http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - সাপের বিষ পাচারের রুট বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100971 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402311_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402311_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>প্রায় ৯ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধারসহ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাপের বিষ পাচারকারীর চক্রের মূলহােতা মাে. মামুন তালুকদার (৫১) ও তার সহযোগী মাে. মামুনকে (৩৩) আটক করে সিআইডির একটি দল।<br>এ সময় দুটি বড় লকার ও ছয়টি কাচের কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যেকটি বােতলের গায়ে লেখা— ঈঙইজঅ ঝহধশব চড়রংড়হ ড়ভ ঋৎধহপব, জবফ উৎধমড়হ ঈড়সঢ়ধহু, ঈড়নৎধ ঈড়ফব ঘড়-৮০৯৭৫, গধফব রহ ঋৎধহপব।<br>সিআইডি বলছে, বাংলাদেশে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো বৈধতা নেই। মূলত সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ মো. রেজাউল হায়দার।<br>তিনি বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকা মেট্রোর একটি টিম গাজীপুরের বাসন থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী একটি চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্তকালে গােপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডি জানতে পারে, এরকম আরও কয়েকটি বড় ধরনের পাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে সাপের বিষ পাচারকারী চক্রের মূলহােতা মামুন তালুকদার ও তার সহযোগী মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।<br>রেজাউল হায়দার বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে সাপের বিষ পাচার হয়। এটার বৈশ্বিক মার্কেট রয়েছে, তবে বাংলাদেশে বিক্রির কোনো বৈধতা নেই।<br>তিনি বলেন, দেশের বাইরে থেকে এ সাপের বিষ কোনো না কোনোভাবে বাংলাদেশে এসেছে। দু-তিন হাত ঘুরে হয়তো এই চক্রের মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার হতো। সাপের বিষ ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে বাংলাদেশে ফার্মাসিউটিক্যালে এটি ব্যবহারের বৈধতা নেই। যে কারণে এটি বাংলাদেশে ব্যবহারের সুযোগও নেই। আমরা এখনো নিশ্চিত না যে এটা ঠিক কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এটা এলসির মাধ্যমে আনা হয়নি। জব্দ করা বিশ্বের কনটেইনারগুলোতে লেখা দেখা গেছে ‘মেড ইন ফ্রান্স’।<br>এক প্রশ্নের জবাবে রেজাউল হায়দার বলেন, যথাসম্ভব এ অবৈধ সাপের বিষ পাচারের জন্য বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পুরো তদন্ত শেষ হলে এটা স্পষ্ট হবে কে বা কারা কোন জায়গা থেকে আমদানির পর এটা পাচার করছিল। ইতোমধ্যে কয়েকটি চালান বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়ার তথ্য পেয়েছে সিআইডি।<br>গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই চক্রের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও সাত-আটজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। যেহেতু সাপের বিষ লেনদেন ক্রয়-বিক্রয় এবং পাচার আইনত অপরাধ, তাই তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হবে বলে জানান তিনি।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 ‘মানুষকে তাচ্ছিল্য না করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100970 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402262_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402262_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মানের চোখে দেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘প্রত্যেকেরই অবদান রয়েছে এই সমাজের প্রতি, দেশের প্রতি। মানুষকে তুচ্ছ তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন না। কর্মক্ষেত্রে সকলে যেন ন্যায় বিচার পায়।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের সমাপনী এবং সনদ বিতরণ করেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকার শাহবাগের বিসিএস প্রশাসন একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন সরকারপ্রধান।<br>প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মতো দেশটাকে উন্নত করার জন্য আমরা উপযুক্ত কর্মচারি গড়ে তুলতে চাই, মানুষ যেন ন্যায় বিচার পায়। প্রশাসনের সেবা পায়। নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ার সুযোগ পায়।’<br>কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মেধা, জ্ঞান, বুদ্ধি এবং মননকে দেশের কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। সবাইকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকারে আসার পর আওয়ামী লীগ প্রশাসনের কর্মচারিদের বিদেশে পাঠিয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।<br>এসময় প্রশাসনের নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো মানুষকে অবহেলার চোখে দেখবেন না বা তাদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করবেন না। মানুষকে মানুষ হিসেবে সম্মান দিতে হবে।’<br>প্রধানমন্ত্রী এ সময় ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারি কর্মচারিদের উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণের উদ্ধৃতি দেন।<br>জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘আপনি চাকরি করেন, আপনার মাইনে দেয় এ গরীব কৃষক। আপনার মাইনে দেয় ঐ গরীব শ্রমিক। আপনার সংসার চলে ঐ টাকায়। আমি গাড়ি চড়ি ঐ টাকায়। ওদের সম্মান করে কথা বলুন, ইজ্জত করে কথা বলুন। ওরাই মালিক।’<br>ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ছোটবেলা থেকে শিখেছি, রিকশাওয়ালাকে আপনি বলে সম্বোধন করেছি। কারণ, আমাদের বাবা-মা সেটাই শিখিয়েছিলেন।’<br>তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকেরই অবদান রয়েছে এই সমাজের প্রতি। প্রত্যেকের অবদান রয়েছে দেশের প্রতি। সেকথাটা মনে রাখতে হবে। তাছাড়া, কর্মক্ষেত্রে সকলে যেন ন্যায় বিচার পায়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। কারণ, আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে মানুষের সেবা করা।’<br>সরকার প্রধান আরও বলেন, ‘সমাজে যেসব উপসর্গ মাঝে মাঝে দেখা দেয়, যেমন-নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, কিশোর গ্যাং সৃষ্টি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি এসবের বিরুদ্ধেও আপনাদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেখানে কারো মুখ চেয়ে নয়, যারাই অপরাধী, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখবেন, এটাই আমার কথা।’<br>‘অপরাধী যে দলের হোক বা যে কেউ হোন না কেন, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সমাজটাকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। সেটাই আপনারা করবেন, আমরা চাই’-যোগ করেন সরকারপ্রধান।<br>জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন স্বাগত বক্তৃতা করেন। একাডেমির রেক্টর বদরুন নেছা কোর্সের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন।<br>এ বছরের ৫ জানুয়ারি শুরু হওয়া ৫ মাসব্যাপী এবারের কোর্স করোনা বিভ্রাটে পড়ে বিলম্বিত হয় এবং অনলাইন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। ১১৬ জন অংশগ্রহণকারীর সকলেই কৃতকার্য হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭০ জন পুরুষ এবং ৪৬ জন মহিলা রয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী তিনজন শিক্ষার্থীর হাতে রেক্টরস পদক তুলে দেন। সনদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা এই করোনাকালীন অবস্থার মধ্যেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং সাফল্য অর্জন করেছেন। কাজেই, আপনাদের এই অর্জিত জ্ঞান আপনারা দেশের কাজে অবশ্যই লাগাবেন। কেননা দেশটাকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেটা মনে রাখতে হবে।’<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ৩৭ জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100969 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402171_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402171_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৩৭ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৫ ও নারী ১২ জন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৫২৪ জনে। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি ল্যাবরেটরিতে ১৬ হাজার ৪৯৪টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৭ হাজার ৫৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হন আরও দুই হাজার ২৯২ জন। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল চার লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৮ জনে।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২৭৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৫৩ জন।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৪৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ৩৮ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৮ মার্চ। আজ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ছয় হাজার ৫২৪ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ পাঁচ হাজার ৭ জন (৭৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৫১৭ জন (২৩ দশমিক শূন্য ২৫ শতাংশ)।<br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত ৩৭ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুইজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব আটজন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২৫ জন রয়েছেন।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৯ জন, চট্টগ্রামে তিনজন, রাজশাহীতে তিনজন এবং রংপুরে দুইজন রয়েছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 সাবেক চেয়ারম্যানসহ এবি ব্যাংকের ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100968 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402133_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402133_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>অস্তিত্বহীন তিনটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে ২৩৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরব-বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান-এমডিসহ অন্তত দুই ডজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের তিনটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল এই টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।<br>মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব দেলোয়ার বখত।<br>যে তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণ দেখিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়, সেগুলো হলো- ইউএইর সেমাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং, সিঙ্গাপুরের এটিজেড কমিউনিকেশনস পিটিই লিমিটেড ও ইউরোকারস হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড।<br>যে ২৩ জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়েছে তারা হলেন-<br>এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক ডিএমডি মশিউর রহমান চৌধুরী ও ডিএমডি সাজ্জাদ হোসেন, অপারেশন ম্যানেজার খাতুনগঞ্জ শাখা মো. লোকমান হোসেন, চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখার সাবেক এসএভিপি মো. শাহজাহান, সাবেক পিও মো. আরিফ নেওয়াজ, সাবেক এভিপি মো. সালাহ উদ্দিন।<br>এছাড়া প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ইভিপি মো. শাহজাহান, ইভিপি মো. আমিনুর রহমান, সাবেক ইভিপি সরফুদ্দিন আহমেদ, বিজনেস ডিভিশনের এভিপি কাজী আশিকুর রহমান, সাবেক ইভিপি কাজী নাসিম আহমেদ, সাবেক এসইভিপি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাবেক এসইভিপি ও সদস্য ক্রেডিট কমিটি সালমা আক্তারের নামও এসেছে।<br>তালিকায় আরও আছেন সাবেক পরিচালক এমএ আউয়াল, ফাহিম উল হক, ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, শিশির রঞ্জন বোস, বিবি সাহা রায়, মো. মেজবাউল হক ও ড. মো. ইমতিয়াজ হোসেন।<br>দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র <br>জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কিছু অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় করা হয়। এছাড়া নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকিং হিসাব খোলার আগেই ঋণ অনুমোদনের প্রমাণ উঠে আসে প্রাথমিক অনুসন্ধানে।<br>নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এসব কাগুজে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করতেই। সে কারণেই তড়িঘড়ি করে এসব অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠাণের নামে ঋণ ছাড় করা হয়। ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন ২৩ কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে এ কাজে সহযোগিতা করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পায়। এজন্য দুদকের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা তিনটি করা হয়।<br>দুদক সূত্র জানিয়েছে, তিন ধাপে এ টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ৬০ কোটি ও তৃতীয় ধাপে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পাচার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম দুই দফা পাচারের ঘটনায় দুই মামলায় ২৩ জন ও তৃতীয় পর্যায়ে ২১ জনকে আসামি করে মামলার জন্য সুপারিশ করা হয়।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 ‘বেগমপাড়ায়’ বিনিয়োগকারী আমলাদের খোঁজে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100967 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402102_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402102_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>কানাডার ‘বেগমপাড়া’ এখন শুধু কানাডাই নয়, সারা বিশ্বে আলোচিত খবর। গত কয়েক দিন বাংলাদেশের মিডিয়ায় এটি ছিল প্রধান শিরোনামে। বেগমপাড়ায় ২৮ বাংলাদেশির বাড়ির খোঁজ পেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। যার মধ্যে বেশিরভাগেরই মালিক সরকারের উচ্চপদস্থ আমলা। এ আমলাদের নামের তালিকার খোঁজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকা হাতে পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমনকারী সংস্থাটি।<br>গত ১৮ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘কানাডায় খবর নিয়েছি, প্রাথমিকভাবে কিছু সত্যতা পেয়েছি। মনে করছিলাম রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু দেখা গেলো রাজনীতিবিদ চারজন। সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা বেশি। এছাড়া কিছু ব্যবসায়ীও আছে। বিদেশে যদি কেউ বৈধভাবে টাকা নেয়, তাহলে কোনো আপত্তি নেই। তবে অবৈধভাবে পাচার করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’মূলত এর পর থেকেই আলোচনা চলে আসে কানাডার বেগমপাড়া। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে এরই মধ্যে ২৮ জনের তালিকা চেয়েছে দুদক।<br>জানা যায়, কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার বিষয় বেগমপাড়া। তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার নাম নয় বা নির্দিষ্ট কোনো এলাকাতেও অবস্থিত নয়। এর বেশিরভাগই টরেন্টো, মন্ট্রিয়ল, অটোয়া শহরে অবস্থিত। মূলত and nbsp; দেশের ধনী ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের স্ত্রী-সন্তানরা, যারা বিনিয়োগ ভিসায় কানাডায় অভিবাসী হয়েছেন, তাদের এলাকা। স্বামীরা দেশে থেকে অর্থের জোগান দেন, আর স্ত্রীরা সন্তানদের নিয়ে সেই টাকায় কানাডায় থাকেন, সন্তানদের লেখাপড়া করান। এসব এলাকায় যারা বাড়ি করছেন, তারা প্রত্যেকেই অবৈধভাবে অর্থপাচার করেছেন বলে জানা গেছে।<br>এসব এলাকায় স্বামীরা স্থায়ীভাবে থাকেন না, বেড়াতে যান, এজন্য এসব এলাকাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ডাকেন বেগমপাড়া বলে। হঠাৎ করে বেগমপাড়া আলোচনায় আসার আরেকটি কারণ হলো কানাডার সরকারি সংস্থা দ্য ফিন্যান্সিয়াল ট্রানজেকশন অ্যান্ড রিপোর্ট অ্যানালাইসিস সেন্টার ফর কানাডা (ফিনট্র্যাক) গত এক বছরে তাদের দেশে এক হাজার ৫৮২টি অর্থ পাচারের ঘটনা চিহ্নিত করেছে। তবে এ তালিকায় বাংলাদেশি কেউ আছে কি-না সে বিষয়ে এখনো কানাডা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।<br>এ বিষয়ে দুদক সচিব দিলওয়ার বখত বলেন, কানাডার বেগমপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের ২৮টি বাড়ির বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। সরকারের কাছে ওই তালিকাও চেয়েছি। তালিকা পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্থ পাচারের বিষয়ে গত সোমবার (২৩ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দেশের বাইরে অর্থ পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।<br>এদিকে, এ বিষয়ে বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের যাবতীয় তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব, দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২২ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন। এ রুল বিবেচনায় থাকা অবস্থায় বিদেশে টাকা পাচারকারীদের নাম ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্য (মামলাসহ, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা) প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে দুদক চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ১৭ ডিসেম্বর দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।<br>এদিকে, বেগমপাড়ার বিষয়টি আলোচনায় আসার আগেই গত ২২ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের কাছে দুদক কমিশনের মহাপরিচালক (অর্থপাচার) আ ন ম আল ফিরোজ এক চিঠিতে বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের তালিকা চান। ‘বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব থাকা বাংলাদেশিদের তালিকা প্রসঙ্গে’ শিরোনামের ওই চিঠিতে বলা হয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও পত্রিকায় প্রকাশিত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মিস-ইনভয়েসিং, হুন্ডি, বাল্ক ক্যাশ ট্রান্সফার ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে থাকে। এর ফলে, বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত তার মূলধন হারানোয় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বাংলাদেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার জন্য যে পরিমাণ দেশীয় বিনিয়োগ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে হলে অর্থ পাচার রোধ করা একান্ত দরকার। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ এদেশে থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগের (ইনভেস্টমেন্ট কোটা) মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের নাগরিত্ব নিয়েছেন।<br>চিঠিতে আরো বলা হয়, বহুল আলোচিত পানামা পেপার্স, প্যারাডাইস পেপার্স ইত্যাদি কেলেঙ্কারিতে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের নামও উঠে এসেছে। এ ধারা রোধ করা সম্ভব না হলে আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ভবিষ্যতে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে নাগরিকত্ব নেওয়া রোধের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই।<br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 খুলনাকে হারিয়ে রাজশাহীর দ্বিতীয় জয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100966 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402072_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402072_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া প্রতিবেদক,<br>বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ম্যাচে জেমকন খুলনাকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। দুই ম্যাচ খেলে এটি তাদের দ্বিতীয় জয়। এর আগে গত ২৪ নভেম্বর টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকাকে ২ রানে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে, দুই ম্যাচ খেলে খুলনার এটি প্রথম হার। গত মঙ্গলবার ফরচুন বরিশালকে তারা ৪ উইকেটে হারিয়েছিল। এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনার দেয়া ১৪৭ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৭.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় রাজশাহী।<br>দলের পক্ষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৪ বলে ৫৫ রান করেন। ২০ বলে ২৬ রান করেন রনি তালুকদার। ২২ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ৭ বলে ১১ করে অপরাজিত থাকেন নুরুল হাসান সোহান। খুলনার বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন ২টি, শহীদুল ইসলাম ১টি ও আল-আমিন হোসেন ১টি করে উইকেট শিকার করেন।<br>রাজশাহী ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকে। দলীয় ২৫ রানে ওপেনার আনিসুল ইসলাম ইমন ফিরে গেলেও শান্ত ও রনি তালুকদার জুটিতে দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকে তারা। দলীয় ৭২ রানে ফিরে যান রনি।<br>এরপর দলীয় ৮৭ রানে রিশাদের বলে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। তবুও গতি থামেনি রাজশাহীর। পাঁচ নম্বর পজিশনে নেমে ১৬ বলে ২৪ রান করে শহীদুলের বলে বোল্ড হন ফজলে রাব্বী। পরে আশরাফুল ও সোহান মিলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।<br>এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৬ রান সংগ্রহ করে জেমকন খুলনা। দলের পক্ষে ৩১ বলে ২টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন আরিফুল হক। ২৫ বলে ৩৫ রান করেন শামীম হোসেন। ১২ বলে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন শহীদুল হক।<br>রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে ইবাদত হোসেন ১টি, মেহেদী হাসান ১টি, মুকিদুল ইসলাম ২টি ও আরাফাত সানি ১টি করে উইকেট শিকার করেন।<br>খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৪ রানে প্রথম উইকেট হারায়। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও শূন্য রানে আউট হন ইমরুল কায়েস। এদিনও সুবিধা করতে পারেননি সাকিব আল হাসান। ওয়ানডাউনে নেমে ৯ বলে ১২ রান করে ফরহাদ রেজার হাতে ক্যাচ হন তিনি।<br>ওপেনার এনামুল হক বিজয় ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৬ রানে রান আউটের শিকার হন তিনি। প্রথম ম্যাচে ভালো খেললেও এদিন জহুরুল ইসলাম সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি।<br>দলীয় ৫১ রানে পঞ্চম উইকেটের পতন হয় খুলনার। ১৩ বলে ৭ রান করে বোলার আরাফাত সানির হাতে ক্যাচ হন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরে আরিফুল ও শামীম জুটিতে মোটামুটি একটি সংগ্রহ দাঁড় করায় খুলনা।<br>সংক্ষিপ্ত স্কোর<br>ফল: ৬ উইকেটে জয়ী মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী।<br>জেমকন খুলনা: ১৪৬/৬ (২০ ওভার)<br>(বিজয় ২৬, ইমরুল ০, সাকিব ১২, রিয়াদ ৭, জহুরুল ১, আরিফুল ৪১*, শামীম ৩৫, শহীদুল ১৭*; ইবাদত ১/২৭, শেখ মেহেদী ১/২৩, মুকিদুল ২/৪৪, আরাফাত সানি ১/১৭, ফরহাদ রেজা ০/২৯, আনিসুল ০/৫)।<br>মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী: ১৪৭/৪ (২০ ওভার)<br>(শান্ত ৫৫, আনিসুল ২, রনি ২৬, আশরাফুল ২৫*, ফজলে মাহমুদ ২৪, সোহান ১১*; সাকিব ০/২৭, শফিউল ০/২৪, আল-আমিন হোসেন ১/১৩, শহীদুল ১/২৭, মাহমুদউল্লাহ ০/১১, রিশাদ ২/৩৪, শামীম ০/৯)।<br>ম্যাচ সেরা: নাজমুল হোসেন শান্ত (মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী)।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 ম্যারাডোনার মৃত্যুতে আর্জেন্টিনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100965 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402034_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402034_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্পোর্টস ডেস:<br>ক্লাব এবং আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ম্যারাডোনা ফুটবল খেলেছেন মাত্র ২১ বছর। ৬০ বছরের জীবনে বাকি ৩৯ বছর ফুটবলের বাইরে। কিন্তু এই ২১ বছরে ফুটবল মাঠে নিপুণ শিল্পীর মত যে ছবি এঁকেছিলেন, তা তাকে এনে দিয়েছে তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা ফুটবলারের খ্যাতি। ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান আর্জেন্টিনা। দেশটিতে ইতিমধ্যে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুরু হয়েছে।<br>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।<br>বুধবার (২৫ নভেম্বর) আর্জেন্টিনার স্থানীয় সময় বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এই ফুটবল কিংবদন্তি। ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে সারাবিশ্বেই। শুধু ক্রীড়াঙ্গনের মানুষই নয়, সারা বিশ্বের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান।<br>ম্যারাডোনা চিরদিনের শত্রু, ব্রাজিলের কালো মানিক, আরেক সর্বকালের সেরা ফুটবলার পেলে বলে দিয়েছেন, ‘ওপারে দু’জন আবার ফুটবল খেলবো।’ মেসি-রোনালদো থেকে শুরু করে সাবেক এবং বর্তমান তারকারা শোকস্তব্ধ। এমনকি ক্রিকেটাঙ্গনও শ্রদ্ধা জানিয়েছে ম্যারাডোনার মৃত্যুতে।<br>তবে, এই কিংবদন্তির মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি কাঁদছে তার নিজের দেশ আর্জেন্টিনা এবং ইতালির শহর নেপলস। আর্জেন্টিনাকে একার নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। আর ইতালিয়ান ক্লাব ন্যাপোলিকে খ্যাতির চূড়ায় তুলে দিয়েছিলেন এই ম্যারাডোনা।<br>আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ গতকালই দেশটিতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এ বিষয়ে বুধবার (২৬ নবেম্বর) একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ম্যারাডোনার মৃত্যুর দিন থেকেই তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট।<br>আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি ম্যারাডোনার মৃত্যুর খবরটি যখন পান, তখন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। আর্জেন্টিনার মানুষ সবচেয়ে বাজে খবরটি পেল। আলবার্তো ফার্নান্দেজ বলেন, তিনি বিপর্যস্ত। অবিশ্বাস্য রকমের দুঃখভারাক্রান্ত। তিনি ম্যারাডোনার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছেন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে ম্যারাডোনার মরদেহ রাখা হবে। <br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রতিশ্রুতি ২ মেয়রের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100964 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402006_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606402006_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি নিষ্কাশনের দায?িত্ব সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীতে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র।<br>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক পরামর্শ সভা শেষে দুই মেয়র এ প্রতিশ্রুতি দেন।<br>এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের দিনটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দুই সিটির মেয়র চেয়ে আসছিলাম ঢাকা শহরের খালগুলো আমাদের আওতায় দিতে। আজ সে বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এখানে অনেক টেকনিক্যাল ব্যাপার রয়েছে। যেমন আমাদের সক্ষমতা বিষয়সহ আইনগত বিভিন্ন দিক রয়েছে। আমরা নগরবাসীকে বলতে পারি এটি অনেক পুরোনো দিনের সমস্যা। এখানে খাল, স্যুয়ারেজ ড্রেন থেকে শুরু করে অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। জনগণের পাশে থেকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে জনগণকে রক্ষার চেষ্টা করব।’<br>তিনি বলেন, ‘আমরা খালগুলো থেকে পেয়েছি ফ্রিজ, টিভি, জাজিমসহ ডাবের খোসা। এছাড়া খালের দুই পাশ অবৈধভাবে দখল হয়ে গেছে। আমরা খালগুলো উদ্ধার করবো। খালগুলো আরও গভীর করা এবং দুই পাড়ে সাইকেল লেন, ওয়াকওয়ে এবং গাছ দিয়ে দৃষ্টি নন্দন পার্ক করা অবশ্যই একটি কঠিন কাজ। সদিচ্ছা থাকলে আমাদের নদীগুলোর মতো খালগুলোও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দখলের কবল থেকে উদ্ধার করতে পারব। সরকারি জমি অন্য কেউ দখল করে নিয়ে যাবে আমরা চেয়ে চেয়ে দেখবো সে দিন শেষ। এক্ষেত্রে আইনের প্রয়োজন হলে নেব।’<br>দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আজকে আমরা দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা নিরসনে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। ১৯৮৮ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনকে দেয়ার কথা থাকলেও দেয়া হয় ওয়াসাকে। ফলে এসব জলাশয়, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ নর্দমার দায়িত্ব ওয়াসা পায়। সে থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় ঢাকাবাসী দুর্ভোগে নিমজ্জিত ছিল। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমরা একটি নবসূচনা করতে পারছি। আমি আশাবাদী সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের মাধ্যমে অচিরেই ঢাকাবাসীকে এর সুফল দিতে পারব।’<br>এই দায়িত্ব কতখানি চ্যালেঞ্জিং মনে করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তাপস বলেন, ‘ঢাকাবাসী নির্বাচনের মাধ্যমে দুজন নেতা নির্বাচিত করেছে। সেই মেনডেটের কারণে আমরা সাহস করেছি ঢাকাবাসীকে আমরা এ সমস্যা থেকে সমাধান দেব। সব প্রতিকূলতা নিয়েই আমরা এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছি।’<br>এ সময় ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেন, ‘১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রপতির একটি সিদ্ধান্ত ছিল ওয়াসাকে দিয়ে দেয়া। আমরা যখন ২০০৯-২০১০ সালে দায়িত্বে আসার পর ২০১২ সাল থেকে অনেকবার বলেছি এটা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব সিটি করপোরেশনকে হস্তান্তর করা হোক। আজ সেটার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।’<br>ওয়াসা ব্যর্থ কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না। যে কাজ আমাদের না সেটা আমরা এতো দিন করেছি। এজন্য আমাদের ধন্যবাদ দেয়া উচিত।’<br>সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের সিনিয়র সচিব হেলালউদ্দিন আহমদ প্রমুখ।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে মাঠে র‌্যাব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100963 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401967_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401967_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক, <br>সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব।<br>বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীর চারটি স্পটে একসঙ্গে চলে এই অভিযান। এগুলো হলো- শাহবাগ মোড়, ফার্মগেট মোড়, সিটি কলেজ মোড় ও মিরপুর।<br>র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি জানান, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাস্ক না পরলে জরিমানা, করোনা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও মাস্ক বিতরণ করা হবে। র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আদালত পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু, ফার্মগেট মোড়ে ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামান, সিটি কলেজ মোড়ে ম্যাজিস্ট্রেট নাদির শাহ ও মিরপুরে ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান।<br>ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, শাহবাগে অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায় ডাক্তার লেখা একটি প্রাইভেটকারের চালক মাস্ক ছাড়াই গাড়ি চালাচ্ছেন। তাকে বিনামূল্যে একটি মাস্ক দেয়া হয়েছে ও মাস্ক না পরায় ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়।<br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 শিগগিরই ভুয়া অনলাইন পোর্টালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100962 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401941_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401941_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: শিগগিরই ভুয়া অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।<br>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনলাইন জার্নাল ‘রিপোর্টার্স ভয়েস’ উদ্বোধন ও ‘ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা ২০২০’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা জানান মন্ত্রী।<br>ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুর রহমান এবং ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী।<br>মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে হাতেগোনা কয়েকটি অনলাইন ছিল। এখন অনলাইনের সংখ্যা অনেক, তবে সবগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সহায়ক নয়। সেজন্য আমরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে এ বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমটি যত দূর সম্ভব সম্পন্ন করা। একই সঙ্গে যে সব অনলাইন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পরিবর্তে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহৃত হয়, যে সব অনলাইন গুজবের সাথে যুক্ত, সমাজে অস্থিরতা তৈরি করে, সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আগামী বছর থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া শুরু করবো।’<br>অনলাইন নিউজপোর্টাল রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রমটি এগিয়ে যাওয়ার পর এই আইনগত ব্যবস্থা শুরু হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘এটি যেমন সমাজের চাহিদা, একইভাবে সাংবাদিক সমাজেরও চাহিদা। যে অনলাইন নিউজপোর্টালগুলো সত্যিকার অর্থে সংবাদ পরিবেশনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’<br>তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা পৃথিবীর প্রেক্ষাপট। উন্নত দেশগুলোতে এক্ষেত্রে অনেক শৃঙ্খলা আনা সম্ভবপর হয়েছে, যেটি এখনো এখানে পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে দিতে গিয়ে অনেক সময় ভুল সংবাদ এবং অসত্য তথ্য পরিবেশিত হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায়, অনেক বেশি ক্লিক পাওয়ার জন্য দেয়া হেডিংয়ের সাথে ভেতরের সংবাদের মিল নেই। বিশেষ করে যে অনলাইনগুলোতে কোনো অনুষ্ঠান চলাকালীন সংবাদ পরিবেশনের ক্ষমতা রিপোর্টারকে দেয়া থাকে, সেখানে অনেক অনিচ্ছাকৃত ভুল হতে দেখা যায়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এ বিষয়ে পিআইবি’র সাথে যুক্ত হয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেয়, যা সত্যিই প্রয়োজনীয়।’<br>হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘এখন দেখা যায় কেউ একজন অনলাইন পোর্টাল খুলে তাকে সাংবাদিকের কার্ড দিয়ে দিল। তিনি আসলে প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নন, সেই কার্ডটির জন্যই সাংবাদিক সেজেছেন। এগুলোকে বন্ধ করার জন্য রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ সাংবাদিকদের যে ফোরামগুলো আছে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কিছু কিছু ‘সাংবাদিক নামধারী’র জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজের বদনাম হতে পারে। এক্ষেত্রেও সাংবাদিকদের ফোরামগুলো উদ্যোগী হলে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে, সহায়তা করবে।’<br>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিকে অনলাইন জার্নাল শুরুর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইনের মাধ্যমে মানুষের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে, সে কারণে এটা করা সম্ভব হয়েছে।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি তখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল ৪০ লাখ আর আজ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১১ কোটির বেশি। ২০০৯ সালে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ছিল সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি। এখন ১৭ কোটি মানুষের দেশে সাড়ে ১৫ কোটির কাছাকাছি মোবাইল সিম ব্যবহারকারী । এই ব্যাপক পরিবর্তন জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল, দুরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্লোগান দিয়েছিলাম, তখন অনেকে হাস্যরস করেছে। আজ ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে আমরা প্রতি বছর কয়েক মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছি।’<br>ডিআরইউ জার্নাল রিপোর্টার্স ভয়েস উদ্বোধনের পর মোরসালিন আহমেদ, জাকির হোসেন, মিজান রহমান, এম মামুন হোসেন, রিয়াজ চৌধুরী, সাজেদা পারভীন সাজু, আমীন আল রশীদ, মোতাহার হোসেন, প্রণব মজুমদার, আমিরুল মোমেনীন মানিক, রকিবুল ইসলাম মুকুল, আবু আলী, মিজান মালিক, মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, মো: শফিউল্লাহ সুমন, তরিকুল ইসলাম মাসুম, আবু হেনা ইমরুল কায়েস, মাইদুর রহমান রুবেল, মাসুম মোল্লা, সায়ীদ আবদুল মালিক, দীপন নন্দী, হক ফারুক আহমেদ, সেলিনা শিউলী, চপল বাশার, আশীষ কুমার দে, জামশেদ নাজির, শামসুজ্জামান শামস, ইন্দ্রজিৎ সরকার, আহমেদ মুশফিকা নাজনীন ও হাবিবুল্লাহ ফাহাদ-এই ৩০ সাংবাদিকের হাতে ডিআরইউ সদস্য লেখক সম্মাননা স্মারক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী।<br>অনুষ্ঠান শেষে ডিআরইউ নেতাদের উপস্থিতিতে তিনি ডিআরইউ মোটরসাইকেল ছাউনির উদ্বোধন করেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 উৎপাদনে ত্রুটির খবরে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে সংশয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100961 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401912_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401912_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভ্যাকসিন উৎপাদনে ত্রুটির কথা জানিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকা। অথচ কয়েকদিন আগেই জানানো হয়েছিল, তাদের তৈরি করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন ‘উচ্চ মাত্রায়’ কার্যকর। সংবাদ সংস্থা এপির খবর অনুযায়ী বুধবার অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উৎপাদনে ত্রুটির খবর জানানোর পর ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফলে তাদের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।