http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - রাতে এমপি শম্ভুর অফিসে মিন্নির আইনজীবী! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79918 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704537_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704537_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেছেন আলোচিত রিফাত হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর সংসদ সদস্য শম্ভুর বিরুদ্ধে মামলায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করছেন শুরু থেকেই। তার সঙ্গেই আইনজীবীর এমন বৈঠকের সমালোচনা করেছেন মোজাম্মেল হোসেন কিশোর। শনিবার (২০ জুলাই) রাতে বরগুনার সদর রোডের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ব্যক্তিগত ল’ চেম্বারের পেছনের একটি কক্ষে আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলামকে দেখা যায়। এ সময় তার সঙ্গে বরগুনা বারের সভাপতি আবদুর রহমান নান্টুও ছিলেন।<br><br>এর একদিন আগে গত শুক্রবার মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘আমার মেয়ে জীবন বাজি রেখে তার স্বামীকে রক্ষা করতে গেছে। এটাই তার অপরাধ? এ সবকিছুই শম্ভু বাবুর (স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) খেলা। তার ছেলে সুনাম দেবনাথকে সেভ করার জন্য আমার মেয়েকে বলি দেওয়া হচ্ছে।’ তবে শনিবার রাতে সংসদ সদস্যের বরগুনার সদর রোডের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে তার সাক্ষাতের জন্য এ প্রতিবেদক অপেক্ষমাণ থাকাকালে ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে বরগুনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুর রহমান নান্টু এবং সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী আসলামকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। কক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্যের পুত্র সুনাম দেবনাথ ও বরগুনার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আক্তারুজ্জামান বাহাদুর। তারা কক্ষের ভেতরে প্রবেশের পর ভেতর থেকে সুনাম একবার কক্ষের দরজা আটকে দেন।<br><br>এ সময় কক্ষের বাইরে নিহত রিফাত শরিফের বাবা দুলাল শরিফও অপেক্ষমাণ ছিলেন। পরে ৯টা ৫৩ মিনিটের দিকে সুনাম দেবনাথ কক্ষ থেকে বের হয়ে দুলাল শরিফের সঙ্গে কানেকানে কথা বলেন। এরপর দুলাল শরিফ চেম্বার থেকে দ্রুত বের হয়ে যান। পরে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম, বারের সভাপতি আবদুর রহমান নান্টু ও বরগুনার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আক্তারুজ্জামান বাহাদুর সংসদ সদস্যের কার্যালয় ত্যাগ করেন। তারা প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সংসদ সদস্যের কার্যালয়ে অবস্থান করেন।<br><br>সংসদ সদস্যের কার্যালয় ত্যাগ করার সময় তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও এ বিষয়ে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এরপর তাদের ফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, আইনজীবী সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্যের কাছে আসতেই পারে। এটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। সংসদ সদস্য কি তাদের ডেকেছিলেন, নাকি তারা ইচ্ছা করেই সংসদ সদস্যের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমপি বারের সভাপতিকে ফোন দিয়েছিলেন, তিনি আমাকে জানানোর পর আমি সভাপতির সঙ্গে এসেছি। এ বিষয়ে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাদের বুঝতে আর কিছু বাকি আছে?’ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মিন্নির আইনজীবী হিসেবে অ্যাডভোকেট আসলাম সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যেতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই পারেন না।<br><br>এ বিষয়ে অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মিন্নির আইনজীবী কেন দেখা করতে এসেছিলেন, জানতে চাইলে সরাসরি উত্তর না দিয়ে সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, তারা চা খেতে এসেছিলেন। প্রসঙ্গত, ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তখন তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয় জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার এজাহারে উল্লেখ থাকা আট আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও সাত জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন। and nbsp; </body></HTML> 2019-07-21 16:21:41 1970-01-01 00:00:00 কুড়িগ্রামে বন্যায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, খাদ্যের জন্য হাহাকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79917 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704191_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704191_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত হলেও মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েক গুন। নেই খাদ্য। নেই বিশুদ্ধ পানি। and nbsp; কারো ঘরে রান্না হলেও নেই তরকারি। ফলে শুকনো ভাত লবণ চটিয়ে খাওয়া ছাড়া কোনও গতি নেই। এ দুর্ভোগ জেলার প্রায় সাড়ে ৮ লাখ বানভাসি মানুষের। and nbsp; চিলমারী উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা দাবি স্থানীয়দের। চিলমারী উপজেলা পরিষদের পাঁচবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী বীরবিক্রম বলেন, ‘তার জানামতে গত ১০০ বছরে এতো পানি চিলমারীর মানুষ দেখে নাই। বিরাজ করছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। সর্বত্র পানি আর পানি।’ উপজেলার ৩০ হাজারের উপরে পরিবার পুরোপুরি পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পানির তোড়ে অষ্টমীর চর ইউনিয়নের ৭৮টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। শনিবার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে খামার বাঁশপাতারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রমনা রেল স্টেশনের উত্তরে রেল লাইনের নিচ থেকে ১৫০ মিটার এলাকার মাটি পানির তোড়ে সড়ে যাওয়ায় রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। <br><br>একইভাবে সকল টিউবওয়েল এখন পানির নিচে। ফলে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সবার ঘরে খাবার নেই। শুকনা খাবারের তীব্র সংকট রয়েছে। এখন পর্যন্ত এ উপজেলায় ১১০ মেট্রিক টন চাল ও ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। চিলমারী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার আব্দুস সালাম জানান, বন্যা স্থায়ী হওয়ায় ইতোমধ্যে পানিবাহিত রোগ-ব্যাধির সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৪ শিশু ও এক বৃদ্ধ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে গত কয়েকদিনে চিলমারী হাসপাতালে চিকিৎসা নেয় ১৩ শিশু, ৭ নারী ও ৭ পুরুষ রোগী। এ সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে তিনি জানান। চিলমারী উপজেলা সদরের থানাহাট ইউনিয়নের খড়খড়িয়া গ্রামের আবুহার আলী (৫০) বলেন, স্ত্রী ছেলে মেয়েসহ ৬ জনের পরিবার নিয়ে গত ৭ দিন ধরে পানিবন্দি জীবন। এখন পর্যন্ত and nbsp; সরকারি কিংবা বেসরকারিভাবে কোন খাদ্য সহায়তা মেলেনি। ঘরে চালের যা সঞ্চয় ছিল তা দিয়ে অল্প অল্প করে রান্না করলেও ছিল না কোনও তরকারি। বলা চলে শুধু মাত্র লবণ চটকিয়ে কোনও রকম জীবন বাঁচানো মাত্র। সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটবে তা নিয়ে চিন্তায় আছি। <br><br>ভট্টপাড়ার জাবের হোসেন (৩৫) শ্রমজীবী মানুষ। কাজ নেই ঘরে খাবার নেই। তার উপর সাতদিন ধরে পানিবন্দি জীবন। ৪ জনের সংসার নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন। অর্ধাহারে দিন কাটছে। তার ভাগ্যেও ত্রাণ জোটেনি। একই অবস্থা চিলমারীর অধিকাংশ দুর্গত এলাকায়। গণকমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি কলামিস্ট নাহিদ নলেজ বন্যার ভয়াবহতা ব্যাখ্যা করে বলেন, এ অঞ্চলের মানুষদের বাঁচাতে হলে সরকারকে এখনই চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা উচিত। কারণ এ তিনটি উপজেলার ৯৫ ভাগ মানুষ এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে বানের পানিতে ভাসছে। ঘরে ঘরে খাদ্যের জন্য হাহাকার বিরাজ করছে। ঘটছে মানবিক বিপর্যয়। সাধারণ মানুষের একমাত্র সম্বল গবাদিপশুও রক্ষা করতে পারছে না। কারণ গবাদিপশু রাখার জায়গা নেই। নেই গো-খাদ্য। and nbsp; জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা যায়, বন্যার ফলে ৫৭টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছে। ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর। বন্যায় এক হাজার ২৪৫ কিলোমিটার রাস্তা, ৪০ কিলোমিটার বাঁধ ও ৪১টি ব্রিজ/কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৩৪টি। প্রায় ২ লক্ষাধিক গবাদিপশু পানিবন্দি।<br>শনিবার (২০ জুলাই) বিকেল পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার কমে গিয়ে ৮৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর পানি ব্রিজ পয়েন্টে ৪৫ সে.মি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।<br><br>বন্যা দুর্গতদের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ৮৫টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। ৫টি ওয়াটার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়াও পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট ও স্যালাইন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে বলে কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. এসএম আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন। বন্যা দুর্গতদের সহযোগিতায় প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ সামর্থ্য অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করছেন। and nbsp; ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান জানান, সকল বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ পর্যন্ত জেলা প্রশাসন থেকে ৮শ’ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ হাজার ৪২৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। </body></HTML> 2019-07-21 16:15:44 1970-01-01 00:00:00 অনির্দিষ্টকাল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা ঢাবি শিক্ষার্থীদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79916 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704076_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563704076_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজকে অধিভুক্তি থেকে বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। রোববার (২১ জুলাই) বেলা দু’টার দিকে টিএসসি রাজু ভাস্কর্যের সামনে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র আবেদ হোসেন আকাশ। এ সময় তিনি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আকাশ বলেন, যতক্ষণ না আমাদের দাবি আদায় হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। আগামীকাল সকাল ৭টায় রাজু ভাস্কর্যে সব শিক্ষার্থীকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এরপর সেখান থেকে বিক্ষোভ করার ঘোষণা দেন। এর আগে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলসহ চার দফা দাবিতে সকাল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনে অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে বিকেল সাড়ে ৪টায় নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ। </body></HTML> 2019-07-21 16:13:51 1970-01-01 00:00:00 জামিনে বেরিয়ে ফের অপরাধে জড়াচ্ছেন জাল নোটের হোতারা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79915 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703900_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703900_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মামলার দীর্ঘসূত্রতা, কারাগার ও আদালতে নতুন নতুন অপরাধীদের সঙ্গে সখ্য- এসব কারণে জামিনে বেরিয়ে ফের জালমুদ্রা তৈরির মত অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন মামলার আসামিরা। সমাজে আত্মশুদ্ধির সুযোগ না থাকায় অপরাধের দুষ্টচক্র থেকে আসামিরা বের হতে পারছেন না বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা। আবদুর রহিম। জালমুদ্রা তৈরির একজন দক্ষ কারিগর। প্রায় এক যুগ ধরে এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত। ধরাও পড়েছেন কয়েকবার। জামিনে বেরিয়ে ভালো হওয়ার চিন্তা মনে উঁকি দিলেও, ভালো সঙ্গ না পাওয়ায় ফের জড়িয়ে পড়েছেন একই অপরাধে। <br><br>রফিকুল ইসলাম খসরু। কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও জালমুদ্রা জগতের বড় বাজারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে রাজধানীতে গড়ে তোলেন নিজস্ব কারখানা। and nbsp; ডিবি (উত্তর) পুলিশের উপ কমিশনার মশিউর রহমান বলছেন, জালনোট তৈরির নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত অপরাধীরাই ঘুরে-ফিরে জামিনে বেরিয়ে আবারো একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। and nbsp; কারাগার ও সমাজে অপরাধীদের আত্মশুদ্ধির সুযোগ না থাকায় অভিযুক্ত অপরাধীরা নতুন কোরে অপরাধে জড়াচ্ছে বলে জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খন্দকার ফারজানা রহমান। and nbsp; অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের এই সহকারী অধ্যাপক বললেন, কেবল আইন প্রয়োগ কোরে নয়, অপরাধ কমিয়ে আনতে হবে, সবার and nbsp; প্রচেষ্টায়। and nbsp; </body></HTML> 2019-07-21 16:10:26 1970-01-01 00:00:00 মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79914 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703743_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703743_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। and nbsp; আজ রোববার (২১ জুলাই) সকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ আদেশ দেন। এর আগে মিন্নির জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেন বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী আসলাম। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। and nbsp; আদালতে মিন্নির পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের দু’জন এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট-ব্লাস্টের সাতজন আইনজীবী। <br><br>গেল ১৬ জুলাই আসামি শনাক্তের কথা বলে মিন্নিকে বরগুনা পুলিশ আনা হয়। পরে রাত নয়টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। and nbsp; এর আগে মিন্নির পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছিলেন, আজ মিন্নির পক্ষে জামিনের আবেদন করা হবে। </body></HTML> 2019-07-21 16:08:44 1970-01-01 00:00:00 ছেলে ধরা সন্দেহে মান্দায় ৬ মৎস্যজীবীকে গণপিুটনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79913 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703668_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563703668_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ছেলে ধরা সন্দেহে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ছয়জন মৎস্যজীবীকে গণপিুটনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। and nbsp; আজ রোববার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কুসম্বা ইউনিয়নের বুড়িদহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুরে ছোট মাছ ধরার জন্য পুকুর মালিক সনজিত ছয়জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে আসেন। চুক্তি ছিল পুকুর মালিক নিবেন মাছের ৭০ শতাংশ এবং মৎস্যজীবীরা ৩০ শতাংশ। সকাল থেকে ছয়জন মৎস্যজীবী পুকুরে মাছ ধরছিলেন। মাছ ধরার সময় মৎস্যজীবীরা তিনটি বড় মাছ গোপনে বস্তার মধ্যে রেখে দেয়। <br><br>পরে পুকুর মালিক বিষয়টি বুঝতে পারেন। সনজিত বস্তা দেখতে চাইলে মৎস্যজীবীরা দেখাতে রাজি হচ্ছিলেন না। এক সময় তারা দৌড় দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এতেই ঘটে বিপত্তি। পাড়ার লোকজন ছেলেধরা সন্দেহে চিৎকার দিয়ে তাদের ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, ছেলেধরা বিষয়টি গুজব। বাস্তবে তারা নিরীহ মৎস্যজীবী। তারা মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। মাছ শিকারের জালসহ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বাড়ি সদর উপজেলায় বলে জানান তিনি। </body></HTML> 2019-07-21 16:07:23 1970-01-01 00:00:00 ফতুল্লায় ছেলেধরা সন্দেহে ফুল ব্যবসায়ীকে গণপিটুনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79912 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683911_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683911_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছেলেধরা সন্দেহে রাসেল মিয়া (৪৫) নামে এক ফুল ব্যবসায়ীকে গণপিটুনী দিয়ে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। শনিবার (২০ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টায় সদর উপজেলার ফতুল্লার লালখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ফুল ব্যবসায়ী রাজধানীর জুরাইন দারোগা বাড়ি রোডের নূর হোসেনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লালখা এলাকার ইবু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া শাহজাহান গাজীর মেয়ে প্রিয়া (৬) দোকান থেকে বিস্কুট কিনে বাসায় ফেরার পথে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তি (রাসেল) তাকে হাত ধরে সঙ্গে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় লোকজন কাছে আসলে রাসেল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এতে ছেলেধরা সন্দেহে এলাকাবাসী রাসেলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়। রাসেলের স্ত্রী নাসিমা রাত ১১ টায় ফতুল্লা মডেল থানায় এসে তাকে সনাক্ত করে বলেন, সে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ফুল ব্যবসা করেন। রাসেল ছেলেধরা নয়। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, রাসেল সম্পর্কে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে। </body></HTML> 2019-07-21 10:37:59 1970-01-01 00:00:00 গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79911 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683813_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683813_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় নিলুফা আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২০ জুলাই) রাত সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার দীঘা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুই সন্তানের জননী নিলুফা আক্তার দীঘা গ্রামের মৃত ইব্রাহীম কাজলের স্ত্রী। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কি কারণে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে সে বিষয়ে কেউ নিশ্চিত হতে পারেনি। গলাকাটা চক্রের কাজ বলে এলাকায় প্রচার হলেও এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। নিলুফা আক্তারের মেয়ে প্রীমা আক্তার জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মা বাথরুমে যায়। আমাদের বাড়ির বাথরুম বসত ঘর থেকে একটু দুরে। জঙ্গলের দিকে। মায়ের চিৎকার শুনে আমরা দৌড়ে বাথরুমের দিকে যাই। গিয়ে দেখি মায়ের সারা শরীর রক্তাক্ত। মা চিৎকার করতে করতে বলে অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলা তাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে ছুরি দিয়ে গলা কাটতে চেয়েছিল। নিলুফা আক্তারের গলার কাছে দুইটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত।<br><br>বাড়ির লোকজন নিলুফা আক্তারকে উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। রাত সাড়ে এগারটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলুফা আক্তারের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। গফরগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ খাঁন বলেন, খবর পাওয়ার পর সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে এবং এ ঘটনার বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। </body></HTML> 2019-07-21 10:35:55 1970-01-01 00:00:00 ছেলেধরা সন্দেহে অভিভাবককে গণপিটুনি : ৫শ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79910 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683364_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683364_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে এক নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। শনিবার রাতে বাড্ডা থানায় নিহতের ভাগিনা নাসির উদ্দিন এ মামলা করেন। মামলায় বলা হয়েছে, অতর্কিতভাবে ওই নারীকে স্কুলের অভিভাবক, উৎসুক জনতাসহ অনেকে গণপিটুনি দেয়। এতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়িত। পুলিশের বাড্ডা থানার ডিউটি অফিসার এসআই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার বাদী নিহতের ভাগিনা নাসির উদ্দিন। বাড্ডা থানার এসআই সোহরাব হোসেনকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।