http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ট্রাকের পেছনে বাইকের ধাক্কা, প্রাণ হারালেন দুইজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96701 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597035680_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597035680_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">খুলনার পাটকেলঘাটা থানায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাইক আরোহী নিহত হয়েছেন। রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে আটটার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানাধীন মির্জাপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন আবু নাসের হাসপাতালের হিসাবরক্ষক রোকনুজ্জামান লিটু এবং ইনস্ট্রুমেন্ট কেয়ার টেকার সাকিব হোসেন। দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত জানান, মির্জাপুর বাজারের অদূরে শ্মশান ঘাট এলাকায় একটি ট্রাক দাঁড়িয়েছিল। এ সময় সাতক্ষীরাগামী একটি মোটরসাইকেল ট্রাকটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী দু’জন মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। পরে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ মরদেহ ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করে খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। </body></HTML> 2020-08-10 11:00:54 1970-01-01 00:00:00 মেজর সিনহা হত্যা পরিকল্পনার একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল, তোলপাড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96700 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597035075_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597035075_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">‘জাস্ট গো’ ইউটিউব চ্যানেলে কক্সবাজার এলাকার ইয়াবার আদ্যোপান্ত তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। টানা কয়েক দিন ইয়াবা বাণিজ্যের নেপথ্য কাহিনি নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করছিলেন মেজর সিনহা। কোনো ধরনের ঝঞ্ঝা ছাড়াই সময় পার করছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার দাশের সাক্ষাৎকার রেকর্ড করাটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় মেজর সিনহার জন্য।<br>রোববার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের ক্রাইম রিপোর্টার সাঈদুর রহমান রিমনের একটি স্ট্যাটাস ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে সাঈদুর রহমান রিমনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ইলিয়াস কোবরা।<br><span style="font-weight: bold;"><br>সাঈদুর রহমান রিমন লিখেছেন, “ওসি প্রদীপের ভিডিও সাক্ষাৎকারেই সর্বনাশ ঘটে!</span><br><br>প্রত্যক্ষদর্শী ও একাধিক সূত্র অনুযায়ী, ক্রসফায়ারের নামে নৃশংসভাবে খুন করা অসংখ্য মানুষের রক্তে রঞ্জিত প্রদীপ কুমারও ভিডিও সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় বারবারই কেঁপে উঠেন। মেজর সিনহার তথ্যবহুল প্রশ্নের পর প্রশ্নে চরম অস্বস্তিতে পড়েন ওসি। নানা অজুহাতে ভিডিও সাক্ষাৎকার এড়ানোর সব কৌশল খাটিয়েও ব্যর্থ ওসি প্রদীপ বাধ্য হয়েই প্রশ্নবানে জর্জরিত হতে থাকেন, ভিডিওচিত্রে মেজরের উদঘাটন করা নানা তথ্যের সামনে সীমাহীন নাস্তানাবুদ হন তিনি।<br><br>মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের দিন বিকেল চারটার দিকে টেকনাফের বহুল বিতর্কিত ওসি প্রদীপ কুমার দাস ওই ডকুমেন্টারি ভিডিও সাক্ষাৎকারের ফাঁদে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র জানায়, ক্রসফায়ারে অতিমাত্রায় উৎসাহী ওসি প্রদীপ ও তার সহযোগিরা ইয়াবা বাজারজাত ও পাচারের ক্ষেত্রেও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভূমিকার কথা স্বীকার করতেও বাধ্য হন। সফল সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেই মেজর সিনহা আর একদণ্ড সময় ক্ষেপণ করেননি। ঝড়ের বেগে থানা থেকে বেরিয়ে এসে নিজের গাড়িতে উঠে বসেন। তার সঙ্গে ভিডিও রেকর্ডিংয়ে ব্যস্ত থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতও ক্যামেরা, ট্রাইপড, ব্যাগ গোছাতে গোছাতেই ছুটে গিয়ে গাড়িতে উঠতেই টেকনাফ সদর ছেড়ে গাড়িটি ছুটতে থাকে উত্তর দিকে, বাহারছড়ার পথে। বাহারছড়া সংলগ্ন মারিসঘোণা এলাকাতেই বসবাস করেন চলচ্চিত্রের ফাইটিং গ্রুপ পরিচালনাকারী ইলিয়াস কোবরা। হঠাত তার টেলিফোনে করা আমন্ত্রণ পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারেননি মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।<br><br>এদিকে থানা থেকে মেজর সিনহা বেরিয়ে যেতেই ওসি প্রদীপ অচিরেই বড় রকমের বিপদের আশঙ্কায় তৎক্ষনাত কক্সবাজারের এসপি মাসুদকে ফোন করে বিস্তারিত জানিয়ে দেন। সব শুনে এসপি নিজেও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কয়েক মিনিটেই এসপির নির্দেশনায় তৈরি হয় ‌মেজর সিনহার নৃশংস হত্যার নিশ্ছিদ্র পরিকল্পনা। আলাপ আলোচনা শেষে এসপি-ওসি এমনভাবেই ত্রিমুখী মার্ডার মিশন সাজিয়েছিল- সেই ফাঁদ থেকে মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের প্রাণে বাঁচার কোন সুযোগই ছিল না।<br><br>পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলচ্চিত্রের ফাইটিং গ্রুপের পরিচালক ইলিয়াস কোবরেক দায়িত্ব দেওয়া হয়, আতিথেয়তার নামে নানা কৌশলে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেজর সিনহাকে তার নিভৃত পাহাড়ি গ্রামে আটকে রাখার। চলচ্চিত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পরিচিতি থাকলেও ইলিয়াস কোবরা ইদানিং ‌‍‘ক্রসফায়ার মিট মিমাংসার দালালি’ কাজেই সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। ক্রসফায়ারের তালিকায় নাম থাকার গুজব ছড়িয়ে অসংখ্য মানুষকে গোপনে ওসি প্রদীপের সঙ্গে সমঝোতা করিয়ে দিয়ে টেকনাফের শীর্ষ দালাল হিসেবে বেশ নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে কোবরার। তবে ক্রসফায়ারের কবল থেকে জীবন বাঁচানোর সমঝোতায় ওসি প্রদীপ হাতিয়ে নিয়েছেন ১০ লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে দালালির কমিশন হিসেবে ইলিয়াস কোবরাকেও মাথাপিছু এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পাইয়ে দিয়েছেন প্রদীপ।<br><br>ওসিসহ পুলিশ প্রশাসনের কাছে পরীক্ষিত দালাল ইলিয়াস কোবরা ঠিকই তার উপর অর্পিত দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। মারিসঘোণায় নিজের বাগানবাড়ি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখার নামে ইলিয়াস কোবরা সেদিন বিকেল সাড়ে চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নির্জন পাহাড়েই নিজ হেফাজতে রেখেছিলেন মেজর সিনহাকে। এ সময়ের মধ্যে মেজরের অবস্থান, কতক্ষণ পর কোন রাস্তায় কোথায় যাবেন সেসব তথ্য জানিয়ে কোবরা ৯টি এসএমএস পাঠান ওসিকে।<br><br><span style="font-weight: bold;">‘এসপির ত্রিমুখী নিশ্ছিদ্র ছকেই মেজর সিনহার নৃশংস হত্যাকান্ড’</span><br><br>গণপিটুনিতে হত্যার জন্য প্রস্তুত রাখা হয় গ্রামবাসীকে, ওসি বাহিনী অবস্থান নেয় দক্ষিণের বড়ডিল পয়েন্টে- আর উত্তরদিকের শামলাপুর চেকপোস্টে ওৎ পেতেছিলেন খুনি লিয়াকতের বাহিনী। পরিকল্পনা মাফিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকেই টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস তার পছন্দের দুই এসআই ও দুই কনস্টেবল নিয়ে নিজের সাদা নোহায় এবং আরো ৫/৭ জন পুলিশ সদস্য অপর একটি মাইক্রোবাসে হন্তদন্ত অবস্থায় থানা থেকে মেরিন ড্রাইভওয়ে ধরে উত্তর দিকে ছুটতে থাকে। ওসি বাহিনী বাহারছড়া-কক্সবাজারের পথে শামলাপুর পুলিশ ক্যাম্পে যাওয়ার পথেই ইলিয়াস কোবরার নতুন খবর আসে। ওসি প্রদীপকে ফোন করে তিনি জানান, এ মুহূর্তে মেজর সিনহা ও তার ভিডিওম্যান সিফাত মারিসঘোণার পাহাড় চূড়ায় উঠছেন। পাহাড়ের উপর থেকে মেরিন ড্রাইভওয়ে, টেকনাফ সদর, নাফ নদী-মিয়ানমার সীমান্ত এবং দক্ষিণ দিকে সমুদ্রের বিস্তির্ণ অংশ দেখা যায়। গভীর সমুদ্রের দিক থেকে ছোট বড় ইঞ্জিনবোটগুলো সার্চ লাইটের আলো ফেলে ফেলে সমুদ্র সৈকতের দিকে আসতে থাকে, আবার ডজন ডজন ইঞ্জিনবোট সমুদ্র সৈকত ছেড়ে গভীর সমুদ্রের দিকেও যেতে থাকে। পুরো দৃশ্যপটের ভিডিওচিত্র ধারন করাটাই হচ্ছে তার ডকুমেন্টারির শেষ দৃশ্য। এ দৃশ্যপটের সঙ্গে নেপথ্য কন্ঠ জুড়ে দিতে চান মেজর সিনহা। তিনি বলতে চান রাত যত গভীর হয়, আধারে নিমজ্জিত হয় সমুদ্রের মাইলের পর মাইল জলরাশি, ঠিক তখনই টেকনাফ সীমান্ত ঘেষা জনপদের কয়েকশ' মানুষ জেগে উঠেন, তারা মেতে উঠেন অন্যরকম কর্মযজ্ঞে।শত শত ইঞ্জিনবোট হঠাত করেই যেন সমুদ্রের পানি ফুঁড়ে উঠে আসে উপরে, এদিক সেদিক ঘোরাফেরা করেই ট্রলারগুলো অজ্ঞাত গন্তব্যে ছুটে যায় ইঞ্জনের কর্কশ শব্দ তুলে, ধোঁয়া ছেড়ে। তখন এসব ট্রলারের প্রতিটাই হয়ে উঠে কোটি কোটি টাকার দামি। কোনো ট্রলারে থাকে পাচারের শিকার নারী-পুরুষ, কোনোটা আবার ভরাট হয় লাখ লাখ পিস ইয়াবায়। আবার গভীর সমুদ্রে অপেক্ষমাণ মাদার ভেসেল থেকে কোনো কোনো ট্রলারে নামিয়ে আনা হয় একে-৪৭ রাইফেল, থাকে আরজিএস গ্রেনেডের ছড়াছড়ি।<br><br>ইলিয়াস কোবরা ফোনে ওসিকে জানান, মেজর সাহেব পাহাড় থেকে নেমে কিছু সময়ের জন্য মেরিন ড্রাইভওয়ে ব্যবহার করে টেকনাফের দিকে যেতে পারেন-তারপর সেখান থেকে ফিরে যাবেন হিমছড়ির রিসোর্টে। এটুকু শুনেই ওসি প্রদীপ তার গাড়ি থামিয়ে দেন বাহারছড়া পৌঁছানোর আগেই। মারিসঘোণা থেকে টেকনাফ যাওয়ার পথে তিন কিলোমিটার দূরের বড়ডিল নামক স্থানে ওসি ও তার সঙ্গীদের দুটি মাইক্রো থামিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতিতে অপেক্ষমাণ থাকেন সবাই। এরমধ্যেই ওসি প্রদীপ কুমার মরিসঘোণা এলাকার দুই জন সোর্স ছাড়াও ক্রসফায়ার বাণিজ্যের টাকা সংগ্রহকারী এজেন্ট বলে কথিত আব্দুল গফুর মেম্বার, হাজী ইসলাম, মুফতি কেফায়েতউল্লাহ ও হায়দার আলীকে ফোন করে জানান, মারিসঘোণা পাহাড়ের চূড়ায় বেশ কয়েকজন ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়েছে। তারা কেউ পাহাড় থেকে নামার চেষ্টা করলেই যেন এলাকার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ডাকাত ডাকাত চিৎকার জুড়ে দেয়া হয় এবং যাদেরকে হাতেনাতে পাবে তাদেরকেই যেন গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়। বাকি সবকিছু ওসি দেখবেন এবং এজন্য তিনি মারিসঘোণার দিকে রওনা দিয়েছেন বলেও জানানো হয় তাদের।<br><br>ওসির কাছ থেকে পাওয়া এমন খবর ওসির এজেন্টরা পাহাড় সংলগ্ন চারপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ছড়িয়ে দিয়ে লাঠিসোটায় সজ্জিত হয়ে তারা অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু চৌকষ সেনা অফিসার সিনহা পাহাড়ের চূড়ায় থাকাবস্থায়ই চারপাশে সাজ সাজ রব দেখে সতর্ক হয়ে উঠেন এবং এ কারণেই টর্চ লাইট না জ্বালিয়ে অন্ধকারের মধ্যেই ধীরলয়ে পাহাড় থেকে নিচে নেমে আসেন। ঠিক তখনই বেশ সংখ্যক গ্রামবাসী ডাকাত ডাকাত চিৎকার জুড়ে দিয়ে তাদের চারপাশ থেকেই ধাওয়া দিতে থাকে। কিন্তু মেজর সিনহা তার সহযোগির হাত চেপে ধরে প্রশিক্ষণের দক্ষতা অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই প্রায় আধা কিলোমিটার জায়গা পেরিয়ে পাকা সড়কে পৌঁছে যান এবং দ্রুত নিজের গাড়িতে উঠেই উত্তরদিকে হিমছড়ির দিকে রওনা হন।<br><br>বাহারছড়ার মারিসঘোণা থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরেই শামলাপুরের সেই পুলিশ চেকপোস্ট। ওসির নির্দেশে যেখানে এসআই লিয়াকতসহ একদল পুলিশ আরো আগে থেকেই ওৎ পেতে অপেক্ষায় ছিল-সেখানেই পৌঁছে যায় মেজর সিনহার গাড়িটি। গাড়িটির খুব কাছে অস্ত্র তাক করে মেজরকে হাত তুলে সামনের দিকে মুখে করে নেে আসার নির্দেশ দেন তিনি। আর গাড়ি থেকে নামতেই অব্যর্থ নিশানায় লিয়াকত পর পর চারটি বুলেট বিদ্ধ করেন মেজর সিনহার দেহে। ফলে লুটিয়ে পড়েন তিনি।<br><br>এদিকে বড়ডিল এলাকায় অপেক্ষমান ওসি বাহিনী মেজরের উত্তরদিকে রওনা দেয়ার খবর শুনেই শামলাপুর ক্যাম্পের দিকে রওনা দেন। যে কারণে লিযাকতের গুলিতে মেজর মাটিতে লুটিয়ে পড়ার ১৫/১৬ মিনিটের মধ্যেই ওসি বাহিনী সেখানে পৌঁছাতে সক্ষম হন। কারণ, টেকনাফ থানা থেকে শামলাপুর চেকপোস্ট পর্যন্ত যেতে প্রাইভেটকারে ৪০/৪৫ মিনিট সময় লাগে। কিন্তু তিনি মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরের বড়ডিল এলাকায় থাকায় ১৫/১৬ মিনিটেই চেকপোস্টে পৌঁছেই মেজর সিনহার লুটিয়ে পড়া দেহখানাকে পা দিয়ে চেপে ধরে নিজের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে পর পর দুটি গুলি বর্ষণ করে লাথি মেরে নিথর দেহখানাকে রাস্তার ধারে ফেলে দেন।<br><br>ত্রিমুখী হত্যা মিশনের ব্যাখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একদিকে মারিসঘোণা গ্রামে ওসি প্রদীপের নিজস্ব এজেন্টদের দ্বারা ডাকাত ডাকাত চিৎকার জুড়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু সেখান থেকে জীবন বাঁচিয়ে মেজর সিনহা যদি টেকনাফের দিকে রওনা হতেন তাহলে তিন কিলোমিটার সামনে বড়ডিলে পৌঁছেই তিনি ওসি বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে বেঘোরে জীবন হারাতেন। অন্যদিকে মেজর তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে হিমছড়ি রিসোর্টের দিকে রওনা দিলেও শামলাপুরে তার জীবন কেড়ে নিতে এসআই লিয়াকতের টিমকেও পূর্ণ প্রস্তুতিতে রাখা হয়। আসলে কোনো বিকল্প উপায় অবলম্বন করেই মেজর সিনহা যাতে প্রাণ নিয়ে ফিরতে না পারেন তা ১০০ ভাগ নিশ্চিত করেই পাকা পরিকল্পনা আঁটেন এসপি মাসুদ। ওসি প্রদীপের নেতৃত্বে তা বাস্তবায়িত হয়েছে অব্যর্থভাবেই।”<br><br>ইলিয়াস কোবরার বাড়ি মেরিন ড্রাইভের পাশে বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালীপাড়ায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিজ ওয়ার্ডের মাদক প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইলিয়াস কোবরা ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতের সঙ্গে আতাত করে মানুষকে হয়রানি করেন।<br>এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইলিয়াস কোবরা তাকে একটি স্পর্শকাতর মামলায় ফাঁসানোর অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি জানতামই না যে মেজর সিনহা নামে কেউ আছে। আমি জীবনে স্বপ্নেও তাকে দেখিনি। কেন জানি না এক সাংবাদিক এমন বড় একটি ঘটনার সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে কাল্পনিক কথা লিখছে। আমি নিজেই মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করি। মসজিদ কমিটিতেও আছি। এসব কারণে এলাকার কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে আছে।’<br><br>প্রশ্নের জবাবে ইলিয়াস কোবরা আরো বলেন, ‘লিয়াকতের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। তার বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রটির মধ্যেই আমাদের এলাকা। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। সাবেক মেজরের মৃত্যুর দিনও তার সঙ্গে কথা হয়েছে। আমার নামেই এখানে একটা বাজার আছে। সেখানে কমিটির অফিসে বসে ছিলাম। মোহাম্মদ নামে একজন সদস্য বলেন, একটি বস্তা পাওয়া গেছে। তখন লিয়াকত সাহেবকে ফোন করলে এসে নিয়ে যান। টেকনাফ থানার এসআই হাসান আমাদের সেই সদস্যকে নিয়ে গেছেন। তখন আমি তাকে বললাম, যিনি দেখে জানিয়েছে, তাকেই যদি নিয়ে যান তাহলে খবর দেবে কে? পরে দুবার ফোন দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করি। তারা ছেলেটিকে ৫৪-এ চালান দেয়। সে গতকাল শনিবার জামিনে ছাড়া পেয়েছে।’<br><br>স্থানীয়রা বলছে, মিয়ানমারের রাখাইনের আদি নিবাস থেকে বাহারছড়ায় আসার পর বাংলা চলচ্চিত্রে খল অভিনেতা হিসেবে নাম করেন ইলিয়াস কোবরা। বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলেও টেকনাফ এলাকায় রাজনীতিসহ নানা কাজে দাপুটে ভূমিকা ছিল তার। মাঝে এলাকায় দেখা না গেলেও গত পাঁচ বছর ধরে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। প্রদীপ কুমার টেকনাফ থানার ওসি হিসেবে যোগ দেওয়ার পরই ইলিয়াস কোবরা বাহারছড়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি মনোনীত হন। মেরিন ড্রাইভের পাশে নোয়াখালীপাড়ার পৈতৃক বসতিতে ‘ইলিয়াস কোবরা বাজার’ নামে একটি বাজারও চালু করেন। উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া নিজের নামে এ রকম বাজার বসানোর কারণে আদালতে মামলাও চলছে।<br><br>অভিযোগ রয়েছে, ইলিয়াস কোবরা মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি হলেও তার পরিবারের অনেক স্বজন ইয়াবা কারবারে জড়িত। এমনকি নিজের ভাই রফিক কোবরা রাজধানী ঢাকা ও টেকনাফ থানার ইয়াবা মামলার আসামি। আরেক ভাই শামশু কোবরার দুই ছেলেও ঢাকা এবং চট্টগ্রামের ইয়াবা মামলার আসামি। তাঁরা সবাই ইয়াবা মামলায় জেলে আটক ছিলেন। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব বিষয় এসেছে, তা আমাদেরও নজরে এসেছে। তা ছাড়া মিডিয়াতে যেগুলো আসছে সবই আমলে নিয়ে তদন্ত করছি। এগুলো খতিয়ে দেখা হবে।’<br><br><div>তিনি আরো বলেন, চার আসামিকে গতকাল জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সাবেক ওসি প্রদীপ কুমারসহ দুই আসামিকে আজ সোমবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে। আরেক আসামিকে পরে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। <br></div><div><span style="font-weight: bold;">"সূত্র পূর্বপশ্চিম"</span><br></div></body></HTML> 2020-08-10 10:50:24 1970-01-01 00:00:00 চুরি গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১টি কম্পিউটার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96699 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597034759_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1597034759_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় লকডাউনের মধ্যে বাড়তে থাকে চুরির ঘটনা। আর এবার এই চুরির ঘটনা ঘটেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি)। বিশ্ববিদ্যালয়টির একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরি থেকে ৯১টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে বলে এর রেজিস্ট্রার সূত্রে জানা গেছে। রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ চুরির ঘটনা উল্লেখ করে জানান, ‘ছুটি শেষে আজ (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ অবগত হয়। এ সময় দেখা যায় লাইব্রেরির পেছনের দিকের জানালা ভেঙে কম্পিউটারগুলো চুরি হয়েছে। লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মোট ৯১টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে।<br><br>এ সময় তিনি আরও জানান, চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয় বশেমুরবিপ্রবির সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চুরির বিষয়ে জানার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। সিসিটিভিতে ২৭ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এ সময়ে কোনো চুরির ঘটনা ঘটেনি। আর এর আগে ২০ তারিখ উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) লাইব্রেরি পরিদর্শন করেছিলেন। তখনও সকল কম্পিউটার যথাস্থানে ছিল। তাই আমরা ধারণা করছি ২০ থেকে ২৭ তারিখের মধ্যবর্তী সময়ে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে।<br><br>এ সময় তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন গার্ডের মধ্যে ২০ জন ২৩ তারিখ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়েই অনুপস্থিত ছিলেন। তাই নিরাপত্তাজনিত কিছুটা সমস্যা ছিল। তবে আমরা চেষ্টা করেছি অবশিষ্ট গার্ড ও আনসারদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।<br>প্রসঙ্গত, এর আগে আরও দু’বার বশেমুরবিপ্রবিতে চুরির ঘটনা ঘটে। এর মাঝে একটি ঘটনায় মামলা হলেও কোনো আসামিকে শনাক্ত করা যায়নি। </body></HTML> 2020-08-10 10:44:24 1970-01-01 00:00:00 বিপাকে ঢাকার ৫০ হাজার ইন্টারনেট গ্রাহক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96698 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984541_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984541_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত গত কয়েক দিন ধরে বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইন্টারনেট ও টেলিভিশনের স্যাটেলাইট সংযোগের তার অপসারণ করছে। এতে ওইসব এলাকার অন্তত ৫০ হাজার মানুষ ইন্টারনেট এবং স্যাটেলাইট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে বলে জানা গেছে। এ পর্যন্ত প্রায় চার কোটি টাকার তার কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাদাতারা। করোনাভাইরাসের এই সময়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন তারা, যারা অনলাইনে কাজ করছেন।