<br>অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা গত সোমবার জানায়, তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে তাদের ভ্যাকসিনের দুই ধরনের ডোজের তথ্য বিশ্লেষণে একটিতে ৯০ শতাংশ এবং অন্যটিতে ৬২ শতাংশ কার্যকারিতা দেখা গেছে।<br>চূড়ান্ত ধাপের ট্রায়ালের প্রাথমিক ফলাফলের বরাতে জানানো হয়েছিল, গড়ে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে এ ভ্যাকসিন কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তবে ডোজের মাত্রা পরিবর্তন করে দিলে তা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর হতে পারে।<br>এর পরই বুধবার ভ্যাকসিনটির উৎপাদক প্রতিষ্ঠান দুটি জানালো যে, উৎপাদনগত ত্রুটি রয়েছে তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের। ফলে তাদের সাফল্যে আশার আলো দেখা একাধিক দেশ এখন সংশয়ে।<br>বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, কেন একটি ডোজ যাদের দেয়া হয়েছে, তাদের তথ্য বিশ্লেষণ করে ভ্যাকসিন উচ্চমাত্রায় কার্যকর বলে দাবি করা হলো? পৃথকভাবে কেন কেউ একটি আর কেউ দুটি ডোজ পেলেন?<br>সম্পূর্ণ ডোজ যাদেরকে দেয়া হয়েছে তাদের শরীরেই বা কেন কম কাজ করেছে এই ভ্যাকসিন; এমন প্রশ্নও তুলেছেন তারা। তবে অক্সফোর্ডের গবেষকরা বলছেন, এর কারণ উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছেন তারা।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 নৌ-পরিবহনের সেই নাজমুলকে ফের দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100960 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401869_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401869_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>ঘুষ গ্রহণের ঘটনায় গ্রেপ্তারের মামলায় জামিনে থাকা নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের বরখাস্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হককে নতুন একটি অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন নাজমুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানান বলে কমিশনের মুখপাত্র প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য।<br>দুদক সূত্রে জানা যায়, নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের দুটি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানের জন্যই নাজমুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে দুই অভিযোগের বিষয়ে বিন্তারিত কিছু জানা যায়নি।<br>২০১৮ সালের এপ্রিলে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকার একটি হোটেলে ‘ফাঁদ পেতে’ ঘুষের পাঁচ লাখ টাকাসহ নাজমুল হককে গ্রেপ্তার করে দুদক। ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলায় আটকের পাঁচ মাস পর জামিনে বেরিয়ে আসেন নাজমুল।<br>সেবছরের ১৮ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে ঘুষের মামলায় অভিযোপত্র দাখিল করেন। পরে গতবছর ফেব্রুয়ারিতে এই মামলার বিচারকাজ শুরু করে আদালত নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগে বলা হয়, এমভি প্রিন্স অব সোহাগ নামের একটি যাত্রীবাহী নৌযানের নকশা অনুমোদন এবং নতুন নৌযানের নামকরণের অনাপত্তিপত্রের জন্য তিনি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন তিনি।<br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 গ্রেফতার হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় ইশরাক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100959 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401840_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401840_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজধানীতে বাসে আগুন ও নাশকতার মামলায় গ্রেফতার হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। and nbsp; সার্বিক খোঁজখবর নেয়ার পাশাপাশি যে কোনো সংকটে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।<br>বৃহস্পতিবার রাজধানীর বংশালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীর বাসায় যান বিএনপি নেতা and nbsp; ইশরাক হোসেন। and nbsp;<br>সাবেক ৬৮নং এবং বর্তমান ৩২ ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মো. রফিকের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের খোঁজখবর নেন তিনি। এ সময় তার পরিবারকে সান্তনা দেন ইশরাক হোসেন। and nbsp; এরপর যান একই মামলায় গ্রেফতার হওয়া আরেক নেতা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান নাদিমের বাসায়। and nbsp; পরে ছাত্রদলের সাবেক নেতা শহিদুল্লাহ রানা ও ৩১নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাবেক কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাইয়ুমের বাসায়। and nbsp; এ সময় ইশরাক হোসেন তাদের পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেয়ার পাশাপাশি যে কোনো সংকটে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। <br>এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বংশাল থানা বিএনপির প্রবীণ নেতা হাজী শাহজাহান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সভাপতি মো. মোহন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক and nbsp; জাফরুল্লাহ জাফরু, বংশাল থানা বিএনপির সভাপতি তাজউদ্দিন তাইজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আদিল, ৩৫নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা ইয়াকুব আলী সরকার, ডালিম, মোশাররফ ও কামালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।<br><br> </body></HTML> 2020-11-27 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে বিএনপির ৭ সদেস্যর স্টিয়ারিং কমিটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100958 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401768_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/26/1606401768_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে আহবায়ক এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেছে বিএনপি।<br>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) দলটির ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত জাতীয় কমিটির উদ্যোগে গত ২১ নভেম্বর ২০২০ অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভা মোতাবেক বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতিক্রমে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সুবিধার্থে কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br>এছাড়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খানম নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কমিটির সদস্য করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-11-27 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 জানাজায় যাওয়ার পথে হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলল দুর্বৃত্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100957 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394456_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394456_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাচুড়ী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. লুৎফার রহমান মোল্যাকে (৬৮) কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়।<br>আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে কালিয়া-নড়াইল সড়কের আরাজি বাঁশগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে লুৎফার রহমান হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার বনগ্রামের বাসিন্দা সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফার রহমানের সঙ্গে একই গ্রামের মুকুল মোল্যা ও টুটুল মোল্যার দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব ও মামলা চলছিল। গ্রামটিতে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে লেগেই আছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লুৎফার রহমান উপজেলার বনগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে নড়াইল পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাসের জানাজায় যাচ্ছিলেন।<br>কালিয়া-নড়াইল সড়কের আরাজি বাঁশগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছলে মুকুল মোল্যা ও টুটুল মোল্যার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একদল দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।<br>এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা চালানো হয়। পরে তার হাত-পায়ের রগ কেটে ফেলা হয়। আহত অবস্থায় লুৎফার রহমানকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।<br>কালিয়া থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লুৎফার রহমান মোল্যাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।</body></HTML> 2020-11-26 18:40:27 1970-01-01 00:00:00 ছিনতাইয়ে বাধা দেয়ায় মাইক্রোবাস চাপা দিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100956 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394409_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394409_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>রংপুরে ছিনতাইয়ে বাধা দেয়ায় মাইক্রোবাস চাপা দিয়ে এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা করে পালিয়েছে একদল দুষ্কৃতকারী। এ ঘটনায় আহত একজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকের এই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারী। গুরুত্বর আহত ভটভটি চালক সাজু মিয়া জানান, কয়েকজন গরু ব্যবসায়ীকে নিয়ে কুড়িগ্রামের বড়বাড়ি হাটে গরু বিক্রি করে তারা নিজেদের গ্রাম দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার নলেয়ায় ফিরছিলেন। মিঠাপুকুরের বৈরাগীগঞ্জ ও বলদীপুকুরের মাঝামাঝি একটি স্থানে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতি রোধ করে। ৮ থেকে ৯ জন লোক মাইক্রোবাস থেকে নেমে এসে নিজেদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে তাদের পরিচয় ও কাগজপত্র যাচাই করে।<br>এ সময় তিন জনের কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা কেড়ে নিয়ে তারা চলে যেতে চাইলে গরু ব্যবসায়ীরা মাইক্রোবাসটি আটকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দুষ্কৃতকারীরা সাদেক বাদশা নামে এক গরু ব্যবসায়ীকে চাপা দিয়ে এবং সাজুকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সঙ্গে থাকা অন্যান্য ব্যবসায়ীরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাদশা ও সাজু মিয়াকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃদুল রায় বাদশারকে মৃত ঘোষণা করেন।<br> and nbsp;তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। অপরাধীদের ধরতে প্রয়োজনীয় তৎপরতা এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। <br></body></HTML> 2020-11-26 18:39:54 1970-01-01 00:00:00 উঠানে বসে পড়ার সময় হঠাৎ ছুটে আসা গুলিতে শিশুর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100955 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394376_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394376_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বাড়ির সামনের উঠানে বসে বই পড়ছিল মো. মারুফুল ইসলাম (১৩) নামের এক শিশু। হঠাৎ ছুটে আসা গুলিতে তার মৃত্যু হয়। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের পশ্চিম নারিচ্যার চান্দা বটতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মারুফুল ইসলাম চুনতির পশ্চিম নারিচ্যার চান্দা বটতলী এলাকার মোহাম্মদ ফোরকানের ছেলে। সে পুঁটিবিলা উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।<br>পুলিশ ও মারুফুলের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যার দিকে বাড়ির সামনের উঠানে বসে বই পড়ছিল মারুফুল ইসলাম। সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেখানে হঠাৎ একটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এ সময় অন্যরা ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় মারুফুল উঠানে পড়ে আছে। পরে তারা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগাড়া উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এবং পরে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক মারুফুলকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল মোনাফ সিকদার বলেন, ‘শুনেছি ওই এলাকায় কিছু মানুষ বন্য শূকর শিকারের সঙ্গে জড়িত। বন্য শূকর শিকারের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত বন্দুকের গুলি বের হয়ে মারুফুলের বুকে লাগতে পারে। এতেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।’ মারুফুলের বড় ভাই মামুনুল ইসলামের দাবি, ‘গুলির শব্দ শুনে আমরা ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছোট ভাই রক্তাক্ত অবস্থায় উঠানে পড়ে আছে। এলাকার লোকজনের কাছ থেকে শুনেছি, আমাদের বাড়ির পাশের খড়ের গাদায় জিতেন বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তি বন্দুক গুঁজে রাখতেন। সেই বন্দুক নিয়ে শিকারে বের হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় গুলি বের হয়ে আমার ছোট ভাইয়ের বুকে লেগেছে।’<br>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, বন্য শূকর শিকারির গুলিতে শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। ওই ব্যক্তি ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তার আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ নয়। তাকে খুঁজে বের করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ শিশু মারুফুলের লাশ আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।</body></HTML> 2020-11-26 18:38:12 1970-01-01 00:00:00 তেলের লরিতে করে কাঠ পাচারে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100954 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394250_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394250_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>রাঙামাটিতে অভিনব পদ্ধতিতে তেলের লরিতে করে কাঠ পাচারের সময় কাঠসহ একজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। and nbsp; বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) ভোরে পাচারকালে এসব কাঠ আটক করা হয়। এসময় গাড়ির চালক আব্দুর শুক্কুরকে আটক করা হয়। পরে বনবিভাগের কাছে গাড়ি, কাঠ ও চালককে হস্তান্তর করে যৌথ বাহিনী। বন বিভাগ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে তেলের গাড়িতে করে গোদা ও চাপালিশ কাঠ পাচারকালে মানিকছড়ি চেকপোস্টে যৌথবাহিনী গাড়ি চেক করে ৩০০ ঘনফুট কাঠ উদ্ধার করে। <br><br>এসব কাঠের বাজার মূল্য চার লাখ টাকা। আটক চালকের সঙ্গে কথা বলে কারা এসব কাঠ পাচার করছে, তাদের নাম জানা গেছে। শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দেয়া হবে।<br>পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুর জামান শাহ বলেন, আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে বন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।<br><br><br></body></HTML> 2020-11-26 18:37:13 1970-01-01 00:00:00 গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা, শ্বশুর গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100953 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394210_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606394210_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে (২২) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।<br>বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাতে বাহুবল মডেল থানায় নিহতের দেবর জানে আলমকে প্রধান আসামি করে শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি করেন নিহতের মা রুনা আক্তার। এরপরই অভিযান চালিয়ে রাত ১টার দিকে উপজেলার ভূগলী গ্রাম থেকে মামলার ২ নম্বর আসামি নিহতের শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।<br>র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মনির জানান, উপজেলার ভূগলী গ্রাম থেকে নিহতের শ্বশুর হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।<br>এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার জানায়, উপজেলার মির্জাটুলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী নূরুল ইসলামের মেয়ে তানিয়া আক্তারের (২২) সঙ্গে তিন বছর আগে বিয়ে হয় একই উপজেলার ফদ্রখলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী শাহ আলমের। বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। সুখেই যাচ্ছিল তানিয়ার দাম্পত্য জীবন। তবে তানিয়ার ওপর কুনজর পড়ে দেবর জানে আলমের। তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। তানিয়া শ্বশুর ও শাশুড়িকে বিষয়টি বারবার জানালেও তারা কোনো কর্ণপাত করেননি। জানে আলমের স্ত্রীকেও বিষয়টি জানান তানিয়া। এ নিয়ে জানে আলমের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়াও হয়। স্ত্রী নিষেধ করলেও তার নিষেধ মানেননি জানে আলম। এক পর্যায়ে জানে আলমের ঘর ছাড়েন তার স্ত্রী। বিষয়টি জানাজানি হয় পুরো গ্রামে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন জানে আলম। গত রোববার দিবাগত রাতে দরজার লক ভেঙে তানিয়ার রুমে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বিষ ঢেলে দেন। রাতে তানিয়ার ছোট ভাই তানভীরকে ফোন দিয়ে জানে আলম জানান, তার স্ত্রী অসুস্থ। তাকে একটি অটোরিকশা নিয়ে আসতে বলেন। অটোরিকশা নিয়ে জানে আলমের বাড়িতে গিয়ে তানভীর দেখেন জানে আলমের স্ত্রী নয় তানভীরের বোন অসুস্থ অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছেন। তিনি বিষপান করেছেন জানিয়ে তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সোমবার ভোরে গুরুতর অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে গলাটিপে হত্যা করেন জানে আলম ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।</body></HTML> 2020-11-26 18:36:22 1970-01-01 00:00:00 নেশার টাকা না পেয়ে সন্তানকে কুপিয়ে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100952 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387723_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387723_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় নেশার টাকা না পেয়ে ২২ দিনের সন্তানকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত এক বাবার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদীপুর ইউনিয়নের বারাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মাদকাসক্ত ঘাতক বাবা সুবাস মহন্তকে (২৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুবাস মহন্ত ওই গ্রামের সুনিল চন্দ্র মহন্তের ছেলে।<br><br>প্রতিবেশীরা জানান, সুবাস মহন্ত দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। কোনো কাজকর্ম করত না সে। প্রায় দুবছর আগে অনামিকা মহন্তের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় তার স্ত্রীকে টাকার জন্য চাপপ্রয়োগ করত। টাকা না পেয়ে প্রায় স্ত্রীকে মারধর করত। বুধবার সন্ধ্যায় সুবাস মহন্ত স্ত্রী অনিতা মহন্তের সঙ্গে ঝগড়াঝাটি করে। এর পর মারধরও করে।<br><br>এ বিষয়টি এলাকাবাসী অনামিকার বাবার বাড়িতে জানায়। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে দুই পরিবারের মাঝে সমঝোতা বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।<br>কিন্তু সকাল ৭টায় সুভাস মহন্ত বন্ধ ঘর থেকে চিৎকার করে বলে, ‘আমি আমার বাচ্চাকে কেটে ফেলছি’। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে এসে ঘরের চালার টিন খুলে ভেতরে গিয়ে ওই নবজাতক উদ্ধার এবং সুভাসকে আটক করে থানায় খবর দেন।<br><br>নবজাতকের মা অনামিকা মহন্ত বলেন, নেশার টাকার জন্য প্রায় আমাকে মারধর করত সুভাস। বুধবার সন্ধ্যায় ৩ ঘণ্টা ঝগড়া ও মারপিট করলে আমি শাশুড়ির ঘরে আশ্রয় নিই। কিন্তু সেখানেও সুভাষ আমাকে ও বাচ্চাকে টানাহেঁচড়া করলেও আমার শাশুড়ি কোনো প্রতিবাদ করেননি। and nbsp; বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় আমাকে ঘর থেকে বের করে আমার বাচ্চাকে ছিনিয়ে নিয়ে ঘর বন্ধ করে সন্তানটিকে বটি দিয়ে কেটে হত্যা করে।<br><br>ফুলবাড়ী থানার ওসি মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘাতক সুভাস চন্দ্র মহন্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা এবং নারী ও শিশু দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। আসামি সুভাস চন্দ্র মহন্তকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।<br><br></body></HTML> 2020-11-26 16:47:14 1970-01-01 00:00:00 ‘বেগমপাড়ায়’ বিনিয়োগকারী আমলাদের খোঁজে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100951 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387531_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387531_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;কানাডার ‘বেগমপাড়া’ এখন শুধু কানাডাই নয়, সারা বিশ্বে আলোচিত খবর। গত কয়েক দিন বাংলাদেশের মিডিয়ায় এটি ছিল প্রধান শিরোনামে। বেগমপাড়ায় ২৮ বাংলাদেশির বাড়ির খোঁজ পেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। যার মধ্যে বেশিরভাগেরই মালিক সরকারের উচ্চপদস্থ আমলা। এ আমলাদের নামের তালিকার খোঁজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তালিকা হাতে পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমনকারী সংস্থাটি।<br><br>গত ১৮ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘কানাডায় খবর নিয়েছি, প্রাথমিকভাবে কিছু সত্যতা পেয়েছি। মনে করছিলাম রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু দেখা গেলো রাজনীতিবিদ চারজন। সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা বেশি। এছাড়া কিছু ব্যবসায়ীও আছে। বিদেশে যদি কেউ বৈধভাবে টাকা নেয়, তাহলে কোনো আপত্তি নেই। তবে অবৈধভাবে পাচার করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’মূলত এর পর থেকেই আলোচনা চলে আসে কানাডার বেগমপাড়া। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে এরই মধ্যে ২৮ জনের তালিকা চেয়েছে দুদক।<br><br>জানা যায়, কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার বিষয় বেগমপাড়া। তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার নাম নয় বা নির্দিষ্ট কোনো এলাকাতেও অবস্থিত নয়। এর বেশিরভাগই টরেন্টো, মন্ট্রিয়ল, অটোয়া শহরে অবস্থিত। মূলত and nbsp; দেশের ধনী ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের স্ত্রী-সন্তানরা, যারা বিনিয়োগ ভিসায় কানাডায় অভিবাসী হয়েছেন, তাদের এলাকা। স্বামীরা দেশে থেকে অর্থের জোগান দেন, আর স্ত্রীরা সন্তানদের নিয়ে সেই টাকায় কানাডায় থাকেন, সন্তানদের লেখাপড়া করান। এসব এলাকায় যারা বাড়ি করছেন, তারা প্রত্যেকেই অবৈধভাবে অর্থপাচার করেছেন বলে জানা গেছে।<br><br>এসব এলাকায় স্বামীরা স্থায়ীভাবে থাকেন না, বেড়াতে যান, এজন্য এসব এলাকাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ডাকেন বেগমপাড়া বলে। হঠাৎ করে বেগমপাড়া আলোচনায় আসার আরেকটি কারণ হলো কানাডার সরকারি সংস্থা দ্য ফিন্যান্সিয়াল ট্রানজেকশন অ্যান্ড রিপোর্ট অ্যানালাইসিস সেন্টার ফর কানাডা (ফিনট্র্যাক) গত এক বছরে তাদের দেশে এক হাজার ৫৮২টি অর্থ পাচারের ঘটনা চিহ্নিত করেছে। তবে এ তালিকায় বাংলাদেশি কেউ আছে কি-না সে বিষয়ে এখনো কানাডা সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।<br><br>এ বিষয়ে দুদক সচিব দিলওয়ার বখত বলেন, কানাডার বেগমপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তাদের ২৮টি বাড়ির বিষয়ে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। সরকারের কাছে ওই তালিকাও চেয়েছি। তালিকা পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্থ পাচারের বিষয়ে গত সোমবার (২৩ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দেশের বাইরে অর্থ পাচারে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।<br><br>এদিকে, এ বিষয়ে বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের যাবতীয় তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব, দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২২ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ এ আদেশ দেন। এ রুল বিবেচনায় থাকা অবস্থায় বিদেশে টাকা পাচারকারীদের নাম ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্য (মামলাসহ, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা) প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে দুদক চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ১৭ ডিসেম্বর দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।<br><br>এদিকে, বেগমপাড়ার বিষয়টি আলোচনায় আসার আগেই গত ২২ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের কাছে দুদক কমিশনের মহাপরিচালক (অর্থপাচার) আ ন ম আল ফিরোজ এক চিঠিতে বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের তালিকা চান। ‘বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব থাকা বাংলাদেশিদের তালিকা প্রসঙ্গে’ শিরোনামের ওই চিঠিতে বলা হয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও পত্রিকায় প্রকাশিত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মিস-ইনভয়েসিং, হুন্ডি, বাল্ক ক্যাশ ট্রান্সফার ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়ে থাকে। এর ফলে, বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত তার মূলধন হারানোয় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। বাংলাদেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার জন্য যে পরিমাণ দেশীয় বিনিয়োগ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে হলে অর্থ পাচার রোধ করা একান্ত দরকার। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ এদেশে থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগের (ইনভেস্টমেন্ট কোটা) মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের নাগরিত্ব নিয়েছেন।<br><br>চিঠিতে আরো বলা হয়, বহুল আলোচিত পানামা পেপার্স, প্যারাডাইস পেপার্স ইত্যাদি কেলেঙ্কারিতে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের নামও উঠে এসেছে। এ ধারা রোধ করা সম্ভব না হলে আমাদের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ভবিষ্যতে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে নাগরিকত্ব নেওয়া রোধের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই।<br></body></HTML> 2020-11-26 16:43:10 1970-01-01 00:00:00 সিটি করপোরেশনের অধীনে ঢাকার সব খাল যাচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100950 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387241_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606387241_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সব খাল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। and nbsp; তিনি বলেন, এখন সিটি করপোরেশন কীভাবে কাজ করবে তাদের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে, সেই রিপোর্টের আলোকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।<br>বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ লক্ষ্যে আয়োজিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান। and nbsp;<br><br>স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান এবং স্থানীয় সরকারের সিনিয়র সচিব হেলালউদ্দিন আহমদ। তাজুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর খালের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের হাতে দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এক সময় খালের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের হাতেই ছিল। পরে কোনো এক সময়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে সেটা ঢাকা ওয়াসার হাতে দেওয়া হয়। এখন আমাদের দু’জন মেয়র। তারা খালের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।<br><br>‘কাজটা ওয়াসা করুক সেটা আমি রিকমেন্ড করি না। ওয়াসার চেয়ে সিটি করপোরেশন কাজটা ভালো করতে পারবে। তবে এই কাজ করতে গিয়ে ওয়াসার কিছু সক্ষমতা অর্জন হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হলে সেই সক্ষমতাও সিটি করপোরেশনের কাছে নেওয়া উচিত। ’<br><br>তাজুল ইসলাম বলেন, আমি আগেও বলেছি সিটি করপোরেশন ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশনের জন্য দায়বদ্ধ। কিন্তু রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ওয়াসার উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দুই সিটির মেয়র চান তারা এটি করলে এটি ভালো করতে পারবেন। ড্রেনেজ সিস্টেমটা সিটি করপোরেশনকে দিতে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে আসতে পেরেছি। এ বিষয়ে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য একটি কমিটিও করেছি, পানিসম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইব্রাহীমকে প্রধান করে ১২ সদস্য বিশিস্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। and nbsp;<br><br>রাস্তা খোঁড়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পৃথিবীর যেসব আধুনিক শহর গড়ে উঠেছে সেগুলো করার সময় ইউটিলিটিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পাইপলাইন স্থাপন করতে হয় এবং সময় সময় ক্যাপাসিটির জন্য পরিবর্তনও করতে হয়। এ কাজটা করার জন্য তারা ডাকটিং করেছে, কিন্তু ঢাকা শহরের ক্ষেত্রে ডাকটিং করা হয়নি। এটার সত্যিকার ম্যাপ খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর। পানির লাইন কোথা দিয়ে গেছে কেউ জানে না। যে কারণে এই সমস্যায় আমাদের পড়তে হচ্ছে।<br><br>এ বিষয়ে মেয়রসহ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে কীভাবে এগোতে পারি। নতুন যে শহরগুলো গড়ে উঠছে সেগুলোতে ডাকটিং ফ্যাসিলিটি থাকবে। তবে যেগুলো হয়ে গেছে সেগুলো নিয়ে তো কিছু করার নেই, ফলে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।<br><br>মন্ত্রী বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য জনবল, যন্ত্রপাতিসহ সবকিছুই সিটি করপোরেশনের কাছে আছে, তাদের সক্ষমতা আছে। আমাদের অবকাঠামোগত কিছু সমস্যা আছে। কিছু বক্স কালভার্ট করা হয়েছে, এগুলো ২০/৩০ বছর সংস্কার করেনি, ফলে পুরোটাই অকার্যকর হয়ে গেছে। তার ভিতরে মিলিয়ন মিলিয়ন টন বর্জ্য জমা হয়ে এখন সেটা অকার্যকর। সেটা কীভাবে করা যাবে তা নিয়ে কারিগরি টিম পর্যালোচনা করবেন যাতে একটা সময়ের ব্যবধানে যেন হস্তান্তর করতে পারি।<br><br>‘আগেও সিটি করপোরেশনের কাছে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিষ্কাশনের দায়িত্ব নিতে চিঠি লিখেছে ওয়াসা, কিন্তু তখন তারা আগ্রহ দেখায়নি। নতুন মেয়ররা এসে এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে আমাদের দেরি হচ্ছে করোনার কারণে, কিন্তু ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে ঝুলে থাকার জন্য না তাড়াতাড়ি করার জন্য। নইলে তো তিনমাস দেওয়া হতো। ’</body></HTML> 2020-11-26 16:35:24 1970-01-01 00:00:00 সাবেক চেয়ারম্যানসহ এবি ব্যাংকের ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100949 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386673_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386673_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অস্তিত্বহীন তিনটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ দেখিয়ে ২৩৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরব-বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান-এমডিসহ অন্তত দুই ডজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরের তিনটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল এই টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। and nbsp; মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক সচিব দেলোয়ার বখত।<br><br>যে তিন প্রতিষ্ঠানের ঋণ দেখিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়, সেগুলো হলো- ইউএইর সেমাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং, সিঙ্গাপুরের এটিজেড কমিউনিকেশনস পিটিই লিমিটেড ও ইউরোকারস হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড। যে ২৩ জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হয়েছে তারা হলেন-<br>এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক ডিএমডি মশিউর রহমান চৌধুরী ও ডিএমডি সাজ্জাদ হোসেন, অপারেশন ম্যানেজার খাতুনগঞ্জ শাখা মো. লোকমান হোসেন, চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখার সাবেক এসএভিপি মো. শাহজাহান, সাবেক পিও মো. আরিফ নেওয়াজ, সাবেক এভিপি মো. সালাহ উদ্দিন।<br><br>এছাড়া প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ইভিপি মো. শাহজাহান, ইভিপি মো. আমিনুর রহমান, সাবেক ইভিপি সরফুদ্দিন আহমেদ, বিজনেস ডিভিশনের এভিপি কাজী আশিকুর রহমান, সাবেক ইভিপি কাজী নাসিম আহমেদ, সাবেক এসইভিপি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাবেক এসইভিপি ও সদস্য ক্রেডিট কমিটি সালমা আক্তারের নামও এসেছে। তালিকায় আরও আছেন সাবেক পরিচালক এমএ আউয়াল, ফাহিম উল হক, ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, শিশির রঞ্জন বোস, বিবি সাহা রায়, মো. মেজবাউল হক ও ড. মো. ইমতিয়াজ হোসেন।<br><br>দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে কিছু অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় করা হয়। এছাড়া নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংকিং হিসাব খোলার আগেই ঋণ অনুমোদনের প্রমাণ উঠে আসে প্রাথমিক অনুসন্ধানে।<br>নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এসব কাগুজে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করতেই। সে কারণেই তড়িঘড়ি করে এসব অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠাণের নামে ঋণ ছাড় করা হয়। ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন ২৩ কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজশে এ কাজে সহযোগিতা করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পায়। এজন্য দুদকের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা তিনটি করা হয়।<br><br>দুদক সূত্র জানিয়েছে, তিন ধাপে এ টাকা বিদেশে পাচার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ১৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ৬০ কোটি ও তৃতীয় ধাপে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পাচার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম দুই দফা পাচারের ঘটনায় দুই মামলায় ২৩ জন ও তৃতীয় পর্যায়ে ২১ জনকে আসামি করে মামলার জন্য সুপারিশ করা হয়।</body></HTML> 2020-11-26 16:28:38 1970-01-01 00:00:00 ‘মেইড ইন ফ্রান্স’ লেখা ৯ কোটি টাকার সাপের বিষ জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100948 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386271_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386271_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গাজীপুরের থেকে প্রায় ৯ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধারসহ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার এসব তথ্য জানান। এর আগে, গতকাল বুধবার (২৫ নভেম্বর) রাতে গাজীপুর কালিয়াকৈর এলাকা তাদেরকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মামুন তালুকদার (৫১) এবং মো. মামুন (৩৩)।<br><br>সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকা মেট্রোর একটি টিম গাজীপুর জেলার বাসন থানা এলাকা থেকে সাপের বিষ ক্রয়-বিক্রয় ও পাচারকারী চক্রের ১ জনকে গ্রেপ্তার করে। সেই মামলার তদন্তকালে আমরা জানতে পারি যে, এরকম পাচারকারী আরও কয়েকটি বড় ধরনের চক্র সক্রিয় রয়েছে। তার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গতকাল ২৫ নভেম্বর রাতে প্রায় ৯ কোটি টাকা মূল্যের সাপের বিষসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।<br><br>উদ্ধারকৃত মালামালগুলো হলো, ২টি বড় লকার, ৬টি কাঁচের কৌটায় সংরক্ষিত সাপের বিষ। এর প্রত্যেকটি বোতলের গায়ে কোবরা স্নেক পয়জন অফ ফ্রান্স, রেড ড্রাগন কোম্পানি, কোবরা কোড নং-৮০৯৭৫, মেইড ইন ফ্রান্স লেখা আছে। এছাড়া একটি ক্যাটালগ বই পাওয়া গেছে।<br>সিআইডি জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে ২টি লকার পাওয়া যায় এর মধ্যে ১টি লকার খালি ছিল কিন্তু অপরটিতে মোট ৬টি কনটেইনার পাওয়া যায়। যার প্রত্যেক কনটেইনারে ১ কেজি পরিমাণে কোবরা সাপের বিষ আছে। এর বাজার মূল্য কেজি প্রতি আনুমানিক দেড় কোটি টাকা করে। মোট ৯ কোটি টাকার বিষ জব্দ করা হয়। বিষগুলো আমাদের ল্যাবে পাঠানো হবে তারপরে বোঝা যাবে এটা আসলে কোন লেভেলের বিষ।<br><br>তিনি বলেন, এটি চোরাচালানের একটি অংশ অবৈধ লেনদেন করার সুযোগ নেই। আমাদের এখান থেকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে এসব সাপের বিষ লেনদেন হয়। বাইরের দেশে এটার একটা মার্কেট আছে কিন্তু এটি বাংলাদেশের ভেতরের মার্কেট নয়। কনটেইনার গুলোতে লেখা আছে মেইড ইন ফ্রান্স। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।</body></HTML> 2020-11-26 16:23:37 1970-01-01 00:00:00 আমিরাতে ঢুকতে পারবে না ১২টি মুসলিম প্রধান দেশের মানুষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100947 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386112_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606386112_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিশ্বের ১৩টি দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ইস্যু করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই ১৩টি দেশের মধ্যে কেনিয়া বাদে ১২টিই মুসলিম প্রধান দেশ। আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিজনেস পার্কের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।