<br><br>এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ভাগিনা ও বোন রেহানা। তারা জানায়, নিহতের নাম তসলিমা বেগম রেনু। তার ১১ বছরের এক ছেলে ও চার বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে। আড়াই বছর আগে তসলিম উদ্দিনের সাথে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছেলেমেয়েকে নিয়ে মহাখালী ওয়ারলেস এলাকায় একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি। নিহতের ভাগিনা নাসির উদ্দিন বলেন, রেনু মানসিক রোগে ভুগছিলেন। চার বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তিনি এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে ঘুরছিলেন। এ কারণেই হয়তো তিনি বাড্ডার ওই স্কুলটিতে যান।<br><br>বাড্ডা থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, রেনু তার মেয়েকে ভর্তি করার জন্য স্কুলে যান। কিন্তু মানসিক অসুস্থতার কারণে তার আচরণ অস্বাভাবিক ছিল। এজন্য স্কুলের অনেকেই তাকে ছেলেধরা হিসেবে সন্দেহ করছিল। প্রধান শিক্ষক তার সাথে কথা বলার জন্য রুমে নিয়ে যান। কিন্তু স্কুল প্রাঙ্গণে তার অস্বাভাবিকতা দেখে অনেকেই বের করে মারধর করতে চাইছিলেন। প্রধান শিক্ষক রেনুকে বাইরে বের না করলে, স্কুলের কিছু অভিভাবক ও বাইরে থেকে আসা উৎসুক জনতা রুমের গেট ভেঙে তাকে 'ছেলেধরা' বলে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢামেকে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রেনুকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে বাড্ডা থানার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) আহমেদ হুমায়ুন বলেন, আমরা প্রধান শিক্ষকের স্টেটমেন্ট নিয়েছি, তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে মূল ঘটনা জানা যাবে। এদিকে শনিবার বিকেলে পুলিশ সদর দফতর থেকে এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গুজবে কান দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা রাষ্ট্রবিরোধী কাজের শামিল। এছাড়া গণপিটুনি দিয়ে মানুষ মারাকে বড় ধরনের অপরাধ। এগুলো থেকে বিরত থাকতে হবে। পুলিশ সদর দফতর জানায়, পদ্মা সেতু নির্মাণে মাথা লাগবে- একটি মহল এমন গুজব ছড়ানোর পর দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন গণপিটুনিতে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি একটি ফৌজদারি অপরাধ। আইন নিজের হাতে তুলেন নেবেন না। গণপিটুনির ঘটনা তদন্ত করে এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। </body></HTML> 2019-07-21 10:28:20 1970-01-01 00:00:00 ঢাবিতে ছাত্রলীগ নেতা গুলিবিদ্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79909 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683095_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563683095_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার দা সূর্যসেন হলের সামনে এক ছাত্রলীগ নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। and nbsp; শনিবার (২০ জুলাই) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টার দা সূর্যসেন হলের গেটে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার ডান পায়ের উরুতে গুলি লেগেছে। and nbsp; গুলিবিদ্ধ ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মেশকাত হোসেন। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক। সূর্যসেন হল ছাত্র সংসদের ভিপি মারিয়াম জামান খান সোহান বলেন, হলে ঢোকার সময় তার পা থেকে রক্ত বের হতে দেখতে পাই। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তিনি মেশকাত কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। এ বিষয়ে সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মকবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে ঠিকমতো এখনো জানি না। একজন হলের শিক্ষককে ঢাকা মেডিকেলে পাঠিয়েছি। তিনি ব্যাপারটা জেনে জানাবেন। </body></HTML> 2019-07-21 10:24:12 1970-01-01 00:00:00 ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79908 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639709_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639709_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ and nbsp; ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পরিস্থিতিকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এডউইন স্যালভাদর। শনিবার সকালে বনানীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনের বাসায় গিয়ে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। স্যালভাদর বলেন, “ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য নতুন কিছু নয়। দুটি নম্বর গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক কত মানুষ এ মুহূর্তে ডেঙ্গুতে ভুগছে, কত জন চিকিৎসা নিতে আসছে। সংখ্যা দুটি কিন্তু বাড়ছে। এটা উদ্বেগজনক। সংখ্যা যে বাড়ছে।” গত মাসের প্রথম দিকে ঢাকায় ডেঙ্গু প্রকোপ শুরু হওয়ার পর এরইমধ্যে মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। ডেঙ্গুতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে, যদিও সরকারের তরফ থেকে মাত্র পাঁচজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা যখন ডেঙ্গুর প্রদুর্ভাবকে ‘উদ্বেগজনক’ বলছিলেন, তার পাশে দাঁড়িয়ে সম্মতিসূচক মাথা নাড়ছিলেন মেয়র সাঈদ খোকন। তবে মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ডেঙ্গু নিয়ে নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। আর গেল মাসে ব্যাপকভাবে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা যখন এবার এই রোগ আরও ভয়াবহ হওয়ার তথ্য জানান, সে সময় সংবাদ সম্মেলন করে সাঈদ খোকন বলেছিলেন, "ডেঙ্গু জ্বর বাসায় সাত থেকে ১০ দিনেই সাধারণভাবে ভালো হয়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে।" এদিনও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীর সচেতনতার কথা বলেছেন মেয়র খোকন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গু কখনও বাইরের ময়লায় বা ড্রেনে হয় না। এটা হয় পরিষ্কার সাদা পানিতে। তাই এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই।” গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার ৩৩ হাজার বাড়িতে এডিস মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের কথা জানিয়ে সাঈদ খোকন বলেন, “এটি ধ্বংস করার উপায় শিখিয়ে দিয়ে আসার পর সেই বাড়িতে পরিদর্শনে গেলে পূর্বের সেই একই পরিস্থিতি দেখতে পাই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”<br>অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখনও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আছে দাবি করে সাঈদ খোকন বলেন, “ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।” এডিশ মশা নিধনে অকার্যকর ওষুধ ব্যবহার সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দক্ষিণের মেয়র বলেন, “আমরা নৌ বাহিনীর সরবরাহকৃত ওষুধ ব্যবহার করে থাকি। ওষুধের কোনো সমস্যা থাকলে আমরা দেখব।”<br>সকাল ১১টার দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আরও তিনজন সদস্যকে নিয়ে মেয়রের বনানীর বাসয় আসেন এডউইন স্যালভাদর।<br>ডিএসসিসি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তারা and nbsp; প্রতিবেদন দেবেন, যার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সিটি করপোরেশন। <br>বৈঠকে অন্যদের মধ্যে হেলথ ইমার্জেন্সির দল প্রধান হাম্মাম এল সাক্কা, আইভিডি ইম্যুনাইজেশন ভ্যাক্সিন ডেভেলপমেন্টর রাজেন্দ্র বোহরা, ঢাকার বিভাগীয় সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তা?ফিজুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:21:00 1970-01-01 00:00:00 হাজারীর ফেসবুক ভাষণ (১৬ই জুলাই) http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79907 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639669_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639669_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ ভাষনের শুরুতেই হাজারী বলেন- এ মাসের ভাষণটি দিতে পারবো মনে করি নাই। অসুস্থ্য ছিলাম তবে এখন খানিকটা সুস্থ তাই অতি সংক্ষেপে কয়েকটি জরুরি কথা বলব। প্রথমেই তিনি ক্রিকেট খেলোয়ার ফেনীর সাইফুদ্দিনকে তার বিশ্বকাপে গৌরবময় অবদানের জন্য তাকে অভিনন্দিত করেন। তিনি বলেন ফেনীর কোন ছেলে অতীতে জাতীয় দলে খেলার কোন সুযোগ পায়নি। সুযোগ পেয়েই সাইফুদ্দিন ফেনীবাসিকে গৌরববান্নিত করেছে। তিনি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন।<br>এরপর ফেনী কলেজের অভিষেক অনুষ্ঠানে সেন্ডিকেট নেতার দেয়া ভাষণের কঠোর সমালোচনা ও নিন্দাজ্ঞাপন করেছেন। সেদিন সেন্ডিকেট নেতা সেখানে বলেছিল ফেনীতে বর্তমানে অতীতের মত সন্ত্রাস নাই। ঠিক এই কথাটি প্রিন্সিপাল সাহেবও বলেছিলেন। হাজারী বলেন চক্ষুলজ্জা থাকলে এই কথাটি কেউ বলতে পারে না। কারণ একরামের গাড়িতে আগুন দিয়ে ও গুলি করে তাকে এই আমলেই হত্যা করা হয়েছে। এখন নুসরাতকেও আগুন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নুসরাত হত্যা প্রসঙ্গ টেনে হাজারী বলেন এর চাইতে বড় সন্ত্রাস আর কি আছে। তিনি বলেন নুসরাত হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশ উত্তল হয়ে উঠেছিল। প্রধানমন্ত্রী এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। মামলাটির গুরত্ব অনুধাবন করে এটিকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছিলেন। পিবিআই নিরপেক্ষ থাকার কারণে আ.লীগ সভাপতি গ্রেফতার হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। মোট কথা এর চাইতে বড় সন্ত্রাস সারা পৃথিবীতে খুব কমই আছে। নুসরাতের ঘটনাটি সারা পৃথিবীর মিডিয়াতেও গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়েছিল। নুসরাত হত্যার ঘটনার পর ফেনীকে সন্ত্রাসমুক্ত বলার কোন মুখ কারো আছে চিন্তাই করা যায় না। সেন্ডিকেট নেতার সুরে সুর মিলিয়ে প্রিন্সিপাল সাহেব বলেছেন একই কথা। তিনি তারও কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন ছাত্রদেরকে লেখাপড়ার কথা না বলে বিকৃত ও মিথ্যা তথ্য দেয়ার জন্য তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন।<br>তিনি বলেন আমার ধারণা যখন মানুষের লজ্জা সরম চলে যায় এবং মানুষের মধ্যে থেকে হায়া মায়া উঠে যায় তখনই কেয়ামত নিকটে চলে আসে। তিনি বলেন আমি ভাবছিলাম কিয়ামত খুব কাছে চলে এসেছে কিনা। ফকিরের টাকা ছিনতাই, ট্রেন ডাকাতি এবং নিজ দলের লোকদের খুন করার কোন প্রবনতা ইতিপূর্বে কখনোই ছিল না। এখন এইসব সন্ত্রাসে বর্তমান ফেনী জর্জড়িত। তবুও সেই ভাঙ্গা রেকর্ড ওরা বাজিয়েই চলেছে। এটাকে খুবই নিন্দনীয় বলে হাজারী আখ্যায়িত করেন। এরপরে নুসরাতের বিপক্ষে এবং আসামিদের পক্ষে বিপুল সংখ্যক উকিল অংশগ্রহণ করায় হাজারী দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ফেসবুকে একজন লিখেছে উকিল সাহেবরা কি নুসরাতের মত তার বোন-কন্যা কিংবা স্ত্রীর এমন অবস্থা হতো তখন আসামি পক্ষে অবস্থান নিতে পারতেন। হাজারী বলেন আইনের চোখে সবাই সমান এটা সত্য। কিন্তু কিছু চাঞ্চল্যকর মামলা আছে যা আইনের উর্ধে। দুভাগ্যের বিষয় নুসরাতের জন্য বা বাদির জন্য উকিল নাই কিন্তু আসামিদের জন্য কোর্টে উকিলেরা ঠেলাঠেলি করে যোগ দিয়েছে। তিনি বলেন এটা টাকা পয়সার জন্যে কিংবা আসামিদের বাঁচাবার জন্য নয় কোন অশুভশক্তির উঙ্গিতেই এটা করা হচ্ছে। তবে তিনি নিশ্চিত করে বলেন যে সমস্ত এই মামলায় উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে কোন আসামির খালাস পাওয়ার সম্ভাবনা মোটেই নাই। তিনি বলেন কারো ইঙ্গিত নয় নিজের বিবেকের তাড়নাতেই উকিলদের দায়িত্ব পালন করা উচিত।এরপর তিনি বলেন হঠাৎ সেন্ডিকেট নেতা ও নাসিমের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। যেই নাসিমকে ফেনীর উন্নয়নের রূপকার ও ফেনীর রাজনীতির পিতা বলা হত এবং প্রতিটি সভায় নাসিমের ব্যানার দিয়ে ভরে রাখা হতো এবং প্রতিটি বক্তা নাসিম বন্দনায় ব্যস্ত থাকত সেই নাসিম এখন সব জায়গা থেকে নির্বাসিত। কয়দিন আগে ধুমধাম করে আ.লীগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি করা হয়েছে। সেখানে নাসিমের কোন ব্যানার দেখা যায়নি। এখন ওয়ার্ড কমিটির সভা চলছে সেখানেও নাসিমের নামটিও উচ্চারণ করে না। হঠাৎ এই পরিস্থিতিকে ঝড়ের আভাস মনে করা হচ্ছে। এক সময় নাসিমের বাড়িতে তালা লাগানো হয়েছিল এবং তার একটি মুরাল ছবিতে কে বা কারা কালিমা লেপন করেছিল। তখন ফেনীর ডুলামেয়র সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিল এইসব হাজারীর কাজ এবং হাজারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। অথচ এবং সকলের কাছেই এটা পরিষ্কার ওইসব কারা করেছে। অন্যপ্রসঙ্গে এসে হাজারী বলেন আমাদের একজন মহিলা সংসদ সদস্যসহ চারজন সংসদ সদস্য রয়েছে। তিনি দুঃখ করে বলেন এদের এবারের বাজেট অধিবেশনে বলতে গেলে কোন ভূমিকাই ছিল না। অপরদিকে একজন তো এক মূহুর্তের জন্যও সংসদে যায় নাই। তিনি বলেন একজন ছাত্রের যেমন প্রধান দায়িত্ব লেখাপড়া করা তেমনি একজন সংসদ সদস্যের দায়িত্ব সংসদে গিয়ে ভূমিকা পালন করা। সংসদের সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনটাই বাজেট অধিবেশন। সেখানে তেমন কোন ভূমিকা না রাখায় তিনি হতাশ।<br>এবার তিনি বলেন ফতেহপুর ফ্লাইওভারটি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবাধনে নির্মিত হয়েছে। সেনাবাহিনীর কাজে জনগণ খুবই খুশি কিন্তু ফতেহপুর ওভার ব্রিজটি এক বছরের মাথায় গর্ত হয়ে গেছে। উপরের অংশেই দেখা গেছে বড় বড় গর্ত। যা বড় ধরণের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই তিনি বলেন আগামী ঈদের আগেই এগুলো মেরামত করার দরকার নতুবা ঢাকা-চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন হতে পারে।<br>এবার ফেনীতে পুলিশের ব্যাপক রদবদল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হাজারী বলেন এতে ফেনীর মানুষ আনন্দিত। আগে পুলিশ কর্মকর্তারা এক ব্যক্তির চাকরের মত কাজ করতো এখন এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হওয়ার আশা করে। তবে ছয়জন এসআই বদলি হয়েছিল কিন্তু সে আবার বদলি বাতিল করে ফেনীতেই রয়েছে। এই এসআইটাই সাখাওয়াতের উপর কিছুদিন আগে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছিল এবং এটাই ছিল সব চাইতে খারাপ। এ ব্যাপারে তাই পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ্য করে হাজারী বলেন এই বিষয়টি আপনি ব্যক্তিগতভাবে আমলে নিয়ে ঐ এসআইটাকে অন্যত্র পাঠিয়ে দিন।<br>সবশেষে হাজারী বলেন- রদবদলের পর এখন পর্যন্ত পুলিশের ভূমিকা ভাল। আর এই কারণেই বর্তমান পুলিশ সুপারকে তিনি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানান।<br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:21:00 1970-01-01 00:00:00 ঈদে নৌ নিরাপত্তায় ১০ দফা সুপারিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79906 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639642_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639642_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে নিরাপদ যাতায়াতের লক্ষ্যে ১০ দফা সুপারিশ উত্থাপন করেছে শিপিং এন্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরাম (এসসিআরএফ)।<br>শনিবার সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সুপারিশ উত্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, ভরা দুর্যোগ মৌসুমে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এই বিবেচনা থেকে বাস্তবতার আলোকেই সুপারিশগুলো তৈরি করা হয়েছে।<br>এসসিআরএফ'র ১০ দফা সুপারিশে রয়েছে- সব নদীবন্দর ও নৌপথে অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম শুরু; নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বিআইডব্লিউটিএতে জরুরিভিত্তিতে তিনজন করে অস্থায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি; পদ্মার শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে পর্যাপ্তসংখ্যক র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার মোতায়েন; লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ; উপকূলীয়, হাওর ও পাহাড়ী জনপদে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ নৌযান চলাচল বন্ধে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে সম্পৃক্তকরণ; গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের তৎপরতা জোরদারকরণ; টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাটগুলোতে বড় পর্দা, লাউড স্পিকার ও বেতার-টেলিভিশনে প্রতি ঘন্টায় আবহাওয়া বার্তা প্রচার; লঞ্চ ও স্টিমারসহ সবধরনের যাত্রীবাহী নৌযানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন; সব টার্মিনালে শৌচাগার ও ওজুখানায় পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থাসহ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং যাত্রীবোঝাই লঞ্চ ছাড়ার আগমুহূর্তে ভিডিওচিত্র ধারণ করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ।<br>এসসিআরএফ'র সভাপতি আশীষ কুমার দে বলেন, দুরপাল্লার সড়কে তীব্র যানজটসহ সারাবছর যে হারে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে তাতে উপকূলীয় জনপদের মানুষ ঈদযাত্রায় নৌপথকেই প্রাধান্য দেবে। ফলে লঞ্চ-স্টিমারসহ নৌযানে যাত্রীর চাপ অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে চলছে ভরা দুর্যোগ মৌসুম। তাই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জনস্বার্থে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। <br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:20:00 1970-01-01 00:00:00 সাংবাদিক পাইলেই গুলি করে মারব: কুবি ছাত্রলীগ নেতাদের হুমকি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79905 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639616_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639616_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কর্মরত সাংবাদিকদের গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতা শোয়েব হাসান হিমেল ও রাইহান ওরফে জিসান। শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার সামনে গেলে সাংবাদিকদের এ হুমকি দেন তারা। এসময় তারা সাংবাদিকদের অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল ও লাঞ্ছিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার পৌনে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শোয়েব হাসান হিমেল সাংবাদিকদের অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ শুরু করেন। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে কেন এসেছেন বলে চিৎকার করতে থাকেন এবং সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি তানভীর সাবিক প্রতিবাদ করলে হিমেল বলেন, ‘গুলি করবো। বুলেট সাংবাদিক চিনে না, সাংবাদিক পাইলেই গুলি করে মারবো।’<br>এসময় হিমেলের সঙ্গে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাইহান ওরফে জিসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমকাল প্রতিনিধি আবু বকর রায়হানকে মারার জন্য তেড়ে আসেন।<br>এসময় কুবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদসহ সিনিয়র নেতারা তাদেরকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। তবে সাংবাদিকদের হুমকির বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা শোয়েব হাসান হিমেল প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে তিনি বলেন, ‘আমি রাগের মাথায় এটা বলেছি। আমার কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না।’ আরেক ছাত্রলীগ নেতা জিসানকে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এর আগে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় এক সাংবাদিককে চোখ তুলে নেয়ার হুমকি দেন হিমেল। এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা হিমেল ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ৫০২ নং কক্ষে মাদকসেবীদের নিয়ে রাতভর মাদক সেবনে মেতে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হলে অবস্থানরত একাধিক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হিমেল তার অনুসারীদের নিয়ে নিয়মিত মাদকের আসর বসান। তার কক্ষের সামনে দিয়ে গেলে নেশাজাতীয় দ্রব্যের গন্ধ পাওয়া যায়।<br>এদিকে ছাত্রলীগ নেতা হিমেল গত ১০ এপ্রিল প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সিনিয়র এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেন এবং তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দেন।