শুক্রবার, ২৩ জুলাই, 2০২1
হুজুরের বিচার করতে পারবো না, বিচারের ভার আল্লাহর কাছে দিলাম
Published : Thursday, 4 March, 2021 at 8:03 PM

জেলা প্রতিনিধি ॥
ইয়াসিন, বয়স মাত্র সাত। সন্তানকে শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে বাবা-মা তাকে শ্রীপুর দাদির কাছে পাঠিয়ে দেন। দাদি তাকে ভর্তি করে দেন মাদ্রাসায়।  সম্প্রতি মাদ্রাসায় হুজুরের চাহিদামতো পড়া দিতে পারছিল না ইয়াসিন। এ কারণে ইয়াসিনকে নির্মমভাবে কয়েকদফা মারধর করেন হুজুর। এক পর্যায়ে হুজুরের অমানবিক আচরণ সহ্য করতে না পেরে বুধবার (৩ মার্চ) সকালে ইয়াসিন মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে দাদির বাড়ি চলে আসে। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া পূর্বখ- এলাকার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ইয়াসিন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে। বাবা মফিজুল ইসলাম নিজ এলাকায় মুদি দোকানি। মা গৃহিণী। এক বছর আগে ইয়াসিনকে হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র হিসেবে ভর্তি করা হয়েছিল জানিয়ে বাবা মফিজুল হক বলেন, ‘হজুর ক্ষমা চেয়েছে। স্থানীয়রাও আমাদের বুঝিয়ে বলেছে। তাই ছেলেকে নিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছি।’
 ইয়াসিনের মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘এভাবে কোনো মানুষ কোনো পশুকেও মারতে পারে না। সন্তানকে লেখাপড়া করানোর জন্য এখানে দিয়েছিলাম। কিন্তু তা আর হলো না। হুজুরের বিচার তো, আমরা করতে পারবো না, তাই এর বিচারের ভার আল্লাহর কাছেই দিলাম।’
অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ আলী ওই মাদ্রাসার মুহতামিম। শ্রীপুরের কেওয়া পূর্বখ- গ্রামে ভাইয়ের সঙ্গে তিনি মাদরাসাটি গড়ে তোলেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সে পড়া দিচ্ছিল না, তাই তাকে মেরেছি। কিন্তু বিষয়টা এত বড় হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি।’










সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি