দির ছোঁয়া। কোথাও বাংলা বা ত্রিপুরার সংস্কৃতির ছোঁয়া আপনি পাবেন না। প্রাক্তন সিএম মানিক সরকারকে রাজ্যবাসী যেভাবে দেখতে ইচ্ছুক, বিপ্লব দেবকে সেভাবে দেখা যায় না। উভয়ে পুরোপুরি বিপরীতধর্মী। বঙ্গ সংস্কৃতিতেও মানানসই নয় বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিও তদ্রুপ। এখানেও ‘জয় শ্রী রাম' স্লোগান থেকে শুরু করে বিজেপি নেতাদের আচার-আচরণ হিন্দি বলয়ের নেতাদের মতো। এখানে বাংলা-বাঙালিমনস্ক নেতার অভাব বিজেপিতে। তার উপর নেতাদের বাকসংমের বড্ড বেশি অভাব। যার ফলে প্রভাব পড়ছে বিজেপির সংগঠনে। বিজেপির ‘হিন্দি-সংস্কৃতি’ উভয় রাজ্যেই স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির ‘হিন্দি-সংস্কৃতি' উভয় রাজ্যেই তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাধারণ লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।<br>এমনকী দলটির সমর্থকরাও এই সত্যটি গ্রহণ করেছেন বলে মনে হয়। বঙ্গ এবং ত্রিপুরা উভয় দেশেরই বাম শাসনের ইতিহাস রয়েছে। বামদের পরিবর্তে বাংলায় তৃণমূলের সংস্কৃতি আগের মতোই রয়েছে। কিন্তু ত্রিপুরায় বামেদের সঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক সংস্কৃতির আকাশপাতাল ফারাক। বিরোধী ভোট একত্রিত হয়ে বিজেপির সাফল্য দুই রাজ্যেই বিরোধী দলের ভোট একত্রিত হয়ে বিজেপিকে সাফল্য এনে দিয়েছে। মোদির বুদ্ধিমান জরিপ কৌশল এবং ক্যারিশ্মার জেরে হঠাৎ ভাগ্যের উত্থান ঘটেছিল দুই রাজ্যেই। ত্রিপুরায় বিজেপি লড়াই শুরু করে কংগ্রেস থেকে আগত প্রবীণ নেতাদের নিয়ে। লজ্জাজনক পরাজয়ের দিকে হাঁটছে বিজেপি আরএসএসের সুনীল দেওধর ২০১৩ সালে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।<br>ভোটের পরই তিনি সরে যান রাজ্য থেকে। অনেক বিধায়ক মনে করেন আগামী নির্বাচনে বিজেপি সরকার বাঁচাতে পারবে না। তারা লজ্জাজনক পরাজয়ের দিকে যাবে।<br>উপনির্বাচনে একেবারে বিপরীত ফল একইভাবে ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরে সবাই আশা করেছিল বাংলায় বিজেপির সামনে বিরাট সুযোগ এসে গেছে। <br>কিন্তু তা যে ঠিক নয়, প্রমাণ করে দিয়েছে সাম্প্রতি উপনির্বাচন। একেবারে বিপরীত ফল দেখা গেছে এ রাজ্যে।<br>উপনির্বাচনের বিজেপি খড়গপুর আসনটি ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিল, যা রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ছেড?ে যাওয়া আসন। আবার কালিয়াগঞ্জেও লোকসভা ভোটে ৫৬ হাজার ভোটে এগিয়ে থেকেও উপনির্বাচনে হেরেছিল।<br>একাধিক বিজয়ী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এখনই তাদের নির্বাচনী এলাকার প্রতি অবহেলা করার অভিযোগ রয়েছে। রাজ্য নেতৃত্বের তীব্র অবহেলায় ব্যর্থতা দলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণবঙ্গের একজন সাংসদও বড় শহরে তাঁর অফিসও খোলেননি।<br>একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লোকসভা নির্বাচনের পরে তাঁর নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন না করার জন্য জনগণের রোষে পড?েন। রাজ্য নেতৃত্বের তীব্র অবহেলার কারণে উত্তরবঙ্গে, যেখানে লোকসভা ভোটে তৃণমূল ধুয়ে গিয়েছিল, সেখানেও কর্মীরা জমি হারাচ্ছেন।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:22:25 1970-01-01 00:00:00 করোনাভাইরাসে ৯ জনের মৃত্যু ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন দেশে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88686 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702912_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702912_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>চীনে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাস রূপান্তরিত হয়ে আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চীনের কর্মকর্তারা। এজন্য ভাইরাসটিকে একটি নির্দিষ্ট জায়গা আটকে রাখতে পদক্ষেপ জোরদার করেছে দেশটি।<br>চীনের উহানের একটি মাছ বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৪৪০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া চীনের বিভিন্ন প্রদেশে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর দিয়েছে দেশটির কর্মকর্তারা। তবে শুধু চীনই নয় জাপান, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত করা হয়েছে।<br>এদিকে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিতে থাকায় চীনা কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, দেশটি এখন প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে’ রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার দেশটি জানায়, এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে যাওয়া ঘটনা শনাক্ত করেছে তারা।<br>ভাইরাসটির সংক্রমক শুরু হওয়ার পর এই প্রথম প্রকাশ্য এক ব্রিফিংয়ে চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সহ-মন্ত্রী লি বিন জানান, তাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে যে, এই রোগটি ‘মূলত শ্বাসনালীর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছে।’<br>যদিও এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের উৎস শনাক্ত করতে পারেনি চীন। লি বলেন, যদিও ভাইরাসের সংক্রমণ উৎসটি এখনও পুরোপুরি বোঝা যায়নি, তবে সম্ভবত ভাইরাসটির রূপান্তর হচ্ছে এবং এটি মহামারী আকারে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।<br>চান্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী ছুটির কারণে লাখ লাখ মানুষ চীনের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছে। অনেকে আবার বিদেশেও যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চীনা কর্তৃপক্ষ এই সতর্কতা জারি করলো। </body></HTML> 2020-01-22 20:21:32 1970-01-01 00:00:00 চীনে ৭০ শতাংশ শিশু মায়োপিয়ায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88685 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702843_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702843_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ চীনে মায়োপিয়ায় (ক্ষীণদৃষ্টি) আক্রান্ত অন্তত ৪৫ কোটি মানুষ। অর্থাৎ দেশটিতে প্রতি তিনজনের একজনই চোখের সমস্যায় ভুগছেন, যেখানে বিশ্বব্যাপী এ সংখ্যা গড়ে প্রতি পাঁচজনে একজন। চীনে মায়োপিয়ার দুর্ভোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত স্কুলশিশুরা। ২০১৮ সালে ১০ লাখ শিশুর ওপর চালানো এক সরকারি জরিপে দেখা গেছে, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৭২ শতাংশ শিশুই মায়োপিয়ায় ভুক্তভোগী। ২০১০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫৮ শতাংশ। ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মায়োপিয়া হচ্ছে গ্লুকোমার মতো চোখের ভয়ানক রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। এ রোগে চোখ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যেতে পারে। ২০১৮ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মায়োপিয়ার প্রাদুর্ভাব স্বীকার করে এটিকে অনেক বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নির্মূলের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, চীনে মায়োপিয়া ছড়িয়ে পড়ছে মূলত জিনগত কারণে। এই সমস্যা পূর্ব এশীয় ও শেতাঙ্গদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, ব্রিটেনের ১৭ বছর বয়সী শেতাঙ্গদের মধ্যে ১৯ শতাংশই মায়োপিয়ায় আক্রান্ত। যদিও এতে জীবনযাত্রার অনেক বড় ভূমিকা আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মায়োপিয়ায় জিনের ভূমিকা খুবই কম। এতে যেসব জিন জড়িত, তারা পরিবেশগত কারণে প্রভাবিত হতে পারে। বেশিরভাগ সময় এটি হতে পারে বাইরের কার্যকলাপের অভাব, অতিরিক্ত কাজ এবং অধিক সময় কাছের বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে। পরীক্ষা-আসক্ত সংস্কৃতির সঙ্গে সহজলভ্য স্মার্টফোন ও কম্পিউটার গেমস ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় চীনে এ সমস্যা আরও প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। ২০০৮ সালে একদল অস্ট্রেলীয় গবেষকের পাওয়া পরীক্ষার ফলাফলও একই মতবাদ সমর্থন করে। তারা সিডনি ও সিঙ্গাপুরে শত শত চীনা শিশুর ওপর গবেষণা চালান। এতে দেখা যায়, সিডনির মাত্র তিন শতাংশ শিশু সাত বছর বয়সের আগে মায়োপিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। বিপরীতে হোমওয়ার্ক-আসক্ত সিঙ্গাপুরে এ হার পাওয়া গিয়েছিল ২৯ শতাংশ। চীনা কর্মকর্তারা শুধু স্বাস্থ্যগত কারণেই মায়োপিয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন নন; বরং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তায় পড়েছেন তারা। দেশটির সরকারি পত্রিকা লিগ্যাল ডেইলি জানিয়েছে, পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমা সম্পন্ন সেনা পাওয়া না গেলে চীনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। ইতোমধ্যে গত বছর দেশটির নৌবাহিনী তাদের নতুন নৌসেনা নিয়োগের যোগ্যতায় দৃষ্টিসীার চাহিদা শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রতিশ্রতি দিয়েছে চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি। ২০১৮ সালে তারা জানিয়েছিল, এই দশক শেষ হওয়ার আগেই ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী মায়োপিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। <br>এছাড়া বছর দুয়েক আগের ১৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী ভুক্তভোগীর সংখ্যা ৮০ শতাংশ থেকে নামিয়ে অন্তত ৭০ শতাংশে আনার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল তারা।<br>দলটির পক্ষ থেকে সেসময় মায়োপিয়া নিয়ন্ত্রণে প্রচলিতের পাশাপাশি বেশ কিছু অপ্রচলিত পরামর্শ কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ছিল- স্কুলগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে যেন শিক্ষার্থীরা দিনে অন্তত এক ঘণ্টা সূর্যের আলোয় খেলাধুলা করে (অনেকের বিশ্বাস, সূর্যের আলো মায়োপিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে)।<br>প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দুই বছর – যে সময় শিশুদের চোখ অতিসংবেদনশীল থাকে; তাদের যেন কোনো লিখিত হোমওয়ার্ক না দেয়া হয়। পরের দুই বছরে প্রতিদিন বড়জোর এক ঘণ্টার কাজ দেয়া যাবে। ভিডিও গেম নির্মাতারা নতুন গেম ও ডিভাইস কম বাজারজাত করবে; যেন শিশুরা এর পেছনে বেশি সময় দিতে না পারে।<br>স্কুল ও পরিবারগুলোকে শিশুদের মিষ্টিজাতীয় খাবার বাদ দিয়ে বেশি বেশি মাছ খেতে উৎসাহ দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাছে উচ্চমাত্রায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া অনেক চিকিৎসকও চিনিজাতীয় খাবার বাদ দিতে বলেন, যদিও এতে ঠিক কী উপকার হয় তা পরিষ্কার নয়।<br>সূত্র : দ্য ইকোনমিস্ট।<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:20:29 1970-01-01 00:00:00 নতুন সরকার পেলো আর্থিক সংকটে থাকা লেবানন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88684 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702809_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702809_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউনের (বামে) সঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব (ডানে) আর্থিক সংকটে থাকা লেবাননে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কয়েক মাস ধরে চলা অচলাবস্থার অবসান হলো। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠার পর ব্যাপক আন্দোলনের মুখে গত অক্টোবরে সাদ হারিরি পদত্যাগ করেন। গত মাসে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান দিয়াবকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেচে নেয়। কিন্তু মন্ত্রিসভা গঠনের ব্যাপারে একমত হতে পারছিল না রাজনৈতিক দলগুলো।<br>এরই মধ্যে চলমান বিক্ষোভ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়ায় দ্রুত সরকার গঠন জরুরি হয়ে পড়ে। সপ্তাহে বৈরুতে ওই সংঘর্ষে ৪৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং ট্র্যাফিক সাইন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে এবং ইন্টারনাল সিকিউরিটি ফোর্সেসের (আইএসএফ) কর্মকর্তাদের দিকে আতশবাজি ছোড়ে। এসময় তারা বেশ কিছু এটিএম, ব্যাংক অফিস ও দোকানে ভাঙচুর চালায়।<br>জবাবে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও রাবার বুলেট ছোড়ে আইএসএফ। তাদের ছোড়া রাবার বুলেট খুব কাছ থেকে লাগায় অন্তত চারজন যুবক গুরুতর আহত হয় এবং তাদের চোখের অপরিবর্তনীয় ক্ষতি হয়। এদিকে সোমবার সাদ হারিরি এক টুইটে জরুরি ভিত্তিতে নতুন সরকার গঠনের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশকে ‘ধ্বংসের চক্র’ থেকে বের করে আনতে জরুরি ভিত্তিতে একটি নতুন সরকার দরকার। অন্যদিকে মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন নতুন মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী দিয়াব নতুন সরকারকে ‘একটি উদ্ধারকারী টিম’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।<br>তিনি বলেন, তার সরকার ‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত তবে তাড়াহুড?ো নয়’ এমন পদক্ষেপ নেবে।<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:19:55 2020-01-22 20:21:14 বেজোসের মোবাইল হ্যাকের দাবি হাস্যকর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88683 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702748_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702748_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের মালিক জেফ বেজোসের ফোন যুবরাজ বিন সালমানের দ্বারা হ্যাকড হয়নি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস। বুধবার ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা বেজোসের ফোন সৌদি যুবরাজ হ্যাকড করেছেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই বিবৃতি আসলো।<br>অজ্ঞাত দুটি সূত্রের বরাতে বুধবারের প্রতিবেদনে গার্ডিয়ান জানায়, হোয়াটসঅ্যাপে যুবরাজ সালমান ও বোজোসের মধ্যে আগে থেকেই বার্তা আদান-প্রদান হতো। ২০১৮ সালে যুবরাজ সালমানের পাঠানো এক ভিডিও বার্তা গ্রহণের পরপরই বেজোসের মুঠোফোন হ্যাকড হয়। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস বলছে, এই গল্প হাস্যকর। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই ঘটনার সঙ্গে ২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক জামাল খাশোগি হত্যার যোগসাজশ রয়েছে। কারণ অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস মার্কিন ওই প্রভাবশালী দৈনিকের মালিক।<br>হ্যাকিংয়ের পর বেজোসের মুঠোফোনটির ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা করে জানা যায়, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তার ফোনে যুবরাজ বিন সালমান একটি ভিডিও পাঠান। যা ছিল ভাইরাসযুক্ত। বেজোস ভিডিওটিতে ক্লিক করলে সৌদির গোয়েন্দারা বেজোসের ফোনের প্রবেশাধিকার নিয়ে সেখান তথ্য চুরি করে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত সৌদি দূতাবাস টুইটারে দেয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, যুবরাজ সালমান বেজোসের মুঠোফোন হ্যাক করেননি। আর এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন হাস্যকর। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এই ঘটনার তদন্ত করা হবে বলেও দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে।<br>ফরেনসিক বিশ্লেষণ নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, সালমানের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই বেজোসকে বার্তাটি পাঠানো হয়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার কিছুক্ষণ পর বেজোসের ফোনটি হ্যাক করা হয়। তবে কি ধরনের তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বা সেগুলো কিভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তা জানা যায়নি।<br> </body></HTML> 2020-01-22 20:14:45 2020-01-22 20:19:27 এক ধাওয়ানের জায়গায় দুই খেলোয়াড়কে দলে নিল ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88682 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702451_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702451_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>কাঁধের ইনজুরির কারণে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন ওপেনার শিখর ধাওয়ান। অপেক্ষা ছিলো তার বদলে নিউজিল্যান্ড সফরের দলে কাকে নেয় ভারতীয় ক্রিকেট দল। অপেক্ষার অবসান ঘটেছে মঙ্গলবার। ধাওয়ানের বদলে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভিন্ন দুই খেলোয়াড়কে দলে নিয়েছে ভারত।<br>শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) অকল্যান্ডে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। এ সিরিজে ধাওয়ানের বদলে নেয়া হয়েছে সাঞ্জু স্যামসনকে। আর ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দলে ডাক পেয়েছেন উদীয়মান তারকা পৃথ্বি শ।<br>২০১৮ সালে টেস্ট অভিষেকেই দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন পৃথ্বি। বর্তমানে তিনি ভারতীয় 'এ' দলের হয়ে অবস্থান করছেন নিউজিল্যান্ডেই। একটি ওয়ার্ম আপ ম্যাচে খেলেছেন ১০০ বলে ১৫০ রানের ঝলমলে ইনিংস। এর আগে ঘরের মাঠে রঞ্জি ট্রফিতে খেলে গেছেন ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ২০২ রানের ইনিংস।<br>ডোপিংয়ের কারণে বাদ পড়ার পর গতবছরের নভেম্বরে ক্রিকেটে ফিরেই দুর্দান্ত খেলছেন পৃথ্বি। জানান দিচ্ছেন জাতীয় দলে খেলার জন্য প্রস্তুত তিনি। ধাওয়ানের ইনজুরিটা তাই তার জন্য হয়ে উঠেছে শাপেবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৫ ফেব্রুয়ারি হ্যামিল্টনে ওয়ানডে অভিষেক হতে যাচ্ছে পৃথ্বির।<br>নিউজিল্যান্ড সফরে ভারতের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:<br>বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), সাঞ্জু স্যামসন, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশাভ পান্ত (উইকেটরক্ষক), শিবাম দুবে, কুলদ্বীপ যাদভ, ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল, ওয়াশিংটন সুন্দর, জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, নবদ্বীপ সাইনি, রবীন্দ্র জাদেজা ও শার্দুল ঠাকুর।<br>নিউজিল্যান্ড সফরে ভারতের ওয়ানডে স্কোয়াড:<br>বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ-অধিনায়ক), পৃথ্বি শ, লোকেশ রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, মনিশ পান্ডে, রিশাভ পান্ত (উইকেরক্ষক), শিবাম দুবে, কুলদ্বীপ যাদভ, ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল, রবীন্দ্র জাদেজা, জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, নবদ্বীপ সাইনি, শার্দুল ঠাকুর এবং কেদার যাদভ। </body></HTML> 2020-01-22 20:13:21 1970-01-01 00:00:00 প্রোটিয়াদের নতুন অধিনায়ক ডি কক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88681 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702383_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702383_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কককে ওয়ানডে ফরম্যাটের নতুন অধিনায়ক হিসাবে নির্বাচিত করা হলো। নিয়মিত অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে দলের বাইরে রেখে ডি কককে অধিনায়ক করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করলো প্রোটিয়া ক্রিকেট বোর্ড।<br>ডি ককের নেতৃত্বে আগামী মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই সিরিজের জন্য আজ মঙ্গলবার ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ড। দলে রাখা হয়নি নিয়মিত অধিনায়ক ফাপ ডু প্লেসিসকে। নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুইন্টন ডি কককে।<br>দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৫টি ওয়ানডে খেলেছেন কুইন্টন ডি কক। ১৪টি শতরান ও ২৪ ফিফটিতে ৪৫.০১ গড়ে ৪৯০৭ রান করেছেন কক। অনেক বছর অপেক্ষার পর সেরা প্রতিভারা আসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে কুইন্টন ডি কককেও সেই প্রতিভাবানদের একজন ধরা হয?। নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক ডি কক প্রসঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট গ্রায়েম স্মিথ জানান,<br>“আমরা সবাই জানি কুইন্টন কেমন মানসম্পন্ন এক ক্রিকেটার হয়ে উঠেছে সময়ের ব্যবধানে। আমরা তার আত্মবিশ্বাস বাড়তে দেখেছি, বিশ্বের সেরা ওয়ানডে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানদের একজন হতে দেখেছি। আমরা আত্মবিশ্বাসী, নেতৃত্বের ভূমিকা ক্রিকেটার হিসেবে তার সেরাটা বের করে আনবে। এবং ভবিষ্যতে এমন সব ফলের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে এগিয়ে নেবে, যেটার কারণে আমরা গর্বিত হবো। আমরা নতুন দায়িত্বের জন্য তাকে শুভকামনা জানাই, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এই সিরিজেই সে ছাপ রাখবে বলে আশা করি।”<br>দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে স্কোয়াড:<br>কুইন্টন ডি কক (অধিনায়ক), রেজা হেনড্রিকস, টেম্বা বাভুমা, রাসি ফন দের ডুসেন, ডেভিড মিলার, জন জন এসমুটস, আন্দিলে ফেলুকাওয়ে, লুথো সিপামলা, লুঙ্গি এনগিদি, তাবরেইজ শামসি, সিসান্দা মাগালা, বিজর্ন ফর্চুইন, বিউরান হেনড্রিকস, জান্নেমান মালান ও কাইল ভেরেনি।<br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:12:45 1970-01-01 00:00:00 বিগ ব্যাশে দুর্ঘটনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88680 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702345_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702345_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বড়সড় দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল অস্ট্রেলিয়ার ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক ক্রিকেট লিগ বিগ ব্যাশ। রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে বিপক্ষ দলের বোলারের সঙ্গে সংঘর্ষে হাসপাতালে ব্যাটসম্যান। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে তড়িঘড়ি হাসপাতালে যেতে হল সংশ্লিষ্ট ব্যাটসম্যানকে, এমনকি ঘটনার জেরে টুর্নামেন্ট সাক্ষী থাকল প্রথম কনকাশন রিপ্লেসমেন্টের। বিগ ব্যাশে সোমবার ঘরের মাঠে মেলবোর্ন রেনিগেডসের মুখোমুখি হয়েছিল হোবার্ট হ্যারিকেনস। ভয়ঙ্কর এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মেলবোর্ন রেনিগেডসের ব্যাটিংয়ের চতুর্থ ওভারে। হোবার্ট হারিকেনস বোলার ন্যাথান এলিসের ডেলিভারি মিড অফে ঠেলে রান নিতে উদ্যত মেলবোর্ন ব্যাটসম্যান স্যাম হার্পার নন-স্ট্রাইকে পৌঁছনোর মুহূর্তে বোলারের সঙ্গে সংঘর্ষে ছিটকে পড়েন মাটিতে। মাথার পিছনে আঘাত লাগে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে মাথা নীচু করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন হার্পার। ছুটে আসেন বোলার এলিস সহ বাকিরা। তড়িঘড়ি তাঁকে মাঠ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ঘটনার ভয়াবহতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রেনেগেডস কোচ মাইকেল ক্লিঙ্গার বলেন, ‘এমন সংঘর্ষ ক্রিকেট মাঠে এর আগে আমি দেখিনি। সাধারণরত ফুটবল কিংবা রাগবি ম্যাচে দেখা এমনটা দেখা যায়। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বোলার ন্যাথন এলিস জানিয়েছেন, ‘প্রথমে মাথায় হাত দিয়ে লুটিয়ে পড়েছিল হার্পার। এরপর উঠে দাঁড়ানোর পর ওর পা কাঁপতে থাকে। ডাক্তার এবং আম্পায়াররা তারপর কথা বলার চেষ্টা করলে অনেকটা স্বাভাবিক মনে হয়। আশা করব দ্রুত মাঠে ফিরে আসবে ও।’ হার্পারের কনকাশন রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে টম কুপারের নাম ঘোষিত হয়।<br> and nbsp;যদিও ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি তিনি।<br>বিগ ব্যাশ লিগের অফিসিয়াল টুইটার পেজে ঘটনার ভিডিও পোস্ট করা হয়। হাসপাতালে আপাতত পর্যবেক্ষণে রয়েছেন রেনেগেডস ব্যাটসম্যান। হ্যারিকেন্সের ছুঁড়ে দেওয়া ১৯১ রানের লক্ষ্যমাত্রাও এদিন তুলতে ব্যর্থ হয় মেলবোর্নের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি। মোহাম্মদ নবীর ৩০ বলে ৬৩, এছাড়া শন মার্শ ও বিউ ওয়েবস্টারের জোড়া অর্ধশতরান সত্ত্বেও ৪ রানে ম্যাচ হারে তাঁরা।<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:12:12 1970-01-01 00:00:00 ওয়ানডে দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88679 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702285_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702285_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খুব বেশি দূরে নেই। চলতি বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে এই বিশ্ব আসর। ছোট ফরমেটের ক্রিকেটে তাই আপাতত বেশি মনোযোগ দলগুলোর। তবে ভারত ভাবছে অন্যরকম। ভারতীয় দলের কোচ রবি শাস্ত্রী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য বেছে নিচ্ছেন ওয়ানডে সিরিজকে। সামনে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩টি করে মোট ৬টি ওয়ানডে খেলবে ভারত। রবি শাস্ত্রী জানালেন, চলতি বছরের এই ওয়ানডেগুলোকেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দলকে প্রস্তুত করার ক্ষেত্র বানাতে চান তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। তবে ২০০৭ সালের ওই আসরের পর আর শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি দলটির। বিশ্বকাপটা ভারতীয় দলের জন্য একটা ‘ঘোর’ হয়ে আছে।<br>রবি শাস্ত্রী মনে করেন, সেই ঘোর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কোনো মূল্যে। তার কথায়, ‘আমরা চাই টসে হার জিতের বিষয়টি যেন আমাদের খেলার সমীকরণ থেকে চলে যায়। আমরা পরিবেশ পরিস্থিতিকে মানিয়ে নিয়েই নিজেদের শ্রেষ্ঠ খেলাটা খেলতে চাই। আমরা বিশ্বের সব দেশে সফল হতে চাই। এটাই আমাদের আসল লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্য পূরণ করতেই আমরা এগিয়ে চলেছি। আর হ্যাঁ, বিশ্বকাপ জেতা আমাদের দলের জন্যে একটি ঘোরের মতো হয়ে আছে এবং এই লক্ষ্য আমরা যেভাবেই হোক পূরণ করব।’<br>নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আসন্ন সিরিজে ৫টি টি-টোয়েন্টি, ৩টি ওয়ানডে আর দুটি টেস্ট খেলবে ভারত। সফরটি শুরু হবে ২৪ জানুয়ারি প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে।<br>এরপর মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। রবি শাস্ত্রী চাইছেন, ভারতকে একটি দল হিসেবে দাঁড় করাতে। সবাই যেন নিজের কথা না ভেবে দলের জন্যই বেশি ভাবে।<br>ভারতীয় কোচের ভাষায়, ‘'আমি' শব্দটি আমাদের অভিধানে নেই। এটা হলো 'আমরা'। আমাদের দলটা এভাবেই ভাবে। আমরা একে অপরের অর্জনকে উদযাপন করি, কেননা এটাই আমাদের দলকে জেতায়।’<br>তাই ওয়ানডে ফরমেটটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব বলে মনে করেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি বিশ্বাস করি এটা খুবই সম্ভব।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:10:42 1970-01-01 00:00:00 তরুণ তারকা ক্রিকেটারকে আইপিএলে যেতে বারণ করলেন ভন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88678 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702229_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702229_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বয়স মাত্র ২১ হলেও, নিজের সামর্থ্যের জানান এরই মধ্যে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের উদীয়মান তারকা টম ব্যান্টন। ইংলিশ কাউন্টি সমারসেটের এ ব্যাটসম্যান গত বছরের শেষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে নাম লিখিয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। ব্যান্টনের মাঝে ‘ভবিষ্যৎ সুপারস্টার’ দেখতে পাচ্ছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন। চলতি বিগ ব্যাশ লিগে এরই মধ্যে ১৯ বলে ৫৬ রানের এক ইনিংসসহ, সাত ম্যাচে তিনটি ফিফটি হাঁকিয়েছেন তিনি। একটি ম্যাচে হাঁকিয়েছেন টানা পাঁচ বলে ৫টি ছক্কা।<br>ক্যারিয়ারের এমন দুর্দান্ত শুরুর পর তিনি ডাক পেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও। নিলামে ব্যান্টনকে ১ কোটি ভারতীয় রূপিতে কিনে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু ভন চাচ্ছেন, ব্যান্টন যেনো আইপিএল খেলতে না যান। কেননা আইপিএল খেলতে গেলে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তত সাতটি ম্যাচ মিস করবেন ব্যান্টন। যা কি না তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে মনে করেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক। তাই ভন ব্যান্টনকে পরামর্শ দিয়েছেন, আইপিএলে না গিয়ে কাউন্টিতেই খেলার জন্য। নিজের কলামে ভন লিখেছেন, ‘আমি যদি দায়িত্বে থাকতাম, তাহলে এ সপ্তাহেই ব্যান্টনকে ফোন করতাম এবং বলতাম সে যেনো আইপিএলের চুক্তিটা বাতিল করে। এরপর সমারসেটের হয়ে কাউন্টি মৌসুমের প্রথম কয়েক সপ্তাহ খেলে। কারণ ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াডে এখনও ৬ নম্বর পজিশনে জায়গা খালি রয়েছে।<br>চাইলে পরেও খেলা যাবে জানিয়ে ভন আরও যোগ করেন, ‘আমি ব্যান্টনের খেলা যথেষ্ঠ দেখেছি এবং বলতে পারি যে ভবিষ্যতের সুপারস্টার তৈরি হচ্ছে তার মধ্যে। আমি জানি না আইপিএলে খেলা তার জন্য কতটা উপকার হবে। কারণ সেখানে সে খুব বেশি ম্যাচ সুযোগ নাও পেতে পারে। কিন্তু এ সময় ব্যান্টনের অনেক ম্যাচ খেলা জরুরি। আইপিএল অপেক্ষা করতে পারে। ভারতে সে পরেও খেলতে যেতে পারবে। তার এখন উচিৎ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে, কিছু সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রাখা।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 20:10:13 1970-01-01 00:00:00 মহেশকে ছেড়ে সুশান্তে মজেছেন এই অভিনেত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88677 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702175_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579702175_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥</span></div>গুঞ্জন চলছিল অনেকদিন থেকে। অবশেষে বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকেই নিজের বয়ফ্রেন্ড হিসেবে স্বীকার করে নিলেন বাঙালি অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্তের জন্মদিনেই নিজেদের সম্পর্কের বিষয়টি সামনে এনেছেন রিয়া। সুশান্তের জন্মদিন ছিল গতকাল। এদিন ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে সুশান্তের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে রিয়া লেখেন, “শুভ জন্মদিন সবচেয়ে সুন্দর ‘সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল’। এ ভাবেই এগিয়ে যাও।” হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখেন, #বয়উইদগোল্ডেনহার্ট। গার্লফ্রেন্ডের শুভেচ্ছার প্রতিউত্তরে সুশান্ত লেখেন, ‘অনেক ধন্যবাদ আমার রকস্টার।’ এর আগে মহেশ ভট্টের সঙ্গে রিয়ার সম্পর্ক আছে বলে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। গত বছর মহেশের ৭০তম জন্মদিনে আবেগঘন বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন রিয়া। মহেশের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করে রিয়া ক্যাপশনে লিখেছিলেন ‘শুভ জন্মদিন আমার বুড়োৃমহেশ স্যার। এটাই আমরা। তুমি ভালবেসে আমাকে জড়িয়ে ধরেছ, আমাকে ভালবাসা দিয়েছে, তুমি আমার চিরকালের মতো গুটিয়ে রাখা ডানা খুলে দিয়েছে, আমাকে উড়তে শিখিয়েছেৃআর কোনো শব্দ আসছে না, তোমাকে ভালবাসি। এই পোস্টের জেরে রিয়াকে যথেষ্ট সমালোচিত হতে হয়েছিল। পরে তিনি বলেন, মহেশ তার শিক্ষক। তার বাবার মতো। কিন্তু তাতেও সমালোচনা বন্ধ হয়নি। এম টিভির ভিডিও জকি হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন রিয়া। পরে বিভিন্ন শো সঞ্চালনা করেছেন। ২০১২ সালে তেলুগু ছবি ‘তুনেগা তুনেগা’ দিয়ে বড় পর্দায় পথচলা শুরু তার। পরের বছরেই সুযোগ পান হিন্দি ছবিতে। অভিনয় করেন ‘মেরে ড্যাড কি মারুতি’ ছবিতে। গত আট বছরে রিয়া অভিনয় করেছেন আটটি ছবিতে। </body></HTML> 2020-01-22 20:08:51 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে কৃষি জমির মাটি ইটভাটায় বিক্রি, হুমকির মুখে ফসলি জমি ও সড়ক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88676 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579696464_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579696464_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br> and nbsp;প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন অপকর্ম ও অবৈধ কাজে জড়িত থাকেন, তখন তাঁদের প্রতিহত করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফেনীর সোনাগাজীতে কৃষি জমির মাটি ইট ভাটায় বিক্রির ফলে ফসলি জমি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। কৃষি জমির মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রির অভিযোগে স্থানীয় গ্রামবাসী মঙ্গলবার দুপুরে ৩টি ট্রাক্টর আটক করেছে। এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাদল, আমিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহির ও আমিরাবাদ ইউনিয়নের নিজাম উদ্দিন মুন্না ও মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গত কয়েক দিন যাবৎ আমিরাবাদ ও মতিগঞ্জ ইউনিয়নের চরকৃষ্ণজয় গ্রাম ও স্বরাজপুর গ্রামের চড়ইয়া হাতর থেকে ফসলী জমির মাটি উত্তোলন করে ইটভাটায় বিক্রি করে আসছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পাকা পুল, কালভার্ট ও সড়ক ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এতে বিক্ষব্ধ এলাকাবাসী মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবুর সহযেগিতায় মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাজপুর গ্রাম থেকে মাটি সহ ৩টি ট্যাফে ট্রাক্টর আটক করে। মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও একাধিক সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন যাবৎ মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে ফসলী জমির মাটি কেটে বিভিন্ন ইট ভাটায় বিক্রি করে আসছে। যার ফলে সড়ক, পুল ও কালভার্টগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ৩টি ট্রাক্টর আটক করে আমাকে খবর দিলে আমি ঘটনাস্থলে হাজীর হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করি। স্বরাজপুর গ্রামের কৃষক নাছির উদ্দিন জানান, একজন লোক থেকে ফসলি জমির মাটি ক্রয় করে মাটি দস্যু চক্রটি সে সহ বেশ কয়েকজন কৃষকের ফসলি জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক মাটি বহন করে নিচ্ছে। ফলে নিরিহ কৃষকদের ফসলি জমির চরম ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে তারা। মাটি দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেননা। একই গ্রামের কৃষক নাছির উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিরুপায় হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের দ্বারস্থ হলে তিনি গ্রামবাসীকে ট্রাক্টরগুলো আটকের নির্দেশ দেন। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ট্রাক্টরগুলো আটক করলে তিনি ঘটনাস্থলে যান। আমিরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জহির জানান,আসলে এটার সাথে আমি মোটেও জড়িত নাই। বিষয়টি আমি এলাকাবাসী সূত্রে জানার পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করি এবং আইনি ব্যাবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করি। আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরকৃষ্ণজয় গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার গোলাম কিবরিয়া শামীম জানান, ব্যপারী বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট গত কয়েক দিন যাবৎ চরকৃষ্ণজয় গ্রামের ফসলি জমির মাটি বিক্রি করে রাস্তা-ঘাটের চরম ক্ষতি করেছে। দুই-তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের রাস্তারও চরম ক্ষতি করেছে। ইতোমধ্যে নবনির্মিত একটি সড়ক যানচলালের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ফসলি জমির পাশাপাশি ওই এলাকার রাস্তাঘাট বিলিন হয়ে যাবে। এ ব্যপারে সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী and nbsp; কর্মকর্তা অজিত দেব জানান, ফসলি জমির মাটি বিক্রির ব্যপারে দ্রুত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যপারে মাটি বিক্রি সিন্ডিকেটের হোতা নিজাম উদ্দিন মুন্না জানান, আমি এক মহিলার কাছ থেকে মাটি ক্রয় করে এ ব্যবসা করে যাচ্ছি।<br><br> </body></HTML> 2020-01-22 18:33:18 1970-01-01 00:00:00 ডিএসসিসিকে দুনীর্তিমুক্ত করার অঙ্গীকার তাপসের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88675 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687932_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687932_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণ ডিএসসিসিকে দুনীর্তিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) কারা কনভেনশন সেন্টারে সম্মলিত ব্যবসায়ী পরিষদ আয়োজিত ব্যবসায়ী সম্মেল ২০২০ আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার আগে সাংবাদিকদের এ অঙ্গীকারের কথা বলেন তাপস। তাপস বলেন, 'আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলব। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে যাতে করে কোনো অসুবিধা না হয়। কোনোরকম কর বাড়ানো হবে না। ব্যবসায়ীরা যাতে কোনোরকম হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' তিনি বলেন, 'যানজট নিরসনের জন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প নেব। সেজন্য আমরা সচল ঢাকার আওতায় যাতায়াত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাব। সড়কগুলোর কাযর্কারিতা ও উন্নয়ন হবে।'<br><br>সড়কে শৃঙ্খলা কিছু সড়কে ধীর গতির যানবাহন চলবে, অন্য সড়কে দ্রুতগতির যানবাহন চলবে। এছাড়া হেঁটেচলা ও ঘোড়ার গাড়ির জন্য আলাদা লেন থাকবে। এক সড়কে সব যানবাহন পৃথিবীর কোথাও চলে না। আমাদের এখানে এটা থাকায় অচল অবস্থা তৈরি হয়েছে। সুতরাং এখানে সমন্বয় দরকার। একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থা দরকার। ঢাকার পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গে তাপস বলেন, 'আমাদের ঢাকা বায়ু দূষণে আক্রান্ত। আমরা সুন্দর ঢাকার জন্য রূপরেখা দিয়েছি। সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে বায়ু দূষণ রোধ করা সম্ভব হবে। আমরা সবুজায়ন করব। পাঁচ বছরের মধ্যে ঢাকাবাসীকে একটি সুন্দর ও উন্নত শহর উপহার দিতে পারব।' <br><br> </body></HTML> 2020-01-22 16:11:50 1970-01-01 00:00:00 ঢাবির হলে আবরার স্টাইলে চার শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88674 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687771_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687771_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার চার মাস না পেরুতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে চার শিক্ষার্থীকে আবরারের স্টাইলে রাতভর নির্যাতন করেছে ছাত্রলীগ। নির্যাতনের পর আহত শিক্ষার্থীদের হল প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। পরে শিক্ষার্থীদের রাতের বেলায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। ছাত্রলীগের একটি সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১১টায় সন্দেহবশত তারা দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে শিবির করে কি না সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য গেস্টরুমে ডেকে আনে। শিবিরের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন অভিযোগে তাকে মানসিকভাবে চাপ দিতে থাকে। স্বীকার না করায় মারধর করা হয়। এ সময় তার মোবাইলে আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে ‘যোগাযোগ তালিকায়’ নাম থাকায় তাদেরও ডেকে গেস্টরুমে আনা হয়। এ সময় হল শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা, হল সংসদের সহ-সভাপতি সাইফুল্লাহ আব্বাসী অনন্তসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা এসে রড, লাঠি দিয়ে মারধর করে। মারধরে গুরুতর আহত হন ওই চার শিক্ষার্থী।<br><br>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে জহুরুল হক হলের গেস্টরুমে ছাত্রলীগের নিয়মিত গেস্টরুম চলছিল। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুকিম চৌধুরীকে শিবির সন্দেহে গেস্টরুমে ডাকা হয়। সেখানে হল শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা তাদের অনুসারীদের দিয়ে মুকিমকে প্রথমে মানসিকভাবে চাপ দেয়। এতে স্বীকার না করায় তাকে লাঠি, স্টাম্প ও রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করতে থাকে।<br><br>পরে তার ফোন কললিস্ট দেখে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানওয়ার হোসেনকে গেস্টরুমে আনা হয়। সেখানে তাকেও বেধড়ক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতারা। মারধর সহ্য করতে না পেরে উভয়ই মেঝেতে শুয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজ উদ্দীন এবং একই বর্ষের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী আফসার উদ্দীনকে ধরে গেস্টরুমে আনা হয়। সেখানে রাত ২টা পর্যন্ত তাদের ওপর নির্যাতন করেন ছাত্রলীগ নেতারা। পরে রাত ২টার পর তাদের প্রক্টরিয়াল টিমের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। নির্যাতনের বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতারা দাবি করেছেন, আহত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিবির সংশ্লিষ্ট বই উদ্ধার করা হয়েছে।<br><br>তবে তার কোনো নাম অথবা প্রমাণ দিতে পারেনি তারা। এমনকি শিবির সন্দেহে তাদের গেস্টরুমে ডাকা হলেও তাদের কাছে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের নির্যাতনে আহত মুকিম ও সানওয়ারকে রাত ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। and nbsp; নির্যাতনের বিষয়ে হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা বলেন, আমরা তাদের মারধর করিনি। শুধু জিজ্ঞাসা করেছি। তাদের কাছ থেকে শিবিরের দুটি বই উদ্ধার করেছি। তবে বইয়ের ছবি ও নামের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে আমির হামজা কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।<br><br>উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেলে চাঁদা চেয়ে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে মারধরের কারণে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। এর কিছুদিন পর ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাকে হল থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। পরে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের ছত্রচ্ছায়ায় আবার হলে উঠে। জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে মুখ ফসকে বলে ফেলেন, শালাদের অনেক মেরেছি। কিন্তু একটাও স্বীকার করেনি। একজনের নামও বলেনি। নির্যাতনকারী আনোয়ার হোসেন ও আমির হামজা দুজনই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের অনুসারী। শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, গতকাল রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হলের চার শিক্ষার্থীকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।<br><br>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের এক নেতা বলেন, গেস্টরুমে ডেকে আনা শিক্ষার্থীদের মুখ দিয়ে শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা বের করতে বেশ কয়েকবার হাতুড়ি দিয়ে পেটায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি সাইফুল্লা আব্বাসী অনন্ত ও হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আলম। এছাড়া লাঠি, রড ও কিল-ঘুষি মারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য মাহফুজুর রহমান ইমন, হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামাল উদ্দীন রানা ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা। তখন হল সংসদের জিএস ও ছাত্রলীগের অন্য কয়েকজন নেতা তাদের মার থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।<br><br>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা হল প্রশাসনের মাধ্যমে এ বিষয়টি অবহিত হয়েছি। ইতোমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যদি ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ও শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর যদি কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া না যায় তাহলে তাদের কোনো ধরনের হয়রানি করা যাবে না, এটা আমরা বলে দিয়েছি। হল ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চলমান থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের নেতারা কীভাবে শিক্ষার্থীদের মারধর করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাও তো শৃঙ্খলা ভঙ্গ। যে বা যারাই শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;"সূত্র জাগো নিউজ" </span></body></HTML> 2020-01-22 16:06:25 1970-01-01 00:00:00 হারপিক খেয়ে এমপিপুত্রের আত্মহত্যার চেষ্টা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88673 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687486_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687486_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নারায়ণ চন্দ্র চন্দের ছোট ছেলে ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান অভিজিৎ চন্দ্র চন্দ (২৫) হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে খুমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। তবে কী কারণে তিনি হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তা জানা যায়নি। খুমেক হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সালেক মাহমুদ বলেন, হারপিক খাওয়ার কারণে তার (অভিজিৎ চন্দ্র চন্দ) হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের আইসিউতে রাখা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। এর আগে এমপি নারায়ণ চন্দ্র চন্দের মেয়ে জয়ন্তী রানী চন্দ ওরফে বেবির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তবে তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। </body></HTML> 2020-01-22 16:03:50 1970-01-01 00:00:00 ক্যাসিনো সম্রাট হাসপাতালে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88672 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687357_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687357_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। উল্লেখ্য, গত বছর ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ওইদিনই সম্রাটের কার্যালয় রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায় র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় এক হাজার পিস ইয়াবা ও সংরক্ষণের আড়াই হাজার জিপার প্যাকেট। সম্রাটের কক্ষে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল মদ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং পাঁচ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়। পাওয়া যায় বণ্য পশুর চামড়া।<br>ওই দিন সন্ধ্যায় র‌্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।<br>এছাড়া তাকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। </body></HTML> 2020-01-22 16:02:16 1970-01-01 00:00:00 সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88671 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687117_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687117_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৭/৪ নং পিলারের নিকট এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বাংলাদেশের ৫০ গজ অভ্যন্তর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে বিজিবি।<br>নিহতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব আমঝোল গ্রামের ওসমান আলীর পুত্র সুরুজ মিয়া (৩৫) ও শাহাজান আলীর পুত্র সুরুজ আলী (৪০)।<br>এ বিষয়ে বিজিবি লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম তৌহিদুল ইসলাম পূর্বপশ্চিমকে জানান, বুধবার সকালে ভারত থেকে গুরু নিয়ে ফিরছিলেন ওই দুইজন। এ সময় তারা উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৭/৪ নং পিলারের নিকট পৌছালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলে ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া পতাকা বৈঠকের আহবান জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি পাঠনো হয়েছে বলেও জানান তিনি। </body></HTML> 2020-01-22 15:58:15 1970-01-01 00:00:00 এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88670 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687041_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579687041_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে মামলাটি শুনানির জন্য আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট জিআর শাখার কর্মকর্তা জুলফিকার আলী বলেন, বুধবার মামলাটি গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল হয়ে আসায় বিচারক পরবর্তী আদেশ দেন। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।<br><br>এসকে সিনহা ছাড়া অপর আসামিরা হলেন, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম শামীম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক জিয়া উদ্দিন আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী শাহজাহান, একই জেলার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সান্ত্রী রায় ওরফে সিমি ও তার স্বামী রণজিৎ চন্দ্র সাহা।<br><br>গত ৯ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত বছরের ১০ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করা হয়। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এ মামলার বাদী। ফারমার্স ব্যাংকের দুটি হিসাব থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির ‘প্রমাণ’ পাওয়ার তথ্য গত বছরের অক্টোবরে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৮ সালের অক্টোবরে দুদকের অনুসন্ধানে ফারমার্স ব্যাংকের দু’টি অ্যাকাউন্ট থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। মামলার আসামি শাহজাহান ও নিরঞ্জন ওই ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণের সেই টাকা পরে বিচারপতি সিনহার ব্যাংক হিসাবে যায়। এ টাকা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনারও অভিযোগ রয়েছে সাবেক এ প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে। </body></HTML> 2020-01-22 15:56:54 1970-01-01 00:00:00 দক্ষিণ এশিয়ায় সবার আগে ই-পাসপোর্ট যুগে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88669 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579686959_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579686959_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বহুল প্রতীক্ষিত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অধিকতর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংবলিত ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট চালু হলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার আগে ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। ই-পাসপোর্ট চালুর ক্ষেত্রে বিশ্বে ১১৯তম দেশ বাংলাদেশ। আর দক্ষিণ এশিয়া প্রথম।<br>বুধবার (২২ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তার ই-পাসপোর্টটি তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।<br><br>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম ঘোষণার পর ইলেকট্রনিক বাটন চেপে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সামগ্রিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।<br>এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, প্রথম ধাপে রাজধানীর আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।<br><br>ই-পাসপোর্টের পাশাপাশি এমআরপি পাসপোর্টও কার্যকর থাকবে। এই পাসপোর্ট বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে এবং ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে বিদেশভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হবে।<br><br>ই-পাসপোর্ট থাকলে বিমানবন্দরে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে চেক-ইন ও চেক-আউট করতে হবে না। ই-গেট দিয়ে সহজে চেক-ইন, চেক-আউট করা যাবে।<br><br>ই-পাসপোর্টে স্মার্টকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাইক্রোপ্রসেসর চিপ এবং অ্যান্টেনা বসানো থাকে। এ চিপে পাসপোর্টধারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে।<br><br>ই-পাসপোর্ট হবে ৪৮ ও ৬৪ পাতার এবং এর মেয়াদ হবে পাঁচ ও ১০ বছরের।<br><br>জার্মান কোম্পানি ভেরিদোস জিএমবিএইচ বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করছে। ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই ডিপিআই ও ভেরিদোস কোম্পানি মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাশাপাশি ই-পাসপোর্টের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।<br><br>অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ।<br><br>স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ।<br><br>এ সংক্রান্ত একটি তথ্য চিত্র তুলে ধরেন ই–পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান।<br><br>ই-পাসপোর্ট কী?<br><br>ই-পাসপোর্ট (E-Passport) বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি ইলেকট্রনিক চিপের মধ্যে পাসপোর্টধারীর পরিচয় সনাক্তকারী বিভিন্ন বায়মেট্রিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। ই-পাসপোর্টে একজন ব্যক্তির বায়োমেট্রিক ও বায়োগ্রাফিক সর্বমোট ৪১টি তথ্য থাকবে। এই তথ্যগুলোর মধ্যে ২৬টি তথ্য খালি চোখে দেখা যাবে। এই পাসপোর্টে ২টি বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে যেগুলো বিশেষ যন্ত্র ছাড়া বুঝা যাবে না ফলে সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।<br><br><span style="font-weight: bold;">ই-পাসপোর্ট কেমন?</span><br><br>ই-পাসপোর্ট বর্তমানের বই আকারে পাসপোর্ট যেমন আছে তেমনই। শুধু পাসপোর্টের পাতার শুরুতে ব্যক্তির তথ্য নিয়ে যে দুই পাতা আছে তা থাকবেনা। ব্যক্তির তথ্য পাসপোর্টেই পলিমারের তৈরি একটি চিপের মধ্যে সংরক্ষিত থাকবে। আর প্রযুক্তিগত ভাবে MRP পাসপোর্টের সাথে ই-পাসপোর্টের প্রার্থক্য আছে। এতে আছে শনাক্তকরণ চিহ্ন, স্মার্টকার্ড প্রযুক্তির মতো মাইক্রোপ্রসেসর চিপ এবং অ্যান্টেনা। ই-পাসপোর্টের প্রতিটি পাতায় খুব সূক্ষ্ম ডিজাইনের জটিল সব জলছাপ থাকে।<br><br><span style="font-weight: bold;">যেভাবে কাজ করবে ই-পাসপোর্ট</span><br><br>ই-পাসপোর্টের সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে ‘পাবলিক কি ডাইরেকটরি’তে (PKD)। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) এই তথ্যভান্ডার পরিচালনা করে। ই-পাসপোর্ট স্ক্যান করলে ব্যক্তি পরিচয়সহ অন্যান্য তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হয়ে যায়। এই জন্যে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তার মুখোমুখি হতে হবে না। যাঁদের হাতে ই-পাসপোর্ট থাকবে, দেশের প্রতিটি বিমান ও স্থলবন্দরের স্বয়ংক্রিয় ই-গেট দিয়ে সীমান্ত পার হতে পারবে। তবে যাদের হাতে এমআরপি পাসপোর্ট থাকবে, তাঁদের ইমিগ্রেশনের কাজ বিদ্যমান পদ্ধতিতে চলমান থাকবে। ই-পাসপোর্টের বাহক কোনো দেশের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আবেদনকারীর তথ্যের সঙ্গে PKD তে সংরক্ষিত তথ্য যাচাই করে নেবে। ইন্টারপোলসহ বিশ্বের সব বিমান ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ PKD তথ্যভান্ডারে ঢুকে তথ্য যাচাই করতে পারে। </body></HTML> 2020-01-22 15:54:43 1970-01-01 00:00:00 গুণবতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88668 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667470_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667470_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মোঃ হান্নান নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সকালের দিকে গুণবতী রেলস্টেশন and nbsp; এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। মৃত মোঃ হান্নান কৈতরা নিবাসী আবু তাহের মিয়ার সেজ ছেলে। and nbsp; স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেল লাইনে হাঁটা অবস্থায় কানে হেডফোন দিয়ে কথা বলছিলেন হান্নান। এমতাবস্থায় বিপরীত দিক থেকে আসা আন্তঃনগর ট্রেন চাপায় তার মৃত্যু হয়। </body></HTML> 2020-01-22 10:30:44 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তান-বাংলাদেশের সব টি-টোয়েন্টি শুরু বিকাল ৩টায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88667 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667373_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667373_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বুধবার রাত ৮টায় ঢাকা ছাড়ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ইতিমধ্যে ম্যাচগুলো শুরুর সময় জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। যদিও তারা তা জানাল টাইগাররা রওনা হওয়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া বিভাগ জানিয়েছে, সবকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে লাহোরে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় সিরিজের প্রত্যেকটি ম্যাচ গড়াবে। আগামী ২৪ জানুয়ারি লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে হবে প্রথম ম্যাচ। আর ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি একই ভেন্যুতে গড়াবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ।<br><br>বিসিবি ধারণা করেছিল, ম্যাচগুলো হতে পারে ফ্লাডলাইটের আলোয়। সেই কথা মাথায় রেখেই স্কোয়াডে পাঁচ পেসার রেখেছেন নির্বাচকরা।<br>এর আগে শ্রীলংকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। ম্যাচগুলো হয়েছিল দিবারাত্রি। তিনটি ম্যাচই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। এবারও দিনরাতেই ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিল পিসিবি। তবে শেষ মুহূর্তে এসে দিনের আলোতেই খেলার সিদ্ধান্ত নিল তারা। </body></HTML> 2020-01-22 10:28:39 1970-01-01 00:00:00 রমজাননির্ভর ৬ পণ্য: দাম বাড়ানো শুরু তিন মাস আগেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88666 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667224_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579667224_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রমজানকে লক্ষ্য করে অসাধু ব্যবসায়ীচক্র পুরনো ছক কাজে লাগাচ্ছে। রমজাননির্ভর ছয়টি পণ্যের দাম তারা তিন মাস আগেই বাড়াতে শুরু করেছে- যাতে রমজানে নতুন করে বাড়ানোর প্রয়োজন না পড়ে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ সময় ভোক্তার পকেট কেটে অতিরিক্ত মুনাফা করা যায়।<br>পণ্যগুলো হচ্ছে- ছোলা, ভোজ্যতেল, ডাল, খেজুর, আদা ও রসুন। আরেক পণ্য পেঁয়াজের বাজার তো কয়েক মাস ধরেই চড়া। সেই সঙ্গে বাজারে চাল, সব ধরনের সবজিসহ বেশকিছু খাদ্যপণ্য বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ নিয়ে তাই ভোক্তারা শঙ্কায় রয়েছেন- এ বছর রমজানেও অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়তি দরে খাদ্যপণ্য কিনতে সাধারণ মানুষকে বাধ্য করবেন। কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর কাঁচাবাজার, নয়াবাজারসহ রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এবং খুচরা বিক্রেতা ও ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে মঙ্গলবার এসব তথ্য জানা গেছে। এদিন দেখা গেছে, রমজানে অতিব্যবহৃত পণ্যের মধ্যে ছোলা, ডাল, ভোজ্যতেল ও খেজুর এক মাসের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে।<br><br>রসুন ২০ থেকে ৪০ টাকা এবং আদা ১০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পেঁয়াজ কেজিতে এখনও ৭০-৮০ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। সূত্র জানায়, রমজানকে ঘিরে সরকারের একাধিক সংস্থা তিন মাস আগেই বাজার তদারকিতে নেমেছে। তারা মোকাম থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে তদারকি করছে। যাতে রমজানে ভোক্তাদের বাড়তি দরে নিত্যপণ্য কিনতে না হয়। তারপরও বিভিন্ন কৌশল ও অজুহাতে অসাধু ব্যবসায়ী চক্র এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর বাজারগুলোয় মঙ্গলবার প্রতি কেজি ছোলা মানভেদে বিক্রি হয়েছে ৭৫-৮০ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয় ৭০-৭৫ টাকা।<br><br>প্রতিকেজি মশুরের ডাল মানভেদে বিক্রি হয়েছে ৬৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা। প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছে মানভেদে ১৪০ থেকে ২২৫ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ১২০ থেকে ১৮০ টাকা। আদা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৭০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা। ভোজ্যতেলের মধ্যে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন মঙ্গলবার বিক্রি হয়েছে ৯৩ থেকে ৯৫ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয় ৮৪ থেকে ৮৮ টাকা। কোম্পানিভেদে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১০৫-১১৫ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ৮০-৮৫ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৬৯-৭০ টাকা।<br><br>পাম অয়েল সুপার বিক্রি হয়েছে ৮৪-৮৮ টাকা, যা এক মাস আগে বিক্রি হয়েছে ৭৪-৭৮ টাকা। তাছাড়া মৌসুমেও বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ। এদিন প্রতি কেজি পেঁয়াজ দেশি বিক্রি হয়েছে ৯০-১১০ টাকা, যা গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছিল ২২ থেকে ৩০ টাকা। দাম বৃদ্ধির এ চিত্র উঠে এসেছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্যতালিকায়ও। এতে বলা হয়েছে, গত মাসের তুলনায় মসুরের ডাল ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাসের ব্যবধানে রসুন ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং আদা ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মাসের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটারে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি দরে, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।<br><br>মাসের ব্যবধানে লুজ পাম অয়েল বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ১৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। এছাড়া খেজুরের দাম শতাংশে হিসাব না করে দেখালেও সংস্থাটি বলছে, কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোলা কেজিতে ৫ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, রমজানে অতিব্যবহৃত পণ্য- ছোলা, ভোজ্যতেল, ডালের মূল্য মোকাম পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে। ফলে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়েছে। একেক পণ্যের দাম একেক অজ–হাতে বেড়েছে। কিন্তু এর সবই তাদের ভোক্তা ঠকানোর কারসাজি। তিনি বলেন, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পেছনে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সয়াবিন তেল আমদানি করতে খরচ বেশি হচ্ছে। এছাড়া শীতে পাম অয়েল জমে যায়, ফলে সয়াবিনের ওপর চাপ পড়ছে। তাই সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম বাড়ছে। তিনি বলেন, ছোলার ক্ষেত্রেও সরবরাহের ঘাটতির অজুহাত দেখাচ্ছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ডাল আমদানিতেও খরচ বেশি হওয়ার কথা বলছেন।<br><br>সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, রমজানের চাহিদা মেটাতে ভোজ্যতেল, ছোলা, আদা, রসুন, খেজুরসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা, উৎপাদন, আমদানি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় মজুদ করা হচ্ছে। বিগত দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। যাতে রমজানে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট না হয়। সহনীয় দামে কিনতে পারে। সেজন্য সরকারের একাধিক সংস্থা কঠোর মনিটরিং করছে। কিন্তু মঙ্গলবার বিভিন্ন বাজারে ভোক্তারা জানিয়েছেন, গত দুই বছরের মতো এবারও রমজানের অনেক আগেই রমজাননির্ভর পণ্যের দাম বাড়াতে শুরু করেছে ব্যবসায়ীরা। এতে নানা অজুহাত দেখালেও আগের দুইবারের অভিজ্ঞতা বলে দাম আর কমবে না। বরং গেলবার যা দেখা গেছে, ৫-১০ রোজা পর্যন্ত দাম বেড়েছেই।<br><br>এবারও গেলবারের মতোই মনে হচ্ছে। এতে আমাদের নিত্যপণ্য কিনতে আবারও হিমশিম খেয়েই যেতে হবে। রমজান আসার আগেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর বিষয়ে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ড. গোলাম রহমান বলেন, কয়েক বছর ধরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা রমজানে পণ্যের দাম খুব কম বাড়ায়। রমজান আসার এক-দুই মাস আগেই দাম বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, বর্তমান বাজারে সবকিছুই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। তাই রমজান আসার আগেই এ বিষয়টি নিয়ে কঠোর মনিটরিং করে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া বাজার ব্যবস্থায় বর্তমানে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা নেই। তারা অযৌক্তিক মুনাফার উদ্দেশ্যে সময় ও সুযোগ বুঝে পণ্যের দাম বাড়িয়ে আসছে। এ প্রবণতা ভোক্তা কিংবা সরকার কারও জন্যই শুভ নয়।<br><br>অসাধ্য ব্যবসায়ীচক্রের বিষয়ে ড. গোলাম রহমান বলেন, এখন থেকে যদি বাজার ঠিকমতো মনিটরিং করা না হয়, তাহলে এ চক্রকে রমজান পর্যন্ত থামানো যাবে না। তাই এখন থেকেই সরকারের উচিত বাজার গভীরভাবে পর্যালোচনা করে তদারকি করা। ভোক্তাদের উদ্দেশে গোলাম রহমান বলেন, রমজান ঘিরে ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। ১৫ দিনের পণ্য একদিনে কেনা ঠিক হবে না। এতে বাজারে পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়, ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, অধিদফতরের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি করা হচ্ছে। দিনে দুইটি টিম তদারকি করছে। কিন্তু কাঁচাবাজারে পণ্যের দাম গায়ে লেখা না থাকায় কিছুই করা যাচ্ছে না। তাই আমরা এবার মোকাম থেকে পাইকারি ও খুচরায় তদারকি নতুনভাবে করব। বিশেষ করে মোকাম ও পাইকারি বাজারে পণ্যের বস্তায় মূল্য লিখতে বলব, যাতে খুচরাতে এসে বেশি দামে বিক্রি করলে সহজেই ধরা যায়। অনিয়মের প্রমাণ মিললেই কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।<br> and nbsp;"সূত্র যুগান্তর" </body></HTML> 2020-01-22 10:26:17 1970-01-01 00:00:00 সুযোগ বাড়ছে কারিগরি শিক্ষার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88665 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666727_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666727_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সরকার সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ তৈরির প্রকল্প অনুমোদন করেছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান জানিয়েছেন, কারিগরি শিক্ষার আওতা বাড়াতে চায় সরকার। বলেছেন, ‘আমরা যে প্রকল্পটি পাস করেছি, এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে কর্মমুখী করে গড়ে তোলা। আর সে শিক্ষাটা দেশে ও বিদেশে দুই জায়গাতেই যাতে কাজে লাগতে পারে সেভাবে তৈরি করা। স্কুল ও কলেজের কাজ এ বছর থেকেই শুরু হবে।’ মন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি একটি করে কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।<br><br>এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসব বিষয় শেখানো হচ্ছে, মন্ত্রী জানিয়েছেন নতুন প্রকল্পের মধ্যে সেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে।<br>বর্তমানে বেশিরভাগ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, মেকানিক্যাল, অটোমোবাইল, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন মেইনটেনেন্স, পোশাক কারখানার ইন্ডাস্ট্রিয়াল সুইং চালনা, ওয়েল্ডিং, প্লাম্বিংয়ের মতো বিষয়সমূহ পড়ানো হয়।<br><br><span style="font-weight: bold;">কতটা কাজে আসবে?</span><br><br>বাংলাদেশে বেকারত্ব দূরীকরণে বহু বছর ধরে কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেয়ার কথা বলা হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ ২০১৭ শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, সারাদেশে মোট বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখ মানুষ। সেই সঙ্গে প্রতি বছর দেশের শ্রমবাজারে নতুন করে ১৮ লাখ মানুষ যুক্ত হয়। আবার এই মুহূর্তে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটি ২০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন। যাদের বড় অংশটি যায় স্বল্প দক্ষ বা অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে।<br><br>ফলে দক্ষতা বাড়ানোর সরকারি এই উদ্যোগের ফলে প্রবাসে কাজ করতে যেতে চান এমন মানুষের উপকার হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।<br>তবে সাধারণভাবে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার প্রতি অনেকেরই এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, সমাজের কম আয়ের মানুষের ছেলেমেয়েরা সেখানে পড়তে যায় এবং যারা পড়তে যায় তাদের মেধা অন্যদের চেয়ে হয়তো কম। এ ধারণার সামাজিক ভিত্তি নেই বলে সরকার দাবি করলেও এখনো স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যত শিক্ষার্থী পড়েন, তার ১৫ শতাংশের কম শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছেন।<br><br><span style="font-weight: bold;">আগ্রহ বাড়ছে গ্রামীণ এলাকায়</span><br><br>সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে এখন প্রায় আট হাজারের মতো কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। এর ৯০ শতাংশই হচ্ছে বেসরকারি। এসব প্রতিষ্ঠানে চার বছর মেয়াদী থেকে শুরু করে তিন মাস মেয়াদী পর্যন্ত নানা ধরনের কারিগরি কোর্স পড়ানো হয় কিংবা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।<br>সংশ্লিষ্ট মানুষেরা বলছেন, কারিগরি শিক্ষার প্রতি ঢাকার বাইরে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। এদের একজন বগুড়ার শিবগঞ্জের রুপা, নিম্ন আয়ের কর্মজীবী এই নারীর নামের এই একটিই অংশ, যিনি বগুড়া শহরে একটি কারিগরি স্কুলে ছেলেকে ভর্তি করতে চান। ‘আমার তো আয় রোজগার তেমন নাই, স্বামীর ওপর নির্ভরশীলও না আমি। আমার ছেলে যদি টেকনিক্যালে পড়ে, তাহলে সে বিদেশে যাইতে পারবে। একটা ভালো চাকরি পাইলে আমার আর চিন্তা নাই।’<br><br>এদিকে, ঢাকার বাইরে শিক্ষাকেন্দ্রগুলোতে অনেক সময়ই শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট কয়েকটি বিষয় শিখতে আসেন। দেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের কর্মমুখী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ইউসেপের চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্কুলের একজন শিক্ষক অপর্ণা বড়ুয়া জানিয়েছেন, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেসব কাজের চাহিদা রয়েছে, সেই বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থী বেশি থাকে। ‘ওয়েল্ডিং আর অটোমোবাইলের কাজ বেশি শিখে ছেলেরা। কারণ এসব শিক্ষা থাকলে তাদের কাজ পেতে সুবিধা হয়। আর মেয়েরা শেখে ইলেকট্রিক সেলাই মেশিন চালনা। তবে, এসব প্রশিক্ষণ নিতে মেয়েরা খুব একটা আসতে চায় না।’ তবে, কারিগরি শিক্ষার আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, জেলা শহরের বাইরে প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান জানিয়েছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা বাড়ানো এবং নতুন শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করবে সরকার। -বিবিসি বাংলা </body></HTML> 2020-01-22 10:17:54 1970-01-01 00:00:00 শার্শায় সেই গৃহবধূ ধর্ষণে পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত নন: পিবিআই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88664 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666562_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666562_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যশোরের শার্শায় আলোচিত সেই গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি পুলিশ কর্মকর্তা খায়রুলের। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে যশোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন একথা জানান। এ সময় তিনি বলেন, বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। তাদের মধ্যে একজন আসামি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া আটককৃত অপর তিন আসামির ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তিনি আরও জানান, স্বীকারোক্তি দেওয়া আসামি বাদীর পূর্ব পরিচিত এবং পারিবারিকভাবে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনার সঙ্গে গোড়পাড়া ক্যাম্পের আইসি সাব ইন্সপেক্টর খায়রুল আলমের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। এ ঘটনায় অন্য এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। গেল বছরের দুই সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর এলাকায় দুই সন্তানের জননী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পরদিন দুই সেপ্টেম্বর শার্শা থানায় পুলিশের এসআই খায়রুল আলম ও সোর্স কামরুজ্জামান ওরফে কামরুলসহ and nbsp; চারজনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় একটি মামলা করেন ওই গৃহবধূ। পরবর্তীতে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। </body></HTML> 2020-01-22 10:15:16 1970-01-01 00:00:00 দুই বছরের চুক্তিতে টাইগারদের বোলিং কোচ গিবসন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88663 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666455_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666455_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>গুঞ্জনটাই সত্য হলো শেষ পর্যন্ত। ওটিস গিবসনের কাঁধেই পড়ল হাসান-মোস্তাফিজদের দায়িত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রধান কোচ ওটিস গিবসনের সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আলোচনা চলছিল বঙ্গবন্ধু বিপিএল চলার সময় থেকেই। <br>গিবসন ছিলেন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের প্রধান কোচ হিসেবে। তখন থেকেই গিবসন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিসিবি চাইলে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তিনি।<br>বিসিবিও সেই সুযোগটা নিলো। মোস্তাফিজদের বোলিং কোচ হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন আগামী দুই বছর। আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাতে এক বিবৃতির মাধ্যমে তার নাম ঘোষণা করে বোর্ড। <br><br>গেল ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকান চার্ল ল্যাঙ্গাবেল্ট চার মাসের মাথায় দায়িত্ব ছেড়ে দেন টাইগারদের বোলিং কোচের। এরপর অবশ্য বিসিবিও বসে ছিল না। গত রোববার বিসিবির বোর্ড মিটিংয়ে এই ক্যারিবীয় কোচের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত গিবসন বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। গিবসনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি (গিবসন) অসাধারণ কোচ। বিশ্বব্যাপী তার কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা দারুণ। বিপিএলের মাধ্যমে তার সুযোগ হয়েছে বাংলাদেশ দলকে খুব ভালোভাবে দেখার। আমি নিশ্চিত বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফে তিনি একজন মূল্যবান সদস্য হতে যাচ্ছেন।<br><br>আগামীকাল বুধবার পাকিস্তানে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে রাত ৮টায় রওনা করবে বাংলাদেশ দল। গিবসন ইংল্যান্ড থেকে যাবেন পাকিস্তানে। বিপিএল চলাকালীন বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচ হতে আগ্রহী গিবসন বলেছিলেন, অবশ্যই, আমি ক্রিকেট ভালোবাসি, বোলিং কোচিংটা ভালোবাসি। এখানে একটা সুযোগ রয়েছে আসার এবং আমি মনে করি তরুণ বোলারদের আমি সহযোগিতা করতে পারব। আমি অবশ্যই এই সুযোগের দিকে তাকিয়ে আছি। ওটিস গিবসন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি টেস্ট ও ১৫টি ওয়ানডে খেলেছেন। দুই টেস্টে তিনি নিয়েছেন তিন উইকেট ও ১৫টি ওয়ানডেতে নিয়েছেন ৩৪টি উইকেট। মাঠের ক্রিকেটে এতটা খ্যাতি না থাকলেও কোচিং ক্যারিয়ারটা বেশ সমৃদ্ধ বলা চলে। </body></HTML> 2020-01-22 10:13:45 1970-01-01 00:00:00 ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলায় থাকবে না : ডিএমপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88662 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666288_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666288_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আগামী ২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন। আর এ গ্রন্থমেলায় বরাবরের মতো এবারও কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি মেলা স্টলে 'ধর্মীয় উসকানিমূলক' বই যাতে না থাকে সেজন্য নজরদারী করবে পুলিশ। এই ধরনের বই যাতে মেলায় না থাকে সেজন্য ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকেও সক্রিয় থাকবে বই মনিটরিং কমিটি। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদরদপ্তরে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।এর আগে পুলিশ, আয়োজক সংস্থা বাংলা একাডেমি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, পুস্তক প্রকাশনা সমিতির নেতা ও সরকারী সেবা সংস্থাসহ বিভিন্ন অংশীজনদের সমন্বয়ে সভা হয়।<br><br>এতে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, বইমেলা ঘিরে ডিএমপি প্রয়োজনীয় সব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলাতে থাকতে দেওয়া যাবে না। পুলিশ কমিশনার বলেন, বই প্রেমিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সবার সহযোগিতা দরকার। সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাঙালির প্রাণের মেলা সফলভাবে শেষ করতে পারব। যেকোন পরিস্থিতিতে তিনি সবাইকে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ারও পরামর্শ দেন। সভায় বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের বই মেলায় মোট ৫৩৮টি প্রকাশনা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে ৪১১টি স্টল। আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২৭টি স্টল বসবে। সব মিলিয়ে স্টল থাকবে ৮৭২টি। এছাড়া শিশু চত্বর, মসজিদ, টয়লেট, ফুড পার্ক ও প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে বইমেলা প্রাঙ্গণে।