<br>এ নিয়ে ১৪ এপ্রিল তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ছাত্রলীগ নেতা জিসান গভীর রাতে কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৫০৬ নম্বর কক্ষে মাদকসেবীদের নিয়ে আসর বসান। কয়েক মাস আগে অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালেও যেতে হয়েছে এ ছাত্রলীগ নেতাকে। হলের সিনিয়র নেতা কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গেল সপ্তাহে বণিক বার্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিকে ‘মইরা গেলে কবরে গিয়া হইলেও দুইডা কোপ দিয়া আসমু’ বলে হুমকি দেন জিসান। জানা গেছে, দুই হলের মাদকের ছড়াছড়িতে এ দুই নেতার যোগসাজশসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। হিমেল ও জিসানের বিষয়ে কুবির সিনিয়র এক ছাত্রলীগ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা দুজন সব সময় মাদকাসক্ত থাকে। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রলীগের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করে দুই হলে তারা মাদকের সাম্রাজ্য খুলে বসেছেন। এ বিষয়ে কুবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, ‘সাংবাদিকদের হুমকি বা লাঞ্ছিত করলে তাদের দায় ছাত্রলীগ নেবে না। তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’<br>কুবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, ‘সাংবাদিকদের হুমকি দেয়া ছাত্রলীগের আদর্শবিরোধী।’ মাদকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন যদি কোনো ব্যবস্থা নেয় সেক্ষেত্রে আমরা সহযোগিতা করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী হলেও সাংবাদিকরা স্বেচ্ছাসেবী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করেন। তাদের সঙ্গে যারা অছাত্রসুলভ আচরণ এবং হুমকি দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ছাত্রসংগঠন, সাংবাদিক ও আমরা সবাই মিলে ব্যবস্থা নেব। শুধু প্রক্টর হিসেবে নয় শিক্ষক হিসেবেও আমি এমন ঘটনার ধিক্কার জানাচ্ছি।’ <br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:20:00 1970-01-01 00:00:00 শ্রীলঙ্কা গেল জাতীয় ক্রিকেট দল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79904 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639582_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639582_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক॥ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে বাংলোদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। শনিবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে দেশ ত্যাগ করে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন দল। এক ঝাঁক তারকা ক্রিকেটারকে ছাড়াই এই সফরে গেল বাংলাদেশ দল। দলের সেরা তারকা সাকিব আল হাসান আছেন ছুটিতে। তিনি এখন পরিবার নিয়ে ইউরোপে অবসর কাটাচ্ছেন। শেষ মুহূর্তে চোটে পড়েছেন নিয়মিত ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। এছাড়া পিঠের চোটের কারণে দলের সঙ্গে যেতে পারেননি অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। তার বদলে সুযোগ পেয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। আর মাশরাফির পরিবর্তে দলে সুযোগ পান অলরাউন্ডার ফরহাদ রেজা। এছাড়া উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন দাস আছেন বিয়ের ছুটিতে।<br>ঢাকা ছাড়ার আগে অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেন, ‘এই সিরিজটা আমাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে খেলতে হবে আমাদের। চোটে পড়ায় আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্রিকেটার এই সিরিজে যাচ্ছেন না। তাই এই দলের প্রমাণ করার অনেক কিছু আছে।’ বাংলাদেশ দল : তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সাব্বির রহমান, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, এনামুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।<br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:19:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর ফতেহপুরের রেলক্রসিং ওভারপাসে খানাখন্দের কারনে দুর্ঘটনার শঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79903 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639559_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639559_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুরের রেলক্রসিং এর উপর এই ওভারপাসটি গত বছর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর এ বছরে কয়েক দফা বর্ষার পানিতে ওভারপাসের সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ওভারপাসের অংশ ছাড়াও সড়কের কয়েক জায়গায় দেবে গিয়ে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব গর্তে চাকা আটকে পড়ে প্রতিদিন ঘঠছে দুর্ঘটনা, নস্ট হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রপাতি এবং বিকল হচ্ছে যানবাহন। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ফতেহপুরের এই রেলওয়ে ওভারপাসের সড়কে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে । এছাড়া সড়কের অনেক অংশ দেবে গেছে। ওভারপাসের পশ্চিম দিকের সড়ক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ওই অংশে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যানবাহন গর্তে পরে ইতিমধ্যে ছোট্ট ছোট্ট কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘঠেছে এবং সড়কের পাসের রেলিংয়ের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। and nbsp; এলাকাবাসী জানায় যেকোনো সময় তৈরি হওয়া এইসব গর্তে গাড়ির চাকা পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যদি ওভারপাসের রেলিং ভেঙে নিচে পরে যায়, তাহলে যান মালের বড় ধরনের ক্ষতি হবে পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাবে মহাসড়কের যান চলাচল। এদিকে ফেনীর পরিবহণ মালিকরা বলেন ঈদেকে সামনে রেখে এ পথে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্নে করতে এই ভাঙ্গা অংশ গুলো দ্রুত মেরামত না করা হলে ভাঙ্গা অংশে এসে যানবাহনের গতি কমিয়ে দেওয়ার কারনে এ পথের যাত্রী ও পরিবহণ চালকদের চরম ভোগান্তীতে পরতে হবে, সেই সাথে সৃষ্টি হবে যানজট । এদিকে ফেনীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী যানান ওভারপাসটির নির্মাণ কাজ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটেলিয়ান নির্মানের পরবর্তী রক্ষনা-বেক্ষনের দাইত্বেটাও এখন পর্যন্ত and nbsp; তাদের । তিনি বলেন আমি এই ওভারপাসের দাইত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ২০ এর মেজরকে বিষয়টি অবগত করছি এবং তিনি যানিয়েছেন সরজমিনে গিয়ে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ গুলো দেখে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করবেন। গত ২০১২ সালে শুরু হয়ে,২০১৮ সালের ১৫ মে এই ওভারপাসের উপর দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়। ওভারপাসটির মোট ৮৬ দশমিক ৭৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও প্রায় ২১ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের প্রকল্পের মধ্যে ৭’শ ৫৫ মিটার এ্যাপ্রোচ সড়ক রয়েছে। ৬৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ওভারপাসটি গত বছরের ১৪ আগস্ট গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:19:00 1970-01-01 00:00:00 ত্রাণ সহায়তার কোনও অভাব নেই: খাদ্যমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79902 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639533_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639533_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলছেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে। বন্যা মোকাবিলায় ত্রাণ সহায়তার কোনও অভাব নেই। শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার জবাই বিলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন স্থানে একাধিক কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় দ্রুত ও পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে।<br>ত্রাণসামগ্রী সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মন্ত্রী। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:18:00 1970-01-01 00:00:00 চুনোপুঁটি ধরব, বড় মাছও ধরব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79901 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639507_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639507_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ দুর্নীতি দমনে আইনজীবী ও বিচার বিভাগের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। একই অনুষ্ঠান উপস্থিত আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিজামুল হক ও দুর্নীত দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। বিচারপতি নিজামুল হক দুদক চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে বলছিলেন, বড় লোকেরাই সব দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। কেবল চুঁনোপুটির পেছনে ছুটলে হবে না। চুনোপুঁটি বাদ দিয়ে বড় বড় রুই কাতলা, বোয়াল ধরতে হবে। এর জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘চুনোপুঁটি ধরা হচ্ছে, তা অস্বীকার করছি না। ছোটগাছ উপড়ে ফেলা যত সহজ, বড় গাছ উপড়ে ফেলা তত সহজ নয়। তাই বলে বড় গাছ যে ধরছি না, তা কিন্তু নয়। আমরা চুনোপুঁটিও ধরব, বড় মাছও ধরব।’হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘দুর্নীতি দমনে আইনজীবী ও বিচার বিভাগের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে দুদক চেয়ারম্যান এই কথা বলেন। সেমিনারে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘আইন করে, সাজা দিয়ে কখনো দুর্নীতি বন্ধ করা যায় না। প্রতিদিন দেশে ছয়টি শিশু ধর্ষিত হচ্ছে। আমাদের মানবতা সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত। সামাজিক ন্যায়বিচার যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে কোন বিচারালয় ন্যায় বিচার পাওয়া যাবে না। সামাজিক ন্যায়বিচারের জায়গাটা বাংলাদেশে ধ্বংস হয়ে গেছে। এটা যে কত বড় বিপদ সংকেত তা আমি ভাষায় বর্ণনা করতে পারব না। এটা বড় অশনিসংকেত।’ সক্ষমতার অভাব আছে বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা করার আহবান জানান দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘সমালোচনাকে স্বাগত জানাই। সমালোচনা করেন। তবে বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা হলে পরে সবারই লাভ। সমালোচনাটা একটা খোরাক।’<br>সাবেক আইনমন্ত্রী সাংসদ আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের সচিবালয়, ওয়াসা অফিস, রাজউকে দুর্নীতি হচ্ছে। দুদককে তার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। দুদককে ঢেলে সাজাতে হবে। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের সাজা নিশ্চিত করতে হবে।’<br>দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার স্বীকার করতে লজ্জা নেই, আমাদের সক্ষমতার অভাব আছে। ২০০৪ সাল থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন শুরু হলেও একটা মাত্রায় উঠতে গেলে এক কমিশন, দুই কমিশন, তিন কমিশন, চার কমিশন, পাঁচ কমিশনে সম্ভব না। কারণ সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।’<br>দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের পক্ষ থেকে স্কুলে স্কুলে সততা সংঘ করার তথ্য তুলে ধরেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুসন্ধান, তদন্ত শেষ হচ্ছে না। বিধিও পরিবর্তন করা হয়েছে। ১৫ দিনের জায়গায় ৪৫ দিন করা হয়েছে। ৩০ দিনের জায়গায় ১৮০ দিন করা হয়েছে। তারপরও নির্ধারিত সময় শেষ হচ্ছে না। নানা রকম অজুহাত দেখানো হয়।<br>ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের তো অজুহাত দেওয়ার সক্ষমতা অনেক বেশি। আমরা যারা বাংলাদেশের মানুষ তাদের অজুহাত দেওয়ার ক্ষমতা অনেক বেশি।’<br>বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, ‘দুদক ভালো কাজ করছে, যদি আরও ভালো কাজ করতে পারে, তাহলে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।’<br>দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আকাশ থেকে উড়ে আসেনি। দুর্নীতি দমন কমিশনে যারা কাজ করেন তারা কিন্তু বিদেশ থেকেও আসেননি। আমরা সবাই এই সমাজের মানুষ। আমরা এই সমাজেরই অংশ। সমাজের অন্য জায়গায় যা হয় আমার এখানে যে তা হয় না তা বলব না।’<br>আলোচনা সভায় দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘প্রায় বলা হয়, সরকার দলীয় মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে কিছুই করা হয় না। কিন্তু আমার জানামতে সরকার দলীয় রয়েছেন ১০ থেকে ১৫ জন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে একদলে আছেন ১৫ জন, আরেক দলে রয়েছেন ১২ জন। ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এমন আছেন ২৫ জন। সচিব থেকে যুগ্ম সচিব আছেন ১৫ জন।’<br>বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, ‘যদি দেখা যায় আসামি কম ক্ষমতা সম্পন্ন অথবা বিরোধী দলের সমর্থক বা তাদের লোক, তাহলে খুব দ্রুতই বিচার হয়ে যায়। আমরা চাই, সমস্ত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কুইক কাজটা করা দরকার। যেন মানুষের মনে ধারণা আসে, অন্যায় করে পার পাওয়া যায় না।’<br>দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের ব্যর্থতা আছে। ব্যর্থতা কাটানোর জন্য কী করা যায় সেটা আপনারা বলবেন। সমালোচনা করেন। সমস্যার সমাধান কী হবে সেটা যদি বলেন। সবার সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।সামাজিক আন্দোলন দানা না বাধলে দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব নয়।’<br>দুদককে দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার আহবান জানান সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু। তিনি বলেন, দক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দিতে হবে। তাঁদের বেতন বাড়াতে হবে।<br>বিচার বিভাগের জন্য বাজেট প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে মন্তব্য করেন আবদুল মতিন খসরু। ছোট বেলা থেকে শিশুদের মনে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব গড়ে তোলার ওপর জোর দেন বক্তারা।<br>জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আমীর-উল ইসলাম বলেন, আমাদের স্কুল থেকে শুরু করতে হবে। দুর্নীতির বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নৈতিকতা যদি সমাজে ফিরিয়ে না আনা যায়, তাহলে আইন দিয়ে, সাজা দিয়ে দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে না। মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা থাকলেও দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে না। আমাদের সামাজিক আন্দোলন করতে হবে।<br>দুর্নীতি দমনে আইনজীবী ও বিচার বিভাগের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। ছবি: আসাদুজ্জামানদুর্নীতি দমনে আইনজীবী ও বিচার বিভাগের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। ছবি: আসাদুজ্জামানসম্প্রতি ডিসি সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ফৌজদারি আইনে সরল বিশ্বাসে অপরাধ করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না । তবে তিনি এ-ও বলেন, সরল বিশ্বাস বিষয়টি প্রমাণিত হতে হবে ।<br>সরল বিশ্বাসের এই বক্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার উত্তর একেবারই সহজ। ডিসি সম্মেলনের পরে একটি প্রশ্নের জবাবে আমি যে উত্তরটা দিয়েছি তার ভিডিও ক্লিপ আপনাদের কাছে আছে। আমি সেখানে দুর্নীতির কোনো শব্দ সেখানে উচ্চারণ করিনি। আপনারা দেখে থাকতে পারেন। দুর্নীতি শব্দ কীভাবে আসলে জানি না। যারা দুর্নীতি শব্দ এনেছেন এটা তাদের দায়। সেটা আমার দায় না মোটেও। আমি কোনো ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত নই।’<br>দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘ক্ষমা চাওয়ার মত সৎ সাহস বা মানসিক শক্তি আমার আছে। আমি যদি কোন ভুল করি তাহলে জাতির কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে আমার কোন লজ্জা বা কুণ্ঠাবোধ নেই।’<br>দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।<br>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আইনজীবী এম এস আজিম।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:18:00 1970-01-01 00:00:00 মিন্নির পক্ষে লড়বেন শতাধিক আইনজীবী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79900 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639473_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639473_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ and nbsp; আলোচিত and nbsp; রিফাত and nbsp; শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে বরগুনা যাচ্ছেন শতাধিক আইনজীবী। শনিবার ২০ জুলাই সকালে ঢাকা থেকে ১৪ সদস্যর আইনজীবী প্রতিনিধি দল বরগুনার পথে রওনা দিয়েছে। বিকেলে ২০ সদস্যর আরো একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল বরগুনা যাবে। and nbsp; শতাধিক আইনজীবী লড়বেন মিন্নির পক্ষে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এর অন্যতম কর্মকর্তা জেডআই খান পান্না and nbsp; and nbsp; রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ঢাকা থেকে মানবাধিকার সংগঠন ব্লাস্ট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), নিজেরা করি’ এর পক্ষ থেকে আইনজীবী প্রতিনিধি দল বরগুনা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে and nbsp; অভিজ্ঞ ১৪ জন আইনজীবী রওনা দিয়েছেন। বিকেলে আরো ২০ জন আইনজীবী ঢাকা থেকে যাবেন।<br>তিনি জানান, ঢাকা ছাড়াও বরিশাল, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠি থেকে ব্লাস্টসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের আরো অর্ধশতাধিক আইনজীবী বরগুনার পথে যাত্রা করেছেন । আইনজীবীরা বরগুনা যাওয়ার পর মিন্নির বাবার সঙ্গে দেখা করবেন। রোববার থেকে মিন্নির জামিনের জন্য চেষ্টা চালানো হবে বলে জানান এ আইনজীবী। জে আই খান পান্না আরো বলেন, ‘আইনজীবীরা কারাগারে মিন্নির সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করে ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেবেন। এরপরই বরগুনা আদালতে মিন্নির জামিনের বিষয়ে আইনি পদক্ষপ নেবেন তারা। শতাধিক আইনজীবী মিন্নির পক্ষে বরগুনার আদালতে আইনি লড়াই করবেন। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টেও আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘বরগুনা আইনজীবী সমিতির নেতারা আমাকে জানিয়েছেন, তারাও মিন্নিকে আইনি সহায়তা দেবেন।’ প্রসঙ্গত, এর আগে রিমান্ড শুনানিতে বরগুনার আদালতে মিন্নির পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ানোয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:17:00 1970-01-01 00:00:00 গাজী মানিকসহ ফেনীতে বিএনপির ৮ নেতা গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79899 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639437_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639437_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥ ফেনীতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৮ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ফেনী শহরের মিজান পাড়ার ফজল মাস্টার লেন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েলের চাচা ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক খলিলুর রহমান মারা যান। কয়েকজন বিএনপি নেতা শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিতে ওই বাসায় যান। বাসার সামনে থেকে ফেনী থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া নেতারা হলেন ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মামুন, দাগনভূঞা উপজেলা যুবদলের সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহাদাত, জেলা যুবদলের সদস্য জাহিদ হোসেন বাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়ির সহ-সভাপতি শরীফুল ইসলাম শরীফ ও সাবেক ছাত্রদল নেতা কাজী আবুল হাসান সোহাগ।<br>ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন তাদের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায়, ওনারা ওখানে জড়ো হয়েছেন। তাদের কয়েকজনের নামে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। বাকিদের নামেও মামলা রয়েছে। এদিকে ফেনী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের বলেন, বিএনপি নেতারা সদ্য প্রয়াত স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েলের চাচা প্রবীণ রাজনীতিক ও সাংবাদিক খলিলুর রহমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।<br>বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ এ গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করে তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:17:00 1970-01-01 00:00:00 ইজিবাইক থেকে নামিয়ে ধর্ষণের পর ছাত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79898 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639407_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639407_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>মাদারীপুরে দশম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ শনিবার সকালে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পে তাঁকে হাজির করা হয়। ছবি: অজয় কুন্ডুমাদারীপুরে দশম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ শনিবার সকালে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পে তাঁকে হাজির করা হয়। ছবি: অজয় কুন্ডুমাদারীপুরে দশম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি আক্তার হত্যার রহস্য উদ্?