<br><br>গুলিস্তানের বাসিন্দা শাহিন আহমেদ লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে বাসা থেকেই অফিসের কাজ করে আসছেন। অফিসের বিভিন্ন কাজের জন্য তার নিরবিচ্ছিন্ন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হলেও দুইদিন ধরে সংযোগ না থাকায় তার সব কাজ চালাতে হচ্ছে মোবাইল ডাটার মাধ্যমে। যা বেশ ব্যয়বহুল। আবার তার দুটি সন্তানের অনলাইন স্কুলও বন্ধ হয়ে আছে, শুধু ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে। ঢাকার বেশিরভাগ রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুঁটির ওপরে কেবল টিভি, ইন্টারনেট সার্ভিস, টেলিফোনের তারের জঞ্জাল দেখা যায়।<br><br>উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ পরিবাহী এই তারের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সেবা সংস্থার বিপুল পরিমাণ তার ঝুলে থাকে। এসব তার হেলে পড়ে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে সিটি করপোরেশন। তাই ঝুঁকি এড়াতে এবং সেই সঙ্গে নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর লক্ষ্যে গত বুধবার থেকে আজ পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুটি ইউনিট তাদের আওতাভুক্ত কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ঝুলে থাকা কেবল টিভি এবং ইন্টারনেটের তার অপসারণের কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।<br><br>এ পর্যন্ত তারা ধানমন্ডি, জিগাতলা, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া এবং হাজারীবাগ এলাকায় এসব অবৈধ তারের উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। হাজারীবাগে অভিযান চালাতে গিয়ে সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘আইন অনুযায়ী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মেয়রের নির্দেশে অবৈধ কেবল সংযোগের সরানোর কাজ চলছে। এসব তার শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে, মানুষের চলাফেরাতেও সমস্যা হচ্ছে। আমরা চাই এসব সংযোগে একটি শৃঙ্খলা আসুক। এজন্য সামনের দিনগুলোতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।’<br><br>কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ২৫ নম্বর ধারায় বলা আছে, কোন সার্ভিস প্রোভাইডারদের যদি সংযোগ স্থানান্তরের জন্য সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত স্থাপনা ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের থেকে লিখিত অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া কেবল সংযোগের কাজে তারা কারও স্থাপনা ব্যবহার করা যাবে না। আইনের উপ-ধারা ২৮ (২) অনুসারে, যদি কোনও ব্যক্তি এই আইন লঙ্ঘন করে তাহলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া অপরাধ পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান আছে।<br><br>কিন্তু কোনো অবকাঠামো তৈরি না করে বা বিকল্প ব্যবস্থা না করেই দেদারছে সব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নিন্দা জানিয়েছেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা। উন্নত বিশ্বে বিদ্যুৎ সংযোগের মতো ইন্টারনেট বা স্যাটেলাইট সংযোগও রাস্তার নিচে লাইন টেনে বাড়িতে বা অফিসে সরবরাহ করা হয়। এজন্য তাদের কোনো তার বাইরে থেকে দৃশ্যমান থাকে না। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এমন কোনো পরিপূর্ণ অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মাটির নিচে এই নেটওয়ার্কিংয়ের ব্যবস্থা করলেও সেটার পরিধি সীমিত।<br><br>মূলত এটি একটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা। সেটা ব্যবহার করলেও বাড়ি বাড়ি ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়ার সময় ওই বিদ্যুতের খুঁটির ওপর দিয়েই তার টানতে হয়। কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কোয়াবের প্রতিষ্ঠাতা এস এম আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘আন্ডারগ্রাউন্ড লাইন কিছুদূর গিয়ে এই বিদ্যুতের খুঁটির সামনে শেষ হচ্ছে। সেখান থেকে বাড়ি বাড়ি সংযোগ দেয়ার জন্য তারগুলো ওপর দিয়েই টানতে হচ্ছে। আর কোনো উপায় নেই।’ এই সংযোগ মাটির দিয়ে টানার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করে দিতে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারা।<br><br>‘সরকার যদি আমাদের তার টানার জন্য মাটির নীচে ভায়াডাক্ট বা কমন একটা রাস্তা করে দেয় তাহলে আমরা সেটাই ব্যবহার করবো, যেটা মানুষের বাড়ি বাড়ি পর্যন্ত যাবে। প্রয়োজনে ভাড়াও দেব। বিল্ডিংগুলোতেও সেই সেবা যুক্ত করতে হবে। এখন কোন অবকাঠামো তৈরি না করে, যদি লাইন কেটে দেয়, আমরা তো রাস্তায় বসে যাব।’ বলেন পারভেজ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস গত মাসে করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে অবৈধ দৃষ্টিকটু ও ঝুঁকিপূর্ণ কেবল অপসারণ করতে অভিযান পরিচালনার কথা জানান। সেই ধারাবাহিকতায় এই অবৈধ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।<br><br>কিন্তু অবকাঠামো না থাকার বিষয়টি এবং গ্রাহকদের দুর্ভোগ বিবেচনায় পুনরায় সংযোগ স্বাভাবিক করার বিষয়ে শিগগিরই দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে একটি বৈঠক করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু। তারা লিখিতভাবে এই অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানালেও কোন ফল মেলেনি। তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ আগের চাইতে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এখন এই লাইন কেটে দিলে মানুষই দুর্ভোগে পড়বে। আমার মাটির নিচ দিয়েই তার টানবো। ভাড়াও দেব। কিন্তু সেই অবকাঠামো তো নেই। কোন বিকল্প না দিয়ে এভাবে তার কেটে দেয়া তো উচিত না।’<br><br>কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক পরিচালনার লাইসেন্স নিলেও সেটা পরিসরও সীমিত। এ ব্যাপারে আনু বলেন, ‘ঢাকাতে ১০ লাখ ভবন আছে। এখন এই ১০ লাখ ভবনের সামনে পর্যন্ত তার টানতে ১০ লাখ পয়েন্ট লাগবে। কিন্তু ওদের পয়েন্ট আছে ৫ হাজার। এখন এই পাঁচ হাজার পয়েন্ট থেকে লাখ লাখ বাসায় সংযোগ দিতে আমাকে মাটির ওপর দিয়েই তার টানতে হচ্ছে। ফ্যাসিলিটি না থাকলে আমাদের কী করার আছে। কোনো সম্ভাব্যতা যাচাই না করে এই অভিযানের আমি মানে দেখি না।’<br><br>এদিকে বাজারে ইন্টারনেট তারের স্বল্পতা থাকায় দাম অনেক বেড়ে গেছে। চীন থেকে আমদানির সুযোগও নেই। এমন অবস্থায় মেয়রের সঙ্গে বৈঠকে যদি নতুন করে সংযোগের অনুমতি মেলে, তাও সংযোগ দেয়া সম্ভব হবে কি না সেটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আনু। কোনো অবকাঠামো তৈরি না করেই করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারি করেছেন তারা। –বিবিসি বাংলা </body></HTML> 2020-08-09 20:48:13 1970-01-01 00:00:00 তিনদিনেও রিমান্ডে নেয়া যায়নি প্রদীপ-লিয়াকতকে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96697 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984358_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984358_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ তিন আসামির সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বাকি চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন বিচারক।<br>আদালতের নির্দেশনা মতে, চার আসামির জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হলেও মূল অভিযুক্ত তিনজনকে গত তিনদিনেও রিমান্ডে নেয়া যায়নি। তাদের কেন রিমান্ডে নেয়া যায়নি, সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চাননি তদন্তের দায়িত্বভার পাওয়া সংস্থার কেউ।<br><br>রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মামলার এক নম্বর আসামি বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলী, দুই নম্বর আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তিন নম্বর আসামি পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত। তাদের প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পাশাপাশি পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন বিচারক।<br><br>এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (০৮ আগস্ট) আদালতের আদেশের কপি কারাগারে এসে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন। তিনি বলেন, নথিপত্র আসার পর র‌্যাব সদস্যরা চার আসামিকে জেলগেটে শনিবার জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। রোববার দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু অপর তিন আসামিকে এখনও রিমান্ডের জন্য ডাকা হয়নি। তারা কারাগারেই রয়েছেন।<br>রিমান্ডের আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে বিলম্বের কারণ জানতে কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর ইনচার্জ আজিম আহমেদকে কল দেয়া হয়। কল রিসিভ না করায় তার মতামত জানা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে তিনি মতামত জানালে পরে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।<br><br>ফোনে তাকে না পেয়ে র‌্যাব-১৫ এর সেকেন্ড ইন কমান্ডার (টুআইসি) মেজর মেহেদী হাসানকে কল দেয়া হয়। রিং হওয়ার পর তিনি লাইন কেটে দেন। পরে সাংবাদিক পরিচয়ে বিষয়টি জানতে চেয়ে খুদেবার্তা দিলেও রিপ্লে দেননি তিনি। তাই আসামিদের রিমান্ড সম্পর্কে মামলার তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।<br><br>র‌্যাবের একটি সূত্র জানায়, তদন্ত কর্মকর্তা সুবিধামতো সময়ে আসামিদের রিমান্ডে নেবেন। স্পর্শকাতর মামলা বিধায় সবকিছু গুছিয়ে তারপরই আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে হয়তো। আবার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু অডিও ক্লিপ ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে। উঠে এসেছে নানা তথ্য। সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা। সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য বের করা হবে। এজন্য আসামিদের রিমান্ডে নিতে বিলম্ব হচ্ছে।<br><br>গত বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিনের আদালতে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন র‌্যাব-১৫ এর সেকেন্ড ইন কমান্ডার (টুআইসি) মেজর মেহেদী হাসান। শুনানি শেষে ১, ২ ও ৩ নম্বর আসামির সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর ও মামলার অন্য চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন বিচারক। একই সঙ্গে আত্মসমর্পণ না করা পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ফরিদুল আলম বলেন, গ্রেফতারের পর আদালতে আনা হলে জামিনের আবেদন করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত আসামি। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কক্সবাজার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।<br>শুক্রবার (৭ আগস্ট) মামলার আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।<br><br>বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম থেকে ওসি প্রদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম থেকে তাকে বিকেল ৫টার দিকে কক্সবাজার আদালতে পৌঁছায় পুলিশ। তাকে আনার আগেই বিকেল পৌনে ৪টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকতসহ মামলার ছয় আসামিকে আদালতে নেয়া হয়। আসামিদের আদালতে হাজির করার আগে পুরো এলাকায় নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা। সাংবাদিকদের পাশাপাশি আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় করেন বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা।<br><br>জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব-১৫ এর সেকেন্ড ইন কমান্ডার (টুআইসি) মেজর মেহেদী হাসান আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে মামলার প্রধান আসামি লিয়াকত আলী, দ্বিতীয় আসামি ওসি প্রদীপ ও তৃতীয় আসামি এসআই নন্দলাল রক্ষিতের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বাকি চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর, কামাল, মামুন এবং এএসআই লিটন মিয়াকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন বিচারক। রাত সাড়ে ৮টায় আসামিদের কারাগারে নেয়া হয়।<br><br>এর আগের দিন বুধবার রাত ১০টায় টেকনাফ থানায় আদালতের নির্দেশে মেজর সিনহার বড় বোনের করা হত্যা মামলাটি নথিভুক্ত হয়। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ টেকনাফের বিচারক তামান্না ফারহার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন সিনহার বোন শারমিন। পরে আদালত ৩০২/২০১ ও ৩৪ ধারায় করা ফৌজদারি আবেদন টেকনাফ থানাকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। এছাড়া বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলার তদন্তভার কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ককে দিতে সুপারিশ করা হয়। মামলায় পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপসহ নয় পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়।<br><br>শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। একইভাবে তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ১৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।<br><br>ঘটনা তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে বুধবার কক্সবাজারের আদালতে মামলা করেন তার বোন শারমিন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, ওসি প্রদীপের ফোনে পাওয়া নির্দেশে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই লিয়াকত আলী গুলি করেছিলেন সিনহাকে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় ‘ইচ্ছাকৃত নরহত্যা’, ২০১ ধারায় আলামত নষ্ট ও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি এবং ৩৪ ধারায় পরস্পর ‘সাধারণ অভিপ্রায়ে’ অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে ৩০২ ধারার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ঘটনার সময় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে (২১) মামলার প্রধান সাক্ষী করা হয়েছে। এছাড়া আটজন স্থানীয় বাসিন্দা এবং আইয়ুব আলী নামে একজন সার্জেন্টকে সাক্ষী করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-08-09 20:44:22 1970-01-01 00:00:00 ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৪২ প্রাণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96696 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984308_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984308_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক:<br>এবারের ঈদুল আজহায় সীমিত আকারে পরিবহন চলাচল করলেও কমেনি সড়ক দুর্ঘটনা। দেশের সড়ক-মহাসড়কে সংঘটিত ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত হন। আহত হন ৩৩১ জন।<br>সড়কের সঙ্গে রেল ও নৌ-পথ মিলে ২৩৮টি দুর্ঘটনায় ৩১৭ জন নিহত এবং ৩৭০ জন আহত হন। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে নগরীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য উপস্থাপন করা হয়।<br>সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন- ২০২০’ প্রকাশকালে এ তথ্য তুলে ধরেন।<br>সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল প্রতি বছরের মতো এবারও প্রতিবেদন তৈরি করে। এতে বলা হয়, প্রতি বছর ঈদকেন্দ্রিক সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় সংগঠনটি ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং যাত্রী হয়রানির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করে আসছে।<br>করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর গণপরিবহন সীমিত আকারে চালু থাকায় ঈদযাত্রায় ব্যক্তিগত পরিবহন ও ছোট যানবাহনে যাতায়াত বেড়েছে। এ কারণে ব্যক্তিগত পরিবহনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে। বিগত ২৬ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৩ দিনে ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত এবং ৩৩১ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে রেলপথে চারটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে নৌ-পথে ৩৩টি ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনায় ৭৪ জন নিহত এবং ৩৯ জন আহত হয়েছেন। ১৭ জন নিখোঁজের খবরও পাওয়া গেছে। এবারের ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয় ৪ আগস্ট। এদিনে ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হন ৩২ জন।<br>সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয় ৮ আগস্ট। এদিনে আটটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় আহতের ঘটনা ঘটে গত ৩১ জুলাই। এদিনে ৫৫ জন আহত হন।<br>এ সময়ে ৮৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১০৬ জন নিহত এবং ৬৫ জন আহত হন। এ বছর মোট সংঘটিত ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনার মধ্যে ৮৮টি ঘটেছে মোটরসাইকেলের সঙ্গে অন্যান্য যানবাহনের সংঘর্ষে, যা মোট দুর্ঘটনার ৪৩.৭৮ শতাংশ। মোট নিহতের ৪৩.০৮ শতাংশ এবং মোট আহতের ১৯.৬৩ শতাংশ।<br>অন্যদিকে গাড়িচাপা দেয়ার ঘটনা ৫২.২৩ শতাংশ ঘটেছে। আগামী ঈদে এ দুটি ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলে সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ৯৬.০১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। উল্লিখিত সময়ে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ১০২ জন চালক, ৬৩ জন পথচারী, ৩৮ জন নারী, ৩০ জন শিশু, ১৩ জন পরিবহন শ্রমিক, ১১ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সাতজন শিক্ষক, সাতজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দুজন সাংবাদিক, এবং একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে।<br>এর মধ্যে নিহত হয়েছেন দুজন পুলিশ সদস্য, একজন সেনাবাহিনীর সদস্য, একজন বিমানবাহিনীর সদস্য, একজন সিআইডির সদস্য, ৮৫ জন চালক, ৫০ জন পথচারী, ৩২ জন নারী, ২৪ জন শিশু, আটজন শিক্ষার্থী, ছয়জন শিক্ষক, নয়জন পরিবহন শ্রমিক, একজন প্রকৌশলী, চারজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।<br>সংঘটিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের মধ্যে ৩২.৫৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৯.৩৫ শতাংশ বাস, ১৯.৩৫ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-লরি, ১০ শতাংশ ব্যাটারিরিকশা, ইজিবাইক, ভ্যান, সাইকেল, ৮.০৬ শতাংশ অটোরিকশা, ৭.৭৪ শতাংশ কার-মাইক্রো-জিপ এবং ২.৯০ শতাংশ নছিমন-করিমন-ট্রাক্টর-লেগুনা-মাহিন্দ্রা দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।<br>দুর্ঘটনার মধ্যে ২৪.৩৭ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫২.২৩ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেয়ার ঘটনা, ১৫.৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায় এবং ৭.৪৬ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে।<br>দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩২.৩৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৯.২৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৩.৪৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। মোট দুর্ঘটনার ৩.৯৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৯৯ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে হয়েছে। উল্লিখিত সময়ে সড়কপথে সিলেটের ওসমানীনগরে বাস-কার সংঘর্ষে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যসহ ছয়জন নিহত হন। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাস মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত ও একজন আহত হন।<br>রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডির এএসআই নিহত ও এক কনস্টেবল আহত হন। মেহেরপুরের গাংনীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে এটিএন নিউজের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী ম্যানেজারসহ আরও একজন নিহত এবং একজন আহত হন। ঠাকুরগাঁওয়ের ২৯ মাইল এলাকায় বাস অটোরিকশাকে চাপা দিলে ১০২ বছরের এক বৃদ্ধা নিহত ও চারজন আহত হন।<br>ঈদযাত্রার শেষের দিনে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় মাইক্রোবাসের চাপায় এক পর্বতারোহী নারী নিহত হন।<br>এছাড়া নৌ-পথে টাঙ্গাইলের বাসাইলে নৌকাডুবির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন। নেত্রকোনার মদনে ট্রলারডুবিতে একই পরিবারের আটজনসহ ১৮ মাদরাসার ছাত্র নিহত হন।<br>বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, মাত্র ১৫ থেকে ২০ শতাংশ যাত্রীর যাতায়াত হলেও সেই তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের মতো ছোট দেশের সীমিত রাস্তায় ছোট যানবাহনের আমদানি জরুরিভিত্তিতে বন্ধ করে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।<br>ব্যক্তিগত যানবাহনের চালকদের প্রশিক্ষণ, নিয়ন্ত্রয়ক সংস্থা বিআরটিএসহ ট্রাফিক বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহনকে বিকশিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনাকেও মহামারির মতো গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।<br>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, এডিটরস ফোরামের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের চেয়ারম্যান নুর নবী শিমু, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক, জিয়া প্রমুখ।