<br>গত ১৮ নভেম্বর থেকে and nbsp; সংযুক্ত আরব আমিরাতের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা। যেসব দেশ আমিরাতের ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে সেগুলো হলো-ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, কেনিয়া, সোমালিয়া, আলজেরিয়া, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, তিউনিশিয়া এবং ইয়েমেন।<br><br>আমিরাত বলছে, তালিকাভুক্ত এসব দেশের লোকজন কর্মসংস্থানের জন্য বা ভিজিট ভিসার জন্যও আবেদন করতে পারবে না। এ ব্যাপারে আমিরাত সরকার দেশটির ইমিগ্রেশন অথরিটির কাছে যে পরিপত্র জারি করেছে তাতে কথা পরিষ্কার নয় যে, নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে কোনও দেশের জন্য কোনোরকম ছাড় আছে কিনা।<br><br>একটি সূত্র দাবি করেছে, মূলত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থেকে আমিরাত সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আমিরাত সরকার কি ধরনের ঝুঁকি অনুভব করছে তা পরিষ্কার করে and nbsp; জানাতে পারেনি সূত্রটি। সূত্রটি আশা করছে যে, অল্প সময় পরেই ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে।<br>গত সপ্তাহে ইসলামাবাদ জানিয়েছিল, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ইস্যু করা বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইসলামাবাদ বলেছে, কেন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো তা নিয়ে আমিরাতের কাছ থেকে তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করছে তারা।<br>পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব নাগরিক আগে থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসাধারী তারা দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন।</body></HTML> 2020-11-26 16:20:58 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100946 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606385994_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606385994_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গেলো ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্ত হয়েছেন আরও ২ হাজার ২৯২। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৫২৪ জন। আর শনাক্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৮ জন and nbsp; রোগী। আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ দিন সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ২৭৪ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৫৩ জন।<br>এর আগে বুধবার (২৫ নভেম্বর) দেশে আরও ২ হাজার ১৫৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ৩৯ জন।</body></HTML> 2020-11-26 16:18:12 1970-01-01 00:00:00 দুই স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100945 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606363348_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606363348_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ আর অন্য এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের কাউরগছ গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুক ইমন (২০), একই গ্রামের দারাজ উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৫) ও একই ইউনিয়নের বামনপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে সোহাগ (২২)।<br>মঙ্গলবার রাতে তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের নিজবাড়ি এলাকায় এই দুই বিশোরীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে বুধবার বিকালে তেঁতুলিয়া থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। তেঁতুলিয়া থানার ওসি জহুরুল ইসলাম মামলার এজাহারের বরাতে বলেন, মঙ্গলবার সকালে প্রেমের সম্পর্কের জেরে দুই কিশোরীকে প্রলোভন দিয়ে বেড়াতে নিয়ে যান আনোয়ার হোসেন ও ওমর ফারুক ইমন। দিনের বেলায় তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরার পর রাতে দুই কিশোরীকে সোহাগ নামে এক যুবকের সহযোগিতায় নিজবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে এক কিশোরীকে তার কথিত প্রেমিক ধর্ষণ করেন। অপর কিশোরীর চিৎকারে and nbsp; স্থানীয়রা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। তাদের কথিত প্রেমিকরা পালিয়ে যান।<br><br>খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার দুপুরে ভজনপুর থেকে ইমন, আনোয়ার ও তাদের সহযোগী সোহাগকে আটক করে বলে জানান ওসি জহুরুল। তিনি বলেন, মামলার পর তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। দুই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 10:02:10 1970-01-01 00:00:00 আকবরকে পালাতে সহায়তা করায় ২ পুলিশ অফিসার বরখাস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100944 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606363013_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606363013_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;সিলেটে আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের বহিষ্কৃত উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে পালাতে সহায়তার অভিযোগে আরও ২ পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র ও রায়হান হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন। এই দুজনকে সাময়িক বরখাস্তের কথা বুধবার গণমাধ্যমকে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের। <br><br>তিনি বলেন, আকবরকে পালাতে কারা সহযোগিতা করেছেন তাদের খোঁজে বের করতে পুলিশ সদর দফতর থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে গত ১৮ নভেম্বর এই দু’জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরআগে একই অভিযোগে বন্দরবাজার ফাঁড়ির টুআইসিকে এসআই হাসানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিলো। গত ১১ অক্টোবর সকালে মারা যান নগরীর আখালিয়া বাসিন্দা রায়হান আহমদ (৩৩)। বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ধরে এনে নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই রাতেই হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী তামান্না আক্তার।<br><br>মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে নির্যাতনের সত্যতা পায়। এই ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঞাসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর আকবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যান বন্দরবাজার থানার ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা আকবর হোসেন ভূইয়া। গত ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। আকবর পালানোর পর থেকেই তাকে পালাতে কারা সহযোগিতা করেছেন তাদের চিহ্নিত করার দাবি ওঠে। ধরা পড়ার পর আকবরও জনতার কাছে বলেছেন, দুই সিনিয়র কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি পালিয়ে যান।<br><br>গ্রেফতারের পর আকবরকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রিমান্ড শেষে ১৭ নভেম্বর আকবরকে আদালতে হাজির করা হলেও তিনি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেননি। এরআগে এই ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য এএসআই আশেক এলাহি, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস এবং হারুনুর রশীদকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয় পিবিআই। তবে রিমান্ড শেষে তারাও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।</body></HTML> 2020-11-26 09:56:18 1970-01-01 00:00:00 বস্তিগুলোতে অবৈধ বিদ্যুতের রমরমা ব্যবসা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100943 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606358440_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606358440_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বস্তিতে একের পর এক আগুনের পর সামনে চলে আসে গ্যাস-বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগের বিষয়টি ৷ অথচ দিনের পর দিন বিভিন্ন উপায়ে বস্তিবাসী এসব সুবিধা ভোগ করে এলেও আড়ালেই থেকে যায় সেবা সংস্থাগুলোর ভূমিকা। বস্তিবাসীর অসচেতনতার পাশাপাশি এমন দুর্ঘটনার দায় সেবা সংস্থাগুলোও এড়াতে পারে না জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প নেই কঠোর নজরদারি নিশ্চিতের। and nbsp; মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) মোহাম্মদপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা স্থলে যায় । সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বস্তির এক ঘর থেকে অন্য ঘরে নিম্নমানের তারের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। একটি তার থেকে আরেকটি তার জোড়া লাগিয়ে সংযোগ দেওয়া হয়েছে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে। আর ঝূঁকিপূর্ণ এসব তারের বিদ্যুৎ নিরোধকের নেই আধুনিক ব্যবস্থা। টেপ পেঁচিয়ে নিরোধক করা হলেও অধিকাংশ জায়গায় সেগুলো আলগা হয়ে পরিণত হয়েছে ঝূঁকিতে।<br><br>অথচ বছরের পর বছর ধরে একরকম বাধ্য হয়েই এমন ঝুঁকি নিয়ে জীবনযাপন করছেন এসব বস্তিবাসী। নুন আনতে পান্তা ফুরালেও নিত্য মেটাতে হয় বিদ্যুতের বিল। মোহাম্মদপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায় দেওয়া হয় অবৈধ বিদ্যুতের লাইন। তারা বলছেন, বস্তির সব সংযোগই অবৈধ। চাইলেও কেউ পান না বিদ্যুতের মিটার।<br><br>মহাখালী, মিরপুর কিংবা মোহাম্মদপুর সব যেনো একই সূত্রে গাঁথা। বৈধ কিংবা অবৈধ যে উপায়ই সেবা পান তা উল্টা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।<br>প্রভাবখাটিয়ে যারা এসব লাইন সরবারহ করছে ঝুঁকির বিষয় তারাও মানছেন অকপটে। অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে বস্তিবাসির ‘সেবা’ করতে পারছেন এমনও দাবিও করছেন তারা। and nbsp; নগরবিদরা বলছেন শুধু সেবা সংস্থা নয় দায় এড়াতে পারবে না নগর কর্তৃপক্ষ।<br><br><div>নগরপরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, এখনই সরকারের উচিত সিটি করপোরেশনকে দায়িত্ব দেওয়া। এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন আমাদের বহু উদ্যোগের পরিকল্পনার গল্প শুনিয়েছে। তাদের দায়িত্ব দেওয়া হোক। আপতত সিটি করপোরেশনকে দায়িত্ব দিয়ে বস্তিবাসির জীবনমান উন্নত করতে পরিচ্ছন্ন সেবা প্রদান করা হোক। পাশাপাশি সব সেবার বৈধ সংযোগের ব্যবস্থা করা হোক। সিটি করপোরেশন বলছে, শিগগির ভাসমান এসব মানুষের যথাযথ পুনর্বাসনের কথা ভাবছেন তারা। গত দুই মাসে রাজধানীতে ছোট বড় প্রায় পাঁচটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।</div><div><span style="font-weight: bold;">"সূত্র সময় সংবাদ"</span></div></body></HTML> 2020-11-26 08:39:28 1970-01-01 00:00:00 ভাঙতে হচ্ছে কমলাপুর স্টেশন | http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100942 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606358095_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606358095_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মেট্রোরেলের জন্য ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর রেল স্টেশন ভেঙে ফেলা হতে পারে। স্টেশনটি বর্তমান জায়গা থেকে সরিয়ে নিতে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ রেলওয়ে সম্মত হয়েছে। তবে স্টেশন ভাঙার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন মঙ্গলবার দুপক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেছেন, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমান স্টেশনটি ভেঙে দেয়া হবে এবং কিছুটা উত্তর দিকে একই রকম একটি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এটি যেহেতু একটি আইকনিক স্থাপনা, তাই এটি ভেঙে ফেলার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br><br>বুধবার রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানও একই কথা জানিয়েছেন। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণকাজ চলমান। এর শেষ স্টেশনটি পড়েছে কমলাপুর স্টেশনের ঠিক সামনে। রেলের মহাপরিচালক জানান, মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট-৬ এর লাইন সম্প্রসারণ এবং মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাব নির্মাণের জন্য কমলাপুর রেলস্টেশন ভবনটি ভেঙে কাছাকাছি জায়গায় পুনরায় নির্মাণ করতে হবে। এ বিষয়ে একটি নতুন পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।<br><br>মহাপরিচালক বলেন, কমলাপুর স্টেশন ঘিরে মাল্টিমোডাল হাব গড়ে তোলা হবে, যা শাহজাহানপুরসহ আশপাশের রেলের জায়গাজুড়ে বিস্তৃত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান কমলাপুর রেলস্টেশনের আদলেই নতুন স্টেশন নির্মাণ করা হবে। পাঁচ বছরের মধ্যেই কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। বাস্তবায়ন শেষ হতে ১০ বছর লাগতে পারে। তিনি জানান, মেট্রোরেলের কারণে কমলাপুর স্টেশন আড়ালে পড়ে গেলে এর সৌন্দর্য আর থাকবে না। তাই সরিয়ে নেয়াই উত্তম বিকল্প।<br><br>রেল সূত্রে জানা গেছে, নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কমলাপুর স্টেশনটি ভেঙে বর্তমান জায়গা থেকে ১৩০ মিটার উত্তরে নতুন করে তৈরি করতে হবে। যদি বিদ্যমান পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয় তাহলে স্টেশনটি ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট-৬ এর কাঠামো দিয়ে পুরোপুরি ঢেকে যাবে। বর্তমান পরিকল্পনাটি যদি সংশোধনও করা হয় তারপরও স্টেশনের একটি অংশ ঢাকা পড়ে যাবে, তাই স্টেশন অন্যত্র বানানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।’ যদিও এর আগে রেল কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, মেট্রোরেল কমলাপুর স্টেশনের সৌন্দর্যহানি ঘটাতে পারে বলে রুট পরিবর্তন করা হোক। কিন্তু মেট্রোরেলের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) রুট পরিবর্তন করতে রাজি ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত কাজিমা করপোরেশনের নকশা ধরে কমলাপুর স্টেশনটিই ১৩০ মিটার উত্তরে সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষ রাজি হয়েছে।<br><br>ছয় দশকেরও বেশি পুরানো কমলাপুর স্টেশনকে রেলের ঐতিহ্যবাহী ভবন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর সঙ্গে সংস্থাটির আবেগ জড়িয়ে আছে। তাই মেট্রোরেলের রুট পরিবর্তনেই বেশি জোর দিয়েছিল রেলবিভাগ। তবে বিকল্প করা হলে তা ব্যয়বহুল বলে স্টেশনটি সরিয়ে একই ধরনের ভবন তৈরির বিকল্পে সায় দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এতে স্টেশনের ভেতরে থাকা রেললাইনও সরাতে হবে।<br><br><span style="font-weight: bold;">ইতিহাস</span><br><br>তৎকালীন পূর্ব বাংলার এবং ভারত বিভাজনের পর পূর্ব পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন ছিল ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন। বাংলা বিভক্তীকরণের পর ঢাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ শহরে রূপান্তরিত হয়। তাই ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনকে প্রতিস্থাপন করে তুলনামূলক নতুন ও অধিক বড় রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করার উদ্যোগ নেয়া হয়। সদ্যপ্রতিষ্ঠিত বুয়েটের আমেরিকান শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে এই সম্প্রসারণ সাধিত হয়। মতিঝিলের কমলাপুরের একটি জায়গায় স্টেশন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পূর্বে এই জায়গাটি ছিল বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, লোকজনের বসবাস ছিল না। ১৯৫০-এর দশকের শেষের দিকে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৮ সালে শেষ হয়। ১৯৬৮ সালের ২৭ এপ্রিল স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১ মে ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় এবং এর পরদিন স্টেশনটিকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয় এবং তুলে ফেলা হয়।</body></HTML> 2020-11-26 08:32:31 1970-01-01 00:00:00 সন্ধ্যার পর বের হতে পারবে না যুবক-যুবতীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100941 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357562_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357562_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাদারীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) রহিমা খাতুন বলেছেন, সন্ধ্যার পর ইয়াং ছেলে-মেয়ে ও শিক্ষার্থীরা বাইরে যেতে পারবে না। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে অভিভাবকদের নিয়ে বাইরে যাবে। এছাড়া শহর ও গ্রামের চায়ের দোকানগুলোয় টেলিভিশন থাকা চলবে না। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শহর ও গ্রামের দোকান বন্ধ করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিবচর উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। and nbsp; <br><br>এ সময় জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা ও করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত হাতে নিয়েছি। এছাড়াও গেলো মাসে আইনশৃঙ্খলা সভায় নারী নির্যাতন, কিশোর গ্যাংসহ জেলার নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ওই আলোচনায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অভিভাবক ছাড়া কোনও শিক্ষার্থী সন্ধ্যা সাতটার পর বাইরে থাকতে পারবে না।<br><br>দোকানের টেলিভিশনের কারণে আড্ডা বেশি হয়। এতে যারা শিক্ষার্থী, তারা পড়াশোনা করে না। আর যারা পড়াশোনা করে না, কৃষক বা কাজ করে, তারা অনেক সময় এখানে অলস সময় কাটায়। ফলে তার পরিবারে কী হচ্ছে, তার ছেলে-মেয়ে পড়াশোনা করছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখে না। এ কারণে চায়ের দোকানে টেলিভিশন রাখা যাবে না। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা মাইকিং করব। এ বিষয়ে আমরা প্রথম কয়েক দিন প্রচার-প্রচারণা চালাব। জনগণকে সচেতন করব। তারপরও যদি ইয়াং ছেলে-মেয়ে ও শিক্ষার্থীরা সন্ধার পরে বিনা কারণে বাইরে আড্ডা দেয়, তাহলে আমরা অভিযানে যাব। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে আমরা পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করব।</body></HTML> 2020-11-26 08:25:33 1970-01-01 00:00:00 ম্যারাডোনা মারা গেছেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100940 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357428_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357428_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>৬০ বছর বয়সে পৃথিবীকে বিদায় জানিয়ে দিলেন ফুটবল ঈশ্বর খ্যাত ডিয়েগো ম্যারাডোনা। আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি ফুটবলার হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। and nbsp; ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি মেইলসহ আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমগুলো। গেলো মাসে বুয়েনস এইরেসের হাসপাতালে মস্তিষ্কে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয় ম্যারাডোনার। ওই সময় তার মস্তিষ্কে জমাট বেঁধে থাকা রক্ত অপসারণ করানো হয়েছিল।