ঘাটনের দাবি করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি, দীপ্তিকে একটি ইজিবাইকের চালক ইজিবাইক থেকে নামিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশটি গুম করতে একটি পরিত্যক্ত পুকুরে ইট বেঁধে ডুবিয়ে রাখা হয়।<br>আজ শনিবার সকালে র?্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্প আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান কমান্ডিং অফিসার (সিও) আতিকা ইসলাম।<br>এর আগে আজ ভোর পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব খাগদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীপ্তি হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেন খানকে (৪০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সাজ্জাদ পেশায় একজন ইজিবাইকচালক। এর আগে তিনি ১৯৯২ সালে ৭ বছরের শিশুকে গলাটিপে হত্যার মামলায় ১৮ বছর কারাভোগ করেন।<br>১৩ জুলাই মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে ১৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মুখ পোড়ানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন ধারণা করা হয়, ওই কিশোরীকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে। লাশ গুম করে দিতে পানিতে ডুবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার পরের দিন দীপ্তির বাবা মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে গিয়ে লাশটি তাঁর মেয়ে দীপ্তির বলে শনাক্ত করেন।<br>পরের দিন ১৪ জুলাই দীপ্তির বাবা বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকেই হত্যার রহস্য উদ্?ঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সদর থানার পুলিশের পাশাপাশি র?্যাব-৮–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায় ১৮ জুলাই ওই পরিত্যক্ত পুকুর থেকে একটি সিমেন্টের ব্যাগে দীপ্তির ব্যবহৃত পোশাক, বোরকা ও জুতা উদ্ধার করে। এসব আলামতের সূত্র ধরেই সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।<br>সংবাদ সম্মেলনে আতিকা ইসলাম বলেন, ৯ জুলাই মাদারীপুর শহরের মাস্টার কলোনি এলাকায় দীপ্তি তার বোনের বাসায় বেড়াতে আসে। ১১ জুলাই দুপুরে সে তার প্রবাসী চাচার বাসায় বেড়াতে যাবে বলে বের হয়। ওই দিন বিকেলে মাদারীপুর শহরের ইটেরপুলে বোনের বাসা থেকে ইজিবাইকে করে সে চরমুগরিয়ার দিকে যাচ্ছিল। পূর্ব খাগদী এলাকায় ইজিবাইকচালক সাজ্জাদ দীপ্তিকে একা পেয়ে তার মুখ চেপে নিজের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে দীপ্তির গলায় ইট বেঁধে, ছুড়ি দিয়ে পেট কেটে লাশ বাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত পুকুরে ডুবিয়ে রাখেন তিনি। আর দীপ্তির ব্যবহৃত পোশাক একটি সিমেন্টের বস্তায় মধ্যে ভরে সাজ্জাদের বাড়ির কাছের একটি পুকুরে ফেলেন।<br>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দীপ্তির পরিবারের সদস্যরা। মেয়ে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে জেনে দীপ্তির মা নাসিমা বেগম কান্নাজনিত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়ে তো কারও কোনো ক্ষতি করে নাই। কেন ওই দস্যুটা আমার সোনার মাইয়াডারে মাইরা ফালাইলো? আমি ওর ফাঁসি চাই।’<br>র‌্যাব-৮ বরিশাল জোনের স্পেশাল তদন্তকারী কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আজ দুপুরে আসামি সাজ্জাদকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:16:00 1970-01-01 00:00:00 যমজ গাড়ির একই নম্বর বিআরটিএর ভুলে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79897 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639370_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639370_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ and nbsp; রাজধানীতে হুবহু দেখতে দুটি গাড়ির একই নম্বর প্লেটের দায় খোদ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর। দুটি গাড়িকেই তারা একই নম্বর দিয়েছিল। রাজধানীর একটি সড়কে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়ির ছবি ফেসবুকে আসার পর তুমুল বিতর্ক এ নিয়ে। তৈরি হয় দুটি পক্ষ। কেউ বলেছে ছবিটি কারসাজি করা, কেউ বলেছে, একটি গাড়ির নিবন্ধন নিয়ে দুটি গাড়ি চালাচ্ছেন কেউ।<br>দ্বিতীয় সন্দেহটা ছিল বিআরটিএ, শুল্ক গোয়েন্দা আর পুলিশের। এ কারণে গাড়ির মালিকপক্ষকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর তদন্তে নেমে বিআরটিএর দায় পায় শুল্ক গোয়েন্দা। আর সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এরপর এ নিয়ে আর উচ্চবাচ্য করেনি।<br>সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বা বিআরটিএ এখন বলছে, তারা ভুল করে একই কাগজ দুই মালিককে দিয়েছিল। এটা হয়েছিল ‘ছাপার ভুলে’। আর সেটি ধরা পরার পর দুই গাড়ির মালিককে আলাদা নম্বর প্লেট দেওয়া হয়েছে।<br>শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর তদন্ত এবং তার ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক সহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গাড়ি দুটি কেনা-বেচায় শুল্ক ফাঁকির কোনো প্রমাণ পাননি গোয়েন্দারা।’<br>রুহুল আমিন রিপন নামে একজন ছবিটা প্রথমে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এরপরই ছবিটি ভাইরাল হয়। গাড়ি দুটির খোঁজে নামে পুলিশ, শুল্ক গোয়েন্দা ও বিআরটিএ। টয়োটার এই মডেলের কারের ছবিটা আরেকটা গাড়ির পেছন থেকে তোলা হয়েছিল। ছবিতে গাড়ি দুটির নম্বর প্লেটেই লেখা ছিল ঢাকা মেট্রো-গ ৪২-৪৬১৮।<br>পুলিশ, বিআরটিএ আর শুল্ক গোয়েন্দাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার দুটি কারণ ছিল। প্রথমত, এভাবে একটি নম্বর দিয়ে যদি একাধিক গাড়ি চালানো হয়, তাহলে সরকার রাজস্ব হারাবে। দ্বিতীয়ত, এভাবে ভুয়া নম্বর প্লেট দিয়ে গাড়ি চালিয়ে অপরাধ করলে নিরপরাধ ফেঁসে যেতে পারেন।<br>বিআরটিএ শুরুতে জানায়, গাড়িটি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ঋণে কেনা হয়েছে। মালিকানায় আসওয়াত কম্পোজিট মিলস নামে একটি পোশাক কারখানা। ৩ মার্চ গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন হয়। কিন্তু ডিজিটাল নম্বর প্লেট নিয়েছিল না মালিকপক্ষ।<br>ঘটনার পর তদন্তে নেমে তারা শুল্ক গোয়েন্দার গাড়ি দুটির বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কার সিলেকশন ও বিআরটিরএর সংশ্লিষ্ট কর্মর্কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। বিক্রয় প্রতিষ্ঠান তাদের জানায়, ৩ মার্চ আলাদা দুজন ব্যক্তির কাছে তারা দুটি বিক্রি করে। চার মাস পর ছবিটা ভাইরাল হলে তাদের নজরে আসে। তারা (বিক্রয় প্রতিষ্ঠান) বিআরটিএ থেকে দুই সেট কাগজ তুলে দুই গাড়ির মালিককে দেয়। যে ভুল গাড়ির ক্রেতাদেরও নজরে আসেনি।<br>গাড়ি দুটি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান কার সিলেকশন বিডির বিক্রয় প্রতিনিধি মো. আসাদুল বলেন, ‘বিআরটিএ থেকে ভুল করে ঢাকা মেট্রো গ ৪২-৪৬১৮ নিবন্ধন নম্বরের বিপরীতে দুই সেট কাগজ তুলে দুই মালিককে দেয়া হয়। বিআরটিএ থেকে কাগজপত্র ও নম্বর প্লেট ঠিক করে গাড়ি দুটির মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।’<br>শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। এখানে কিছু ক্রুটি ছিল। এর মধ্যে শো-রুম কর্তৃপক্ষের ক্রুটি ছিল। আর বিআরটিএর কাজে একটু ত্রুটি ছিল। সেই কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। এখন সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। ’<br>ক্রটির সঙে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না এমন খবরে তিনি বলেন, ‘ না.. আমরা স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানকে জানিয়েছি তারা তাদের বিষয়গুলো দেখবেন।’<br>নাম প্রকাশ না শর্তে বিআরটিএর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এটা ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল ছিল না। একই দলিল ভুল করে দুইবার প্রিন্ট দিয়ে দুজনকে দেওয়া হয়েছিল। প্রথমে নজরে না এলেও ফেসবুকে ভাইরাল হবার পর আমরা দুই গাড়ির মালিককে ডেকে কাগজ ঠিক করে দিয়েছি।’<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:16:00 1970-01-01 00:00:00 স্লোগান দিতে দিতে অসুস্থ হয়ে ছাত্রলীগকর্মীর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79896 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639328_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639328_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলনে এসে হিট স্ট্রোকে সুলতান মো. ওয়াসি নামে এক কর্মী মারা গেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৫-২০১৬ সেশনের (১১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে সম্মেলন চলাকালে ওয়াসি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত নিকটস্থ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে ইসিজি করে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তার কোনো পালস পাওয়া যাচ্ছে না। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্স করে তাকে ঢামেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে তার মৃত্যু হয়।<br>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সম্মেলনের শুরু থেকে ক্যাম্পাসে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ওয়াসিকে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। সম্মেলনস্থলের মূলমঞ্চের সামনে স্লোগান দিতে দিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওয়াসি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জবি ক্যাম্পাসের পাশেই ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে নেওয়া হয় ঢামেকে।<br>এদিকে, প্রচণ্ড গরমে জবির ১৩তম ব্যাচের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী রাফিত অসুস্থ হয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:15:00 1970-01-01 00:00:00 ছেলেধরা আতঙ্কে গণপিটুনিতে নিহত ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79895 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639014_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/20/1563639014_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ and nbsp; ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে রাজধানীসহ সারা দেশে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া চার নারীসহ আহত হয়েছেন পাঁচজন। রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ও কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, গাজীপুরের চান্দনা, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এবং ময়মনসিংহের ভালুকায় এসব ঘটনা ঘটেছে।<br>আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:<br>উত্তর বাড্ডা: আজ শনিবার সকালে রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সকাল নয়টার দিকে উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বাড্ডা থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে আটটার দিকে একজন নারী উত্তর-পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় স্কুলের সামনে প্রবেশপথে থাকা অভিভাবকেরা তাঁকে ভেতরে যাওয়ার কারণ জানতে চান। ওই নারী সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করাবেন বলে জানান। স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না—জানিয়ে ওই নারীকে প্রধান শিক্ষিকার কক্ষে নেন তাঁরা। এ সময় চারপাশে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে স্কুলে ছেলেধরা এসেছে। এ খবরে স্কুলে লোকজন ভিড় জমায়। এর কিছুক্ষণ পরই ছেলেধরা সন্দেহে স্কুলের বাইরে এনে ওই নারীকে মারধর করা হয়। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।<br>বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে নারীর নাম-পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৩৩ থেকে ৩৪ বছর হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।<br>সিদ্ধিরগঞ্জ: আজ সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পৃথক ঘটনায় ছেলেধরা সন্দেহে স্থানীয় লোকজনের পিটুনিতে অজ্ঞাত এক যুবক (২৫) এবং শারমিন আক্তার (২০) নামের এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৮টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আল আমিন নগর এলাকায় আইডিয়াল ইসলামিয়া স্কুলের প্লে শ্রেণির ছাত্রী সাত বছর বয়সী সাদিয়া স্কুলে যাচ্ছিল। পথে অজ্ঞাত ওই যুবক সাদিয়াকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। শিশুটি তখন কান্নাকাটি শুরু করলে ছেলেধরা সন্দেহে এলাকার লোকজন যুবকটিকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করেন তিনি। তখন এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে যুবকটিকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে শহরের খানপুরে তিন শ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।<br>সাদিয়ার বাবা সোহেল মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, তার মেয়েকে ওই যুবক কাঁধে করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মেয়ের কান্না শুনে এলাকাবাসী সন্দেহ করে ওই যুবককে আটকায়। এ সময় গণপিটুনির শিকার হন ওই যুবক।<br>এদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একই উপজেলার পাইনাদি নতুন মহল্লা এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকেন শারমিন আক্তার (২০) নামের এক নারী। পরিচয় জিজ্ঞেস করার পর ঠিকঠাক উত্তর দিতে না পারায় ছেলেধরা সন্দেহে এলাকার লোকজন তাঁকে পিটুনি দেয়। পরে পাশের একটি স্কুলের ভেতর নিয়ে গিয়ে তাঁকে প্রাণে বাঁচানো হয়। পুলিশ গিয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শহরের খানপুরে তিন শ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে।<br>জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবাস চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ছেলেধরা সন্দেহে এসব গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে। আহত ওই নারীর পরিবার জানিয়েছে, তিনি মানসিক রোগী। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।<br>কেরানীগঞ্জ: ঢাকার কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ছেলেধরা সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবককে গণপিটুনি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। অপরজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় রসুলপুর গ্রামে শরীফ মিয়ার বাড়ির সামনে দুই যুবক ঘোরাফেরা করতে থাকেন। এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাদের ঘোরাফেরার কারণ জিজ্ঞাসা করা হয়। দুই যুবক ঠিকঠাক উত্তর দিতে না পারায় এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে দুই যুবককে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আহত এক যুবককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অপরজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।<br>কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি) মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, দুই যুবকের শরীরে কিলঘুষির চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অজ্ঞাত দুই যুবক ছেলেধরা চক্রের সদস্য হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।<br>সীতাকুণ্ড: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ছেলেধরা সন্দেহে রেহেনা বেগম (৪৫) নামের এক নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের পুরাতন দাইয়াবাড়ি থেকে আটক করে স্থানীয়রা। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ট্রাফিক পরিদর্শক (টিআই) রফিক আহমেদ মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার সকালে আরফাতুল ইসলাম সিফাত নামে পাঁচ বছরের এক শিশু ঘরের বাইরে খেলছিল। এ সময় ওই নারী শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে মা পারুল আক্তার চিৎকার শুরু করেন। পরে তাঁকে আটক করে পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়।<br>সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম শেখ বলেন, ওই নারীকে হাটহাজারী কাঁচা বাজারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে পাগল বেশে ঘুরতে দেখা গেছে। সম্ভবত ওই নারী মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।<br>গাজীপুর : গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ছেলে ধরা সন্দেহে মমতাজ খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গুরুতর আহত ওই নারীকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গণপিটুনির শিকার ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন। গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার ওসি একেএম কাউসার জানান, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় রাস্তায় ওই নারীকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে ওই নারী রাস্তার পাশে এক দম্পতির শিশুকে আদর করতে গেলে তাঁরা তাকে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ মমতাজ খাতুনকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।<br>ভালুকা: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় গলাকাটায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে ভালুকা মডেল থানা-পুলিশ। আহত নারীর নাম মালেকা খাতুন(৩৫)।<br>প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি কারখানার শ্রমিকের মেসে রান্নার কাজ করেন মালেকা খাতুন। শনিবার সকালে ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। উপজেলার ধামশুর এলাকায় পৌঁছালে এক ব্যক্তি ব্যাগের মধ্যে কী আছে বলে জিজ্ঞেস করেন। সন্দেহ হলে ওই ব্যক্তি ব্যাগ খুলে দেখতে চান। এতে মালেকা বাধা দিলে ওই ব্যক্তি ঘাড় কাটা, ঘাড় কাটা বলে চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন মালেকাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁকে হাত-পা বেঁধে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ফেলে রাখা হয়।<br>ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাইন উদ্দিন জানান, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মূলত নারীর কথা বলার ভাষার কারণে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ ছাড়া মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে ঘটনাটি বড় করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।<br><br> </body></HTML> 2019-07-21 22:10:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কিছু কথা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79894 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563635047_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563635047_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী সরকারি ও বেসরকারিভাবে সাড়ম্বরে উদযাপনের আয়োজন হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকায় সরকারিভাবে যে আয়োজন হয়েছে, তাকে গ্র্যান্ড পিপারেশন বলা চলে। জাতির পিতার ওপর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশ, কবিতা উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ইত্যাদি বছরব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি অনুষ্ঠানের অনুসরণে চলছে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে এই জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের আয়োজন। একইসঙ্গে দেশে এবং বিদেশে বেসরকারিভাবেও এই বার্ষিকী উদযাপিত হবে।<br><br>বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য হাসিনা সরকারের দুটি পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য। একটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ইংরেজি ও বাংলায় প্রকাশ। এটি বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তুলেছে। বঙ্গবন্ধুর অনেক কঠোর সমালোচক, এমনকি শত্রুও এই আত্মজীবনী ও জেলের ডায়েরিটি পাঠ করে বলেছেন, তাদের বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর পূর্ণাঙ্গ ফিল্ম তৈরি করার জন্য সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে ভালো করেছেন। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর ৪৪ বছর পরও তার জীবনের বিশাল কর্মকাণ্ডের ওপর কোনো ছবি তৈরি হয়নি, এটা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয়। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ছবি করার অর্থ, তাকে বড় করা নয়। তার বড়ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব তো শত্রুরাও গত ৪০ বছর ধরে অবিরাম চেষ্টা করেও খাটো করতে পারেনি। নিজেরাই ইতিহাসের আস্তাবলে নিক্ষিপ্ত হতে চলেছে।