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমেছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96695 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984248_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984248_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুহার এবং শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।<br>রোববার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সংবাদকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।<br>স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে মৃত্যুহার ও রোগী কমেছে। বাসায় বসে রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছেন। করোনাভাইরাস টেস্ট কিটের অভাব নেই। বন্যার কারণে ও বাসায় বসে চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে রোগী কমছে।<br>মুমূর্ষু রোগী ছাড়া কেউ হাসপাতালে আসছেন না বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 সাবমেরিন কেবল সমস্যায় দেশের ইন্টারনেটে ধীরগতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96694 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984209_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984209_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের জটিলতায় ইন্টারনেটের ধীরগতির সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।<br>রোববার দুপুর থেকেই ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে সমস্যায় পড়েছেন বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)।<br>বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, পটুয়াখালীতে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে। আজকের মধ্যে সমাধান হবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, দেশে যে ব্যান্ডইউথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়। ওই লাইন বন্ধ থাকায় সারা দেশে গ্রাহকরা ধীরগতির সমস্যায় পড়েছেন।<br>আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, রোববার দুপুর থেকে সমস্যা শুরু হয়। আইএসপিগুলো যে পরিমাণ ব্যান্ডইউডথ সরবরাহ করে, এখন তার অর্ধেক দিতে পারছে। তাই ব্রডব্যান্ড সংযোগে গ্রাহকদের গতি নিয়ে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।<br>তথ্যপ্রযুক্তি ও আইআইজি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে পাওয়ার সাপ্লাই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণেই ইন্টারনেটের গতি ধীর।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে ৭ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96693 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984185_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984185_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীতে ৭ হাজার ২শ ইয়াবা ট্যবলেটসহ মা ও ছেলেকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপুল থেকে ইয়াবাসহ শাহেদা আক্তার ওরফে খুশু বেগম (৫০) ও তার ছেলে আজগর আলীকে (২৭) আটক করে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) এ এন এম নুরুজ্জামান, গোপন সংবাদ পেয়ে মহাসড়কের লালপুলে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। অভিযানে লালপুল ফুটওভার ব্রীজের নিচে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে শাহেদা আক্তার ও তার ছেলে আজগর আলীকে আটক করে তল্লাশী চালানো হয়। তল্লাশীতে তাদের কাছে ৭ হাজার ২শ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা যায়। <br>আটককৃত শাহেদা আক্তার ও তার ছেলে আজগরের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির মালিখিলে। শাহেদা আক্তারের স্বামী ও আজগরের বাবা আবদুল মতিন। তার বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলার ডাবলমুডিং থানার মনসুরাবাদের মিয়াবাড়ি রোডের বলখেলার মাঠের সামনে বকুল মিয়ার ভাড়াবাসা থাকে। ওসি এ এন এম নুরুজ্জামান আরো জানান, আটককৃতরা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার ও বিক্রি করে আসছে বলে and nbsp; জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আসামীদের ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। <br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধী বাঁচতে পারবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96692 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984160_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984160_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>অপরাধ করার পর রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে কেউ বাঁচতে পারবে না বলে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় কোনো অপরাধীর আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না। ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা প্রমাণ করেছেন।<br>রবিবার গোপালগঞ্জ সড়ক জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন।<br>জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত নিজ সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন তিনি।<br>ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকার জনগণের মনের ভাষা বোঝেন বলেই যে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর এবং তা এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।<br>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুর্নীতি নিয়ে নেতিবাচক কথার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ নানাভাবে কথা বলেন। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান, স্বাস্থ্যখাতে জেকেজি, রিজেন্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান চালানোর আগে সরকারকে কেউ বলে দেয়নি। শেখ হাসিনা সরকার নিজেই এ সকল অনিয়ম উদঘাটন করেছেন, কোনো ধরনের ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেনি।<br>বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যার সরকারের সমালোচনা করছেন তাদের আমলে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন? দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়াই তাদের সফলতা।<br>শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচারে সোচ্চার থেকেছে। অপরাধীকে দলীয় পরিচয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি, অপরাধী যে দলেরই হোক বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী আর নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96691 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984161_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984161_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। রোববার (৯ আগস্ট) তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আলাউদ্দিন আলীর ছেলে শওকত আলী রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই নানা রোগে আক্রান্ত দেশের বরেণ্য গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী দেশ-বিদেশে কয়েক দফা চিকিৎসার পর খানিকটা সুস্থ হয়ে কয়েক মাস ধরে বাড়িতেই ছিলেন। শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর পৌনে ৫টায় হঠাৎ করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।<br><br>পরে তাকে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখে লাইফ সাপোর্টে রাখার পরামর্শ দেন। চিকিৎসক বলেছিলেন, ২৪ ঘণ্টা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ আলাউদ্দিন আলীর জন্য। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে রোববার বিকেলে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। </body></HTML> 2020-08-09 20:42:20 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৩৪ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪৮৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96690 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984125_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984125_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রামক করোনাভাইরাসে নতুন ২ হাজার ৪৮৭ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জনে। এছাড়া, গত একদিনে করোনায় মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। এ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৩৯৯ জন প্রাণ হারালেন। আর এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৬ জন।<br>রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।<br>তিনি জানান, ৮৫টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১১ হাজার ১৪টি। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজার ৭৫৯টি। এতে ২ হাজার ৪৮৭ জন শনাক্ত হন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জনে।<br>করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের পরই এখন বাংলাদেশ। উৎসস্থল চীনকে ছাড়িয়েছে এ তিনটি দেশই। বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ফ্রান্স ও কানাডাকে পেছনে ফেলে ১৫তম। ইতোমধ্যে সংক্রমণে ইতালিকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। আর এশিয়ার ৪৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তুরস্ককে পেছনে ফেলে ৫ম। এর আগে রয়েছে ভারত, ইরান, পাকিস্তান ও সৌদি আরব। দেশে ১২ লাখ ৬০ হাজার ৩১৯ জনের করোনা পরীক্ষা করে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জন।<br>দেশে করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে।<br>ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৬৬ জন। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭০ জন মানুষ সুস্থ হলেন।<br>নাসিমা আরও জানান, এ সময়ের মধ্যে ৩৪ জন মারা গেছেন। এর আগে ৩০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৩৯৯ জন মানুষ করোনায় প্রাণ হারালেন। ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬৮৬ জন পুরুষ ও ৭১৩ জন নারী করোনায় মারা গেছেন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩২ শতাংশ।<br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও জিংক-ভিটামিন সি জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।<br>করোনা মোকাবিলায় তরল খাবার, কুসুম গরম পানি ও আদা চা পান করতে হবে। সম্ভব হলে মৌসুমী ফল খাওয়া ও ফুসফুসের ব্যায়াম করা। এ সময় ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। কারণ, এটি ফুসফুসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।<br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের করোনা আক্রান্ত মায়ের দুধপানে শিশুর করোনা আক্রান্ত হওয়ার কোনো তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পায়নি। অর্থাৎ, শিশুকে দুধপান করানো যাবে। তবে, এই সময়ে গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখার প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়।<br>চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার।<br>ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলে ৩০ মে পর্যন্ত। ৩১ মে থেকে সাধারণ ছুটি নেই। এখন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ভিত্তিক লকডাউন দেয়া হয়। তাই অফিস আদালতে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় সরঞ্জামাদি রাখা ও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন চলাচল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96689 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984092_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984092_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস সীমিত আকারে চলার পর আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০০টি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরপর লোকাল ও মেইল ট্রেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।<br>রবিবার দুপুরে রাজধানীর রেলভবনে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম রেলের মহাপরিচালক শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল আলম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। বর্তমানে ৩৪টি আন্তঃনগর ট্রেন (আপ এবং ডাউন) চালু আছে। আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০০টি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হবে।<br>১৬ আগস্ট থেকে কোন কোন আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হবে, এর একটি তালিকা করার জন্য রেলের পরিচালন (অপারেশন) বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ট্রেন চলাচল বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে কড়াকড়ি অব্যাহত থাকবে। ট্রেনের অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখেই টিকিট বিক্রি করা হবে।<br>মহামারি করোনার বিস্তার রোধে দুই মাসের বেশি সময় দেশে সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে আট জোড়া এবং ৩ জুন আরও ১১ জোড়া ট্রেন চালু হয়। এর ১৭ দিনের মাথায় যাত্রী সংকটে দুটি রুটের ট্রেন সাময়িক স্থগিত করে রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ১৭ জোড়া ট্রেন অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলাচল করছে।<br><br><br><br><br> and nbsp; and nbsp; and nbsp;<br><br><br><br> and nbsp;</body></HTML> 2020-08-10 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 ঈদযাত্রায় সড়কে প্রাণ ঝরল ২৪২ জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96688 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984062_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984062_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">এবারের ঈদযাত্রায় করোনাভাইরাসের কারণে সীমিত আকারে পরিবহন চলাচলের মধ্যে দেশে ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত ও ৩৩১ জন আহত হয়েছে। এছাড়া সড়ক, রেল ও নৌপথে এবারের ঈদে মোট ২৩৮ টি দুর্ঘটনায় ৩১৭ জন নিহত ও ৩৭০ জন আহত হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির ‘ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন ২০২০’ -এ এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর ঈদকেন্দ্রিক সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় সংগঠনটি ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করে আসছে। ২৬ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৩ দিনে ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত ও ৩৩১ জন আহত হয়েছেন।<div><br></div><div> উল্লিখিত সময়ে রেলপথে চারটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। একই সময়ে নৌপথে ৩৩টি ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনায় ৭৪ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত এবং ১৭ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর গণপরিহন সীমিত আকারে চালু থাকায় ঈদযাত্রায় ব্যক্তিগত পরিবহন ও ছোট যানবাহনে যাতায়াত বেড়েছে। এ কারণেই ব্যক্তিগত পরিবহনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেড়েছে। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘মাত্র ১৫ থেকে ২০ শতাংশ যাত্রীর যাতায়াত হলেও সেই তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’</div><br>এবারের ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয় ৪ আগস্ট, এই দিনে ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ৮ আগস্ট, এই দিনে আটটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এই সময় একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৪ আগস্ট, এই দিনে ৩২ জন নিহত হন এবং একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন গত ৩১ জুলাই, এই দিনে ৫৫ জন আহত হন। উল্লিখিত সময়ে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ১০২ জন চালক, ৬৩ জন পথচারী, ৩৮ জন নারী, ৩০ জন শিশু, ১৩ জন পরিবহন শ্রমিক, ১১ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সাতজন শিক্ষক, সাতজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, দুজন সাংবাদিক, এবং একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন দুজন পুলিশ সদস্য, একজন সেনাবাহিনীর সদস্য, একজন বিমানবাহিনীর সদস্য, একজন সিআইডির সদস্য, ৮৫ জন চালক, ৫০ জন পথচারী, ৩২ জন নারী, ২৪ জন শিশু, আটজন শিক্ষার্থী, ছয়জন শিক্ষক, নয়জন পরিবহন শ্রমিক, একজন প্রকৌশলী, চারজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।<br><br>দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩২.৩৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৯.২৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৩.৪৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৯৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৯৯ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে সংঘটিত হয়েছে। </body></HTML> 2020-08-09 20:40:23 1970-01-01 00:00:00 ৩ গুলিতে ঝাঁজরা সিনহার শরীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96687 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984025_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984025_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন র‌্যাবের কাছে জমা দিয়েছে পুলিশ। রোববার কক্সবাজার সিভিল সার্জনের মাধ্যমে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার র‌্যাবের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– খুব কাছ থেকে সিনহাকে গুলি করা হয়। তাকে তিনটি গুলি করা হয়েছে। তিনটি গুলি তার দেহে প্রবেশ করে আবার বেরিয়ে গেছে। এ কারণে তার শরীরে গুলির চিহ্ন ৬টি পাওয়া গেছে। তিনটি গুলির একটি সিনহার বাম বুকে, একটি বাম হাতের বাহুতে অন্যটি বুকে।<br>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– সিনহার গলা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।<br>৭ জুলাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও শাহীন আবদুর রহমান ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদনটি সিভিল সার্জনের মাধ্যমে পুলিশ সুপার বরাবর পাঠান। আজ পুলিশ সুপার সেটি সিনহা হত্যার তদন্তকারী র‌্যাব কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে। গত ৩ জুলাই স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের তিন শিক্ষার্থীসহ ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভ্রমণ ভিডিও তৈরি করতে কক্সবাজারে যান সিনহা। ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। পরে গত বুধবার তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে মামলা করলে আদালত মামলাটি টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।<br>পাশাপাশি র‌্যাব ১৫-এর কমান্ডারকেও তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে এ মামলায় ওসি প্রদীপসহ সাত আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বর্তমানে সবাই কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছেন।<br>এদিকে সিনহা হত্যার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। প্রথমে টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিন মৌখিকভাবে টেকনাফ থানার সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদ্য সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br>বাকি চার আসামি এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে দুদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। পরে লিখিত আদেশে সবারই সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 এবার রাজাকারের তালিকা করার দায়িত্ব নিল সংসদীয় কমিটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96686 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984003_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596984003_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ একবার নাম প্রকাশ করার পর বিতর্ক ওঠায় এবার মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজাকার-আলবদরদের তালিকা করার দায়িত্ব নিয়েছে সংসদীয় কমিটি। এজন্য একটি উপ-কমিটি গঠন করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এই কমিটি তালিকার কাজে সমন্বয় করবে। রাজাকার-আলবদরদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার এবং উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড থেকে। রোববার (৯ আগস্ট) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির ১২তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখার সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মো. শাজাহান খান জাগো নিউজকে বলেন, এবার সংসদীয় কমিটি তালিকা তৈরি করবে। এ কাজে একটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আছেন তাদের আমরা কাজে লাগাবো। তথ্য নেয়া হবে যুদ্ধকালীন কমান্ডার এবং উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড থেকে। তিনি বলেন, ছয় সদস্যের ওই উপ-কমিটি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মধ্যে যারা সংসদ সদস্য আছেন তাদের কাজে লাগাবে।