<br><br>মাদকাসক্তি নিয়ে লম্বা সময় ধরে অসুস্থতায় ভোগা ম্যারাডোনা ২৫ নভেম্বর নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এই ম্যারাডোনার হাত ধরেই ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনাকে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যে দুটি গোল করেন তার একটি হাত দিয়ে গোল করে 'দ্য হ্যান্ড অব গড' খ্যাতি পান এই বিশ্বকাপজয়ী। অন্য গোলটাও ছিল দেখার মতো। মাঝ মাঠ থেকে একাই টেনে নিয়ে গোল করেন ফুটবল ঈশ্বর খ্যাত ম্যারাডোনা। বিশ্বকাপ ছাড়াও ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলির হয়ে স্মরণীয় মৌসুম উপহার দেন এই আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার। নাপোলির হয়ে দুইবার সিরি ‘আ’ ও উয়েফা জেতান ম্যারাডোনা। খেলেন বার্সেলোনার হয়েও।</body></HTML> 2020-11-26 08:23:17 1970-01-01 00:00:00 ১৫ দিন পর ৯ জেলেকে ফেরত দিল মিয়ানমার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100939 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357325_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606357325_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বঙ্গোপসাগরের নাফনদীর মোহনায় মাছ শিকারকালে বিজিপি কর্তৃক অপহৃত বাংলাদেশি ৯ জেলেকে ১৫ দিন পর ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার। বুধবার (২৫ নভেম্বর) মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) পতাকা বৈঠক শেষে তাদের হস্তান্তর করা হয়।<br>ফেরত আসা জেলেরা হলেন- নুরুল আলম (৪৮), ইসমাইল ওরফে হোসেন (১৯), মো. ইলিয়াছ (২১), মো. ইউনুছ (১৬), মোহাম্মদ আলম ওরফে কালু (১১), সাইফুল (১৭), সলিম উল্লাহ (২৫), নুর কামাল (১৩) ও মো. লালু মিয়া (২৩)। তারা সবাই টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।<br><br>বিজিবি সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে মিয়ানমারের মোংডুতে ১ নম্বর এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্টে টেকনাফ-২ বিজিবি এবং সেদেশের ৪ বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সল হাসান খান। মিয়ানমারের ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন মিয়ানমারের ৪ বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জো লিন অং।<br><br>এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার ট্রানজিট ঘাট থেকে বিজিবির প্রতিনিধিদলটি মিয়ানমারের উদ্দেশে রওনা দেয়। বৈঠক শেষে বেলা আড়াইটার দিকে পক্ষকাল কারাভোগ করা ৯ জেলেকে নিয়ে বাংলাদেশের পথে ফিরে আসে বিজিবি। ফেরত আসা জেলেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।<br><br>ফিরে এসে টেকনাফের জালিয়াপাড়া জেটিঘাটে সংবাদ সম্মেলনে টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সল হাসান খান এসব তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিতি ছিলেন টেকনাফ-২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর রুবায়ৎ কবীর, অপারেশন অফিসার মেজর মোহাম্মদ রাহুল আসাদ প্রমুখ। সূত্র জানায়, গত ১০ নভেম্বর সাগরে মাছ শিকারের সময় ইঞ্জিন বিকল হয়ে মিয়ানমার জলসীমায় ঢুকে পড়ে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ এলাকার ৯ জেলে। বিজিপি তাদের ধরে নিয়ে যায়। পরে বিজিবির পক্ষ থেকে তাদের ফেরত চেয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয় মিয়ানমার কৃর্তপক্ষের কাছে।<br><br>এরপর বিজিবি ও ঊর্ধ্বতন মহলের প্রচেষ্টায় জেলেদের হস্তান্তর করতে সম্মত হয় মিয়ানমার। তাদের আমন্ত্রণে বুধবার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত দেয়া হয়। জেলেদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।<br>স্থানীয় জেলেরা জানান, ১০ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরের মোহনায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ গোলাপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আমিনের মালিকানাধীন একটি নৌকায় কালামাঝির নেতৃত্বে নয়জন জেলে সাগরে মাছ শিকারে যান। পরে হঠাৎ মিয়ানমারের বিজিপি এসে সাগরের মোহনা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়।</body></HTML> 2020-11-26 08:20:54 1970-01-01 00:00:00 পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিব করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100938 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316996_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316996_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক, <br>পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় নাইজারে অনুষ্ঠেয় ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ বুধবার তার নাইজারের উদ্দেশে দেশছাড়ার কথা ছিল।<br>ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের ৪৭তম সম্মেলনে যোগদানের জন্য নাইজার সফর উপলক্ষে নিয়মিত পরীক্ষার অংশ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর করোনা পরীক্ষা করা হলে গতরাতে এ ফলাফল জানা যায়।<br>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শরীরে করোনার কোনো লক্ষণ ছিল না। তবে পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বাসায় আইসোলেশনে আছেন। তবে শারীরিকভাবে তিনি সুস্থ আছেন।<br>এ কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাইজার সফর বাতিল করা হয়েছে। ওআইসি’র এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে তার যোগদানের কথা ছিল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবের রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তথা ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দল এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।<br>এছাড়া নাইজার সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের করোনা পরীক্ষা করা হলে তারও ফলাফল পজিটিভ আসে। তিনিও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বাসায় আইসোলেশনে আছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:10:00 1970-01-01 00:00:00 আমন ধানের আবাদ জুয়া খেলার মতো http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100937 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316971_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316971_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নওগাঁ প্রতিনিধি:<br>আমন ধানের আবাদ জুয়া খেলার মতো বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। বুধবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমন সংগ্রহ/২০২০-২১ উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।<br>সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, প্রাকৃতিক কোনো ধরনের দুর্যোগ না হলে কৃষকরা আমন আবাদে লাভবান হন। এবারে আমনের বন্যায় যে ক্ষতির কথা বলা হয়েছে তেমন ক্ষতি হয়নি। এছাড়া আম্ফান দুর্যোগেও ফসলের কোনো ক্ষতি হয়নি।<br>তিনি বলেন, সরকার রেশন ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং দুর্যোগকালীনের জন্য খাদ্য সংগ্রহ করে থাকে। কৃষকরা যেন ন্যায্যমূল্য পায় সরকার সেই চেষ্টা করছে। যেসব মিলারদের লাইসেন্স নেই তারাও ধান কিনে মজুত করে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন। আমরা কৃত্রিম সংকট তৈরিকে বরদাস্ত করব না। এ অপকৌশলকে বিতাড়িত করতে হবে।<br>খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে প্রতি বছর ন্যায় চলতি বছরেও আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত ৭ নভেম্বর আমন সংগ্রহ উদ্বোধন করা হয়। ১৫ নভেম্বরে চুক্তির শেষ সময় থাকলেও পরে মিলমালিকদের অনুরোধে ২৫ নভেম্বর ধার্য করা হয়।<br>চালকল মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো মিল মালিকের ধান উৎপাদনের ব্যবস্থা নেই। যে ধান ক্রয় করে আপনারা সারা বছর মিল চালান তা সরকারের ভর্তুকি দেয়া। সরকার সার ও সেচে ভর্তুকি দিয়েছে। সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে ঋণ করে চালকল চালু করেছেন। সরকারের কাছ থেকে যেহেতু সুবিধা নিয়েছেন (তাই) চাল দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেন।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:09:00 1970-01-01 00:00:00 মুন্সীগঞ্জে ৩ স্থান থেকে ৪ লাশ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100936 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316940_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316940_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, <br>মুন্সীগঞ্জ সদর ও সিরাজদিখান উপজেলার পৃথক তিনটি স্থান থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই নারী ও দুই পুরুষের লাশ রয়েছে।<br>বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাগমামুদালী গোলাপাড়ার একটি বাড়ি থেকে দিপ্রা মজুমদার জয় (২৮) এবং মিতু সরকার (২৬) নামে দুজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।<br>নিহত দিপ্রা মজুমদারের বাড়ি কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এলাকায় ও মিতু সরকারের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের ফুলতলা নমকান্দি গ্রামে।<br>পরিবার সূত্রে জেনে গেছে, মিতু সরকার বিবাহিত। অন্যদিকে দিপ্রা মজুমদারও বিবাহিত। দুইজনের জন্য কিছুদিন ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। মিতু সরকারের ভাড়া বাসায় কয়েকদিন আগে আসেন দিপ্রা মজুমদার।<br>মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, শহরের বাগমামুদালীপাড়া থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত খতিয়ে দেখার জন্য ঢাকা থেকে সিআইডির ক্রাইম সিন ঘটনাস্থলে আসছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।<br>অন্যদিকে সকাল ১০টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী এলাকার একটি রাস্তার পাশের ডোবা থেকে গলাকাটা এক অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী ওই নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।<br>এছাড়া সকাল নয়টার দিকে একই উপজেলায় চিত্রকোর্ট ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিরোধে ছেলে লিয়াকত সরকারের লাঠির আঘাতে ওহাব সরকার নামের ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। পরে সিরাজদিখান থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।<br>সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক দীপু দুটি লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:09:00 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক নেহাল আহমেদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100935 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316912_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316912_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।<br>গত ২৩ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-২) উপসচিব ড. শ্রীকান্ত কুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেয়া হয়। তিনি বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।<br>বদলির আদেশের পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক নেহাল বলেন, ‘বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া ও দ্রুততম সময়ে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই দায়িত্ব নেব যাতে দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।’<br>আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করবেন বলেও জানান তিনি।<br>অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ২০১৯ সালের ৫ মে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:08:00 1970-01-01 00:00:00 বেশি দামে সার বিক্রি করায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100934 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316881_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316881_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে অধিক মূল্যে সার বিক্রির দায়ে রাজবাড়ীর কালুখালীতে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় লিখিত অভিযোগ হওয়ায় ভুক্তভোগী ভোক্তা আব্দুল আজিজকে জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থাৎ পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হয়। বুধবার দুপুরে রাজবাড়ী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া বাজারে এ অভিযান চালানো হয়। জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠান হলো- রতনদিয়া বাজারের মেসার্স নন্দী ট্রেডার্স সরকার ও মেসার্স খান ট্রেডার্স।<br>রাজবাড়ী জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।<br>অভিযানে সহযোগতিা করেছে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক। এছাড়া এ সময় বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে ভোক্তা অধিকার আইন-২০০৯-এর বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:08:00 1970-01-01 00:00:00 নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৭ ডিসেম্বর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100933 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316820_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316820_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে ১৭ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।<br>বুধবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসী প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেন।<br>গত ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ঢাবির ওই ছাত্রী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এছাড়া তিনিই লালবাগ থানায় একই আসামিদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন। এ মামলায়ও ওই ছয়জনকেই পৃথক পৃথক অভিযোগে আসামি করা হয়েছে। ওই মামলাটিতে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় হাসান আল মামুনের বিরুদ্ধে।<br>তবে এই মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগের বিরুদ্ধে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গড়ে উঠা এই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর একই সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক। এছাড়া অন্য আসামিরাও সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।<br>মামলায় ওই তরুণীকে অপহরণ, এরপর পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে।<br>জানা গেছে, মামলাটিতে দুইটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি অভিযোগ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এবং আরেকটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে।<br>মামলার ছয় আসামি হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর (২৫), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল বাকী (২৩)। এর মধ্যে নাজমুল হাসান সোহাগ, সাইফুল ইসলাম ও নাজমুল হুদা কারাগারে আছেন। <br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:07:00 1970-01-01 00:00:00 গর্ত খুঁড়ে জায়গা দখলের চেষ্টা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100932 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316772_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316772_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় অভিনব পন্থায় জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। ৬০ শতাংশের ওই জায়গায় বড় বড় গর্ত খুঁড়েছে চক্রটি। এ নিয়ে জায়গার মালিক ফরিদা ইয়াসমিন মুন্নী থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। <br>অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত জায়গাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। কিন্তু অভিযুক্তরা ১৪৪ ধারা অমান্য করে ওই জায়গায় ঘর নির্মাণ করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলায় সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের উথারিয়াপাড়ার মৃত আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার সিঙ্গারবিল মৌজায় ৬০ শতাংশ জায়গাটি তার মৃত্যুর পর ওয়ারিশরা ভোগদখল করছেন। সম্প্রতি জায়গাটি দখলে নেয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল বাছিরের নেতৃত্বে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর অংশ হিসেবে ওই জায়গায় বড় বড় গর্ত খুঁড়েছে চক্রটি।<br>অভিযোগ তদন্ত করে গত ২৭ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আদালতের বিচারক জায়গাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। কিন্তু আদালতের আদেশ অমান্য করে চক্রটি রাতের আঁধারে জায়গাটিতে ঘর নির্মাণ করে। ইতিমধ্যে পিলার ও চালা বসিয়েছে চক্রটি।<br>এদিকে, চক্রের সদস্যরা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। যে কোনো মুহূর্তে হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।<br>জায়গার মালিক ফরিদা ইয়াসমিন মুন্নি বলেন, ‘ভূমিদস্যু চক্রটি আমাদের পৈতৃক জায়গা দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। আমরা নিরূপায় হয়ে আদালতের স্মরণাপন্ন হয়েছি। এখন ভূমিদস্যুরা আমাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। যে কোনো সময় তারা হামলা করতে পারে। আমরা জীবনের নিরাপত্তা চাই’।<br>মুন্নির ভাই শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, ‘আদালতের আদেশের পরও ভূমিদস্যুরা জায়গায় ঘর নির্মাণ করেছে। আমরা শান্তিতে থাকতেই চাই, জীবনের নিরাপত্তা চাই।’<br>জায়গা দখলের চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল বাছির বলেন, ‘জায়গা দখলে নেয়ার অভিযোগটি মিথ্যা। জায়গাটি মাদরাসার জন্য বরাদ্দ।’<br>এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। হুমকির বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:06:00 1970-01-01 00:00:00 ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100931 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316499_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316499_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় করোনার ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে এই টিকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক।<br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, ৬৮ মিলিয়ন বা ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ। গ্যাভি কোভ্যাক্স সুবিধা থেকে বাংলাদেশ এই ভ্যাকসিন পাবে। প্রতিজন দুই ডোজ করে এই ভ্যাকসিন পাবেন।<br>বুধবার করোনা ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য জানান।