<br><br>যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের এক যুবনেতা সিলেটের বিয়ানীবাজারের আফসার খান সাদেক পূর্ব লন্ডনে তার সিডনি রোডের বাসার সামনে প্রশস্ত মাঠে প্রচুর অর্থ ব্যয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ প্রতিমূর্তি স্থাপন করেছেন। ২০১৬ সালে এই ভাস্কর্য স্থাপনের পর তাকে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতিদের চক্রান্তে নানা ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। এক বছর মামলা লড়তে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলায় জয়ী হন। সিডনি রোডে এই ভাস্কর্যটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তারপর থেকে স্থানটি তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এই ছবি করার অর্থ হবে গোটা বাংলাদেশের সভ্যতা-সংস্কৃতি, তার স্বাধীনতার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা। যা হবে গোটা জাতির জন্যই গর্ব ও গৌরবের নতুন প্রণোদনা।<br><br>আমি জেনেছি, ছবিটি তৈরি হবে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায়। অর্থাৎ দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদেরই এই ছবিতে কর্তৃত্ব থাকবে বেশি। যদিও বঙ্গবন্ধুর ভক্ত ও অনুসারী বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই ছবি নির্মাণের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, তথাপি আমার ভয় সরকারি কর্মকর্তারা যতই দক্ষ হন, তাদের ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক নেতার জীবন নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ ও ছবি নির্মাণ তেমন সফল হয় না। বঙ্গবন্ধুর ছবি নিয়ে যাতে হাসিনা সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে আমার আশঙ্কা সত্য না হয়, সেই কামনা করি।<br><br>ভারতে মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে সরকারি ও বেসরকারিভাবে অনেক ছবি হয়েছে। সরকারের পরোক্ষ উদ্যোগে যেসব ছবি নির্মিত হয়েছে, তার একটিও দর্শকপ্রিয় বা সফল হয়নি। সফল হয়েছে এটেনবারা সাহেবের 'গান্ধী'। একজন সাদা বিদেশি তাতে গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করে সারাবিশ্বে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। মহাত্মার জীবন নিয়ে নির্মিত এই ছবির অনেক সীমাবদ্ধতা, দুর্বলতা আছে। কিন্তু অন্যান্য ছবির চেয়ে এই বেসরকারিভাবে নির্মিত ছবিটিই শ্রেষ্ঠ।<br><br>এটেনবারার গান্ধী ছবিকে টেক্কা দেওয়ার জন্য পাকিস্তান সরকার বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর জীবনের ওপর একটি ছবি নির্মাণ করেন। ছবির পরিচালক বিদেশি। জিন্নাহর চরিত্রেও অভিনয় করেন বিখ্যাত ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার লি। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, পাকিস্তানের কায়েদে আজমকে নিয়ে তৈরি এই ছবিতে নেহরু চরিত্রে বিস্ময়কর অভিনয় করেছেন আমাদের শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পুত্র সদ্যপ্রয়াত রাশেদ সোহরাওয়ার্দী।<br><br>কিন্তু ছবিটি ফ্লপ করে। পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে এই ছবি দেখার জন্য যেমন দর্শকদের ভিড় হয়নি, তেমনি বিদেশের প্রেক্ষাগৃহে দর্শক হয়নি। আমি লন্ডনের একাডেমি সিনেমায় ছবিটি দেখতে গিয়েছিলাম। দর্শক ছিল হাতেগোনা কুড়িজন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পরিকল্পিত ছবিটির এই দশা হবে তা আমি বলি না। কিন্তু সরকারি নিয়ন্ত্রণে ছবি তৈরি হলে কী হতে পারে তার একটি উদাহরণ দিলাম। এই উদাহরণ যেন বঙ্গবন্ধুর ছবির ব্যাপারে সত্য না হয় এটা আমারও প্রার্থনা।<br><br>সরকারের পরিকল্পিত ছবিটি ভালো হোক আর মন্দ হোক বঙ্গবন্ধুর নামেই এই ছবিটি দেখার জন্য প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপচে পড়বে। যেমন শেখ হাসিনার ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র 'ডটারস টেল' দেখার জন্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দর্শক উপচে পড়েছিল। কিন্তু আমি বলছি বিদেশের দর্শক টানার কথা। ছবিটি ইংরেজি ভাষায় তৈরি হবে বৈকি, কিন্তু আন্তর্জাতিক দর্শক টানতে পারবে কি-না, যেমন পেরেছে স্কটিশ হিরোকে নিয়ে তৈরি 'ব্রেভহার্ট' ছবিটি বা চে গুয়েভারাকে নিয়ে তৈরি ছবি।<br><br>বঙ্গবন্ধুর চরিত্রও তাদের মতো এতই নাটকীয় যে, তাকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের ছবি করতে পারলে বিশ্বের সকল এলাকার মানুষ তা দেখতে বিপুলভাবে আগ্রহী হবে। বঙ্গবন্ধু এখন জাতীয় নেতার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক নেতা হয়েছেন। বিশ্ব শান্তি পরিষদ থেকে তাকে উপাধি দেওয়া হয়েছে বিশ্ববন্ধু। এই বিশ্ববন্ধু হিসেবেই তাকে ছায়াছবিতে ফুটিয়ে তোলা প্রয়োজন। যিনি এই ছবি করবেন তাকে শুধু নেতা বঙ্গবন্ধুর নয়, মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি চরিত্র-বৈশিষ্ট্য বুঝতে হবে এবং তাকে তার ছবিতে ফুটিয়ে তুলতে হবে।<br><br>বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরিচালনায় যে ছবি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেই ছবির পরিচালক নির্বাচন করা হয় হয়েছে ভারতের স্যাম বেনেগালকে। ছায়াছবির পরিচালক হিসেবে তাকে আমি শ্রদ্ধা করি। তিনি উঁচু মাপের পরিচালক। কিন্তু রাজনৈতিক চরিত্রের যথাযথ স্ম্ফুটনে তার নৈপুণ্য সম্পর্কে খুব একটা আস্থাশীল নই। তার পরিচালনায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে তৈরি 'A forgotten hero'বা 'একজন বিস্মৃত নেতা' ছবিটি আমি দেখেছি। এই ছবিতে সুভাষ বসু আছেন, তার চরিত্র-বৈশিষ্ট্য নেই। তার দীর্ঘ এবং অতুলনীয় সংগ্রামী জীবনের চেয়ে তার বিতর্কিত বিবাহের বিষয়টি ছবিতে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। স্যাম বেনেগালের ছবির সুভাষ বসু একজন নিরীহ পোষমানা বিদ্রোহী। সেই বিশ্ব কাঁপানো বিপ্লবী সংগ্রামী পুরুষ হিসেবে আমার চোখে ধরা পড়েনি।<br><br>আসলে সুভাষ বসুর প্রকৃত চরিত্রটি স্যাম বেনেগাল ধরতে পারেননি। সুভাষ বসুর চরিত্রে যিনি অভিনয় করেছেন তিনিও সম্যক ধরতে পারেননি। আমি প্রার্থনা করি বঙ্গবন্ধু ছবিতে পরিচালক স্যাম বেনেগাল এবং যিনি এই ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনিও যেন এই চরিত্রের বিশালতা ও অসাধারণ বৈশিষ্ট্য বুঝতে পারেন এবং তাদের পরিচালনায় ও অভিনয়ে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।<br><br>এবার আসি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের কথায়। বিশ্বের সকল মহাপুরুষকেই জাতীয় জীবনে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাদের ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। আতাতুর্ক, সাদ্দাম হোসেন, গাদ্দাফি প্রমুখ মুসলিম নেতাদেরও ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বাংলাদেশে এই ভাস্কর্য সম্পর্কে গোঁড়ামি আছে। কিছুকাল আগে সুপ্রিম কোর্ট ভবনের সামনে স্থাপিত ভাস্কর্য নিয়ে চরম গোঁড়ামির প্রকাশ আমরা ঢাকায় দেখেছি। এখন সম্ভবত তা ভাঙতে বসেছে।<br><br>গত এপ্রিল মাসে আমি ঢাকা গিয়েছিলাম। তখন ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কোনো কোনো রাস্তার মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য দেখেছি এবং আনন্দিত ও আশান্বিত হয়েছি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ঢাকার কোনো উপযুক্ত স্থানে তার একটি লাইফ সাইজ স্ট্যাচু নির্মাণের সিদ্ধান্তও সরকার নিয়েছে বলে জেনেছি। শুধু ঢাকা নয়, দেশের বড় বড় শহর এবং ব্যবসাকেন্দ্রেও এই ভাস্কর্য স্থাপন প্রয়োজন।<br><br>লন্ডনেও একসময় মাদাম তুসোতে বঙ্গবন্ধুর স্ট্যাচু স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই উদ্যোগ আর এগোয়নি। লন্ডনের ক্যামডেনের বাঙালিরা সেখানে একটি ভাস্কর্য স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু বিএনপি ও জামায়াতিদের বাধাদানের ফলে তা সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের এক যুবনেতা সিলেটের বিয়ানীবাজারের আফসার খান সাদেক পূর্ব লন্ডনে তার সিডনি রোডের বাসার সামনে প্রশস্ত মাঠে প্রচুর অর্থ ব্যয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি আবক্ষ প্রতিমূর্তি স্থাপন করেছেন। ২০১৬ সালে এই ভাস্কর্য স্থাপনের পর তাকে স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতিদের চক্রান্তে নানা ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। এক বছর মামলা লড়তে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলায় জয়ী হন।<br><br>সিডনি রোডে এই ভাস্কর্যটি ২০১৬ সালে উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তারপর থেকে স্থানটি তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। রোজ ছয় থেকে সাতশ' দেশি-বিদেশি পর্যটক আসেন এই ভাস্কর্য দেখতে এবং বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে। এখন সাদেকের ইচ্ছা, তার বাসাসংলগ্ন আর কয়েকটি বাসা কিনে নিয়ে স্থানটির 'Erlich cottage' (আরলিক কটেজ) নাম পাল্টে বঙ্গবন্ধু ভবন করা এবং সংলগ্ন রাস্তাটির নাম বঙ্গবন্ধু এভিনিউ রাখা। এ জন্য তিনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং বারা কাউন্সিলের সঙ্গে দেনদরবার শুরু করেছেন।<br><br>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন চিকিৎসার জন্য ঘনঘন লন্ডনে আসছেন। তিনিও চান লন্ডনে একটি উপযুক্ত স্থানে নেলসন ম্যান্ডেলার মতো বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপিত হোক। তা যদি হয় পূর্ব লন্ডনে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি রক্ষার্থে আফসার খান সাদেকের প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রীর আরও উৎসাহদান প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং কিংবা তার বোন শেখ রেহানা ভাস্কর্যটি পরিদর্শন করলে শুধু সাদেক নন আরও অনেক উৎসাহী প্রবাসী বাংলাদেশি জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষায় এগিয়ে আসবেন।<br><br>বিশ্বজুড়ে বঙ্গবন্ধু চিরজাগ্রত থাকুন, এটা আমার প্রার্থনা। </body></HTML> 2019-07-20 21:03:30 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79893 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634943_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634943_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাতকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।শুক্রবার দিনগত রাতে সদর উপজেলার বারাহিপুর ভুইয়া বাড়ীর পশ্চিম পাশে নির্মানাধীন বাড়ির নিচ থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী পাইপ গান,৩ টি অত্যাধুনিক ছোরা,একটি শাবল ও ২ টি মুখোশ জব্দ করা হয়। and nbsp; ফেনী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়,ওই দিন রাতে and nbsp; অফিসার ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে সদর উপজেলার বারাহিপুর ভুইয়া বাড়ীর পশ্চিম পাশে অভিযান পরিচালনা করে ডিবির একটি টিম।এসময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি মামলা সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি ফেনী সদরের এনামুল হক এনাম (২৯),জাহিদ (২২),দাগনভূইয়া থানার রিয়াদ (২৩) ও সোনাগাজী থানার ইকবাল হোসেন মিলন (৩৫)। আটক করে পুলিশ।পরে তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরী পাইপ গান,৩ টি অত্যাধুনিক ছোরা,একটি শাবল ও ২ টি মুখোশ জব্দ করা হয়। and nbsp; জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান,ধৃত এনাম and nbsp; ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা সহ ১৩ মামলার পলাতাক আসামী । ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রজু করত ৫ দিনের রিমান্ডের প্রতিবেদন সহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযানে অংশ নেন ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম,ইন্সপেক্টর শাহিন মিয়া,এস আই রাহাত সিদ্দীকি,এস আই নুরুল হক, এ এস আই রবিউল। </body></HTML> 2019-07-20 21:02:06 1970-01-01 00:00:00 বরগুনায় আরেক নয়ন বন্ডকে গ্রেফতার করল পুলিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79892 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634907_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634907_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার একই জেলার বামনা উপজেলায় আরেক যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে কোপানোর চেষ্টা চালিয়েছেন আরেক যুবক। শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বামনা থানার অদূরে উপজেলার সদর রোডের মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।<br>পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলা সদর রোড এলাকার মো. মতিন হাওলাদারের ছেলে মো. সোহেল হাওলাদার (২৫) প্রকাশ্যে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর চেষ্টা করেন মো. হাসিব (২১) নামে আরেক যুবককে। এ ঘটনার খবর পেয়ে বামনা থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে হামলাকারীকে আটক করে। এ সময় সোহেলের কাছ থেকে একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। হামলায় বেঁচে যাওয়া মো. হাসিব জানান, হামলাকারী সোহেল হাওলাদারের সঙ্গে বিকেল ৫টার দিকে বাকবিতণ্ডা হয় তার। এ সময় দুজনে উত্তেজিত হলে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে দুজনে স্থান ত্যাগ করে চলে যান। ঘটনার আধাঘণ্টা পরে তিনি বামনা সদর রোডে মসজিদের কাছে আসলে হামলা চেষ্টাকারী সোহেল একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে তার ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি পালিয়ে প্রাণে বেঁচে যান। এ বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদুজ্জামান বলেন, ?কোন অঘটন ঘটার আগেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলা চেষ্টাকারীকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কাল (আজ শনিবার) আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। </body></HTML> 2019-07-20 21:01:33 1970-01-01 00:00:00 যশোরে জিহাদি বই-প্রচারপত্রসহ গ্রেফতার ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79891 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634875_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634875_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’র দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় জিহাদি বই, লিফলেট ও সংগঠনের কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ভোরে মণিরামপুর উপজেলার সৈয়দ মাহমুদপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে জিহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।<br>গ্রেফতারকৃতরা হলেন মণিরামপুর উপজেলার সৈয়দ মাহমুদপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবু বক্কার সিদ্দিকী (১৯) ও হাসাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার আব্দুল গফুরের ছেলে রায়হান উদ্দিন (১৯)। শনিবার বিকেলে র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পে ব্রিফিং করে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহিনুর রহমান বলেন, গোপন সূত্রে জানা যায় মণিরামপুর উপজেলার সৈয়দ মাহমুদপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে নিষিদ্ধিঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলামের’ সদস্যরা বৈঠক করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই দুই জঙ্গি সদস্যকে গ্রেফতার ও বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই, লিফলেটসহ অন্যান্য উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এএসপি শাহিনুর রহমান আরও বলেন, আবু বক্কার সিদ্দিকী ও রায়হান উদ্দিন এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। তারা অনলাইন ও ফেসবুকের মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে ও সদস্য হয়। এরপর তারা সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ, চাঁদা তোলা, অনলাইনে প্রচারণা চালানো ও গোপন বৈঠকের কার্যক্রম শুরু করে। তাদেরকে গ্রেফতারের পর মামলা দিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করেছে র‌্যাব। </body></HTML> 2019-07-20 21:00:56 1970-01-01 00:00:00 গাইবান্ধায় নতুন করে আরও ২৫ গ্রাম প্লাবিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79890 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634837_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634837_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও আজ আবার নতুন করে করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে করতোয়া নদীবেষ্টিত গোবিন্দগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলা চত্বরসহ নতুন করে ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার ৫১টি ইউনিয়নের ৪ শতাধিক গ্রাম ও গাইবান্ধা পৌরসভার বেশির ভাগ অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। সরকারি হিসাবে, গাইবান্ধায় পৌনে ৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা সদরের সঙ্গে উপজেলার সড়ক যোগাযোগ ও গাইবান্ধার ওপর দিয়ে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ আছে ।<br>সরেজমিনে জানা যায়, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত সপ্তাহের বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় গাইবান্ধায় ৫টি বাঁধের ১৫টি অংশে ধসে যাওয়ায় সদর উপজেলার সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সাদুল্যাপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) দিনভার নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাঘাটা উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক বিভিন্ন ভবন। যে কোনো সময় সাঘাটার বোনারপাড়া খাদ্য গুদামে বন্যার পানি প্রবেশ করতে পারে।<br>এছাড়াও সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের থৈকরের পাড়া, আমদির পাড়া, বাদিনারপাড়া মেছটসহ ১০ গ্রাম এবং কামালেরপাড়া ইউনিয়নের শাহবাজেরপাড়া, হাসিলকান্দি, ছিলমানেরপাড়া, গড়গরিয়াব, ভগবানপুর,ফলিয়াসহ ১০ গ্রাম ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম নতুন করে বন্যার কবলে পড়েছে ।<br>অপরদিকে বন্যার পানিতে ডুবে গত দুই দিনে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের সুগার মিল কলোনি এলাকায় মনু মিয়ার মেয়ে মুন্নি (৭) ও সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের জাহেদুল ইসলামের মেয়ে জান্নাতী খাতুন (১০) মারা গেছে।<br>কামালেরপাড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা দৌলতুজ্জান জানান, শনিবার সকালে বন্যার পানি ছিলমানেরপাড়া প্রবেশ করায় এই গ্রামের শতাধিক মানুষ কয়েক ঘণ্টায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । গরু-ছাগল দিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও সাপের ভয়ে রাতে জেগে থাকতে হচ্ছে। জুমারবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা মিনহাজুর রহমান জানান, মাত্র দুই ঘণ্টায় কয়েক কিলোমিটার তলিয়ে গিয়ে জুমারবাড়ী ডিগ্রি কলেজ মাঠে পানি প্রবেশ করেছে। এতে কয়েক বিঘা জমির কাঠ কচু পানিতে তলিয়ে গেছে । জুমারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রোস্তম আলী জানান, পানির চাপে গত ১২ ঘণ্টায় ১০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে । এভাবে পানি বাড়লে আগামীকাল আরও বেশ কয়েকটি গ্রান নতুন করে প্লাবিত হবে।<br>অপরদিকে সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম জাকির জানান, তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি কমার সঙ্গে গ্রোতের তীব্রতা বেড়ে আরও মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই সরকারের শুভ দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।<br>গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলী জানান, স্কুলগুলোতে পানি ওঠায় এবং বন্যার পাঠ দানের পরিবেশ না থাকায় ২৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ২৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। নদী ভাঙনে ইতোমধ্যে সদর উপজেলার একটি এবং ফুলছড়ি উপজেলার ৩টিসহ মোট ৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান গত ১২ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ৭ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৩২ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৭১ সেন্টিমিটার ওপর বইছে। অপরদিকে তিস্তা নদীর পানি স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও করতোয়া নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসিমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে । গাইবান্ধার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোছা. রোখছানা বেগম জানান, বন্যায় এ পর্যন্ত জেলার সাতটি উপজেলার ৫১টি ইউনিয়নের ৩৮৩টি গ্রামের ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫০ জন মানুষ পানিবন্দি। ৪৪ হাজার ৭৯২টি বসতবাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । ১৮০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৭৪ হাজার ১০৪ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াও বন্যায় ৫৭৫ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা এবং ২৩৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৬৩ কিলোমিটার বাঁধ, ২১টি কালভার্ট এবং ১০ হাজার ৮৩৩ হেক্টর আবাদি জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ১৭৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২৬৪টি মাদরাসা পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আকস্মিক বন্যায় ডোবা পুকুরগুলো ডুবে যাওয়ায় দুই হাজার ৯৪১টি পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।