<br><br>আনোয়ার হোসেন বলেন, 'বইমেলায় আসা বই মনিটরিং করতে এবারও 'মনিটরিং কমিটি' কাজ করবে। মেলার নিরাপত্তার জন্য তিনশর বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। বাঁশ ও টিন দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ ঘিরে শক্ত বেষ্টনী দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বুক স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক সমিতির সহ-সভাপতি শ্যামল পাল ছাড়াও মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন সমন্বয় সভায়। </body></HTML> 2020-01-22 10:11:02 1970-01-01 00:00:00 উত্তরাতে ফিল্মি স্টাইলে দু’দফা শিক্ষিকার ভ্যানিটিব্যাগও স্বর্ণালংকার ছিনতাই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88661 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666186_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666186_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীতে ফিল্মি স্টাইলে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ! অনেকটা বাজ পাখির মতোই। তাও দুই দফায়। প্রকাশ্য দিবালোকে প্রথমে ছিনতাইকারীরা ছিনিয়ে নেয় ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষিকার ভ্যানিটি ব্যাগ। দ্বিতীয় দফায় শরীর তল্লাশি করে নেয়া হয় তার গলার চেইনসহ স্বর্ণালংকার। জানা গেছে, গত শনিবার(১৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ৫৭ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড। রাজধানীর উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। শৈত প্রবাহ এবং তীব্র শীতের কারণে বেশ কিছুদিন সূর্যের দেখা না মিললেও ওইদিন রোদের দেখা পেয়েছিল রাজধানীবাসী। রিকশায় করে অন্যদিনের মতো কর্মক্ষেত্র ৩ নম্বর সেক্টরে যাচ্ছিলেন এক স্কুল শিক্ষিকা। হঠাৎ করেই পেছন থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল রিকশার গতিরোধ করে। লাল-কালো রংয়ের পালসার ব্র্যান্ডের ওই মোটরসাইকেলকে হেলমেট পরিহিত দুইজন আরোহী। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই মুখ খোলা হেলমেট পরিহিত এক ব্যক্তি ছুটে আসে রিকশায় বসে থাকা ওই শিক্ষিকার দিকে। শরীরে ছুরি স্পর্শ করে ‘ছোঁ’ মেরে কেড়ে নেয় ওই শিক্ষিকার হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ। নির্বাক দৃষ্টিতে অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে রিকশাওয়ালা।<br><br>প্রথম দফায় ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে গেলেও সন্তুষ্ট হতে পারেনি ছিনতাইকারীরা। মোটরসাইকেলে উঠলেও আবার নেমে আসে ওই ছিনতাইকারী। দ্বিতীয় দফায় আবারও ছুরি ঠেকায় ওই শিক্ষিকার শরীরে। এবার হিজাব পরিহিত ওই শিক্ষিকার হিজাব সরিয়ে গলা থেকে স্বর্ণের চেইন এবং হাতে থাকা চুড়ি ছিনিয়ে নেয় অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে। ৭ টা ৫৮ মিনিট ২২ সেকেন্ডে ৩৪ সেকেন্ডের ছিনতাই অপারেশন শেষ করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায় ওই দুর্বৃত্তরা। ভয়ে কিছু সময় হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন ওই শিক্ষিকা। স্কুলে না গিয়ে পুণরায় বাসায় ফিরে আসেন। ওইদিনই এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকার পক্ষে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার স্বামী রহুল আমিন। মঙ্গলবার রুহুল আমিন ব বলেন, ওই দিনের দৃশ্য আমার স্ত্রী কোনভাবেই ভুলতে পারছে না। মাঝেমাঝেই ভয়ে আঁতকে উঠছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ওই ঘটনার কোন অগ্রগতি আছে কি না জানতে চাইলে উত্তরা (পশ্চিম) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তপন চন্দ্র সাহা বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখনো অবগত নই। তবে খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন ওই কর্মকর্তা । and nbsp; </body></HTML> 2020-01-22 10:09:13 1970-01-01 00:00:00 ‘চাকরিতে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে যোগ্যতাকে গুরুত্ব দিন’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88660 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666054_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579666054_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, দেশের চাকরির বাজারে রাজনৈতিক পরিচিতিকে বড় করে না দেখে ব্যক্তির যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংলাপে এ মন্তব্য করেন তিনি। ‘প্রান্তিক যুব সমাজের কর্মসংস্থানে সরকারি পরিষেবার ভূমিকা’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে সিপিডি এবং দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন-বাংলাদেশ। সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপত্বিতে সংলাপে অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, ‘প্রবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে আমরা যে সামষ্টিক অর্থনীতির কথা বলি, সেটার বদলে আমরা কত কর্মসংস্থান করতে পারলাম, এটাকে লক্ষ্য রেখে সামষ্টিক অর্থনৈতিক বা উন্নয়নের ধারাকে সামনে আনতে হবে। বাংলাদেশে বাধ্যতামূলকভাবে ও আইনগতভাবে যুব কর্মসংস্থান প্রকল্প নেওয়া যায় কি না, যেটা বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম ও বাজারের ভিত্তিতে হবে।’<br><br>সামগ্রিক বিষয় রাষ্ট্রের ভূমিকার কথা তুলে ধরে সিপিডির চেয়ারম্যান বলেন, ‘সব কিছুর শেষে রাষ্ট্রের একটা ভূমিকা আছে। রাষ্ট্রের এই ভূমিকা পালন করতে হলে রাষ্ট্রকে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতির মধ্যে রাখতে হবে। যে প্রতিযোগিতার ভেতরে মানুষ তার মেধা, উদ্যোগ, শ্রম স্বীকৃতি পাবে। তার রাজনৈতিক পরিচয়টি এখানে বড় হবে না, অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে ব্যক্তির যোগ্যতা। এটার ফলে রাষ্ট্র এবং সরকার অনেক বেশি উপকৃতি হবে।’ যুবকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান না পেয়ে ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ছেন বলেও মনে করেন রেহমান সোবহান। সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। গবেষণা প্রবন্ধ তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন করণীয় উল্লেখ করেন। তিনি জানান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের অন্যান্য সামাজিক উদ্যোগের পাশাপাশি বাসস্থান সংক্রান্ত বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে বাসস্থানের বিষয়টি উন্মুক্ত বা অনিষ্পন্ন না রেখে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামর্থ্যের বিবেচনায় তাদের সুবিধাজন এলাকায় বাসস্থানের ব্যবসা করা জরুরি। এসব জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সংকট নিরসনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উল্লেখযোগ্য কাজ করছে। সরকারের উচিত হবে আরও কার্যকরভাবে প্রান্তিক যুব জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য এসব সংস্থাকে ব্যবহার করা, বিশেষত বাসস্থান ও অন্যান্য পরিষেবার সমস্যা সমাধানের জন্য।<br><br>কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ ও সরকারি পরিষেবার কার্যকারিতায় করণীয় প্রসঙ্গে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, সরকার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যে শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে, সেখানে প্রান্তিক যুবগোষ্ঠীর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ কাজের সুযোগ রাখা যেতে পারে। দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে বিশেষত ক্ষুদ্র ও মাধারি শিল্পের জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধাসহ বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তুললে প্রান্তিক যুব জনগোষ্ঠী নিজেদের এলাকায় কাজের সুযোগ পেতে পারে।<br><br>সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক আরও জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রচলিত পন্থায় কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের পাশাপাশি বিকল্প পন্থায় দক্ষতা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনায় নেওয়া যায়। এসব প্রান্তিক যুব গোষ্ঠীর দক্ষতা ও নৈপুণ্য বিচারে প্রান্তিক যুব জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা যেমন, ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট, সাঁতার, জিসনাস্টিক, ট্রাক অ্যান্ড ফিল্ড, বক্সিং, নৌকাবাইচ ইত্যাদি খেলায় দীর্ঘ মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। একইভাবে বিভিন্ন দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে তাদের দীর্ঘ মেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। এসব প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করা যেতে পারে।<br><br>এই সংলাপে আরও অংশ নেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুজিবুল হক চুন্নু, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাক, বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, ইউসেপ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক তাহসিনা আহমেদ, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (জেসিআই) সভাপতি সারাহ কামাল, বিডি জবস্-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি বাবুল আক্তার।<br><br>সিপিডি‘র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। এই সংলাপে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাদ্রাসার শিক্ষক, তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য, শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন সংস্থার অনেকেই অংশ নেন। এ ছাড়া দেশের বাইরে থেকেও কয়েকজন এই সংলাপে তাদের মতামত তুলে ধরেন। </body></HTML> 2020-01-22 10:07:06 1970-01-01 00:00:00 ঢাকার ভোটে সেনা নামছে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88659 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579619986_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/21/1579619986_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্রবাহিনীকে মাঠে নামাবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর নির্বাচন ভবনে কমিশন বৈঠক শেষে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের এ কথা জানান।<br>২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিভক্ত ঢাকা সিটির প্রথম নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। ওই নির্বাচনে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিয়ে ক্যান্টনমেন্টেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। প্রয়োজনে তাদের মুভ করার নির্দেশনা দিয়েছিল ইসি। সে সময় ঢাকা ও মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট এবং ডেমরায় রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল ৩ ব্যাটেলিয়ন সেনা। এ বিষয়টি সামনে আনলে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘ঢাকার ভোটে সেনা নামানোর কোনো পরিকল্পনা নেই।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সেনা মাঠে না থাকলেও ভোটকেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ভোটগ্রহণের সহায়তায় থাকবেন। এক্ষেত্রে তারা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পরিচালনায় টেকনিক্যাল টিম হিসেবে সহায়তা করবেন। নিরস্ত্র ৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব থাকে, সে নির্বাচনে তাদের ডাকা হয়। এটি জাতীয় নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে সেনাবাহিনীকে কোন দায়িত্ব দেয়া হয়নি। ইভিএমে যারা কাজ করবে তারা সেনাবাহিনীর ফোর্স না, টেকনিক্যাল লোক। যারা ইভিএমের এক্সপার্ট তাদের শুধু রাখা হবে। <br>আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। <br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-22 21:19:00 1970-01-01 00:00:00