<br>ডা. শামসুল হক বলেন, ‘সারা পৃথিবীতেই এখন ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিন যেটাই আসুক আমরা যেন সেটা পেতে পারি সে লক্ষ্যেই কাজ হচ্ছে।’<br>ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই বা গ্যাভি-টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট) কাজ করছে। যখনই করোনার ভ্যাকসিন আসুক না কেন, সারা পৃথিবীর মানুষ যেন একসঙ্গে পায় সে বিষয়ে গত ৪ জুন গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিট হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় ‘কো ভ্যাক্স’ ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে পৃথিবীর সবাই যেন সমহারে ভ্যাকসিন পায়।’<br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা আগে জাতীয় ভ্যাকসিন বিতরণ পরিকল্পনা জমা দেবে তারাই আগে ভ্যাকসিন পাবে। গ্যাভি যখন থেকে পরিকল্পনা জমা নেয়া শুরু করবে, আশা করছি আমরা প্রথম দিনই আমাদের পরিকল্পনা জমা দিতে পারবো।’<br>গত জুলাই বাংলাদেশ কোভ্যাক্সে আবেদন করে এবং গ্যাভি সেটি গ্রহণ করে গত ১৪ জুলাই। বাংলাদেশ গ্যাভির কাছ থেকে ৬৮ মিলিয়ন বা ছয় কোটি ৮০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে ( দুই ডোজ) ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর জন্য। আর তাতে করে জনসংখ্যার হারে হয় ৩৪ মিলিয়ন বা তিন কোটি ৪০ লাখ মানুষ আর এটা পাওয়া যাবে ২০২১ সালের মধ্যে। তবে গ্যাভি এটা বিনা পয়সায় দেবে না এর জন্য কো ফিন্যান্সিং এ যেতে হবে সরকারকে আর এটা এক দশমিক ছয় থেকে দুই ডলারের মধ্যে কিনতে পারবো। আর বাংলাদেশ এ নিয়ে কাজ করছে।<br>তবে ভ্যাকসিন আসার আগে জরুরি হচ্ছে ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান নিয়ে কাজ হচ্ছে যেটা একেবারেই শেষ পর্যায়ে বলে জানান ডা. শামসুল হক।<br>গ্যাভি ভ্যাকসিন ছাড়াও বাংলাদেশ সরকার সরাসরি ভ্যাকসিন কেনার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে- এমন তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, সরকার ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কেনা যাবে চার ডলারের বিনিময়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবহন খরচ সব মিলিয়ে, এর সঙ্গে পরে যোগ হবে আরও এক ডলার। সেখান থেকে বাংলাদেশ কিনতে পারবে ৩০ মিলিয়ন ডোজ। এজন্য অর্থ বিভাগ প্রায় ৭৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এই ভ্যাকসিন অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রি কোয়ালিফায়েড হতে হবে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকতে হবে। জনগণের সেফটির (নিরাপত্তা) কথা চিন্তা করে সবকিছু করা হবে যদিও চুক্তি করা হয়েছে।<br>এ দুটি ভ্যাকসিনের সোর্স ছাড়াও সিনোভ্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে বলে জানান শামসুল হক। তিনি বলেন, জেএসকে গ্রুপের সেনোফি এবং ফাইজারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং যদি সেরকম ‘আর্জেন্সি’ হয়ে তাহলে কীভাবে তাদের ভ্যাকসিন পাওয়া যেতে পারে সে নিয়েও কথা হচ্ছে। তবে কোনো কোনো ভ্যাকসিন আমাদের দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে খুবই ‘কোয়েশ্চেনেবল’ এবং পৃথিবীর অনেক দেশেই এত ‘লো টেম্পারেচার’ এর ব্যবস্থা না থাকায় তারাও এ নিয়ে চিন্তিত।<br>এসব ভ্যাকসিন বিষয়ে কাজ করতে কোভিড ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার। এছাড়াও বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অব ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট কাজ করছে, রয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রিপায়ের্ডনেস অ্যান্ড ডেপ্লয়মেন্ট কোর কমিটি।<br>মতবিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।<br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:01:00 1970-01-01 00:00:00 ভাঙা পড়বে ঐতিহ্যবাহী কমলাপুর রেলস্টেশন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100930 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316470_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316470_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা কমলাপুর রেলস্টেশন স্থানান্তরের প্রস্তাব এসেছে। বর্তমান স্থানে স্টেশনটি থাকলে নির্মাণাধীন ঢাকা মেট্রোরেলের স্থাপনার আড়ালে পড়ে যাবে।<br>আবার কমলাপুর স্টেশনকে ঘিরে নেওয়া মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ প্রকল্পও বাধাগ্রস্ত হবে। এ বিবেচনায় স্টেশনটি কিছুটা উত্তরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা দিয়েছে জাপানের একটি প্রতিষ্ঠান। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্টেশন ভবনটি ভাঙা পড়বে।<br>গতকাল মঙ্গলবার রেল ভবনে এসংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।<br>তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি সাপেক্ষে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠকে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে কারিগরি দিক তুলে ধরে জাপানি প্রতিষ্ঠান কাজিমা করপোরেশনের নেতৃত্বে একটি সাবওয়ার্কিং গ্রুপ।<br>মেট্রোরেল এবং এর সব স্টেশনই হবে উড়ালপথে, মাটি থেকে কমবেশি ১৩ মিটার ওপরে। এর ফলে শেষ স্টেশনটি বিদ্যমান কমলাপুর রেলস্টেশন ভবনের সামনের অংশ ঢেকে দেবে।<br>উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল নির্মাণকাজ চলমান। এর শেষ স্টেশনটি পড়েছে কমলাপুর স্টেশনের ঠিক সামনে। মেট্রোরেলের পথ (রুট) পরিবর্তিত হবে নাকি কমলাপুর স্টেশন সরানো হবে, এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল।<br>রেল কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, মেট্রোরেল কমলাপুর স্টেশনের সৌন্দর্যহানি করবে। তাই রুট পরিবর্তন করা হোক। কিন্তু মেট্রোরেলের বাস্তবায়নকারী সংস্থা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) রুট পরিবর্তন করতে চাইছিল না।<br>ডিএমটিসিএলের বক্তব্য ছিল, রুট পরিবর্তন করলে দু–তিন কিলোমিটার পথ বেড়ে যাবে। এতে খরচও বাড়বে। এ ছাড়া মেট্রোরেল কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। পরিবর্তন করতে হলে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি লাগবে।<br>শেষ পর্যন্ত জাপানের কাজিমা করপোরেশনের নকশা ধরে কমলাপুর স্টেশনটিই ১৩০ মিটার উত্তরে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষ রাজি হয়েছে। আগের ভবনটি ভেঙে ফেলতে হবে। এতে মেট্রোরেলেরও কোনো পরিবর্তন করা লাগবে না। এখন প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানো হবে।<br>জানতে চাইলে রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, কমলাপুর স্টেশন ঘিরে মাল্টিমোডাল হাব গড়ে তোলা হবে, যা শাহজাহানপুরসহ আশপাশের রেলের জায়গাজুড়ে বিস্তৃত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান কমলাপুর রেলস্টেশনের আদলেই নতুন স্টেশন নির্মাণ করা হবে। পাঁচ বছরের মধ্যেই কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। বাস্তবায়ন শেষ হতে ১০ বছর লাগতে পারে। তিনি জানান, মেট্রোরেলের কারণে কমলাপুর স্টেশন আড়ালে পড়ে গেলে এর সৌন্দর্য আর থাকবে না। তাই সরিয়ে নেওয়াই উত্তম বিকল্প।<br>প্রথমে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার বর্ধিত করে মেট্রোরেল কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। মেট্রোরেল এবং এর সব স্টেশনই হবে উড়ালপথে, মাটি থেকে কমবেশি ১৩ মিটার ওপরে। এর ফলে শেষ স্টেশনটি বিদ্যমান কমলাপুর রেলস্টেশন ভবনের সামনের অংশ ঢেকে দেবে। এ ছাড়া বিমানবন্দর থেকে আরেকটি মেট্রোরেল কমলাপুরে এসে মিশবে। এটি অবশ্য হবে পাতালপথে। এ প্রকল্পের নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান।<br>অন্যদিকে ২০১৮ সালে সরকারি–বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগে (পিপিপি) কমলাপুর স্টেশন ঘিরে মাল্টিমোডাল হাব করার প্রকল্প সরকার নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়।<br>এর অধীন কমলাপুর স্টেশনের চারপাশে অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। থাকবে হোটেল, শপিং মল, পাতাল ও উড়ালপথ। বহুতল আবাসন ভবনও নির্মাণ করা হবে।<br>প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের কাজিমা করপোরেশন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে তিনটি বৈঠক হয়েছে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মিলে কাজিমা করপোরেশন পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরি করবে।<br>জানতে চাইলে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব এম এ এন সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, মেট্রোরেল পরিকল্পনামতোই হবে। এখন স্টেশন সরানোর বিষয়টি একান্তই রেলের বিষয়। যেভাবে করলে ভালো হয়, রেল সেভাবেই পরিকল্পনা করবে।<br>রেলের এসব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত সূত্র বলছে, কমলাপুর স্টেশন ভবনটি ৬৭ বছরের পুরোনো। এটি রেলের আইকনিক ভবন হিসেবে বিবেচিত। এর সঙ্গে সংস্থাটির আবেগ জড়িয়ে আছে। মেট্রোরেলের আড়ালে পড়ে যাক, সেটা তারা চায় না। এ জন্য মেট্রোরেলের রুট পরিবর্তনেই বেশি জোর দিয়েছিল রেল। কিন্তু এ বিকল্প ব্যয়বহুল বলে স্টেশনটি সরিয়ে একই ধরনের ভবন তৈরির বিকল্পে সায় দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এতে স্টেশনের ভেতরে থাকা বিদ্যমান রেললাইনও সরাতে হবে।<br>রেলওয়ে সূত্র আরও জানায়, পিপিপির ভিত্তিতে মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণ প্রকল্পটির গতি খুবই কম। বিমানবন্দর ও তেজগাঁও রেলস্টেশনেও একইভাবে মাল্টিমোডাল হাব নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের কাজ শিগগির শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। জাপানের কাজিমা করপোরেশন থেকে বিষয়টি এখনই ফয়সালা করে রাখার তাগিদ এসেছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 21:01:00 1970-01-01 00:00:00 লটারিতে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100929 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316422_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316422_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ বছর ক্যাচমেন্ট এরিয়া (বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা) ৪০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ করা হবে। ক্লাস্টারভিত্তিক ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিতে পাঁচটি স্কুল নির্বাচন করতে পারবে।<br>বুধবার (২৫ নভেম্বর) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে লটারিতে ভর্তি এবং দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্ষেত্রে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়ে থাকে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সকলস্তরে লটারির মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগরীর আগের ৪০ শতাংশ ক্যাচমেন্ট এরিয়া পরিবর্তন করে ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। আগে ক্লাস্টারভিত্তিক একটি স্কুলে আবেদন করার সুযোগ থাকলেও সেটি পাঁচটি করে পছন্দের স্কুল নির্বাচন করা যাবে।'<br>শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এ বছর স্কুল ভর্তির জন্য তিনটি বিকল্প পদ্ধতি চিন্তা করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রথমটি আগের মত শিক্ষার্থীদের স্কুলে এনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া বা এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা। দ্বিতীয়টি অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা এবং তৃতীয়টি ভর্তি বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা।’<br>তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুলে এনে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব নয়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন বলে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত জানিয়ে দেয়া হবে। ইতিমধ্যে ভর্তির সময় চলে এসেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশেষজ্ঞ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে তিনটি বিকল্প থেকে একটি বেছে নেয়া হয়েছে।’<br>এ সময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক, বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে কোন মন্ত্রী-এমপি’র যোগাযোগ, তদন্ত হচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100928 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316396_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316396_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মাদক, অস্ত্র ও কোটি টাকাসহ গ্রেপ্তার মনির হোসেন ওরফে ‘গোল্ডেন মনিরের’ সহযোগীদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। গণমাধ্যমে এসেছে গোল্ডেন মনির সরকারদলীয় একজন প্রতিমন্ত্রীকে গাড়ি দিয়েছেন এবং একাধিক এমপির সঙ্গে তার যোগসাজশ ছিল এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, গণমাধ্যমে সে খবর বের হওয়ার পর উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সেটার তদন্ত করছে। কোন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক, কোন কোন এমপির সঙ্গে তার যোগাযোগ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোল্ডেন মনিরের বাসায় দুইশ’র বেশি প্লটের কাগজ পাওয়া গেছে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর সঙ্গে যারা যারা জড়িত, যারা তাকে হাতিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এখানে শুধু অপকর্মকারী যে প্রত্যক্ষভাবে করেছে তা নয়, তার মদতদাতা কে সেটাও দেখবে। দুইটাই তদন্ত হচ্ছে, দুইটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দুইটাতেই যারা অপরাধী, অপকর্মকারী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কানাডার বহুল আলোচিত বেগমপাড়ার সাহেবদের ব্যাপারে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।<br>ওবায়দুল কাদের বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডার বেগমপাড়ার বিষয়টি নজরে আনার পর থেকেই সক্রিয় হয়েছে সরকার। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুদককে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। দুদকের তদন্তে যাদের নাম বের হয়ে আসবে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বেগমপাড়ায় যারা অর্থপাচার করেছেন, তাদের মধ্যে সরকারি আমলার সংখ্যা বেশি, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের ব্যাপারে তিনি বলেন, যারা অর্থপাচার করেছে, আমাদের কাছে তাদের পরিচয় অর্থপাচারকারী। তারা যেই হোক ধরা হবে। এর মধ্যে যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তা থাকেন, তাদের মধ্যে কেউ যদি মনে করেন তিনি সরকারের কাছের লোক, তাদেরও ছাড় দেয়া হবে না। কারা বিদেশে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত, সরকারের কাছে এমন কোনো তথ্য আছে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, তদন্ত শেষে পাচারকারীদের নামও প্রকাশ করা হবে। মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে এ মুহূর্তে মন্ত্রিসভা পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী দেয়া হয়েছে। তিনি একজন ভালো লোক। জামালপুরের ইসলামপুরের সংসদ সদস্য, তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আর এ মুহূর্তে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের কথা আমি জানি না। এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তবে ওটা (ধর্ম) যেহেতু খালি সে জন্য পূরণ করছে। এ সময় আর পরিবর্তন তাড়াতাড়ি হচ্ছে বলে মনে হয় না। খুব সহসাই পরিবর্তন হচ্ছে না। তিনি বলেন, করোনাকালে মন্ত্রিপরিষদে কিছু বিষয় আছে। কাজের বিষয় আছে। ফিজিক্যাল প্রেজেন্ট দিয়ে কাজ করা কঠিন। প্রধানমন্ত্রী জরুরিভিত্তিক কোনো পরিবর্তন দরকার আছে বলে মনে করছেন না। করোনা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রয়োজনে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রয়োজনে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মানুষের জীবন আগে। জীবন না থাকলে জীবিকা দিয়ে কী হবে। কাজেই সবদিক চিন্তা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, পুরো লকডাউন সম্ভব না, পাকিস্তান করতে পারেনি, ভারত যা করেছে তাতেও লাভ হয়নি। রোজ রোজ সংক্রমণ বাড়ছে। এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তুতি আছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি মনিটরিং করছেন। তবে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যারা মাস্ক পরবে না জরিমানা হবে। এ বিষয়টি স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কঠোর। সরকার কি ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সিদ্ধান্ত হতে পারে যদি কোনো রেস্ট্রিকশন দিতে হয় সেটিও হতে পারে। মফস্বলে তো একেবারেই স্বাস্থ্যবিধি মানে না। তবে এ রকম (লকডাউন) কিছু না। গতি-প্রকৃতি দেখে প্রয়োজনে কঠোর সিদ্ধান্ত। মাস্ক ব্যবহার করতে হবে সেটাই কঠোর সিদ্ধান্ত। কড়াকড়ি করা হবে। যেমন ফ্রি স্টাইলে মাস্ক না লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানো। মানুষের এ প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। <br><br><br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 দেশে ডেঙ্গুর চিকিৎসায় নতুন ওষুধে সাফল্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100927 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316328_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316328_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মহামারী করোনার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এরই মধ্যে আশার আলো দেখছেন চিকিৎসকরা। এ রোগের চিকিৎসায় ‘অ্যালট্রোমবোপাগ’ নামের নতুন একটি ওষুধ প্রয়োগ করে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশি একদল গবেষক। ১০১ জন ডেঙ্গু রোগীর ওপর গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। তাদের প্রত্যেককে ২৫ মিলিগ্রাম করে ওষুধটি দেয়া হয়েছিল।<br>বাংলাদেশের ১২জন গবেষক ও চিকিৎসকের সমন্বয়ে পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি চিকিৎসা সাময?িকী দ্যা ল্যানসেট জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানি ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালসের অর্থায়নে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়।<br>গবেষকদের একজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সজীব চক্রবর্তী বলেন, ডেঙ্গু রোগের একটি অন্যতম উপসর্গ হলো এতে রক্তের প্লেটলেট কমে যায়। কিন্তু অ্যালট্রোমবোপ্যাগ নামের একটা ওষুধ রয়েছে যা রক্তের প্লেটলেট বাড়ায়, কিন্তু ডেঙ্গু রোগে এটি কখনোই ব্যবহার করা হয়নি। তাহলে এই রোগের চিকিৎসায় সেটা কতটা কাজ করতে পারে, সেটা নিয়ে আমরা গবেষণা শুরু করি।