<br>সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের সরকারি চাকরি দেয়া হয় না। ভিয়েতনামে তিন প্রজন্ম পর্যন্ত চাকরি দেয়া হয় না। আমরা তো মন্ত্রী পর্যন্ত বানিয়েছি। এ বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানরা যেন সরকারি চাকরি না পায় সে বিষয়ে কিছু একটা করা দরকার। সেজন্য রাজাকারদের তালিকাটা দরকার। এই কাজটা এবার আমরা করব।<br>রাজাকারদের তালিকা তৈরিতে গঠিত উপ-কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন শাজাহান খান। অন্য সদস্যরা হলেন- সংসদীয় এ কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম), রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, এ বি তাজুল ইসলাম, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল এবং মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। <br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 করোনার টিকা পাবে বাংলাদেশও ডোজ ২৫৪ টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96685 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983975_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983975_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স—এ দুটির কোনো একটি সফল হলেই টিকার ডোজ পাবে বাংলাদেশ। বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে টিকার ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সুখবর দিয়েছে। গত শুক্রবার রাতে গ্যাভি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর টিকার ১০ কোটি ডোজ উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।<br>চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ‘কোভ্যাক্স অ্যাডভান্স মার্কেট কমিটমেন্ট (এএমসি)’ কাঠামোর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, and nbsp; প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার (প্রায় ২৫৪ টাকা)।<br>উল্লেখ্য, করোনার টিকা উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হলে ওই দেশ দুটির শুরুতেই টিকা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য ন্যায্যভাবে টিকা পাওয়ার কথা বললেও তা কার্যকরে এত দিন দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা ছিল না। গত শুক্রবার টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও টিকা পৌঁছার সুযোগ সৃষ্টি হলো।<br>গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রোগ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। করোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’<br>তিনি বলেন, ‘যদি ধনী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ মহামারিতে বিপর্যস্ত হতে থাকবে। এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধনী দেশ নয়, সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’<br>গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে। আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে এএমসির আওতায় থাকা ৯২টি (গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭ দেশসহ) দেশই তা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে মুক্তি নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96684 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983945_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983945_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ভারত প্রতিদিন সীমান্তে বাংলাদেশিদের মারলেও আমাদের কোনো আওয়াজ নেই। অথচ নেপাল এ বিষয়ে সংসদে আইন করে ভারতে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তাই ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নেই।<br>রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত ‘খরাকালে পোড়াও, বর্ষাকালে ভাসাও’ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভারতের এই নীতি প্রয়োগের প্রতিবাদে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।<br>ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিদিন ভারত সীমান্তে লোক মারছে, আমাদের কোনো আওয়াজ নেই। অথচ নেপাল এ বিষয়ে সংসদে আইন করে ভারতে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমাদের কোনো কোনা মন্ত্রী বলছেন ভারতে সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক। কিন্তু এ রক্ততো দুষিত রক্ত। দুষিত রক্ত দিয়ে কি হবে? পরিচ্ছন্ন রক্ত দরকার।’<br>ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নেই এমন দাবি করে তিনি বলেন, ‘দুষিত রক্ত থেকে আমাদের মুক্তি দরকার।’<br>অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকান্ডের বিষয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এটা কি ওসি প্রদীপের ঘটনা, নাকি এর সাথে ভারতীরা যুক্ত আছে। এটাকে পরিস্কারভাবে পরীক্ষা করা দরকার। এ জন্য পুলিশি তদন্ত দিয়ে হবে না। একটা স্বাধীন কমিশন গঠন করতে হবে। ১০ ভাগ পুলিশ আছে যারা প্রদীপের মতো, বাকিরা সজ্জন। এ ঘটনায় যদি কমিশন গঠন না হয় সেটা হবে দুর্ভাগ্যজনক।’<br>তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখে আছি। সম্প্রতি ঈদ গেলো। অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তীদেশে ২৫ কোটি মানুষ তাদের নিজের ধর্ম পালন করতে পারেনি। তারা গরুর মাংস খেতে পারলো না। অথচ হিন্দুরা চীরকাল নরেন্দ্র মোদীর পুর্বপুরুষরা গরুর মাংস খেতো। চোখ অন্ধ ভারত ২৫ কোটি মুসলমানকে ধর্ম পালন করতে দিচ্ছে না।’<br>জাফরুল্লাহ আরো বলেন, ‘একটা কাল্পনিক কাহিনিকে ভিত্তি করে তারা রাম মন্দীর প্রতিষ্ঠা করেছে। মহাভারত, রামায়ন দুটার মধ্যেই প্ররোচনা ও মিথ্যাচারের গল্পকাহিনী রয়েছে। তাদের গল্পকাহিনীর উপর ভিত্তি করেই ৫০০ বছরের পুরোনা বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে দিয়ে সেখানে আজগব্বী রাম মুন্দীর নির্মাণ করেছে ভারত। এটা জাতির একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। আমরা বাংলাদেশ এটা বিরুদ্ধে একটা কথাও বলিনি।’<br>তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় ছিলো মন্দির যেমন হবে তার চেয়েও বড় করে অযদ্ধা মসজিদ করতে হবে। মন্দির তৈরি হলেও মসজিদ তৈরির কোনো কিছুই নেই, এটাই হচ্ছে ভারত।’<br>প্রবীণ এ চিকিৎসক বলেন, ‘১৯৭১ সালে রমনার কালি মন্দীর পাকিস্তানিরা ভেঙ্গে দিয়েছিলো। শেখ সাহেব (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) এটাকে ঢাকার বাইরে নিয়ে বড় আকারে এ মন্দীর তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সংখ্যা লগুদের আপত্তিতে তা সরানো হয়নি। এটা ঢাকার নওয়াবদের দান করা জায়গা। মুসলমানদের এ সহনশীলতা থেকে ভারতে কিছুটা হলেও শিখা উচিত। কিন্তু তারা শিখবে না, তাদের শেখাতে হবে। শেখাতে হলে আজকে আমাদের আওয়াজ তুলতে হবে। আমাদের দুর্ভাগ্য আজকে আমরাদের সব রাজনৈতিক দলেরা শুধু সমাবেত হওয়ার কথা বলে কিন্তু প্রতিবাদে আমাদের উচিত ছিলো যে দিন রাম মন্দীর প্রতিষ্ঠা হলো সেদিন ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাও করা। ফেলানি রাস্তা করার কথা ছিলো, সেটাও আমরা করিনি। এইসব হচ্ছে আমাদের ব্যর্থতা।’<br>পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, সাপ্তাহিক জয়যাত্রার নির্বাহী সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, বিপ্লবি ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হক, বাসদ নেতা বজলুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ইয়াসির শাহের ঘূর্ণির পরও ওকস-বাটলারের কাছে হেরে গেলো পাকিস্তান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96683 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983925_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983925_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>জয়ের জন্য ২৭৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামার পর যেভাবে পাকিস্তানি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা, তাতে মনে হচ্ছিল এই টেস্টে জয় পাকিস্তানেরই। কিন্তু টেস্ট সত্যিই গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। এক সেশনে পাকিস্তানি বোলাররা ভালো করলেও পরের সেশনে প্রতিরোধ গড়ে দাঁড়ান জস বাটলার আর ক্রিস ওকস। বাটলার আর ওকসের ১৩৯ রানের এক অসাধারণ জুটি। এই জুটিতেই পাকিস্তানের পরাজয় নির্ধারিত হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানি স্পিনার ইয়াসির শাহ আবারও ঘূর্ণি ঝড় তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পুঁজির অভাবে সেই ঝড় কাজ দিলো না। ঠিকই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। একদিন হাতে রেখেই ৩ উইকেটে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট জিতে নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো স্বাগতিক ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ইয়াসির শাহ। কিন্তু বাটলারের ৭৫ এবং ক্রিস ওকসের অপরাজিত ৮৪ রানের ওপর ভর করে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে ইংলিশরা। বাটলার ৭৫ রান করে আউট হয়ে গেলেও ৮৪ রান করা ওকস ছিলেন অপরাজিত। দারুণ অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচ জয়ে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় সেরার পুরস্কারও উঠেছে ক্রিস ওকসের হাতে। প্রথম ইনিংসে ১৯ রান করেছিলেন তিনি। বল হতে ২+২ মোট ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ২৭৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামার পর একটা সময় ২ উইকেটেই ৯৬ রান তুলে ফেলেছিল ইংলিশরা। সেখান থেকে হঠাৎ ব্যাটিং ধস। ২১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছে জো রুটের দল। পড়ে গেছে হারের শঙ্কায়। রান তাড়ায় শুরুটা বেশ দেখেশুনে করেছিল ইংল্যান্ড। ১১ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে ২২ রান তুলেন ররি বার্নস আর ডম সিবলি। ১০ রান করা বার্নসকে এলবিডব্লিউ করে জুটিটি ভাঙেন মোহাম্মদ আব্বাস। এরপর জো রুট আর সিবলির ৬৪ রানের প্রতিরোধ গড়া জুটি। ৩৬ রানে সিবলিকে ফিরিয়ে ইংলিশদের ফের ধাক্কা দেন ইয়াসির শাহ। এরপর নাসিম শাহর দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে প্রথম স্লিপে ক্যাচ রুট (৪২)।<br>সেখান থেকে টপাটপ উইকেট তুলে নিয়েছেন পাকিস্তানি বোলাররা। ইয়াসির শাহর ঘূর্ণিতে বোকা বনে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন বেন স্টোকস (৯)। প্রথম ইনিংসে ইংলিশদের ভরসা দেয়া অলি পোপকে (৭) সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ফলে ১১৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ইংলিশরা। এরপরই জুটি বাধেন জস বাটলার এবং ক্রিস ওকস। ১১৭ রান থেকে এ দু’জন মিলে ইংল্যান্ডকে নিয়ে যান ২৫৬ রানে। এ সময় আউট হন জস বাটলার। স্টুয়ার্ট ব্রড আউট হন ৭ রান করে। ডোম বেজ কোনো রান না করলেও অপরাজিত থেকে ক্রিস ওকসকে জয়সূচক রান নিতে সহযোহগিতা করেন। ইয়াসির শাহের ৪ উইকেটের সঙ্গে নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ আব্বাস নেন ১টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসে শান মাসুদের ১৫৬ রানের ওপর ভর করে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৩২৬ রান।<br> and nbsp;জবাবে ইংল্যান্ড অলআউট হয়ে যায় ২১৯ রানে। ১০৭ রান এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ফলে মাত্র ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। যে কারণে ইংল্যান্ডের সামনে তাদের লিড দাঁড়ায় কেবল ২৭৬ রানের। চতুর্থ দিন বিকেলেই জয়ের কাজ সেরে নেয় ইংল্যান্ড।<br><br> </body></HTML> 2020-08-09 20:38:23 1970-01-01 00:00:00 বরগুনায় মানববন্ধনে লাঠিচার্জের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96682 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983915_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983915_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ। ফাইল ছবিবেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিফাতের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ। ফাইল ছবিপুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে গ্রেপ্তার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী চলচ্চিত্রকর্মী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে বরগুনার বামনা উপজেলায় আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে লাঠিপেটা ও ওসির হাতে পুলিশ সদস্যেক লাঞ্ছিতের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মোফিজুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত তিন সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা আজ রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।<br>কক্সবাজারে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার বামনায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সাহেদুল ইসলাম সিফাতের শিক্ষক, সহপাঠী, স্বজন ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন চলাকালে বামনা থানা–পুলিশের একটি দল প্রথমে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা ব্যানার-পোস্টার ছিনিয়ে নেয়। এরপর বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার মানববন্ধনে থাকা শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ শুরু করে ছত্রভঙ্গ করে দেন। এতে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন।<br>এ ঘটনার পর বামনা থানার পুলিশ দাবি করে, তাদের কাছ থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। মানববন্ধনের নামে রাস্তা অবরোধ করা হয়। সেখানে পুলিশ গিয়ে তাঁদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। কোনো লাঠিচার্জ করা হয়নি।<br>জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মফিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তদন্ত শুরু করলাম। আরও দু–এক দিন সময় লাগবে।’<br>গত ৩১ জুলাই রাতে মেজর (অব.) সিনহা ও সাহেদুল টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। সে সময় ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 শিপ্রার জামিন আজ সিফাতের শুনানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96681 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983886_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983886_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে থেকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজন শিপ্রা দেবনাথের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত।<br>রবিবার শিপ্রা দেবনাথের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি জানিয়েছেন, নারী হওয়ায় বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মামলার প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত শিপ্রাকে জামিন দিয়েছে আদালত। তবে, ওই ঘটনায় পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতের জামিন হয়নি। আগামীকাল সোমবার তার জামিন আবেদনের শুনানি হবে।<br>গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন শিপ্রা ও সিফাত। পরে তাদের মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় থানা পুলিশ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় অনেককে। তাদের মুক্তি দাবি করেন মিডিয়া ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা।<br>এদিকে সিনহার মৃত্যুর পর গত ৫ আগস্ট তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন। পাশাপাশি কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫ এর কমান্ডারকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরে ৬ আগস্ট বিকালে এই মামলায় ওসি প্রদীপসহ ৭ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বর্তমানে সবাই কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 অনুশীলনের জন্য লন্ডন নয়, দেশেই ফিরছেন সাকিব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96680 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983885_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983885_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥ </span><br><div>শরীরে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তকমা আাঁটা এক যুগ। খুব স্বাভাবিকভাবেই তিনি বাংলাদেশেরও সর্বকালের সেরা পারফরমার। ‘এভারবেস্ট অলরাউন্ডার।’ কিন্তু হায়! আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়ে এক বছর নিষিদ্ধ ‘বাংলাদেশের প্রাণ, সাকিব আল হাসান।’ ভক্ত-সমর্থকদের দীর্ঘঃশ্বাস আর বিনিদ্র রজনী কেটেছে কত! মনে হয় যেন, এই সেদিন। অথচ এরই মধ্যে কেটে গেল ১০টি মাস। আর মাত্র দুই মাস। এরপর শেষ হবে অপেক্ষার পালা। অক্টোবরের ২৯ তারিখ আইসিসি নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হচ্ছেন সাকিব আল হাসান। এ কারণে সাকিব ভক্তরা নড়েচড়ে বসেছেন। সবার জানা, মাঠের দুর্দান্ত পারফরমার সাকিব ব্যক্তি জীবনেও শতভাগ পেশাদার মানসিকতার। তিনি নিজেও জানেন, এ বছরের শেষ দিকে না হয় আগামী বছরের শুরুতে করোনার প্রকোপ কমে গেলে আবার ক্রিকেট নিয়মিতই মাঠে গড়াবে। <br></div><div><br></div><div>তাই নিজেকে শারীরিক ও মনসিকভাবে তৈরি করে রাখার চিন্তাটা আগেভাগেই করে রেখেছেন। সে কারণেই তার চিন্তা ছিল ইংল্যান্ডে গিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ফিটনেস ট্রেনিং করার। মাঝে শোনা গেল, সাকিব লন্ডনে গিয়ে কিছুদিন ফিজিক্যাল ট্রেনিং করবেন। and nbsp; প্রচার মাধ্যমে সে খবর প্রকাশিতও হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এখন সাকিব এখন যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান করছেন। সঙ্গে স্ত্রী শিশির ও দুই কন্যা সন্তান। গত মাসের মাঝামাঝি শোনা গেল, সাকিব মাঠে ফেরার আগে ফিটনেস ট্রেনিংটা ক্রিকেটের জন্মভুমি ইংল্যান্ডেই সেরে নিতে চান। এরপর দেশে ফিরে বিকেএসপিতে নিবিড় অনুশীলনে কাটাবেন। শেষ খবর, সাকিব সম্ভবত আর লন্ডন যাচ্ছেন না। দেশে যাদের সঙ্গে তার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ, সেই গুরু-মেন্টর প্রিয় সালাউদ্দীন স্যার (কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীন) আর সেই শিক্ষা জীবনে বিকেএসপির শিক্ষক নাজমুল আবেদিন ফাহিমের (ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ ও কোচ) কাছে তেমনটাই জানিয়েছেন সাকিব।</div><br>তাদের দু'জনার কথায় একটি বার্তা পরিষ্কার, সাকিব আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই নিবিঢ় অনুশীলনে মনোযোগ দেবেন এবং সেটা আর লন্ডনে নয়। দেশের মাটিতে। শনিবার আলাপে নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানালেন, সাকিবের সাথে আমার যে সর্বশেষ আলাপ হয়েছে, সেখানে লন্ডন যাওয়ার কথা শুনিনি। তার লন্ডন গিয়ে ফিটনেস ট্রেনিং বা স্কিল ট্রেনিং করার কথা সে বলেনি। তবে এটা বলেছে, সে দেশে এসে বিকেএসপতে ট্রেনিং করতে চায়। এবং খুব সম্ভবত সাকিব এই আগস্ট মাসের শেষ দিকেই আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে আসছে।<br>প্রায় প্রতিদিন না হলেও এক-দুদিন পরই সাকিব যার সাথে কথা বলেন, সেই গুরু সালাউদ্দীনও প্রায় একই কথা জানিয়েছেন। সাকিবের অনুশীলন করা ও দেশে ফেরা নিয়ে আলাপে সালাউদ্দীনের কথা, 'আমার সাথে দু'দিন আগেও কথা হয়েছে। সেখানে সাকিব এমন কিছু বলেনি, যা শুনে মনে হয় সে লন্ডন যাবে। তবে এটা নিশ্চিত সাকিব সেপ্টেম্বর থেকে দেশেই অনুশীলন শুরু করবে এবং সম্ভবত বিকেএসপিতেই আবার মাঠে ফেরার কাজটা শুরু করতে চায়; কিন্তু সেটা কি এ আগস্ট মাসেই ফিরে, নাকি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তা নিয়ে এখনো কথা হয়নি।’<br><br> </body></HTML> 2020-08-09 20:37:22 1970-01-01 00:00:00 পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ সংবাদ সম্মেলন করবে বিএনপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96679 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983859_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983859_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক, <br>গত ৫বছরে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এছাড়া ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন নিয়েও উদ্বিগ্ন তারা। তাই ‘সমালোচিত’ এই দুই ইস্যুসহ করোনা মোকাবেলায় সরকারের অবস্থান নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের বক্তব্য তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করবে বিএনপি। শনিবার স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।