<br>জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া মিয়া বলেন, বন্যাকবলিত মানুষের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। সরকারের কাছেও পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। তাই দেশে কোনো ত্রাণ সংকট হবে না । বন্যাকবলিত কোনো মানুষ যাতে অনাহারে না থাকে সেদিক খেয়াল রেখে আমরা চারদিন থেকে চাল, ডাল, তৈল শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ দিয়ে আসছি। বন্যাকবলিত মানুষদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। </body></HTML> 2019-07-20 21:00:21 1970-01-01 00:00:00 বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার ১৫ হাজার মানুষের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79889 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634793_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634793_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ও কালিকাপুর ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী এসব মানুষ উঁচু রাস্তায় আশ্রয় নিলেও গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। দুর্গতদের অভিযোগ এখন পর্যন্ত কোনো ত্রাণসামগ্রী পাননি তারা। বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের সংকটে তাদের জীবনে হাহাকার দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ। আর বিষধর সাপের ভয়তো আছেই। and nbsp;<br>শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বন্যার পানিতে মাধবপুর, হরিণবাড়ীয়া, লস্করদিয়া, কৃষ্ণনগর, ভবানীপুর, হরিণাডাঙ্গা, চররাজপুর, বিজয়নগর, নারানপুর, আলোকদিয়া, বল্লভপুর, ভাগলপুর, বাগঝাপা, গঙ্গানন্দপুর, কামিয়া, কালুখালী, পাড়াবেলগাছী ও গতমপুর গ্রাম ডুবে গেছে। কালুখালীর রতনদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম হরিড়বাড়ীয়া মৌজার এক নম্বর দাগের বাসিন্দা জহুরা বেগম। তার বাড়ির উঠানে দুই ফুট পরিমাণ পানি। সেখানেই দাঁড়িয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি জানান, গেল বৃহস্পতিবার বাড়ির আশপাশে কোনো পানি ছিল না। রাতে পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘর-বাড়ি তলিয়ে গেছে। ঘরে সঞ্চিত কোনো খাবার নেই। নেই বিশুদ্ধ পানি। পরিবারের চার সদস্যকে নিয়ে অতিকষ্টে দিন যাপন করছেন।<br>জহুরা বেগমের পরিবারের মতো একই অবস্থা পশ্চিম হরিড়বাড়ীয়া মৌজার আরও অসংখ্য পরিবারের। কালুখালীর কালিকাপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের স্কুলছাত্রী সাহেবা খাতুন। সে কালুখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। সে জানায়, বন্যার পানিতে বাড়ি-ঘর ও রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ার কারণে স্কুলে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।<br>বন্যাদুর্গত বিল্লাল হোসেন বলেন, গেল বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ভেবেছিলাম বিপদসীমা অতিক্রম করতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। কিন্তু রাতেই তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার দুই ফুট ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। and nbsp; and nbsp; and nbsp; এদিকে হঠাৎ বন্যায় ধান ও পাটের জমি ডুবে যাচ্ছে। কৃষকেরা পাট কাটার জন্য পর্যাপ্ত শ্রমিক পাচ্ছেন না। কোনো কোনো এলাকায় কৃষকদের পাশাপাশি নারীরাও পাট কাটতে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। হরিণবাড়ীয়া গ্রামের গোলাপী বেগম ও সাজেদা বেগমকে পাট কাটতে দেখা যায়। তারা জানান, ধান তলিয়ে গেছে। <br>পাটও যদি ঘরে তুলতে না পারি, তবে না খেয়ে মরতে হবে। তাই বাধ্য হয়ে পাট কাটতে শুরু করেছি। তারা সরকারের কাছে ত্রাণের জন্য আকুল আবেদন জানান।<br>কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইদ্রিস আলী মনো আরটিভি অনলাইনকে জানান, নারানদিয়া এলাকার দুই শতাধিক পরিবারের বাড়ি-ঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এখানকার মানুষ অনেক কষ্টে আছে। তিনি দুর্গত মানুষের পাশে সরকারকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-07-20 20:59:38 1970-01-01 00:00:00 সুরভী লঞ্চের কেবিনে নারীর লাশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79888 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634758_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634758_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>বরিশাল ঢাকা নৌ-রুটে যাত্রী পরিবহনকারী এমভি সুরভী-৮ লঞ্চ থেকে আঁখি আক্তার (২৯) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুলাই) সকালে বরিশাল নদী বন্দরে নোঙর করে রাখা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত নারী বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রিশিবপুরের বড়পুইয়াউটা এলাকার বজলু বেপারির মেয়ে। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ আদমজী নগরের আদমজী ইপিজেডের অনন্ত অ্যাপেয়ারেল্স লিমিটেডের অপারেটর ছিলেন। পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে বরিশাল নদীবন্দরে পৌঁছার পর শনিবার সকাল ৮টার দিকে কেবিন পরিদর্শন করতে গিয়ে বিষয়টি এক স্টাফ নারীর লাশ দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।<br>লঞ্চের সুপারভাইজার মেসবাহ উদ্দিন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে নারী ও পুরুষ দুই যাত্রী ৬শ’ টাকা ভাড়ায় সুরভী-৮ লঞ্চের নিচ তলার পেছনের দিকের স্টাফ কেবিনে ওঠেন। ভোরে কেবিন চেক করতে এসে ওই কেবিনের দরজা বাইরে থেকে সিটকিনি দেওয়া দেখতে পায় এক স্টাফ। পরে দরজা খুলে স্টাফরা ওই নারী যাত্রীকে শুয়ে থাকতে দেখে তাকে ডাকাডাকি করেন। এতে তিনি সাড়া না দেওয়ায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।<br>বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, গার্মেন্টসকর্মী আঁখি আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতাহলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। তাছাড়া তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কীনা সেটি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। লঞ্চে আঁখির সঙ্গে থাকা যুবকের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি লঞ্চের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সরবরাহ করা হয়েছে। খুব শিগগিরিই ওই যুবককে আইনের আওতায় আনার সাথে সাথে এই খুনের রহস্য উন্মোচন হবে। নিহত নারীর বাবা বজলু বেপারি জানান, আঁখির সঙ্গে আদমজী শহরের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ২ বছরের এক মেয়েও আছে। তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপড়েনে সেই সন্তান নানাবাড়ি বাকেরগঞ্জেই থাকে। </body></HTML> 2019-07-20 20:59:02 1970-01-01 00:00:00 ধর্ষণের জরিমানা ১৪ হাজার, ৭ হাজার টাকা সালিশদারের পকেটে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79887 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634725_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634725_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির (১১) এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মানববন্ধন করেছে সচেতন নাগরিক সমাজ। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত স্থানীয় নিমতলা মোড়ে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে এ মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপজেলার শিবনগরে ৩ জুলাই চতুর্থ শ্রেণির এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ করা হয়। এমন জঘন্য ঘটনাটি স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ধর্ষকসহ পাঁচ মাতব্বরের বিরুদ্ধে মামলা হয়।<br>মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি আরিফ খান জয়, সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ইমাম রেজা, সমাজকর্মী মাহবুব এ হাফিজ ড্যানি, সাংবাদিক মো. রজব আলী, ফুলবাড়ী থানা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আফজাল হোসেন ও সাংবাদিক মেহেদী হাছান উজ্জ্বল।<br>গত ৩ জুলাই ফুলবাড়ী উপজেলার ৭নং মিবনগর ইউনিয়নের রামভদ্রপুর আবাসন এলাকার চতুর্থ শ্রেণির এক প্রতিবন্ধী ছাত্রী দোকান থেকে জুস নিয়ে বাড়ি ফিরছিল।<br>এ সময় প্রতিবেশী মেহেদুল ইসলাম (৩৫) শিশুটিকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেহেদুল ইসলামের ঘরে দুই স্ত্রী রয়েছে। পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় মাতব্বররা শিশুটির মা-বাবার ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টিসহ হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে ১৪ হাজার টাকায় ধর্ষণের ঘটনাটি মীমাংসা করতে বাধ্য করে স্থানীয় মাতব্বররা।<br>এরপর সালিশে ধর্ষকের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ধর্ষণের শিকার শিশুর বাবাকে সাত হাজার টাকা দেয়া হয়। বাকি সাত হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয় সালিশদাররা।<br>বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসনের নজরে আসে। এ অবস্থায় ১১ জুলাই ফুলবাড়ী থানা পুলিশের ওসি ফখরুল ইসলাম শিশুটির বাবাকে থানায় নিয়ে মামলা গ্রহণ করেন। পরে হাইকোর্ট মামলার অগ্রগতি জানতে চান। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ধর্ষক মেহেদুল ও তার সহযোগী সালিশদার সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। </body></HTML> 2019-07-20 20:58:26 1970-01-01 00:00:00 প্রেমিকের নামে ধর্ষণ মামলা দিল প্রেমিকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79886 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634682_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634682_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় সজীব মোল্লা (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।<br>শুক্রবার বিকেলে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের তারাশিরা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।<br>এর আগে দুপুরে নির্যাতিতা নারী নিজে বাদী হয়ে অভিযুক্তসহ তার ৩ ভাইকে আসামি করে মামলা করেন।<br>গ্রেফতারকৃত সজীব মোল্লা উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের তারাশিরা গ্রামের আজিজ মোল্লার ছেলে।<br>স্থানীয়রা জানান, স্বামী পরিত্যাক্তা ওই নারী ও সজীব মোল্লার বাড়ি একই গ্রামে। তারা পূর্ব পরিচিত। বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ঘরের বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ছুটে এসে সজীব মোল্লাকে আটক করেন।<br>ঘটনার পরে ধর্ষকের ভাই মহিম, ইকবাল, জসীম মোল্লা, ভগ্নিপতি সজীব এবং স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য হাসি বেগমের স্বামী ছালেক বেপারী মিলে নির্যাতিতা নারীর ওপর হামলা চালায়। পরে নির্যাতিতাকে আহত করে সজীব মোল্লাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।<br>উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, তাদের দুই জনের মধ্যে প্রায় ৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। হয়তো তাদের মধ্যে কোনো কারণে সম্পর্কে ছেদ ধরেছে। এরপরও মামলা নেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক সজীব মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-07-20 20:57:49 1970-01-01 00:00:00 ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79885 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634559_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634559_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>হরমুজ প্রণালীতে ব্রিটিশ পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার আটক করেছে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন করায় শুক্রবার ব্রিটিশ ওই ট্যাংকারটি আটক করে তারা। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরও তাদের ট্যাংকার আটকের খবর নিশ্চিত করেছে।<br>বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এই পথে ট্যাংকার আটকের এমন ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্য বলছে, পারস্য উপসাগরে ইরান তাদের দুটি জাহাজ আটক করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দ্রুত যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে ‘মারাত্মক ফল’ ভোগ করতে হবে ইরানকে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরমি হান্ট বলেছেন, ‘আমরা এটা খুব স্পষ্ট করে বলছি, যদি খুব দ্রুত এই পরিস্থিতির সমাধান না হয় তাহলে এর মারাত্মক ফল ভোগ করতে হবে। আমরা কোনো সামরিক উপায় খুঁজছি না, আমরা এই পরিস্থিতির উত্তরণে কূটনৈতিক পথের কথা বলছি।’ ট্যাংকার আটকের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভা দুবার জরুরি বৈঠক করেছে। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, ?‘সরকার ইরানের এমন অগ্রহণযোগ্য কর্মকাণ্ডে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এর মাধ্যমে ইরান আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে কার্যক্রম চলানোর স্বাধীনতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।’<br>আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের হরমুজগান প্রদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক যান চলাচল বিষয়ক সংস্থার অনুরোধে ‘স্টেনা ইমরো’ নামের একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করা হয়েছে। ট্যাংকারটি উপকূলে আনা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। এটিতে তল্লাশি চালানো হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের প্রতি সম্মান না দেখানোয় ইরানের ওই সংস্থা তেল ট্যাংকারটিকে আটকের অনুরোধ জানায়। তারই প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী থেকে ২৩ ক্রু’সহ ট্যাংকারটি আটক করে তারা।<br>এর আগে গত ৪ জুলাই যুক্তরাজ্য নিয়ন্ত্রিত জিব্রাল্টার প্রণালী থেকে ইরানি তেলবাহী সুপার ট্যাংকার গ্রেস-ওয়ান আটক করে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল নৌবাহিনী। ইতোমধ্যেই জাহাজের সব ক্রুকে মুক্তি দিলেও জাহাজটির বিষয়ে এখনও তদন্ত চালাচ্ছে জিব্রাল্টার কর্তৃপক্ষ।<br>পারস্য উপসাগরে টহলরত মার্কিন রণতরি ইউএসএস-বক্সার ইরানের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে গত বৃহস্পতিবার দাবি করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান ট্রাম্পের ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। গত শুক্রবার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করার পরপরই তেহরানের ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করে। </body></HTML> 2019-07-20 20:55:41 1970-01-01 00:00:00 প্রিয়াঙ্কার পর বিমানবন্দরে তৃণমূল সাংসদরা আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79884 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634522_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634522_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>কংগ্রেস সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পর এবার উত্তরপ্রদেশের বারানসী বিমানবন্দরে আটকানো হলো ডেরেক ও ব্রায়েনসহ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে। সম্প্রতি বারানসীর সোনভদ্রায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জন নিহত হন। গতকাল শুক্রবার নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে সেখানে যাওয়ার পথে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। এনডিটিভি জানিয়েছে, শনিবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল বিমানবন্দরে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে তাদের আটক করা হয়। এ বিষয়ে পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনেই এমনটা করা হয়েছে।’ তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন এক ভিডিও বার্তায় তাদের আটকের কথা জানান। ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসদলীয় সাংসদদের বারানসী বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে। তবে কোন আইনে আমাদের আটক করা হলো তা স্পষ্ট করে জানায়নি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, তারা শুধু উপরের নির্দেশ মেনে কাজ করেছেন।’<br>বিমানবন্দরে আটক তৃণমূল সাংসদদের পক্ষে করা ওই টুইটে আরও জানানো হয়, ‘আমরা সোনভদ্রায় সহিংসতার ঘটনায় আহতদের সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছুক। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের পাশেও দাঁড়াতে চেয়েছিলাম আমরা। কিন্তু তা করতে দেয়া হচ্ছে না।’ পরে এনডিটিভিকে ওই তৃণমূল নেতা জানান, তাদের বিমানবন্দর থেকে একটি অতিথি নিবাসে নিয়ে যাওয়া হবে জানতে পেরছে তারা। ‘কিন্তু আমরা কোনো অতিথি নিবাসে যেতে চাই না। আমরা আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চাই। এটা কোনোভাবেই ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করবে না কেননা আমাদের এই প্রতিনিধি দলে খুব কমসংখ্যক লোক রয়েছে।’ কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও গতকাল শুক্রবার সোনভদ্রার ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে আটক করে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে মির্জাপুর নামক এলাকার একটি গেস্ট হাউজে রাখা হয়। অবশ্য আজ শনিবার গেস্ট হাউজে এসে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। গত বুধবার সোনভদ্রার একটি গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জন নিহত এবং ২৪ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়। অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতা তার দলবল নিয়ে জমি দখল করতে গিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কৃষকদের ওপর গুলি চালায়। </body></HTML> 2019-07-20 20:54:46 1970-01-01 00:00:00 ইরানকে মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সৌদিতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79883 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634468_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634468_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই সৌদি আরবে সেনা মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে ‘উদ্ভুত হুমকি’ থেকে মার্কিন স্বার্থকে রক্ষা করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদরদপ্তর পেন্টাগন এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে।<br>সৌদি বাদশাহ সালমান ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে’ তার দেশে এরই মধ্যে মার্কিন সেনা উপস্থিতিতে অনুমোদন দিয়েছেন। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টুইটের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে বিবিসি। পারস্য উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে তেহরানের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যেই ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদেশটিতে সৈন্য পাঠানোর এ সিদ্ধান্ত নিল। ইরাকের কুয়েত দখলের পর ১৯৯১ সালে ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ মাধ্যমে সৌদি আরবে মার্কিন সেনা মোতায়েন শুরু হয়েছিল। ২০০৩ সালের পর সেটি বন্ধ রাখা হয়। ওই বছর ইরাক অভিযান শেষে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি ঘাঁটি থেকে তার সৈন্যদের ফিরিয়ে আনে। এবার পেন্টাগন সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনা প্যাট্রিয়ট ও ৫০০ সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ঘাঁটিটিতে এফ-টোয়েন্টি টু জঙ্গিবিমানের একটি স্কোয়াড্রন পাঠানোরও পরিকল্পনা আছে।<br>সৌদি আরবে মার্কিন সেনা মোতায়েনের এ ঘটনা তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনায় ঘি ঢালবে বলে আশঙ্কা পর্যবেক্ষকদের। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। তেহরানের তেল রপ্তানি বন্ধে ওয়াশিংটনের একের পর এক পদক্ষেপও দুই দেশকে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে।<br>সম্প্রতি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের একটি মনুষ্যবিহীন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌযান ইউএসএস বক্সার একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটনও। তবে তেহরান তা উড়িয়ে দিয়েছে। </body></HTML> 2019-07-20 20:54:02 1970-01-01 00:00:00 আকাশসীমা বন্ধ রাখায় পাকিস্তানের ৮৫০ কোটি লোকসান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79882 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634423_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634423_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>কাশ্মীরের পুলওয়ামা হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে গত ফেব্রুয়ারি থেকে আকাশসীমা বন্ধ করে রাখায় পাকিস্তানের লোকসান হয়েছে ৮৫০ কোটি রুপি। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক মন্ত্রী এ তথ্য দিয়েছেন বলে পাকিস্তানের গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার করাচিতে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান জানান, প্রায় পাঁচ মাস ধরে আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে এই লোকসান গুণতে হয়েছে। অবশ্য গত মঙ্গলবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বালাকোটে ঢুকে ভারতীয় বিমান বাহিনী হামলা চালানোর পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতীয় বিমানের জন্য ৯টি রুট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পাকিস্তান। তবে দুটি রুট খোলা থাকলেও শুধু দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে সেগুলো যেতে পারত। পাক মন্ত্রী গুলাম সারওয়ার খান বলেন, আকাশসীমা বন্ধের কারণে তার দেশের পাঁচ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ওই নিষেধাজ্ঞার সময় শতাধিক বাণিজ্যিক ও কার্গো ফ্লাইটের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটেছিল। এ সব ফ্লাইট থেকে পাকিস্তান এ পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শিল্পের জন্য এটা একটা বড় ক্ষতি। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞায় পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের বেশি ক্ষতি হয়েছে। তাদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ। তবে দ্বন্দ্ব ভুলে উভয় পক্ষের হাত মেলানোর সময় এসেছে এখন।’<br>ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে না পেরে তাদের রাষ্ট্রীয় এয়ারলাইনসের ২ জুলাই পর্যন্ত ৪৯১ কোটি রুপি লোকসান হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির বিভিন্ন বেসরকারি বিমান পরিবহণ সংস্থাগুলোরও লোকসান হয়েছে। </body></HTML> 2019-07-20 20:53:23 1970-01-01 00:00:00 গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79881 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634333_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634333_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতের বিহার প্রদেশে গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে উত্তেজিত গ্রামবাসী। শুক্রবার প্রদেশটির সারান জেলার বানিয়াপুর নামক গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডের পর নিহতদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।<br>ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভি এক অনলাইন প্রতিবেদনে পুলিশের বরাত দিয়ে ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে গাড়িতে গুরু তোলার সময় ওই তিনজনকে আটক করার পর পিটিয়ে হত্যা করে গ্রামের কিছু মানুষ। বিবিসি বলছে, ভারতের গরু নিয়ে সহিংসতার ঘটনা এটাই নতুন নয়। এর আগেও অনেককে এভাবে হত্যা করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী এবং সমাজের নিম্নশ্রেণির মানুষ এই সহিংসতার শিকার। ভারতের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গরুকে পবিত্র মনে করে এবং এটা মেরে ফেলা তাদের ধর্মমতে নিষিদ্ধ। পুলিশ বলছে, মারধরের পর গুরুতর আহত তিনজনকে কাছাকাছি ছাপরা এলাকার একটি হাসপাতালে নেয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহত তিনজনের বাড়িও কাছাকাছি একটি গ্রামে। যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের কয়েকজনে আটক করেছে পুলিশ। তবে ভারতের ক্ষমতাসীন কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধে সমালোচকদের অভিযোগ, এসব সহিংসতা রোধে তারা যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না। </body></HTML> 2019-07-20 20:52:01 1970-01-01 00:00:00 টিকটকে মাদকের ফাঁদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79880 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634297_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634297_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>অনেক তরুণ-তরুণী টিকটকে মত্ত, দিনরাত শুধু টিকটক নিয়েই পড়ে থাকেন। এই টিকটকে এখন ফাঁদ পাতছে মাদকচক্র। আর এ চক্রের পাতা জালে পা দিচ্ছেন তরুণ-তরুণীরা। ক্রমশ তারা ঢুকে পড়ছেন অন্ধকার জগতে। সম্প্রতি ভারতের কলকাতায় এমন একটি চক্রের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় নারকোটিক সেল। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই সেলের এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন বাংলা স্কুলে ছাত্রীদের মাদকাসক্তির শিকড় খুঁজতে গিয়ে উঠে এসেছে টিকটক নামক জনপ্রিয় অ্যাপটির নাম। দেশটির গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, মজার ছলে টিকটকের হাত ধরেই নেশার জগতে ঢুকছে স্কুল পড়ুয়ারা। সোশ্যাল মিডিয়ার অন্দরে ঘাপটি মেরে থাকা অপরাধ চক্র তাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে কখনও ভিন রাজ্যে। কখনও আবার মাদকচক্রে জড়িয়ে দিচ্ছে অজান্তেই। এ মুহূর্তে অতি পরিচিত অ্যাপ টিকটকে বিভিন্ন গান, বিখ্যাত সিনেমার সংলাপসহ নানা রকম অডিও’র সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে ছোট ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা যায়। অশ্লীলতা ও বিকৃতির অভিযোগে ভারতে কিছুদিনের জন্য অ্যাপটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। যদিও তা ফের চালু হয়। টিকটকে আসক্ত হওয়া অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে সম্প্রতি ১০ দিনের জন্য বহিষ্কার করে ঢাকুরিয়ার বিনোদিনী গার্লস হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দীপান্বিতা রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘টিকটক অ্যাপ যে কী ভয়ংকর হতে পারে, সম্প্রতি বিপথগামী কয়েকজন ছাত্রীর কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে উঠে এসেছে সেই তথ্য। তিনি জানান, ‘সম্প্রতি অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী ভয়ে ভয়ে এসে দিদিমণিদের জানায়, এক সহপাঠী তাকে মুম্বাইয়ে অনেক টাকার চাকরির অফার দেয়।’ <br>শুনেই কেমন যেন সন্দেহ হয় দীপান্বিতাদেবীর। শুরু করেন খোঁজ নেয়া। ছাত্রীদের থেকে প্রথম দিকে সেরকম কোনও তথ্য না মেলায় ডেকে পাঠানো হয় অভিভাবকদের। শুনে তো আকাশ থেকে পড়েন ছাত্রীদের বাবা-মা। তখন খোঁজ পড়ে তাদের মোবাইলের। তাতেই কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে পড়ে সাপ। দেখা যায়, নিম্নবিত্ত ঘরের মেয়েরা বাবার কাজের মোবাইল ফোনে টিকটক অ্যাকাউন্ট খুলে জড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে।<br>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণ কলকাতার আরেক বাংলা মাধ্যম স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার অভিজ্ঞতা আরও ভয়ংকর। তিনি জানান, ‘সম্প্রতি তাদের স্কুলের কয়েকজন মেয়েকে স্কুলের সময়ে স্বল্পবাসে দেখা গেছে বিভিন্ন হুক্কাবারের বাইরে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ডেকে পাঠানো হয় অভিভাবকদের।<br>দেখা যায়, সেখানেও মাদকচক্রে ঢুকে পড়ার মূলে রয়েছে টিকটক অ্যাপ। বয়ঃসন্ধির মেয়েদের অঙ্গিভঙ্গিকে মৌখিক প্রশংসা করে প্রথমে ফাঁদে ফেলছে একটি চক্র। সংশ্লিষ্ট মেয়েটি ফাঁদে পা দিলেই তাকে মাদকচক্রে জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। বিপদ বুঝে কেউ কেউ বেরিয়ে এলেও, বেশিরভাগ ছাত্রী তলিয়ে যাচ্ছে নেশার অন্ধকারে। যে কৃষ্ণগহ্বরে পা রাখলে তলিয়ে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। </body></HTML> 2019-07-20 20:51:11 1970-01-01 00:00:00 স্ত্রীর একাধিক পরকীয়া, কসাই ভাড়া করে টুকরো টুকরো করে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79879 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634251_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634251_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br> and nbsp;একাধিক পুরুষের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল স্ত্রীর। সেই পরকীয়ার জেরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকতো। এই অনৈতিক সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে ৩০ হাজার টাকায় কসাই ভাড়া করে স্ত্রীকে খুন করালেন স্বামী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ বলছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালি জেটিয়া হাউসের কাছে গঙ্গার ঘাটে দুটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। কালো রঙের একটি ব্যাগ ও একটি চটের ব্যাগ। কালো রঙের ব্যাগটি খোলা ছিল। এতে দেখা যায়, এক নারীর কাটা মুন্ডু রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেয়া হয় বালি থানায়। পুলিশ এসে ব্যাগ দুটি উদ্ধার করে। দেখা যায়, কালো ব্যাগে রয়েছে কাটা মুন্ডু ও সেইসঙ্গে দেহের উপরের অংশ টুকরো টুকরো করে কাটা। অন্য একটি চটের ব্যাগ থেকে পাওয়া যায় পাঁচটি ধারালো অস্ত্র ও জামাকাপড়। খুনের তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে ভেবেছিল, দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরে কেউ গঙ্গায় ফেলে দিয়েছে। কিন্তু দুটি ব্যাগ পাওয়া যাওয়ায় পুলিশ নিশ্চিত হয়, একসঙ্গে দুটি ব্যাগ ভেসে আসতে পারে না। অর্থাৎ ব্যাগ দুটি কেউ ফেলে দিয়ে গিয়েছে। সেইসঙ্গে এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার বিষয়েও নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপর ওই নারীর কাটা মুণ্ডুর ছবি থানায় পাঠানো হয় পরিচয় জানার জন্য। শিবপুর থানা এলাকার গণেশ চ্যাটার্জি লেনের বাসিন্দা সোনি রজক নামে এক নারীর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। যার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কাটা মুণ্ডর মিল রয়েছে। এরপর পুলিশ পেশায় ধোপা উপেন্দ্র রজককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ইতিমধ্যে উপেন্দ্র রজক এলাকায় রটিয়ে দিয়েছিল যে, তার স্ত্রী অন্য এক যুবকের সঙ্গে পালিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদ উপেন্দ্র রজকের কথায় অসঙ্গতি পায় পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। প্রথমে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়। এতে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে তিন ব্যক্তি হেঁটে শিবপুর এলাকা দিয়ে যাচ্ছেন। <br>এরপর বালিখাল এলাকারও সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়।<br>এতে দেখা যায়, ওই তিনজন ব্যাগসহ রিকশায় চড়ে যাচ্ছেন। এসব ফুটেজ দেখার পর স্বামী উপেন্দ্র রজককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। লাগাতার জেরার মুখে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে উপেন্দ্র।<br>খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে কসাই দিলওয়ার, নিহতের স্বামী উপেন্দ্র রজক ও শাকিল আহমেদ নামে আরও এক ব্যক্তিকে। খুনে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ব্যাগের মধ্যে নিহত নারীর দেহের ওপরের অংশ পাওয়া গেলেও, নিচের অংশ পাওয়া যায়নি। শরীরের বাকি অংশের খোঁজে গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।<br><br> </body></HTML> 2019-07-20 20:50:13 1970-01-01 00:00:00 শ্রীলঙ্কা সফরে অধিনায়ক তামিম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79878 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634167_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634167_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করা যেকোনো ক্রিকেটারেরই আজন্ম লালিত স্বপ্ন। কিন্তু যে পরিস্থিতিতে অধিনায়কত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল, সেটি নিশ্চিতভাবেই কাম্য ছিল না তার। নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার ইনজুরির কারণে একপ্রকার বাধ্য হয়েই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তামিমকে।<br>চাচা আকরাম খান ছিলেন দেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ের অধিনায়ক। যার অধীনে ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জিতেছিল বাংলাদেশ। বড় ভাই নাফিস ইকবালও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব করেছেন অনুর্ধ্ব-১৭ ও অনুর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে। সে অর্থে তামিম ইকবাল এখনও পুরোদস্তুর অধিনায়কত্ব করেননি জাতীয় দলের। ২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে একটি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু পুরো সিরিজের জন্য এবারই প্রথম দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাকে। সেটিও এমন এক পরিস্থিতিতে, যা হয়তো কখনোই আশা করেননি তামিম। ছুটি চেয়ে আগেই সিরিজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাকিব আল হাসান ও লিটন কুমার দাস। শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগেরদিন ইনজুরিতে পড়েন নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তরুণ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।<br>যার ফলে তিন ম্যাচের সিরিজের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে হয়েছে ২টি, অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছে বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবালকে। তার অধীনেই আজ (শনিবার) দুপুর ১টায় কলম্বোর উদ্দেশে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ দল।<br>দেশ ত্যাগের আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তামিম জানিয়েছেন এ সিরিজটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে তার আশা দল হিসেবে ভালো করবে বাংলাদেশ। তামিম বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এই সিরিজে অনেক চ্যালেঞ্জিং। শ্রীলঙ্কা তাদের ঘরের কন্ডিশনে অনেক শক্তিশালী দল। তবে এর আগের সিরিজগুলোতে দেখেছি আমরা অনেক ভালো করেছি। এবারও ভালো না করার কোনো কারণ খুঁজে পাই না। আমি সামনের কথা মাথায় নিয়ে এগোচ্ছি। ইতিবাচক দিক খুঁজে নেয়ার চেষ্টা করছি। যেটা বললাম আমাদের জন্য সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ এবং আশা করছি দল হিসেবে আমরা ভালো করবো।’<br>সিরিজটির গুরুত্ব জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় সিরিজটা আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের যে দল যাচ্ছে, এই দলের প্রমাণ করার অনেক কিছু আছে। ইনজুরি এবং অন্যান্য কারণে দলের অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা এই সিরিজে যাচ্ছে না। স্কোয়াডে যারা আছে তারা যদি দুই হাতে সুযোগটি লুফে নেয়, তাহলে সেটা বাংলাদেশ দলের পাশাপাশি তাদের জন্যও ভালো হবে।’ </body></HTML> 2019-07-20 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 এভাবে বিশ্বকাপ জেতাটা ঠিক হয়নি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79877 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634118_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634118_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>নাটকীয় এক বিশ্বকাপ ফাইনাল। কী ছিল না ওই ফাইনালে? ম্যাচ টাই হওয়ার পর, সুপার ওভার। সেখানেও দুই দলের রান সমান। বারুদে ঠাসা, উত্তেজনায় ভরপুর কোনো কিছুতেই যেন সঙ্গায়িত করা যায় না এই ম্যাচ।<br>যেখানে শেষ পর্যন্ত স্বাগতিক ইংল্যান্ড প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে বাউন্ডারি বেশি হাঁকানোয়। ওই ফাইনালের পর আইসিসির ফল নির্ধারণের নিয়ম নিয়ে বেশ সমালোাচনা হয়েছে। অনেকেই বলেছেন বাউন্ডারির কম হাঁকানোয় নিউজিল্যান্ডের হেরে যাওয়া তাদের প্রতি অন্যায়।<br>এমনকি বিশ্বকাপজয়ী ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানও মনে করছেন বিশ্বকাপের ফাইনালে এভাবে জয় পাওয়াটা তাদের ঠিক হয়নি।<br>তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় এমনভাবে ফলাফল পাওয়াটা ঠিক হয়নি। যেখানে কোনো ব্যবধানই ছিল না। পুরো ম্যাচে এমন একটি মুহূর্তও আসেনি যখন মনে হয়েছে ‘ম্যাচটা শেষ হয়ে গেছে।’ পুরো ম্যাচটাই ব্যালেন্সড ছিল।’<br>ফাইনালের প্রত্যেক মুহূর্তেই ছিল উত্তেজনায় ভরপুর। দর্শকরাই হয়ত অনেকে এখনও স্বাভাবিক হতে পারেননি সেই ম্যাচের পর। তবে এমন উত্তেজনাকর ফাইনালে জয় পাওয়ার পরও স্বাভাবিক আছেন বলেই দাবি মরগ্যানের। ফাইনালে জয়ের চেয়ে হারটাই কঠিন ছিল বলে দাবি তার।<br>তিনি বলেন, ‘আমি এখনও স্বাভাবিক আছি। আমি স্বাভাবিক ভাবেই দিন কাটাচ্ছি। আমি জানি আমি সেখানে ছিলাম। এবং এটা ঘটেছে (আমরা বিশ্বকাপ জিতেছি)। কিন্তু আমি সেখানেই নিজেকে আটকে রাখতে পারি না। জেতার পর হয়ত মনে হতে পারে সহজ ছিল, কিন্তু আসলে ব্যাপারটা সহজ ছিল না। অবশ্যই, এমন ম্যাচে হারাটাই কঠিন ছিল।’ </body></HTML> 2019-07-20 20:48:16 1970-01-01 00:00:00 টি-২০ বিশ্বকাপে দেখাব আমরা কত ভালো দল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79876 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634076_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634076_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ওয়ানডে বিশ্বকাপটা একদমই ভালো যায়নি। লজ্জার ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি ৯টি ম্যাচ হেরে দেশে ফিরেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। ব্যর্থতার দায়স্বরূপ অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে গুলবদিন নাইবকে। তার জায়গায় তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই অধিনায়কত্ব দেয়া হয়েছে তরুণ লেগস্পিনার রশিদ খানকে। দলের অন্যতম সেরা পারফরমারকে দায়িত্ব দিয়ে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ভালো কিছুর আশাই করছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।<br>একই কথা বলছেন নব নিযুক্ত অধিনায়কও। তবে তার মতে পরবর্তী বিশ্বকাপের আগে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন তাদের দলের। জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নানান বিষয়ে কথা বলেছেন রশিদ। যেখানে পরবর্তী বিশ্বকাপটিকে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই! ২০২৩ সালের বিশ্বকাপটি আমাদের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। আগেও যেমনটা বলেছি আমাদের ট্যালেন্ট, স্কিলের কমতি নেই। তবে আমাদের আরও উন্নতি প্রয়োজন। আমাদের বুঝতে হবে কীভাবে বড় দলের বিপক্ষে খেলতে হয়। কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়। আমরা দেখেছি এবারের বিশ্বকাপে আমাদের প্রস্তুতি যথাযথ ছিল না।’ তবে এসময় তিনি জানিয়ে দেন এখনই ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ নিতে ভাবতে রাজি নন। এর চেয়ে বরং আগামী বছর অস্ট্রেলিয়াতে বসতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দিকেই বেশি মনোযোগ তার। আফগানিস্তানের নতুন অধিনায়কের বিশ্বাস, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারবে তার দল।<br>রশিদের ভাষ্যে, ‘২০২৩ সালের বিশ্বকাপ তো অনেক দূরে। এখন আমাদের মনোযোগ ও লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দিকে। আমি মনে করি আমরা দেখাতে পারব যে আমরা কত ভালো দল, দেখাতে পারব আমরা কতটুকু পারি। গত বিশ্বকাপের সঙ্গে তুলনা করলে আমরা আমাদের সেরা দলটা পাব আশা করি।’তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এখন শুধু দিনকে দিন উন্নতি করতে হবে। অতীতে যতো ভুল করেছি সেগুলো কমিয়ে আনতে হবে। আমাদের সামর্থ্য আছে, স্কিলের কমতি নেই। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে সেরা একটি দল রয়েছে। আমাদের সেরা প্রস্তুতিটা নিতে হবে।’<br>এসময় বড় দলগুলোর বিপক্ষে বেশি বেশি খেলার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন আফগান অধিনায়ক, ‘একইসঙ্গে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এগুতে হবে। আমি মনে করি বড় দলগুলোর বিপক্ষে যত বেশি খেলব, আমাদের উন্নতি তত হবে। তাদের বিপক্ষে যত খেলব, সিরিজে মুখোমুখি হব, আমাদের ক্রিকেট তত উন্নত হবে।’<br><br> </body></HTML> 2019-07-20 20:47:37 1970-01-01 00:00:00 আর্মিতে যোগ দিতে দল ছাড়লেন ধোনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79875 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634028_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563634028_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<div>আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মহেন্দ্র সিং ধোনি থাকবেন না- এমন খবর চাউর হওয়ার পড়েই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে হয়তো আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন ভারতের এ সাবেক অধিনায়ক। অনেকেই ভেবেছিলেন অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন ধোনি।