<br>তিনি বলেন, 'ডেঙ্গুতেও যেহেতু প্লেটলেটের সংখ্যা কমে যায়, তাই আমরা ধারণা করছিলাম যে, এই ওষুধটি সেখানেও কাজ করতে পারে। কিন্তু আমরা শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম না। তখন আমরা এটা নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করতে শুরু করি। সেখানে আমরা যে ফলাফল দেখতে পেয়েছি, তাতে যে ডেঙ্গু রোগীরা এই ওষুধটি খেয়েছেন, আট দিনের মাথায় তাদের প্রায় ৯২ শতাংশ রোগীর প্লেটলেটের সংখ্যা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিলো। আর যাদের ওষুধটি দেয়া হয়নি, তাদের মধ্যে মাত্র ৫৫ শতাংশের সেটা ঠিক হয়েছিল। ফলে এতে বোঝা যায়, এই ওষুধটি দিলে বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে এই ওষুধটির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে কিনা, সেটাও আমরা দেখেছি। কারণ অনেকের পেল্টলেট বেড়ে গেলে সেটা ক্ষতির কারণও হতে পারে। অনেক সময় রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। কিন্তু রোগীদের ক্ষেত্রে (এই ওষুধে) এরকম কিছু পাইনি। শুধু তিন শতাংশের ক্ষেত্রে ডায়রিয়ার মতো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পেয়েছি।<br>২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই গবেষণাটি করা হয়। তবে এখনো ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় এই ওষুধের ব্যবহার অনুমোদিত নয়।<br>ড. চক্রবর্তী জানান, এটি ছিল দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি পরীক্ষা। তবে ডেঙ্গু রোগের ওপর এই ওষুধের সাফল্যের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হলে একাধিক দেশে কয়েক হাজার মানুষের ওপর তৃতীয় ধাপের মানব পর্যায়ের পরীক্ষা করা জরুরি।<br>তিনি বলেন, এখনো এটা ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনে আসেনি। কিন্তু আমাদের মতো আরও বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা করে সফলতা পাওয়া গেলে তখন নিশ্চয়ই এটা ডেঙ্গুর চিকিৎসার গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত হবে।<br>বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ অনেক বেশি। গবেষকরা আশা করছেন, ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় কার্যকর ও সফল ওষুধ শনাক্ত করা গেলে এই অঞ্চলের অনেক মানুষ উপকৃত হবে।<br>আন্তর্জাতিক ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিস ২০০৮ সালে এই ওষুধ অ্যালট্রোমবোপ্যাগ তৈরি করে যা আমেরিকার ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঋউঅএর অনুমোদন লাভ করে ২০১৪ সনে। অন্যান্য ব্যাধি যেমন, লিভারের রোগে যখন প্লেটলেট কমে গেলে ব্যবহার করা হয় এই ওষুধ।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 20:58:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100926 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316260_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316260_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৩৯ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৭ ও নারী ১২ জন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৪৮৭ জনে।<br>বুধবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৭টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৭৭৭টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৬ হাজার ১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ১৫০। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হন আরও দুই হাজার ১৫৬ জন। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল চার লাখ ৫৪ হাজার ১৪৬ জনে।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৩০২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৯ জন।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৪৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ২৯ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৮ মার্চ। বুধবার পর্যন্ত মোট মৃত্যু ছয় হাজার ৪৮৭ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৯৮২ (৭৬ দশমিক ৮ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৫০৫ জন (২৩ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ)।<br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৯ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব পাঁচজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১২ জন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২২ জন রয়েছেন। মৃত ৩৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৬ জন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, রাজশাহীতে তিনজন, খুলনা দুইজন, রংপুর দুইজন এবং সিলেটে একজন রয়েছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 20:57:00 1970-01-01 00:00:00 এফআর টাওয়ার মামলা: ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেবে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100925 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316149_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/25/1606316149_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি মামলায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>বুধবার (২৫নভেম্বর) এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দীক বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ২৫ জুন মামলাটি করেছিলেন। তদন্ত সাপেক্ষে মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ জন হলেন- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ইজারা গ্রহীতা সৈয়দ মো. হোসাইন ইমাম ফারুক (এস এম এইচ আই ফারুক), রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বর্তমান চেয়ারম্যান) লিয়াকত আলী খান মুকুল (এল এ মুকুল), কাসেম ড্রাইসেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসভীর-উল-ইসলাম, রাজউকের সাবেক ইমারত পরিদর্শক (পরবর্তীতে সহকারী অথরাইজড অফিসার) মো. নজরুল ইসলাম, পরিচালক (এস্টেট) মো. শামসুল আলম, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মুহাম্মদ শওকত আলী, সাবেক সহকারী পরিচালক (এস্টেট) শাহ মো. সদরুল আলম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (এস্টেট) জাহানারা বেগম, সাবেক পরিদর্শক মো. মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মুহাম্মদ মজিবুর রহমান মোল্লা, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. এনামুল হক, সাবেক পরিচালক (এস্টেট) মো. আবদুল্লাহ-আল-বাকী, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন, উচ্চমান সহকারী মো. সাইফুল আলম, ইমারত পরিদর্শক (নক্সা জমা গ্রহণকারী) ইমরুল কবির, ইমারত পরিদর্শক (নক্সা জমা গ্রহণকারী) মো. শওকত আলী, উচ্চমান সহকারী (ইস্যুকারী) মো. শফিউল্লাহ (সাময়িক বরখাস্ত) ও সাবেক অথরাইজড অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম।<br>দুদকের অভিযোগের বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন। তারা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ইস্যু, ফি জমা ও অনুমোদন না নিয়ে ভুয়া নকশায় এফআর টাওয়ারের ১৯ থেকে ২৩তলা পর্যন্ত নির্মাণ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্ধক, ফ্লোর বিক্রি ও অগ্নিকাণ্ডে জনসাধারণের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছেন। এ অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১৬৬/ ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।<br>এছাড়া, তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ৭ আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক।<br>মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-26 20:56:00 1970-01-01 00:00:00 একত্রে বসবাসের শর্তে একদিনে ৫০ দম্পতির মামলা নিষ্পত্তি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100924 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606313762_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606313762_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সুনামগঞ্জে পারিবারিক বিরোধ ও নির্যাতনের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর করা ৫০টি মামলার আসামিদের সাজা না দিয়ে দাম্পত্য জীবনে ফিরে যাওয়ার শর্তে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন আজ বুধবার এ রায় দেন। <br>আদালতের হস্তক্ষেপে স্বামীরা নিজ নিজ পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন-এমন খবর পেয়ে ফুল নিয়ে এজলাসের সম্মুখে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন তাদের স্ত্রীরা। এ সময় অনেক স্ত্রীকে নিজের শিশুসন্তান কোলে নিয়ে স্বামীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।<br><br>আদালত সূত্র জানায়, নির্যাতনের শিকার হয়ে ওই ৫০ নারী তাদের স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছিলেন।<br>মামলার ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যুদ্ধংদেহী অবস্থান তৈরি হয়। এতে তাদের সন্তানদের জীবন, নিরাপত্তা, খাদ্য, বাসস্থান, আদর-যত্ন, ভালোবাসা, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়ে। স্ত্রীরা স্বামীর ঘরছাড়া হয়ে সন্তান-সন্ততি নিয়ে এক অনিশ্চিত জীবনের পথে হাঁটছিলেন। সেই অনিশ্চয়তা জীবনের অবসান ঘটিয়ে সংসার ও সমাজে শান্তি ও সৌহার্দের পরিবেশ সৃষ্টি করতে আসামিদের খালাস দেন আদালত।<br><br>আদালত আরও জানান, শাস্তি নয় শান্তি, সম্প্রীতির সুবাতাস আর ফুলের গন্ধ বিলিয়ে মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে ৫০টি পরিবারকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে স্ত্রীকে স্বামীর কাছে আর স্বামীকে স্ত্রীর কাছে এবং তাদের সন্তানদের তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল মা-বাবা উভয়ের সান্নিধ্য লাভের জন্য এ রায় দেয়া হয়েছে। and nbsp; এদিকে আদালত কর্তৃক ৫০ মামলার আসামিদের খালাস প্রদানের রায়ের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।<br><br>এ সময় আদালত আঙিনায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অনেক স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের। ভাঙনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো ৫০টি সংসার আদালতের রায়ে জোড়া লাগার পর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন মামলার বাদী-বিবাদী, আইনজীবীসহ সাধারণ মানুষ। তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর এলাকার মোহাম্মদ মিয়া বলেন, ১৪ বছর আগে একই গ্রামের আমিনা খাতুনকে বিয়ে করি। আমাদের সংসারে চারটি সন্তান রয়েছে। দেড় বছরে আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলায় তিনমাস হাজতবাস করতে হয়।<br><br>তিনি আরও বলেন, মামলার ফলে আমাদের সংসার ভাঙার উপক্রম দেখা দেয়। সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আদালতের এমন রায়ে আমার ভাঙা সংসার জোড়া লেগেছে। আমি আমার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বাকি জীবন সুখে-শান্তিতে কাটাতে চাই।<br>সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আফতাব উদ্দিন বলেন, সুনামগঞ্জের আদালতের ইতিহাসে এটি একটি ব্যতিক্রমী রায়। আদালতের হস্তক্ষেপে সংসারগুলোতে শান্তির সুবাতাস ফিরে আসবে। এতে পারিবারিক ও সামাজিক ভিত্তি মজবুত হবে। এমন রায়ে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও শক্তিশালী হবে।</body></HTML> 2020-11-25 20:15:09 1970-01-01 00:00:00 প্রায় ৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100923 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606313020_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606313020_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় করোনার ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা পাবে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের মধ্যে এই টিকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক।<br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জানান, ৬৮ মিলিয়ন বা ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ। গ্যাভি কোভ্যাক্স সুবিধা থেকে বাংলাদেশ এই ভ্যাকসিন পাবে। প্রতিজন দুই ডোজ করে এই ভ্যাকসিন পাবেন।<br><br>বুধবার করোনা ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব তথ্য জানান।<br>ডা. শামসুল হক বলেন, ‘সারা পৃথিবীতেই এখন ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ হচ্ছে। কিন্তু ভ্যাকসিন যেটাই আসুক আমরা যেন সেটা পেতে পারি সে লক্ষ্যেই কাজ হচ্ছে।’ ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই বা গ্যাভি-টিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট) কাজ করছে। যখনই করোনার ভ্যাকসিন আসুক না কেন, সারা পৃথিবীর মানুষ যেন একসঙ্গে পায় সে বিষয়ে গত ৪ জুন গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিট হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় ‘কো ভ্যাক্স’ ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে পৃথিবীর সবাই যেন সমহারে ভ্যাকসিন পায়।’<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘যারা আগে জাতীয় ভ্যাকসিন বিতরণ পরিকল্পনা জমা দেবে তারাই আগে ভ্যাকসিন পাবে। গ্যাভি যখন থেকে পরিকল্পনা জমা নেয়া শুরু করবে, আশা করছি আমরা প্রথম দিনই আমাদের পরিকল্পনা জমা দিতে পারবো।’<br>গত জুলাই বাংলাদেশ কোভ্যাক্সে আবেদন করে এবং গ্যাভি সেটি গ্রহণ করে গত ১৪ জুলাই। বাংলাদেশ গ্যাভির কাছ থেকে ৬৮ মিলিয়ন বা ছয় কোটি ৮০ লাখ ভ্যাকসিন পাবে ( দুই ডোজ) ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর জন্য। আর তাতে করে জনসংখ্যার হারে হয় ৩৪ মিলিয়ন বা তিন কোটি ৪০ লাখ মানুষ আর এটা পাওয়া যাবে ২০২১ সালের মধ্যে। তবে গ্যাভি এটা বিনা পয়সায় দেবে না এর জন্য কো ফিন্যান্সিং এ যেতে হবে সরকারকে আর এটা এক দশমিক ছয় থেকে দুই ডলারের মধ্যে কিনতে পারবো। আর বাংলাদেশ এ নিয়ে কাজ করছে।<br><br>তবে ভ্যাকসিন আসার আগে জরুরি হচ্ছে ন্যাশনাল ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান নিয়ে কাজ হচ্ছে যেটা একেবারেই শেষ পর্যায়ে বলে জানান ডা. শামসুল হক। গ্যাভি ভ্যাকসিন ছাড়াও বাংলাদেশ সরকার সরাসরি ভ্যাকসিন কেনার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে- এমন তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, সরকার ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কেনা যাবে চার ডলারের বিনিময়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবহন খরচ সব মিলিয়ে, এর সঙ্গে পরে যোগ হবে আরও এক ডলার। সেখান থেকে বাংলাদেশ কিনতে পারবে ৩০ মিলিয়ন ডোজ। এজন্য অর্থ বিভাগ প্রায় ৭৩৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে এই ভ্যাকসিন অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রি কোয়ালিফায়েড হতে হবে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকতে হবে। জনগণের সেফটির (নিরাপত্তা) কথা চিন্তা করে সবকিছু করা হবে যদিও চুক্তি করা হয়েছে।<br><br>এ দুটি ভ্যাকসিনের সোর্স ছাড়াও সিনোভ্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে বলে জানান শামসুল হক। তিনি বলেন, জেএসকে গ্রুপের সেনোফি এবং ফাইজারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং যদি সেরকম ‘আর্জেন্সি’ হয়ে তাহলে কীভাবে তাদের ভ্যাকসিন পাওয়া যেতে পারে সে নিয়েও কথা হচ্ছে। তবে কোনো কোনো ভ্যাকসিন আমাদের দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে খুবই ‘কোয়েশ্চেনেবল’ এবং পৃথিবীর অনেক দেশেই এত ‘লো টেম্পারেচার’ এর ব্যবস্থা না থাকায় তারাও এ নিয়ে চিন্তিত।<br><br>এসব ভ্যাকসিন বিষয়ে কাজ করতে কোভিড ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার। এছাড়াও বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অব ভ্যাকসিন ম্যানেজমেন্ট কাজ করছে, রয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রিপায়ের্ডনেস অ্যান্ড ডেপ্লয়মেন্ট কোর কমিটি। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক আবু হেনা মোর্শেদ জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( প্রশাসন) ডা. নাসিমা সুলতানা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। </body></HTML> 2020-11-25 20:02:32 1970-01-01 00:00:00 মাঠের খেলায় নিজেদের প্রমাণ করতে চান মিঠুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=100922 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606312396_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/24/1606312396_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ শুরু হয়ে গেছে মঙ্গলবার। চারটি দল এরই মধ্যে প্রথম ম্যাচের জয় পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে। দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে মাঠে নামছে। তার আগে সৌম্য-লিটন-মোসাদ্দেক-মোস্তাফিজুর-তাইজুল-মুমিনুলদের নিয়ে বেশ ভালো দল গড়েছে তারা। এর বাইরেও যুব বিশ্বকাপজয়ী দুই ক্রিকেটার রাকিবুল হাসান ও শরিফুল ইসলাম আছেন। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন অবশ্য এই দল নিয়ে দারুণ খুশি। তবে খুব সন্তুষ্ট হলেও মিঠুন নিজেদের প্রমাণ করতে চান মাঠের খেলাতেই।<br>টুর্নামেন্টে মুশফিকের বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই যাত্রা শুরু করবে চট্টগ্রাম। এর আগে বুধবার মিঠুন বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি আমার দল নিয়ে অনেক খুশি। আমরা অবশ্যই ভারসাম্যপূর্ণ একটা দল। এখন মাঠে প্রমাণ করতে হবে। আমি মনে করি যে, আমরা যদি স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি। তাহলে ইতিবাচক ফলাফল আসবে।’ মুমিনুল হক, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকারকে পিছনে ফেলে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এর আগে কখনো নেতৃত্ব দেননি তিনি। এবার বড় মঞ্চে বড় পরীক্ষা। যেখানে ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না মিঠুন, বর্তমানে বিশ্বাসী তিনি। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের পাশাপাশি ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে টুকটাক অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা আছে মিঠুনের। তবে বাংলাদেশ দলের বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত অধিনায়ক সৈকতকে টপকে তার কাঁধে দায়িত্বভার উঠবে, বিষয়টি কিছুটা হলেও অকল্পনীয়।<br>সব ছাপিয়ে চট্টগ্রাম দলের অধিনায়ক হয়েছেন মিঠুন। আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে তারা। মূল মঞ্চে নামার আগে আজ (২৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন জানান, দল থেকে তাকে যোগ্য মনে করতেই এই দায়িত্বভার দিয়েছে।<br>মিঠুন বলেন, ‘সবার আগে আমি খুব আনন্দিত। আমাকে যোগ্য মনে করেছে তারা। আমি অবশ্যই আমার দিক থেকে শতভাগ চেষ্টা করবো, আমার নিজের এবং দলের সেরা পারফরম্যান্সটা বের করে আনতে।’<br>‘লক্ষ্য নির্ধারণের কথা যদি বলি, মাত্র টুর্নামেন্ট শুরু হলো। আমি ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করি না, বর্তমানে থাকতেই বেশি পছন্দ করি। আমার লক্ষ্য ম্যাচ বাই ম্যাচ। এমনকি প্রতিটা বল আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কালেকের ম্যাচে আমি যেটা মনে করি, যারা সেরা ক্রিকেটটা খেলবে তারাই জিতবে।’- সাথে যোগ করেন তিনি।</body></HTML> 2020-11-25 19:52:57 1970-01-01 00:00:00