<br>রবিবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির মহাসচিব জানান, শনিবার স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কয়েকটি বিষয়ে শোক প্রকাশ করা হয়।<br>বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সম্প্রতি কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত হওয়া এবং ৫ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং পুলিশ হেফাজতে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিশেষ করে পুলিশের গুলিতে যেভাবে হত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় এবং এ বিষয়েও বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।<br>সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুসহ দলীয় যেসব নেতাকর্মীরা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করে শোক জানায় বিএনপি। এছাড়া করোনায় যেসব চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতেও শোক প্রকাশ করে দলটি।<br>দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, জমির উদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অংশগ্রহণ করেন।<br><br> </body></HTML> 2020-08-10 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের নেপথ্যে সৌরভ : যুবরাজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96678 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983790_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983790_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>বরাবরই তিনি সৌরভ গাঙ্গুলির বড় ভক্ত। অতীতে বহুবার ‘দাদা’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন যুবরাজ সিং। দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক তথা বিসিসিআই সভাপতির প্রতি সেই নিষ্ঠা আজও অটুট রয়েছে যুবির। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সৌরভকে নেতা হিসেবে না পেলে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার এতদূর গড়াত না।<br>যুবরাজ সিংয়ের মতে, সৌরভ গাঙ্গুলিকে অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের ভাগ্য খুলে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে অগ্রগতির সেই ধারা বহন করেছেন মাহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বিরাট কোহলি। দেশের তিন অধিনায়কই দূরদর্শী বলে মনে করেন যুবরাজ। তবে নেতা হিসেবে বাকি দুই জনের থেকে সৌরভকে এগিয়ে রেখেছেন ২০১১-র বিশ্বকাপের নায়ক।<br>যুবির কথায়, ‘কঠিন মুহূর্তে সতীর্থদের মনে সাহস, বিশ্বাস ও ভরসা জোগানোর স্বতন্ত্র ক্ষমতা ছিল দাদার মধ্যে। বিদেশের মাটিতে প্রতিপক্ষের চোখে চোখ রেখে কীভাবে জয় হাসিল করতে হয়, সেটাও ভারতীয় ক্রিকেটকে শিখিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলিই। আগ্রাসনকে হাতিয়ার করে সে যেভাবে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছে, তার কোনও তুলনা হয় না।’ সেই সঙ্গে তিনি অকপটে স্বীকার করলেন, ‘সৌরভ না থাকলে আমি হয়তো এতদূর পৌঁছাতে পারতাম না। আমার প্রিয় অধিনায়ক সবসময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, প্রেরণা জুগিয়েছে।’ দেশের হয়ে ৩০৪টি ওয়ান ডে এবং ৫৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেও যুবরাজ টেস্ট খেলেছেন মাত্র ৪০টি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এমন এক সময়ের ক্রিকেটার, যখন টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট দলের মিডিল অর্ডারকে আলোকিত করেছেন রাহুল দ্রাবিড়, শচীন টেন্ডুলকার, ভিভিএস লক্ষণ এবং সৌরভ গাঙ্গুলির মতো কিংবদন্তি।<br> and nbsp;তাই এই দলে আমার জায়গা পাওয়া মুশকিল ছিল। তবে সৌরভ দাদা অবসর নেওয়ার পর আমার সামনে দরজা খুলে গিয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তখনই আমার ক্যান্সার ধরা পড়ল। অবশ্য এ নিয়ে আক্ষেপ করে লাভ নেই। দেশের জন্য যতটা করতে পেরেছি, তাতেই আমি খুশি। </body></HTML> 2020-08-09 20:36:10 1970-01-01 00:00:00 বাগদান করে চাহাল লিখলেন ‘হ্যাঁ বলে দিলাম’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96677 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983756_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983756_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>আইপিএলের আর মাত্র ৪০ দিন বাকি। এরই মধ্যে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। বিসিসিআইয়েরও চলছে আয়োজনের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে দিলেন ভারতীয় স্পিনার ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ধনশ্রী ভার্মার সঙ্গে বাগদান পর্ব সেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের জানান দিলেন, ‘হ্যাঁ বলে দিলাম।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় বাগদানের ছবি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় দলে চাহালের সতীর্থরা শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন তাকে। সঙ্গে ভক্তরাও চাহাল ও ধনশ্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি দারুণ অ্যাকটিভ। এ কারণে লকডাউনে ক্রিকেট থমকে গেলেও মাঠের বাইরে জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি চাহালের। নানা ধরনের মজার ভিডিও পোস্ট করে শিরোনামে উঠে আসেন ভারতীয় তারকা ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল। শনিবার বাগদানের ছবি পোস্ট করে আবারও আলোচনার শীর্ষে উঠে আসলেন তিনি। সম্প্রতি ভারতের নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার বিষয় ছিল টিম ইন্ডিয়ার অলরাউন্ডার হার্দিক পা-িয়ার নতুন সংসারের কথা নিয়ে। বান্ধবী নাতাশার সঙ্গে বাগদান-বিয়ে এবং সম্প্রতি সন্তানের বাবা হয়ে ওঠায় খবরে ছিলেন হার্দিক। এবার নয়া ইনিংস শুরু করলেন ভারতীয় দলের আরেক তারকা। তাও আবার আইপিএলের তেরোতম আসরের জন্য দুবাই উড়ে যাওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে। শনিবারই সোশ্যাল মিডিয়ায় আংটি বদলের ছবি পোস্ট করেন তিনি। <br>সঙ্গে লিখেছেন, ‘আমরা পরস্পরকে হ্যাঁ বলে দিলাম। পরিবারও রাজি।’<br><br> </body></HTML> 2020-08-09 20:35:36 1970-01-01 00:00:00 আইপিএলকে স্বাগত জানালেন কোহলি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96676 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983711_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983711_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>কেটে গেছে অনিশ্চয়তার মেঘ, দূর হয়েছে সব সংশয়। নির্ধারিত হয়ে গেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৩তম আসরের সূচি। করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ছয় মাস পিছিয়ে সেপ্টেম্বরের ১৯ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জমজমাট এই আসর। ভারত তো বটেই, পুরো বিশ্বেই আইপিএলের উত্তেজনা ও জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটাররাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন আইপিএলের। ব্যতিক্রম নন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। আবেগী এক ভিডিওবার্তা দিয়ে আইপিএলকে স্বাগত জানিয়েছেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান। টুর্নামেন্টের একদম শুরুর আসর থেকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে খেলছেন কোহলি। দীর্ঘদিন ধরে অধিনায়কত্বও করছেন দলটির। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যরকম আবেগ কাজ করে ব্যাঙ্গালুরু কিংবা আইপিএলের জন্য।<br>সে কারণেই এবার বাড়তি ছয় মাসের অপেক্ষার পর আইপিএল শুরুর আগে আবেগী এক ভিডিওবার্তা দিয়েছেন কোহলি। যেখানে রয়েছে গত ১২ বছরে আইপিএলে তার উল্লেখযোগ্য কিছু মুহূর্ত।<br> and nbsp;ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, 'সবকিছুর আগে বিশ্বস্ততা। সামনের দিনগুলোর জন্য অপেক্ষার তর সইছে না। </body></HTML> 2020-08-09 20:34:53 1970-01-01 00:00:00 ১৮ লাখ টাকা নিয়েও ইউপি সদস্যকে ক্রসফায়ার দেন প্রদীপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96675 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983469_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983469_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>চাহিদা মতো টাকা না পেলেই বন্দুকযুদ্ধের নামে কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে ক্রসফায়ারের দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলার আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে। আবার অনেক সময় টাকা নিয়েও দিয়েছেন ক্রসফায়ারে।<br><div>জানা গেছে, সিনহা হত্যাকা-ের সপ্তাহখানেক আগে গত ২২ জুলাইয় মধ্যরাতে উখিয়ার কুতুপালং গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য বখতিয়ার আহমেদের বাড়িতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আক্তারের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের চিৎকারে ঘুম ভাঙে বখতিয়ার আহমেদের। অভিযানে বখতিয়ারকে তার বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে তুলে নেয়ার সময় বাধা দেয় পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তার সঙ্গে একটু কথা আছে বলে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর খোঁজ খবর করে বখতিয়ার মেম্বারের হদিস পাননি স্বজনরা। পরে ২৩ জুলাই সন্ধ্যার পর উখিয়ার বখতিয়ার মেম্বারের বাড়িতে আবারো আসেন টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আক্তার। এ দফায় ভেঙে ফেলা হয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। তারপর চালানো হয় তল্লাশি।</div><div><br></div><div>ওই রাতেই ১৫ জনকে আসামি করে একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয় টেকনাফ থানায়। তারপর অস্ত্র মামলাসহ আরও একটি মামলা হয় বখতিয়ার মেম্বারের তিন ছেলের বিরুদ্ধে। পরে টেকনাফের হ্নিলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দু’জনের মৃত্যু খবর পায় বখতিয়ারের পরিবার। তারা জানতে পারে, বখতিয়ার মেম্বার ও মোহাম্মদ তাহের নামের দু’জনের মৃত্যু হয়েছে ‘বন্দুকযুদ্ধে’। ভোরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আসে তাদের লাশ। বখতিয়ার মেম্বারের পুত্রবধূ জানান, সেদিন সন্ধ্যায় পরের দফায় বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া জিনিষগুলোর অনেক কিছুই সিজার লিস্ট-এ নাই। ওসি প্রদীপ দাশ নেয় ১৮ লাখ টাকা। ২ লাখ টাকা নেয় উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা। জানা গেছে, মানব পাচার ও রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা হিসেবে তালিকায় নাম ছিল ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত উখিয়ার বখতিয়ার মেম্বারের। <br></div><div><br></div><div>তবে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকায় ছিল না তার নাম। এদিকে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার পর থেকে সিনহা হত্যা মামলার চার আসামিকে কক্সবাজার জেলা কারাগারের ফটকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র?্যাব) তদন্তদল। চার পুলিশ সদস্যকে দুদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন বলেন, আজ দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মেজর সিনহা রাশেদ হত্যা মামলার রিমান্ড ও জিজ্ঞাসাবাদের আদেশপ্রাপ্ত সাত আসামির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জেলা কারাগারে পৌঁছেছে। ফলে কারাফটকে র‌্যাব সদস্যরা চার আসামিকে বিকেলে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন। আগামীকাল রোববার সাত দিনের রিমান্ডের আদেশপ্রাপ্ত আসামিদের র‌্যাব হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।</div>মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন টেকনাফ থানার প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, সিনহাকে গুলি করা পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল সাফানুর করিম, উপপরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সহকারী উপপরিদর্শক লিটন মিয়া।<br>প্রসঙ্গত, দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া সিনহা মো. রাশেদ খান ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। আরো তিন সঙ্গীকে নিয়ে তিনি উঠেছিলেন নীলিমা রিসোর্টে। গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়ে সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। পরে ‘পিস্তল বের করলে’ চেক পোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। এই ঘটনায় পুলিশ মামলাও করে। তবে পুলিশের এই ভাষ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতিনিধি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।<br>এদিকে সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে বুধবার কক্সবাজারের আদালতে মোট ৯ পুলিশকে আসামি করে মামলা করেন তার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালতের নির্দেশে বুধবার রাতেই মামলাটি টেকনাফ থানায় নথিভুক্ত হয়। এই হত্যা মামলায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে ১ নম্বর এবং টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে।<br> and nbsp;অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা। মামলার পর ওইদিন বিকালে টেকনাফ থানা থেকে ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে প্রত্যাহার করা হয়। পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয় দুদিন আগেই। এ মামলায় বৃহস্পতিবার টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, শামলাপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতসহ ৭ আসামির প্রত্যেককে র‌্যাব হেফাজতে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। <br><br>একই সঙ্গে পলাতক ২ আসামি এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।<br>এজাহারে সিনহার বোন অভিযোগ করেন, ওসি প্রদীপের ফোনে পাওয়া নির্দেশে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই লিয়াকত আলী গুলি করেছিলেন সিনহাকে। এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৩০২ ধারায় ‘ইচ্ছাকৃত নরহত্যা’, ২০১ ধারায় আলামত নষ্ট ও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি এবং ৩৪ ধারায় পরস্পর ‘সাধারণ অভিপ্রায়ে’ অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০২ ধারার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-। ঘটনার সময় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে (২১) মামলার প্রধান সাক্ষী করা হয়েছে। ঘটনার দিনই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, মাদক ও অস্ত্র আইনের মামলায় তাকেও আসামি করা হয়।<br>সিনহা নিহতের ঘটনায় জড়িত সব পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের সমিতি রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। একই দিন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে গিয়ে সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, এই ঘটনায় যে এই ঘটনায় দায়ী হিসেবে যে বা যারা চিহ্নিত হবে, তারাই শাস্তি পাবে। এর দায় বাহিনীর উপর পড়বে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সিনহার মা নাসিমা আখতারকে ফোন করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-09 20:30:44 1970-01-01 00:00:00 বখশিশ দিতে দেরি হওয়ায় অক্সিজেন খুলে দিলেন নার্স, শিশুর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96674 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983424_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983424_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বখশিশের টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক মাস বয়সী শিশু আব্দুর রহমান নামে এক শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত নার্স রিমা আকতারের বিরুদ্ধে।<br>অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলার কয়েক মিনিট পরেই শিশুটি মারা যায়। শিশু আব্দুর রহমান গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। গতকাল শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। স্বজনরা জানান, শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে রোববার দুপুরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশু আব্দুর রহমানকে। ভর্তি করার পর পরই অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে দেন কর্তব্যরত নার্স রিমা আকতার। কিছুক্ষণ পর নার্স রিমা আকতার শিশুটির স্বজনদের কাছে অক্সিজেন বাবদ বখশিশ দাবি করেন। বখশিশের টাকা আনতে বিলম্ব হওয়ায় ওই নার্স অক্সিজেন মাস্কটি খুলে ফেলেন। এরপর শিশুটি কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যায়।<br>গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফারুক হোসেন জানান, অক্সিজেন দেয়ার জন্য কাউকে বখশিশ দেয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে রোগীর স্বজনরা বখশিশের জন্য অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেয়ার বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত করা হবে। </body></HTML> 2020-08-09 20:29:46 1970-01-01 00:00:00 একসঙ্গে মারা গেল ৭০০ হাঁস, দিশেহারা খামারি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96673 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983360_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596983360_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের চরতালিমাবাদ গ্রামের খামারি জাকির হোসেনের ৭০০ হাঁস একসঙ্গে মারা গেছে। হঠাৎ করে খামারের হাঁসগুলো ‘ডাক প্লেগ’ রোগে মারা যায়।<br>এতে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন খামারি জাকির হোসেন। কীভাবে সংসার চলবে আর এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠবেন তা নিয়ে দিশেহারা তিনি। পথে বসার উপক্রম হয়েছে তার। এজন্য কাঁদছেন জাকির।<br>কান্নাজড়িত কণ্ঠে খামারি জাকির হোসেন বলেন, প্রতি বছর হাঁসের খামার করি। ডিম পাড়া শেষ হলে হাঁসগুলো বাজারে বিক্রি করে দেই। এ বছর দেড় হাজার হাঁসের বাচ্চা নিয়ে খামার করেছি। হাঁসগুলো আগামী কয়েক দিন পর ডিম দিতো। কিন্তু শুক্রবার থেকে হাঁস মরতে শুরু করে। দুদিনে ৭০০ হাঁস মারা যায়। খবর নিয়ে জেনেছি ‘ডাক প্লেগ’ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাঁসগুলো মারা গেছে। বাকি হাঁসগুলোও মারা যাবে। এতে করে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হবে আমার।<br>জাকির হোসেন বলেন, বর্তমানে আমার খামারে ৭০০ হাঁস আছে। ভ্যাকসিন দিয়েও হাঁসগুলো বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিদিন মারা যাচ্ছে হাঁস। বোধহয় একটা হাঁসও এবার বাঁচবে না। আমার সব শেষ হয়ে গেল। সোনারগাঁ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হাবীব বলেন, জালকুড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে ‘ডাক প্লেগ’ রোগের বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারেন খামারি। পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পরবর্তীতে তাকে ঋণ সুবিধা দেয়া যেতে পারে। </body></HTML> 2020-08-09 20:28:59 1970-01-01 00:00:00 প্রতারক মারুফার বিয়ে বাণিজ্য যেন সিনেমাকেও হার মানায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96672 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981849_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981849_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বিয়ে নিয়ে প্রতারণা এখন মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইচ্ছেমত দেন মোহর ধার্য করে কিছুদিন পরে ছেড়ে দেয়া এবং দেন মোহর ফেতর নিতে আইনি চাপ প্রয়োগ,<br>মারুফা ইয়াসমিন (রিতু) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অফিস করণিক হিসেবে চাকুরী করছে। বাহ্যিক সৌন্দর্য আর অসাধারণ ব্যবহারে বোঝার উপায় নেই কিভাবে বিয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে। ২০১১ সালে তার প্রথম বিয়ে হয় একজন উচ্চ পদস্থ কর্পোরেট কর্মকর্তার সাথে। কিন্তু বিয়ের পরই তার চাহিদা বাড়তেই থাকে। বেরিয়ে আসে আসল চেহারা। উচ্চাভিলাষী মারুফা তার সদ্য বিবাহিত স্বামীর কাছে তার একক নামে জায়গা কিনে দেয়া, ফ্ল্যাট নিজের নামে লিখে দেয়া, এফডিআর করে দিতে বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ দিতে থাকে। চাকুরীর সুবাদে ঢাকার বাইরে বদলি হলেও কোনোদিন যায়নি স্বামীর নতুন কর্মস্থলে। শুধুমাত্র স্বামীর সাথেই নয় কর্মকর্তার অসুস্থ মায়ের সাথেও দুর্ব্যবহার করে মারুফা। শাশুড়ির সাথে তার সম্পর্ক এতটাই খারাপ ছিল যে শাশুড়িকে মেরে ফেলার মত ঘটনা হয়েছে বলে চাপা গুঞ্জন শোনা যায়।<br>চাকুরীতে কিছুটা ঝামেলার সম্মুখীন হলে মারুফা তার সদ্য বিবাহিত স্বামীর পাশে না থেকে আস্তে আস্তে যোগাযোগ কমাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে একতরফা ডিভোর্স পাঠিয়ে দেয়। আর সুযোগ বুঝে হাতিয়ে নেয় চার হাজার ডলার, ২১ ভরি স্বর্ণ এবং নগদ ৯ লক্ষ টাকা। আর এ সমস্ত কাজ করানোর পিছনে সহযোগিতা করে মারুফার মা মুন্নি বেগম। ডিভোর্স হতে না হতেই ২০১৪ সালে নতুনভাবে সংসার গড়ে সরকারি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা এক ছেলের সাথে। সরকারী চাকুরী পাইয়ে দিবে বলে এমনটাই নাকি আশ্বাস ছিল এই বিয়ের মূল কারণ। আর হলও তাই। মারুফা হয়ে গেল অফিস সহায়ক। সংসারের নাম অভিনয় থাকল কিছুদিন। ঠিক ছয় মাস পরে একইভাবে একতরফা পাঠিয়ে নিয়ে নেয় ডিভোর্স। ইতোমধ্যে পুনরায় যোগাযোগ করতে শুরু করে তার প্রাক্তন কর্পোরেট কর্মকর্তা স্বামীর সাথে। জেনে নেয় তার বর্তমান অবস্থা, চাকুরীর খোঁজ-খবর। যখনেই জানতে পারল একটি কোম্পানীর আরও বড় পদে স্থলাভিষিক্ত তখন মারুফা আবারও তার কাছে ফিরে আসতে চায়। তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত বলে ক্ষমা চাইলে প্রাক্তন স্বামী তাকে ক্ষমা করে মোহাম্মদপুরে কাজী অফিসে পুনরায় বিয়ে করে। ২০/০৮/২০১৪ তারিখে একজনকে ডিভোর্স দিয়ে ১৩/১২/২০১৪ তারিখে আরেকটি বিয়ে, এতে করে মারুফার ২০১৪ সালেই দুটি বিয়ে সম্পন্ন হয়। (যা প্রচলিত বৈবাহিক আইন এবং শরীয়তবহির্ভুত কাজ) পুনরায় বিয়ে করা কর্মকর্তার কাছে মারুফা মধ্যবর্তী বিয়ের কথা গোপন রেখেই সংসার শুরু করে। এভাবেই বছরখানেক যাওয়ার পরে তিনি জানতে পারেন মারুফার আরকেটি বিয়ের কথা। এমনকি মধ্যবর্তী ডিভোর্স দেয়া সেই স্বামী তার বর্তমান স্বামীর কাছে সব ঘটনা খুলে বলে। মারুফা এবোর্শনের মাধ্যমে বাচ্চা নষ্ট করে সে কথাও জানায়। কিন্তু ততদিনে মারুফা বর্তমান স্বামীর বাচ্চার মা হতে চলেছে। সামাজিক স্ট্যাটাস ও নিজের ঔরসজাত সন্তানের কথা ভেবে মারিফাকে কিছুই না বলে নীরবে মেনে নিয়েই সংসার করতে লাগলেন। ২০১৬ সালে মারুফা এবং তার বর্তমান স্বামীর ঘরে ফুটফুটে সুন্দর এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কন্যা সন্তানের কারণে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায় বর্তমান স্বামীর। কন্যা সন্তান এবং এই ভালোবাসাকে পুঁজি করে মা মুন্নি বেগম এবং মারুফার চাহিদার মাত্রা আরও বেড়ে গেল। স্বামীর কিছু হয়ে গেলে সন্তানের ভবিষ্যৎ কি হবে এবং মারুফার-ই বা কি হবে এমন নানাবিধ অযাচিত আশঙ্কা এবং প্রশ্ন করে বিভিন্ন সময়ে তার স্বামীর নামের ফ্ল্যাট তার নাম লিখে দেয়া, এফডিআর করে দেয়া, জমি কিনে দেয়ার দাবি করতে থাকে। যদিও মারুফার নাম গাজীপুরে ৪ কাঠা এবং বরিশালে ১০ কাঠা জায়গা দেয়া হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে জায়গার বিনিময়ে স্বামীর থেকে নগদ টাকা নিয়ে নেয়। বাংলায় একটি প্রবাদ আছে ‘ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়’, তেমনভাবেই যখন মারুফার বিয়ে এবং চাকুরী পাওয়ার পরে ছলনা করে ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় ফিরে আসা এসব ঘটনা জানার পরে তার বর্তমান স্বামী তার সন্তানের ভবিষ্যতকে মাথায় রেখে প্রয়োজনে সন্তানের নাম সবকিছু করে দিতে আপত্তি করে নি। <br>তবে তিনি মারুফার এমন ঘৃণিত কার্যকলাপের জন্য তার নাম কোনকিছু দিতে সম্মত হয় নি।<br>এভাবেই চলতে থাকা সংসারে মারুফার জীবনে আরেকটি বিয়ে অধ্যায়ের সূচনা হতে চলল। নিজের সরকারি অফিসের রিপোর্টিং অফিসার ডেপুটি ডিরেক্টর আবু সায়েম খানের সাথে পরকীয়া প্রণয় শুরু হয়। ২০১৮ সালের মাঝামাঝি এই প্রণয় বিয়েতে রূপ নেয়। মারুফার জীবনের চতুর্থ বিয়ে। কিন্তু এই বিয়ে সংঘটিত হওয়ার সময় মারুফা তার বর্তমান স্বামীকে তালাক প্রদান করেনি।<br>ডেপুটি ডিরেক্টর আবু সায়েম খান নিজেও বিবাহিত এবং ২ সন্তানের জনক এবং সে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের আলুব্দি এলাকায় তার নিজের একটি মাদ্রাসা রয়েছে এবং সেখানে তিনি মেজর হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের কর্মী ছিলেন বলে জানা যায়। দীর্ঘদিন মারুফা আর আবু সায়েম খানের সম্পর্ক, বিবাহবহি?্ভূত মেলামেশার প্রমাণও পাওয়া যায়। আবু সায়েম মারুফাকে এনে তার মাদ্রাসার হুজুরের সহায়তায় এই অনৈতিক বিয়ের কাজ সম্পন্ন করে। বিয়ের পরে আবু সায়েম ক্যান্টনমেন্টসংলগ্ন মাটিকাটা এলাকায় মারুফা ও তার মা মুন্নি বেগম এবং কন্যা সন্তানকে বসবাসের জন্য বাসা ঠিক করে দেয়। পুরো ঘটনা তার স্বামীকে না জানিয়ে করা হয়। উল্লেখ্য যে, সায়েম মারুফাকে একটি ফ্ল্যাট, ২৫ লক্ষ টাকার এফডিআর করে দিবে এবং ছোট ভাইকে সরকারি চাকুরী পাইয়ে দিবে বলে বিয়ে করে।<br>সাংসারিক অনাগ্রহের কারণ এবং আবু সায়েমের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক প্রশ্ন করলে মারুফা তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করে আবু সায়েমের সাথে বিয়ের সব কথা বলে দেয়। মারুফা আবু সায়েমের সাথে থাকবে এবং যদি তাকে বাধা দেয়া হয় তাহলে মিথ্যা মামলা দিয়ে তার বর্তমান স্বামী ও কন্যার পিতাকে জেল খাটাবে বলে হুমকি দেয়। সন্তানের প্রতি মায়া দেখিয়ে এসব না করতে বার বার অনুরোধ করা হলেও মারুফা শোনেনি। পরে অফিসের মিটিং শেষে বাসায় এসে দেখে তাকে না জানিয়েই মারুফা তার মেয়ে এবং মা মুন্নি বেগমকে নিয়ে চলে গেছে। আর বাসা থেকে নগদ ৪ লক্ষ টাকা, প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণলংকার, আসবাবপত্রসহ প্রায় ১১ লক্ষ টাকা মূল্যের মালামাল নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীও করা হয়েছে, যার নাম্বার: ০৯/১১/২০১৯, এউ-৫৫৫।<br>মা হিসেবে মারুফা তার সন্তানকে কি ভবিষ্যৎ দিবে আর তার এই লোভাতুর নোংরা বিকৃত মানসিকতায় বিয়ে বিয়ে খেলা কোথায় থামবে এহেন ঘটনার জের ধরে তেজগাঁও থানায় মারুফার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে যার নাম্বার: ২০/১১/২০১৯, ঘড়-২৭। ঘটনার প্রেক্ষিতে মারুফার স্বামী যিনি কন্যার বাবা তার সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশ না করা স্বত্ত্বে তিনি জানিয়েছেন, “পুরো ঘটনাই সত্য। আমার কাছে সকল কাগজপত্রই রয়েছে। সন্তানের কথা বলে মারুফাকে রাখতে চেয়েছিলাম কিন্তু তার আর তার মায়ের লোভের কাছে সাংসারিক জীবনের কোন মূল্যই নেই। যারা এমন করতে পারে তাদের কাছে আমার মেয়ে নিরাপদ না। তারা আমার মেয়ের জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। বাবা হিসেবে আমি এটা মেনে নিতে পারবো না।”<br>তিনি আরও বলেন, “আজকাল পরকীয়ার জেরে অনেক ধরণের ঘটনা ঘটছে। আপনারা সাংবাদিকরা প্রকাশ করেন বলেই জানতে পারি। আপনারা বলেন এই রকম মহিলাদের কাছে আমার মেয়ের জীবন কি বিপন্ন নয়? তারা কি আমার মেয়ের জন্য ভালো কিছু করতে পারবে? আমি আমার মেয়ের জীবন সংকটে ফেলতে পারি না। ওদের কাছে আমার মেয়ে যেন সেফ থাকে।” কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি তার মেয়ের প্রতি আবেগ প্রকাশ করে ওর যেন কোনকিছু না হয় এবং তার মেয়েকে যেন তার কাছেই দিয়ে দেয়া হয় আদালতের কাছে জোড় হাতে এই প্রার্থনা করেছেন।<br>চাকুরীর জন্য মারুফাকে বিয়ে করে ভুক্তভোগী তিনিও নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন মোবাইলে পরিচয় এবং তাদের প্রণয় আখ্যান। তবে মারুফা যে আরেকজনকে বিয়ে করেছে সেটাও তার কাছে গোপন ছিল। বিয়ের পরে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মারুফাকে চাকুরি ব্যবস্থা করে দেন তিনি। পরের কথা জিজ্ঞাসা করাতেই আক্ষেপ নিয়ে বললেন, “বাকিটুকু ইতিহাস। ছলচাতুরী করে আমার সন্তানকে এবোরশন করিয়েছে এই মারুফা আর তার মা। আমি অনেক চেষ্টা করেছি মারুফাকে বোঝাতে। কিন্তু কখনই আমার কথা শোনেনি। পরে জানতে পারলাম আরেকটি বিয়ে করেছে। আর তার পরে এসে জানলাম একজনকেই দুইবার বিয়ে করেছে। এরা যে এত খারাপ তা প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই।”<br>কে এই মারুফা? চাকুরীর আইডি কার্ডে মারুফা ইয়াসমিন লেখা থাকলেও তার ডাকনাম রিতু বলে অনেকেই জানেন। পিত- মৃত ইউসুফ আলী মৃধা, মাতা- মুন্নি বেগম যাদের স্থায়ী ঠিকানা ১৪, শহীদ ক্যাপ্টেন মৃধা শামছুল হুদা সড়ক, হাতিখানা পূর্ব ক্যাম্প, পোস্ট ও থানা – সৈয়দপুর জেলা নীলফামারী এবং ঢাকায় ৮৮/১, মাটিকাটা, পোস্ট ও থানা- ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা – ১২০৬। ২০০৭ সালে মারুফার বাবার মৃত্যুর পিছনে নাকি মারুফ এবং তার মায়ের হাত আছে বলে জানা যায়। ২০০৯-১০ এ গ্যাং রেপের স্বীকার মারুফা হোটেলে অবৈধ কাজেও ধরা পড়লে তার মামারা থানা থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনে। তারপর থেকে এভাবেই চলছে তার পরবিত্তলোভ, অনৈতিক প্রণয়, বিয়ে এবং একতরফা ডিভোর্স দিয়ে মোহরানার টাকা আদায় করা। মা মুন্নি বেগমের প্রশ্রয়েই এসকল নীতি বিবর্জিত কাজ করে থাকে মারুফা। এক ভাই পঙ্গু এবং মা-মেয়ের এহেন কাজে বাধা দিতে নেই কোন আত্মীয়-স্বজন। সামাজিক ব্যাধি এই মারুফা এবং তার মা মুন্নি বেগমের যথাযথ শাস্তির দাবি করেছেন তার প্রাক্তন দুই স্বামী।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-09 20:03:31 1970-01-01 00:00:00 করোনার ভয় উপেক্ষা করে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96671 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981790_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981790_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>করোনাভাইরাসের ভয় উপেক্ষা করে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পর্যটক প্রেমীদের পাদচারণায় মুখর কুয়াকাটা। সাগরের নোনা জল আর বর্ণিল প্রকৃতির ছোঁয়ায় মনকে প্রাণবন্ত করতে এখানে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। এদিকে, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় প্রস্তুত রয়েছে টুরিস্ট পুলিশসহ স্থানীয় প্রশাসন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসনের ব্যবস্থা করেছে হোটেল মালিকরা। <br>সাগরে উত্তাল ঠেউয়ের গর্জন। সমুদ্র স্নানে নেমে সেই ঢেউয়ে ছন্দ মিলিয়ে ডুব-সাঁতারে মগ্ন পর্যটকরা। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে কুয়াকাটার বেলাভূমিতে আগমন ঘটেছে দেশ-বিদেশী ভ্রমণ পিপাসুদের। করোনাভাইরাসের আতংক দমিয়ে রাখতে পারেনি তাদের। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তসহ সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে পর্যটকরা উপভোগ করছেন ঐতিহ্যবাহী কুয়াকাটার কুয়া, ঝাউ বন, লেম্বুর চর, লাল কাঁকড়ার দ্বীপ, নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর প্রাণ চাঞ্চলতা ফিরেছে সৈকতে। and nbsp; কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকরা জানান, ভেবেছিলাম তেমন পর্যটকার আনবে না, তবে এখন দেখছি যথেষ্ট লোকজন আছে। কুয়াকাটায় ব্যবসায়ী জানান, পর্যটকরা আসায় আমদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। এই সময় এত লোক হবে আশা করিনি।<br>পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হেল্প ডেস্ক স্থাপনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন। কুয়াকাটার টুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএ মিজানর রহমান জানান, বিভিন্ন পয়েন্টে আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তায় আছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত মাইকিং করে যাচ্ছি। এ পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছি।এর আগে গত পহেলা জুলাই স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ কয়েকটি শর্তে খুলে দেয়া হয় সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বেলাভূমি কুয়াকাটা। </body></HTML> 2020-08-09 20:02:49 1970-01-01 00:00:00 ভারতে একদিনে মৃত ৮৬১, আক্রান্ত ৬৪ হাজারের বেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96670 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981649_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981649_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> and nbsp; <br>ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৮৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৪৩ হাজার ৩৭৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৯৯ জন। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫৩ হাজার ১০ জনে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের হার ৮.৯৫ শতাংশ। যা গত দুইদিনের চেয়ে সামান্য কম। এই মুহূর্তে ভারতে অ্যাক্টিভ কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ছয় লাখ ২৮ হাজার ৭৪৭।দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যান শুরু থেকেই স্বস্তি দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৮৪ জন করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থতার হার ৬৮.৭৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৭৯ জন।<br><br>ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখনও প্রথম স্থানে মহারাষ্ট্র। সেখানে মারা গেছেন ১৭ হাজার ৩৬৭ জন। অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে তামিলনাড়ুতে চার হাজার ৮০৮ জন, দিল্লিতে চার হাজার ৯৮, কর্নাটকে তিন হাজার ৯১ জন, গুজরাটে দুই হাজার ৬২৮ জন, উত্তরপ্রদেশে দুই হাজার ২৮ জন, পশ্চিমবঙ্গে দুই হাজার পাঁচজন এবং অন্ধ্রপ্রদেশে এক হাজার ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণের শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্রে মোট পাঁচ লাখ তিন হাজার ৮৪ জন করোনা আক্রান্ত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তামিলনাড়ুতে মোট আক্রান্ত দুই লাখ ৯০ হাজার ৯০৭ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। সেখানে আক্রান্ত দুই লাখ ১৭ হাজার ৪০ জন।<br><br>চতুর্থ স্থানে থাকা কর্নাটকে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ জন। পঞ্চম স্থানে থাকা দিল্লিতে আক্রান্ত এক লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন। ষষ্ঠ উত্তরপ্রদেশে এক লাখ ১৮ হাজার ৩৮ জন এবং সপ্তম স্থানে থাকা পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমিত ৯২ হাজার ৬১৫ জন। এদিকে সংক্রমণের দিকে দিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল। মৃত্যুর নিরিখেও ওই দুই দেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে। </body></HTML> 2020-08-09 19:58:56 1970-01-01 00:00:00 শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মাহিন্দা রাজাপাকসে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96669 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981046_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981046_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। রোববার দেশের একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মন্দিরে শপথ গ্রহণ করেছেন তিনি। নির্বাচনে জয় লাভের কয়েকদিনের মাথায় শপথ নিলেন ৭৪ বছর বয়সী মাহিন্দা রাজাপাকসে। এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এছাড়া গত নভেম্বর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসের ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে।<br>এবারের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে তাদের দুই ভাইয়ের দল শ্রীলঙ্কা পিপলস ফ্রন্ট। দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারা। দেশটির সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য এই ‘সুপার মেজোরিটির’ প্রয়োজন ছিল।<br>রাজপাকসে ভাইদের দল পার্লামেন্টের মোট ২২৫টি আসনের মধ্যে ১২৫টিতে জয় পেয়েছে। আরও পাঁচটিতে জয় পেয়েছে তাদের মিত্র দলগুলো। গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় জয় পান গোটাবায়া রাজাপাকসে। এরপর গত বুধবার অনুষ্ঠিত হয় দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচন।<br>দুই দশক ধরে শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে বিতর্কিত রাজপাকসে পরিবার। এর আগে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। এদিকে, সোমবার মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রীদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:50:00 1970-01-01 00:00:00 ভারতে একদিনে মৃত ৮৬১ আক্রান্ত ৬৪ হাজারের বেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96668 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981012_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596981012_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ৮৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৪৩ হাজার ৩৭৯ জন। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৯৯ জন। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ৫৩ হাজার ১০ জনে।<br>ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণের হার ৮.৯৫ শতাংশ। যা গত দুইদিনের চেয়ে সামান্য কম। এই মুহূর্তে ভারতে অ্যাক্টিভ কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ছয় লাখ ২৮ হাজার ৭৪৭।<br>দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সুস্থ হয়ে ওঠার পরিসংখ্যান শুরু থেকেই স্বস্তি দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৮৪ জন করোনা আক্রান্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থতার হার ৬৮.৭৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৩ হাজার ৮৭৯ জন।<br>ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুতে এখনও প্রথম স্থানে মহারাষ্ট্র। সেখানে মারা গেছেন ১৭ হাজার ৩৬৭ জন। <br>অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে তামিলনাড়ুতে চার হাজার ৮০৮ জন, দিল্লিতে চার হাজার ৯৮, কর্নাটকে তিন হাজার ৯১ জন, গুজরাটে দুই হাজার ৬২৮ জন, উত্তরপ্রদেশে দুই হাজার ২৮ জন, পশ্চিমবঙ্গে দুই হাজার পাঁচজন এবং অন্ধ্রপ্রদেশে এক হাজার ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।<br>সংক্রমণের শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্রে মোট পাঁচ লাখ তিন হাজার ৮৪ জন করোনা আক্রান্ত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তামিলনাড়ুতে মোট আক্রান্ত দুই লাখ ৯০ হাজার ৯০৭ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। সেখানে আক্রান্ত দুই লাখ ১৭ হাজার ৪০ জন।<br>চতুর্থ স্থানে থাকা কর্নাটকে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ জন। <br>পঞ্চম স্থানে থাকা দিল্লিতে আক্রান্ত এক লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন। ষষ্ঠ উত্তরপ্রদেশে এক লাখ ১৮ হাজার ৩৮ জন এবং সপ্তম স্থানে থাকা পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমিত ৯২ হাজার ৬১৫ জন।<br>এদিকে সংক্রমণের দিকে দিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। <br>প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল। মৃত্যুর নিরিখেও ওই দুই দেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:50:00 1970-01-01 00:00:00 শতাধিক অস্ত্র-সরঞ্জাম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96667 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980961_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980961_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দেশে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরিতে জোরারোপের অংশ হিসেবে ১০১ ধরনের সামরিক সরঞ্জাম আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত। আগামী চার বছরে ক্রমান্বয়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং রোববার এই ঘোষণা দিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।<br>প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ঘোষণা দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, ভারত হলো বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ। দেশটি বেশিরভাগ অস্ত্র আমদানি করে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে।<br>গত জুনে লাদাখ সীমান্তে চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ভারতীয় ২০ সেনা জওয়ান নিহত হওয়ার পর প্রতিরক্ষা নিয়ে তটস্থ হয় ভারত। এরপর সামরিক ক্রয়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়। ওই ঘটনার পরপরই জুলাইয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার ৩৩টি রাশিয়ান যুদ্ধবিমান ক্রয় ছাড়াও ৫৯টি যুদ্ধবিমান আধুনিকায়নের অনুমোদন দেয়। ভারত ও চীনের মধ্যে এখন কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক সামরিক উত্তেজনা চলছে। বিতর্কিত লাদাখ সীমান্তের বেশ কয়েকটি এলাকায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে দুই দেশের সেনারা। এ নিয়ে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে কয়েক দফায় উভয়ে দেশের সামরিক পর্যায়ের বৈঠক হলেও উত্তেজনা কমেনি। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে প্রতিরক্ষা খাতে কম তহবিল বরাদ্দ দেয়ায় যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও পদাতিক বাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্র-সরঞ্জামের সংকট রয়েছে ভারতের।<br>প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, ‘অস্ত্র-সরঞ্জাম আমদানিতে এই নিষেধাজ্ঞা ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রত্যাশিত প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে অবহিত করা, যাতে তারা লক্ষ্য উপলব্ধি করে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হয়’।<br>ঐতিহ্যগতভাবে ভারত রাশিয়ার থেকে সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করে। কিন্তু দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল থেকে আমদানি বাড়িয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রতিরক্ষার জন্য ব্যয়বহুল অস্ত্র আমদানি বন্ধ করার কথা বলে আসছিলেন। আর এমন পদক্ষেপ তার ওই আহ্বানের ফল।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:49:00 1970-01-01 00:00:00 বৈরুতের পাশে দাঁড়াতে বিশ্ব নেতাদের বৈঠক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96666 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980923_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980923_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভয়াবহ বিস্ফোরণে বিপর্যস্ত লেবাননের পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। গত মঙ্গলবার রাজধানী বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দেড় শতাধিক নিহত এবং পাঁচ হাজারের বেশি আহত হয়।<br>এদিকে, বৈরুতের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের নেতারা। পাঁচদিন আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বৈরুত।<br>জাতিসংঘ এবং ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে এক ভার্চ্যুয়াল কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে। লেবাননের স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে ওই কনফারেন্স শুরু হবে। এতে বিভিন্ন দেশের নেতারা যোগ দেবেন। এই মুহূর্তে কিভাবে বৈরুতের পাশে দাঁড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ওই ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।<br>গত মঙ্গলবার বৈরুত বন্দরে ওই প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের কারণ এখনও শতভাগ নিশ্চিত না হলেও সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, বন্দরের গোডাউনে প্রায় ছয় বছর ধরে মজুত রাখা বাজেয়াপ্ত ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট থেকেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ওই বিস্ফোরণে ৩ লাখের বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।<br>ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণের তাণ্ডবে বৈরুত শহরের প্রায় অর্ধেকটাই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। বিস্ফোরণের প্রভাব এতটাই তীব্র ছিল যে দেড়শ’ কিলোমিটার দূর থেকেও তা অনুভব করা গেছে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের মতো কম্পন সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।<br>এদিকে, ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সরকারবিরোধী বিক্ষোভে বৈরুতের পথে নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। সে সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। বিক্ষোভে বলপ্রয়োগ ও কাঁদানেগ্যাস ছোড়া শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় কিছু বিক্ষোভকারী। মঙ্গলবারের ওই বিস্ফোরণ গোটা বৈরুতকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে ক্ষুব্ধ জনতা।<br>ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ এবং রাজনীতিতে সংস্কার চেয়ে কিছুদিন ধরেই লেবাননে বিক্ষোভ চলছিল। বৈরুতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। সরকারের গাফিলতির কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে দাবি করে গত বৃহস্পতিবার থেকে রাজপথে বিক্ষোভে নামতে শুরু করে হাজারো মানুষ।<br>এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিপর্যস্ত বৈরুতের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশটিতে ইতালি, ফ্রান্স, ইরাক, ইরান, কুয়েত-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে মানবিক ও মেডিকেল সহায়তা পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁও বৈরুতে সফর করেছেন। <br>তিনি দু'টি বিমানে করে উদ্ধারকর্মীদের একটি দল ও মানবিক সহায়তা নিয়ে বৈরুতে গিয়েছেন।<br>অপরদিকে, টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব জানিয়েছেন, দেশজুড়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা সমাধানে তিনি আগাম নির্বাচনের ডাক দেবেন। এ বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভায় বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:48:00 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানে বৃষ্টি-বন্যায় ৫০ প্রাণহানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96665 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980871_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980871_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>পাকিস্তানে গত তিন দিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি ও বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় দেশজুড়ে প্রায় ৫০ জন মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। বেসরকারি সূত্রে এই সংখ্যাটা আরও বেশি। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (পিএনডিএমএ) দেওয়া তথ্যের বরাতে রোববারের অনলাইন প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।<br>পিএনডিএমএ জানিয়েছে, বৃষ্টি ও বন্যার কারণে গত তিন দিনে উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ১৯ জন মানুষ মারা গেছে। ১২ জনের প্রাণহানি হয়েছে দক্ষিণের সিন্ধ প্রদেশে। এছাড়া পাঞ্জাবে ৮ জন ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর অঞ্চল গিলগিত বালতিস্তানের আরও ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।<br>বৃষ্টির কারণে প্রধান একটি খাল ভেঙ্গে সিন্ধ প্রদেশের বেশ কিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ধসে পড়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি। রোববার দেশটির সেনা সদস্যরা প্রদেশটির একটি জেলায় বন্যাকবলিত মানুষজনকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক ডন।<br>সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার সিন্ধ প্রদেশের দাদু জেলায় বন্যাকবলিত শতাধিক মানুষকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে। প্রতি বছর মৌসুমী বৃষ্টিপাতের কবলে পড়ে পাকিস্তান। কিন্তু সরকারের দুর্বল পরিকল্পনার কারণে অনেক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায় না বলে সমালোচনা রয়েছে।<br>মৌসুমী এই বৃষ্টি চলে জুলাই থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নদী প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট ছাড়াও বাড়িঘরসহ অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উল্লিখিত তিন প্রদেশ ও এক অঞ্চল ছাড়াও বেলুচিস্তান প্রদেশের অনেক জেলাতেও ভারী বৃষ্টিতে বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।<br>বেলুচিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে অবশ্য জানানো হয়েছে, বৃষ্টি ও বন্যায় সেখানে অন্তত ৮ জন মারা গেছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:48:00 1970-01-01 00:00:00 রাজস্থানে পাক হিন্দু শরণার্থী পরিবারে রহস্যমৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96664 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980813_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980813_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক: <br>পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী পরিবারের ১১ সদস্যের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজস্থানের জোধপুরের লোড়তা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে রবিবার সকালে বাড়ির ভিতর থেকে ওই ১১ জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদের মধ্যে বয়স্ক ব্যক্তি ও কয়েকটি শিশুও রয়েছে। জোধপুরের এই ঘটনা ২০১৮-য় দিল্লির বুরারির স্মৃতিকে উস্কে দিয়েছে। সে বছর বুরারিতে একই পরিবারের ১১ জনের রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়েছিল। and nbsp;<br>জোধপুরের এই ঘটনা খুন নাকি আত্মহত্যা তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, এ দিন সকালে পরিবারের এক সদস্যকে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন স্থানীয়রা। যদিও ওই ব্যক্তি পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, ঘরে এত বড় কাণ্ড ঘটে গিয়েছে কিন্তু তিনি টের পাননি। তাঁর ধারণা রাতেই এই ঘটনাটা ঘটেছে। আর সে সময় তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়ির এত জন সদস্যের মৃত্যু হল অথচ আর এক সদস্য তার কোনও আঁচ পেলেন না কেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার রাহুল বারহাত।<br>মৃত্যুর আসল কারণ কী, তা স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ওই ১১ জনের। কারণ বাড়ির পাশে থেকেই রাসায়নিকের ঝাঁঝালো গন্ধ পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে ১১ জনের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে ফরেন্সিক দল এবং ডগ স্কোয়াডকেও। ঘটনার তদন্তে নিযুক্ত এক পুলিশ আধিকারিক আবার জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে পরিবারের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে ঝামেলা ছিল। তবে পরিবারের বেঁচে যাওয়া সদস্যকে জেরা করার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।<br>পরিবারটি ভিল সম্প্রদায়ের। ২০১২-তে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশ থেকে রাজস্থানে এসেছিলেন। থাকছিলেন লোড়তা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটির এ দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানিয়েছিল। সেই প্রক্রিয়াও চলছিল। and nbsp;<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-10 19:47:00 1970-01-01 00:00:00 সমুদ্রে ভাসছে তেল, মরিশাসে জরুরি অবস্থা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96663 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980735_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/09/1596980735_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, <br>দ্বীপরাষ্ট্র মরিশাসের উপকূলে জাহাজ দুর্ঘটনায় চার হাজার টন তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় পরিবেশগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটি। ইতিমধ্যে তেল সরাতে এবং পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স। খবর সিএনএনের।<br>জানা গেছে, পানামার-রেজিস্টার্ড করা এমভি ওয়াকাশিও নামের ওই জাহাজটি এদিন মরিশাসের কাছে ডি’সিনির প্রবাল চাদরে উপর দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে তেল সমুদ্রের পানিতে মিশে গিয়েছে। তেলের বিস্তার কমিয়ে আনতে প্রায় ৪০০ সমুদ্র বুম এবং আরও উন্নত মানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনাথ।<br>অনলাইন শিপ ট্র্যাকাররা দেখিয়েছেন, এমভি ওয়াকাশিও চীন থেকে ব্রাজিল যাচ্ছিল। সেসময় মরিশাসের কাছে একটি বড় প্রবাল প্রাচীরে সঙ্গে ধাক্কা খায় জাহাজটি। যদিও পণ্যবাহী জাহাজ হওয়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। এছাড়াও দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাহাজটিতে থাকা ক্রুদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং জাহাজটিকেও সরিয়ে নেয়া হয়েছে। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবিন্দ যুগনৌথ বলেছেন, 'তেল ছড়িয়ে পড়ার ফলে যে বিপদ ঘটেছে তার জন্য তাকে ফ্রান্সের কাছে সাহায্য চাইতে হয়েছিল। কারণ ওই দ্বীপরাষ্ট্রে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন লোক আটকে পড়েছিল যাদের অন্য জাহাজ গুলোকে পুনরায় ভাসানোর দক্ষতা নেই। জাহাজে কাজ করার জন্য উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটিকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।' </body></HTML> 2020-08-10 19:45:00 2020-08-09 19:46:09 ফেনীতে ৭ হাজার ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96662 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596977520_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596977520_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br><div>ফেনীতে ৭ হাজার ২শ ইয়াবা ট্যবলেটসহ মা ও ছেলেকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রোববার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপুল থেকে ইয়াবাসহ শাহেদা আক্তার ওরফে খুশু বেগম (৫০) ও তার ছেলে আজগর আলীকে (২৭) আটক করে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) এ এন এম নুরুজ্জামান, গোপন সংবাদ পেয়ে মহাসড়কের লালপুলে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। অভিযানে লালপুল ফুটওভার ব্রীজের নিচে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে শাহেদা আক্তার ও তার ছেলে আজগর আলীকে আটক করে তল্লাশী চালানো হয়। তল্লাশীতে তাদের কাছে ৭ হাজার ২শ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা যায়। and nbsp; <br></div><div><br></div><div>আটককৃত শাহেদা আক্তার ও তার ছেলে আজগরের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির মালিখিলে। শাহেদা আক্তারের স্বামী ও আজগরের বাবা আবদুল মতিন। তার বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলার ডাবলমুডিং থানার মনসুরাবাদের মিয়াবাড়ি রোডের বলখেলার মাঠের সামনে বকুল মিয়ার ভাড়াবাসা থাকে। ওসি এ এন এম নুরুজ্জামান আরো জানান, আটককৃতরা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার ও বিক্রি করে আসছে বলে and nbsp; জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আসামীদের ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। </div></body></HTML> 2020-08-09 18:51:28 1970-01-01 00:00:00 ৩ গুলিতে ঝাঁজরা সিনহার শরীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96661 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971901_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971901_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন র‌্যাবের কাছে জমা দিয়েছে পুলিশ। রোববার কক্সবাজার সিভিল সার্জনের মাধ্যমে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার র‌্যাবের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– খুব কাছ থেকে সিনহাকে গুলি করা হয়। তাকে তিনটি গুলি করা হয়েছে। তিনটি গুলি তার দেহে প্রবেশ করে আবার বেরিয়ে গেছে। এ কারণে তার শরীরে গুলির চিহ্ন ৬টি পাওয়া গেছে। তিনটি গুলির একটি সিনহার বাম বুকে, একটি বাম হাতের বাহুতে অন্যটি বুকে।<br><br>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে– সিনহার গলা ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।<br>৭ জুলাই কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও শাহীন আবদুর রহমান ময়নাতদন্ত শেষে প্রতিবেদনটি সিভিল সার্জনের মাধ্যমে পুলিশ সুপার বরাবর পাঠান। আজ পুলিশ সুপার সেটি সিনহা হত্যার তদন্তকারী র‌্যাব কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে। গত ৩ জুলাই স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের তিন শিক্ষার্থীসহ ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভ্রমণ ভিডিও তৈরি করতে কক্সবাজারে যান সিনহা।<br><br>৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। পরে গত বুধবার তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে মামলা করলে আদালত মামলাটি টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।<br>পাশাপাশি র‌্যাব ১৫-এর কমান্ডারকেও তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে এ মামলায় ওসি প্রদীপসহ সাত আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বর্তমানে সবাই কক্সবাজার জেলা কারাগারে রয়েছেন।<br><br>এদিকে সিনহা হত্যার ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। প্রথমে টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হেলাল উদ্দিন মৌখিকভাবে টেকনাফ থানার সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সদ্য সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br>বাকি চার আসামি এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে দুদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। পরে লিখিত আদেশে সবারই সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। </body></HTML> 2020-08-09 17:15:45 1970-01-01 00:00:00 জামিনের পর মুক্তি পেলেন শিপ্রা দেবনাথ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96660 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971532_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971532_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জামিনের পর মুক্তি পেলেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিপ্রা রানী দেবনাথ। এর আগে আজ দুপুরে শিপ্রা দেবনাথের জামিন আদালত মঞ্জুর করলে কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শিপ্রা দেবনাথের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেছেন, ‘নারী বিবেচনায় মামলার প্রতিবেদন না দেয়া পর্যন্ত তাকে (শিপ্রাকে) জামিন দিয়েছেন আদালত।’<br>এদিকে, একই ঘটনায় পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতের জামিনের আবেদনের শুনানি সোমবার হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে এই ঘটনার পর পুলিশের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার কারাগারে পাটানো হয় বেসরকারি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথকে। সাহেদুল ইসলাম সিফাতের বিরুদ্ধে দুটি মামলা এবং শিপ্রা দেবনাথের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।<br><br>নিহত সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে কক্সবাজারে ডকুমেন্টারি তৈরির কাজ করছিলেন স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির তিনজন শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন রিফাত নূর। এদের মধ্যে তাহসিন রিফাত নূরকে তাদের অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। </body></HTML> 2020-08-09 17:11:46 1970-01-01 00:00:00 তুরাগতীরে পানিবন্দি শত শত পরিবার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96659 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971361_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971361_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশের ৩৩ জেলায় বন্যা এবং নদীতে পানি বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে রাজধানী ঢাকাতেও। ঢাকাকে ঘিরে থাকা সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তুরাগ নদের পানি। এতে তুরাগতীরের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকেই পানিবন্দি মিরপুর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার শত শত পরিবার। বন্যায় সব তলিয়ে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির চরম সংকটে পড়েছেন তারা।<br><br>রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গোড়ান চটবাড়ি এলাকার ইস্টার্ন হাউজিং দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানিবন্দি। গাড়ি চলাচলের সড়কে এখন যাতায়াতের মাধ্যম নৌকা। এ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। যাদের অন্যত্র যাওয়া জায়গা আছে এরই মধ্যে তারা সেখানে চলে গেছেন। আর যাদের জায়গা নেই তারা এখানেই কষ্ট পাচ্ছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয় এলাকাটি। নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধিতে ৩ থেকে ৪ ফুট পানিতে ডুবেছে ইস্টার্ন হাউজিং।<br><br>স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পানি বাড়ার কারণে অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। কিন্তু আমাদের মতো যাদের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তারা বাধ্য হয়ে এবং কষ্ট করে এখানে থাকতে হচ্ছে। আমাদের এখানে খাবার পানি পর্যন্ত নেই। আশেপাশের হোটেল, রেস্টুরেন্টে গিয়ে পানি খেয়ে আসতে হয় অথবা নিয়ে আসতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মুজিবুর রহমান বলেন, ‘অনেকদিন আগেই পানি উঠছে। রাস্তা দিয়া হাঁটা যায় না, নৌকা লাগে। খাবারের পানি, খাবার রান্নার ব্যবস্থা কোনো কিছুই ঠিকমতো নাই। কিন্তু কোনো নেতা বা সরকারের কেউ আমাদের খোঁজ নিতে আসে নাই। এক দিকে করোনাভাইরাস আরেক দিকে বন্যা। আমরা খুব বিপদে আছি।