</div>তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে এখনই অবসর নিচ্ছেন না ধোনি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে না থাকার খবরটি পুরোপুরি সত্যি। কারণ আর্মি প্যারা রেজিমেন্ট ট্রেনিংয়ে অংশ নিতে আগামী দুই মাসের ছুটি চেয়ে নিয়েছেন ধোনি।<br>ভারতের টেরিটরিয়াল আর্মির প্যারাসুট রেজিমেন্টে সম্মানসূচক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল পদ রয়েছে ধোনির। এবারের বিশ্বকাপ শুরুর আগেই তিনি কথা দিয়েছেন এ রেজিমেন্টের ট্রেনিংয়ে অংশ নেবেন। তাই জাতীয় দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজে যাওয়া হবে না তার। আজ (রোববার) ক্যারিবীয় সফরের স্কোয়াড ঘোষণা করবে এমএসকে প্রসাদের নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই নির্বাচক প্যানেল। তার আগেরদিনই ধোনি বিষয়ক ধোঁয়াশা দূর করেছে বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। যিনি প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘আমরা ধোনির ব্যাপারে বিষয়টা পরিষ্কার করে জানাতে চাই। সে এখনই ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছে না। <br>আপাতত প্যারামিলিটারি রেজিমেন্টে নিজের দায়িত্ব পালনের জন্য সে দুই মাসের ছুটি চেয়ে নিয়েছে। আমরা তার এ সিদ্ধান্ত নির্বাচক প্যানেলেও জানিয়েছি। তারাও বিষয়টি মাথায় রেখেই দল ঘোষণা করবেন।’ আগামী ৩ আগস্ট তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে শুরু হবে বিরাট কোহলিদের ক্যারিবীয় সফর। পরে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ৩টি ওয়ানডে ও ২টি টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়বে ভারত।’<br><br> </body></HTML> 2019-07-20 20:46:52 1970-01-01 00:00:00 স্লো-ওভার রেটে শাস্তির নিয়ম পরিবর্তন করলো আইসিসি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79874 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633989_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633989_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্বকাপের পরদিনই লন্ডনে বসেছিল আইসিসির বার্ষিক সভা। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ যে সব সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, তার মধ্যে রয়েছে স্লো ওভার-রেটের শাস্তি। স্লো ওভার রেটের জন্য এতদিন সবচেয়ে বেশি শাস্তি পেতে হতো অধিনায়ককে। এমনকি ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার পর্যন্ত শাস্তি আরোপ হতো অধিনায়কের ওপর। এবার থেকে অধিনায়ককে আর স্লো ওভার রেটের কারণে নিষিদ্ধ হতে হবে না। আইসিসি নতুন এই নিয়ম পাশ করেছে তাদের বোর্ড সভায়। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানালো আইসসি। তবে একেবারে শাস্তি থেকে রেহাই দেয়া হয়নি। স্লো ওভার রেটের জন্য শাস্তি দেয়া হবে পুরো দলকেই। স্লো ওভার-রেটের কারণে অধিনায়কের শাস্তি লাঘবের জন্য সুপারিশ করেছিল আইসিসি ক্রিকেট কমিটি। আইসিসি বোর্ড তা পাশও করে দেয়। চলতি বছর থেকেই শুরু হচ্ছে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। চলবে ২০২১ পর্যন্ত। ১ অগস্ট থেকে অ্যাশেজ সিরিজ দিয়েই শুরু হবে টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়শিপ। তার আগেই নতুন নিয়ম ঘোষণা করলো আইসিসি। ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ম্যাচের শেষে রিকোয়ার্ড ওভার-রেট দেখে ওভার পিছু দুই কম্পিটিশন পয়েন্ট কমানো হবে। তবে বারবার এমনটা হওয়ায় সত্ত্বেও অধিনায়ক আর নিষিদ্ধ হবেন না। কারণ স্লো-ওভার রেটের জন্য প্রত্যেক খেলোয়াড?ই দায়ী। সুতরাং দলের প্রতিটি ক্রিকেটারের সমান জরিমানা হবে।’ আগে নিয়ম ছিল, এক বছরের মধ্যে দু’বার স্লো-ওভার রেটের জন্য এক ম্যাচ কিংবা দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হতেন অধিনায়ক। এবার থেকে জরিমানা দিয়েই পার পেয়ে যাবেন প্রতিটি দলের কাপ্তানরা। এছাড?াও ক্রিকেট কমিটির সুপারিশ করা নো-বলের রিপ্লে-তেও সম্মতি দিয়েছে আইসিসি। আগামী মাস থেকে এর ট্রায়াল শুরু হবে। </body></HTML> 2019-07-20 20:46:04 1970-01-01 00:00:00 ‘রোনালদোর সাথে হেজার্ডের তুলনা করো না’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79873 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633945_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633945_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ২০০৯ সালে মাদ্রিদে পাড়ি জমিয়েছিলেন পর্তুগিজ তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৯ বছর স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে জিতেছেন চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সহ প্রায় সব শিরোপা’ই।<br>ওই ৯ বছরে ফুটবল বিশ্বেও নিজেকে অন্যভাবে চিনিয়েছেন রোনালদো। সময়ের অন্যতম সেরা তো বটেই, অনেকে তাকে রাখেন ইতিহাস সেরাদের কাতারে। ৫ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে ২০১৮ সালে পাড়ি জমান ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসে।<br>তার চলে যাওয়ার পর আগের মৌসুমে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ীরা পরের মৌসুমে থাকে শিরোপাশূন্য। যেখানে পর্তুগিজ তারকার অভাব বোঝা যাচ্ছিলো স্পষ্টই। রোনালদোর অভাব পূরণে অবশেষে এই মৌসুমের দলবদলে তারা দলে ভিড়িয়েছে বেলজিয়াম ও সাবেক চেলসি তারকা ফুটবলার ইডেন হ্যাজার্ডকে।<br>অনেকে তাকে রোনালদোর সঙ্গে তুলনাও করা শুরু করেছেন ইতিমধ্যেই। তবে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ফুটবলার আইকন কারাঙ্কার আপত্তি আছে এ তুলনায়। তিনি বলেন, ‘হ্যাজার্ড এমন একজন খেলোয়াড় যে ব্যবধান গড়ে দিবে; কিন্তু আমাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত যে তার তুলনা রোনালদোর সঙ্গে নয়।’<br>তিনি আরো বলেন, ‘রোনালদো আলাদা। তার সঙ্গে তুলনা করে হ্যাজার্ডকে চাপে ফেলা ঠিক নয়। সে চেলসিতে ভালো খেলেছে আশা করি এখানেও ভালো করবে। তার যে ধরণের সক্ষমতা, সে নিশ্চয় একটা ব্যবধান গড়ে দিবে।’<br><br> </body></HTML> 2019-07-20 20:44:56 1970-01-01 00:00:00 আয়োজকদের ফাঁসালেন ভারতীয় শিল্পী, মঞ্চ মাতালেন নোবেল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79872 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633878_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563633878_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>দুই হাজার, পাঁচ হাজার ও পনেরো হাজার টাকার টিকিট কেটে শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রী হলে কনসার্ট উপভোগ করতে এসেছিলেন অনেক দর্শক শ্রোতারা। না, গান শুনে টাকা উসুল হয়নি তাদের। অনুষ্ঠানের প্রধান চমক ছিলেন ভারতের দুই শিল্পী ‘আশিকি ২’ সিনেমার ‘শুন রাহা হ্যায়’ খ্যাত শিল্পী অঙ্কিত তিওয়ারি ও বলিউড তারকা সানা খান। বাংলাদেশ থেকে ছিলেন ভারতীয় টিভি চ্যানেল ‘জি বাংলা’র ‘সা রে গা মা পা’ রিয়েলিটি শো-এর মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া কণ্ঠশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল ও তাসনিম আনিকা।<br>সন্ধ্যা ৬টায় কনসার্ট শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ২ ঘণ্টা বিলম্বে রাত সাড়ে ৮টার পরে কনসার্ট শুরু হয়। কনসার্টে অনুপস্থিত ছিলেন না অঙ্কিত তিওয়ারি। অঙ্কিত আসছেন না এ খবর আগেভাগেই ছড়িয়ে পড়েছিল নবরাত্রী হলে। তাই দর্শকের উচ্ছ্বাস কমে যায়।<br>তাসনিম আনিকা স্টেজে আসেন সাড়ে ৯টার পরে। বাপ্পা মজুমদারের ‘বায়ান্না তাস’, আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি’, রুনা লায়লার ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ নিজের গাওয়া ‘নোলক’ সিনেমার ‘জলে ভাসা ফুল’সহ বেশ কিছু গান গেয়ে শোনান।<br>এর পরেই স্টেজে হাজির হন ভারতীয় শিল্পী সানা খান। ‘ছাম্মা ছাম্মা’, ‘বাম ড়িগি ডিগিবাম’, ‘পাল্লু লাটকে’সহ জনপ্রিয় বেশকিছু হিন্দি গানের সঙ্গে পারফর্ম করেন।<br>১০টা ৪৬ মিনিটে স্টেজে আসেন নোবেল। শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি’ গান দিয়ে। এরপর ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’ গানটি গেয়ে শোনান। জেমসের গাওয়া ‘তারায় তারায়’, ‘বাবা’ গানে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে দর্শক। খ্যাতিমান শিল্পীদের জনপ্রিয় সব গান কাভার করে মানুষের মন জয় করে নেন এই শিল্পী।<br>কনসার্টের উপস্থাপক ছিলেন ফুয়াদ ও শান্তা জাহান। যৌথভাবে এই কনসার্টের আয়োজন করে এটিএন ইভেন্টস ও সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্ট।<br>নোবেলের গান গাওয়া শেষে এটিএন ইভেন্টসের ডিরেক্টর মাসুদুর রহমান, সানগ্লো এন্টারটেইনমেন্টের ডিরেক্টর (ইভেন্টস) মির্জা সাজিদ অঙ্কিত তেওয়ারি অনুষ্ঠানে হাজির না হওয়ার দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।<br>মাসুদার রহমান বলেন, ‘অঙ্কিতের সঙ্গে সব কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। আমরা তার সম্মানীও পরিশোধ করেছি। হঠাৎ করেই মুড ভালো নেই বলে উনি আমাদের শো ক্যানসিল করেছেন। আমাদের জানিয়েছেন উনি ফ্লাইট মিস করেছেন। উনার তিনজন মিউজিশিয়ানও বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। কলকাতাতেও উনার কিছু মিউজিশিয়ান অবস্থান করছেন। দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে আমরা চমৎকার একটি আয়োজন উপহার দিতে চেয়েছিলাম।’<br>মাসুদার রহমান আরও বলেন, ‘আপনারা নোবেলের ও আনিকার গান উপভোগ করেছেন। যেহেতু অঙ্কিত আসার কথা বলেও আসেননি, টিকিটে আমাদের অফিসের ফোন নম্বর দেওয়া আছে। কেউ টিকিটের মূল্য ফেরত চাইলে, আমরা সেটা ফেরত দিব।’ </body></HTML> 2019-07-20 20:43:51 1970-01-01 00:00:00 শম্ভু বাবুর ছেলেকে বাঁচাতে আমার মেয়েকে বলি দেয়া হচ্ছে: মিন্নির বাবা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79871 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563632811_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563632811_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির স্বীকারোক্তি জবানবন্দি নেয়াকে একটি মহলের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর। এছাড়াও তার দাবি, ‘নির্যাতন ও জোরজবরদস্তি করে তার মেয়ের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়েছে।’ গতকাল দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড পূর্ণ না করেই কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় মিন্নিকে। এসময় আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের পাশাপাশি উৎসুক জনতাও ভিড় জমান। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেনও।<br><br>ওইদিন সন্ধ্যায় আদালত প্রাঙ্গণে মোজাম্মেল হোসেন অভিযোগ করেন, ‘ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার মেয়ের কাছ থেকে সাজানো জবানবন্দি আদায় করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিন্নি কোনোভাবেই জড়িত নয়।’ আপ্লুত কণ্ঠে মোজ্জাম্মেল হোসেন বলেন, ‘মেয়ে আমার জীবন বাজি রেখে তার স্বামীকে রক্ষা করতে গেছে। এটাই কি তার অপরাধ?’ এর পর তিনি অভিযোগের তীর ছোড়েন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর দিকে।<br><br>তিনি বলেন, ‘এসব কিছুই শম্ভু বাবুর খেলা। তার ছেলে সুনাম দেবনাথকে বাঁচানোর জন আমার মেয়েকে বলি দেয়া হচ্ছে।’ এদিকে জবানবন্দির পর আদালত থেকে বের করে ছোট পিকআপে তোলার সময় মিন্নি কিছু একটা বলার জন্য উদ্যত হয়েছিলেন। কিন্তু পাশে থাকা নারী পুলিশ সদস্য এ সময় তার মুখ চেপে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, ‘মিন্নি মা, মিডিয়ার সাথে কথা বল, তোকে নির্যাতন করা হয়েছে, আপনারা ওরে কথা বলতে দেন। আমার মেয়েকে জোর করে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছে। আমার মেয়ে অসুস্থ, প্লিজ ওকে নির্যাতন করবেন না।’ তিনি চিৎকার করে আরও অভিযোগ করেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ। গতকাল রাতে একজন পুলিশ সদস্য বাসায় এসে মিন্নির চিকিৎসাপত্র নিয়ে গেছেন। আর আজ আচমকা তাকে আদালতে হাজির করা হলো! আমার মেয়েকে জোর জবরদস্তি ও নির্যাতন করেই এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া হয়েছে।’<br><br>তিনি বলেন, ঢাকা থেকে আইনজীবীরা আসবে শুনে পুলিশ নির্যাতন করে তড়িঘড়ি আমার মেয়েকে দিয়ে মিথ্যা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে আমার মেয়েকে গ্রেফতার করে মামলায় জড়ানো হয়েছে। এখন আবার তাকে দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও রেকর্ড করানো হলো। এর মাধ্যমে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। মিন্নির বাবা আরও বলেন, আমি আইনি লড়াই করে সত্যটা বের করব ইনশাল্লাহ। এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও তার ছেলের ওপর মিন্নির বাবার এমন গুরুতর অভিযোগ বিষয়ে শম্ভু দেবনাথের ছেলে সুনার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মিন্নির বাবা কী বলছে, আমি সেটা জানি না। তবে এ ধরনের অভিযোগ মিথ্যা ও অমূলক। এ বিষয়ে আমি কিংবা আমার পরিবারকে পেঁচিয়ে মন্তব্য করা মূর্খ লোকের কাজ। তবে আমার যেটা মনে হচ্ছে, আমাদের বিরোধী চক্র দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’<br><br>গত মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলায় মিন্নিসহ এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ২ জুলাই ভোরে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় পুলিশ তাকে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।<br><br>এর আগে গত শনিবার রাত ৮টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত রিফাত শরীফের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ। সেদিন তিনি রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।<br><br>তিনি বলেন, ‘আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি আগে নয়ন বন্ডকে বিয়ে করেছিল। ওই বিয়ে গোপন করে রিফাত শরীফকে বিয়ে করে সে। বিষয়টি আমাদের জানায়নি মিন্নি এবং তার পরিবার। কাজেই রিফাত শরীফ হত্যার পেছনে মিন্নির মদদ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনলে সব বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে।’<br><br>দুলাল শরীফ আরও বলেন, ‘নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির বিয়ের বিষয়টি মিন্নি ও তার পরিবার সুকৌশলে গোপন করেছে। নয়ন বন্ডের স্ত্রী থাকাবস্থায় আমার ছেলে রিফাতকে বিয়ে করেছে মিন্নি। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও মিন্নি নয়নের বাসায় যাওয়া-আসা করত। নিয়মিতভাবে নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করত সে।’<br><br>গত ২৬ জুন রিফাতকে প্রকাশ্য সড়কে কুপিয়ে হত্যার সময় স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নির চেষ্টার ভিডিও ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি সারাদেশে আলোচনায় উঠে আসে। পরদিন শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে যে মামলাটি করেন, তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় মিন্নিকেই। </body></HTML> 2019-07-20 20:26:04 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৮ নেতা গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79870 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563631543_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563631543_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনীতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৮ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ফেনী শহরের মিজান পাড়ার ফজল মাস্টার লেন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েলের চাচা ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক খলিলুর রহমান মারা যান। কয়েকজন বিএনপি নেতা শুক্রবার রাতে পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিতে ওই বাসায় যান। বাসার সামনে থেকে ফেনী থানা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া নেতারা হলেন ফেনী জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মামুন, দাগনভূঞা উপজেলা যুবদলের সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহাদাত, জেলা যুবদলের সদস্য জাহিদ হোসেন বাবলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়ির সহ-সভাপতি শরীফুল ইসলাম শরীফ ও সাবেক ছাত্রদল নেতা কাজী আবুল হাসান সোহাগ।<br><br>ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন তাদের গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায়, ওনারা ওখানে জড়ো হয়েছেন। তাদের কয়েকজনের নামে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। বাকিদের নামেও মামলা রয়েছে। এদিকে ফেনী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের বলেন, বিএনপি নেতারা সদ্য প্রয়াত স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েলের চাচা প্রবীণ রাজনীতিক ও সাংবাদিক খলিলুর রহমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।<br>বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ এ গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবি করে তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। </body></HTML> 2019-07-20 20:05:14 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর ফতেহপুরের রেলক্রসিং ওভারপাসে খানাখন্দের কারনে দুর্ঘটনা শঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=79869 http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563629934_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/07/18/1563629934_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুরের রেলক্রসিং এর উপর এই ওভারপাসটি গত বছর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর এ বছরে কয়েক দফা বর্ষার পানিতে ওভারপাসের সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ওভারপাসের অংশ ছাড়াও সড়কের কয়েক জায়গায় দেবে গিয়ে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব গর্তে চাকা আটকে পড়ে প্রতিদিন ঘঠছে দুর্ঘটনা, নস্ট হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রপাতি এবং বিকল হচ্ছে যানবাহন। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ফতেহপুরের এই রেলওয়ে ওভারপাসের সড়কে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে । এছাড়া সড়কের অনেক অংশ দেবে গেছে। ওভারপাসের পশ্চিম দিকের সড়ক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ওই অংশে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যানবাহন গর্তে পরে ইতিমধ্যে ছোট্ট ছোট্ট কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘঠেছে এবং সড়কের পাসের রেলিংয়ের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। and nbsp; এলাকাবাসী জানায় যেকোনো সময় তৈরি হওয়া এইসব গর্তে গাড়ির চাকা পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যদি ওভারপাসের রেলিং ভেঙে নিচে পরে যায়, তাহলে যান মালের বড় ধরনের ক্ষতি হবে পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যাবে মহাসড়কের যান চলাচল। এদিকে ফেনীর পরিবহণ মালিকরা বলেন ঈদেকে সামনে রেখে এ পথে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্নে করতে এই ভাঙ্গা অংশ গুলো দ্রুত মেরামত না করা হলে ভাঙ্গা অংশে এসে যানবাহনের গতি কমিয়ে দেওয়ার কারনে এ পথের যাত্রী ও পরিবহণ চালকদের চরম ভোগান্তীতে পরতে হবে, সেই সাথে সৃষ্টি হবে যানজট । এদিকে ফেনীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী যানান ওভারপাসটির নির্মাণ কাজ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটেলিয়ান নির্মানের পরবর্তী রক্ষনা-বেক্ষনের দাইত্বেটাও এখন পর্যন্ত and nbsp; তাদের । তিনি বলেন আমি এই ওভারপাসের দাইত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ২০ এর মেজরকে বিষয়টি অবগত করছি এবং তিনি যানিয়েছেন সরজমিনে গিয়ে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ গুলো দেখে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করবেন। গত ২০১২ সালে শুরু হয়ে,২০১৮ সালের ১৫ মে এই ওভারপাসের উপর দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়। ওভারপাসটির মোট ৮৬ দশমিক ৭৯ মিটার দৈর্ঘ্য ও প্রায় ২১ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের প্রকল্পের মধ্যে ৭’শ ৫৫ মিটার এ্যাপ্রোচ সড়ক রয়েছে। ৬৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ওভারপাসটি গত বছরের ১৪ আগস্ট গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ধোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br><br> </body></HTML> 2019-07-20 19:33:13 1970-01-01 00:00:00