‘<br><br>এদিকে এলাকাটি পানিবন্দি হওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে এখান এখানকার বেশ কিছু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান, বেকারি কারখানা, টাইলস তৈরির কারখানা। যার ফলে বেকার হয়ে গেছেন এখানে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কাজ করা অনেক মানুষ। ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার মতো করেই তুরাগের পানি ঘরে পৌঁছেছে নদের তীরভূমিতে অস্থায়ী ভাবে তৈরি করা ঘর বাড়িতে। এসব ঘরে বসবাস করেন ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষরা। এছাড়া গাবতলী থেকে মিরপুর বেড়িবাঁধ ঘেঁষে বিরুলিয়া হয়ে ধউর পর্যন্ত নদের দুই পাড়ে পানিবন্দি হয়ে পরেছে শত শত পরিবার। </body></HTML> 2020-08-09 17:08:15 1970-01-01 00:00:00 সিনহা হত্যায় আমার সংশ্লিষ্টতা নেই: কোবরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96658 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971226_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971226_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সেনাবাহিনীর অবসারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি ওসি প্রদীপ কুমারকে যখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তখন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকার তথ্য। এই মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে নাকি বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল অভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, সিনহাকে যেখানে হত্যা করা হয় সেই বাহারছড়া সংলগ্ন মারিসঘোণা এলাকাতেই বসবাস করেন চলচ্চিত্রের ফাইটিং গ্রুপ পরিচালনাকারী ইলিয়াস কোবরা। তাই হঠাৎ তার টেলিফোনে করা আমন্ত্রণ পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারেননি মেজর সিনহা।<br><br>পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইলিয়াস কোবরাকে দায়িত্ব দেয়া হয়, আতিথেয়তার নামে নানা কৌশলে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেজর সিনহাকে তার নিভৃত পাহাড়ি গ্রামে আটকে রাখার। ক্রসফায়ারের তালিকায় নাম থাকার গুজব ছড়িয়ে অসংখ্য মানুষকে গোপনে ওসি প্রদীপের সঙ্গে সমঝোতা করিয়ে দেয়ার বেশ নামডাক রয়েছে বলে অভিযোগ কোবরার বিরুদ্ধে। সেদিন মারিসঘোণায় নিজের বাগানবাড়ি ঘুরিয়ে দেখার নামে ইলিয়াস কোবরা বিকাল সাড়ে চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নির্জন পাহাড়েই নিজ হেফাজতে রেখেছিলেন মেজর সিনহাকে। এ সময়ের মধ্যে সিনহার অবস্থান, কতক্ষণ পর কোন রাস্তায় কোথায় যাবেন সেসব তথ্য জানিয়ে কোবরা নয়টি এসএমএস পাঠান ওসিকে।<br><br>এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। পরে বিষয়টি জানতে ইলিয়াস কোবরার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ‘এসএমএস পাঠানো তো দূরের কথা, আমি লেখাপড়াই জানি না। এসব খবর ভিত্তিহীন। আমার সম্মানহানি করার জন্য এমন খবর রটানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।’ ১৯৮৭ সালে সোহেল রানা পরিচালিত ‘মারুক শাহ’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ইলিয়াস কোবরার। এর আগে তিনি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালাতেন। তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন। </body></HTML> 2020-08-09 17:06:40 1970-01-01 00:00:00 স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন চলাচল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96657 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971113_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596971113_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস সীমিত আকারে চলার পর আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০০টি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরপর লোকাল ও মেইল ট্রেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। রবিবার দুপুরে রাজধানীর রেলভবনে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম রেলের মহাপরিচালক শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল আলম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। বর্তমানে ৩৪টি আন্তঃনগর ট্রেন (আপ এবং ডাউন) চালু আছে। আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ১০০টি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হবে।<br><br>১৬ আগস্ট থেকে কোন কোন আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হবে, এর একটি তালিকা করার জন্য রেলের পরিচালন (অপারেশন) বিভাগকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ট্রেন চলাচল বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে কড়াকড়ি অব্যাহত থাকবে। ট্রেনের অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখেই টিকিট বিক্রি করা হবে। মহামারি করোনার বিস্তার রোধে দুই মাসের বেশি সময় দেশে সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে আট জোড়া এবং ৩ জুন আরও ১১ জোড়া ট্রেন চালু হয়। এর ১৭ দিনের মাথায় যাত্রী সংকটে দুটি রুটের ট্রেন সাময়িক স্থগিত করে রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ১৭ জোড়া ট্রেন অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলাচল করছে। </body></HTML> 2020-08-09 17:04:49 1970-01-01 00:00:00 কারাগার থেকে পালানো কয়েদির সন্ধান মেলেনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96656 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596970894_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596970894_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর সিদ্দিকের শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কারাগার পরিদর্শন করে প্রথম দিনের তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেছেন। তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল আবরার হোসেন বিকেলে কারা ফটকের সামনে সাংবাদিকদের জানান, আমাদের তদন্ত কার্যক্রম চলছে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য দেয়া যাচ্ছে না। কারণ আমরা তদন্তের প্রাথমিক কার্যক্রম শেষ করেছি। বাকি কার্যক্রম খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে আপনারা জানতে পারবেন। নতুন করে কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তদন্ত কমিটি এ ব্যাপারে সুপারিশ করবে। আমরা তদন্ত করছি, এ ঘটনায় কারা দায়ী। কিভাবে পালিয়ে গেল সেটা বের করার চেষ্টা করছি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কিছু বলার সুযোগ নেই।<br><br>এদিকে কারাগার থেকে কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার পরপরই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ক্রাইম) মো. শরিফুর রহমান, কোনাবাড়ি থানার ওসি মো. এমদাদ হোসেন ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।<br><br>কারা কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে কোনাবাড়ি থানার ওসি জানান, কয়েদি আবু বকর সিদ্দিক এর আগেও কাশিমপুর কারাগার থেকে ২০১৫ সালের ১৩ মে আত্মগোপন করে ছিলেন। তখন তিনি কারাগারের সেল এলাকায় সেপটিক ট্যাংকির ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। পরদিন তাকে ট্যাংকির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার পর কিছু দিন তাকে কারাগারে শিকল পরিয়ে রাখা হত। এতে আবু বকর মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পরে তাকে শিকলমুক্ত করে দেয়া হয়। কারা চত্বরে তিনি অন্য বন্দিদের সঙ্গে কাজকর্ম করতেন। বৃহস্পতিবারও তিনি অন্য কারাবন্দিদের সঙ্গে মুক্ত অবস্থায় ছিলেন।<br><br>এদিকে কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ও জেলারের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি। কয়েদি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কারাগারের প্রধান কারারক্ষী, সহকারী প্রধান কারারক্ষী ও সাত কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং আরও ৫ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে শুক্রবার বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আবু বকর সিদ্দিক ২০১১ সালে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফাঁসির আসামি হিসেবে কাশিমপুর কারাগারে আসেন। ২০১২ সালের ২৭ জুলাই তার সাজা সংশোধন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন উচ্চ আদালত। </body></HTML> 2020-08-09 17:00:57 1970-01-01 00:00:00 সাবমেরিন কেবল সমস্যায় দেশের ইন্টারনেটে ধীরগতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96655 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596970765_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596970765_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাবমেরিন কেবলের জটিলতায় রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে দেশের ইন্টারনেটে ধীরগতি বলে জানিয়েছে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। জানা গেছে, পটুয়াখালীতে সাবমেরিন ক্যাবল-২ এর ল্যান্ডিং স্টেশনের প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে আজ বেলা ১১টার দিকে পাওয়ার ক্যাবল কাটা পড়ে। সংস্থাটি জানায়, কুয়াকাটার মাইটভাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত সিমিউই-৫ সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, মূল ক্যাবল নয়, পাওয়ার ক্যাবল কাটা পড়েছে। ফলে রিপিটারে বিদ্যুৎ যাচ্ছে না। এজন্য ব্যান্ডউইথ পেতে সমস্যা হচ্ছে। সাবমেরিন ক্যাবল ১ ও আইটিসি দিয়ে আমরা কাজ চালিয়ে নিচ্ছি। ধীর গতি ভর করেছে ইন্টারনেটে। ৪০-৫০ শতাংশ গতি কমে গেছে।<br><br>বিএসসিসিএল জেনারেল ম্যানেজার মির্জা কামাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, রোববার সকালের দিকে আলিপুর নামক স্থানে ক্যাবল কাটা পড়েছে। ঘটনাস্থলে প্রকৌশলীরা পৌঁছেন। লাইন আপ করতে রাত ৯টা লেগে যেতে পারে। এখন শুধুমাত্র সিমিউই-৪ এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা সচল রাখা হয়েছে। স্যাটেলাইটের সক্ষমতা কম থাকায় পুরোপুরি ব্যাকআপ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। </body></HTML> 2020-08-09 16:58:53 1970-01-01 00:00:00 আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিস এত সাহস তোর, থানায় চল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96654 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947988_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947988_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরগুনার আমতলী পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য (হলদিয়া-পঁচাকোড়ালী-আড়পাঙ্গশিয়া) আইনজীবী আরিফুল হাসানকে আটক করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে আমতলী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা পারভীনের নির্দেশে তাকে আটক করে পুলিশ। তবে আটকের কারণ জানাতে রাজি হননি ইউএনও মুনিরা পারভীন। আটকের পর আরিফের মুক্তির দাবিতে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আমতলী পৌর যুবলীগ। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, শহরের সবুজবাগ লঞ্চঘাট এলাকায় পুলিশ নিয়ে অভিযান পরিচালনা করছিলেন ইউএনও মুনিরা। এ সময় আইনজীবী আরিফ ইউএনওকে দেখতে পেয়ে সালাম দেন। সঙ্গে সঙ্গে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিফকে গালাগাল শুরু করেন ইউএনও।<br><br>সেখানে উপস্থিত আমতলী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিএম মুছা বলেন, আরিফ সালাম দেয়ার পরই হঠাৎ ক্ষুব্ধ হন ইউএনও। এ সময় ইউএনও আরিফকে বলেন, "আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিস এত সাহস তোর, থানায় চল" এ কথা বলার পরই আরিফকে আটকের জন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেন তিনি। পরে পুলিশ আরিফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।<br>আরিফকে আটক করার খবর পেয়ে সন্ধ্যায় পৌর যুবলীগ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। এ সময় পৌর যুবলীগ তার মুক্তির দাবি জানায়।<br><br>যোগাযোগ করা হলে বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিরা পারভীন আরিফকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন। আপনার নির্দেশে আরিফকে আটক করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ -এমনটি জানানোর পর এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ইউএনও।<br>আমতলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হেলাল উদ্দীন বলেন, ইউএনওর নির্দেশে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরিফকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত আপনাদের জানানো হবে। বরগুনার জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ব্যাপারে বিস্তারিত আপনাদেরকে পরে আমরা জানাবো। </body></HTML> 2020-08-09 10:39:15 1970-01-01 00:00:00 মহাসড়কে বড় বড় গর্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96653 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947868_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947868_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়কের ঝিনাইদহ থেকে কালীগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। কিন্তু এই ১৫ কিলোমিটারের মাঝে দুই কিলোমিটার রয়েছে চলাচলের উপযোগী। বাকি ১৩ কিলোমিটার পথচারীদের মহা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক স্থানে এতবড় গর্ত তৈরি হয়েছে যে, গর্তে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। আর এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঝে মধ্যে পিচ রাস্তায় ইটের সলিং করে আপাতত চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।<br>সড়ক ও জনপথ বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুষ্টিয়া থেকে যশোর আর ঝিনাইদহ থেকে মাগুরা পর্যন্ত ঝিনাইদহ অংশে প্রায় ৭০ কিলোমিটার মহাসড়ক রয়েছে। এই মহাসড়কের ঝিানাইদহ থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত বর্তমানে চলাচলের একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত।<br><br>সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কের ঝিনাইদহের হামদহ বাসস্ট্যান্ডের পর থেকে লাউদিয়া, চুটলিয়া, তেতুলতলা, বিষয়খালী, কয়ারগাছি, ছালাভরা, বেজপাড়া, খয়েরতলা, নিমতলা বাসস্ট্যান্ড, মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিটুমিন (পিচ) আর পাথর উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্ট গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। সড়ক বিভাগ থেকে মাঝে মধ্যে সংস্কার করা হলেও সৃষ্টি হওয়া গর্তগুলো ভালো হচ্ছে না। সংস্কারের এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। ওই সড়কে একাধিক গাড়ি চালকরা জানান, মাত্র ২০ মিনিটের পথ এখন ৪০ মিনিটেও যাওয়া যাচ্ছে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটির পিচ-পাথর উঠে গর্ত তৈরি হয়। তাছাড়া এই ভাঙাচুরা সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক স্থানেই গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকছে। মাঝে মধ্যে নামমাত্র সংস্কার করা হচ্ছে, যা সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। সড়কটুকুতে সু-নজর নেই কর্তৃপক্ষের।<br><br>ওই সড়কে চলাচলকারী ট্রাকচালক আব্দুল আলিম জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র যোগাযোগ হচ্ছে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-যশোর মহাসড়ক। যশোর বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে ঝিনাইদহের উপর দিয়ে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলাচল করে। তিনি জানান, মোংলা নৌবন্দর থেকেও মালামাল নিয়ে ট্রাক চালকরা এ জেলার উপর দিয়েই উত্তরবঙ্গে যান। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে ঢাকা, রাজশাহী, ফরিদপুরসহ জাতীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন রুটের যাত্রীবাহী বাসসহ পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে থাকে। কিন্তু সড়কটির ঝিনাইদহ থেকে কালীগঞ্জ পর্যন্ত ভেঙেচুরে যাওয়ায় অতিরিক্ত সময়ের পাশাপাশি ভোগান্তির শেষ নেই।<br><br>বাসচালক জামাল হোসেন জানান, খুবই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বাসে যাত্রী নিয়ে হেলেদুলে পথ চলা যায় না। তারপরও উপায় না পেয়ে চলতে হচ্ছে। ভাঙাচুরা রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে গাড়ির অনেক ক্ষতি হচ্ছে। এতে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলো প্রতিনিয়ত বিকল হয়ে পড়ছে।<br>মোটরসাইকেলচালক আব্দুর রহমান জানান, তার বাড়ি জেলার শৈলকুপা উপজেলায়। তিনি পেশার প্রয়োজনে প্রায়ই কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর যেতে হয় তার। কিন্তু সড়কের বেহালদশার কারণে তিনি মহাসড়ক দিয়ে না গিয়ে গ্রামের মধ্যে দিয়ে চলাচল করেন।<br>এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হায়দার জানান, এই সড়কটুকু নিয়ে তিনিও বিপদে আছেন। চেষ্টা করছিলেন পিএমপি প্রকল্পের আওতায় সড়কটুকু সংস্কারের। সে লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। আশা করছেন দ্রুত সড়কটি সংস্কারে বরাদ্দ মিলবে। তবে আপাতত চলাচলের জন্য উপযোগী রাখতে ক্ষুদ্র মেরামত চলছে। </body></HTML> 2020-08-09 10:37:17 2020-08-09 10:38:01 বৈরুতে গুলি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দখল নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96652 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947733_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/08/1596947733_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br> and nbsp;লেবাননের রাজধানী বৈরুতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দখলে নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। গত মঙ্গলবার বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ এবং দুর্নীতির প্রতিবাদে শনিবারও দেশটিতে বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। এদিন পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে তাদের। বৈরুতের শহীদ চত্বর এলাকায় গুলির ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া, কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী লেবাননের পররাষ্ট্র মন্ত্রণায়ের কার্যালয়ে প্রবেশ করে সেটি দখলে নিয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ এবং রাজনীতিতে সংস্কার চেয়ে কিছুদিন ধরেই লেবাননে বিক্ষোভ চলছিল। বৈরুতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। সরকারের গাফিলতির কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে দাবি করে গত বৃহস্পতিবার থেকে রাজপথে বিক্ষোভ করছেন দেশটির হাজার হাজার মানুষ।<br><br>আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার লেবাননে বিক্ষোভে অংশ নেন অন্তত পাঁচ থেকে সাত হাজার মানুষ। এদিন বিস্ফোরণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বৈরুত বন্দরের শহীদ চত্বর থেকে বিশাল মিছিল বের করা হয়। তবে দিনের শুরুতেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়লে পুলিশও টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে তার জবাব দেয়।<br><br>এদিন বিক্ষোভের মধ্যে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে একটি দল লেবানিজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করে। এসময় তারা দেশটির প্রেসিডেন্ট মিশেল আউনের ছবিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং মন্ত্রণালয় দখলের ঘোষণা দেয়। এক বিক্ষোভকারী বিবিসি’কে জানান, প্রায় একশ’ লোক তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের ভবনে প্রবেশ করেছে। তারা ভবনে প্রবেশপথের দখল নিয়েছে। রেডক্রসের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এদিন বিক্ষোভের সময় অন্তত ১১০ জন আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।<br><br>পুলিশ জানিয়েছে, শহীদ চত্বরে গুলির শব্দ শোনা গেছে। তবে কারা গুলি চালিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন লেবানিজ প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব। টেলিভিশনের এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘আগাম সংসদীয় নির্বাচন ছাড়া আমরা দেশের কাঠামোগত সংকট থেকে বের হতে পারব না। বিষয়টি নিয়ে আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে।’<br><br>সূত্র: বিবিসি </body></HTML> 2020-08-09 10:35:01 1970-01-01 00:00:00